WEATHER

Top News



দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে পানীয় জলের একমাত্র ভরসা টিউবওয়েল। ফলে চরম জলসংকটে দিন কাটাচ্ছেন পাথরপ্রতিমা বিধানসভা কেন্দ্রের পূর্ণচন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের নাথপাড়া এলাকার বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টিউবওয়েলটি অকেজো হয়ে থাকলেও তা মেরামতের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিষয়টি জানিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে লিখিত আবেদন করা হলেও এখনও সমস্যার সমাধান হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা কার্তিক দেবনাথ বলেন, টিউবওয়েলটি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকায় পানীয় জলের জন্য সমস্যায় পড়তে হচ্ছে এলাকার মানুষকে। দ্রুত টিউবওয়েলটি মেরামত করে পানীয় জলের সংকট দূর করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সাগর বিধানসভায় অনুষ্ঠিত হলো এক বিশেষ সম্মাননা অনুষ্ঠান। ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসের দিন সাগর ব্লকের সমস্ত প্রাইমারি ও হাই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানো হয়। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন ও উদ্যোগে ছিলেন সাগর বিধানসভার বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক সমীর রঞ্জন গিরি। উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের মহারাজ শ্রীমৎ স্বামী মুক্তিপ্রদানন্দজি মহারাজ, ভারত সেবাশ্রম সংঘের মহারাজ স্বামী জীতাত্মানন্দজি মহারাজ, গঙ্গাসাগর ইসকন মন্দিরের প্রভু গোবিন্দ সুন্দর মহারাজ এবং গঙ্গাসাগরের বড় আশ্রমের মহারাজ স্বামী নরধামজি মহারাজ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাগর বিধানসভার কনভেনার সোমনাথ ভূঁইয়াসহ একাধিক স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

পঞ্চপ্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর ভারতমাতা এবং ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডলসহ উপস্থিত মহারাজরা।

এরপর সাগরের পথিক হরিপদ বাগুলির মূর্তিতে মাল্যদান করেন বিধায়ক। পাশাপাশি অনুষ্ঠান মঞ্চের সামনে অবস্থিত মা কালী মন্দিরে মায়ের চরণে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের মূল পর্বে সাগর ব্লকের বিভিন্ন প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতে শ্রদ্ধাঞ্জলি পত্র এবং সম্মানিক উপহার তুলে দেন বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল। দীর্ঘদিন শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁদের অবদান এবং সমাজ গঠনে তাঁদের ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই উদ্যোগ বলে জানান আয়োজকরা।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল বলেন, শিক্ষক-শিক্ষিকারা শুধুমাত্র পড়াশোনা শেখান না, তাঁরা আগামী প্রজন্মকে তৈরি করেন। তাঁদের হাত ধরেই গড়ে ওঠে সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। তাই শিক্ষক দিবসের মতো বিশেষ দিনে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানো প্রত্যেকের কর্তব্য।

প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সম্মান জানানোর এই উদ্যোগে আবেগঘন হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানের পরিবেশ। শিক্ষক দিবসের দিনে সাগরে শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এই বিশেষ অনুষ্ঠান নিঃসন্দেহে এক তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করল।

সন্দীপ দাস।,সাগর: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এবার কড়া অবস্থান নিল সাগর ব্লক প্রশাসন ও সাগর থানার পুলিশ। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর মনসা প্রতিমা বিসর্জনকে সামনে রেখে রুদ্রনগর BDO অফিসে সাগর ব্লকের সমস্ত মনসা পুজো কমিটিকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হল বিশেষ আলোচনা সভা।

বৈঠকে পুজো কমিটিগুলিকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, নির্ধারিত শব্দবিধি মেনেই উৎসব পালন করতে হবে। উচ্চস্বরে মাইক, DJ বা বক্স বাজানো যাবে না। শব্দবিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়।
প্রশাসনের বক্তব্য, অতিরিক্ত শব্দের কারণে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের শারীরিক সমস্যার আশঙ্কা থাকে। তাই সাধারণ মানুষের স্বার্থে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সকলকে সহযোগিতা করার আবেদন জানানো হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সাগরের BDO অনন্ত কুমার গোস্বামী, সাগর থানার OC অর্পণ নায়েক-সহ পুলিশ আধিকারিকরা। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সাগর বিধানসভার কনভেনার সোমনাথ ভুঁইয়া, মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সদস্য অরুনাভ দাস, যুব সভাপতি নিতাই দাস, সাগর মণ্ডল-৩-এর সভাপতি রাজেশ জানা-সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

মনসা বিসর্জনের আগেই প্রশাসনের এই কড়া বার্তায় স্পষ্ট, উৎসব হবে, তবে শব্দবিধি মেনেই।

 ক্যানিং থানার একটি মামলার তদন্তে ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাসকে নোটিশ পাঠাল রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, ক্যানিং থানার মামলা নম্বর ২৪৩/২৬, তারিখ - ২৯/০৫/২০২৬, ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৭/১৪৮/১৪৯/১৭১এফ/৩৪১/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৪৬৫/১২০বি/৩৪ ধারা এবং ২৫/২৭ অস্ত্র আইন ও ৩/৪ বিস্ফোরক আইনে যে মামলা রুজু হয়েছিল, তার তদন্ত চলছে।

সেই তদন্তে বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে সিআইডি। সেই কারণে বিএনএসএস-এর ১৭৯ ধারায় তাঁকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, আগামী ০৮/০৯/২০২৬ তারিখ দুপুর ১২টায় আলিপুরের ভবানী ভবনে অবস্থিত সিআইডির সদর দপ্তরে তাঁকে হাজির হতে হবে। তদন্তে সহযোগিতা করা, সমস্ত তথ্য সত্য সহকারে জানানো, প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া এবং প্রমাণ লোপাট না করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে নোটিশে।

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হাজিরা না দিলে বা নির্দেশ না মানলে বিএনএসএস-এর ২০৮ ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

নোটিশটি জারি করেছেন সিআইডির অ্যাডিশনাল ডিডি, বারাসাত ডিডির ইন্সপেক্টর রজনীকান্ত বিশ্বাস।

বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে পুরভোটে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-কাকলি ঘোষদস্তিদাররা। তাঁদের দাবি, NDA-এর যখন শরিক তাঁরা। সেই হিসেবে বিজেপির সঙ্গে জোট করতেই হবে। যদিও কাকলিদের এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে এখনও মান্যতা দেননি লোকসভার স্পিকার। এদিকে অবশ্য, বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে পুরভোটে লড়ার জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য।


গেরুয়া পতাকা নিলেই টিকিট মিলবে না', পুরভোটে NCPI-এর সঙ্গে জোট? স্পষ্ট করে দিলেন শমীক
শমীক ভট্টাচার্য

গেরুয়া পতাকা হাতে নিলেই টিকিট মিলবে না। পুরভোটের আগে সাফ বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের (Shamil Bhattacharya)। বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতির নিশানায় এবার সদ্য দলে আসা স্বঘোষিত বিজেপি নেতারা। শমীকের হুঙ্কার, “কিছু মানুষ বিজেপির পতাকা নিয়ে গেরুয়া আবির লাগাচ্ছে। তাঁরা নিজেদের এমনভাবে প্রোজেক্ট করছে যেন তাঁরা ভবিষ্যতের প্রার্থী। এটা চলবে না।”


‘চোখে-মুখে বিনয়ী বিনয়ী ভাব’
বিজেপির পতাকা নিয়ে পুজো বন্ধের চেষ্টা হলে কর্মীদের তা আটকানোর নির্দেশ দিয়েছেন শমীক। শনিবারের এক অনুষ্ঠান থেকে তিনি বলেন, “আমার দল সরকারে এসেছে, যদি কোনও বিচ্যুতি থাকে, তাহলে সেই বিচ্যুতি আপনাদের চোখে পড়বে। বন্ধ করে দেবেন সেই বিচ্যুতি। যদি দেখেন কেউ বিজেপির পতাকা নিয়ে গেরুয়া রং মাথায় নিয়ে দুর্গাপুজো কমিটি দখল করতে চলে গিয়েছে বা কোনও পুজো বন্ধ করতে চলে গিয়েছেন, তাঁকে সেখানে আটকাবেন। সেই দায়িত্ব আপনার। দখলদারি রাজনীতি বন্ধ করার জন্য ভোট দিয়েছেন। আমাদের ভোট দিয়েছেন জামার ভিতরের মানুষটাকে পরিবর্তন করার জন্য। জামা পরিবর্তন করার জন্য নয়। আগেও অনেক মানুষ আমাদের কাছে আসবেন। শাসকদলের কাছে আসাটাই স্বাভাবিক। চোখে-মুখে বিনয়ী বিনয়ী ভাব। কথাবার্তায় নতুন কিছু করার প্রতিশ্রুতি। এটা চলতে পারে না।”



মধ্যপ্রদেশ থেকে ফের বাংলার দিকে ইউটার্ন নিম্নচাপের, আবার শুরু বৃষ্টি

মুখ্যমন্ত্রীই সব নাকি...', চানাচুর কারখানায় ঢুকতেই আধিকারিক যে ঘটনার সাক্ষী থাকলেন...
পুরভোটে এনসিপিআই-এর সঙ্গে জোট?
বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে পুরভোটে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-কাকলি ঘোষদস্তিদাররা। তাঁদের দাবি, NDA-এর যখন শরিক তাঁরা। সেই হিসেবে বিজেপির সঙ্গে জোট করতেই হবে। যদিও কাকলিদের এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে এখনও মান্যতা দেননি লোকসভার স্পিকার। এদিকে অবশ্য, বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে পুরভোটে লড়ার জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “তৃণমূল নির্মূল হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের নেতারা বিভিন্ন নেতারা ফের ঘুরে আসতে চাইছেন। কেউ কেউ বলছে আমরা এক হয়ে গিয়েছি। কেউ নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে দিয়েছেন। তৃণমূল তৃণমূলকে মারছে। ডিম ছোড়ার কালচার তো কোনওদিন পশ্চিমবঙ্গে ছিল না। এর নাম তৃণমূল কংগ্রেস। এ তো চলতে পারে না। এর বাইরে বেরিয়ে আসতে হবে।”




ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে কাগুজে কুপনের ঝামেলা কমবে এবং ভিআইপি দর্শনের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে উঠবে বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। আজ থেকেই এই পরিষেবা চালু হওয়ায় ভক্তদের মধ্যেও খুশির আবহ তৈরি হয়েছে।


তারাপীঠ মন্দিরে বদলে গেল দর্শনের নিয়ম
তারাপীঠ মন্দির

বড় পরিবর্তন তারাপীঠ মন্দিরের (Tarapith Mandir) নিয়মে। রবিবার থেকেই চালু হয়ে গেল সেই নিয়ম। এবার থেকে আর মিলবে না কাগুজে কুপন। তার পরিবর্তে ডিজিটাল টিকিট পাওয়া যাবে। অর্থাৎ মা তারার দর্শনে তারাপীঠ মন্দিরে আজ থেকেই চালু হল ডিজিটাল ভিআইপি কুপন (VIP) ব্যবস্থা। কৌশিকি অমাবস্যায় ভক্তদের সুবিধা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।


এতদিন তারার দর্শনের জন্য ভিআইপি লাইন দিতে হত। তাতে ৫০০ টাকার কাগুজে কুপন সংগ্রহ করতে হত। এবার নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট বুক করার সুবিধা পাবেন ভক্তরা।


মুখ্যমন্ত্রীই সব নাকি...', চানাচুর কারখানায় ঢুকতেই আধিকারিক যে ঘটনার সাক্ষী থাকলেন...
আসন্ন কৌশিকী অমাবস্যাকে সামনে রেখে প্রশাসন ও মন্দির কমিটির বৈঠকের পর এই নতুন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে ৫০০ জন ভক্তের জন্য অনলাইন ভিআইপি টিকিট বুকিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে টাইম স্লট বুকিংয়ের সুবিধাও যুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।


ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে কাগুজে কুপনের ঝামেলা কমবে এবং ভিআইপি দর্শনের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে উঠবে বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। আজ থেকেই এই পরিষেবা চালু হওয়ায় ভক্তদের মধ্যেও খুশির আবহ তৈরি হয়েছে।

এক সেবাইত বলেন, “সকলের স্বার্থ যাতে বজায় থাকে সেই কারণে চালু হল। এটা চালু হলে তীর্থ যাত্রীদের সুবিধা। আর কৌশিকী অমাবশ্যায় একটা ফ্রি লাইন থাকবে। আর একটা লাইন থাকবে টাকা দেওয়ার। কোনও সেবাইত, মন্ত্রী আমলা কেউই ওইদিন গর্ভগৃহে ঢুকতে পারবেন না।”



সত্য নিকেতন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছে অবস্থিত। ফলে ওই এলাকায় অনেক পড়ুয়া থাকেন। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় ওই পিজিতে অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশি পড়ুয়া ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাড়িটির ভিতরে প্রায় ৫০ জন পড়ুয়া থাকতে পারেন।


দিল্লিতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ছয় তলা বাড়ি, ধ্বংসস্তূপ থেকে ভেসে আসছে শুধুই চিৎকার, বহু মৃত্যুর আশঙ্কা
ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চলছে উদ্ধারকাজ

রবিবার ছুটির দিন ভয়াবহ দুর্ঘটনা দিল্লিতে (Delhi Building Collapsed)। দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির সত্য নিকেতনে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি ছয়তলা বাড়ি (Delhi News)। বাড়িটি পেইং গেস্ট বা PG আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হত বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার সময় প্রায় ৫০জন ওই বিল্ডিংয়ে ছিলেন বলে খবর। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও বহু মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর আশঙ্কা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চলছে।


কী ঘটেছে?
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর প্রায় দেড়টা নাগাদ আচমকাই ভেঙে পড়ে ছয়তলা বাড়িটি। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা ধুলোয় ভরে যায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অন্তত ১২টি ইঞ্জিন। ধ্বংসস্তূপ সরাতে কাজে লাগানো হয়েছে এক্সকাভেটর। আরও ভারী যন্ত্রপাতি আনা হচ্ছে। উদ্ধারের সংখ্যা নিয়ে অবশ্য প্রশাসনের বিভিন্ন সূত্র থেকে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গিয়েছে। সরকারি প্রতিনিধির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ছ’জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পুলিশের তরফে তিন জনকে উদ্ধারের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ঠিক কতজন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।


'মুখ্যমন্ত্রীই সব নাকি...', চানাচুর কারখানায় ঢুকতেই আধিকারিক যে ঘটনার সাক্ষী থাকলেন...
সত্য নিকেতন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছে অবস্থিত। ফলে ওই এলাকায় অনেক পড়ুয়া থাকেন। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় ওই পিজিতে অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশি পড়ুয়া ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাড়িটির ভিতরে প্রায় ৫০ জন পড়ুয়া থাকতে পারেন। যদিও প্রশাসনের তরফে এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়নি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক পড়ুয়া সংবাদসংস্থা এএনআই-কে জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকার শুনতে পেয়েছেন তিনি। উদ্ধারকারী দল পৌঁছনোর আগেই স্থানীয়রা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করেন।


ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকেই ফোন?
ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অনিল শর্মা। ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা কয়েকজন পড়ুয়া ফোনও করছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। তিনি বলেন, “মনে হচ্ছে এখনও কয়েকজন ভিতরে আটকে রয়েছেন। উদ্ধারকাজ চলছে।”

কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা?
দুর্ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চলছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাশের বাড়িটিও খালি করে দেওয়া হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা প্রত্যেককে নিরাপদে উদ্ধারের জন্য সবরকম চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

তবে, কী কারণে ছয়তলা বাড়িটি ভেঙে পড়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আপাতত জোরকদমে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে।


দুই দফা দাবি নিয়ে অর্জুন সিং বলেন, "আমার হাতে যেটা আছে যে এখান থেকে সব তীর্থস্থলে যাওয়ার জন্য বাস চালু করতে পারি। ব্যারাকপুরে জায়গাও রয়েছে। বাস রাখার অনেক জায়গা আছে। ব্যারাকপুর থেকে পুরী, বেনারস সব চালু হবে। উত্তরবঙ্গও হয়ে যাবে। উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়ে গিয়েছে। পুরীর সঙ্গেও হয়ে যাবে।"


কী বললেন অর্জুন সিং?
রবিবার নাট্যকার চন্দন সেন ও ব্যারাকপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা দুই দফা দাবি নিয়ে মন্ত্রীর কাছে যান। তাঁদের দাবি প্রসঙ্গে নাট্যকার চন্দন সেন বলেন, “আমরা প্রবীণ মানুষরা এসেছিলাম। আমরা মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আবেদন জানালাম যে পরিবহন দফতর থেকে দু’টি ব্যবস্থা করা হোক। এক নম্বর হল সিনিয়র সিটিজেনদের তীর্থক্ষেত্রে যাওয়ার জন্য ৫০ শতাংশ কনশেসন দেওয়া হোক। উনি বললে ন্যায্য দাবি। এটা আমি ক্যাবিনেটে রাখব। আরেকটা হল ব্যারাকপুর যেহেতু গুরুত্বপূর্ণ জায়গা, এখান থেকে সরাসরি পুরী, মথুরা, বৃন্দাবন পর্যন্ত বাস চালু করুক। আর উত্তরবঙ্গে যাওয়ার জন্য বাসু চালু করার দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে ব্যারাকপুরের যোগাযোগ করার জন্য বাস চালু করা হোক। উনি এটা মোটামুটি সম্মত হলেন। আমরা ধন্যবাদ জানাচ্ছি। খুশি আরও হব,যদি প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়।”





বিড়াল রাস্তা পার করলে কেন দাঁড়িয়ে পড়েন? আসল কারণ অনেকেই জানেন না...
কোথায় কোথায় চালু হবে বাস?
দুই দফা দাবি নিয়ে অর্জুন সিং বলেন, “আমার হাতে যেটা আছে যে এখান থেকে সব তীর্থস্থলে যাওয়ার জন্য বাস চালু করতে পারি। ব্যারাকপুরে জায়গাও রয়েছে। বাস রাখার অনেক জায়গা আছে। ব্যারাকপুর থেকে পুরী, বেনারস সব চালু হবে। উত্তরবঙ্গও হয়ে যাবে। উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়ে গিয়েছে। পুরীর সঙ্গেও হয়ে যাবে।”


ব্যারাকপুর থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে বাস চালুর প্রসঙ্গে অর্জুন বলেন, “আরেকটা প্ল্যান করেছি ব্যারাকপুর থেকে এইমস-এর বাস দেওয়ার জন্য। নৈহাটি থেকে এইমস-এর বাস যাবে। আর ইস্টার্ন বাইপাসে প্রত্যেকটা হাসপাতালের পাশ দিয়ে যে বাসগুলি যায়, তার একটা ব্যবস্থা করা হবে। যাতে রোগী বা তাঁর বাড়ির লোকেদের কোনও সমস্যা না হয়।”

আরও একটা দাবি জানানো হয়েছে। সেটা হল প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বাসের ভাড়ায় ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া। এই বিষয়ে অর্জুন সিং জানান, এই বিষয়টা তাঁর হাতে নেই। এটা মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত। তবে, তিনি প্রবীণ মানুষদের আবেদন ক্যাবিনেটে পৌঁছে দেবেন বলে জানিয়েছেন।



 কুণাল ঘোষ বলেন, "আবার কয়েকজন আমাদের সঙ্গে পুরোদস্তুর যোগাযোগ রেখেছেন। হয়তো কয়েকজন আমাদের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করছেন। আবার কয়েকজনকে আমরা এখনই সামনে আনছি না দুটো কারণে। একটা কারণ হচ্ছে, আমরা তো পুলিশের নিরাপত্তা দিতে পারব না। আজকে হয়তো আমার পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলাম। কালীঘাটে গিয়ে দিদিকে প্রণাম করে এলেন। তারপর তাঁর এলাকায় যদি কোনও সমস্যা তৈরি হয়, আমাদের পক্ষে নিয়মিত নিরাপত্তা দেওয়া অসম্ভব।"


কেষ্টর 'গুড়-বাতাসা' দাওয়াই এবার কুণালের কণ্ঠে, কাদের হুঁশিয়ারি দিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক?
কুণাল ঘোষ

বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়েছেন বেশিরভাগ বিধায়ক, সাংসদ। তাঁদের বেশিরভাগই কি ফের মমতার হাত ধরতে চাইছেন? এই জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। রবিবার তিনি দাবি করলেন, অনেক বিধায়ক, সাংসদ তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। কিন্তু, এখনই কেন তাঁদের সামনে আনা হচ্ছে না, এদিন তার ব্যাখ্যা দিলেন কুণাল। একইসঙ্গে জানিয়ে দিলেন, কাদের ফেরত নেওয়া হবে না। অনুব্রত মণ্ডলের ‘গুড় বাতাসা’ মন্তব্যের প্রতিধ্বনি শোনা গেলে বেলেঘাটার বিধায়কের কণ্ঠে।


কী বললেন কুণাল ঘোষ?


এদিন সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল বলেন, “যাঁরা চলে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই যোগাযোগ রাখছেন। সেটা সাংসদ হতে পারেন, বিধায়ক হতে পারেন। সকলে সমানভাবে খারাপ নন। বিধায়কদের মধ্যে ৮-১০ জন রয়েছেন, যাঁরা চুরি, ডাকাতি, অসভ্যতা এগুলো ঢাকতে গিয়েছেন। কয়েকজন পুরনো মামলার ভয়ে গিয়েছেন। আবার কয়েকজনকে ভিত্তিহীন মামলায় হয়রানি করার থ্রেট করা হচ্ছে। ফলে সেই ভয়ে গিয়েছেন।”


এরপরই তিনি বলেন, “আবার কয়েকজন আমাদের সঙ্গে পুরোদস্তুর যোগাযোগ রেখেছেন। হয়তো কয়েকজন আমাদের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করছেন। আবার কয়েকজনকে আমরা এখনই সামনে আনছি না দুটো কারণে। একটা কারণ হচ্ছে, আমরা তো পুলিশের নিরাপত্তা দিতে পারব না। আজকে হয়তো আমার পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলাম। কালীঘাটে গিয়ে দিদিকে প্রণাম করে এলেন। তারপর তাঁর এলাকায় যদি কোনও সমস্যা তৈরি হয়, আমাদের পক্ষে নিয়মিত নিরাপত্তা দেওয়া অসম্ভব। কারণ, পুলিশ বিজেপির কথা শুনবে। সেটা সাংসদদের ক্ষেত্রেও একই। তাঁরা যোগাযোগ করছেন। এছাড়া আপাতত তাঁরা ওদিকে থেকে গেলে আমাদের সুবিধা, আমরা ওখানকার খবরগুলো পাচ্ছি।”

‘গুড়-বাতাসা দিয়ে আপ্যায়ন করা হবে’-

মমতার হাত ছেড়ে চলে যাওয়া কোন নেতাদের ফেরত নেওয়া হবে না, এদিন তা-ও স্পষ্ট করে দিলেন কুণাল। কারও নাম না নিয়েই বলেন, “তবে বিশেষ ৫-৬ জন যাঁরা এতবড় অসভ্যতা করেছেন। কালীঘাটের ত্রিসীমানায় যদি দেখা যায়, তাহলে আমাদের কর্মী-সমর্থকদের আবেগ একদম গুড়-বাতাসা সহ আপ্যায়ন করা হবে।” একসময় বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত ওরফে কেষ্ট মণ্ডলের মুখে শোনা যেত গুড়-বাতাসার কথা। সেটাই এবার কুণালের কণ্ঠে শোনা গেল।

কুণালকে জবাব ঋতব্রত তৃণমূলের-

কুণালের মন্তব্যের জবাবে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কুণালবাবু সবসময় যেটা চেষ্টা করেন, সেটা হচ্ছে, সকাল থেকে কোনও একটা বিতর্কিত মন্তব্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে থাকা। এরকম প্রায়ই করেন। উল্টে আমার মনে হয়, কুণালবাবুদের সঙ্গে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের অনেকেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। আসলে এই ধরনের মন্তব্য করে উনি নিজেকে ভাসিয়ে রাখতে চান।”



কলকাতার পুরনো সব রেস্তোরাঁ, যাদের খাবারের বেশ সুনাম রয়েছে, তাদের দোকানেও মিলেছে পোকা বা পচা মাংস। এমনকী হলুদ গুঁড়োয় এমন রঙ মেশানো হচ্ছে, যা মানুষের খাবারের উপযোগীই নয়।

ছত্রাক পড়া লঙ্কা, কালো হয়ে যাওয়া রসুন! কোন কোন জনপ্রিয় রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে মিলল 'বিষ'

 রাজ্য জড়ে বিগত এক সপ্তাহ ধরে চলল খাদ্য দফতরের অভিযান। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, শিলিগুড়ি সহ প্রায় সব জেলার দোকানে দোকানে অভিযান চালানো হয়েছে। যে সব দোকানের সামনে থাকে ক্রেতাদের লম্বা লাইন, অনলাইন ডেলিভারি সংস্থার ডেলিভারি বয়দের ভিড়, সেখানেই মিলছে বিষ। পচা খাবার, বিষাক্ত রং, পোকা মিলেছে একাধিক নামী দোকানে।


কোন কোন নামী দোকান নিয়ে উঠল অভিযোগ, একনজরে
১. বারবিকিউ নেশন (সেক্টর ৫)- বিপুল পরিমাণ পচা খাবার, রান্নাঘরে পোকা, অপরিচ্ছন্নতা। লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।

২. রং দে বাসন্তী ধাবা (স্টার মল, মধ্যমগ্রাম)- পচা মাছ, পচা মাংস, মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার, লঙ্কায় ছত্রাক। লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।


৩. বারবিকিউ নেশন (সোদপুর)- পচা খাবার। বিক্রি বন্ধ।

৪. আরসালান (যশোর রোড)- পচা মাংস, অপরিচ্ছন্ন ফ্রিজ, পচা রসুন, কড়াইতে ডিটার্জেন্ট। নোটিস দিয়েছে খাদ্য দফতর।

৫. চাকনাওয়ালা (বিটি রোড, পানিহাটি)- অপরিচ্ছন্ন ফ্রিজ, হলুদ গুঁড়োয় বিষ রং। লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।

৬. চৌরাশিয়া চাট (সেক্টর ৩, সল্টলেক)- বিষ হলুদ রং, পুরনো তৈরি করা খাবার, লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।

৭. রেড চিলিজ (চন্দননগর)। দীর্ঘদিনের পুরনো চিংড়ি মাছ, পচা মাংস। নোটিস দেওয়া হয়েছে।

৮. অমর মিষ্টান্ন (উত্তরপাড়া)। রসগোল্লার গামলায় আরশোলা, দইতে মাছি। নোটিস দেওয়া হয়েছে।

৯. বিগ বস (ট্যাংরা, কলকাতা)। ১০০ কেজি পুরনো মাংস, চিংড়ি। নোটিস দেওয়া হয়েছে।

১০. মাখনভোগ (সেবক রোড, শিলিগুড়ি), অপরিচ্ছন্ন পোকা, মিষ্টিতে মরা আরশোলা। সাময়িকভাবে সিল করে দেওয়া হয়।

১১. গণেশ মিষ্টান্ন (বর্ধমান)। মেয়াদ উত্তীর্ণ পনির, আইসিক্রিম, বিষ রং। নোটিস দেওয়া হয়েছে।

১২. বারবিকিউ নেশন, অবনী মল (শিবপুর)। মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার। নোটিস দেওয়া হয়েছে।




মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমরা পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থায় অনেক ভুল করে ফেলেছি। ব্রতচারীর মতো শরীর গঠন তার ফিরিয়ে আনার দরকার রয়েছে। আমাদের এখানে এনসিসি তুলে দেওয়া হল। জয় হিন্দ বাহিনী তৈরি করা হল। ভীষণ ক্ষতি। এনসিসি-কে ফিরিয়ে আনা উচিত। আমরা খেলাধূলার প্রতি নজর দিইনি।"

'শিক্ষাকে শীর্ষে নিয়ে যাব', শিক্ষাক্ষেত্রে কী কী সংস্কার আনা হবে, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
শুভেন্দু অধিকারী

শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার নিউটাউনের কনভেশন সেন্টারে বিদ্যাসাগর শিক্ষক সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানেই বক্তৃতা রাখতে গিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে। শ্রদ্ধা জানান ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, স্বামী বিবেকানন্দকে। অনুষ্ঠান থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে কী কী সংস্কার আনার কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী?


শিক্ষাক্ষেত্রে রাধাকৃষ্ণণ, বিদ্যাসাগরের অবদানের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলেন,” প্রথমেই রাধাকৃষ্ণন সম্পর্কে বলতে হবে। তাঁর জন্মদিনে শিক্ষক দিবস পালন করা হয়। বিদ্যাসাগর ৩০০-র বেশি বই লিখে গিয়েছেন। সবথেকে বেশি কাজ করেছেন নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য । তিনি যে সংস্কার করে গিয়েছেন, তা আজকের দিনের জন্য প্রাসঙ্গিক বলে মনে করি।”
শুভেন্দুর কথায়, শিক্ষা কেমন হওয়া উচিত, তা বলে গিয়েছেন স্বামী বিবেকানন্দ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তাঁর লেখা বই পড়ার সুযোগ হয়েছে। বেলুড় মঠ ও মিশনে একাধিক বই সংগ্রহ করেছি। শিক্ষা সম্পর্কে যে কথা বলেছেন, তা আজকের দিনে ভীষণ প্রাসঙ্গিক। তিনি বলেছেন, এমন শিক্ষা চাই, মানুষের অন্তর্নিহিত প্রতিবাদ বিকশিত হয়, বুদ্ধিবৃত্তি বিকশিত হয়। তাই পুঁথিগত শিক্ষার মধ্যে যদি আটকে রাখি, তাহলে ভুল করব।”
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারে পুরনো পরিকাঠামোকে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন,”আমরা পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থায় অনেক ভুল করে ফেলেছি। ব্রতচারীর মতো শরীর গঠন তার ফিরিয়ে আনার দরকার রয়েছে। আমাদের এখানে এনসিসি তুলে দেওয়া হল। জয় হিন্দ বাহিনী তৈরি করা হল। ভীষণ ক্ষতি। এনসিসি-কে ফিরিয়ে আনা উচিত। আমরা খেলাধূলার প্রতি নজর দিইনি। আমি মনে করি, আমি যে জেলা মেদিনীপুর থেকে উঠে এসেছি, সেই জেলা মাধ্যমিকে শতাংশের বিচারে সবসময় প্রথম স্থান হিসেবে উঠে আসে। আমাদের ওই জেলায় ময়না বলে একটা জায়গা রয়েছে। সেখানে আপনি যদি বিদ্যালয়গুলিতে যান, সেই পুরনো লোকেদের তৈরি করা ভাবনায় বড় বড় জমি দিয়ে গিয়েছেন। একেকটা বিদ্যালয়ে প্রেয়ার হল, বিরাট খেলার মাঠ, সাঁতার কাটার জন্য পুকুর, কী নেই সেখানে। ঢুকলেই মনে হবে শান্ত পরিবেশে এলাম। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি, আরেকদিকে বিদ্যাসাগর আবার কোথাও মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তি। হলগুলিতে হতো রবীন্দ্র চর্চা। যতরকমের শারীরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ছিল, এগুলো অবহেলিত হয়েছে। এগুলো আমাদের ফিরিয়ে আনতে হবে।”
স্কুল ছাত্রছাত্রীদের জীবনে মোবাইল ফোন কতটা ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলছে, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,” স্কুল ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ভয়ঙ্কর কুপ্রভাব মোবাইল ফোনের। খুব কঠিন সিদ্ধান্ত। ভোট কমে যাবে আমার। গুজরাট দেখুন ক্লাস ওয়ান থেকে ১২ ক্লাস পর্যন্ত মোবাইল হাত দিতে দেয় না ছাত্র-ছাত্রীদের। এইসব সংস্কার না করলে শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষক দিবসের মানে থাকবে না।…তবে কিছু জিনিস রয়েছে যেখানে রাজনীতির লোকেদের ঢোকা উচিত নয়।

 শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কার আনার ক্ষেত্রে একটা বিষয় কম্প্রোমাইজ করা উচিত নয় বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই বিষয়ে তিনি বলেন, “যাঁরা রাষ্ট্রের ভিতরে থেকে রাষ্ট্রের ক্ষতি করে, দেশপ্রেমে প্রশ্ন তোলে, পূর্ণাঙ্গ বন্দেমাতারম গাইতে যাঁদের সমস্যা থাকে, যাঁরা পহেলগাঁওয়ে আক্রমণ হলে প্রতিবাদ করে না, অথচ পাকিস্তানে আক্রমণ হলে প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শিক্ষাসমাজ, রাষ্ট্রবাদী নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।… কত বড় ছিল আমাদের দেশটা ভাবুন। ধীরে ধীরে কাটতে কাটতে কত ছোট হয়েছে।”
বিদ্যালয়কে বিদ্যামন্দির হিসেবে গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন তিনি। শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারে এটা অন্যতম প্রধান পদক্ষেপ বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই বিষয়ে শুভেন্দু বলেন,”সব বিদ্যালয় মিড-ডে মিলের কিচেন গ্যাসে চলবে। বিদ্যুত তো থাকবেই। সোলার প্যানেলে কনভার্ট করুন। পাখার ব্যবস্থা করুন। অ্যাকাওয়াগার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করুন, শৌচালয় দেওয়ার ব্যবস্থা করুন, ছাত্রীদের জন্য আলাদা শৌচালয়ের ব্যবস্থা করুন। তবলা, সেতার, হারমোনিয়াম, খঞ্জনি, একতারা দিন। লাইব্রেরিগুলি সাজান। খেলার মাঠ সাজিয়ে দিন। সুন্দর করে সাজান। রামকৃষ্ণ মঠের মতো সুন্দর পরিবেশ তৈরি করুন।”
শিক্ষক শব্দের প্রকৃত মর্যাদাকে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ছাত্রছাত্রী তো এল, পড়াবে কে? যে পদ্ধতিতে শিক্ষক শব্দটা অমার্যাদা করা হয়েছে, শিক্ষক শব্দের কত বড় মানে রয়েছে। আমরা এখনও টিচারদের দেখলে যেমন আমি গাড়ি করে যাচ্ছি, উনি টোটো করে যাচ্ছেন। আমার গাড়ি দাঁড় করিয়ে রেখে, টোটো পাস করিয়ে দিই। শিক্ষক শব্দের যে মর্যাদা, তার যে ব্যপ্তি, আজ সেই জায়গা কি আছে বলুন? পুনর্নির্মাণের দরকার নেই? সংস্কারের দরকার নেই? অনেক কিছু হারিয়েছি। হারানো জিনিসকে ফেরাতে গেলে উপযুক্ত আচার্য নিয়োগ করতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারের অন্যতম ধাপ শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ। তিনি বলেন,”প্রথম বিদ্যামন্দির, দ্বিতীয় শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ। শিক্ষক-শিক্ষিকারা যাতে ভালো করে পড়াতে পারেন, সারাদিন যাতে মিড-ডে মিলের হিসেব না করতে হয়, তার জন্য শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে হবে। ল্যাবরেটরিতে লোক নিয়োগ করতে হবে, ঘণ্টা বাজানোর লোক নিতে হবে। মিত্র ইনস্টিটিউশনে সাপের কামড়ে ছাত্রকে এসএসকেএম যেতে হয়। কেন জানেন? তিন বছর কম্পোজিট গ্রান্ট পাননি। এটা দিয়েই কার্বলিক অ্যাসিড কেনা হয়। টাকার তো কোনও অভাব ছিল না। খেলা-মেলা, দুর্গাপুজোয় টাকা দেওয়া কোনও কিছুর তো অভাব ছিল না। এগুলো সরকারকে ভাবতে হবে।”
 আদালতের নির্দেশ মেনে নিয়োগের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু বলেন, “রামকৃষ্ণ মিশনের বিদ্যালয়গুলির, যাঁরা পরিচালনা করেন, সেই মহারাজরা কি খারাপ কিছু করতে পারেন? যিনি সব ত্যাগ করে এসেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে যে শিক্ষক আপনারা নিয়োগ করুন। কে আসল শিক্ষক, কে নকল শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী- অভিভাবকরা যখন প্রশ্ন তোলেন, তখন শিক্ষক শব্দের মর্যাদা থাকে না। ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা নেই। জায়গাগুলো অপরিষ্কার ছিল বলেই প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছ ভারত মিশন করছেন।… তিনজন রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ শুধু নন, আইআইএম থেকেও একজনকে সদস্য হিসেবে রেখেছি। আমরা শিক্ষক নিয়োগ করে দেব নিশ্চিন্তে থাকুন। সুপ্রিম কোর্টর নির্দেশ, হাইকোর্টের নির্দেশ মাথায় রেখে করে দেব। কোনও অন্যায় হবে না। আমরা ইতিমধ্যেই বিধানসভায় ওবিসি বিল পরিবর্তন করে দিয়েছি। অন্যায়ভাবে যাদের ওবিসি করা হয়েছিল, তাঁদের বাদ দিয়ে দিয়েছি। ৮ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট খোলার পরে আমরা কোর্ট থেকে এক্সিট নিয়ে নিয়েছি। এসএসসি তৈরি হয়ে গিয়েছে। আমি বলেছি, মোবাইল ফোনে মেসেজ দিয়ে হয় না। তালিকা প্রকাশ করতে হবে। নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও পরীক্ষাই একমাত্র বিচার্য বিষয় হবে। অন্য কিছু দরকার নেই। এত নম্বর মৌখিকে রেখেছেন কেন? নিজের লোক ঢোকাবেন বলে? আমি বলেছি ৫ নম্বরের বেশি থাকা উচিত নয়। পরামর্শ দিয়েছি এসএসসিকে। সংরক্ষণ বিধি মেনেই শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছি।”
শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারে তৃতীয় হচ্ছে আর্থিক সুরক্ষা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ডিএ, এরিয়ারের লড়াই। আদালতের নির্দেশের কারণে বিগত সরকার কিছুটা দিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা এসে অনেকটা দিয়েছি।… এরিয়ার দিতে গেলে ১২ হাজার কোটি লাগবে। মালহোত্রা কমিটি যা নির্দেশ দেবে, তাই করব। তার সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের সমগ্র শিক্ষা মিশনের মধ্যে দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।”
সিলেবাসেও বদল হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। বলেন, “টাটাকে তাড়ানোর বিষয়টা এক পাতা রয়েছে। আর স্বামী প্রবনানন্দ নিয়ে একটি লাইন থাকবে না? শ্যামা প্রসাদ কীভাবে বাংলা অক্ষুণ্ন রেখেছিলেন। আপনি জানাবেন না নতুন প্রজন্মকে? মাতঙ্গিনী হাজরাকে নিয়ে পুরো পেজ থাকবে না? বন্দে-মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছি। কিছু জিনিসে সরকার কঠোর। কিছু জিনিসে কম্প্রোমাইজ করবে না সরকার। নানা সংস্কার করতে করতে এগোব।”
মিড-ডে মিল প্রসঙ্গে বলেন, “অনেকে বলেছিলেন যে এরা জোর করে আমাদের নিরামিষ আহার বা সাত্ত্বিক আহার চাপিয়ে দিচ্ছে। আমরা ইসকনের আহার বিতরণ করছি, আলাদা করে সপ্তাহে দুই দিন ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। আমরা অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সিলেবাসও তৈরি হয়েছে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে, আজ স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ চালু হল।”
শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দু’টি প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি দু’টো প্রকল্পের ঘোষণা করছি। প্রতি জেলায় দু’টি করে তৈরি হবে সিএমশ্রী ইনস্টিটিউট। অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী শ্রী। জহর নবোদয় বিদ্যালয়ের মতো এগুলিতে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে মেধাবি ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হবে। এগুলোকে মডেল স্কুলে পরিণত করা হবে। সেরা মানের শিক্ষক, আধুনিক ডিজিট্যাল ল্যাব ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট করে ধরে নিতে পারেন সেন্ট্রাল স্কুল তৈরি করব।”
শুভেন্দু আরও বলেন, “এর বাইরেও উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমাঞ্চলে সেন্টার অফ এস্কিলেন্স অফ স্পোর্টস। স্পোর্টসের ক্ষেত্রে দু’টি পরিকাঠামোগত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলব। সেখানে এসএসসির মাধ্যমে স্পোর্টসের শিক্ষকদের নিয়োগ করে আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগামিদিনে যাতে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে থেকে ভবিষ্যত তৈরি হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে তাঁরা অংশগ্রহণ করে, সেই ব্যবস্থাও করব। প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতের প্রাচীনতম খেলাধুলো যেমন খোখো, হাডুডু, ফুটবল ইত্যাদি প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে ফিরে আসুক।”



একটি কারখানায় দুধের সঙ্গে ময়দা মেশানোর বিষয়টি আধিকারিকদের নজরে আসে। পাশাপাশি, ছানা তৈরির পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। একটি পাত্রে রাখা দুধের মধ্যে মাছি পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার জেরে প্রায় ৫০ লিটার দুধ নষ্ট করে ফেলা হয়।


ছানা ভেবে ময়দা খাচ্ছেন না তো? ধূপগুড়িতে ছানা তৈরির কারখানায় হানা দিয়ে চক্ষু চড়কগাছ অফিসারদের
কেন ছানাতে ময়দা মেশান? কী বললেন ব্যবসায়ীরা?

ছানা পুষ্টিকর খাবার। সেই ছানা দিয়ে তৈরি হয় সন্দেশ, কালাকাঁদ, পনির-সহ নানা খাবার। কিন্তু বাজার থেকে কেনা ছানায় আদৌ কতটা ছানা রয়েছে? নাকি ছানার নাম করে মেশানো হচ্ছে ময়দা? জলপাইগুড়ির ধৃপগুড়িতে এমনই অভিযোগ সামনে এল খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অভিযানে। নোটিস দেওয়া হল পাঁচ ব্যবসায়ীকে। যদিও ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, ছানাতে ময়দা না মেশালে রসগোল্লা তৈরি হবে না।


শনিবার ধূপগুড়ি শহরের ঘোষপাড়া এলাকায় একাধিক ছানা তৈরির কারখানা ও গোডাউনে অভিযান চালান খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ধূপগুড়ি মহকুমা শাসকের দফতরের ডিএমডিসি সাব্বির আহমেদ মোল্লা, খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক সোনাম লামা এবং ধূপগুড়ি থানার পুলিশকর্মীরা।

একটি কারখানায় দুধের সঙ্গে ময়দা মেশানোর বিষয়টি আধিকারিকদের নজরে আসে। পাশাপাশি, ছানা তৈরির পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। একটি পাত্রে রাখা দুধের মধ্যে মাছি পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার জেরে প্রায় ৫০ লিটার দুধ নষ্ট করে ফেলা হয়।


এদিন ঘোষপাড়া এলাকায় মোট পাঁচটি ছানা তৈরির কারখানা ও গোডাউনের মালিককে নোটিস দেওয়া হয়। তাঁদের ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাদ্য সুরক্ষা বিধি মেনে উৎপাদন ব্যবস্থা না বদলালে কড়া পদক্ষেপ, প্রয়োজনে কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘোষপাড়ায় প্রায় ১২টি ছানা তৈরির কারখানা রয়েছে। আগামী দিনেও অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। ধূপগুড়ি মহকুমার ডিএমডিসি সাব্বির আহমেদ মোল্লা বলেন, “কিছু কিছু অনিয়ম দেখা গিয়েছে। যেগুলো মানা উচিত ছিল। কিন্তু, মানা হয়নি। নোটিস দেওয়া হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে।”

অন্যদিকে রাকেশ ঘোষ নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, “আধিকারিকরা এসে বললেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে। ৫০ কেজি দুধে চারটে মাছি পড়েছিল। দুধটা তাঁরা ফেলে দিলেন। তারপর বলছেন, ছানাতে ময়দা দেওয়া চলবে না। কিন্তু, ছানার দুধে ময়দা না দিলে রসগোল্লা হবে না। ময়দা দিতেই হবে। সেটা আমরা বোঝাতে পারছি না।” তবে কারখানায় সবরকম স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় না বলে স্বীকার করে তিনি বলেন, “ফুড সেফটি অফিসাররা যা বললেন, সেটা এবার মেনে চলব।”


শনিবার শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ তাঁর ছোটবেলার শিক্ষক সুখময় দাসের বাড়িতে পৌঁছে যান। তাঁকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানান তিনি। উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরাও। শিলিগুড়ির বয়েজ হাইস্কুলে পড়াশোনা করেছেন শঙ্কর ঘোষ। পরবর্তীতে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বটানি বা উদ্ভিদবিদ্যায় পিএইডি ডিগ্রি রয়েছে রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রীর। 


অত্যন্ত মেধাবী... আগেই বুঝেছিলাম ও একটু আলাদা', ছাত্র শঙ্কর প্রণাম করতেই আবেগে ভাসলেন শিক্ষক
ছোটবেলার শিক্ষকের সঙ্গে শঙ্কর ঘোষ

 কখনও পর্যটন দফতর তো কখনও নিজের বিধানসভা এলাকা। ব্যস্ততাই রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের (Shankar Ghosh) সঙ্গী। তরুণ নেতা এখন বাংলার রাজনীতির পরিচিত মুখ। সেই ব্যস্ততার মধ্যেই সময় বের করে সোজা নিজের শিক্ষকের বাড়িতে গেলেন তিনি। শনিবার, শিক্ষক দিবসের দিন শিক্ষককে প্রণাম করে এলেন তিনি। পুরনো ছাত্রকে সামনে পেয়ে আপ্লুত সুখময় দাস।


শনিবার শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ তাঁর ছোটবেলার শিক্ষক সুখময় দাসের বাড়িতে পৌঁছে যান। তাঁকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানান তিনি। উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরাও।

 পুনমের ভিডিয়ো দেখে পুরুষদের শরীরে যা যা হয়... নিজেই খোলসা করে দিলেন অভিনেত্রী
সুখময় দাস বলেন, “ছোটবেলা থেকেই শঙ্কর অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। তখনই বুঝতে পেরেছিলাম, ও একটু আলাদা। আমার কাছে যারা পড়াশোনা করত, তাঁদের কেউ কেউ এখন বিজ্ঞানী। প্রত্যেকেই বিভিন্ন বড় জায়গায় প্রতিষ্ঠিত। তাঁদের মধ্যে শঙ্করও একজন। ও আজ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজ্যের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছে।”


শিক্ষক আরও বলেন, “শঙ্কর আমার বাড়িতে এসে প্রণাম করায় আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি। এই বাড়ির নীচে একটি ঘর ছিল, যেখানে একসময় আমি ছাত্রছাত্রীদের পড়াতাম। সেদিনের ছাত্র আজ এত বড় জায়গায় পৌঁছেছে- এটা একজন শিক্ষক হিসেবে আমার কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়।”

উল্লেখ্য, শিলিগুড়ির বয়েজ হাইস্কুলে পড়াশোনা করেছেন শঙ্কর ঘোষ। পরবর্তীতে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বটানি বা উদ্ভিদবিদ্যায় পিএইডি ডিগ্রি রয়েছে রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রীর।


রাজ্যবাসীকে ৫ লক্ষ টাকা দিচ্ছে যোগী সরকার, কেন জানেন?
রাজ্যবাসীকে ৫ লক্ষ টাকা দিচ্ছে যোগী সরকার, কেন জানেন?
একই জমি ২ BJP বিধায়কের নামে! বিমানবন্দর তৈরির আবহে শুরু 'অসীম লড়াই'
একই জমি ২ BJP বিধায়কের নামে! বিমানবন্দর তৈরির আবহে শুরু 'অসীম লড়াই'
চুইংগাম ও বাবল গামের তফাৎ জানেন?
চুইংগাম ও বাবল গামের তফাৎ জানেন?
বাংলার কোন কোন জনপ্রিয় রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে মিলল 'বিষ'
বাংলার কোন কোন জনপ্রিয় রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে মিলল 'বিষ'

'তিলোত্তমার ঘটনায় মমতার শাস্তি হবে না কেন?'
'তিলোত্তমার ঘটনায় মমতার শাস্তি হবে না কেন?'
'অভিষেকের পালিয়ে যাওয়ার অনেক কারণ আছে'
'অভিষেকের পালিয়ে যাওয়ার অনেক কারণ আছে'
প্রসেনজিৎ কি মুখ‍্যমন্ত্রীর দলে নাম লেখাচ্ছেন?’
প্রসেনজিৎ কি মুখ‍্যমন্ত্রীর দলে নাম লেখাচ্ছেন?’
উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের জন্য ২৫ কোটি বরাদ্দ, কী কী থাকবে সেখানে?
উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের জন্য ২৫ কোটি বরাদ্দ, কী কী থাকবে সেখানে?
সর্বশেষ সংবাদ