WEATHER

Top News


অপরদিকে, পুলিশ সূত্রে খবর গ্রেফতার হওয়া মাও নেত্রীর শারীরিক অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। জানা যাচ্ছে, ২০০৫-২০০৬ সালে এ রাজ্যে সক্রিয় ছিলেন। পশ্চিম মেদিনীপুরে গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে জামিন পেয়ে আবারও সংগঠনে যুক্ত হন তিনি।

মাথার দাম ছিল ১৫ লক্ষ, সেই মাওবাদী নেত্রী বেলাকে গ্রেফতার বাংলার পুলিশের, আত্মসমর্পণ আরও এক মাওবাদীর
মাওবাদী নেতা

গ্রেফতার ঝাড়খণ্ডের প্রবীণ মাওবাদী নেত্রী। ধৃতের নাম শ্রদ্ধা বিশ্বাস ওরফে বেলা (৬০) । কলকাতার উত্তর কাশীপুর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা যাচ্ছে, তিনি নদিয়ার চাকদহের বাসিন্দা তিনি। অপরদিকে, আরও এক মাওয়াবাদী আত্ম-সমর্পণ করেছেন। তাঁর নাম মাধাই।

আজ সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন জয়েন্ট সিপি STF ভি সলোমান,অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডিপি সিং। সেখানে হাজির করানো হয় মাধাই বাবুকে। তিনি সাংবাদিকদের সামনে বলেন, “আমি পার্টিতে যুক্ত হয়েছিলাম, তখন পার্টির রীতি-নীতি সবই ভাল ছিল। পরে দলের পরিবর্তন হয়েছে, সমাজের পরিবর্তন হয়েছে। আমি সেই সব বিচার করে সমাজের মূল ধারায় ফিরে আসার চিন্তাভাবনা করেছি। আমি বলেই এসেছি যে আমি আত্মসমর্পণ করে কাজ করব। আমি এতদিন বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শেষমেশ সারেন্ডায় ছিলাম। ওইখানে থেকে আমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতেই আমি চলে ফিরে এসেছি।”


বস্তুত, মাধাই জঙ্গিপাড়া হুগলির বাসিন্দা। ২০০৭ সালে এ রাজ্যে গ্রেফতার হয় পুলিশের হাতে। জামিন পেয়ে ঝাড়খণ্ড গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করেছেন। তবে এখন মূল স্রোতে ফিরে আসতে চাইছেন তিনি।

অপরদিকে, পুলিশ সূত্রে খবর গ্রেফতার হওয়া মাও নেত্রীর শারীরিক অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। জানা যাচ্ছে, ২০০৫-২০০৬ সালে এ রাজ্যে সক্রিয় ছিলেন। পশ্চিম মেদিনীপুরে গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে জামিন পেয়ে আবারও সংগঠনে যুক্ত হন তিনি। ঝাড়খণ্ডেও রয়েছে একাধিক মামলা। তাঁর ১৫ লক্ষ টাকা মাথার দাম ঘোষণা করেছিল সে রাজ্যের পুলিশ। কোনও এক কারণে তিনি এসে কলকাতায় এসে থাকছিলেন। সেই খবরই যায় STF-এর কাছে। আর তারপরই গ্রেফতার হন তিনি।

গতকাল সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “সরকারের কাজ সরকারের মতো করুন। সকলে যেভাবে সরকারি কাজ করে, সেই ভাবেই সরকারি কাজকে মান্যতা দিতে হবে।” মুখ্যমন্ত্রীই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, সরকারি কর্মীদের এবার নতুন উদ্যমে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এবার নির্দেশিকা জারি করে সেটাই স্পষ্ট করে দিল নবান্ন।  

১০টার মধ্যে ঢুকতে হবে, ৫টার আগে বেরনো যাবে না', সরকারি কর্মীদের জন্য কড়া নির্দেশিকা
নবান্ন

নিয়ম আগেও ছিল। কিন্তু, কর্ম সংস্কৃতির সেই নিয়ম কতটা মানা হত, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। ১৫ বছর পর রাজ্যে সরকার বদলেছে। আর সরকার বদলাতেই কর্ম সংস্কৃতিকে কড়া নিয়মে বাঁধতে উদ্যোগী হল নবান্ন।রীতিমতো নির্দেশিকা জারি করে সরকারি দফতরগুলিতে কর্মীদের যাওয়া-আসার সময় বেঁধে দেওয়া হল। একেবারে কড়া বার্তা দিয়ে জানানো হল, কাজে কোনও ফাঁকি বরদাস্ত করা হবে না। সকাল ১০টায় দফতরে আসতে হবে। এবং কোনওমতেই ৫টার আগে বেরনো যাবে না। নিয়ম মেনে চলতে হবে। 

কেন নতুন নির্দেশিকা জারি?  




সরকারি দফতরে গিয়ে সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। তাঁদের কাজ সহজে হয় না। এই অভিযোগ অনেকদিনের। সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে কাজে ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। কড়া নিয়ম অবশ্য বরাবরই ছিল। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অফিসে থাকতে হবে কর্মীদের। এই নিয়ম আগের সরকারেও ছিল। অভিযোগ, সেই নিয়মের ফাঁকও ছিল। নিয়ম যে ঠিকমতো মানা হত না, সেকথা আড়ালে স্বীকার করেন অনেক অফিসারই।

এবার আর তা করলে হবে না। নতুন সরকার আসার পরই কড়া নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দিল নবান্ন। সব সচিবালয়ের অফিসারদের নিয়ম মেনে কাজের নির্দেশ দেওয়া হল। নবান্ন থেকে শুরু করে রাজ‍্যের সব সরকারি দফতরে কর্ম সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে আবার নতুন করে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

গতকাল সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “সরকারের কাজ সরকারের মতো করুন। সকলে যেভাবে সরকারি কাজ করে, সেই ভাবেই সরকারি কাজকে মান্যতা দিতে হবে।” এমনকী, তিনি এও বলেছিলেন, “মাথা উঁচু করে কাজ করুন। কোনও সমস্যা হলে সরাসরি বলবেন। ভয় পাবেন না। আলাদা করে অনুপ্রেরণার প্রয়োজন নেই।” মুখ্যমন্ত্রীই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, সরকারি কর্মীদের এবার নতুন উদ্যমে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এবার নির্দেশিকা জারি করে সেটাই স্পষ্ট করে দিল নবান্ন।

 ১৯৯১ সালে প্রথমবার বাগানের সচিব হন টুটু বসু। ধীরেন দে-র বদলে তাঁর উঠে আসা যেন ধূমকেতুর মতো। এরপরেই বাগানে শুরু হয় টুটু-অঞ্জন যুগ। দুজনে একের পর এক কীর্তি ঘটিয়েছেন ক্লাবের জন্য। গতবছরের ৩০ জুলাই মোহনবাগান দিবসে 'মোহনবাগান রত্ন' উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল তাঁকে।

 এ যেন এক যুগের অবসান। দীর্ঘ রোগভোগের পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মোহনবাগানের (Mohunbagan Supergiant) প্রাণপুরুষ স্বপনসাধন (টুটু) বসু (Tutu Bose)। সোমবারই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার রাত ১১ টা ৫৫ মিনিটে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তাঁর মৃত্যুর ফলে ইতিমধ্যেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে ভারতীয় ফুটবলে (Indian Football)।

মঙ্গলবারই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান বর্তমান ফুটবল প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চৌবে (Kalyan Chaubey) ও বর্তমান ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nishith Pramanik)। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Shubhendu Adhikari) ইতিমধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন মোহনবাগান ক্লাবের এই প্রাণকর্তা। হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা করাও সম্ভব ছিল না তাঁর জন্য। সোমবার রাতে ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হয় তাঁর। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। ভেন্টিলেশনেই রাখা হয়েছিল তাঁকে। বেশ কয়েক বছর ধরেই ফুটবলের সঙ্গে নিজের দূরত্ব বাড়িয়ে নিয়েছিলেন টুটু বসু। তাঁর অসুস্থতার খবরে উদ্বিগ্ন ছিলেন রাজ্যের হাজার হাজার ক্রীড়াপ্রেমী। রসগোল্লা মানে যেমন কলকাতা, তেমনই মোহনবাগানের অর্থ টুটু বসু – এমনই বুঝতেন মোহন সমর্থকেরা। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে দ্বিতীয়বার হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। এরপরেই যেন তাঁর সাজানো বাগানে নেমে আসে এক অপার নিস্তব্ধতা। ১২ মে ২০২৬, রাত ১১ টা ৫৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মোহনবাগানের এই প্রবাদপ্রতিম কর্তা। রেখে গেলেন তাঁর ‘সাজানো বাগান’কে।



গতবছরের ৩০ জুলাই মোহনবাগান দিবসে ‘মোহনবাগান রত্ন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল তাঁকে। পুরস্কার পেয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেছিলেন এই বর্ষীয়ান কর্তা।বলেছিলেন,“আগামী জন্মেও মোহনবাগান সমর্থক হয়েই জন্মাতে চাই।” সঙ্গে ক্লাবকে ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে বলেছিলেন,“এই টাকাটা দিয়ে আমাকে একটা লাইফ মেম্বারের পদ দিও। পরজন্মেও যাতে এই কার্ডটা নিয়ে মাঠে ঢুকতে পারি।” একই সঙ্গে মোহনবাগানের ক্যান্টিন যেন তাঁর নামে করা হয়, এমন আবদার করেছিলেন টুটু বসু। আজকের পর সবই স্মৃতি।

১৯৯১ সালে প্রথমবার বাগানের সচিব হন টুটু বসু। ধীরেন দে-র বদলে তাঁর উঠে আসা যেন ধূমকেতুর মতো। এরপরেই বাগানে শুরু হয় টুটু-অঞ্জন যুগ। দুজনে একের পর এক কীর্তি ঘটিয়েছেন ক্লাবের জন্য। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছিলেন অঞ্জন মিত্র। এরপরে ক্লাবের সভাপতি হয়েছিলেন তিনি। মোহনবাগানের বহু খারাপ সময়ে দলকে একা উৎরে দিয়েছেন তিনি। স্পনসরহীন বাগান দলকে বহুদিন একার কাঁধে বসিয়ে টেনে নিয়ে গিয়েছেন টুটু বসু। চিমা ওকোরি হোক বা ওডাফা ওকোলি বা সাম্প্রতিক সময়ের সনি নর্ডি – সবাই তাঁর জাদুবলেই দলে এসে দলকে নিয়ে গিয়েছিলেন এক অন্য উচ্চতায়। তবে আজ তাঁর চলে যাওয়াতে যেন অভিভাবক হারাল মোহনবাগান। নামে ‘সুপারজায়ান্ট’ থাকলেও, কলকাতা ময়দানের ‘জায়ান্ট’ কর্তা আজ সত্যিই চলে গেলেন অসীমে।

আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, "কোর্ট নির্দেশ দেয় ২০২৪। সুপ্রিম কোর্ট ২০২৫ সালে নির্দেশ দেয়। ওরা সেটা শুরু না করায় নতুন করে ফাইল করি। সেক্ষেত্রে নতুন সরকার তো টাকা ফেরত চাইতে পারে।" অপরদিকে, বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, "এটা তো সুপ্রিম নির্দেশ। সরকার মানতে বাধ্য। আপত্তি থাকলে কোর্টে যেতে হবে।"

অযোগ্যদের নিয়ে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর সরকারের, ফেরাতে হবে সব বেতন
টাকা ফেরানোর নির্দেশ

স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে চাকরি হারানো ‘অযোগ্য’ বা ‘টেন্টেড’ (tainted) প্রার্থীদের বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। পরে সেই রায় বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। দুই আদালতেরই বক্তব্য, অযোগ্যদের ফিরিয়ে দিতে হবে বেতন। আর রাজ্যের পালা বদলের পর নতুন সরকার কাজ শুরু করতেই মহা বিপদে এবার অযোগ্যরা। তাঁদের কাছ থেকে বেতন ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করছে শিক্ষা দফতর।

জানা যাচ্ছে, জেলায় জেলায় জেলাশাসকদের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে শিক্ষা দফতরের কাছে। মঙ্গলবারই প্রত্যেক জেলাশাসকদের কাছে পৌঁছেছে শিক্ষা দফতরের চিঠি। এর আগে বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও, টাকা ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেনি পূর্বতন সরকার। তবে,দ্রুত টাকা ফেরত নিয়ে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ জেলাশাসকদের।



কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, যাঁরা বেআইনিভাবে বা দুর্নীতির মাধ্যমে যেমন-ওএমআর শিট জালিয়াতি, র‌্যাঙ্ক জাম্প করে চাকরি পেয়েছেন,শুধুমাত্র তাঁদেরই পাওয়া বেতন ফেরত দিতে হবে।

হাইকোর্টের রায়ে ১২ শতাংশ সুদে এই টাকা ফেরতের কথা বলা হয়েছিল।

শীর্ষ আদালত মানবিক কারণে বিশেষ সক্ষম শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রে বেতন ফেরতের বিষয়ে কিছু ছাড় দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চাকরি যায় ছাব্বিশ হাজার চাকরি প্রার্থীর। এই নিয়ে মামলা-মকোদ্দমা কম হয়নি। তখনই এই নির্দেশ দেয়। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, “কোর্ট নির্দেশ দেয় ২০২৪। সুপ্রিম কোর্ট ২০২৫ সালে নির্দেশ দেয়। ওরা সেটা শুরু না করায় নতুন করে ফাইল করি। সেক্ষেত্রে নতুন সরকার তো টাকা ফেরত চাইতে পারে।” অপরদিকে, বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “এটা তো সুপ্রিম নির্দেশ। সরকার মানতে বাধ্য। আপত্তি থাকলে কোর্টে যেতে হবে।”

 কলকাতা শহরের একাধিক জায়গায় বাইক চালকদের বেশিরভাগ হেলমেট ব্যবহার করেন না বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে রাতে বিভিন্ন জায়গায় বাইক চালকদের দাপট দেখা যায়। হেলমেট ছাড়াই দ্রুত গতিতে বাইক চালান। ওইসব বাইক চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ ওঠে।

হেলমেট ছাড়া বাইক নিয়ে রাস্তায়? সাবধান হয়ে যান
প্রতীকী ছবি


নিয়ম রয়েছে। কিন্তু, সেই নিয়মকে একাংশ বাইক চালক লঙ্ঘন করেন বলে বারবার অভিযোগ উঠে। রাজ্যে পালাবদলের পরই এবার হেলমেট ছাড়া বাইক চালালে কড়া পদক্ষেপের বার্তা দিল রাজ্য পুলিশ। গতকাল রাজ্য পুলিশ একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে। আর সেখানেই বাইক চালকদের হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক করতে পুলিশকে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা শহরের একাধিক জায়গায় বাইক চালকদের বেশিরভাগ হেলমেট ব্যবহার করেন না বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে রাতে বিভিন্ন জায়গায় বাইক চালকদের দাপট দেখা যায়। হেলমেট ছাড়াই দ্রুত গতিতে বাইক চালান। ওইসব বাইক চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ ওঠে।



এই অবস্থায় ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ জোর দিল। গতকাল নবান্ন থেকে রাজ্য পুলিশের একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, বাইক চালানোর সময় হেলমেট পরা বাধ্যমূলক করতে বিশেষ অভিযান চালাতে হবে। ট্র্যাফিক বিভাগ ও থানাগুলিকে যৌথভাবে অভিযান চালাতে বলা হয়েছে। এডিজি ট্র্যাফিক নিয়মিত রিপোর্ট সংগ্রহ করবেন। নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, হেলমেট ছাড়া কেউ যাতে বাইক না চালান, তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাইক চালানোর সময় হেলমেট পরার গুরুত্ব তুলে ধরে ট্র্যাফিক পুলিশের আধিকারিকরা বলছেন, বাইক চালানোর সময় হেলমেট পরা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা সবাই জানেন। একটা হেলমেট দুর্ঘটনার সময় চালকের প্রাণ বাঁচাতে পারে। এই নিয়ে প্রচারও করা হয়। তা সত্ত্বেও একাধিক জায়গায় হেলমেট না পরে অনেকে বাইক নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। তা যাতে না হয়, সেটা নিশ্চিত করতেই এবার কড়া নির্দেশিকা জারি করা হল।


মাসদেড়েক আগেই রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন লীনা। অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর তদন্তে যাতে কোনও 'প্রভাব' খাটানোর অভিযোগ না উঠে, সেজন্য সেইসময় রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন লীনা। তবে পরে আর ইস্তফা দেননি। এবার সরকার বদল হতে সেটাই করলেন।

সরকার বদল হতেই রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন পদে ইস্তফা, কী বললেন লীনা?
লীনা গঙ্গোপাধ্যায়

অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু ঘিরে বিতর্কে টলিউডের একাংশ নিশানা করেছিলেন তাঁকে। সেইসময়ই রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের পদ ছাড়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। তৃণমূলের আমলে একাধিক ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। আর রাজ্যে পালাবদলের পরই রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়। মেয়াদ শেষের আগেই পদ ছাড়লেন তিনি।

লীনা গঙ্গোপাধ্যায় একাধারে চিত্রনাট্যকার ও লেখক। তাঁর প্রযোজনা সংস্থাও রয়েছে। তিনি তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। গত প্রায় ৯ বছর ধরে তিন দফায় তিনি রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রয়েছেন। এ বছরের জুলাইয়ে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, রাজ্যে পালাবদলের পর ইস্তফা দিলেন লীনা। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, নতুন সরকারে নারী ও শিশুবিকাশ মন্ত্রী হয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। তারপরই লীনার পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।


20 
তবে মাসদেড়েক আগেই রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন লীনা। গত ২৯ মার্চ ওড়িশার তালসারিতে সিরিয়ালের শুটিংয়ে গিয়ে সমুদ্রের জলে ডুবে প্রাণ হারান অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়। লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রযোজনা সংস্থার সিরিয়াল ছিল। রাহুলের মৃত্যুর পর লীনা দাবি করেছিলেন, জলে নেমে শুটিংয়ের দৃশ্য ছিল না। রাহুল নিজেই নেমেছিলেন সমুদ্রে। পরে জানা যায়, শুটিং করার সময়ই জলে তলিয়ে যান রাহুল।

লীনা-সহ প্রযোজনা সংস্থার কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন রাহুলের স্ত্রী অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। টলিউডের একাংশ লীনার বিরুদ্ধে সরব হন। রাহুলের মৃত্যুর তদন্তে যাতে কোনও ‘প্রভাব’ খাটানোর অভিযোগ না উঠে, সেজন্য সেইসময় রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন লীনা। তবে পরে আর ইস্তফা দেননি। এবার সরকার বদল হতে সেটাই করলেন।

ইস্তফা নিয়ে কী বললেন লীনা?

রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন হিসেবে মেয়াদ তিন বছরের। ৩ বছর করে ৩ দফায় চেয়ারপার্সন করা হয় লীনাকে। জুলাইয়ে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এখন ইস্তফা দেওয়ার কারণ নিয়ে টিভি৯ বাংলাকে লীনা জানালেন, “আমি কয়েকদিন আগেই ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছি। গৃহীত হওয়ার পর যে বার্তা আসে, তা এখনও আসেনি। তাই এখনও কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আজকে উপস্থিত থাকব দফতরে।” লীনা জানালেন, তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল জুলাইয়ে। তবে জুন মাসে তিনি শহরের বাইরে যাবেন। তাই জুন মাস থেকেই পারতেন না এই দায়িত্ব সামলাতে।

এক সপ্তাহ আগে অসুস্থতার কারণে প্রতীক যাদবকে লখনউয়ের মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। অবস্থা স্থিতিশীল হলে তাঁকে বাড়ি ফিরিয়ে আনা হয়। এদিন ভোরে ফের অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। তবে শেষরক্ষা হয়নি।


 অখিলেশের পরিবারে শোকের ছায়া, মাত্র ৩৮ বছর বয়সে প্রয়াত মুলায়মের ছোট ছেলে
প্রয়াত প্রতীক যাদব

সৎ ভাইকে হারালেন অখিলেশ যাদব। মাত্র ৩৮ বছর বয়সে মৃত্যু হল সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মুলায়ম সিং যাদবের ছোট ছেলে প্রতীক যাদবের। বুধবার ভোরে লখনউয়ের সিভিল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সংকটজনক অবস্থায় প্রতীককে সিভিল হাসপাতালে আনা হয়েছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় তাঁর। প্রতীক যাদব ছিলেন বিজেপি নেত্রী তথা উত্তর প্রদেশের রাজ্য মহিলা কমিশনের সহ-সভাপতি অপর্ণা যাদবের স্বামী। প্রতীকের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

সিভিল হাসপাতালের ডিরেক্টর জিপি গুপ্তা জানিয়েছেন, বুধবার ভোর ৫টা নাগাদ তাঁরা খবর পান প্রতীক অসুস্থ। সঙ্গে সঙ্গে প্রতীকের বাড়িতে চিকিৎসকদের একটি টিম যায়। সেখানে গিয়ে চিকিৎসকরা দেখেন, মুলায়মের ছোট ছেলের অবস্থা সংকটজনক। সাড়ে ৫টার দিকে সিভিল হাসপাতালে আনা হয় প্রতীককে। চিকিৎসক জিপি গুপ্তা বলেন, “চিকিৎসকরা সবরকম চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু, প্রতীককে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।” ময়নাতদন্তের পরই প্রতীকের মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

ঢুকেই 'সার্জিক্যাল স্ট্রাইক' শুভেন্দুর, এবার চাকরি যাবে এঁদের
20 सुंदर जगहें जहाँ ज़िंदगी में एक बार जाना चाहिए
জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহ আগে অসুস্থতার কারণে প্রতীক যাদবকে লখনউয়ের মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। অবস্থা স্থিতিশীল হলে তাঁকে বাড়ি ফিরিয়ে আনা হয়। মেদান্তয় প্রতীকের চিকিৎসা চলাকালীন অখিলেশ যাদব এবং ডিম্পল যাদবও তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন।

কে প্রতীক যাদব?

সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মুলায়ম সিং যাদবের দ্বিতীয় স্ত্রী সাধনা গুপ্তার ছেলে হলেন প্রতীক যাদব। ফলে সম্পর্কে অখিলেশ যাদবের সৎ ভাই প্রতীক। তাঁর পরিবার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু, নিজে রাজনীতি থেকে দূরে থাকতেন প্রতীক। ব্রিটেনের লিডস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেন। সমাজ মাধ্যমে নিজের ফিটনেস সংক্রান্ত ফোটো ও ভিডিয়ো শেয়ার করতেন। ২০১৬ সালে লখনউয়ে তিনি প্রথম জিম খোলেন প্রতীক। ২০১১ সালে অপর্ণার সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। তাঁদের এক কন্যা রয়েছে। অপর্ণা ২০২২ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। কয়েকমাস আগেই স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন প্রতীক।

বর্তমানে ২২ ক্যারেটের ১ গ্রাম সোনার দাম ১৪ হাজার টাকার উপরে রয়েছে। ২৪ ক্যারেট সোনার ১ গ্রামের দাম ১৫ হাজার টাকার উপরে রয়েছে। এবার আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি পাওয়ায় ২২ ক্যারেটের ১ গ্রাম সোনার দামই ২০ হাজারের গণ্ডি পার করতে পারে। অর্থাৎ ২ লাখ টাকা ছাড়াবে সোনার দাম। 

 ২ লাখ ছাড়াবে সোনার দাম! সোনা-রুপোয় আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করল সরকার
বাড়বে সোনা কেনাকাটির খরচ।

 সোনা কিনতে বারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। এবার কেন্দ্রের আরও বড় এক পদক্ষেপ। ভারত সোনা-রুপোর উপরে আমদানি শুল্ক বা ইমপোর্ট ট্যারিফ (Import Tariff on Gold-Silver) বৃদ্ধি করল। এর ফলে সোনা-রুপো কেনার খরচ একধাক্কায় অনেকটাই বাড়বে।

কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, সোনা-রুপোর আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। সোনা-রুপো কেনাকাটি কমাতে এবং দেশের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ বাড়াতেই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতেও সাহায্য করবে।



সরকারের তরফে সোনা-রুপোর উপরে ১০ শতাংশ বেসিক কাস্টম ডিউটি বসানো হয়েছে। এর পাশাপাশি ৫ শতাংশ এগ্রিকালচার ইনফ্রাস্টাকচার ও ডেভেলপমেন্ট সেস বসানো হয়েছে। তাতেই আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৫ শতাংশ হয়েছে।

আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি পাওয়ায় সোনা-রুপোর দাম অনেকটাই বাড়বে। বাজার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রতি গ্রাম সোনার দাম ৬-৭ হাজার টাকা বৃদ্ধি পেতে পারে। রুপোর দামও একই রকম বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের ১ গ্রাম সোনার দাম ১৪ হাজার টাকার উপরে রয়েছে। ২৪ ক্যারেট সোনার ১ গ্রামের দাম ১৫ হাজার টাকার উপরে রয়েছে। এবার আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি পাওয়ায় ২২ ক্যারেটের ১ গ্রাম সোনার দামই ২০ হাজারের গণ্ডি পার করতে পারে। অর্থাৎ ২ লাখ টাকা ছাড়াবে সোনার দাম।

ইন্ডিয়া বুলিয়ান অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের ন্যাশনাল সেক্রেটারি সুরেন্দ্র মেহতা বলেছেন, “আশাতীতভাবেই সরকার আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি করেছে বিদেশি মুদ্রার ঘাটতি পূরণ করতে। এর প্রভাব সোনার গহনার চাহিদা ও কেনাবেচার উপরে ব্যাপকভাবে পড়বে। ইতিমধ্যেই সোনা-রুপোর দাম অনেকটা বেশি রয়েছে। আমদানি শুল্ক বাড়ায় সোনা-রুপোর গহনার দাম আরও বৃদ্ধি পাবে।”

ইন্ডাস্ট্রি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সরকার সোনা-রুপোয় আমদানি শুল্ক বাড়ানোয় সোনা-রুপোর স্মাগলিং বা চোরাচালান বৃদ্ধি পেতে পারে।

গত রবিবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেন যে আগামী এক বছর যেন সোনার গহনা কেনা থেকে বিরত থাকে সবাই। বিদেশ ভ্রমণ ও ডেস্টিনেশন ওয়েডিং-ও আপাতত স্থগিত রাখতে অনুরোধ করেছেন। সংস্থাগুলিকে করোনাকালের মতো ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করতে অনুরোধ করেছেন। এই সবই তিনি বলেছেন দেশের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ রক্ষা করতে।

ভারত তার সোনার চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশই আমদানি করে বিদেশ থেকে। এর জন্য ডলার খরচ হয়। এদিকে, ডলারের সাপেক্ষে ভারতীয় মুদ্রার দাম ক্রমশ পড়ছে। এশিয়ার সবথেকে খারাপ পারফর্ম করা কারেন্সি বা মুদ্রা বর্তমানে ভারতীয় রুপি। ফরেন রিজার্ভ বা বিদেশি মুদ্রা ভাণ্ডার রক্ষা করতেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত।

 জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নিজের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (SPG)-কে নির্দেশ দিয়েছেন যে কনভয়ে যেন ইলেকট্রিক গাড়ির সংখ্যা বাড়ানো হয়। তবে তিনি এ কথাতেও জোর দিয়েছেন যে নতুন গাড়ি যেন কেনা না হয়।  


জ্বালানি বাঁচাতে বিরাট পদক্ষেপ, নিজের কনভয়ের সংখ্যাই কমিয়ে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
প্রধানমন্ত্রীর কনভয়ের সংখ্যা কমানো হচ্ছে।


দেশবাসীকে জ্বালানি খরচ কমানোর নির্দেশ। পেট্রোল-ডিজেল কম খরচ করতে কার পুলিং থেকে শুরু করে ট্রেন-মেট্রোর মতো গণপরিবহনে যাতায়াত বাড়ানোর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। সোনা কিনতে বারণ করেছেন, বিদেশ ভ্রমণও স্থগিত রাখতে বলেছেন। এবার নিজের জন্যও বড় সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিজের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা (Convoy Size Cut) কমিয়ে দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

ইরান-আমেরিকা সংঘর্ষের জেরে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব পড়েছে ভারতের উপরেও। জ্বালানি সঙ্কট রুখতে এবং বিকল্প শক্তি ব্যবহার বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। বাকিদের মতো প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজেও জ্বালানি বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই তিনি নিজের কনভয়ের গাড়ির সংখ্য়া কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ৫০ শতাংশ গাড়ি কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 



জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নিজের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (SPG)-কে নির্দেশ দিয়েছেন যে কনভয়ে যেন ইলেকট্রিক গাড়ির সংখ্যা বাড়ানো হয়। তবে তিনি এ কথাতেও জোর দিয়েছেন যে নতুন গাড়ি যেন কেনা না হয়।

সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পরই এসপিজি কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমানোর চেষ্টা করছে, তবে ব্লু বুক অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় যাতে কোনও ঘাটতি বা খামতি না হয়, তাও নিশ্চিত করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সিদ্ধান্তের পরই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা ও মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবও তাদের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর পর অন্যান্য মন্ত্রী, মন্ত্রক এবং দপ্তরের ব্যবহৃত গাড়ির সংখ্যাও কমানো হচ্ছে বলে খবর। DoPT-র তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা আসতে পারে বলে খবর। আপাতত বড় আকারের সরকারি অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলার চেষ্টা করা হবে। কর্মীদের মেট্রোয় এবং পুলকারে যাতায়াতের আবেদন করতে চলেছে সরকার।

নো ভেহিকেল ডে-তে মন্ত্রী থেকে শুরু করে সাংসদ, বিধায়ক, অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সপ্তাহে নির্দিষ্ট একদিন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা গণপরিবহন ব্যবহার করতে হবে। তারা নিজস্ব গাড়ি বা কনভয় ব্যবহার করতে পারবেন না।

ঘোষণা হল 'No Vehicle Day'-র, সপ্তাহে একদিন কী কী নিয়ম মানতে হবে?
ফাইল চিত্র।

বড়সড় জ্বালানি সঙ্কটের মুখে দেশ। ইরান-আমেরিকা সংঘর্ষের জেরে বিশ্ব জুড়েই জ্বালানির ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ভারতও তার ব্যতিক্রম নয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী (PM Narendra Modi) জ্বালানি বাঁচাতে গণপরিবহন ব্যবহারে জোর দিয়েছেন। ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে, কার পুলিং অর্থাৎ গাড়িতে একাধিক যাত্রী নিয়ে আসার কথা বলেছেন। এবার জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রথম পদক্ষেপ উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকারের। ঘোষণা করা হল ‘নো ভেহিকেল ডে’ (No Vehicle Day)। 

নো ভেহিকেল ডে-
উত্তর প্রদেশ সরকারের তরফে সাপ্তাহিক নো ভেহিকেল ডে ঘোষণা করা হয়েছে। কী হবে তাতে? মন্ত্রী থেকে শুরু করে সাংসদ, বিধায়ক, অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সপ্তাহে নির্দিষ্ট একদিন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা গণপরিবহন ব্যবহার করতে হবে। তারা নিজস্ব গাড়ি বা কনভয় ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে ব্যবহার করা যাবে ইলেকট্রিক গাড়ি। জোর দেওয়া হয়েছে সাইক্লিং এবং কার পুলিং-এর উপরে।




যোগীর নির্দেশ-
প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের কথা বলেছেন। সেই অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও নির্দেশ দিয়েছেন যে উত্তর প্রদেশ সরকারের সচিবালয় এবং ডিরেক্টরেট-এর যাবতীয় মিটিংয়ের ৫০ শতাংশ অনলাইনে করতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রী নিজে কনভয়ের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছেন। অন্যান্য মন্ত্রী এবং আমলাদের কনভয় এবং গাড়ির সংখ্যাও ৫০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছেন যোগী।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে বন্দে মাতরম নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেয় অমিত শাহর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এক নির্দেশিকায় বলা হয়, এবার থেকে বন্দে মাতরমের ৬টি স্তবকই গাইতে হবে। ‘বন্দে মাতরম’ গান গাওয়া বা বাজানোর সময় শ্রোতাদের উঠে দাঁড়াতে হবে।

বন্দে মাতরম নিয়ে স্কুলগুলিকে বড় নির্দেশ শিক্ষা দফতরের, কী বলা হয়েছে?
ফাইল ফোটো

এবার রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম নিয়ে বড় পদক্ষেপ শিক্ষা দফতরের। আজ (বুধবার) থেকে স্কুলে স্কুলে প্রার্থনার সময় গাইতে হবে বন্দে মাতরম। এই নিয়ে প্রধান শিক্ষকদের বার্তা পাঠিয়েছে শিক্ষা দফতর। বলা হয়েছে, জাতীয় সংগীত জনগনমণ-র পাশাপাশি স্কুলে প্রার্থনার সময় বন্দে মাতরমও গাইতে হবে। এমনকি, রাষ্ট্রীয় গীত স্কুলে প্রার্থনার সময় গাওয়া হয়েছে কি না, তাও এদিন স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে দফতরে। 

রাজ্যের পূর্বতন তৃণমূল সরকার স্কুলগুলিতে প্রার্থনার সময় রাজ্য সঙ্গীত ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ গাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই গান ২০২৩ সালে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সংগীত হিসেবে ঘোষণা করেছিল তৎকালীন সরকার। বিজেপি নতুন সরকার গঠন করেছে। এরপরই শিক্ষা দফতর স্কুলগুলিতে প্রার্থনার সময় বন্দে মাতরম গাইতে নির্দেশ দিল। জানা গিয়েছে, গতকাল প্রধান শিক্ষকদের হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, রাজ্য সংগীত আর স্কুলগুলিতে প্রার্থনার সময় গাওয়া হবে কি না, তা নিয়ে বর্তমান সরকার এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। ফলে স্কুলগুলিতে আপাতত পড়ুয়াদের প্রার্থনার সময় তিনটি গান গাইতে হবে।



চলতি বছরের জানুয়ারিতে বন্দে মাতরম নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেয় অমিত শাহর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এক নির্দেশিকায় বলা হয়, এবার থেকে বন্দে মাতরমের ৬টি স্তবকই গাইতে হবে। ‘বন্দে মাতরম’ গান গাওয়া বা বাজানোর সময় শ্রোতাদের উঠে দাঁড়াতে হবে। একইসঙ্গে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় গীত ‘বন্দে মাতরম’ এবং জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন’ একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তাহলে প্রথমে ‘বন্দে মাতরম’ বাজানো হবে। কয়েকদিন আগে আবার নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা একটি প্রস্তাবে অনুমোদন করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, জনগণমন-র সমমর্যাদা দেওয়া হবে বন্দে মাতরমকে।

নিজের কনভয়ের সংখ্যা কমালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, বাসে চেপে শপথ নিতে গেলেন বিধায়করা
কনভয়ের সংখ্যা কমালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আজ বিধানসভায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। বিধায়ক হিসাবে শপথ গ্রহণের আগেই বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (West Bengal CM Suvendu Adhikari)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেখানো পথেই হাঁটছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদী যেমন নিজের কনভয়ের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন, সেই পথেই হাঁটছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।

জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সাশ্রয় করতে নিজের কনভয়ের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছেন। তাঁর দেখাদেখি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও নিজের কনভয়ের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ বিধানসভায় শপথ নেওয়ার আগে থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।



শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন, জ্বালানি বাঁচাতে আজ বিধানসভায় বিজেপি বিধায়করাও বাসে চড়ে আসেন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। আগামিদিনে মন্ত্রিসভা গঠিত হওয়ার পরও জ্বালানি বাঁচাতে নেতা-মন্ত্রীরা এই পথে হাঁটবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উত্তর প্রদেশে সপ্তাহে একদিন নো ভেহিকেল ডে ঘোষণা করা হয়েছে। একই পথে হাঁটতে পারে পশ্চিমবঙ্গও।

অন্যদিকে, আজ বিধানসভায় বিধায়কদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। প্রথমেই শপথ নেবেন বিজেপি বিধায়ক তথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরের বিধায়ক হিসাবে তিনি শপথ নেবেন। শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়।

আজ ও বৃহস্পতিবার-দুইদিন ধরে বিধানসভায় শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান চলবে। মোট ২৯০ জন জয়ী বিধায়ক শপথ গ্রহণ করবেন। জানা গিয়েছে, আজ শপথ নেবেন উত্তরের ৯ জেলা, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিধায়করা। আগামিকাল শপথ নেবেন বাকি ১১ জেলার বিধায়করা
 ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নন্দীগ্রাম থেকে জয়লাভ করেছিলেন, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হন। পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর উপ-নির্বাচনে জিতে বিধায়ক পদ ফিরে পান। ২০২৬ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি একেবারে পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে এসেও লড়বার চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন শুভেন্দু।


ভবানীপুরের বিধায়ক হিসাবে শপথ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্বাভাবিকভাবেই নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছাড়লেন শুভেন্দু। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে জোড়া জয় পেয়েছিলেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রামে বিজয় সমাবেশে গিয়ে বলেছিলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব স্থির করে দেবেন, তিনি কোথায় থাকবেন, কোন কেন্দ্রের হয়ে কাজ করবেন। অর্থাৎ নন্দীগ্রামের বিধায়ক হিসাবে কাজ করবেন, নাকি ভবানীপুরে থাকবেন। শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। আজ ও আগামিকাল মিলে মোট ২৯০ জন বিধায়ক শপথ নেবেন।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নন্দীগ্রাম থেকে জয়লাভ করেছিলেন, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হন। পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর উপ-নির্বাচনে জিতে বিধায়ক পদ ফিরে পান। ২০২৬ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি একেবারে পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে এসেও লড়বার চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার নন্দীগ্রামে যুযুধান প্রতিপক্ষ পবিত্র করের পাশাপাশি ভবানীপুরেও পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধেও জয়লাভ করেন শুভেন্দু।



এবারের নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরও দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়লাভ করেন। রেজিনগর ও নওদা থেকে জয় পান কবীর। তাঁকেও একটি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক পদ ছাড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি এদিন উত্তরবঙ্গের ৯ জেলা ও নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার বিধায়করা শপথ নেবেন। দু’দিন ধরে চলবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান।