WEATHER

Top News


 মহারাষ্ট্র থেকে বাড়ি ফেরার পথে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেছেন পুরাতন ব্লকের মহিষবাথানি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কদমতলি গ্রামের বাসিন্দা সারিফ শেখ (৩০)। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী, দুই সন্তান এবং বৃদ্ধা বাবা-মা ও এক ভাই ।



পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জীবিকার তাগিদে গত মাসে মহারাষ্ট্রে কাজে গিয়েছিলেন সারিফ। কয়েকদিন আগে তিনি বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। কিন্তু এরপর থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, তাঁকে মহারাষ্ট্র স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় দেখা গিয়েছিল। তারপর থেকেই তাঁর আর কোনো খোঁজ মেলেনি।পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি।
 শেষ পর্যন্ত তাঁরা ইংলিশবাজার থানার পাশাপাশি জিআরপি-তে নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করেছেন। পরিবারের আবেদন, প্রশাসন দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে সারিফ শেখকে খুঁজে বের করুক।ঘটনার খবর পেয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সদস্য পিন্টু শেখ। তিনি জানান, প্রশাসনের ওপর তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং পুলিশ দ্রুত তদন্ত করে নিখোঁজ যুবকের সন্ধান দেবে বলেই আশা করছেন।


বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য রাজু মণ্ডলকে মারধরের একটি ভিডিও সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গঙ্গাসাগর। 


অভিযোগ, চার নম্বর মণ্ডলের সভাপতি পিনাক্ষী মণ্ডল ও তাঁর লোকজন রাজু মণ্ডলকে মারধর করেছেন। রাজুর দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পিনাক্ষী এলাকায় তোলাবাজি চালাচ্ছিলেন, যার প্রতিবাদ করায় তাঁকে নিগ্রহের শিকার হতে হয়।

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল। এক জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি সরাসরি বার্তা দেন, যারা এলাকায় তোলাবাজি ও মারপিট করছে, তাদের বরদাস্ত করা হবে না। বিধায়ক বলেন, “যারা এলাকা থেকে টাকা তুলছে, মারপিট করছে, তাদের ধোলাই দিতে হবে।”
বিধায়ক আরও বলেন, “মায়েরা একসঙ্গে জোট বাঁধুন। যে বেশি দাদাগিরি করবে, তাকে মহিলা মোর্চার হাতে দায়িত্ব দেব। আপনারা নাম বলবেন, আমরাই তাদের ধোলাই দিয়ে ঘরে ঢুকিয়ে দেব।” গঙ্গাসাগরের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ডাক দিয়ে বিধায়ক সাফ জানিয়ে দেন, এলাকায় কোনোভাবেই অস্থির পরিবেশ তৈরি করা যাবে না। বিধায়কের এই মন্তব্যের পর স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পথে গঙ্গাসাগরবাসী। কচুবেড়িয়া ভেসেল ঘাটে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ কমাতে অবশেষে তৈরি হতে চলেছে মাথার উপরে স্থায়ী ছাউনি বা যাত্রী শেড। এই যাত্রী শেড নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল।


সাগরদ্বীপের বাসিন্দা ও গঙ্গাসাগরে আসা পুণ্যার্থীদের জন্য এই শেড অত্যন্ত জরুরি ছিল। ভাটায় জল কমে যাওয়ায় টানা চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ভেসেল পরিষেবা বন্ধ থাকে। এছাড়া স্বাভাবিক সময়েও প্রতি ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট অন্তর ভেসেল পাওয়া যায়। এই দীর্ঘ সময় যাত্রীদের রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো, যা চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।


 বিজেপি বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সুমন্ত মণ্ডল। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সাগর পঞ্চায়েত সমিতির নিজস্ব তহবিল থেকে তিন লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই যাত্রী শেডটি নির্মাণ করা হবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিধায়ক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লকের বিডিও কানাইয়া কুমার রাও, সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি, সাগর থানার ওসি অর্পণ নায়েক সহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। যাত্রী শেড তৈরির খবরে খুশি স্থানীয় বাসিন্দা ও নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের আশা, খুব শীঘ্রই এর নির্মাণকাজ শেষ হলে রোদ-বৃষ্টির দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে।

সাগরের ধবলাট শিবপুরে অবস্থিত কালীমাতার মন্দিরে আজ পুজো দিলেন সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল। এলাকায় শান্তি ও সকলের মঙ্গল কামনায় বিধায়ক বিশেষ পুজো অর্পণ করেন। 


মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং এলাকার সমস্যা ও অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন তিনি। এরপর ধবলাট শিবপুর এলাকায় বিজেপির স্থানীয় নেতা ও কর্মীরা বিধায়ককে উষ্ণ সংবর্ধনা জানান। 


বিধায়কের সঙ্গে স্থানীয় দলের নেতৃত্বদের এই সাক্ষাৎ ও সংবর্ধনা ঘিরে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিধায়ক জানান, দলমত নির্বিশেষে মানুষের সেবাই তার প্রধান লক্ষ্য।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর ব্লকের চকফুলডুবি মহরম মাঠে শুরু হলো ৫৪ বছরের ঐতিহ্যবাহী মহরম মেলা। দীর্ঘদিনের পুরনো রীতিনীতি মেনে শুক্রবার সন্ধ্যায় মেলার শুভ সূচনা হয়। রাতের অন্ধকার নামতেই আলোর রোশনাই আর মানুষের ভিড়ে ফুলডুবির মাঠ এক অন্য রূপ ধারণ করে।


এবারের মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল প্রায় ৪০ ফুট উচ্চতার এক সুদৃশ্য তাজিয়া। শুক্রবার রাতে মানুষের ভিড়ে গোটা মাঠ উৎসবের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে। মেলার অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলাটি শুক্রবার রাতেই শুরু হয়ে গিয়েছিল। দূর-দূরান্ত থেকে আসা প্রতিযোগীদের নিপুণ হাতের লাঠি খেলার কসরত দেখার জন্য মাঠে উপচে পড়েছিল দর্শকের ভিড়।

মেলার আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, দীর্ঘ ৫৪ বছর ধরে এই মেলা অত্র অঞ্চলের মানুষের কাছে কেবল একটি উৎসব নয়, বরং ঐতিহ্যের প্রতীক। সব মিলিয়ে শুক্রবারের রাতে ফুলডুবির মাঠ ছিল দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাসে পরিপূর্ণ। আগামী দিনেও মেলার ঐতিহ্য বজায় রাখতে আয়োজকরা বদ্ধপরিকর।

পূর্ণব্রত হাজরা, পাথরপ্রতিমা: দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের ব্রজবল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্যতম প্রধান সড়ক। যুধিষ্ঠির জানার ফেরিঘাট থেকে ত্রিপাঠী ঘাট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পিচ রাস্তা বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৫ বছর আগে নির্মিত এই রাস্তাটি দু'বছর আগে একবার সংস্কার করা হলেও বর্তমানে রাস্তার বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা শুরু হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

নদী-বেষ্টিত ব্রজবল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দাদের কাছে এই সড়কই যাতায়াতের প্রধান ভরসা। টোটো বা মেশিনভ্যানে করে যুধিষ্ঠির জানার ফেরিঘাটে পৌঁছে সেখান থেকে খেয়া পার হয়ে পাথরপ্রতিমা ব্লক অফিস, থানা, কলেজ, ব্যাঙ্ক, মাধবনগর গ্রামীণ হাসপাতাল, কাকদ্বীপ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এবং কলকাতায় যাতায়াত করেন সাধারণ মানুষ। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে রোগী, প্রবীণ নাগরিক, নিত্যযাত্রী এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

এদিকে যুধিষ্ঠির জানার ফেরিঘাটের শৌচাগারের অবস্থাও অত্যন্ত শোচনীয় বলে অভিযোগ। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে শৌচাগারটি কার্যত ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
-----------------------------------------
ব্রজবল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা তথা সিপিআই(এম) নেতা সুকান্তি মান্না অভিযোগ করেন, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে রাস্তা সংস্কারের কাজ হওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বর্ষার আগে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সদস্য সত্যব্রত সাউ অভিযোগ করেন, আগে এই রাস্তা ডাবল সলিং ছিল। পরে পিচ রাস্তা নির্মাণের সময় ক্যালভার্টের পরিবর্তে সিমেন্টের পাইপ বসানো হয় এবং নির্মাণকাজে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলেও তাঁর দাবি।

অন্যদিকে তৃণমূল পরিচালিত ব্রজবল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান খোকন দাস জানান, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়াররা রাস্তা পরিদর্শন করে সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে নির্বাচন ও পরবর্তী পরিস্থিতির কারণে সেই কাজ আর এগোয়নি।

জেলা পরিষদের সদস্য মতিলাল মাইতি জানিয়েছেন, দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বর্ষার মুখে এলাকার প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ব্রজবল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, রাস্তা ও ফেরিঘাটের শৌচাগারের দ্রুত সংস্কার না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

নারী সুরক্ষা ও সম্মানের বার্তা নিয়ে আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের চৌরঙ্গীতে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করল হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। 

গঙ্গাসাগরের টেকো সোসাইটিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রায় ১০০ জন ছাত্রী অংশ নেয়।
বর্তমান সময়ে নারীদের নিরাপত্তা ও আত্মরক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বক্তারা বলেন, "অস্ত্র যদি না ওঠাও, তবে নিজের রাষ্ট্র হারিয়ে ফেলবে; আর শাস্ত্র যদি না পড়ো, তবে সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলবে।"

 অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ছাত্রীদের আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠার পাশাপাশি নিজের অধিকার ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

ইমার্জেন্সির ৫০ বছর পূর্তিতে ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং বা এনসিইআরটি (NCERT) প্রথমবার পড়ুয়াদের পাঠক্রমে ইমার্জেন্সির এই অধ্যায় যুক্ত করা হল। বইতে জয় প্রকাশ নারায়ণের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

NCERT-র বড় সিদ্ধান্ত, দেশের 'অন্ধকারতম অধ্যায়' যুক্ত হল পাঠ্যবইয়ে, কী পড়বে ছাত্র-ছাত্রীরা?
প্রতীকী চিত্র।


 ৫০ বছর আগে দেশে জারি হয়েছিল ইমার্জেন্সি। 
১৯৭৫ সালের ২৫শে জুন মধ্যরাতে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী (Indira Gandhi)-র নির্দেশে, রাষ্ট্রপতি ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ ভারতীয় সংবিধানের ৩৫২ নম্বর ধারা অনুযায়ী জরুরি অবস্থা (Emergency) জারি করেন। ১৯৭৭ সালের ২১শে মার্চ পর্যন্ত ইমার্জেন্সি জারি ছিল ভারতে। এটিকে দেশের অন্ধকারতম এক অধ্যায় বলা হয়। ইমার্জেন্সির ৫০ বছর পূর্তিতে ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং বা এনসিইআরটি (NCERT) প্রথমবার পড়ুয়াদের পাঠক্রমে ইমার্জেন্সির এই অধ্যায় যুক্ত করা হল।


এনসিইআরটি নবম শ্রেণির বিজ্ঞানের বইতে ইমার্জেন্সি বা জরুরি অবস্থার অধ্যায় যোগ করা হয়েছে। নতুন বইতে এই অধ্যায়ের নাম দেওয়া হয়েছে, “আন্ডারস্ট্যান্ডিং সোস্যাইটি: ইন্ডিয়া অ্যান্ড বিয়ন্ড”। এই অধ্যায়ে ইমার্জেন্সি-কে ভারতীয় গণতন্ত্রের অন্যতম বড় প্রতিবন্ধকতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারে এর কী প্রভাব পড়েছিল, তাও লেখা হয়েছে। এই প্রথম ইমার্জেন্সি-কে কোনও পাঠ্যবইতে যোগ করা হল।


লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আর অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের 'ফিলোজফি' আলাদা, তফাৎটা বুঝিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী
'দিদি নম্বর ওয়ান' থেকে বাদ পড়লেন রচনা! শোয়ের রেটিং কত জানেন?
বইতে লেখা আছে, “ভারতের গণতন্ত্রের অন্য়তম চ্যালেঞ্জ ছিল ইমার্জেন্সি, যা ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত জারি ছিল। ১৯৭০ সালের গোড়ার দিকে ইন্দিরা গান্ধীর সরকারের উপরে জনগণের অসন্তোষ বাড়ছিল, দেশের বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি ও অপশাসনের অভিযোগ বাড়ছিল, যার জেরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। ১৯৭৫ সালে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার দেশে ইমার্জেন্সি জারি করা হয়েছিল। এই সময়ে অধিকাংশ মৌলিক অধিকার কেড়ে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সংবাদ মাধ্যমের অধিকার খর্ব করা হয়েছিল। অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা ও সমাজকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির উপরে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল, নাগরিকদের অধিকারও খর্ব করা হয়েছিল।” News


বইতে জয় প্রকাশ নারায়ণের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে বিহার ও গুজরাটে তার নেতৃত্বে কীভাবে ছাত্র-যুবরা আন্দোলনে পথে নেমেছিল, তা লেখা হয়েছে।

মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় প্রথম যে ভূমিকম্পটি হয়, রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৭.২। এর ৩৯ সেকেন্ড বাদেই ফের আরও জোরাল ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৭.৫। ভেনেজুয়েলার পাশাপাশি ত্রিনিদাদ, টোবাগো, পর্তু রিকোর মতো ক্যারিবিয়ান দ্বীপেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। 

 ৩৯ সেকেন্ডে জোড়া ভূমিকম্পে তছনছ ভেনেজুয়েলা! কী এই বিরল 'ডাবলেট ভূমিকম্প', কেন এত ভয়ঙ্কর?
কী এই ডাবলেট ভূমিকম্প?

ভূমিকম্প মানেই ভয়াবহতা। তবে ভেনেজুয়েলার বিপর্যয় যেন ভয়ঙ্করের থেকেও বেশি কিছু। বুধবার ভেনেজুয়েলার উপকূলে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প (Earthquake) হয়। দেশের বাসিন্দারা যখন ওই ভূমিকম্পের ধাক্কা বুঝতে শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়েই আবার একটা ধাক্কা। এবার ভূমিকম্পের মাত্রা আরও বেশি। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৫। পরপর এই দুটি ভূমিকম্পে ক্যারিবিয়ান সাগরের বিভিন্ন অংশে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) জারি করা হয়েছে ইমার্জেন্সি।


ডাবলেট ভূমিকম্প-
সিসমোলজিস্টরা এই জোড়া ভূমিকম্পকে ডাবলেট ভূমিকম্প (Doublet Earthquake) বলে উল্লেখ করেছেন। এই ডাবলেট ভূমিকম্প কী? যখন পরপর দুটি বড় ভূমিকম্প হয়, সাধারণত একই মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প একই অঞ্চলে, খুব কম সময়ের মধ্যে যখন হয়, তখন তাকে ডাবলেট ভূমিকম্প বলে।  


বিধানসভায় 'এপাং ওপাং ঝপাং' বলে কী বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন রুদ্রনীল?
মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় প্রথম যে ভূমিকম্পটি হয়, রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৭.২। এর ৩৯ সেকেন্ড বাদেই ফের আরও জোরাল ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৭.৫। ভেনেজুয়েলার পাশাপাশি ত্রিনিদাদ, টোবাগো, পর্তু রিকোর মতো ক্যারিবিয়ান দ্বীপেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।


বিগত প্রায় এক দশকে এই প্রথম এত জোরাল ভূমিকম্প হল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, জোড়া ভূমিকম্পে বিল্ডিংগুলি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, রাস্তাঘাটও ভেঙে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে সরকারি সূত্রে। আহত ৭০০-রও বেশি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই ভেনেজুয়েলা প্রশাসন ইমার্জেন্সি জারি করেছে। সংবাদপত্রডিজিটাল সংস্করণ

কখন ডাবলেট ভূমিকম্প হয়?
ডাবলেট ভূমিকম্প কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। যখন দুটি বড় ভূমিকম্প, যার মাত্রা বা ম্যাগনিটিউড তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি হয়, তা একই সময়ে, একই জায়গায় হয়, তখন ডাবলেট ভূমিকম্প হয়। সাধারণ ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে বড়সড় ভূমিকম্পের পর ছোট ছোট আফটারশক হয়। সেখানেই ডাবলেট ভূমিকম্পে দুটি ভূমিকম্পই একই মাত্রার হয়, যার ফলে দ্বিগুণ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

সাধারণত ডাবলেট ভূমিকম্প সেই সময় হয়, যখন প্রথম ভূমিকম্পে স্ট্রেস বা চাপ রিলিজের পর, তা পাশের ফল্ট সেগমেন্টে ট্রান্সফার হয়ে যায়। এর ফলে আবার ভাঙন বা কম্পন ধরে মাটির নীচে থাকা প্লেটে। এই ঘটনাটি বিরল, কারণ অধিকাংশ ভূমিকম্পে সঞ্চিত টেকটনিক প্লেটের চাপের বেশিরভাগই মুক্ত হয়ে যায়, ফলে তার পরপরই একই মাত্রার আরেকটি বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই কেন দ্বিতীয় ভূমিকম্প হল? 
এর মূল কারণ হল চাপ বা স্ট্রেস ট্রান্সফার। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS)-র মতে, বড় ধরনের ভূমিকম্প আশপাশের ফল্ট লাইনে চাপের ভারসাম্য বদলে দিতে পারে, যার ফলে কখনও কখনও আরেকটি ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই ধরনের প্রভাবের ফলে ছোট ছোট আফটারশক দেখা যায়, তবে বিরল কিছু ক্ষেত্রে স্থানান্তরিত চাপ এতটাই বেশি হতে পারে যে তা অন্য একটি বড় ফল্ট অংশকে সক্রিয় করে তুলতে পারে।

একটি বড় ভূমিকম্প কাছাকাছি থাকা ফল্ট লাইনে নতুন ভূমিকম্প ঘটাতে পারে। এমনকী, কখনও কখনও অনেক দূরে অবস্থিত ফল্ট লাইনগুলিকেও প্রভাবিত করতে সক্ষম।

ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রথম ভূমিকম্পের ফলে ফল্ট সিস্টেমের সংলগ্ন একটি অংশে চাপের পরিবর্তন ঘটে, যার জেরেই মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দ্বিতীয় বড় ধরনের ভূমিকম্পটি ঘটেছে।

পাশাপাশি, এই ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূল জমানায় সরকারের দুর্নীতি কীভাবে জড়িত, তারও তথ্য প্রমাণ পেশ করেন। তিনি দেখান, কীভাবে তৃণমূল জমানায় ফিরহাদ হাকিম কলকাতা পৌরনিগমের মেয়র থাকাকালীন ক্রটিপূর্ণ থাকাকালীন অনুমোদিত হয়ে গিয়েছিল। 


এই দেখুন...' ভরা বিধানসভায় কাগজটা বার করে দেখিয়ে ফিরহাদের পর্দাফাঁস করলেন মুখ্য়মন্ত্রী
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও ফিরহাদ হাকিম


তারাতলার বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯। এখনও পর্যন্ত এসএসকেএম-এ ভর্তি রয়েছেন ২০ জন। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা স্থিতিশীল, এক জন আশঙ্কাজনক। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ ও আহতদের ১ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। বিধানসভায় এদিন মুখ্যমন্ত্রী তারাতলা বিপর্যয় নিয়ে শোকপ্রকাশ করেন। কিন্তু পাশাপাশি, এই ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূল জমানায় সরকারের দুর্নীতি কীভাবে জড়িত, তারও তথ্য প্রমাণ পেশ করেন। তিনি দেখান, কীভাবে তৃণমূল জমানায় ফিরহাদ হাকিম কলকাতা পৌরনিগমের মেয়র থাকাকালীন ক্রটিপূর্ণ থাকাকালীন অনুমোদিত হয়ে গিয়েছিল।


এদিন বিধানসভায় ভরা অধিবেশনে একটি নথি দেখান। সেটি ওই গোডাউনের বিল্ডিংয়ের প্ল্যান। শুভেন্দু বলেন, “দেখুন এতে সই রয়েছে প্রাক্তন মেয়রের।” মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, “প্রাক্তন মেয়র জড়িত। দেখুন মাননীয় ফিরহাদ হাকিমের সই। দেখুন কীভাবে স্ট্রাকচারে ডিফেক্ট থাকা অবস্থাতেও প্ল্যান অ্যাপ্রুভ করেছেন।” মুখ্য়মন্ত্রী এও জানান, ওই প্ল্যানেই সই রয়েছে, আর্কিটেক্ট, EAC, GTE, জমির ওনার, আবেদনকারীর। কীভাবে ডিজাইনে ভুল থাকা সত্ত্বেও প্ল্যান অনুমোদিত হয়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।





'রেলিং-এর একটাও খুঁটি থাকবে না', হেলমেট ছাড়াই আরাবুলের সঙ্গে রাস্তায় নেমে পড়লেন সমর্থকরা
কলকাতা পৌরসভার ৮০ নম্বর ওয়ার্ডের এলাকাতেই তৈরি হচ্ছিল অভিশপ্ত গোডাউন। ওই এলাকার কাউন্সিলর আনোয়ার খান। তিনি আবার ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বুধবারই ওই কাউন্সিলর ঘটনাস্থলে গেলে ঘাড়ধাক্কা খান। নাম জড়ায় ফিরহাদেরও। এদিন বিধানসভায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আপনার KMC তে কী হয়েছে, জানি না! আপনার কালীকে তুললেই সব হয়ে যাবে। KMC তে কালী না বললে কোনও প্ল্যান হয় না। আর কালী ক্যামাক স্ট্রিটের দ্বারা নিযুক্ত। এই কালী বাইপাসের পাশে ২০০ কোটি টাকা দিয়ে তৃণমূল ভবন বানাচ্ছে। আমরা সব বার করেছি।”

 বিধাননগর আদালতের নির্দেশ ছিল, ৩০ জুন বিধাননগর আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের উপস্থিতিতে অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। সিআইডি সেই সংক্রান্ত নোটিস দিতে বুধবার রাতে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিল।

আমি তো অস্বীকার করিনি...', নোটিস জারি হতেই শেষমেশ বিচারপতির কাছে স্বীকারই করে ফেললেন অভিষেক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

 কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “ওই কণ্ঠস্বর আমার। আমি তো অস্বীকার করিনি যে আমার কণ্ঠস্বর নয়। তার পরেও কেন কণ্ঠস্বর নমুনার প্রয়োজন রয়েছে?” মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানান, আগামী সোমবার ওই মামলার শুনানি হবে।


ডিজে মামলায় এ বার সিআইডি-র সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মামলার তদন্তে অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে সিআইডি।


প্রাক্তন মেয়রের দায় থাকলে গ্রেফতার করা হোক', শুভেন্দুর কাছে দাবি কুণাল ঘোষের
বিধাননগর আদালতের নির্দেশ ছিল, ৩০ জুন বিধাননগর আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের উপস্থিতিতে অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। সিআইডি সেই সংক্রান্ত নোটিস দিতে বুধবার রাতে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিল।


প্রসঙ্গত, নির্বাচনের প্রচারপর্বে কার্যত হুঁশিয়ারির সুরেই অভিষেক বলেছিলেন ৪ তারিখ ডিজে বাজবে। তাঁর সেই বক্তব্যকে হাতিয়ার করেই বিধাননগরের সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল অভিষেকের বিরুদ্ধে। এই সংক্রান্ত বিষয়ে যে সমস্ত ফেসবুক লিঙ্ক, ভিডিয়ো লিঙ্ক সবই সংগ্রহ করা হচ্ছে। কেস ডায়েরিও হস্তান্তর হয়ে গিয়েছে।  

অন্যদিকে সই জালিয়াতি কাণ্ডে জল গড়িয়েছিল আদালতে। কিন্তু হাজিরা দিতেই হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে যেতে হবে ভাবনীভবনে সিআইডি-র দফতরে। 

ফোর্ট উইলিয়াম সূত্রে খবর, বড়সড় বিপর্যয়ে যখন সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন ভারতীয় সেনা এই ধরনের মেশিন ব্যবহার করে থাকে। তারাতলা বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে উদ্ধার কার্য নানান সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। মূলত ভিতরে যে অন্ধকার অবস্থা, সেই কারণে এই ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।


তারাতলার বিপর্যয়ে সেনা নামাল রেসকিউ র‌্যাডার, কীভাবে প্রাণের খোঁজ দিচ্ছে এই যন্ত্র?
উদ্ধারকাজে সেনার হাতে রেসকিউ র‌্যাডার

বুধবার থেকে চলেছে উদ্ধারকাজ। সেনা-এনডিআরএফ-দমকল-পুলিশ মিলে সকলে একযোগে চালিয়ে যাচ্ছে তারাতলায় উদ্ধার কাজ। এখনও (বৃহস্পতিবার সকাল ১০.৩০) পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ২৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। বুধবারের পর থেকে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে সেনা। আর এবার ভারতীয় সেনার তরফে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে উদ্ধারকার্যে। নামানো হলো বিশেষ প্রযুক্তি সম্পন্ন স্ক্যানার মেশিন। এই মেশিনের নাম ‘রেসকিউ র‌্যাডার।’


কীভাবে কাজ করে এই র


বিধানসভায় 'এপাং ওপাং ঝপাং' বলে কী বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন রুদ্রনীল?
ধ্বংসস্তূপের উপরে এই মেশিন বসিয়ে ভিতরের যাবতীয় ছবি নিজেদের ডিসপ্লে বোর্ডে তুলে আনছেন সেনারা। যেখানে-যেখানে শ্রমিকদের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে এই মেশিন বসানো হচ্ছে। তারপর ডিস-প্লে বোর্ডের ভিতরের সম্পূর্ণ ছবি ওই অত্যাধুনিক মেশিনের মাধ্যমে ফুটে উঠছে। এরপর ছবি হাতে পাওয়া মাত্রই শাবল এবং হাতুড়ি নিয়ে সেই ঢালাই ব্রিজের ভাঙার কাজ শুরু করেছে সেনারা।


ফোর্ট উইলিয়াম সূত্রে খবর, বড়সড় বিপর্যয়ে যখন সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন ভারতীয় সেনা এই ধরনের মেশিন ব্যবহার করে থাকে। তারাতলা বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে উদ্ধার কার্য নানান সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। মূলত ভিতরে যে অন্ধকার অবস্থা, সেই কারণে এই ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারতীয় সেনার সূত্রে খবর, উত্তর কাশীতে যখন বিপর্যয় হয়েছিল তখন এই রেসকিউ র‌্যাডার ব্যবহার করে শ্রমিকদের উদ্ধার করা হয়েছিল। সংবাদপত্রডিজিটাল সংস্করণ

এখানে উল্লেখ্য, তারাতলায় নির্মীয়মান গোডাউনের ছাদ ভেঙে বুধবার বিপর্যয় ঘটে। এই ঘটনার রিপোর্ট জমা পড়েছে পৌরনিগমের কাছে। কলকাতা পৌরনিগমের কাছে যে রিপোর্ট জমা পড়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই ৫৪ কাঠা জমির উপরে নির্মাণ নকশা অনুমোদন হয়। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গুদামে তিনতলা কাঠামো তৈরি হয়ে গিয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, একতলা থেকে ঢালাই দিতে হয়। কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিনতলা থেকে ঢালাই দেওয়ার কাজ শুরু হয়। সেই ভার রাখতে পারেনি নির্মাণ কাঠামো। তারপরই এমন বিপর্যয়।

 জমি দুর্নীতির মামলায় আগেই মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই সুজয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেই সুমিতের নাম উঠে আসে বলে খবর। সুজয়ের সঙ্গে মিলেই জমি দুর্নীতির টাকা নিতেন বলে অভিযোগ সুমিতের বিরুদ্ধে।


একটা ঘটনা নয়, ৩০০টা প্লট', হাইকোর্টে কোনও স্বস্তি পেলেন না অভিষেকের পিএ
হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন না সুমিত

যে সুমিত রায়কে খুঁজতে কাকভোরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়িতে হাজির হয়েছিল পুলিশ, সেই সুমিতকে কোনও স্বস্তি দিল না কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে পুলিশ দাবি করেছিল, ওই বাড়িতেই অভিষেকের আপ্তসহায়কের শেষ টাওয়ার লোকেশন মিলেছিল। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি সুমিতকে। তাঁর আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল আদালত।


সুমিতের আগাম জামিনের আর্জি আগেই জানানো হয়েছিল হাইকোর্টে। বৃহস্পতিবার ছিল সেই মামলার শুনানি। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ, আগামী সোমবার হলফনামা আকারে যাবতীয় তথ্য জমা দিতে হবে আদালতে।


আমি তো অস্বীকার করিনি...', নোটিস জারি হতেই শেষমেশ বিচারপতির কাছে স্বীকারই করে ফেললেন অভিষেক
এক ব্যক্তি জমি দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শালবনী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতেই সুমিতের খোঁজ চলছে। অভিযোগ, জমি দেওয়ার কথা বলে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন সুমিত রায়। তারপর আর কোনও জমি দেননি। এভাবে জাল দলিল বা ডিড বানিয়ে অনেকের কাছ থেকেই টাকা নেওয়া হত বলে অভিযোগ।


বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের পর্যবেক্ষণ, “এটা মাত্র একটা ঘটনা নয়। ৩০০টা প্লট। একাধিক ব্যক্তি জড়িয়ে আছে। একজনের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে।”

মামলাকারীর আইনজীবী দাবি করেন, তৃণমূলের পার্টি অফিস, জেনারেল সেক্রেটারির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে সুমিতকে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। টাকা নিয়ে থাকলে সুমিতের যাবতীয় ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট দেখা হোক বলে দাবি করেছেন আইনজীবী। অন্যদিকে, সরকারি আইনজীবী কল্লোল মণ্ডল জানিয়েছেন, ড্রাইভার জানিয়েছে মূল অভিযুক্তের কাছে টাকা যেত। অভিযুক্তের বাড়ি থেকে জাল ডিড পাওয়া গিয়েছে।

জমি দুর্নীতির মামলায় আগেই মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই সুজয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেই সুমিতের নাম উঠে আসে বলে খবর। সুজয়ের সঙ্গে মিলেই জমি দুর্নীতির টাকা নিতেন বলে অভিযোগ সুমিতের বিরুদ্ধে।