WEATHER

Top News


কে কবিতার নামও দিল্লির আবগারি নীতি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালের সঙ্গে জড়িয়েছিল। দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ার পরই বিজেপি ও বিআরএস-কে একযোগে আক্রমণ করছিলেন কে কবিতা।

বাবার দল থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন, নিজের দল খুললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ে
কে কবিতা।

 বাবার দল থেকে সাসপেন্ড ছিলেন। এবার নিজের দল খুললেন কে কবিতা। তেলঙ্গানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের মেয়ে তথা প্রাক্তন বিআরএস নেত্রী কে কবিতা আজ, শনিবার ঘোষণা করলেন যে তিনি নিজের দল তৈরি করেছেন। দলের নাম তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সেনা (Telangana Rashtra Sena)।


সাত মাস আগে প্রাক্তন সাংসদ কে কবিতাকে তাঁর বাবার দল, ভারত রাষ্ট্র সমিতি (BRS) থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। এ দিন নিজের দল ঘোষণার পর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে কবিতা লেখেন, “নামটা মনে রাখবেন, তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সেনা। যা-ই আসুক না কেন, আমরা পিছু হটব না। এবার তেলঙ্গানার মানুষরা বলবে। আমাদের উচ্চাকাক্ষ্মাকে শেষ হতে দেব না। আমাদের পথে যে বাধা দেবে, তারাই ছাই হয়ে যাবে। তোমাদের সময় শেষ, এবার আমাদের সময় শুরু।”




প্রসঙ্গত, কে কবিতার নামও দিল্লির আবগারি নীতি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালের সঙ্গে জড়িয়েছিল। দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ার পরই বিজেপি ও বিআরএস-কে একযোগে আক্রমণ করছিলেন কে কবিতা। দল থেকে সাসপেন্ড করার পরই তিনি বিআরএস থেকে ইস্তফা দেন। সমস্ত প্রশাসনিক পদ থেকেও ইস্তফা দেন।
 শনিবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা প্রবেশ ভার্মা। সেখানেই দিল্লিতে কেজরীর বাসভবনকে 'শিশমহল টু' বলে দাবি করেছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, "আজ আমরা আপনাদের শিশমহল টু দেখাব।" এরপরই কেজরীবালকে 'রহমান ডাকাত'-এর সঙ্গে তুলনা করে উপ-মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "দিল্লিতে ভোটারদের কাছে পরাজিত হওয়ার পরে,তিনি পঞ্জাবে চলে যান এবং তারপরই মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান সমস্যায় পড়ে যান।"

কেজরী 'রহমান ডাকাইত'! দিল্লিতেই আপ প্রধানের নয়া বাংলো 'শিশমহল ২'? ছবি দেখাল বিজেপি
অরবিন্দ কেজরীবাল


ফের শিশমহল বিতর্ক। রাঘব চড্ডা-সহ ৭ সাংসদ দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন অরবিন্দ কেজরীবাল। চর্চা চলছে তাঁর দলকে নিয়েও। এরই মধ্যেই আবারও একবার শিশমহল বিতর্ক উস্কে দিল বিজেপি। দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অরবিন্দ কেজরীবালের বিলাসবহুল বাংলোকে ‘শিশমহল’-ই আখ্যা দিয়েছিল বিজেপি। দিল্লিতে সরকার বদলানোর পর সেই বাংলো ছেড়ে দেওয়ার সময়ও বিজেপির তরফে অভিযোগ তোলা হয় পঞ্জাবেও দিল্লির ধাঁচের শিশমহল তৈরি করছেন কেজরীবাল। তবে, এবার দিল্লিতেই কেজরীবালের ‘শিশমহল টু’ দেখাল বিজেপি। একইসঙ্গে কেজরীবালকে ‘দিল্লির রহমান ডাকাত’ বলে উল্লেখ করেছেন।


কেজরীর পঞ্জাবে স্থানান্তর



শনিবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা প্রবেশ ভার্মা। সেখানেই দিল্লিতে কেজরীর বাসভবনকে ‘শিশমহল টু’ বলে দাবি করেছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আজ আমরা আপনাদের শিশমহল টু দেখাব।” এরপরই কেজরীবালকে ‘রহমান ডাকাত’-এর সঙ্গে তুলনা করে উপ-মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দিল্লিতে ভোটারদের কাছে পরাজিত হওয়ার পরে,তিনি পঞ্জাবে চলে যান এবং তারপরই মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান সমস্যায় পড়ে যান।”


দিল্লিতে কেজরীর ‘শিশমহল টু’

ভার্মার অভিযোগ, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের বাসভবনের আশেপাশের বেশ কয়েকটি সরকারি আবাসন কেজরীবাল, দিল্লির প্রাক্তন মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন, রাজ্যসভা সাংসদ সঞ্জয় সিং এবং প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া-সহ আপ নেতারা দখল করে রেখেছিলেন। এরপরই দিল্লিতে কেজরীবালের ‘শিশমহল টু’-এর প্রসঙ্গ তোলেন। দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সম্প্রতি ৯৫ লোধি এস্টেটে সরকারি বাসভবনে উঠেছেন কেজরীবাল। ভার্মা বলেন, “গতকালই কেজরীবাল ৯৫ লোধি এস্টেটে স্থানান্তরিত হয়েছেন। তিনি সেই ব্যক্তি, যিনি বলেছিলেন যে একজন সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করবেন।”

আর কী দাবি করলেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী?

এরপরই কেজরীর নতুন বাসভবনের কিছু ছবি দেখান। তাঁর দাবি, এখানেই দিল্লিতে কেজরীবাল থাকছেন। যাকে ‘শিশমহল টু’ বলে দাবি করছেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন কেজরীবালের বাসভবনের প্রসঙ্গ তুলে ভর্মা বলেন,”আমি যখন আগের ‘শিশমহল’-এ গিয়েছিলাম, তখন অবাক হয়ে ভাবতাম, এত বিলাসবহুল বাড়িতে কেউ কীভাবে ঘুমায়?” তাঁর আরও অভিযোগ, কেজরীবাল আগে বলেছিলেন তিনি সরকারি বাসভবন নেবেন না, কিন্তু পরে একটি বাংলো গ্রহণ করেন এবং সেটির ভোলবদল দিয়ে ‘শিশমহল’(বিজেপির ভাষায়)-এ পরিণত করেন।

 ইরানের ইসলামিক রেভিউলেশনারি গার্ড কর্পস ভারতের একটি জাহাজ আটক করেছে। ওই জাহাজের নাম 'এপামিনোনডেস'। ভারতের দিকে আসছিল ওই জাহাজটি। গুজরাটের মুন্দ্রা বন্দরে পৌঁছনোর কথা ছিল। প্রায় তিন-চার দিন ধরে ইরানের থেকে অনুমতির অপেক্ষায় হরমুজ়েই আটকে ছিল। তারপর তা হরমুজ় পেরোনোর সময়ই আটক করা হয়। ওই জাহাজে ছিলেন রাজস্থানের শ্রী গঙ্গানগরের বাসিন্দা ৩৮ বছরের সঞ্জয় মাহার।

'হরমুজ় পেরোচ্ছিল, সেই সময় পরপর গুলি...' ইরানে আটক জাহাজ থেকে রাজস্থানে বাবাকে ফোন নাবিকের


হরমুজ় পেরোচ্ছিল ভারতের জাহাজ। ঠিক সেইসময়ই বিকট শব্দ। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছুটে এল একের পর এক গুলি। সেইসময় জাহাজে ছিলেন ২১ জন ক্রু সদস্য। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ভারতের এক নাবিক। তিনি রাজস্থানের বাসিন্দা। সেই ভয়ানক মুহূর্তের অভিজ্ঞতা তাঁর পরিবারকে ফোনে জানিয়েছেন। এই মুহূর্তে ইরানের হাতে আটক রয়েছে সেই ভারতীয় জাহাজ। ওই জাহাজেই আটকে রয়েছেন ওই নাবিক-সহ ক্রু-সদস্যরা।


ভারতের জাহাজ আটক ইরানের সেনার



ইরানের ইসলামিক রেভিউলেশনারি গার্ড কর্পস ভারতের একটি জাহাজ আটক করেছে। ওই জাহাজের নাম ‘এপামিনোনডেস’। ভারতের দিকে আসছিল ওই জাহাজটি। গুজরাটের মুন্দ্রা বন্দরে পৌঁছনোর কথা ছিল। প্রায় তিন-চার দিন ধরে ইরানের থেকে অনুমতির অপেক্ষায় হরমুজ়েই আটকে ছিল। তারপর তা হরমুজ় পেরোনোর সময়ই আটক করা হয়। ওই জাহাজে ছিলেন রাজস্থানের শ্রী গঙ্গানগরের বাসিন্দা ৩৮ বছরের সঞ্জয় মাহার। জাহাজ আটক হওয়ার খবর পাওয়ার পর থেকেই উদ্বিগ্ন ছিল তাঁর পরিবার। পরে সঞ্জয় নিজেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ফোনে ভয়াবহ অভিজ্ঞতাকেও বর্ণনা করেন।


হরমুজ় প্রণালী পেরোনোর সময়ই পরপর গুলি

সঞ্জয়ের বাবা ওম প্রকাশ মাহার বলেন, “হরমুজ় প্রণালী অতিক্রম করার সময় ইরানের দিক থেকে গুলি চালানো হয়। সেইসময় জাহাজের প্রত্যেক নাবিক জাহাজের ভেতরে একটি নিরাপদ স্থানে চলে যান।” সঞ্জয় তাঁর বাবাকে জানিয়েছেন, তিনি নিরাপদে রয়েছেন। কিন্তু, সঞ্জয়ের বাবা বলেন, ” আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। আমরা সরকারের কাছে আবেদন করছি, জাহাজে থাকা সকল ভারতীয় নাগরিকরা যেন নিরাপদে প্রত্যাবর্তন করেন।” সঞ্জয়ের পরিবার জানিয়েছে, প্রায় ১৫ বছর ধরে নৌবাহিনীতে কর্মরত রয়েছেন তাঁদের ছেলে। ২০ দিন আগেই সৌদি আরবে দায়িত্ব পালনের জন্য বাড়ি ছেড়েছিলেন।

আর কী বলছে সঞ্জয়ের পরিবার?

সঞ্জয়ের ভাই সুভাষ মাহার জানিয়েছেন, স্থানীয় বিধায়ক জয়দীপ বিহানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তাঁরা। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা বিধায়ককে জানিয়েছি এবং বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করার জন্য অনুরোধ করেছি। আমরা আশা করি, সরকার হস্তক্ষেপ করে সবাইকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনবে।” জানা গিয়েছে, ওই জাহাজে ভারত,ইউক্রেন ও শ্রীলঙ্কার নাবিকরাও রয়েছেন।

ভারত পাম তেলের সঙ্কট হওয়া যথেষ্ট উদ্বেগের, কারণ বিশ্বে সবথেকে বেশি পাম তেল আমদানি করে ভারতই। প্রতি বছর আনুমানিক ৯৫ লক্ষ টন পাম তেল আমদানি করে। মূলত ইন্দোনেশিয়া ও মালয়শিয়া থেকে তেল আমদানি করা হয়। ভারতে পাম তেল উৎপাদন হয় মাত্র ৪ লক্ষ টন।

আরও একটা সঙ্কটের মুখে ভারত, রান্না করার তেল পাওয়া যাবে না ক'দিন পর থেকে?
প্রতীকী চিত্র।

 ইরান-আমেরিকার সংঘাত বিশ্বকে জ্বালানি সঙ্কটের মুখে ঠেলে দিয়েছিল। এখনও যে সঙ্কট পুরোপুরি কেটে গিয়েছে, তা নয়। এর মধ্যেই আরও এক সঙ্কটের খবর। আরও একটা তেল সঙ্কটের মুখে ভারত। তবে এটা পেট্রোল বা ডিজেলের সঙ্কট নয়। এবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে ভোজ্য তেলের সঙ্কট। আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে পাম তেলের সঙ্কট।


ভারত পাম তেলের সঙ্কট হওয়া যথেষ্ট উদ্বেগের, কারণ বিশ্বে সবথেকে বেশি পাম তেল আমদানি করে ভারতই। প্রতি বছর আনুমানিক ৯৫ লক্ষ টন পাম তেল আমদানি করে। মূলত ইন্দোনেশিয়া ও মালয়শিয়া থেকে তেল আমদানি করা হয়। ভারতে পাম তেল উৎপাদন হয় মাত্র ৪ লক্ষ টন।



এবার এই পাম গাছ সবথেকে বেশি রয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। যুদ্ধের জেরে পাম গাছ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় এবং তেল রিফাইনারিগুলি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায়, পাম তেলের উৎপাদনে ভাঁটা পড়েছে। এছাড়া বৃষ্টির অভাবেও গাছগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।


ভারতে ব্যবহৃত ভোজ্য তেলের মধ্যে ৪০ শতাংশই পাম তেল। অনেক বাড়িতেই পাম তেল ব্যবহার হয়। বিভিন্ন ভাজা খাবার পাম তেলেই তৈরি হয়। এছাড়া বিস্কুট, কুকিজ, কেক, পেস্ট্রির মতো বেকারি খাবারগুলিতেও পাম তেলই ব্যবহার হয়। বেশ কিছু সাবান, শ্যাম্পুতেও পাম তেল থাকে। পাম তেলের সঙ্কট বড় আকার নিলে, খাবারেও টান পড়তে পারে।


আজ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাঘব চড্ডা বলেন, "যাঁরা নিজেদের রক্ত জল করে আম আদমি পার্টিকে গড়ে তুলেছেন এবং অনেক আশা নিয়ে দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁরা হয় দল ছেড়ে দিয়েছেন অথবা ছাড়ার প্রক্রিয়ায় আছেন। প্রত্যেক পরিশ্রমী ও একনিষ্ট ব্যক্তিই মনে করেন যে দলে কোনও সুযোগ নেই।"

আমাদের দল ছাড়তে বাধ্য করেছে...' আপ ছাড়তেই বিস্ফোরক রাঘব চড্ডা
রাঘব চড্ডা

। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এবার রাঘব চড্ডা দাবি করলেন, তাঁদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। তার জন্য দায়ী কেজরীবালের নীতি। একইসঙ্গে দাবি করেছেন ভুল পথে এগোচ্ছে আম আদমি পার্টি।


ছয় সাংসদকে বৈঠকে ডাকেন কেজরীবাল 



গতকালই দল ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন রাঘব চড্ডা। এছাড়াও দলত্যাগী আরও ছয়জন সাংসদ হলেন সন্দীপ পাঠক, অশোক মিত্তাল, হরভজন সিং, রাজিন্দর গুপ্ত, স্বাতী মালিওয়াল এবং বিক্রম সাহনে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, রাঘব বিজেপিতে যেতে পারেন, তা আগেই আঁচ করা গিয়েছিল। তাঁর সঙ্গে যে আরও ছয় সাংসদের মধ্যেও অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে, তা টের পেয়েই একটি বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরীবাল। শুক্রবার সেই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমসূত্রে খবর, সেই বৈঠক হওয়ার আগেই বিজেপিতে যোগ দেন ওই সাংসদরা। জানা গিয়েছে, ছয়জন সাংসদের মধ্যে পাঁচ জনকে পরের দফায় আবার রাজ্যসভায় পাঠানোর কথা দিয়েছিলেন। কিন্তু, তার আগেই তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।


রাঘব চড্ডা কী বলছেন ?

আজ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাঘব চড্ডা বলেন, “যাঁরা নিজেদের রক্ত জল করে আম আদমি পার্টিকে গড়ে তুলেছেন এবং অনেক আশা নিয়ে দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁরা হয় দল ছেড়ে দিয়েছেন অথবা ছাড়ার প্রক্রিয়ায় আছেন। প্রত্যেক পরিশ্রমী ও একনিষ্ট ব্যক্তিই মনে করেন যে দলে কোনও সুযোগ নেই।” এরপরই তাঁরা দাবি করে, তাঁরা দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। রাঘব চড্ডা বলেন, “আমাদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। কেজরীবালের নীতির কারণেই দল ছেড়েছি। কেজরীবাল নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি ভুল পথে এগোচ্ছে এবং এর সঙ্গে আর কেউ যুক্ত থাকতে চায় না।”

রাঘব চড্ডার আরও দাবি, দলটি দুর্নীতিগ্রস্থের হাতে পড়েছে। শিশমহল বিতর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। রাঘব চড্ডার দাবি, শিশমহলের বিতর্কের কারণেই কেজরীবালের জনপ্রিয়তা কমেছে। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনেও আপের পরাজয়ের কারণ এটাই বলে মনে করছেন রাঘব।

 কেজরীবালের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন সাংসদ স্বাতী মালিওয়াল। তুলে ধরেন ২০২৪ সালের ঘটনাকেও। বলেন,"আমি আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। ২০০৬ সাল থেকে আমি অরবিন্দ কেজরীবালের সঙ্গে কাজ করছি এবং প্রতিটি আন্দোলনে তাঁকে সমর্থন করেছি। কিন্তু, অরবিন্দ কেজরীবাল আমার নিজের বাড়িতেই এক গুন্ডাকে দিয়ে আমাকে মারধর করিয়েছেন।


কেজরীবাল আমাকে মেরেছে, আগে ছেঁড়া প্যান্ট পরত, এখন...',বিস্ফোরক স্বাতী মালিওয়াল
স্বাতী মালিওয়াল

আপ ছেড়ে যে সাত সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁর মধ্যে রয়েছেন স্বাতী মালিওয়ালও। আর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে চলেছেন তিনি। কেজরীবালকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁকে গুণ্ডা বলেছেন স্বাতী। কটাক্ষ করে বলেছেন, একটা সময় ছেঁড়া প্যান্ট পরতেন, আর সেই কেজরীবালই ১০০ কোটি বাংলোতে বানিয়েছেন। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি।


‘গুন্ডা দিয়ে আমাকে মারধর করা হয়েছে…’



20 
সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে স্বাতী মালিওয়াল বলেন, “আমি কোনও বাধ্যবাধকতায় নয়, বরং প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে বিশ্বাস করি বলেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। যাঁরা গঠনমূলক রাজনীতি করতে চান, আমি তাঁদের সবাইকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাই।” কেজরীবালের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তিনি। তুলে ধরেন ২০২৪ সালের ঘটনাকেও। বলেন,”আমি আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। ২০০৬ সাল থেকে আমি অরবিন্দ কেজরীবালের সঙ্গে কাজ করছি এবং প্রতিটি আন্দোলনে তাঁকে সমর্থন করেছি। কিন্তু, অরবিন্দ কেজরীবাল আমার নিজের বাড়িতেই এক গুন্ডাকে দিয়ে আমাকে মারধর করিয়েছেন। আমি এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলায় আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং এই ঘটনায় আমার দায়ের করা এফআইআর তুলে নেওয়ার জন্য তিনি আমার ওপর প্রচণ্ড চাপও সৃষ্টি করেন। দুই বছর ধরে দল আমাকে সংসদে কথা বলার কোনও সুযোগ দেয়নি। এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক। অরবিন্দ কেজরীবাল নারীবিদ্বেষী।”


‘দুর্নীতি’ ও ‘গুন্ডাগিরি’

মালিওয়াল দাবি করেছেন, আম আদমি পার্টি বর্তমানে একমাত্র ক্ষমতায় থাকা রাজ্য পঞ্জাবকে তাদের ‘ব্যক্তিগত এটিএম’-এ পরিণত করছে। তাঁর আরও অভিযোগ, যারা দলের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন, তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়। মালিওয়াল নরেন্দ্র মোদী ও কেজরীবালেল তুলনা করে বলেন, “অরবিন্দ কেজরীবাল দুর্নীতি এবং ‘গুণ্ডাগিরি’- র জন্য পরিচিত । অন্যদিকে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী মোদী বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। অপারেশন সিঁদুরের সময় শত্রুদের ঘরে ঢুকে তাদের হত্যা করা এবং দেশে নকশালবাদের অবসান ঘটানো থেকে সংসদে নারী সংরক্ষণ বিল পেশ করা, দেশের উন্নয়নের জন্য ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

‘ছেঁড়া প্যান্ট পরতেন, আর এখন ১০০ কোটির বাংলো’

সাত সাংসদ দল ছাড়ার পর তাঁদের বিশ্বাসঘাতক বলে কটাক্ষ করেছে আপ। পাল্টা মালিওয়ালের আক্রমণ, কেজরীবালই আসল বিশ্বাসঘাতক। তিনি বলেন, “২০১১ সালে যখন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন, তখন তিনি ছেঁড়া প্যান্ট পরতেন, দুই টাকার কলম ব্যবহার করতেন এবং জরাজীর্ণ একটি গাড়িতে ঘুরে বেড়াতেন।” কিন্তু তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার পরই কেজরীবাল ১০০ কোটির একটি বাড়ি তৈরি করেছেন। আমরা সবাই অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম এই মানুষটি দেশে পরিবর্তন আনবেন। আন্দোলনের সময় তিনি পুরো দেশকে অনেক বড় বড় স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন এবং দেশের জনগণও মুগ্ধ হয়েছিল। কিন্তু তিনি কী করলেন? ক্ষমতায় আসা মাত্রই তিনি একশো কোটি টাকার একটি বাড়ি তৈরি করলেন। কোটি কোটি টাকার কার্পেট লাগালেন এবং লক্ষ-কোটি টাকার ফ্রিজ কিনলেন। সোফা পর্যন্তও বিলাসবহুল।”

কেজরীবালকে দেশদ্রোহী বলেছেন স্বাতী মালিওয়াল। তিনি বলেন, “দেশদ্রোহী কাকে বলে? নিজের মূল নীতির বিরুদ্ধে কাজ করাকেই দেশদ্রোহিতা বলে মনে করি আমি। আর অরবিন্দ কেজরীবালের থেকে বড় দেশদ্রোহী আর কেউ নেই।”

 অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করে হিমন্ত বলেন, "দিদি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। কেন? ওরা বলছে, ভোট দেব। কেন ভোট দিচ্ছে? ওরা বলছে, রেশন কার্ড হবে। আধার কার্ড হবে। মানে বাংলাদেশি মুসলমানরা তৃণমূলের হয়ে কাজ করবে। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে হবে।"


অসমে সেঞ্চুরি, বাংলায় ডবল সেঞ্চুরি', 'গ্যারান্টি' দিলেন হিমন্ত
আরামবাগে প্রচারে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

নির্বাচনী প্রচারে আরামবাগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। শনিবার দুপুরে প্রখর রোদের মধ্যে তিনি আরামবাগের বিজেপি প্রার্থী হেমন্ত বাগের সমর্থনে রোড শো করলেন। আরামবাগের দৌলতপুর পার্টি অফিসের সামনে থেকে এই রোড শো শুরু হয়। গোটা আরামবাগ শহর জুড়ে রোড শো চলে। শেষ হয় আরামবাগ শহরের অপর প্রান্ত গৌরহাটির মোড় পর্যন্ত। প্রখর রোদকে উপেক্ষা করেই বহু বিজেপি কর্মী ও সমর্থক এই মিছিলে যোগদান করেন। আর সেই রোড শো থেকেই হিমন্ত দাবি করেন, এবার বাংলায় ডবল সেঞ্চুরি করবে বিজেপি।


কী বললেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা?



20 
সুসজ্জিত গাড়িতে করে রোড শো করার সময় তৃণমূলকে নিশানা করে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, “আমি বলছি, অসমে আমরা সেঞ্চুরি করব আর এই বাংলায় হবে ডবল সেঞ্চুরি। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলছি, জিতেগা ভাই জিতেগা, বিজেপি জিতেগা।” প্রসঙ্গত, অসমে বিধানসভায় ১২৬টি আসন রয়েছে। গত ৯ এপ্রিল ভোট হয়েছে সে রাজ্যে।


এদিন ভোট প্রচারে হুমায়ুন কবীরকেও নিশানা করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি বাংলায় এসেছি। আমাকে সবাই বলছেন, এই বাংলায় একজন হুমায়ুন আছেন। হুমায়ুন বলছেন, আমি বাবরি মসজিদ করব। তাঁর বাপের জমি নাকি? যদি অসমে হুমায়ুন কবীর হতেন, তাহলে তাঁ হাড় গোড় আস্ত থাকত না।”

অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করে হিমন্ত বলেন, “দিদি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। কেন? ওরা বলছে, ভোট দেব। কেন ভোট দিচ্ছে? ওরা বলছে, রেশন কার্ড হবে। আধার কার্ড হবে। মানে বাংলাদেশি মুসলমানরা তৃণমূলের হয়ে কাজ করবে। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে হবে। বিজেপি লাথি মেরে তাড়াবে মুসলমান অনুপ্রবেশকারীদের।তৃণমূলের গুন্ডারা কিছুই জানে না। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে গুন্ডাগিরি করছে। এই গুন্ডাদের আমরা ওয়াশিং মেশিনে ধোলাই করব।ভয় পাবেন না। পরিবর্তন হবে।”

বাংলায় প্রথম দফায় নির্বাচনে বিজেপি ১১০টির বেশি আসন পাবে বলে দাবি করেন তিনি। বলেন, “বিজেপি আসবেই। জেতার পরে মাংসের তরকারি। আর মাছের ঝোল হবে আরামবাগের মাছ আর অসমের মাছ। দিদি আপনার জমানা শেষ, বিজেপির শুরু।”
এবার পালা কলকাতার। সেই মতো আজ বেহালা পূর্বের প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে জনসভা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এক ব্য়ক্তি। দ্রুত তৃণমূল নেত্রী নির্দেশ দেন তাঁকে নিজের গাড়ি করে হাসপাতালে পাঠাতে। এমনকী, তাঁর পালস ও পরীক্ষা করেন তিনি। অনুমান করলেন ওই ব্যক্তির পালস লো রয়েছে। হয়ত গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি। 

অসুস্থ মহিলার পালস দেখলেন মমতা, দিয়ে দিলেন নিজের গাড়ি
অসুস্থ মহিলার পালস চেক


প্রবল গরম। তার মধ্যেই জোর কদমে চলছে দ্বিতীয় দফা ভোটের প্রচার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলায়-জেলায় সভা সেরেছেন। এবার পালা কলকাতার। সেই মতো আজ বেহালা পূর্বের প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে জনসভা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এক মহিলা। দ্রুত তৃণমূল নেত্রী নির্দেশ দেন তাঁকে নিজের গাড়ি করে হাসপাতালে পাঠাতে। এমনকী, তাঁর পালস ও পরীক্ষা করেন তিনি। অনুমান করলেন ওই মহিলার পালস লো রয়েছে। হয়ত গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি।




20 सुंदर जगहें जहाँ ज़िंदगी में एक बार जाना चाहिए
এ দিন সন্ধ্যে নাগাদ সভা করছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন ইস্যুতে বিজেপিকে বিঁধছিলেন তিনি। সেই সময় হঠাৎই বক্তব্য থামিয়ে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। দূরে দেখেন তাঁর বক্তব্য শুনতে আসা এক মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সঙ্গে-সঙ্গে মমতা জানতে চান কী হয়েছে। জল পান করবেন কি না ওই মহিলার থেকে জানতে চান তিনি। এরপর সঙ্গে-সঙ্গে তিনি বলেন, “আমার গাড়িটা ওঁকে দিচ্ছি…সেই গাড়িটা করে হাসপাতালে নিয়ে যাক। আমি অপেক্ষা করছি। ওঁকে গাড়ি করে বের না করা পর্যন্ত আমি বক্তব্য শুরু করব না।”

ঠিক কবে নেতানিয়াহুর ক্যানসার ধরা পড়েছে, তা জানা না গেলেও, তিনি নিজেই জানিয়েছেন যে দুই মাস এই মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতে দেননি। ইরান ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যাতে মিথ্যা প্রচার চালাতে না পারে, তার জন্যই এই নির্দেশ দিয়েছিলেন। 

ক্যানসারে আক্রান্ত নেতানিয়াহু, যুদ্ধের জন্য লুকিয়েছিলেন সত্যিটা! কী অবস্থা এখন?
ক্যানসারে আক্রান্ত বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।


ক্যানসারে আক্রান্ত ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)। প্রস্টেট ক্যানসার (Prostate Cancer) ধরা পড়েছে তাঁর। ইতিমধ্যেই চিকিৎসাও চলছে। বার্ষিক মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পরই ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী এই কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।


নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, প্রসেস্ট ক্যানসার ধরা পড়েছে তাঁর, তবে তা প্রাথমিক স্টেজে রয়েছে। ২০২৪ সালে ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশনের কারণে নেতানিয়াহুর প্রস্টেটে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই রুটিন চেকআপ চলে। সেই সময় একটি ম্যালিগন্যান্ট টিউমার ধরা পড়ে। এরপরই চিকিৎসা শুরু করা হয়।



৭৬ বছর বয়সী প্রধানমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন যে নির্দিষ্ট চিকিৎসায় ওই ‘সমস্যা’কে উৎপাটন করা হয়েছে। এখন আর তার চিহ্নও নেই। নেতানিয়াহুর মেডিক্যাল রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে সুস্থ আছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। রেডিয়েশন থেরাপি দেওয়া হয়েছে তাঁকে।


ঠিক কবে নেতানিয়াহুর ক্যানসার ধরা পড়েছে, তা জানা না গেলেও, তিনি নিজেই জানিয়েছেন যে দুই মাস এই মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতে দেননি। ইরান ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যাতে মিথ্যা প্রচার চালাতে না পারে, তার জন্যই এই নির্দেশ দিয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, ইজরায়েলে সবথেকে দীর্ঘ মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। গত মার্চ মাসে, ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাত শুরুর সময়ই ইরানের সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ায় রটে গিয়েছিল যে নেতানিয়াহু মারা গিয়েছেন। পরে নেতানিয়াহু জেরুজালেম ক্যাফেতে নিজের ভিডিয়ো পোস্ট করে প্রমাণ দেন যে তিনি মারা যাননি, বেঁচে আছেন দিব্যি।

এর আগে ২০২৩ সালে পেসমেকার বসাতে হয়েছিল নেতানিয়াহুকে। আগামী অক্টোবর মাসেই ইজরায়েলে নির্বাচন। ঠিক তাঁর আগেই নেতানিয়াহুর রাজরোগের খবর মিলল। তবে নির্বাচনে এর বিশেষ প্রভাব ফেলবে বলে মনে হচ্ছে না।

প্রায় আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ট্রেনটি একইভাবে দাঁড়িয়ে থাকায় চাপানউতোর বাড়তে থাকে যাত্রীদের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত উপায় না দেখে অনেক যাত্রী ট্রেন থেকে নেমে লাইন দিয়ে হেঁটে চুঁচুড়া স্টেশনের দিকে রওনা দেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে যাত্রীরা পরবর্তী ডাউন ব্যান্ডেল লোকাল ধরেন। তবে এই সমস্যার প্রভাব পড়ে অন্যান্য ট্রেনের উপরেও।

ব্রেক বাইন্ডিংয়ের জেরে চুঁচুড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে গেল ডাউন বর্ধমান-হাওড়া লোকাল!
প্রতীকী ছবি


সকালের ব্যস্ত সময়ে যান্ত্রিক বিভ্রাট। সমস্যায় নিত্য যাত্রীরা। ব্রেক বাইন্ডিংয়ের জেরে হুগলি ও চুঁচুড়া স্টেশনের মাঝে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল ডাউন বর্ধমান-হাওড়া লোকাল। এর ফলে অফিস টাইমে চরম ভোগান্তির শিকার হলেন কয়েক হাজার রেলযাত্রী।


রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ডাউন বর্ধমান লোকালটির নির্ধারিত সময়েই ৭টা ৯ মিনিটে চুঁচুড়া স্টেশনে ঢোকার কথা ছিল। কিন্তু হুগলি স্টেশন ছাড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রেনের চাকায় যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। ‘ব্রেক বাইন্ডিং’ হয়ে যাওয়ায় চাকা জ্যাম হয়ে যায়। যার জেরে ট্রেনটি মাঝপথেই দাঁড়িয়ে পড়ে। যদিও ততক্ষণে যাত্রীরা তা বুঝতে পারেননি। 



প্রায় আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ট্রেনটি একইভাবে দাঁড়িয়ে থাকায় চাপানউতোর বাড়তে থাকে যাত্রীদের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত উপায় না দেখে অনেক যাত্রী ট্রেন থেকে নেমে লাইন দিয়ে হেঁটে চুঁচুড়া স্টেশনের দিকে রওনা দেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে যাত্রীরা পরবর্তী ডাউন ব্যান্ডেল লোকাল ধরেন। তবে এই সমস্যার প্রভাব পড়ে অন্যান্য ট্রেনের উপরেও। বর্ধমান লোকাল আটকে থাকায় পিছন থেকে আসা ব্যান্ডেল লোকালটিও নির্ধারিত সময়ের থেকে প্রায় ১৫ মিনিট দেরিতে চুঁচুড়া স্টেশনে পৌঁছায়।


খবর পেয়েই রেলের কারিগরি দফতরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ব্রেক বাইন্ডিংয়ের সমস্যাটি মেরামত করা হয়। মেরামত শেষ হওয়ার পর ডাউন বর্ধমান লোকালটি পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। রেলের দাবি, বর্তমানে ওই লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। তবে দিনের শুরুতেই এমন বিভ্রাটের কারণে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নিত্যযাত্রীরা। 

 এই নিয়ে আইপিএলে ৬ নম্বর সেঞ্চুরি করলেন রাহুল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেকোনও ফরম্যাটে আজ রাহুলের ১৫২ রানের ইনিংসই কোনও ভারতীয়ের করা সর্বোচ্চ রান। প্রথম ভারতীয় হিসেবে তিনটি আলাদা আলাদা দলের জার্সিতে দুটি করে সেঞ্চুরি করে আরও এক রেকর্ড গড়লেন রাহুল।

যা আইপিএলের দীর্ঘ ১৯ বছরের ইতিহাসে কোনওদিন হয়নি, তা আজ হল। আইপিএলে এই প্রথমবার কোনও ভারতীয় ব্যাটার এক ইনিংসে ১৫০ বা তার বেশি রান ছুঁলেন। দিল্লির হয়ে আজ পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে আজ ১৫২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন কে এল রাহুল (KL Rahul)। এর আগে এই রান করেছিলেন মাত্র দুই জন। ২০০৮ সালে কেকেআরের ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম ও ২০১৩ সালে আরসিবির ক্রিস গেইল। ম্যাককুলাম করেছিলেন ১৫৮ রান। গেইল করেছিলেন ১৭৫ রানের অপরাজিত ইনিংস। কিন্তু প্রথম ভারতীয় হিসেবে এই অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়ে রাহুল বুঝিয়ে দিলেন, তিনি শুধু ফুরিয়েই যাননি তা নয়, ভয়ঙ্করভাবে ‘কামব্যাক’ করলেন।


টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম থেকেই ঝড় তুলেছিলেন রাহুল ও পাথুম নিশঙ্কা। অর্শদীপের বলে মাত্র ৭ বলে ১১ রান করেই আউট হয়ে যান পাথুম। এরপর থেকেই যেন মাঠে তান্ডব শুরু করেন নীতিশ রানা ও কেএল রাহুল। এর আগে অনেক ম্যাচেই উপেক্ষিত হয়েছিলেন নীতিশ। আজ ৪৪ বলে ৯১ রানের ইনিংস খেলে বুঝিয়ে দিলেন, তাঁর ব্যাট আজও বিক্রম দেখাতে ভুলে যাননি। কয়েক বল আগেই বাউন্ডারি লাইনে তাঁর দুরন্ত ক্যাচ ধরেছিলেন মার্কাস স্টোইনিস, কিন্তু তাঁর পা বাউন্ডারি লাইনে থেকে যাওয়ায় সেই ক্যাচ বাতিল হয়ে যায়। তাঁদের দুজনের জুটিতে উঠল মোট ২২০ রান। আর ৯ রানের জন্য ভাঙল না কোহলি-এবির রেকর্ড। ২০১৬ সালে গুজরাট লায়ন্সের ২২৯ রানের পার্টনারশিপ করেছিলেন দু’জন। আজও সেই রেকর্ড রইল অক্ষত। শেষ ওভারে নিজের ১৫০ রানে পৌঁছলেন রাহুল। তারপরেই সেই চিরাচরিত সেলিব্রেশন। দুটো আঙ্গুল মুখে ঢুকিয়ে হুইসল দেওয়া এবং ব্যাট দর্শকদের দিকে দেখানো। আজ ৪৭ বলে ১০০ রানের গন্ডি ছুঁয়েছেন রাহুল। ইনিংস শেষে অপরাজিত ৬৭ বলে ১৫২ রানে। মেরেছেন ১৬টি বাউন্ডারি, ৯টি ওভার বাউন্ডারি।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন, থানার ভেতরে কীভাবে এমন বিস্ফোরণসদৃশ ঘটনা ঘটল? প্রশাসনের তরফে দ্রুত তদন্ত ও স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি তুলেছেন তারা। রোহিত বাসফোর বলেন, "টিফিন করছিলাম। সেই সময় হঠাৎ করে বোমা বিস্ফোরণ হয়। বাচ্চারা চিৎকার করল। সঙ্গে সঙ্গে থানায় গেলাম। ওরা কিছু না দেখেই বলল স্কুটির টায়ার ফেটে গেছে। থানার পাশেই বোমা ফাটছে।"


থানার ঠিক পাশেই...হঠাৎ বিস্ফোরণ, ধোঁয়ায় ধোঁয়া গোটা এলাকা
বিস্ফোরণ নোয়াপাড়ায় (Noapara) ফাটল বোমা (Bomb)। নিষ্ক্রিয় করে রাখার জন্য বোমা ফেটে বিপত্তি। রীতিমতো কেঁপে ওঠে বিস্তৃর্ণ নোয়াপাড়া থানার আশপাশ। ছিটকে পড়ল স্প্লিন্টার। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবারের বার বেলায়।


থানার পিছনে বসবাসকারী স্থানীয়দের অভিযোগ, থানার ভিতরের দিক থেকেই বোমা বিস্ফোরণের মতো শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বাড়িগুলিতে। বাসিন্দাদের দাবি, বিস্ফোরণের পর বেশ কিছু স্প্লিন্টার ছিটকে তাঁদের বাড়ির ছাদ ও উঠোনে এসে পড়ে। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। হঠাৎ এই ঘটনায় ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়রা আরও জানান, বিষয়টি থানায় জানানো হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তাদের অভিযোগ।



এলাকাবাসীর প্রশ্ন, থানার ভেতরে কীভাবে এমন বিস্ফোরণসদৃশ ঘটনা ঘটল? প্রশাসনের তরফে দ্রুত তদন্ত ও স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি তুলেছেন তারা। রোহিত বাসফোর বলেন, “টিফিন করছিলাম। সেই সময় হঠাৎ করে বোমা বিস্ফোরণ হয়। বাচ্চারা চিৎকার করল। সঙ্গে সঙ্গে থানায় গেলাম। ওরা কিছু না দেখেই বলল স্কুটির টায়ার ফেটে গেছে। থানার পাশেই বোমা ফাটছে।” রাজেশ বাসফোর বলেন, “আমি তো কারখানায় কাজ করি। আমার ছেলে ফোনে বলল বাবা আমাদের পিছনে ব্লাস্ট হয়েছে। আমরা থানায় গেছি। কথা বলেছি। অদ্ভুত ব্যাপার থানার বড় বাবু বিষয়টা গা করলেন না।”
এবার শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তিনি যেমন অভিনেতা হিসাবে পরিচিত মুখ, তেমনই পাঁচ বছর ধরে গেরুয়া শিবিরের হয়ে বিধায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে এবার তাঁর নির্বাচনের কেন্দ্র বদল হয়েছে। শ্যামপুরে লড়ার সুযোগ পেয়েই 
হিরণ জানিয়েছিলেন, শ্যামপুরে তাঁর মায়ের শিকড়।


বিনা চিকিত্‍সায় মৃত বাবা-মা, 'মামারবাড়ি' শ্যামপুর নিয়ে হিরণ বললেন...


এবার শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তিনি যেমন অভিনেতা হিসাবে পরিচিত মুখ, তেমনই পাঁচ বছর ধরে গেরুয়া শিবিরের হয়ে বিধায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে এবার তাঁর নির্বাচনের কেন্দ্র বদল হয়েছে। শ্যামপুরে লড়ার সুযোগ পেয়েই TV9 বাংলাকে হিরণ জানিয়েছিলেন, শ্যামপুরে তাঁর মায়ের শিকড়। তাই সেই জায়গাকে তিনি মামারবাড়ি হিসাবেই দেখেন।


এবার এক ভিডিয়োতে শ্যামপুর নিয়ে বড় বার্তা দিলেন হিরণ। তিনি বললেন, ”প্রায় সকলেই জানেন, ১৯৯৭ সালে আমি বাবা আর মাকে হারিয়েছি। আমরা অত্যন্ত গরিব ছিলাম। হাসপাতালে বিনা চিকিত্‍সায় মারা গিয়েছেন বাবা-মা। শ্যামপুরে এসে আমি দেখেছি, এখানে কোনও সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল নেই। সেরকম কোনও রোগ হলে, প্রথমেই অন্য জায়গায় যেতে হয়। যাত্রা পথেই কত মানুষ চলে যান চিরকালের মতো। তাই এটা কথা দিচ্ছি, শ্যামপুরে সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল তৈরি করব।”



হিরণ বিধায়ক হলে যে এলাকার মানুষের চিকিত্‍সা সংক্রান্ত সমস্যার সুরাহা করার দায়িত্ব তিনি নেবেন, সেটাই স্পষ্ট তাঁর কথায়। হিরণ এটাও খোলসা করেছেন, সেখানে এমন কোনও ওষুধের দোকান নেই, যা সারা রাত খোলা থাকে। তাঁর কথায়, রাতে কোনও ওষুধের দরকার পড়লে, তখন নাজেহাল হয়ে যান এলাকার মানুষ। সেই কারণে এমন ওষুধের দোকানের ব্যবস্থা করবেন তিনি, যা সব সময়ে খোলা থাকবে, সেই কথা দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী।


লক্ষণীয় শ্যামপুরে এর আগের বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী ছিলেন নায়িকা তনুশ্রী চক্রবর্তী। তিনি জয় ছিনিয়ে আনতে পারেননি সবুজ শিবিরের থেকে। এবার বিধানসভা নির্বাচনে হিরণের ফল কেমন হয়, তা দেখার অপেক্ষা।