WEATHER

Top News



শেখ হাসিনার দাবি, প্রত্যাবর্তন প্রয়োজন। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রত্যাবর্তন প্রয়োজন। আর তা কোনও নির্দিষ্ট সময়ের উপর নির্ভরশীল নয়। এই বিষয়ে হাসিনা 

বলেন,"প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি কোনও নির্দিষ্ট তারিখ বা 
সময়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। আমরা বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছি। এটি শুধু আমার প্রত্যাবর্তনের জন্যই নয়, বরং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্যও প্রয়োজনীয়।"

তিনি আবার ফিরবেন বাংলাদেশে (Bangladesh)। শুধু সময়ের অপেক্ষা। সম্প্রতি, এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই বার্তা দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Seikh Hasina)। ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতেই থাকছেন আওয়ামি লিগের নেত্রী। গত বছরই মানবতা বিরোধী অপরাধে সেদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণা করে। তারপর থেকেই হাসিনাকে ভারতে প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ। কিন্তু, এখনও সেই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দিল্লি। এদিকে, প্রত্যর্পণের বদলে হাসিনার (Hasina on return to Bangladesh) মুখে শোনা যাচ্ছে প্রত্যাবর্তন। একইসঙ্গে বিএনপি-র শাসনে ফের বাংলাদেশে অন্ধকার দিনগুলো ফিরে আসবে বলে দাবি করেছেন হাসিনা।

হাসিনার প্রত্যাবর্তন শীঘ্রই?
শেখ হাসিনার দাবি, প্রত্যাবর্তন প্রয়োজন। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রত্যাবর্তন প্রয়োজন। আর তা কোনও নির্দিষ্ট সময়ের উপর নির্ভরশীল নয়। এই বিষয়ে হাসিনা বলেন,”প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি কোনও নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। আমরা বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছি। এটি শুধু আমার প্রত্যাবর্তনের জন্যই নয়, বরং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্যও প্রয়োজনীয়।”



তবে, হাসিনার দাবি, তাঁর নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবলে ভুল করা হবে। এই বিষয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন,”একটি বিষয় খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই আমার অনুপস্থিতির অর্থ আমার নীরবতা নয়। আমি প্রতি মুহূর্তে দেশের জন্য লড়াই করছি এবং আমরা কূটনৈতিক পর্যায়ে, আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর মধ্যে দিয়ে এবং বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”

আওয়ামী লীগকে বাদ দেওয়া যাবে না
বাংলাদেশে আওয়ামি লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। হাসিনা এই বিষয়ে বলেন,”এটি জনগণের দল এবং শুধু কাগজের আদেশে একে বিলুপ্ত করা যায় না। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও বিলুপ্ত করা গেলে বাংলাদেশের জন্মই হত না।”

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। ভারত শুধু আমাদের প্রতিবেশীই নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে এই দেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দেশের কিছু রাজনৈতিক ও উগ্রপন্থী গোষ্ঠী ভারত-বিরোধী বক্তব্যকে রাজনীতিকরণ করে আসছে। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারও একই কাজ করেছিল।”

 কোভিডের সময় থেকে অনলাইন ফার্মেসি শুরু হয়েছে। মহামারীতে অনলাইন ওষুধ বিক্রির অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, মহামারি শেষ হয়ে গেলেও, অনলাইনে ওষুধ বিক্রি এখনও জারি রয়েছে। উল্টে ওষুধ বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে। কেমিস্ট সংগঠনগুলো জানিয়েছে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যাপক ছাড় ও দ্রুত হোম ডেলিভারির সুবিধা দেওয়ায় ছোট ওষুধের দোকানগুলোর পক্ষে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।


দেশজুড়ে বন্ধ থাকবে সব ওষুধের দোকান, কবে, কখন জেনে নিন
ওষুধের দোকান বন্ধ


বাড়ির খুদে বা বয়ষ্ক সদস্যদের জন্য ওষুধ (Pharmacy Close) কি ফুরিয়ে গিয়েছে? বা আপনার রোজকার ওষুধ কি কোনওভাবে কাল কিনতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে? তাহলে কিন্তু আর দেরি করবেন না। আজই দোকানে গিয়ে সব প্রয়োজনীয় ওষুধ (Medicine Shop Close) কিনে নিন। আগামিকাল কিন্তু কোথাও ওষুধ পাবেন না। দেশজুড়ে আগামিকাল সব ওষুধের দোকান বন্ধ থাকছে। ১২ ঘণ্টা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অফ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস (এআইওসিডি)। কেমিস্টদের এই সংগঠনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে রিটেল ডিস্ট্রিবিউশন কেমিস্ট অ্যালায়েন্স।

ভারত জুড়ে ধর্মঘট
অল ইন্ডিয়া কেমিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের প্রায় ১২ লক্ষ ৫ হাজার সদস্য এই সংগঠনের অংশ। সেক্ষেত্রে, ধর্মঘট চলাকালীন দেশজুড়ে প্রায় ৭-৮ লক্ষ ফার্মেসি বন্ধ থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তার ফলে বহু রোগী সমস্যায় পড়তে পারেন। তবে, সংগঠনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা চালু থাকবে।


কী কারণে ধর্মঘট?
ধর্মঘটের কারণ হল, অনলাইন ওষুধ প্ল্যাটফর্ম ও ই-ফার্মেসিগুলোর বাড়বাড়ন্ত। যার ফলে সমস্যায় পড়েছে ওষুধের দোকানগুলো। অনলাইনে ওষুধ কেনার জন্য দোকানগুলোর ব্যবসা কমেছে।

কোভিডের সময় থেকে অনলাইন ফার্মেসি শুরু হয়েছে। মহামারীতে অনলাইন ওষুধ বিক্রির অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, মহামারি শেষ হয়ে গেলেও, অনলাইনে ওষুধ বিক্রি এখনও জারি রয়েছে। উল্টে ওষুধ বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে। কেমিস্ট সংগঠনগুলো জানিয়েছে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যাপক ছাড় ও দ্রুত হোম ডেলিভারির সুবিধা দেওয়ায় ছোট ওষুধের দোকানগুলোর পক্ষে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাদের আরও অভিযোগ, যথাযথ তদারকি ছাড়াই অনলাইনে ওষুধ বিক্রি হচ্ছে।

ছোট দোকানগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
বাণিজ্যিক বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ছোট ফার্মেসি চালানোর খরচ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, বেতন এবং নিয়মকানুন সংক্রান্ত ব্যয় বেড়েছে। অথচ লাভের পরিমাণ কমই রয়ে গিয়েছে। আবার অনেক ছোট ওষুধের দোকানদার, বিশেষ করে স্থানীয় বাজার ও ছোট শহরের দোকানগুলো টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করছেন। একইসঙ্গে, ঔষধ ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর যুক্তি, দেশজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পাড়ার ঔষধালয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। অর্থাৎ, অনলাইনে ওষুধ বিক্রির প্রতিবাদেই মূলত এই ধর্মঘট।

জরুরি পরিষেবা প্রভাবিত হবে না
ধর্মঘট চলাকালীন রোগীদের জরুরি পরিষেবার সমস্যা হবে না। এই বিষয়ে কেমিস্ট সংগঠন জানিয়েছে, তারা চায় না যে এই প্রতিবাদের কারণে মানুষ কোনও অসুবিধায় পড়ুক। সেক্ষেত্রে ওষুধ পেতে কারও অসুবিধা হলে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

 কাউন্সিলর স্বীকার করেছেন যে ওটা তাঁরই বাড়ি। তাঁর দাবি, ওই দুই মহিলা শান্তিপুর থেকে তাঁর বাড়িতে ঘর ভাড়া নিতে এসেছিলেন। মধুচক্র চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। অভিযোগ খতিয়ে দেখছে বনগাঁ থানার পুলিশ। নাগেরবাজারেও উঠেছে একই অভিযোগ।

ভরদুপুরে ঘরের মধ্যে মহিলা এনে...', কাউন্সিলরের বাড়িতেই মদ সহযোগে মধুচক্র! ঘাড় ধরে গাড়িতে তুলল পুলিশ
আটক হওয়া কাউন্সিলর


কোথাও তোলাবাজি, কোথাও হুমকির অভিযোগে একাধিক কাউন্সিলর গ্রেফতার হয়েছেন সম্প্রতি। এবার বনগাঁয় উঠল আরও একটা বড় অভিযোগ। খোদ কাউন্সিলরের বাড়িতেই দিনের পর দিন মধুচক্র চলছিল বলে অভিযোগ। তৃণমূল কাউন্সিলরকে আটকে রেখে পুলিশের হাতে তুলে দিল এলাকাবাসী। ভরদুপুরে কাউন্সিলরের ঘরের মধ্যে দুই মহিলাকে দেখা যায়, এক ব্যক্তি সেখানে মদ্যপান করছিলেন বলেও অভিযোগ।

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানার কালুপুর পাঁচপোতা এলাকার ঘটনা। তৃণমূল কাউন্সিলর ছাড়া আরও এক যুবককে আটকে রেখে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। গ্রামবাসীদের দাবি, ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মধুচক্র চালাচ্ছিলেন বনগাঁ পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুকুমার রায়।

ভরদুপুরে কী চলছিল ঘরের ভিতরে?
এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাইরে থেকে মহিলা ও পুরুষদের নিয়ে এসে ওই বাড়িতে মধুচক্র চালাচ্ছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর। সোমবার দুপুরেও একই ঘটনা ঘটে। বিষয়টা নিয়ে প্রথমে সতর্ক করেন এলাকার লোকজন। কিন্তু কাউন্সিলর কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ। কিছু সময় পরে তাঁরা বাড়িতে ঢুকে দেখেন মহিলাদের নিয়ে মদ্যপান করছেন কাউন্সিলর ও দুই যুবক।

মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁরা জানতে পারেন, মহিলাদের বাড়ি নদিয়া জেলার শান্তিপুরে। কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ হওয়াতেই তাঁরা এসেছেন। পরবর্তীতে তাদের বাড়িতে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। দুই মহিলা, কাউন্সিলর ও আরও এক যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “কাউন্সিলর প্রায়ই বাইরে থেকে লোক নিয়ে আসছিলেন। মহিলারাও আসছিলেন। মধ্যরাত অবধি পার্টি চলত। দেখলাম দুজন মহিলা ও এক পুরুষ ঘরের মধ্যে বসেছিলেন। মদ্যপান চলছিল।”

কী বলছেন কাউন্সিলর?
অন্যদিকে, কাউন্সিলর স্বীকার করেছেন যে ওটা তাঁরই বাড়ি। তাঁর দাবি, ওই দুই মহিলা শান্তিপুর থেকে তাঁর বাড়িতে ঘর ভাড়া নিতে এসেছিলেন। মধুচক্র চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। অভিযোগ খতিয়ে দেখছে বনগাঁ থানার পুলিশ।

এদিকে, আটক হওয়া যুবক জানান, কাউন্সিলর তাঁর কাকা হন। কাকার সঙ্গে মাঝে মাঝে ওই বাড়িতে সময় কাটাতে যেতেন তিনি। সেখানেই দুপুরে একটু মদ্যপান করছিলেন।

বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিকাশ ঘোষ বলেন, “এলাকাবাসীর কাছ থেকে শুনলাম তৃণমূলের এই কাউন্সিলর মধুচক্র চালাচ্ছিলেন। পুলিশ খবর পেয়ে কাউন্সিলর ও দুই মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ সত্যি হলে পুলিশ আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেবে।”

নাগেরবাজারেও মধুচক্র চালানোর অভিযোগ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে
স্পা-এর আড়ালে দেহ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে দমদমের নাগেরবাজারে। ১০ জনেরও বেশি মহিলা পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে সোমবার। অভিযোগ, দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে একটি বাড়িতে চলছিল দেহ ব্যবসা। সেই খবর পেয়ে স্থানীয় মানুষজন বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন সোমবার। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নাগেরবাজার থানার পুলিশ। সেখান থেকে মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্থানীয় কাউন্সিলর দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সাগরেদদের মদতে চলত এই দেহ ব্যবসা।

 সোমবার রাতে ওই তরুণী তাঁর এক বান্ধবী এবং দুই যুবকের সঙ্গে অ্যাপ ক্যাবে করে সল্টলেকের ওই গেস্ট হাউসে আসেন। অভিযোগ, রাতের দিকে গেস্ট হাউসের পাশের একটি গাছে আম পাড়তে ওঠেন ওই তরুণী এবং সেখান থেকে আচমকা নীচে পড়ে যান।


আম পাড়তে গিয়ে মৃত্যু? পরিবারের মুখে ধর্ষণের কথা! সল্টলেকের তরুণী মৃত্যু ঘিরে রহস্য
এই অ্যাপ ক্যাবেই গেস্ট হাউজে আসে তরুণী

এক তরুণীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে সল্টলেক সেক্টর ওয়ানে। একটি গেস্ট হাউজ়ের সামনে থেকে ওই তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে তদন্তে জানতে পেরেছে, বন্ধুদের সঙ্গে আম পাড়তে গাছে উঠেছিলেন ওই তরুণী। গাছ থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। যদিও পরিবার এই তত্ত্ব মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার রাতে ওই তরুণী তাঁর এক বান্ধবী এবং দুই যুবকের সঙ্গে অ্যাপ ক্যাবে করে সল্টলেকের ওই গেস্ট হাউসে আসেন। অভিযোগ, রাতের দিকে গেস্ট হাউসের পাশের একটি গাছে আম পাড়তে ওঠেন ওই তরুণী এবং সেখান থেকে আচমকা নীচে পড়ে যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁর সঙ্গীরা তাঁকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।



এদিকে এই ঘটনাটিকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে মানতে নারাজ মৃতের পরিবার। তরুণীর মায়ের দাবি, তাঁর মেয়ে কোনওদিনই গাছে উঠতে পারতেন না। তাঁকে ধর্ষণ করে ওপর থেকে ফেলে দিয়ে খুন করা হয়েছে। মায়ের এই অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তে নেমেছে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ।

ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মৃতের এক বান্ধবী ও দুই যুবক-সহ মোট তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আরজিকর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।

মূলত মর্ডার্ন ব্রেড-ই পাউরুটির দাম বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খুব শীঘ্রই ব্রিটানিয়া এবং উইবস সহ অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলোও পাউরুটির দাম বাড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জ্বালানির খরচ বৃদ্ধির ফলে আকাশছোঁয়া পরিবহন খরচ, প্যাকেজিং উপকরণের দাম বৃদ্ধি এবং কাঁচামালের দাম বাড়ার কারণেই দুধ, পাউরুটির মতো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ছে।

ব্রেকফাস্টের খরচ বাড়ল, দুধের পর এবার দামি পাউরুটি, কত হল দাম, জেনে নিন
পাউরুটির দাম বাড়ল

জ্বালানি দাম বাড়ছে। আর পকেটে ছ্যাঁকা লাগছে মধ্যবিত্তদের। আগেই আশঙ্কা করা হয়েছিল পেট্রোল-ডিজ়েলের দাম (Petrol-Diesel Price hike) বাড়লে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসেরও দাম বাড়বে। দিন কয়েক আগেই দুধের দাম (Milk Price Hike) বেড়েছিল। সেই আশঙ্কা সত্যি করে এবার দাম বাড়ল পাউরুটির (Bread Price Hike)। অর্থাৎ আপনার ব্রেকফাস্টের খরচ কিন্তু আজ থেকে বেড়ে গেল। তবে, শুধুমাত্র একটি কোম্পানিই পাউরুটির দাম বাড়িয়েছে।

কোন পাউরুটির দাম বাড়ল?
মূলত মর্ডার্ন ব্রেড-ই পাউরুটির দাম বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খুব শীঘ্রই ব্রিটানিয়া এবং উইবস সহ অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলোও পাউরুটির দাম বাড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জ্বালানির খরচ বৃদ্ধির ফলে আকাশছোঁয়া পরিবহন খরচ, প্যাকেজিং উপকরণের দাম বৃদ্ধি এবং কাঁচামালের দাম বাড়ার কারণেই দুধ, পাউরুটির মতো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ছে।



কত দাম বেড়েছে

মর্ডান ব্রেড প্যাকেট পিছু ৫টাকা পর্যন্ত দাম বাড়িয়েছে। অর্থাৎ, পাউরুটির প্রকার অনুযায়ী দাম বেড়েছে।

৪০০ গ্রামের স্যান্ডউইচ লোফের দাম ছিল ৪০ টাকা। বেড়ে হয়েছে ৪৫ টাকা।
হোল হুইট ব্রেডের দাম ৫৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬০ টাকা।
মাল্টিগ্রেইন ব্রেডের দাম এখন ৬০ টাকার পরিবর্তে পাবেন ৬৫ টাকায়।
ছোট ব্রাউন ব্রেডের দাম আগে ২৮ টাকা ছিল। এখন তার দাম বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা।
অন্যদিকে হোয়াইট পাউরুটির দাম ২০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২২ টাকা।
ব্রাউন ব্রেড আগে ৪৫ টাকায় পাওয়া যেত, তা এখন ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
এই চার্ট রেট আপাতত মুম্বইয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। শহর অনুযায়ী দামও আলাদা হবে। অর্থাৎ কলকাতায় পাউরুটির প্যাকেটের দাম মুম্বইয়ের দামের সঙ্গে নাও মিলতে পারে।
 দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কুকুরের কামড়ে সাধারণ মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ভয়াবহ পরিসংখ্যান তুলে ধরে আদালত এই রায় দেয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, রেল স্টেশন, বাস স্ট্যান্ড, স্পোর্টস কমপ্লেক্স এবং হাইওয়ের মতো জনবহুল এলাকা থেকে পথ কুকুরদের দ্রুত সরাতে হবে।


. আর ফেরানো যাবে না', পথ কুকুর নিয়ে 'সুপ্রিম' নির্দেশ
পথ কুকুরদের নিয়ে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পথ কুকুর সংক্রান্ত মামলায় এক ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, স্কুল, কলেজ বা হাসপাতালের মতো সংবেদনশীল এলাকা থেকে পথ কুকুরদের টিকাকরণ বা বন্ধ্যাকরণের জন্য নিয়ে যাওয়ার পর, তাদের আর সেই পুরনো জায়গায় ফেরত পাঠানো যাবে না। এই মর্মে শীর্ষ আদালত তার পূর্ববর্তী ২৫ নভেম্বরের নির্দেশিকাই বহাল রেখেছে এবং পশুপ্রেমী ও সমাজকর্মীদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কুকুরের কামড়ে সাধারণ মানুষের আক্রান্ত হওয়ার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে আদালত এই রায় দেয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, রেল স্টেশন, বাস স্ট্যান্ড, স্পোর্টস কমপ্লেক্স এবং হাইওয়ের মতো জনবহুল এলাকা থেকে পথ কুকুরদের দ্রুত সরাতে হবে।



সংবেদনশীল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলোতে পাঁচিল বা বেড়া দিতে হবে। অপসারিত কুকুরদের নির্দিষ্ট শেল্টারে পাঠাতে হবে। প্রতি জেলায় পশু জন্মনিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র চালু করতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

চরম রোগাক্রান্ত বা অত্যন্ত বিপজ্জনক কুকুরদের ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে ‘ইউথানাসিয়া’ বা যন্ত্রণাহীন মৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আদালত আরও জানিয়েছে, এই নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে পুরসভা বা প্রশাসনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর (FIR) করা যাবে না। আগামী ৮ সপ্তাহের মধ্যে এই নির্দেশ কতটা বাস্তবায়িত হলো, তা নিয়ে প্রতিটি রাজ্যকে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে এবং পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের হাইকোর্ট।

ভোটের রেশ কাটার আগেই ফের উত্তপ্ত গঙ্গাসাগর। এবার এক পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ি থেকে সরকারি ত্রিপল, এসি নেট ও মাছের খাবার উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল গঙ্গাসাগরের রুদ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মনসা দেবী জীবনতলার ১০৬ নম্বর বুথ এলাকায়। 



অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যের নাম শেখ মান্নান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক তরজা চরম আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মনসা দেবী জীবনতলা এলাকার বাসিন্দারা আচমকাই তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শেখ মান্নানের বাড়িতে চড়াও হন। তল্লাশি চালাতেই তাঁর বাড়ির বাথরুমের পাশ থেকে লুকানো অবস্থায় উদ্ধার হয় ৩ বস্তা এসি নেট, ১৬টি সরকারি ত্রিপল এবং বেশ কিছু মাছের খাবার। এই খবর কানাকানি হতেই শয়ে শয়ে মানুষ ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হন এবং মেম্বারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তাঁরা আগে মেম্বারের কাছে ত্রিপল চাইতে গেলে তিনি ‘নেই’ বলে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অথচ নিজের বাড়িতে এত সরকারি জিনিস লুকিয়ে রেখেছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সাগর থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে সমস্ত উদ্ধার হওয়া সামগ্রী উদ্ধার করে বিডিও অফিসে জমা দেওয়া হয়। তবে অভিযুক্ত মেম্বারকে পুলিশ গ্রেফতার বা কোনো শাস্তি না দেওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পঞ্চায়েত সদস্য শেখ মান্নান। তিনি জানান, "আমার বাড়িতে বিজেপির কিছু লোক এসে আচমকা চড়াও হয়। আমার বসত ঘরে তিনটি এসি নেট, চারটি নতুন এবং একটি পুরনো ত্রিপল ছিল। তারা সমস্ত কিছু টেনেহিঁচড়ে বের করে মোবাইলে ক্যামেরা করতে থাকে।" তিনি আরও দাবি করেন, "আমি স্থানীয় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি। ঈদের নামাজের সময় বিডিও সাহেবের কাছ থেকে চেয়ে ৩-৪টি ত্রিপল নিয়ে আসা হয়েছিল। সামনে কুরবানি ঈদ আসছে, সেই সময় ব্যবহারের জন্যই এগুলি রাখা ছিল।

 বর্তমানে বিডিও সাহেব সমস্ত জিনিস রিসিভ করে অফিসে জমা নিয়েছেন।এই ঘটনা নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, "জনগণের পরিষেবার জন্য আসা সরকারি জিনিসপত্র আত্মসাৎ করে ঘরে মজুত করে রেখেছিলেন ওই মেম্বার। ভোটের সময় এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছে। এমনকী কিছু ত্রিপল তিনি চড়া দামে বিক্রিও করেছেন বলে আমাদের কাছে খবর রয়েছে।" বিজেপি নেতৃত্বের আরও অভিযোগ, "প্রশাসন গিয়ে মাল উদ্ধার করার পর ওই মেম্বার এলাকায় ফিরে এসে নতুন করে সন্ত্রাস চালাচ্ছেন। সাধারণ মানুষকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং অবিলম্বে তদন্ত করে ওই মেম্বারকে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। উদ্ধার হওয়া সরকারি সামগ্রী নিয়ে বর্তমানে বিডিও অফিস এবং পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রুদ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি বজায় রয়েছে।

 ‘অভিষেকের কোম্পানি 'লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস'এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত যে ক'টি সম্পত্তি রয়েছে, তার নথি চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সব কটি সম্পত্তিতে নোটিস গিয়েছে। এই সম্পত্তিগুলি কি বৈধ? বৈধ থাকলে কাগজ কী রয়েছে? কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, বিল্ডিং বিভাগের আইনের ৪০১ ধারায় এই নোটিসটি দেওয়া হয়েছে।


 'শান্তিনিকেতন' থেকে আমতলার 'প্রাসাদ', আদৌ এত সম্পত্তি কি বৈধ? স্ক্যানারে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়


 এবার স্ক্যানারে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি। তাঁর ২১ টি সম্পত্তির প্ল্যান জমা করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুরসভা। অনুমোদন ও নির্মাণের সঙ্গতি যাচাইয়ে নোটিস দিয়েছে পুরসভা। দু’দিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অগাধ সম্পত্তির খতিয়ান তুলে ধরেন। তারপরই কলকাতা পৌরসভা (যার মেয়র এখনও ফিরহাদ হাকিম) নোটিস পাঠানো হয়। যদিও মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না।


অভিষেকের কোম্পানি ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত যে ক’টি সম্পত্তি রয়েছে, তার নথি চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সব কটি সম্পত্তিতে নোটিস গিয়েছে। এই সম্পত্তিগুলি কি বৈধ? বৈধ থাকলে কাগজ কী রয়েছে? কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, বিল্ডিং বিভাগের আইনের ৪০১ ধারায় এই নোটিসটি দেওয়া হয়েছে। পৌরসভার তরফ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সেই সব নথি জমা দিতে হবে। তবে এই সময়সীমার মধ্যে সমস্ত নোটিস জোগাড় করতে না পারলে অভিষেক সময় চাইতে পারেন।



গত রবিবার শুভেন্দু অধিকারী চোপ দেগেছিলেন, “ভাইপোবাবু আপনার প্রপার্টির লিস্টটা আনালাম কলকাতা কর্পোরেশন থেকে। আপনার লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের ২৪ টি প্রপার্টি কলকাতায়, আমতলায় প্রাসাদের মতো অফিস।”


পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি। এছাড়াও কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল রয়েছে। যদিও এই নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তালিকা এখনও সামনে আসেনি। উল্লেখ্য, এর আগেও কেন্দ্রীয় এজেন্সির র‌্যাডারেও ছিল লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস কোম্পানি। ২০০৯ সালে ‘লিপ‌্স অ্যান্ড বাউন্ডস’ তৈরি করেছিলেন।

২০১৪ সালে তিনি লোকসভা ভোটে যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তখন তিনি ‘লিপ‌্স অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর ডিরেক্টর পদ থেকে ইস্তফা দেন। তখন তাঁর বাবা, মা এবং স্ত্রী ওই সংস্থার ডিরেক্টর পদে থাকেন। অভিষেক তখন এই সংস্থার সিইও।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরনোর মতোই উঠে আসে এই কোম্পানির নাম। কেন্দ্রীয় এজেন্সির নজরে পড়ে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’। এবার এই অফিসেরও কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বার করতে চাইছে পুরসভা।

​দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের কশতলা গ্রামের বাসিন্দা তপন বেড়ার ২০ বছর বয়সী ছেলে রবীন্দ্রনাথ বেরা নিখোঁজ হয়েছেন। 



গত ১২ মে ২০২৬ তারিখে কলকাতার পার্ক সার্কাস কোবরা হাসপাতাল এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হন। ৫ ফুট উচ্চতার এই যুবক মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ নন এবং স্পষ্ট করে কথা বলতে পারেন না। ​নিখোঁজের সময় তাঁর পরনে ছিল হলুদ রঙের ফুলহাতা জামা, সাদা ফুল প্যান্ট, পায়ে লাল জুতো এবং মাথায় জড়ানো ছিল একটি ছাই রঙের গামছা।


​সন্তানের খোঁজে ব্যাকুল তাঁর পরিবার। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি এই যুবকের সন্ধান দিতে পারলে পরিবারের তরফ থেকে তাঁকে উপযুক্ত পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হবে। সন্ধান পেলে অবিলম্বে 8927775996 মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হল ৫ জন। অভিযোগ, গতকাল গভীর রাতে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ লালবাটি এলাকা থেকে বেআইনি জমায়েত ও অস্ত্র রাখার অভিযোগে তাদের আটক করে। 


ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের ছেলে অভীক মণ্ডল ওরফে অর্ঘ মণ্ডল। এছাড়াও গ্রেপ্তার হয়েছেন সৈকত রায়, রাজু নস্কর, শুভজিৎ বাল্মিকী ও সন্দীপ সেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানের সময় দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং একটি গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।


 ধৃতরা সকলেই পৈলান এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। সোমবার ধৃতদের ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ।

ডায়মন্ড হারবার: ডায়মন্ড হারবারে বিজেপির বিজয় উৎসব ঘিরে রক্তাক্ত সংঘর্ষের অভিযোগ উঠল। বাসুলডাঙা অঞ্চল ও মাথুর অঞ্চলে পৃথক দুটি ঘটনায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ সামনে এসেছে। ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক। 


আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল থেকে আগত নব্য বিজেপি কর্মীরাই হামলা চালিয়েছে। যদিও তৃণমূলের দাবি, এটি বিজেপির নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল, এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে ডায়মন্ড হারবারের বাসুলডাঙা অঞ্চল এবং মাথুর অঞ্চলে বিজেপির পক্ষ থেকে বিজয় উৎসবের আয়োজন করা হয়। রাজ্যজুড়ে দলের অভূতপূর্ব সাফল্য উদযাপন করতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রীতিভোজেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দুই এলাকাতেই বিজেপির বহু কর্মী-সমর্থক জমায়েত হয়েছিলেন। অভিযোগ, অনুষ্ঠান চলাকালীন আচমকাই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপির একাংশের দাবি, সম্প্রতি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া কয়েকজন কর্মী আচমকাই আদি বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। সেই বচসা ক্রমেই হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনায় পরিণত হয়।
অভিযোগ, হামলাকারীরা লাঠি, বাঁশ ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয়। এলোপাথাড়ি মারধরের জেরে একাধিক কর্মী গুরুতর জখম হন। রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগও উঠেছে। ঘটনাস্থলে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরে বেশ কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত ১৩ জনের মধ্যে অধিকাংশকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে দু’জন বিজেপি কর্মীর আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এছাড়া আরও তিনজন এখনও ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
সোমবার সকালে আহত বিজেপি কর্মীদের দেখতে হাসপাতালে যান ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দীপক কুমার হালদার। আহত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও দেখা করেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
দীপক কুমার হালদার অভিযোগ করে বলেন, “দিকেদিকে তৃণমূল থেকে হঠাৎ বিজেপিতে আসা কিছু লোকজন বিজেপির সংগঠনের ভিতর অশান্তি তৈরি করছে। তারাই বিজেপির প্রকৃত কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
তিনি আরও দাবি করেন, এই হামলা পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে এবং এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। দলের পুরনো কর্মীদের ভয় দেখিয়ে সংগঠনের ভিত নষ্ট করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। আহত কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন বিজেপি নেতৃত্ব।
অন্যদিকে, আহত বিজেপি কর্মী সুবল মণ্ডল ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, “গতকাল আমাদের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন ছিল। সবাই মিলে বিজয় উৎসব করছিলাম। হঠাৎ কয়েকজন এসে আমাদের উপর হামলা চালায়। ওরা আগে তৃণমূল কংগ্রেস করত, এখন বিজেপি করছে বলে দাবি করছে। কিন্তু তারাই আমাদের মারধর করেছে। রাস্তায় ফেলে বাঁশ দিয়ে মারা হয়েছে। আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের উপর হামলা শুরু হয়।”
তাঁর অভিযোগ, হামলাকারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এসেছিল এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। রাতভর উত্তেজনা বজায় ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

যদিও বিজেপির সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল বিধায়ক পান্নালাল হালদার বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপির নিজেদের গোষ্ঠীকোন্দলের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। এখন রাজনৈতিকভাবে তৃণমূলকে দোষারোপ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করুক, যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস কোনও হিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। এলাকায় শান্তি বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে, সত্য সামনে আসবে।”
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। এলাকায় যাতে নতুন করে উত্তেজনা না ছড়ায়, তার জন্য পুলিশি নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। আক্রান্তদের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
ডায়মন্ড হারবারের মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল এলাকায় এই ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। বিজেপির অভিযোগ ও তৃণমূলের পাল্টা দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে এই ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষ।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ এলাকার মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শুভেচ্ছা জানাতে সাগরে আয়োজিত হলো এক বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। ‘প্রভঞ্জন পাত্র’ (MDRT USA & Chairman's Club Member)-এর উদ্যোগে সাগরের বটতলার 'ছবি মহল'-এ এই অনুষ্ঠানটি সাড়ম্বরে সম্পন্ন হয়।


​ঐতিহ্যবাহী প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে এই মহতী অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা ঘটে। অনুষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয়া শ্রীমতী সন্ধ্যা পাত্র। উক্ত সভায় সভাপতির আসন অলংকৃত করেন এলআইসি-র ডেভেলপমেন্ট অফিসার শ্রীযুত কল্লোল ভট্টাচার্য। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর হাই স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্রীযুত সমীর রঞ্জন গিরি এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রীধাম গঙ্গাসাগর স্বামী কপিলানন্দ বিদ্যাভবনের সহকারী শিক্ষক শ্রীযুত পলাশ দাস। অনুষ্ঠানে অন্যতম বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রিয়াযোগ আশ্রমের পূজনীয় মহারাজ। এছাড়াও সাগরের বহু বিশিষ্ট শিক্ষক ও সমাজসেবীবৃন্দ উপস্থিত থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহিত করেন।

​এই বছর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের মোট ১৩৬ জন মেধাবী পড়ুয়াকে অনুষ্ঠানে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। পাশাপাশি, তাঁদের মধ্যে ১০ জন বিশেষ ছাত্র-ছাত্রীকে স্কলারশিপ বা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
​এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও উচ্চশিক্ষায় আগ্রহ বাড়াতে বিগত ৫ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে আসছে।আয়োজকদের এই উদ্যোগ স্থানীয় স্তরে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
 এই মামলায় পৌরসভার কর্মচারী উত্তম চক্রবর্তী, ইঞ্জিনিয়ার অর্কপ্রভ দাশগুপ্ত ও হরি বর্মন গ্রেফতার হয়েছিলেন। তাঁদেরও স্বাক্ষরের নমুনা সংগ্রহ করে কলকাতা পাঠানো হয়। এই তিনজনই অবশ্য বর্তমানে জামিনে বাইরে রয়েছেন। প্লান পাশে গৌরীশঙ্করের সই ছিল। সেই সইগুলো আসল কি না, তা জানতেই অনেকদিন সময় লেগেছে। কার্যত ঠান্ডা ঘরে চলে গিয়েছিল ওই মামলা।

কোচবিহারে পুলিশের জালে উদয়ন ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রী, কী অভিযোগ?
গ্রেফতার করা হল উদয়ন গুহ ঘনিষ্ঠ দিনহাটার তৃণমূল নেত্রী মৌমিতা ভট্টাচার্যকে

রাজ্যে পালাবদলের পর জেলায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না উদয়ন গুহকে। তবে দুর্নীতির অভিযোগে বিপাকে তাঁর ঘনিষ্ঠরা। কোচবিহারের দিনহাটা পৌরসভার বিল্ডিং প্ল্যান জালিয়াতি মামলায় শনিবার গ্রেফতার করা হল উদয়ন ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রী মৌমিতা ভট্টাচার্যকে। একইদিনে দিনহাটা পৌরসভার প্রাক্তন পৌরপ্রধান গৌরশঙ্কর মাহেশ্বরীর বাড়িতেও তল্লাশি চালাল পুলিশ। 

রাজ্যে পালাবদলের পর ফের খুলেছে দিনহাটা পৌরসভার পুর বিল্ডিং প্ল্যান পাশ ফাইল। আর সেই ফাইল খোলার পরই এদিন তল্লাশি চালানো হয় গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরীর বাড়িতে। অন্যদিকে, মৌমিতা ভট্টাচার্য হলেন দিনহাটা পৌরসভার কর্মী। তিনি দিনহাটার তৃণমূল নেত্রীও। উদয়নের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। পৌরসভার বিল্ডিং প্ল্যান জালিয়াতিতে তাঁরও নাম জড়ায়।



২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর প্রথমবার দিনহাটা পৌরসভার বিল্ডিং প্ল্যান পাশ জালিয়াতি কাণ্ডে অভিযোগ জমা পড়ে দিনহাটা থানায়। এরপরই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসে। সব মিলিয়ে ১৭টি প্ল্যান জালিয়াতির অভিযোগ জমা পড়েছিল।

এই ঘটনায় একাধিক পৌর কর্মচারীর পাশাপাশি পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান গৌরীশঙ্কর, তৃণমূল নেত্রী তথা পৌরসভার কর্মী মৌমিতা ভট্টাচার্য-সহ অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ঘটনায় পৌরসভার কর্মচারী উত্তম চক্রবর্তী, ইঞ্জিনিয়ার অর্কপ্রভ দাশগুপ্ত ও হরি বর্মন গ্রেফতার হন। তাঁদেরও স্বাক্ষরের নমুনা সংগ্রহ করে কলকাতা পাঠানো হয়। এই তিনজনই অবশ্য বর্তমানে জামিনে বাইরে রয়েছেন। প্লান পাশে গৌরীশঙ্করের সই ছিল। সেই সইগুলো আসল কি না, তা জানতেই অনেকদিন সময় লেগেছে। কার্যত ঠান্ডা ঘরে চলে গিয়েছিল ওই মামলা।

নতুন সরকার ক্ষমতায় আসতেই আবার পুরনো ফাইল খোলা শুরু হল। প্রথম গ্রেফতার হলেন প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ ঘনিষ্ঠ মৌমিতা ভট্টাচার্য। এদিন তিনি পৌরসভাতেই ছিলেন। অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। তারপর প্রাক্তন পৌরপ্রধান গৌরীশংকর মাহেশ্বরীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এবার এই মামলায় আরও কারও নাম সামনে আসে কি না, সেটাই দেখার।