WEATHER

Top News


দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হল ৫ জন। অভিযোগ, গতকাল গভীর রাতে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ লালবাটি এলাকা থেকে বেআইনি জমায়েত ও অস্ত্র রাখার অভিযোগে তাদের আটক করে। 


ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের ছেলে অভীক মণ্ডল ওরফে অর্ঘ মণ্ডল। এছাড়াও গ্রেপ্তার হয়েছেন সৈকত রায়, রাজু নস্কর, শুভজিৎ বাল্মিকী ও সন্দীপ সেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানের সময় দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং একটি গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।


 ধৃতরা সকলেই পৈলান এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। সোমবার ধৃতদের ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ।

ডায়মন্ড হারবার: ডায়মন্ড হারবারে বিজেপির বিজয় উৎসব ঘিরে রক্তাক্ত সংঘর্ষের অভিযোগ উঠল। বাসুলডাঙা অঞ্চল ও মাথুর অঞ্চলে পৃথক দুটি ঘটনায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ সামনে এসেছে। ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক। 


আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল থেকে আগত নব্য বিজেপি কর্মীরাই হামলা চালিয়েছে। যদিও তৃণমূলের দাবি, এটি বিজেপির নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল, এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে ডায়মন্ড হারবারের বাসুলডাঙা অঞ্চল এবং মাথুর অঞ্চলে বিজেপির পক্ষ থেকে বিজয় উৎসবের আয়োজন করা হয়। রাজ্যজুড়ে দলের অভূতপূর্ব সাফল্য উদযাপন করতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রীতিভোজেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দুই এলাকাতেই বিজেপির বহু কর্মী-সমর্থক জমায়েত হয়েছিলেন। অভিযোগ, অনুষ্ঠান চলাকালীন আচমকাই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপির একাংশের দাবি, সম্প্রতি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া কয়েকজন কর্মী আচমকাই আদি বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। সেই বচসা ক্রমেই হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনায় পরিণত হয়।
অভিযোগ, হামলাকারীরা লাঠি, বাঁশ ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয়। এলোপাথাড়ি মারধরের জেরে একাধিক কর্মী গুরুতর জখম হন। রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগও উঠেছে। ঘটনাস্থলে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরে বেশ কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত ১৩ জনের মধ্যে অধিকাংশকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে দু’জন বিজেপি কর্মীর আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এছাড়া আরও তিনজন এখনও ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
সোমবার সকালে আহত বিজেপি কর্মীদের দেখতে হাসপাতালে যান ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দীপক কুমার হালদার। আহত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও দেখা করেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
দীপক কুমার হালদার অভিযোগ করে বলেন, “দিকেদিকে তৃণমূল থেকে হঠাৎ বিজেপিতে আসা কিছু লোকজন বিজেপির সংগঠনের ভিতর অশান্তি তৈরি করছে। তারাই বিজেপির প্রকৃত কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
তিনি আরও দাবি করেন, এই হামলা পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে এবং এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। দলের পুরনো কর্মীদের ভয় দেখিয়ে সংগঠনের ভিত নষ্ট করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। আহত কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন বিজেপি নেতৃত্ব।
অন্যদিকে, আহত বিজেপি কর্মী সুবল মণ্ডল ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, “গতকাল আমাদের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন ছিল। সবাই মিলে বিজয় উৎসব করছিলাম। হঠাৎ কয়েকজন এসে আমাদের উপর হামলা চালায়। ওরা আগে তৃণমূল কংগ্রেস করত, এখন বিজেপি করছে বলে দাবি করছে। কিন্তু তারাই আমাদের মারধর করেছে। রাস্তায় ফেলে বাঁশ দিয়ে মারা হয়েছে। আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের উপর হামলা শুরু হয়।”
তাঁর অভিযোগ, হামলাকারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এসেছিল এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। রাতভর উত্তেজনা বজায় ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

যদিও বিজেপির সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল বিধায়ক পান্নালাল হালদার বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপির নিজেদের গোষ্ঠীকোন্দলের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। এখন রাজনৈতিকভাবে তৃণমূলকে দোষারোপ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করুক, যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস কোনও হিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। এলাকায় শান্তি বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে, সত্য সামনে আসবে।”
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। এলাকায় যাতে নতুন করে উত্তেজনা না ছড়ায়, তার জন্য পুলিশি নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। আক্রান্তদের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
ডায়মন্ড হারবারের মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল এলাকায় এই ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। বিজেপির অভিযোগ ও তৃণমূলের পাল্টা দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে এই ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষ।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ এলাকার মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শুভেচ্ছা জানাতে সাগরে আয়োজিত হলো এক বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। ‘প্রভঞ্জন পাত্র’ (MDRT USA & Chairman's Club Member)-এর উদ্যোগে সাগরের বটতলার 'ছবি মহল'-এ এই অনুষ্ঠানটি সাড়ম্বরে সম্পন্ন হয়।


​ঐতিহ্যবাহী প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে এই মহতী অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা ঘটে। অনুষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয়া শ্রীমতী সন্ধ্যা পাত্র। উক্ত সভায় সভাপতির আসন অলংকৃত করেন এলআইসি-র ডেভেলপমেন্ট অফিসার শ্রীযুত কল্লোল ভট্টাচার্য। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর হাই স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্রীযুত সমীর রঞ্জন গিরি এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রীধাম গঙ্গাসাগর স্বামী কপিলানন্দ বিদ্যাভবনের সহকারী শিক্ষক শ্রীযুত পলাশ দাস। অনুষ্ঠানে অন্যতম বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রিয়াযোগ আশ্রমের পূজনীয় মহারাজ। এছাড়াও সাগরের বহু বিশিষ্ট শিক্ষক ও সমাজসেবীবৃন্দ উপস্থিত থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহিত করেন।

​এই বছর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের মোট ১৩৬ জন মেধাবী পড়ুয়াকে অনুষ্ঠানে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। পাশাপাশি, তাঁদের মধ্যে ১০ জন বিশেষ ছাত্র-ছাত্রীকে স্কলারশিপ বা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
​এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও উচ্চশিক্ষায় আগ্রহ বাড়াতে বিগত ৫ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে আসছে।আয়োজকদের এই উদ্যোগ স্থানীয় স্তরে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
 এই মামলায় পৌরসভার কর্মচারী উত্তম চক্রবর্তী, ইঞ্জিনিয়ার অর্কপ্রভ দাশগুপ্ত ও হরি বর্মন গ্রেফতার হয়েছিলেন। তাঁদেরও স্বাক্ষরের নমুনা সংগ্রহ করে কলকাতা পাঠানো হয়। এই তিনজনই অবশ্য বর্তমানে জামিনে বাইরে রয়েছেন। প্লান পাশে গৌরীশঙ্করের সই ছিল। সেই সইগুলো আসল কি না, তা জানতেই অনেকদিন সময় লেগেছে। কার্যত ঠান্ডা ঘরে চলে গিয়েছিল ওই মামলা।

কোচবিহারে পুলিশের জালে উদয়ন ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রী, কী অভিযোগ?
গ্রেফতার করা হল উদয়ন গুহ ঘনিষ্ঠ দিনহাটার তৃণমূল নেত্রী মৌমিতা ভট্টাচার্যকে

রাজ্যে পালাবদলের পর জেলায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না উদয়ন গুহকে। তবে দুর্নীতির অভিযোগে বিপাকে তাঁর ঘনিষ্ঠরা। কোচবিহারের দিনহাটা পৌরসভার বিল্ডিং প্ল্যান জালিয়াতি মামলায় শনিবার গ্রেফতার করা হল উদয়ন ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রী মৌমিতা ভট্টাচার্যকে। একইদিনে দিনহাটা পৌরসভার প্রাক্তন পৌরপ্রধান গৌরশঙ্কর মাহেশ্বরীর বাড়িতেও তল্লাশি চালাল পুলিশ। 

রাজ্যে পালাবদলের পর ফের খুলেছে দিনহাটা পৌরসভার পুর বিল্ডিং প্ল্যান পাশ ফাইল। আর সেই ফাইল খোলার পরই এদিন তল্লাশি চালানো হয় গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরীর বাড়িতে। অন্যদিকে, মৌমিতা ভট্টাচার্য হলেন দিনহাটা পৌরসভার কর্মী। তিনি দিনহাটার তৃণমূল নেত্রীও। উদয়নের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। পৌরসভার বিল্ডিং প্ল্যান জালিয়াতিতে তাঁরও নাম জড়ায়।



২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর প্রথমবার দিনহাটা পৌরসভার বিল্ডিং প্ল্যান পাশ জালিয়াতি কাণ্ডে অভিযোগ জমা পড়ে দিনহাটা থানায়। এরপরই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসে। সব মিলিয়ে ১৭টি প্ল্যান জালিয়াতির অভিযোগ জমা পড়েছিল।

এই ঘটনায় একাধিক পৌর কর্মচারীর পাশাপাশি পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান গৌরীশঙ্কর, তৃণমূল নেত্রী তথা পৌরসভার কর্মী মৌমিতা ভট্টাচার্য-সহ অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ঘটনায় পৌরসভার কর্মচারী উত্তম চক্রবর্তী, ইঞ্জিনিয়ার অর্কপ্রভ দাশগুপ্ত ও হরি বর্মন গ্রেফতার হন। তাঁদেরও স্বাক্ষরের নমুনা সংগ্রহ করে কলকাতা পাঠানো হয়। এই তিনজনই অবশ্য বর্তমানে জামিনে বাইরে রয়েছেন। প্লান পাশে গৌরীশঙ্করের সই ছিল। সেই সইগুলো আসল কি না, তা জানতেই অনেকদিন সময় লেগেছে। কার্যত ঠান্ডা ঘরে চলে গিয়েছিল ওই মামলা।

নতুন সরকার ক্ষমতায় আসতেই আবার পুরনো ফাইল খোলা শুরু হল। প্রথম গ্রেফতার হলেন প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ ঘনিষ্ঠ মৌমিতা ভট্টাচার্য। এদিন তিনি পৌরসভাতেই ছিলেন। অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। তারপর প্রাক্তন পৌরপ্রধান গৌরীশংকর মাহেশ্বরীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এবার এই মামলায় আরও কারও নাম সামনে আসে কি না, সেটাই দেখার। 

অমরনাথ বলেন, "বাংলাতেও আগামী দিনে বুলডোজার চলবে। সেই বার্তাই দিয়েছি। যোগী আদিত্যনাথ হেমন্ত বিশ্বশর্মা। যে স্টাইলে চলছে পশ্চিমবাংলা সেই স্টাইলে চলবে।" তিনি ওন্দাবাসীকেও ধন্যবাদ জানান। বলেন, "আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি ওন্দার জনতা-জনার্দনকে।" 


বুলডোজার নিয়ে এসে তার উপর চড়ে সেলিব্রেট করল BJP
বুলডোজারে চড়ে সেলিব্রেশন

বেআইনি নির্মাণ থাকলেই চলবে বুলডোজার। স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari)। ইতিমধ্যেই কলকাতার তোপসিয়া, তিলজলায় বুলডোজার চলেছে, আর এবার বুল ডোজার নিয়ে বাঁকুড়ার ওন্দায় অভিনন্দন যাত্রা করলেন ওন্দা বিধানসভার নব নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা। অভিনন্দন যাত্রার মাঝেই ওন্দার বিধায়কের দাবি, উত্তরপ্রদেশ ও আসাম মডেলেই চলবে এই রাজ্য।

রাজ্যে যখন ঘাসফুলের তীব্র দাপট ছিল সেই সময় বাঁকুড়ার ওন্দা বিধানসভা দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত। এই বিধানসভায় ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী অমরনাথ শাখা। ২০২৬ সালেও তাঁকে প্রার্থী করে বিজেপি। এবার ওন্দা সহ বাঁকুড়া জেলায় আধাতিরিক্ত ফল করে বিজেপি। জেলার ১২ টি বিধানসভাতেই খড়কুটোর মতো উড়ে যায় ঘাসফুল।



এই জয়ের জন্য আজ ওন্দাবাসীকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন যাত্রার ডাক দেন ওন্দার বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা। ওন্দার গোগড়া থেকে ওন্দা বাজার পর্যন্ত ভিড়ে ঠাসা কর্মীদের নিয়ে চলে মিছিল। মিছিলে অংশ নেয় বিজেপির পতাকায় সুসজ্জিত একটি বুলডোজারও। বুলডোজারে চেপে ওন্দাবাসীকে অভিনন্দন জানান খোদ বিধায়ক অমরনাথ শাখা।

অমরনাথ বলেন, “বাংলাতেও আগামী দিনে বুলডোজার চলবে। সেই বার্তাই দিয়েছি। যোগী আদিত্যনাথ হেমন্ত বিশ্বশর্মা। যে স্টাইলে চলছে পশ্চিমবাংলা সেই স্টাইলে চলবে।” তিনি ওন্দাবাসীকেও ধন্যবাদ জানান। বলেন, “আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি ওন্দার জনতা-জনার্দনকে।”


এরপর হাত দিয়ে প্রতিহত করতে গেলে পিন্টুর হাতের আঙ্গুলের একাংশ কেটে আলাদা হয়ে যায়। এরপরে ঘটনাস্থল থেকে পালাতে সক্ষম অভিযুক্ত। রক্তাক্ত অবস্থায় পিন্টু সাইকেল নিয়ে একটি বাড়িতে ঢুকে পড়ে। সেখানকার মহিলারা দেখতে পেয়ে তার হাতে ওড়না দিয়ে রক্ত বেরনো আটকায়। এরপর আক্রান্তকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গড়িয়ায় বিজেপির সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূল সমর্থকের, কেটে গেল আঙুলের অংশ
পাটুলিতে ভয়ঙ্কর ঘটনা

 ভরদুপুরে গড়িয়ায় বিজেপি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ। রীতিমতো খুনের চেষ্টা। ঘটনাস্থল গড়িয়ার শ্রীরামপুর রোডের ভ্যালি পার্ক। সেখানেই মুদিখানার একটি দোকানে এক বিজেপি সমর্থক ও এক তৃণমূল সমর্থক বাগবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। আর তখনই এই হামলা হয়।


পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার পাড়ার দুই যুবক একজন বুড়ো এবং অপরজন হলেন পিন্টু একটি মুদিখানার দোকানে বসে নিজেদের মধ্যে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পিন্টু বিজেপির সমর্থক। এই দু’পক্ষের মধ্যে ঝগড়া আচমকায় চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। অভিযোগ, সেই সময় বুড়ো সেখান থেকে চলে যায়। আরও একজনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। এরপর তৃণমূল সমর্থক হিসেবে পরিচিত বুড়ো নিজের এক সঙ্গীকে নিয়ে এসে মুদিখানায় দাঁড়িয়ে থাকা পিন্টুর উপরে ধারাল অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। প্রথমে বুকে এবং পিঠে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। যখন অবস্থায় পিন্টু ছুটে পালাতে যায়। কিন্তু আবার তাকে ধরে গলায় দাঁড়ানো আশ্রয় দিয়ে আঘাত করতে যায় অভিযুক্ত বলে অভিযোগ।



এরপর হাত দিয়ে প্রতিহত করতে গেলে পিন্টুর হাতের আঙ্গুলের একাংশ কেটে আলাদা হয়ে যায়। এরপরে ঘটনাস্থল থেকে পালাতে সক্ষম অভিযুক্ত। রক্তাক্ত অবস্থায় পিন্টু সাইকেল নিয়ে একটি বাড়িতে ঢুকে পড়ে। সেখানকার মহিলারা দেখতে পেয়ে তার হাতে ওড়না দিয়ে রক্ত বেরনো আটকায়। এরপর আক্রান্তকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রতিবেশী বলেন, “এরা দুজনই পাড়ার ছেলে। কোনও একটা বিষয় নিয়ে এদের মধ্যে বিতর্ক হয়েছে। তখনই এরা র‌্যানডম ছুরি চালিয়েছি।”

আগামী বৃহস্পতিবার রয়েছে ফলতায় পুনরায় নির্বাচন। তার আগে সেখানে প্রচারে গিয়েছিলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই তিনি খোঁজ করেন পুষ্পার। বলেন, "আর ওই পুষ্পা কোথায় গেল? ডাকাতটা কোথায়? দেখা যাচ্ছে? যত অভিযোগ করেছে নির্বাচনের সময়, সবগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। গুণ্ডামি করতে দেব না, বাইক বাহিনীকে দেব না, সাদা থান বাড়িতে ফেলতে দেব না।"

জাহাঙ্গীরকে আমার উপর ছেড়ে দিন, ওর দায়িত্ব আমি নিলাম'
শুভেন্দু ও জাহাঙ্গীর

ছিলেন জাহাঙ্গীর খান আর এখন হয়ে গেলেন পুষ্পা। জাহাঙ্গীর থেকে এই পুষ্পা হয়ে যাওয়ার ঘটনাটা কিন্তু বেশ ইন্টারেস্টিং। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা আইপিএস (IPS) অজয় শর্মার হুঁশিয়ারির মুখ পড়েছিলেন। ভোটের আগে ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছিল এই তৃণমূলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে। যদিও, সেই অভিযোগ অস্বীকার করে জাহাঙ্গীর নিজেকে ‘পুষ্পা’ বলে বলেছিলেন, ‘ঝুকেগা নেহি’। আর সেই তৃণমূল প্রার্থীকেই এবার দেখে নেবেন বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু (CM Suvendu)।

আগামী বৃহস্পতিবার রয়েছে ফলতায় পুনরায় নির্বাচন। তার আগে সেখানে প্রচারে গিয়েছিলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই তিনি খোঁজ করেন পুষ্পার। বলেন, “আর ওই পুষ্পা কোথায় গেল? ডাকাতটা কোথায়? দেখা যাচ্ছে? যত অভিযোগ করেছে নির্বাচনের সময়, সবগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। গুণ্ডামি করতে দেব না, বাইক বাহিনীকে দেব না, সাদা থান বাড়িতে ফেলতে দেব না।” রীতিমতো হুঙ্কার করে তিনি বলেন, “কোথায় পুষ্পা?কোথায় আপনি? নটোরিয়াস ক্রমিন্যাল এই জাহাঙ্গীর। আমার উপর ছেড়ে দিন। আমি ওর দায়িত্ব নিয়ে নিলাম। আমার উপর ছেড়ে দিন।”


বস্তুত, গোটা রাজ্যে পদ্ম ফুটতেই এই তৃণমূল প্রার্থীকে কার্যত দেখা যানি। পরে প্রায় দশদিন পর পার্টি অফিস খুলে হাজির হন তিনি। ফলতাবাসীর দাবি, জাহাঙ্গীর ও তার দলবলের ভয়ে ভোট দেওয়া যায় না। ইভিএম মেশিনের উপর তারা টেপ লাগিয়ে দেয় নয়ত সেখানে এতই হুমকি দেওয়া হয় ভোটাররা ভয়ে বেরতে পারে না। এমনকী, ইভিএম-এ সুগন্ধী লাগিয়ে দিতেন বলেও অভিযোগ। পরে ভোটাররা ভোট দিয়ে বেরলে আঙুলের গন্ধ শুকতেন।



মূলত, প্ল্যাটফর্ম যাত্রীদের চলাচলের জন্য। আর সেখানেই বারবার প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছিল একের পর এক হকার বসে যাওয়ায়। এমনকি, তাতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন বিভিন্ন যাত্রী। বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের বক্তব্যে সেটাও পরিষ্কার করেছিলেন রেলের সাধারণ যাত্রীরা।


আগেই নোটিস দিয়েছিল, এবার পরিষ্কার উঠিয়ে দিল! শিয়ালদহে এদের আর দেখতে পাবেন না...
শিয়ালদহ স্টেশন

 রাজনৈতিক পালাবদলে খালি এবার শিয়ালদহ প্ল্যাটফর্ম (sealdah station)। ১ থেকে ২১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে হকার মুক্ত। সবক’টি সাধারণ যাত্রীদের চলাচলের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিল শিয়ালদহ ডিভিশন। স্বাগত জানালেন সাধারণ যাত্রীরা।


প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ এর বেশি হকার মুক্ত করা হল প্ল্যাটফর্মগুলি থেকে। নিত্যদিন শিয়ালদহ ডিভিশনের মেন এবং দক্ষিণ শাখা থেকে প্রায় ৯ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করেন। শিয়ালদহ রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রতিদিন প্রায় ৮৮৫ থেকে ৯২১টি শহরতলির লোকাল ট্রেন (EMU) চলাচল করে।


এছাড়া দূরপাল্লার মেইল-এক্সপ্রেস ট্রেন ও প্যাসেঞ্জার ট্রেন প্রায় ১৫৮টি ট্রেন মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১৫৯১টিরও বেশি ট্রেন এই স্টেশনটি দিয়ে যাতায়াত করে।

শিয়ালদহ কর্তৃপক্ষের দাবি, ব্যাঙের ছাতার মত একের পর এক হকার বসে যাচ্ছিল। মূলত, বিগত শাসকদলের ইউনিয়ন গুলির দাপটে এই হকারদের তোলা সম্ভব হয়নি। কিন্তু পালাবদলের পরই শিয়ালদহ স্টেশনের প্ল্যাটফর্মকে সম্পূর্ণ হকার মুক্ত করা সম্ভবপর হল।

শিয়ালদহ ডিআরএম অফিস সূত্রের খবর, হকারদের প্রথমে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। তারপর সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়ের মধ্যে অনেকেই নিজেদের দোকান বা পসরা নিয়ে উঠে চলে গিয়েছেন। যাঁরা প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে টালবাহানা করছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মূলত, প্ল্যাটফর্ম যাত্রীদের চলাচলের জন্য। আর সেখানেই বারবার প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছিল একের পর এক হকার বসে যাওয়ায়। এমনকি, তাতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন বিভিন্ন যাত্রী। বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের বক্তব্যে সেটাও পরিষ্কার করেছিলেন রেলের সাধারণ যাত্রীরা। কিন্তু রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার জেরে সেই হকার মুক্ত করা সম্ভবপর হচ্ছিল না। এমনকি অমৃত ভারত প্রকল্পে শিয়ালদহ স্টেশনকে উন্নীতকরনের ক্ষেত্রেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এই অবৈধ দখলদারি।

প্ল্যাটফর্মকে নোংরা করা বা অল্প অল্প করে জায়গা দখল করে নেওয়া, রীতিমতো নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেই জায়গা থেকে মুক্ত হতে পেরেছে শিয়ালদহ স্টেশন, দাবি পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারের।
 ফেব্রুয়ারির শেষে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি উপসাগরীয় দেশগুলিতে অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৭২.৪৮ ডলার। বর্তমানে তা প্রায় ৫১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৯.২৬ ডলারে।


কলকাতায় পেট্রোল-ডিজেলের দাম কত? আরও বাড়বে দাম?
প্রতীকী ছবি

 যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় ৫১ শতাংশের বেশি বেড়ে গিয়েছে। অনেক দিন থেকেই তার গনগনে আঁচ টের পাচ্ছে সাধারণ মানুষও। বিশ্ববাজারে তেলের দাম এখন ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে দাঁড়িয়ে রয়েছে। একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশছোঁয়া, অন্যদিকে মার্কিন ডলারের তুলনায় টাকার দরে লাগাতার পতনে চাপ ক্রমেই বেড়েছে। সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের অর্থনীতিতে, দেশের রাজকোষে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্প্রতি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি পেট্রোল ও ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৩ টাকা করে বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে আগামী দিনে জ্বালানির দাম আরও বাড়তে পারে। 


ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের (IOCL) সর্বশেষ তথ্য বলছে, গত ১৫ মে দাম পর পর পর দুই দিন তেলের দামে নতুন করে কোনও পরিবর্তন হয়নি। নয়া দিল্লিতে পেট্রোল প্রতি লিটার ৯৭.৭৭ টাকা এবং ডিজেল ৯০.৬৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কলকাতায় পেট্রোলের দাম প্রতি লিটার ১০৮.৭৪ টাকা এবং ডিজেল ৯৫.১৩ টাকা। বাণিজ্য নগরী মুম্বাইতে পেট্রোল প্রতি লিটার ১০৬.৬৮ টাকা এবং ডিজেল ৯৩.১৪ টাকা। চেন্নাইয়ে পেট্রোল প্রতি লিটার ১০৩.৬৭ টাকা এবং ডিজেল ৯৫.২৫ টাকা। 




ফেব্রুয়ারির শেষে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি উপসাগরীয় দেশগুলিতে অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৭২.৪৮ ডলার। বর্তমানে তা প্রায় ৫১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৯.২৬ ডলারে। অন্যদিকে তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি ডলারের তুলনায় ভারতীয় টাকার মূল্য ৫.১৯ শতাংশের বেশি কমে গিয়েছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ভারতে যেখানে ১ ডলারের মূল্য ছিল ৯১.০৮ টাকা, তা গত ১৫ মে তা পৌঁছে যায় ৯৫.৮১ টাকায়। 

 একইসঙ্গে সরকারি হাসপাতালগুলোর খোলনলচে বদলে দিতেও একের পর কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বেড সংক্রান্ত রিয়েল টাইম তথ্য পেতে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড থাকবে হাসপাতালে। খালি বেড সংক্রান্ত তথ্যের জন্য থাকছে সেন্ট্রালি মনিটরিং সিস্টেম।


৫০০ টাকার বদলে এখন আরও কমে যেতে পারব’, দালালরাজ বন্ধে মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে খুশি অ্যাম্বুলেন্স চালকরা
কী বলছেন চালকরা?

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে হাল ফেরাতে উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গতকালের বৈঠকেই কড়া বার্তা দিয়ে রেখেছেন। অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবাতেও দালালরাজ রুখতে কড়া দাওয়াই মুখ্যমন্ত্রীর। জিপিএস ট্র্যাকারের পাশাপাশি নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্স বুকিং করতে পারবেন রোগীর পরিবার। এই সিদ্ধান্তে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের মুখে চওড়া হাসি। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগকে সাধুবাদ। 

অ্যাম্বুলেন্স চালক দিলীপ কুমার দে বলছেন, “মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। রোগীর পরিবারের সঙ্গে আর কোনও সমস্যা থাকবে না। গাড়ির সমস্যা হলে অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং করতে পারবেন। আমরা গাড়ি দিতে পারব। জরুরি পরিষেবায় পাওয়া যাবে। দালালরাজ উঠে যাওয়ায় এখন অনেক কম টাকায় ভাড়া পাবে রোগীর পরিজনরা। আর তো ভায়া হয়ে বুকিং আসবে না। আগে যেখানে ৫০০ টাকায় যেতাম এখন সেখানে ৪০০ টাকায় যেতে পারব।”  


একইসঙ্গে সরকারি হাসপাতালগুলোর খোলনলচে বদলে দিতেও একের পর কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বেড সংক্রান্ত রিয়েল টাইম তথ্য পেতে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড থাকবে হাসপাতালে। খালি বেড সংক্রান্ত তথ্যের জন্য থাকছে সেন্ট্রালি মনিটরিং সিস্টেম। বাড়ানো হবে বেড। আয়ুষ্মান ভারতের সাহায্য পাবেন রোগীরা। নির্দিষ্ট কিয়স্কও বসাচ্ছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। 

সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষও। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর আত্মীয় বলছেন, “এই উদ্যোগ সফল হলে খুবই ভালো। এটা হওয়া দরকার। সাধারণ মানুষ এবার জানতে পারবে কত বেড খালি আছে। আগে তো আমরা জানতে পারতাম না।”
জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে এই চুক্তির পর এবার রাজ‍্যে গড়ে উঠবে পিএমশ্রী (প্রধানমন্ত্রী স্কুলস ফর রাইজিং ইন্ডিয়া) বিদ্যালয়। তিন বছরের বেশি সময় ধরে রাজ্যে পিএমশ্রী প্রকল্প চালু নিয়ে টালবাহানা চলছিল। এবার রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে অন্তত একটি স্কুলকে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।


 সরকার বদলাতেই বাংলায় চালু জাতীয় শিক্ষানীতি, কী বলছেন সুকান্ত?
জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে চুক্তি হল কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে


সরকার বদল হতেই রাজ্যে চালু হল জাতীয় শিক্ষানীতি। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের শিক্ষা বিভাগের মধ্যে চুক্তি সই হল। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে বারবার অনীহা দেখা গিয়েছিল। এখন কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। আর বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই জাতীয় শিক্ষানীতি চালু হল।

জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে এই চুক্তির পর এবার রাজ‍্যে গড়ে উঠবে পিএমশ্রী (প্রধানমন্ত্রী স্কুলস ফর রাইজিং ইন্ডিয়া) বিদ্যালয়। তিন বছরের বেশি সময় ধরে রাজ্যে পিএমশ্রী প্রকল্প চালু নিয়ে টালবাহানা চলছিল। এবার রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে অন্তত একটি স্কুলকে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই চুক্তির পর কেন্দ্রের বক্তব্য, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক, নমনীয় ও কর্মমুখী করে তোলাই জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য। এই চুক্তি বাংলার ভেঙে পড়া শিক্ষাব‍্যবস্থাকে চাঙ্গা করবে।



পূর্বতন সরকারের আমলে রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে বারবার বিতর্ক হয়েছে। তারপরও রাজ‍্যে কার্যকরী হয়নি জাতীয় শিক্ষানীতি। বরং বিকল্প রাজ‍্য শিক্ষানীতি তৈরি করেছিল তৃণমূল সরকার।

কী বলছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার?

বাংলায় জাতীয় শিক্ষানীতি চালু হওয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটাই ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা, যা পশ্চিমবঙ্গবাসী পাচ্ছেন। এবং পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার্থীরা আগামিদিনে পাবে। একদিকে যেমন পিএমশ্রী স্কুল চালু হচ্ছে এখানে। যার ফলে রাজ্য সরকারের স্কুলগুলিই বিশেষ আর্থিক সহযোগিতা পাবে, যাতে স্কুলগুলিকে আরও ভালো করা যায়। দ্বিতীয়ত, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ লাগু হওয়ার ফলে স্কুল পর্যায় থেকে আমাদের বিদ্যার্থীরা হাতে কলমে কাজ শিখবে। আগামিদিনে পরিবর্তনশীল বিশ্বে আমাদের ছাত্রছাত্রীদের আরও বেশি আত্মনির্ভর ও অনেক শক্তিশালী করবে বলে আমার মনে হয়। এর ফলে যুবসমাজ আগামিদিনে আরও বেশি জব মার্কেটের জন্য উপযুক্ত হবে।” 


পুলিশ ছিল একেবারে কড়া অ্যাকশনে। মাইক হাতে পুলিশকে বলতে শোনা যায়, “এখানে ভিড় করবেন না। যাত্রীরা স্টেশনে চলে যান, যাঁদের বাস ধরার বাস ধরুন। এখানে কোনও নাটক হচ্ছে না। আপনারা আপনাদের কাজ করুন। প্রশাসনকে প্রশাসনের কাজ করতে দিন।”

 ‘এখানে কোনও নাটক হচ্ছে না’, রাতেই বুলডোজার নিয়ে হাও়ড়া স্টেশনে প্রচুর পুলিশ
রাতেই চলল অভিযান

এবার হাওড়া স্টেশন। রাতেই চলল বুলডোজার। আগেই ধরানো হয়েছিল নোটিস, এবার বুলডোজার নিয়ে হাওড়া স্টেশনের বাইরে উচ্ছেদ রেল পুলিশের। এতদিন যারা স্টেশনের বাইরে রাস্তায়, ফুটপাথে ডালা সাজিয়ে বসতেন তুলে দেওয়া হল তাঁদের। অনেকে অস্থায়ী দোকানও ছিল, সেগুলিও তুলে দেওয়া হয়েছে। বুলডোজার চালিয়ে গোটা স্টেশন চত্বর পরিষ্কার করে দেওয়া হল। রেল পুলিশের দাবি, সাধারণ মানুষের সুবিধার্থেই এটা করা হল। এবার থেকে আর যাত্রীদের যাতায়াতের কোনও সুবিধা হবে না। 

শনিবার রাতে হাওড়া স্টেশনের বাইরে উচ্ছেদ অভিযান দেখতে রীতিমতো ভিড় জমে যায়। যদিও পুলিশ ছিল একেবারে কড়া অ্যাকশনে। মাইক হাতে পুলিশকে বলতে শোনা যায়, “এখানে ভিড় করবেন না। যাত্রীরা স্টেশনে চলে যান, যাঁদের বাস ধরার বাস ধরুন। এখানে কোনও নাটক হচ্ছে না। আপনারা আপনাদের কাজ করুন। প্রশাসনকে প্রশাসনের কাজ করতে দিন।” প্রচুর পুলিশ তো ছিলই সঙ্গে ছিল বিরাট সংখ্যক আরপিএফ। বুলডোজার দিয়ে ১৫০ বেশি অবৈধ দোকান ভেঙে ফেলা হয় বলে খবর। পুলিশের উপস্থিতিতেই মাঠে নামে বুলডোজার। শোরগোল পড়ে যায় গোটা স্টেশন চত্বরে। 



ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন একদিন আগেই রেলের তরফে তাঁদের জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য নোটিস দেওয়া হয়। তারপরই শনিবার রাতের অপারেশন। অনেকেই তাঁদের ডালা অন্যত্র সরিয়ে নিতে পেরেছেন। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যাত্রীদের সুবিধার জন্য এই উচ্ছেদ অভিযান হচ্ছে। যাত্রীদের বড় অংশ জানিয়েছেন এতে তারাও খুশি। 

এ ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর না থাকলেও স্বভাবতই ব্য়াপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অসুস্থও হয়ে পড়েছেন। ভোররাতে দিকে যখন আগুন লাগে তখন বেশিরভাগ যাত্রীই ঘুমের মধ্যে ছিলেন। যাত্রীরা বলছেন, প্রথমে কোচের একটি অংশে ধোঁয়া দেখা যায়, তারপর দাউদাউ জ্বলে যায় কোচ।

দিল্লিগামী রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন, পুরো ছাই আস্ত কোচ
ভয়ঙ্কর আগুন রাজধানী এক্সপ্রেসে



রতলম: রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন। তিরবন্তপুরম থেকে দিল্লি যাচ্ছিল ট্রেনটি। পথে মধ্যপ্রদেশের রতলমের কাছে আগুন ধরে যায় ট্রেনটিতে। দাউদাউ করে জ্বলে যায় বি-১ কোচ। সূত্রের খবর, জানলা ভেঙে ইতিমধ্যেই ৬৮ জন যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। জ্বলন্ত কোচটিকে বাকি ট্রেন থেকে আলাদাও করে ফেলা হয়েছে। শর্ট-সার্টিক থেকেই আগুন বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে। 


এ ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর না থাকলেও স্বভাবতই ব্য়াপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অসুস্থও হয়ে পড়েছেন। ভোররাতে দিকে যখন আগুন লাগে তখন বেশিরভাগ যাত্রীই ঘুমের মধ্যে ছিলেন। যাত্রীরা বলছেন, প্রথমে কোচের একটি অংশে ধোঁয়া দেখা যায় তারপর দাউদাউ জ্বলে যায় কোচ। কোচের মধ্যেই চিৎকার চেঁচামেঁচি শুরু করে দেন যাত্রীরা। যদিও খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় উদ্ধারকারী দল। পুরো কোচে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই কোচে থাকা সব যাত্রীদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। শুধু ওই কোচই নয়, পাশের কোচ থেকেও যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আগুনের লেলিহান শিখার গ্রাসে বি-১ কোচটি সম্পূর্ণ ভষ্মীভূত হয়ে গিয়েছে।  



তবে ইতিমধ্যেই রেলের তরফে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এ ধরনের প্রিমিয়াম ট্রেনে এ ঘটনায় স্বভাবতই উদ্বেগের বাতাবরণ রেলের অন্দরেও। শর্ট-সার্কিটই নেপথ্য কারণ নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে তা খতিয়ে দেখা গিয়েছে। তৈরি করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। পাশাপাশি এই ট্রেনের যাত্রীদের বিকল্প ট্রেনে দিল্লি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।