সম্বিত পাত্র বলেন, "পার্থ চট্টোপাধ্যায় সেই সময় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছিলেন বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য, বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা, শান্তনু কুণ্ডু ও কুন্তল ঘোষ।"

হাতে পার্থ-অর্পিতার সেই ছবি, বড় কথা বলে দিলেন সম্বিত পাত্র
পার্থ-অর্পিতার ছবি দেখিয়ে কী বললেন সম্বিত পাত্র?


নিয়োগ দুর্নীতির জের। সুপ্রিম নির্দেশে চাকরি খোয়ালেন প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কেই দুষল বিজেপি। এ দিন নিয়োগ দুর্নীতির গোড়ায় পৌঁছে যান বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ছবি দেখিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন করলেন, এই টাকা কোথা থেকে এল?

এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে সম্বিত পাত্র বলেন, “বাংলায় একনায়কতন্ত্র চলছে। তালিবানি শাসন চলছে। এই তালিবানি শাসনের বিরুদ্ধে বাংলার জনতাকে একজোট হতে হবে।”

নিয়োগ দুর্নীতিতেই ২০২২ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। সে প্রসঙ্গ টেনে এনেই সম্বিত পাত্র বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায় সেই সময় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছিলেন বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য, বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা, শান্তনু কুণ্ডু ও কুন্তল ঘোষ।”

এরপরে পার্থ-অর্পিতার ছবি দেখিয়ে সম্বিত পাত্র বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে কে? অর্পিতা মুখোপাধ্যায় পার্থর ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ছিলেন। তাদের বাড়িতে দুইবার ইডি অভিযানে ৪৯ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছিল। কীভাবে কোটি কোটি টাকা হাতানো যায়, তার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আমাদের ঘরে ঝাড়ু দিলেও এত কাগজ বেরবে না, যত টাকা উদ্ধার হয়েছিল পার্থ-অর্পিতার বাড়ি থেকে।”

সুপ্রিম কোর্টের রায় পড়ে তিনি বলেন, “প্রতারণা হয়েছে। কীসের বৈধতা- বিশ্বাসযোগ্যতা? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে গিয়েছে। এটা বিজেপ বলছে না। সুপ্রিম কোর্ট বলছে। হাইকোর্ট ঠিক বলেছে। ২৩-২৪ লাখ যুবক-যুবতী আবেদন করেছিল। প্রত্যেক আবেদনকারীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল।”


Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours