WEATHER

Top News


সকাল থেকে হলের দরজা না খোলায় সোহমের বন্ধুদের মধ্যে শোরগোল শুরু হয়ে যায়। তাঁরাই খবর দেন সিকিউরিটিকে। শেষ পর্যন্ত খবর চলে যায় পুলিশের কাছে। পুলিশ এসে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ছাত্রকে উদ্ধার করে। দ্রুত বিসি রায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।

১৮ তারিখের পর ২৮, এক মাসেই দুই ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধারে শোরগোল খড়গপুরে
শোকের ছায়া ক্য়াম্পাসে


ঠিক ১০ দিনের মাথায় ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। খড়গপুর আইআইটিতে আবারও এক ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রের নাম সোহম হালদার। ২২ বছরের ওই ছাত্রের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের শালবাগান এলাকায়। খড়গপুর আইআইটির মদন মোহন মালব্য হলে থাকছিল ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এম টেকের ওই ছাত্র। 

সকাল থেকে হলের দরজা না খোলায় সোহমের বন্ধুদের মধ্যে শোরগোল শুরু হয়ে যায়। তাঁরাই খবর দেন সিকিউরিটিকে। শেষ পর্যন্ত খবর চলে যায় পুলিশের কাছে। পুলিশ এসে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ছাত্রকে উদ্ধার করে। দ্রুত বিসি রায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে দেন। 



 ভুলভাল খেয়ে পেটের ১২টা বেজেছে? কোলোন পরিষ্কার করুন ৮ উপায়ে
20 सुंदर जगहें जहाँ ज़िंदगी में एक बार जाना चाहिए
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৮ তারিখ অটল বিহারি বাজপেয়ী হল থেকে এক ছাত্রের ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার খবর পাওয়া যায়। তাঁকেও উদ্ধার করে বিসি রায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। তাঁর নাম জয়বীর সিং ডোডিয়া। তাঁর বয়স মাত্র ২১ বছর। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র। আহমেদাবাদের বাসিন্দা ওই ছাত্র থাকছিল নেহেরু হলে। এদিকে ২০২৫ সালের শুরু থেকেই খড়গপুরে একের পর এক ছাত্রের মৃত্যুর খবরে শোরগোল পড়ে যায় শিক্ষা মহলে। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সাতজন ছাত্র প্রাণ হারিয়েছেন। তা নিয়েও বিস্তর চাপানউতোর হয়। এবার নতুন করে আরও এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় চাপানউতোর। 


মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, "প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় আইপিএস অফিসার ছিলেন। অবসরের পর তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। তবে আইপিএসদের একটা সৌজন্যতা রয়েছে। এটাকে সৌজন্যতা হিসেবেই দেখা ঠিক হবে। জুনিয়র ছিলেন। তাই, সৌজন্য দেখিয়েছেন। এটা থাকা ভালো। রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, প্রাক্তন সিনিয়র হিসেবেই স্যালুট করেছেন বলে আমার মনে হয়।"


 গণনাকেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীকে দেখেই স্যালুট অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের, বিজেপি বলল...
তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্যালুট অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের


তিনি প্রাক্তন আইপিএস অফিসার। এবার তৃণমূলের টিকিটে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চাঁচলের সেই তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে (TMC candidate Prasun Banerjee) গণনাকেন্দ্রে দেখে স্যালুট করলেন মালদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

প্রথম দফার নির্বাচনের পর থেকে মালদহ জেলার দুই গণনাকেন্দ্রের স্ট্রংরুমে বন্দি রয়েছে ইভিএম। মালদহ কলেজে রয়েছে পাঁচটি বিধানসভা এলাকার স্ট্রংরুম। মালদহ পলিটেকনিক কলেজে রয়েছে সাতটি বিধানসভা এলাকার ইভিএম। মঙ্গলবার জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের নিয়ে গণনাকেন্দ্রের নিয়মাবলী নিয়ে বৈঠক করেন।



একে একে প্রার্থীরা মালদহ কলেজে আসতে শুরু করেন। এক সময় মালদহ কলেজে এসে পৌঁছন চাঁচল বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মালদহ কলেজে প্রবেশ করে পুলিশ সুপার অনুপম সিংয়ের সঙ্গে হাত মেলান। এরপর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দিকে এগিয়ে যেতেই প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্যাল্যুট করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক রায়। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

কী বলছে তৃণমূল ও বিজেপি?

বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল কীভাবে পুলিশ আধিকারিকদের দলদাসে পরিণত করে রেখেছে, এটাই তার উদাহরণ। বিজেপির দক্ষিণ মালদহের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় বলেন, “প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় এখন কর্মরত নন। তা সত্ত্বেও তাঁকে দেখামাত্র স্যালুট করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। সৌজন্যতা ঠিক আছে। কিন্তু, যখন আপনি সংবিধানের শপথ নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন, তখন সংবিধান মানতে হবে। তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করার যে প্রবণতা, সেটা বন্ধ করতে হবে। সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করুন।”

যদিও পালটা শাসকদলের দাবি, আইপিএস-দের একটা সৌজন্যতা থাকে। যেহেতু তিনি একটা সময় আইপিএস অফিসার ছিলেন। সেই কারণেই জুনিয়র অফিসার তাঁকে স্যাল্যুট করেছেন। মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, “প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় আইপিএস অফিসার ছিলেন। অবসরের পর তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। তবে আইপিএসদের একটা সৌজন্যতা রয়েছে। এটাকে সৌজন্যতা হিসেবেই দেখা ঠিক হবে। জুনিয়র ছিলেন। তাই, সৌজন্য দেখিয়েছেন। এটা থাকা ভালো। রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, প্রাক্তন সিনিয়র হিসেবেই স্যালুট করেছেন বলে আমার মনে হয়। ঠিক হয়েছে কি না, এটা কমিশন ও নিয়ম বলবে।”

 অজয় পাল শর্মার পরিচিতি আবার দেশ জোড়া। এমনিতে যোগী রাজ্যের পুলিশ অফিসার। এনকাউন্টার স্পেশ্যালিস্ট হিসাবেই পরিচিত ২০১১ সালের এই আইপিএস অফিসার। বর্তমানে প্রয়াগরাজে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়িত্বে আছেন।


 ‘ও সিঙ্ঘম হলে আমরা পুষ্পা রাজ, ঝুকেগা নেহি’, ভোটের মুখে অজয়কে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন জাহাঙ্গির
জোর চর্চা রাজনৈতিক আঙিনায়


 একজন যদি সিঙ্ঘম হয়ে থাকেন তাহলে আর একজন বলছেন তিনি পুষ্পা, ঝুঁকেগা নেহি। পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে এ ভাষাতেই হুঙ্কার দিয়েছেন ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। তাঁর সাফ কথা, কে কোন এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট আমরা জানি না। আমরা ওয়ান্টেড বই দেখেছি সলমন খানের, কিক দেখেছি, জনতার আদালত দেখেছি। আমাদের ধমকে চমকে ভয় দেখিয়ে চুপ করাতে পারবে না।”


এরপরই হুঙ্কারের ধার আরও বাড়িয়ে ফলতার তৃণমূল প্রার্থী আরও বলেন, “আমরা পুষ্পা রাজ। ঝুকেগা নেহি। মৃত্যু মেনে নেব না। কিন্তু দিল্লির পুলিশের চমকানোতে আমরা ভয় পাই না। ওনার চমকানো কতটা বাড়তে থাকে দেখা যাক। তারপর আমরা দেখছি। আমাদের এলাকার মা-বোনেরা উত্তেজিত হচ্ছে। ওরা যখন এক হয়ে ঝাঁটাপেটা করবে তখন বুঝতে পারবে।” জাহাঙ্গিরের দাবি, দেশের পয়সা খরচ করে দিল্লি থেকে অফিসারদের নিয়ে এসে ডায়লগ দিচ্ছে আর চমকাচ্ছে। এতে কোনও কাজ হবে না। ফলতার গণদেবতা ২৯ তারিখে জোড়াফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে বিজেপির জমানত জব্দ করবে। 



প্রসঙ্গত, অজয় পাল শর্মার পরিচিতি আবার দেশ জোড়া। এমনিতে যোগী রাজ্যের পুলিশ অফিসার। এনকাউন্টার স্পেশ্যালিস্ট হিসাবেই পরিচিত ২০১১ সালের এই আইপিএস অফিসার। বর্তমানে প্রয়াগরাজে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়িত্বে আছেন। ২০২৪ সালের মহাকুম্ভ মেলায় তিনি নোডাল অফিসার ছিলেন। ২০২৫ সালে পেয়েছেন স্বর্ণপদক। পেশায় পুলিশ কিন্তু দাঁতের ডাক্তারও বটে। পাতিয়ালা কলেজ থেকে ডেন্টাল সার্জেনের ডিগ্রি রয়েছে তাঁর। এখন ভোটের আবহে দুষ্কৃতীদের বিষদাঁত কতটা ভাঙতে পারেন এই আইপিএস সেটাই দেখার। 

 তৃণমূল নেতা শান্তনু সেন বলেছেন বিস্ফোরক অভিযোগ। তাঁর অভিযোগ, অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের পোস্টিং দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, একাধিক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে অজয় পাল শর্মার।


 একাধিক মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি, সঙ্গে 'সহবাস', স্বল্পবাসনাদের সঙ্গে ছন্দে গা ভাসানো! 'সিঙ্ঘম' IPS অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ


‘সিঙ্ঘম Vs পুষ্পা’, দ্বিতীয় দফার আগে এই শব্দবন্ধ এখন ভাইরাল। নেপথ্যে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ও ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হওয়া উত্তরপ্রদেশের ‘সিঙ্ঘম’ অজয় পাল শর্মা। তৃণমূলের প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার ভিডিয়ো এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। তারপরই অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।

তৃণমূল নেতা শান্তনু সেন বলেছেন বিস্ফোরক অভিযোগ। তাঁর অভিযোগ, অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের পোস্টিং দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, একাধিক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে অজয় পাল শর্মার।তাঁর কথায়, “উত্তর প্রদেশের পুলিশ, যাঁর বিরুদ্ধে এত অভিযোগ। যার বিরুদ্ধে পুলিশ পোস্টিং দেওয়ার নাম করে টাকা খাওয়ার অভিযোগ রয়েছে, যার সঙ্গে একাধিক মহিলার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ রয়েছে, তাঁকে এখানে পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হল! বাংলার মাটি আলাদা, সেটা বুঝতে হবে। বাংলা এসব মেনে নেওয়া হবে না।”



প্রসঙ্গত, অজয় পাল শর্মার একটি ভিডিয়ো নিজের এক্স হ্যান্ডেলেও পোস্ট করেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সেখানে দেখা যাচ্ছে, স্বল্পবাসনা নর্তকীদের সঙ্গে ছন্দে নাচছেন অজয় পাল শর্মা। সেই ভিডিয়ো সামনে আসতেই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়।

ভিডিয়ো পোস্ট করে মহুয়া লেখেন, “আশা করি আপনার পুলিশি দক্ষতা, নাচের দক্ষতার চেয়ে ভালো।” তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “ওনার নাচের কী ইচ্ছা আছে জানি না! তবে এখানে এসে এসব চলবে না। পুলিশ অবজারভার হয়ে এখানে যে নাচগুলো করছেন, এগুলো এখানে চলবে না। এটা বাংলার মাটি।” তিনি আরও বলেন, “যাদের অঙ্গুলিহেলনে এসেছেন, তাঁরা তো রয়েছেন কেন্দ্রে বসে। এখানে যাদের বিরুদ্ধে এসেছেন, এখানে তো পুষ্পা রয়েছে।”

অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে আদালতে মামলাও হয়েছে। তবে সেই মামলা ধোপে টেকেনি। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট করে দেন, ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত নির্বাচনের কাজে যুক্ত থাকা কোনও আধিকারিকের কাজে হস্তক্ষেপ করবে না আদালত।

এখানে উল্লেখ্য, আফরিন বেগম সিপিএম অন্যতম নতুন যুব মুখ। তিনি বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকলেও ততটা পরিচিতি পাননি। তবে, এবারের ভোটে প্রার্থী হওয়ার আগেই মহম্মদ সেলিম ও শমীক লাহিড়ীর সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের মুখোমুখি হয়ে নজর কাড়েন।

আফরিন সুন্দরী যুবতী...বিয়ে দিয়ে দিন',মাইক হাতে এইসব বলছেন তৃণমূল নেতা, কমিশনে গেল CPM
আফরিন বেগম ও ওয়াকর আজম


রাত পোহালে দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ। তার আগের দিনও ভোট প্রচারের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে বালিগঞ্জের ৬৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভোট প্রচারের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে সিপিএম। এমনকী, সিপিএম প্রার্থী আফরিন বেগমের নামে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।


কী কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়েছে আফরিনকে?





আফরিন বলেন, “ওয়াকার আজম নামে তৃণমূল কর্মী আমার নামে ব্যক্তি কুৎসা রটাচ্ছে সংখ্যালঘু ওয়ার্ডগুলিতে। আমার বয়সকে কেন্দ্র করে একাধিক আক্রমণ করছে। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী গতকালই ৫টার পর থেকে প্রচার বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। সেখানে দাঁড়িয়ে তৃণমূল মাইক নিয়ে এই প্রচার চালাতে পারে ? পুলিশ কেন কোনও কথা বলছে না? আমি মনে করি এটার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়া হোক।”

মাইক হাতে ঠিক কী বলছিলেন ওই তৃণমূল কর্মী?

দেখা যাচ্ছে একটি সংখ্যালঘু অঞ্চলে মাইক হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ওয়াকার আজম। তিনি বলছেন, “ওরা বলছে আফরিনের কম বয়স, নতুন প্রজন্ম ভোট দিন। কিন্তু নির্বাচনে লড়াই করার জন্য কাজ দেখতে হয়,বয়স নয়। আর যদি সুন্দরী যুবতী হয় তাহলে বিয়ে দিয়ে দিন। নির্বাচনে লড়াই করতে পাঠাবেন না। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়কে এই কেন্দ্রে দাঁড় করিয়েছেন। যার অভিজ্ঞতা প্রচুর।” ঠিক এই ধরনের মন্তব্যের জন্যই ক্ষুব্ধ সিপিএম প্রার্থী। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ করেছে তারা।

এখানে উল্লেখ্য, আফরিন বেগম সিপিএম অন্যতম নতুন যুব মুখ। তিনি বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকলেও ততটা পরিচিতি পাননি। তবে, এবারের ভোটে প্রার্থী হওয়ার আগেই মহম্মদ সেলিম ও শমীক লাহিড়ীর সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের মুখোমুখি হয়ে নজর কাড়েন। এসআইআরে বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি । তখন থেকেই শুরু হয়েছিল আফরিনকে নিয়ে গুঞ্জন। কে তিনি, কী করেন, কী পরিচয় ইত্যাদি ইত্যাদি। পরে দেখা গেল, তৃণমূলের প্রবীণ তথা দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ তথা রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যুব মুখ আফরিনের উপরই ভরসা রেখেছেন বাম নেতৃত্ব।


মঙ্গলবার সকালে প্রথমে ফলতার খানপাড়ায় প্রবেশ করেন অজয় পাল শর্মা। সেখান থেকে স্থানীয় লোককে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। মূলত যাঁদের বিরুদ্ধে এলাকায় ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের খোঁজার চেষ্টা করছেন তাঁরা।


 জাহাঙ্গীরের পার্টি অফিসের পাশ দিয়ে এগোতেই আটকে দেওয়া হল অজয় শর্মার কনভয়

দ্বিতীয় দফার আগেই সব নজর ঘুরে গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতার দিকে। সকাল থেকে দাগিদের তালিকা হাতে নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে এলাকায় ঘুরছেন আইপিএস অজয় পাল শর্মা (Ajay Pal Sharma)। সঙ্গে রয়েছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সোমবার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের বাড়িতে পৌঁছে গ গিয়েছিলেন এই পুলিশ অবজারভার। মঙ্গলবার সকাল থেকে সেই মেজাজেই ফের দেখা গেল তাঁকে। তবে এদিন জাহাঙ্গীরের অনুগামীরা রীতিমতো স্লোগান দিতে শুরু করেন।

ফলতায় ঠিক কী ঘটল?
মঙ্গলবার সকালে প্রথমে ফলতার খানপাড়ায় প্রবেশ করেন অজয় পাল শর্মা। সেখান থেকে স্থানীয় লোককে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। মূলত যাঁদের বিরুদ্ধে এলাকায় ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের খোঁজার চেষ্টা করছেন তাঁরা। সেই গ্রাম থেকে বেরনো সময় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় আইপিএসের কনভয়কে।


একাধিক মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি, সঙ্গে 'সহবাস', স্বল্পবাসনাদের সঙ্গে ছন্দে গা ভাসানো! 'সিঙ্ঘম' IPS অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ
20 सुंदर जगहें जहाँ ज़िंदगी में एक बार जाना चाहिए
অদূরেই ছিল জাহাঙ্গীর খানের কার্যালয়। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে শুরু করেন অনুগামীরা। অজয় পাল শর্মার গাড়ি এগিয়ে গেলেও, কনভয়ের পিছনে থাকা সিআরপিএফের কয়েকটি গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। কেউ কেউ সন্দেশখালির ঘটনার সঙ্গেও মিল খুঁজে পান এদিন।

সিংহম বনাম পুষ্পা
সোমবার দেখা যায়, জাহাঙ্গীরের খোঁজ করতে করতে তাঁর বাড়ির সামনে গিয়ে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে আসেন অজয় শর্মা। বলেন, ‘বাড়ির লোককে বলে দেবেন, সবাইকে যেভাবে ধমক দিচ্ছে, তাতে পরে যেন পস্তাতে না হয়।’ আর আজ মঙ্গলবার জাহাঙ্গীর বলেন, “আমরা পুষ্পা রাজ। ঝুকেগা নেহি। মৃত্যু মেনে নেব না। কিন্তু দিল্লির পুলিশের চমকানোতে আমরা ভয় পাই না। ওঁর চমকানো কতটা বাড়তে থাকে দেখা যাক। তারপর আমরা দেখছি। আমাদের এলাকার মা-বোনেরা উত্তেজিত হচ্ছে। ওরা যখন এক হয়ে ঝাঁটাপেটা করবে তখন বুঝতে পারবে।”

তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, "ওনার নাচের কী ইচ্ছা আছে জানি না! তবে এখানে এসে এসব চলবে না। পুলিশ অবজারভার হয়ে এখানে যে নাচগুলো করছেন, এগুলো এখানে চলবে না। এটা বাংলার মাটি।" তিনি আরও বলেন, "যাদের অঙ্গুলিহেলনে এসেছেন, তাঁরা তো রয়েছেন কেন্দ্রে বসে। এখানে যাদের বিরুদ্ধে এসেছেন, এখানে তো পুষ্পা রয়েছে।"

 'আশা করি আপনার পুলিশি দক্ষতা, নাচের দক্ষতার চেয়ে ভাল', এবার IPS অজয় পাল শর্মাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ TMC-র
এই ভিডিয়ো ফুটেজ ঘিরেই বিতর্ক!

 অভিষেকের গড়ে দুঁদে উত্তরপ্রদেশের ‘এনকাউন্টার স্পেশ্যালিস্ট’ অজয় পাল শর্মা। ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দিয়ে আসার ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই চর্চিত। এবার এই IPS অজয় পাল শর্মাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ তৃণমূল কংগ্রেসের। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র বেশ কিছু ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন। সেই ভিডিয়ো IPS-কে ট্যাগ করেছেন। তাতে তিনি লিখেছেন, “আশা করি আপনার পুলিশি দক্ষতা, নাচের দক্ষতার চেয়ে ভালো।”



তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “ওনার নাচের কী ইচ্ছা আছে জানি না! তবে এখানে এসে এসব চলবে না। পুলিশ অবজারভার হয়ে এখানে যে নাচগুলো করছেন, এগুলো এখানে চলবে না। এটা বাংলার মাটি।” তিনি আরও বলেন, “যাদের অঙ্গুলিহেলনে এসেছেন, তাঁরা তো রয়েছেন কেন্দ্রে বসে। এখানে যাদের বিরুদ্ধে এসেছেন, এখানে তো পুষ্পা রয়েছে।”

তবে এই নিয়ে কী বলছে বিজেপি? বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “যে রুচি প্রদর্শন করেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতানেত্রীরা, ওই মহিলা বিশেষত, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কোনওরকমের প্রতিক্রিয়া দেওয়ার ইচ্ছা বা প্রতিভা বিজেপির কোনও প্রান্তিক কর্মীরও নেই। আমরা এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাই না।”

মুখ খুলেছেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, “পুলিশ অবজারভার এমন রোল প্লে করছেন, যেন কোনও বিশেষ দলের নেতা হয়ে এসেছেন। এগুলো আমরা বাংলায় দেখতে অভ্যস্ত। বাংলার পুলিশ, পুলিশের অফিসার, তারা তো তৃণমূল পার্টিটাই করে।

 সোমবার থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন আইপিএস অজয় পাল শর্মা। যাঁদের বিরুদ্ধে এলাকার ত্রাস তৈরি করার অভিযোগ রয়েছে, মূলত তাঁদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন এই পুলিশ পর্যবেক্ষক। তাঁর বিরুদ্ধেই উঠল অভিযোগ।


কলকাতা হাইকোর্টে 'সিংহম' অফিসারের বিরুদ্ধে মামলা, কী বললেন বিচারপতি
অজয়পাল শর্মার বিরুদ্ধে মামলা


কেউ বলছেন ‘দাবাং’, কেউ বলছেন ‘সিংহম’। আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে (IPS Ajay Pal Sharma) ভোটের আগে ফলতা, ডায়মন্ড হারবারের অলি গলিতে যে মেজাজে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে, তাতে এমন সব উপমাই দেওয়া হচ্ছে পুলিশ পর্যবেক্ষককে। এরই মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হল সেই অজয় কুমার শর্মার বিরুদ্ধে।


কী অভিযোগে মামলা হল আদালতে?
সোমবার ফলতার তৃণমূল নেতা তথা প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের বাড়ির সামনে গিয়ে কার্যত সতর্ক করতে শোনা যায় অজয় পাল শর্মাকে। জাহাঙ্গীর যেন ভোটারদের ধমক না দেয়, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হয় তাঁর পরিবারকে। সেই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। জাহাঙ্গীর জানিয়ে দেন, তিনিও ভয় পাওয়ার ছেলে নন। এরপর আজ, মঙ্গলবার হাইকোর্টে ওঠে মামলা।


 খাটের তলায় লুকিয়ে জগদ্দলের অভিযুক্ত, পুলিশ বাড়িতে ঢুকেই যা করল...
20 सुंदर जगहें जहाँ ज़िंदगी में एक बार जाना चाहिए
আদালতে অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভোটার ও প্রার্থীকে হুমকি দিচ্ছেন। তাঁকে আটকানোর আর্জি জানিয়ে মামলা হয়। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে ওঠে সেই মামলা।

ধোপে টেকেনি মামলা
শেষ পর্যন্ত ধোপে টেকেনি সেই মামলা। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ এপ্রিল অর্থাৎ দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন পর্যন্ত কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। যারা নির্বাচনের দ্বায়িত্বে আছে, তাদের কারও কাজে হস্তক্ষেপ করা হবে না বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয। এছাড়া মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ায় শুনানি হয়নি এদিন।

অজয় পাল শর্মার কনভয় ঘিরে চলে বিক্ষোভ
মঙ্গলবার সকাল থেকেও দাবাং মেজাজে দেখা যায় এই আইপিএসকে। তাঁকে দেখে, জাহাঙ্গীর খানের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে শুরু করেন অনুগামীরা। অজয় পাল শর্মার গাড়ি এগিয়ে গেলেও, কনভয়ের পিছনে থাকা সিআরপিএফের কয়েকটি গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। কেউ কেউ সন্দেশখালির ঘটনার সঙ্গেও মিল খুঁজে পান এদিন।

গভীর রাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তাঁর বাড়িতে আসা নিয়ে ফিরহাদ বলেন, "নকশাল আমলে যেভাবে রাতের অন্ধকারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি হত, একই ধরনের ছবি দেখা যাচ্ছে। রীতিমতো হুমকি দেওয়া হচ্ছে। যে এলাকায় অশান্তি নেই, সেখানেও ঝামেলা তৈরি করা হচ্ছে।"

 কাকপক্ষীও টের পায়নি, গভীর রাতে ববি হাকিমের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী, তারপর...
কী বললেন ফিরহাদ হাকিম?


 ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বাড়ির সামনে গিয়ে পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় শর্মা পালের ‘হুঁশিয়ারি’ নিয়ে শোরগোল পড়েছে রাজ্যে। এবার কলকাতার মেয়র তথা কলকাতা বন্দরের তৃণমূল প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বাড়িতে পৌঁছে গেল কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ পর্যবেক্ষক। তাও গভীর রাতে। আর এই নিয়েই কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হলেন ফিরহাদ।


কী বললেন ফিরহাদ হাকিম?


রাত পোহালেই কলকাতা-সহ ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ। প্রচার শেষ। ভোটের আগের দিন কিছুটা খোশমেজাজেই দেখা গেল কলকাতা বন্দরের প্রার্থী ববি হাকিমকে। টিভি৯ বাংলাকে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় গভীর রাতে তাঁর বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসার কথা জানালেন। ববি বলেন, “গতকাল রাত পৌনে একটার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ পর্যবেক্ষক চেতলায় আমার বাড়িতে আসে।” নির্বাচনের সময় যাতে কোনও অশান্তি না হয়, সেই বিষয়ে পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী রীতিমতো সতর্ক করে ফিরহাদকে। একইসঙ্গে বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথে বাধা দেওয়া হলে ভালো হবে না বলেও রীতিমতো কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে যান পুলিশ পর্যবেক্ষক।

ফিরহাদ হাকিম তাঁদের বলেন, “চেতলায় কোনওদিন কোনও অশান্তি হয় না। এবারেও হবে না।” সেই সময় পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর কমান্ডার কলকাতার মেয়রকে বলেন, যদি কোনও সমস্যা না হয়, তাহলে ভালো হবে। কিন্তু যদি কোনওরকম অভিযোগ এই এলাকা থেকে আসে, তাহলে ভালো হবে না বলেও রীতিমতো কড়া ভাষায় সতর্ক করে যান পর্যবেক্ষক।

গতকাল গভীর রাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তাঁর বাড়িতে আসা নিয়ে ফিরহাদ বলেন, “নকশাল আমলে যেভাবে রাতের অন্ধকারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি হত, একই ধরনের ছবি দেখা যাচ্ছে। রীতিমতো হুমকি দেওয়া হচ্ছে। যে এলাকায় অশান্তি নেই, সেখানেও ঝামেলা তৈরি করা হচ্ছে।”

ফিরহাদ আরও বলেন, “চেতলায় বোমা-গুলি তো দূরের কথা, একটা ইটও কোনওদিন পড়েনি। এই কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিসক্রিয়তা বিজেপির পক্ষে ক্ষতিকর হচ্ছে। কারণ, মানুষকে ভয় দেখিয়ে মন জয় করা যায় না। আর শান্তিপূর্ণ এলাকায় এই অতিসক্রিয়তা মানুষের মনে ভয় তৈরি করছে। ভাবছেন, যদি সত্যি সত্যি আসে, তাহলে কি মিলিটারি রুল হবে?”

বিজেপিকে নিশানা করে কলকাতার মেয়র বলেন, “যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী দাপট দেখাচ্ছে, হুমকি দিচ্ছে, মানুষ কিন্তু, খুব রেগে আছেন। ভালোভাবে নিচ্ছেন না। আমার পাড়ার লোকেরা যারা হয়তো অন্য রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী, তাঁরাও এটা ভালোভাবে নিচ্ছেন না।”
সাংবাদিক বৈঠক থেকে কংগ্রেস প্রার্থী বলেন, "এখানে তৃণমূলের যাঁরা-যাঁরা হারবে তাঁরা বিজেপির সঙ্গে লাইন করতে লেগে গিয়েছে। হাত-পা ধরে যদি আগামী দিনে টিকে থাকা যায়। বহরমপুরের তৃণমূল নেতারা বিজেপি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। পৌরসভায় আলোচনা হয়ে গিয়েছে। মালকড়ি কামানো পার্মানেন্ট করতে তৃণমূল নেতারা বিজেপিতে যাওয়ার পরিকল্পনা চলছে।"


 '...বিজেপির সঙ্গে লাইন করা শুরু হয়ে গেছে', রেজাল্টের আগেই বড় কথা অধীরের
অধীর চৌধুরী, কংগ্রেস প্রার্থী

ভোটের ফলপ্রকাশের আগে বিস্ফোরক দাবি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর। এখানে যাঁরা হারবেন তাঁরা যোগসাজশ শুরু করেছেন। বিজেপির হাত-পা ধরে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন তৃণমূল নেতারা। বহরমপুরের তৃণমূলের নেতারা বিজেপিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন। পুরসভায় আলোচনা হয়ে গিয়েছে দাবি বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

কী বলছেন অধীর?


সাংবাদিক বৈঠক থেকে কংগ্রেস প্রার্থী বলেন, “এখানে তৃণমূলের যাঁরা-যাঁরা হারবে তাঁরা বিজেপির সঙ্গে লাইন করতে লেগে গিয়েছে। হাত-পা ধরে যদি আগামী দিনে টিকে থাকা যায়। বহরমপুরের তৃণমূল নেতারা বিজেপি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। পৌরসভায় আলোচনা হয়ে গিয়েছে। মালকড়ি কামানো পার্মানেন্ট করতে তৃণমূল নেতারা বিজেপিতে যাওয়ার পরিকল্পনা চলছে।”

তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “হারবেন তো অধীর চৌধুরী। হারবেন তো বিজেপির এজেন্টরা। তৃণমূল বহরমপুর লোকসভা জিতেছে, বহরমপুর বিধানসভাও জিতবে। কারা সেটিং করছে তা অধীরবাবুর বক্তব্যেই পরিষ্কার। ঠিকই বলেছেন, যাঁরা হারবেন মানে অধীর চৌধুরীই সেটিং করছেন। কারণ বাংলার বুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাস্ত করার ক্ষমতা কারও নেই। সেটা অধীরবাবু বুঝে গিয়েছেন।”

প্রসঙ্গত, কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের বিপরীতে লড়াই করেছিলেন। তবে, পরাজিত হন তিনি। এরপর ছাব্বিশের ভোটে তিনি বিধায়ক পদের জন্য লড়াই করছেন। প্রচারের সময় একাধিকবার তৃণমূলের বাধার মুখ পড়তে হয়েছে অধীর চৌধুরীকে বলে অভিযোগ। সেই সময় থেকেই কংগ্রেস নেতা দাবি করেছিলেন যে, তৃণমূল পরাস্ত হবে বলেই তাঁর প্রচারে বাধা দিচ্ছে। অথচ বহরমপুর বিধানসভায় একুশের ভোটে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। অধীরের প্রশ্ন ছিল, তাহলে কেন বিজেপি নয়, শুধু তাঁরই প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে? তবে কি তৃণমূল ভয় পাচ্ছে? এই সবের মধ্যেই এবার বড় মন্তব্য করে বসলেন অধীর।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অভিযান চালান নির্বাচন কমিশনের পুলিশ অবজারভার, আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। 

ভোটারদের হুমকি ও ভোটার কার্ড কেড়ে নেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এই তল্লাশি চালানো হয় বলে ভাইরাল ভিডিও মারফত জানা যায় এবং সেই ভিডিওতে আরও দেখা যায় জাহাঙ্গীরের খোঁজ না পেয়ে পরিবারকে কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। দেখুন সেই ভিডিও 



এই বিষয়ে কি বলছেন জাহাঙ্গীর খাঁন নিজেই শুনে নিন 



অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে এসে হুমকি দেওয়া পুলিশকর্তাকে ট্যাগ করে ভিডিয়ো প্রকাশ মহুয়ার। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি কাকদ্বীপ ডট কম। তিনি তার নিজের এক্স  হ্যান্ডেলে স্পষ্ট লিখেছেন 
"ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি বাবুয়া আপনাকে 'ফ্যান্টাকপ' (FantaCop) স্টাইলে বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখে ভালো লাগল। একদম 'ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল' থাকুন। বাংলা মানেই সর্বদা তৃণমূল" 

এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি কাকদ্বীপ ডট কম)


দ্বিতীয় দফা নির্বাচনকে ঘিরে চরম উত্তেজনা দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলায়। নির্বাচন কমিশন অজয় পাল শর্মাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে পাঠিয়েছে। এই বিষয়ে কি বলছেন তৃণমূল কংগ্রেস 




শেখ শাহজাহান-কাণ্ডের পর সন্দেশখালিতে যে আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল, সেখান থেকেই উঠে আসেন রেখা পাত্র। লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। আর এবার বিধানসভাত ভোটে লড়ছেন। বুলডোজার মন্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও রেখা পাত্র নিজের বক্তব্যে অনড় থাকলেন।

রেখা পাত্রের মুখে 'বুলডোজার', দ্বিতীয় দফার আগেই বিতর্ক
রেখা পাত্র

বুলডোজার চালিয়ে রক্তাক্ত করার হুঁশিয়ারি শোনা গেল বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের মুখে। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। টিকিট পাওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় ভোটের প্রচার করছেন তিনি। সেই প্রচার করতে গিয়েই রেখার মুখে শোনা গেল ‘বুলডোজার’।

কী বলেছেন রেখা পাত্র?
হিঙ্গলগঞ্জের যোগেশগঞ্জ এলাকায় ভোটের প্রচারে গিয়ে জনসভায় রেখা বলেন, “আমরা বুলডোজার চালিয়ে রক্তাক্ত করব। কিন্তু সেই রক্ত বাইরে বেরবে না। আমরা এই তৃণমূল সরকারকে বুঝিয়ে দেব যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুলে খুলে বিক্রি করে দেওয়ার সাজা কী হয়।”


শেখ শাহজাহান-কাণ্ডের পর সন্দেশখালিতে যে আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল, সেখান থেকেই উঠে আসেন রেখা পাত্র। লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। আর এবার বিধানসভাত ভোটে লড়ছেন। বুলডোজার মন্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও রেখা পাত্র নিজের বক্তব্যে অনড় থাকলেন, সুর আরও চড়িয়ে রেখা পাত্র বলেন, “যেভাবে অত্যাচার করছে, তাতে বুলডোজার চালাবে নারীবাহিনী। আর এই বুলডোজার মানে ঝাঁটা লাঠি নিয়ে বুলডোজার চালানো। সন্দেশখালিতে দেখেছেন? তেমনই বুলডোজার চলবে।”

সমালোচনা তৃণমূলের
এই মন্তব্য নিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূল। তৃণমূলের বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক বুলবুল রহমান বলেন, “একজন বিধানসভার প্রার্থী এমন ধরনের কথা কীভাবে বলেন? আমরা অবাক হয়ে যাচ্ছি। মহিলাদের আমরা মায়ের মতো দেখি। তাদের মধ্যে কত নমনীয়তা থাকে। কিন্তু এখানে তার উল্টো দেখতে পাচ্ছি। একজন মহিলা জনপ্রতিনিধি হতে যাচ্ছে, তার মুখের ভাষা এরকম! শান্ত এলাকাকে কি তিনি অশান্ত করতে চাইছেন?”

সোমবার সকালে হাসপাতালের সামনে ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। অসুস্থ হয়ে পড়েন সাংসদ। কোনও ক্রমে সরিয়ে নিয়ে তাঁকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাংসদ বলেন, বড় বড় পাথর দিয়ে হামলা করা হয়েছে।


কোনওরকমে আমার প্রাণটা বেঁচেছে', হাউহাউ করে কাঁদছেন মিতালি বাগ, ভর্তি করা হল হাসপাতালে
মিতালি বাগের উপর হামলা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার ঠিক আগেই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ। উত্তপ্ত আরামবাগ। আজ সোমবার সকাল থেকে চলছে শেষবেলার প্রচার। সেই প্রচার চলাকালীনই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। সাংসদ মিতালি বাগের গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ। তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হল সাংসদকে।

আরামবাগে ঠিক কী হল
সোমবার সকাল থেকে চলছে শেষবেলার প্রচার। এদিনই শেষ হয়ে যাচ্ছে দ্বিতীয় দফার প্রচার। আরামবাগে এদিন সভা করার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই সভার আগেই সাংসদের উপর হামলার ঘটনা ঘটল এদিন।




ক্যামেরার সামনে হাউহাউ করে কেঁদে ফেলেন মিতালি। বলেন, “আমার গাড়ির অবস্থা দেখুন। ওরা বড়বড় পাথর ছুড়েছে। আমি কোনও রকমে প্রাণে বেঁচেছি।”

কী বলছে বিজেপি?
বিজেপি বলছে পুরোটাই নাটক। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “পরাজয় নিশ্চিত জেনে এই ধরনের সিনেমা মঞ্চস্থ করা চেষ্টা চলছে। চিত্রনাট্য খুবই দুর্বল। মানুষ এগুলো মানবে না।”

গোঘাটে আক্রান্ত বিজেপিও
এদিকে আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। গোঘাটে বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগারের গাড়িতে হামলা করে কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা বিজেপিও প্রতিবাদ শুরু করে। দু পক্ষের হাতেই লাঠি, বাঁশ, কাচ দেখা যায়। পরিস্থিতি সামলাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামানো হয়।