WEATHER

Top News



গত সপ্তাহে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে নিজেই সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তবে সোমবারের শুনানিতে উপস্থিত হননি তিনি। এদিন এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি হচ্ছে একইসঙ্গে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলাও রয়েছে। এই শুনানির আগে, রবিবার রাজ্যের তরফে ৮,৫০৫ জন অফিসারকে কমিশনের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে।


 রাজ্যে SIR-এর সময়সীমা বাড়ল, ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হচ্ছে না চূড়ান্ত তালিকা


অফিসার নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ তুলেছিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পর্যাপ্ত অফিসার দিচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠে। সোমবারের শুনানির আগেই রবিবারই অফিসার নিয়োগের কথা জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দেয় রাজ্য সরকার। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল করার এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি মামলা হয়। সোমবার সেই সব মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে।


এসআইআর (SIR) মামলায় কী কী হল সুপ্রিম কোর্টে



RSS-এর অনুষ্ঠানে সলমন খান, মঞ্চে ভাইজানকে দেখামাত্রই কী বললেন মোহন ভগবত?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা। সোমবার সেই মামলা উঠলে সনাতনী সংগঠনের মামলার বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, ‘এমন একটি সংগঠন যারা মন্দিরের দেখাশোনা করে। এদের সঙ্গে নির্বাচনের কী সম্পর্ক?’ শুরুতেই একসঙ্গে অনেকে কথা বলায় ক্ষুব্ধ হন প্রধান বিচারপতি।
এদিন রাজ্যের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা ৩২ লক্ষ। বাকি সবাইকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য ডাকা হয়েছে। ১.৩৬ কোটি লোককে নোটিস দেওয়া হয়েছে। বানান ভুলের কারণে ৫০ শতাংশকে তলব করা হচ্ছে।
রাজ্যের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন শীর্ষ আদালতেরকমিশনের দাবি, অফিসার চেয়ে রাজ্যকে ৫টি চিঠি লেখা হয়েছে। অন্যদিকে, রাজ্যের বক্তব্য, অফিসার চাওয়ার কথা তারা আদালতে এসেই জানতে পেরেছে। এদিন রাজ্য সরকারের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি জানতে চান, ৮৫০৫ জন আগামিকাল (মঙ্গলবার) ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে গিয়ে রিপোর্ট করতে পারবেন কি না।এদের নামের তালিকা কমিশনকে দেওয়া হয়েছে কি না, সেটাও জানতে চান তিনি। জিজ্ঞেস করলেন। কমিশনের আইনজীবী জানালেন যে তাঁরা কোনও নামের তালিকা পাননি। এ কথা শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না। অফিসারের নাম ডেজিগনেশন সহ সমস্ত তথ্য দিতে হবে। তবে তাদের ডেপুটেশনে নেওয়া সম্ভব হবে।
৪ বা ৫ তারিখ কেন তালিকা দেওয়া হল না?প্রধান বিচারপতি এদিন রাজ্যকে বলেন, “আমরা ৪ তারিখ নামের তালিকা দিতে বলেছি। ৭ তারিখ নাম দেওয়া হয়েছে। ৪ বা ৫ তারিখ নাম দেওয়া যেত। আমরা এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক চাই না। বিতর্ক হলে আমাদের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দিতে হবে।” রাজ্য জানিয়েছে, তালিকা তৈরি করতে একটু সময় লেগেছে। কোথায় কত আধিকারিক প্রয়োজন জানতে চাওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে রাজ্য।
রাজ্য সরকারের তরফে কী কী করা হয়েছে, তা তুলে ধরেছেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। আইনজীবীর দাবি, রাজসাহিত্য সংস্থা থেকে কর্মীদের এনে মাইক্রো অবজার্ভার করা হয়েছে, যাদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর আরও দাবি, কমিশন কখনও বলেনি যে তাদের গ্রুপ-বি আধিকারিক দরকার।
কমিশনের তরফে অভিযোগ, পাঁচটি চিঠি লেখা হয়েছে কমিশনের তরফে। SDM, SDO র‌্যাঙ্ক অফিসার আমরা চাওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি জানতে চান, AERO রা রাজ্য সরকারের আধিকারিক কি না। কমিশনের আইনজীবী অভিযোগ করেন, AERO-রা পদাধিকার অনুযায়ী মাইক্রো অবজার্ভারদের নীচে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানতে চান, ইআরও-রা গ্রুপ এ নাকি গ্রুপ সি? এই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘খুব দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি।’
রাজ্য সরকারের তরফে মনোজ পন্থ: ২৯৪ আসনে ইআরও-রা গ্রুপ এ অফিসার। তারা এসডিও বা এসডিএম র‍্যাঙ্কের। ৯ বছর বা তার বেশি সার্ভিসের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।প্রধান বিচারপতি: কতজন এআরও?মনোজ পন্থ: ৮৫২৪প্রধান বিচারপতি: এইআরও-তে আপনারা কতজনের নাম দিয়েছেন?পন্থ: ৮৫২৪প্রধান বিচারপতি: তারা কোন র‍্যাঙ্কের?পন্থ: ৬৫% গ্রুপ বি, অন্যরা গ্রুপ এ এবং গ্রুপ সি। প্রায় ১০% গ্রুপ সি।কমিশন: কী ধরনের অফিসার চাই, তা জানিয়ে ৫টি চিঠি লেখা হয়েছে। তারা দেয়নি।
প্রধান বিচারপতির কড়া পর্যবেক্ষণ, যে কোনও নির্দেশ প্রয়োজন হলে, আমরা জারি করব। কিন্তু কোনও পরিস্থিতিতেই আমরা এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও প্রতিবন্ধকতা বরদাস্ত করব না। এটা সব রাজ্যকে স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে।
ব্যাপক সংখ্যায় মানুষের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করলেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। প্রধান বিচারপতি মানলেন, ইআরও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, মাইক্রো অবজারভাররা নিতে পারেন না। মাইক্রো অবজারভারদের অতি ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দিওয়ান।
এসআইআর প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সেন্ট্রাল প্যারামিলিটারি ফোর্স এবং অন্য রাজ্য থেকে পুলিশ নিয়োগের আবেদন করলেন আইনজীবী ভি ভি গিরি। এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার জন্য আবেদন করলেন। কমিশনের তরফে আইনজীবী জানালেন, ঘটনার পর এফআইআর করা হচ্ছে না, ইআরও পদক্ষেপ করছে না, নেতারা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। আইনজীবী ভি ভি গিরি আরও বলেন, জিনিসপত্র পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। রাস্তায় সন্ত্রাস চলছে। তুষার মেহতা বলেন, ‘সংবিধান সব রাজ্যের জন্য প্রযোজ্য। এই বার্তাটা দেওয়া প্রয়োজন।’
১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হল স্ক্রুটিনির জন্য। অর্থাৎ এসআইআর-এর সময়সীমা বাড়ানো হল রাজ্যে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ৮৫০৫ জন অফিসারকে ইআরও-র কাছে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার কাছে রিপোর্ট করতে হবে। নির্বাচন কমিশন সব তথ্য দেখে ঠিক করবে, কাকে নিয়োগ করা হবে, কাকে নয়। ইআরও-র সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ।

গত বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রথম থেকে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এসআইআর-এ হিয়ারিং পর্ব শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোলের ছবি সামনে আসে। কোথাও বিডিও অফিসে গিয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠে। নাম জড়ায় শাসকদলের বিধায়কের। আবার কোথায় বিডিও অফিসের মধ্যে ঢুকে আধিকারিককে হুমকির অভিযোগ উঠে।


 বাংলার ডিজিপিকে শোকজ করল সুপ্রিম কোর্ট, হঠাৎ কী হল?
সুপ্রিম কোর্ট (ফাইল ফোটো)


কলকাতা ও নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোলের ছবি সামনে এসেছে। এসআইআর-র কাজে যুক্ত কর্মীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। এবার এই নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করল সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পান্ডেকে ব্যক্তিগতভাবে হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দিলেন শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।

গত বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রথম থেকে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এসআইআর-এ হিয়ারিং পর্ব শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোলের ছবি সামনে আসে। কোথাও বিডিও অফিসে গিয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠে। নাম জড়ায় শাসকদলের বিধায়কের। আবার কোথায় বিডিও অফিসের মধ্যে ঢুকে আধিকারিককে হুমকির অভিযোগ উঠে।



সুপ্রিম কোর্টে এই বিষয়গুলি তুলে ধরে নির্বাচন কমিশন। হুমকি, হিংসা ও ভয় দেখিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়াকে বানচালের চেষ্টা করা হয় বলে কমিশনের বক্তব্য। এফআইআর নথিভুক্ত হয়নি বলে অভিযোগ। এরপরই সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য পুলিশের ডিজিকে এই নিয়ে শোকজ করে। তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। হলফনামা দিয়ে কারণ জানাতে বলা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পান্ডে এই শোকজের কী জবাব দেন, সেটাই এখন দেখার।

এদিকে, সুপ্রিম কোর্ট এদিন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই। ১৪ ফেব্রুয়ারির পরে আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে ইআরও-দের। যাতে তাঁরা নথি যাচাই সম্পূর্ণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এসআইআর-র কাছে বাধা বরদাস্ত করা হবে না বলেও এদিন রাজ্যকে স্পষ্ট করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করা নিয়ে তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে। ডিজিকে শোকজের অর্থ রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীকে (বাংলার পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) শোকজ।”

সোমবার প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে ছিল এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি। কমিশন ও রাজ্যের সওয়াল-জবাবের মাঝেই প্রধান বিচারপতি এদিন সাফ জানান, প্রয়োজনে যে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।



SIR-এ বাধা দিলে নেওয়া হতে পারে চরম সিদ্ধান্ত, সাফ বুঝিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে অনেক চাপান-উতোর চলেছে। শুরু থেকেই পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এসআইআর-কে ঘিরে এই কয়েকমাসে বিক্ষোভ, অশান্তির ছবি দেখেছে বাংলা। এবার সেই প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে। এখনও দেশের শীর্ষ আদালতে চলছে এসআইআর সংক্রান্ত মামলা। এবার সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট বুঝিয়ে দিল, এসআইআর-এর ক্ষেত্রে কোনও বাধা বরদাস্ত করা হবে না।


সোমবার প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে ছিল এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি। কমিশন ও রাজ্যের সওয়াল-জবাবের মাঝেই প্রধান বিচারপতি এদিন সাফ জানান, প্রয়োজনে যে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। প্রধান বিচারপতি বলেন, “যে কোনও নির্দেশ প্রয়োজন হলে, আমরা জারি করব। কিন্তু কোনও পরিস্থিতিতেই আমরা এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও প্রতিবন্ধকতা বরদাস্ত করব না। এটা সব রাজ্যকে স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে।”






রাজ্য সরকারের তরফে যে ৮,৫০৫ জন অফিসার নিয়োগের তালিকা দেওয়া হয়েছে কমিশনকে, সেই গ্রুপ বি অফিসারদের তালিকা মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে ডিইও ও ইআরও-দের কাছে রিপোর্ট জমা করতে হবে। তাঁদের তথ্য খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, কাকে কাজ দেওয়া হবে।

মাইক্রো অবজারভাররা শুধুই ইআরও-দের সাহায্য করবে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইআরও-রা। যে সব নথির কথা বলা হয়েছে, সেগুলি ইআরও-দের গ্রহণ করতে হবে।

নথি খতিয়ে দেখার জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়া হল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে না। আরও সাতদিন সময় দেওয়া হল স্ক্রুটিনির জন্য।

যতই কর হামলা আবার জিতবে বাংলা এই স্লোগানকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় বাজেটকে ধিক্কার জানিয়ে এবং রাজ্য বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নামখানা ব্লকে অনুষ্ঠিত হল এক বিশাল মহা মিছিল। 



নামখানা ব্লকের অন্তর্গত পাঁচখানা পঞ্চায়েতের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মিছিলে অংশ নেন তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক। মিছিলটি নামখানা ব্লকের বিভিন্ন এলাকা অতিক্রম করে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে অগ্রসর হয় এবং গোটা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে দেয়।

এই মহা মিছিলের নেতৃত্ব দেন নামখানা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ধীরেন কুমার দাস, তাঁর সঙ্গে ছিলেন নামখানা ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিষেক দাস এবং জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি সীমন্ত কুমার মালিক। এছাড়াও মিছিলে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন নামখানা ব্লক মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস ও যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব ও কর্মীরা। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে মিছিলকারীরা কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটের বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন এবং রাজ্য সরকারের জনমুখী বাজেটের প্রশংসা করেন।
বক্তৃতায় তৃণমূল নেতৃত্বরা বলেন, কেন্দ্রীয় বাজেটে সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক ও যুব সমাজের জন্য বিশেষ কোনও দিশা নেই। অপরদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রণীত রাজ্য বাজেট মানুষের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের মতো নানা জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ রাজ্য বাজেটকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে তাঁরা দাবি করেন।
এই মহা মিছিলের মাধ্যমে কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো এবং রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের পক্ষে জনমত গড়ে তোলাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। গোটা নামখানা ব্লক জুড়ে এই কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ ও সাড়া লক্ষ্য করা যায়।।


ষ্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার 

 

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বৃদ্ধিতে খুশির জোয়ার সাগরে: সবুজ আবির ও মিষ্টি মুখে বর্ণাঢ্য মিছিল


পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাম্প্রতিক বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অনুদান বৃদ্ধি পাওয়ায় খুশির হাওয়া রাজ্যজুড়ে। বাংলার মা-বোনেদের আর্থিক স্বনির্ভরতা ও অদম্য শক্তি জোগাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আজ এক বর্ণাঢ্য মিছিল ও আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলো গঙ্গাসাগরের রুদ্রনগর এলাকায়। সাগর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের আহ্বানে আয়োজিত এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছিল ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে: উন্নয়নের পাঁচালী’। এদিন এলাকার কয়েক হাজার মানুষ মিছিলে সামিল হন।
 মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা সবুজ আবির উড়িয়ে উল্লাসে মেতে ওঠেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই জনমুখী সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে চলে মিষ্টি মুখ পর্ব। বাংলার উন্নয়নের কাণ্ডারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন উপস্থিত জনতা।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, জেলা পরিষদের অন্যতম সদস্য সন্দীপ কুমার পাত্র, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি সহ সাগর ব্লকের একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ। নেতৃত্বরা জানান, "মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় বাংলার মহিলাদের সম্মানের কথা ভাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের এই অনুদান বৃদ্ধি শুধু টাকা নয়, এটি মা-বোনেদের প্রতি জননেত্রীর ভালোবাসার অঙ্গীকার। আজ সাগরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পথে নেমে সেই আনন্দ ভাগ করে নিলেন।"


হাসিনা সরকারের পতনের পর বিগত দেড় বছরে ইউনূস সরকার ১৩৫টি নতুন প্রকল্প তৈরি করেছে। এর জন্য খরচ হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। সবথেকে বেশি খরচ করা হয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতের প্রকল্পে। স্বাস্থ্য খাতে কম বিনিয়োগ করা হয়েছিল। শেষবেলায় তিনটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।

খাবি খেতে হবে এবার! যাওয়ার আগে বাংলাদেশকে ডুবিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন ইউনূস?
মহম্মদ ইউনূস।


হাতে মাত্র আর ক’দিন। তারপরই বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন। হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের শাসনভার যায় অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। এবার অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। ক্ষমতায় আসবে নির্বাচিত সরকার। তবে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার আগে কি দেশকে ডুবিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন মহম্মদ ইউনূস? এমনিতেই ঋণে জর্জরিত বাংলাদেশ। তার উপরে আরও নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছেন ইউনূস। এই টাকা জোগাবে কে? আবার ঋণ। একের পর এক ঋণ নেওয়ার কারণেই বিদায়বেলায় প্রশ্নের মুখে ইউনূস সরকার।

ঢাকা ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটি বা ওয়াসার ঘাড়ে আগে থেকেই ঋণ ছিল। ২৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ। সেই ঋণ পরিশোধ করা হয়নি, তার মধ্যেই ইউনূস সরকার আরও একটি প্রকল্প শুরু করেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর গত ২৩ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হয়, ওয়াসা প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা একাডেমি স্থাপন করা হবে। সেই প্রকল্পও ঋণের টাকায় হবে। এর জন্য খরচ হবে ৭২১ কোটি টাকা। এবার এত টাকা আসবে কোথা থেকে? জানা গিয়েছে, এর জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে ৫৭১ কোটি টাকা ঋণ নেবে বাংলাদেশ।




বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেষবেলায় (১ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি) মহম্মদ ইউনূস ৬৪টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর জন্য মোট খরচ হবে ১ লাখ ৬ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০টি নতুন প্রকল্প। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৭৯ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। এই সব নতুন প্রকল্পের মধ্যে এমন কিছু প্রকল্পও রয়েছে, যার বিশেষ প্রয়োজনীয়তা নেই। কিছু প্রকল্প আবার বিতর্কিত।


হাসিনা সরকারের পতনের পর বিগত দেড় বছরে ইউনূস সরকার ১৩৫টি নতুন প্রকল্প তৈরি করেছে। এর জন্য খরচ হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। সবথেকে বেশি খরচ করা হয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতের প্রকল্পে। স্বাস্থ্য খাতে কম বিনিয়োগ করা হয়েছিল। শেষবেলায় তিনটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। শিক্ষা খাতেও বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে কর্মসংস্থান, যা বাংলাদেশের সবথেকে বড় সমস্যা, তার উপরে বিশেষ জোর দেওয়া হয়নি।

এর মধ্যে আরও একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেটা হল, এই প্রকল্পের মধ্যে সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রামকে। নানা প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। সেখানেই ২১টা জেলার জন্য কোনও প্রকল্প বরাদ্দ করা হয়নি। কেন শুধু চট্টগ্রামকে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হল, সেই প্রশ্নের উত্তরে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন যে ঢাকায় জল ও নিকাশি ব্যবস্থা চ

ঘটনাক্রম যদি বলা হয়, তা যথেষ্টই নাটকীয়। ওই শিক্ষকের যেখানে গার্ড দেওয়ার কথা ছিল, তিনি সেখানে গার্ড না দিয়ে, চলে যান পাশের রুমে। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে তিনি টেবিলের ওপর থেকে একটি লুজ় শিট হাতে তুলে নেন। তারপর প্রশ্ন দেখে সেখানে উত্তরগুলোও লিখে ফেলেন। তাঁর বিষয়েরই পরীক্ষা ছিল। ফলে দ্রুত উত্তর লিখে ফেলেন।


স‍্যরের সাজা পাওয়ার জায়গা আছে', গার্ড দিতে এসে জীবন বিজ্ঞানের পরীক্ষায় শিক্ষকের নজিরবিহীন কাজ, এবারের মাধ‍্যমিকে নজিরবিহীনভাবে হুলুস্থুল কাণ্ড
মাধ্যমিক পরীক্ষায় নজিরবিহীন ঘটনা


মাধ‍্যমিক পরীক্ষায় হুলুস্থুল কাণ্ড! পরীক্ষা চলাকালীন অন‍্য রুমে গিয়ে পড়ুয়াদের উত্তর বলে দিচ্ছেন স‍্যর! শুধু তাই নয়, আরও ভয়ঙ্কর অভিযোগ, সাদা খাতায় উত্তর লিখে তা জোরে জোরে পড়তে শুরু করেন স‍্যর। মালদহের একটি স্কুলে এরকমই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় কড়া পর্ষদ। ঘটনায় মালদহের মথুরাপুর বিএসএস স্কুলের শিক্ষক সনওয়ার আলি পরভেজকে সাসপেন্ড করেছে পর্ষদ। একই রকম অভিযোগে আরও ৮ জনকে সাসপেন্ড করেছে পর্ষদ। মাধ‍্যমিক শুরু হওয়ার পর মোট ৯ জন শিক্ষক সাসপেন্ড হলেন। পর্ষদের বক্তব্য, পড়ুয়ার পরীক্ষা বাতিল যদি করার বিধান থাকে, স‍্যরের সাজা পাওয়ার জায়গা আছে।


ঘটনাক্রম যদি বলা হয়, তা যথেষ্টই নাটকীয়। ওই শিক্ষকের যেখানে গার্ড দেওয়ার কথা ছিল, তিনি সেখানে গার্ড না দিয়ে, চলে যান পাশের রুমে। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে তিনি টেবিলের ওপর থেকে একটি লুজ় শিট হাতে তুলে নেন। তারপর প্রশ্ন দেখে সেখানে উত্তরগুলোও লিখে ফেলেন। তাঁর বিষয়েরই পরীক্ষা ছিল। ফলে দ্রুত উত্তর লিখে ফেলেন। এরপর, সেই শিট দেখে পাখি পড়ানোর মতো পরীক্ষার্থীদের পড়াতে শুরু করেন। অভিযোগ, তিনি প্রশ্ন ধরে ধরে উত্তর বলে দিতে থাকেন। এই ভাবেই চলছিল গোটা পরীক্ষা।




প্রতিবেশীর বেআইনি নির্মাণের প্রতিবাদ জানাতে উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভায় চিঠি দিয়েছিলেন মণিরামপুর এলাকার বাসিন্দা তুলসীচরণ অধিকারিক। অভিযোগ, এরপরই রবিবার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রবীন ভট্টাচার্য তুলসীবাবুর বাড়িতে হাজির হন। বৃদ্ধকে তিনি বেধড়ক মারধর করেন বলেও অভিযোগ।

পেটে লাথি মারতেই হার্টফেল! গ্রেফতার কাউন্সিলর, তড়িঘড়ি রবীনকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল

ব্যারাকপুরে বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার করা হল কাউন্সিলরকে। তারপরই তাঁকে সাসপেন্ড করা হল দল থেকে। মনিরামপুরে ৮১ বছরের বৃদ্ধকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত কাউন্সিলর আইনজীবী রবীন ভট্টাচার্যকে তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করার কথা জানালেন বিধায়ক পার্থ ভৌমিক। আগামী ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হল তাঁকে। রবিবার এক ৮১ বছরের বৃদ্ধকে লাথি মারার পর তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে কাউন্সিলর রবীন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে।

প্রতিবেশীর বেআইনি নির্মাণের প্রতিবাদ জানাতে উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভায় চিঠি দিয়েছিলেন মণিরামপুর এলাকার বাসিন্দা তুলসীচরণ অধিকারিক। অভিযোগ, এরপরই রবিবার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রবীন ভট্টাচার্য তুলসীবাবুর বাড়িতে হাজির হন। বৃদ্ধকে তিনি বেধড়ক মারধর করেন বলেও অভিযোগ। এমনকী রবীনবাবু বৃদ্ধের পেটে লাথি মারেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।



এদিন সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে পার্থ ভৌমিক বলেন, “অত্যন্ত নিন্দনীয়, মর্মান্তিক ঘটনা। দুটি বাড়ির মধ্যে অশান্তি চলছিল। সেই কারণেই পুরসভায় চিঠি দিয়েছিলেন। পুরসভার নোটিফিকেশন নিয়ে আমাদের কাউন্সিলরের সঙ্গে বাবা ও ছেলের তর্ক চলে। আমি শুনেছি, উনি হার্টফেল করে মারা গিয়েছেন। নিরীহ ও সজ্জন মানুষ ছিলেন।” দল বিষয়টাকে ভালভাবে দেখছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


এদিন অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর কাউন্সিলরকে আটক করে পুলিশ। খুনের ঘটনার কারণ দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে ব্যারাকপুর থানার পুলিশ। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে বাড়িতে মেয়ে না-দেখতে পেয়ে হইচই পড়ে যায়। রাতবিরেতে কোথায় গেল সে, এই নিয়েই তৈরি হয় উদ্বেগ। এরপরেই যুবতীকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। চলে যান সেই লাউ বাগানেও, সেখানে অবচেতন অবস্থা পড়েছিলেন নির্যাতিতা। পরে তার কাছ থেকেই গোটা ঘটনার বিবরণ নেয় পরিবার। দ্বারস্থ হয় বাদুড়িয়া থানায়।

 খাবারের লোভ দেখিয়ে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ! কাঠগড়ায় প্রতিবেশী
প্রতীকী ছবি

বাদুড়িয়া:বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে কাঠগড়ায় প্রতিবেশী। চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। পলাতক অভিযুক্তকে হন্যি হয়ে খুঁজছে পুলিশ। ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া থানার অন্তর্গত চণ্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের।



স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে ওই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যুবতী নিজের বাড়ির বারান্দাতেই বসেছিলেন। সেই সময় তাঁর বাড়ির পাশ দিয়েই যাচ্ছিলেন ওই অভিযুক্ত প্রতিবেশী। তাঁর বয়স ৫০-এর অধিক। এমতাবস্থায় তাঁকে একা বসে থাকতে দেখে খাবার দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ডাকেন অভিযুক্ত। নিয়ে যান পাশের একটি লাউ বাগানে। অভিযোগ, সেখানে গিয়েই ওই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যুবতীকে ধর্ষণ করা হয়।

এদিকে বাড়িতে মেয়ে না-দেখতে পেয়ে হইচই পড়ে যায়। রাতবিরেতে কোথায় গেল সে, এই নিয়েই তৈরি হয় উদ্বেগ। এরপরেই যুবতীকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। চলে যান সেই লাউ বাগানেও, সেখানে অবচেতন অবস্থা পড়েছিলেন নির্যাতিতা। পরে তার কাছ থেকেই গোটা ঘটনার বিবরণ নেয় পরিবার। দ্বারস্থ হয় বাদুড়িয়া থানায়। অভিযুক্ত প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। ইতিমধ্য়েই নির্যাতিতার মেডিক্য়াল পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। অভিযুক্ত পলাতক। তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।

নির্যাতিতার বৌদির অভিযোগ, “ওকে খাবারের লোভ দেখিয়ে বাগানের দিকে নিয়ে যায়। মুখ খুললে খুন করে দেবে বলে হুমকিও দেয়। লাউ বাগানে ডেকে নিয়ে গিয়েই এই রকম ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা চাই অভিযুক্তের উপযুক্ত সাজা হোক। ফাঁসিতে ঝোলানো হোক ওকে।”


ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, "উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে দেশের বাকি অংশকে সংযুক্ত করা করিডর নিয়ে বিশেষ প্ল্যানিং রয়েছে। আন্ডারগ্রাউন্ড রেলওয়ে ট্র্যাক বসানো হবে। পাশাপাশি যে ট্র্যাক রয়েছে, সেটিকে চার লাইনের করা হবে।"

শত্রুদের নজর এঁটে চিকেনস নেকে, এবার সেখানেই মাটির নীচ থেকে ছুটবে ট্রেন! কেন্দ্রের বড় প্ল্যান
ফাইল চিত্র

 বহু বছর ধরে উন্নয়নের জোয়ার থেকে বাদ পড়েছিল উত্তর-পূর্ব ভারত। তবে বিগত কয়েক বছরে সেই ছবিটা আমূল বদলে গিয়েছে। উত্তর-পূর্বে একদিকে যেমন একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে, তেমনই অবস্থানগত দিক থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে শিলিগুড়ির চিকেনস নেক করিডর। এই চিকেনস নেকে নজর রয়েছে চিনের, বদলানো সম্পর্কের জেরে এখন নজর পড়েছে বাংলাদেশেরও। এই আবহেই বড় সিদ্ধান্ত রেলের। চিকেনস নেকের প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথে আন্ডার গ্রাউন্ড বা ভূগর্ভস্থ রেল ট্র্যাক বসানোর পরিকল্পনা করছে ভারতীয় রেলওয়ে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব নিজেই এই কথা জানিয়েছেন।

নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের তরফে এই রেলপথ তৈরি করা হবে। তিনমিলে হাট থেকে রাঙাপানি এবং পরে তা সম্প্রসারিত করা হবে বাগডোগরা পর্যন্ত। দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর হয়ে বিহারের কিষাণগঞ্জের উপর দিয়ে যাবে এই রেলপথ।



ফ্লাইওভারের উপরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে একটা গাড়ি, ভিতরে দুই পুরুষ ও এক মহিলা, পুলিশ দরজা খুলতেই যা দেখল...
খাবারের লোভ দেখিয়ে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ! কাঠগড়ায় প্রতিবেশী
এই নিয়ে চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে দেশের বাকি অংশকে সংযুক্ত করা করিডর নিয়ে বিশেষ প্ল্যানিং রয়েছে। আন্ডারগ্রাউন্ড রেলওয়ে ট্র্যাক বসানো হবে। পাশাপাশি যে ট্র্যাক রয়েছে, সেটিকে চার লাইনের করা হবে।”

জানা গিয়েছে, দার্জিলিংয়ের তিন মিলে হাট থেকে রাঙাপানি পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ রেলপথ তৈরি করা হবে। কেন এই দুই স্টেশনকে বাছাই করা হয়েছে, সেটাও ব্যাখ্যা করেছেন রেলমন্ত্রী। তিন মিলে হাট দার্জিলিং জেলায় অবস্থিত। শিলিগুড়ি থেকে ১০ কিলোমিটার দূরত্ব এর। আবার বাংলাদেশের পঞ্চগড় থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৬৮ কিলোমিটার।

এবার চিকেনস নেকে নজরদারি ও নিরাপত্তা বাড়াতে এই রেলপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। চিকেনস নেক দিয়েই উত্তর পূর্ব ভারতের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা যায়। সামরিক অস্ত্রশস্ত্র থেকে জ্বালানি- সবই এই রুট দিয়েই পাঠানো হয়। চিকেনস নেকের দক্ষিণে রয়েছে বাংলাদেশ, পশ্চিমে রয়েছে নেপাল এবং উত্তরে রয়েছে চিনের চুম্বি ভ্যালি। এই চিকেনস নেকে সামান্য বিপত্তি হলেও, গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশও বিপদের মুখে পড়বে।

এবার রেলপথই কেন তৈরি করছে কেন্দ্র? কারণ মালপত্র বহন বা কার্গো পরিবহনের ক্ষেত্রে রেলপথই সবথেকে দ্রুত ও সাশ্রয়ী মাধ্যম। যেমন একটি ফ্রেইট ট্রেনে ৩০০টি ট্রাকের সমান পণ্য পরিবহন সম্ভব। চিকেনস নেকে যা কিছু পরিকাঠামো আছে, সবই মাটির উপরে। এখানে হামলা হলে বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। সেখানেই মাটির নীচে সুড়ঙ্গ হলে এই সব বিপদ এড়ানো সম্ভব।

প্রতিরক্ষা এক্সপার্ট সন্দীপ উন্নিথান ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আন্ডারগ্রাউন্ড রেলপথ একে আকাশপথে হামলা বা ড্রোন কিংবা মিসাইলের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেবে। যুদ্ধ বাধলে, আন্ডারগ্রাউন্ড করিডর সেনার চলাচল এবং জ্বালানি ও অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিবহনে সাহায্য করবে। পাশাপাশি বাগডোগরায় বায়ুসেনার ঘাঁটি এবং বেঙডুবিতে ভারতীয় সেনার ৩৩ কর্পসের ক্যান্টনমেন্টের সঙ্গেও যোগাযোগ স্থাপন হবে।

প্রস্তাবিত রেল রুটে দমদাঙ্গি থেকে বাগডোগরা পর্যন্ত ৩৫.৭৬ কিলোমিটার এবং দমদাঙ্গি থেকে রাঙাপানি পর্যন্ত ৩৩.৪০ কিলোমিটার রেলপথ তৈরি হবে। এই রেলপথে ২৫ কিলোভোল্টের দুটি এসি ইলেকট্রিফিকেশন সিস্টেম, অটোমেটিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা থাকবে। মাটির নীচে দুটি সুড়ঙ্গ তৈরি করা হবে টানেল বোরিং মেশিন দিয়ে।
সপ্তাহের প্রথম দিনেই একাধিক স্কুল বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল। খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে স্কুলগুলিতে ছোটে পুলিশ ও দমকল বাহিনী। ছুটে আসে বম্ব স্কোয়াডও। শুধু স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিই দেওয়া হয়নি, সংসদেও হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

লরেটো থেকে কেমব্রিজ, সপ্তাহের প্রথম দিনেই ৯টি স্কুল বোমায় উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, বের করা হচ্ছে পড়ুয়াদের
স্কুলের বাইরে পুলিশ

একাধিক স্কুলে বোমাতঙ্ক। সপ্তাহের প্রথম দিনেই একাধিক স্কুল বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল। খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে স্কুলগুলিতে ছোটে পুলিশ ও দমকল বাহিনী। ছুটে আসে বম্ব স্কোয়াডও। ঠিক কী হল আজ সকালে?

আজ, ৯ ফেব্রুয়ারি সকালে দিল্লির নয়টি স্কুল বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। দিল্লির দমকল বাহিনী সূত্রে খবর, সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ প্রথম ফোন আসে। দিল্লির নামকরা নয়টি স্কুল, যার মধ্যে লরেটো কনভেন্ট স্কুল (দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট), কেমব্রিজ স্কুল (দক্ষিণ দিল্লি), ভেঙ্কটেশ্বর স্কুল (উত্তর-পশ্চিম দিল্লি), সিএম স্কুল (রোহিণী), বাল ভারতী স্কুল (রোহিণী), কেমব্রিজ স্কুল (দক্ষিণ দিল্লি), ডিটিএ স্কুল, দ্য ইন্ডিয়ান স্কুলে উড়ো হুমকি আসে।



কোরিয়ান নাটক দেখার শাস্তি! তিন কিশোরীকে প্রকাশ্যে ফাঁসি কিমের দেশে

স‍্যরের সাজা পাওয়ার জায়গা আছে', গার্ড দিতে এসে জীবন বিজ্ঞানের পরীক্ষায় শিক্ষকের নজিরবিহীন কাজ, এবারের মাধ‍্যমিকে নজিরবিহীনভাবে হুলুস্থুল কাণ্ড


ইমেইল মারফত এই হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ইমেইলগুলিতে উসকানিমূলক ও উদ্বেগজনক বার্তা লেখা ছিল। ইমেইলে বলা হয়েছে, “দিল্লি খালিস্তান হয়ে যাবে। পঞ্জাব খালিস্তান”। ইমেইলে আফজল গুরুর নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে শুধু স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিই দেওয়া হয়নি, সংসদেও হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি সংসদে দুপুর ১ টা ১১ মিনিটে বিস্ফোরণ হবে বলেই হুমকি দেওয়া হয়েছে উড়ো ইমেইলে।

এদিকে, উড়ো ফোন আসতেই স্কুলগুলিতে আতঙ্ক ছড়ায়। অভিভাবকরা ছুটে আসেন। স্কুলগুলি দ্রুত ফাঁকা করা হয়। ইতিমধ্যেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে স্কুলগুলিতে। বম্ব স্কোয়াডও তল্লাশি করছে। এখনও পর্যন্ত কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।

এই দ্বৈরথ কখনও দেখা গিয়েছে সমাজমাধ্য়মে। কখনও দেখা গিয়েছে মুখোমুখি। গতবছর অগস্ট মাসের কথা। রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডে তৃণমূলের নতুন পার্টি অফিসের সামনে জড়ো হয় একের পর এক সাংসদদের গাড়ি। সেদিন ভার্চুয়াল বৈঠক করার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। কার্যালয়ের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্যায়।



কলকাতা: কল্য়াণ বলেছিলেন, তিনি ‘নারীবিদ্বেষী নন’, তাঁর ঘৃণা কেবল একজনেরই প্রতি। সে কে? তা নিয়ে কারওর মনেই কোনও দ্বিধা নেই। কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। লুকোছাপা নয়, কল্য়াণ-মহুয়া বিরোধিতা একেবারে খোলা আকাশের মতো। যা সবাই দেখেছে। একই ভাবে মহুয়াও যে তোপ দেগেছেন তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কসবা কলেজে ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় কল্য়াণ-মদনের মন্তব্যকে তুলে ধরে সাংসদ বলেছিলেন, তাঁরা ‘নারীবিদ্বেষী’।

এই দ্বৈরথ কখনও দেখা গিয়েছে সমাজমাধ্য়মে। কখনও দেখা গিয়েছে মুখোমুখি। গতবছর অগস্ট মাসের কথা। রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডে তৃণমূলের নতুন পার্টি অফিসের সামনে জড়ো হয় একের পর এক সাংসদদের গাড়ি। সেদিন ভার্চুয়াল বৈঠক করার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। কার্যালয়ের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্যায়। এই সময় কার্যালয়ের গেটে ঢুকল একটি গাড়ি। নামলেন মহুয়া মৈত্র। আর এদিকে কল্যাণ বলে উঠলেন, “কার মুখ দেখলাম, আজ দিনটাই গেল…।” নেই কোনও রাখঢাক, সবটাই একেবারে সোজাসাপ্টা।


তবে এখন হয়তো পরিস্থিতি বদলেছে। রবিবার তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষের মেয়ের বিয়ের ছবি দেখে তো তেমনই বলছেন তৃণমূলেরই একাংশ। “মুখ দেখতে না-চাওয়া” কল্যাণের, ওই বিয়েবাড়িতে তোলা ৯০ ভাগ ছবিতে পাশে মহুয়া মৈত্র। তা হলে এখানে কি দ্বন্দ্বের ইতি? ছবিগুলি তো কিছুটা ওই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। কখনও এক মুখ হাসি, কখনও হালকা মেজাজে খোশগল্প। কখনও যাওয়ার পথে একে অপরের দিকে ঘুরে তাকানো। কল্যাণ-মহুয়া রাজনৈতিক পর্বের এই অধ্যায় তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কাছেও ‘অপরিচিত’।


 তবে এ তো গেল শহরের কথা। জেলার দিকে পরিস্থিতি এখনও অতটাও জটিল নয়। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভবনা রয়েছে। যা দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং যেতে ঘন কুয়াশার চাদরে পরিণত হয়ে গিয়েছে।

বিদায়বেলায় শীত, বাংলায় এবার পারদ চড়বে ৪০ ডিগ্রি পর্যন্ত
প্রতীকী ছবি


উত্তুরে হাওয়ার শেষ ল্যাপ। পরপর দুই রাত ১৪-এর ঘরে তাপমাত্রা। তবে গতরাত থেকে সামান্য চড়তে শুরু করেছে পারদ। রবিবার রাতে শহরের তাপমাত্র ছিল ১৬ ডিগ্রির ঘরে। ফলত, শীতের আমেজ এখনও কিছুটা রয়েছে। কিন্তু তা বেশিদিন নয়।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাত এবং ভোরের দিকে শীতের আমেজ থাকবে। কিন্তু সকাল ৮টার পর শীতের পোশাকের আর প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি, ১২ তারিখ থেকেই ধাপে ধাপে চড়তে শুরু করবে পারদ। প্রেম দিবসে দেখা যাবে বসন্তের হাওয়া। পারদ চড়বে অনেকটাই। যা মার্চ মাস বা নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে দোলের দিনে ৪০ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠে যেতে পারে বলেই মনে করছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। এই পর্বে শহরজুড়ে ঘন কুয়াশার আর কোনও প্রবণতা নেই।



খাবারের লোভ দেখিয়ে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ! কাঠগড়ায় প্রতিবেশী
তবে এ তো গেল শহরের কথা। জেলার দিকে পরিস্থিতি এখনও অতটাও জটিল নয়। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভবনা রয়েছে। যা দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং যেতে ঘন কুয়াশার চাদরে পরিণত হয়ে গিয়েছে।


দক্ষিণবঙ্গে বেশিরভাগ জেলায় এখনও দিন-রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা নীচে। উত্তুরে হাওয়ায় রাতে ভোরে হালকা শীতের আমেজ তৈরি করছে। উপকূলের ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে, পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে বলেই পূর্বাভাস। আগামী ৭ দিনে বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই।

উত্তরবঙ্গ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনও ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে রয়েছে। আগামী চার-পাঁচদিনে তাপমাত্রার কোনও হেরফের দেখা যাবে না। তারপর উত্তরবঙ্গেও হালকা মেজাজে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। তবে দক্ষিণবঙ্গে পারদ চড়বে আগুন-গতিতে। এই পর্বে বাংলায় কোনও পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবের সম্ভবনা নেই।