WEATHER

Top News


ভারতের বিরুদ্ধে ক্যারিবিয়ানরা সিরিজ খেলতে চলেছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর তিন ম্যাচের সিরিজে মুখোমুখি হবে দুই দল। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হবে যথাক্রমে ২৭ ও ৩০ সেপ্টেম্বর । ভারতকে পরপর দুই ম্যাচে হারালেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সরাসরি কোয়ালিফাই করতে পারবে না।

কালো অতীতের পুনরাবৃত্তি, ২০২৭ বিশ্বকাপের আগেই বিপাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল!
ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট দল


কোনও এক সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের নাম শুনলে থরহরিকম্প পরিস্থিতি হত বিপক্ষ দলের ব্যাটারদের। কিন্তু বিগত দশক থেকেই যেন প্রায় অস্তমিত ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট। গতবারের মতো এবারেও ধাক্কা খেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট। দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী দল সরাসরি ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হল। আফগানিস্তানের কাছে আয়ারল্যান্ডের হারের পরেই নিশ্চিত হয়ে গেল যে ক্যারিবিয়ান দলকে এবার বিশ্বকাপ খেলতে গেলে কোয়ালিফায়ার খেলতে হবে।


আগামী বছর হবে বিশ্বকাপ। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে, নামিবিয়ার মোট ১২টি মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ বিশ্বকাপ। সেই প্রতিযোগিতায় সরাসরি কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হল ক্যারিবিয়ানরা। এই নিয়ে টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০১৯ ও ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে এক ঘটনা ঘটেছিল। ২০১৯ সালে কোয়ালিফায়ার খেললেও ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে খেলতেই পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। ২০২৭ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবোয়ে সরাসরি বিশ্বকাপ খেলবে। বাকি ৭ জায়গা নির্ধারণ করা হবে ICC Ranking এর ভিত্তিতে। এর জন্য ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্রমতালিকা দেখা যাবে। বর্তমানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ রয়েছে ১০ নম্বরে। আফগানিস্তান রয়েছে ৮ নম্বরে। বাংলাদেশ ৯ ও জিম্বাবোয়ে ১১। যেহেতু আয়োজক হিসেবে জিম্বাবোয়ে সরাসরি খেলবে, তাই তালিকার প্রথম ৯টি দল সরাসরি সুযোগ পাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্যারিবিয়ানদের প্রথম ৯য়ে ওঠার কোনও সুযোগ নেই।




ভারতের বিরুদ্ধে ক্যারিবিয়ানরা সিরিজ খেলতে চলেছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর তিন ম্যাচের সিরিজে মুখোমুখি হবে দুই দল। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হবে যথাক্রমে ২৭ ও ৩০ সেপ্টেম্বর । ভারতকে পরপর দুই ম্যাচে হারালেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সরাসরি কোয়ালিফাই করতে পারবে না। আবার আয়ারল্যান্ড দলের আশাও একপ্রকার শেষ। সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করার দৌড়ে টিকে থাকতে গেলে আয়ারল্যান্ডকে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৫-০ ব্যবধানে জিততে হত। কিন্তু সিরিজের প্রথম ম্যাচই বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার ফলে তাদের সেই আশা ধাক্কা খেয়েছে। এরপর ২য় ম্যাচে আফগানরা জিতে যাওয়ার ফলে আয়ারল্যান্ডকেও কোয়ালিফায়ার খেলতে হবে। কিন্তু বারবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে যেতে না পারা আসলে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের ব্যর্থতাকে প্রকট করে দিচ্ছে।


 বনগাঁ দেবগড়ের বাসিন্দা শুভম মিত্র। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ নতুনগ্রাম এলাকা দিয়ে মামাকে নিয়ে বাইকে করে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় পিছন থেকে অপর একটি বাইকে করে তাঁদের পথ আটকায় দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীদের দু'জনের মুখে মাক্স পরা ছিল এবং একজন হেলমেটও পরেছিলেন। তারপর ঠিক কী ঘটে?

মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে প্রথমে সোনার চেন 'ছিনতাই', তারপরই চলল গুলি! চাঞ্চল্যকর ঘটনা বনগাঁয়
বনগাঁয় সোনার হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ

রাতের অন্ধকারে চাঞ্চল্যকর ঘটনা বনগাঁয়। আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সোনার চেন ছিনতাইয়ের অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, গুলি চালানোরও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোপালনগর থানার নতুনগ্রাম এলাকায়। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ।


কী ঘটেছিল, কীভাবে ছিনতাই?
বনগাঁ দেবগড়ের বাসিন্দা শুভম মিত্র। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ নতুনগ্রাম এলাকা দিয়ে মামাকে নিয়ে বাইকে করে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় পিছন থেকে অপর একটি বাইকে করে তাঁদের পথ আটকায় দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীদের দু’জনের মুখে মাক্স পরা ছিল এবং একজন হেলমেটও পরেছিলেন। অভিযোগ, পথ আটকানোর পরই হঠাৎ আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে প্রথমে সোনার চেন ছিনতাই করে। তারপর হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ। পরে ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার সময় এক রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ তুলেছেন শুভম।



শুভম বলেন, “তিন দুষ্কৃতী মোটর-সাইকেল করে আসে। এসে প্রথমে বন্দুক ঠেকায়। তারপর গলার চেন ছিনিয়ে নিয়ে কুকথা বলতে শুরু করে। তারপরই সেখান থেকে চলে যাওয়ার সময় শূন্যে গুলি চালায়।” শুভমের মামার কথায়, “আমাদের এখানে শান্তিপ্রিয় জায়গা। এখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটে না।”


তদন্ত শুরু পুলিশের
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গোপালনগর থানার পুলিশ। শুভম ও তাঁর মামার সঙ্গে কথা বলেন। পরে থানায় অভিযোগও জানান তাঁরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায় এবং রীতিমত ভয়ের পরিবেশ ও তৈরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যায় গোপালনগর থানার পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ।

রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানান, স্বাস্থ্য ভবনের তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে তিলোত্তমার সহকর্মীদের। আবার তাঁদের বয়ান রেকর্ড হবে। খুনের ঘটনার পর কারা কোন উদ্দেশ্যে আরজি কর হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তা জানতে তাঁদের পরপর ডেকে পাঠাচ্ছে স্বাস্থ্য ভবনের তদন্তকারী দল। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, রবিবার পশ্চিমবাংলায় সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সকাল এগারোটার সময় তিলোত্তমার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হবে।

আরজি করকাণ্ডে নতুন করে সিট গড়ে তদন্তে কতটা এগোল সিবিআই? কী বলছেন তিলোত্তমার মা?
নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই

 আজ (৯ অগস্ট) সেই নৃশংস ঘটনার দিন। যার জেরে তোলপাড় পড়েছিল রাজ্যে। রাস্তায় নেমেছিলেন সাধারণ মানুষ। আরজি কর কাণ্ডের ২ বছর পূরণ হওয়ার দিন ফের উঠছে নানা প্রশ্ন। কবে বিচার পাবে তিলোত্তমার পরিবার? নতুন করে তদন্তে কতটা এগোল সিবিআই? কী বলছেন তিলোত্তমার মা? স্বাস্থ্য ভবন কী পদক্ষেপ করছে? 


২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করের সেমিনার হল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ তদন্তভার নেয় সিবিআই। তারাও সঞ্জয়কে একমাত্র অভিযুক্ত বলে উল্লেখ করে চার্জশিট দেয়। শিয়ালদহ আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আজীবন কারাবাসের নির্দেশ দেয়। কিন্তু, তিলোত্তমার পরিবারের দাবি, সঞ্জয় একা এরকম নৃশংস কাজে যুক্ত থাকতে পারে না। এর সঙ্গে আরও বড় মাথা রয়েছে।



রাজ্যে পালাবদলের পর নতুন সরকার তিলোত্তমাকাণ্ড নিয়ে ফের তদন্তের কথা জানায়। আবার তিলোত্তমার পরিবারের আবেদন মেনে সিবিআইকে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ইতিমধ্যে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই নতুন এবং পৃথক স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT) গঠন করেছে। তাতে নতুন অফিসাররা রয়েছেন। সেই অফিসাররা ঘটনার পরম্পরা অনুযায়ী, যাঁদের যাঁদের নাম উঠে আসছে, ফুটেজে দেখা গিয়েছে, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তার মধ্যে তিলোত্তমার সঙ্গে সেদিন রাতে যেসব সহকর্মী খেয়েছিলেন, তাঁদের বয়ান নিয়ে নিজেদের কাছে রাখছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভবন যেহেতু পৃথকভাবে তদন্ত প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। স্বাস্থ্য ভবনের তদন্তে যেসব বয়ান উঠে আসবে, সেগুলি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এরপর দুটো বয়ান মিলিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। দুটো বয়ানে অসঙ্গতি পাওয়া গেলে তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। বিশেষ তদন্তকারী দল একদম প্রথম থেকে তদন্ত শুরু করেছে যাতে তিলোত্তমার পরিবার সুবিচার পায়। তিলোত্তমার পরিবার যেসব অভিযোগ তুলেছে, সব অভিযোগ খতিয়ে দেখছে সিবিআই।




গোটা ঘটনায় আতঙ্কে উৎপল মণ্ডলের পরিবার। আতঙ্ক ছড়িয়েছে সারা গ্রামে। বাড়ির মধ্যে ভূতের ভয়ে সিঁটিয়ে সবাই। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভূত বা অলৌকিক শক্তি ছাড়া এমন বন্ধ ঘরে আগুন লাগা সম্ভব নয়। কারণ বাড়ির ওই অংশের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন।

কেউ নেই, বন্ধ ঘরে এদিক-ওদিকে লেগে যাচ্ছে আগুন, কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে ধোঁয়া! আতঙ্কে কাটা মণ্ডল পরিবার, কী হচ্ছে এই বাড়িতে?
এই বাড়িতেই আচমকা আগুন লেগে যাচ্ছে।

বন্ধ ঘর। বাইরে থেকে তালা মারা। এদিকে ঘরের ভিতরে নাকি জ্বলছে আগুন। সেই আগুনে পুড়ে ছাই-ও হয়ে যাচ্ছে। অথচ ঘরের ভিতরে কেউ নেই! অদ্ভুতুড়ে এই ঘটনাতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে দাসপুরের বৈকুণ্ঠপুরে। ভূতের কারসাজি নাকি অন্য কারোর রয়েছে এর পিছনে? তদন্তে ফায়ার ব্রিগেড ও বিজ্ঞান মঞ্চ। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।


ফাঁকা বাড়িতে ঘরের এদিক-ওদিকে জ্বলে উঠছে আগুন। শুক্রবার রাত থেকে ঘটনাকে ঘিরে আতঙ্কে ওই বাড়িতে থাকা পরিবার। আতঙ্কিত পাড়া-প্রতিবেশীরা ও। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে এসেছে পুলিশ ও দমকল। তবে আগুনের উৎস খুঁজতে কালঘাম ছুটছে ফায়ার ব্রিগেডের।



দাসপুর থানার অধীনে বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে শ্যালক-ভগ্নীপতি মিলে যৌথ বাড়ি তৈরি করেছে। গৌর সামন্ত নামক এক ব্যক্তি তাঁর দুই শ্যালকের সঙ্গে যৌথভাবে ওই প্লটটি প্রায় বছর কুড়ি আগে কেনেন। পরে একসঙ্গেই বসতবাড়ি করে পৃথকভাবে বসবাস শুরু করেন। কর্মসূত্রে জামাই গৌর সামন্ত ও এক শ্যালক অনুপ মণ্ডল পরিবার নিয়ে ভিন রাজ্যে থাকেন। আর এক শ্যালক উৎপল মণ্ডলের পরিবার এই বাড়িতেই তাঁর অংশে বসবাস করেন।


আজ প্রায় দু’দিন ধরে মাঝে-মধ্যেই গৌর সামন্তের অংশের একের পর এক বেডরুমে আগুন লেগে যাচ্ছে। বন্ধ ঘরে আগুন! তারা অনেক পরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখতে পান। যতক্ষণে দরজা খোলেন, ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ঘরের মধ্যে সমস্ত আসবাব, বিছানা, সোফা-সবই।

গোটা ঘটনায় আতঙ্কে উৎপল মণ্ডলের পরিবার। আতঙ্ক ছড়িয়েছে সারা গ্রামে। বাড়ির মধ্যে ভূতের ভয়ে সিঁটিয়ে সবাই। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভূত বা অলৌকিক শক্তি ছাড়া এমন বন্ধ ঘরে আগুন লাগা সম্ভব নয়। কারণ বাড়ির ওই অংশের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন।

চারিদিকে ঝোপঝাড়-জঙ্গলের মাঝে আলো-আঁধারি পরিবেশে এই শ্যালক-ভগ্নীপতিদের বসতবাড়িতে এলে এমনিতেই গা ছমছম করে। বাড়ির দেওয়ালে নানা চিহ্ন আঁকা। সেই চিহ্নে হাত দিলেই নাকি বিপদ। এমন পরিবেশে কীভাবে থাকবেন উৎপলের পরিবার? তাঁর স্ত্রীও আতঙ্কে। কিন্তু তাঁদের যাওয়ারও কোনও জায়গা নেই।

ঘটনার তদন্তে নেমেছেন দমকলের আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখছেন আগুনের উৎস। এক আধিকারিক বলেন, “এই আগুন লেগে যাওয়া স্বাভাবিক নয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্ভবত আগুন লাগানো হতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এখনই প্রকাশ্যে কিছু বলছি না।”

রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের একটি টিম। অলৌকিক ঘটনা, ভূতের হাত আছে—এইসব আজগুবি গল্প মানতে তারা নারাজ।

এদিকে, বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রশান্ত হড়ের বক্তব্য, তিন শরিকের বিবাদ থেকেই এমন কিছু হতে পারে।

 ওড়িশার সম্বলপুরেও সমারোহে পালন করা হল 'হর ঘর তিরঙ্গা' কর্মসূচি। এই মিছিলের নেতৃত্ব দিলেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। জাতীয় পতাকা নিয়ে দলীয় কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জনজোয়ার দেখা যায়।


ধর্মেন্দ্র প্রধানের নেতৃত্বে 'হর ঘর তিরঙ্গা' কর্মসূচি, সম্বলপুরে জনজোয়ার
ধর্মেন্দ্র প্রধান


দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়েছে ‘হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা’। ওড়িশার সম্বলপুরেও সমারোহে পালন করা হল এই কর্মসূচি। এই মিছিলের নেতৃত্ব দিলেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। জাতীয় পতাকা নিয়ে দলীয় কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জনজোয়ার দেখা যায়।


ওড়িশায় ‘হর ঘর তিরঙ্গা’
স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশজুড়ে ৯ অগস্ট থেকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ওড়িশার সম্বলপুরে এই কর্মসূচির সূচনা করলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। হাতে পতাকা, গলায় তিরঙ্গা উত্তরীয় পরে দলের কর্মী-নেতাদের সঙ্গে হাঁটেন। পদযাত্রার পাশাপাশি একটি জায়গায় জমায়েত হয়ে দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়।




মমতার গাড়িতে পড়ল পাথর, জুতো, উঠল চোর স্লোগান , দেখুন...
এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “তিরঙ্গা (ভারতের পতাকা) আমাদের জাতীয় গর্ব, আত্মমর্যাদা ও ঐক্যের প্রতীক। সম্বলপুরে ‘তিরঙ্গা যাত্রা’র মাধ্যমে আমরা বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছি। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানকে গণআন্দোলনে পরিণত করি এবং ‘বিকশিত ওড়িশা’ ও ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তুলতে অবদান রাখি।” উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল দেশ। দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার। সেই দাবি পূরণ করে গত ২৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।


এদিকে, রবিবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি ‘তিরঙ্গা যাত্রা’-য় অংশগ্রহণকারীদের প্লাস্টিকের পতাকা ব্যবহার না করার আবেদন জানিয়েছিলেন। পরিবেশবান্ধব কর্মসূচির জন্য প্লাস্টিকের পরিবর্তে কাপড়ের তৈরি জাতীয় পতাকা ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি বর্তমানে একটি দেশব্যাপী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া একটি পোস্টও করেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি লেখেন,”এই কর্মসূচি ভারতীয়দের মধ্যে দেশপ্রেম, আত্মমর্যাদা ও ঐক্যের অনুভূতি আরও শক্তিশালী করছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে শুরু হওয়া এই অভিযান আজ গোটা দেশে গণআন্দোলনের রূপ নিয়েছে।”

দক্ষিণ শহরতলির অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন হল যাদবপুর। এই স্টেশনের লাগোয়া রেলের জমিতেই তৈরি হচ্ছে মিনি মার্ট। যাদবপুর এলাকাকে প্রাণবন্ত করার জন্য এই মার্ট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মিনি মার্টে ছোট ছোট দোকান করে দেওয়া হবে। দোকানের সর্বোচ্চ আয়তন হবে ৮০ বর্গফুট।


আমূল বদলে যাচ্ছে যাদবপুর স্টেশন, তৈরি হবে মিনি মার্ট, এক ছাদের তলাতেই মিলবে সব, বড় উদ্যোগ রেলের
যাদবপুর স্টেশন

যাদবপুর স্টেশনকে (Jadavpur Station) ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ পূর্ব রেলের। স্টেশনে তৈরি হবে মিনি মার্ট (Mini Mart)। প্রায় তিন হাজার বর্গমিটার এলাকায় মিনি মার্ট তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল (Eastern Railway)। এই মিনি মার্টে একই ছাদের তলায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস থেকে খাবার সবই পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। রেলের এই উদ্যোগের ফলে যেমন ছোট ব্যবসায়ীদের আয়ের পথ খুলবে, তেমনই উপকৃত হবেন যাত্রীরাও।


কী এই মিনি মার্ট?
দক্ষিণ শহরতলির অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন হল যাদবপুর। এই স্টেশনের লাগোয়া রেলের জমিতেই তৈরি হচ্ছে মিনি মার্ট। যাদবপুর এলাকাকে প্রাণবন্ত করার জন্য এই মার্ট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মিনি মার্টে ছোট ছোট দোকান করে দেওয়া হবে। দোকানের সর্বোচ্চ আয়তন হবে ৮০ বর্গফুট। সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে দোকান তৈরি করা হবে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান যেমন থাকছে, তেমনই খাবার দোকানও থাকবে মিনি মার্টে। প্রয়োজন মতো যাত্রীরা এই মিনি মার্ট থেকে কেনাকাটা করতে পারবেন।


মমতার ওপর 'হামলা', রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কালীঘাট তৃণমূল
পূর্ব রেল সূত্রে খবর, ছোট দোকানগুলির জন্য ৫০ শতাংশ জায়গা রাখা হচ্ছে। বড় খুচরো দোকানগুলির জন্য় ২৫ শতাংশ ও যাতায়াত ও সৌন্দর্যায়নের জন্য ২০-৩০ শতাংশ জায়গা রাখা হচ্ছে। এই মার্টে শুধু দোকান নয়। যাত্রীদের জন্য থাকবে বিশ্রামাগার, শৌচাগার ও পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। পূর্ব রেল সূত্রে খবর, এই বিশ্রামাগার, পার্কিং, শৌচাগারের জন্য ৫ থেকে ২০ শতাংশ জায়গা রাখা হয়েছে। এছাড়া, নতুন টিকিট বুকিং কাউন্টার থেকে লিফট-সহ ফুট ওভারব্রিজ তৈরিরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই যাদবপুর স্টেশনে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। হকারদের রুজিরুটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে, রেলের বিশেষ উদ্যোগে এই হকাররাই লাভবান হতে পারেন বলে খবর। এই মিনি মার্টে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসন দেওয়া হতে পারে বলে রেল সূত্রে খবর। এর ফলে বহু ছোট ব্যবসায়ীদের আয়ের পথ খুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কী বলছেন নিত্যযাত্রীরা?
রেলের এই উদ্যোগে খুশি নিত্যযাত্রীরা। মিনি মার্ট তৈরি হলে বহু যাত্রীর সুবিধা হবে বলছেন তাঁরা। যাতায়াতে যেমন সুবিধা হবে, তেমনই প্রয়োজনীর জিনিস হাতের সামনে পেলেও উপকৃত হবেন বলে জানাচ্ছেন যাত্রীরা।

গত কয়েকদিনে ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করেছে রাজ্য সরকার। আলোচনায় কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন NSUI, ঝাড়খণ্ড ছাত্র মোর্চা (JCM) এবং আদিবাসী ছাত্র সংঘ (ACS)-সহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

ফের জেন-Z'র বড় জয়, পরীক্ষা বাতিল করতে চলেছে এই সরকার
পড়ুয়াদের আন্দোলনে পিছু হটল ঝাড়খণ্ড সরকার

পড়ুয়াদের টানা আন্দোলন। এবার পিছু হটছে ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেনের সরকার। পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রদের আন্দোলনের জেরে তিনটি পরীক্ষা বাতিল করতে পারে ঝাড়খণ্ড সরকার। রবিবার ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আন্দোলন ইতিমধ্যেই ১৬ দিনে পড়েছে।


সূত্রের খবর, ২০২৩ এবং ২০২৫ সালের ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (JPSC) এবং ১৪তম প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রবিবারের বৈঠকে রাজ্য সরকার পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত আর্থিক লেনদেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-কে দিয়ে খতিয়ে দেখানোর বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, লখনউয়ের বেসরকারি পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থা TDPL যে সমস্ত পরীক্ষা নিয়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি, JPSC এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশন (JSSC)-র সংস্কারের জন্য IIM এবং XISS-র সাহায্য নেওয়া হবে। এই দুই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করবে রাজ্য সরকার।


সরকারের সঙ্গে গত দু’দিন ধরে ছাত্র সংগঠনগুলির একাধিক দফায় আলোচনা চললেও কোনও সমাধান সূত্র বেরোয়নি। এরপরই রবিবার ফের বৈঠকে বসে দু’পক্ষ। ছাত্রনেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহতো অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আরও এক আন্দোলনকারী রাহুল ক্রান্তিম অনশনে রয়েছেন এবং তাঁকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সবমিলিয়ে ছয়জন আন্দোলনকারী অনশনে রয়েছেন।


গত কয়েকদিনে ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করেছে রাজ্য সরকার। আলোচনায় কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন NSUI, ঝাড়খণ্ড ছাত্র মোর্চা (JCM) এবং আদিবাসী ছাত্র সংঘ (ACS)-সহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেন, “আজ এই সরকার যখন শক্তিশালী হয়ে উঠছে, তখন অনেকেই তা মেনে নিতে পারছেন না। তাঁরা মুখ লুকিয়ে, ছদ্মবেশ বদলে কিংবা নেপথ্যে থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করছেন। প্রতিটি সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব, লাঠি বা গুলি চালিয়ে নয়।”

দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, “লাঠি ও গুলি সীমান্তে, দেশের শত্রুদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য। নিজেদের দেশের মানুষের বিরুদ্ধে, নিজেদের ঘরের মধ্যে শক্তি প্রয়োগ করে কোনও সমস্যার সমাধান হয় না। যুব সমাজের আবেগ ও উদ্বেগ আমাদেরও উদ্বেগ। আজ আমি সাংবিধানিক পদে রয়েছি। আমি সম্পূর্ণ আশ্বাস দিচ্ছি, স্বচ্ছতার সঙ্গে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।”

প্রসঙ্গত, JPSC পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে, JPSC-এর প্রাক্তন প্যানেল চেয়ারম্যান এল খিয়াংতে-কে গত ২৮ জুলাই থেকে এখনও পর্যন্ত চারবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

 বিধানসভা নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দেখেছে, যেখানে অশান্তি, শৃঙ্খলাভঙ্গের সমস্যা বেশি আসছে, যেখানে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে ফল আসেনি। জিতেছে তৃণমূল। কিন্তু এলাকায় আর তৃণমূলের প্রভাব নেই। সেই জায়গায় তৃণমূলের একাংশকে সঙ্গী করে, কাজে লাগিয়ে বিজেপির কেউ কেউ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন বলেই বিজেপির অন্দরের আলোচনায় উঠে এসেছে।


তৃণমূলীদের সঙ্গে হাত মেলানো থেকে তোলাবাজি, ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠতেই জেলায় জেলায় খোলনলচে বদলাচ্ছে বিজেপি
তোলাবাজিতে জিরো টলারেন্স বলে আগেই বার্তা দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য

বাংলায় প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে দল। আর তিনমাসের মধ্যেই দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আসছে। এই নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কড়া বার্তা দিয়েছেন। দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্সের কথা বলেছেন। এমনকি, রাজ্যে ২২ জন নেতাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এবার সাংগঠনিক রদবদলের পথে হাঁটছে রাজ্য বিজেপি। একাধিক জেলায় নেতৃত্ব বদল হতে চলেছে।


কেন জেলায় জেলায় নেতৃত্বে রদবদল করছে বিজেপি? 


এই দুজন সাংসদ মিস গাইড করছেন', আবু তাহেরদের আক্রমণ সৌগত-কল্যাণদের
রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, বেশ কিছু জেলায় সাংগঠনিকভাবে দল এখনও শক্তিশালী হয়নি। অথচ বেশ কয়েকটি জেলায় দলবিরোধী কার্যকলাপ, দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কাজকর্ম মাথাচাড়া দিচ্ছে। এমনকি, অর্থের লেনদেন সামনে আসছে। সেই সব জেলাকে চিহ্নিত করার কাজ চলছে পদ্ম শিবিরের অভ্যন্তরে। তেমনভাবেই স্থির হয়েছে এক ডজনের বেশি সাংগঠনিক জেলা। সেখান থেকেই জেলাস্তরে বদল হবে।


বিধানসভা নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দেখেছে, যেখানে অশান্তি, শৃঙ্খলাভঙ্গের সমস্যা বেশি আসছে, যেখানে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে ফল আসেনি। জিতেছে তৃণমূল। কিন্তু এলাকায় আর তৃণমূলের প্রভাব নেই। সেই জায়গায় তৃণমূলের একাংশকে সঙ্গী করে, কাজে লাগিয়ে বিজেপির কেউ কেউ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন বলেই বিজেপির অন্দরের আলোচনায় উঠে এসেছে। তৃণমূলের অন্দরে থাকা ক্ষমতার স্বাদ না পাওয়া অংশের সঙ্গেও কোথাও কোথাও হাত মিলিয়েছেন পদ্ম শিবিরের কেউ কেউ। সেখানে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যার ফলে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। সেই এলাকাগুলি নিয়েও বিজেপি নেতৃত্বের চিন্তা বাড়ছে বলে সূত্রের খবর। এই সব এলাকা, জেলাকে চিহ্নিত করার কাজও চলছে দলীয় স্তরে।

রাজ্যে পালাবদলের পর মাস তিনেক কেটেছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে তোলাবাজির অভিযোগ আসছে বিজেপির নেতাদের বিরুদ্ধেও। কিন্তু বিজেপি দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সেই নীতি অনুসরণ করেই তোলাবাজির অভিযোগে বিজেপি থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে ২২ জন নেতাকে। অন্তত ২৫০ জনকে শোকজ করেছে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। এবার জেলা নেতৃত্বেও বদলের পথে হাঁটছেন শমীক ভট্টাচার্যরা।

 কল্যাণ বলেন, "বিজেপির কর্মীরা যেভাবে বড় বড় পাথর মমতাদির গাড়িতে ছুড়েছে, আর সেটা ক্রমাগত করে গেছে। গাড়ির সামনে বাধা সৃষ্টি করেছে। যেভাবে গুণ্ডাগিরি করছে...এবং অশ্রাব্য গালিগালাজ। আমরা যখন যাচ্ছিলাম বাইরে থেকে হু হু করে লোক নিয়ে এসেছে। আমাদের ট্রাফিকে ১ ঘণ্টা আটকে রাখে।"


ওদের টার্গেট ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেরে ফেলা: কল্যাণ
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ


পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ তৃণমূল কর্মীর। মৃত সেই কর্মীর বাড়িতে যেতে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee)। ছোড়া হয় জুতো, ওঠে চোর স্লোগান। মমতার সঙ্গে ছিলেন দোলা সেন ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পরে হালিশহর থেকে ফিরে আসার পর বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কল্যাণ। বললেন, “ওদের টার্গেট ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেরে ফেলা।”


কল্যাণ বলেন, “বিজেপির কর্মীরা যেভাবে বড় বড় পাথর মমতাদির গাড়িতে ছুড়েছে, আর সেটা ক্রমাগত করে গেছে। গাড়ির সামনে বাধা সৃষ্টি করেছে। যেভাবে গুণ্ডাগিরি করছে…এবং অশ্রাব্য গালিগালাজ। আমরা যখন যাচ্ছিলাম বাইরে থেকে হু হু করে লোক নিয়ে এসেছে। আমাদের ট্রাফিকে ১ ঘণ্টা আটকে রাখে। তারপর ওই সময় পুরো ভিড়টাকে ওরা জমায়েত করে। আর ফেরার সময় পুরো খালি। বড় বড় পাথ দিয়ে মেরেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হত্যা করা ওদের উদ্দেশ্য ছিল। টার্গেট ছিল কীভাবে ওদের শেষ করে দেওয়া যায়। বড় বড় পাথর পড়েছে। যদি কাচ খোলা থাকত মাথার কোনও অংশ দেখতে পেতেন না।”



এ দিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “আমাদের গাড়িতে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে। এত ইট মেরেছে কল্পনা করতে পারবেন না। এক ঘণ্টা গাড়ি আটকে রেখেছিল। বিজেপির লোক জোগাড় করে এই সব করানো হয়েছে। যিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি নিজে বাইরে রয়েছেন। পুরো গাড়িতে ইট মারতে মারতে গেছে।” তাঁর সংযোজন, “আমি বেরবোই। বিজেপি ভয় পায় আমায়। এই ভাবে আমায় আটকাতে পারবে না…ওরা ভয় পাচ্ছে কারণ ওদের মুখোশ খুলে যাবে।”

বিধানসভার ওয়েবসাইটটা খুলতেই হোম পেজে দেখা যাচ্ছে, বিধানসভার ছবির নীচে একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডান দিকে স্পিকার রথীন্দ্র বোসের ছবি। আর তার ঠিক একেবারে ডান দিকে শ্রীকৃষ্ণের ছবি। আর তার সঙ্গে কৃষ্ণের কিছু উক্তি। যেখানে মূলত রাগের অপকারিতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

 বিধানসভার ওয়েবসাইটে প্রথমে কৃষ্ণ-কথা, পরে বদলে গিয়ে হল রামকৃষ্ণের বাণী
ফাইল ফোটো

 এবার বিধানসভার ওয়েবসাইটে দেখা গেল ধর্মের বাণী। প্রথমে কৃষ্ণের ছবির পাশেই রাগের ক্ষতিকর দিক নিয়ে দীর্ঘ বাণী। রাগের অপকারিতাও ব্যাখ্যাও ছিল তাতে। কিছুক্ষণ পর বদলে যায় ছবি। শ্রীকৃষ্ণের ছবির বদলে দেখা যায় রামকৃষ্ণের বাণী।


বিধানসভার ওয়েবসাইটটা খুলতেই হোম পেজে দেখা যাচ্ছিল, বিধানসভার ছবির নীচে একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডান দিকে স্পিকার রথীন্দ্র বোসের ছবি। আর তার ঠিক একেবারে ডান দিকে শ্রীকৃষ্ণের ছবি। আর তার সঙ্গে কৃষ্ণের কিছু উক্তি। যেখানে মূলত রাগের অপকারিতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।


লেখা ছিল, “রাগ মানুষের সমস্ত দুর্বলতাগুলোর মধ্যে একটি। যা তাকে সর্বদা ভালো সত্ত্বা থেকে দূরে নিয়ে যায়। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি সম্পর্কে তাকে আরও বিভ্রান্ত করে তোলে।” সঙ্গে আরও কিছু লেখা রয়েছে।

বিধানসভার ওয়েবসাইটটা খুলতেই হোম পেজে দেখা যাচ্ছে, বিধানসভার ছবির নীচে একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডান দিকে স্পিকার রথীন্দ্র বোসের ছবি। আর তার ঠিক একেবারে ডান দিকে শ্রীকৃষ্ণের ছবি। আর তার সঙ্গে কৃষ্ণের কিছু উক্তি। যেখানে মূলত রাগের অপকারিতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

বিধানসভার ওয়েবসাইটে প্রথমে কৃষ্ণ-কথা, পরে বদলে গিয়ে হল রামকৃষ্ণের বাণী
ফাইল ফোটো

 এবার বিধানসভার ওয়েবসাইটে দেখা গেল ধর্মের বাণী। প্রথমে কৃষ্ণের ছবির পাশেই রাগের ক্ষতিকর দিক নিয়ে দীর্ঘ বাণী। রাগের অপকারিতাও ব্যাখ্যাও ছিল তাতে। কিছুক্ষণ পর বদলে যায় ছবি। শ্রীকৃষ্ণের ছবির বদলে দেখা যায় রামকৃষ্ণের বাণী।


বিধানসভার ওয়েবসাইটটা খুলতেই হোম পেজে দেখা যাচ্ছিল, বিধানসভার ছবির নীচে একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডান দিকে স্পিকার রথীন্দ্র বোসের ছবি। আর তার ঠিক একেবারে ডান দিকে শ্রীকৃষ্ণের ছবি। আর তার সঙ্গে কৃষ্ণের কিছু উক্তি। যেখানে মূলত রাগের অপকারিতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

এক একটার দামই ৩০ থেকে ৬০ হাজার! এয়ারপোর্টে সাদা থার্মোকলের বাক্স খুলতেই বেরিয়ে এল ৫৫০ 'সাপের মাথা'... কয়েক কোটির পার্সেল কোথায় যাচ্ছিল?
লেখা ছিল, “রাগ মানুষের সমস্ত দুর্বলতাগুলোর মধ্যে একটি। যা তাকে সর্বদা ভালো সত্ত্বা থেকে দূরে নিয়ে যায়। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি সম্পর্কে তাকে আরও বিভ্রান্ত করে তোলে।” সঙ্গে আরও কিছু লেখা রয়েছে।



মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, "ছুটির দিন একজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করতে গিয়েছেন, পুলিশকে না জানিয়ে। পুলিশ এতো বড় ব্যবস্থা করেছে দেখলাম, যেটা ওনার পাওয়ার কথা নয়। উনি এখন সেই ক্যাটাগরিতে পড়েন কিনা সন্দেহ রয়েছে। আমাদের নির্দেশ রয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, বয়সও হয়েছে, যতটা সম্ভব পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া ও সম্মান রাখা।"

মমতার গাড়িতে কাদা, শুভেন্দু বললেন, 'কাদা মাখাবে না কি ফুল ছুড়বে?'
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির সামনে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। আর যাওয়ার পথেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হল কাদা ও জুতো। মমতাকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। এবার পানিহাটিতে এসে তা নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বললেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থাপনা করেছিল। কিন্তু জনরোষের শিকার হয়েছেন তিনি।


মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি টিভির ছবিতে যতটুকু দেখেছি, সিনিয়র পুলিশ ডিসি-র নেতৃত্বে পুলিশ টিম তাঁকে সঠিকভাবে সাপোর্ট দিয়েছে। আমি বিজেপির কোনও পরিচিত মুখও দেখিনি, ঝান্ডাও দেখিনি।” মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বাড়ির লোক বলছেন তাঁরা ডাকেননি, তাঁরা চাননি মমতা যুক্ত হোন। তাঁর কথায়, “উনি জোর করে বলতে চাইছেন, লক আপে মেরে দিয়েছে, বিজেপি মেরে দিয়েছে। আর বাড়ির লোক বলছে, পুলিশের ভূমিকায় সন্তুষ্ট। রহস্য উদঘাটন হোক, সেটাই চায় পরিবার। কিন্তু সেক্ষেত্রে পরিবার বলছে, পুলিশ-প্রশাসনই বিচার দিতে পারবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিচার দিতে পারবে না। ”


 এক একটার দামই ৩০ থেকে ৬০ হাজার! এয়ারপোর্টে সাদা থার্মোকলের বাক্স খুলতেই বেরিয়ে এল ৫৫০ 'সাপের মাথা'... কয়েক কোটির পার্সেল কোথায় যাচ্ছিল?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “ছুটির দিন একজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করতে গিয়েছেন, পুলিশকে না জানিয়ে। পুলিশ এতো বড় ব্যবস্থা করেছে দেখলাম, যেটা ওনার পাওয়ার কথা নয়। উনি এখন সেই ক্যাটাগরিতে পড়েন কিনা সন্দেহ রয়েছে। আমাদের নির্দেশ রয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, বয়সও হয়েছে, যতটা সম্ভব পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া ও সম্মান রাখা।” তাঁর পরামর্শ, “আপনার কাছ থেকে যদি কেউ সাহায্য চায়, নিশ্চয়ই করুন। কিন্তু আপনি অহেতুক কোনও জায়গায় গিয়ে এমন কিছু করবেন না, যাতে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়।”


প্রসঙ্গত, হালিশহর থানার হেফাজতে থাকা অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তিনি তৃণমূল কর্মী। রবিবার ছুটির দিনে তাঁর বাড়িতেই যাচ্ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তায় তাঁর গাড়ির সামনে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। আর যাওয়ার পথেই মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হল কাদা ও জুতো।

মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, তিলোত্তমার বাড়ি যেতে পারতেন মমতা। হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ারও পরামর্শ দিলেন। আর সে প্রসঙ্গেই বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একটা স্টেট হাসপাতালের ভিতরে মেরেছিলেন তিলোত্তমাকে, প্রমাণ লোপাট করতে গিয়েছিলেন, ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে কিনতে গিয়েছিলেন, সেদিন আপনার গাড়িতে কাদা মাখাবে না কি ফুল ছুড়বে?”

রবিবারে পানিহাটিতে আয়োজিত একটি স্মরণসভায় তিনি ঘোষণা করেন, স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তি সম্পর্ক দূরে রেখে এই বর্বরোচিত ঘটনায় জড়িতদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, অভয়ার তড়িঘড়ি দেহ সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকা, তথা পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা, পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের সিপির তদন্ত প্রক্রিয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।


দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে তিলোত্তমা মামলায় পুনর্তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
পানিহাটিতে শুভেন্দু অধিকারী

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের ২ বছর পূর্তি। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পানিহাটিতে গিয়ে তিলোত্তমার মৃত্য়ু-রহস্য উদঘাটনে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু বলেন, “লম্বা ২ বছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিতভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে।”


রবিবারে পানিহাটিতে আয়োজিত একটি স্মরণসভায় তিনি ঘোষণা করেন, স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তি সম্পর্ক দূরে রেখে এই বর্বরোচিত ঘটনায় জড়িতদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, অভয়ার তড়িঘড়ি দেহ সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকা, তথা পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা, পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের সিপির তদন্ত প্রক্রিয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।


মমতার গাড়িতে পড়ল পাথর, জুতো, উঠল চোর স্লোগান , দেখুন...
২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করের সেমিনার রুম থেকে উদ্ধার হয় তরুণী চিকিৎসকের দেহ। ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়র সঞ্জয় রায় গ্রেফতার হয় এবং হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার নেওয়া সিবিআই তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া পর্যন্ত পৌঁছয়। তবে নির্যাতিতার পরিবারের দাবি ছিল, এই ঘটনায় আরও অনেকেই যুক্ত রয়েছে।


ক্ষমতার পালাবদলের পর শুভেন্দু প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে নতুন আশার আলো হিসাবে দেখছেন তিলোত্তমার মা-বাবা। “২ বছর আগে এই দিনটার কথা আমাদের সকলের মধ্য়ে জাগ্রত হলে বা স্মরণ করলে বিচলিত হই। আমাদের হৃদয় ব্যথাতুর হয়ে পড়ে। চোখ থেকে জল পড়তে শুরু করে। কোনও সভ্য সমাজে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটতে পারে, একটা সুরক্ষিত জায়গায় সভ্য ভারতবর্ষে কেউ ভাবতে পারিনি।” তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়ে নবান্ন অভিযান নিয়েও মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “রাখিপূর্ণিমায় অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযান ছিল সেই সময় আমাদের ‘দিদি’, ডাক্তার বোনের মায়ের মাথায় পুলিশের লাঠি, এত বড় ফোলা আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। কী ভয়ংকর অত্যাচারী শাসকের হাতে ছিল বাংলা। ভর্তি করাতে দেয়নি। হাসপাতালের এমার্জেন্সিতে ফেলে রেখেছিল। আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামিদিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে।”