WEATHER

Top News



শাহরুখের লুক নিয়ে বরাবরই কাটাছেঁড়া হয়েছে। তিনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, তাঁর চেহারাটা সাধারণ ‘চকলেটি বয়’ বা‘অ্যাকশন হিরো’র মতো নয়। বরং একটা অদ্ভুত মিশ্রণ। আর এই চেহারার কারণেই তিনি ‘দিওয়ানা’-র মতো রোমান্টিক ছবি থেকে শুরু করে যেকোনও সাদামাটা চরিত্রে অনায়াসেই মানিয়ে যেতে পেরেছিলেন।
'

আমি কি কারও জায়গা কেড়েছি?' সলমন-আমিরকে নিয়ে বিস্ফোরক শাহরুখ


বলিউডের সিংহাসন কার? এই লড়াই নতুন নয়। নব্বইয়ের দশক থেকে আজ পর্যন্ত ‘তিন খান’-এর দাপট রমরমিয়ে চলছে বি-টাউনে। তবে জানেন কি, কেরিয়ারের শুরুর দিকেই সলমন খান এবং আমির খানকে নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন শাহরুখ খান? যখন বাকিরা একে অপরকে টেক্কা দিতে ব্যস্ত, তখন ‘বাদশা’ অকপটে স্বীকার করেছিলেন তাঁর সীমাবদ্ধতা আর অন্যদের শ্রেষ্ঠত্ব।

কার জায়গা কেড়েছেন শাহরুখ?



অনেকেই বলেন শাহরুখ নাকি অনেকের জায়গা দখল করে আজ এই জায়গায় পৌঁছেছেন। কিন্তু কিং খান নিজে কী ভাবেন? এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে শাহরুখ সাফ জানিয়েছিলেন, তিনি কারও জায়গা কেড়ে নেননি। তাঁর কথায়, “খুবই অভদ্রভাবে লোকে বলে যে আমি অমুক বা তমুককে সরিয়ে দিয়েছি। এটা একেবারেই ভুল। প্রত্যেকে নিজের স্টাইলে কাজ করে। অজয় দেবগণ বা সলমনকে কেউ পছন্দ করেন মানেই যে তাঁরা অন্য কারও চেয়ে খারাপ বা ভালো, বিষয়টা তেমন নয়।”


সলমন ও আমিরকে নিয়ে অকপটে শাহরুখ বলেন, সলমন খান এমন একজন তারকা যাঁর স্টারডম সময়ের হিসেবে অতুলনীয়। তিনি সলমনকে ‘বিগেস্ট স্টার’ হিসেবে মান্যতা দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, আমির খানের অভিনয়ের বেশ প্রশংসা করেন কিং খান। তিনি আমিরকে দেশের ‘সেরা অভিনেতা’ (Finest Actor) বলে অভিহিত করেন। তাহলে নিজের অবস্থান নিয়ে কী মনে করেন অভিনেতা? শাহরুখ মৃদু হেসে জানিয়েছিলেন, “আমি কেবল আমার নিজের একটা আলাদা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি।”

শাহরুখের লুক নিয়ে বরাবরই কাটাছেঁড়া হয়েছে। তিনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, তাঁর চেহারাটা সাধারণ ‘চকলেটি বয়’ বা‘অ্যাকশন হিরো’র মতো নয়। বরং একটা অদ্ভুত মিশ্রণ। আর এই চেহারার কারণেই তিনি ‘দিওয়ানা’-র মতো রোমান্টিক ছবি থেকে শুরু করে যেকোনও সাদামাটা চরিত্রে অনায়াসেই মানিয়ে যেতে পেরেছিলেন।

অনেকেই হয়তো ভুলে গিয়েছেন, শাহরুখের শুরুটা হয়েছিল ছোট পর্দা দিয়ে। ‘ফৌজি’র অভিমন্যু রাই কিংবা ‘সার্কাস’-এর সেই ছেলেটি আজ বিশ্বসেরা। হেমা মালিনী তাঁর প্রতিভা চিনতে পেরে ‘দিল আশনা হ্যায়’ ছবিতে সুযোগ দিয়েছিলেন, যদিও মুক্তি পেয়েছিল ‘দিওয়ানা’র আগে। তারপর বাজিগর, ডিডিএলজে থেকে আগামীর ‘কিং’ —বলিউডের রাজপুত্রের দৌড় আজও থামেনি।
পৌরনিগমের শাসকদলকে খোঁচা দিতে ছাড়ল না বিরোধীরা। ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, "স্থায়ী কর্মী ছাড়া পৌরনিগমে বাকি সব নিয়োগ রাজনৈতিকভাবে হয়। বায়োমেট্রিক দিলে আসা-যাওয়া ধরা পড়ছে। আগে এমনিতেই আসতেন না। ৩ দিন পর এসে সই করে মাইনে নিতেন।" আবার ৯২ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআই কাউন্সিলর মধুছন্দা দেব বলেন, "কোনও নিয়ম চালু করার আগে যাঁদের জন্য নিয়ম, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। তাঁদের আগে জানানো দরকার ছিল, কী কারণে বায়োমেট্রিক করা হচ্ছে। তাহলে সমস্যা হত না।"

 কলকাতার পরিচ্ছন্নতা তাঁদের হাতেই, বেতন 'আটকে' যাওয়ায় কাজে অনীহা, কী হবে এবার?
বায়োমেট্রিক সমস্যার জন্য বেতন পাননি অনেক সাফাইকর্মী

তিলোত্তমাকে পরিষ্কার তাঁরাই রাখেন। তবে সাফাইকর্মীদের জন্য বায়োমেট্রিক চালুর পর নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। যার জেরে অর্ধেকের বেশি সাফাইকর্মী পেলেন না বেতন। শহরজুড়ে সাফাইয়ের কাজে তার প্রভাব পড়েছে। কীভাবে বায়োমেট্রিক ইস্যুর সমাধান হবে, তা নিয়ে চিন্তায় কলকাতা পৌরনিগম। বিরোধীরা এই নিয়ে খোঁচা দিচ্ছে শাসকদলকে। 


নির্বাচন দোরগোড়ায়। তার আগে শহরজুড়ে সাফাইকর্মীদের নিয়ে চরম সমস্যায় কলকাতা পৌরনিগম। সাফাইকর্মীদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু হয়েছে। অথচ তাঁদের এই নয়া হাজিরার বিষয়ে তেমন কোনও পাঠও দেওয়া হয়নি পৌরনিগমের তরফে। যেকারণে সকালে কাজে যোগ দেওয়ার সময় একবারমাত্র বায়োমেট্রিকের ছাপ দিয়ে তাঁরা কাজ শুরু করছেন। কিন্তু যে নির্দিষ্ট সময় ধরা রয়েছে তাঁদের শিফট শেষের, তার আগেই তাঁরা চলে যাচ্ছেন।


গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবীতে সবচেয়ে তীব্রতর কম্পন কলকাতায়!
ফলে গত ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাসে বায়োমেট্রিক মেশিনে প্রত্যেকের সিঙ্গল পাঞ্চ বা উপস্থিত দেখিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ধরনের বিপত্তি হওয়ায় প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ সাফাইকর্মীর বেতন আটকে দেওয়া হয়েছে। শুধু এখানেই শেষ নয়, কলকাতা পৌরনিগম এলাকায় মোট দুই দফায় এই সাফাই করার কাজকর্ম হয়ে থাকে। সারাদিনে সাফাইকর্মীরা একবারই বায়োমেট্রিক মেশিনের ছাপ দিয়ে বের হতে অথবা ঢুকতে পারবেন। সেই কারণেই দুপুরে যে কাজ করছেন তাঁরা, এই সময় বায়োমেট্রিক ছাপ দিতে পারছেন না। ফলে তাঁদের হাজিরার বিষয়টি অস্বচ্ছ এবং অসম্পূর্ণ হিসাবেই থেকে যাচ্ছে।


সবমিলিয়ে শহরের বিভিন্ন অংশে সাফাইকর্মীরা কাজের ক্ষেত্রে অবহেলা দেখাতে শুরু করেছেন। হয় কাজ করছেন না, নয়তো প্রতিটি অলিগলিতে পৌঁছাচ্ছেন না। শহরের কোথাও কোথাও আবর্জনা দিনভর পড়ে থাকছে। কোথাও দু’দিন পর এসে সেই আবর্জনা সংগ্রহ করছেন সাফাইকর্মীরা। স্বাভাবিকভাবেই চরম সংকটের মধ্যে পড়েছে কলকাতা পৌরনিগমের কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

কলকাতা পৌরসভার কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ সূত্রে খবর, কলকাতার সবকটি ওয়ার্ড মিলিয়ে মত ১৭৫টি পুর অফিসে এই বায়োমেট্রিক মেশিন লাগানো রয়েছে। তবে কলকাতা পৌরনিগমের ১৫ নম্বর বরোতে জায়গার অভাবে চারটি ওয়ার্ডে এই বায়োমেট্রিক মেশিন বসানো যায়নি। বর্তমানে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে স্থায়ী সাফাইকর্মী রয়েছেন ৫ হাজার ৫৫০ জন। চুক্তিভিত্তিক কর্মী রয়েছেন ৭ হাজার ৯০ জন।

কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ সূত্রে খবর, এমনিতেই কর্মীর অভাবে শহরের সাফাই কাজকর্ম ব্যাহত হয়। প্রতিটি ওয়ার্ডে এক একটি ব্লকে যে পরিমাণ সুপারভাইজার থাকা প্রয়োজন, তা-ও নেই। তথ্য বলছে, প্রায় ৪০-৫৫ শতাংশ এই পদ খালি হয়ে গিয়েছে। যে কারণে কোথায় কাজ হচ্ছে, তা নজরদারি করা সম্ভব হচ্ছে না প্রশাসনের পক্ষে। একদিকে কর্মী সংকট, অন্যদিকে যাবতীয় সিদ্ধান্ত অপরিকল্পিতভাবে নেওয়া, স্বাভাবিক কারণেই চরম সংকটে দিন গুনছে কলকাতা পৌরনিগম কর্তৃপক্ষ।

এই নিয়ে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের মেয়র পারিষদ সদস্য দেবব্রত মজুমদার বলেন, “প্রথম দু-একদিন সমস্যা হয়েছিল। যেকোনও জিনিসই প্রথমে একটু সমস্যা হয়। আমরা সমস্তটাই দেখতে বলেছি। শ্রমিকদের কোনও সমস্যা হবে না। প্রযুক্তিগত ত্রুটি থাকলে আমাদের বিভাগকে দেখতে বলেছি। সময়মতো যাতে কাজ হয়, সেজন্য সমস্ত দফতরে বায়োমেট্রিক চালু হবে।”

পৌরনিগমের শাসকদলকে খোঁচা দিতে ছাড়ল না বিরোধীরা। ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, “স্থায়ী কর্মী ছাড়া পৌরনিগমে বাকি সব নিয়োগ রাজনৈতিকভাবে হয়। বায়োমেট্রিক দিলে আসা-যাওয়া ধরা পড়ছে। আগে এমনিতেই আসতেন না। ৩ দিন পর এসে সই করে মাইনে নিতেন।” আবার ৯২ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআই কাউন্সিলর মধুছন্দা দেব বলেন, “কোনও নিয়ম চালু করার আগে যাঁদের জন্য নিয়ম, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। তাঁদের আগে জানানো দরকার ছিল, কী কারণে বায়োমেট্রিক করা হচ্ছে। তাহলে সমস্যা হত না।”

দিন কয়েক আগে পাকিস্তানি হামলার জবাব দিতে বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানের তালিবান সরকার পাল্টা হামলার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতোই ডুরান্ড লাইন সহ আফগান-পাকিস্তানের একাধিক সীমান্তে সংঘর্ষ বাঁধে। শুক্রবার ভোরেও বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে কাবুলে।

 যুদ্ধের ঘোষণা করে দিল পাকিস্তান! রাতভর ডুরান্ড লাইনে ভয়ঙ্কর সংঘর্ষ, চলল মিসাইল-গোলাবর্ষণ, দখল পাক ঘাঁটি


কাবুল ও ইসলামাবাদ: সীমান্তে চলছে গুলি, রাতভর চলল গোলাবর্ষণ। তুমুল সংঘাত পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মধ্যে। আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসনের দাবি, সীমান্তে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে। এদিকে, আফগানিস্তানের হামলার পরই পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। রাতভর একাধিক আফগান শহরে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে বলেই খবর। খোলা যুদ্ধের ঘোষণা করে দিয়েছে পাকিস্তান। কাবুল, কান্দাহারে হামলা চালানো হচ্ছে বলেই খবর।


দিন কয়েক আগে পাকিস্তানি হামলার জবাব দিতে বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানের তালিবান সরকার পাল্টা হামলার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতোই ডুরান্ড লাইন সহ আফগান-পাকিস্তানের একাধিক সীমান্তে সংঘর্ষ বাঁধে। শুক্রবার ভোরেও বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে কাবুলে। তালিবান জানিয়েছে, ডুরান্ড লাইনের কাছে পোস্ট মিলিটারি ঘাঁটিগুলি দখল করে নিয়েছে তাদের সেনা। কমপক্ষে ৫৫ জন পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। যদিও পাকিস্তান এই দাবি মানতে নারাজ পাকিস্তান। তাদের দাবি, পাক সেনা নয়, অনেক আফগান সেনার মৃত্যু হয়েছে এই সংঘর্ষে।



তালিবানের মুখপাত্র জ়াবিহুল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, পাকিস্তান মূলত কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় হামলা চালাচ্ছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “কাপুরুষ পাকিস্তানি সেনা কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় বিভিন্ন জায়গায় এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে। তবে সৌভাগ্যক্রমে কোনও হতাহতের খবর নেই।”

আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা থেতে অপারেশন শুরু হয়েছে। সম্প্রতি আফগানিস্তানে যে হামলা করেছিল পাকিস্তান, শিশু ও মহিলাদের মৃত্যু হয়েছিল, তার জবাব দিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।

ডুরান্ড লাইনের কাছে পাকতিকা, খোস্ত, নানঘারহর, কুনার সহ একাধিক সেক্টরে পাল্টা হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানের সেনা। চার ঘণ্টার সংঘাতে দুটি পাকিস্তানি মিলিটারি বেস ও ১৯টি পোস্ট দখল করে নেওয়া হয়েছে। আরও চারটি পোস্ট ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে পাক সেনা। মোট ৫৫ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলেই দাবি তালিবান সরকারের। এছাড়া প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একটি পাকিস্তানি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষে তালিবানের আট যোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। ১১ জন আহত বলেই জানানো হয়েছে। নানঘরহরে পাকিস্তানের পাল্টা মিসাইল হামলায় ১৩ জন আফগান নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলকের রুমের দরজার ভেঙে ঢুকে পড়েন সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল কলেজের অন্য পড়ুয়ারা। তখনই তাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিছানায় পড়ে থাকা পুলকের নিথর দেহ। এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

আরজি করের মতো যেন চাপা না-পড়ে!', কল্যাণীর ডাক্তারি-পড়ুয়ার মৃত্যুতে খুনের তত্ত্ব
শুধুই রহস্য়

 যখন কলেজের অন্য পড়ুয়াদের কানে খবর গেল, ততক্ষণে মগরাহাটের পুলক হালদারের দেহতে পচন ধরেছে। তাঁর হস্টেল রুমের বাইরে থেকে পাওয়া যাচ্ছে দুর্গন্ধ। বন্ধ কাঠের দরজার পিছনে যে তাঁর নিথর দেহ পড়ে থাকবে, তা আশা করতে পারেনি কেউই। কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র, পুলকের মৃত্য়ু ঘিরেই শুধুই ধোঁয়াশা।


শুক্রবার অর্থাৎ আজ পুলকের দেহ ময়নাতদন্ত করার কথা রয়েছে। ইতিমধ্য়েই আত্মীয়দের সঙ্গে কল্যাণীতে পৌঁছে গিয়েছেন বাবা সুধাংশু হালদার। তারপরেই বড় অভিযোগ তুলে দিল পরিবার-পরিজনরা। পুলকের শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, বরং নেপথ্যে খুনের চক্রান্ত থাকতে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা।



এদিন মৃতের আত্মীয় উত্তম মন্ডল বলেন, “ও খুব ভালো ছেলে। আমাদের প্রত্যেকের ওকে নিয়ে খুব আশা ছিল। কিন্তু মনে হয় ওকে খুন করা হয়েছে।” একই দাবি প্রতিবেশীরও। তাঁরা বলেন, “ছেলেটার মুখে দাগ, পিঠে দাগ। অবশ্যই ওকে খুন করা হয়েছে। আরজি করের মতো এই ঘটনাটা যেন চাপা না-পড়ে যায়। সবটাই চক্রান্ত।”


উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলকের রুমের দরজার ভেঙে ঢুকে পড়েন সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল কলেজের অন্য পড়ুয়ারা। তখনই তাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিছানায় পড়ে থাকা পুলকের নিথর দেহ। এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার করা হয় ফাইনাল ইয়ারের মেডিক্য়াল ছাত্রের পচা-গলা দেহ। কলেজের অন্য পড়ুয়াদের থেকে জানা যায়, গত ২০ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার হস্টেলের ক্যান্টিনে শেষবার খেতে দেখা গিয়েছিল পুলককে। তারপর থেকেই ঘর-বন্দি ছিল সে।

পরিবারের তরফেও একই কথা জানানো হয়েছে। ২০ ফেব্রুয়ারি মায়ের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা বলেছিলেন পুলক। তারপর কী এমন হল? আচমকাই নিজেকে কেন ঘরবন্দি করে নিলেন তিনি? নাকি ২০ তারিখে কিছু একটা ঘটেছিল, যার ফলাফল বৃহস্পতিবার দেখেছে গোটা কলেজ! একটা রহস্যমৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। হস্টেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। প্রতিবেশীদের দাবি, “একটা ছেলে পাঁচদিন ধরে খেতে আসছে না, হস্টেল কর্তৃপক্ষ কী করছিল? একবার দেখতে যেতে পারল না।”

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের বরুণহাট রামেশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যায়, ভূমিকম্পের জেরে গ্রাম পঞ্চায়েত ছেড়ে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন কর্মচারীরা। ভূমিকম্পের জেরে হিঙ্গলগঞ্জেরই বাঁকড়া ডোবর প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়াদের মধ্যে হুলস্থূল পড়ে যায়। আতঙ্কে স্কুলের বাইরে বেরিয়ে আসে পড়ুয়ারা।

কোথাও বাড়িতে ফাটল, কোথাও স্কুলে হুলস্থূল, ভূমিকম্পে ছড়াল আতঙ্ক
ভূমিকম্পের জেরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আতঙ্ক ছড়াল

জোরাল ভূমিকম্প কলকাতায়। কম্পন অনুভূত হল রাজ্যের একাধিক জেলায়ও। কোথাও বাড়িতে ফাটল ধরল। রাস্তায় বেরিয়ে এলেন সাধারণ মানুষ। আতঙ্কে স্কুলের পড়ুয়াদের মধ্যে হুলস্থূল পড়ে গেল। শুক্রবার দুপুরে আতঙ্কের ছবি ধরা পড়ল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। দেখা যাক, কোথায় কী হল।

এদিন দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। প্রায় ৪৫ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী ছিল কম্পন। যদিও এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা। তবে কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। আতঙ্কে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসেন বহু মানুষ।


এসআইআর-এ 'মৃত'দের পরিবারপিছু হোমগার্ডের চাকরি দেবে নবান্ন! শুভেন্দু বললেন, 'হাফ দাড়ি কাটার সমান'
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের বরুণহাট রামেশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যায়, ভূমিকম্পের জেরে গ্রাম পঞ্চায়েত ছেড়ে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন কর্মচারীরা। ভূমিকম্পের জেরে হিঙ্গলগঞ্জেরই বাঁকড়া ডোবর প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়াদের মধ্যে হুলস্থূল পড়ে যায়। আতঙ্কে স্কুলের বাইরে বেরিয়ে আসে পড়ুয়ারা। আবার একটি বাড়িতে ফাটল ধরে যায়। বাঁকড়া ডোবর প্রাথমিকের স্কুলের এক পড়ুয়া বলেন, “ভূমিকম্প হতে স্কুল কেঁপে ওঠে। আমরা ভয় পাই। তখন আমাদের বাইরে আনা হয়।”


ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায়। আতঙ্কে ক্যানিং মহকুমাশাসকের দফতরের কর্মীরা বাইরে বেরিয়ে আসেন। এক কর্মী বলেন, “আমার মাথা ঘুরছিল। আমি ভাবলাম শরীর খারাপ। তারপরই দেখি, সবাই হুড়োহুড়ি করছে। তারপর তাড়াতাড়ি বাইরে বেরিয়ে আসি।” আবার সুন্দরবন এলাকার বিভিন্ন স্কুল থেকে মাঠে বেরিয়ে আসে পড়ুয়ারা। পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলিতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ডানকুনি পৌরসভার কর্মচারীরা ভয়ে অফিসের বাইরে বেরিয়ে আসেন।

এ দিন দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল ও প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে আবগারি দুর্নীতি মামলায় পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে বেকসুর ঘোষণা করেন। রায় শুনেই আদালতের ভিতরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কেজরীবাল ও সিসোদিয়া।

 প্রমাণ দিতে পারেনি CBI, আবগারি মামলায় বেকসুর খালাস কেজরীবাল-সিসোদিয়া
কেঁদে ফেললেন কেজরীবাল। তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন মণীশ সিসোদিয়া।

আদালতে বড় জয় আম আদমি পার্টির। দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় বেকসুর খালাস অরবিন্দ কেজরীবাল। মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগের কোনও প্রমাণ মেলেনি বলেই জানিয়েছে আদালত। সিবিআই দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি।


এ দিন দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল ও প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে আবগারি দুর্নীতি মামলায় পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে বেকসুর ঘোষণা করেন। রায় শুনেই আদালতের ভিতরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কেজরীবাল ও সিসোদিয়া। আদালত চত্বর থেকে বেরিয়ে কেঁদে ফেলেন কেজরীবাল। তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরীবাল বলেন যে সত্যের জয় হল।


 সুপ্রিম কোর্টে ফের রাজ্য! 'জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন', কথা শোনালেন প্রধান বিচারপতি

 'সুব্রত গুপ্ত কেন রয়েছেন?', হাইকোর্টের বৈঠকে রাজ্য-কমিশনের 'ঠান্ডা লড়াই'
দিল্লির আবগারি নীতিতে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল ও উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে। ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ছিল কেজরীবালের বিরুদ্ধে। ওই মামলাতেই গ্রেফতার হন কেজরীবাল, সিসোদিয়া। জামিনে মুক্তি পেয়ে নির্বাচনেও লড়েছিলেন, কিন্তু আপ সরকারের চূড়ান্ত খারাপ ফল হয় বিধানসভা নির্বাচনে। দিল্লির ক্ষমতায় আসে বিজেপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আবগারি দুর্নীতি আম আদমি পার্টির নির্বাচনে হারের অন্যতম কারণ ছিল।


এ দিন আদালত জানায় যে কেজরীবালের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণের প্রয়োজন থাকে। প্রমাণ ছাড়া কাউকে মূলচক্রী বলা যায় না। যদি প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ আনা হয়, তাহলে বিচারব্যবস্থার উপরে সাধারণ মানুষের আস্থা প্রভাবিত হবে।

মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধেও কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেই জানায় আদালত। বয়ানের সঙ্গে বিভিন্ন নথি পড়া হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে যে অন্যায় নয়, বরং প্রশাসনিক প্রচেষ্টা দেখা গিয়েছে।

আদালতে আরও উল্লেখ করা হয় যে আবগারি নীতি তৈরির আগে একাধিক স্তরে আলোচনা হয়েছিল। সিবিআই যে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল, তা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

যদিও সিবিআই জানিয়েছে, তাঁরা রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে।

কেজরীবাল কাঁদতে কাঁদতে বলেন, "আমি দুর্নীতি করিনি। আমি জীবনে কেবল সততা অর্জন করেছি। এরা মিথ্যা মামলা করেছিল। আজ প্রমাণ হয়ে গেল, কোর্ট বলেছে যে কেজরীবাল সৎ। মণীশ সিসোদিয়া সৎ। আম আদমি পার্টি সৎ।"

আমি দুর্নীতি করিনি', আদালত চত্বরেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেললেন কেজরীবাল
আদালতের বাইরে অরবিন্দ কেজরীবাল।

বেকসুর খালাস কেজরীবাল। আবগারি নীতি দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ হল না দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালের বিরুদ্ধে। নিরাপরাধ ঘোষণা করা হয়েছে ওই মামলাতেই গ্রেফতার হওয়া দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকেও। আবগারি নীতি দুর্নীতি মামলায় ২৩ জনকেই নির্দোষ ঘোষণা করেছে রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট। আদালতের রায় ঘোষণা হতেই কেঁদে ফেলেন কেজরীবাল।


এ দিন দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট থেকে বেরিয়েই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন অরবিন্দ কেজরীবাল ও মণীশ সিসোদিয়া। কেজরীবাল বলেন, “এরা বলেছিল, কেজরীবাল দুর্নীতি করেছে। আমি দুর্নীতি করিনি”। এই কথা বলেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেলেন কেজরীবাল। তাঁকে জড়িয়ে ধরে সান্তনা দেন মণীশ সিসোদিয়া।


আপ টু দ্য মার্ক হয়নি', কমিশন নিয়ে ক্ষোভ শুভেন্দুর
কেজরীবাল এরপর নিজেকে সামলে বলেন, “আমি দুর্নীতি করিনি। আমি জীবনে কেবল সততা অর্জন করেছি। এরা মিথ্যা মামলা করেছিল। আজ প্রমাণ হয়ে গেল, কোর্ট বলেছে যে কেজরীবাল সৎ। মণীশ সিসোদিয়া সৎ। আম আদমি পার্টি সৎ।”

বিচারব্যবস্থার উপরে আস্থা রেখে কেজরীবাল বলেন, “বিগত কিছু বছর ধরে বিজেপি যেভাবে আবগারি দুর্নীতি নিয়ে সুর চড়াচ্ছিল এবং আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনছিল, আজ আদালত সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। সকল অভিযুক্তদের নির্দোষ ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতীয় বিচারব্যবস্থার উপরে আমাদের ভরসা আছে। আমি বিচারপতিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, উনি আমাদের ন্যয়-বিচার করেছেন। সত্যের জয় হয়েছে। আমি সবসময় বলেছি যে ভগবান আমাদের সঙ্গে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীজি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি স্বাধীন ভারতে সবথেকে বড় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করেছেন আম আদমি পার্টিকে শেষ করার জন্য। আম আদমি পার্টির সবথেকে বড় পাঁচ নেতাকে জেলে পাঠানো হয়েছে। এমনকী, ক্ষমতায় থাকা মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর বাড়ি থেকে টেনে বের করে জেলে ভরা হয় এবং ছয় মাস জেলে বন্দি রাখা হয়েছিল। উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে প্রায় দুই বছর জেলে রাখা হয়েছিল। আমাদের উপরে কাদা ছোঁড়া হয়েছিল।”
গতমাসেই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, এসআইআর-এর কাজে ডমিসাইল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে, এমনটাই কখনওই বলা হয়নি। ওই সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তা অন্য জায়গায়। এমনকি, সংশ্লিষ্ট নথিটি কোন ক্ষেত্রে বৈধ, কোনও ক্ষেত্রে অবৈধ — সেই মাপকাঠিও বেঁধে দিয়েছিল কমিশন।

নয়াদিল্লি: দিন পেরলেই বাংলার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা। আর এই এসআইআর-এর বিদায়বেলাতেও সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ রাজ্য। শুক্রবার রাজ্যের হয়েও শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। কলকাতা হাইকোর্টের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে যে ‘ঠান্ডা লড়াই’ শুরু হয়েছে তা তিনি টেনে নিয়ে গেলেন শীর্ষ আদালতে।

এবার জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ নিয়ে কমিশনকে কাঠগড়ায় টানল রাজ্য। শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের কাছে রাজ্যের সওয়ালকারী অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য় যে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে কোনও ভাবেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই মর্মে কমিশন অবৈধ ভাবে নানা নির্দেশিকা জারি করছে বলেও অভিযোগ কপিল সিব্বলের।



তবে এখানেই ক্ষান্ত হননি তিনি। কমিশনের জারি করা নির্দেশিকাগুলি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-বিরোধী বলেও যুক্তি দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, “পিছন দরজা দিয়ে জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতিকে এড়িয়ে কোন নথি গ্রহণ হবে, কোন নথি গ্রহণ হবে না সেই বিষয়েও নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।”

রাজ্য়ের সওয়ালকারীর যুক্তি শোনার পরেই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট বলেন, “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন। এবার এর নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।” একই বেঞ্চে উপস্থিত বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কমিশন ছাড়া আর কে প্রশিক্ষণ দেবে? আমরা স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়ে দিয়েছি কোন কোন ডকুমেন্টস গৃহীত হবে। আমাদের নির্দেশিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। তা কোনও ভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।”

গতমাসেই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, এসআইআর-এর কাজে ডমিসাইল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে, এমনটাই কখনওই বলা হয়নি। ওই সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তা অন্য জায়গায়। এমনকি, সংশ্লিষ্ট নথিটি কোন ক্ষেত্রে বৈধ, কোনও ক্ষেত্রে অবৈধ — সেই মাপকাঠিও বেঁধে দিয়েছিল কমিশন। এবার ওই ডমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়েও এজলাসে প্রশ্ন তুললেন কপিল সিব্বল। তাঁর অভিযোগ, “কমিশন বলছে ডমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হবে না।”

পাল্টা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “যদি আমাদের নির্দেশে এই নথি গ্রহণ করার কথা বলা থাকে, তা খতিয়ে দেখতে হবেই।” পাশাপাশি জুডিশিয়াল অফিসার নিয়ে তাঁর আরও পর্যবেক্ষণ, “আমাদের বিচারকরা যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারে তা নিশ্চিত করা রাজ্য সরকার এবং কমিশন দুই তরফের দায়িত্ব। SIR প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা রাজ্যের বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোকে কার্যত ফাঁকা করে দিয়েছি।” সবশেষে বলে রাখা প্রয়োজন, এই সওয়াল-জবাবের সময় সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য় সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। কমিশনকে দুষেই তাঁর ‘ভোটাধিকার থাকবে কিনা এখনও ঠিক নেই’ বলে মন্তব্য করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।


 ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের খুলনায়। ভর দুপুরে এরকম ভূমিকম্প হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অফিস পাড়ায়, অফিস বিল্ডিং থেকে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। এই সময় কী কী সাবধানতা নেওয়া উচিত?

কলকাতায় তীব্র ভূমিকম্প, কী কী সাবধানতা নেবেন?
আকাশ মিশ্র


কলকাতায় জোরাল ভূমিকম্প। থরথরিয়ে কেঁপে উঠল মাটি। আজ দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। প্রায় ১০ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয়েছিল ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের খুলনায়। ভর দুপুরে এরকম ভূমিকম্প হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অফিস পাড়ায়, অফিস বিল্ডিং থেকে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। এই সময় কী কী সাবধানতা নেওয়া উচিত?


১. ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে বড় শত্রু হলো ভয়। দিশেহারা হয়ে এদিক-ওদিক দৌড়াদৌড়ি করবেন না। শান্ত থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন। ২. যদি ঘরের ভেতরে থাকেন, তবে সঙ্গে সঙ্গে মেঝেতে বসে পড়ুন (Drop)। মজবুত কোনো টেবিল বা আসবাবের নিচে ঢুকে নিজের মাথা ও ঘাড় রক্ষা করুন । কম্পন না থামা পর্যন্ত টেবিলটিকে শক্ত করে ধরে রাখুন (Hold on)। ৩. জানলার কাচ, আলমারি, ঝাড়লন্ঠন বা দেওয়ালে ঝোলানো ভারী ছবি থেকে দূরে থাকুন। এগুলো ভেঙে গায়ে পড়ে বড় চোট লাগতে পারে। ৪. ভূমিকম্পের সময় ভুলেও লিফট ব্যবহার করবেন না। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আপনি লিফটের ভেতরে আটকে পড়তে পারেন। সিঁড়ি ব্যবহার করা অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। ৫. যদি ঘরের বাইরে থাকেন, তবে বহুতল ভবন, বৈদ্যুতিক খুঁটি, বড় গাছ বা উড়ালপুল থেকে দূরে কোনো ফাঁকা জায়গায় গিয়ে দাঁড়ান।


'আমি কি কারও জায়গা কেড়েছি?' সলমন-আমিরকে নিয়ে বিস্ফোরক শাহরুখ
কম্পন থেমে যাওয়ার পর

কম্পন থামার পর ঘরের গ্যাসের নব বন্ধ আছে কি না এবং বিদ্যুতের লাইনে কোনো লিক আছে কি না তা পরীক্ষা করুন। দেশলাই বা লাইটার জ্বালাবেন না, কারণ গ্যাস লিক হয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে।

বড় ভূমিকম্পের পর ছোট ছোট কম্পন বা ‘আফটার শক’ হওয়া স্বাভাবিক। তাই প্রথম কম্পন থামলেই নিশ্চিন্ত হয়ে যাবেন না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিত্তিহীন খবরে কান দেবেন না। সংবাদ মাধ্যম মারফত সরকারি সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখুন।

কলকাতায় জোরাল ভূমিকম্প। থরথরিয়ে কেঁপে উঠল মাটি। আজ দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। প্রায় ১০ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয়েছিল ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫। আতঙ্কে লোকজন রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা।

থরথরিয়ে কাঁপল কলকাতা, ৪৫ সেকেন্ড ধরে দুলল বাংলার এই সব জেলা
প্রতীকী চিত্র। AI দিয়ে নির্মিত।


কলকাতায় জোরাল ভূমিকম্প। থরথরিয়ে কেঁপে উঠল মাটি। আজ দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। প্রায় ৪৫ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয়েছিল ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরায়। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল। ভূমিকম্পের উৎসস্থল খুব একটা গভীর না হওয়ায়, আফটারশকের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।


শুধু কলকাতা নয়, তার পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলি, সুন্দরবনেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের জেরে প্রবল ঝাঁকুনি-কম্পন অনুভূত হয়। আতঙ্কে বহুতল ছেড়ে রাস্তায় নেমে এসেছেন। হাইকোর্ট থেকে শুরু করে সেক্টর ফাইভ- সমস্ত জায়গাতেই তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে।





বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ একাধিক জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। উৎসস্থল ছিল সাতক্ষীরায়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৩। সাতক্ষীরার খুব কাছেই অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাট, টাকি। এই সমস্ত জায়গাতেও তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।



খবরটি সদ্য এসে পৌঁছেছে। বিস্তারিত বিবরণ আসছে কিছুক্ষণের মধ্যেই। আপনার কাছে দ্রুততার সঙ্গে খবর পৌঁছে দেওয়াই আমাদের প্রয়াস। তাই সব খবরের লেটেস্ট আপডেট পেতে এই পেজটি রিফ্রেশ করতে থাকুন। 

উন্নয়নের পথে সাগর: একদিনে চারটি রাস্তার উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা


মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের "রাস্তাই আমাদের আস্থা" এই স্লোগানকে সামনে রেখে সুন্দরবন এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার ভোলবদল করতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সাগর ব্লকের অন্তর্গত রুদ্রনগর ও ধবলাট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একদিনে চারটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার শুভ উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের রাস্তাগুলি কোথাও ছিল কাঁচা মাটির, আবার কোথাও জীর্ণ ইটের। ফলে বর্ষাকালে কর্দমাক্ত রাস্তায় সাধারণ মানুষ, স্কুলপড়ুয়া এবং রোগীদের যাতায়াত করতে চরম নাভিশ্বাস উঠত। স্থানীয় বাসিন্দাদের সেই দীর্ঘদিনের কষ্টের কথা মাথায় রেখেই রাজ্য সরকার এই আধুনিক পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এদিন মন্ত্রী যে চারটি রাস্তার


 শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন সেগুলি হলো: রুদ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কমলপুর সুকুমার পাত্রর বাড়ি থেকে প্রভাংশু বেরার বাড়ি পর্যন্ত ৮৬০ মিটার ইটের রাস্তার শুভ শিলান্যাস। এবং হরিপদ ভূঞ্যার বাড়ি থেকে জীবনতলা ক্যাভাট পর্যন্ত ১৫১০ মিটারের দীর্ঘ কংক্রিট রাস্তার শুভ শিলান্যাস।মনসাদ্বীপ জীবনতলা গীতা ধাঁড়ার বাড়ি থেকে এস.এস.কে স্কুল পর্যন্ত ১ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার শুভ উদ্বোধন। এছাড়াও ধবলাট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রশান্ত প্রভা পুনর্বাসন সংঘ থেকে শশাঙ্ক গ্রোমের বাড়ি হয়ে বিশ্বজিৎ পড়্যার বাড়ি পর্যন্ত ১৬২২ মিটার দীর্ঘ কংক্রিটের রাস্তার শুভ উদ্বোধন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা বলেন, "মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় সুন্দরবনের প্রতিটি কোণায় উন্নয়নের কাজ চলছে। এই রাস্তাগুলি হওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। বিশেষ করে বর্ষাকালে আর কাউকে কাদা মাড়িয়ে হাঁটতে হবে না।"
রাস্তাগুলি নির্মিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত এলাকার সাধারণ মানুষ। তাদের মতে, পাকা রাস্তা হওয়ার ফলে এলাকার অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে এবং ছাত্রছাত্রীদের স্কুল যাতায়াত অনেক সহজ হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর পাশাপাশি স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধি ও ব্লকের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল বিধায়কের এহেন মন্তব্যে রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। এই নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, "আসলে শ্যামল মণ্ডলদেরই মহিলাদের হাতে জুতো খাওয়ার সময় এসে গিয়েছে। কোন মহিলারা ঝাঁটাপেটা করবে? যাঁরা আরজি কর কাণ্ডের পর সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল, তাঁরাই?"

কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেই জুতোপেঁটা...', বিধানসভায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক
বাঁদিকে, বাসন্তীর তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল

রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী মাটিতে পা রাখার আগেই ঝাঁটাপেটা করার হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের। কাঠগড়ায় বাসন্তীর তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেই ঝাঁটাপেটা করবে মহিলারা। বিধায়কের কথায়, “আমাদের সাধারণ নাগরিককে ভয় দেখানোর জন্য, আতঙ্ক সৃষ্টি করবার জন্য, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস তৈরি করার উদ্দেশ্যে, তার জন্যই এত আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাঠানো হল। যদি অন্যায়ভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ নাগরিকদের ওপর অত্যাচার করে, তাহলে গ্রাম বাংলার মেয়েরা ঝাঁটা হাতে প্রতিবাদ করবে, প্রয়োজন হলে ঝাঁটাপেটাও করবে। এখনও ভোট ঘোষণার অনেক দিন বাকি রয়েছে।”

স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল বিধায়কের এহেন মন্তব্যে রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। এই নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “আসলে শ্যামল মণ্ডলদেরই মহিলাদের হাতে জুতো খাওয়ার সময় এসে গিয়েছে। কোন মহিলারা ঝাঁটাপেটা করবে? যাঁরা আরজি কর কাণ্ডের পর সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল, তাঁরাই?”


আমি দুর্নীতি করিনি', আদালত চত্বরেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেললেন কেজরীবাল
উল্লেখ্য, আগামিকালই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ৪৮০ কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আগে রাজ্যে আসছে। ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে বীরভূমে আসছে ৭ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ৫ কোম্পানি, কলকাতায় ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনেই কেবল ৪ কোম্পানি বাহিনী, পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। বাকি প্রায় সব জেলাতেই ১০-এর নীচে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। জানা যাচ্ছে, আপাতত ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসছে বাংলায়। এর পরের ধাপে আরও ৪০ কোম্পানি বাহিনী, তারপর আরও ২০০ কোম্পানি বাহিনী আসবে।



বিধানসভা নির্বাচনে এবার রাজ্যে পরিবর্তন হবে বলে আশাবাদী গেরুয়া শিবির। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রাকে প্রচারের হাতিয়ার করতে সচেষ্ট হয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এই পরিবর্তন যাত্রায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা আসবেন।

কী বললেন বিচারপতি?
কলকাতা হাইকোর্ট

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। এই আবহে রাজ্যে পরিবর্তন যাত্রার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। আর সেই পরিবর্তন যাত্রায় অনুমতি দেওয়া নিয়ে প্রশাসনের কাছ থেকে সাড়া ন পেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের সেই আবেদনের ভিত্তিতে শুক্রবার পরিবর্তন যাত্রার অনুমতি দিল বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের সিঙ্গল বেঞ্চ। তবে মানতে হবে একাধিক শর্ত। আবার বিজেপি ১ থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত পরিবর্তন যাত্রার অনুমতি চেয়েছিল। সেখানে ১ ও ২ মার্চ এই যাত্রার অনুমতি দিল হাইকোর্ট।    

এদিন শুনানিতে বিজেপির তরফে কোন জেলায় কোন জায়গায় কবে এই যাত্রা বা মিছিল হবে, তার তালিকা দেওয়া হয় হাইকোর্টকে। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ সেই সূচি দেখে সামগ্রিকভাবে জানিয়ে দেন, ওই নির্দিষ্ট দিনগুলিতে ১০০০ হাজার লোক নিয়ে বেলা ২টো থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ওই মিছিল করতে পারবে বিজেপি। তবে কোথাও যাতে কোনও আইনশৃঙ্খলা জনিত সমস্যা না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় অশ্লীল বডি শেমিং, বড় সিদ্ধান্ত নিলেন শ্রাবন্তী
এর আগে পুলিশের কাছে পরিবর্তন যাত্রার অনুমতি চেয়ে বিজেপি ২২ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেছিল। কিন্তু তার কোনও জবাব পুলিশ দেয়নি। পুলিশের কাছ থেকে জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে মামলা করে গেরুয়া শিবির। ১ থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত পরিবর্তন যাত্রার আবেদন করেছিল তারা। তবে এদিন বিচারপতি ২ দিনের পরিবর্তন যাত্রার নির্দেশ দিয়েছেন।


বিধানসভা নির্বাচনে এবার রাজ্যে পরিবর্তন হবে বলে আশাবাদী গেরুয়া শিবির। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রাকে প্রচারের হাতিয়ার করতে সচেষ্ট হয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এই পরিবর্তন যাত্রায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা আসবেন। এখন দেখার, আদালতের নির্দেশের পর পরিবর্তন যাত্রা নিয়ে কী রণকৌশল নেয় বিজেপি।