WEATHER

Top News


উদ্ধারের পর দেহটি প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হবে। রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে। অসুস্থতাজনিত কারণ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তাঁ খানিকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।


সল্টলেক: ভরদুপুরে পচা গন্ধে ঢেকে গেল সল্টলেকের জিসি ব্লক। বন্ধ বাড়ি থেকে প্রৌঢ়ের পচা-গলা মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্রে খবর, জিসি ব্লকে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ৫৪ নম্বর বাড়ি থেকে উৎকট পচা দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করে। ক্রমেই যেভাবে তীব্র বাড়তে থাকে তাতেই বাড়তে থাকে রহস্য। খবর যায় পুলিশে। পুলিশ এসেই স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় বাড়ির ভিতর থেকে ৫৭ বছর বয়সী সুজয় দত্তের পচা-গলা দেহ উদ্ধার করে। কিন্তু কীভাবে মৃত্যু, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। 

উদ্ধারের পর দেহটি প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হবে। রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে। অসুস্থতাজনিত কারণ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তাঁ খানিকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবে দেহের অবস্থা দেখে পুলিশের অনুমান বেশ কিছুদিন আগেই মৃত্যু হয়েছে সুজয়বাবুর। সে কারণেই রীতিমতো পচন ধরে গিয়েছে গোটা শরীরে।  


প্রতিবেশীদের দাবি, সুজয় বাবু দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। বিয়ে করেননি। বাড়িতে একাই থাকতেন। কিন্তু হঠাৎ তাঁর এই পরিণতি কী করে তা ভাবাচ্ছে পুলিশকে। ইতিমধ্যেই একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে এদিনই আবার নাগেরবাজার সাতগাছি এনএন রোডে বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় মা ও ছেলের। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে নাগেরবাজার থানার পুলিশ।


দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘী বিধানসভা এলাকায় ভোটার তালিকা সংক্রান্ত জটিলতা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও বহু মানুষের নাম “আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন” বা বিবেচনাধীন হিসেবে দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে নামলো যুব তৃণমূল কংগ্রেস।

শুক্রবার মথুরাপুর দু’নম্বর ব্লকের কোম্পানির ঠেক বাজার এলাকায় যুব তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা ঝাঁটা কুস্তে হাতে মিছিল করে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন। তাদের দাবি, বহু বছর ধরে ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ করে এত সংখ্যক মানুষের নাম কেন “আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন” হিসেবে দেখানো হচ্ছে, তার সঠিক ব্যাখ্যা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মথুরাপুর দু’নম্বর ব্লকে মোট ৩২৩২ জন ভোটারের নাম বর্তমানে “আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন” হিসেবে দেখানো হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই ৩২৩২ জনের মধ্যে অধিকাংশ মানুষের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও ছিল। তারপরও তাদের নাম বিবেচনাধীন দেখানোয় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

এদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে দাবি করা হয়, অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে এবং যোগ্য ভোটারদের নাম দ্রুত চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানানো হয়।
এদিনের কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন মথুরাপুর দু’নম্বর ব্লকের যুব তৃণমূল সভাপতি উদয় হালদার। তার সঙ্গে কয়েক শতাধিক মহিলা ও যুবক-যুবতী বিক্ষোভে অংশ নেন।

 এই অভিযোগ অস্বীকার করল বিজেপি নেতা পলাশ রানা, তিনি বলেন নির্বাচন কমিশন  নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে। তৃণমূল-বিজেপি এ সব দেখছে না,সারা পশ্চিমবাংলায় বহু হিন্দু ও মতুয়া সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষের নাম বাদ পড়ে আছে।

কাউন্সেলিং না করে সদ্য নিযুক্ত সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তার ও মেডিক্যাল অফিসারদের ইচ্ছেমতো পোস্টিং দেওয়ার অভিযোগ, দু'ক্ষেত্রেই ব্যপক বেনিয়মের আশঙ্কা প্রকাশ করে স্বাস্থ্য সচিবের দ্বারস্থ চিকিৎসক সংগঠন। অবিলম্বে এই বেনিয়ম বন্ধ না হলে আগামীদিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সার্ভিস ডক্টর্স ফোরামের রাজ্য নেতৃত্ব।

চিকিৎসক নিয়োগেও ব্যাপক বেনিয়ম? স্বাস্থ্য সচিবের দ্বারস্থ সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম
চাপানউতোর চলছেই

শিক্ষক নিয়োগের পর এবার রাজ্যে চিকিৎসক নিয়োগের ক্ষেত্রেও ব্যাপক বেনিয়মের অভিযোগ উঠল। নিয়ম অনুযায়ী কাউন্সেলিং না করে সদ্য নিযুক্ত সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তার ও মেডিক্যাল অফিসারদের মোতায়েন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে খোদ স্বাস্থ্য সচিবের দ্বারস্থ হল চিকিৎসক সংগঠন সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম। 

রাজ্যে সম্প্রতি ১২০০ জন মেডিক্যাল অফিসার ও ৯৩০ জন রেসিডেন্ট ডাক্তার নিয়োগ করে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। একদিন আগেই সদ্য নিযুক্ত সেই চিকিৎসকদের কর্মস্থলের তালিকা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। সেই তালিকা প্রকাশ হতেই চিকিৎসকদের কর্মস্থল নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে চিকিৎসক সংগঠন সার্ভিস ডক্টর্স ফোরাম। সার্ভিস ডক্টর্স ফোরামের দাবি, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী সিনিয়ার রেসিডেন্ট ডাক্তার নিয়োগের পর তাঁদের নিদেনপক্ষে এক বছর জেলা হাসপাতাল অথবা মেডিক্যাল কলেজে পরিষেবা দিতে হয়। তারপর তাঁদের ব্লক, মহকুমা ও সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা যায়। 


ট্র্যাফিক পুলিশের বুথে উঁকি দিয়েই শিউরে উঠলেন সবাই, কী হল?
অভিযোগ, এ ক্ষেত্রে সে নিয়ম মানা হয়নি। নিয়োগের পরেই ইচ্ছেমতো সিনিয়ার রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের বিভিন্ন ব্লক ও মহকুমা স্তরের হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতদিন সিনিয়ার রেসিডেন্ট চিকিৎসক ও মেডিক্যাল অফিসারদের কর্মস্থল নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা রাখার জন্য স্বাস্থ্য দফতর যে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করতো এবার তাও করা হয়নি। অবিলম্বে এই বেনিয়ম বন্ধ না হলে আগামীদিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সার্ভিস ডক্টর্স ফোরামের রাজ্য নেতৃত্ব। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সার্ভিস ডক্টর্স ফোরামের রাজ্য সম্পাদক সজল বিশ্বাস। 

জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই সূর্যের মা তাকে ছেড়ে চলে যায়। এরপর কিছুদিন দিদিমার কাছে থাকলেও দিদিমার মৃত্যুর পর শিশুটির দায়িত্ব পড়ে ঠাকুমার ওপর। পুলিশের দাবি, এরপর থেকেই শিশুটিকে বোঝা মনে করতে শুরু করে বাবা সোনালাল মাণ্ডি। প্রথমে ছেলেকে অনাথ আশ্রমে দেওয়ার চেষ্টাও করেন বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানতে পেরেছে পুলিশ।

নিজের সন্তান বিশেষভাবে সক্ষম! ছেলেকে খুন করে পুঁতে ফেলার অভিযোগে ধৃত বাবা
এলাকায় চাঞ্চল্য

বিশেষভাবে সক্ষম শিশুকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ। গ্রেফতার হল বাবা। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি। লিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম সোনালাল মাণ্ডি। বাড়ি মেমারি থানার মণ্ডলগ্রামে। মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জন্মের পর থেকেই সূর্য মাণ্ডি দৃষ্টিহীন ছিল এবং তার হাত-পা স্বাভাবিকভাবে নাড়াচাড়া করতে পারত না। শিশুটি বিশেষভাবে সক্ষম হওয়ায় তাকে দেখাশোনা করতে অসুবিধা হচ্ছিল পরিবারের।

জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই সূর্যের মা তাকে ছেড়ে চলে যায়। এরপর কিছুদিন দিদিমার কাছে থাকলেও দিদিমার মৃত্যুর পর শিশুটির দায়িত্ব পড়ে ঠাকুমার ওপর। পুলিশের দাবি, এরপর থেকেই শিশুটিকে বোঝা মনে করতে শুরু করে বাবা সোনালাল মাণ্ডি। প্রথমে ছেলেকে অনাথ আশ্রমে দেওয়ার চেষ্টাও করেন বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানতে পেরেছে পুলিশ।



অভিযোগ, তা সফল না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত খুনের পরিকল্পনা করে সে। গত বুধবার সোনালাল তার ছেলেকে মেমারির বড়পলাশন এলাকার কলাদিঘীর পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানেই শ্বাসরোধ করে খুন করার পর দেহটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পরদিন সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা জলাশয়ের ধারে শিশুর দেহ পড়ে থাকতে দেখে মেমারী থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

তদন্তে নেমে পুলিশ সোনালাল মাণ্ডিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি খুনের কথা স্বীকার করে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নেপালের জেনজিদের একটা বড় অংশের পছন্দ ছিলেন প্রাক্তন গায়ক তথা রাজধানীর অধুনা মেয়র বলেন্দ্র শাহ। গত সেপ্টেম্বর মাসে জেনজি আন্দোলনে অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন তিনি। আর সেই আত্মবিশ্বাসকে সামনে রেখেই বরাবর ঝাপা-৫ কেন্দ্রে জিতে আসা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির বিরুদ্ধে ওই কেন্দ্র থেকেই দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন বলেন্দ্র।

আবার জেনজি ঝড়ে লন্ডভন্ড 'ওলির স্বপ্ন', দুই-তৃতীয়াংশ আসনে এগিয়ে প্রাক্তন র‌্যাপারের দল
গোল দিচ্ছেন বলেন্দ্র শাহ

সাধারণ নির্বাচন মিটতেই শুরু হয়ে যায় গণনা। বৃহস্পতিবার রাতেই নেপালের ১০টি কেন্দ্রে ব্যালট গণনা শুরু করে নির্বাচন কমিশন। তারপর প্রাথমিক গণনাতেই দেখা যায় নজিরবিহীন ছবি। জেনজিদের (তরুণ প্রজন্ম) কাঁধে চড়ে গতি ধরে নেপালের রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি বা আরএসপি। আর নেপথ্যে কারিগর হন দলের প্রধান তথা কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। ঝাপা-৫ আসনে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। ওই আসনেই এখনও পর্যন্ত দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা কমিউনিস্ট পার্টির অব নেপালের প্রধান কেপি শর্মা ওলি।


বিকাল সাড়ে চারটে পর্যন্ত পাওয়া তথ্য় অনুযায়ী, ১৬৫টি প্রত্যক্ষ আসনের মধ্যে ১০১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বলেন্দ্রর দল। অর্থাৎ নেপালে এখনও পর্যন্ত দুই-তৃতীয়াংশ আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আরএসপি। নেপালের সবচেয়ে পুরনোর দল গগন থাপার নেপালি কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে আটটি আসনে। পাশাপাশি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহাল ওরফে প্রচণ্ডের দল এগিয়ে রয়েছে সাতটি আসনে।


 দুই বা তিনের বেশি সন্তান হলেই ২৫ হাজার টাকা দেবে এই রাজ্য
বলে রাখা প্রয়োজন, নেপালের জেনজিদের একটা বড় অংশের পছন্দ ছিলেন প্রাক্তন গায়ক তথা রাজধানীর অধুনা মেয়র বলেন্দ্র শাহ। গত সেপ্টেম্বর মাসে জেনজি আন্দোলনে অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন তিনি। আর সেই আত্মবিশ্বাসকে সামনে রেখেই বরাবর ঝাপা-৫ কেন্দ্রে জিতে আসা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির বিরুদ্ধে ওই কেন্দ্র থেকেই দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন বলেন্দ্র। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা ট্রেন্ড, তাতে বলেন্দ্র যে ওলিকে গোল দিতে পারেন সেই সম্ভবনাই বেশি বলে মনে করছেন একাংশ।

কিন্তু জোড়া ব্য়ালটে ভোট হওয়ার ফলে বলেন্দ্রর রাজনৈতিক জীবনে এখনও চিন্তার অবকাশ থেকেই যাচ্ছে। ২০১৫ সালের নতুন সংবিধান অনুযায়ী নেপালে একটি মিশ্র নির্বাচনী ব্যবস্থা রয়েছে। যার দু’টি পদ্ধতিতে সেদেশে গোটা নির্বাচন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে থাকে। একটি প্রত্যক্ষ নির্বাচন। অন্যটি পরোক্ষ নির্বাচন। প্রত্যক্ষ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বলেন্দ্রর দল এগিয়ে থাকলেও, পরোক্ষ নির্বাচনের ফলাফল যে ফেলে দেওয়ার মতো তা নয়। সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময়ই প্রধানমন্ত্রীত্বের পরোক্ষ নির্বাচনের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে থাকে।



 জেলার দিকে নজর দিলে দেখা যাবে, বেচারাম মান্না ও তাঁর স্ত্রী করবী মান্না শাসকদলের বিধায়ক। সিঙ্গুরের বিধায়ক বেচারাম। আর তাঁর স্ত্রী হরিপালের বিধায়ক। আবার ২০১১ সাল থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরের বিধায়ক হিসেবে রয়েছেন অখিল গিরি। তাঁর পুত্র সুপ্রকাশ গিরিও শাসকদলের নেতা। কোচবিহারের দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহ। তাঁর পুত্র সায়ন্তন গুহও শাসকদলের নেতা।

 এক পরিবারে একটাই টিকিট? তৃণমূলে বাড়ছে জল্পনা
বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

রাজ্যে চতুর্থবার তৃণমূলের ক্ষমতায় আসা নিয়ে আশাবাদী শাসক নেতারা। এই আবহে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা নিয়েও বাড়ছে জল্পনা। কাদের টিকিট দেওয়া হবে? নবীন-প্রবীণের মেলবন্ধনে কীভাবে প্রার্থী তালিকা তৈরি হবে? আরও একটি প্রশ্ন উঠে আসছে, এবার কি এক পরিবার একটাই টিকিট ফর্মুলা নেবে তৃণমূল নেতৃত্ব? সূত্রের খবর, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এমন ফর্মুলা অনুসরণ করতে পারে রাজ্যের শাসকদল। সেক্ষেত্রে তৃণমূলের একাধিক হেভিওয়েট নেতার পরিবারের কারা টিকিট পেতে পারেন, তা নিয়েও বাড়ছে জল্পনা।

রাজ্যজুড়ে তৃণমূলে বহু প্রভাবশালী নেতা এবং তাঁদের ছেলে-মেয়েরা রাজনীতিতে সক্রিয়। আবার কোথাও স্বামী-স্ত্রী তৃণমূলের পদে রয়েছেন। রাজ্যের শাসকদলের এইসব পরিবারগুলিতে টিকিটের দাবিদার একাধিক। কলকাতাতে যেমন এরকম শাসক নেতার পরিবার রয়েছে, তেমন জেলাগুলিতেও রয়েছে। ছাব্বিশের নির্বাচনে এইসব পরিবারে কারা টিকিট পাবেন, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।


১৪ বছরের পরিচারিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ, উত্তপ্ত সাঁইথিয়া
কলকাতায় যেমন রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অতীন ঘোষ, স্বর্ণকমল সাহা এবং সুপ্তি পাণ্ডেরা। কলকাতা পৌরনিগমের মেয়র এবং কলকাতা বন্দরের বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম। তাঁর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী হাকিমকেও তৃণমূলের নানা কর্মসূচিতে দেখা যায়। কলকাতা পৌরনিগমের ডেপুটি মেয়র ও কাশীপুর-বেলগাছিয়ার বিধায়ক অতীন ঘোষ। তাঁর কন্যা প্রিয়দর্শিনী ঘোষও তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের নেত্রী।

আবার ২০১১ সাল থেকে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহা। তাঁর ছেলে সন্দীপন সাহা কলকাতা পৌরনিগমের কাউন্সিলর। সূত্রের খবর, এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান না বলে ইতিমধ্যে দলকে বার্তা দিয়েছেন স্বর্ণকমল। তিনি চাইছেন, তাঁর আসনে ছেলে সন্দীপনকে প্রার্থী করা হোক। আবার মানিকতলার বিধায়ক সুপ্তি পাণ্ডের মেয়ে শ্রেয়া পাণ্ডেও সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত। সাধন পাণ্ডের প্রয়াণের পর মানিকতলা আসনে উপনির্বাচনে সুপ্তি না শ্রেয়া কাকে প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে জল্পনা বেড়েছিল। শেষপর্যন্ত তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্তিকে বেছে নেন। বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বাবা দুলাল দাস মহেশতলার বিধায়ক। সূত্রের খবর, আর নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান না বলে দলকে বার্তা দিয়েছেন দুলাল।

জেলার দিকে নজর দিলে দেখা যাবে, বেচারাম মান্না ও তাঁর স্ত্রী করবী মান্না শাসকদলের বিধায়ক। সিঙ্গুরের বিধায়ক বেচারাম। আর তাঁর স্ত্রী হরিপালের বিধায়ক। আবার ২০১১ সাল থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরের বিধায়ক হিসেবে রয়েছেন অখিল গিরি। তাঁর পুত্র সুপ্রকাশ গিরিও শাসকদলের নেতা। কোচবিহারের দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহ। তাঁর পুত্র সায়ন্তন গুহও শাসকদলের নেতা। জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক। এরকম বিভিন্ন জেলাতেই শাসকদলের একাধিক নেতার পরিবারের অনেকেই রাজনীতিতে সক্রিয়। দলের বিভিন্ন পদেও রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে এই সব প্রভাবশালী বাবাদের ছেলেমেয়েদের টিকিট পাওয়া নিয়ে জল্পনা চলে।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নবীনদের পক্ষে বারবার সওয়াল করতে দেখা গিয়েছে। তবে প্রবীণদেরও প্রয়োজন বলে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন। এই আবহে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টিকিট দেওয়ার ক্ষেত্রে শাসক শিবির এক পরিবার এক টিকিট নীতি নিতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। তেমনই কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমও হতে পারে। এখন দেখার, ছাব্বিশের নির্বাচনে কারা টিকিট পান। রাজনীতির কারবারিরা অবশ্য বলছেন, শেষ মুহূর্তে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী সিদ্ধান্ত নেন, তার উপরই সব কিছু নির্ভর করবে।

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এর আগেও তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, তিনি বৈঠকে আঙুল তুলে কথা বলতে চেয়েছিলেন, তিনি আঙুল নামাতে বলেন। জ্ঞানেশ কুমার যে নির্বাচিত নন, মনোনীত, সেটাও তিনি তাঁকে স্মরণ করিয়ে এসেছিলেন। অন্তত বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে তেমনই দাবি করেন অভিষেক। এদিন পোড় খাওয়া, আইন গুলে খাওয়া আইনজীবী কল্যাণের কথাতেও উঠে এল একই বিষয়।

 'আঙুল কেটে বাদ দিতাম', জ্ঞানেশ কুমারকে হুঁশিয়ারি কল্যাণের
জ্ঞানেশ কুমারকে হুঁশিয়ারি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের

CEC জ্ঞানেশ কুমারকে হুঁশিয়ারি তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ। আর তার জেরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে হুঁশিয়ারি দিলেন কল্যাণ। বললেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের চেয়ারে না থাকলে আঙুল কেটে বাদ দিতাম।” ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা মঞ্চ থেকে এরকমই ভাষাতে হুঁশিয়ারি দিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

কল্যাণ বলেন, “একা, কেবল একা। কোনও ব্র্যান্ড নিয়ে নয়, কোনও ন্যাশনাল পার্টির ব্র্যান্ড নিয়ে নয়। কেবল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে এত নেতা তৈরি হয়েছেন, এত কর্মী তৈরি হয়েছেন। সেই মানুষটা যখন চিফ ইলেকশন কমিশনারের কাছে গেল, আমি তো সেদিন ছিলাম, কী দুর্ব্যবহার মমতাদির সঙ্গে করেছেন, আপনারা কল্পনা করতে পারবেন না। আঙুল তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কথা বলছেন।” এই কথার রেশ টেনেই হুঁশিয়ারি দেন, “আরে আঙুল তুলে তুমি কাকে কথা বলছো? তুমি যদি চিফ ইলেকশন কমিশনার না হতে, আঙুলটা তোমার কেটে বাদ দিয়ে আসতাম।” এখানেই থামেননি কল্যাণ। তিনি বলেন, “আপনি তো এক দেড় বছর এসেছে চিফ ইলেকশন কমিশনার হয়ে। আপনি তো এসেছেন অমিত শাহর দয়ায়। আপনি কোঅপারেটিভ সেক্রেটারি ছিলেন। কমিটিতে আমার সামনে আপনি অ্যাপিয়ার করেছিলেন, আপনার জ্ঞান কত আছে, আমার জানা আছে। আপনি কিচ্ছু জানেন না। আপনি একটা গোয়ার গোবিন্দ লোক!”


নির্ধারিত সময়ে ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়, সুপ্রিম কোর্টে সময় চাইল রাজ্য
ভোটবঙ্গে আর এন রবিকেই বাছা হল কেন?
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এর আগেও তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, তিনি বৈঠকে আঙুল তুলে কথা বলতে চেয়েছিলেন, তিনি আঙুল নামাতে বলেন। জ্ঞানেশ কুমার যে নির্বাচিত নন, মনোনীত, সেটাও তিনি তাঁকে স্মরণ করিয়ে এসেছিলেন। অন্তত বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে তেমনই দাবি করেন অভিষেক। এদিন পোড় খাওয়া, আইন গুলে খাওয়া আইনজীবী কল্যাণের কথাতেও উঠে এল একই বিষয়। তবে তার সঙ্গে আরও কয়েকটি বিষয় সংযোজিত করলেন, আরও খানিকটা সুর চড়িয়ে, রীতিমতো তীক্ষ্ণ হুঁশিয়ারি দিয়ে।

এর আগেও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সতর্ক করেছেন এবং প্রয়োজনে তাঁর বিরুদ্ধে সাংবিধানিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেছেন। তিনি বলেছিলেন, প্রয়োজনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট (অপসারণ) প্রস্তাব আনার কথাও তৃণমূল ভাবছে।

বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “তৃণমূলের সুপ্রিমো তো ওখানেই বসে রয়েছেন। যিনি বলছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে বসিয়ে বলছেন। এটাই তো গণতান্ত্রিক ভাষা। কল্যাণবাবু আরও যত বলবেন, মানুষ তো বুঝবে। যাঁরা CEC-র আঙুল কাটার কথা বলতে পারেন, তাঁরা সাধারণ ভোটারদের গলা কেটে দেবেন, তাঁদের খুন করবেন, তাঁদের বাড়ির লোকেদের সম্ভ্রমহানি করবেন। যদি নেতারাই এই ধরনের কথা বলেন, তাহলে গ্রামগঞ্জের তাঁদের যাঁরা অনুগামী, তাঁরা কী বলবেন!”
এদিন বিধানসভায় এসেছিলেন সিইও। রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নের স্ক্রুটিনি হয় এদিন। সিইও মনোজ আগরওয়াল জানান, অবজার্ভার হিসেবে বিধানসভায় এসেছেন তিনি। সেখানেই একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিলেন।

ঠিক সময়ে ভোট সম্ভব? এবার মুখ খুললেন CEO
সিইও মনোজ আগরওয়াল

 চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলেও ৬০ লক্ষের নাম ‘অমীমাংসিতের’ তালিকায়। প্রশ্ন উঠছে, কবে বাংলায় ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হবে? ৭ মে’র মধ্যে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হলে, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে। এই আবহে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা নিয়ে কী বলছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল? অমীমাংসিতের তালিকায় ৬০ লক্ষের নাম নিয়ে কী বক্তব্য তাঁর? শুক্রবার বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিলেন তিনি। কী বললেন রাজ্যের সিইও?


এদিন বিধানসভায় এসেছিলেন সিইও। রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নের স্ক্রুটিনি হয় এদিন। সিইও মনোজ আগরওয়াল জানান, অবজার্ভার হিসেবে বিধানসভায় এসেছেন তিনি। সেখানেই একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিলেন। বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। এই অবস্থায় সঠিক সময়ে ভোট সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। এদিন তা নিয়ে সিইও বলেন, “নির্বাচন সংক্রান্ত তারিখ আমি ঘোষণা করি না। আমার কোনও ক্ষমতা নেই। কমিশন আমার সঙ্গে আলোচনাও করবে না।” এরপরই তিনি বলেন, “এটা কমিশন বলতে পারবে। কমিশনের প্রতিনিধিরা ৪টে রাজ্য ঘুরে এখানে আসছেন। তাঁরাই সিদ্ধান্ত নেবেন।”



চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরও ৬০ লক্ষের নাম অমীমাংসিতের তালিকায় রয়েছে। এই নিয়ে এদিন সিইও বলেন, “এটা তো এসআইআর গাইডলাইনে ছিল না। সুপ্রিম কোর্টে ম্যাটার গিয়েছে। অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে এই অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। ৬০ লক্ষের মধ্যে ৬ লাখের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। বাকি কী হবে, সেসব আমরা জানি না। কমিশন এসে সিদ্ধান্ত নেবে। সেটা কী হবে, তা আমরা জানি না।”

এরপরই তিনি বলেন, “এইরকম পরিস্থিতি আগে কখনও হয়নি। তবে এত পরিমাণে না হলেও অনেক ফর্ম ৬ শেষের দিকে আসে। সেগুলো থেকে যায়। নমিনেশনের শেষ দিন পর্যন্ত দেওয়া যায়। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সব কেস নিষ্পত্তি হয় না। তবে এই পরিমাণে অ্যাজজুডিকেশন আমি দেখিনি।

৬০ লক্ষ নাম অ্যাডজুডিকেশনে থাকার পিছনে কাদেরও ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন করা হয় সিইও-কে। যার জবাবে তিনি বলেন, “এরকম নির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ এলে আমরা নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেব। কিন্তু আমরা এখন এত ব্যস্ত, এখন এই কাজ করব কী অন্য কাজ করব! এখন এত সময় নেই যে ধরে ধরে শাস্তি দেব।”

শুনানিতে নথি দেওয়ার পরও অ্যাডজুডিকেশমনে নাম থাকা নিয়ে মনোজ আগরওয়াল বলেন, “এইভাবে আমি কিছু বলতে পারব না। ডিইও-র কাছে রিপোর্ট চেয়েছি। তথ্য প্রমাণ অনুসন্ধান করে তবে কিছু বলতে পারব। আমরা আইনগতভাবেই ব্যবস্থা নেব।”

রাজ্যে আসছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। ৯ মার্চ আটটি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবে। ফুল বেঞ্চ আসার কয়েকদিনের মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার নিয়ম রয়েছে। তা যদি হয়, তাহলে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে ৬০ লক্ষের নিষ্পত্তি কোনওমতেই সম্ভব নয় বলেই মনে করছে কমিশন।

আসছে আরও জুড়িশিয়াল অফিসার, ৬০ লক্ষ অমীমাংসিত নামের নিষ্পত্তি হতে কতদিন লাগতে পারে?
অমীমাংসিতের তালিকা নিষ্পত্তি হতে কতদিন লাগতে পারে?

ভোটের নির্ঘণ্ট কবে ঘোষণা হবে? আর নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে কি সম্ভব হবে অমীমাংসিতের তালিকায় থাকা ৬০ লক্ষের নথি যাচাই? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। কমিশনের কর্তারা অবশ্য খুব একটা আশার আলো দেখাতে পারছেন না। তাঁরা মনে করছেন, মার্চের শেষেও অমীমাংসিতের তালিকায় থাকা ৬০ লক্ষ ৬ হাজারের নাম নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব নয়। অর্থাৎ মার্চে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হলে, তার আগে কোনওভাবেই বিবেচনাধীন লিস্ট প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেখানে ৬০ লক্ষের নাম অমীমাংসিতের তালিকায় থাকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জুডিশিয়াল অফিসাররা ওই অমীমাংসিতদের নথি খতিয়ে দেখছেন। এখনও পর্যন্ত বিবেচনাধীন কেস সাড়ে ৭ লক্ষ নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।আগামিকাল (৭ মার্চ) ঝাড়খণ্ড থেকে ১০০ জুডিশিয়াল অফিসার আসছেন। ওড়িশা থেকেও আসবেন আরও ১০০ জুডিশিয়াল অফিসার। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪পরগনা, বীরভূম, হুগলি, হাওড়া, নদীয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব বর্ধমান- এই আটটি জেলার বিবেচনাধীনের তালিকার নিষ্পত্তি করবেন তাঁরা। তাঁদের কাজ শুরু করতে আগামী সপ্তাহ সময় লেগে যাবে। এই মুহূর্তে কাজ করছেন ৫০১ জন জুডিশিয়াল অফিসার। হিসেব বলছে, গড়ে ১ লক্ষ ৪০ হাজার একদিনে নিষ্পত্তি হলেও এক থেকে দেড় মাস সময় লেগে যাবে।


শুভেন্দুর সেই কথাই কি সত্যি? বাংলায় কি জারি হবে রাষ্ট্রপতি শাসন? বড় জল্পনা
অন্যদিকে রাজ্যে আসছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। ৯ মার্চ আটটি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবে। রাজনৈতিক দলগুলির দাবি, অমীমাংসিতের তালিকার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যাতে ভোট ঘোষণা না হয়। তারা এই বিষয়টা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সামনে তুলে ধরবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। ফুল বেঞ্চ আসার কয়েকদিনের মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার নিয়ম রয়েছে। তা যদি হয়, তাহলে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে ৬০ লক্ষের নিষ্পত্তি কোনওমতেই সম্ভব নয় বলেই মনে করছে কমিশন।

কমিশন সূত্রের খবর, গতকাল হাইকোর্টের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বলেন, ৭ থেকে ১০ দিনের মাথায় সাপ্লিমেন্টারি ফাইনাল লিস্ট বের করার কথা। সেক্ষেত্রেও বাদ পড়ে থাকবে বহু ভোটারের ভাগ্য। ১০ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার পরবর্তী শুনানি। সেখানে এই বিষয় উল্লেখ করতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস।

বছর পঞ্চান্নর ওই মহিলার নাম লক্ষ্মী দাস। তাঁর দুই ছেলে। স্বামী মারা গিয়েছেন বেশ কিছু বছর আগে। স্বামী কাজ করতেন পুলিশের কনস্টেবল পদে। বাবার মৃত্যুর পর সেই চাকরি পান ছোট ছেলে বিকাশ দাস। তিনি বর্তমানে মালদা সংশোধনাগারে কর্মরত।এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলার পলি সরকারের অভিযোগ, 'দুই ছেলেই মদ্যপ।

মায়ের দেহ চুপিসারে বাড়ি থেকে 'বের করছিলেন' ছেলে, হাতেনাতে ধরলেন গ্রামবাসীরা
বাড়ির দোরগোড়ায় দেহ

রাতের অন্ধকারে চুপিচুপি মায়ের মৃতদেহ ছাদ থেকে নামাচ্ছিল ছেলে। মৃতদেহ-সহ ছেলেকে হাতেনাতে ধরলেন এলাকাবাসীরা। শোরগোল মালদহ শহরের বালুরচর এলাকায় মুচিপাড়াতে। ইংরেজবাজার থানার পুলিশ আটক করল সেই ছেলেকে নাম কৃষ্ণ দাস, তাঁর অন্য ভাই আবার পুলিশ কর্মী। উদ্ধার করা হল তাঁর মায়ের মৃতদেহ। যে মৃতদেহ দিন দুই তিনের পুরনো বলে অভিযোগ।

বছর পঞ্চান্নর ওই মহিলার নাম লক্ষ্মী দাস। তাঁর দুই ছেলে। স্বামী মারা গিয়েছেন বেশ কিছু বছর আগে। স্বামী কাজ করতেন পুলিশের কনস্টেবল পদে। বাবার মৃত্যুর পর সেই চাকরি পান ছোট ছেলে বিকাশ দাস। তিনি বর্তমানে মালদা সংশোধনাগারে কর্মরত।এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলার পলি সরকারের অভিযোগ, ‘দুই ছেলেই মদ্যপ। এলাকার মানুষের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ভাল ছিল না। খুব খারাপ ব্যবহার করত বলে অভিযোগ।


ট্র্যাফিক পুলিশের বুথে উঁকি দিয়েই শিউরে উঠলেন সবাই, কী হল?
গানের কথায় মেয়েদেরকে নিয়ে ‘অশ্লীল’ শব্দ, মহিলা কমিশনের তলবের মুখে বাদশা
এলাকাবাসীরা জানান, ছেলেরা অসুস্থ মাকে দেখাশোনা করতেন না। দোলের সময় থেকে বাড়িতে একাই থাকতেন। আজ সন্ধ্যায় প্রতিবেশীরা দেখেন ওই বৃদ্ধার বড় ছেলে কৃষ্ণ দাস মায়ের নিথর দেহ তিনতলার ছাদ থেকে একতলায় নামিয়ে নিয়ে আসছে। তা দেখে সন্দেহ হয় এলাকার মানুষের।প্রতিবেশীরা মৃতদেহ সরিয়ে নিতে বাধা দেন বড় ছেলেকে। খবর দেওয়া হয় ইংরেজবাজার থানায়। পুলিশ এসে ওই মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। আটক করা হয়েছে বড় ছেলে কৃষ্ণ দাসকে।

 এর আগেও একাধিক ভাষায় নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, “নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ না করে, তাহলে গণতন্ত্র বিপদের মুখে পড়বে।ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হলে আমরা তা মেনে নেব না।” তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন, “কমিশনকে পরিষ্কার করে বলতে হবে কেন এই প্রক্রিয়ায় এত মানুষের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।"



কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বাংলায় আসার আগে তোপ তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর অভিযোগ, অপরিকল্পিত এসআইআর-এর জন্য বহু বৈধ নাম বাদ গিয়েছে। যতদিন মানুষ বঞ্চিত থাকবে, ততদিন তৃণমূল রাস্তায় থাকবে। মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, “ইতিমধ্যেই বাংলা থেকে ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম কাটা হয়েছিল। ডিসেম্বর মাসে যখন ড্রাফট ভোটার লিস্ট বেরিয়েছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি যে তালিকা প্রকাশিত হল, সেখানে অতিরিক্ত সাড়ে পাঁচ লক্ষ থেকে ছ’লক্ষ মানুষের নাম কাটা হয়েছে। সংখ্যাটা ৬৩-৬৪ লক্ষ। আর বিচারাধীন রয়েছে ৬০ লক্ষের ওপর। সংখ্যাটা ১ কোটি ২৪ লক্ষ।”

তাঁর বক্তব্য, এসআইআর ঘোষণা হওয়ার তিন মাস আগে থেকে বিজেপি নেতারা দাবি করে আসছিলেন, ১ কোটির ওপর লোকের নাম বাদ যাবে। অভিষেকের কথায়, ‘এটা তো কাকতালীয় হতে পারে না।’ তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে কাউকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। সেক্ষেত্রে অভিষেক বলেন, “কাগজ জমা দেওয়ার পরও বিচারাধীন।”



এর আগেও একাধিক ভাষায় নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, “নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ না করে, তাহলে গণতন্ত্র বিপদের মুখে পড়বে।ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হলে আমরা তা মেনে নেব না।” তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন, “কমিশনকে পরিষ্কার করে বলতে হবে কেন এই প্রক্রিয়ায় এত মানুষের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।” এসআইআর-এর প্রতিবাদ করতে দিল্লি পর্যন্ত গিয়েছিলেন অভিষেক। CEC-জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ভোট ঘোষণা হবে বলে সূত্রের খবর। তার আগেই কলকাতায় আসছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। আগামী ৮ মার্চ অর্থাৎ রবিবার রাতে কলকাতায় আসবেন কমিশনের প্রতিনিধিরা। ৯ মার্চ (সোমবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জাতীয় বা রাজ্যের স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে ওই প্রতিনিধি দলের বৈঠক হবে।


সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল এই বদলিগুলিতে (Administrative Reshuffle) সম্মতি দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করার দিন থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

IAS-WBS-সহ রাজ্যের বড় আমলাদের পদে রদবদল নবান্নের!
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোট আবহেই রাজ্যে এবার একাধিক আইএএস এবং ডব্লিউবিএস এগজিকিউটিভ অফিসার বদলি। বদলি করা হয়েছে এসডিও এবং এডিএমও। শুক্রবার রাজ্য প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বড় রদবদল করা হয়েছে।

কোন কোন পদে রদবদল?




•বর্তমান কমিশনার সুমিতা গুপ্তকে ডিএলআরএস পদে নিয়োগ করা হয়েছে।
•ডব্লুবিএসআইডিসিএলের এমডি নিখিল নির্মলকে নদিয়ার জেলাশাসক করা হয়েছে।
•নদিয়ার বর্তমান জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্তকে বাঁকুড়ার জেলাশাসক করা হয়েছে।
•অভিজিৎ তুকারাম আলিপুরদুয়ারের নতুন জেলাশাসক; তিনি আগে প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের বিশেষ সচিব ছিলেন।
•সিয়াদ এন উত্তর ২৪ পরগনার নতুন জেলাশাসক হয়েছেন; তিনি আগে বাঁকুড়ার জেলাশাসক ছিলেন।
•উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনাকে কেএমডিএ-র সিইও করা হয়েছে।
•পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সদস্য সচিব তনভির আফজল উত্তর দিনাজপুরের নতুন জেলাশাসক হয়েছেন।
•অতিরিক্ত জেলাশাসক (এডিএম) ও এসডিও স্তরেও একাধিক বদলি করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল এই বদলিগুলিতে (Administrative Reshuffle) সম্মতি দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করার দিন থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের প্রায় শেষের দিকেও রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় ঝাঁকুনি দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই পর্যায়ে কলকাতা পুরসভার কমিশনার-সহ রাজ্যের একঝাঁক জেলার জেলাশাসক বদল করা হয়। এমনকি কয়েকটি জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসকদেরও বদলি করা হয়। এবারের বদলির বিষয়ে রাজ্য প্রশাসনের একাংশের মত, কিছুদিনের মধ্যে রাজ্যে ভোট ঘোষণা হয়ে যাবে। তারপর কার্যকর হয়ে যাবে আদর্শ আচরণবিধি। তার আগেই রাজ্য প্রশাসনে রদবদল করা হল।


ফেব্রুয়ারি মাসের ৬ তারিখই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয় রাজ্যকে ২৫ শতাংশ ডিএ দিতে হবে এরিয়ার সমেত। আর বাকি ৭৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলনকারীরা সংশয়ে ছিলেন, আদৌ এরপরও রাজ্য সরকার ডিএ মেটাবে কিনা। তাঁরা একটি স্মারকলিপিও জমা দেন।

নির্ধারিত সময়ে ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়, সুপ্রিম কোর্টে সময় চাইল রাজ্য
সুপ্রিম কোর্টে সময় চাইল রাজ্য

প্রথম কিস্তির ২৫ শতাংশ ডিএ এই মুহূর্তে দেওয়া সম্ভব নয়, নতুন করে শীর্ষ আদালতে আবেদন করল রাজ্য। আরও সময় চাইল রাজ্য। রাজ্যের এই আর্জিতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদন রাজ্য উল্লেখ করেছে, আগামী ডিসেম্বর মাসের ৩১ তারিখের আগে ডিএ তারা দিতে পারছে না। এই আপিলে রাজ্য স্পষ্ট করেছে কত সংখ্যক সরকারি কর্মী রয়েছেন, কতজন পেনশনরত কর্মচারী রয়েছেন। যাঁদের নিয়োগ ২০১৬ সালের আগে, তাঁদের সার্ভিস বুক খুঁজে বার করতে অনেকটা সময় লাগবে।

রাজ্য আবেদনে উল্লেখ করেছে, ২০০৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যবর্তী সময়ের বকেয়া ডিএ পাওয়ার জন্য বর্তমানে কর্মরত মোট ৩,১৭,৯৫৪ জন কর্মচারী রয়েছেন।


বোস বসে গেলে ভোঁতা হবে তৃণমূলের ‘অস্ত্র’? কেন দিতে হল ইস্তফা?
বাংলার দায়িত্বে প্রাক্তন গোয়েন্দাকর্তা, দিল্লিতে প্রাক্তন কূটনীতিক! দেশজুড়ে বদল রাষ্ট্রপতির
কতদিন পর আবার গ্যাস বুকিং করতে পারবেন? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে নতুন নিয়ম জেনে নিন
পেনশনভোগীদের তথ্য: রাজ্য স্পষ্ট করেছে যে, অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের সম্পূর্ণ ডেটাবেস তাদের কাছে নেই, এই সমস্ত তথ্য কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (C&AG)-এর দফতরে সংরক্ষিত আছে।

হিসাব নিকাশের জটিলতা: AICPI (সর্বভারতীয় উপভোক্তা মূল্য সূচক) অনুযায়ী ডিএ নির্ধারণের বিষয়টি কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত—উভয় পক্ষের জন্যই প্রযোজ্য। তবে একটি প্রযুক্তিগত সমস্যা হল, ডিজিট্যাল পদ্ধতিতে বেতনের রেকর্ড শুধুমাত্র ২০১৬ সাল থেকে উপলব্ধ। এর আগের সমস্ত হিসাবের জন্য হাতে লেখা ‘সার্ভিস বুক’ (Service Book) পরীক্ষা করতে হবে, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ।

বকেয়া মেটানোর সময়সীমা: বকেয়া মেটানোর ক্ষেত্রে দুটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে বলে জানানো হয়েছে। রাজ্য বাজেটে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দের সুযোগ আছে কি না, সেটা উল্লেখ রয়েছে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। এই কম সময়ের মধ্যে এই কাজ অসম্ভব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারি মাসের ৬ তারিখই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয় রাজ্যকে ২৫ শতাংশ ডিএ দিতে হবে এরিয়ার সমেত। আর বাকি ৭৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলনকারীরা সংশয়ে ছিলেন, আদৌ এরপরও রাজ্য সরকার ডিএ মেটাবে কিনা। তাঁরা একটি স্মারকলিপিও জমা দেন। যদিও সে স্মারকলিপি নবান্নে গিয়ে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, তা দিতে পারেননি। পরে পুলিশের হাত দিয়েই সেই স্মারকলিপি পাঠানো হয় নবান্নে। তার মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে সময় চেয়ে নতুন করে আবেদন রাজ্যের।