WEATHER

Top News

গঙ্গাসাগর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শতবর্ষের ঐতিহ্যকে সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের বামুনখালিতে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা। এ বছর এই প্রাচীন রথযাত্রা ১০৬ বছরে পদার্পণ করল, যা ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ।

বুধবার বিকেল থেকেই রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে বামুনখালি এলাকায় ভক্তদের ভিড় জমতে শুরু করে। শুভক্ষণে শত শত মানুষ একসঙ্গে ভক্তিভরে রথের রশিতে টান দেন। হরিনাম সংকীর্তন, শঙ্খধ্বনি এবং "জয় জগন্নাথ" ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। স্থানীয়দের সক্রিয় অংশগ্রহণে রথযাত্রা উৎসব পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।

স্থানীয়দের মতে, বামুনখালির এই রথযাত্রা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং কয়েক প্রজন্ম ধরে চলে আসা এলাকার গৌরব ও ঐতিহ্যের প্রতীক। প্রতিবছরের মতো এবারও দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ এই ঐতিহাসিক রথযাত্রার সাক্ষী হতে উপস্থিত হন।
রথযাত্রাকে ঘিরে এলাকায় নিরাপত্তার পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও ভক্তদের জন্য প্রয়োজনীয় পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ বছরের রথযাত্রা সম্পন্ন হওয়ায় খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। ১০৬ বছরের এই ঐতিহ্য আগামী দিনেও একইভাবে অটুট থাকবে বলেই আশাবাদী সকলেই।

গঙ্গাসাগর থেকে সৌরভ নস্করের রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম

দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান। রথযাত্রার পবিত্র তিথিতে ধুমধাম করে দুর্গাপূজার খুঁটিপুজো সম্পন্ন হলো সাগর ব্লকের কমলপুর গ্রামে। এই গ্রামে আগে কখনো দুর্গাপূজা হতো না, তাই এবারই প্রথম আয়োজিত হতে চলেছে নতুন এই দুর্গোৎসব। 


এদিন প্রথা মেনে নারকেল ফাটিয়ে খুঁটিপুজোর শুভ সূচনা করেন সাগর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক কানাইয়া কুমার রাও। এই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে হাজির ছিলেন স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি থেকে শুরু করে এলাকার সাধারণ মানুষ। কমলপুর সার্বজনীন দুর্গা উৎসব পুজো কমিটির এই প্রথম বর্ষের পদযাত্রায় উদ্যোক্তারা বিশেষ চমক রেখেছেন। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের পুজোর থিম— ‘চাষির ঘরে দুর্গা’। 


গ্রামবাংলার কৃষি সংস্কৃতি ও অন্নদাতাদের সম্মানেই এই বিশেষ থিম বেছে নেওয়া হয়েছে। নতুন এই পুজোকে কেন্দ্র করে কমলপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে চরম উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে চলায় খুশি পুজো কমিটির সদস্যরাও। এলাকার সাধারণ মানুষের আশা, প্রথম বর্ষের এই পুজো আগামী দিনে বড় আকার ধারণ করবে এবং সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেবে। খুঁটিপুজোর দিন থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবের প্রস্তুতি এখন থেকেই জোরকদমে শুরু হয়েছে।

সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এবং পরিবেশ রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে আজ ফুলবাড়ী শীতলা হাই স্কুল (উচ্চমাধ্যমিক)-এ মহাসমারোহে পালিত হলো ‘অরণ্য সপ্তাহ’ কর্মসূচি। এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয় বৃক্ষরোপণ উৎসব এবং বর্ণাঢ্য সচেতনতা র‍্যালি।


এদিন সকাল থেকেই বিদ্যালয় চত্বরে ছিল সাজ সাজ রব। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী এবং ছাত্রছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কর্মসূচির সূচনা হয়। বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ রোপণ করেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। কেবল চারাগাছ লাগানোই নয়, বরং গাছগুলোর পরিচর্যার দায়িত্বও নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তারা। বৃক্ষরোপণের পর, বিদ্যালয় থেকে আশ্রম মোড় বাজার পর্যন্ত একটি সচেতনতা র‍্যালি বের করা হয়। ছাত্রছাত্রীদের হাতে ছিল পরিবেশ রক্ষার নানা প্ল্যাকার্ড ও পোস্টার। তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হতে থাকে ‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’ এবং ‘সবুজে বাঁচুক আগামী প্রজন্ম’-এর মতো পরিবেশবান্ধব স্লোগান। র‍্যালিটি এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, "পরিবেশ রক্ষা কেবল এক দিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নতুন প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশের প্রতি মমত্ববোধ তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।" সবুজ পৃথিবী গড়ার এই শপথ আজ ফুলবাড়ীর ছাত্রছাত্রীদের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার করেছে। গাছ বাঁচানোর এই বার্তায় যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক নিরাপদ ও সুন্দর পৃথিবী গড়ার পথ প্রশস্ত হলো।

ডায়মন্ড হারবার:ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রকে ঘিরে ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ নিয়ে ফের বিতর্ক দানা বাঁধছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়নের দাবি করলেও, ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর ব্লকের সরিষা আশ্রম মোড় থেকে কাঁটাপুকুরিয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় এক হাঁটু পর্যন্ত জল জমে যায়। কোথাও কোথাও রাস্তা ও পুকুরের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায় ১০ থেকে ১৫টি গ্রামের কয়েক লক্ষ মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করেন। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, রোগী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ নিত্যযাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। স্থানীয়দের দাবি, গত প্রায় ১৫ বছর ধরে একই সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধান হয়নি।

স্থানীয় চিকিৎসক ডা. অনুপম প্রামাণিক বলেন, নিকাশি নালা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির জল বের হওয়ার পথ না থাকায় দীর্ঘদিন জল জমে থাকে। বহু বছর ধরে খাল সংস্কারও হয়নি। ফলে ছোট ছোট পড়ুয়াদের কোলে করে রাস্তা পার করাতে হয় এবং রোগীদেরও চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছাতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাঁর অভিযোগ, মাঝে মাঝে কিছু ইট ফেলে সংস্কারের নামে দায়িত্ব পালন করা হলেও স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর বিজেপি মণ্ডলের উদ্যোগে নিকাশি নালা পরিষ্কার ও সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। মণ্ডল সভাপতি উত্তম বাগের দাবি, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এলাকায় স্থায়ী উন্নয়নের পরিবর্তে শুধু প্রতিশ্রুতি ও প্রকল্পের ফলক বসানো হয়েছে। মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবেই প্রশাসনের সহযোগিতায় নিকাশি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা কনকান্তি মণ্ডল ও অভিজিৎ পুরকাইতও দাবি করেন, প্রতিবছর বর্ষায় একই সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। জল জমে থাকার কারণে বহু পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়ে। তাঁরা দ্রুত রাস্তা ও নিকাশি ব্যবস্থার স্থায়ী সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

বঙ্গোপসাগরের রুদ্রমূর্তির কাছে ফের হার মানল আরও একটি ট্রলার! 'জয় মা কালী' ট্রলারের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বকখালি থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে ডুবে গেল 'এফ বি সিদ্ধিবিনায়ক' নামের একটি মৎস্যজীবী ট্রলার। তবে কাছাকাছি থাকা অন্য ট্রলারগুলির তৎপরতায় রক্ষা পেয়েছেন ট্রলারে থাকা ১৩ জন মৎস্যজীবীই।

মৎস্যজীবী সংগঠন ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই নামখানা ঘাট থেকে 'এফ বি সিদ্ধিবিনায়ক' ট্রলারটি নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে রওনা দিয়েছিলেন ১৩ জন মৎস্যজীবী।
সোমবার রাতে মাছ ধরার সময় বকখালি উপকূল থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে উত্তাল সমুদ্রের প্রবল ঢেউ আছড়ে পড়ে ট্রলারটির ওপর। 

জলের প্রচণ্ড তোড়ে ট্রলারের তলায় বড়সড় ফাটল ধরে যায় এবং হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করে। বিপদ বুঝে মৎস্যজীবীরা চিৎকার শুরু করলে,কাছাকাছি থাকা অন্যান্য মৎস্যজীবী ট্রলারগুলি দ্রুত সেখানে ছুটে আসে। 


ট্রলারের মৎস্যজীবীরা ডুবন্ত 'সিদ্ধিবিনায়ক' থেকে ১৩ জন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করেন।এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনাগ্রস্ত ওই ট্রলারটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
 খুব শীঘ্রই রাজ্যে চালু হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা (Chief Minister Health Insurance Scheme)। আয়ুষ্মানের মতো এই প্রকল্পেও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেশ চিকিৎসার (Cashless Medical Benefit) সুবিধা মিলবে। সেক্ষেত্রে মূলত কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, কীভাবে আবেদন করতে হবে, জেনে নিন সব খুঁটিনাটি।

কারা পাবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা? কীভাবে আবেদন করবেন, জেনে নিন বিশদে
শুভেন্দু অধিকারী

শুভেন্দু-সরকার (CM Suvendu Adhikari) আসার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে (Ayushman Bharat Scheme) আবেদন শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে আবেদন করা শুরু করেছেন রাজ্যবাসীর একাংশ। কারণ সকলে এই স্বাস্থ্য প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। কারণ আয়ুষ্মান ভারতে আবেদনের জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। সেই শর্ত থেকে বাদ যাচ্ছেন বহু মানুষ। সেক্ষেত্রে তাঁদের কথা ভেবে ইতিমধ্যেই বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। খুব শীঘ্রই রাজ্যে চালু হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা (Chief Minister Health Insurance Scheme)। আয়ুষ্মানের মতো এই প্রকল্পেও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেশ চিকিৎসার (Cashless Medical Benefit) সুবিধা মিলবে। সেক্ষেত্রে মূলত কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, কীভাবে আবেদন করতে হবে, জেনে নিন সব খুঁটিনাটি।


কারা পাবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা?
যাঁরা ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর সুবিধা পাবেন না, তাঁরা প্রত্যেকেই মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে জেনে নেওয়া যাক, কারা আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা পাচ্ছেন না।


এটিও পড়ুন
ইমপা থেকে অবশেষে পদত্যাগ করলেন পিয়া সেনগুপ্ত ?
১৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও থামছে না শুটিং! টলিপাড়ায় কোন জটিলতা...
ধনে পাতা তো খান, ডাটা ফেলে দিয়ে বড় ভুল করে ফেলছেন না তো?
আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা কারা পাবেন না?
এসইসিসি-র ভিত্তিতে চিহ্নিত বঞ্চিতদের তালিকায় যাঁরা পড়ে না, তাঁরা আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা পাবেন না
যাঁদের পাকা বাড়ি রয়েছে, তাঁরা পাবেন না।
এছাড়া, সাফাইকর্মী, গৃহপরিচারক, হকার, রিকশাচালক, রাজমিস্ত্রি, নির্মাণ শ্রমিক, কলের মিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান, নিরাপত্তা কর্মীর মতো ১১টি পেশার সঙ্গে যদি যুক্ত না থাকেন, তাহলে আয়ুষ্মান ভারত পাবেন না।
কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমাতে আবেদন করবেন?
মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে বা এই প্রকল্পে আবেদনের জন্য এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি হয়নি। এক সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বিগত সরকারের আমলে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার জন্য স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেওয়া হয়েছিল। সেক্ষেত্রে, যাঁদের স্বাস্থ্যসাথীতে নাম ছিল, তাঁদের নাম সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমাতে ট্রান্সফার করা যায় কি না কিংবা নতুন করে আবেদন করতে হবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কিছুই হয়নি। সবটাই আলোচনার স্তরে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সরকারের তরফে এই বিষয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হবে।

মমতা জমানার শেষের দিকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার ছিলেন সুপ্রতিম সরকার। পরে রাজ্যে নির্বাচনী বিধি কার্যকর হওয়ার পর কমিশনের নির্দেশে তাঁকে ওই পদ থেকে সরে যেতে হয়। ভিনরাজ্যে অবজারভার হিসেবেও পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

পদ থেকে সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে, রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল
সুপ্রতিম সরকার


রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল। ফের পদ থেকে সরানো হল কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে (Supratim Sarkar)। এডিজি সিআইডি পদ থেকে সরানো হল তাঁকে। একইসঙ্গে একাধিক আইপিএস ও ডব্লুবিপিএস পদে রদবদল হয়েছে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বারুইপুর-কাণ্ডে দুই এএসপি-কেও সরানো হয়েছে।


কাকে কোথায় বদল করা হল
এডিজি সিআইডি পদ থেকে সরানো হয়েছে আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে। এডিজি সিআইডি পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এডিজি টেলিকম পদ। এটি অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদ। ডিজি সিআইডি পদে আনা হল নটরাজন রমেশবাবুকে।


তারকেশ্বর নিয়ে প্রাক্তন সরকার একচোখ বন্ধ করে রাখত: শুভেন্দু
তৃণমূল আমলের আর্থিক দুর্নীতি খোঁজার দায়িত্বে ডিরেক্টর অব ইকোনমিক অফেন্স পদে নিয়ে আসা হল সৎ অফিসার হিসেবে পরিচিত কে জয়রামনকে।


বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরানো হল ত্রিপুরারি অথর্ভকে। বিধাননগরের নতুন সিপি হলেন অমিত রাথোড়।

বারুইপুরের দুজন অ্যাডিশনাল এসপি-কেও সরানো হয়েছে। পিনাকি দত্তকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল অতীশ বিশ্বাসকে। সূর্যপুরের ঘটনা মুখ্যমন্ত্রী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কেন অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি করে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তারপরই এই পদক্ষেপ।

ভোট ঘোষণার পরই সরানো হয়েছিল সুপ্রতিম সরকারকে
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরই আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এডিজি সিআইডি করা হয়েছিল তাঁকে। পরে ভিনরাজ্যে পুলিশ অবজারভারের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল এই আধিকারিককে। তামিলনাড়ুর পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্ব পালনের জন্য পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

এডিজি টেলিকম পদ কী?
রাজ্য় পুলিশ যে টেলিকম ব্যবস্থা ব্যবহার করে। সেই ওয়্যারলেস টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম চালানোর দায়িত্ব থাকে এডিজি টেলিকমের হাতে। তবে পুলিশ মহলে এই পদের তেমন গুরুত্ব নেই।

  মৌলবাদীদের চাপে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। পরে ২০০৪ সালে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন কলকাতায়। বাংলা ভাষার শহর কলকাতাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন। সাহিত্যিক মহলে বেড়ে ওঠে পরিচিতি। বাম নেতাদের সঙ্গেও তৈরি হয় সুসম্পর্ক। তারপর কী এমন ঘটল!

নির্বাসনের পর নির্বাসন জুটেছে তসলিমার (Taslima Nasreen)। বাংলাদেশ, কলকাতা, ভারত ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। ‘লজ্জা’র লেখিকাকে নিয়ে যেমন বিতর্কের শেষ নেই, তেমনই বাম সরকারকে কম প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি। যারা নিজেদের উদারপন্থী বলে থাকে, সেই বামেদের আমলে কেন তসলিমাকে কলকাতা ছাড়তে হল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারবার। প্রশ্ন তুলেছেন বিদ্বজনেরা। তসলিমা নাসরিন নিজে বারবার বাম সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একাধিক পোস্টে নিজেকে ‘বামপন্থী’ বলে দাবি করেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, কেন বাম সরকার তাকে বের করে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল?

মৌলবাদীদের চাপে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। পরে ২০০৪ সালে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন কলকাতায়। বাংলা ভাষার শহর কলকাতাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন। সাহিত্যিক মহলে বেড়ে ওঠে পরিচিতি। বাম নেতাদের সঙ্গেও তৈরি হয় সুসম্পর্ক।


পরে কলকাতায় বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করে। শুরু হয় অশান্তি। তাঁর শিরচ্ছেদের নিদান দিতে শুরু করে কোনও কোনও সংগঠন। কেউ বলে ক্ষমা চাইতে হবে। ২০০৭ সালে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের বিধায়করা তসলিমা নাসরিনের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন।

 তৃণমূল সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। এমন অভিযোগ আকছাড় উঠত। সরকারি বাস রাস্তায় প্রায় চলেই না। আর এতে সব থেকে বেশি অসুবিধায় পড়তেন নিত্যযাত্রীরা। তবে, এবার পালা বদল হয়েছে। আর তারপরই সরকারি বাস চালানোর আশ্বাস দিয়েছে সরকার। 

'সোনার বাস চালাব', আশ্বাস অর্জুনের, কী এই সোনার বাস জানেন?
অর্জুন সিং, পরিবহন মন্ত্রী

মন্ত্রিত্ব পেয়েই একের পর এক জনমূখী উদ্যোগ নিয়েছেন পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। রাজ্যে চালু হয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। উদাহরণ দিতে গিয়ে বলতেই হয় তারকেশ্বরের কথা। সোমবার তারকেশ্বর থেকে পাঁচটি সরকারি বাস চালু হয়েছে। আর এবার রাজ্যে সোনার বাস চলবে বলে আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী অর্জুন সিং। সত্যিই কি সোনার বাস চলবে? এই সোনার বাসই বা কী, সবই ব্যাখ্যা দিলেন অর্জুন।


সোনার বাস কী?


রোজ ওটস খাচ্ছেন! ওটস খেলে শরীরে কী কী ঘটে জানেন তো?
প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়কে চিঠি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর, কী আছে চিঠিতে?
তৃণমূল সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। এমন অভিযোগ আকছাড় উঠত। সরকারি বাস রাস্তায় প্রায় চলেই না। আর এতে সব থেকে বেশি অসুবিধায় পড়তেন নিত্যযাত্রীরা। তবে, এবার পালা বদল হয়েছে। আর তারপরই সরকারি বাস চালানোর আশ্বাস দিয়েছে সরকার।


অর্জুন সিং জানিয়েছেন, একটা সময় ছিল ব্যারাকপুর সুভাষ চন্দ্র বাস টার্মিনাল থেকে অনেক বাস যেত। ধীরে ধীরে এই এলাকা থেকে অনেক বাস বন্ধ হয়েছে। পরিবহন ব্য়বস্থা তলানিতে গিয়েছে। বিজেপি সরকার চেষ্টা করছে যেখানে পরিবহন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে, সেখান থেকে সরকারি বাস চালানোর। তিনি বলেন, “প্রায় ৫০ টা নতুন বাস চালাব। পুজোর আগে আরও ৪৮৭টা বাস আনার চেষ্টা করছি। এর পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থাতে অনেক লিকেজ থাকে। সেই লিকেজ বন্ধ হলে আমরা সোনার বাস চালাতে পারব।”

পরে সোনার বাসের আসল অর্থ বোঝান রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী। তাঁর কথায়, যদি তৃণমূল আমলের মতো টায়ার চুরি, পার্টস চুরি করা হত। এইসব যদি বন্ধ করা যায়, তাহলে সোনার বাস চালানো যেতে পারে। অর্থাৎ পরিবহন দফতরকে দুর্নীতি মুক্ত করতে পারলে আগামিদিনে রাজ্যে সোনার সরকারি বাস চলানো যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অর্জুন।

ইতিমধ্যেই এই এনকাউন্টারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে পুলিশকে এনকাইন্টার করতে হয়েছিল, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, পুলিশের পকেট থেকে রিভলবার বার করে এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল সেই অভিযুক্ত।


এবার আর রাতে নয়, সাতসকালেই অভিযুক্তদের নিয়ে বারুইপুরের ঘটনার পুনর্নির্মাণ
ঘটনার পুনর্নির্মাণ

 বারুইপুরের গণধর্ষণ-খুনের ঘটনা তদন্ত, ঘটনার পুনর্নির্মাণে গিয়ে এনকাউন্টার, এক সপ্তাহের মধ্যে সূর্যপুরের তদন্তকারী আধিকারিকদের মধ্যে রদবদল। তার মধ্যেই ফের বারুইপুরকাণ্ডে ৩ অভিযুক্তকে নিয়ে মঙ্গলবার সকালে পুনর্নির্মাণে গেলেন তদন্তকারীরা। যাকে এনকাউন্টার করা হয়েছিল, সেই অভিযুক্তকে পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রাত ২.২০ মিনিট নাগাদ। সূর্যপুর স্টেশনের অদূরে যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি জলাজঙ্গলে ভর্তি ছিল। সেখানেই এদিন নিয়ে যাওয়া হয় বাকি অভিযুক্তদের।


ইতিমধ্যেই এই এনকাউন্টারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে পুলিশকে এনকাইন্টার করতে হয়েছিল, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, পুলিশের পকেট থেকে রিভলবার বার করে এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল সেই অভিযুক্ত। আত্মরক্ষার্থেই পাল্টা গুলি চালানো হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেহ নিতে অস্বীকার করে পরিবারও।



 'শাহরুখ আমার পা চাটছে', আমিরের মন্তব্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন শাহরুখ ভক্তরা!
অসুস্থ! হাসপাতালে অভিনেতা সুমন্ত মুখোপাধ্যায়, এখন কেমন আছেন?
আগেই এই ঘটনায় ২ জন মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ, যাদের বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় মাদকের কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলেও অভিযোগ। এনকাউন্টারের দিন সকালে গ্রেফতার করা হয় আরেক অভিযুক্তকে। এই ৩ অভিযুক্তকে নিয়েই চলে এদিনের পুনর্নির্মাণ। সকাল সাড়ে এগারোটার আশেপাশে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। ঘটনাস্থলে থাকে সিআইডি-র আধিকারিক ও ফরেনসিক আধিকারিকরা। ছিলেন সিআইডি আধিকারিকরাও।
মামলার মূল অভিযোগকারী বোলপুরের ত্রিসুলাপট্টির বাসিন্দা শুভেন্দু মণ্ডল। পেশায় ব্যবসায়ী শুভেন্দু দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে ওই এলাকায় ইটের ব্যবসা চালাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ফের তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পরপরই তাঁর ওপর তীব্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়।


গ্রেফতারির ভয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ সদ্য 'ভাল তৃণমূলী' অনুব্রত
হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত মণ্ডল

 দিন দুয়েক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রত-শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, কেষ্ট ‘ভাল তৃণমূলে’ যোগ দিতেই ফিরে পেয়েছেন সংগঠনের দায়িত্ব। বীরভূম জেলা তৃণমূলের পদ ফিরে পেয়েছেন তিনি। দায়িত্ব পেতেই নেমে পড়েছেন ময়দানে। তবে তার আগে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ। মূলত বীরভূমের ইটভাটা লুঠ মামলায় গ্রেফতারির ভয় পাচ্ছেন তিনি। তাই আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলা করেছেন। এর আগে তিনি এই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে সিউড়ি জেলা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে তাঁকে খালি হাতে ফিরতে হয়।


মামলার প্রেক্ষাপট


চায়ে চুমুক দেওয়াই যদি হয় আপনার পেশা! ৬০ ঘণ্টার বিশেষ কোর্সের সুযোগ আনল রাজ্য, কোথায় আবেদন করবেন
মামলার মূল অভিযোগকারী বোলপুরের ত্রিসুলাপট্টির বাসিন্দা শুভেন্দু মণ্ডল। পেশায় ব্যবসায়ী শুভেন্দু দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে ওই এলাকায় ইটের ব্যবসা চালাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ফের তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পরপরই তাঁর ওপর তীব্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়। অভিযোগের তির সরাসরি বীরভূমের তৎকালীন দাপুটে তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের দিকে।


ব্যবসায়ীর দাবি, খোদ অনুব্রত মণ্ডলের সবুজ সঙ্কেত পেয়েই কঙ্কালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখের নেতৃত্বে প্রায় ২০০ জন সশস্ত্র দুষ্কৃতী তাঁর ইটভাটায় চড়াও হয়েছিল। সেখানে দিনদুপুরে ব্যাপক তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালানো হয়। বাধা দিতে গেলে কর্মরত কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর করে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ইট লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, ব্যবসায়ী ও তাঁর কর্মীদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।

মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, তিনি সক্রিয় বিজেপি সমর্থক হওয়াতেই তৎকালীন শাসকদলের রোষানলে পড়েছিলেন। সেই সময় অনুব্রত ও তৃণমূলের চরম দাপটের কারণে পুলিশ-প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও সুরাহা বা ন্যায়বিচার পাননি তিনি। অবশেষে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই ব্যবসায়ী, যার জেরে আইনি ফাঁসে জড়িয়েছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা।

 গত ৩ জুলাই শক্তিপুর থানায় হাজিরা এড়ান নওদার বিধায়ক। তবে ৪ জুলাই রেজিনগর থানায় হাজিরা দেন। ওইদিন হুমায়ুনকে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে রেজিনগর থানার পুলিশ। সেই জিজ্ঞাসাবাদের পরই ১৪ জুলাই ফেরে হাজিরা দেওয়ার জন্য হুমায়ুনকে নোটিস ধরায় রেজিনগর থানা।

রেজিনগর থানায় পৌঁছলেন হুমায়ুন, শক্তিপুর থানার পুলিশ পৌঁছল তাঁর বাড়িতে, ব্যাপারটা কী?
থানায় হুমায়ুন কবীর (বাঁদিকে), তাঁর বাড়িতে পুলিশ (ডানদিকে)

 একটা থানায় হাজিরার সময় আগে থেকেই ঠিক ছিল। সেই মতো সকাল সাড়ে এগারোটায় কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে থানায় পৌঁছে গেলেন তিনি। আর নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যখন রেজিনগর থানায় পৌঁছলেন, তখন তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গেলেন শক্তিপুর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার শক্তিপুর থানার পুলিশ হুমায়ুনের বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দিয়ে এল। রেজিনগর থানায় হাজিরার পর আগামী ১৯ জুলাই শক্তিপুর থানায় হুমায়ুনকে হাজিরা দিতে হবে।


হুমায়ুনকে ২ থানায় হাজিরার জন্য কেন ডাকা হল?

 'শাহরুখ আমার পা চাটছে', আমিরের মন্তব্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন শাহরুখ ভক্তরা!
হুমায়ুনের দুটি মন্তব্য নিয়ে দুটি থানায় মামলা হয়েছে। গত ২৬ জুন রেজিনগরের কাশীপুর হাটতলার এক জনসভায় বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন বলেছিলেন, “আমি যেদিন ময়দানে মুসলমানদের নিয়ে নেমে যাব না, সেদিন এমন স্যাঁটা ভাঙা মার শুরু করব যে আপনাদের পতাকা ধরার লোক থাকবে না।” অন্যদিকে, শক্তিপুর থানায় যে এফআইআর দায়ের হয়, সেখানে অভিযোগ করা হয় যে শক্তিপুর থানার গড়দুয়ার ঘাট সংলগ্ন এলাকায় একটি বিজয় সমাবেশ থেকে প্রশাসনকে উদ্দেশ্য কের মানহানিকর ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন হুমায়ুন।


রেজিনগরে হুমায়ুনের এই হুঁশিয়ারি নিয়ে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় হুমায়ুনের মন্তব্য তুলে ধরে সংযত হওয়ার বার্তা দেন। দুটি থানার পুলিশও কড়া পদক্ষেপ করে হুমায়ুনকে হাজিরা হওয়ার জন্য নোটিস পাঠায়। গত ৩ জুলাই শক্তিপুর থানায় হাজিরা এড়ান নওদার বিধায়ক। তবে ৪ জুলাই রেজিনগর থানায় হাজিরা দেন। ওইদিন হুমায়ুনকে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে রেজিনগর থানার পুলিশ। সেই জিজ্ঞাসাবাদের পরই ১৪ জুলাই ফেরে হাজিরা দেওয়ার জন্য হুমায়ুনকে নোটিস ধরায় রেজিনগর থানা।

সেইমতো এদিন রেজিনগরে দলীয় কার্যালয় থেকে কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে থানায় পৌঁছে যান হুমায়ুন। থানায় হাজিরা দিতে যাওয়ার আগে পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। আর তিনি যখন রেজিনগর থানায় পৌঁছে যান, তখন শক্তিপুর থানার পুলিশ তাঁর মানিক্যহারের বাড়িতে পৌঁছে যায়। ৩ জুলাই হাজিরার নির্দেশ থাকলে ওইদিন শক্তিপুর থানায় যাননি হুমায়ুন। সেজন্য দ্বিতীয় ১৯ জুলাই হাজিরা দেওয়ার জন্য এদিন হুমায়ুনের বাড়িতে নোটিস দিতে আসেন শক্তিপুর থানার পুলিশ। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর হুমায়ুনের বাড়ির লোকজন নোটিসটি গ্রহণ করেন।

অভিজিতের দাবি, শওকত মোল্লা যে হলফনামা জমা করেছিলেন তা একেবারেই মিথ্যা। উচ্চ মাধ্যমিক এবং গ্রাজুয়েশন যে বোর্ড থেকে পাস করেছে সেই বোর্ডটিও ভুয়ো। এই ভুয়ো বোর্ড তৈরির পিছনে হাত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পিএ সুমিত রায়,আয়ন ঘোষ দস্তিদার, খোকন বেরা, স্বপন সরদার জীবনতলা থানায়ও লিখিত অভিযোগ দায়ের দায়ের করেছেন।


রাজস্থান থেকে গ্রাজুয়েট, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে করেছেন MA! শওকতের ডিগ্রি নিয়ে এবার থানায় ছুটল BJP, দাবি CBI তদন্তেরও
শওকত মোল্লা, তৃণমূল নেতা

 ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla) আপাতত জেলে। তোলাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় থেকে আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। তবে, শওকত যে নির্বাচনী হলফনামা জমা দিয়েছিলেন, সেখানে দেখা গিয়েছিল তিনি লিখেছেন,পলিটিক্যাল সায়েন্সে (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এম.এ (MA) পাস করেছেন। এবার সেই শওকতেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস শওকতের শিক্ষাগত যোগ্যতা পুরোটাই ভুয়ো বলে বারুইপুর এস পি অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।


অভিজিতের দাবি, শওকত মোল্লা যে হলফনামা জমা করেছিলেন তা একেবারেই মিথ্যা। উচ্চ মাধ্যমিক এবং গ্রাজুয়েশন যে বোর্ড থেকে পাস করেছে সেই বোর্ডটিও ভুয়ো। এই ভুয়ো বোর্ড তৈরির পিছনে হাত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পিএ সুমিত রায়,আয়ন ঘোষ দস্তিদার, খোকন বেরা, স্বপন সরদার জীবনতলা থানায়ও লিখিত অভিযোগ দায়ের দায়ের করেছেন।



 বিশ্বকাপের রেফারিকে নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন অমিতাভ বচ্চন
বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস বলেন, “উনি পঞ্চম-ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়া একজন ক্রিমিন্যাল। যাঁকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন তুই বোম বাঁধিস। সেই লোকটি দেখাচ্ছে তিনি উচ্চ শিক্ষিত। ও ২০১৬ সালে নির্বাচনে দাঁড়ানোর সময় যে হলফনামা জমা করেছিল সেখানে লিখেছিল ২০১৪ সালে উচ্চ-মাধ্যমিক পাশ করেছে বোর্ড অফ ইউথ এডুকেশন ইন্ডিয়া থেকে। এই বোর্ডটাও ভুয়ো। এরপর গ্রাজুয়েশন পাশ করেছে রাজস্থান থেকে। এবার আবার দেখিয়েছে ও নাকি মাস্টার ডিগ্রি করেছে পলিটিক্যাল সায়েন্সে। ও আসলে জালি সার্টিফিকেট চক্রের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে এটার তদন্ত হবে। দরকারে সিবিআই তদন্ত হতে পারে।”