WEATHER

Top News


কলকাতার পুরনো সব রেস্তোরাঁ, যাদের খাবারের বেশ সুনাম রয়েছে, তাদের দোকানেও মিলেছে পোকা বা পচা মাংস। এমনকী হলুদ গুঁড়োয় এমন রঙ মেশানো হচ্ছে, যা মানুষের খাবারের উপযোগীই নয়।

ছত্রাক পড়া লঙ্কা, কালো হয়ে যাওয়া রসুন! কোন কোন জনপ্রিয় রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে মিলল 'বিষ'

 রাজ্য জড়ে বিগত এক সপ্তাহ ধরে চলল খাদ্য দফতরের অভিযান। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, শিলিগুড়ি সহ প্রায় সব জেলার দোকানে দোকানে অভিযান চালানো হয়েছে। যে সব দোকানের সামনে থাকে ক্রেতাদের লম্বা লাইন, অনলাইন ডেলিভারি সংস্থার ডেলিভারি বয়দের ভিড়, সেখানেই মিলছে বিষ। পচা খাবার, বিষাক্ত রং, পোকা মিলেছে একাধিক নামী দোকানে।


কোন কোন নামী দোকান নিয়ে উঠল অভিযোগ, একনজরে
১. বারবিকিউ নেশন (সেক্টর ৫)- বিপুল পরিমাণ পচা খাবার, রান্নাঘরে পোকা, অপরিচ্ছন্নতা। লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।

২. রং দে বাসন্তী ধাবা (স্টার মল, মধ্যমগ্রাম)- পচা মাছ, পচা মাংস, মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার, লঙ্কায় ছত্রাক। লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।


৩. বারবিকিউ নেশন (সোদপুর)- পচা খাবার। বিক্রি বন্ধ।

৪. আরসালান (যশোর রোড)- পচা মাংস, অপরিচ্ছন্ন ফ্রিজ, পচা রসুন, কড়াইতে ডিটার্জেন্ট। নোটিস দিয়েছে খাদ্য দফতর।

৫. চাকনাওয়ালা (বিটি রোড, পানিহাটি)- অপরিচ্ছন্ন ফ্রিজ, হলুদ গুঁড়োয় বিষ রং। লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।

৬. চৌরাশিয়া চাট (সেক্টর ৩, সল্টলেক)- বিষ হলুদ রং, পুরনো তৈরি করা খাবার, লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।

৭. রেড চিলিজ (চন্দননগর)। দীর্ঘদিনের পুরনো চিংড়ি মাছ, পচা মাংস। নোটিস দেওয়া হয়েছে।

৮. অমর মিষ্টান্ন (উত্তরপাড়া)। রসগোল্লার গামলায় আরশোলা, দইতে মাছি। নোটিস দেওয়া হয়েছে।

৯. বিগ বস (ট্যাংরা, কলকাতা)। ১০০ কেজি পুরনো মাংস, চিংড়ি। নোটিস দেওয়া হয়েছে।

১০. মাখনভোগ (সেবক রোড, শিলিগুড়ি), অপরিচ্ছন্ন পোকা, মিষ্টিতে মরা আরশোলা। সাময়িকভাবে সিল করে দেওয়া হয়।

১১. গণেশ মিষ্টান্ন (বর্ধমান)। মেয়াদ উত্তীর্ণ পনির, আইসিক্রিম, বিষ রং। নোটিস দেওয়া হয়েছে।

১২. বারবিকিউ নেশন, অবনী মল (শিবপুর)। মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার। নোটিস দেওয়া হয়েছে।




মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমরা পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থায় অনেক ভুল করে ফেলেছি। ব্রতচারীর মতো শরীর গঠন তার ফিরিয়ে আনার দরকার রয়েছে। আমাদের এখানে এনসিসি তুলে দেওয়া হল। জয় হিন্দ বাহিনী তৈরি করা হল। ভীষণ ক্ষতি। এনসিসি-কে ফিরিয়ে আনা উচিত। আমরা খেলাধূলার প্রতি নজর দিইনি।"

'শিক্ষাকে শীর্ষে নিয়ে যাব', শিক্ষাক্ষেত্রে কী কী সংস্কার আনা হবে, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
শুভেন্দু অধিকারী

শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার নিউটাউনের কনভেশন সেন্টারে বিদ্যাসাগর শিক্ষক সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানেই বক্তৃতা রাখতে গিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে। শ্রদ্ধা জানান ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, স্বামী বিবেকানন্দকে। অনুষ্ঠান থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে কী কী সংস্কার আনার কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী?


শিক্ষাক্ষেত্রে রাধাকৃষ্ণণ, বিদ্যাসাগরের অবদানের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলেন,” প্রথমেই রাধাকৃষ্ণন সম্পর্কে বলতে হবে। তাঁর জন্মদিনে শিক্ষক দিবস পালন করা হয়। বিদ্যাসাগর ৩০০-র বেশি বই লিখে গিয়েছেন। সবথেকে বেশি কাজ করেছেন নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য । তিনি যে সংস্কার করে গিয়েছেন, তা আজকের দিনের জন্য প্রাসঙ্গিক বলে মনে করি।”
শুভেন্দুর কথায়, শিক্ষা কেমন হওয়া উচিত, তা বলে গিয়েছেন স্বামী বিবেকানন্দ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তাঁর লেখা বই পড়ার সুযোগ হয়েছে। বেলুড় মঠ ও মিশনে একাধিক বই সংগ্রহ করেছি। শিক্ষা সম্পর্কে যে কথা বলেছেন, তা আজকের দিনে ভীষণ প্রাসঙ্গিক। তিনি বলেছেন, এমন শিক্ষা চাই, মানুষের অন্তর্নিহিত প্রতিবাদ বিকশিত হয়, বুদ্ধিবৃত্তি বিকশিত হয়। তাই পুঁথিগত শিক্ষার মধ্যে যদি আটকে রাখি, তাহলে ভুল করব।”
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারে পুরনো পরিকাঠামোকে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন,”আমরা পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থায় অনেক ভুল করে ফেলেছি। ব্রতচারীর মতো শরীর গঠন তার ফিরিয়ে আনার দরকার রয়েছে। আমাদের এখানে এনসিসি তুলে দেওয়া হল। জয় হিন্দ বাহিনী তৈরি করা হল। ভীষণ ক্ষতি। এনসিসি-কে ফিরিয়ে আনা উচিত। আমরা খেলাধূলার প্রতি নজর দিইনি। আমি মনে করি, আমি যে জেলা মেদিনীপুর থেকে উঠে এসেছি, সেই জেলা মাধ্যমিকে শতাংশের বিচারে সবসময় প্রথম স্থান হিসেবে উঠে আসে। আমাদের ওই জেলায় ময়না বলে একটা জায়গা রয়েছে। সেখানে আপনি যদি বিদ্যালয়গুলিতে যান, সেই পুরনো লোকেদের তৈরি করা ভাবনায় বড় বড় জমি দিয়ে গিয়েছেন। একেকটা বিদ্যালয়ে প্রেয়ার হল, বিরাট খেলার মাঠ, সাঁতার কাটার জন্য পুকুর, কী নেই সেখানে। ঢুকলেই মনে হবে শান্ত পরিবেশে এলাম। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি, আরেকদিকে বিদ্যাসাগর আবার কোথাও মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তি। হলগুলিতে হতো রবীন্দ্র চর্চা। যতরকমের শারীরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ছিল, এগুলো অবহেলিত হয়েছে। এগুলো আমাদের ফিরিয়ে আনতে হবে।”
স্কুল ছাত্রছাত্রীদের জীবনে মোবাইল ফোন কতটা ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলছে, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,” স্কুল ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ভয়ঙ্কর কুপ্রভাব মোবাইল ফোনের। খুব কঠিন সিদ্ধান্ত। ভোট কমে যাবে আমার। গুজরাট দেখুন ক্লাস ওয়ান থেকে ১২ ক্লাস পর্যন্ত মোবাইল হাত দিতে দেয় না ছাত্র-ছাত্রীদের। এইসব সংস্কার না করলে শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষক দিবসের মানে থাকবে না।…তবে কিছু জিনিস রয়েছে যেখানে রাজনীতির লোকেদের ঢোকা উচিত নয়।

 শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কার আনার ক্ষেত্রে একটা বিষয় কম্প্রোমাইজ করা উচিত নয় বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই বিষয়ে তিনি বলেন, “যাঁরা রাষ্ট্রের ভিতরে থেকে রাষ্ট্রের ক্ষতি করে, দেশপ্রেমে প্রশ্ন তোলে, পূর্ণাঙ্গ বন্দেমাতারম গাইতে যাঁদের সমস্যা থাকে, যাঁরা পহেলগাঁওয়ে আক্রমণ হলে প্রতিবাদ করে না, অথচ পাকিস্তানে আক্রমণ হলে প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শিক্ষাসমাজ, রাষ্ট্রবাদী নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।… কত বড় ছিল আমাদের দেশটা ভাবুন। ধীরে ধীরে কাটতে কাটতে কত ছোট হয়েছে।”
বিদ্যালয়কে বিদ্যামন্দির হিসেবে গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন তিনি। শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারে এটা অন্যতম প্রধান পদক্ষেপ বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই বিষয়ে শুভেন্দু বলেন,”সব বিদ্যালয় মিড-ডে মিলের কিচেন গ্যাসে চলবে। বিদ্যুত তো থাকবেই। সোলার প্যানেলে কনভার্ট করুন। পাখার ব্যবস্থা করুন। অ্যাকাওয়াগার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করুন, শৌচালয় দেওয়ার ব্যবস্থা করুন, ছাত্রীদের জন্য আলাদা শৌচালয়ের ব্যবস্থা করুন। তবলা, সেতার, হারমোনিয়াম, খঞ্জনি, একতারা দিন। লাইব্রেরিগুলি সাজান। খেলার মাঠ সাজিয়ে দিন। সুন্দর করে সাজান। রামকৃষ্ণ মঠের মতো সুন্দর পরিবেশ তৈরি করুন।”
শিক্ষক শব্দের প্রকৃত মর্যাদাকে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ছাত্রছাত্রী তো এল, পড়াবে কে? যে পদ্ধতিতে শিক্ষক শব্দটা অমার্যাদা করা হয়েছে, শিক্ষক শব্দের কত বড় মানে রয়েছে। আমরা এখনও টিচারদের দেখলে যেমন আমি গাড়ি করে যাচ্ছি, উনি টোটো করে যাচ্ছেন। আমার গাড়ি দাঁড় করিয়ে রেখে, টোটো পাস করিয়ে দিই। শিক্ষক শব্দের যে মর্যাদা, তার যে ব্যপ্তি, আজ সেই জায়গা কি আছে বলুন? পুনর্নির্মাণের দরকার নেই? সংস্কারের দরকার নেই? অনেক কিছু হারিয়েছি। হারানো জিনিসকে ফেরাতে গেলে উপযুক্ত আচার্য নিয়োগ করতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারের অন্যতম ধাপ শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ। তিনি বলেন,”প্রথম বিদ্যামন্দির, দ্বিতীয় শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ। শিক্ষক-শিক্ষিকারা যাতে ভালো করে পড়াতে পারেন, সারাদিন যাতে মিড-ডে মিলের হিসেব না করতে হয়, তার জন্য শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে হবে। ল্যাবরেটরিতে লোক নিয়োগ করতে হবে, ঘণ্টা বাজানোর লোক নিতে হবে। মিত্র ইনস্টিটিউশনে সাপের কামড়ে ছাত্রকে এসএসকেএম যেতে হয়। কেন জানেন? তিন বছর কম্পোজিট গ্রান্ট পাননি। এটা দিয়েই কার্বলিক অ্যাসিড কেনা হয়। টাকার তো কোনও অভাব ছিল না। খেলা-মেলা, দুর্গাপুজোয় টাকা দেওয়া কোনও কিছুর তো অভাব ছিল না। এগুলো সরকারকে ভাবতে হবে।”
 আদালতের নির্দেশ মেনে নিয়োগের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু বলেন, “রামকৃষ্ণ মিশনের বিদ্যালয়গুলির, যাঁরা পরিচালনা করেন, সেই মহারাজরা কি খারাপ কিছু করতে পারেন? যিনি সব ত্যাগ করে এসেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে যে শিক্ষক আপনারা নিয়োগ করুন। কে আসল শিক্ষক, কে নকল শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী- অভিভাবকরা যখন প্রশ্ন তোলেন, তখন শিক্ষক শব্দের মর্যাদা থাকে না। ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা নেই। জায়গাগুলো অপরিষ্কার ছিল বলেই প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছ ভারত মিশন করছেন।… তিনজন রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ শুধু নন, আইআইএম থেকেও একজনকে সদস্য হিসেবে রেখেছি। আমরা শিক্ষক নিয়োগ করে দেব নিশ্চিন্তে থাকুন। সুপ্রিম কোর্টর নির্দেশ, হাইকোর্টের নির্দেশ মাথায় রেখে করে দেব। কোনও অন্যায় হবে না। আমরা ইতিমধ্যেই বিধানসভায় ওবিসি বিল পরিবর্তন করে দিয়েছি। অন্যায়ভাবে যাদের ওবিসি করা হয়েছিল, তাঁদের বাদ দিয়ে দিয়েছি। ৮ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট খোলার পরে আমরা কোর্ট থেকে এক্সিট নিয়ে নিয়েছি। এসএসসি তৈরি হয়ে গিয়েছে। আমি বলেছি, মোবাইল ফোনে মেসেজ দিয়ে হয় না। তালিকা প্রকাশ করতে হবে। নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও পরীক্ষাই একমাত্র বিচার্য বিষয় হবে। অন্য কিছু দরকার নেই। এত নম্বর মৌখিকে রেখেছেন কেন? নিজের লোক ঢোকাবেন বলে? আমি বলেছি ৫ নম্বরের বেশি থাকা উচিত নয়। পরামর্শ দিয়েছি এসএসসিকে। সংরক্ষণ বিধি মেনেই শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছি।”
শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারে তৃতীয় হচ্ছে আর্থিক সুরক্ষা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ডিএ, এরিয়ারের লড়াই। আদালতের নির্দেশের কারণে বিগত সরকার কিছুটা দিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা এসে অনেকটা দিয়েছি।… এরিয়ার দিতে গেলে ১২ হাজার কোটি লাগবে। মালহোত্রা কমিটি যা নির্দেশ দেবে, তাই করব। তার সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের সমগ্র শিক্ষা মিশনের মধ্যে দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।”
সিলেবাসেও বদল হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। বলেন, “টাটাকে তাড়ানোর বিষয়টা এক পাতা রয়েছে। আর স্বামী প্রবনানন্দ নিয়ে একটি লাইন থাকবে না? শ্যামা প্রসাদ কীভাবে বাংলা অক্ষুণ্ন রেখেছিলেন। আপনি জানাবেন না নতুন প্রজন্মকে? মাতঙ্গিনী হাজরাকে নিয়ে পুরো পেজ থাকবে না? বন্দে-মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছি। কিছু জিনিসে সরকার কঠোর। কিছু জিনিসে কম্প্রোমাইজ করবে না সরকার। নানা সংস্কার করতে করতে এগোব।”
মিড-ডে মিল প্রসঙ্গে বলেন, “অনেকে বলেছিলেন যে এরা জোর করে আমাদের নিরামিষ আহার বা সাত্ত্বিক আহার চাপিয়ে দিচ্ছে। আমরা ইসকনের আহার বিতরণ করছি, আলাদা করে সপ্তাহে দুই দিন ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। আমরা অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সিলেবাসও তৈরি হয়েছে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে, আজ স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ চালু হল।”
শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দু’টি প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি দু’টো প্রকল্পের ঘোষণা করছি। প্রতি জেলায় দু’টি করে তৈরি হবে সিএমশ্রী ইনস্টিটিউট। অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী শ্রী। জহর নবোদয় বিদ্যালয়ের মতো এগুলিতে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে মেধাবি ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হবে। এগুলোকে মডেল স্কুলে পরিণত করা হবে। সেরা মানের শিক্ষক, আধুনিক ডিজিট্যাল ল্যাব ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট করে ধরে নিতে পারেন সেন্ট্রাল স্কুল তৈরি করব।”
শুভেন্দু আরও বলেন, “এর বাইরেও উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমাঞ্চলে সেন্টার অফ এস্কিলেন্স অফ স্পোর্টস। স্পোর্টসের ক্ষেত্রে দু’টি পরিকাঠামোগত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলব। সেখানে এসএসসির মাধ্যমে স্পোর্টসের শিক্ষকদের নিয়োগ করে আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগামিদিনে যাতে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে থেকে ভবিষ্যত তৈরি হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে তাঁরা অংশগ্রহণ করে, সেই ব্যবস্থাও করব। প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতের প্রাচীনতম খেলাধুলো যেমন খোখো, হাডুডু, ফুটবল ইত্যাদি প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে ফিরে আসুক।”



একটি কারখানায় দুধের সঙ্গে ময়দা মেশানোর বিষয়টি আধিকারিকদের নজরে আসে। পাশাপাশি, ছানা তৈরির পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। একটি পাত্রে রাখা দুধের মধ্যে মাছি পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার জেরে প্রায় ৫০ লিটার দুধ নষ্ট করে ফেলা হয়।


ছানা ভেবে ময়দা খাচ্ছেন না তো? ধূপগুড়িতে ছানা তৈরির কারখানায় হানা দিয়ে চক্ষু চড়কগাছ অফিসারদের
কেন ছানাতে ময়দা মেশান? কী বললেন ব্যবসায়ীরা?

ছানা পুষ্টিকর খাবার। সেই ছানা দিয়ে তৈরি হয় সন্দেশ, কালাকাঁদ, পনির-সহ নানা খাবার। কিন্তু বাজার থেকে কেনা ছানায় আদৌ কতটা ছানা রয়েছে? নাকি ছানার নাম করে মেশানো হচ্ছে ময়দা? জলপাইগুড়ির ধৃপগুড়িতে এমনই অভিযোগ সামনে এল খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অভিযানে। নোটিস দেওয়া হল পাঁচ ব্যবসায়ীকে। যদিও ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, ছানাতে ময়দা না মেশালে রসগোল্লা তৈরি হবে না।


শনিবার ধূপগুড়ি শহরের ঘোষপাড়া এলাকায় একাধিক ছানা তৈরির কারখানা ও গোডাউনে অভিযান চালান খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ধূপগুড়ি মহকুমা শাসকের দফতরের ডিএমডিসি সাব্বির আহমেদ মোল্লা, খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক সোনাম লামা এবং ধূপগুড়ি থানার পুলিশকর্মীরা।

একটি কারখানায় দুধের সঙ্গে ময়দা মেশানোর বিষয়টি আধিকারিকদের নজরে আসে। পাশাপাশি, ছানা তৈরির পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। একটি পাত্রে রাখা দুধের মধ্যে মাছি পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার জেরে প্রায় ৫০ লিটার দুধ নষ্ট করে ফেলা হয়।


এদিন ঘোষপাড়া এলাকায় মোট পাঁচটি ছানা তৈরির কারখানা ও গোডাউনের মালিককে নোটিস দেওয়া হয়। তাঁদের ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাদ্য সুরক্ষা বিধি মেনে উৎপাদন ব্যবস্থা না বদলালে কড়া পদক্ষেপ, প্রয়োজনে কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘোষপাড়ায় প্রায় ১২টি ছানা তৈরির কারখানা রয়েছে। আগামী দিনেও অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। ধূপগুড়ি মহকুমার ডিএমডিসি সাব্বির আহমেদ মোল্লা বলেন, “কিছু কিছু অনিয়ম দেখা গিয়েছে। যেগুলো মানা উচিত ছিল। কিন্তু, মানা হয়নি। নোটিস দেওয়া হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে।”

অন্যদিকে রাকেশ ঘোষ নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, “আধিকারিকরা এসে বললেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে। ৫০ কেজি দুধে চারটে মাছি পড়েছিল। দুধটা তাঁরা ফেলে দিলেন। তারপর বলছেন, ছানাতে ময়দা দেওয়া চলবে না। কিন্তু, ছানার দুধে ময়দা না দিলে রসগোল্লা হবে না। ময়দা দিতেই হবে। সেটা আমরা বোঝাতে পারছি না।” তবে কারখানায় সবরকম স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় না বলে স্বীকার করে তিনি বলেন, “ফুড সেফটি অফিসাররা যা বললেন, সেটা এবার মেনে চলব।”


শনিবার শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ তাঁর ছোটবেলার শিক্ষক সুখময় দাসের বাড়িতে পৌঁছে যান। তাঁকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানান তিনি। উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরাও। শিলিগুড়ির বয়েজ হাইস্কুলে পড়াশোনা করেছেন শঙ্কর ঘোষ। পরবর্তীতে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বটানি বা উদ্ভিদবিদ্যায় পিএইডি ডিগ্রি রয়েছে রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রীর। 


অত্যন্ত মেধাবী... আগেই বুঝেছিলাম ও একটু আলাদা', ছাত্র শঙ্কর প্রণাম করতেই আবেগে ভাসলেন শিক্ষক
ছোটবেলার শিক্ষকের সঙ্গে শঙ্কর ঘোষ

 কখনও পর্যটন দফতর তো কখনও নিজের বিধানসভা এলাকা। ব্যস্ততাই রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের (Shankar Ghosh) সঙ্গী। তরুণ নেতা এখন বাংলার রাজনীতির পরিচিত মুখ। সেই ব্যস্ততার মধ্যেই সময় বের করে সোজা নিজের শিক্ষকের বাড়িতে গেলেন তিনি। শনিবার, শিক্ষক দিবসের দিন শিক্ষককে প্রণাম করে এলেন তিনি। পুরনো ছাত্রকে সামনে পেয়ে আপ্লুত সুখময় দাস।


শনিবার শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ তাঁর ছোটবেলার শিক্ষক সুখময় দাসের বাড়িতে পৌঁছে যান। তাঁকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানান তিনি। উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরাও।

 পুনমের ভিডিয়ো দেখে পুরুষদের শরীরে যা যা হয়... নিজেই খোলসা করে দিলেন অভিনেত্রী
সুখময় দাস বলেন, “ছোটবেলা থেকেই শঙ্কর অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। তখনই বুঝতে পেরেছিলাম, ও একটু আলাদা। আমার কাছে যারা পড়াশোনা করত, তাঁদের কেউ কেউ এখন বিজ্ঞানী। প্রত্যেকেই বিভিন্ন বড় জায়গায় প্রতিষ্ঠিত। তাঁদের মধ্যে শঙ্করও একজন। ও আজ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজ্যের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছে।”


শিক্ষক আরও বলেন, “শঙ্কর আমার বাড়িতে এসে প্রণাম করায় আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি। এই বাড়ির নীচে একটি ঘর ছিল, যেখানে একসময় আমি ছাত্রছাত্রীদের পড়াতাম। সেদিনের ছাত্র আজ এত বড় জায়গায় পৌঁছেছে- এটা একজন শিক্ষক হিসেবে আমার কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়।”

উল্লেখ্য, শিলিগুড়ির বয়েজ হাইস্কুলে পড়াশোনা করেছেন শঙ্কর ঘোষ। পরবর্তীতে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বটানি বা উদ্ভিদবিদ্যায় পিএইডি ডিগ্রি রয়েছে রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রীর।


রাজ্যবাসীকে ৫ লক্ষ টাকা দিচ্ছে যোগী সরকার, কেন জানেন?
রাজ্যবাসীকে ৫ লক্ষ টাকা দিচ্ছে যোগী সরকার, কেন জানেন?
একই জমি ২ BJP বিধায়কের নামে! বিমানবন্দর তৈরির আবহে শুরু 'অসীম লড়াই'
একই জমি ২ BJP বিধায়কের নামে! বিমানবন্দর তৈরির আবহে শুরু 'অসীম লড়াই'
চুইংগাম ও বাবল গামের তফাৎ জানেন?
চুইংগাম ও বাবল গামের তফাৎ জানেন?
বাংলার কোন কোন জনপ্রিয় রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে মিলল 'বিষ'
বাংলার কোন কোন জনপ্রিয় রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে মিলল 'বিষ'

'তিলোত্তমার ঘটনায় মমতার শাস্তি হবে না কেন?'
'তিলোত্তমার ঘটনায় মমতার শাস্তি হবে না কেন?'
'অভিষেকের পালিয়ে যাওয়ার অনেক কারণ আছে'
'অভিষেকের পালিয়ে যাওয়ার অনেক কারণ আছে'
প্রসেনজিৎ কি মুখ‍্যমন্ত্রীর দলে নাম লেখাচ্ছেন?’
প্রসেনজিৎ কি মুখ‍্যমন্ত্রীর দলে নাম লেখাচ্ছেন?’
উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের জন্য ২৫ কোটি বরাদ্দ, কী কী থাকবে সেখানে?
উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের জন্য ২৫ কোটি বরাদ্দ, কী কী থাকবে সেখানে?
সর্বশেষ সংবাদ

 বিজেপি যুব মোর্চার মণ্ডল সভাপতি সৌম্যদীপ সাহার দাবি, শুক্রবার রাত আড়াইটে নাগাদ রাস্তায় বেরিয়েছিলেন তিনি। সেইসময় এক যুগলকে বচসা করতে দেখেন। বচসারত যুগলকে সেখান থেকে সরে যেতে বলতেই আধলা ইট দিয়ে তাঁর উপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। ইটের আঘাতে মুখে চোট পান।


যুগলের বচসা থামাতে গিয়ে পাল্টা উড়ে এল 'আধলা ইট', ফাটল মুখ, খাস কলকাতায় গভীর রাতে আক্রান্ত দুই বিজেপি নেতা!
আক্রান্ত বিজেপি নেতা

 গভীর রাতে খাস কলকাতায় আক্রান্ত দুই বিজেপি নেতা (BJP Leaders Attacked)। যুগলের বচসা থামাতে গিয়ে তাঁরা আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। ইট দিয়ে ওই দুই বিজেপি নেতার উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বাঘাযতীনে (Baghajatin) এই ঘটনা ঘটেছে। ইটের আঘাতে মুখে চোট পান বিজেপি যুব মোর্চার মণ্ডল সভাপতি। মাথায় ও চোখে চোট পান বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদকও। বিজেপির অভিযোগ, হামলাকারীরা নিজেদের তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল (TMC)।


ঠিক কী ঘটেছে?
বিজেপি যুব মোর্চার মণ্ডল সভাপতি সৌম্যদীপ সাহার দাবি, শুক্রবার রাত আড়াইটে নাগাদ রাস্তায় বেরিয়েছিলেন তিনি। সেইসময় এক যুগলকে বচসা করতে দেখেন। বচসারত যুগলকে সেখান থেকে সরে যেতে বলতেই আধলা ইট দিয়ে তাঁর উপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। ইটের আঘাতে মুখে চোট পান। ফেটে যায় মুখ। ঘটনার পর সহকর্মীদের ডেকে পাঠান তিনি। ঘটনাস্থলে আরও বিজেপি কর্মীরা পৌঁছতেই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে বলে অভিযোগ। সংঘর্ষে আহত হন বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদকও। মাথা ও চোখে চোট লেগেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

সেই রাতে প্রথম তিলোত্তমাকে ওই অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেছিলেন? কে তিনি? এখন কোথায়? সামনে এল এবার
তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ
ঘটনার পর আহত দুই বিজেপি নেতাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বিজেপি যুব মোর্চা সভাপতির দাবি, হামলাকারীরা নিজেদের তৃণমূল কর্মী বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। জোর করে নাম জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে তৃণমূল।


এদিকে, বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, এলাকায় প্রায়শই সমাজবিরোধীদের আনাগোনা ও নেশার আসর বসে, সেই থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। ঘটনার পর বিজেপির তরফে ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। হামলার পিছনে সমাজবিরোধীদের ভূমিকা, নাকি রাজনৈতিক সংঘর্ষ, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


‘সব ঠিক আছে’ বলে ছুটি দিয়েছিল ডাক্তার, গর্ভেই মৃত্যু সন্তানের!
‘সব ঠিক আছে’ বলে ছুটি দিয়েছিল ডাক্তার, গর্ভেই মৃত্যু সন্তানের!
নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে মুর্শিদাবাদের বহু এলাকা? রেললাইন ধসে বড় অশনি সংকেত
নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে মুর্শিদাবাদের বহু এলাকা? রেললাইন ধসে বড় অশনি সংকেত
নিউ ফরাক্কার লাইনে সংস্কার প্রায় শেষের পথে, কখন থেকে চলবে ট্রেন?
নিউ ফরাক্কার লাইনে সংস্কার প্রায় শেষের পথে, কখন থেকে চলবে ট্রেন?
লরিতে সজোরে ধাক্কা, দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, ৮ পড়ুয়ার মৃত্যু
লরিতে সজোরে ধাক্কা, দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, ৮ পড়ুয়ার মৃত্যু
Short Videos
View more
'তিলোত্তমার ঘটনায় মমতার শাস্তি হবে না কেন?'
'তিলোত্তমার ঘটনায় মমতার শাস্তি হবে না কেন?'
'অভিষেকের পালিয়ে যাওয়ার অনেক কারণ আছে'
'অভিষেকের পালিয়ে যাওয়ার অনেক কারণ আছে'
প্রসেনজিৎ কি মুখ‍্যমন্ত্রীর দলে নাম লেখাচ্ছেন?’
প্রসেনজিৎ কি মুখ‍্যমন্ত্রীর দলে নাম লেখাচ্ছেন?’
উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের জন্য ২৫ কোটি বরাদ্দ, কী কী থাকবে সেখানে?
উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের জন্য ২৫ কোটি বরাদ্দ, কী কী থাকবে সেখানে?
সর্বশেষ সংবাদ
View more
বাগেশ্বর বাবার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী, ছবি তুলতে গিয়ে ঝগড়া করলেন কনস্টেবল
বাগেশ্বর বাবার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী, ছবি তুলতে গিয়ে ঝগড়া করলেন কনস্টেবল
'তাঁদের চিন্তাভাবনা বদলায়নি', কাদের নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?
'তাঁদের চিন্তাভাবনা বদলায়নি', কাদের নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?
যশোর রোডের নামী বিরিয়ানি রেস্তোরাঁয় ঢুকে চোখ কপালে আধিকারিকদের
যশোর রোডের নামী বিরিয়ানি রেস্তোরাঁয় ঢুকে চোখ কপালে আধিকারিকদের
ছানা না ময়দা? ধূপগুড়িতে ছানা তৈরির কারখানায় হানা দিয়ে অবাক অফিসাররা
ছানা না ময়দা? ধূপগুড়িতে ছানা তৈরির কারখানায় হানা দিয়ে অবাক অফিসাররা
নেপথ্যে এক আর্জেন্টাইন ফুটবলার, এবার একই দলে খেলবেন মেসি-রোনাল্ডো!
নেপথ্যে এক আর্জেন্টাইন ফুটবলার, এবার একই দলে খেলবেন মেসি-রোনাল্ডো!
ভিডিয়ো


একাধিক বাসের সুবিধার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী অর্জুন সিং। এবার মহিলাদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে সরকারি বাস এবং বেসরকারি বাসের কন্ডাক্টারদের জামার পকেটে অর্থাৎ বুকে লাগানো থাকবে ক্যামেরা।

 নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাজ্য়ের বিজেপি সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। ইতিমধ্যেই মহিলাদের সুরক্ষার জন্য একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। সরকারি বাসে মহিলাদের যাতায়াতও সম্পূর্ণ ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে। এবার মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবে আরও এক বড় পদক্ষেপ সরকারের।


মহিলাদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এবার বাস কন্ডাক্টরদের বুকে লাগানো থাকবে ওয়েব ক্যামেরা। ঘোষণা করলেন পরিবহনমন্ত্রী অর্জুন সিং। শুধু সরকারি বাসে নয়, বেসরকারি বাসের কন্ডাক্টরদের বুকেও লাগাতে হবে ক্যামেরা।


দূরত্ব মাত্র দেড় কিলোমিটার, গঙ্গা ও পদ্মা মিশে গেলেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে মুর্শিদাবাদের বহু এলাকা, মিলল বড় অশনি সংকেত
পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং এই বিষয়ে বলেন, “মহিলা সুরক্ষা সবথেকে বড় বিষয় আমাদের কাছে। মাঝে মাঝে অভিযোগ আসছিল যে বাস দাঁড়াচ্ছে না। আবার কিছু কন্ডাক্টর আছে যারা টাকা নিয়ে নেন, অথচ টিকিট দেন না। এই দুর্নীতি রুখতেই, নজরদারির জন্য সকলকে বডি ক্যাম লাগাতে হবে। সবটা রেকর্ড হবে। আমরা কন্ট্রেল রুম থেকে সবটা দেখতে পারব। ইতিমধ্যেই হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে। নজরদারির জন্য ২০-২৫ জন কাজ করবে ২৪ ঘণ্টা। আমরা এক বছরের মধ্যে প্রত্যেকটা বাসে সিসিটিভি ক্যামেরা বা কন্ডাক্টরদের বডিক্যাম লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে। বাসমালিকদের সঙ্গে আমরা কথা বলব।”


একাধিক বাসের সুবিধার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী অর্জুন সিং। এবার মহিলাদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে সরকারি বাস এবং বেসরকারি বাসের কন্ডাক্টারদের জামার পকেটে অর্থাৎ বুকে লাগানো থাকবে ক্যামেরা, যাতে কেউ সমস্যায় পড়লে দ্রুত সরকারের বা প্রশাসনের কাছে খবর চলে যায়। এতে যেমন খুশি বাস কন্টাক্টাররা, তেমনই খুশি প্যাসেঞ্জাররাও। মহিলারাও সাধুবাদ জানিয়েছেন এই ভাবনাকে।

এক বাস কন্ডাক্টর বলেন, “সরকার ভালোর জন্যই বলছে। সরকারি নির্দেশ মানতে হবে। এই কাজে ভালোই হবে। ক্যামেরা লাগালে আমরা আরও সুরক্ষিত থাকব। মহিলারাও সুরক্ষিত থাকবেন।”

অন্যদিকে এক মহিলা যাত্রী বলেন, “আগে তো মহিলারা বেরতে পারতেন না। পরিবহনমন্ত্রী খুব ভালো পদক্ষেপ করেছেন। বডিক্যাম থাকলে ভিডিয়ো ফুটেজ থাকবে, এতে বিতর্ক তৈরি হবে না।”


বেতন শুধু ১ টাকা! অবসরের পরও স্কুলই জীবন গঙ্গাধর পালের
বেতন শুধু ১ টাকা! অবসরের পরও স্কুলই জীবন গঙ্গাধর পালের
পুনমের ভিডিয়ো দেখে পুরুষদের শরীরে যা যা হয়... নিজেই খোলসা করে দিলেন
পুনমের ভিডিয়ো দেখে পুরুষদের শরীরে যা যা হয়... নিজেই খোলসা করে দিলেন
+91 নম্বরটাই কেন ব্যবহার হয় প্রতিটি মোবাইল নম্বরের সামনে
+91 নম্বরটাই কেন ব্যবহার হয় প্রতিটি মোবাইল নম্বরের সামনে
নিশ্চিন্তে থাকুন, মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ হবে: শুভেন্দু
নিশ্চিন্তে থাকুন, মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ হবে: শুভেন্দু


মুখ্যমন্ত্রী বলেন, " প্রতি জেলায় দু'টি করে তৈরি হবে সিএমশ্রী ইনস্টিটিউট। অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী শ্রী। জহর নবোদয় বিদ্যালয়ের মতো এগুলিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে মেধাবি ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হবে। এগুলোকে মডেল স্কুলে পরিণত করা হবে। সেরা মানের শিক্ষক, আধুনিক ডিজিট্যাল ল্যাব ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট করে ধরে নিতে পারেন সেন্ট্রাল স্কুল তৈরি করব।"


তৈরি হবে সিএমশ্রী ইনস্টিটিউট, উত্তরবঙ্গের জন্য স্পোর্টস ইনস্টিটিউশন, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
শুভেন্দু অধিকারী

শিক্ষায় সংস্কার ফিরিয়ে আনতে হবে। তবেই শিক্ষাকে শীর্ষে নিয়ে যাওয়া যাবে। শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান থেকে এমনই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে দু’টি প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন তিনি। একটি হল সিএমশ্রী ইনস্টিটিউট (CMShree Institute)। আরেকটি হল উত্তরবঙ্গে ও পশ্চিমাঞ্চলে খেলাধূলার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। ঘোষিত এই দুই প্রকল্পে প্রচুর শিক্ষকও নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


সিএমশ্রী ইনস্টিটিউট
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায় গড়ে তোলা হবে দু’টি সিএমশ্রী ইনস্টিটিউট। কী কী পরিষেবা, সুযোগ-সুবিধা মিলবে এই বিশেষ ইনস্টিটিউশনে? মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ” প্রতি জেলায় দু’টি করে তৈরি হবে সিএমশ্রী ইনস্টিটিউট। অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী শ্রী। জহর নবোদয় বিদ্যালয়ের মতো এগুলিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে মেধাবি ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হবে। এগুলোকে মডেল স্কুলে পরিণত করা হবে। সেরা মানের শিক্ষক, আধুনিক ডিজিট্যাল ল্যাব ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট করে ধরে নিতে পারেন সেন্ট্রাল স্কুল তৈরি করব।”


যুগলের বচসা থামাতে গিয়ে পাল্টা উড়ে এল 'আধলা ইট', ফাটল মুখ, খাস কলকাতায় গভীর রাতে আক্রান্ত দুই বিজেপি নেতা!
‘স্পোর্টসের প্রতিষ্ঠান’
উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমাঞ্চলে গড়ে তোলা হবে স্পোর্টসের ইনস্টিটিউশন। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমাঞ্চলে সেন্টার অফ এক্সিলেন্স অফ স্পোর্টস হবে। স্পোর্টসের ক্ষেত্রে দু’টি পরিকাঠামোগত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলব। সেখানে এসএসসির মাধ্যমে খেলাধূলার শিক্ষকদের নিয়োগ করব। আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগামিদিনে যাতে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যত তৈরি হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে তাঁরা অংশগ্রহণ করেন, সেই ব্যবস্থাও করব।” প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতের প্রাচীনতম খেলাধুলো যেমন খোখো, হাডুডু, ফুটবল ইত্যাদি প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনার কথাও বলেছেন তিনি।


বাংলার কোন কোন জনপ্রিয় রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে মিলল 'বিষ'
দাঁতে আচমকা ব্রাশের খোঁচা, মারাত্মক ব্যথা! এই ঘরোয়া উপায়ে দ্রুত সমাধ
দাঁতে আচমকা ব্রাশের খোঁচা, মারাত্মক ব্যথা! এই ঘরোয়া উপায়ে দ্রুত সমাধ

স্পেশাল ব্রাঞ্চের ওই কনস্টেবল সৌজন্যের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। বাগেশ্বর বাবার সঙ্গে তিনি ছবি তুলতে চেয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ভেতরে ঢুকতে বাধা পেয়ে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ওই কনস্টেবল।


বাগেশ্বর বাবার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী, ছবি তুলতে গিয়ে ব্যাপক ঝগড়া করলেন কনস্টেবল, হিমশিম খেল পুলিশ
সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে স্পেশাল ব্রাঞ্চের কনস্টেবলকে

বাংলায় এসেছেন বাগেশ্বর বাবা। শনিবার সন্ধেয় তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রোটোকল এলাকায় তৈরি হল অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। অভিযোগ, ছবি তোলার জন্য জেদ ধরেন স্পেশাল ব্রাঞ্চের এক কনস্টেবল। তাঁকে বাধা দেন আলিপুর থানার পুলিশ আধিকারিক এবং অন্য পুলিশকর্মীরা। যা নিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। শেষপর্যন্ত স্পেশাল ব্রাঞ্চের ওই কনস্টেবলকে আলিপুর থানার পুলিশ এসে সরিয়ে নিয়ে যান।


এদিন সন্ধেয় সৌজন্যে এসেছিলেন বাগেশ্বর বাবা। সেখানে আসেন মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য। আচমকা স্পেশাল ব্রাঞ্চের ওই কনস্টেবল সৌজন্যের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। বাগেশ্বর বাবার সঙ্গে তিনি ছবি তুলতে চেয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ভেতরে ঢুকতে বাধা পেয়ে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ওই কনস্টেবল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে গালিগালাজ করারও অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। ছবি তুলতে না দিলে তিনি ঘটনাস্থল ছাড়বেন না বলেও জেদ ধরেন বলে অভিযোগ।


এরপর কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ওই কনস্টেবল তাঁর সঙ্গেও তর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাঁকে সৌজন্যের ভিতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হলে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয় বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত আলিপুর থানার পুলিশকর্মীরা তাঁকে পুলিশের জিপে তুলে নিয়ে যান। দেখা যায়, পুলিশকর্মীরা তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।


মুখ্যমন্ত্রীর প্রোটোকল ও নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে এমন নজিরবিহীন পরিস্থিতি কীভাবে তৈরি হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে স্পেশাল ব্রাঞ্চের একজন কর্মী কীভাবে নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে এমন আচরণ করলেন, তা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। তবে পুলিশ এই নিয়ে মুখ খুলতে চায়নি।


যশোর রোডের নামী বিরিয়ানি রেস্তোরাঁয় ঢুকে চোখ কপালে আধিকারিকদের
যশোর রোডের নামী বিরিয়ানি রেস্তোরাঁয় ঢুকে চোখ কপালে আধিকারিকদের
ছানা না ময়দা? ধূপগুড়িতে ছানা তৈরির কারখানায় হানা দিয়ে অবাক অফিসাররা
ছানা না ময়দা? ধূপগুড়িতে ছানা তৈরির কারখানায় হানা দিয়ে অবাক অফিসাররা
নেপথ্যে এক আর্জেন্টাইন ফুটবলার, এবার একই দলে খেলবেন মেসি-রোনাল্ডো!
নেপথ্যে এক আর্জেন্টাইন ফুটবলার, এবার একই দলে খেলবেন মেসি-রোনাল্ডো!
ডিম নয়, আজ মিড ডে মিলে পাতে পড়ল দু পিস করে ইলিশ
ডিম নয়, আজ মিড ডে মিলে পাতে পড়ল দু পিস করে ইলিশ


এবছর চন্দ্রিমার পুজোর উদ্বোধক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
এবছর চন্দ্রিমার পুজোর উদ্বোধক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
দুধ-ক্ষীর-পনিরেরও রঙের 'বিষ'! দেখুন...
দুধ-ক্ষীর-পনিরেরও রঙের 'বিষ'! দেখুন...
কৌশিকি অমাবস্যায় এবার ভিড় এড়িয়ে করা যাবে অনলাইনে দর্শন
কৌশিকি অমাবস্যায় এবার ভিড় এড়িয়ে করা যাবে অনলাইনে দর্শন
২ দিন ভোগান্তির পর সবুজ সিগন্যালের অপেক্ষায় শতাব্দী এক্সপ্রেস
২ দিন ভোগান্তির পর সবুজ সিগন্যালের অপেক্ষায় শতাব্দী এক্সপ্রেস
সর্বশেষ সংবাদ

মুখ্যমন্ত্রী, ছবি তুলতে গিয়ে ঝগড়া করলেন কনস্টেবল
বাগেশ্বর বাবার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী, ছবি তুলতে গিয়ে ঝগড়া করলেন কনস্টেবল
'তাঁদের চিন্তাভাবনা বদলায়নি', কাদের নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?
'তাঁদের চিন্তাভাবনা বদলায়নি', কাদের নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?
যশোর রোডের নামী বিরিয়ানি রেস্তোরাঁয় ঢুকে চোখ কপালে আধিকারিকদের
যশোর রোডের নামী বিরিয়ানি রেস্তোরাঁয় ঢুকে চোখ কপালে আধিকারিকদের
ছানা না ময়দা? ধূপগুড়িতে ছানা তৈরির কারখানায় হানা দিয়ে অবাক অফিসাররা
ছানা না ময়দা? ধূপগুড়িতে ছানা তৈরির কারখানায় হানা দিয়ে অবাক অফিসাররা
নেপথ্যে এক আর্জেন্টাইন ফুটবলার, এবার একই দলে খেলবেন মেসি-রোনাল্ডো!
নেপথ্যে এক আর্জেন্টাইন ফুটবলার, এবার একই দলে খেলবেন মেসি-রোনাল্ডো!
ভিডিয়ো

শিক্ষক দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা নেয়।" এরপরই স্বচ্ছ নিয়োগের বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, "রামকৃষ্ণ মিশনে বিদ্যালয়গুলির, যাঁরা পরিচালনা করেন, সেই মহারাজরা খারাপ কিছু করতে পারেন বিশ্বাস করেন? যিনি সব ত্যাগ করে এসেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁদের হাতে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টা ছেড়ে দিয়েছেন।"

নিশ্চিন্তে থাকুন, কোনও অন্যায় হবে না, মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ হবে', আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর
শুভেন্দু অধিকারী

তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে এসএসসি-র নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। চাকরির দাবিতে, স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে, দিনের পর দিনে রাজপথে থেকেছেন হাজার-হাজার চাকরিপ্রার্থী। তবে, বাংলায় নতুন সরকারের আমলে স্বচ্ছ নিয়োগ হবে। আর নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও পরীক্ষাই একমাত্র বিচার্য বিষয় হবে। শিক্ষক দিবসে এভাবেই বাংলায় দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগের আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।


‘আদালতের নির্দেশ মেনে নিয়োগ হবে’
শিক্ষক দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা নেয়।” এরপরই স্বচ্ছ নিয়োগের বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “রামকৃষ্ণ মিশনে বিদ্যালয়গুলির, যাঁরা পরিচালনা করেন, সেই মহারাজরা খারাপ কিছু করতে পারেন বিশ্বাস করেন? যিনি সব ত্যাগ করে এসেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁদের হাতে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টা ছেড়ে দিয়েছেন। শুধু তিনজন রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ নন, এসএসসিতে আইআইএম থেকেও একজনকে সদস্য হিসেবে রেখেছি। আমরা শিক্ষক নিয়োগ করে দেব নিশ্চিন্তে থাকুন। সুপ্রিম কোর্টর নির্দেশ, হাইকোর্টের নির্দেশ মাথায় রেখে করে দেব। কোনও অন্যায় হবে না। আমরা ইতিমধ্যেই বিধানসভায় ওবিসি বিল পরিবর্তন করে দিয়েছি। অন্যায়ভাবে যাদের ওবিসি করা হয়েছিল, তাঁদের বাদ দিয়ে দিয়েছি। ৮ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট খোলার পরে আমরা কোর্ট থেকে এক্সিট নিয়ে নিয়েছি। এসএসসি তৈরি হয়ে গিয়েছে। আমি বলেছি, মোবাইল ফোনে মেসেজ দিয়ে হয় না। তালিকা প্রকাশ করতে হবে। নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও পরীক্ষাই একমাত্র বিচার্য বিষয় হবে। অন্য কিছু দরকার নেই।”



 পুনমের ভিডিয়ো দেখে পুরুষদের শরীরে যা যা হয়... নিজেই খোলসা করে দিলেন অভিনেত্রী
আর কী বললেন শুভেন্দু?
মৌখিকে কেন ১৫ নম্বর বরাদ্দ? প্রশ্ন তুলে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “এত নম্বর মৌখিকে রেখেছেন কেন? নিজের লোক ঢোকাবেন বলে? আমি বলেছি ৫ নম্বরের বেশি থাকা উচিত নয়। পরামর্শ দিয়েছি এসএসসিকে। সংরক্ষণ বিধি মেনেই শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছি।”


শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ নিয়োগ নিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন,”শিক্ষক-শিক্ষিকারা যাতে ভালো করে পড়াতে পারেন, সারাদিন যাতে মিড-ডে মিলের হিসেব না করতে হয়, তার জন্য শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে হবে। ল্যাবরেটরিতে লোক নিয়োগ করতে হবে, ঘণ্টা বাজানোর লোক নিতে হবে। মিত্র ইনস্টিটিউশনে সাপের কামড়ে পড়ুয়াকে এসএসকেএম যেতে হয়। কেন জানেন? তিন বছর কম্পোজিট গ্রান্ট পায়নি। এটা দিয়েই তো কার্বলিক অ্যাসিড কেনা হয়। টাকার তো কোনও অভাব ছিল না। খেলা-মেলা, দুর্গাপুজোয় টাকা দেওয়া কোনও কিছুর তো অভাব ছিল না। এগুলো সরকারকে ভাবতে হবে।”



ছত্রাক পড়া লঙ্কা, কালো হয়ে যাওয়া রসুন! কোন কোন জনপ্রিয় রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে মিলল 'বিষ'


বিতর্ক এখন আর কাগজপত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। ৩২ শতক জমিতে দুই পক্ষের তরফেই পৃথক বোর্ড লাগানো হয়েছে। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে পাশাপাশি থাকা সেই দুই বোর্ড এখন পথচলতি মানুষেরও নজর কাড়ছে। সব মিলিয়ে ১১ শতক জমিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে জটিলতার গোলকধাঁধা।


একটাই জমি দুই বিজেপি বিধায়কের নামে! কল্যাণী বিমানবন্দর তৈরির আবহে শুরু 'অসীম লড়াই'
কী বলছেন অসীম কুমার বিশ্বাস ও অসীম সরকার?

একই দল। একই জেলার দুই বিধায়ক। ব্যক্তিগত সম্পর্কেও নাকি চিড় ধরেনি। কিন্তু জমির সীমানায় এসে সেই সম্পর্কেই যেন টান পড়েছে। ৩২ শতক জমির একেবারে মাঝখানে থাকা ১১ শতক জমিকে ঘিরে রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অসীম কুমার বিশ্বাস এবং হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারের মধ্যে শুরু হয়েছে মালিকানা নিয়ে টানাপোড়েন। একাধিক দফায় আলোচনা করেও জট না কাটায় শেষ পর্যন্ত বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও জানানো হয়েছে বলে দাবি দুই বিধায়কের। তবে দুই বিধায়কের বক্তব্যেই একটি বিষয় স্পষ্ট, ‘জমি নিয়ে ঝামেলা আছে, ব্যক্তিগত ঝামেলা নেই।’


নদিয়ার চাকদহ থানার শিমুরালির নরপতিপাড়া মৌজায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে অবস্থিত ওই জমি। বিতর্কিত ১১ শতক জমিটি ৮৯০ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্গত বলে জানা গিয়েছে। এলাকাটি জাতীয় সড়কের পাশে এবং এখানে বিমানবন্দর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে জমির দাম দ্রুত বাড়ায় এই জমি ঘিরে টানাপোড়েনও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।




রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক অসীম কুমার বিশ্বাসের দাবি, বিতর্কিত ১১ শতক জমি তিনি ২০২১ সালেই কিনেছেন। রেকর্ড এবং সেল ডিড খতিয়ে দেখেই জমি কেনা হয়েছিল বলে তাঁর বক্তব্য। তাঁর কাছে জমি কেনার যাবতীয় নথিও রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অসীম কুমার বিশ্বাসের কথায়, “আমার সঙ্গে ওঁর (অসীম সরকারের) কোনও ব্যক্তিগত ঝামেলা নেই। ঝামেলা ওই ১১ শতক জমিটাকে নিয়ে। আমি রেকর্ড দেখে, চেন ডিডের মাধ্যমে জমি কিনেছি। আমারটা জাল না ওঁরটা জাল—সেটা আদালতের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে।” তাঁর মতে, রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। প্রয়োজনে বিএলআরও-র নথি খতিয়ে দেখলেই প্রকৃত মালিকানা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

কী বলছেন অসীম সরকার?

অন্য গল্প শোনালেন হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার। তাঁর দাবি, বিতর্কিত জমিটির পূর্বতন মালিক ছিলেন যমুনা রানি দত্ত। ১৯৮৯ সালে তিনি আবুল হোসেন তরফদারের কাছে জমিটি বিক্রি করেন। আবুল হোসেন ওই জমিতে চাষ করতেন এবং জমির কিছু অংশ বর্গা হিসেবেও রেকর্ড ছিল বলে দাবি তাঁর। পরবর্তীকালে আবুল হোসেন তরফদার অশোক বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দেন। কিন্তু পাওয়ারনামা করার মাত্র তিন মাসের মধ্যে আবুল হোসেনের মৃত্যু হওয়ায় সেই পাওয়ারনামা বাতিল হয়ে যায় বলে দাবি অসীম সরকারের।

তাঁর বক্তব্য, আবুল হোসেনের তিন পুত্র-কন্যা পরবর্তী সময়ে জমিটির মালিকানা নিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর বিষয়টি বিএলআরও-র কাছেও নিয়ে যাওয়া হয়। বিএলআরও-র কথা মতো জমির কাগজপত্র খতিয়ে দেখে গত ২৫ অগস্ট কল্যাণীতে রেজিস্ট্রি করে তিনি মোট ৩২ শতক জমি কেনেন। কিন্তু রেজিস্ট্রির দিনই জমি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। তাঁর অভিযোগ, অসীম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে একদল লোক সেখানে গিয়ে জমি রেজিস্ট্রিতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এমনকি বিতর্কিত ১১ শতক জমি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্বের তরফে তাঁকে বিবাদে না জড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন হরিণঘাটার বিধায়ক। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা অসীম কুমার বিশ্বাসকে ওই ১১ শতক জমি বিক্রি করেছিলেন, তারা ৩৬ লক্ষ টাকা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল। অসীম সরকারের দাবি, “আমি যতক্ষণ ওই ১১ শতক জমি লিখে না দিচ্ছি, ততক্ষণ উনি ওই জমির মালিক হতে পারবেন না।”

এমনকি বিষয়টি জানার পরও অসীম কুমার বিশ্বাস নতুন করে কৃষ্ণনগরে ওই জমি পুনরায় দলিল করেছেন বলেও অভিযোগ অসীম সরকারের। তাঁর বক্তব্য, “উনি যে আবার ২৫ তারিখ নিজের নামে রেজিস্ট্রি করেছেন, সেটা ভালো হয়নি। অত্যন্ত বোকামি হয়েছে। তবে উনি সহজ-সরল মানুষ। ওঁকে দিয়ে কেউ এটা করিয়েছেন।” 

অবশ্য সেই অভিযোগ একেবারেই মানতে নারাজ অসীম কুমার বিশ্বাস। তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, “জমি আমি ২০২১ সালে কিনেছি, তাহলে পরবর্তীকালে অসীম সরকার জেনেশুনে ওই জমি কিনতে গেলেন কেন?” তাঁর দাবি, গোটা ঘটনাটিই মূলত ভুল বোঝাবুঝি এবং যোগাযোগের ঘাটতি থেকে তৈরি হয়েছে।

শুনুন কী বলছেন দুই বিধায়ক?



বিতর্ক এখন আর কাগজপত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। ৩২ শতক জমিতে দুই পক্ষের তরফেই পৃথক বোর্ড লাগানো হয়েছে। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে পাশাপাশি থাকা সেই দুই বোর্ড এখন পথচলতি মানুষেরও নজর কাড়ছে। সব মিলিয়ে ১১ শতক জমিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে জটিলতার গোলকধাঁধা।

এদিকে নদিয়ার এই এলাকায় জাতীয় সড়ক ও বিমানবন্দরকে ঘিরে জমির মূল্য দ্রুত বাড়ায় জমি কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে আগ্রহ যেমন বেড়েছে, তেমনই জমি মাফিয়াদের সক্রিয়তা নিয়েও বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ উঠেছে। ফলে দুই বিধায়কের জমি-বিতর্ক রাজনৈতিক মহলেও বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন একটাই, ৩২ শতকের মাঝখানে থাকা সেই ১১ শতক জমি আসলে কার?


SRCC-র শতবর্ষ উদযাপন নিয়ে মোদী বলেন, “আজকের দিনটি শ্রীরাম কলেজ অব কমার্সের জন্য ঐতিহাসিক। SRCC-এর এই অনুষ্ঠানে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ। কোনও প্রতিষ্ঠান যখন ১০০ বছরে পা দেয়, তখন তা হয়ে ওঠে সাফল্য ও অনুপ্রেরণার এক মহাসমুদ্র।"

 'আজও তাঁদের চিন্তাভাবনা বদলায়নি', ১৩ বছর পর SRCC-তে এসে কাদের নিশানা করলেন মোদী?
শ্রীরাম কলেজ অব কর্মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

 ২০১৩ সাল। তখনও তিনি প্রধানমন্ত্রী হননি। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এসেছিলেন এই কলেজে। ১৩ বছর পর শনিবার নয়াদিল্লির সেই শ্রীরাম কলেজ অব কমার্সে (SRCC) এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কলেজের শতবর্ষ উদযাপনের অনুষ্ঠানে এসে তিনি ১৩ বছর আগের স্মৃতিতে ডুব দিলেন। ২০১৩ সালের সেই ভাষণের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন অনেকেই আশা করেছিলেন যে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলবেন। কিন্তু তিনি সেই মঞ্চকে সেভাবে ব্যবহার করেননি। তাঁর কথায়, “আমি একটি ভিশন তুলে ধরেছিলাম। ইতিবাচক কথাই বলেছিলাম।”

এর আগে ২০১৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি SRCC কলেজে পড়ুয়াদের উদ্দেশে বক্তব্য রেখেছিলেন মোদী। সেই সময় তিনি ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ১৩ বছর পর ফের তিনি এই কলেজে যুবসমাজের মুখোমুখি হলেন। ২০১৩ সালের সেই ভাষণের প্রসঙ্গ টেনে অর্ধেক জলভর্তি গ্লাসের উদাহরণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেটি ছিল এমন এক সময়, যখন চারদিকে হতাশার পরিবেশ ছিল। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, তিনি গ্লাসটিকে ভরা অবস্থাতেই দেখেন—অর্ধেক জল দিয়ে এবং অর্ধেক বাতাস দিয়ে। যুবসমাজকে তিনি ২০১৩ সালের সেই সময়ের সংবাদপত্রের শিরোনামগুলি দেখতে বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময় জঙ্গিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল এবং পাকিস্তানও বেপরোয়া আচরণ করছিল। চারদিকে হতাশা ও নিরাশা ছাড়া আর কিছুই ছিল না। এখন সন্ত্রাসবাদ ছড়ানো শক্তিগুলি কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। পাকিস্তান কোনও ব্যর্থ হামলা চালালে ভারতীয় সেনা ঘরে ঢুকে জবাব দেয়। জম্মু-কাশ্মীর থেকে উত্তর-পূর্ব ভারত পর্যন্ত শান্তি বেড়েছে। নকশালবাদের কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যে বিশ্ব একসময় ভারতকে নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল, আজ সেই বিশ্বই ভারতকে নিয়ে আলোচনা করছে। ৭.৮ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির হার দেশকে আরও উদ্দীপ্ত করেছে। তিনি আরও বলেন, “যাঁদের কাছে ২০১৩ সালে গ্লাসের অর্ধেকটা খালি ছিল, আজও তাঁদের চিন্তাভাবনা বদলায়নি। আজও তাঁদের ভাবনা সেই একই রকম।”

শ্রী রাম কলেজ অব কমার্স দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত এবং ভারতের উচ্চশিক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। কমার্স, অর্থনীতি ও ম্যানেজমেন্ট শিক্ষার ক্ষেত্রে এটি একটি বিশেষ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবী স্যার শ্রী রাম ১৯২৬ সালে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। গত এক শতাব্দীতে এই কলেজ বহু প্রজন্মের শিক্ষাবিদ, পেশাদার, প্রশাসক, উদ্যোক্তা, নীতিনির্ধারক এবং দেশ গঠনের সঙ্গে যুক্ত মানুষ তৈরি করেছে।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কলেজের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাসভবনে কলেজের গভর্নিং বডি এবং একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সেই সময় তিনি একটি বিশেষ ডাকটিকিটও প্রকাশ করেছিলেন।



মগরাহাটে তৃণমূল নেতা গ্রেফতার। মগরাহাট এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত পরিবহন দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ তৌফিক আহমেদ ওরফে বাচ্চু কে গ্রেফতার করলেন উস্থি থানার পুলিশ,। 

তৌফিক আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলাকায় কাঠ মানি তোলাবাজি আগ্নেয় অস্ত্র দেখিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করা মানুষকে ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা তোলার কাজ করতো।এছাড়া বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি যে তিন আড্ডার গাড়িতে হামলার ঘটনায় জড়িত ছিল এই তৌফিক আহমেদ। তৌফিক আহমেদকে গ্রেফতারের পর তাকেতিন দিনের পুলিশ কাসটরিতে নেওয়া হয়। তারপর তাকে পুলিশ জেলার পুলিশের পক্ষ থেকে জেরা করা হয়। জেলায় উঠে আসে বিস্ফোরক তথ্য তার কাছে লুকানো আছে বেশ কিছু আগ্নেয় অস্ত্র।


 তদন্তের পর জানা যায় তার কাছে একটি নাইন এমএম পিস্তল একটি সেভেন এমএম পিস্তল একটিওয়ান শাটার পিস্তল এবং নটি কার্তুজ উদ্ধার হয় । সেইগুলি ছাড়া আরো বেশ কিছু আগ্নেয় অস্ত্র তার কাছে থাকতে পারে এমনই সন্দেহ করছেন পুলিশ। আজ উস্তি থানা তে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার চন্দ্রশেখর বর্ধন জানান এই সমস্ত আগ্নেয় অস্ত্রগুলো কোথায় থেকে এসেছে এর সঙ্গে কারা কারা জড়িত আছে এদের বড় মাতা কে খুব শীঘ্র আমরা জানতে পারবো। 



নামখানা: স্বাধীনতার আট দশক পরও বিদ্যুতের আলো থেকে বঞ্চিত ছিলেন নামখানার নারায়ণগঞ্জের এক বৃদ্ধ দম্পতি। অবশেষে সাগর বিধানসভার বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডলের উদ্যোগে তাঁদের জরাজীর্ণ ঘরে জ্বলল বিদ্যুতের আলো। মানবিক এই ঘটনায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ৭৫ বছরের গৌর দাস ও তাঁর ৭০ বছর বয়সী স্ত্রী কল্পনা দাস।

নামখানা গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা এই বৃদ্ধ দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে ইন্দিরা গান্ধীর আমলে পাওয়া একটি ছোট জরাজীর্ণ ঘরেই বসবাস করছিলেন। বছর দুয়েক আগে মানসিক ভারসাম্যহীন একমাত্র সন্তানের মৃত্যুতে তাঁরা আরও অসহায় হয়ে পড়েন। বাড়ির আশপাশে বিদ্যুতের খুঁটি পৌঁছালেও অর্থাভাবের কারণে তাঁদের ঘরে মিটার বসেনি। ফলে এতদিন হ্যারিকেন ও ল্যাম্পের ধোঁয়াটে আলোতেই দিন কাটাতে হতো তাঁদের।
শুধু বিদ্যুৎ নয়, ওই বাড়িতে ছিল না শৌচালয় কিংবা শোওয়ার উপযুক্ত খাটও। মাটির মেঝেতেই রাত কাটাতে হতো বৃদ্ধ দম্পতিকে।

এই পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে তাঁদের পাশে দাঁড়ান সাগর বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল। তাঁর উদ্যোগে বিদ্যুৎ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই বাড়িতে নতুন বিদ্যুতের মিটার বসানোর ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি বিধায়কের উদ্যোগে ঘরে সুইচ বোর্ড ও আলো লাগানোর পাশাপাশি নতুন খাট এবং শৌচালয় তৈরির ব্যবস্থাও করা হয়।

এরপর বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল নিজে ওই বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে পৌঁছে সুইচ টিপে বিদ্যুতের আলো জ্বালান।