WEATHER

Top News




এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ


বাসন্তী: জায়গায়-জায়গায় এসটিএফ (STF)-এর হানা। কোথাও পুকুরের নিচ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে, কোথাও আবার বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হল বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র। এত আগ্নেয়াস্ত্র এল কোথা থেকে? শুধু তাই নয়, এই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি লোকাতে রীতিমতো বুদ্ধির ব্যবহার করা হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী রমজান মোল্লাকে। বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র মজুত রাখার অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। তবে শুধু তিনিই নন, এই ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন আরও চারজন।




শনিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ STF -এর বিশাল বাহিনী দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে আসেন। গোয়েন্দারা এসে হানা দেন চড়াবিদ্যা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সাহারা মোল্লা ও তাঁর স্ত্রী রমজান মোল্লার বাড়িতে। তারপর রমজানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁরা। এরপর SIF রীতিমতো অভিযুক্তের বাড়িতে গর্ত খুঁড়ে খুঁড়ে তল্লাশি চালায়। আগেই গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল, অভিযুক্তের বাড়িতে মাটির তলায় আগ্নেয়াস্ত্র পুঁতে রাখা রয়েছে। সেই মতোই তাঁরা মাটি খোঁড়া শুরু করেন। আর তারপরই গোয়েন্দারা গ্রেফতার করে অভিযুক্তকে।

STF সূত্রে খবর, এই ঘটনায় যোগ রয়েছে সন্দেশখালিরও। বাসন্তীতে মোট পাঁচজন গ্রেফতার হয়েছে অন্যদিকে সন্দেশখালিতেও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। সেখানে আবার আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে পুকুরের ভিতর থেকে। সেই ঘটনাতে গ্রেফতার হয়েছেন তিনজন। জানা যাচ্ছে এই নিয়ে মোট ২১টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে সন্দেহের বাতাবরণ। খুনের দিকেই ইঙ্গিত করছেন পরিবারের সদস্যরা। মৃত ছাত্রীর বাবা অনিমেষ কুমার বলছেন, “আমাকে যখন ডেকেছিল আমি তখন হাসপাতালে গিয়ে দেখি ওর হাত অনেকটা কাটা রয়েছে।”


‘মনে হচ্ছে খুন করেছে, স্কুলের কেউ কিছু বলছে না’, কৃষ্ণনগরে ক্লাস ওয়ানের ছাত্রীর মৃত্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ
শোরগোল এলাকায়

প্রথম শ্রেণির ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে চাঞ্চল্য কৃষ্ণনগরে। হস্টেলের শৌচালয় থেকে উদ্ধার ৭ বছরের সঞ্জনা মণ্ডল নামে ওই ছাত্রীর মৃতদেহ। খুন নাকি অন্য কোন ঘটনা, তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কৃষ্ণনগর কুইন্স বালিকা বিদ্যালয়ের এ ঘটনায় স্বভাবতই শুরু হয়েছে চাপানউতোর। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। দেহ উদ্ধারের পর প্রথমে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালে। সেখান থেকে পাঠানো হয় শক্তিনগরের পুলিশ মর্গে।


মৃত ছাত্রীর বাড়ি কৃষ্ণনগর থানার অধীন রুদ্ধদহ সোনাতলা পূর্ব পাড়ায়। শিশুটির মা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। দেখাশোনা করতেন সৎ বাবা। আকস্মিক এ ঘটনায় পরিবারেও শোকের ছায়া। কৃষ্ণনগর কুইন্স বালিকা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা হয় দশম শ্রেণি পর্যন্ত। স্কুলের সঙ্গেই বহুদিন থেকে রয়েছে হস্টেল। আছে অনেক পড়ুয়াই। এই হস্টেলেই ছিল সঞ্জনা। কিন্তু এই ছবি কোনওদিনই দেখা যায়নি স্কুলে। আচমকা এ ঘটনা ঘটায় হতবাক সকলেই। 


টলিউডের পাশাপাশি ময়দানেও দাদাগিরি স্বরূপের! এবার রাজ্য গেমসে আর্থিক তছরূপের অভিযোগ
গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে সন্দেহের বাতাবরণ। খুনের দিকেই ইঙ্গিত করছেন পরিবারের সদস্যরা। মৃত ছাত্রীর বাবা অনিমেষ কুমার বলছেন, “আমাকে যখন ডেকেছিল আমি তখন হাসপাতালে গিয়ে দেখি ওর হাত অনেকটা কাটা রয়েছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাও কিছু বলতে চাননি। আমি স্কুলে যখন মেয়েটাকে দেখতে যাই তখন স্কুল থেকে বলে পুলিশ নিষেধ করেছে, ওর গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। ওরা বলছে বাথরুম করতে গিয়ে ও নাকি মুখ থুবড়ে পড়ে গিয়ে মরে যেতে পারে। কিন্তু ওর হাত অনেকটা কাটা দেখে মনে হচ্ছে ওকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। কে করেছে আমরা বুঝতে পারছি না।” যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা এ বিষয়ে কোনও কথাই বলতে চাননি। তিনি বলছেন, “আমি এ নিয়ে কিছু বলতে পারবো না। পুলিশে কেস হয়েছে। যা বলার পুলিশ বলতে পারবে।” 

আজ শনিবার ভারতীয় বোর্ড আয়ারল্যান্ড সিরিজ, ইংল্যান্ড সিরিজ ও এশিয়ান গেমসের জন্য ভারতের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। এই দলে একগুচ্ছ বদল ঘটিয়েছে বিসিসিআই। দলে সুযোগ পেয়েছেন ১৫ বছর বয়সী বৈভব সূর্যবংশী। সচিনের রেকর্ড ভাঙা থেকে আর মাত্র ১ ধাপ দূরে বৈভব।


সচিনের ৩৭ বছরের রেকর্ড ভেঙে জাতীয় দলে বৈভব, বড় সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই!
মাত্র ১৫ বছরেই জাতীয় দলে বৈভব!


পরিশ্রমের ফল একেই বলে। বহুদিন ধরে তাঁকে নিয়েই কথা হচ্ছিল, যেভাবে আইপিএলে ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং করে সমর্থকদের মন জয় করেছিলেন বৈভব সূর্যবংশী, যে কেউ ভাবছিলেন বৈভবের জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া উচিত। এবার সেই প্রার্থনাই সত্যি হল। ভারতের সিনিয়র দলে সুযোগ পেলেন ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী। ভাঙলেন ১৯৮৯ সালে সচিন তেন্ডুলকরের ১৬ বছরে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার ৩৭ বছরের রেকর্ড। ১৬ বছর ২০৫ দিন বয়সে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথম মাঠে নেমেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। এবার ১৫ বছরেই দেশের জার্সি চাপিয়ে মাঠে নামার সুবর্ণ সুযোগ বৈভবের সামনে।


আজ শনিবার ভারতীয় বোর্ড আয়ারল্যান্ড সিরিজ, ইংল্যান্ড সিরিজ ও এশিয়ান গেমসের জন্য ভারতের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। সেই দলেই সুযোগ পেয়েছেন বৈভব। এই দলে জায়গা হয়নি ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদবের। এর ফলে, টি২০তে একপ্রকার সূর্যাস্ত হয়ে গেল, ধরে নেওয়া যায়। টিম ইন্ডিয়ার নতুন টি২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ এ ভারতকে বিশ্বকাপ দিয়েছেন সূর্য। কিন্তু তাঁর নিজের ফর্ম ছিল শোচনীয়। একমাত্র আমেরিকা ম্যাচ বাদ দিয়ে একটি ম্যাচেও ফর্মে ছিলেন না স্কাই। একই খারাপ ফর্ম চলতে থাকে আইপিএলেও। এর ফলেই তাঁকে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই, এমনই মনে করা হচ্ছে। বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের জার্সিতে একটি ম্যাচেও না খেলেই বাদ সূর্য। আবার, আইপিএলে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন বৈভব। জিতেছেন এবারের অরেঞ্জ ক্যাপ। নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর বলেছেন,“বৈভব সম্পূর্ণ নিজের যোগ্যতায় সুযোগ পেয়েছে। ও আইপিএলেও ভাল খেলেছে। এমনকি ও আইপিএলের মত বড় মঞ্চেও কতটা পরিণত ব্যাটিং করতে পারে, আমরা দেখেছি। ও সুযোগ পেলে ভাল খেলবে।”




টলিউডের পাশাপাশি ময়দানেও দাদাগিরি স্বরূপের! এবার রাজ্য গেমসে আর্থিক তছরূপের অভিযোগ


এশিয়ান গেমসের কথা মাথায় রেখে ১৫ জনের দলে সুযোগ পেয়েছেন জশপ্রীত বুমরা ও হর্ষিত রানা। চোট থেকে ফিরেই দেশের জার্সি গায়ে চাপানোর সুযোগ পেয়েছেন হর্ষিত। অতীতে টি২০ বিশ্বকাপ ও আইপিএল খেলতে পারেননি তিনি তবে এশিয়ান গেমসের জন্য তাঁকে দলে রাখা হয়েছে। আইপিএলে ভাল খেলে আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড দলের বিরুদ্ধে সুযোগ পেয়েছেন প্রিন্স যাদব। জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন ঘটেছে রবি বিষ্ণোই-এরও। দুটি দলেই ভারতের সহ অধিনায়ক তিলক ভার্মা।


পুরো পোস্টটিতে কুণাল ঘোষ একাধিকবার স্পষ্ট করিয়ে দিয়েছেন, তিনি ঋতব্রত নেতৃত্বাধীন নতুন ব্লকের সঙ্গে নেই। "ভোটের একমাসের মধ্যে যারা 'রহস্যজনক ব্যক্তিগত' স্বার্থে প্রতিপক্ষের পৃষ্ঠপোষকতায় মমতাদির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, আমি তাদের সমর্থন করি না। আমি মমতাদির সঙ্গেই আছি।"


বারবার একই ভুলের সঙ্গে নেই...', দল নিয়ে বড় কথা কুণাল ঘোষের, কীসের ইঙ্গিত
কুণাল ঘোষ


পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কুণাল ঘোষ নিজের অবস্থান শুরু থেকেই স্পষ্ট রেখেছেন। কালীঘাটের বৈঠক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ধর্নামঞ্চ কিংবা বিধানসভায় স্পিকারের ঘরের সামনে বিক্ষোভ, কোনওটাই এড়াচ্ছেন না বেলেঘাটার বিধায়ক। সব কর্মসূচিতে কুণাল ঘোষের উপস্থিতি ১০০ শতাংশ। সেই কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) মুখে এবার ‘ভুলের’ কথা। শুক্রবার সাংগঠনিক পদ সাজিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। আর তার ঠিক পরের দিনই সামনে এল কুণাল ঘোষের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট।

‘বারবার একই ভুলের সঙ্গে নেই’
শনিবার নিজের ফেসবুক প্লাটফর্মে একটি পোস্ট করেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেছেন, ‘মমতাদির সঙ্গে আছি। কিন্তু বারবার একই ভুলের সঙ্গে নেই।’ তবে কি ২৪ ঘণ্টা আগে দলনেত্রী যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাতে আপত্তি রয়েছেন কুণাল ঘোষের?


 'ডানপন্থী হলেও মানুষের কাজ করলে ভালো', বিজেপিকে নিয়ে কী বললেন বুদ্ধজায়া?
উল্লেখ্য, দলের বিধায়ক বা নেতাদের একটা বড় অংশের সমালোচনার মুখে পড়েও শুক্রবার আবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদ দেওয়া হয়েছে। তবে এবার তাঁর সহযোগী হিসেবে কাজ করার জন্য যুগ্ম সম্পাদকের পদ দেওয়া হয়েছে দোলা সেন ও ডেরেক ও ব্রায়েনকে। পরাজয়ের পর অভিষেকের ভূমিকা নিয়ে যাঁরা দলের মধ্যে সমালোচনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কুণাল ঘোষ। সে কথা প্রকাশ্যেও বলেছেন তিনি। ‘বারবার একই ভুল’ ওই পদের দিকেই ইঙ্গিত করছে?

ছাত্র-যুবরা যোগাযোগ করছেন কুণালের সঙ্গে!
আরও কিছু মত প্রকাশ করেছেন কুণাল। তিনি লিখেছেন, “দলের ভুলত্রুটি সংশোধনের বদলে বিভিন্ন স্তরে যদি ভুল চলতে থাকে, সেটা দেখেও চোখ বুজে থাকতে পারব না।” বেলেঘাটার বিধায়কের দাবি, বিপুল সংখ্যক কর্মীরা, ছাত্র-যুবরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। অনেক কিছু বলছেন। সেগুলি তিনি শুনছেন, শুনবেন, আলোচনায় বসবেন বলেও জানিয়েছেন কুণাল। শেষে লিখেছেন, ‘তার পরেরটা পরে দেখা যাবে।’

এই প্রসঙ্গে বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, যুবনেত্রী সায়নী ঘোষের কথা। কুণাল ছাত্র-যুবদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে উল্লেখ করেছেন। ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে শুক্রবার সায়নীকে ফের যুব তৃণমূলের সভানেত্রীর পদ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সায়নী ঘোষ, যাঁকে ভোটের পর একটি বৈঠক (সাংসদদের বৈঠক) বাদে আর তেমন কোনও কর্মসূচিতে দেখা যায়নি, মমতার ধর্নামঞ্চেও দেখা যায়নি। দিল্লিতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, তৃণমূল সাংসদদের নিয়ে যে নতুন ব্লক গঠনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, সেখানে নাম লেখাতে পারেন সায়নী ঘোষ। তবে যাদবপুরের সাংসদের অবস্থান নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।

তবে পুরো পোস্টটিতে কুণাল ঘোষ একাধিকবার স্পষ্ট করিয়ে দিয়েছেন, তিনি ঋতব্রত নেতৃত্বাধীন নতুন ব্লকের সঙ্গে নেই। “ভোটের একমাসের মধ্যে যারা ‘রহস্যজনক ব্যক্তিগত’ স্বার্থে প্রতিপক্ষের পৃষ্ঠপোষকতায় মমতাদির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, আমি তাদের সমর্থন করি না। আমি মমতাদির সঙ্গেই আছি।”

এদিকে, শনিবারই নিজের ফেসবুকে একটি লাইভ ভিডিয়ো করেন প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁর সঙ্গেও জেলার একাধিক নেতা যোগাযোগ করেছেন। তাঁর মতে, বিধায়কদের সবার বৈঠক ডাকা হোক, সেই বৈঠকে যাঁকে বিধায়করা নেতা মানবেন, সেই হবে দলনেতা।


অন্যদিকে বাংলার জন্য যে বড় অঙ্কের বরাদ্দ কার্যত দরজায় কড়া নাড়ছে তাও জানালেন রেলমন্ত্রী। কত বারদ্দ হচ্ছে, কী কী প্রকল্পে কাজ হচ্ছে তারও বিশদে হিসাব দিয়ে বললেন, “ইউপিএ সরকারের আমলে ৪০০০ কোটি মিলত বাংলার জন্য। আর নরেন্দ্র মোদীজী ১৪২০৫ কোটি দিয়েছেন।”


সরকার বদলের এক মাসের মধ্যেই বাংলায় রেলের কাজে গতি। একের পর এক রেল প্রকল্প আটকে থাকায় রেলমন্ত্রীকে পাশে বসিয়ে আগের সরকারের অসহযোগিতা নিয়ে সমালোচনায় মুখর হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর কথায় সমর্থন জানিয়ে আগের তৃণমূল সরকারের ভূমিকা নিয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ প্রশ্ন তুললেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও। সাফ বললেন, “আগের সরকার রেলের উন্নয়ন আটকে রেখে দিয়েছিল। তৃণমূল সরকার মেট্রো রেলের সুবিধা কলকাতার মানুষ যাতে না পান তার জন্য সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছিল। আজ বাংলায় যে পরিবর্তন এসেছে, তাতে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণ যাতে হয় সেটাই দেখব।”  


কত টাকার বরাদ্দ?
অন্যদিকে বাংলার জন্য যে বড় অঙ্কের বরাদ্দ কার্যত দরজায় কড়া নাড়ছে তাও জানালেন রেলমন্ত্রী। কত বারদ্দ হচ্ছে, কী কী প্রকল্পে কাজ হচ্ছে তারও বিশদে হিসাব দিয়ে বললেন, “ইউপিএ সরকারের আমলে ৪০০০ কোটি মিলত বাংলার জন্য। আর নরেন্দ্র মোদীজী ১৪২০৫ কোটি দিয়েছেন। এখন তো এনওসি দেওয়ার কাজ, জমি অধিগ্রহণের সমস্যা সব সমাধান হতে শুরু করেছে। আগামীতে সবাই মিলে আরও দ্রুত কাজ হবে।”  

এদিন আবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে চিংড়িহাটায় মেট্রো প্রকল্পের সাইট ভিজিটেরও কথা রয়েছে রেলমন্ত্রীর। সাংবাদিক বৈঠকে শুরুতেই একাধিক প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে লাল ফিঁতের ফাঁসে আটকে থাকার জন্য আগের তৃণমূল সরকারের তীব্র সমালোচনা করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে।

ভোল বদলে যাবে কলকাতার! আসছে ৬০টি NXT Gen মেট্রো
সেজে উঠছে কলকাতা মেট্রো


ডবল ইঞ্জিন সরকারের কাঁধে চড়ে আরও দুরন্ত গতিতে ছুটবে রেল। শুরু থেকেই দাবি করে আসছিল পদ্ম শিবির। সরকার বদলের এক মাসের মধ্য়েই নবান্নে হয়ে গেল রেলমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক। বাংলা পাচ্ছে বুলেট ট্রেন। হাইপ্রোফাইল বৈঠকে হাজির বিধায়করাও। জমি হস্তান্তর, প্রশাসনিক ছাড়পত্র নিয়ে আলোচনার খবর মিলছে। থমকে থাকা ৬২ প্রকল্পে গ্রিন সিগন্যাল। বৈঠকে হাজির তৃণমূলের অনেক বিধায়কই। অন্যদিকে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে অটো চড়ে নানা প্রান্তে যেতে যায় বিজেপি বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোকে। বিধায়ক-সাংসদের সঙ্গেই একাধিক প্রকল্পের সাইট ভিজিটও করেন বলে জানা যায়। কলকাতা মেট্রোর জন্য ৬০টি নতুন নেক্সট জেনারেশনের ট্রেন আনা হচ্ছে বলেও এদিন কলকাতায় এসে জানান রেলমন্ত্রী। 

এদিন আবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে চিংড়িহাটায় মেট্রো প্রকল্পের সাইট ভিজিটেরও কথা রয়েছে রেলমন্ত্রীর। সাংবাদিক বৈঠকে শুরুতেই একাধিক প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে লাল ফিঁতের ফাঁসে আটকে থাকার জন্য আগের তৃণমূল সরকারের তীব্র সমালোচনা করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। তাঁর সাফ কথা, “আগের সরকারের সঙ্গে তো বাংলার সরকারের একটা যুদ্ধ যুদ্ধ ভাবছিল বারবার। ১১ কোটি মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন আগের সরকারের জন্য। রেলমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ১০২ টি নতুন অমৃত ভারত স্টেশন হবে। ৫৩৮টা ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস হবে। ১ লাখ কোটি টাকার বেশি কাজ হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ১৪২০৫ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে বলব ডবল ইঞ্জিন সরকার ৪০টার বেশি এনওসি রেলওয়েকে দিয়েছে।” 

এরপরই আগের সরকারের ভূমিকার কথা মনে করিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, “আমাদের কাছে বড় সুযোগ ছিল। আগের সরকার রেল মন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলেনি। রেলমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। রেলমন্ত্রী সেই সময়ের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছেন, রেল বোর্ড চিফ সেক্রেটারিকে চিঠি করেছিলেন। কিন্তু ওরা সহযোগিতা করেনি।”   

রেলের একাধিক প্রকল্প নিয়ে কথা বলতে যেদিন রাজ্যে এসেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, সেদিনই শুভেন্দু অধিকারীর এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জানা গিয়েছে, ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের ফাইল পুনরায় খোলার আবেদন রেলমন্ত্রীর কাছে জানান শুভেন্দু।


মুর্শিদাবাদে দাউদাউ করে জ্বলেছিল ট্রেন, ক্ষমতায় এসে সেই 'ফাইল' খোলার নির্দেশ শুভেন্দুর, খুলছে বিশেষ সেল
ফাইল ছবি


সিএএ-বিরোধী আন্দোলনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল কামরার পর কামরা। ক্ষতি হয়েছিল রেলের বিপুল সম্পত্তির। একটানা দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল রেল চলাচল। ব্যহত হয় পরিষেবা। সেই সময় যাদের বিরুদ্ধে রেলের সম্পত্তি ক্ষতি করার অভিযোগ উঠেছিল, তাদের চিহ্নিত করে নতুন করে ফাইল খোলার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। লালবাজারে তিনি স্পেশাল সেল খুলে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।


রেলের একাধিক প্রকল্প নিয়ে কথা বলতে যেদিন রাজ্যে এসেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, সেদিনই শুভেন্দু অধিকারীর এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জানা গিয়েছে, ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের ফাইল পুনরায় খোলার আবেদন রেলমন্ত্রীর কাছে জানান শুভেন্দু। তারপরই এই নির্দেশ।


মেয়র পদে ফিরহাদের পদত্যাগের পরই পুরবোর্ড ভাঙা নিয়ে জল্পনা
ঠিক কী ঘটেছিল মুর্শিদাবাদে?
২০১৯ সালের ঘটনা। সদ্য লোকসভায় পাশ হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। এ রাজ্যে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই আইনের বিরুদ্ধে পথে নেমে আন্দোলন করেছিলেন। সেই সময় মুর্শিদাবাদে সেই প্রতিবাদ চরম আকার নেয়। স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ফাঁকা ট্রেনে ভাঙচুর চালানো ও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে ট্রেনের কামরার পর কামরা। এই ঘটনার জেরে সেই সময় একের পর এক দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করতে হয়। অনেক ট্রেন ঘুরপথে চালাতে হয়। বিপুল সম্পত্তির ক্ষতি হয় রেলের।

কী নির্দেশ শুভেন্দুর
নবান্ন সভাঘরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রেলমন্ত্রীকে বলেন, ভবানীপুরে আরপিএফের অফিস তৈরি করে দিতে। সেখানে বসে কম্পিউটারে যাবতীয় নথি এ ব্যাপারে খতিয়ে দেখবেন রেল পুলিশের কর্তারা। দোষীদের পুরনো ফাইল সেখানেই খোলা হবে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব এবং রাজ্যের ডিজিপি আরপিএফকে যাতে যাবতীয় সাহায্য করেন, সেই অনুরোধও করেন শুভেন্দু। রেলমন্ত্রী এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীকে যাবতীয় সাহায্যের আশ্বাস দেন।

রেলের আইন অনুযায়ী, রেলের সম্পত্তিতে ভাঙচুর বা কোনরকম ঝামেলা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এক্ষেত্রে জরিমানা হতে পারে। সূত্রের খবর, এদিন মুখ্যমন্ত্রী রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন, ফাইল খুলে দোষীদের চিহ্নিতকরণের ব্যাপারে যা যা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করার তা যেন অবশ্যই করা হয়।

বিদেশি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বা নিষিদ্ধ সংগঠনের যোগ থাকতে পারে বলে মনে করা হয়েছিল আগেই। এবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, অভিযুক্তদের কাছ থেকে রেলের ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে। যদি কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করে, তাহলে, সম্পত্তি বিক্রি করে হলেও দিতে হবে টাকা।

সোমবার ইন্ডি জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে থাকবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে থাকার কথা তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তবে সূত্রের খবর, তাড়াহুড়ো করতে চান না বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদরা। দলত্যাগ বিরোধী আইন যাতে প্রযোজ্য না হয় সেই নিশ্চিত সংখ্যার সাংসদ পাশে না পাওয়া পর্যন্ত অপারেশনে নামা হবে না খবর বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর সূত্রে।


৮ তারিখ বড় ঘটনা দিল্লিতে, দেব-রচনা ইউসুফদের নিয়ে বাড়ছে জল্পনা, তালিকায় আর কে কে?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পুরসভার বোর্ড ভাঙা থেকে শুরু হয়েছে। তারপর বিধানসভায় টালামাটাল অবস্থা আর এবার সংসদ। বাংলায় ক্ষমতাচ্যূত হতেই একমাসের মধ্যেই বদলে গিয়েছে তৃণমূলের পুরো খোলনচে। বিধানসভায় ভেঙেছে তৃণমূল (TMC)। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) নেতৃত্বে ‘নব তৃণমূল ব্লক’ গঠন হয়েছে। তাতে আবার ৫০ এর বেশি বিধায়ক যোগদান করেছেন। এবার লোকসভায়ও সেই ছবি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, রাজধানী দিল্লিতে (Delhi) ক্রমেই ভিড় বাড়ছে তৃণমূল সাংসদদের। ৮ জুন তৃণমূল নেত্রীর (TMC Leader) দিল্লি সফরের দিনেই কি ‘ভাঙন অপারেশনে নামবেন সাংসদরা?’ প্রশ্ন উঠছে।


বিক্ষুব্ধদের তালিকায় মূলত কারা?


মুর্শিদাবাদে দাউদাউ করে জ্বলেছিল ট্রেন, ক্ষমতায় এসে সেই 'ফাইল' খোলার নির্দেশ শুভেন্দুর, খুলছে বিশেষ সেল
বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। তবে, এরপরও একের পর এক সাংসদদের চাপা ক্ষোভের খবর মিলছে। সূত্রের খবর, জগদীশ বাসুনিয়াকে ফোন করেছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। জানতে চান কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে আসেননি। উত্তরে জগদীশ ছেলের অসুস্থতার কথা বলেছেন। শুধু বলা হয়, প্রমাণ দেখাতে হয়েছে তাঁকে। হাসপাতালের বেডে ছেলে শুয়ে রয়েছে সেই ছবি পাঠাতে হয়েছে ডেরেকে বলে খবর। স্বাভাবিকভাবে এই আচরণে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ জাগদীশ। আবার আরও এক সাংসদ বিজেপির সঙ্গে যোগযোগ করছেন বলে অন্দরের খবর।

যদিও, বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে এই ঘটনায় কিছু করার নেই। এছাড়াও, সেলিব্রেটি সাংসদরা দলের থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন বলে মিলছে খবর। সূত্রের খবর, তালিকায় দেব, রচনা, ইউসুফ পাঠান, জুন ব্যস্ত শুটিংয়ে। সায়নী ঘোষ কোন পক্ষে আছেন তা বলা যাচ্ছে না। অন্যদিকে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় আপাত ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে, তবে লোকসভার দলনেতার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সুদীপকে তাঁরা জায়গায় আনা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলত তিনি কোনদিকে থাকেন নজর থাকবে। অপরদিকে, মালদহ-মুর্শিদাবাদের মুসলমান সাংসদরা তৃণমূলের সঙ্গে থাকবেন নাকি কংগ্রেসে যোগ দেবেন সেই দিকে নজর থাকবে।

বিক্ষুব্ধদের মূলত কী দাবি?

সোমবার ইন্ডি জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে থাকবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে থাকার কথা তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তবে সূত্রের খবর, তাড়াহুড়ো করতে চান না বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদরা। দলত্যাগ বিরোধী আইন যাতে প্রযোজ্য না হয় সেই নিশ্চিত সংখ্যার সাংসদ পাশে না পাওয়া পর্যন্ত অপারেশনে নামা হবে না খবর বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর সূত্রে। স্পিকারকে চিঠি দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলনেতার পদ থেকে অপসারণ করানোই মূল ব্লু প্রিন্ট।


অন্যদিকে, শওকতের আইনজীবী বলেন, "আগে দুই অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়েছিল। আমরা জামিন চাইছি। আশাদুল মোল্লার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। বিস্ফোরণ স্থল থেকে শওকত মোল্লা বাড়ি অনেক দূরে। তিনি তখন কোথায় ছিলেন দেখা হোক।"


কলকাতা: ভাঙড়ে (Bhangar) বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে গ্রেফতার হয়েছেন ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla)। শনিবার ধৃতকে তোলা হয়েছে বিশেষ এনআইএ (NIA) আদালতে। তাঁর কাছ থেকে মিলল পেন-ড্রাইভ। সেই পেন-ড্রাইভে কী রয়েছে তার তদন্ত করছে সকলে। কী কী সওয়াল-জবাব চলল কোর্টে?

এ দিন NIA আইনজীবী কোর্টে সওয়াল করে বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে তদন্তভার NIA নিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত শওকত। বোমা বানাতে গিয়ে যাঁরা জখম হয়েছেন তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আমরা CDR দেখেছি। তাতে বোঝা যাচ্ছে অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে অনবরত কথা বলছিলেন শওকত। তাঁর নির্দেশ ছিল অন্য অভিযুক্তদের কাছে। মোবাইল উদ্ধার করে ফরেনসিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। তদন্ত গুরুত্বপুর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। ১৪ দিনের জন্য হেফাজতে প্রয়োজন।”


অন্যদিকে, শওকতের আইনজীবী বলেন, “আগে দুই অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়েছিল। আমরা জামিন চাইছি। আশাদুল মোল্লার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। বিস্ফোরণস্থল থেকে শওকত মোল্লা বাড়ি অনেক দূরে। তিনি তখন কোথায় ছিলেন দেখা হোক। শওকত মোল্লা এই বিস্ফোরণে যুক্ত নন। ঘটনার সময় ৪০ কিমি দূরে বাড়িতে ছিলেন। বিস্ফোরণ ঘটেছে সেটা জানতেনও না। আমাদের মক্কেল Z+ সিকিউরিটি পেতেন। পুলিশি নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে থাকতেন। তিনি সবার মাঝে থেকে এসব করতে পারেন কী?”


বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নেওয়া শপথকে বাস্তবায়িত করতে শনিবার গঙ্গাসাগরের সুমতি নগরের ‘সবুজ সংঘ’ আয়োজন করল এক বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের। প্রকৃতিকে বাঁচানোর বার্তা নিয়ে এদিন স্থানীয় ‘নয়নতারা’ প্রকল্পের ছাত্রীদের অংশগ্রহণে পালিত হলো এক বর্ণাঢ্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। 


গত ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পেরিয়ে গেলেও, পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকারে শনিবার নতুন করে উজ্জীবিত হতে দেখা গেল স্থানীয়দের। এদিন সকালে ‘নয়নতারা’র ছাত্রীদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি সুমতি নগরের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে উপস্থিত ছিলেন 



প্রেমাংশু সাউ শিক্ষাব্রুতি সমাজসেবক অশ্বিনী কুমার গায়েন শিক্ষাব্রুতি সমাজসেবক এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা। র‍্যালি শেষে ‘একটি গাছ, মায়ের নামে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ছাত্রীরা বৃক্ষরোপণ করেন। প্রতিটি ছাত্রীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, রোপণ করা গাছটিকে পরম মমতায় বড় করে তোলার। এই কর্মসূচি প্রসঙ্গে সবুজ সংঘের পরিচালক ও সম্পাদক অংশুমান দাস জানান, “বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আমাদের অঙ্গীকার ছিল প্রকৃতিকে বাঁচানোর। 

বর্তমানের উষ্ণায়ন ও প্রকৃতির খামখেয়ালিপনা মাথায় রেখে আমরা একটাই বার্তা দিতে চাই—প্রকৃতি মানেই মা। আমরা যদি মায়ের মতো করে প্রকৃতির যত্ন নিতে না পারি, তবে প্রকৃতি বাঁচবে না। আর প্রকৃতি না বাঁচলে আমরা কেউ বাঁচব না। সেই লক্ষ্যেই আজ নয়নতারা মেয়েদের নিয়ে এই অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়া। সবুজ সংঘের এই উদ্যোগ ও ছাত্রীদের শপথ গ্রহণ স্থানীয় মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। আয়োজকদের আশা, পরিবেশ দিবসের এই বিশেষ বার্তা কেবল একদিনের অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, প্রতিটি মানুষের জীবনযাপনে মিশে যাবে।


 

 লালবাড়িতে অবসান হল এক অধ্যায়ের। সাংবাদিক বৈঠকও করলেন। কোন কোন কাজ করেছেন, তার একটা তালিকা তুলে ধরেন। আর যা করতে পারলেন না, সেটাও বললেন। আর সেটা বলতে গিয়েই তুলে আনলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কথা। নেতাজির এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পারলেন না। 


কলকাতা: ২০১৮ কাট টু ২০২৬! মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। চেয়ারপার্সন মালা রায়ের কাছে জমা দিলেন ইস্তফাপত্র। লালবাড়িতে অবসান হল এক অধ্যায়ের। সাংবাদিক বৈঠকও করলেন। কোন কোন কাজ করেছেন, তার একটা তালিকা তুলে ধরেন। আর যা করতে পারলেন না, সেটাও বললেন। আর সেটা বলতে গিয়েই তুলে আনলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কথা। নেতাজির এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পারলেন না।

ইস্তফা দেওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকের শুরু থেকেই বারবার ফিরহাদ দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, সুভাষচন্দ্র বোস, ড. বিধানচন্দ্র রায়ের কথা উল্লেখ করেছেন। বুঝিয়েছেন, কীভাবে তিনি এই চেয়ারে বসে ধন্য। ফিরহাদ বলেন, একটা স্বপ্ন ছিল নেতাজি, যেটা পূরণ করে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর খুব ইচ্ছা ছিল তাঁর, যেটা করতে পারলেন না। সেটা কী? সেই প্রসঙ্গেই বলেন, “আমার এক সাংবাদিক বন্ধু টিভিতে ঘটনাটা বলছিলেন।  যখন নেতাজি মেয়র ছিলেন, সে সময়ে একবার ঠনঠনিয়াতে খুব জল জমেছিল, গামবুট করে এখান থেকে হাঁটতে হাঁটতে নেতাজি ঠনঠনিয়ায় গিয়েছিলেন। কোমর পর্যন্ত জল ছিল। সেই জল আজও জমে।”


ফিরহাদ বলেন, “আমি সেখানে ঋষিকেশ পার্কে ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশন করছিলাম, আমি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে এসেছিলাম, কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। কিন্তু উদ্বোধন করতে পারলাম না।” আর কথা বলতে গিয়েই ফিরহাদ বলেন, “নিশ্চিতভাবে সে কাজ শেষ হবে। নেতাজি যে স্বপ্নটা দেখেছিলেন, যে ঠনঠনিয়াতে আর জল জমবে না, সেটা হবে। কিন্তু আমি আর এখানে থাকলাম না।”

ফিরহাদ জানান, ইএম বাইপাসে, ঢালাই ব্রিজের কাছে, খিদিরপুর, গল্ফগ্রিন, কবিতীর্থে পাম্পিং স্টেশনের কাজ চলছে। সে কাজ মাঝপথে রয়েছে। ফিরহাদের কথায়, যে দায়িত্ব নেবে, নিশ্চিতভাবে সে কাজ সম্পন্ন করবে।


 যে ক্লাবে এই কয়েক মাস আগেই কয়েক কিলোমিটার লম্বা লাইন দিয়ে দুর্গা ঠাকুর দেখেছে মানুষ, দূর দূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন দর্শনার্থীরা সেই ক্লাবকেই ঘিরেই এবার ক্ষোভের বিস্ফোরণ। এলাকার এক মহিলা বলছেন, “নিচে দেখে মনে হবে ক্লাব ঘর। আর উপরে উঠলেই অবাক হয়ে যাবেন।”


কাল স্বরূপ, আজ অরূপ! ‘ওরা এখানে মধুচন্দ্রিমা করতো’, উত্তেজিত জনতা ভেঙে ফেলল সুরুচি সঙ্ঘের তালা
ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়


ক্লাবের দুর্গাপুজোর খ্যাতি বিশ্বজোড়ে। বরাবরই এই ক্লাবের সঙ্গে জুড়ে ছিল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের নাম। জুড়েছে ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের নামও। প্রধান দুই উদ্যোক্তার নদ্য়ে এখন পুলিশের হেফাজতে। অন্যজনকেও ডেকে পাঠিয়েছে পুলিশ। গিয়েছে প্রতাপ। আর তারপরেই দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম নামজাদা সুরুচি সংঘে আছড়ে পড়ল জনরোষ। তালা ভেঙে ভাঙচুর উত্তেজিত জনতার। ক্লাবের ভিতরে বৈভবের একেবারে ঘনঘটা। কলেজের পর ক্লাবে ভিতরেও দেখা মিলল বিলাসবহুল খাট। এদিক ওদিকে পড়ে রইছে আইফোন, আইপ্যাডের প্যাকেট। দেখা মিল প্রচুর দামি দামি শাড়ির। 


যে ক্লাবে এই কয়েক মাস আগেই কয়েক কিলোমিটার লম্বা লাইন দিয়ে দুর্গা ঠাকুর দেখেছে মানুষ, দূর দূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন দর্শনার্থীরা সেই ক্লাবকেই ঘিরেই এবার ক্ষোভের বিস্ফোরণ। এলাকার এক মহিলা বলছেন, নিচে দেখে মনে হবে ক্লাব ঘর। আর উপরে উঠলেই অবাক হয়ে যাবেন। ওরা সাধারণ মানুষকে অত্য়াচার করছে, আর এখানে মধুচন্দ্রিমা করছে। আমরা কোনওদিন এই ঘরের খোঁজই পাইনি। পাশে দাঁড়িয়ে আর এক মহিলা বললেন, পাড়ার লোক হওয়ার পরেও এই ক্লাবে ঢোকার অনুমতি ছিল না। আর এক মহিলার অভিযোগ, এই রুম দীর্ঘদিন থেকে ব্যবহার হয়েছে। এসিও ছিল। সব খুলে নিয়েছে। 




নিধিরাম সর্দার!' কেন মেয়র পদ থেকে ইস্তফা? প্রশ্ন তোলার আগে নিজেই জবাব দিলেন ফিরহাদ
অন্যদিকে ক্লাবের ভিতরে আগের পুরসভা নির্বাচন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথিপত্রেরও দেখা মিলেছে। দেখা মিলেছে পোলিং এজেন্টের নির্দেশিকা সংক্রান্ত তথ্যের। তৃণমূলের তরফে পোলিং এজেন্টেদের যে সমস্ত তথ্য দেওয়া হয়েছিল সেরকম অনেক কিছুরই দেখা মিলেছে। পাশাপাশি ভোটার লিস্টেরও দেখা মিলেছে। অভিনেতা হওয়ার জন্য, সিনেপাড়ায় কাজের জন্য বেশ কিছু আবেদনকারীর বায়োডেটারও দেখা মিলেছে। এই সব তথ্য ক্লাবের ভিতরে এতদিন কী করছিল সেই প্রশ্ন উঠছে। 

ডেরেকের উপর স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ কোচবিহারের সাংসদ। তিনি বলেন, "ছেলের কিডনিতে স্টোন হয়েছে। দলনেত্রীকে জানিয়ে ছেলেকে নিয়ে দিল্লি এসেছি।" দিল্লিতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তৃণমূল সাংসদের ছেলের অস্ত্রোপচার হয়। এদিন লোকসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছিলেন তাঁকে। কোচবিহারের সাংসদ কল্যাণের ফোন ধরেননি বলেই খবর।


ছেলের অস্ত্রোপচারের জন্য দিল্লিতে কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ, ডেরেককে ছবি পাঠিয়ে প্রমাণ দিতে হল
জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া


দলের ভাঙন বাড়ছে। আর এর সঙ্গে সন্দেহের বাতাবরণও বাড়ছে তৃণমূলে। আর তা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যে সাংসদের মুখের কথাও ‘বিশ্বাস’ করছেন না নেতৃত্ব। যথারীতি ফোনে ছবি তুলে পাঠাতে হল। এমনই ঘটনা ঘটেছে কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার সঙ্গে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা ছেলের ছবি ডেরেক ও’ব্রায়েনকে পাঠিয়ে তাঁকে ‘প্রমাণ’ দিতে হল যে তিনি সত্যি কথা বলছেন। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ। এর ফলে বিক্ষুব্ধদের দলে তিনিও যে নাম লেখাতে পারেন, সেই ইঙ্গিতও দিলেন।


এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছেন জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। তাঁর ছেলের কিডনিতে স্টোন হয়েছিল। তারই অস্ত্রোপচারের জন্য রাজধানীতে রয়েছেন। এর জেরে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ফোন করেছিলেন জগদীশ বসুনিয়াকে। দলের সুপ্রিমোর বৈঠকে কেন অনুপস্থিত তা জানতে চান। কেন তিনি দিল্লিতে রয়েছেন, তাও জানতে চান। কোথায় রয়েছে, সেই ছবি-সহ ‘প্রমাণ’ চান বলে অভিযোগ। তখন ছেলের হাসপাতালে শুয়ে থাকার ছবি ডেরেককে পাঠাতে হয়েছে বসুনিয়াকে।


এই নিয়ে ডেরেকের উপর স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ কোচবিহারের সাংসদ। তিনি বলেন, “ছেলের কিডনিতে স্টোন হয়েছে। দলনেত্রীকে জানিয়ে ছেলেকে নিয়ে দিল্লি এসেছি।” দিল্লিতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তৃণমূল সাংসদের ছেলের অস্ত্রোপচার হয়। এদিন লোকসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছিলেন তাঁকে। কোচবিহারের সাংসদ কল্যাণের ফোন ধরেননি বলেই খবর।

কোচবিহারের সাংসদ স্পষ্ট করে দিয়েছেন, লোকসভায় তৃণমূলের বেশিরভাগ সাংসদ যা সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনি সেদিকেই থাকবেন। অর্থাৎ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ লোকসভায় ‘নতুন ব্লক’ গঠন করলে তাঁদের সঙ্গেই থাকবেন বসুনিয়া। প্রসঙ্গত, তাঁর বিধায়ক স্ত্রী সঙ্গীতা রায় গতকাল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধানসভায় গিয়ে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি এখন কী করবেন, সেটাই দেখার।