WEATHER

Top News



এবার চর্চাটা শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে নয়

গ্ল্যামার জগতের অলিন্দে কান পাতলেই এখন একটা গুঞ্জন সবথেকে বেশি জোরালো হচ্ছে- ধনুষ আর ম্রুণাল ঠাকুর। তবে এবার চর্চাটা শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে নয়, বরং তার থেকে কয়েক ধাপ এগিয়ে গিয়েছেন ধনুষ। সুত্রের খবর বলছে, দক্ষিণী সুপারস্টার ধনুষ এবার তাঁর ‘লেডি লাভ’ ম্রুণালকে নিয়ে একটি বিশেষ প্রজেক্টের পরিকল্পনা করছেন। আর সবথেকে বড় চমক হল, এই ছবিতে ম্রুণালকে নিছকই নায়িকা হিসেবে নয়, বরং এক শক্তিশালী কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যেতে পারে। এমনকি ছবির পরিচালক হিসেবেও সম্ভবত থাকছেন খোদ ধনুষ।


শোনা যাচ্ছে, এই সিনেমাটি সাধারণ কোনও রোমান্টিক থ্রিলার নয়, বরং ষাট বা সত্তরের দশকের প্রেক্ষাপটে তৈরি একটি পিরিয়ড ড্রামা। যেখানে সেই সময়ের আভিজাত্য আর লড়াইয়ের গল্প উঠে আসবে। ছবির সবথেকে বড় আকর্ষণ হল এর নারী-কেন্দ্রিক ভাবনা। ম্রুণাল ঠাকুরকে সেখানে এমন এক চরিত্রে ভাবা হয়েছে, যা তাঁর কেরিয়ারে অন্যতম মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে। শোনা যাচ্ছে, প্রাথমিক কথাবার্তা ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। যদিও দুই তারকাই আপাতত বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন।



ধনুষ আর ম্রুণালের অফ-স্ক্রিন রসায়ন নিয়ে চর্চার শুরু কিন্তু আজ নয়। ২০২৫-এর অগস্টে ‘সন অফ সর্দার ২’ ছবির প্রিমিয়ারে তাঁদের প্রথম একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এরপর ধনুষের আপকামিং সিনেমা ‘তেরে ইশক মে’-র র‍্যাপ আপ পার্টিতেও ম্রুণালের উপস্থিতি নজর কেড়েছিল নেটিজেনদের। শুধু তাই নয়, ম্রুণালকে ধনুষের পরিবারের সদস্যদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলো করতে দেখে ভক্তদের মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে। এবার কি সেই অফ-স্ক্রিন বন্ধুত্বই অন-স্ক্রিন প্রফেশনাল পার্টনারশিপে রূপ নিতে চলেছে?


ধনুষ বরাবরই ছক ভাঙতে পছন্দ করেন। অভিনেতা হিসেবে তিনি যতটা শক্তিশালী, পরিচালক হিসেবেও তাঁর একটা আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। অন্যদিকে ‘সীতা রামম’ খ্যাত ম্রুণাল ঠাকুরও তাঁর অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ বারবার দিয়েছেন। পিরিয়ড ড্রামায় ম্রুণালের সেই ক্ল্যাসিক লুক যে দারুণ মানাবে, তা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। এখন দেখার, জল্পনা পেরিয়ে কবে এই ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের খবর যদি সত্যি হয়, তবে খুব শীঘ্রই দক্ষিণী এবং বলিউড দুই দুনিয়ার মেলবন্ধনে এক ঐতিহাসিক প্রজেক্ট পেতে চলেছেন দর্শকরা।



তবে হঠাৎ কেন এই গান নিয়েই মুখ খুললেন সমীর? আসলে অনেকেই এই গানের সঙ্গে সমীরের লেখা বিখ্যাত গান ‘সরকাই লো খাটিয়া’র তুলনা টেনেছেন। কিন্তু সমীর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, গোবিন্দার ওই গানটি সিচুয়েশন অনুযায়ী লেখা হয়েছিল। কিন্তু নোরার এই গানটিতে নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে কুরুচিকর শব্দ ঢোকানো হয়েছে।

'নীল ছবি বানিয়েই রিলিজ করে দিন!' ‘সরকে চুনর’ গান নিয়ে বিস্ফোরক প্রখ্যাত গীতিকার
তবে হঠাৎ কেন এই গান নিয়েই মুখ খুললেন?


গান রিলিজ হয়ে জনপ্রিয় হওয়ার পর তাতে কাঁচি চালানো বা নিষিদ্ধ করা কি আদেও কোনও সমাধান? দক্ষিণী ছবি ‘কেডি: দ্য ডেভিল’-এর একটি গান ‘সরকে চুনর’ নিয়ে এখন তোলপাড় বলিউড। গানের শব্দের ভাঁজে নাকি লুকিয়ে আছে চরম অশ্লীলতা! আর এই নিয়েই এবার মুখ খুললেন বলিউডের প্রবীণ গীতিকার সমীর অঞ্জন। সেন্সর বোর্ডকে (CBFC) তুলোধোনা করে তিনি সাফ বললেন, “সব কিছু যখন এতই খোলাখুলি হচ্ছে, তখন আর রাখঢাক কেন? বরং নীল ছবি বানিয়েই রিলিজ করে দিন!” সমীর অঞ্জন এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তাঁর মতে একটি সাধারণ অটো চালক যদি গানের নোংরা অর্থ বুঝতে পারে, তবে সেন্সর বোর্ডের শিক্ষিত কর্তারা কেন তা আগে বুঝতে পারলেন না? গানটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর কেন তা নিষিদ্ধ করার নাটক করা হচ্ছে? তাঁর দাবি, ডিজিটাল দুনিয়া থেকে কোনও কিছু একবারে মুছে ফেলা অসম্ভব। তাই কাজটা আগেই করা উচিত ছিল।


সমীরের নিশানায় শুধু গান নয়, সিনেমার সংলাপও। তিনি মনে করেন বর্তমানে বড় বড় সিনেমা বা ওয়েব সিরিজে যে ভাবে যথেচ্ছ গালিগালাজ ব্যবহার করা হয়, তা কি অশ্লীলতা নয়? তাঁর কথায়, “যদি গালিগালাজ শুনতে রাজি থাকেন, তবে অশ্লীল গানও শুনবেন। এই দ্বিচারিতা কেন?” তিনি আরও বলেন যে, কোনও বিতর্ক হলেই সবার আগে লেখকের দোষ খোঁজা হয়। অথচ পরিচালক বা গল্পের প্রয়োজনে অনেক সময় অনেক কিছুই লিখতে বাধ্য হন লেখকরা।


এই গান নিয়েই মুখ খুললেন সমীর? আসলে অনেকেই এই গানের সঙ্গে সমীরের লেখা বিখ্যাত গান ‘সরকাই লো খাটিয়া’র তুলনা টেনেছেন। কিন্তু সমীর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, গোবিন্দার ওই গানটি সিচুয়েশন অনুযায়ী লেখা হয়েছিল। কিন্তু নোরার এই গানটিতে নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে কুরুচিকর শব্দ ঢোকানো হয়েছে।

অন্যদিকে, এই গান নিয়ে আইনি জটিলতা কিছুতেই কাটছে না নোরা ফাতেহির। জাতীয় মহিলা কমিশনের (NCW) ডাকে সাড়া না দেওয়ায় তাঁকে শেষ বারের মতো আগামী ২৭ এপ্রিল হাজির হতে বলা হয়েছে। যদিও নোরা আগেই বলে দিয়েছেন যে, হিন্দি গানের কথা বা অনুবাদের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই। কিন্তু বিতর্কের মেঘ তাতে কাটেনি। সমীর অঞ্জনের এই বিস্ফোরক বয়ান এখন বি-টাউনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মোট ৬৮ বলে ১৩৫ রান করেছেন অভিষেক শর্মা। মেরেছেন ১০টি করে চার ও ছক্কা। ভারতীয়দের মধ্যে ২০ ওভারের ক্রিকেটে বিরাট কোহলির সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ডও ছুঁলেন পাঞ্জাবের এই কৃতি ক্রিকেটার। এই সিজনের সর্বোচ্চ রান করল হায়দরাবাদ।

 উপ্পলে অভিষেক ঝড়, শিষ্যকে 'স্যর' উপাধি গুরু যুবির!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে আইপিএলের প্রথম ভাগ, সবই এখন অতীত। অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma) প্রমাণ করলেন, ফর্মে থাকলে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে তাঁর ব্যাট। অক্ষর প্যাটেলের দলের বোলারদের পাড়ার বোলারের পর্যায়ে নামিয়ে এনে একাই গতকাল ১৩৫ রান করে অপরাজিত রইলেন অভিষেক। তাঁর ১৩৫ রানের সুবাদে ২০ ওভারে হায়দরাবাদ (Sunrisers Hyderabad) তুলল ২ উইকেট হারিয়ে ২৪২ রান।


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রান পাননি অভিষেক। চরম ব্যর্থ হওয়ায় ট্রোলের শিকার হতে হচ্ছিল অভিষেককে। গতকাল প্রমাণ করলেন,ফর্মে থাকলে কেন তিনি বিপক্ষের জন্য ভয়ঙ্কর। অতীতে আইপিএলে করেছেন ১৪১, আজ করলেন ১৩৫। এই নিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নবম সেঞ্চুরি হয়ে গেল তাঁর। প্রথমে ট্র্যাভিস হেড, পরে ঈশান কিষান ও হেনরিখ ক্লাসেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে স্কোরবোর্ডে বড় রান তোলার দায়িত্ব নেন অভিষেক। ওপেনিং জুটিতে উঠেছিল ৯৭ রান।


কাকে দিয়ে ঝালমুড়ি বানানো হয়েছিল? মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়া প্রসঙ্গে কী বললেন মমতা?
ব্যক্তিগত ৩৭ রানের মাথায় হেড আউট হলে ঈশান কিষানের (Ishan Kishan) সঙ্গে জুটি বেঁধেই কুলদীপ যাদব , অক্ষর প্যাটেল, মুকেশ কুমারদের ক্রমাগত আক্রমণ করে যান যুবরাজ সিংয়ের বরপুত্র। পরপর দুটি ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি পূরণ করলেন অভিষেক। ১৩ বলে ২৫ করে রান আউট হন ঈশান। এই সিজনের সর্বোচ্চ রান করল হায়দরাবাদ। জবাবে দিল্লি ৯ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৯৫ রান। ৪৭ রানে ম্যাচ জিতলেন অভিষেকরা।


মোট ৬৮ বলে ১৩৫ রান করেছেন অভিষেক শর্মা। মেরেছেন ১০টি করে চার ও ছক্কা। ভারতীয়দের মধ্যে ২০ ওভারের ক্রিকেটে বিরাট কোহলির সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ডও ছুঁলেন পাঞ্জাবের এই কৃতি ক্রিকেটার। ছাত্রের এই দারুন ইনিংস দেখে চুপ থাকেননি গুরুও। এক্স হ্যান্ডলে যুবরাজ সিং (Yuvraj Singh) টুইট করেন,”তোমার ব্যাটই তোমার কাজ করুক। প্রত্যেকদিন উন্নতি করছ। দারুন খেলেছো তুমি স্যার অভিষেক। এই পদ্ধতি বজায় রাখো।” আইপিএল শেষ হতে এখনও বাকি বেশ কতগুলি ম্যাচ। হায়দরাবাদকে প্লে-অফ খেলতে গেলে অভিষেকের ব্যাটে রান দরকার। তাঁর এই ফর্ম যেন বজায় থাকে আগামী ম্যাচেও, এমনই আশা করছেন সমর্থকেরা ..

এ দিন এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী মোদী লেখেন যে জঙ্গি হানায় নিহতদের দেশ কখনও ভুলবে না। তিনি লেখেন, "গত বছরের এই দিনে পহেলগাঁওয়ে নৃশংস জঙ্গি হানায় নিরাপরাধ নিহতদের স্মরণ করছি। ওঁদের কখনও ভুলবো না। নিহতদের শোকাহত পরিবারের প্রতি, যারা এখনও আমার সমবেদনা রইল।"  

 'কোনও ধরনের সন্ত্রাসের কাছে মাথা নত করবে না ভারত', পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে হুঙ্কার মোদীর
পহেলগাঁও হামলার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রী মোদীর।

পহেলগাঁও জঙ্গিহানার (Pahalgam Terror Attack) এক বছর। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় নিরাপরাধ পর্যটকদের উপরে হামলা চালায় পাকিস্তানি জঙ্গিরা। বেছে বেছে হত্যা করা হয় ২৬ জনকে। ওই দিনের কথা স্মরণ করে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)।


এ দিন এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী মোদী লেখেন যে জঙ্গি হানায় নিহতদের দেশ কখনও ভুলবে না। তিনি লেখেন, “গত বছরের এই দিনে পহেলগাঁওয়ে নৃশংস জঙ্গি হানায় নিরাপরাধ নিহতদের স্মরণ করছি। ওঁদের কখনও ভুলবো না। নিহতদের শোকাহত পরিবারের প্রতি, যারা এখনও আমার সমবেদনা রইল।”





তিনি আরও লেখেন, “জাতি হিসাবে আমরা এই শোকে ও সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ। ভারত কখনও কোনও ধরনের সন্ত্রাসের কাছে মাথা নত করবে না। সন্ত্রাসবাদীদের জঘন্য পরিকল্পনা কখনও সফল হবে না।”

ভারতীয় সেনা বাহিনীও কড়া বার্তা দিয়ে বলেছে যে যদি কেউ ভারতের বিরুদ্ধে কাজ করে, তার জবাব মিলবেই। সুবিচার হবেই। সবসময়।

উল্লেখ্য, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর কড়া জবাব দেয় ভারত। ৭ মে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই দুই দেশের মতো কার্যত যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পাকিস্তানের অনুরোধেই সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় ভারত।

অতীতে একই সঙ্গে এশিয়ান গেমস ও টি২০ সিরিজ খেলেছে ভারতীয় দল। এবারেও সেই এক পরিস্থিতি। এর মধ্যেই বোর্ড ভেবেছে, দুইটি ভিন্ন দল করবে। সেই বিষয়েই বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা অশ্বিনের।


যে কেউ জাতীয় দলের টুপি মাথায় দিতে পারে না...বোর্ডকে একহাত নিলেন অশ্বিন!
বোর্ডের সিদ্ধান্তে অখুশি তারকা স্পিনার!

আইপিএল চলার মাঝেই আবার বিতর্কের মূলে ভারতীয় ক্রিকেট। আইপিএলের শেষেই বেশ কিছু টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে ভারত, যার মধ্যে রয়েছে এশিয়ান গেমস ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ। আগেই বোর্ড বলেছিল, সম্ভব হলে দুই ভিন্ন দল নিয়ে খেলতে পারে ভারতীয় বোর্ড। আইপিএলে যাঁরা ভাল খেলবেন, তাঁদের নিয়ে তৈরী হবে সেই দল। বোর্ডের এই পরিকল্পনায় নারাজ প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অফ স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন।


নিজের ইউটিউব চ্যানেলেই অশ্বিন এই প্রসঙ্গে বলেছেন,”এমন পদক্ষেপ হলে জাতীয় দলের গুরুত্ব কমে যাবে। কেন মানুষ জাতীয় দলকে সন্মান দেবে? জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামা গর্বের বিষয়। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা গোটা দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। সবাই চায় দেশের হয়ে খেলতে।” মত অশ্বিনের। তিনি চান, আইপিএল থেকে আসা ক্রিকেটারদের ভিন্নরূপে ব্যবহার করতে। তাঁর কথায়,”আইপিএল থেকে উঠে আসা ক্রিকেটারদের সরাসরি জাতীয় দলে সুযোগ না দিয়ে ভারতের ‘এ’ দলে খেলানো হোক। সেখানে ভাল খেললে তবেই জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়া হোক। সেই সব ম্যাচ সম্প্রচার করা হোক। কিন্তু জাতীয় দলে জায়গা আদায়ের সংস্কৃতিকে বদলালে চলবে না।” তাঁর কথায়,”বিনামূল্যে জাতীয় দলের ক্যাপ বিতরণ করা যায় না। জাতীয় দলের টুপি পেতে গেলে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।”




১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু এশিয়ান গেমস, সেখানেই ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করবে ভারত। ৬ অক্টোবর থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শুরু টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ২০২৮ সালে রয়েছে অলিম্পিক ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো দুই গুরুত্বপূর্ণ স্পোর্টিং ইভেন্ট। এই সময়ে, যত বেশি খেলোয়াড় জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন, তত বেশি বিকল্প পাবে বিসিসিআই, মত বিসিসিআইয়ের। তাই দুটি দল তৈরির কথা মাথায় এনেছিল বোর্ড। কিন্তু বোর্ডের এই সিদ্ধান্তে খুশি নন প্রাক্তন তারকা স্পিনার।

প্রায় ৪০ দিনেরও বেশি সময় সংঘাত চলার পর দুই সপ্তাহের সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণা করেছিল আমেরিকা। ইরানও তাতে সম্মতি দিয়েছিল। পাকিস্তানে প্রথম শান্তিচুক্তিতে বসলেও, সেই আলোচনা সফল হয়নি। দ্বিতীয়বার শান্তিচুক্তিতে বসতে রাজি হয়নি ইরান।


মুনীরের আবদারে সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ বাড়ালেন ট্রাম্প, তাও ইরানকে বিপাকে ফেলেই!
ফাইল চিত্র।

ইরান-আমেরিকার যুদ্ধে আরও কিছুটা সাময়িক ইতি। ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ বাড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজেই ঘোষণা করেছেন যে শান্তি আলোচনার জন্য ইরানকে আরও কিছুটা সময় দিতে চান তিনি। তাই সংঘর্ষ বিরতির মেয়াদ বাড়ালেন।


প্রায় ৪০ দিনেরও বেশি সময় সংঘাত চলার পর দুই সপ্তাহের সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণা করেছিল আমেরিকা। ইরানও তাতে সম্মতি দিয়েছিল। পাকিস্তানে প্রথম শান্তিচুক্তিতে বসলেও, সেই আলোচনা সফল হয়নি। দ্বিতীয়বার শান্তিচুক্তিতে বসতে রাজি হয়নি ইরান। আজ, ২২ এপ্রিলই শান্তিচুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার আগেই সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন ট্রাম্প। কতদিন চলবে এই সংঘর্ষবিরতি, তা উল্লেখ করেননি।



মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিবৃতিতে জানিয়েছেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনা প্রধান আসিম মুনীরের অনুরোধে ওয়াশিংটন সংঘর্ষবিরতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাতে ইরানের ‘ভগ্ন’ নেতৃত্ব প্রস্তাবনা ঠিক করতে পারে, আলোচনা করা যায় শান্তি চুক্তি নিয়ে, তার জন্য মার্কিন সেনা আপাতত কোনও সামরিক অভিযান চালাবে না। তবে মার্কিন সেনা যে প্রয়োজনে হামলার জন্য প্রস্তুত থাকবে, সেই কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।


সংঘর্ষ বিরতির মেয়াদ বাড়ালেও, ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ইরানের বন্দরে জাহাজ ঢোকা-বেরনোর পথ আটকেই রাখবে আমেরিকা। কোনও জাহাজকে ঢুকতে বা বেরতে দেবে না। হরমুজ প্রণালীর ঠিক আশপাশ দিয়ে এই অবরোধ করায়, গোটা বিশ্বের বাণিজ্য প্রভাবিত হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে না। সময়সীমা শেষ হলেই ইরানের উপরে বোমা-গোলাবর্ষণ শুরু করে দেবে আমেরিকা।


মঞ্চ থেকে তিনি দাবি করেন, এবারের ভোটে রাজ্যের পুলিশ নয়, দিল্লি থেকে ‘দাদার পুলিশ’ আসবে এবং তাদের লাঠির দৈর্ঘ্য অনেক বেশি হবে। এরপরই উপস্থিত মা-বোনদের উদ্দেশ্যে উস্কানিমূলক নিদান দিয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূল রিগিং করতে এলে আপনারা হাতে ঝাঁটা নিয়ে তাদের হালকা করে ছুঁইয়ে পলিশ করে দেবেন, বাকিটা আমাদের কার্যকর্তারা বুঝে নেবে।”


বিধানসভা নির্বাচনের আবহে হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভার ভবানীপুরে বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের সমর্থনে আয়োজিত এক জনসভায় বিতর্কিত মন্তব্য। আর তা নিয়ে ভোটের একেবারে প্রাক লগ্নে চরম বিতর্ক। বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সহ-সভাপতি কাশেম আলি মন্তব্য করেন ভোটে ‘দাদার পুলিশ আসবে’। আর তা নিয়েই বিতর্ক দানা বেঁধেছে।


ঠিক কী বলেছিলেন? 


মঞ্চ থেকে তিনি দাবি করেন, এবারের ভোটে রাজ্যের পুলিশ নয়, দিল্লি থেকে ‘দাদার পুলিশ’ আসবে এবং তাদের লাঠির দৈর্ঘ্য অনেক বেশি হবে। এরপরই উপস্থিত মা-বোনদের উদ্দেশ্যে উস্কানিমূলক নিদান দিয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূল রিগিং করতে এলে আপনারা হাতে ঝাঁটা নিয়ে তাদের হালকা করে ছুঁইয়ে পলিশ করে দেবেন, বাকিটা আমাদের কার্যকর্তারা বুঝে নেবে।” জনসভা শেষেও নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে সুর চড়াতে দেখা যায় তাঁকে।


বিজেপি নেতার এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক বুলবুল রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ভোটের মুখে দাঁড়িয়ে এই ধরনের উস্কানিমূলক কথাবার্তা যিনি বললেন, তাঁকে বলব ৪ তারিখ ভোটের ফল দেখে নিতে। জনতার যোগ্য জবাব দেবে।” একই সঙ্গে বুলবুল রহমান নির্বাচন কমিশনের কাছে এই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে দ্রুত ও কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। যদিও এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, দ্বিতীয় দফায় যে ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে, সেখানে ২০২১ সালে খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি বিজেপি। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের ফলও খুব একটা আশাব্যঞ্জক হয়নি। ফলে প্রথম দফার ভোট প্রচার শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার রণকৌশল তৈরি করতে ম্যারাথন বৈঠক করেন শাহ।



কলকাতা: রাত পোহালেই প্রথম দফার নির্বাচন। আর প্রথম দফার নির্বাচনের আগেই দ্বিতীয় দফার রণকৌশল তৈরিতে ম্যারাথন বৈঠক বিজেপির। আর সেই বৈঠক হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে। মঙ্গলবার রাতে ভিন রাজ্যের বিজেপি নেতাদের সঙ্গে চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক করলেন শাহ। বাংলায় দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনের দায়িত্বে রয়েছেন ভিন রাজ্যের ওইসব বিজেপি নেতারা। তাঁদের সঙ্গেই বৈঠক করলেন নরেন্দ্র মোদীর ডেপুটি শাহ।

বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় বাংলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। মোট ১৬টি জেলা। গতকাল প্রথম দফার নির্বাচনী প্রচার শেষ হয়েছে। গতকাল একাধিক সভা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভোট প্রচারের শেষে রাতেই দ্বিতীয় দফার ভোট নিয়ে রণকৌশল তৈরিতে বৈঠকে বসেন তিনি। সেখানে ভিন রাজ্যের বিজেপি নেতারা ছিলেন, যাঁরা ওই ১৪২টি বিধানসভা আসনের দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়াও সুনীল বনসল, ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব যাদব ও অমিত মালব্য ওই বৈঠকে ছিলেন।



রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, দ্বিতীয় দফায় যে ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে, সেখানে ২০২১ সালে খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি বিজেপি। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের ফলও খুব একটা আশাব্যঞ্জক হয়নি। ফলে প্রথম দফার ভোট প্রচার শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার রণকৌশল তৈরি করতে ম্যারাথন বৈঠক করেন শাহ।

আরও জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় দফার ভোট প্রচারের শেষ দিন পর্যন্ত রাজ্যে থাকতে চলছেন অমিত শাহ। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যে থাকবেন নরেন্দ্র মোদীর ডেপুটি। বাংলায় এবার ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে আশাবাদী বিজেপি। নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ থেকে রাজ্য বিজেপির নেতারা প্রত্যেকটি সভায় দাবি করছেন, এবার তাঁরাই সরকার গঠন করবেন। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, সরকার গঠন করতে হলে দ্বিতীয় দফার ১৪২টি আসনেও যে ভালো ফল করতে হবে, তা জানেন বিজেপি নেতারা। তাই, প্রথম দফার প্রচার শেষ হতেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে রণকৌশল তৈরিতে ব্যস্ত অমিত শাহ।


হামলাকারীরা সকলেই এলাকার তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা এলাকায় গাঁজা ও ড্রাগসের কারবারের সঙ্গে যুক্ত। এর আগেও ট্যাংরা থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছিল, কিন্তু পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি।

গাড়ি পার্কিং নিয়ে রণক্ষেত্র ট্যাংরা, ব্লেড নিয়ে হামলা, আক্রান্ত একই পরিবারের ৩ জন
ট্যারাংয় পার্কিং নিয়ে বচসা-হামলা।




কলকাতা: ভোটের আবহে ফের উত্তপ্ত শহর কলকাতা। গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল খাস কলকাতার ট্যাংরা এলাকা। আক্রান্ত হলেন একই পরিবারের তিন সদস্য। মঙ্গলবার রাত সোয়া ন’টা নাগাদ ট্যাংরার ৩১/১ পুলিন খাটিক রোডে এই ঘটনাটি ঘটে।


জানা গিয়েছে, ওই এলাকার বাসিন্দা বিক্রম খাটিক প্রতিদিন তাঁর বাড়ির সামনে নিজের গাড়ি পার্ক করেন। অভিযোগ, মঙ্গলবার সেখানে অন্য একজন জোর করে গাড়ি পার্ক করে রাখেন। রাতে বিক্রমবাবু তাঁকে গাড়িটি সরাতে বললে দু’পক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময় পাড়ার প্রায় ৪০-৫০ জন মিলে বিক্রম খাটিক ও তাঁর পরিবারের ওপর হামলা চালায়।


হামলায় গুরুতর আহত হন বিক্রম খাটিক, সাবিত্রী খাটিক এবং সানি খাটিক। তাঁদের লোহার রড ও ব্লেড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কেবল শারীরিক হেনস্থাই নয়, অভিযুক্তরা বিক্রমবাবুর বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক তাণ্ডবও চালায় বলে অভিযোগ।

আক্রান্ত বিক্রমবাবুর স্ত্রী প্রীতি খাটিকের অভিযোগ, হামলাকারীরা সকলেই এলাকার তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা এলাকায় গাঁজা ও ড্রাগসের কারবারের সঙ্গে যুক্ত। এর আগেও ট্যাংরা থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছিল, কিন্তু পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, পুলিশ তাঁদের অভিযোগকে গুরুত্ব দেয়নি।

তিনি আরও জানান, তাঁরা নিজেরাও এলাকায় তৃণমূলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে এই ঘটনায় চরম আতঙ্কে খাটিক পরিবার। বিক্রমবাবু কাতর আর্জি করে বলেন, “আমাদের বাঁচান, নাহলে ওরা আমায় মেরে ফেলবে। এর আগেও ওরা আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে।”

এই ঘটনায় মূলত মূল অভিযুক্ত ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ট্যাংরা থানায়। অভিযুক্তরা হলেন, শিবু খাটিক, রোহিত দাস, সানিয়া আলম, টুটু খাটিক, পিঙ্কি খাটিক, সন্ধ্যা, আশিস খাটিক, সাহিল রানা, মণীশ খাটিক, বিজলি দাস এবং নাসির আলম। ভোটের মুখে এই ঘটনায় এলাকায় যথেষ্ট উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।


নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, "তিন সপ্তাহে ট্রাইব্যুনাল ১৩৬ জনের নামের নিষ্পত্তি করেছে। গরম তাওতায় জলের ছিটে দিলে যা হয়। এই ২৭ লক্ষ মানুষ কী দোষ করেছে? এই নির্বাচন কমিশনের আর নেই দরকার। এই নির্বাচন কমিশন মানুষের অধিকার হরণ করেছে।"


ভোটের একদিন আগে ১৩৬ জনকে ভোটাধিকার দিল ট্রাইব্যুনাল, কত নাম বাদ পড়ল?
বুধবার ভোররাতে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন


সংবিধানের ১৪২ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। জানিয়েছিল, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে ‘পাশ’ করবেন যাঁরা, তাঁরা প্রথম দফায় ভোট দিতে পারবেন। বুধবার ভোররাতে ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া ভোটারদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। ট্রাইব্যুনালে পাশ করা কতজন প্রথম দফায় ভোট দিতে পারবেন? কমিশনের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বলছে, মাত্র ১৩৬ জনকে ট্রাইব্যুনালে পাশ হয়ে প্রথম দফায় ভোট দেওয়ার অধিকার পেলেন। আবার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া নামের মধ্যে ২ জন ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছেন।


এদিন ভোররাতে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “তিন সপ্তাহে ট্রাইব্যুনাল ১৩৬ জনের নামের নিষ্পত্তি করেছে। গরম তাওতায় জলের ছিটে দিলে যা হয়। এই ২৭ লক্ষ মানুষ কী দোষ করেছে? এই নির্বাচন কমিশনের আর নেই দরকার। এই নির্বাচন কমিশন মানুষের অধিকার হরণ করেছে।”


সুনামি আছড়ে পড়ল জাপানে, আগামী সপ্তাহে আরও ভয়াবহ ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা
কী বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট?


গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলায় এসআইআর-র চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। সেখানে ৬০ লক্ষের নাম বিবেচনাধীন ছিল। জুডিশিয়াল অফিসাররা সেইসব নামের নিষ্পত্তি করে। বিবেচনাধীনের তালিকায় থাকা যে ভোটারদের নাম বিচারকদের নির্দেশে ভোটার তালিকায় ওঠেনি, তাঁরা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন। সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ১৪২ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে নির্দেশ দেয়, ট্রাইব্যুনাল ২১ এপ্রিল পর্যন্ত যাঁদের নামের নিষ্পত্তি করবে, তার মধ্যে যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে, তাঁরা প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ভোট দিতে পারবেন। আর ২৭ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল যাঁদের নামের নিষ্পত্তি করবে, তার মধ্যে যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে, তাঁরা ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট দিতে পারবেন।

সেইমতো ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া ভোটারদের নামের তালিকা এদিন ভোররাতে প্রকাশ করে কমিশন। তবে মাত্র ১৩৬ জনের নাম ওঠা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। আবার ট্রাইব্যুনাল বলেছিল, নামের নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ভোটারদের সঙ্গে কথা না বলে কারও নাম বাদ দেওয়া হবে না। অথচ, এদিন যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে ২ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তা কীভাবে হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিনহা বলেন, “তথ্য প্রমাণের অভাবে ২৭ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। এখন যাঁরা তথ্য দিতে পারছেন, তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকছে। তৃণমূল ভাবছে, ২৭ লক্ষ আবেদনকারীর নামই থাকবে। তাহলে কেন বাদ পড়ল? জুডিশিয়াল অফিসাররা সবদিক খতিয়ে দেখছেন।”


বাংলাদেশে গম পাঠানোর দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে নুসরতের। রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডির তলব অভিনেত্রী-প্রাক্তন সাংসদ নুসরত জাহানকে। দিল্লির ইডি অফিসে হাজিরা দিতে চেয়েছিলেন নুসরত, তবে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়।

ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির নুসরত জাহান, কী কী চোখা প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে?
সিজিও কমপ্লেক্সে নুসরত জাহান ও যশ দাশগুপ্ত।


 ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় নাম জড়িয়েছে নুসরতের। ইডির তলব (ED Summon) অভিনেত্রী-প্রাক্তন সাংসদ নুসরত জাহানকে (Nusrat Jahan)। আজ, বুধবার সকালে ইডি অফিসের উদ্দেশে রওনা দেন নুসরত। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ। তার সঙ্গে যশ দাশগুপ্তও রয়েছেন। ইডি যা যা নথি চেয়েছিল, সেই নথিও সঙ্গে করে এনেছেন নুসরত, এমনটাই খবর।


২০২৩ সালে রাজারহাটে ফ্ল্যাট প্রতারণায় নাম জড়িয়েছে বসিরহাটের প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের। বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা এই অভিযোগ এনেছিলেন। ইডির কাছে অভিযোগে তিনি জানিয়েছিলেন যে ২০১৪-১৫ সালে একটি সংস্থা চারশোরও বেশি প্রবীণ নাগরিকদের কাছ থেকে সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা করে নিয়েছিল। প্রবীণ নাগরিকদের এক হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই ফ্ল্যাট কেউ-ই পাননি। ফেরত পাওয়া যায়নি সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকাও। ওই সংস্থার ডিরেক্টর পদে ছিলেন নুসরত। যদিও তিনি সেই দাবি অস্বীকার করেছিলেন। সেই সময় নুসরতকে তলব করেছিল ইডি। আজ ফের ওই মামলায় তলব করা হল তাঁকে।



ভোটের একদিন আগে ১৩৬ জনকে ভোটাধিকার দিলট্রাইব্যুনাল, কত নাম বাদ পড়ল?
'কোনও ধরনের সন্ত্রাসের কাছে মাথা নত করবে না ভারত', পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে হুঙ্কার মোদীর
প্রাথমিকভাবে নুসরত আর্জি জানিয়েছিলেন যে দিল্লিতে যেন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে ইডি সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। তাঁকে কলকাতার অফিসেই হাজিরা দিতে বলা হয়। বাধ্য হয়ে আজ কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সেই হাজিরা দিলেন নুসরত।


জানা গিয়েছে, নুসরতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজন মহিলা অফিসার থাকবেন। পাশাপাশি তদন্তকারী অফিসার ও একজন অ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার অফিসার থাকবেন। নুসরতকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বয়ান রেকর্ড করা হবে। তাঁর বয়ানের ভিত্তিতেই ইডি পরবর্তী পদক্ষেপ করবে।

ভোটের বাদ্যি বাজতেই ফের রাজপথে একতারা হাতে নেমে পড়েছেন তিনি। তাঁর লক্ষ্য একটাই— হিংসা নয়, উৎসবের মেজাজে হোক গণতন্ত্রের উদযাপন। পূর্ব বর্ধমানের কৃতি সন্তান তথা রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত বাউল শিল্পী স্বপন দত্ত এবারও গানকে হাতিয়ার করে পাড়ি দিলেন পাহাড় থেকে সাগর। আসন্ন ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের ২৩টি জেলা চষে বেড়িয়েছেন তিনি। 

উত্তরবঙ্গের পাহাড় থেকে শুরু করে জঙ্গলমহল হয়ে আজ তাঁর যাত্রাপথ শেষ হলো দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরদ্বীপের কপিলমুনি আশ্রম চত্বরে। এদিন সাগরের বালুকাবেলায় দাঁড়িয়ে মাটির সুরে ভোটারদের সচেতন করার অভিনব উদ্যোগ নিলেন এই শিল্পী। স্বপন বাবু বিশ্বাস করেন, বুলেটের চেয়ে গানের সুর অনেক বেশি শক্তিশালী। তাঁর বাউল গানের কলিতে বারবার ফিরে এসেছে— "ভোট দিন নিজের পছন্দে, কিন্তু লড়াই নয়।" গঙ্গাসাগরে তীর্থযাত্রী ও সাধারণ মানুষের ভিড়ে দাঁড়িয়ে তিনি বার্তা দেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন: হিংসা ও অশান্তি মুক্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা। কোনো প্রলোভন বা ভয় নয়, নিজের অধিকারে নির্ভয়ে ভোট দেওয়া। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও সামাজিক সংহতি যেন অটুট থাকে।

গঙ্গাসাগরের পুণ্যভূমিতে তাঁর সেই চেনা সুর শুনতে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পর্যটকরাও। শিল্পী জানান, এর আগেও একাধিক নির্বাচনে তিনি একইভাবে পথে নেমেছেন। ২৩টি জেলা ঘোরার এই কঠিন লড়াই সার্থক হবে যদি সাধারণ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।


রাজ্যজুড়ে যখন নির্বাচনের উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে, তখন স্বপন দত্তর এই 'শান্তির গান' আমজনতার মনে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার। তবে তাঁর এই ক্লান্তিহীন প্রচেষ্টা ইতিবাচক বার্তাই পৌঁছে দিচ্ছে বাংলার ঘরে ঘরে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক মহলে বড়সড় ভাঙন আইএসএফে।

 বিধানসভা নির্বাচনের আগে মথুরাপুর দুই নম্বর ব্লকের আইএসএফের নেতা মনোয়ার হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে।
শুধু তিনি একাই নন, তাঁর নেতৃত্বে প্রায় ১৫০টি পরিবারও এদিন তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেয়।

জানা গেছে, মথুরাপুর এক নম্বর ব্লকের কৃষ্ণচন্দ্রপুর বাজারে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তাপস মণ্ডলের সমর্থনে একটি মহিলাদের সভার আয়োজন করা হয়।
সভা শেষ হওয়ার পর সাংসদ বাপি হালদারের হাত ধরে মনোয়ার হোসেন ও তাঁর অনুগামীরা আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।

 জানা গেছে একটা সময় আইএসএফের সাথে দীর্ঘদিন ধরে মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লকের ব্লক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন মনোয়ার হোসেন। তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন দেখে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।

এই যোগদানের ফলে এলাকায় তৃণমূলের সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম—
মতিউর ঘরামি, মমতাজুল মোল্লা, নুরুলহক মোল্লা, মোরসেলিম সেখ,সাহাবুদ্দিন দপ্তরী,তৌসিক মোল্লা, মুন্নাফ সেখ এবং আব্দুল হাকিম সেখ।

নির্বাচনের আগে এই ধরনের দলবদল যে স্থানীয় রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তা বলাই বাহুল্য।


অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই যোগদানকে নিজেদের সংগঠন বিস্তারের ক্ষেত্রে বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছে বলে জানা গেছে।