WEATHER

Top News


গঙ্গাসাগরে গু*লিবদ্ধ বিজেপি কর্মী, তদন্ডে পুলিশ, ঘটনাকে ঘিরে গঙ্গাসাগরে রাস্তা অবরোধ বিজেপি কর্মীদের


রাজ্যজুড়ে বইছে ভোটের হাওয়া, এর মধ্যেই অশান্ত গঙ্গাসাগর। বুধবার সকাল আটটার দিকে আচমকাই গুলি চালানো হয় বিজেপির এক কর্মীর ওপর। শ্রীধাম বাসস্ট্যান্ড থেকে গঙ্গাসাগর বাসস্ট্যান্ডের মাঝামাঝি জায়গায় বাইকে করে আসা দুই দুষ্কৃতী কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়।


আক্রান্ত বিজেপির কর্মীর নাম ত্রিলোকেশ ঢালি। গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। স্থানীয় মানুষরাই দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। সকাল সকাল এমন ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে, কে বা কারা এই হামলার পিছনে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ত্রিলোকেশ ঢালি আগে মথুরাপুর সংগঠন জেলা কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন, যদিও বর্তমানে সাধারণ কর্মী হিসেবেই দল করছিলেন।

ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। 

এই বিষয়ে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পুরনো কোনও ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেই হামলা হতে পারে। 

অন্যদিকে আক্রান্তের মেয়ে অভিযোগ তুলেছেন সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, “বাবাকে বুকে গুলি করা হয়েছে। আমরা বিজেপি করি, আমি নিজেই পঞ্চায়েত মেম্বার, এই কারণেই হামলা হতে পারে। সমস্ত বিজেপি কর্মীরও একই অভিযোগ, এই হামলার পিছনে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের হাত আছে।


যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসক দলের নেতারা। জেলা পরিষদের সদস্য সন্দ্বীপ কুমার পাত্র জানান "এই ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং অপ্রত্যাশিত। আরো কি জানালেন তিনি শুনুন


সন্দীপ কুমার পাত্র (জেলা পরিষদের সদস্য)

গঙ্গাসাগরে এই হামলার প্রতিবাদে বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় অবরোধে বসেছেন। গঙ্গাসাগরের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা তুঙ্গে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।


ষ্টাফ রিপোর্টার সৌরভ নস্কর
প্রতিবন্ধী ভাতা বৃদ্ধি এবং অন্নপূর্ণা যোজনায় পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রীর দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠল ব্লক চত্বর। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনীর ডাকে একটি বিশাল প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। মিছিলে কয়েকশ প্রতিবন্ধী মানুষ ও তাঁদের পরিজনেরা শামিল হন।প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়িয়ে মাসিক ৫০০০ টাকা করতে হবে।



অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় জনপ্রতি ৩৫ কেজি চাল ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নিশ্চিত করতে হবে।


ব্লক স্তরে নিয়মিত প্রতিবন্ধী হেলথ ক্যাম্প আয়োজন করতে হবে। পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং ভেসেল বা জলপথে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ দিতে হবে। এদিনের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে বর্তমান ব্যবস্থার সমালোচনা করেন এবং দাবিগুলো দ্রুত মেনে নেওয়ার আবেদন জানান।


বিক্ষোভ সমাবেশের শেষে সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল বিডিও-র কাছে গিয়ে তাঁদের দাবি সম্বলিত একটি ডেপুটেশন জমা দেন। আন্দোলনকারীদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত এই দাবিগুলো পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তাঁরা।

গঙ্গাসাগরের কৃষ্ণনগরে ভক্তি ও শ্রদ্ধায় শুরু হলো গৌরাঙ্গ মহোৎসব

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের কৃষ্ণনগর এলাকায় শুরু হলো ঐতিহ্যবাহী গৌরাঙ্গ মহোৎসব। কৃষ্ণনগরের বিনোদ মোড়ে আয়োজিত এই 'সর্বজনীন অষ্টমপ্রহর নামযজ্ঞ ও গৌরাঙ্গ মহোৎসব' ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গিয়েছে। বিনোদ মোড়, কৃষ্ণনগর, গঙ্গাসাগর।
 সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই উৎসব চলবে আগামী বুধবার পর্যন্ত।

দিনভর হরিনাম সংকীর্তন, ধর্মীয় আলোচনা এবং ভক্তদের জন্য মহাপ্রসাদের আয়োজন।
সোমবার সকাল থেকেই খোল-করতাল আর হরিনাম ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে বিনোদ মোড় চত্বর। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এলাকার শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষার্থেই প্রতি বছর এই নামযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। তিন দিনব্যাপী এই উৎসবে সামিল হতে দূর-দূরান্ত থেকেও ভক্তরা ভিড় জমাচ্ছেন। শীতের আমেজ কাটিয়ে ভক্তি ও আরাধনার মধ্য দিয়ে এলাকা এখন উৎসবমুখর।

চিল না উড়লে এবং কাঁকড়া না দেখা গেলে এই পুজোর ঘট উত্তোলন হয়না, শুরু হলো নামখানার ঐতিহ্যবাহী কাঁকড়া বুড়ি মায়ের পুজো 


আজ বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নামখানার ঐতিহ্যবাহী কাঁকড়া মেলা শুরু হয়েছে। সকাল ৯:৩৫ মিনিটে ঘট উত্তোলন হয় এবং এর পরেই শুরু হয় পুজো। জাগ্রত এই পুজোর ঘট উত্তোলন দেখতে ভিড় জমিয়েছেন বহু ভক্তবৃন্দ। এই বছর পুজো উদ্বোধন করেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী। পুজোর পাশাপশি আজ থেকেই শুরু হচ্ছে  মেলা। এই মেলা চলবে ১০ দিন। এই শীতলা মায়ের পুজো এবছর ৬৮ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। এই পুজকে কেন্দ্র করে, বিঘার পর বিঘা জমিতে বসেছে দোকান, চলছে মিলন মেলা। 
এদিন উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, গঙ্গাসাগর বকখালী ডেভেলপমেন্ট অথরিটি চেয়ারম্যান সীমান্ত কুমার মালি বিশিষ্ট সমাজসেবী বিদ্যুৎ দিন্দা এবং আরও অন্যান্য বিশিষ্ট সমাজ সেবীগণ। 

স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার

বর্তমান সময়ে চারিদিকে যখন ‘ছেলেধরা’ আতঙ্কে সমাজ উত্তাল, ঠিক সেই মুহূর্তেই এক মানবিক ও অভাবনীয় ঘটনার সাক্ষী থাকল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর ব্লকের বঙ্কিমনগর গ্রাম। দীর্ঘ ১৫ বছর আগে ঘরছাড়া হওয়া এক বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দিল সাগর থানার পুলিশ ও ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাব (হ্যাম রেডিও)। 

গুজব আর সন্দেহের মেঘ কাটিয়ে পনেরো বছর পর মা ও ছেলের পুনর্মিলনে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হলো বঙ্কিমনগরে। গত কয়েকদিন ধরে সাগর থানার অন্তর্গত বঙ্কিমনগর গ্রামে এক অপরিচিত বৃদ্ধাকে ইতস্ততভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রাজ্যে সাম্প্রতিক ‘ছেলেধরা’ গুজবের আবহে অপরিচিত কাউকে দেখলেই যেখানে সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে, সেখানে এই বৃদ্ধার উপস্থিতি চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়রা তাঁর নাম-পরিচয় জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি সাগর থানায় জানান। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং তাঁর সঠিক পরিচয় জানার চেষ্টা শুরু করে। বৃদ্ধার পরিচয় উদ্ধারে সাগর থানা যোগাযোগ করে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাব’ বা হ্যাম রেডিও-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে। হ্যাম রেডিওর পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দিবস মণ্ডল বৃদ্ধার সঙ্গে কথা বলে তাঁর অসংলগ্ন কথাবার্তার সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করেন। আধুনিক প্রযুক্তি ও নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে দ্রুততার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় হুগলি জেলার সিঙ্গুর এলাকায়। সেখান থেকেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, ওই বৃদ্ধার নাম ছবি জ্যোতি (৬৮)।

 তিনি প্রায় ১৫ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর মানসিক অবসাদে ঘর ছেড়েছিলেন। হ্যাম রেডিওর সদস্যরা তাঁর ছেলে সুরজিৎ জ্যোতির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি প্রথমে অবাক হয়ে যান। সুরজিৎ জানান, গত ১৫ বছর ধরে তাঁরা মাকে হন্যে হয়ে খুঁজেছেন। এমনকি বছর দুয়েক আগে একবার খবর পেয়েও সেখানে গিয়ে মাকে খুঁজে পাননি। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, মায়ের খোঁজ পাওয়ার পর দীর্ঘ তিন দিন কেটে গেলেও সুরজিৎ তাঁকে নিতে আসার ব্যাপারে নানা টালবাহানা শুরু করেন। বিষয়টি স্থানীয় পঞ্চায়েত, বিডিও অফিস এমনকি সিঙ্গুর থানাতেও জানানো হয়।
ছেলের এই গড়িমসি দেখে পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুভব করেন হ্যাম রেডিও প্রতিনিধি দিবস মণ্ডল। তিনি সরাসরি যোগাযোগ করেন রাজ্য পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে। পুলিশের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ এবং হ্যাম রেডিওর লাগাতার চাপের মুখে অবশেষে সুরজিৎ জ্যোতি সাগর থানায় পৌঁছাতে বাধ্য হন। সোমবার যখন সাগর থানায় পনেরো বছর পর মা ও ছেলে মুখোমুখি হন, তখন উপস্থিত পুলিশ কর্মী ও সাধারণ মানুষের চোখেও জল চলে আসে। দীর্ঘ দেড় দশক ধরে ভবঘুরে জীবন কাটানো ছবি দেবী তাঁর সন্তানকে চিনতে পারেন। অন্যদিকে, মাকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সুরজিৎ-ও। তিনি স্বীকার করেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মাকে ফিরে পাওয়া তাঁর কাছে এক অলৌকিক ঘটনার মতো। এই মানবিক মিশনের সফল রূপায়ণের জন্য সাগরের এসডিপিও সাগর থানার ওসি এবং বিশেষ করে হ্যাম রেডিও-র প্রতিনিধিদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ছবি দেবীর পরিবার ও বঙ্কিমনগরের বাসিন্দারা। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুজবে কান না দিয়ে সাধারণ মানুষ যদি এভাবেই সচেতনতার পরিচয় দেন, তবে অসহায় মানুষদের সঠিক গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব। এই ঘটনা প্রমাণ করল যে, প্রযুক্তির সাথে যদি মানবিকতার মেলবন্ধন ঘটে, তবে পনেরো বছরের হারানো সম্পর্ককেও আবার জোড়া লাগানো সম্ভব।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বকখালীতে এক হাই-ভোল্টেজ সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বিপ্লব দেব। সোমবার এই সাংবাদিক বৈঠক থেকে তিনি মূলত রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইন-শৃঙ্খলা এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।


তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক কটাক্ষের কড়া জবাব দিয়ে বিপ্লব দেব বলেন, "বিজেপির কর্মসূচিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভিড় দেখে শাসকদল ভয় পেয়েছে। সেই আতঙ্ক থেকেই জেসিবি দিয়ে মাটি কাটা দেখার মতো কুরুচিকর তুলনা টানা হচ্ছে।" তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ এখন বিকল্প খুঁজছে এবং সেই গণজোয়ার আটকানো সম্ভব নয়। এদিন বিপ্লব দেবের বক্তব্যে উঠে আসা প্রধান বিষয়গুলি হলো: তিনি স্পষ্ট জানান, ভোটার তালিকার বিবেচনাধীন বিষয়গুলি এবং অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোট সম্ভব নয়।জ্ঞেনেশ কুমারকে কালো পতাকা দেখানোর ঘটনাকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, বিরোধীদের এই ধরণের সংস্কৃতি সুস্থ গণতন্ত্রের পরিচয় দেয় না।

বিরোধীদের তোলা নারী নির্যাতন বা উন্নয়ন নিয়ে অভিযোগ নস্যাৎ করে বিপ্লব দেব দাবি করেন, ডবল ইঞ্জিন সরকার শাসিত রাজ্যগুলোতেই প্রকৃত নিরাপত্তা ও উন্নয়ন সুনিশ্চিত। পরিসংখ্যান অনুযায়ী সেই রাজ্যগুলি পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় অনেক এগিয়ে। রাজ্যের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। নারী নিরাপত্তা ও অপরাধের হার নিয়ে একযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে বিপ্লব দেব বলেন, বাংলার মানুষের মুক্তির জন্য এই অরাজকতার অবসান হওয়া প্রয়োজন।

রাজ্যসভার সাংসদ পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। তাঁর এই নতুন যাত্রাকে সফল করতে এবং যাবতীয় প্রতিকূলতা কাটাতে এবার কপিলমুনির শরণাপন্ন হলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। 



রবিবার গঙ্গাসাগরের পবিত্র কপিলমুনি আশ্রমে রাহুল সিনহার মঙ্গল কামনায় এক বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়।
ইতিমধ্যেই রাজ্যসভার সাংসদ পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন রাহুল সিনহা। বিজেপি শিবিরের অভিযোগ, তাঁর এই মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক চক্রান্ত শুরু করেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি নেতা অরুণাভ দাসের দাবি, তৃণমূল বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারের মাধ্যমে রাহুল সিনহাকে বিড়ম্বনায় ফেলার চেষ্টা করছে। শাসকদলের এই ‘নোংরা রাজনীতির’ মোকাবিলা করতেই তাঁরা আধ্যাত্মিক শক্তির ওপর আস্থা রাখছেন।

এদিন সকালে গঙ্গাসাগরে পৌঁছে বিজেপি কর্মী ও স্থানীয় নেতারা কপিলমুনির মন্দিরে ডালি সাজিয়ে পুজো দেন। আরতি ও প্রার্থনার মাধ্যমে তাঁরা রাহুল সিনহার জয় এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করেন। বিজেপি নেতা অরুনাভ দাস জানান "জননেতা রাহুল সিনহার বিরুদ্ধে যত ষড়যন্ত্রই হোক না কেন, কপিলমুনির আশীর্বাদ তাঁর সঙ্গে আছে।" এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গঙ্গাসাগর এলাকায় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।

মথুরাপুরে অভিষেকের পাল্টা সভা: গঙ্গাসাগর থেকে কয়েকশো কর্মী নিয়ে রওনা দিলেন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা


মথুরাপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের হাইভোল্টেজ জনসভাকে কেন্দ্র করে আজ সরগরম দক্ষিণ ২৪ পরগনা। গত কয়েকদিন আগেই মথুরাপুরে সভা করে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজনৈতিক মহলের মতে, আজ সেই সভার পাল্টা জনসভা করতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মেগা সভায় যোগ দিতে গঙ্গাসাগর থেকে কয়েকশো তৃণমূল কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে মথুরাপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা।

এদিন সকাল থেকেই সাগরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা যায়। মন্ত্রীর নেতৃত্বে কয়েকশো মানুষের এই বিশাল দল বাস ও ছোট গাড়িতে করে মথুরাপুরের সভার দিকে রওনা দেন। বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক বার্তা শুনতে সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান বিরোধীদের সব অপপ্রচারের যোগ্য জবাব দেবে। মথুরাপুরের আজকের এই জনসভা মূলত তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শনের এক বড় মঞ্চ হয়ে উঠতে চলেছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই পাল্টাপাল্টি জনসভাকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনৈতিক পারদ এখন তুঙ্গে।

দিনের পর দিন বকখালির জঙ্গল থেকে নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে গাছ, বকখালি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার অন্যতম সমুদ্র সৈকত বকখালি। ছুটির দিনে কাছাকাছি সমুদ্র সৈকত এই বকখালীতে বহু মানুষ ভ্রমণ করেন। কিন্তু দিনের পর দিন বকখালির জঙ্গল থেকে নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে একের পর এক ঝাউ গাছ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের জঙ্গলের গাছ। বন দপ্তরের নজরদারি এড়িয়ে একের পর গাছে পড়ছে কোপ। অভিযোগ, স্থানীয় কিছু মানুষজন দিনের পর দিন এই কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসনের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জঙ্গলের কাছেই বন দপ্তরের অফিস রয়েছে। তাদের ঢিলেঢালা মনোভাবের কারণে চলছে জঙ্গলের গাছ নিধন।

 একটা সময় ছিল এই ঝাউ জঙ্গল বকখালি পর্যটনের একটি অন্যতম সৌন্দর্য। কিন্তু ২০২০ সালে আমফান ঝড়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই বকখালির ঝাউ জঙ্গল। তারপর ধীরে ধীরে সেই জঙ্গল তার পুরানো রূপ ফিরে পাচ্ছে। আর সেই সময় কিছু অসাধু স্থানীয় বাসিন্দা নির্বিচারে এই গাছগুলিকে প্রতিনিয়ত নিধন করে চলেছে। এইভাবে চলতে থাকলে বকখালির ঝাউ জঙ্গলের অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা এবং বকখালি হারাবে তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। 



 ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ চড়ল। সোমবার বকখালি থেকে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে শুরু হলো ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’।


এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে এদিন সশরীরে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বিপ্লব দেব। সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপি নেত্রী শর্বরি মুখার্জি, মথরাপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক পলাশ রানা সহ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বরা।সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ পর্যটন কেন্দ্র বকখালি থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে এই যাত্রার সূচনা হয়। বিজেপি কর্মীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। দলীয় সূত্রে খবর, বকখালি থেকে শুরু হওয়া এই সংকল্প যাত্রা নামখানা হয়ে কাকদ্বীপ পৌঁছাবে। যাত্রাপথের বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগের মাধ্যমে শাসকদলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনমত গঠনই এই যাত্রার মূল লক্ষ্য।

বকখালি থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমা শেষ হবে পাথরপ্রতিমায়। সেখানে একটি বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। ওই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিপ্লব দেব। সুন্দরবন এলাকার উন্নয়ন এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহল।
সামনেই বিধানসভা ভোট, তার আগে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলায় এই যাত্রা বিজেপির ঘর গোছানোর বড় কৌশল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। মিছিলে বিপ্লব দেবের পাশাপাশি জেলা ও স্থানীয় স্তরের একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব অংশ নিয়েছেন।

উদ্ধারের পর দেহটি প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হবে। রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে। অসুস্থতাজনিত কারণ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তাঁ খানিকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।


সল্টলেক: ভরদুপুরে পচা গন্ধে ঢেকে গেল সল্টলেকের জিসি ব্লক। বন্ধ বাড়ি থেকে প্রৌঢ়ের পচা-গলা মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্রে খবর, জিসি ব্লকে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ৫৪ নম্বর বাড়ি থেকে উৎকট পচা দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করে। ক্রমেই যেভাবে তীব্র বাড়তে থাকে তাতেই বাড়তে থাকে রহস্য। খবর যায় পুলিশে। পুলিশ এসেই স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় বাড়ির ভিতর থেকে ৫৭ বছর বয়সী সুজয় দত্তের পচা-গলা দেহ উদ্ধার করে। কিন্তু কীভাবে মৃত্যু, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। 

উদ্ধারের পর দেহটি প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হবে। রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে। অসুস্থতাজনিত কারণ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তাঁ খানিকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবে দেহের অবস্থা দেখে পুলিশের অনুমান বেশ কিছুদিন আগেই মৃত্যু হয়েছে সুজয়বাবুর। সে কারণেই রীতিমতো পচন ধরে গিয়েছে গোটা শরীরে।  


প্রতিবেশীদের দাবি, সুজয় বাবু দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। বিয়ে করেননি। বাড়িতে একাই থাকতেন। কিন্তু হঠাৎ তাঁর এই পরিণতি কী করে তা ভাবাচ্ছে পুলিশকে। ইতিমধ্যেই একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে এদিনই আবার নাগেরবাজার সাতগাছি এনএন রোডে বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় মা ও ছেলের। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে নাগেরবাজার থানার পুলিশ।


দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘী বিধানসভা এলাকায় ভোটার তালিকা সংক্রান্ত জটিলতা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও বহু মানুষের নাম “আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন” বা বিবেচনাধীন হিসেবে দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে নামলো যুব তৃণমূল কংগ্রেস।

শুক্রবার মথুরাপুর দু’নম্বর ব্লকের কোম্পানির ঠেক বাজার এলাকায় যুব তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা ঝাঁটা কুস্তে হাতে মিছিল করে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন। তাদের দাবি, বহু বছর ধরে ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ করে এত সংখ্যক মানুষের নাম কেন “আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন” হিসেবে দেখানো হচ্ছে, তার সঠিক ব্যাখ্যা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মথুরাপুর দু’নম্বর ব্লকে মোট ৩২৩২ জন ভোটারের নাম বর্তমানে “আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন” হিসেবে দেখানো হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই ৩২৩২ জনের মধ্যে অধিকাংশ মানুষের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও ছিল। তারপরও তাদের নাম বিবেচনাধীন দেখানোয় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

এদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে দাবি করা হয়, অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে এবং যোগ্য ভোটারদের নাম দ্রুত চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানানো হয়।
এদিনের কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন মথুরাপুর দু’নম্বর ব্লকের যুব তৃণমূল সভাপতি উদয় হালদার। তার সঙ্গে কয়েক শতাধিক মহিলা ও যুবক-যুবতী বিক্ষোভে অংশ নেন।

 এই অভিযোগ অস্বীকার করল বিজেপি নেতা পলাশ রানা, তিনি বলেন নির্বাচন কমিশন  নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে। তৃণমূল-বিজেপি এ সব দেখছে না,সারা পশ্চিমবাংলায় বহু হিন্দু ও মতুয়া সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষের নাম বাদ পড়ে আছে।

কাউন্সেলিং না করে সদ্য নিযুক্ত সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তার ও মেডিক্যাল অফিসারদের ইচ্ছেমতো পোস্টিং দেওয়ার অভিযোগ, দু'ক্ষেত্রেই ব্যপক বেনিয়মের আশঙ্কা প্রকাশ করে স্বাস্থ্য সচিবের দ্বারস্থ চিকিৎসক সংগঠন। অবিলম্বে এই বেনিয়ম বন্ধ না হলে আগামীদিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সার্ভিস ডক্টর্স ফোরামের রাজ্য নেতৃত্ব।

চিকিৎসক নিয়োগেও ব্যাপক বেনিয়ম? স্বাস্থ্য সচিবের দ্বারস্থ সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম
চাপানউতোর চলছেই

শিক্ষক নিয়োগের পর এবার রাজ্যে চিকিৎসক নিয়োগের ক্ষেত্রেও ব্যাপক বেনিয়মের অভিযোগ উঠল। নিয়ম অনুযায়ী কাউন্সেলিং না করে সদ্য নিযুক্ত সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তার ও মেডিক্যাল অফিসারদের মোতায়েন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে খোদ স্বাস্থ্য সচিবের দ্বারস্থ হল চিকিৎসক সংগঠন সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম। 

রাজ্যে সম্প্রতি ১২০০ জন মেডিক্যাল অফিসার ও ৯৩০ জন রেসিডেন্ট ডাক্তার নিয়োগ করে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। একদিন আগেই সদ্য নিযুক্ত সেই চিকিৎসকদের কর্মস্থলের তালিকা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। সেই তালিকা প্রকাশ হতেই চিকিৎসকদের কর্মস্থল নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে চিকিৎসক সংগঠন সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম। সার্ভিস ডক্টর্স ফোরামের দাবি, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী সিনিয়ার রেসিডেন্ট ডাক্তার নিয়োগের পর তাঁদের নিদেনপক্ষে এক বছর জেলা হাসপাতাল অথবা মেডিক্যাল কলেজে পরিষেবা দিতে হয়। তারপর তাঁদের ব্লক, মহকুমা ও সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা যায়। 


ট্র্যাফিক পুলিশের বুথে উঁকি দিয়েই শিউরে উঠলেন সবাই, কী হল?
অভিযোগ, এ ক্ষেত্রে সে নিয়ম মানা হয়নি। নিয়োগের পরেই ইচ্ছেমতো সিনিয়ার রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের বিভিন্ন ব্লক ও মহকুমা স্তরের হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতদিন সিনিয়ার রেসিডেন্ট চিকিৎসক ও মেডিক্যাল অফিসারদের কর্মস্থল নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা রাখার জন্য স্বাস্থ্য দফতর যে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করতো এবার তাও করা হয়নি। অবিলম্বে এই বেনিয়ম বন্ধ না হলে আগামীদিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সার্ভিস ডক্টর্স ফোরামের রাজ্য নেতৃত্ব। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সার্ভিস ডক্টর্স ফোরামের রাজ্য সম্পাদক সজল বিশ্বাস।