WEATHER

Top News

ব্রাত্য বসু ও তাঁর স্ত্রীর নামে কোনও জমি-জমা নেই। লেকটাউনে ২৫০০ স্কোয়ারফুটের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে ব্রাত্য বসুর। তাঁর স্ত্রীর নামে কোনও ফ্ল্যাট বা বাড়ি নেই। ব্রাত্য বসুর মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকার।

গাড়ি নেই, কোটি টাকার শুধু FD-ই আছে! ব্রাত্য বসুর ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স চমকে দেবে...
ব্রাত্য বসুর সম্পত্তি কত?


দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত ছিলেন অধ্যাপনার সঙ্গে। নাট্যকার, অভিনেতা হিসাবেই পরিচিত। সেখান থেকেই রাজনীতিতে প্রবেশ। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী তিনি। এখন পুরোদমে রাজনীতির সঙ্গেই যুক্ত ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। তৃণমূল কংগ্রেসের অত্যন্ত পরিচিত মুখ তিনি। বিভিন্ন ইস্যুতে মুখ খুলতে দ্বিধা করেন না। এক সময়ে সিটি কলেজের বিবি স্যার এখন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। এবার দমদম কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে লড়ছেন ব্রাত্য বসু। একাধিক পেশার সঙ্গে যুক্ত, ব্রাত্যর আয় কত জানেন? তাঁর মোট সম্পত্তিই বা কত?


ব্রাত্যর পুরো নাম ব্রাত্যব্রত বসু। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে পড়াশোনা, তারপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর। দীর্ঘদিন ধরেই অধ্য়াপনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ব্রাত্য বসু। তবে ২০১৬ সালে দ্বিতীয়বার বিধায়ক হওয়ার পর তিনি স্বেচ্ছাবসর নেন।



হরমুজ পেরিয়ে এল আরও একটা জাহাজ, এখন কত দিনের জ্বালানি পড়ে আছে ভারতের কাছে?
২০২০-২১ অর্থবর্ষে ব্রাত্য বসুর আয় ছিল ৪ লক্ষ ৯১ হাজার ৫৮০ টাকা। ২০২১-২০২২ সালে তাঁর আয় বেড়ে দাঁড়ায় ৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৮০ টাকায়। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আয় দাঁড়ায় ১৪ লক্ষ ৩৮ হাজার ১৩০ টাকায়। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ব্রাত্য বসুর আয় ছিল ১৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৫০ টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে আয় পৌঁছয় ২৫ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭৩০ টাকায়।

ব্রাত্য বসুর স্ত্রী, পৌলমী বসুর ২০২০-২১ অর্থবর্ষে আয় ছিল ৭ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩৪০ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে আয় কমে ৬ লক্ষ ৮৬ হাজার ৭৬০ টাকা হয়। পরের অর্থবর্ষ থেকেই আয় বেশ অনেকটা বাড়ে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ব্রাত্যর স্ত্রীর আয় ছিল ১৫ লক্ষ ৫৯ হাজার ৬৩০ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে সেই আয় বেড়ে দাঁড়ায় ২৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪৩০ টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সেই আয় আবার কমে দাঁড়ায় ১৫ লক্ষ ৭০ হাজার ৬৯০ টাকা।

ব্রাত্য বসুর নামে কোনও এফআইআর নেই।

নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, ব্রাত্য বসুর হাতে নগদ রয়েছে ৪০ হাজার টাকা। তাঁর স্ত্রীর হাতে নগদ রয়েছে ৩০ হাজার টাকা। ব্রাত্য বসুর নামে ৩৫ লক্ষ ২৩ হাজার ৬৮২ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে। পিপিএফ আছে ৪৪ লক্ষ ৩০ হাজার ২৭৭ টাকার। টার্ম ডিপোজিট আছে ৩৫ লক্ষ টাকার। পোস্ট অফিসের সেভিং স্কিমে জমা রয়েছে ১২ লক্ষ ৮৮ হাজার ৪৮৩ টাকা।

ব্রাত্য বসুর একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ১ হাজার ২৪৬ টাকা রয়েছে। আরেক অ্যাকাউন্টে ৬৭ লক্ষ ৫ হাজার ৩৯৭ টাকা আছে, আরেকটি অ্যাকাউন্টে ৫০ হাজার ৫৮৯ টাকা আছে। নির্বাচনে খরচের জন্য একটি অ্যাকাউন্টে ২০ হাজার টাকা আছে।

ব্রাত্য বসুর স্ত্রীর নামে ৪৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ফিক্সড ডিপোজিট আছে। ওই ফিক্সড ডিপোজিটে সুদ পেয়েছেন ১১ লক্ষ ৭২ হাজার ২৯৬ টাকার। এছাড়া আরেকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৪৮ লক্ষ ৯০ হাজার ১৬০ টাকা আছে।

ব্রাত্য ও তাঁর স্ত্রীর নামে কোনও ঋণ নেই। হলফনামায় দুজনেরই কোনও গাড়ি নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্রাত্য বসুর কাছে ১০০ গ্রাম সোনা আছে, যার দাম আনুমানিক ১৫ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা। ব্রাত্য বসুর স্ত্রীর কাছে ৩৮০ গ্রাম সোনা রয়েছে, যার দাম ৫৮ লক্ষ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা।

ব্রাত্য বসুর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩ কোটি ১৬ লক্ষ ৪ হাজার ১৯২ টাকা। ব্রাত্য বসুর স্ত্রীর মোট অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ২ কোটি ১২ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৩৯ টাকার।

ব্রাত্য বসু ও তাঁর স্ত্রীর নামে কোনও জমি-জমা নেই। লেকটাউনে ২৫০০ স্কোয়ারফুটের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে ব্রাত্য বসুর। তাঁর স্ত্রীর নামে কোনও ফ্ল্যাট বা বাড়ি নেই। ব্রাত্য বসুর মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকার।

ব্রাত্য বসু নিজের আয়ের উৎস হিসাবে অভিনেতা, পরিচালক ও বিধায়ক বলে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর হিসাবে পেনশন পান। তাঁর স্ত্রী পেশায় অভিনেত্রী।

শনিবার সকাল। মহাত্মা জ্যোতিবা ফুলের ২০০তম জন্মবার্ষিকী ছিল। সেই উপলক্ষে সংসদ চত্বরের প্রেরণা স্থলে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গাড়ি থেকে নেমে এগোচ্ছিলেন মোদী। সেখানে রাহুল গান্ধীও ছিলেন। তাঁকে দেখেই হঠাৎ থমকে যান মোদী। রাহুল গান্ধীর দিকে হাত জোর করে এগিয়ে যান। রাহুলও হাত জোর করে অভিবাদন জানান।


রাহুল গান্ধীকে দেখেই থমকে গেলেন মোদী, হাতজোড় করে এগিয়ে বললেন...
রাহুল গান্ধী-নরেন্দ্র মোদী

একজন দেশের সরকারপ্রধান। আরেকজন বিরোধী দলনেতা। দু’জনের বাগযুদ্ধে প্রায়ই উত্তাল হয়েছে সংসদ চত্বর। রাজনৈতিক সভা মঞ্চে একে অপরের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন। তবে, আজ এক অন্য দৃশ্য দেখা গেল সংসদ চত্বরে। কথা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাহুল গান্ধীকে নিয়ে। দুই নেতার আলাপচারিতার ভিডিয়ো এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা নিয়ে নেটদুনিয়ায় জোর চর্চা চলছে।


শনিবার সকাল। মহাত্মা জ্যোতিবা ফুলের ২০০তম জন্মবার্ষিকী ছিল। সেই উপলক্ষে সংসদ চত্বরের প্রেরণা স্থলে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গাড়ি থেকে নেমে এগোচ্ছিলেন মোদী। সেখানে রাহুল গান্ধীও ছিলেন। তাঁকে দেখেই হঠাৎ থমকে যান মোদী। রাহুল গান্ধীর দিকে হাত জোর করে এগিয়ে যান। রাহুলও হাত জোর করে অভিবাদন জানান। মোদী রাহুলকে কিছু জিজ্ঞাসা করলে হাসিমুখে উত্তরও দেন রাহুল।


 ভবানীপুরে সাধুদের ওপর 'হামলা', তৃণমূল কাউন্সিলরকে কাঠগড়ায় তুললেন শুভেন্দু
বেশ কিছুক্ষণ দু’জনের মধ্যে কথা হয়। রাহুলের কুশল জানতে চান মোদী। সেইসময় রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল এবং জেপি নাড্ডা ও রাজ্যসভার প্রাক্তন ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ। তাঁদেরও হাত জোর করে অভিবাদন জানান মোদী। মোদী ও রাহুল গান্ধীর ভিডিয়ো আপাতত ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।


প্রসঙ্গত, এর আগে মোদী ও রাহুলের আরও একটা দৃশ্যের সাক্ষ্মী থেকেছিল সংসদ। তখন বক্তৃতা দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক আক্রমণ শানাচ্ছেন। বক্তৃতা শেষ হল। তারপরই দেখা গেল নিজের জায়গা থেকে উঠে মোদীর আসনের দিকে এগিয়ে আসছেন। হঠাৎ জড়িয়ে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীকে। এমন দৃশ্যও ভাইরাল হয়েছিল। তবে, আজকের দৃশ্যটি সৌজন্যতার। যা রাজনীতিতে এখন প্রায় বিরল।
 দাসপুরের তৃণমূল প্রার্থী আশিস হুদাইত বলেন, "কেন্দ্রীয় সরকার তো বাংলাকে হাতে-ভাতে মারার সবরকম চেষ্টা করছে। তারপরও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত দুটি অর্থবর্ষে ৩২ লক্ষ বাড়ি দিয়েছেন। এখনও হয়তো ২০ লক্ষ বাড়ি বাকি রয়েছে। তাই, মানুষ তো তাঁদের দুঃখের কথা বলবেন। মাথা নত করে শোনা আমার কাজ। দিদি একজন দূত হিসেবে তাঁদের কথা শুনতে পাঠিয়েছেন।"


 প্রচারে গিয়ে ভোটারদের ক্ষোভের মুখে দুই প্রার্থীই, কী বলল তৃণমূল-বিজেপি?
দুই প্রার্থীর কাছেই ক্ষোভ উগরে দিলেন ভোটাররা

দোরগোড়ায় প্রার্থীরা। হাতজোড় করে ভোট দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন। আর নির্বাচনের প্রচারে বাড়ি বাড়ি ভোট চাইতে গিয়েই এলাকাবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়লেন প্রার্থীরা। তাঁদের সামনে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন এলাকার মানুষজন। তৃণমূল থেকে বিজেপি, সব দলেরই প্রার্থীরা ভোট চাইতে গেলেই শুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের না পাওয়ার যন্ত্রণার কথা। এই ছবিই শনিবার ধরা পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে।


দাসপুরের তৃণমূল প্রার্থী আশিস হুদাইত এবং বিজেপি প্রার্থী তপন দত্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করছেন। দুই প্রার্থীর কাছেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে শিখা আড়ি, অনিমা আড়িরা বলেন, ভাঙা ঘরে কোনওরকমে আছেন তাঁরা। পঞ্চায়েতে বারবার আবেদন করেও বাড়ির টাকা পাননি। কেউ বলেন, তাঁর বাড়িতে অসুস্থ বৃদ্ধ রয়েছেন। কিন্তু, বার্ধক্য ভাতা না পাওয়ায় ঠিকমতো ওষুধ কিনতে পারছেন না। একাধিকবার প্রশাসনের দুয়ারে ঘুরে ঘুরে কেন কজ হয়নি, সেই প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। একজন মহিলা বাড়ির কথা বলতেই তৃণমূল প্রার্থী তাঁকে আশ্বাস দেন, “দিদির প্রতি আস্থা রাখুন। সবাইকে বাড়ি দেওয়া হবে।” তখন ওই মহিলা বলেন, “আমি মরে গেলে বাড়ি দেবে?”


 পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ED, নাকতলার বাড়ি ঘিরে ফেলল সেন্ট্রাল ফোর্স
কোথায় মাইন পুঁতেছে, নিজেই খুঁজে পাচ্ছে না! হরমুজ প্রণালীতে সর্বনাশ করে ফেলল ইরান?
গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে সরব হন তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থী। দাসপুরের তৃণমূল প্রার্থী আশিস হুদাইত বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার তো বাংলাকে হাতে-ভাতে মারার সবরকম চেষ্টা করছে। তারপরও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত দুটি অর্থবর্ষে ৩২ লক্ষ বাড়ি দিয়েছেন। এখনও হয়তো ২০ লক্ষ বাড়ি বাকি রয়েছে। তাই, মানুষ তো তাঁদের দুঃখের কথা বলবেন। মাথা নত করে শোনা আমার কাজ। দিদি একজন দূত হিসেবে তাঁদের কথা শুনতে পাঠিয়েছেন। তাঁদের কথা শুনলাম। তাঁদের আশ্বস্ত করলাম। তৃণমূলের উপর ভরসা রাখার কথা বললাম। তাঁরা আমার কথায় আশ্বস্ত হয়েছেন।”


অন্যদিকে, তৃণমূলকে নিশানা করে বিজেপি প্রার্থী তপন দত্ত বলেন, “তৃণমূল বলে, সব করে দিয়েছি। কিন্তু, কিছুই হয়নি। মানুষ তো ক্ষোভ উগরে দেবেনই। আর ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকায় বাড়ি হয়?” বিজেপি ক্ষমতায় এলে সব সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি দাবি করেন।

যে বিজেপি কথায় কথায় ভাতা নিয়ে তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে থাকে, তাঁরাও সেই ভাতার পথেই হাঁটলেন? না, এ ক্ষেত্রে বিজেপির সঙ্কল্পপত্রে রয়েছে চাকরির কথাও। চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। সরকারি পরিবহণে মহিলাদের জন্য থাকবে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা।


বাংলার মহিলাদের উপর 'লক্ষ্মীর' কতটা কৃপা? কার ঝুলিতে কী আছে
বাংলার ইস্তাহার

বাসে উঠবেন। কিন্তু ভাড়া দিতে হবে না। মাস গেলে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩০০০ টাকা। এটা পছন্দ? নাকি মাসে মাসে ১৫০০ টাকা করে পেলেই আপনি খুশি? চয়েস আপনার। চাকরি না বেকার ভাতা? নিরাপত্তা নাকি সংরক্ষণ, কোনটা চাই? বাংলায় এখন প্রতিশ্রুতির হাওয়া। কেউ বলছেন, ১৫০০, কেউ বলছেন ৩০০০, কেউ ৬০০০! ভোটের অঙ্ক মেলানোর আগে ইস্তাহারের পাতায় চলছে যোগ-বিয়োগ। ভোটবাক্সে পছন্দের ‘অপশন’ বেছে নেওয়ার আগে আপনারাও জেনে নিন, কার ঝুলিতে কী আছে এবার?


কেউ নাম দিয়েছেন প্রতিজ্ঞা, কেউ বলছে সংকল্প। আসলে সবটাই নির্বাচনের ইস্তাহার। ক্ষমতায় এলে কী কী করবেন? কেন তাঁদেরকেই ভোটটা দেবেন, তারই প্রতিশ্রুতি থাকে ইস্তাহারে। ২০২৬-এর নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলার সব রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যেই ইস্তাহার প্রকাশ করে ফেলেছে।



পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ED, নাকতলার বাড়ি ঘিরে ফেলল সেন্ট্রাল ফোর্স
বিশ্লেষকরা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তিনবার ক্ষমতায় আসার পিছনে মহিলা ভোট একটা বড় ভূমিকা নিয়েছে। এসআইআরে কত মহিলা ভোটারের নাম বাদ গেল, তার নিরিখে ইতিমধ্যে হিসেব কষতে শুরু করে দিয়েছে সব রাজনৈতিক দলগুলি। আর সব দলের ইস্তাহারে চোখ রাখলেই বোঝা যাবে সেই মহিলা ভোটই পাখির চোখ। প্রায় সবাই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের থেকে অঙ্কটা বাড়িয়েই রেখেছেন। কংগ্রেসের ইস্তাহারে বলা হয়েছে, মহিলাদের ২০০০ টাকা ভাতার কথা, সেখানে কোনও বাছবিছার থাকছে না। তৃণমূল ভোটের মুখেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ১৫০০ করেছে, তাই ইস্তাহারে আর কোনও নতুন প্রতিশ্রুতি নেই। তবে বিজেপির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সেই অঙ্ক হবে দ্বিগুণ। ৩০০০ টাকা। তবে বেকার মহিলারাই এই টাকা পাবেন।

যে বিজেপি কথায় কথায় ভাতা নিয়ে তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে থাকে, তাঁরাও সেই ভাতার পথেই হাঁটলেন? না, এ ক্ষেত্রে বিজেপির সঙ্কল্পপত্রে রয়েছে চাকরির কথাও। চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। সরকারি পরিবহণে মহিলাদের জন্য থাকবে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ১০০-র বেশি স্কিম তৈরি করেছেন এই কয়েক বছরে। রয়েছে স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী। তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ করতে তাই বিজেপি কোনও ক্ষেত্রই বাদ দেয়নি। তৃণমূলের যেখানে আছে রূপশ্রী, যাতে বিয়ের টাকা দেওয়া হয়, সেখানে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে গর্ভবতী মহিলাদের টাকা দেওয়া হবে। আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের মহিলাদের জন্য গর্ভবতী থাকাকালীন ২১ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা এবং ৬টি পুষ্টি সরঞ্জাম দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ইস্তাহারে। বিজেপি আরও বলছে, তারা ক্ষমতায় এলে কলেজে ভর্তির সময় একজন অবিবাহিত মহিলা পাবেন ৫০,০০০ টাকা। তৃণমূল সরকারের কন্যাশ্রী প্রকল্পে, ১৮ বছর বয়সে দেওয়া হয় ২৫,০০০ টাকা। অর্থাৎ এখানেও সেই অঙ্কের হিসেব। তবে সিপিএমের ইস্তাহারের পাতায় কোনও ভাতার প্রতিশ্রুতি নেই। শুধুই স্বনির্ভর হওয়ার কথা বলা হয়েছে। ৫ বছরের মধ্যে ২০ লক্ষ স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরি করতে চায় বামেরা।

আরজি কর-কাণ্ডকে সামনে রেখে বিরোধীরা যখন বারবার শাসকের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে, তারপর প্রতিশ্রুতির ঝুলিতে নারী নিরাপত্তার কথা তো থাকবেই। প্রতি থানায় একটি করে ‘নারী সহায়তা ডেস্ক’, মহিলা পুলিশের বিশেষ ‘দুর্গা সুরক্ষা বাহিনী’ গঠন এবং মাতঙ্গিনী হাজরা এবং রানি শিরোমণির নামে দু’টি বিশেষ ব্যাটেলিয়ন তৈরির ঘোষণাও করেছে বিজেপি। সিপিএম বলছে, ক্ষমতায় এলে তৈরি হবে স্বশাসিত অভয়া বাহিনী। তবে তৃণমূলের প্রতিজ্ঞায় এমন কিছু নেই।

তবে শুধু মহিলা ভোটে তো আর বাক্স ভরবে না। ভোট চাই কৃষকের, ভোট চাই বেকারের। ভোটের মুখেই রাজ্য বাজেটে যুবসাথী ঘোষণা করে সাড়া ফেলে দিয়েছিল মমতা সরকার। তবে তৃণমূলের যদি থাকে ভাতা, বিজেপির আছে উৎসাহ। কর্মসংস্থান না-হওয়া পর্যন্ত মাসে তিন হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। যুবসাথীর দ্বিগুণ। আর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যাঁরা অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক হলে এককালীন ১৫ হাজার টাকা ‘উৎসাহ ভাতা’ দেওয়া হবে। সিপিএম অবশ্য কথায় কথায় ভাতা দেওয়ার পক্ষপাতি নয়। তাদের ইস্তাহারেও সেটা পরিষ্কার। তবে ৬০০০ টাকা বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার কথা বলেছে সিপিএম। বছরে দুটি করে চাকরির কল দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সিপিএমের ইস্তাহারে।

বেকারদের টাকা দেওয়ার কথা তো আছেই, সেই সঙ্গে চাকরির আশ্বাস। নাহলে যুব সম্প্রদায়ের মন পাওয়া যাবে কী করে! তৃণমূল আমলে চাকরি বাতিল বা কর্মসংস্থান না হওয়ার মতো বিষয় একটা বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে। বিরোধীরা বলছে, ক্ষমতায় এলেই হবে ভূরি ভূরি চাকরি। পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছে বিজেপি। কংগ্রেস বলছে, এক বছরের মধ্যে সরকারি দফতরের সমস্ত শূন্যপদ পূরণ করে দেওয়া হবে, দেওয়া হবে ইন্টার্নশিপের সুযোগ। সব সরকারি ভ্যাকান্সি পূরণ করতে সিপিএম চায় ৫ বছর সময়। সেইসঙ্গে সিপিএমের ঝুলিতে আছে স্বচ্ছ এসএসসি , পিএসসি পরীক্ষার কথা।

সরকারি দফতর না হয় হল, বাকি চাকরি কোথায় হবে? বিরোধীদের ইস্তাহারে শিল্পের কথা। শিল্পের আশ্বাস দিচ্ছেন মমতাও। শালবনিতে জিন্দলদের বিনিয়োগ, রঘুনাথপুরে ৭২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের কথা বলেছেন মমতা। বিজেপি বলছে, তাজপুরে হবে সমুদ্র বন্দর। সঙ্গে সিঙ্গুরের শিল্প পার্ক, হলদিয়া বন্দরের উন্নয়নের কথাও রয়েছে। এছাড়াও কৃষির জন্য বরাদ্দ, ডিএ মেটানোর কথা, দুর্নীতির তদন্তের আশ্বাস এসব তো আছেই।

তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস- সমাজের প্রায় সব ক্ষেত্রই ছুঁয়ে গিয়েছে। পুরুষ, মহিলা, কৃষক, শ্রমিক- সবাই তো পেল আশ্বাস। তৃণমূল বলছে ১০ লক্ষ চাকরি, বিজেপি বলছে ১ কোটি কিন্তু আশ্বাসে তো আর পেট ভরে না! ভোটের আগে বলা কথা ভোটের পর আদৌ ফলবে তো? এ এক চিরন্তন সংশয়। মুখের কথায় কি আর চিঁড়ে ভিজবে? তাই কাদের আশ্বাসে আমজনতার মন ভরবে, কাদের উপর ভরসা রাখবেন, তা বলা কঠিন। অপেক্ষা সেই ফোর্থ মে-র
তাপস রায়ের হাতে নগদ ৫৫ হাজার টাকা আছে। স্ত্রীর হাতে আছে ৬০ হাজার টাকা। তাপস রায়ের দুটি ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্টে যথাক্রমে ২ লক্ষ ও ৯ লক্ষ টাকা জমা রয়েছে। এছাড়া একগুচ্ছ ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে তাপসের। সেই তালিকা লম্বা। ৮ লক্ষ, ৪ লক্ষ, সাড়ে ৪ লক্ষ, ২ লক্ষ, সাড়ে ৭ লক্ষ, ৮ লক্ষ টাকার পাশাপাশি একটি ২০ লক্ষ টাকার এফডিও আছে।



তাপস রায়ের আয় ৬ লক্ষ, তিনগুণ আয় করেন স্ত্রী, রয়েছে কোটি-কোটির সম্পত্তি


 গত বিধানসভা নির্বাচনেও তৃণমূলের টিকিটে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন তাপস রায়। কিন্তু পাঁচ বছরেই বদলে গিয়েছে সমীকরণ। সেই তাপস রায় আজ বিজেপির প্রার্থী। দল বদল করার পর লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির টিকিটে লড়েছিলেন বর্ষীয়ান এই নেতা। পরাজিত হন তিনি। আর এবার মানিকতলায় ‘বন্ধু’ সাধন পাণ্ডের কন্যা শ্রেয়া পাণ্ডের সঙ্গে তাঁর লড়াই। বরানগরের বিধায়ক থাকাকালীন পুর দুর্নীতিতে নান জড়িয়ছিল তাঁর। তাঁর বাড়িতে গিয়ে তল্লাশিও চালানো হয়েছিল। সেই তাপস রায়ের আয় কত জানেন? উত্তর কলকাতার এই নেতার সম্পত্তিই বা কত?


তাপস রায়ের তিনগুণ আয় করেন তাঁর স্ত্রী


ORS ভেবে বাসে রাখা ঘাস মারা বিষ খেলেন, অসুস্থ ৯ তৃণমূল কর্মী
২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫-এর মধ্যে আয় খুব বেশি বাড়েনি তাপস রায়ের। ২০২০-২১-এ তাপসের আয় ছিল ৬ লক্ষ ১২ হাজার ৭৬০ টাকা। ২০২১-২২-এ সেই আয় কিছুটা বেড়ে হয় ৮ লক্ষ ২৯ হাজার ১৬০ টাকা, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষেও ৮ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭৫০ টাকা আয় করেন তিনি। পরের বছর আয় বেড়ে হয় ১১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৫৮০ টাকা। আর গত বছর তিনি আয় করেছেন ৬ লক্ষ ৬২ হাজার ১৬০ টাকা।


অন্যদিকে, তাপস রায়ের স্ত্রীর আয় তাঁর থেকে অনেকটাই বেশি। মনোনয়ন পত্রে লেখা হিসেব বলছে, ২০২০-২১ থেকে তাপস রায়ের স্ত্রীর আয় ১৫ লক্ষের উপরে। তিনি ১৬ লক্ষ ২১ হাজার ৯৫০ টাকা আয় করেছিলেন ২০২০-২১ সালে। পরের বছর তাঁর আয় ছিল ১৬ লক্ষ ১৮ হাজার ৫৮০ টাকা। ২০২২-২৩ সালে আয় বেড়ে হয় ১৮ লক্ষ ৪২ হাজার ৫৪০ টাকা। ২০২৩-২৪-এ তাঁর আয় বেড়ে হয় ২০ লক্ষ ৭৩ হাজার ১৬০ টাকা। আর ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তাপসের স্ত্রীর আয় ১৪ লক্ষ ৫ হাজার ৯৭০ টাকা।

ব্যাঙ্কে কত টাকা আছে তাপসের

তাপস রায়ের হাতে নগদ ৫৫ হাজার টাকা আছে। স্ত্রীর হাতে আছে ৬০ হাজার টাকা। তাপস রায়ের দুটি ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্টে যথাক্রমে ২ লক্ষ ও ৯ লক্ষ টাকা জমা রয়েছে। এছাড়া একগুচ্ছ ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে তাপসের। সেই তালিকা লম্বা। ৮ লক্ষ, ৪ লক্ষ, সাড়ে ৪ লক্ষ, ২ লক্ষ, সাড়ে ৭ লক্ষ, ৮ লক্ষ টাকার পাশাপাশি একটি ২০ লক্ষ টাকার এফডিও আছে। তাপসের স্ত্রীর এফডি-র তালিকা আরও লম্বা। ২৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার পিপিএফ আছে তাপসের।

কতগুলি গাড়ি-বাড়ি আছে তাপসের? 

তাপস রায়ের একটি ও তাঁর স্ত্রীর দুটি ট্যাঙ্কার আছে। তাপসের ট্যাঙ্কারটির দাম ১৪ লক্ষ টাকা। তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা দুটি ট্যাঙ্কের একটির দাম সাড়ে ১৩ লক্ষ ও অপরটির দাম ৫ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। তাপস রায়ের কাছে ১৩ লক্ষ টাকার সোনা আছে, তাঁর স্ত্রীর কাছে আছে ৫২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার সোনা। সব মিলিয়ে তাপসের অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ২৪ লক্ষ ২১ হাজার ৬৫১ টাকা। তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তি রয়েছে ২ কোটি ৮ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪৬২ টাকার।

তাপস রায়ের নামে নেই কোনও বাড়ি। বউবাজারের বিবি গাঙ্গুলির স্ট্রিটে তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা বাড়িটির মূল্য ৭২ লক্ষ টাকা। তাপসের ৬ লক্ষ টাকার ঋণ রয়েছে, আর স্ত্রীর ২৬ লক্ষ টাকার। দুজনের আয়ের উৎস হিসেবেই ব্যবসার কথা উল্লেখ করা হয়েছে মনোনয়নে।

 ছেলের অকাল মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন বাবা মন্টু মণ্ডল। বছর একষট্টির মন্টু মণ্ডল, কৃষিকাজ করে সংসার চালাতেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে মিঠুনই ছিলেন বড় এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। ছোট ভাই বাবার সঙ্গে কৃষিকাজে সাহায্য করেন। মন্টু মণ্ডল বলেন, "এখন আমার পরিবারের কী হবে, কিছুই বুঝতে পারছি না।"

মণিপুরে শহিদ মালদহের BSF জওয়ান, শোকে পাথর পরিবার
কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মৃতের স্ত্রী

গুলিবিদ্ধ হয়ে মণিপুরে মৃত্যু হল মালদহের বাসিন্দা এক বিএসএফ জওয়ানের। শহিদ বিএসএফ জওয়ানের নাম মিঠুন মণ্ডল (৩৪)। তাঁর বাড়ি মোথাবাড়ির উত্তর লক্ষীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাগজান টোলা এলাকায়। বিএসএফের ১৭০ ব্যাটেলিয়নের জওয়ান ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন-সহ প্রতিবেশীরা।


জানা গিয়েছে, মণিপুরের উখরুল জেলার মংকোট চেপুতে টহল দেওয়ার সময় অজানা দিক থেকে একটি গুলি এসে গায়ে লাগে মিঠুনের। গুলিবিদ্ধ হন তিনি। মৃত জওয়ানের খুড়তুতো দাদা মহাদেব মণ্ডল বলেন, “শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ডিপার্টমেন্ট থেকে ফোনে জানানো হয় মিঠুনের গুলি লেগেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রায় ১৫ মিনিট পর আবার ফোন করে জানানো হয় মিঠুন শহিদ হয়েছেন।” তিনি বলেন, “মিঠুন আমাদের বলত, ওখানে বিশেষ সমস্যা নেই। কোথা থেকে এসে গুলি লাগল, বুঝতে পারছি না।”


 কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থী অভিনবর মনোনয়ন বাতিল! কেন?
আকস্মিক এই খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন। ছেলের অকাল মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন বাবা মন্টু মণ্ডল। বছর একষট্টির মন্টু মণ্ডল, কৃষিকাজ করে সংসার চালাতেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে মিঠুনই ছিলেন বড় এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। ছোট ভাই বাবার সঙ্গে কৃষিকাজে সাহায্য করেন। মন্টু মণ্ডল বলেন, “এখন আমার পরিবারের কী হবে, কিছুই বুঝতে পারছি না।” সরকারের কাছে সাহায্যের আর্তি জানান তিনি।


পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৮ বছর ১১ মাস আগে মিঠুন মণ্ডল বিএসএফ-র ১৭০ ব্যাটেলিয়নের আলফা কোম্পানিতে কনস্টেবল পদে যোগ দেন। প্রায় ৬ বছর আগে তাঁর বিয়ে হয়। স্ত্রী সুলেখা মণ্ডল (২৬) এবং তাঁদের দুটি ছোট সন্তান- ৫ বছরের ছেলে ও ৩ বছরের মেয়ে রয়েছে। স্বামীর মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন সুলেখা। মিঠুনের ছবি হাতে নিয়ে কেঁদেই চলেছেন। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে এখন অনিশ্চয়তার মুখে পরিবার। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধা মা-ও। যিনি ছেলের মৃত্যুতে গভীরভাবে ভেঙে পড়েছেন।

স্কুলের এক শিক্ষক বলেন, "স্কুলে ছাত্রদের পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার পর ওরা বাড়ি চলে যায়। হঠাৎ একটা আওয়াজ শুনতে পাই। উপর থেকে ধোঁয়া দেখতে পাই। আমরা ছুটে যাই। তখন দেখি স্কুলের মাথায় চিলোকোঠায় বোমা মজুত ছিল সেটা ফেটে গেছে। ভাগ্য ভাল বাচ্চাদের পরীক্ষা হয়ে গেছে। তাই তারা বেঁচে গিয়েছে।"

ছাত্ররা সবে বেরিয়েছে, তখনই হঠাৎ ফাটল বোমা, হাড়হিম ঘটনা কল্যাণীর স্কুলে
বোমা বিস্ফোরণ

ভোটের মুখে বিস্ফোরণে কাঁপল স্কুল। নদিয়া জেলার কল্যাণী বিধানসভার অন্তর্গত সগুনা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ ঘোড়াগাছা মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রের দোতলার চিলেকোঠায় ফাটে একটি বোমা। সেই শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। যার জেরে ছড়িয়েছে তুমুল আতঙ্কে। স্কুলের ছাদে কে রাখল বোমা? ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর না মিললেও বড়সড় কোনও দুর্ঘটনা যে ঘটে যেতে পারত তা বলার অপেক্ষা রাখে না।


জানা যাচ্ছে, শনিবার সবে স্কুল ছুটি হয়েছিল। ধীরে-ধীরে ছাত্ররা বাড়িতে যেতেও শুরু করে। সেই সময় ওই স্কুলের দোতলার চিলেকোঠায় বোমাটি ফাটে। বোমার বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা বিদ্যালয়। সেখানে থাকা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা বিকট শব্দ পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ছোড়াছুটি করতে থাকেন। এরপর বিদ্যালয়ের ছাদে ওঠেন। তখনই দেখেন ছাদে চিলেকোঠার অ্যাসবেস্টার দেখেন ফটো এবং পোড়া গন্ধ। সেখানে পড়ে আছে আর একটি বোমা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় কল্যাণী থানায়। ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। শুরু হয় তদন্ত। প্রশ্ন উঠেছে এই বিদ্যালয়ের ছাদে কে বা কারা এই বোমা মুজত করেছে? কী করেই বা উদ্দেশ্য মজুত করেছে? যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে সরাসরি বিজেপির দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে। বিজেপি অভিযোগ অস্কীকার করেছে।


 বাগদায় বিজেপিতে বড় ভাঙন, কংগ্রেস শিবিরে যোগদান সকলে


প্রচারে গিয়ে ভোটারদের ক্ষোভের মুখে দুই প্রার্থীই, কী বলল তৃণমূল-বিজেপি?
স্কুলের এক শিক্ষক বলেন, “স্কুলে ছাত্রদের পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার পর ওরা বাড়ি চলে যায়। হঠাৎ একটা আওয়াজ শুনতে পাই। উপর থেকে ধোঁয়া দেখতে পাই। আমরা ছুটে যাই। তখন দেখি স্কুলের মাথায় চিলোকোঠায় বোমা মজুত ছিল সেটা ফেটে গেছে। ভাগ্য ভাল বাচ্চাদের পরীক্ষা হয়ে গেছে। তাই তারা বেঁচে গিয়েছে।” ডঃ অতীন্দ্র নাথ মন্ডল বলেন, “এই স্কুলের পিছনে আমার যাওয়া কথা ছিল। কিন্তু বিজেপির লোকজন উচ্ছ্বাস দেখে বোমা মেরেছে। আসলে ওরা ভয় পেয়েছে।” নিজের উপর ওঠা অভিযোগ সব অস্বীকার করেছে বিজেপি।

শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনা ক্রমশ তীব্র হলেও দলের তরফে বিশেষ কেউ মুখ খোলেননি। মুখ খোলেননি উপরতলার কোনও নেতা। কিন্তু এক সর্বভারতীয় ইউটিউব চ্য়ানেলে মুখ খুললেন শুভেন্দু। দিলেন কোন ইঙ্গিত?

 ‘আপনি কী মুখ্যমন্ত্রী হবেন?’ কী বললেন শুভেন্দু?
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী


শেষ ভোটে তাঁর কাছে হেরে গিয়েছিলেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার হানা দিয়েছেন একেবারে মমতার গড়েই। নন্দীগ্রামে তো লড়ছেনই, সঙ্গে এবার ভবানীপুরে বিজেপির বাজি তিনি। কড়া টক্কর, কিন্তু অকুতভয় বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু পদ্ম কর্মী থেকে আমজনতা, সবার মুখে একটাই প্রশ্ন, পালাবদল যদি সত্যিই হয় তবে কী এবার বিরোধী দলনেতার আসন ছেড়ে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসছেন তিনিই? ভোট বঙ্গে তা নিয়ে জল্পনা একেবারে তুঙ্গে। তাঁর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন বিশাল রোড শো করেছিলেন খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। আর তাতেই যেন গেরুয়া শিবিরের অন্দরে নিজের অবস্থানটা, নিজের কর্তৃত্বটা আর একবার বুঝিয়ে দিয়েছিলেন শুভেন্দু। 


যদিও জল্পনার মধ্যে আগে শুভেন্দু বলেছিলেন, “কর্মীরা আবেগে মুখ‍্যমন্ত্রীর কথা বলছেন। আমাদের মুখ মোদীজি। কর্মীদের আবেগকে মাথায় রেখেই কেউ মুখ্যমন্ত্রী হবেন।” শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনা ক্রমশ তীব্র হলেও দলের তরফে বিশেষ কেউ মুখ খোলেননি। মুখ খোলেননি উপরতলার কোনও নেতা। কিন্তু এক সর্বভারতীয় ইউটিউব চ্য়ানেলে মুখ খুললেন শুভেন্দু। দিলেন কোন ইঙ্গিত? 


ট্রাম্পের জামাইকে নিয়ে পাকিস্তানে জেডি ভান্স, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ কি থামাতে পারবেন?
সুকান্ত মজুমদার যদিও আগে বলেছেন, “আগামিদিনে রাজ্যে যিনিই বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হোন না কেন, তিনি আমিষাশী হবেন।” বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেছিলেন, “শুভেন্দু অধিকারী আমাদের নেতা, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। আমাদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মুখ নিয়ে কোনও জল্পনা নেই। আমাদের একটা বোর্ড আছে, তারাই সিদ্ধান্ত নেবে।” খানিক একই সুর শুভেন্দুর গলাতেও। বলছেন, “আমার কোনও ব্যক্তিগত অ্যাজেন্ডা নেই। বাংলায় কোনও নির্বাচিত বিজেপি বিধায়কই মুখ্যমন্ত্রী হবে। বিজেপি একটা গণতান্ত্রিক পার্টি।” 

‘আপনি কী মুখ্যমন্ত্রী হবেন?’  

একেবারে সরাসরি শুভেন্দুর কাছে ধেয়ে গেলেও উত্তর দিলেন একেবারে ঠান্ডা মাথাতেই। শুধু বললেন, “আমি কোনও মন্তব্য করছি না। বিজেপি একটা সংঘবদ্ধ পরিবার। একসঙ্গে আমরা মমতার বিরুদ্ধে লড়াই করছি। ওনাকে সরানোই আমাদের একমাত্র অ্যাজেন্ডা। বাংলাকে বরবাদ করে দিয়েছে। দেশের সংস্কৃতিক রাজধানীকে শেষ করে দিয়েছে।” অন্যদিকে বিজেপির জয়ের ব্য়াপারেও ফের একবার আত্মবিশ্বাসেরই সুর শোনা গেল তাঁর গলায়। বললেন, “আমরা বিভেদের কোনও চেষ্টা করছি না। এটা ভুল কথা। সেই জন্যই আমরা দিল্লি, মহারাষ্ট্র, বিহারে জিতেছি। আগে ওড়িশা জিতেছি। কলিঙ্গ-অঙ্গ আগেই হয়েছে, এবার বঙ্গ। জয় মা কালী বলে অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ আমাদেরই হবে।”  
আজ ১৫৮ পোর্ট বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৬ নম্বর ফ্লাইং স্কোয়াড টিমের ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু নস্করের নেতৃত্বে নেচার পার্কের সামনে গাড়িগুলিতে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। তখনই একটি গাড়ি আটক করা হয়। সেই গাড়ির ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা পাওয়া যায়।

ভোটের আগে কলকাতা থেকে জায়গায়-জায়গায় উদ্ধার টাকা
টাকা উদ্ধার

বাকি আর কয়েকটা দিন। তারপরই নির্বাচন। আর ভোটের দিন যত এগোচ্ছে জায়গায়-জায়গায় টাকা উদ্ধার হচ্ছে। এর আগেও কলকাতার একাধিক জায়গায় এমন টাকা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। আর শনিবার এক-দু’জায়গা নয়, একসঙ্গে চার জায়গা থেকে লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার হচ্ছে।


প্রথম ঘটনা



ট্রেনে আপনার বুক করা সিটে অন্য কেউ বসে? এক মিনিটেই সিট ফাঁকা করুন এভাবে
জাল সার্টিফিকেট দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী? অভিযোগ করল বিজেপি
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এফএসটি দল মৃন্ময় মৃধার নেতৃত্বে ওয়াটগঞ্জ থানার এএসআই ডিকে রায় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর (CAPF) জওয়ানরা ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালান। তল্লাশি চলাকালীন এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ধৃত ব্যক্তির নাম নীরজ কুমার গুপ্ত। তিনি ঝাড়খণ্ডের গাড়োয়া জেলার মেরালে থানার অন্তর্গত তেনার গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তল্লাশিতে নীরজ কুমার গুপ্তের কাছ থেকে নগদ ২,১৮,০০০ টাকা উদ্ধার হয়েছে। ওই বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস সংক্রান্ত কোনও বৈধ নথি দেখাতে না পারায়, টাকাটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

দ্বিতীয় ঘটনা

ঠাকুরপুকুর থানা এলাকার জোঁকা ট্রাম ডিপোর পাশে অবস্থিত স্ট্যাটিক সার্ভেইল্যান্স টিম (SST) পয়েন্টে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। সেই সময় WB20AG7173 রেজিস্ট্রেশন নম্বরের একটি সাদা রঙের আরটিগা গাড়িকে আটকানো হয়। গাড়িতে থাকা পাঁচ ব্যক্তির কাছে একটি বাদামী রঙের ব্যাগ পাওয়া যায়। ব্যাগটি তল্লাশি করে ৫০০ টাকার নোটের ১০টি বান্ডিল উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া ওই ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকা বহনের স্বপক্ষে বা মালিকানা সংক্রান্ত কোনও বৈধ নথি ওই ব্যক্তিরা দেখাতে পারেননি।

তৃতীয় ঘটনা

আজ ১৫৮ পোর্ট বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৬ নম্বর ফ্লাইং স্কোয়াড টিমের ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু নস্করের নেতৃত্বে নেচার পার্কের সামনে গাড়িগুলিতে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। তখনই একটি গাড়ি আটক করা হয়। সেই গাড়ির ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা পাওয়া যায়। ধৃতের কাছ থেকে সচিন সাবু (৪৭)। তিনি ঝাড়খণ্ডের গুমলা জেলার গুমলা থানা এলাকার পোস্ট অফিস রোডের বাসিন্দা। ৫০০ টাকার নোট ৮০০টি, ২০০ টাকার নোট, ২৪টি, ১০০ টাকার নোট ৪৩টি, ৫০ টাকার নোট: ১৪টি রয়েছে।

পুলিশ মহলের মতে,বেশিরভাগ সময় সিআইডির মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কাজ করায় দুঁদে গোয়েন্দা হিসেবেই তাঁর পরিচয় রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে তাঁর 'পেপার ওয়ার্ক' বিভিন্ন আদালতে সরকারের মুখ বাঁচিয়েছে বহুবার। তা সে রাজ্যের হাতে থাকা শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি হোক কিংবা গরু পাচার ঘটনার তদন্ত।

দময়ন্তী পর্বের ১৪ বছর পর ফের কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান হলেন বাঙালি মহিলা, জানেন তাঁর পরিচয়?
সোমা মিত্র, গোয়েন্দা প্রধান

আইপিএস দময়ন্তী সেন। তিনি কলকাতা পুলিশের ইতিহাসে প্রথম মহিলা গোয়েন্দা প্রধান। ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে আইপিএস দময়ন্তী সেনকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া দিয়েছিল তৃণমূল সরকার। কেন? দময়ন্তী পার্ক স্ট্রিটের ঘটনাকে ‘সাজানো ঘটনা’ বলে সিলমোহর দেননি। যা নাকি পছন্দ হয়নি সরকারের। সেই কারণেই তাঁকে সরতে হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তারপর থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে আর কোনও মহিলাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। অবশেষে শনিবার নির্বাচন কমিশন ১২ জন পুলিশকর্তাকে বদলি করেছে। তার মধ্যে নজর কেড়েছে কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি ক্রাইম পদটি। কেন?

কমিশনের নির্দেশে আইপিএস (IPS) সোমা দাস মিত্রকে ডিআইজি সিআইডি পদ থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে নিয়ে আসা হয়েছে। ২০১২ সালের এপ্রিলের পর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস, কলকাতা পুলিশ পেল নতুন মহিলা গোয়েন্দা প্রধান। হালিশহরের সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে সোমা। ২০০০ সালের WBPS অফিসার। ২০০৬ সালেই আইপিএস হন। চাকরি জীবনে বেশিরভাগ সময় তিনি সিআইডি’তেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। সিআইডিতে ডিএসপি পদে নারী পাচার বিরোধী বিভাগে কাজের জন্য সুনাম কুড়িয়েছিলেন। সম্প্রতি সন্দেশখালির ঘটনায় গঠিত দশ সদস্যের কমিটিতেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।


 মুখ ক্ষত-বিক্ষত, নেই একটা পা, যে কোনও সময় মৃত্যু ইরানের সুপ্রিম লিডারের?
পুলিশ মহলের মতে,বেশিরভাগ সময় সিআইডির মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কাজ করায় দুঁদে গোয়েন্দা হিসেবেই তাঁর পরিচয় রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে তাঁর ‘পেপার ওয়ার্ক’ বিভিন্ন আদালতে সরকারের মুখ বাঁচিয়েছে বহুবার। তা সে রাজ্যের হাতে থাকা শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি হোক কিংবা গরু পাচার ঘটনার তদন্ত। সোমাকে নিয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। অনেকেই যেমন আশা করছেন দীর্ঘদিন খালি থাকা গোয়েন্দা প্রধান পদ এবার যোগ্য অফিসারের হাতে গিয়েছে। অনেকে আবার মনে করছেন দময়ন্তী সেনের জায়গা নিতে পারবেন তো সোমা?

যে সময় সোমা দাস মিত্রকে কলকাতা পুলিশের এরকম গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়ে আসা হল, সেই নির্বাচনের আগে কোনও বদলিতেই সরকারের হাত থাকে না। নির্বাচন মিটলে নতুন সরকার দায়িত্ব নেবে। তখন কি সোমা নিজের পদে বহাল থাকবেন নাকি দয়মন্তীর মতোই…। উত্তর অধরা।

আশা ভোঁসলে ১৯৪৮ সালে 'চুনারিয়া' ছবির 'সাওয়ান আয়া' গানটির মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি তাঁর কর্মজীবনে এ পর্যন্ত প্রায় ১৬০০০ গান গেয়েছেন। তিনি শুধু হিন্দিতেই নয়, মারাঠি, বাংলা, গুজরাটি, পঞ্জাবি, ভোজপুরি, তামিল, মালয়ালম, ইংরেজি এবং রুশ ভাষার মতো আরও অনেক ভাষায় নিজের ছাপ রেখেছেন। তাই ভারত এবং বিশ্বের প্রতিটি কোণায় তাঁর ভক্ত রয়েছে।


হাসপাতালে ভর্তি করতে হল আশা ভোঁসলকে, কী হয়েছে?
আশা ভোসলে


হাসপাতালে ভর্তি কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে। বছর বিরানব্বইয়ের শিল্পীকে মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালের ICU-তে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং বুকে সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আশা ভোঁসলে।

আশা ভোঁসলের নাতনি জানাই ভোঁসলে এক্স হ্যান্ডলে কিংবদন্তি শিল্পীর হাসপাতালে ভর্তির কথা স্বীকার করেছেন। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, “আমার ঠাকুমা আশা ভোঁসলে অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং বুকে সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এই সময়ে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার জন্য আপনাদের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং আমরা আশা করছি খুব শীঘ্রই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।”


বাস,ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ, ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১০ জনের
মমতার নমিনেশন কাটার চেষ্টা? বিস্ফোরক অভিযোগ
আশা ভোঁসলে ১৯৪৮ সালে ‘চুনারিয়া’ ছবির ‘সাওয়ান আয়া’ গানটির মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি তাঁর কর্মজীবনে এ পর্যন্ত প্রায় ১৬০০০ গান গেয়েছেন। তিনি শুধু হিন্দিতেই নয়, মারাঠি, বাংলা, গুজরাটি, পঞ্জাবি, ভোজপুরি, তামিল, মালয়ালম, ইংরেজি এবং রুশ ভাষার মতো আরও অনেক ভাষায় নিজের ছাপ রেখেছেন। তাই ভারত এবং বিশ্বের প্রতিটি কোণায় তাঁর ভক্ত রয়েছে।

বিবাহ সূত্রে বাংলার সঙ্গে নিবিড় যোগ রয়েছে আশা ভোঁসলের। বলিউডের কিংবদন্তি সঙ্গীত পরিচালক আরডি বর্মনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। আরডি বর্মন সঙ্গীত জগতের একজন সুপারস্টার ছিলেন এবং হিন্দি চলচ্চিত্রে তাঁর সঙ্গীত আজও সমান জনপ্রিয়। সঙ্গীত জগতের সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের বোন আশা ২০০৮ সালে পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হন। এ ছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে আরও অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা।

জনজোয়ারে মৌসুনি দ্বীপ: টোটোয় চেপে জনসংযোগে তৃণমূল প্রার্থী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা


লোকসভা নির্বাচনের রণদামামা বাজতেই উত্তাল সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকা মৌসুনি দ্বীপ। তৃণমূল কংগ্রেসের আহ্বানে শিবরামপুর অঞ্চলে আয়োজিত হলো এক বর্ণাঢ্য জনসংযোগ যাত্রা। দক্ষিণ দুর্গাপুর জেঠি ঘাট থেকে টেকার বাজার পর্যন্ত আয়োজিত এই মিছিলে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ‘যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে জোরকদমে নির্বাচনী প্রচার সারলেন সাগর বিধানসভার বিধায়ক তথা তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। তবে এদিনের প্রচারের মূল আকর্ষণ ছিল তাঁর সাদামাটা ভাবমূর্তি। কোনো বিলাসবহুল গাড়ি নয়, বরং সাধারণ মানুষের যান টোটোতে চেপেই দ্বীপের অলিগলি ঘুরলেন তিনি।

২৯ শে এপ্রিল (১৫ই বৈশাখ) নির্বাচনের দিনক্ষণ সামনে রেখে বঙ্কিমবাবু ভোটারদের ঘরে ঘরে পৌঁছে যান। টোটোতে চড়ে প্রচার প্রসঙ্গে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের সাথে মাটির টান বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ। রাস্তার ধারের দোকানদার থেকে শুরু করে পথচারী—সবার সাথে কথা বলে অভাব-অভিযোগের খোঁজ নেন তিনি। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা প্রমাণ করে দিয়েছে যে বিরোধীদের শত কুৎসা ও হামলার চেষ্টার পরেও মৌসুনি দ্বীপের মানুষের আস্থা কেবল জোড়া ফুলেই রয়েছে। প্রচার শেষে টেকার বাজারে একটি পথসভাও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে তৃণমূলকে বিপুল ভোটে জয়ী করার আহ্বান জানানো হয়।

সাগরে জোর কদমে প্রচার বিজেপির: সাপখালি থেকে বামনখালি, জনসংযোগে সুমন্ত মণ্ডল


২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বাজতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর বিধানসভা কেন্দ্রে কোমর বেঁধে প্রচারে নেমেছে বিজেপি। সাগরের সাপখালি এবং চাপাতলা এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে জোরদার জনসংযোগ করেন বিজেপি মনোনীত প্রার্থী সুমন্ত মণ্ডল। স্থানীয় মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের জনমুখী প্রকল্পের সুফল তুলে ধরেন তিনি।

এদিন সন্ধ্যা নাগাদ বামনখালি বাজারে এক বিশাল পথসভার আয়োজন করা হয়। কর্মী-সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এলাকাটি কার্যত মিছিলে রূপ নেয়। পথসভা থেকে সুমন্ত মণ্ডল বর্তমান রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করে পরিবর্তনের ডাক দেন।
তিনি বলেন, "সাগরের প্রকৃত উন্নয়নের জন্য এবার পাল্টানো দরকার। রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়।" 'চাই বিজেপি সরকার'—এই স্লোগানকে সামনে রেখেই এদিন সাধারণ মানুষের আশীর্বাদ ভিক্ষা করেন তিনি। ভোট যত এগিয়ে আসছে, সাগরের রাজনৈতিক পারদ ততই চড়ছে।