WEATHER

Top News

 

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে অনুদান বৃদ্ধি: সাগরে ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ ও বিজয় মিছিল


রাজ্য বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আর্থিক অনুদান বৃদ্ধির ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মা-বোনেদের অদম্য শক্তি জোগাতে নেওয়া এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে উৎসবে মাতল সাগর ব্লকের ধসপাড়া সুমতিনগর ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। গোবিন্দপুর বাজারে ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে, উন্নয়নের পাঁচালী’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে এক বিশাল আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলের মূল আকর্ষণ ছিল গ্রামীণ মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। আবির খেলা, মিষ্টি মুখ এবং শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। মহিলারা একে অপরকে সবুজ আবির মাখিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, এবারের বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ ‘বাংলার বাড়ি’ ও একাধিক প্রকল্পের বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের এই জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই বিজয় মিছিলের আয়োজন। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সাগর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি মহিতোষ দাস ও স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সুতনু মাইতি সহ অঞ্চলের বিশিষ্ট নেতৃত্ব ও স্থানীয় কর্মীবৃন্দ।
সুতনু মাইতি বলেন, "মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব সময় বাংলার মা-বোনেদের কথা ভাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাড়ানো সেই দিশারই এক প্রতিফলন। ধসপাড়া অঞ্চলের মহিলারা মিছিলের মাধ্যমে তাঁদের প্রিয় নেত্রীকে কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।"

১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে নিরাপদ যাতায়াত ও যানজটমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে বিশেষ অভিযানে নামল সুন্দরবন পুলিশ জেলার কাকদ্বীপ ট্রাফিক বিভাগ। বৃহস্পতিবার কাকদ্বীপ চৌরাস্তা থেকে কলেজ পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তায় ফুটপাত দখলদারি হটাতে এই প্রচার ও অভিযান চালানো হয়। 


পথচারীদের জন্য সুগম রাস্তা নিশ্চিত করতেই পুলিশের এই বিশেষ তৎপরতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কাকদ্বীপ চৌরাস্তা থেকে কলেজ পর্যন্ত জাতীয় সড়কের দু’পাশে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চালাচ্ছিলেন বহু মানুষ। এর ফলে সাধারণ পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মূল রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হচ্ছিল। ব্যস্ততম এই জাতীয় সড়কে এর ফলে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সাধারণ যাত্রীদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতেই এদিন ট্রাফিক পুলিশ ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে এবং ফুটপাত খালি করার নির্দেশ দেয়।
এদিনের অভিযানে ট্রাফিক আধিকারিকরা রাস্তার দু’ধারের ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, ফুটপাত পথচারীদের হাঁটার জন্য, ব্যবসার জন্য নয়।

 কেবল ব্যবসায়ীদের সরানোই নয়, মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য রাস্তা কতটা প্রশস্ত হওয়া প্রয়োজন, সেই বিষয়েও সচেতন করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনেও এই নজরদারি বজায় থাকবে যাতে পুনরায় ফুটপাত দখল না হয়।
কাকদ্বীপের বাসিন্দারা পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, ফুটপাত দখলমুক্ত হলে কেবল যানজটই কমবে না, বরং স্কুলের পড়ুয়া ও বয়স্কদের যাতায়াত অনেক নিরাপদ হবে। সুন্দরবন পুলিশ জেলার ট্রাফিক বিভাগের এই ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইভ’ কর্মসূচি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

 ষ্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার

দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের পর এবার কাকদ্বীপে তৃণমূল বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরাকে ঘিরে বিতর্ক ছড়াল পোস্টারকে কেন্দ্র করে। আজ সকাল থেকে কাকদ্বীপ শহর সহ একাধিক পঞ্চায়েত এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে লাগানো পোস্টার চোখে পড়ে। 


ওই পোস্টারে বিধায়ককে খুনি, বাঙাল বিরোধী এবং এসআইআরের মাধ্যমে নাম দেওয়ার পরিকল্পনাকারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টার ঘিরে সকাল থেকেই এলাকায়


 চাঞ্চল্য ছড়ায় এবং রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চাপানউতোর। কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিওবা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে কাকদ্বীপ বিধানসভার তৃণমূল কো-অর্ডিনেটর শান্তনু বাপুলি বলেন "বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরাকে কালিমালিপ্ত করার জন্য রাতের অন্ধকারে কিছু সমাজ বিরোধী এবং কিছু বিজেপির লোকজন চক্রান্ত করে এই পোস্টার লাগিয়েছে। ওদের দিনের আলোয় পোস্টার লাগানোর সাহস নেই। তিনি আরো বলেন এই গোটা ঘটনায় বিধায়ক লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন।" 
তবে বিজেপির দাবি, এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেরই বহিঃপ্রকাশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাকদ্বীপ জুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে।



ষ্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার

নামখানা ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে আজ ১০ মাইলে ফ্রেজারগঞ্জ কৃষ্ণ প্রসাদ আদর্শ বিদ্যাপীঠ স্কুলে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে জল ও পেন বিতরণ করা হয়। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা চলাকালীন মানসিক উৎসাহ ও শুভেচ্ছা জানানোই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।


সংগঠনের পক্ষ থেকে সকল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ও মানবিকতার বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। 



উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সহকারী সভাধিপতি সীমান্ত কুমার মালি। উপস্থিত ছিলেন নামখানা পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি অভিষেক দাস। এবং নামখানা তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের সমর্থনরা ছিল।


স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার


কোতোয়ালি থানার আইসি-র বক্তব্য়, "নয়ডার পুলিশ আমাদের টিমকে জানিয়েছে, পলিটিক্যাল হাই লেভেল ইস্যু রয়েছে। আমরা আপনাদের সাহায্য করতে পারব না। ওখানকার বিজেপির মিডিয়া সেলের কোনও একটা পদে রয়েছেন অভিযুক্ত।" আইসি আরও জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশ মেনেই পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।


মহুয়ার অভিযোগ পেয়েই নয়ডা ছুটল নদিয়ার পুলিশ, তারপর যা হল...
মহুয়া মৈত্রের অভিযোগ নিয়ে কী বললেন কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাস?

 ছুটল নদিয়ার পুলিশ। তবে অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে ‘বাধা’-র মুখে পড়তে হল তাদের। নদিয়ার পুলিশের দাবি, অভিযুক্তকে পালাতে সাহায্য করে নয়ডার পুলিশ। শুধু তাই নয়, জেলা পুলিশের টিমকে সেখানকার থানায় দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখা হয়। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়েছে। জেলা পুলিশের এই ‘অতিসক্রিয়তা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।

সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সঙ্গে এক নামকরা ভোটকুশলীর ভুয়ো চ্যাট সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্টের অভিযোগ ওঠে সুরজিৎ দাশগুপ্ত নামে নয়ডার এক বাসিন্দা বিরুদ্ধে। এই নিয়ে কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তৃণমূল সাংসদ। পুলিশ জানিয়েছে, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার ডিজিটাল ফরেনসিক বিভাগ ওই চ্যাট পরীক্ষা করে নিশ্চিত করে যে ওই চ্যাটটি সম্পূর্ণ ভুয়ো ও মনগড়া। এরপরই অভিযুক্ত সুরজিৎ দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় এবং তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়। ৯ ফেব্রুয়ারি থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি উপস্থিত হননি। এমনকি পুলিশের সঙ্গে কোনও যোগাযোগও করেননি বলে অভিযোগ।



বিধানসভা ভোটের আগেই হুমায়ুনের বাবরি মসজিদের নির্মাণ শুরু
এরপর আদালতের দ্বারস্থ হয় পুলিশ। আদালত সুরজিৎ দাশগুপ্তর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার চার সদস্যের একটি বিশেষ দল নয়ডা-য় অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য যায়। সেখানে ওই দলকে পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয়। অভিযোগ, ফেজ-টু থানা এলাকার চৌকি নম্বর ১১০-র অন্তর্গত পুলিশ নদিয়া পুলিশের বিশেষ টিমকে ‘বাধা’ দেয়। অভিযুক্তকে পালাতে সাহায্য করে। কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রায় দেড় ঘণ্টা থানায় বসিয়ে রাখা হয় ওই দলকে।

কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাস বলেন, “ওই ব্যক্তি ভুয়ো চ্যাট টুইট করেন। ৭ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ দায়ের করি আমরা। ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁকে নোটিস পাঠিয়ে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু, তিনি কোনও জবাব দেননি। তখন আমরা আদালতের দ্বারস্থ হই। আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। তখন আমাদের টিম নয়ডায় যায়। বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়। স্থানীয় পুলিশ সুরজিৎ দাশগুপ্তকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর আমাদের টিমকে থানায় এনে বসিয়ে রাখা হয়।” আইসি জানান, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে জেলা পুলিশের বিশেষ টিম এখনও নয়ডায় রয়েছে। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য়, “নয়ডার পুলিশ আমাদের টিমকে জানিয়েছে, পলিটিক্যাল হাই লেভেল ইস্যু রয়েছে। আমরা আপনাদের সাহায্য করতে পারব না। ওখানকার বিজেপির মিডিয়া সেলের কোনও একটা পদে রয়েছেন অভিযুক্ত।” আইসি আরও জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশ মেনেই পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।

তৃণমূল সাংসদের অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তা নিয়ে কটাক্ষ করেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির উত্তর নদিয়া সাংগঠনিক জেলার মুখপাত্র সন্দীপ মজুমদার বলেন, “নয়ডা থানার পুলিশ নাকি সুরজিৎবাবুকে গ্রেফতার করতে দেয়নি। তাঁকে পালাতে সাহায্য করেছে। কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার আইসি বলছেন, তাঁদের থানা থেকে যে ৪ জনের টিম গিয়েছিল, তাদের আটক করে থানায় দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখা হয়েছিল। এটা প্রশাসনিক বিষয়। প্রশাসনই এর উত্তর দিতে পারবে। কিন্তু, আমার প্রশ্ন, মহুয়ার অভিযোগ নিয়ে পুলিশ অতিসক্রিয়, আর আমি যখন অভিযোগ করেছিলাম তখন পুলিশ কেন পদক্ষেপ করেনি? কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে মহুয়া মৈত্রের মন্তব্য নিয়ে আমি এই কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলাম। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। কোতোয়ালি থানার পুলিশের এই বিমাতৃসুলভ আচরণ কেন?”

নদিয়া পুলিশের এই অতিসক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তিনি বলেন, “বাংলার পুলিশ যদি এই সক্রিয়তা মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ ও ধর্ষণের মামলার তদন্তে দেখাত, তাহলে বাংলার কন্যারা আজ আরও সুরক্ষিত থাকত।”

ED সূত্রে খবর, ধৃত চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁ র বাড়িতে লুকিয়ে রাখা ছিল ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গহনা। মিলেছে লুকিয়ে রাখা নগদ ২৮ লক্ষ টাকা। এই মামলার তল্লাশিতে অপর এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা নগদ মিলেছে।

কলকাতায় মিলল কাঁড়ি-কাঁড়ি টাকা, ইডি বাজেয়াপ্ত করল ৪ কোটি, সঙ্গে উদ্ধার সোনার গহনাও

কয়লা পাচারের নতুন মামলায় তদন্তে নেমেই উদ্ধার টাকার পাহাড়। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ চার কোটি ছুঁয়েছে, এমনটাই জানতে পারছে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে। ধৃত চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁর বাড়িতে মিলছে বিপুল টাকা ও গয়না। জানা যাচ্ছে, প্রায় সোয়া ১ কোটির মতো টাকা ও নগদ উদ্ধার হয়েছে।


ED সূত্রে খবর, ধৃত চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁ র বাড়িতে লুকিয়ে রাখা ছিল ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গহনা। মিলেছে লুকিয়ে রাখা নগদ ২৮ লক্ষ টাকা। এই মামলার তল্লাশিতে অপর এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা নগদ মিলেছে। এই মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে দু’মাস আগে। তাতেই চার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করতে সক্ষম হয়েছে। ইডি আগেই জানিয়েছিল, কয়লা চুরি ও দুর্নীতির টাকা প্রায় ১৭০ কোটি টাকারও বেশি। অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে এই টাকার অঙ্ক বাড়ছে। এই যে দু’কোটি টাকার গহনা অভিযুক্তরা কোথা থেকে সংগ্রহ করল তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।



মহুয়ার অভিযোগ পেয়েই নয়ডা ছুটল নদিয়ার পুলিশ, তারপর যা হল...
ইডি জানতে পেরেছে, লালার মাধ্য়মে নিজেদের কয়লা-সাম্রাজ্য তৈরি করেছিল চিন্ময়-কিরণ। ইতিমধ্যেই চিন্ময় ও কিরণকে বিশেষ ইডি আদালতে পেশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কয়লাপাচার মামলার তদন্ত শুরু করে সিবিআই (CBI)। রাজ্য়ে রেলের বিভিন্ন সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরির ঘটনা প্রকাশ্য়ে আসতেই প্রথমে আয়কর দফতর, পরে সিবিআই এই নিয়ে তদন্তে নামে। সেই সূত্র ধরেই বেরিয়ে আসে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার নাম। এর আগে গরু পাচার মামলার অভিযুক্ত এনামুল হকের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছিল। সেই লালাকেই পাওয়া গেল কয়লা মামলায়।

 অনেক বছর ধরেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন কারণে অশান্তি হত। কিন্তু গেঞ্জি কারখানায় যোগ দেওয়ার পর এই অশান্তি আরও বেড়ে যায়। কারণ ওই কারখানারই এক জনের সঙ্গে ওই মহিলার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়। এনিয়ে ওই দম্পতির মধ্যে বিবাদ চরমে ওঠে। স্বামীর চাপে বাধ্য হয়ে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ডোমজুড় থানায় মঙ্গলবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন মহিলা।

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জের, স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে
ঘর থেকে উদ্ধার দেহ

 বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জের। স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ডোমজুড়ের জালান কমপ্লেক্সে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা রাহুল শেখ তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন জালান কমপ্লেক্সের তিন নম্বর গেটের পাঁচ নম্বর লেনে। দু’জনেই কাজ করতেন গেঞ্জি কারখানায়।এই কারখানার ঠিকাদার রোশন কুমারের সঙ্গে রাহুলের স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেক বছর ধরেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন কারণে অশান্তি হত। কিন্তু গেঞ্জি কারখানায় যোগ দেওয়ার পর এই অশান্তি আরও বেড়ে যায়। কারণ ওই কারখানারই এক জনের সঙ্গে ওই মহিলার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়। এনিয়ে ওই দম্পতির মধ্যে বিবাদ চরমে ওঠে। স্বামীর চাপে বাধ্য হয়ে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ডোমজুড় থানায় মঙ্গলবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন মহিলা। পুলিশ ঠিকাদারকে গ্রেফতার করে।



রাহুল গান্ধী পেলেন কোথা থেকে? বিতর্কিত বই নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন প্রাক্তন সেনা প্রধান নারাভানে
কিন্তু এরপরেও স্বামী স্ত্রীর ঝামেলা থামেনি। আজ ঘর থেকে স্ত্রীর দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর থেকে স্বামী রাহুল শেখ পলাতক।সেকারণেই পুলিশের সন্দেহ এটা খুনের ঘটনা। ডোমজুড় থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।




সচিন তেন্ডুলকরের ছেলে অর্জুন তেন্ডুলকর একজন বোলিং অলরাউন্ডার। তিনি গোয়ার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেন। আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে অতীতে খেলেছেন। বিখ্যাত বাবার ছেলে হওয়া সত্ত্বেও ২৬ বছর বয়সি অর্জুন নিজের পরিচিতি গড়ে তুলছেন। অর্জুন ও সানিয়ার বিয়ে নির্ধারিত হয়েছে ৫ মার্চ। অনুষ্ঠান শুরু হবে ৩ মার্চ আত্মীয় ও বিশেষ অতিথিদের নিয়ে। জানা গিয়েছে, এই অনুষ্ঠানে নিজে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর।

: সচিন তেন্ডুলকরের পুত্রবধূ সানিয়া চন্দ্রক কে জানেন? ব্যবসা, পরিবার ও বিয়ের সমস্ত খুঁটিনাটি!


ক্রিকেট ও কর্পোরেট, দুই পরিবারের মিলন হতে চলেছে খুব তাড়াতাড়ি। সচিন তেন্ডুলকরের ছেলে অর্জুন তেন্ডুলকর এবং শিল্পপতি রবি ঘাইয়ের নাতনি সানিয়া চন্দ্রকের বিয়ে। এই বিয়ে শুধুমাত্র একটি সেলিব্রেটি ওয়েডিং নয়, বরং বলা যায় ক্রিকেট ও ব্যবসার মেলবন্ধন।


কে এই সানিয়া চন্দ্রক?
মুম্বইয়ের বাসিন্দা সানিয়া চন্দ্রক, একজন তরুণী ব্যবসায়ী। চর্চা থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করেন তিনি। পেট কেয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে তাঁর। এটি খুব দ্রুত ভারতে বেড়ে ওঠা একটি সেক্টরের মধ্যে অন্যতম। বর্তমানে এর বাজারমূল্য ৫,০০০ কোটি টাকারও বেশি।


সানিয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা-
সানিয়ার পড়াশোনা মুম্বইয়ের একটি স্কুলে। প্রাথমিক শিক্ষালাভের পর তিনি ২০২০ সালে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ডিগ্রি পান। এরপর তিনি ভেটেরিনারি টেকনিশিয়ান কোর্স করেন। সেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি প্রাণীর পরিচর্যাও শিখেছেন তিনি।


সানিয়ার পরিবার-
সানিয়ার বাবা সানি চন্দ্রক মুম্বইয়ের একজন নামী ব্যবসায়ী। তাঁর মা গৌরিকা ঘাই চন্দ্রক। সানিয়ার দাদু রবি ঘাই গ্র্যাভিস হসপিটালিটি লিমিটেডের চেয়ারম্যান। এই ব্যবসায় বিলাসবহুল হোটেল থেকে শুরু করে প্রিমিয়াম আইসক্রিম ব্র্যান্ড পর্যন্ত রয়েছে। গ্র্যাভিস ফুড সলিউশনসের রেভিনিউ ৬০০ কোটি টাকারও বেশি। এটি তাঁদের পারিবারিক ব্যবসা।

সানিয়ার কেরিয়ার-
পরিবারের ব্যবসায় যুক্ত না হয়ে সানিয়া নিজেই বেছে নিয়েছেন নিজের পথ। ২০২২ সালে তিনি মুম্বইয়ে “মিস্টার পস পেট স্পা এন্ড স্টোর” প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংস্থা পেট গ্রুমিং ও পেট হেলথকেয়ারের জন্য পরিচিত। ভারতের পেট ইন্ডাস্ট্রি বছরে প্রায় ১৫% হারে বাড়ছে, আর সেই জায়গাতেই কাজ করছেন সানিয়া।

বার্ষিক আয়-
সানিয়া চন্দ্রকের ব্যক্তিগত আয় প্রায় ১ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ মার্কিন ডলার। উল্লেখযোগ্য ভাবে, এই সম্পদ বেশিরভাগই তাঁর নিজের অর্জিত। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া নয়।

অর্জুন তেন্ডুলকর ও বিয়ের দিনক্ষণ-
সচিন তেন্ডুলকরের ছেলে অর্জুন তেন্ডুলকর একজন বোলিং অলরাউন্ডার। তিনি গোয়ার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেন। আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে অতীতে খেলেছেন। বিখ্যাত বাবার ছেলে হওয়া সত্ত্বেও ২৬ বছর বয়সি অর্জুন নিজের পরিচিতি গড়ে তুলছেন। অর্জুন ও সানিয়ার বিয়ে নির্ধারিত হয়েছে ৫ মার্চ। অনুষ্ঠান শুরু হবে ৩ মার্চ আত্মীয় ও বিশেষ অতিথিদের নিয়ে। জানা গিয়েছে, এই অনুষ্ঠানে নিজে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর।


পুলিশ জানিয়েছে, মৃত মহিলা ও তাঁর স্বামী রাহুল শেখের বাড়ি মুর্শিদাবাদে। তাঁরা ডোমজুড়ের জালান কমপ্লেক্সের তিন নম্বর গেটের পাঁচ নম্বর লেনে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। দু’জনেই কাজ করতেন এলাকার একটি গেঞ্জি কারখানায়। এই কারখানার ঠিকাদার রোশন কুমারের সঙ্গে রাহুলের স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই নিয়ে ওই দম্পতির মধ্যে বিবাদ চরমে ওঠে বলে জানা গিয়েছে। 

স্বামীর চাপে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ডোমজুড় থানায় গতকাল শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন মহিলা। পুলিশ ঠিকাদারকে গ্রেফতার করে। এরপরও স্বামী স্ত্রীর ঝামেলা থামেনি বলে প্রতিবেশীদের বক্তব্য।

এদিন ভাড়াবাড়ি থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর থেকে তাঁর স্বামী রাহুল শেখ পলাতক। তাতেই পুলিশের সন্দেহ বেড়েছে, স্ত্রীকে খুন করে পালিয়েছেন রাহুল শেখ। ডোমজুড় থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

চাঁদনি বোদরা নামে এক প্রতিবেশিনী বলেন, “ওই মহিলা ও তাঁর স্বামী মাসখানেক আগেই এই বাড়িতে ভাড়ায় এসেছিলেন। অনেক সময়ই তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হত।” স্বামীই স্ত্রীকে খুন করে পালিয়েছেন বলে তাঁর সন্দেহ।

 
১৯৯২ সালে পথ চলা শুরু হয় জে লিগের। এই বছর এই প্রতিযোগিতার নাম 'জে ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ার ভিশন লিগ।' এই নামের অর্থ, ১৯৯২ সাল থেকে আগামী ১০০ বছর, অর্থাৎ ২০৯২ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ জাপান দেশে মোট ১০০টি ফুটবল ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হবে। সে জন্য আধুনিক ফুটবলের পরিচিতি এবং লিগের বিশ্বায়নের কথা মাথায় রেখে প্রতিযোগিতার বেশ কতগুলি নিয়ম পরিবর্তন করেছে জাপান।

নেই এক্সট্রা টাইম, লিগের ম্যাচ টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি, নতুন নিয়মে চমকে দিচ্ছে জাপান

 সদ্য শুরু হয়েছে জাপানের ঘরোয়া ফুটবল জে লিগের নতুন মরসুম। এই ২০২৬ মরসুম নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চায় এশিয়ার এই অন্যতম ফুটবল লিগ। এই বছর লিগে বেশ কিছু যুগান্তকারী নিয়মের পরিবর্তন এনেছে জাপান ফুটবল সংস্থা। সমর্থকরা বলছেন, এই নতুন নিয়মগুলির ফলে বিশ্বে আরও পরিচিতি পাবে জাপান ফুটবল। শুধু তাই নয়, ফুটবলকে জাপান নতুন এক দিশা দেখাতে চলেছে। ফুটবল এ বার থেকে আরও রোমাঞ্চকর এবং উপভোগ্য হতে চলেছে।

১৯৯২ সালে পথ চলা শুরু হয় জে লিগের। এই বছর এই প্রতিযোগিতার নাম ‘জে ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ার ভিশন লিগ।’ এই নামের অর্থ, ১৯৯২ সাল থেকে আগামী ১০০ বছর, অর্থাৎ ২০৯২ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ জাপান দেশে মোট ১০০টি ফুটবল ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হবে। সে জন্য আধুনিক ফুটবলের পরিচিতি এবং লিগের বিশ্বায়নের কথা মাথায় রেখে প্রতিযোগিতার বেশ কতগুলি নিয়ম পরিবর্তন করেছে জাপান। ইউরোপীয় ফুটবলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হওয়ার বদলে আগস্ট মাসে শুরু হয়ে মে মাস অবধি চলবে এই লিগ। এর ফলে, ট্রান্সফার উইন্ডোর দিক থেকেও সুবিধা পাবে ক্লাবগুলি। এ ছাড়াও, ২০২৬ মরসুম থেকে প্রতি দলে ৬জন বিদেশি খেলোয়াড় থাকলেও প্রথম একাদশে থাকবে মাত্র ৪ জন। প্রতিটা দলেই ১জন এশিয়ান খেলোয়াড় বাধ্যতামূলক। এর ফলে এশিয়ান ফুটবলের আরও বিকাশ হবে। এমনই আশা কর্মকর্তাদের।


সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে ম্যাচের নির্ণায়ক মুহূর্ত নিয়ে। বিশ্বের সর্বত্রই প্রতিযোগিতার প্রাথমিক পর্যায়ে ৯০ মিনিট অবধি স্কোরলাইন সমান থাকলে ম্যাচটি ‘ড্র’ বলে ধরা হয়। নক আউট পর্যায়ে দুটি অর্ধে আরও অতিরিক্ত ৩০ মিনিট অর্থাৎ মোট ১২০ মিনিট খেলা হয়। এরপরেও স্কোর সমান থাকলে টাইব্রেকার হয়। কিন্তু জাপান এতদিনের প্রচলিত ধ্যানধারণা ভেঙে দিতে চলেছে। এই মরসুমে ড্র বলে কিছুই থাকছে না জে লিগে। ৯০ মিনিট অবধি দুই দলের স্কোর সমান থাকলে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট খেলার বদলে সরাসরি টাইব্রেকার খেলতে হবে দুটি দলকে। এই টাইব্রেকারের মাধ্যমেই জয়ী হবে একটি দল। এই নিয়মের ফলে একদিকে টানটান হবে ম্যাচ। তেমনই জাপানের প্রতিযোগিতা আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। যদি ৯০ মিনিটে একটি দল জয়ী হয়, তারা পাবে ৩ পয়েন্ট। বিজিত দল পয়েন্ট পাবে না। টাইব্রেকারে জয়ী দল পাবে ২ পয়েন্ট। সে ক্ষেত্রে বিজিত দলের কপালে জুটবে ১ পয়েন্ট। এই নিয়ম প্রকাশ পেতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলেও। এর আগে কোপা আমেরিকার নকআউটে এক্সট্রা টাইমের বদলে সরাসরি টাইব্রেকার দেখা গিয়েছে। কোনও দেশের ফুটবল লিগে এমন অভিনব নিয়ম সর্বপ্রথম।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ভারতের খাদ্য সুরক্ষা ও মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (FSSAI) তরফে জানা গিয়েছে, বার্ড ফ্লু ভাইরাস উচ্চ তাপমাত্রায় ধ্বংস হয়ে যায় এবং সঠিকভাবে রান্না করা মুরগির মাংস সাধারণত নিরাপদ। তবে বিপদের আশঙ্কা বেশি থাকে কাঁচা মুরগীর মাংস পরিষ্কার করা ও কাটার সময়। তাই বাড়িতে চিকেন পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মেনে চলা জরুরি।

বার্ড ফ্লু নিয়ে আতঙ্কে? চিকেন খাওয়া বন্ধ না করে জানুন নিরাপদ উপায়


বিহারের পর এ বার তামিলনাড়ুতে বার্ড ফ্লুর সতর্কতা জারি হয়েছে। বার্ড ফ্লু নিয়ে সাম্প্রতিক সতর্কবার্তায় অনেকেই চিকেন খাওয়া বন্ধ করার কথা ভাবছেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, আতঙ্ক নয়, সঠিক পরিচ্ছন্নতা ও ভালোভাবে রান্না করলে খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হবেনা আপনার পছন্দের চিকেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ভারতের খাদ্য সুরক্ষা ও মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (FSSAI) তরফে জানা গিয়েছে, বার্ড ফ্লু ভাইরাস উচ্চ তাপমাত্রায় ধ্বংস হয়ে যায় এবং সঠিকভাবে রান্না করা মুরগির মাংস সাধারণত নিরাপদ। তবে বিপদের আশঙ্কা বেশি থাকে কাঁচা মুরগির মাংস পরিষ্কার করা ও কাটার সময়। তাই বাড়িতে চিকেন পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মেনে চলা জরুরি।


মাংস ধরার আগে ও পরে ভালো করে হাত ধোয়া বাধ্যতামূলক। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সাবান ও পরিষ্কার জলে অন্তত ২০ সেকেন্ড হাত ধুতে হবে। এতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি কমে।
কাঁচা মাংসের জন্য আলাদা জায়গা রাখুন। সবজি বা রান্না করা খাবারের সঙ্গে একই জায়গায় কাঁচা মাংস রাখলে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। একে বলা হয় ‘ক্রস কনটামিনেশন’, FSSAI জানাচ্ছে যা এড়ানো অত্যন্ত জরুরী।


নিজের বক্তব্য জোরালো করতে রণবীর তুলে ধরেছেন ‘বাইজু বাওরা’ ছবির প্রসঙ্গ। পরিচালক সঞ্জয় লীলা ভানসালি-র এই প্রজেক্টের জন্য তিনি প্রায় এক বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। সেই সময়ে তিনি একাধিক ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। কিন্তু শেষমেশ ছবিটি বন্ধ হয়ে যায়, এবং সেই দীর্ঘ প্রস্তুতির জন্য তিনি কোনও ক্ষতিপূরণ পাননি।



বলিউডের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘ডন ৩’ ঘিরে তৈরি হয়েছে বড়সড় বিতর্ক। ছবি থেকে রণবীর সিং-এর সরে দাঁড়ানো বড় বিতর্কের সুত্রপাত ঘটিয়েছে। সূত্রের খবর, ফারহান আখতার এবং রিতেশ সিদ্ধওয়ানি-র প্রযোজনা সংস্থা ‘এক্সেল এন্টারটেইনমেন্ট’ ছবির প্রি-প্রোডাকশনে হওয়া ক্ষতির জন্য রণবীরের কাছে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। তবে এই দাবি সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন অভিনেতা।

রণবীরের মতে তিনি এখনও ছবির জন্য এক টাকাও পারিশ্রমিক নেননি, ফলে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর মতে, চলচ্চিত্র জগতে কোনও প্রজেক্ট মাঝপথে থেমে যাওয়া বা বাতিল হওয়া নতুন বা অস্বাভাবিক ঘটনা নয়।


নিজের বক্তব্য জোরালো করতে রণবীর তুলে ধরেছেন ‘বাইজু বাওরা’ ছবির প্রসঙ্গ। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালী-র এই প্রজেক্টের জন্য তিনি প্রায় এক বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। সেই সময়ে তিনি একাধিক ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। কিন্তু শেষমেশ ছবিটি বন্ধ হয়ে যায়, এবং সেই দীর্ঘ প্রস্তুতির জন্য তিনি কোনও ক্ষতিপূরণ পাননি।


রণবীরের মতে, বলিউডে অনেক সময়ই নানা কারণে ছবি পিছিয়ে যায় বা বাতিল হয় কখনও বাজেট, কখনও সৃজনশীল সিদ্ধান্ত, আবার কখনও ব্যবসায়িক কৌশলের কারণে। কিন্তু এই ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণত শিল্পীরা আলাদা করে অর্থ ফেরত দাবি করেন না বা পান না।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এনেছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে আগে গুঞ্জন ছিল, ডন ৩-এর জন্য শাহরুখ খানকেও নাকি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। রণবীরের বক্তব্য, যদি শাহরুখ রাজি হতেন, তাহলে তাঁকে হয়তো কোনও ক্ষতিপূরণ ছাড়াই সরিয়ে দেওয়া হতো। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁকে দোষারোপ করা বা আর্থিক চাপ দেওয়া অন্যায্য বলেই মনে করছেন অভিনেতা।

এদিকে, রণবীর সিংয়ের প্রস্থান এবং এই আর্থিক টানাপোড়েনের জেরে আপাতত ‘ডন ৩’-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। খবর অনুযায়ী, ফারহান আখতার আপাতত ছবিটির কাস্টিং নিয়ে তাড়াহুড়ো করতে চাইছেন না। সামনে এই দ্বন্দ্ব কোন পথে গড়ায়, সেটাই এখন দেখার।

দিল্লিতে ভাড়ায় ফ্ল্যাট খুঁজছিলেন। সেই সময় ইউপিআই আইডি ব্যবহার করে পীয়ুষ ভার্মা টাকা দেন। কিন্তু পরে দেখেন তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৩০ হাজার টাকা উধাও! এরপরই ২ ফেব্রুয়ারি তিনি লালবাজার সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ অভিযোগ পেয়ে ওড়িশা থেকে রাকেশ প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও রাকেশ জেরায় পুলিশকে জানিয়েছে, তাঁর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছে দিল্লির দুই ব্যক্তি। তাঁদের নাম সঞ্জয় এবং অক্ষয়। পুলিশ হেফাজতে থাকা রাকেশকে জেরা করে পুলিশ বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছে।

দিল্লিতে পড়তে যাবেন! তার আগেই ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি মনোজ ভর্মার ছেলের সঙ্গে যা হল...শোরগোল পড়ে গেল লালবাজারে
প্রাক্তন সিপি মনোজ কুমার ভার্মা

খোদ প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মার (বর্তমানে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি) ছেলে সাইবার অপরাধের শিকার। কলকাতা পুলিশের সাইবার সেলে গত ২ ফেব্রুয়ারি একটি অভিযোগ দায়ের করেন । তাতে অভিযোগ করা হয় তাঁর ব‍্যাঙ্ক অ‍্যাকাউন্ট থেকে ৩০ হাজার টাকা প্রতারণা করে তুলে নেওয়া হয়েছে । ঘটনাটি দিল্লিতে ঘটলেও মনোজ ভার্মার ছেলে কলকাতায় এসে লালবাজারের সাইবার সেলে অভিযোগ দায়ের করেন।


দিল্লিতে ভাড়ায় ফ্ল্যাট খুঁজছিলেন। সেই সময় ইউপিআই আইডি ব্যবহার করে পীয়ুষ ভার্মা টাকা দেন। কিন্তু পরে দেখেন তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৩০ হাজার টাকা উধাও! এরপরই ২ ফেব্রুয়ারি তিনি লালবাজার সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ অভিযোগ পেয়ে ওড়িশা থেকে রাকেশ প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়।


যদিও রাকেশ জেরায় পুলিশকে জানিয়েছে, তাঁর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছে দিল্লির দুই ব্যক্তি। তাঁদের নাম সঞ্জয় এবং অক্ষয়। পুলিশ হেফাজতে থাকা রাকেশকে জেরা করে পুলিশ বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছে।