WEATHER

Top News


 মৌসম ভবনে পূর্বাভাস অনুযায়ী, সক্রিয় পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর পাকিস্তানের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে যা ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি এবং বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করছে ভারতের উপরে। পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমে এর প্রভাবে ইতিমধ্যেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে।


এখন তো ট্রেলার! দমকা বাতাস বইতে শুরু করল কলকাতায়, আগামী ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেই 'খেল'
কলকাতা-সহ শহরতলিতে ঝড়

দুপুরের পর থেকেই কালো করে এসেছিল আকাশ। মুহূর্তে বদলে যেতে থাকে হাওয়া। সকাল থেকে মেঘলা ছিল আকাশ। দুপুরের পর থেকে হঠাৎ করে ফুরফুরে হাওয়া বইতে শুরু করে। সেই হাওয়া আরামপ্রদ। কলকাতা-সহ শহরতলি, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় দমকা হাওয়া বইতে শুরু করে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস আগেই ছিল। সেটাই সত্যি হল। আবহাওয়া দফতরের শেষ বুলেটিন অনুযায়ী, এই মুহূর্তে বৃষ্টি নেমে গিয়েছে পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, বাঁকুড়ায়। আগামী ১-২ ঘণ্টার মধ্যে বৃষ্টি হবে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমানে। এই সমস্ত জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

সন্ধ্যার পর থেকে কলকাতা-সহ শহরতলির একাধিক জায়গায় দমকা বাতাস বইতে শুরু করে। প্রায় ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো বাতাস বইছে। দমকা বাতাস বইতে শুরু করে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।



 'আমার পক্ষে সম্ভব নয়', মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রধান বিচারপতি
মৌসম ভবনে পূর্বাভাস অনুযায়ী, সক্রিয় পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর পাকিস্তানের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে যা ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি এবং বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করছে ভারতের উপরে। পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমে এর প্রভাবে ইতিমধ্যেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী ২২ মার্চ আরও একটি নতুন পশ্চিমি ঝঞ্ঝা আসতে চলেছে। সাধারণত এই সময়ে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা বা ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয় না। ভারতে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতি মাসে চার থেকে ছয়টি পশ্চিমি ঝঞ্ঝা তৈরি হয়।


কতদিন অন্তর রক্ষণাবেক্ষণ করা হত, এই ধরনের একাধিক বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে স্বাস্থ্য ভবন। আগামী সোমবার সকালের মধ্যেই এই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।পাশাপাশি, অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গতিবিধি এবং লিফটের ভিতর সিসিটিভির যে ছবি বন্দি হয়েছে, তাও রিপোর্ট সহকারে জমা দিতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে।

কেন লিফটে কোনও কর্মী ছিলেন না, কেন বাকিরা বেরোতে পারলেও আটকে গেলেন অরূপ? এবার রিপোর্ট তলব স্বাস্থ্য ভবনের
ট্রমা কেয়ারের লিফটে মৃত্যু


এবার আর জি করের ঘটনায় স্বাস্থ্য ভবন রিপোর্ট তলব করল। কী ঘটেছিল, কেন লিফটের ভিতর কোন কর্মী ছিল না, ওই ব্যক্তি কোথায় গিয়েছিলেন কার সঙ্গে ছিলেন, লিফটের রক্ষণাবেক্ষণ কী অবস্থায় ছিল, কতদিন অন্তর রক্ষণাবেক্ষণ করা হত, এই ধরনের একাধিক বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে স্বাস্থ্য ভবন। আগামী সোমবার সকালের মধ্যেই এই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।পাশাপাশি, অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গতিবিধি এবং লিফটের ভিতর সিসিটিভির যে ছবি বন্দি হয়েছে, তাও রিপোর্ট সহকারে জমা দিতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে।

শিশু এবং মহিলা বের হতে পারলেও কেন ওই ব্যক্তি আটকে পড়লেন, কেন তিনি বের হতে পারলেন না, সে ব্যাপারেও যাবতীয় তথ্যাদি অনুসন্ধান করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে। শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য ভবনের তরফে হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ কাছে, এ ব্যাপারে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।


 প্রার্থীকেই মারতে উদ্যত! বিজেপির 'গোষ্ঠীকোন্দলে' আশঙ্কাজনক ২, তপ্ত খড়দহ
'তিন দিনের যোগী...', দেবাংশুর হয়ে দেওয়াল লিখলেও রচনায় গোঁসা অসিতের
গাফিলতি কোন পর্যায় ছিল এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে যে সংস্থাগুলি রয়েছে, সেগুলি কতটা দায়িত্বসম্পূর্ণ, সেগুলো রিপোর্টে উল্লেখ রাখতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে নাগাদ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যায় আরজি কর হাসপাতালে। ট্রমা কেয়ার সেন্টারের লিফটে দীর্ঘক্ষণ আটকে মৃত্যু হয় ওই এক ব্যক্তির। অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে বছর চল্লিশের ওই ব্যক্তি নাগেরবাজারের বাসিন্দা। তাঁর ছেলের হাত ভেঙে গিয়েছিল। ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। সঙ্গে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন। লিফটে নীচে নামছিলেন তিনি। লিফটে তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকজন পরিবারের সদস্য ছিলেন বলে সূত্রের খবর। কিন্তু তাঁরা বেরোতে পারলেও অরূপ পারেননি। দীর্ঘক্ষণ পর তাঁকে যখন উদ্ধার করা হয়, তাঁর মৃত্যু হয়েছে।


দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বামেদের। প্রথম দফায় ১৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। পরে ১০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল CPIML লিবারেশন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী ঘোষণা করল বামেরা। দ্বিতীয় দফায় ৩২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। নন্দীগ্রামে প্রার্থী করা হয়েছে শান্তি গিরিকে। টালিগঞ্জে লড়বেন পার্থপ্রতিম বিশ্বাস। রানিনগরে সিপিএম প্রার্থী জামাল হোসেন।


নাম নেই সেলিম, শতরূপের, বামেদের দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকায় জায়গা পেলেন কারা?
বামেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ


দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বামেদের। প্রথম দফায় ১৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। পরে আরও ১০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে CPIML লিবারেশন। সেক্ষেত্রে মোট ২০২ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বামেরা। এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। দ্বিতীয় দফায় ৩২ আসনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত ২৯৪ আসনের মধ্যে ২৩৪টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

নন্দীগ্রামে প্রার্থী করা হয়েছে শান্তি গিরিকে। টালিগঞ্জে লড়বেন পার্থপ্রতিম বিশ্বাস। রানিনগরে সিপিএম প্রার্থী জামাল হোসেন। ভবানীপুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী করা হয়েছে আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাসকে। এর আগেও একাধিকবার নির্বাচনে প্রার্থী করা হয়েছিল। তবে জয় পাননি। বালিগঞ্জে রয়েছে চমক। প্রার্থী করা হয়েছে আফরিন বেগমকে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রের মৃত্য়ুতে বিক্ষোভে পথে নেমেছিলেন আফরিন। একাধিক বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে সিপিএমের প্রতিনিধি দলেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এবার সেই আরফিনকে বালিগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করছেন হেভিওয়েট প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।


প্রথমবার টিকিট পেয়েই প্রচার নয়, সরকারি দফতরে ফোন করে আধিকারিক-কর্মীদের ধমক তৃণমূলের প্রার্থীর! আশার আলো দেখছেন বাসিন্দারা
বামেদের দ্বিতীয় তালিকায় আর কাদের নাম রয়েছে, কোন আসন থেকে কারা লড়বেন, দেখে নিন তালিকা

SL No. Constituency (বিধানসভা কেন্দ্র) Party (দল) Candidate Name (প্রার্থীর নাম) Gender (লিঙ্গ)
1 ১১- কালচিনি (ST) RSP পাসাং শেরপা M
2 ৩২- করণদিঘি CPI(M) মোঃ সাহাবুদ্দিন M
3 ৪৩- হাবিবপুর CPI(M) বাসুদেব বর্মন M
4 ৪৫- চাঁচল CPI(M) আনোয়ারুল হক M
5 ৬২- ভগবানগোলা CPI(M) মাহমুদুল হাসান M
6 ৬৩- রানীনগর CPI(M) জামাল হোসেন M
7 ৬৫- নবগ্রাম (SC) CPI(M) পূর্ণিমা দাস F
8 ৭৬- জলঙ্গি CPI(M) ইউনুস আলী সরকার M
9 ৮৩- কৃষ্ণনগর উত্তর CPI(M) অদ্বৈত বিশ্বাস M
10 ৮৮- কৃষ্ণগঞ্জ (SC) CPI(M) অর্চনা বিশ্বাস F
11 ৯২- কল্যাণী (SC) CPI(M) সবুজ দাস M
12 ১২৪- বসিরহাট দক্ষিণ CPI(M) আইনুল আরেফিন (রাজু আহমেদ) M
13 ১২৯- কুলতলি (SC) CPI(M) রামশঙ্কর হালদার M
14 ১৩৬- জয়নগর (SC) CPI(M) অপূর্ব প্রামাণিক M
15 ১৪০- বারুইপুর পশ্চিম CPI(M) লাহেক আলী M
16 ১৪৩- ডায়মন্ড হারবার CPI(M) সমরেন্দ্রনাথ নাইয়া M
17 ১৫২- টালিগঞ্জ CPI(M) প্রফেসর পার্থ প্রতিম বিশ্বাস M
18 ১৫৭- মেটিয়াবুরুজ CPI(M) অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম M
19 ১৫৯- ভবানীপুর CPI(M) অ্যাডভোকেট শ্রীজীব বিশ্বাস M
20 ১৬১- বালিগঞ্জ CPI(M) আফরিন বেগম (শিল্পী) F
21 ১৮৭- চাঁপদানি CPI(M) অ্যাডভোকেট চন্দ্রনাথ ব্যানার্জি M
22 ১৯৫- জাঙ্গিপাড়া CPI(M) সুদীপ্ত সরকার M
23 ১৯৯- পুরশুড়া CPI(M) সন্দীপ কুমার সামন্ত M
24 ২০৪- পাঁশকুড়া পূর্ব CPI(M) ইব্রাহিম আলী M
25 ২০৫- পাঁশকুড়া পশ্চিম CPI(M) নিরঞ্জন সিহি M
26 ২১০- নন্দীগ্রাম CPI শান্তি গিরি M
27 ২১৫- খেজুরি (SC) CPI(M) হিমাংশু দাস M
28 ২২০- নয়াগ্রাম (ST) CPI(M) ডাঃ পুলিন বিহারী বাসকে M
29 ২২১- গোপীবল্লভপুর CPI বিকাশ ষড়ঙ্গী M
30 ২৬৩- মন্তেশ্বর CPI(M) অনুপম ঘোষ M
31 ২৮১- আসানসোল উত্তর CPI অখিলেশ কুমার সিং M
32 ২৯৪- মুরারই CPI(M) মোঃ আলী রেজা মন্ডল M

ভোটের আগে বোনাস বাড়ল সিভিকদের, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর, রিপোর্ট তলব কমিশনের

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধীনস্থ সিভিক ভলান্টিয়ার এবং ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়াররা এবার বছরে ৭ হাজার ৪০০ টাকা করে বোনাস পাবেন। গত অর্থবর্ষে এই বোনাসের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৮০০ টাকা।অর্থ দফতরের (অডিট শাখা) সুপারিশ অনুযায়ী এই বোনাস বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


কলকাতা : ভোটের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য বড় ঘোষণা। চলতি অর্থবর্ষে বাড়তে চলেছে সিভিকদের অ্যাড-হক বোনাস। যদিও, বোনাস বৃদ্ধির ঘোষণা আগেই করেছিল নবান্ন। এবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তা কার্যকর করা হচ্ছে। ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়ারদেরও বোনাস বাড়ছে । প্রায় ৬০০ টাকা বাড়ানো হচ্ছে বোনাস। নবান্ন বিজ্ঞপ্তি জারি করতেই রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের।

স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধীনস্থ সিভিক ভলান্টিয়ার এবং ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়াররা এবার বছরে ৭ হাজার ৪০০ টাকা করে বোনাস পাবেন। গত অর্থবর্ষে এই বোনাসের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৮০০ টাকা। অর্থ দফতরের (অডিট শাখা) সুপারিশ অনুযায়ী এই বোনাস বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির মেমো অনুসারে সংশোধিত হার কার্যকর করার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশে জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল এই বোনাস প্রদানের অনুমোদন দিয়েছেন। নির্দিষ্ট খাতে এর ব্যয় বহন করা হবে।



প্রসঙ্গত, নির্বাচনের দিন ঘোষণার দিন কমিশনের বৈঠকের কিছু আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোহিতদের ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন। মোয়াজ্জিনদের ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করেন। ১৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হয় পুরোহিত ও মোয়াজ্জিনদের ভাতা। শুধু তাই নয়, ওই ঘোষণার আধ ঘণ্টার মধ্যে বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণত ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হলে এই ধরনের ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা করতে পারে না সরকার। তাই আগেভাগেই ভাত বাড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়। সেক্ষেত্রে, অ্যাড-হক বোনাসও বাড়ানোর ঘোষণা আগেই করা হয়েছিল। ২৭ ফেব্রুয়ারি অর্থদপ্তর বিজ্ঞপ্তি জারি করে বোনাস বৃদ্ধির ঘোষণা করে। এবার সেই সিদ্ধান্তই কার্যকর হতে চলেছে।


জানা গিয়েছে, অটোয় ব্যবহৃত জ্বালানির দাম এক ধাক্কায় ৮ টাকা দাম বেড়েছে। শুক্রবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। অর্থাৎ আজ থেকে ৭০.৬৮ টাকায় বিক্রি হবে LPG গ্যাস। এর আগে অটোয় ব্যবহৃত জ্বালানির দাম ছিল লিটার প্রতি ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা। কিন্তু, দিন কয়েক আগে হঠাৎ করেই ৫ টাকা বেড়ে যায় এলপিজির দাম।


 এলপিজি সংকটের মধ্যেই ফের বাড়ল গ্যাসের দাম!
গ্যাসের দাম বাড়ল

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে গ্যাসের সংকট তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। পর্যাপ্ত বাণিজ্যিক সিলিন্ডার নেই। বন্ধ হচ্ছে রেস্তরাঁ, হোটেল। অভিযোগ, ঘরোয়া রান্নার গ্যাস নিয়েও হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কোথাও বুকিং সংক্রান্ত সমস্যা কোথাও আবার রান্নার গ্যাস ডেলিভারি নিয়ে সমস্যা। এদিকে, সকাল নেই-বিকেল নেয়… পাম্পগুলিতে দেখা যাবে লম্বা লাইন। বিশেষ করে গ্যাস ভরার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে সারি সারি অটো। কখনও অপেক্ষা ১ ঘণ্টার বেশি, কখনও আবার দেড় ঘণ্টা থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে তারপর মিলছে জ্বালানি। এই আবহেই ফের গ্যাসের দাম বাড়াল কেন্দ্র। অটোয় জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এবার অটো ভাড়াও বাড়বে।

জানা গিয়েছে, অটোয় ব্যবহৃত জ্বালানির দাম এক ধাক্কায় ৮ টাকা দাম বেড়েছে। শুক্রবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। অর্থাৎ আজ থেকে ৭০.৬৮ টাকায় বিক্রি হবে LPG গ্যাস। এর আগে অটোয় ব্যবহৃত জ্বালানির দাম ছিল লিটার প্রতি ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা। কিন্তু, দিন কয়েক আগে হঠাৎ করেই ৫ টাকা বেড়ে যায় এলপিজির দাম। সেই দাম দাঁড়ায় ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। গতকাল পর্যন্ত এই দামেই মিলছিল এলপিজি। একসপ্তাহ কাটতে না কাটতেই ফের বাড়ল এলপিজির দাম। শুক্রবার থেকে আরও ৮ টাকা বেশি খরচ করতে হবে অটোচালকদের।



এদিকে গ্যাসের দাম বাড়তেই মাথায় হাত পড়েছে অটো চালকদের। একেই গ্যাস সংকটে জেরবার তাঁরা, তার মধ্যে এলপিজির দাম বাড়ায় রীতমতো ক্ষুব্ধ। আগে জ্বালানির দাম বাড়তেই বেশ কিছু রুটে অটো ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল। কোথাও ৫ টাকা, কোথাও ৭টা বাড়ানো হয়েছিল ভাড়া। সেক্ষেত্রে এলপিজির দাম নতুন করে বাড়ায় খুব স্বাভাবিকভাবে অটো ভাড়াও যে বাড়তে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর অটো ভাড়া হলে নতুন করে বাড়তেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে মধ্যবিত্তদের।


রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে থাকবেন মধ্যপ্রদেশের মোহন যাদব, উত্তরাখণ্ডের পুষ্কর সিং ধামি, রাজস্থানের ভজন লাল শর্মা, হরিয়ানার নায়েব সিং সাইনি, পঞ্জাবের ভগবন্ত মান এবং কর্ণাটকের উপ মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার।


নেটওয়ার্কের সামিটে প্রধান অতিথি হিসেবে আবারও উপস্থিত থাকছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী


শুরু হচ্ছে  ‘What India Thinks Today Summit 2026’ সম্মেলন। এবার চতুর্থ সংস্করণ। আগামী ২৩ ও ২৪ মার্চ ওই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে দিল্লিতে। এবারও সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি কী বার্তা দেন, সেদিকেই নজর থাকবে। পাশাপাশি, দেশের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হবে এই সম্মেলনে।


এই মুহূর্তে ভারতে অর্থনৈতিক লক্ষ্য, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, সামাজিক পরিস্থিতি, সবটাই উঠে আসবে আলোচনায়। ‘ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড’ শিরোনামে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে এই সামিটে। দেশের উন্নয়নের ব্লু প্রিন্ট তৈরি করার বিষয়ে হবে আলোচনা। উপস্থিত থাকবেন বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি।


ভোররাতে গভীর রহস্য দাঁতনে! ধানজমির দিকে তাকিয়েই চমকে উঠলেন গ্রামবাসীরা
ধুরন্ধরের ১০০০ কোটি আয় থেকে ৫০০ কোটি দেওয়া হোক এই অভিনেতাকে! ঘোষণা রণবীর সিংয়ের
এর আগে ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’ (What India Thinks Today) সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু ছিল ‘ইন্ডিয়া ইন দ্য নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার’। পরিবর্তনশীল বিশ্বে ভারত কীভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে, তা নিয়েই আলোচনা হয়েছিল। এবছর আলোচনার বিষয়, ২০৪৭-এ ভারত কেমন হবে?

‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’ সম্মেলনে এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের বক্তব্য শোনা যাবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং অশ্বিনী বৈষ্ণবও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে থাকবেন মধ্যপ্রদেশের মোহন যাদব, উত্তরাখণ্ডের পুষ্কর সিং ধামি, রাজস্থানের ভজন লাল শর্মা, হরিয়ানার নায়েব সিং সাইনি, পঞ্জাবের ভগবন্ত মান এবং কর্ণাটকের উপ মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, লোকসভার সংসদ সদস্য অখিলেশ যাদব ও আসাদউদ্দিন ওয়াইসি এই।

বোর্ডরুম লিজেন্ড অধ্যাপক রাম চরণ, এমএইচপি ইন্ডিয়া (A Porsche Company)-র গ্রুপ সিওও (COO) মার্কাস ওয়ামবাখ এবং সিইও (CEO) বার্ন্ড ও. হরম্যান এই মেগা ইভেন্টের অংশ হতে চলেছেন।

খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তারকেশ্বর থানার পুলিশ। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটকও করা হয়েছে। এরই মধ্যে হামলার প্রতিবাদে, দোষীদের কড়া শাস্তির তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।


 তারকেশ্বরে সন্তু পানকে ঘিরে ফেলল তৃণমূল? থানায় আছড়ে পড়ল বিজেপির বিক্ষোভের ঢেউ
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর

ভোটের মুখে উত্তপ্ত হুগলির তারকেশ্বর। এবার খোদ বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার তারকেশ্বর থানার সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান বিজেপি নেতা-কর্মীরা। যদিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে ঘাসফুল শিবিরের স্থানীয় নেতারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও ব্যাপক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। 

এবার তারকেশ্বরে বিজেপি দাঁড় করিয়েছে তরুণ সাংবাদিক সন্তু পানকে। কিছুদিন আগেই একেবারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের হাত থেকে বিজেপির পতাকা তুলে নেন তিনি। বৃহস্পতিবার তারকেশ্বরের গুড়েভাটায় একটি মিটিংয়ে গিয়েছিলেন সন্তু। অভিযোগ, সেখানে রাস্তার ধারে যখন মিটিং চলছিল, ঠিক সেই সময়েই তৃণমূল আশ্রিত বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী অতর্কিতে হামলা চালায়। বিজেপি কর্মীদের বেশ কয়েকটি গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। ভাঙচুর করা হয় সন্তুর গাড়িও। 


ভোটার কার্ড ছাড়া কোন নথি নিয়ে গেলে ভোট দিতে পারবেন, নির্দেশিকায় জানাল কমিশন
খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তারকেশ্বর থানার পুলিশ। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটকও করা হয়েছে। এরই মধ্যে হামলার প্রতিবাদে, দোষীদের কড়া শাস্তির তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। প্রতিবাদ আছড়ে পড়ে তারকেশ্বর থানার সামনে।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সন্তু বলেন, “তারকেশ্বরে গণতন্ত্র থাকবে না? আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে চাই এই বিজেপি সেই বিজেপি নয় যে আপনি চমকালে বাড়ি যাবে! আপনি মনে রাখবেন শ্রীকৃষ্ণ বাঁশিও বাজিয়েছেন সুদর্শন চক্রও তুলে নিয়েছেন। আমরা কিন্তু ছেড়ে কথা বলব না।”  

অন্যদিকে, এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন দলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি তথা স্থানীয় তৃণমূল নেতা স্বপন সামন্ত। তাঁর দাবি, “এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও কর্মী বা সমর্থক জড়িত নয়। আসলে প্রচারের আলোয় আসার জন্য বিজেপি নিজেরাই নিজেদের উপর এই আক্রমণের নাটক সাজিয়েছে।” তবে এর পাশাপাশি তিনি এও জানান, দলের কেউ যদি এই ঘটনার সঙ্গে সত্যিই যুক্ত থাকে, তবে বিষয়টি দলীয় স্তরে গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে। সব মিলিয়ে এই ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারকেশ্বরের রাজনৈতিক মহলে তরজা তুঙ্গে। আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। 

এবারের ভোট যুদ্ধে 'বাংলা অস্মিতা'কে আবারও হাতিয়ার করতে চলেছে তৃণমূল। বিগতদিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি অস্মিতা নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন। ভিনরাজ্যে কীভাবে বাঙালি শ্রমিকদের হেনস্থা করা হয়েছে, সেই সব অভিযোগ তুলে এনেছেন। ধর্মতলায় মঞ্চ তৈরি করে প্রতিবাদ করেছেন। কেন্দ্রকে বাংলা-বিরোধী তকমা দিয়ে সুর চড়িয়েছেন। এবার কার্যত রাজনৈতিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করতে চলেছে তৃণমূল।


তৃণমূলের ইস্তেহার চূড়ান্ত, স্লোগানে এবার 'মেয়ে' নয় 'মা', কোন কোন ক্ষেত্রে জোর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর যুব সাথী, সাধারণ মানুষের কাছে নগদ টাকা পৌঁছে দেওয়ার একাধিক স্কিম তৈরি করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ২০২৬-এর নির্বাচনের ঠিক আগে একাধিক ক্ষেত্রে ভাতার পরিমাণও বাড়িয়েছে রাজ্য। এবার ইস্তেহারে নতুন প্রতিশ্রুতির পালা। চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় এলে, তৃণমূলের কী কী ভাবনা আছে, তা শীঘ্রই সামনে আনবে ঘাসফুল শিবির। সূত্রের খবর, চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের ইস্তেহার। শুক্রবার অথবা শনিবারের মধ্যেই সেটি প্রকাশ হবে বলে জানা গিয়েছে।


সূত্রের খবর, তৃণমূলের ইস্তেহারে আরও বেশি করে সামাজিক সুরক্ষার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য, শিক্ষায় জোর শাসক দলের। নতুন কোনও স্কিমের কথা বলা হয় কি না, সেদিকেও নজর থাকবে।


মমতার বিরুদ্ধে মুসলিম প্রার্থী দিলেন হুমায়ুন
একইসঙ্গে এবারের ভোট যুদ্ধে ‘বাংলা অস্মিতা’কে আবারও হাতিয়ার করতে চলেছে তৃণমূল। বিগতদিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি অস্মিতা নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন। ভিনরাজ্যে কীভাবে বাঙালি শ্রমিকদের হেনস্থা করা হয়েছে, সেই সব অভিযোগ তুলে এনেছেন। ধর্মতলায় মঞ্চ তৈরি করে প্রতিবাদ করেছেন। কেন্দ্রকে বাংলা-বিরোধী তকমা দিয়ে সুর চড়িয়েছেন। এবার কার্যত রাজনৈতিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করতে চলেছে তৃণমূল।

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোট-যুদ্ধের স্লোগান ছিল, ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’। এবার ২০২৬-এর নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের স্লোগান, ‘যে লড়ছে সবার ডাকে/সেই বাঁচাবে বাংলা মা কে।’ সাধারণ মানুষের জন্য কী প্রতিশ্রুতি থাকে, সেটাই এখন দেখার।

বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে মহম্মদ সেলিম বলেন, "হাসপাতালের চত্বরের মধ্যে ডিউটিরত ছাত্রী, একজন চিকিৎসককে ধর্ষণের পর খুন করা হয়। ,এরকম আগে আমাদের রাজ্য তো দূর, দেশেও ঘটেনি। তারপর সব সাক্ষ্মী, প্রমাণ লোপাট করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য দফতর, তৃণমূল কংগ্রেস সক্রিয় হয়। তখন বুদ্ধদেববাবুর লাশ পড়ে রয়েছে এই ঘরে, সেইসময় এই ঘটনার কথা সিপিএম প্রথম জানায়।

তখনও বুদ্ধদার লাশ পড়ে, তিলোত্তমার খবর আমরাই প্রথম জানাই, বিজেপি নয়', সেই রাত মনে করালেন সেলিম
মহম্মদ সেলিম কী বললেন?


 রাজ্য-রাজনীতিতে জোর জল্পনা বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন তিলোত্তমার মা।  এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছেন, তিনি প্রার্থী হতে চান। তাঁর কাছে প্রস্তাব এসেছিল। আর সেই প্রস্তাবে তিনি সম্মতি দিয়েছেন। একইসঙ্গে জানিয়েছেন, বিজেপিই একমাত্র তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে। সিপিএম-কে তৃণমুলের জন্য সুযোগ করে দেবেন না। তিলোত্তমার মা-এর এই মন্তব্যের পরই মুখ খুলেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তাঁর দাবি, আরএসএস-এর শেখানো বুলি আওড়াচ্ছেন তিলোত্তমার মা। তাঁর আর্জি, কোনও নির্দিষ্ট পক্ষ যেন অবলম্বন না করেন তিলোত্তমার মা।

দিন কয়েক আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তিলোত্তমার বাড়িতে গিয়েছিল। তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টা দেড়েক কথাও বলেন। আর তাঁর এই সাক্ষাতের পরই তিলোত্তমার মায়ের বিজেপি-তে যোগদান নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়। এমনকী, তিনি বিজেপির প্রার্থী হতে পারেন বলেও খবর ছড়ায়। সূত্রের খবর, পানিহাটি থেকেই টিকিট পেতে পারেন তিলোত্তমার মা। এই বিষয়ে, তিলোত্তমার মা বলেন, “দুঃখ-যন্ত্রণা ভিতরে রয়েছে। কিন্তু সেটাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে সব পরিস্থিতি। তাই কালকে আমি নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি নিজেই ফোন করেছি। আমি প্রার্থী হতে চাই। আমার মেয়েকে কেউ ভোটে ব্যবহার করুক, সেটা আমি চাই না। তাই বিজেপিতে যোগ দিতে চাই। সিপিএম-কে তৃণমূলের জন্য সুযোগ করে দেবো না। স্বাস্থ্য, শিক্ষা দুর্নীতি আর নারীদের সুরক্ষায় লড়াইয়ের জন্যই বিজেপিতে যাচ্ছি। আর বিজেপিই পারবে তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করতে।” তিলোত্তমার বাবা দাবি করেন, তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করার ক্ষমতা রয়েছে বিজেপির।




বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে মহম্মদ সেলিম বলেন, “হাসপাতালের চত্বরের মধ্যে ডিউটিরত ছাত্রী, একজন চিকিৎসককে ধর্ষণের পর খুন করা হয়। ,এরকম আগে আমাদের রাজ্য তো দূর, দেশেও ঘটেনি। তারপর সব সাক্ষ্মী, প্রমাণ লোপাট করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য দফতর, তৃণমূল কংগ্রেস সক্রিয় হয়। তখন বুদ্ধদার লাশ পড়ে রয়েছে এই ঘরে, সেইসময় এই ঘটনার কথা সিপিএম প্রথম জানায়। তারপর কোর্টে যাই আমরা। তড়িঘড়ি করে পোস্টমর্টেম করা হয়। অন্ধকারে নামার পর সব করা হয়। আমরা প্রথম এই বিষয়টাকে সামনে নিয়ে আসি। কোনও আরএসএস, কোনও বিজেপি কিন্তু বিষয়টা সামনে আনেনি।”

সেদিনে ছাত্র যুবদের লড়াইকেও মনে করিয়ে দিয়েছেন সেলিম। তিনি বলেন,”সেদিন ছাত্র যুব বাহিনী, বুদ্ধদার শেষ যাত্রা থেকে বেরিয়ে গাড়ি আটকায়। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ায়। পুলিশের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। বিজেপি, আরএসএস-এর মুরোদ আছে ধর্ষিতাকে ন্যায় দেবে, বিচার দেবে, অপরাধীকে ধরবে? কলকাতা পুলিশ যা বলেছে, সিবিআইও তাই বলেছে।” পরোক্ষভাবে তৃণমূল-বিজেপি-র সেটিং তত্ত্বকেই তুলে ধরলেন তিনি।

সেলিমের কথায়, “ভোট নির্বাচন আলাদা বিষয়। সেটা পরিবার সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা কখনও বলিনি সিপিএম হও। আমরা সবসময় সন্তানহারা পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এসব বলে কিছু লাভ হবে না।” তবে, তিলোত্তমার বাবা-মায়ের প্রতি তাঁর অনুরোধ, কোনও পক্ষ না নিয়ে তাঁরা যেন লড়াই করেন


রাতের শহরে বেপরোয়া গতির দাপাদাপির জেরেই দুর্ঘটনা এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। রাতে খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান ওই তরুণীর সহকর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশ বেপরোয়া গাড়ি নিয়ন্ত্রণে কোনও পদক্ষেপ করে না। সেই কারণেই বারবার এমন ঘটনা ঘটে চলেছে।

 কাজ শেষে বাড়ি ফেরা হল না তরুণীর, পিষে গেল মাথা, রাতের শহরে মর্মান্তিক ঘটনা



রাতের শহরে ফের বেপরোয়া গতি গাড়ির। মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাণ হারালেন ২৯ বছরের তরুণী। সেক্টর ফাইভে হোটেলে কর্মরত ছিলেন রিম্পা ধাড়া নামে ওই তরুণী। বৃহস্পতিবার রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফেরার সময় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। প্রতিনিয়ত বহু মানুষ রাতে কাজ সেরে অ্যাপ বাইকে চেপে বাড়ি ফেরেন। এই ঘটনা তাঁদের কাছে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে।

সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে অ্যাপ বাইক বুক করে কসবার দিকে যাচ্ছিলেন ওই তরুণী। বাইকের পিছনে বসেছিলেন তিনি। সেক্টর ফাইভের ব্রিজের ওপর থেকে নিকো পার্কের দিকে যাওয়ার সময় আচমকা পিছন দিক থেকে বেপরোয়া ডাম্পার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইকের পিছনে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। আচমকা ধাক্কায় বাইকের পিছনে বসে থাকা আরোহী রিম্পা ধাড়া ছিটকে গিয়ে পড়েন রাস্তায়। বেপরোয়া গতি থাকায় মাথার উপর দিয়ে পিষে চলে যায় ওই ডাম্পার।


 রাজীব কুমারের আত্মীয়, বিজেপির টিকিট পেলেন রাজেশ কুমার
তিলোত্তমার মা এখন রাজনীতির কারণে যা খুশি বলছেন: চন্দন সেন
ঘটনাস্থলে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন রিম্পা। ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় অটো করে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বিধান নগর মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

ঘাতক গাড়ি এবং গাড়ির চালক পলাতক। সংশ্লিষ্ট এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ঘাতক গাড়িটি চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার পুলিশ। তবে রাতের শহরে বেপরোয়া গতির দাপাদাপির জেরেই দুর্ঘটনা এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। রাতে খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান ওই তরুণীর সহকর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশ বেপরোয়া গাড়ি নিয়ন্ত্রণে কোনও পদক্ষেপ করে না। সেই কারণেই বারবার এমন ঘটনা ঘটে চলেছে

বেশ কিছুক্ষণ ধরেই নাকি দু'পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা চরম আকার নেয়। তৃণমূল সূত্রে খবর, এই বিষয়টি খোদ তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে ইতিমধ্যেই, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ নেতৃত্ব। ওই তিনজন কাউন্সিলর ভোটের সময় কেমন কাজ করে, তার উপরে নজর রাখা হবে বলেও তৃণমূল সূত্রে খবর।


 যাদবপুরে তুলকালাম! 'শেষ দেখে ছাড়ব', অভিষেকের কথা বলতেই প্রার্থীর মুখের উপর চিৎকার তিন কাউন্সিলরের

 যাদবপুরে নির্বাচনী বৈঠকে তৃণমূল প্রার্থী অভিষেকের বার্তা শোনাতেই চরম ঝামেলা। দলের তিন কাউন্সিলরের গলায় ‘শেষ দেখে ছাড়ার’ হুমকি। অস্বস্তিতে তৃণমূল শিবির। যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা হয়েছে কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পারিষদ তথা ৯৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর দেবব্রত মজুমদারের নাম। গতবারও তিনি যাদবপুরের বিধায়ক ছিলেন। এবারও তাঁকে প্রার্থী করেছে রাজ্যের শাসক দল। সেই প্রার্থীর সঙ্গেই এবার চরম বাগ-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূলের তিন কাউন্সিলর।


সূত্রের খবর, দুই মহিলা কাউন্সিলর সহ তিনজনের সঙ্গে রীতিমতো কথা কাটাকাটি হয় দেবব্রতর। কলকাতা পুরনিগমের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাঁপুই পাড়ায় যাদবপুরের মূল পার্টি অফিসে বৈঠক চলাকালীন ওই তিন কাউন্সিলরের সঙ্গে চরম ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদার। স্থানীয় নেতৃত্ব সূত্রে খবর, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বার্তা নির্বাচনী কোর কমিটির বৈঠকে প্রার্থী পেশ করতেই রীতিমতো রে রে করে ওঠেন দলের ওই তিন কাউন্সিলর।



'আমাকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন..., শুভেচ্ছা গ্রহণ করছি না!' বিজেপির টিকিট পেয়েই মুখ খুললেন হিরণ
জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার বৈঠক চলাকালীন তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদার বলেন, অভিষেকের নির্দেশ অনুযায়ী, এ বারের নির্বাচনে কাউন্সিলরদের কাজের পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখা হবে। আর সেই ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা হবে। কার্যত এদিন তিনি বুঝিয়ে দেন, ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতায় যে পুর নির্বাচন হবে, তাতে কোনও কাউন্সিলরকে টিকিট দেওয়া হবে কি না, তা বিধানসভা নির্বাচনে সেই কাউন্সিলরের ওয়ার্ডের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে। এই কথা শুনেই নাকি রীতিমতো চিৎকার করে ওঠেন ওই তিন কাউন্সিলর।


‘আমাদের অবিশ্বাস করা হচ্ছে। এইভাবে অপমান করার কোনও মানে হয় না। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব’। দেবব্রত মজুমদারের মুখের উপর এভাবেই নাকি চিৎকার করতে শোনা যায় ওই তিন কাউন্সিলরকে। তৃণমূল প্রার্থী তখন ওই তিন কাউন্সিলরকে পাল্টা বুঝিয়ে দেন, এটা তাঁর কথা নয়। এটা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন তারই বার্তা।

কিন্তু তারপরও নিজেদের চেয়ার ছেড়ে উঠে এই নির্বাচন থেকে নিজেদের বিরত রাখবেন বলে চিৎকার করতে থাকেন ওই কাউন্সিলররা। রীতিমতো হুমকির সুরে বলেন, “যাদবপুরের ধমকের চমকের রাজনীতি চলবে না। এটা যেন প্রার্থী ভালো করে বুঝে নেন।” আচমকাই তখন দেবব্রত মজুমদার পাল্টা আবারও মন্তব্য করেন, সেই কারণেই তো কাউন্সিলর হয়ে বিধায়ক হওয়ার জন্য সিভি পাঠিয়েছিলেন ওই তিনজন। এই মন্তব্যে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায় এবং বৈঠকের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

যাদবপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক তথা কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। তিনিও চিৎকার করে ওঠেন বলে জানা গিয়েছে। ওই তিন কাউন্সিলরের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন ছু়ড়ে দেন, “২০২৪ সালে যখন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম কলকাতার কাউন্সিলরদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই একই বার্তা দিয়েছিলেন, তখন কেন এই কাউন্সিলররা মুখ বন্ধ করেছিলেন?” অভিষেকের বার্তা প্রত্যেককে শুনতে হবে। এটা নির্দেশ দলের।

বেশ কিছুক্ষণ ধরেই নাকি দু’পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা চরম আকার নেয়। তৃণমূল সূত্রে খবর, এই বিষয়টি খোদ তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে ইতিমধ্যেই, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ নেতৃত্ব। ওই তিনজন কাউন্সিলর ভোটের সময় কেমন কাজ করে, তার উপরে নজর রাখা হবে বলেও তৃণমূল সূত্রে খবর।

দলের একাংশ মনে করছে, যাদবপুরের মতো এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ কেন্দ্র থেকে অনেক কাউন্সিলরই নিজেদেরকে দলের প্রার্থী হিসেবে ভাবতে শুরু করেছিলেন, তাই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় ভোটের আগে এই অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়ে হয়েছে ওই কেন্দ্রের তৃণমূল শিবিরে।

 বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকায় সাগর বিধানসভার জন্য নাম ঘোষণা করা হয়েছে নামখানার সুমন্ত মণ্ডলের। পেশায় শিক্ষক এবং নামখানা পঞ্চায়েত সমিতির বর্তমান সদস্য সুমন্ত ফ্রেজারগঞ্জ এলাকার ভূমিপুত্র হিসেবেই পরিচিত। ঘরের ছেলেকে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই উন্মাদনায় ফেটে পড়েন নামখানা ও সাগরের বিজেপি কর্মীরা।


সুমন্ত মণ্ডল গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নামখানা পঞ্চায়েত সমিতিতে জয়ী হয়ে এলাকায় নিজের প্রভাব প্রমাণ করেছিলেন। এবার দল তাঁর ওপর ভরসা রাখায় সাগর বিধানসভার লড়াইয়ে এক নতুন মাত্রা যোগ হলো। নাম ঘোষণার পরেই এদিন সন্ধ্যায় ফ্রেজারগঞ্জের স্থানীয় একটি রাধা-কৃষ্ণ মন্দিরে পুজো দেন সুমন্ত। এরপর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে আবির খেলায় মেতে ওঠেন তিনি।
পেশায় শিক্ষক হওয়ার সুবাদে সুমন্ত মণ্ডলের একটি পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রয়েছে। প্রার্থী হিসেবে তাঁর লক্ষ্য স্পষ্ট। তিনি জানান, "এটি কেবল একটা নির্বাচন নয়, এটি নীতি ও আদর্শের লড়াই। সাগর বিধানসভায় চারটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ রয়েছে, যেখানে যোগাযোগ ও উন্নয়নের প্রচুর অভাব। আমরা যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান এবং দ্বীপের মানুষের মৌলিক সমস্যাগুলোকে সামনে রেখে মানুষের দুয়ারে পৌঁছাব।"

সাগরের বর্তমান বিধায়ক বঙ্কিম হাজরা দীর্ঘদিনের পোড়খাওয়া নেতা। অন্যদিকে সুমন্ত মণ্ডল নবীন। যেহেতু সুমন্ত নামখানা ব্লকের ফ্রেজারগঞ্জের বাসিন্দা, তাই নামখানা ব্লকের ভোটব্যাঙ্কে তিনি থাবা বসাতে পারেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। জয়ের ব্যাপারে সুমন্তবাবু আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, "সাগরের মানুষ পরিবর্তন চাইছে, আমরা জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আশাবাদী।"


স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পানীয়গুলোতে থাকা অতিরিক্ত চিনি রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয়। শরীরের ভেতরে শর্করার এই আকস্মিক ওঠা-নামার ফলে মস্তিষ্কের রাসায়নিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়। বিশেষ করে ডোপামিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের তারতম্য ঘটে, যা সরাসরি মানুষের মেজাজ বা ‘মুড’ নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলেই শুরু হয় অহেতুক ভয় বা অ্যাংজাইটি।

রোজ বাচ্চা এই পানীয় খাচ্ছে? অ্যাংজাইটি থেকে বাঁচাতে আজই বন্ধ করুন!



তপ্ত দুপুরে স্কুল থেকে ফিরে এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় এনার্জি ড্রিঙ্কসে চুমুক দেওয়া এখনকার কিশোর-কিশোরীদের কাছে জলভাত। কিন্তু এই পানীয়র কারণেই বড় কোনও মানসিক ব্যাধি হচ্ছে না তো? আপনার সন্তান কি ইদানীং অকারণে অস্থির হয়ে পড়ছে? খুব সাধারণ বিষয়েও কি সে অতিরিক্ত উদ্বেগ প্রকাশ করছে? সাম্প্রতিক একটি আন্তর্জাতিক গবেষণায় যা দেখা গিয়েছে তা বাবা-মায়েদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবে।


বোর্নমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা গত ২৫ বছরের (২০০০ থেকে ২০২৫) কয়েক লক্ষ তথ্য খতিয়ে দেখে একটি আশঙ্কাজনক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। ‘জার্নাল অফ হিউম্যান নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিক্স’-এ সেই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত কিশোর-কিশোরী নিয়মিত অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় বা কোল্ড ড্রিঙ্কস পান করে, তাদের মধ্যে অ্যাংজাইটি বা উৎকণ্ঠার ঝুঁকি প্রায় ৩৪ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। অর্থাৎ, পানীয় যত বেশি মিষ্টি, সেই পানীয় তত বেশি বিপদ ঘটাচ্ছে।