WEATHER

Top News


সন্দীপ দাস,নামখানা: মহালয়ার পুণ্যলগ্নে দেবীপক্ষের সূচনাকে সামনে রেখে নামখানা ব্লকের দশ মাইল বাজার এলাকায় প্রবীণদের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দিল আলোয় ফেরা ট্রাস্ট। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিকতার বার্তা নিয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার প্রবীণদের পুজোর আনন্দে শামিল করার পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল সংস্থাটি।

সারা বছর ধরে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে চলেছে আলোয় ফেরা ট্রাস্ট। বৃক্ষরোপণ, চারাগাছের পরিচর্যা এবং প্রকৃতির সবুজ রক্ষার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এই সংস্থা।

ট্রাস্টের কর্ণধার শিক্ষক শ্রী শান্তনু রায় জানান, এলাকার সামাজিক ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলিও তাঁদের নিজেদের পরিবারের অংশ। তাঁদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং সমাজের প্রান্তিক মানুষের সমস্যাগুলির সমাধানে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে প্রকৃতির সবুজকে অক্ষুণ্ণ রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব সকলকে গ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে জল সংরক্ষণের গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। উপস্থিত অতিথিরা প্রত্যেকেই জল অপচয় রোধ, প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং পরিবেশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন করে তোলার বার্তা দেন। ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত সদস্য ও এলাকার শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতায় সমাজের তৃণমূল স্তরের সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে তার সমাধানের লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাওয়ার কথাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে।

এই কর্মসূচিতে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শ্রী শান্তনু বেরা, দেবনগর মোক্ষদা দিন্দা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন টিচার-ইন-চার্জ শ্রী সঞ্জয় জানা, ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার অফিসার-ইন-চার্জ শ্রী সুদীপ মণ্ডল এবং ‘ফুলকি’ পত্রিকার সম্পাদক শ্রী তাপস পাল।

এ ছাড়াও স্থানীয় উত্তর শিবপুর আলাপন ক্লাবের প্রতিনিধিদের বিশেষ সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

মানবিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পরিবেশ সচেতনতার মেলবন্ধনে আলোয় ফেরা ট্রাস্টের এই উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়। উৎসবের আনন্দকে সকলের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া এবং সমাজের প্রবীণ ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই প্রয়াস স্থানীয় স্তরে সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্বকে আরও একবার তুলে ধরল।

ভোট লুঠের অভিযোগ নির্বাচনের দিনই তুলেছিলেন হুমায়ুন। ৬ তারিখ একেবারে সকাল থেকে লাইমলাইটে ছিলেন তিনি। পুলিশের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ তুলে আটকও হন। এবার রেজাল্টের দিনও সেই একই অভিযোগ করলেন তিনি।


 ভোট মিটতেই কেঁদে ভাসিয়েছিলেন তিনি। সরতে চেয়েছিলেন রাজনীতি থেকেও। তবে কি তিনি কিছু আঁচ করতে পেরেছিলেন। চতুর্থ রাউন্ড শেষে রেজিনগর উপনির্বাচনে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি পেয়েছে ১২ হাজার ৭০৭। শাসকদল পেয়েছে ৩৫ হাজার ৮৯৬। আর এই ট্রেন্ড দেখেই হুমায়ুন কবীর বললেন, তিনি নাকি দুবাই চলে যাবেন। পরের পরিকল্পনা কী, সেটা বলতে গিয়েই হুমায়ুন বললেন, “‘ভারত ছেড়ে দুবাই চলে যাব। এখন আমার কাজ বাবরি মসজিদটা করা আর অধীর চৌধুরীকে ভোটে হারানো।”


ভোট লুঠের অভিযোগ নির্বাচনের দিনই তুলেছিলেন হুমায়ুন। ৬ তারিখ একেবারে সকাল থেকে লাইমলাইটে ছিলেন তিনি। পুলিশের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ তুলে আটকও হন। এবার রেজাল্টের দিনও সেই একই অভিযোগ করলেন তিনি। যেভাবে ভোটের দিন তিনি ময়দানে ছিলেন, ফলাফলের দিন তাঁকে সেভাবে গণনাকেন্দ্রের আশপাশে দেখা গেল না। প্রশ্ন করতেই বললেন, ” পুলিশ ভোট লুঠ করে বেরাচ্ছে, কোন ভরসায় গণনাকেন্দ্রে যাব? আমাকে ভয় পেয়ে খাঁচায় পুরে রেখেছিল।”



একদা কংগ্রেস নেতা। তারপর তৃণমূল। মাঝে বিজেপি ঘুরে আবার তৃণমূল। সেই তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল গড়ে বিধায়ক হওয়া। রাজনীতি থেকে বাবরি মসজিদ- হুমায়ুনের বর্ণময় রাজনৈতিক জীবনে কি এবার সত্যিই ছেদ পড়তে চলেছে? উপনির্বাচনের দিন থেকেই তাঁকে যেন রাজনৈতিক আত্মসমর্পণ করতে বারবার দেখা গিয়েছে। কখনও তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, কখনও বিধানসভাতেই যাবেন না, কখনও বলছেন বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেবেন, আবার কখনও বলছেন রাজনীতিই ছেড়ে দেবেন। এবার বলছেন দুবাই যাবেন! তিনি কি সত্যিই যাচ্ছে দুবাই? তা সময় বলবে।



২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা রাজনৈতিক চিত্র ছিল অনেকটাই আলাদা। মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি। সেই ভোটে বাম প্রার্থী শান্তিগোপাল গিরি পেয়েছিলেন ২৯৭৭টি ভোট। ১.১৯ শতাংশ ভোট পেয়েছিল বামেরা। শুক্রবার দেখা গেল, উপ নির্বাচনের ফলাফলে ১২ রাউন্ড গণনা শেষে বামেদের ঝুলিতে গিয়েছে ৫০০০ ভোট। এবারও প্রার্থী সেই শান্তিগোপাল গিরিই।

বামেদের ভোট বামেদের কাছেই আছে। নন্দীগ্রামের উপ নির্বাচনের ফলাফল সে কথাই বলছে। নিজেদের ভোটের রেকর্ড কার্যত নিজেরাই ভেঙেছে বামেরা। পালাবদলের পর রাজ্যে প্রথম ভোট এই উপনির্বাচন। ফলাফলে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের প্রভাব একেবারে সুস্পষ্ট। গণতান্ত্রিক তৃণমূল জায়গা পেয়েছে সবার শেষে। মমতা তৃণমূল এই কেন্দ্রে কংগ্রেসকেই সমর্থন করেছে। কংগ্রেস রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে আর তৃতীয় স্থানে সিপিএম।


২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা রাজনৈতিক চিত্র ছিল অনেকটাই আলাদা। মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি। সেই ভোটে বাম প্রার্থী শান্তিগোপাল গিরি পেয়েছিলেন ২৯৭৭টি ভোট। ১.১৯ শতাংশ ভোট পেয়েছিল বামেরা। শুক্রবার দেখা গেল, উপ নির্বাচনের ফলাফলে ১২ রাউন্ড গণনা শেষে বামেদের ঝুলিতে গিয়েছে ৫০০০ ভোট। এবারও প্রার্থী সেই শান্তিগোপাল গিরিই।


অন্যদিকে, আর একটু পিছনে ফিরলে দেখা যাবে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মীনাক্ষ মুখোপাধ্যায় ৬,২৬৭ ভোট পেয়েছিলেন। তাঁর পাওয়া ভোট শতাংশ ছিল ২.৭৭ শতাংশ। তাই বলা যেতে পারে, বামেদের ভোট বামেদের হাতেই রয়েছে।


২ দশক আগে এক মার্চে পুলিশের গুলিতে এই নন্দীগ্রামে ১৪ জন গ্রামবাসীর মৃত্যু ঘিরে আগুন জ্বলেছিল নন্দীগ্রামে। বাম সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা রাজ্যে। পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছিল। তারপর অনেক রাজনৈতিক উত্থান-পতনের সাক্ষী থেকেছে নন্দীগ্রাম। ২০২১-এ সেই নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হতে হয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এবার উপনির্বাচনে সেই কেন্দ্রে রেকর্ড মার্জিনে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ।



‘বিতর্কের সূত্রপাত বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা দিয়ে। বৃহস্পতিবার ভোরে বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মুখ এবং মোটরবাইকের নম্বর প্লেট কাপড়ে ঢেকে এক দুষ্কৃতী প্রবীণ আইনজীবীর বাড়ির সামনে এসে উপস্থিত হয়।


নিজের পোস্ট থেকে ‘হিন্দু’ শব্দ ডিলিট না করলে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার পাল্টা সিপিএমের বর্ষীয়ান নেতা তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য তুললেন পাল্টা প্রশ্ন। তিনি বললেন, “আমাকে যদি শুভেন্দুবাবুর নেতারা বলেন চার্ট করে হিন্দু ভাবাবেগ বলতে ওঁরা কী বোঝেন, হিন্দু বলতে কী বোঝেন, এটা যদি নোটিফিকেশন করে দেন, তাহলে আমাদের পক্ষে বুঝতে সুবিধা হয়।”


বিতর্কের সূত্রপাত বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা দিয়ে। বৃহস্পতিবার ভোরে বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মুখ এবং মোটরবাইকের নম্বর প্লেট কাপড়ে ঢেকে এক দুষ্কৃতী প্রবীণ আইনজীবীর বাড়ির সামনে এসে উপস্থিত হয়। এরপর ব্যাগ থেকে একের পর এক কাচের মদের বোতল বের করে সোজা বাড়ি লক্ষ্য করে ছুড়তে থাকে। অশালীন মন্তব্যও করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় শুরু হয় রাজনৈতিক বিতর্ক। তৈরি হয় নতুন সমীকরণও। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘বিকাশদা’কে নিয়ে লম্বা পোস্ট করেন। তাঁকে ফোনও করেন। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত অবিভক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। কিন্তু এই সবের মাঝে বিকাশবাবুর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয় নতুন বিতর্ক।



সিপিএম নেতা নিজের সমাজমাধ্যমে লেখেন, “আজ সকাল ৫টা নাগাদ হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা আমার বাড়িতে হামলা চালাল।” আর ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দটিতেই প্রবল আপত্তিপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি হুঁশিয়ারি দেন, “বিকাশবাবু নিজের পোস্টে হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণ করেছেন। এটাকেও আমরা খুব সিরিয়াসলি নিয়েছি। গতকাল গরফা ও কসবা থানায় বিকাশ ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আজ সকালে সিপিকে আমি নির্দেশ দিয়েছি। বিএনএস অনুযায়ী এফআইআর করা হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” বিকাশবাবুকে ডেডলাইন বেঁধে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উনি যদি আজকে পোস্ট কারেকশন করে দেন, তাহলে বেটার।” না হলে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে পোস্টটি নামিয়ে দেওয়ার জন্য কলকাতা পুলিশকে চিঠি দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি এও বলেছেন, “ওঁর বিরুদ্ধে যে এফআইআর হয়েছে, বিএনএস-র ধারা অনুযায়ী পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ হবে। উনি আইনের ঊর্ধ্বে নন।” তবে এসবের পরেও বিকাশবাবু বলেন, “যিনি অভিযোগ করেছেন আমার বিরুদ্ধে, আমি মিষ্টি পাঠিয়ে দেব। ভোটের আগে যে কথা বলেছিলাম, আমার ভবিষ্যদ্বাণী অক্ষরে অক্ষরে পালন করলেন ওঁরা।” সঙ্গে এ



ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে রুখতে গণপরিবহনে যে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে, তাতে সাধারণ জনগণের সমস্যা হবে বলে উল্লেখ করা হয়। কপিল সিব্বল বলেন, "সমস্ত ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। মেট্রো স্টেশন বন্ধ। কোথাও যেতে পারবেন না। আমার দেশে কী হচ্ছে? এটা তো শান্তিপূর্ণ আন্দোলন।" 


দিল্লিতে ‘ককরোচ’দের রুখতে ট্রেন বাতিল। বন্ধ ৫৭টি মেট্রো স্টেশনও। দিল্লি পুলিশের এই নির্দেশের পরই মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। আজ, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্র ও প্রশাসনকে নির্দেশ দিল যে গণপরিবহন যেন সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ না করে দেওয়া হয়।


এ দিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে এই মামলা ওঠে। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির দায়ের করেছেন এই মামলা। প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন যে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে রুখতে গণপরিবহনে যে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে, তাতে সাধারণ জনগণের সমস্যা হবে। কপিল সিব্বল বলেন, “সমস্ত ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। মেট্রো স্টেশন বন্ধ। কোথাও যেতে পারবেন না। আমার দেশে কী হচ্ছে? এটা তো শান্তিপূর্ণ আন্দোলন।”


মামলার শুনানিতে দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশন বন্ধের প্রসঙ্গ তুলে সলিসিটর জেনারেলকে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “আমরা মূলত মেট্রো স্টেশনগুলিতে প্রবেশ বন্ধ নিয়ে উদ্বিগ্ন। কোনও আন্দোলনকারী বা কোনও ব্যক্তিবিশেষকে নিয়ে নয়, বরং হাজার হাজার সাধারণ যাত্রীকে নিয়ে উদ্বেগ যারা প্রতিদিন গুরুগ্রাম, গ্রেটার নয়ডা, পূর্ব দিল্লি, দক্ষিণ দিল্লি থেকে দিল্লিতে আসেন জীবনযাপনের জন্য। সকলের কাছে তো প্রাইভেট গাড়ি নেই। যুব প্রজন্ম, প্রবীণ নাগরিক-সকলেই যাতায়াত করেন। যাত্রীদের সাধারণ পরিষেবা পাওয়ার অধিকার আছে। বিধিনিষেধ আর সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।”

সুপ্রিম কোর্ট বলে, “মাছি মারতে হাতুড়ি আনতে পারেন না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ অবশ্যই নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা কার্যকর করতে পারে। এতে কোনও সন্দেহ নেই। অবাধ যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে, আপনারা তা করতেই পারেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, সবকিছু বন্ধ করে দিয়ে মানুষকে যাতায়াতের কোনও ব্যবস্থাই ছাড়া অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখা হবে”।

শীর্ষ আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্রকে বলে যে সব কিছু বন্ধ করে দেওয়া যায় না, কারণ মানুষ শহরের বিভিন্ন অংশ থেকে ভ্রমণ করেন। ট্রেন ও মেট্রোয় বিধিনিষেধের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে বলা হয়েছে কেন্দ্রকে। এর জবাব দিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান যে সরকারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। তবে গত জুলাই মাসে সিজেপির আন্দোলনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। জবাব শীর্ষ আদালত বলে যে মেট্রোর সময়সীমা কমিয়ে দিতে বা ঘনঘন মেট্রোর সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া যেতে পারে, কিন্ত তা সম্পূর্ণ বন্ধ করা যায় না। রাস্তা বন্ধের সিদ্ধান্তও পর্যালোচনা করতে বলা হয়েছে।



 রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আটক করল দিল্লি পুলিশ। বেআইনিভাবে জমায়েতের অভিযোগে আটক করা হয়েছে মমতাকে। আজ দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তাদের আটক করা হয়।


বাড়ির সামনে থেকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হল মমতাকে, রাস্তাতেই ঘোরানো হচ্ছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে
আটক করা হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আটক করল দিল্লি পুলিশ। বেআইনিভাবে জমায়েতের অভিযোগে আটক করা হয়েছে মমতাকে। দ্বারকা সেক্টর ২৩ পুুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বাকিদের। কেন আটক করা হল কালীঘাট তৃণমূল নেত্রীকে?


ককরোচ জনতা পার্টির যন্তর মন্তর অভিযান আজ। সকাল থেকেই বজ্রআঁটুনি দিল্লি জুড়ে। যন্তর মন্তরে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। সকাল থেকেই ধরপাকড় শুরু হয়। ইতিমধ্যেই আটক হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা থেকে শুরু করে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। পরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় সিপিএমেরও। আটক করা হয়েছে পিনারাই বিজয়ন থেকে সুজন চক্রবর্তী। এবার আটক হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।


কেন আটক করা হল মমতাকে?
যন্তর মন্তরে যেতে না পেরেই, আজ দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন দোলা সেন, সাকেত গোখলে, শামিরুল ইসলাম, প্রতিমা মণ্ডল, ডেরেক ও’ব্রায়েনরা। দিল্লি পুলিশ এসে তাঁদের সরতে বলেন। দিল্লিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা কার্যকর থাকায় পাঁচজনের বেশি জমায়েত করা যাবে না। এই কারণ দেখিয়েই ধর্না প্রত্য়াহার করতে বলা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু তারপরও ধর্নায় বসে থাকেন মমতা ও তৃণমূলের বাকি সদস্যরা। এরপরই আটক করা হয় তাঁদের। জোর করে তাদের পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়। বর্তমানে তাঁদের প্রিজন ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।


একদিনে আটক দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী!
আজ একদিনেই দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আটক করল দিল্লি পুলিশ। এর আগে কেরলমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকেও আটক করেছে পুলিশ। তাঁকে সরাসরি কোনও থানায় না নিয়ে গিয়ে, দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় ঘোরানো হয়। একইভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কালীঘাট তৃণমূলের বাকি সাংসদদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তা জানানো হয়নি।

কী বলছে তৃণমূল?
প্রিজন ভ্যান থেকেই প্রতিমা মণ্ডল ভিডিয়ো বার্তায় বলেন, “আমাদের কয়েদির মতো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, জানিনা। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে বলব, দিদি আপনাদের সঙ্গে রয়েছে। আপনাদের পাশে রয়েছে। আপনাদের অধিকার রক্ষার জন্য দিদি যা লড়াই করে চলেছে, সকলে তার জন্য কৃতজ্ঞ।”

বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাড়ি থেকে বের হতেই দেওয়া হয়নি। দিল্লিতে আজ সকাল থেকে যে গণতন্ত্র হত্যা করার যে একটা প্রচেষ্টা চলছে, রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের পরিবেশ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাড়ি থেকে বের হতে দেবে না, এটা আগে থেকেই ঠিক ছিল। বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ বন্ধ করে থাকতে বাধ্য হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করেছে। তীব্র নিন্দা করছি। প্রতিবাদটাও করতে দেবে না। বাংলার অগ্নিকন্যাকে দিল্লিতে আটক করা হল, প্রতিবাদ করতে দেওয়া হল না, এরপর বিজেপি যেন গণতন্ত্রের কথা না বলে।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক হতেই কংগ্রেস তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ যাদের আটক করা হয়েছে, তাদের পাশে আছে কংগ্রেস।”




শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, গুরুতর জখম বিদ্বান বিশ্বাস কৃষ্ণনগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অন্যদিকে, নিখোঁজ কৃষক কাজল ঘোষের সন্ধান ও তাঁকে ফিরিয়ে আনার দিকে তাকিয়ে রয়েছে তাঁর পরিবার। সীমান্তে পরপর দুই দিনের ঘটনায় বাড়ছে উদ্বেগ।


ভারত-বাংলাদেশ (India-Bangladesh) সীমান্তে ফের উত্তেজনা। সীমান্তের কাঁটাতারের ওপারে চাষের জমিতে কাজ করতে গিয়ে এক ভারতীয় কৃষক ধারাল অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন। অপর এক কৃষককে অপহরণ করার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শনিবার সকালে নদিয়ার হোগলবেড়িয়া থানার নাসিরেরপাড়া-আয়াডাঙা সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।


ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার বিকেলে। অভিযোগ, আয়াডাঙা সীমান্তে চোরাকারবারি আটকাতে গিয়ে বিএসএফ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। অভিযোগ বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশের দৌলতপুরের সাহাজুল নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে খবর। পাল্টা গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ১৫২/১০-এস সীমান্ত পিলার সংলগ্ন এলাকায় ঘটে বলে জানা গিয়েছে।


এর পরদিন শনিবার সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ চাষের জমিতে কাজ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন আয়াডাঙ্গার বাসিন্দা বিদ্বান বিশ্বাস। অভিযোগ, বাংলাদেশের দিক থেকে আসা কয়েকজন তাঁকে মারধর করার পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপায়। গুরুতর জখম অবস্থায় ভারতীয় কৃষকরা তাঁকে উদ্ধার করেন। প্রথমে বিএসএফের অ্যাম্বুল্যান্সে করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে কৃষ্ণনগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবার সূত্রে খবর, শনিবার রাতেই তাঁর অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা।


অন্যদিকে, ওই কৃষকের সঙ্গে থাকা কাজল ঘোষ নামে আর এক ভারতীয় কৃষককে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। শনিবার রাত ৭টা পর্যন্ত তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় উদ্বেগ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

বিএসএফের দাবি, শুক্রবার যে বাংলাদেশি ব্যক্তি আহত হয়েছেন, তিনি পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জওয়ানদের বাধা উপেক্ষা করে তিনি এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাঁদের আক্রমণ করেন বলেও দাবি বিএসএফের। সেই কারণেই গুলি চালাতে বাধ্য হয় বাহিনী বলে জানানো হয়েছে। যদিও ঘটনাকে ঘিরে ভারত ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পরস্পরের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার দুপুরে আয়াডাঙ্গা-দৌলতপুর সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিজিবি তাতে রাজি হয়নি বলে খবর।

অপহৃত কৃষক কাজল ঘোষকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন করিমপুরের বিধায়ক সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ। তিনি জানান, কাজল ঘোষকে ফিরিয়ে আনার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চলছে। বিষয়টি নিয়ে রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকারের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। দ্রুত কাজল ঘোষকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, গুরুতর জখম বিদ্বান বিশ্বাস কৃষ্ণনগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অন্যদিকে, নিখোঁজ কৃষক কাজল ঘোষের সন্ধান ও তাঁকে ফিরিয়ে আনার দিকে তাকিয়ে রয়েছে তাঁর পরিবার। সীমান্তে পরপর দুই দিনের ঘটনায় বাড়ছে উদ্বেগ।



মুখ্যসচিব বলেন, "তিনি কোনও ভোট চুরি, কারচুপি বা বেআইনি কাজ করেননি। তাঁর কাজ ছিল আইন এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে সরকারি দায়িত্ব পালন করা।" মনোজের দাবি, মহুয়ার অভিযোগের ফলে তাঁর সততা,পেশাগত দক্ষতা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


২৪ ঘণ্টা ডেডলাইন, মহুয়াকে চাইতে হবে নিঃশর্ত ক্ষমা, সাংসদকে মানহানির নোটিস মুখ্যসচিবের
মুখ্যসচিব ও মহুয়া মৈত্র

সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) আইনি নোটিস পাঠালেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal)। আগেই সাংসদকে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। এবার মহুয়াকে মানহানির নোটিস পাঠালেন তিনি। নোটিসে বলা হয়েছে, নোটিস পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মহুয়াকে দু’টি পোস্ট মুছে ফেলতে হবে। একইসঙ্গে নিঃশর্ত ভাবে লিখিত ক্ষমা চাইতে হবে। যদিও, বিষয়টিকে খুব একটা পাত্তা দিতে চাইছেন না সাংসদ।


বিতর্কের সূত্রপাত কোথায়?
এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়ার একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সূত্রপাত। সুব্রত গুপ্ত ও মনোজ আগারওয়ালের ছবি পোস্ট করে লেখেন, “এরাই বাংলার এসআইআরের (SIR) সবথেকে বড় কারিগর। সব ধরনের অবৈধ কাজ করেছেন এঁরা। কেউ বাঁচতে পারবে না এঁরা।” তারপরই মনোজ আগারওয়াল বলেন, “এনাফ ইজ এনাফ। লিগাল টিমের সঙ্গে কথা বলে ডিফেমেশন কেস (মানহানির মামলা) করা হবে। সিইও কখনই কোনও নাম যুক্ত করতে বা বাদ দিতে পারে না।” কথা মতোই কড়া পদক্ষেপ করেন মুখ্যসচিব।


গ্র্যামি দৌড়ে 'ধুরন্ধর' এন্ট্রি, রণবীর সিংয়ে সুপারহিট ছবি এবার লড়বে বিশ্বমঞ্চে
মুখ্যসচিব বলেন, “তিনি কোনও ভোট চুরি, কারচুপি বা বেআইনি কাজ করেননি। তাঁর কাজ ছিল আইন এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে সরকারি দায়িত্ব পালন করা।” মনোজের দাবি, মহুয়ার অভিযোগের ফলে তাঁর সততা,পেশাগত দক্ষতা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, নোটিস পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মহুয়াকে দু’টি পোস্ট মুছে ফেলতে হবে। নিঃশর্ত ভাবে লিখিত ক্ষমা চাইতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ না করার লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।


এছাড়া, মানহানির ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ কোটি টাকা এবং আইনি ও আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। আইনি নোটিসের জবাব না দিয়ে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি পদক্ষেপ করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।

কী বলেছেন মহুয়া?
মনোজ আগরওয়ালের মানহানির নোটিসের বিশেষ তোয়াক্কা করেন না। এমনটাই জানিয়েছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।



 দুর্গাপুজোর মুখে যে নিম্নচাপ নিয়ে এত দুশ্চিন্তা, সেই সম্ভাব্য নিম্নচাপের গন্তব্য অন্ধ্র-তামিলনাড়ু উপকূল। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। থাইল্যান্ডের উপকূলের কাছে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে। ১৩ তারিখ দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হবে ৷


এবার পুজোতেও বৃষ্টি! কবে কবে ছাতা নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরোবেন, এখনই জেনে রাখুন
দুর্গাপুজোয় কেমন থাকবে আবহাওয়া?

আজ মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসান হয়ে, দেবীপক্ষের সূচনা হল আজ থেকে। মহালয়া হতেই বাঙালির মনে পুজোর উন্মাদনা এসে গিয়েছে। বড় বড় পুজো গুলির উদ্বোধন হলেই, সকলের প্যান্ডেল হপিং-ও শুরু হয়ে যাবে। তবে সমস্ত প্ল্যানের মধ্যে সকলের চিন্তা, পুজোয় বৃষ্টি হবে না তো?


দুর্গাপুজোর মুখে যে নিম্নচাপ নিয়ে এত দুশ্চিন্তা, সেই সম্ভাব্য নিম্নচাপের গন্তব্য অন্ধ্র-তামিলনাড়ু উপকূল। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। থাইল্যান্ডের উপকূলের কাছে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে। ১৩ তারিখ দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হবে ৷ এটি তামিলনাড়ু ও অন্ধ্র প্রদেশের দিকে সরে যাবে। ফলে এই নিম্নচাপের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে না বাংলায়। পুজোর আগেই বর্ষা-বিদায় নিশ্চিত। আগামী ১৪ অক্টোবরই বর্ষা বিদায় নেবে বাংলা থেকে।

বাড়ির সামনে থেকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হল মমতাকে, রাস্তাতেই ঘোরানো হচ্ছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে
আজ, মহালয়াতে দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। দু-এক জায়গায় বৃষ্টিপাত হবে। আগামিকাল থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টির আশঙ্কা নেই। ১১ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। ১৪ তারিখ দুই ২৪ পরগণা, হাওড়াতে এক দু পশলা বৃষ্টিপাত হতে পারে।


আলিপুর আবহাওয়া অফিস বলছে, এই বছরও দুর্গাপুজোয় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও, দুর্গাপুজোয় দুর্যোগ নয়। তাই পুজোর চারটে দিন ঘরে বসে কাটাতে হবে, এমনটা নয়। প্যান্ডেল হপিংয়ে বেরিয়ে সঙ্গে রাখতে হবে ছাতা। পুজোর মধ্যে কবে কবে, কোথায় বৃষ্টি হবে, তাও জানিয়ে দিয়েছে হাওয়া অফিস। এক ঝলকে দেখে নিন-

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া-
চতুর্থী– দুর্গাপুজোয় চতুর্থীর দিন হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উপকূলবর্তী এলাকায়। বৃষ্টি হতে পারে কলকাতাতেও।

পঞ্চমী-ষষ্ঠীতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। উত্তরবঙ্গে তেমন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

সপ্তমী-অষ্টমী হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উপকূলবর্তী এলাকায়। বৃষ্টি হবে কলকাতাতেও।

নবমী-দশমী দক্ষিণবঙ্গ শুকনো থাকারই সম্ভাবনা।

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া-
সপ্তমী থেকে দশমী শুকনো খটখটে থাকবে উত্তরবঙ্গ।

১৬-১৭ তারিখ অর্থাৎ ষষ্ঠী-সপ্তমীতে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে দু-এক জায়গায়।



 আজকের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য সকালে মুম্বই থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সঙ্গে ছিলেন দলের দুই প্রধান মুখ সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। দিল্লিতে বিমান অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গেই বিমানের ভিতর থেকে তাদের আটক করা হয়।


একের পর এক আটক। সিজেপির আন্দোলন শুরু হওয়ার আগেই তুমুল উত্তেজনা। এবার আটক করা হল অভিজিৎ দীপকে-কে। আটক করা হয়েছে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকেও।


আজ দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচি রয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফাই তাঁদের মূল দাবি। আজকের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য সকালে মুম্বই থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সঙ্গে ছিলেন দলের দুই প্রধান মুখ সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। দিল্লিতে বিমান অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গেই বিমানের ভিতর থেকে তাদের আটক করা হয়।


বাড়ির সামনে থেকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হল মমতাকে, রাস্তাতেই ঘোরানো হচ্ছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে
দিল্লি বিমানবন্দরে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান অবতরণ করতেই, সেই বিমানে ওঠে পুলিশ। অভিজিৎ দীপকে-কে বলতে শোনা যায়, “ওরা সবাইকে আটক করছে। আমাদেরও আটক করবে”। এরপরই অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকেও নামিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। অভিজিৎ দীপকে বলেন, “আমি গ্রেফতার হতেই এসেছি। আমি কাউকে ভয় পাই না। আমাকে গ্রেফতার করতে এসেছে। আসুন, গ্রেফতার করুন।”


দীপকে বিমানের ভিতরেই দাঁড়িয়ে বলেন, “কী করে এটা করতে পারেন? আসুন, গ্রেফতার করুন।”

বিস্তারিত আসছে….



আটক হওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইমরান খানও। আজাদ ময়দান এবং আগস্ট ক্রান্তি ময়দানসহ শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ সমাবেশের চেষ্টা চালানো হলে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে তাদের আটক করে।



মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচির সমর্থনে সরব হতে গিয়ে মুম্বইয়ে আটক হলেন চারশোর বেশি আন্দোলনকারী। আটক হওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইমরান খানও। আজাদ ময়দান এবং আগস্ট ক্রান্তি ময়দানসহ শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ সমাবেশের চেষ্টা চালানো হলে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে তাদের আটক করে।


পুলিশ সূত্রে খবর, দিনভর শহরের বিভিন্ন অংশ থেকে এই ধরপাকড় চালানো হয়। এর আগে সকালে আগস্ট ক্রান্তি ময়দান থেকেই অন্তত ২০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করেছিল পুলিশ। তাঁদের মধ্যে সমাজকর্মী তুষার গান্ধীর নেতৃত্বাধীন সংস্থা ‘হাম ভারত কে লগ’-এর সদস্য ছাড়াও সিপিআইএম-এর কর্মী-সমর্থকরাও উপস্থিত ছিলেন। নয়া দিল্লিতে সিজেপি-র প্রতিবাদ আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতেই অনুমতি ছাড়াই তাঁরা সেখানে জমায়েত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ।


দেশবাসীকে খোলা চিঠি ১২৪ জন প্রাক্তন IAS, IFS আধিকারিকের, করলেন SIR নিয়ে সওয়াল
মুম্বই পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, অনুমতি ছাড়া বেআইনি জমায়েত করার অপরাধে আটক হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করার আইনি প্রক্রিয়া ইতিমিধ্যেই শুরু হয়েছে।


অন্যদিকে, এই ঘটনার সমান্তরালেই দক্ষিণ মুম্বইয়ে সিজেপি-র সমর্থনে বিক্ষোভ প্রদর্শনকালে প্রকাশ আম্বেদকরের নেতৃত্বাধীন ‘বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ি’র (ভিবিএ) একাধিক কর্মী ও সমর্থকদের আটক করেছে পুলিশ। বেআইনি জমায়েত এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে গোটা শহর জুড়ে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা জারি রাখা হয়েছে।



 বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, "দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কারা এই কাজ করছেন? দু'টি অরাজক গোষ্ঠী। একটি ইন্ডি জোটের নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে, অন্যটি অরবিন্দ কেজরীবাল এবং তাঁর সহযোগী সিজেপি-র নেতৃত্বে।"


বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে, ভোটে হেরে দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা চলছে, ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেবে বিজেপি, বিরোধী ও সিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন নিতিন নবীন
নিতিন নবীন

দিল্লিতে যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভ (Jantar Mantar) কর্মসূচির মাঝে সিজেপিকে (CJP) কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। সিজেপির সঙ্গে একযোগে রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিয়াল-সহ বিরোধীদের আক্রমণ করা হয়েছে। নিতিন নবীনের দাবি, ভোটে হেরে দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। মানুষ এর জবাব দেবে। বিজেপি সভাপতির আরও বিস্ফোরক দাবি,বিরোধী আন্দোলনে বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে।


নিতিন নবীনের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের অগ্রগতি মেনে নিতে পারছেন না রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরীবাল এবং ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। সেই কারণেই তাঁরা দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কারা এই কাজ করছেন? দু’টি অরাজক গোষ্ঠী। একটি ইন্ডি জোটের নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে, অন্যটি অরবিন্দ কেজরীবাল এবং তাঁর সহযোগী সিজেপি-র নেতৃত্বে।”


'জ্ঞানেশ ইস্তফা না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে', কালও যন্তর মন্তরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি অজিঙ্কর

এবার রেজিনগরে, ফল প্রকাশের পরের দিনই মামলা দায়ের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে
নিতিন নবীনের দাবি, এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে যেন প্রতিযোগিতা চলছে, কে কত বড় অরাজক, তা প্রমাণ করার। তবে দেশের মানুষ তাঁদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এরপরই কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বলেন, “আজ আপনাদের স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিচ্ছি, আপনারা যে বিক্রির রাজনীতি করছেন এবং বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন, তা কখনও সফল হবে না। ভারতীয় জনতা পার্টি এবং দেশপ্রেমিক মানুষ আপনাদের যোগ্য জবাব দেবেন।”


এখানেই থামেননি নিতিন নবীন। তিনি আরও বলেন, “আপনারা যেভাবে দেশে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছেন, ভারত সরকার সেই পরিস্থিতির কঠোর হাতে মোকাবিলা করবে। আর বিজেপি কর্মীরা সাধারণ মানুষের মধ্যে থেকে আপনাদের এই সমস্ত ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেবেন।”



অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবান দীপকে ও মা অনিতা এই মুহূর্তে ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে রয়েছেন। তাঁদের বাড়ির চারপাশে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পুলিশ বাহিনী। তবে ঠাকুমা খবরটা আসতেই তাঁরা অবিলম্বে হিংগোলির উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।


কোথায় রেখেছে পুলিশ স্পষ্ট নয়, এরই মধ্যে অভিজিৎ দীপকের বাড়ি থেকে এল দুঃসংবাদ
আটক অভিজিৎ দীপকে

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই আটক করা হয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতা অভিজিৎ দীপকেকে (Abhijit Dipke)। দিল্লিতে নামার আগে বিমানবন্দরেই আটক করা হয় তাঁকে। বর্তমানে তিনি দিল্লি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁর বাড়ি থেকে এল দুঃসংবাদ। আন্দোলনে যোগ দিতে যখন দিল্লিতে পৌঁছেছে দীপকে, তার মধ্যেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতার পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।


শনিবারই প্রয়াত হয়েছেন অভিজিৎ দীপকের ঠাকুমা। বার্ধক্যজনিত দীর্ঘ অসুস্থতার কারণে তাঁর হিংগোলির বাসভবনে মৃত্যু হয়েছে তাঁর ঠাকুমার। হিংগোলির সন্তুক পিম্পরি গ্রামে দীপকের পৈতৃক বাড়ি রয়েছে। সেখানেই থাকতেন তাঁর ঠাকুমা। জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। বয়সজনিত কারণেও দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর ফলে দীপকের পরিবারে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।


 ৮ ঘণ্টা ঘুমিয়েও ক্লান্ত লাগছে? এই ৫টি অভ্যাস বদলান এখনই
অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবান দীপকে ও মা অনিতা এই মুহূর্তে ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে রয়েছেন। তাঁদের বাড়ির চারপাশে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পুলিশ বাহিনী। তবে ঠাকুমার মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁরা অবিলম্বে হিংগোলির উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।


মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে শনিবার আন্দোলনের ডাক দেয় সিজেপি। তাতে যোগ দিতেই দিল্লি পৌঁছন অভিজিৎ দীপকে। তাঁকে একটি থানায় নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গেলেও, কোন থানায় রাখা হয়েছে, তা পুলিশ এখনও জানায়নি। তাঁর ঠাকুমার মৃত্য়ুর খবর আদৌ তাঁর কাছে পৌঁছেছে কি না, সেটাও এখনও স্পষ্ট নয়।