WEATHER

Top News



ইয়াসির উসমানের বই অনুযায়ী, অমিতাভ-রেখার সম্পর্কের রটনা নিয়ে জয়া বচ্চন ছিলেন অত্যন্ত সংযত। এক সাক্ষাৎকারে জয়া বলেছিলেন, “সারা দুনিয়া কী বলছে তাতে আমার কিছু যায় আসে না। অমিতাভ আমার কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদি ও অন্য কাউকে ভালোবাসে, তবে সেই কথা বলার সাহস ওর থাকা উচিত। আর যদি ও আমার অগোচরে কিছু করে থাকে, তবে সেটা ওর সমস্যা, আমার নয়। ওকেই ওর বিবেক নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে।”


দাম্পত্য জীবনের টানাপড়েন নিয়ে সরাসরি রেখার নাম না নিলেও অমিতাভ বচ্চন একবার মুখ খুলেছিলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট। অমিতাভ বলেছিলেন, “আমাদের ক্ষেত্রে বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স শব্দটা কখনওই আসবে না। আমি ডিভোর্সে বিশ্বাসী নই। জয়াকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে বেছে নেওয়াটা ছিল আমার জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত।” মূলত এই বক্তব্যের মাধ্যমেই তিনি সব জল্পনার অবসান ঘটাতে চেয়েছিলেন।

অন্যদিকে, রেখাও কিন্তু সংবাদমাধ্যমের চর্চা জিইয়ে রাখতে পিছপা হননি। ‘স্টারডাস্ট’ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রেখা এক অদ্ভুত দাবি করেন। তিনি জানান, একদিন জয়া বচ্চন তাঁকে নিজের বাড়িতে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। রেখার কথায়, “যতদিন জয়া ভেবেছিলেন এটা একটা সাধারণ সম্পর্কের টানাপড়েন, ততদিন তাঁর আপত্তি ছিল না। কিন্তু যখন তিনি বুঝলেন অমিতাভ মানসিকভাবে জড়িয়ে পড়েছেন, তখন থেকেই ওঁর কষ্ট শুরু হয়। সেদিন ডিনারে আমাদের মধ্যে সব বিষয় নিয়ে কথা হয়েছিল শুধু অমিতাভকে বাদ দিয়ে। কিন্তু বাড়ি ফেরার আগে জয়া আমাকে একটি কথা পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন— ‘যাই হয়ে যাক, আমি অমিতকে কখনওই ছেড়ে যাব না’।”

আটের দশকের সেই ত্রিকোণ প্রেমের গুঞ্জন আজও বলিউডের ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। সম্পর্কের টানাপড়েন, মর্যাদার লড়াই এবং শেষ পর্যন্ত জয়া বচ্চনের অটল সিদ্ধান্ত— সব মিলিয়ে এই কাহিনী কোনও সিনেমার চিত্রনাট্যের চেয়ে কম নয়। আজও ‘সিলসিলা’ যখন টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যায়, দর্শকরা তাতে খুঁজে পান সেই সময়ের রক্ত-মাংসের আবেগ আর আভিজাত্যের লড়াইকে।


গত কয়েকদিন ধরেই সাপুরজি ই-ব্লকের বাসিন্দারা পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, আবাসন থেকে যে পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত দূষিত। সেই জল পান করেই ছোট-বড় নির্বিশেষে ব্লকের প্রায় সমস্ত মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অসুস্থের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়ে যাওয়ায় উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।


 নিউটাউনের সাপুরজিতে অসুস্থ হচ্ছেন একের পর এক, কী হচ্ছে সেখানে?
সাপুরজিতে হাড়হিম ঘটনা

 দ্রুত ছড়াচ্ছে নিউটাউনে রোগ। ইতিমধ্যেই আক্রান্ত পঞ্চাশের বেশি। জানা যাচ্ছে, সাপুরজিতে ইতিমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন অনেকে। দূষিত পানীয় জলে অসুস্থ একাধিক। কর্তৃপক্ষকে ঘিরে উত্তাল বিক্ষোভ।


জানা যাচ্ছে, সাপুরজি আবাসনের ই-ব্লকে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। ব্লকের প্রায় প্রতিটি ঘরেই কেউ না কেউ অসুস্থ। আক্রান্ত হওয়ায় গোটা আবাসন চত্বরে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং স্বচ্ছ পানীয় জলের দাবিতে সোমবার সকালে আবাসন কর্তৃপক্ষের ফেসিলিটি ম্যানেজারকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা।


গত কয়েকদিন ধরেই সাপুরজি ই-ব্লকের বাসিন্দারা পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, আবাসন থেকে যে পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত দূষিত। সেই জল পান করেই ছোট-বড় নির্বিশেষে ব্লকের প্রায় সমস্ত মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অসুস্থের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়ে যাওয়ায় উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। আবাসিকদের দাবি, পানীয় জলের মান নিয়ে তাঁরা বারবার আবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু বারংবার বলা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা টেকনোসিটি থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন।
এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্কে আছেন বাসিন্দারা। ডায়রিয়ার প্রকোপ আরও বাড়ার আশঙ্কায় অনেকেই ঘরবন্দি। আবাসন ফেসিলিটি ম্যানেজার বলেন, “আমরা যত তাড়াতাড়ি পারি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি।”

শেষ মুহূর্তে প্রত্যাঘাত করলেন ইংরেজ ব্যাটাররা। তাঁদের একটি ছক্কা গ্যালারিতে একজন মহিলার মুখে আঘাত করে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ম্যাচের শেষে আতশবাজি দিয়ে উদযাপন করা হল ইংল্যান্ডের জয়। সি গ্ৰুপ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে সুপার এইটে পৌঁছে গেল ইংল্যান্ড।


 আদিল রশিদের এক ওভারে তিন ছক্কা মেরে ২১ রান ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই যেন শব্দব্রহ্মে পরিণত হল ক্রিকেটের নন্দনকানন। তখনও ইতালির জয়ের জন্য প্রয়োজন দুই ওভারে ৩০ রান। ইডেনকে দেখে বোঝার উপায় নেই, বাইশ গজে আদৌ সূর্যরা নেমেছেন নাকি ইতালি ? প্রায় ২৪ হাজার দর্শক নাগাড়ে গলা ফাটালেন ইতালির জন্য। এই বিশ্বকাপে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স শুরু থেকেই আন্ডারডগদের সাফল্যকামনায় মেতে উঠছে। আজকেও তার অন্যথা হয়নি। শেষ মুহূর্তে পা না হড়কালে হয়ত ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আজ অঘটন ঘটিয়ে দিতেই পারত আজ্জুরিরা।


টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইংল্যান্ড। ১৫ বলে ২৮ রান করলেন কলকাতার ঘরের ছেলে ফিল সল্ট। ইডেন তাঁর কাছে পয়া মাঠ। শেষ দুই বছরে আইপিএলে এই মাঠে কম সাফল্য পান নি তিনি। ২০ বলে ২৩ রান করেছেন পাওয়ারহিটার জেকব বেথেল। রান পান নি বাটলার। মাত্র ৩ রান করেই আউট হয়ে গিয়েছেন ইংল্যান্ড দলের এই তারকা। অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক করেছেন ১৪ রান। সাত নম্বরে নেমে উইল জ্যাক্স ২২ বলে ৫৩ রানের ইনিংস না খেললে অসুবিধের সম্মুখীন হতে হত ইংল্যান্ডকে। শেষ মুহূর্তে প্রত্যাঘাত করলেন ইংরেজ ব্যাটাররা। তাঁদের একটি ছক্কা গ্যালারিতে একজন মহিলার মুখে আঘাত করে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জবাবে শুরু থেকেই লড়াই শুরু করেন জাস্টিন মোস্কা। ৩৪ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। আজ্জুরি অধিনায়ক হ্যারি মানেনটি ব্যর্থ। বেন মানেনটি পাল্টা লড়াই শুরু করেছিলেন। তাঁর ২৫ বলে ৬০ রানের ইনিংসে ভর করে একসময় অঘটনের স্বপ্ন দেখছিল ইতালি। গ্র্যান্ট স্টুয়ার্টও চেষ্টা করেছিলেন দ্রুত রান তোলার। তিনি করলেন ২৩ বলে ৪৫ রান। ১৯তম ওভারে স্যাম কারান দিলেন মাত্র ৫ রান। সেখানেই যেন কামব্যাকের আশা চূর্ণ হল আজ্জুরিদের। শেষ ওভার উইকেট মেডেন দিয়ে ইংল্যান্ডকে সুপার এইটে তুলে দিলেন জেমি ওভারটন। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট পেয়েছেন তিনি। জোফ্রা আর্চার নিয়েছেন ২টি ও স্যাম কারান পেয়েছেন ৩ উইকেট। ২০৩ রান তাড়া করতে নেমে ১৭৮ রানে শেষ ইতালির ইনিংস। ২৪ রানে ম্যাচ জিতে শেষ আটে জায়গা করে নিল ইংল্যান্ড।

  পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরে যে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ক্যাটেগরি চলছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মহম্মদ জিম ফরহাদ নওয়াজ নামে এক ব্যক্তি। তিনি আবেদন করেন, এই ক্যাটেগরি হঠানো হোক। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ক্যাটেগরিতে তাঁকেও নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। সেই নোটিসকেও চ্যালেঞ্জ করেন তিনি।



SIR-এ হিয়ারিং পর্ব শুরু হওয়ার পর থেকেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে বিতর্ক বাধে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে তুলোধনা করে রাজ্যের শাসকদল। আর এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে সেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জল গড়াল সুপ্রিম কোর্টে। পশ্চিমবঙ্গে এসআইয়ার প্রক্রিয়ায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ক্যাটেগরির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয় শীর্ষ আদালতে। আর সোমবার সেই মামলাই খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।


পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরে যে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ক্যাটেগরি চলছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মহম্মদ জিম ফরহাদ নওয়াজ নামে এক ব্যক্তি। তিনি আবেদন করেন, এই ক্যাটেগরি হঠানো হোক। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ক্যাটেগরিতে তাঁকেও নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। সেই নোটিসকেও চ্যালেঞ্জ করেন তিনি।


কিন্তু এই আবেদন শুনতেই চাননি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, কোন সাংবিধানিক ধারায় ব্যক্তির বাবা-মা, ভাই কে, তা খতিয়ে দেখার দায়ভার সুপ্রিম কোর্ট নিতে পারে? এ বিষয়ে আইন মোতাবেক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চ। মামলাটি খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। তবে শুনানিতে যাতে সাধারণ মানুষকে হয়রানি না হতে হয়, তা নিশ্চিত করতে এর আগে কমিশনকে একাধিক নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।


প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর এখন শেষ পর্যায়ে। শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এখন স্ক্রুটিনি চলছে। এরপর আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। খসড়া তালিকায় নাম থাকার পরও চূড়ান্ত তালিকায় যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁদের কমিশনের তরফে নাম না থাকার কারণ জানানো হবে। এমনকি, ফের নাম তোলার সুযোগও রয়েছে বলে রাজ্যের সিইও দফতরের তরফে জানানো হয়েছে।

রাজ‍্য ও জেলা নেতৃত্বের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের ফলে তিনি সিপিএম থেকে পদত্যাগ করেছেন দলকে লিখিত জানিয়েছেন প্রতীক-উর। আর প্রতীক-উর রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ঠিক এরই মাঝে ফেসবুকে লম্বা পোস্ট অভিনেত্রী, সিপিএম সমর্থক তথা শ্যামল চক্রবর্তী কন্য়া ঊষসী চক্রবর্তীর। 


প্রতীক উর সিপিএম ছাড়তেই মাও-নেপালের নাম টানলেন ঊষসী চক্রবর্তী
আকাশ মিশ্র

বাংলায় যে বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন, তা মোটামুটি রাজ্য় রাজনীতি সরগরম পরিস্থিতি দেখলেই স্পষ্ট হয়ে যায়। প্রতি মুহূর্তেই রাজ্য রাজনীতির অন্দর থেকে প্রকাশ্যে আসছে, নানা নতুন চিত্র। এই যেমন, সোমবার আচমকাই রাজ্যের বাম শিবির সরগরম। আর নেপথ্যে রয়েছেন প্রতীক উর রহমান। সোমবার সিপিএমের রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতীক উর রহমান। প্রাথমিক সদস‍্যপদও ছেড়েছেন তিনি। দলকে পদত‍্যাগপত্র পাঠিয়েছেন প্রাক্তন SFI-এর রাজ‍্য সভাপতি। রাজ‍্য ও জেলা নেতৃত্বের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের ফলে তিনি সিপিএম থেকে পদত্যাগ করেছেন দলকে লিখিত জানিয়েছেন প্রতীক-উর। আর প্রতীক-উর রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ঠিক এরই মাঝে ফেসবুকে লম্বা পোস্ট অভিনেত্রী, সিপিএম সমর্থক তথা শ্যামল চক্রবর্তী কন্য়া ঊষসী চক্রবর্তীর। সরাসরি প্রতীর উর রহমানের নাম নাম নিলেও, সিপিএমের ছাড়া নিয়ে মাও এবং নেপাল দেব ভট্টাচার্যের প্রসঙ্গ টেনে আনলেন তিনি।




ঊষসীর রাজনীতির পাঠ শুরু হয়েছিল নিজের বাড়ি থেকেই। শ্যামল চক্রবর্তীর কন্যা হিসেবে বামপন্থী ঘরানাকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। তবে তাঁর পরিচয় কেবল নেতার মেয়ে হিসেবে নয়। জেএনইউ (JNU)-এর প্রাক্তনী এবং সমাজতত্ত্বে পিএইচডি (PhD) করা ঊষসী তাত্ত্বিক দিক থেকেও বামপন্থার গভীর অনুরাগী। সেই ঊষসী ফেসবুকে লিখলেন, ”অনেক দিন আগে নেপাল দা ( নেপাল দেব ভট্টাচার্য) পার্টি থেকে এক্সপেল্ড হয়ে নাকি বলেছিলেন “ বাবা ছেলে কে ত্যাজ্য করলে ই বা ছেলে কি বাবা কে ত্যাজ্য করে? জাস্ট মনে পড়ে গেল । শুনেছি স্বয়ং মাও সেতুং বহুবার চীনা কমিউনিস্ট পার্টি থেকে এক্সপেল্ড হয়ে গেছিলেন । আর প্রতিবারই এক্সপেল্ড অবস্থায় পার্টির মিছিলের শেষে ওনাকে হাঁটতে দেখা গেছিল । আর বাবা কর্ণকুন্তী সংবাদ পড়াতে পড়াতে শিখিয়েছিলেন – “জয়লোভে জয়লোভে রাজ্যলোভে অয়ি । বীরের সদগতি থেকে ভ্রষ্ট নাহি হই।” রবীন্দ্রনাথের এই বিখ্যাত উক্তি না ভুলে যেতে! আমদের মত কিছূ বোকা লোকের কাছে জয় পরাজয় এর থেকে মেরুদন্ড সোজা রাখা টা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এখনও । আমরা যাদেরকে অ্যাসেট ভাবি আশা করব তাঁদের কাছেও ।


এই বিষয় নিয়েও রাজনৈতিক চাপান-উতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির স্পষ্ট জবাব, এই নথিগুলি তো কোনওদিনই এসআইআর-এর জন্য ধার্য ছিল না, তাহলে প্রশ্নটা উঠল কেন! বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "যে ১৩টি নথির কথা বলা হয়েছিল, তার মধ্যে 'বাংলার বাড়ি' বা 'ইন্দিরা আবাস যোজনা'র নথি ছিল না।"


হিয়ারিং শেষ হওয়ার পর জানা গেল এই নথিগুলি গ্রহণযোগ্যই নয়, কী হবে এবার

 গত শনিবার ছিল পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের শুনানির শেষ দিন। দীর্ঘ শুনানি প্রক্রিয়ায় ভোটাররা নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে নির্দেশিকা অনুসারে বিভিন্ন নথি জমা দিয়েছেন। সরকারি নথি জমা দিয়েছেন অনেকেই। এবার শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নির্দিষ্ট কিছু নথি নিয়ে স্পষ্ট তথ্য দিল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের সিইও দফতরের তরফ থেকে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তবে প্রশ্ন উঠেছে, শুনানি শেষ হওয়ার পর এই তথ্য আসায় আদতে সমস্যায় পড়বেন না তো ভোটাররা?

সরকারি নথি হলেও ‘বাংলার বাড়ি’, ‘ইন্দিরা আবাস যোজনা’, ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস’ যোজনার নথিও গ্রহণ করা হবে না বলে জানানো হয়েছে। সিইও দফতরের তরফে এই নথিগুলির বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। প্রশ্ন হল, হিয়ারিং তো শেষ, এবার কী হবে? অনেক জায়গাতেই ইআরও-রা ওই সব নথি গ্রহণ করেছেন। যাঁরা শুধুমাত্র এই সব নথি দিয়েছেন, তাঁদের নাম বাদ পড়ার একটা সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।


এই বিষয় নিয়েও রাজনৈতিক চাপান-উতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির স্পষ্ট জবাব, এই নথিগুলি তো কোনওদিনই এসআইআর-এর জন্য ধার্য ছিল না, তাহলে প্রশ্নটা উঠল কেন! বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “যে ১৩টি নথির কথা বলা হয়েছিল, তার মধ্যে ‘বাংলার বাড়ি’ বা ‘ইন্দিরা আবাস যোজনা’র নথি ছিল না। যারা এই সব নথি নিল, তাঁরা কেন নিল?” অন্যদিকে, পাল্টা চাপ দিচ্ছে তৃণমূল। শাসক দলের মুখপাত্র তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, “কোন ইআরও-রা এই নথি গ্রহণ করেছে, কেনই বা করেছে, তার জবাবদিহি করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।” এতদিন কেন বলা হল না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

১ এপ্রিল থেকে চালু হচ্ছে রাজ্যের অন্তবর্তী বাজেটে ঘোষিত 'যুবসাথী প্রকল্প'। এই প্রকল্প অনুযায়ী, ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীরা এই ভাতা পাবেন। মহিলা ও পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন। সর্বাধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত মাসিক দেড় হাজার টাকা করে অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে এই প্রকল্পে। চাকরি পেলে ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে।


 ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ১৩ লাখ বেকারের আবেদন, শুধু কলকাতায় ভাতার আবেদন কত জমা পড়ল জানেন

ভোটের আগে কার্যত কল্পতরুর মতো ‘যুব সাথী’ প্রকল্পের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। মাধ্যমিক পাশ করা, চাকরি না পাওয়া যুবক-যুবতীরা মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন এই প্রকল্পে। রবিবার থেকে শুরু হয়েছে এই প্রকল্পে আবেদনের প্রক্রিয়া। ৪৮ ঘণ্টা পেরোয়নি। তার আগেই আবেদনকারীর সংখ্যা ছুঁয়ে ফেলল ১৩ লক্ষ।

২১ বছর থেকে ৪০ বছর বয়সীরা এই প্রকল্পে ভাতার জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন ও অফলাইনে আবেদনের সুযোগ রয়েছে। রাজ্য বাজেটে জানানো হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের জন্য ৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, লাখ লাখ আবেদন জমা পড়েছে, তবে পশ্চিমবঙ্গে বেকারের সংখ্যা ঠিক কত? দু দিনের আবেদন জমা শেষ হওয়ার পর হিসেব বলছে, যুবসাথীতে আবেদনের সংখ্যা ১৩ লক্ষ। ৪৫ হাজার ৮১২ জন অফলাইনে এবং ১ .২ লক্ষ আবেজন জমা পড়েছে অনলাইনে।

খাস কলকাতায় বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ব্যক্তি
হিয়ারিং শেষ হওয়ার পর জানা গেল এই নথিগুলি গ্রহণযোগ্যই নয়, কী হবে এবার
যুব সাথীর আবেদনে কারা এগিয়ে

গতকাল পর্যন্ত মোট আবেদনের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলা মুর্শিদাবাদ। সেখানে দেড় দিনে (সোমবার দুুপুর ১২টা পর্যন্ত) আবেদনকারীর সংখ্যা ৭৭ হাজার ৭৯০। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মোট ৪৯ হাজার ৪৪৯টি আবেদন জমা পড়েছে। তৃতীয় স্থানে বাঁকুড়া। আবেদনের সংখ্যা ৪৮ হাজার ১২২।

সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত কোন জেলায় কত আবেদন একনজরে

পুরুলিয়ায় আবেদন করেছেন ৪৬ হাজার ৯৪৫ জন।

উত্তর ২৪ পরগনায় আবেদনকারীর সংখ্যা ৪৪ হাজার ৩২৬।

হুগলিতে মোট আবেদন জমা পড়েছে ৩৬ হাজার ৫৪১টি।

পূর্ব বর্ধমানে ৩৪ হাজার ৫০৬টি আবেদন।

পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩৩ হাজার ২৯৬টি ফর্ম জমা পড়েছে।

হাওড়ায় আবেদনকারীর সংখ্যা ৩২ হাজার ৪২টি।

নদিয়ায় আবেদনকারীর সংখ্যা ৩০ হাজার ৩৭৯টি।

পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ হাজার ২৮৫ আবেদন জমা পড়েছে।

কোচবিহারে আবেদনের সংখ্যা ২৩ হাজার ১৩৫টি।

উত্তর দিনাজপুরে আবেদনের সংখ্যা ২৩,১৩২।

জলপাইগুড়িতে ২৩ হাজার ২৩ আবেদন জমা পড়েছে।

বীরভূমে ২২ হাজার ৭৯৫টি আবেদন করা হয়েছে।

পশ্চিম বর্ধমানে ২০ হাজার ৮০৬ জন নাম নথিভুক্ত করেছেন।

দক্ষিণ দিনাজপুরে মোট আবেদন ১৭ হাজার ৭৩৮।

কলকাতায় সংখ্যাটা ১৫ হাজার ৭৮০।

মালদহে ১৩ হাজার ৮০৫ জন আবেদন করেছেন।

আলিপুরদুয়ারে ১১ হাজার ৪৭৯ জন আবেদন করেছেন।

ঝাড়গ্রামে ১০ হাজার ৮৮৬ জন আবেদন জমা দিয়েছেন।

পাহাড়ি জেলাগুলির মধ্যে দার্জিলিংয়ে মোট ৮ হাজার ৯১৯ আবেদন জমা পড়েছে।

সবচেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে কালিম্পংয়ে। মাত্র ২ হাজার ৭১৪। তবে কালিম্পং পাহাড়ি জেলা, আয়তনেও খুব ছোট।


এ দিন, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, "আমি দেখলাম ফেসবুকে। আমাদের পার্টির নেতৃত্বরা রয়েছেন। গোটা বিষয় তাঁরা বলবেন।" দলে প্রতীক-উরের প্রয়োজনীয়তার হালকা আভাস দিয়ে তিনি বলেন, "ও আমাদের পার্টির নেতা। গোটা রাজ্যজুড়ে আমাদের পার্টির কমরেডরা লড়াই করছেন। প্রতীক-উরও লড়াই করেছেন। সব কর্মীরা দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেন।"


প্রতীক-উর সিপিএম ছাড়তেই মুখ খুললেন মীনাক্ষী, কোন দিকে 'ক্যাপ্টেন'?
কী বললেন মীনাক্ষী

সিপিএম ছাড়তেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন প্রতীক-উর রহমান। ঠিক কোন কারণে দল ছাড়লেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রতীক-উরের এই পদত্যাগ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সিপিএম-এর ‘ক্যাপ্টেন’ মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ঠিক পরিপক্ক একজন রাজনীতিবিদের মতোই জবাব দিলেন বাম নেত্রী।পুরো বিষয়টির দায়ভার ঠেলে দিয়েছেন সিপিএম-এর শীর্ষ নেতৃত্বের উপর। নিজে থেকে কোনও মন্তব্যই আলাদাভাবে করতে চাননি তিনি।

এ দিন, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমি দেখলাম ফেসবুকে। আমাদের পার্টির নেতৃত্বরা রয়েছেন। গোটা বিষয় তাঁরা বলবেন।” দলে প্রতীক-উরের প্রয়োজনীয়তার হালকা আভাস দিয়ে তিনি বলেন, “ও আমাদের পার্টির নেতা। গোটা রাজ্যজুড়ে আমাদের পার্টির কমরেডরা লড়াই করছেন। প্রতীক-উরও লড়াই করেছেন। সব কর্মীরা দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেন। যে কোনও একজন কর্মী পার্টির কাজ না করেন দলে থেকে, তাহলেও আমাদের ক্ষতি। আর আমাদের ক্ষতি মানে খেটে খাওয়া মানুষের ক্ষতি। সেই ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই হচ্ছে।” অর্থাৎ শুধু প্রতীক-উর নয়, সকলেই যে গুরুত্বপূর্ণ সেটাই বুঝিয়েছেন বাম নেত্রী। মীনাক্ষী নন, বাম সমর্থিত পরিচালক সৌরভ পালধি স্পষ্টত নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, “প্রতীক উর রহমান প্রয়োজনীয়। ব্যাস আর আপাতত কিছু লিখব না।”



যুব সাথীর টাকা পাবেন না যদি আপনার এই তালিকায় নাম থাকে
গত ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের সময় ডায়মন্ড-হারবার থেকে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বামেদের হয়ে লড়েছিলেন প্রতীক-উর-রহমান। সিপিএম-এর তরুণ তুর্কী অভিষেকের বিরুদ্ধে জিততে না পারলেও, মাঠে থেকে লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন। ছাড়েননি এক ইঞ্চি জমিও। বর্তমানে এ রাজ্যে শূন্য সিপিএম। না আছে সাংসদ, না আছে বিধায়ক। এই অবস্থায় ভোটের ঠিক আগে আগে প্রতীক-উরের মতো একজন তরুণ মুখ চলে যাওয়া মানে দলের কত বড় ক্ষতি তা হারে-হারে বুঝেছেন সিপিএম-এর নেতা-নেত্রীরা।

মূলত, তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বামেদের জোট নিয়ে আলোচনা ভালভাবে মেনে নিতে পারেননি প্রতীক-উর। বিশ্লেষকদের ধারণা, হতে সেই কারণে দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সোমবার বলেছেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমার সঙ্গে কারও বিরোধ নেই। আমার যা বলার আমি পার্টিকে বলেছি। সর্বোচ্চ নেতৃত্বের তরফে এখনও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। এটা তো দলের আভ্যন্তরীণ বিষয় এটা আমি সবার সামনে বলব না। সময় এলে মিডিয়াকে জানাব।”



  বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে, মার্চ মাসে শেষ হচ্ছে রাজ্যসভার সাংসদদের মেয়াদ। বর্তমানে তৃণমূলের তিন রাজ্যসভার সাংসদ হলেন সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সী। এছাড়া ছিলেন মৌসম বেনজির নূর, যিনি ইতিমধ্যেই সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়ে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরেছেন।

কোন সাংবাদিককে সাংসদ করবে তৃণমূল? কে হবে মেয়াদ ফুরোচ্ছে রাজ্যসভার সাংসদদের। কারা হবে নতুন মুখ? নাকি পুরনো সাংসদরাই আবার পদে ফিরবেন? শুরু হয়েছে জল্পনা। তৃণমূলের অন্দরে ঘোরাফেরা করছে বেশ কয়েকটি নাম। চার সাংসদের চারজনই বদলে যেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, তৃণমূলের নতুন তালিকায় থাকতে পারে কোনও এক সাংবাদিকের নাম।

বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে, মার্চ মাসে শেষ হচ্ছে রাজ্যসভার সাংসদদের মেয়াদ। বর্তমানে তৃণমূলের তিন রাজ্যসভার সাংসদ হলেন সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সী। এছাড়া ছিলেন মৌসম বেনজির নূর, যিনি ইতিমধ্যেই সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়ে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরেছেন। সেই ফাঁকা জায়গায় কাকে পাঠানো হবে, সেই প্রশ্নও রয়ে যাচ্ছে।



সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবার বিধানসভায় টিকিট দিতে পারে তৃণমূল। সে ক্ষেত্রে এক সাংবাদিককে ওই জায়গায় পাঠানো হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে, তবে নামটা এখনও স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে, মৌসম নূরের জায়গায় আবার কোনও সংখ্যালঘু মহিলা মুখ বেছে নিতে পারে তৃণমূল, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সাকেত গোখলে এবার আর সাংসদ হচ্ছে না বলেই ঘাসফুল শিবিরের অন্দরের খবর। সুব্রত বক্সী টিকিট পাবেন কি না, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে শীর্ষ নেতৃত্ব।

মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নাম নিয়েও কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল। সে ক্ষেত্রে সাংসদ হলে আর বিধানসভা ভোটে লড়া হবে না ফিরহাদের। এদিকে, সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যেরও সাংসদ হিসেবে মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে।

সাগর দ্বীপে শুরু হলো ' যুবসাথী' ক্যাম্প: ফর্ম জমা দিতে উপচে পড়া ভিড়


বেকার যুবক-যুবতীদের স্বাবলম্বী করতে রাজ্য সরকারের অন্যতম জনহিতকর প্রকল্প যুব সাথী। সোমবার গঙ্গাসাগরের সাগর কলেজ মাঠে মহাসমারোহে শুরু হলো এই প্রকল্পের বিশেষ আবেদন গ্রহণ শিবির। এদিন ক্যাম্পের শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি, সহ-সভাপতি স্বপন কুমার প্রধান, জেলা পরিষদ সদস্য সন্দীপ কুমার পাত্র সহ অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃত্বরা। 


এদিন মূলত মুড়িগঙ্গা-১, মুড়িগঙ্গা-২, রামকরচর এবং ধস পাড়া সমতিনগর-১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার যুবক-যুবতীরা তাদের আবেদনপত্র জমা দেন। সকাল থেকেই লাইনে উৎসাহী চাকরিপ্রার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ২১ বছর থেকে ৪০ বছর বয়সী যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন।
আর্থিক সহায়তা: আবেদন মঞ্জুর হলে উপভোক্তারা প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে আর্থিক ভাতা পাবেন। মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা জানান, গ্রামীণ এলাকার শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের প্রস্তুতিতে সহায়তা করতেই এই উদ্যোগ। আগামী কয়েকদিন পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পঞ্চায়েত এলাকার জন্য এই ক্যাম্প চলবে।

গঙ্গাসাগরে অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত বাড়ি: পাশে দাঁড়াল ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চায়েত সমিতি


ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো বিমলেন্দু জানার পরিবারের পাশে মানবিক মুখ দেখাল ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চায়েত সমিতি। আজ সকালে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার বিষ্ণুপুর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির সাথে দেখা করেন সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি স্বপন কুমার প্রধান।
গতকাল রাতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে বিমলেন্দু বাবুর বাড়িতে আগুন লাগে। স্থানীয় বাসিন্দা ও গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার পুলিশের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে পুরো বাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আজ সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে সহ-সভাপতি স্বপন কুমার প্রধান ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখেন এবং শোকার্ত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান।

এদিন ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে জরুরি ত্রাণ ও প্রাথমিক সাহায্য প্রদান করা হয়। স্বপন প্রধান আশ্বাস দিয়ে বলেন, "আমরা এই দুঃসময়ে পরিবারের পাশে আছি। ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে তাঁদের সবরকম সরকারি সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।" প্রশাসনের এই দ্রুত পদক্ষেপে বিপন্ন পরিবারটি নতুন করে আশার আলো দেখছে।

এস্থার ও অভিজিতের প্রথম সন্তানের জন্ম হয় ২০১২ সালে। আর দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয় ২০১৪ সালে। প্রথমদিন যাঁর ক্লাসে ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স শিখেছেন, আজ তাঁর সহধর্মিণী হয়ে অর্থনীতি নিয়ে নিরন্তর গবেষণা করে চলেছেন এস্থার। তবে অভিজিৎকে প্রথম দেখার মুহূর্ত আজও মনের মণিকোঠায় রয়ে গিয়েছে তাঁর।


একজন তখন ছাত্রী। অন্যজন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (MIT)-তে ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স পড়াচ্ছেন। সেখানেই প্রথম দেখা। শিক্ষক অবশ্য মুখচোরা। নিজেকে কিছুটা দূরে সরিয়ে রাখেন। তারপর ধীরে ধীরে সহকর্মী। অবশেষে জীবনসঙ্গী। যুগ্মভাবে নোবেল জয়। ৩০ বছর পরও নোবেলজয়ী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথম দেখার মুহূর্ত আজও মনে গেঁথে রয়েছে তাঁর সহিধর্মিণী তথা নোবেলজয়ী এস্থার দুফলোর। অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমবার দেখার পর কী মনে হয়েছিল তাঁর?


নোবেন পুরস্কারের ইতিহাসে অভিজিৎ ও এস্থার পঞ্চম দম্পতি, যাঁরা যুগ্মভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পান তাঁরা। তাঁদের সেই নোবেল জয়ের ছবি বাঙালির মনে চিরস্থায়ীভাবে জায়গা করে নিয়েছে। আর এস্থারের মনে পড়ছে ১৯৯৫ সালে অভিজিৎকে প্রথম দেখার ছবি। MIT-তে Ph.D করতে এসেছিলেন এস্থার। তখন সেখানে ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স পড়ান অভিজিৎ।



নোবেল প্রাইজ কমিটির তরফে এক্স হ্যান্ডলে অভিজিৎকে প্রথমবার দেখা নিয়ে এস্থার কী বলেছেন, তা শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে এস্থার বলেন, “প্রথম বর্ষের ছাত্রী হিসেবে আমি প্রথম অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখি। আমার তাঁকে ভীষণরকম অনুপ্রেরণাদায়ক মনে হয়। তিনি স্নেহশীল তবে নিজেকে কিছুটা দূরে রাখেন। তাঁর সঙ্গে পথ চলতে গিয়ে আমার জীবনই বদলে গিয়েছে। অনেকগুলো বছর কাটিয়ে আমি শুধু তাঁর সহকর্মী হইনি, তাঁর জীবনসঙ্গী হয়েছি। এখনও তাঁকে আমাদের অনুপ্রেরণাদায়ক মনে হয়। একইরকম স্নেহশীল। তবে একাকীত্ব চলে গিয়েছে। আমাদের দুই সন্তান রয়েছে। নোয়েমি এবং মিলন। আমার জীবনে আমি কতটা ভাগ্যবান, এখনও বিশ্বাস করতে পারি না। অভিজিতের সঙ্গে পথচলা আমার জীবনের সবচেয়ে চমৎকার অংশ।”

এস্থার ও অভিজিতের প্রথম সন্তানের জন্ম হয় ২০১২ সালে। আর দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয় ২০১৪ সালে। প্রথমদিন যাঁর ক্লাসে ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স শিখেছেন, আজ তাঁর সহধর্মিণী হয়ে অর্থনীতি নিয়ে নিরন্তর গবেষণা করে চলেছেন এস্থার। তবে অভিজিৎকে প্রথম দেখার মুহূর্ত আজও মনের মণিকোঠায় রয়ে গিয়েছে তাঁর। ওই যে বলে, ‘প্রথম দেখার দিনটারে, ভুলতে কী আর কেউ পারে।’
 ফরওয়ার্ড ব্লকের টিকিটে ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত চাকুলিয়ার বিধায়ক ছিলেন ভিক্টর। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যান। এরপর ২০২২ সালের অক্টোবরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। ভিক্টরের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঞ্জলির ঝামেলার কথা অনেকবারই সামনে এসেছে। বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। এদিন রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে ভিক্টরের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রিয়াঞ্জলি।


'আমায় খুনের হুমকি দিচ্ছে, বাঁচান', কংগ্রেস নেতা ভিক্টরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে বিস্ফোরক স্ত্রী
মারধরের সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে


বিধানসভা নির্বাচনের আগে অস্বস্তি বাড়ল কংগ্রেস নেতা আলি ইমরান রামজ ওরফে ভিক্টরের। তাঁর বিরুদ্ধে মারধর-সহ বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন স্ত্রী প্রিয়াঞ্জলি নিয়োগী। রবিবার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করে মারধরের সিসিটিভি ফুটেজও দেখালেন ভিক্টরের স্ত্রী। উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ার প্রাক্তন বিধায়ক ভিক্টর নানা বেআইনি কাজকর্মে জড়িত বলেও তিনি অভিযোগ করলেন। তবে স্ত্রীর সব অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন ভিক্টর।

ফরওয়ার্ড ব্লকের টিকিটে ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত চাকুলিয়ার বিধায়ক ছিলেন ভিক্টর। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যান। এরপর ২০২২ সালের অক্টোবরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। ভিক্টরের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঞ্জলির ঝামেলার কথা অনেকবারই সামনে এসেছে। বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। এদিন রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে ভিক্টরের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রিয়াঞ্জলি।



ভিক্টরের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ তুলে সরব হলেন তাঁর স্ত্রী। বললেন, ভিক্টর ও তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েও সুরাহা হয়নি। ক্ষমতাবলে বারবার রক্ষা পেয়েছেন। তিনি বলেন, “এখন যাতে ওকে পার্টি(কংগ্রেস) থেকে বহিস্কার করে, সেটা চাই। আমি রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খার্গেকে মেইল করে জানিয়েছি।” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও মেইল করেছেন বলে তিনি জানান।

প্রিয়াঞ্জলি বলেন, “পরিবারের অমতে ১৯ বছরে রেজিস্ট্রি করে আমাদের বিয়ে হয়। ভোট ব্যাঙ্ক হারানোর ভয়ে গর্ভবতী হওয়ার পর নিকাহ করে। আমার নাম পরিবর্তন করে। এই নিয়ে কথা বলতে গেলে আমার পেটে ঘুষি মারে ও গর্ভপাত হয়। পরে ফের বাচ্চা হলেও অত্যাচার এই চলতে থাকে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “‎যৌতুকের জন্যে চাপ দিতে থাকে। আমার দিদার কাছ থেকে প্রায় ৫০-৬০ লাখ টাকার গয়না ও টাকা নেয়। পরে ইমরান ও তাঁর মা অত্যাচার করতে থাকে। মারধর করে। ফিনায়েল খাওয়ানোর চেষ্টা করে। নতুন ফ্ল্যাট কেনার জন্যে ইমরান অর্ধেক টাকা দেয়। বাকি টাকা আমার দিদা দেন। ঋণ হিসাবে দিদার থেকে নেয়। আমার নামে ফ্ল্যাট হওয়া সত্ত্বেও বাড়ি থেকে আমায় বের করে দেয়। আমি থানায় গেলেও অভিযোগ নেয়নি। পরে আবার অত্যাচার করলে হাসপাতাল ভর্তি হতে হয়। তারপর পুলিশে অভিযোগ করি। তাও কিছু হয়নি।”

পরবর্তীতে আলিপুর কোর্টে মিউচ্যুয়াল ডিভোর্সের জন্য আবেদন করেন তাঁরা। প্রিয়াঞ্জলি বলেন, “কথা অনুযায়ী আমায় ডিভোর্স দেয়নি। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আমি ইমরান আর ওর মায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর করি। পরে আমায় আবার জোর করে মারধর করে MOU সই করে সব থেকে মুক্ত হয়। আমার ফ্ল্যাট, টাকা, গয়না সব নিয়ে নেয়। গতকাল রাতে আমার সন্তানকে আনতে গেলেও আমায় আবার মারধর করে। আমি বাড়ি থাকলে ওর বন্ধুদের পাঠায় হুমকি দিতে ও দেখতে।”


একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ‎”ইমরানের কালো টাকা রয়েছে। অনেক বেআইনি কাজ করে। প্রমাণ আমার কাছে আছে। আমায় হুমকি দিয়েছে, যদি আমি এগুলো বলি, আমায় খুন করে দেবে।” ইমরানের বাড়িতে তাঁকে মারধরের সিসিটিভি ফুটেজও দেখান প্রিয়াঞ্জলি। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁকে বাঁচানোর আবেদন করেছেন। একইসঙ্গে কংগ্রেসের কাছে তাঁর আবেদন, ভিক্টরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হোক। তিনি বলেন, “যে নিজের বউকে বাড়িতে অত্যাচার করে, সে সমাজকে কিভাবে বাঁচাবে? আমায় খুনের হুমকি দিচ্ছে। আমায় বাঁচান।”

যদিও স্ত্রীর সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিলেন ভিক্টর। স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ উড়িয়ে তিনি বলেন, “এসব কিছু হয়নি।” ৩ বছর ধরে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। তাই কোর্টের ব্যাপারে এখন কিছু বলতে চান না বলে জানালেন। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, ভোটের আগে এই প্রেস কনফারেন্স করছেন তাঁর স্ত্রী। এর পিছনে তিনি অন্য দলের ইন্ধন দেখতে পাচ্ছেন। কালো টাকা ও বেআইনি কাজকর্মের অভিযোগ নিয়ে তাঁর বক্তব্য, অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।