WEATHER

Top News


আমার মৃত্যুর জন্য পরিবারই দায়ী থাকবে’, ভিডিও বার্তায় কান্নায় ভেঙে পড়লেন জনপ্রিয় ইউটিউবার
অনুরাগের দাবি, তাঁর স্ত্রী রিতিকাও তাঁকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন। বর্তমানে তিনি এতটাই অবসাদগ্রস্ত যে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার কথাও ভাবছেন। ভিডিওতে তিনি সরাসরি নিজের বাবা-মা ও ভাই-বোনের নাম উল্লেখ করে বলেন, "আমার মৃত্যুর জন্য মা, বাবা, কালাম (ভাই) এবং শ্রেয়া দায়ী থাকবে।


'আমার মৃত্যুর জন্য পরিবারই দায়ী থাকবে', ভিডিও বার্তায় কান্নায় ভেঙে পড়লেন জনপ্রিয় ইউটিউবার


গ্ল্যামার আর জনপ্রিয়তার আড়ালে লুকিয়ে ছিল চরম পারিবারিক অশান্তি ও মানসিক যন্ত্রণা। অবশেষে সেই বিস্ফোরণ ঘটালেন জনপ্রিয় ইউটিউবার অনুরাগ ডোভাল। নিজের প্রেমিকা রিতিকাকে ভালোবেসে বিয়ে করলেও, ভিন্ন জাতে (Inter-caste) বিয়ে করার অপরাধে পরিবার তাঁকে তিলে তিলে শেষ করে দিচ্ছে। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন তিনি। ইউটিউবে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে তাঁকে অঝোরে কাঁদতে দেখা গিয়েছে।


অনুরাগ তাঁর ইউটিউব ভিডিওর স্ক্রিনশট পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, “দ্য লাস্ট মেসেজ” (শেষ বার্তা)। প্রায় দু-ঘন্টার দীর্ঘ এক ভিডিওতে অনুরাগকে বলতে শোনা যায়, “গত কয়েক মাসে আমার জীবনটা এতটা বদলে গিয়েছে যে আমি কখনও ভাবিনি জীবন আমাকে এভাবে আছাড় মেরে ধুলোয় মিশিয়ে দেবে।”


ইরান যুদ্ধে লাশের পাহাড়, এখনও পর্যন্ত মৃত কত, জানুন
SIR: জেলাশাসকের পাঁচতলার অফিস থেকে লাইন পৌঁছল বাসস্ট্যান্ডে… এখন হাজার হাজার মানুষ কীসের জন্য ভিড় জমাচ্ছেন?
অনুরাগের দাবি, তাঁর স্ত্রী রিতিকাও তাঁকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন। বর্তমানে তিনি এতটাই অবসাদগ্রস্ত যে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার কথাও ভাবছেন। ভিডিওতে তিনি সরাসরি নিজের বাবা-মা ও ভাই-বোনের নাম উল্লেখ করে বলেন, “আমার মৃত্যুর জন্য মা, বাবা, কালাম (ভাই) এবং শ্রেয়া দায়ী থাকবে। আমার আর কিছুই করার নেই। আমি প্রচণ্ড ডিপ্রেশনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। এই ভিডিয়োর পর হয়তো আমি চিরতরে হারিয়ে যাব। আমি শুধু একটু ঘুমোতে চাই। পাঁচ দিন ধরে কিছু খাইনি, আমার মস্তিষ্ক আর কাজ করছে না।”



কেন এই সংঘাত? অনুরাগের অভিযোগ, রিতিকার সঙ্গে তাঁর বিয়ে মেনে নিতে পারেনি তাঁর পরিবার। যেহেতু এটি একটি ভিন্ন জাতের বিয়ে ছিল, তাই তাঁদের বাড়িতে পর্যন্ত ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে ক্রমাগত মানসিক চাপ ও হেনস্তাই তাঁকে এই চরম পরিণতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুরাগের এই ভিডিও ভাইরাল হতেই উদ্বেগে তাঁর লক্ষ লক্ষ অনুরাগী। নেটিজেনদের একাংশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে দ্রুত অনুরাগের খোঁজ নেওয়া হয় এবং তাঁকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়।


দুবাইয়ে আটকে রয়েছেন হাজার হাজার বিমানযাত্রী। ঘরবাড়ি থেকে দূরে থাকা এই অসহায় মানুষদের জন্য এবার ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন অভিনেতা। ঘোষণা করলেন—জাতপাত বা জাতীয়তা নির্বিশেষে যে কেউ দুবাইয়ে সোনু সুদের আশ্রয়ে বিনামূল্যে থাকতে পারবেন।


দুবাইয়ে আটকে পড়া মানুষদের জন্য বিনামূল্যে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করলেন সোনু সুদ, কীভাবে করবেন যোগাযোগ?
আকাশ মিশ্র


দেশকাল বা সীমানার গণ্ডি যে তাঁর কাছে বড় নয়, তা আবারও প্রমাণ করলেন সোনু সুদ। ইজরায়েল-ইরান-আমেরিকা সংঘাতের জেরে এই মুহূর্তে দুবাইয়ে আটকে রয়েছেন হাজার হাজার বিমানযাত্রী। ঘরবাড়ি থেকে দূরে থাকা এই অসহায় মানুষদের জন্য এবার ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন অভিনেতা। ঘোষণা করলেন—জাতপাত বা জাতীয়তা নির্বিশেষে যে কেউ দুবাইয়ে সোনু সুদের আশ্রয়ে বিনামূল্যে থাকতে পারবেন।


বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সোনু সুদ এই মানবিক উদ্যোগের কথা জানান। তিনি বলেন, “বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে যাঁরা দুবাইয়ে আটকে পড়েছেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই—আপনাদের থাকার জায়গা আছে। আমরা নিশ্চিত করব যাতে আপনারা সেখানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে থাকার সুবিধা পান।”


ইরান যুদ্ধে লাশের পাহাড়, এখনও পর্যন্ত মৃত কত, জানুন
ভিডিওতে ৫২ বছর বয়সী এই অভিনেতা আরও যোগ করেন, “আমার হিন্দুস্তানি ভাই-বোনেরা অথবা যে কোনো দেশের নাগরিক যাঁরা এই মুহূর্তে দুবাইয়ে বিপদে পড়েছেন, আমায় সরাসরি মেসেজ (DM) করুন। যতক্ষণ না আপনারা সুস্থভাবে নিজেদের দেশে ফিরতে পারছেন, আপনাদের থাকার সব দায়িত্ব আমার। জয় হিন্দ।”


২০২০ সালের লকডাউনের সময় থেকেই সোনু সুদ সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার আর এক নাম হয়ে উঠেছেন। সেই সময় পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানো থেকে শুরু করে চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যবস্থা—সর্বত্রই তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। এবার বিদেশের মাটিতে যুদ্ধের কারণে ঘরহারা বা গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারা মানুষদের আশ্রয় দিয়ে আবারও খবরের শিরোনামে তিনি।

কারা পাবেন এই সুবিধা?

ভারতীয় তো বটেই, সাহায্য পাবেন যে কোনও দেশের নাগরিক।

কীভাবে যোগাযোগ করবেন?

অভিনেতার সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে সরাসরি মেসেজ পাঠিয়ে সাহায্য চাওয়া যাবে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যেখানে দিশেহারা কয়েক হাজার পর্যটক, সেখানে সোনু সুদের এই ঘোষণা বড়সড় স্বস্তি বয়ে আনবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।


শাম্মি কাপুর মহানায়কের এতটাই ভক্ত ছিলেন যে, বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে তাঁকে একটি দামী হীরের আংটি উপহার দিয়েছিলেন। সেদিন পর্দায় শাম্মি কাপুরের ছন্দ আর অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন উত্তমও। কিন্তু এই গভীর বন্ধুত্ব সত্ত্বেও শাম্মি কাপুর চাননি উত্তম কুমার বলিউডে আসুক।


'বম্বেতে ভুলেও পা রেখো না!' কেন উত্তম কুমারকে সতর্ক করেছিলেন শাম্মি কাপুর?
আকাশ মিশ্র


১৯৬১ সাল। কলকাতার রক্সি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে শাম্মি কাপুরের ব্লকবাস্টার ছবি ‘জংলি’। সেই প্রিমিয়ারে আমন্ত্রিত ছিলেন স্বয়ং উত্তম কুমার। শাম্মি কাপুর মহানায়কের এতটাই ভক্ত ছিলেন যে, বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে তাঁকে একটি দামী হিরের আংটি উপহার দিয়েছিলেন। সেদিন পর্দায় শাম্মি কাপুরের ছন্দ আর অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন উত্তমও। কিন্তু এই গভীর বন্ধুত্ব সত্ত্বেও শাম্মি কাপুর চাননি উত্তম কুমার বলিউডে আসুক।


ষাটের দশকে শাম্মি কাপুর যখনই কলকাতায় আসতেন, উত্তম কুমারের নতুন ছবি দেখা বা তাঁর সঙ্গে দেখা করা ছিল বাধ্যতামূলক। শাম্মি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতেন যে উত্তম কুমারের যে বিরল প্রতিভা, তার মূল্যায়ন করার ক্ষমতা তৎকালীন হিন্দি সিনেমার ছিল না।


কতদিন যুদ্ধ চলবে? জানিয়ে দিল মার্কিন সেনেট, বড় জয় ট্রাম্পের!
৬০ লাখের মধ্যে ৩৭ লাখ 'অমীমাংসিত'-ই মুসলিম প্রভাবিত ৬ জেলা থেকে, অঙ্ক খুঁজছে সবাই
১৯৬৭ সালে মুক্তি পায় উত্তম কুমারের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থার ছবি ‘ছোটি সি মুলাকাত’। ১৯৫৪ সালের কালজয়ী বাংলা ছবি ‘অগ্নিপরীক্ষা’র রিমেক ছিল এটি। কিন্তু বক্স অফিসে ছবিটি মুখ থুবড়ে পড়ে। সেই ব্যর্থতার পরেই শাম্মি কাপুর মন্তব্য করেছিলেন, “উত্তম কুমারের মতো অসাধারণ প্রতিভার প্রতি হিন্দি সিনেমা কখনোই সুবিচার করতে পারবে না। ওঁর জায়গা বাংলা সিনেমাতেই।”


আশাপূর্ণা দেবীর গল্প অবলম্বনে তৈরি ‘অগ্নিপরীক্ষা’ ছবিতে উত্তম-সুচিত্রা জুটি বাঙালির মনে যে জাদু তৈরি করেছিল, হিন্দি সংস্করণে তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি। বাংলার বাইরে এই ছবি দর্শকদের মন জয় করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। এই পরাজয় মহানায়কের কাছে ছিল এক বড় ধাক্কা। শাম্মি কাপুরের আশঙ্কা সত্যি প্রমাণ করে বোঝা গিয়েছিল যে, বলিউডের ধরাবাঁধা ফর্মুলা মহানায়কের অভিনয়শৈলীকে ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারেনি।

২০০৩ সালে 'জিসম' ছবির সেট থেকে শুরু হওয়া সেই প্রেম দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ছিল পেজ-থ্রি-র হট টপিক। কিন্তু হঠাৎ করেই একদিন সেই রূপকথার গল্পে ইতি পড়ে। কেন ভেঙেছিল তাঁদের সম্পর্ক? প্রতারণা নাকি অন্য কিছু? বছর পেরিয়ে গেলেও সেই গসিপ আজও সমান টাটকা।


৯ বছরের টানা লিভ ইন সম্পর্ক! তবুও কেন ভাঙল জন-বিপাশার 'সুপারহট' সম্পর্ক?
আকাশ মিশ্র


বলিউডের ‘হটেস্ট কাপল’ বললেই এক সময় সবার আগে মাথায় আসত দু’টি নাম— জন আব্রাহাম এবং বিপাশা বসু। ২০০৩ সালে ‘জিসম’ ছবির সেট থেকে শুরু হওয়া সেই প্রেম দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ছিল পেজ-থ্রি-র হট টপিক। কিন্তু হঠাৎ করেই একদিন সেই রূপকথার গল্পে ইতি পড়ে। কেন ভেঙেছিল তাঁদের সম্পর্ক? প্রতারণা নাকি অন্য কিছু? বছর পেরিয়ে গেলেও সেই গসিপ আজও সমান টাটকা।


২০০২ থেকে ২০১১— দীর্ঘ ৯ বছর তাঁরা লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। বলিপাড়ার প্রায় সবাই নিশ্চিত ছিলেন যে জন-বিপাশার চার হাত এক হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু ২০১১ সালে হঠাৎই আলাদা হয়ে যান তাঁরা। শোনা যায়, বিপাশা যখন বিয়ের জন্য প্রস্তুত ছিলেন, জন তখন বারবার পিছিয়ে যাচ্ছিলেন। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে।


ইরান যুদ্ধে লাশের পাহাড়, এখনও পর্যন্ত মৃত কত, জানুন
সেই সময় বি-টাউনের অন্দরে কান পাতলে শোনা যেত এক বিস্ফোরক তথ্য। গুঞ্জন রটেছিল, বিপাশার সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীনই জন বর্তমান স্ত্রী প্রিয়া রুঞ্চলের প্রেমে পড়েন। বিপাশা নিজেই এক সাক্ষাৎকারে নাম না করে আক্ষেপ করেছিলেন যে, তাঁকে অন্ধকারের মধ্যে রাখা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন:


“আমি কোনোদিন ভাবিনি যে ৯ বছরের একটা সম্পর্ক এভাবে শেষ হবে। বিশ্বাসভঙ্গ হওয়াটা মেনে নেওয়া খুব কঠিন ছিল।”

বিচ্ছেদের পর পরিস্থিতি এতটাই তিক্ত হয়ে উঠেছিল যে, কোনো অ্যাওয়ার্ড ফাংশন বা পার্টিতে জন-বিপাশা একে অপরকে এড়িয়ে চলতেন। এমনকি জন একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রিয়া রুঞ্চলের সঙ্গে তাঁর বিয়ের কথা ঘোষণা করলে বিপাশা কার্যত স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন। অনেকে বলেন, জনের সেই গোপন বিয়েই ছিল তাঁদের সম্পর্কের কফিনে শেষ পেরেক।

সময় অনেক বদলেছে। বিপাশা বসু এখন অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে সুখী দাম্পত্যে আছেন, তাঁদের কোল আলো করে এসেছে কন্যা দেবী। অন্যদিকে, জন আব্রাহামও স্ত্রী প্রিয়াকে নিয়ে নিজের জগত গুছিয়ে নিয়েছেন। তবে আজও বলিউডের কোনো পার্টিতে জনের নাম উঠলে বিপাশার নীরবতা কিংবা জন-এর এড়িয়ে যাওয়া স্পষ্ট করে দেয় যে— সেই ক্ষতর দাগ আজও মোছেনি।


প্রবাসে ঘরকন্না’ ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্রবাস জীবনের খুঁটিনাটি তুলে ধরে তিনি জয় করেছেন আট থেকে আশির মন। কিন্তু সেই জনপ্রিয়তাই এখন তাঁকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে এক কঠিন সমালোচনার মুখে। শাশুড়ির মৃত্যুতে শোক প্রকাশের ধরণ ও ভিডিও পোস্ট করা নিয়ে কার্যত দু’ভাগে বিভক্ত তাঁর অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় তর্ক-বিতর্কের ঝড়। 

শাশুড়ির মৃত্যুতেও ক্যামেরা অন? ‘প্রবাসে ঘরকন্না’র মহুয়াকে নিয়ে জোর বিতর্ক
আকাশ মিশ্র


‘নমস্কার, কেমন আছেন সবাই। প্রবাসের ঘরকন্নায় সবাইকে স্বাগত’— এই অতি পরিচিত মিষ্টি সম্বোধনে যিনি প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের মুঠোফোনে পৌঁছে যান, তিনি মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়। ‘প্রবাসে ঘরকন্না’ ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্রবাস জীবনের খুঁটিনাটি তুলে ধরে তিনি জয় করেছেন আট থেকে আশির মন। কিন্তু সেই জনপ্রিয়তাই এখন তাঁকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে এক কঠিন সমালোচনার মুখে। শাশুড়ির মৃত্যুতে শোক প্রকাশের ধরণ ও ভিডিও পোস্ট করা নিয়ে কার্যত দু’ভাগে বিভক্ত তাঁর অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় তর্ক-বিতর্কের ঝড়।


সম্প্রতি মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়ের শাশুড়ি পরলোকগমন করেছেন। খবর পাওয়া মাত্রই বিদেশ থেকে সপরিবারে দেশে ছুটে আসেন তিনি। কিন্তু গোলমাল বাঁধে তাঁর সাম্প্রতিক ভ্লগটি নিয়ে। ভিডিওটিতে শাশুড়ির মরদেহের সামনে কান্নাকাটি থেকে শুরু করে শেষকৃত্যের বিভিন্ন দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে। আর এই ‘ব্যক্তিগত শোক’কে ক্যামেরার সামনে আনা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।


ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনদের একাংশ ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, অনেকের মতে, প্রিয়জনের মৃত্যু অত্যন্ত ব্যক্তিগত বিষয়, তা ভিডিও করে ভিউ বাড়ানো বা উপার্জনের মাধ্যম হওয়া উচিত নয়। কেউ কেউ সরাসরি আক্রমণ করে লিখেছেন, “টাকা উপার্জনের নেশায় মানুষ কি নিজের আবেগকেও পণ্য বানাচ্ছে?” বিমানের টিকিট কাটার খরচ তোলার জন্য এই ভিডিও— এমন কটু মন্তব্যও করতে ছাড়েননি সমালোচকরা। এমনকি মহুয়ার স্বামী মানিকবাবুর শরীরী ভাষা নিয়েও কাটাছেঁড়া চলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।


তবে মুদ্রার উল্টো পিঠও আছে। মহুয়ার একনিষ্ঠ ভক্তদের দাবি, তিনি দীর্ঘকাল ধরে তাঁর জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত দর্শকদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। সেই হিসেবে পরিবারের এক সদস্যের চলে যাওয়ার খবর জানানো তাঁর কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে। তাঁদের মতে, এটি ভিডিও নয়, বরং জীবনের একটি কঠিন বাস্তবকে তুলে ধরা।


রিসেপশনের সন্ধ্যায় রশ্মিকার পরনে ছিল লাল রঙের মাইসোর সিল্ক (Mysore Silk)। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে যে কোনও সাধারণ সাবেকি শাড়ি, কিন্তু খুঁটিয়ে দেখলে বোঝা যায় এর কারিকুরি। শাড়ির কালচে খয়েরি পাড়ে সোনালি জরির কাজের সঙ্গে যোগ করা হয়েছিল হাতে বোনা জরির লেস।


জানেন বিজয়-রশ্মিকার রিসেপশনের গয়নার দাম? শুনলে ছিটকে যাবেন!


দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবরাকোন্ডা আর রশ্মিকা মান্দানার বিয়ে নিয়ে চর্চা যেন থামতেই চাইছে না। ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরের সেই রাজকীয় বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই ৪ মার্চ হায়দরাবাদে বসেছিল তাঁদের গ্র্যান্ড রিসেপশনের আসর। তবে ভক্তরা যতটা ‘ধামাকা’ আশা করেছিলেন, বিজয়-রশ্মিকা ধরা দিলেন তার ঠিক উল্টো মেজাজে। হাই-এন্ড পার্টিতে যেখানে বেশিরভাগ তারকারারাই জমকালো পোশাকে সাজেন, সেখানে এই জুটি বেছে নিয়েছিলেন এক্কেবারে ‘সাদামাঠা’ সাজ। কিন্তু সেই সাধারণ সাজের খরচ শুনলে অবাক হয়ে যাবেন।


রিসেপশনের সন্ধ্যায় রশ্মিকার পরনে ছিল লাল রঙের মাইসোর সিল্ক (Mysore Silk)। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে যে কোনও সাধারণ সাবেকি শাড়ি, কিন্তু খুঁটিয়ে দেখলে বোঝা যায় এর কারিকুরি। শাড়ির কালচে খয়েরি পাড়ে সোনালি জরির কাজের সঙ্গে যোগ করা হয়েছিল হাতে বোনা জরির লেস। তাতে চুমকির কাজ এমনভাবে করা হয়েছিল যে আলো পড়লেই তা সোনার মতো চমক দিচ্ছিল। মুদ্রার মোটিফ দেওয়া পাড়ে বসানো ছিল ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সোনালি পুঁতি। শাড়ির রঙের সঙ্গে মিলিয়ে চুলে লাল ফুল আর ট্র্যাডিশনাল কোমর বিছে, চোকার ও চাঁদবালিতে রশ্মিকাকে লাগছিল অপরূপা।



বিজয় দেবরাকোন্ডা আগাগোড়াই ছক ভাঙতে ভালোবাসেন। রিসেপশনে তিনি পরেছিলেন খাঁটি দক্ষিণ ভারতীয় ঢঙের খাটো ঝুলের কুর্তা আর মুন্ডু (ভেস্তি)। দুধ-সাদা সিল্কের কাপড়ে নকশা বলতে কেবল ছিল রুপোলি জরির পাড়। কিন্তু টুইস্ট ছিল অন্য জায়গায়। বিজয়ের গলায় থাকা বিছে হার আর কব্জির রিস্টলেটটি রুপোলি দেখালেও তা আসলে রুপো নয়, বরং মহার্ঘ্য ‘হোয়াইট গোল্ড’। তাঁর বাঁ হাতের সরু ব্যান্ডের ঘড়িটিও ছিল সমান নজরকাড়া।


রশ্মিকা-বিজয়ের গয়না– বাইরে থেকে দেখতে ‘সাদামাঠা’ মনে হলেও এই সাজের পেছনে ছিল বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ। হায়দরাবাদের ‘শ্রী জুয়েলার্স’ প্রায় ১০ মাস ধরে রশ্মিকার গয়নাগুলো কাস্টমাইজ করেছে। যদিও রিসেপশনে তিনি গয়না কিছুটা কম পরেছিলেন, তবুও এই বিশেষ টেম্পল জুয়েলারি সেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ থেকে ৫ কোটি টাকা।

বিলাসবহুল ভেন্যু– হায়দরাবাদের অভিজাত ‘তাজ কৃষ্ণা’ (Taj Krishna) হোটেলে বসেছিল তাঁদের প্রীতিভোজের আসর। যার প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুইটের এক রাতের ভাড়াই প্রায় ১.৩ লক্ষ টাকা।

বিজয় আর রশ্মিকা বুঝিয়ে দিয়েছেন, আভিজাত্য মানেই সবসময় চকমকে পাথর বা ভারী কারুকাজ নয়। বরং সাবেকিয়ানাকে ঠিকমতো বহন করতে পারলে নামমাত্র সাজেও সবার থেকে আলাদা হওয়া যায়। তারকারা সাধারণত রিসেপশনে ওয়েস্টার্ন গাউন বা স্যুট পছন্দ করলেও, এই জুটি নিজেদের শিকড়কে অর্থাৎ দক্ষিণী সংস্কৃতিকে যেভাবে আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরেছিলেন তা তাঁদের ভক্তদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে।


একটি ইতিবাচক দিক রণবীরের মনে গেঁথে গিয়েছে। তিনি জানান, রাজ কাপুরের সেই পার্টিতে কেবল অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ভিড় থাকত না। সেখানে লাইটম্যান থেকে শুরু করে প্রোডাকশন বয়-সবাই আমন্ত্রিত থাকতেন। ইন্ডাস্ট্রির প্রতিটি স্তরের মানুষ ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে উৎসবে মাততেন। আভিজাত্যের লড়াই সরিয়ে রেখে সেটি ছিল ইন্ডাস্ট্রির মিলনমেলা।


রাজ কাপুরের হোলি পার্টি রণবীরের কাছে বিভীষিকা! কেন এমন বললেন অভিনেতা?


বলিউডের হোলি মানেই এখনকার দিনে ঝলমলে সব ‘পেজ থ্রি’ পার্টি। কিন্তু কাপুর খানদানের সেই ঐতিহাসিক হোলি উদযাপনের কথা আজও থাকে চর্চায়। আরকে স্টুডিওর সেই রাজকীয় জলসা যেখানে একসময় গোটা বলিউডকে এক ছাদের তলায় নিয়ে আসত, সেই পার্টিই নাকি রণবীর কাপুরের কাছে ছিল রীতিমতো একটা দুঃস্বপ্ন! সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে রাজ কাপুরের হোলি পার্টি নিয়ে বিস্ফোরক স্মৃতিচারণ করলেন রণবীর।


ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়ার মঞ্চে পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রণবীর জানান, ছোটবেলায় ওই পার্টিগুলো তাঁর কাছে বেশ ভয়ের ছিল। রণবীরের কথায়, “আমি তখন খুবই ছোট। চারপাশের পরিবেশটা আমার কাছে খুব একটা আনন্দের ছিল না। চারদিকে সবাই একদম মিশমিশে কালো বা গাঢ় রঙে মাখামাখি হয়ে থাকত। এমনকি অনেককে তো চ্যাংদোলা করে ট্রাকে পর্যন্ত ছুড়ে ফেলে দেওয়া হত! সব মিলিয়ে আমার কাছে ওটা ছিল এক ভয়ানক অভিজ্ঞতা।”



ইরান যুদ্ধে লাশের পাহাড়, এখনও পর্যন্ত মৃত কত, জানুন
ওই অনুষ্ঠানে পরিচালক রাহুল রাওয়াইলও রণবীরের কথায় সায় দিয়ে জানান, আগেকার দিনের সেই উন্মাদনা ছিল ভয়ানক। নীল-কালো-হলুদ রঙে চেনার উপায় থাকত না, কে, কোন তারকা। সকাল থেকেই শুরু হয়ে যেত সেই উন্মাদনা।


তবে ভয়ের স্মৃতি থাকলেও ওই উৎসবের একটি ইতিবাচক দিক রণবীরের মনে গেঁথে গিয়েছে। তিনি জানান, রাজ কাপুরের সেই পার্টিতে কেবল অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ভিড় থাকত না। সেখানে লাইটম্যান থেকে শুরু করে প্রোডাকশন বয় সবাই আমন্ত্রিত থাকতেন। ইন্ডাস্ট্রির প্রতিটি স্তরের মানুষ ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে উৎসবে মাততেন। আভিজাত্যের লড়াই সরিয়ে রেখে সেটি ছিল ইন্ডাস্ট্রির মিলনমেলা।

কেন বন্ধ হল এই ঐতিহাসিক উদযাপন?

প্রশ্ন উঠতেই পারে, যে পার্টিতে গোটা ইন্ডাস্ট্রি এক হত, তা বন্ধ হল কেন? রাহুল রাওয়াইল জানান, উৎসবের জনপ্রিয়তা যখন তুঙ্গে পৌঁছল, তখন পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গিয়েছিল। যে কেউ সেই পার্টিতে ঢুকে পড়ছিল। ভিড় সামলানো এবং নিরাপত্তা বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল আয়োজকদের পক্ষে। আর সেই কারণেই চিরতরে বন্ধ হয়ে যায় আরকে স্টুডিওর সেই ঐতিহাসিক হোলি পার্টি।

বর্তমানে রণবীরের হাতে বড় বড় সব প্রজেক্ট। সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এ আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশলের সঙ্গে দেখা যাবে তাঁকে। এছাড়া ‘অ্যানিম্যাল’ সিক্যুয়েল এবং নীতেশ তিওয়ারির বহু প্রতীক্ষিত ‘রামায়ণ’ ছবিতে রামের ভূমিকায় কাজ করছেন তিনি। ২০২৬-এর দিওয়ালিতে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে রামায়ণের।




সাক্ষাৎকারে রানীর কথায় উঠে এসেছে তাঁর কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ছবি ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর কথা। করণ জোহরের ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ যখন মুক্তি পায়, তখন টিনা ছিল টক অফ দ্য টাউন।। সেই সময়ের কথা মনে করে রানী জানান, “করণ যখন আমায় গল্পটা শুনিয়েছিলেন, তখনই ঘরের মধ্যে একটা অদ্ভুত জাদু অনুভব করেছিলাম। ওর সততা আর গল্পের বুনন আমাকে মুগ্ধ করেছিল।
‘ওই দিনটা আর ফিরবে না...’, কেন এমন ‘হতাশ’ রানি মুখোপাধ্যায়?


বলিউডের ‘রানি’ তিনি। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে রুপোলি পর্দা শাসন করছেন। কিন্তু হঠাৎ কী হল? কেন সাফল্যের শিখরে দাঁড়িয়েও রানি মুখোপাধ্যায়ের গলায় ঝরে পড়ল একরাশ আক্ষেপ? ‘মর্দানি ৩’ আসার ঠিক আগে এক সাক্ষাৎকারে বোমা ফাটালেন অভিনেত্রী। সাফ জানালেন, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ কিংবা ‘ব্ল্যাক’-এর মতো সেই ম্যাজিক আর কোনওদিন তৈরি করা সম্ভব নয়। তবে কি খোদ রানির কাছেই আজকের বলিউডের চিত্রনাট্য ফিকে মনে হচ্ছে? নাকি নতুন প্রজন্মের নায়িকারা সেই উচ্চতা ছুঁতে পারছেন না?


সাক্ষাৎকারে রানির কথায় উঠে এসেছে তাঁর কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ছবি ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর কথা। করণ জোহরের ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ যখন মুক্তি পায়, তখন টিনা ছিল টক অফ দ্য টাউন।। সেই সময়ের কথা মনে করে রানি জানান, “করণ যখন আমায় গল্পটা শুনিয়েছিলেন, তখনই ঘরের মধ্যে একটা অদ্ভুত জাদু অনুভব করেছিলাম। ওর সততা আর গল্পের বুনন আমাকে মুগ্ধ করেছিল।” ৩০ বছর পেরিয়েও টিনা যেভাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম জুড়ে জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে, তাতে রানি নিজেও অবাক।


খসড়া তালিকায় মৃত থাকায় অভিষেকের সঙ্গে দিল্লি পর্যন্তও যান, সেই পূর্ণর নামই নেই তালিকায়
শাশুড়ির মৃত্যুতেও ক্যামেরা অন? ‘প্রবাসে ঘরকন্না’র মহুয়াকে নিয়ে জোর বিতর্ক
সাথিয়া ছবিতে এক স্বাধীনচেতা মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রানি। তিনি মনে করেন, সেই সময় ছবিটি তরুণীদের খুব কাছের হয়ে উঠেছিল কারণ সেখানে ব্যক্তিগত জীবন এবং পেশাকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার লড়াই ছিল। আবার ‘হাম তুম’-এর রিয়া চরিত্রটি নিয়ে রানি জানান, এই ছবিটি বলিউডে নারীচরিত্রের সংজ্ঞা বদলে দিয়েছিল। রিয়ার বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্নগুলো ছবির নায়ক সইফ আলি খানকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ জানাত, যা তৎকালীন বাণিজ্যিক ছবিতে খুব একটা দেখা যেত না।


তবে সব ছবির ভিড়ে সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘ব্ল্যাক’ রানির কাছে সবচেয়ে বেশি স্পেশাল। মিশেল ঢিলোঁর চরিত্রে তাঁর অভিনয় আজও দর্শকদের লোমহর্ষক লাগে। রানী অকপটে স্বীকার করেন, “আমি আর কখনও ওই জাদু নতুন করে তৈরি করতে পারব না।” বনশালি যখন তাঁকে এই চরিত্রটির প্রস্তাব দেন, রানি প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি যে তিনি এটা করতে পারবেন। এই ছবিটি তাঁকে জীবন সম্পর্কে কৃতজ্ঞ হতে শিখিয়েছে বলে জানান অভিনেত্রী।

২০১২ সালের দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ডের পর দেশজুড়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকেই জন্ম নিয়েছিল ‘মর্দানি’ ফ্র্যাঞ্চাইজি। রানি জানালেন, এই ছবিগুলো কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং সমাজের বাস্তব অপরাধগুলো তুলে ধরে সচেতনতা তৈরি করার জন্য। তাঁর মতে, ‘মর্দানি’ মানেই একটি বার্তা— ‘প্রতিটি জীবনের দাম আছে’।

কেরিয়ারের এই দীর্ঘ পথ চলায় রানি বারবার নিজেকে ভেঙেছেন এবং গড়েছেন। অতীতের সেই সোনালি দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে আজও বারবার নস্টালজিক হয়ে পড়লেন রানি।




র্তমানে অক্ষয় কুমার ব্যস্ত তাঁর আসন্ন ছবি 'ভূত বাংলা' এবং কুইজ রিয়েলিটি শো 'হুইল অফ ফরচুন' নিয়ে। এই শো-এর একটি পর্বেই প্রতিযোগীর প্রশ্নের মুখে পড়ে খোলসা করেন তাঁর মনের সুপ্ত ইচ্ছা। এক প্রতিযোগী যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, জীবনে আর কী পাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর?


বছরে ১২০ দিন ছুটি কাটান অক্ষয়! তবুও কেন মন ভরে না? 'খিলাড়ি'র সিক্রেট ফাঁস


বলিউডের সবচেয়ে ব্যস্ত অভিনেতাদের তালিকায় তাঁর নাম থাকে একদম ওপরের দিকে। ভোর চারটেয় ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে বছরে চার-পাঁচটি সিনেমার কাজ শেষ করা অক্ষয় কুমারের অনুশাসনের গল্প ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই শোনা যায়। কিন্তু এই চূড়ান্ত ব্যস্ততার মাঝেও অভিনেতা নিজের পরিবারের জন্য কতটা সময় বরাদ্দ রাখেন, তা জানলে চমকে উঠবেন। সম্প্রতি এক রিয়েলিটি শো-এর মঞ্চে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এমনই এক গোপন কথা ভাগ করে নিয়েছেন ‘খিলাড়ি’ কুমার।


বর্তমানে অক্ষয় কুমার ব্যস্ত তাঁর আসন্ন ছবি ‘ভূত বাংলা’ এবং কুইজ রিয়েলিটি শো ‘হুইল অফ ফরচুন’ নিয়ে। এই শো-এর একটি পর্বেই প্রতিযোগীর প্রশ্নের মুখে পড়ে খোলসা করেন তাঁর মনের সুপ্ত ইচ্ছা। এক প্রতিযোগী যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, জীবনে আর কী পাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর? চিরপরিচিত রসবোধের সঙ্গে অক্ষয় প্রথমে রসিকতা করে বলেন, “আমার ইচ্ছা এটাই যেন শেষ প্রশ্ন হয়!”


দোলের দিন লোনের টাকা আনতে গিয়েছিলেন, তৃণমূল নেতার ভাইয়ের কাছে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার শিকার
তবে মজার পরেই আবেগঘন হয়ে পড়েন অভিনেতা। তিনি জানান, বছরে ৩৬৫ দিনের মধ্যে অন্তত ১২০ দিন তিনি শুধুমাত্র তাঁর পরিবার— স্ত্রী টুইঙ্কল খন্না এবং দুই সন্তান আরভ ও নিতারার জন্য তুলে রাখেন। অর্থাৎ বছরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সময় তিনি কোনও কাজ করেন না। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, এই বিশাল পরিমাণ সময় কাটানোর পরেও অক্ষয়ের মনে হয় তা যথেষ্ট নয়। তাঁর কথায়, “১২০ দিনও এখন কম মনে হয়, আরও বেশি সময় কাটাতে ইচ্ছে করে ওদের সঙ্গে।”


পর্দায় অক্ষয় মানেই ভরপুর বিনোদন। প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় দীর্ঘ সময় পর আবার ফিরছেন তিনি হরর-কমেডি ‘ভূত বাংলা’ নিয়ে। সঙ্গে রয়েছেন রাজপাল যাদব ও ওয়ামিকা গাব্বির মতো তারকারা। কাজ আর ব্যক্তিগত জীবনের এই ভারসাম্য বজায় রাখা যে সহজ নয়, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন অক্ষয়। বিশেষ করে আজকের দ্রুত গতির জীবনে যেখানে প্রিয়জনদের জন্য সময় বের করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেখানে অক্ষয়ের এই ১২০ দিনের ‘ফ্যামিলি টাইম’এর কথা শুনে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছেন তাঁর ভক্তরা।

ডিজিটাল দুনিয়ায় এই ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়তেই অনুরাগীদের প্রশংসায় ভাসছেন অক্ষয়। কেউ বলছেন, “অক্ষয় আদর্শ বাবা,” তো কেউ বলছেন, “কাজের চাপের অজুহাত না দিয়ে পরিবারের গুরুত্ব বোঝা উচিত সবার


কেরিয়ার নিয়ে চিন্তিত সলমন নাকি খোদ গোবিন্দার কাছেই পরামর্শ চেয়েছিলেন। গোবিন্দা জানান, সলমন খুবই সলিড এবং মনখোলা মানুষ। তাই একদিন মদ্যপানের আড্ডায় বসে তিনি সলমনকে কিছু অপ্রিয় সত্যি কথা বলে দেন।
‘চেহারা ফ্যাকাশে, চুলও পড়ে গিয়েছে!’ মদ্যপানের আড্ডায় সলমনকে কোন পরামর্শ দিয়েছিলেন গোবিন্দা?


বলিউডের ‘পার্টনার’ ছবির সেই আইকনিক জুটি প্রেম আর ভাস্করকে কার না মনে আছে? রুপোলি পর্দায় সলমন খান আর গোবিন্দার সেই রসায়ন আজও দর্শকদের মুখে মুখে ফেরে । কিন্তু পর্দার নেপথ্যেও যে তাঁদের সমীকরণটা কেমন ছিল? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গোবিন্দা ফাঁস করলেন এমন এক গোপন কথা, যা শুনলে চমকে যাবেন। সলমন খানকে তাঁর কেরিয়ারের এক কঠিন সময়ে সোজাসাপ্টা কিছু পরামর্শ দিয়েছিলেন ‘গোবিন্দা’, আর সেই দাওয়াই নাকি বদলে দিয়েছিল ভাইজানের পুরো লুক!


সদ্য দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গোবিন্দা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানান, ২০০৭ সালে ‘পার্টনার’ ছবির শুটিং চলাকালীন সলমন খান কিছুটা দিশেহারা বোধ করছিলেন। কেরিয়ার নিয়ে চিন্তিত সলমন নাকি খোদ গোবিন্দার কাছেই পরামর্শ চেয়েছিলেন। গোবিন্দা জানান, সলমন খুবই মনখোলা মানুষ। তাই একদিন মদ্যপানের আড্ডায় বসে তিনি সলমনকে কিছু অপ্রিয় সত্যি কথা বলে দেন।


ফুল দেওয়ার সময় আপনিও কি এই ভুলগুলো করছেন? সাবধান!
হরমুজে কাদের প্রবেশ মানা? জানাল তেহরান! তারপরেই ডায়াল ঘোরালেন জয়শঙ্কর
গোবিন্দা বলেন, “আমি সলমনকে বলেছিলাম— তোমার চেহারাটা কেমন ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছে, একটু বডি তৈরি কর। মনে হচ্ছে তোমার মাথায় চুলও কমে গিয়েছে।” শুধু তাই নয়, গোবিন্দা আরও যোগ করেন যে, তিনি সলমনকে নিজের পার্সোনালিটি পুরোপুরি বদলে ফেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন। মজার বিষয় হল, বন্ধুর এই ‘তেতো’ কথাগুলো একেবারেই গায়ে মাখেননি সলমন। বরং পরামর্শ মেনে নিজেকে বদলে ফেলার কাজে নেমে পড়েন।


গোবিন্দা দাবি করেছেন, সেই আড্ডার পরেই সলমন অপারেশন করান এবং কঠোর শরীরচর্চা শুরু করেন। ‘পার্টনার’ মুক্তির পর দর্শক যে নতুন ও ফিট সলমনকে দেখতে পেয়েছিলেন, তার নেপথ্যে নাকি ছিল গোবিন্দার সেই রাতের ‘টিপস’। অভিনেতা সগর্বে জানান, সলমনকে ‘পার্টনার’ ছবিতে নেওয়ার জন্য তিনিই সুপারিশ করেছিলেন এবং চেয়েছিলেন ভাইজানের এক নতুন অবতার সবার সামনে আসুক।

যদিও গত কয়েক বছর ধরে তাঁদের মধ্যে তেমন যোগাযোগ নেই, তাও পুরনো দিনের এই কথাগুলো বলতে গিয়ে বেশ নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েন ৬২ বছর বয়সী এই তারকা। গোবিন্দার এই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন রীতিমতো ভাইরাল। নেটিজেনরা বলছেন, বন্ধুর ভালো চাইলেই বোধহয় এমন মুখের ওপর সত্যি কথা বলা সম্ভব। ‘পার্টনার’ ছবিটির মাধ্যমে গোবিন্দা নিজেও বড়সড় কামব্যাক করেছিলেন এবং বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিলেন। তবে সলমনের লুক পরিবর্তনের নেপথ্যে গোবিন্দার এই অবদান এর আগে কখনও সেভাবে চর্চায় আসেনি।


 বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দেন রাজীব কুমার। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “মাদারের একটা কথা আছে, আমি বিশ্বাস করি ঈশ্বর আমায় এমন কোনও দায়িত্ব দেবেন না, যা আমি সামলাতে পারব না। তিনি যেন আমাকে এতটা বিশ্বাস না করেন।”

রাজনৈতিক ব্লান্ডার হবে মমতার', রাজীব কুমারকে নিয়ে বিস্ফোরক হুমায়ুন

 রাজীব কুমারকে রাজ্যসভার প্রার্থী করার বিষয়ে চর্চা চলছে বিভিন্ন মহলে। অবসরপ্রাপ্ত এই আইপিএস-কে নিয়ে এমনিতেই বিতর্কের শেষ নেই। এরই মধ্যে অবসরের পর তাঁকে প্রার্থী করার কথা ভেবেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো, যা নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য শোনা যাচ্ছে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মুখে। এবার আসরে হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, রাজীব কুমারকে তৃণমূলের প্রার্থী করার ফল পেতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে রাজ্যসভায় অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের পাঠাচ্ছে, তাতে দলের কোনও লাভ হবে না বলেই মনে করেন হুমায়ুন। তাঁর দাবি, আদতে রাজ্যসভার প্রার্থী করে রাজীব কুমারকে পুরস্কার দেওয়া হল। এই প্রসঙ্গে সারদা-মামলার কথা মনে করিয়ে দিলেন হুমায়ুন।


ঘরে তোলার আগেই ডাবল প্রাইস! আলুর দাম নেই, কিন্তু বস্তার দামে ছ্যাঁকা কৃষকদের
জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর বলেন, “সুদীপ্ত সেনকে যখন লাদাখ থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হয়েছিল, তখন এই রাজীব কুমার কী কী কাজ করেছিলেন, তা আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকে বুঝতে পেরেছিলাম এবং দেখেছিলাম। রাজীব কুমারকে প্রার্থী করা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনের অন্যতম বড় ব্লান্ডার হতে চলেছে।” রাজনৈতিক দলের কর্মী তথা যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করে কিছু মানুষকে উপঢৌকন দেওয়ায় আসলে রাজনৈতিক ব্লান্ডার হবে বলে মনে করেন হুমায়ুন।


আজ, বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দেন রাজীব কুমার। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “মাদারের একটা কথা আছে, আমি বিশ্বাস করি ঈশ্বর আমায় এমন কোনও দায়িত্ব দেবেন না, যা আমি সামলাতে পারব না। তিনি যেন আমাকে এতটা বিশ্বাস না করেন।”

 ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এ হয়রানির কথা বলতে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বাংলার এক মেয়ে। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এসআইআরে বাংলার মানুষের হয়রানির কথা বলতে বাংলারই আরও এক মেয়ে। তিনি মস্তারি বানু। পশ্চিমবঙ্গের একজন সাধারণ নাগরিক।

মমতার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে লড়েছেন বাংলার মেয়ে মস্তারি বানু, আজ সেই কি সিপিএমের মুখ?

 মস্তারি বানু! এক নিতান্ত সাধারণ গৃহবধূ। কিন্তু এসআইআর পর্বে এই নামটা সামনে আসে। অল্প চেনা, একেবারেই আলোচনার আলোকবৃত্তের বাইরে থাকা মানুষ। কিন্তু নিজের চেনা গণ্ডির বাইরে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টে, শীর্ষ আদালতে বাংলার এক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় মোকদ্দমার তালিকায় লেখা রয়েছে তাঁর নাম। প্রতিপক্ষ নির্বাচন কমিশন। শীর্ষ আদালতে তখন মস্তারি বানু বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন।


৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এ হয়রানির কথা বলতে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বাংলার এক মেয়ে। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এসআইআরে বাংলার মানুষের হয়রানির কথা বলতে বাংলারই আরও এক মেয়ে। তিনি মস্তারি বানু। পশ্চিমবঙ্গের একজন সাধারণ নাগরিক।


সংখ্যালঘু গ্রাম হিসাবে পরিচিত, সেখানকারই ৮ হাজার ৫৫৩ জন বিচারাধীন তালিকায়
মস্তারি বানু মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার বেলিয়া শ্যামপুর গ্রামের এক নিতান্ত সাধারণ গৃহবধূ। তাঁর ধারঘেঁঁষে কোথাও কোনও রাজনীতির ছোঁয়া নেই। স্বামী-সন্তান নিয়ে তাঁর সংসার। সংসারই সামলাতেন এতদিন। কিন্তু বঙ্গে এসআইআর পর্ব তাঁর নিত্য দিনের কাজে অতিরিক্ত আরও একটি অধ্যায় যোগ করে দেয়। এখন ঘরকন্না সামলানোর পাশাপাশি তাঁকে ছুটে যেতে হয় দিল্লিতেও। সেই শুরু। এসআইআর পর্বের একেবারে প্রথম লগ্নে শুরু হয় এক গৃহবধূর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের লড়াই।


SIR-এর সময় অনেক মানুষের নথি, ছবি বা পরিচয় সংক্রান্ত সমস্যার অভিযোগ উঠেছিল। সেই হয়রানির বিরুদ্ধে কথা বলতে মস্তারি বানু নিজে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে মামলা করেন। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষকে যে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে তা আদালতের সামনে তুলে ধরতেই তিনি আদালতে গিয়েছিলেন। এনুমারেশন ফর্মে ছবি দেওয়া থেকেই শুরু। সংখ্যালঘু সমাজের মহিলারা বরখা, মাথায় ওড়না ঢাকা রাখেন। এটাই তাঁদের রীতি। কীভাবে মুখ দেখিয়ে কান খোলা রেখে ছবি তুলবেন না! এরকম একগুচ্ছ বক্তব্য ছিল মস্তারি বানুর। সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন করেছিলেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর-এর হয়ে খোদ নিজেই সওয়াল করে নজির তৈরি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদি মস্তারি বানুর দাবি, তিনিই মামলার প্রথম পিটিশনার। আর এই লড়াইয়ে তাঁর ছায়াসঙ্গী, স্বামী কামাল হোসেন। তিনি এলাকায় সিপিএম সমর্থক বলেই পরিচিত। তাই মুখ্যমন্ত্রী যেদিন প্রথম সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছিলেন, সিপিএমের তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছিল, বাংলায় এসআইআর নিয়ে মানুষের দুর্ভোগের কথা প্রথম সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছেন মস্তারি বানুই। মস্তারি জানেন, এখনও তাঁর অনেক লড়াই বাকি। লড়াই বাকি তাঁর পরিচিতি-সত্ত্বারও। এই মস্তারিকেই কি এখন সিপিএম-এর সংখ্যালঘু প্রচারের মুখ হিসাবে তুলে ধরা হবে? রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন।

দোল ও গৌরাঙ্গ মহোৎসবের পুণ্যলগ্নে এক অনন্য সাধারণ ছবির সাক্ষী থাকল গঙ্গাসাগরের পুরুষোত্তমপুর। বৃহস্পতিবার স্থানীয় রাধা কৃষ্ণ বালক সংঘের পুজো ও উৎসব প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে উৎসবে মাতলেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। রাজনৈতিক পদের গরিমা সরিয়ে রেখে এদিন তাঁকে দেখা গেল একেবারে ঘরের মানুষের মেজাজে। 

এদিনের উৎসবে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য প্রলয় কান্তি দাস, উপপ্রধান সজল কান্তি বারিক এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। দোল উৎসব উপলক্ষে রাধা কৃষ্ণ বালক সংঘের পুজোকে কেন্দ্র করে গোটা পুরুষোত্তমপুর এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ ছিল 'নরনারায়ণ সেবা' বা গণ-প্রসাদ বিতরণ। মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা নিজেই উদ্যোগী হয়ে উপস্থিত গ্রামবাসীদের হাতে প্রসাদ তুলে দেন। শুধু পরিবেশনই নয়, এরপর তিনি প্রোটোকল ভেঙে সাধারণ গ্রামবাসীদের সঙ্গেই মাটিতে সারিবদ্ধভাবে বসে প্রসাদ গ্রহণ করেন। মন্ত্রীর এই সাদামাটা আচরণ এবং জনসংযোগ দেখে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। উৎসব কমিটির সদস্যরা জানান, প্রতি বছরই এখানে ধুমধাম করে দোল ও গৌরাঙ্গ মহোৎসব পালিত হয়। তবে মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা যেভাবে নিজের হাতে পরিবেশন করে গ্রামবাসীদের সঙ্গে বসে খেলেন, তা এলাকার মানুষের কাছে এক বড় পাওনা। ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সামাজিক মেলবন্ধনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো এই পুরুষোত্তমপুরে।