WEATHER

Top News

কমিশনের বক্তব্য, বহুতল আবাসনে বসবাসকারী ভোটাররা দূরে বুথ থাকায় ভোট দিতে যান না। বিশেষ করে যাঁরা প্রবীণ নাগরিক তাঁদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এক তাই বড় আবাসনের ভিতরে বুথ হলে ভোটদান আরও সহজ ও সুবিধাজনক হতে পারে।

বহুতলে হবে বুথ। এ নিয়ে আগেই নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আর এই বহুতলগুলিতে বুথ বানানোর নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, ৭৮টি বহুতলে হবে বুথ। একুশটি আগেই ছিল, তবে তিনশো ভোটার বেশি হওয়ায় ৫৭টি বহুতলে এবার নতুন করে বুথ বানানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

কোথায়-কোথায় হচ্ছে নতুন এই বুথ?



ভোটের আগে তৃণমূলে ভাঙন, পূর্বস্থলীতে হুমায়ুনের দলে যোগ ১৫০ পরিবারের
কমিশন সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনায় ষোলোটি বহুতল হবে বুথ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা পঁচিশটি বহুতলে হবে বুথ, দক্ষিণ কলকাতার আরও একটি বহুতলে হবে বুথ, উত্তর কলকাতার পাঁচটি বহুতলে হবে বুথ, হাওড়ার চারটি বহুতলে বুথ হবে, পূর্ব বর্ধমানের তিনটি বহুতলে হবে বুথ, হুগলির তিনটি বহুতলে বুথ হবে। জানা যাচ্ছে, খসড়া তালিকায় গড়ে ৭০ জন করে প্রতি বুথে কমেছে।

কেন বহুতলে হচ্ছে বুথ?

কমিশনের বক্তব্য, বহুতল আবাসনে বসবাসকারী ভোটাররা দূরে বুথ থাকায় ভোট দিতে যান না। বিশেষ করে যাঁরা প্রবীণ নাগরিক তাঁদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এক তাই বড় আবাসনের ভিতরে বুথ হলে ভোটদান আরও সহজ ও সুবিধাজনক হতে পারে। বস্তুত, এর আগে সাতটি জেলায়,কলকাতা-সহ ৬৯টি বহুতলে বুথ গড়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। পরে কমিশন জানিয়েছিল সংখ্যা বেড়েছে। ৭৮টি করার কথা বলা হয়েছে। সেই চূড়ান্ত তালিকাই এবার জেলাভিত্তিক বেরল।

তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই রাজ্যের শাসকদলের প্রার্থী তালিকা জানানো হতে পারে। তার আগে প্রার্থী তালিকা নিয়ে জল্পনা অবশ্য বেড়েই চলেছে।

কলকাতায় বড় রদবদল তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায়, কে পাচ্ছেন, কে বাদ পড়ছেন?
তৃণমূলের সম্ভাব্য প্রার্থী কারা?

চতুর্থবার রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে ঘুঁটি সাজাচ্ছে তৃণমূল। কারা হবেন ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থী? পুরনো সব বিধায়কই কি এবার টিকিট পাবেন? নাকি নবীন-প্রবীণ মিলিয়ে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে রাজ্যের শাসকদল? তৃণমূল সূত্রে একাধিক প্রার্থীর নাম জানা যাচ্ছে, যাঁরা ছাব্বিশের নির্বাচনে টিকিট পেতে পারেন। কারও হয়ত বিধানসভা কেন্দ্র বদল হতে পারে। আবার কোনও বিধায়কের সন্তানকে বাবার আসনে প্রার্থী করা হতে পারে। কলকাতা ও তার আশপাশের আসনগুলিতে প্রার্থী তালিকা নিয়ে কী জানা যাচ্ছে তৃণমূল সূত্রে?


শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ছেড়ে যাওয়া বেহালা পূর্ব আসনে একুশের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়। জেতেনও। শোভন তৃণমূলে ফিরে আসার পর বেহালা পূর্বে কে প্রার্থী হবেন, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ে। তৃণমূল সূত্রে খবর, ছাব্বিশের নির্বাচনে বেহালা পূর্বে প্রার্থী করা হতে পারে রত্নাকেই। আবার রত্নার বাবা দুলাল দাস মহেশতলার বিধায়ক। সূত্রের খবর, তিনি দলকে জানিয়েছেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান না। সেক্ষেত্রে রত্নাকে মহেশতলায় প্রার্থী করা হতে পারে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে অনেকে বলছেন, বেহালা পূর্বে যেভাবে রত্না কাজ করছেন, তাতে তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র নাও বদলানো হতে পারে।


রেস্তরাঁর রান্নাঘরের অবস্থা দেখে পিলে চমকে গেল খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকদের,পচা মাংস সাজিয়ে গুছিয়ে পরিবেশন ক্রেতাদের?
তাহলে শোভনকে কোথায় প্রার্থী করা হতে পারে? পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বেহালা পশ্চিমে শোভনকে প্রার্থী করা হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছিল। তবে তৃণমূল সূত্রে খবর, বেহালা পশ্চিমে বিনোদন জগতের জনপ্রিয় কোনও মুখকে প্রার্থী করা হতে পারে। আর উত্তর কলকাতার কোনও আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে।

২০১১ সাল থেকে এন্টালি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তৃণমূলের স্বর্ণকমল সাহা। সূত্রের খবর, এবার তিনি ভোটে নাও দাঁড়াতে পারেন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার বার্তা দলকে দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে এই আসনে প্রার্থী করা হতে পারে তাঁর পুত্র সন্দীপন সাহাকে। সন্দীপন বর্তমানে কলকাতা পৌরনিগমের কাউন্সিলর। মানিকতলা আসনে ফের প্রার্থী করা হতে পারে সুপ্তি পাণ্ডেকে। প্রয়াত সাধন পাণ্ডের এই আসনে উপনির্বাচনে তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। সাধন পাণ্ডের স্ত্রী সুপ্তি না কন্যা শ্রেয়া, কে টিকিট পাবেন, তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। শেষপর্যন্ত তাঁর উপরই ভরসা রেখেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে খবর, ছাব্বিশের নির্বাচনেও মানিকতলা আসনে টিকিট পাচ্ছেন সুপ্তি পাণ্ডে। আবার প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিবেক গুপ্তর। জোড়াসাঁকোতে কে প্রার্থী হতে পারেন? ওই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়কের পুত্রের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে।

খড়দহের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে এবার দক্ষিণ কলকাতার কোনও আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে খড়দহে কে প্রার্থী হবেন, তা নিয়ে জল্পনা বেড়েছে। একজন সাংবাদিকের নাম আলোচনায় উঠে আসছে। আবার মদন মিত্রকে নিয়েও আলোচনা চলছে। তিনি টিকিট পাচ্ছেন বলে সূত্রের খবর। সেখানে তাঁর বর্তমান বিধানসভা কেন্দ্র কামারহাটিতেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়, নাকি খড়দহের প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই রাজ্যের শাসকদলের প্রার্থী তালিকা জানানো হতে পারে। তার আগে প্রার্থী তালিকা নিয়ে জল্পনা অবশ্য বেড়েই চলেছে।

আজ ভবানীপুরে চলছিল জৈনদের অনুষ্ঠান। সেখান থেকে ফের মমতা বলেন, "এসআইআর চলছে অনেকের নাম বাদ গেছে। গান্ধিজীর অহিংসার কথা মনে রাখুন। সত্যের জয় হোক। আমি না ধরলে এক কোটি ২০ লাখ নাম বাদ যেত।"

জানি না ফাইনাল লিস্ট বেরলে কতজনের মানুষের নাম বাদ যাবে, কত মানুষ দুঃখ পাবেন', বললেন মুখ্যমন্ত্রী
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

 জৈনদের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে ফের একবার এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নিজেও বাঁচুন, সকলে বাঁচতে দিন বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এমনকী, গণতন্ত্র রক্ষার আর্জিও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।


এসআইআর নিয়ে মুখ খোলা নতুন কোনও ঘটনা নয়। রাজনৈতিক মঞ্চের প্রচার হোক বা সরকারি কোনও অনুষ্ঠান সব জায়গা থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে মুখ খুলেছেন। এমনকী, এই ইস্যুতে সওয়াল করার জন্য নিজে পৌঁছে গিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। আজ ভবানীপুরে চলছিল জৈনদের অনুষ্ঠান। সেখান থেকে ফের মমতা বলেন, “এসআইআর চলছে অনেকের নাম বাদ গেছে। গান্ধিজীর অহিংসার কথা মনে রাখুন। সত্যের জয় হোক। আমি না ধরলে এক কোটি ২০ লাখ নাম বাদ যেত।”


 বাড়ি ফিরেও ফোনে কথা বলল, তারপরই... পায়েলের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটই বলে দিচ্ছে আসল কথা?
তাঁর সংযোজন, “আমি চাই গণতন্ত্র থাকুক। জানি না ফাইনাল লিস্ট বেরলে কত মানুষের নাম বাদ যাবে। কত মানুষ দুঃখ পাবেন।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃত বহু মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি না ধরলে এক কোটি ২০ লাখ নাম বাদ যেত। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিলেও এরা চুপিচুপি ছুপা রুস্তমের মতো কাজ করছে। এরা নাম বাদ দিতে চাইছে। আমার দেখার দরকার নেই কে কোন রাজনৈতিক দলের। আমার দেখার গণতন্ত্র যেন রক্ষা পায়।”

মমতার দাবি, আদালতেরও নির্দেশও অমান্য করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি জানি না ২৮ তারিখ ভোটের তালিকা বেরনোর পরে যাঁদের নাম থাকবে না তাঁরা কী বলবেন। আমি তাই আজ মানস স্তম্ভের সামনে প্রার্থনা করলাম। জিও অউর জিনে দো। সত্যের জয় হোক। আমি আবার আসব মানুষের অধিকার সুরক্ষিত হলে।“


গঙ্গাসাগরে উন্নয়নের জোয়ার রুখতে কুৎসার রাজনীতি! মন্ত্রীর আত্মীয়র বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্তের অভিযোগে ফুঁসছে সাগর


২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার শান্ত রাজনীতিতে বিষ ছড়ানোর অপচেষ্টা শুরু হয়েছে। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার পরিবারের সদস্যদের টার্গেট করে কুরুচিকর পোস্টার ঘিরে বুধবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত গঙ্গাসাগর।
 খোদ সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি স্বপন কুমার প্রধানের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি নষ্ট করতে নথিপত্র বিকৃত করে চক্রান্তের অভিযোগ উঠেছে বিরোধী শিবিরের বিরুদ্ধে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, উন্নয়নের লড়াইয়ে হার নিশ্চিত জেনেই এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও কুৎসার আশ্রয় নিচ্ছে বিরোধীরা। বুধবার সকালে গঙ্গাসাগর উপকূল থানার চেমাগুড়ি ও গায়েন বাজার মনসা বাজার এবং কালিবাজার এলাকায় কিছু পোস্টার দেখা যায়। সেখানে স্বপন প্রধানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কিছু নথির প্রতিলিপি সেঁটে দেওয়া হয়েছে।
 স্থানীয় তৃণমূল শিবিরের স্পষ্ট দাবি, এগুলো কোনো সরকারি দুর্নীতির প্রমাণ নয়, বরং স্বপন বাবুর পরিবারেরড সদস্যদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির দলিল, যা সম্পূর্ণ আইনসম্মতভাবে অর্জিত। এই জঘন্য চক্রান্তের মোকাবিলায় পাল্টা সুর চড়িয়েছেন সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি স্বপন কুমার প্রধান। তিনি অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে জানান:“২০২৬-এর নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে হীনম্মন্যতায় ভোগা একদল মানুষ এই ষড়যন্ত্র করছে। ২০২৩ সালেও ঠিক ভোটের আগে একই কায়দায় আমাকে আটকানোর চেষ্টা হয়েছিল। আমার মা এবং মাসির ব্যক্তিগত সম্পত্তির দলিল এভাবে জনসমক্ষে আনা কেবল বেআইনি নয়, বরং একটি পরিবারের ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ। মন্ত্রীর সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক থাকাই কি আমার অপরাধ? যারা এই হীন চক্রান্ত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমি কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেব।” এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি নেতা অরুনাভ দাস,তাঁর অভিযোগ, শাসকদলের নেতারা নিজেদের আখের গোছাচ্ছেন এবং তিনি এই ঘটনার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই-এর তদন্ত দাবি করেছেন। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি নেতার এই দাবি আসলে পরাজয় নিশ্চিত জেনে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ঢাল করার পুরনো কৌশল। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় কর্মীদের বক্তব্য, বিরোধীদের কাছে মানুষের জন্য কোনো উন্নয়নের খতিয়ান নেই, তাই তারা ব্যক্তিগত চরিত্রহননের নোংরা রাজনীতিতে নেমেছে। তৃণমূল কংগ্রেস স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই ধরণের চক্রান্তে সাগরের সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের সুফল প্রতিটি ঘরে পৌঁছেছে। স্বপন প্রধান ইতিমধ্যেই পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন যাতে অভিযুক্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে শ্রীঘরে পাঠানো হয়।উন্নয়নের জোয়ার যখন রুখা যায় না, তখনই বিরোধীরা কুৎসার আশ্রয় নেয়। গঙ্গাসাগরের মানুষ এই ‘পোস্টার ড্রামা’র যোগ্য জবাব ২০২৬-এর ব্যালটেই দেবেন বলে মনে করছে ঘাসফুল শিবির।

*পাকিস্তানে বন্দি নামখানার ৩ মৎস্যজীবী, স্বদেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে পরিবারের পাশে সাংসদ ও বিধায়ক।* 


দীর্ঘ তিন বছর ধরে পাকিস্তানের জেলে বন্দি দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানার তিন মৎস্যজীবী। কোনরকম সুরাহা না মেলায় চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারগুলোর। বুধবার ওই তিন মৎস্যজীবীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সাহায্যের আশ্বাস দিলেন মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার এবং কাকদ্বীপের বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা। পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, নামখানা ব্লকের নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাদাভাঙ্গা এলাকার তিন বাসিন্দা— তপন মহাপাত্র (৫০), কাশীনাথ মন্ডল (৫৮) এবং দিলীপ বাগ (৪৮) অভাবের তাড়নায় গুজরাটে মৎস্যজীবীর কাজ করতে গিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের শুরুতে গুজরাট থেকে ট্রলারে করে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে পথ ভুলে আন্তর্জাতিক জলসীমা পেরিয়ে ফেললে তাঁদের আটক করে পাকিস্তানের উপকূল রক্ষী বাহিনী।
পরিবার সূত্রে খবর, ২০২৫ সালের প্রথম দিকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একটি চিঠিতে জানানো হয় যে তাঁরা পাকিস্তানে বন্দি আছেন। তবে তাঁরা ঠিক কোন জেলে বা কোথায় আছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই। দীর্ঘ কয়েক বছর পার হলেও পরিজনদের ফিরে পাওয়ার কোনো উপায় মেলেনি বলে অভিযোগ পরিবারের।

বুধবার সকালে সাংসদ ও বিধায়কের পাশাপাশি কাকদ্বীপের এসডিপিও সহ পুলিশ আধিকারিকরা নাদাভাঙ্গা এলাকায় গিয়ে পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন। প্রিয়জনদের ফেরার অপেক্ষায় থাকা পরিজনরা সাংসদ ও বিধায়ককে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। সাংসদ বাপি হালদার তাঁদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেন,
"আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সবরকম প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।" বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরাও দুস্থ পরিবারগুলোর পাশে সবরকমভাবে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এখন প্রশাসনের এই তৎপরতায় ঘরের ছেলে ঘরে ফিরবে কি না, সেই আশায় বুক বাঁধছেন তাঁদের স্বজনরা।


মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ফের রাজ্যে আসার আহ্বান জানান রাজ্য বিজেপির সভাপতি। তিনি বলেন, "জ্ঞানেশ কুমার এ রাজ্যে আসুন। মুর্শিদাবাদের ডোমকল আসুন। এ রাজ্যে কীভাবে হচ্ছে এসআইআর, সেটা চাক্ষুষ করার জন্য হলেও এখানে আসুন। নির্বাচন কমিশনের কাছে একটাই দাবি। শেষ অভিযোগপত্র পর্যন্ত শুনানি শেষ করতে হবে। সেটা যে কয়দিন লাগে, সেই ক'দিনে হোক।"

'আমরা প্রস্তুত, তবে নো SIR, নো ভোট', কমিশনকে কড়া বার্তা শমীকের
কী বলছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য?


গুজরাট, তামিলনাড়ু-সহ একাধিক রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু, ভোটমুখী বাংলায় এখনও এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হওয়ার কথা। তবে এখনও বহু আবেদন, অভিযোগপত্রের নিষ্পত্তি হয়নি। এই আবহে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে কমিশনকে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার তিনি বললেন, আগে সব আবেদনের নিষ্পত্তি করতে হবে। ভেজালমুক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তারপর ভোট করাতে হবে। তিনি বলেন, “আমরা প্রস্তুত। কিন্তু, নো এসআইআর, নো ভোট।” এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্য সরকারকেও নিশানা করেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।

তৃণমূলকে নিশানা করে শমীক বলেন, “অবিজেপি শাসিত রাজ্য কেরল ও তামিলনাড়ুতেও এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি। ভাঙচুর হয়নি। যত সমস্যা বাংলায়। বিচারকরাও এখন আতঙ্কে।” এসআইআর সম্পূর্ণ করেই ভোটে যাওয়ার জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা ভোটের জন্য প্রস্তুত। তবে এসআইআর শেষ করে তবেই ভোট করতে হবে। নো এসআইআর, নো ভোট। আমাদের যে ফ্রম সেভেন জমা দেওয়া হয়েছে, যেগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সবগুলোকে গ্রহণ করতে হবে। শুধু আমাদের নয়, সব রাজনৈতিক দলের। তাতে যতদিন লাগে লাগুক।”




মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ফের রাজ্যে আসার আহ্বান জানান রাজ্য বিজেপির সভাপতি। তিনি বলেন, “জ্ঞানেশ কুমার এ রাজ্যে আসুন। মুর্শিদাবাদের ডোমকল আসুন। এ রাজ্যে কীভাবে হচ্ছে এসআইআর, সেটা চাক্ষুষ করার জন্য হলেও এখানে আসুন। নির্বাচন কমিশনের কাছে একটাই দাবি। শেষ অভিযোগপত্র পর্যন্ত শুনানি শেষ করতে হবে। সেটা যে কয়দিন লাগে, সেই ক’দিনে হোক।”

রাজ্য সরকারকে নিশানা করে শমীক বলেন, “প্রশাসনের সম্পূর্ণ রাজনীতিকরণ হয়ে গিয়েছে। যার উপর সুপ্রিম কোর্ট আস্থা রাখতে পারছে না। বিচারপতিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বাম জমানার সকল দৃষ্টান্তকে ছাপিয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা। দেশের বিভিন্ন জায়গায় যদি এসআইআর নির্বিঘ্নে হতে পারে, তাহলে এ রাজ্যে কেন নয়?”

বিজেপির বিরুদ্ধে যখন ফর্ম সেভেন পূরণ করে মানুষকে হেনস্থার অভিযোগ তুলেছে শাসকদল, তখন পাল্টা তৃণমূলকে নিশানা করলেন শমীক। তিনি বলেন, “বিজেপির বিএলএ-২’র নামে ফর্ম সেভেন ফর্ম পূরণ করা হচ্ছে। সই নকল করা হচ্ছে। বয়স্ক মানুষদের এর জন্য শুনানিতে যেতে হচ্ছে। ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে এটা দেখা গিয়েছে।”

কেরল বিধানসভায় প্রথমে একটি প্রস্তাব পাশ হয়। তাতে কিছু প্রযুক্তিগত ভুলের কথা বলেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। পরে আবারও একটি প্রস্তাব পাশ হয়। এই নাম বদলের ক্ষেত্রে উদ্যোগী হয়েছিলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। প্রতিটি ভাষায় নাম বদলে কথা বলেছিলেন তিনি।


বদলে যাচ্ছে কেরলের নাম, ঝুলে রইল পশ্চিমবঙ্গের আবেদন

বদলে যাচ্ছে আস্ত একটি রাজ্যের নাম। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে কেরলের নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কেরলে নাম বদলে ‘কেরলম’ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নাম বদলের জন্য আগেই প্রস্তাব পাশ হয়েছে কেরল বিধানসভায়। এরপর কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেই দাবি জানিয়ে এসেছে তৃণমূল সরকার। সেই নাম বদলের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি কেন্দ্র।

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পর রাষ্ট্রপতি একটি বিল রেফার করবেন, যার নাম হবে ‘কেরালা বিল, ২০২৬’। কেরল বিধানসভায় সেই বিল পাঠানো পর কেন্দ্রীয় সরকার প্রেসিডেন্টের সুপারিশে কেরলের নাম বদল করা হবে। কেরল বিধানসভায় প্রথমে একটি প্রস্তাব পাশ হয়। তাতে কিছু প্রযুক্তিগত ভুলের কথা বলেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। পরে আবারও একটি প্রস্তাব পাশ হয়। এই নাম বদলের ক্ষেত্রে উদ্যোগী হয়েছিলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। প্রতিটি ভাষায় নাম বদলে কথা বলেছিলেন তিনি।

আজও পূরণ হল না প্রতিশ্রুতি, ফুঁসছেন নন্দীগ্রামের বাসিন্দারা
এখন দু' বছর অরিজিতের প্লেব্যাক শোনা যাবে, গল্পে বড় টুইস্ট!
আদতে মালয়ালম ভাষায় কেরলকে বলা হয় কেরলম। মালয়ালম ও অন্য সব ভাষাভাষির মানুষের মধ্য ঐক্যের বার্তা দিতেই এই নাম বদলের উদ্যোগ নেন বিজয়ন।

পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে বাংলা করার আর্জি বারবার জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের তরফেও ২০১৮ সালে রাজ্যের নাম বদলের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। রাজ্য সরকারের প্রস্তাব ছিল পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে সব ভাষাতেই ‘বাংলা’ লেখা হোক। মমতার যুক্তি ছিল, পশ্চিমবঙ্গের নাম ওয়েস্ট বেঙ্গল হওয়ায় সব ক্ষেত্রেই সবার পিছনে থাকতে হয়, এছাড়া পূর্ববঙ্গ বলে যেহেতু এখন আর কিছু নেই, তাই পশ্চিমবঙ্গ নামেরও কোনও মানে নেই। তবে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে যুক্তি দেওয়া হয় যে, পড়শি রাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে রাজ্যের প্রস্তাবিত নাম প্রায় এক হয়ে যাচ্ছে। রাজ্যের সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়নি, প্রস্তাবটি খারিজও করা হয়নি। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এ বিষয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি জানান, মন্ত্রিসভায় যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, শুধু সে কথাই জানাচ্ছেন তিনি।

এসআইআর-এ প্রমাণ হিসেবে যে ১৩টি নথি জমা দেওয়ার কথা, তার মধ্যেই নথি জমা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি ভোটারদের। ১ থেকে ৯৫ নম্বর বুথের ভোটারদের ক্ষেত্রে নথি আপলোড হয়নি বলে অভিযোগ।


এসআইআরে বড় বিভ্রাট! অফিসারের ভুলেই বাদ যেতে পারে সাড়ে ৮ হাজার ভোটারের নাম
কলকাতায় ছুটে এসেছেন ভোটার

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পথে। অথচ জটিলতা এখনও বাড়ছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। নথি দেওয়ার পরও এখনও ভোটাররা অন্ধকারে। লক্ষাধিক নথি আপলোড হয়নি, এমন তথ্য আগেই সামনে এসেছে। এবার অভিযোগ উঠল, কেবল একটি এলাকা থেকেই অন্তত সাড়ে ৮ হাজার নাম বাদ পড়তে পারে।


মুর্শিদাবাদের সুতির লক্ষ্মীপুরে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা। খবর পেয়েছে কলকাতায় ছুটে এসেছেন ওই এলাকার অনেক ভোটার। তাঁদের দাবি, প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দেওয়া সত্ত্বেও সেগুলি আপলোড করেননি এইআরও। অফিসারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার আর্জি জানাচ্ছেন তাঁরা।



বাহিনী-বৈঠকে কমিশন-রাজ্য, আর সেখানেই রাজ্য প্রশাসনকে কড়া বার্তা
নার্সই যখন ডাক্তার-টেকনিশিয়ান-ফার্মাসিস্ট, কী চলছে বাঁকুড়ার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে?
এসআইআর-এ প্রমাণ হিসেবে যে ১৩টি নথি জমা দেওয়ার কথা, তার মধ্যেই নথি জমা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি ভোটারদের। ১ থেকে ৯৫ নম্বর বুথের ভোটারদের ক্ষেত্রে নথি আপলোড হয়নি বলে অভিযোগ।

অভিযোগকারী ভোটারদের দাবি, ব্যক্তিগতভাবে খোঁজ নিয়ে তাঁরা জানতে পেরেছেন তথ্য আপলোড হয়নি, তাই ছুটে এসেছেন কমিশনে। হাতে আর বেশি সময় নেই। কী হবে, কিছুই বুঝতে পারছেন না তাঁরা।

আগেই অভিযোগ উঠেছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের ভুলে বাদ যেতে পারে লক্ষাধিক বৈধ ভোটারের নাম। ইআরও (ERO) ও এইআরও (AERO)-দের ভুলের জন্য লক্ষাধিক ডকুমেন্ট আপলোড হয়নি বলেই অভিযোগ। ফলে সেই সব নাম চূড়ান্ত তালিকায় থাকবে না বলেই কমিশন সূত্রে খবর। এরকম অন্তত ১ লক্ষ ১৪ হাজার ভোটারের ডকুমেন্টস জমা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। ডিইও-রা এমনটাই দাবি করেছেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।




আজ থেকে বৃষ্টির আর কোনও সম্ভাবনা নেই। রোদ উঠবে। মেঘ কেটে যাবে বিকালের দিকে। আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। কিন্তু বাতাসে যেহেতু জলীয় বাষ্প এখনও রয়ে গিয়েছে, তাই ভ্যাপসা গরম লাগবে। এখন রাতের তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেটা ৩-৪ দিন পর আরও ২-৩ ডিগ্রি বেড়ে যাবে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। তবে বেশি ক্ষণ হয়নি। প্রথমে মাঝারি বৃষ্টিপাত হলেও, সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রমশ হালকা হয়ে থেমে যায়। বৃষ্টিপাতের সময়ে বজ্রপাত যেমন হচ্ছিল, তেমনই বইছিল ঝোড়ো হাওয়া।


বৃষ্টির পালা শেষ, এবার বাড়বে তাপমাত্রা
আবহাওয়ার নতুন কী পরিবর্তন?

বৃষ্টির হাত ধরে দিনের তাপমাত্রায় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের পতন। তবে বৃষ্টির পালা শেষ, এবার শুকনো আবহাওয়া। ৩ দিন পর ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ, বুধবার থেকেই বাড়বে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা, যেটা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে পৌঁছে গিয়েছিল, সেটা গতকাল ২৭ ডিগ্রির নীচে নেমে গিয়েছে। তার একমাত্রা কারণ বসন্তের বৃষ্টি।

আজ থেকে বৃষ্টির আর কোনও সম্ভাবনা নেই। রোদ উঠবে। মেঘ কেটে যাবে বিকালের দিকে। আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। কিন্তু বাতাসে যেহেতু জলীয় বাষ্প এখনও রয়ে গিয়েছে, তাই ভ্যাপসা গরম লাগবে। এখন রাতের তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেটা ৩-৪ দিন পর আরও ২-৩ ডিগ্রি বেড়ে যাবে।


'ফর্ম ৬-এ একটা বিশাল বড় ব্লান্ডার রয়েছে, যা এতদিন কেন্দ্রের নজরে পড়েনি', এবার সুপ্রিম কোর্টে হতে চলেছে চ্যালেঞ্জ
কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। তবে বেশি ক্ষণ হয়নি। প্রথমে মাঝারি বৃষ্টিপাত হলেও, সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ক্রমশ হালকা হয়ে থেমে যায়। বৃষ্টিপাতের সময়ে বজ্রপাত যেমন হচ্ছিল, তেমনই বইছিল ঝোড়ো হাওয়া। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হওয়ার কারণেই এই অসময়ের বৃষ্টি।

বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার জেরে হুগলি-সহ বিভিন্ন জেলার আমচাষিরা ক্ষতির মুখে কারণ আমের মুকুল ঝরে গিয়েছে প্রচুর। পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি-১ ব্লকের বেড়মজুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কলাগাছি নদীর বাঁধে নেমেছে ধস। তলিয়ে গিয়েছে প্রায় ৫০ ফুট

বৈঠক শেষে নওশাদ জানান, লোকসভা ভিত্তিক আলোচনা হচ্ছে, সিট ধরে ধরে আলোচনা হয়েছে এদিন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার পরে জানানো হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, কিছু কিছু আসন নিয়ে নিজেদের শর্তে অনড় রয়েছে আইএসএফ ও সিপিএম। ওই আসনগুলির ক্ষেত্রে কেউ সমঝোতা করতে নারাজ।


দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে, সিপিএম-আইএসএফ জোটটা আদৌ হচ্ছে তো? কী বললেন নওশাদ

 বামফ্রন্টের সঙ্গে বেশ কয়েকদফা বৈঠক সেরে ফেললেন আইএসএফ প্রধান নওশাদ সিদ্দিকী। ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন এক দলের কাছে শূন্য থেকে সংখ্যায় ফেরার লড়াই, আর এক দলের প্রসার বাড়ানোর প্রচেষ্টা। হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে কথা বলার জন্য দলের অন্দরেই বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে মহম্মদ সেলিমকে, তাই হুমায়ুন এখন ‘ক্লোজড চ্যাপ্টার’। কংগ্রেসও এবার সঙ্গে নেই। নওশাদ সিদ্দিকীর আসন নিয়ে আব্দারও জারি আছে। তাই দফায় দফায় বৈঠকে বসছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

আজ, মঙ্গলবার দুপুরে বিমান বসুর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন নওশাদ। কিন্তু এদিনের বৈঠকেও মিলল না কোন চূড়ান্ত সমাধান সূত্র। বুধবার সন্ধ্যে ছ’টার পর ফের আলিমুদ্দিনে আইএসএফ-সিপিএম বৈঠক হবে। এদিনই আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।



কাপড় মেলা নিয়ে দুই জায়ে ঝগড়া, পরিণতি এমন হবে ভাবতেও পারেননি কেউ
কতজন অতিথি থাকছেন রশ্মিকা-বিজয়ের বিয়েতে? মেনু উচ্চারণে দাঁত ভেঙে যাবে
বৈঠক শেষে নওশাদ জানান, লোকসভা ভিত্তিক আলোচনা হচ্ছে, সিট ধরে ধরে আলোচনা হয়েছে এদিন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার পরে জানানো হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, কিছু কিছু আসন নিয়ে নিজেদের শর্তে অনড় রয়েছে আইএসএফ ও সিপিএম। ওই আসনগুলির ক্ষেত্রে কেউ সমঝোতা করতে নারাজ। সে ব্যাপারেও আপাতত ঐক্যমত হওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন নওশাদ সিদ্দিকী। বিশেষ করে বামেদের শরিক দল ফরওয়ার্ড ব্লকের সঙ্গে আগেরবার যে দ্বন্দ্ব হয়েছিল, তা হবে না বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

তিনি জানান, রাজ্য জুড়ে জোটের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গিয়েছে। বাকিটা চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পর তিনি জানাবেন, কটা আসন চেয়েছিলেন, আর কতগুলিতে রফা হয়েছে। সিপিএমের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।

নিউজিল্যান্ডের গ্রুপকে নেতৃত্ব দেবেন শমীক ভট্টাচার্য । আলজিরিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুলগেরিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন কাকলি ঘোষদস্তিদ্বার । ডেরেক ওব্রায়েন রয়েছেন চিলির দায়িত্বে। ইন্দোনেশিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন শিব সেনার একনাথ শিন্ডে। জাপানকে নেতৃত্ব দেবেন অখিলেশ যাদব। ইতালিকে নেতৃত্ব দেবেন পি চিদম্বরম।

 আলজিরিয়ায় অভিষেক, বুলগেরিয়াতে কাকলি, চিলিতে ডেরেক, হঠাৎ তৃণমূল সাংসদদের 'বিশ্বভ্রমণ' কেন?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

 ফের সংসদীয় প্রতিনিধি দলে জায়গা পেলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে ভারত সংসদীয় বন্ধু গোষ্ঠী স্থাপন করেছে। আর এই বিশেষ গোষ্ঠীতে কোন সাংসদরা থাকবেন, তা বেছে নিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সাংসদদের তালিকায় বিজেপি সরকারের সাংসদ যেমন শমীক ভট্টাচার্যের নাম তো থাকছেই। একইসঙ্গে বিরোধী দলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, কাকলি ঘোষদস্তিদ্বারদেরও নাম রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু সাংসদদের একটি তালিকা প্রকাশিত করেছে। সেখানেই দেখা গেল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি দলকে নেতৃত্ব দেবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।


এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। পোস্টে তিনি লেখেন, “অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি ভারত এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য সংসদীয় বন্ধুত্ব গোষ্ঠী গঠনের প্রস্তাব করেছিলেন। মাননীয় স্পিকার ওম বিড়লাজি এখন ৬০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে বন্ধু গোষ্ঠী গঠন করেছেন। এই উদ্যোগ বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক সম্পর্ক জোরদার করবে।”



'আমরা প্রস্তুত, তবে নো SIR, নো ভোট', কমিশনকে কড়া বার্তা শমীকের
জানা গিয়েছে, মোট ৬৪টি সংসদীয় বন্ধু গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে। প্রত্যেক দলে বিজেপি সাংসদের পাশাপাশি বিরোধী সাংসদরাও থাকছেন। যে দেশগুলির প্রতিনিধিত্ব করবে ভারত, সেগুলি হল শ্রীলঙ্কা, সৌদি আরব, আর্মেনিয়া, আলজিরিয়া,জার্মানি, নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভুটান, ইজরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, নেপাল, জাপান, ইতালি ইত্যাদি।


নিউজিল্যান্ডের গ্রুপকে নেতৃত্ব দেবেন শমীক ভট্টাচার্য। আলজিরিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুলগেরিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন কাকলি ঘোষদস্তিদ্বার। ডেরেক ওব্রায়েন রয়েছেন চিলির দায়িত্বে। এছাড়া, অন্যান্য যে বিরোধী দলগুলি রয়েছে যেমন, কংগ্রেসের প্রমোদ তিওয়ারি নেতৃত্ব দেবেন মেক্সিকোকে। এই মুহূর্তে উত্তপ্ত মেক্সিকো। সেক্ষেত্রে প্রমোদ তিওয়ারিকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইন্দোনেশিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন শিব সেনার একনাথ শিন্ডে। জাপানকে নেতৃত্ব দেবেন অখিলেশ যাদব। ইতালিকে নেতৃত্ব দেবেন পি চিদম্বরম। আর্মেনিয়াকে নেতৃত্ব দেবে সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব।

প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য সারা বিশ্বে তুলে ধরতে আগেও বিভিন্ন দেশে প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল ভারত। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারত যে জিরো-টলারেন্স নীতি নিয়েছে, তা গোটা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চেয়েই এই বিশেষ পদক্ষেপ করেছিল কেন্দ্র। সেই সর্বদলীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আবারও একবার তৃণমূলের হয়ে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে চলেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।

দুই জেলার জেলাশাসক বাদ যাওয়া নাম তুলতে চাপ দিচ্ছে, এমনই অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, শুনানির শেষ দিনে নদিয়ার এডিএম গিয়ে প্রভাব খাটিয়েছেন। অনুপ্রবেশকারীদের নাম তোলার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। এদিন এই সংক্রান্ত একটি অডিয়ো জমা করতেই এসেছিলেন শুভেন্দু।

শুভেন্দু অধিকারীকে জুতো ছোড়ার অভিযোগ, কমিশনের দফতরের সামনে তুলকালাম

ভরসন্ধ্যায় তুলকালাম পরিস্থিতি কলকাতার নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে। তৃণমূল ও বিজেপিপন্থী বিএলও-দের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এদিন বিকেলে কমিশনের দফতরের সামনে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আর সেই অভিযোগেই বিএলও-দে মধ্যে তুমুল গণ্ডগোল শুরু হয়।


এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করতে কমিশনের দফতরে যান শুভেন্দু। সেখানে প্রবেশ করার সময়ই শুভেন্দুকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়া হয় ও স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই বিজেপিপন্থী বিএলও-রা সরব হন। তাঁরা বলতে থাকেন, “শুভেন্দু দাকে জুতো মারল আর পুলিশ বসে বসে হাসছে।” এই বলে বিএলও-দের একাংশের উপর চড়াও হন তাঁরা। একে অপরের দিকে আঙুল উঁচিয়ে কথা বলতে থাকেন। রীতিমতো ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ। রীতিমতো উত্তপ্ত এলাকা। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করছেন বিএলও-দের একাংশ।




সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু জানান, বেশ কিছু অভিযোগ ও দাবি নিয়ে এদিন সিইও-র সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, দুই জেলার জেলাশাসক বাদ যাওয়া নাম তুলতে চাপ দিচ্ছেন। তাঁর আরও দাবি, শুনানির শেষ দিনে নদিয়ার এডিএম গিয়ে প্রভাব খাটিয়েছেন। অনুপ্রবেশকারীদের নাম তোলার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। এদিন এই সংক্রান্ত একটি অডিয়ো জমা করতেই এসেছিলেন শুভেন্দু। সেখানেই এই ঘটনা ঘটে।

হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, অ্যাডভোকেট জেনারেল ও অ্যাডিশনসাল সলিসিটর জেনারেলকে। কিন্তু সেই বৈঠকে মনোজ পন্থ ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

মনোজ পন্থকে গ্রেফতার করার দাবি! অবশেষে বিতর্কের জবাব দিল রাজ্য

মুখ্যসচিব পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান সচিব পদ পেয়েছেন মনোজ পন্থ। মুখ্যসচিব পদে রয়েছেন নন্দিনী চক্রবর্তী। কিন্তু এসআইআর আবহে এবার বিতর্কে সেই মনোজ পন্থ। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তাঁকে গ্রেফতার করার দাবিতে সরব হয়েছে বিজেপি। এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে একটি বৈঠকে উপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে পন্থের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে এবার বিজেপিকে জবাব দিল রাজ্য সরকার।


সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জুডিশিয়াল অফিসারদের তত্ত্বাবধানে এসআইআর-এর যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। পুরো প্রক্রিয়ার জন্য দফায় দফায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। সেই বৈঠকে কেন মনোজ পন্থকে পাঠানো হল? প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। 


সিঙ্গুরে এবার জিতবে কে? জনতা কী বলছে দেখুন
হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, অ্যাডভোকেট জেনারেল ও অ্যাডিশনসাল সলিসিটর জেনারেলকে। কিন্তু সেই বৈঠকে মনোজ পন্থ ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।


সুকান্ত বলেন, “কোন পদাধিকার বলে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মনোজ পন্থ? এভাবে প্রধান বিচারপতির উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে। অবিলম্বে এফআইআর করে মনোজ পন্থকে গ্রেফতার করা উচিত।”

সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগের উত্তরে রাজ্য সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির অনুমতি নিয়েই মনোজ পন্থ ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এসআইআর সংক্রান্ত বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিকও।