WEATHER

Top News


বিপর্যয় মোকাবিলা, নাগরিক সুরক্ষা দফতরের সচিব, রাজ্যের স্পেশ্যাল টাক্স ফোর্সের সচিব, ডিজি-আইজি সহ আরও অনেকে। ৩ মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারকে রিপোর্ট দেওয়ার কথা সিটের। কিন্তু সিটের প্রধানের দাবি, তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়া অবশ্যই চ্যালেঞ্জের।


'৩ মাসের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়া চোরবাগান বিপর্যয়ে হাইকোর্টের নির্দেশে SIT গঠন করল রাজ্য সরকার। সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী। হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বেই সিট গঠনের কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কমিটিতে আরও অনেকে রয়েছেন। বিপর্যয় মোকাবিলা, নাগরিক সুরক্ষা দফতরের সচিব, রাজ্যের স্পেশ্যাল টাক্স ফোর্সের সচিব, ডিজি-আইজি সহ আরও অনেকে। ৩ মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারকে রিপোর্ট দেওয়ার কথা সিটের। কিন্তু সিটের প্রধানের দাবি, তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়া অবশ্যই চ্যালেঞ্জের।


সিটের প্রধান হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী বলেন, “এখনও তো বিস্তারিত কিছু আলোচনা হয়নি। প্রথমে আমাদের দেখতে হবে যে কার দোষে এই ঘটনাটি ঘটল। এতগুলো যে মৃত্যু, সেটা কী কী কারণে? সেটা খুঁজে বার করতে হবে। দোষীদের দোষী সাব্যস্ত করতে হবে। আর যাতে এই ঘটনা না ঘটে, পুজো কমিটিগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হবে। পরবর্তীক্ষেত্রে। ৩ মাসের রিপোর্ট জমা দেওয়াটা চ্যালেঞ্জিং। সময় তো বেশি নেই। তবে চেষ্টা তো করতেই হবে।”

এটিও পড়ুন
CPIM Book Stall: লাখ লাখ টাকার বই বিক্রির হিসেব দিল দল বামেরা
Indian Raiways: অজমের–শিয়ালদহ এক্সপ্রেসে চুরি যাওয়া ৪৩.২০ লক্ষ টাকার রুবি উদ্ধার
Kunal Ghosh: 'আসলে RSS-কে চ্যালেঞ্জ দিলেন শুভেন্দু?' বিস্ফোরক প্রশ্ন কুণাল ঘোষের
মোট ১০টি বিষয়ে তদন্ত করবে SIT
১. ঘটনাক্রম অর্থাৎ ঠিক কী হয়েছিল, কখন, কীভাবে ভিড় এমন মারাত্মক আকার নিল।


২. বিপর্যয়ের কারণ- অতিরিক্ত ভিড়, খারাপ আবহাওয়া, গেট ম্যানেজমেন্ট, গুজব, কারেন্ট চলে যাওয়া, বেরনোর রাস্তা কম থাকা, এমন কী কী কারণ ছিল, ।
৩. আবহাওয়া- সেদিনের আবহাওয়া রিপোর্ট, বৃষ্টি/বজ্রপাতের প্রভাব।

৪. প্যান্ডেলের পরিকাঠামো: রাস্তা, ব্যারিকেড, সিঁড়ি, গেট, ইমার্জেন্সি এক্সিট ঠিক ছিল কি না, দেখা হবে।

৫. উদ্যোক্তা ও প্রশাসনের ভূমিকা: পুজো কমিটি, পুলিশ, দমকল, হাসপাতাল, KMC, CESC, PWD কত দ্রুত রেসপন্স করেছে, সেটা দেখা হবে।

৬. প্রমাণ যাচাই: CCTV ফুটেজ, মোবাইল ভিডিয়ো, কল রেকর্ড, মেডিক্যাল রেকর্ড খতিয়ে দেখা হবে।

৭. অনুমতি ও পরিকল্পনা: ভিড় সামলানোর প্ল্যান, দুর্যোগ মোকাবিলা প্ল্যান, পুলিশ বন্দোবস্ত NDMA-র গাইডলাইন মেনে হয়েছিল কি না।

৮. গাফিলতি: কার গাফিলতি বা কর্তব্যে অবহেলা ছিল, তা খুঁজে বের করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

৯. ক্ষতিপূরণ: আহত ও নিহতদের পরিবারকে কতটা সাহায্য/ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে বা দেওয়া উচিত।

১০. ভবিষ্যৎ ব্যবস্থা: উত্তর কলকাতার সরু গলিতে বড় পুজোর ভিড় কীভাবে বৈজ্ঞানিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় – Footfall Limit, Entry-Exit Route, CCTV, মাইক, ইভাকুয়েশন প্ল্যান।

যদিও মুখ্যমন্ত্রী গতকালই সঙ্ঘচালক মোহন ভগবতের দাবিকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “মোহন ভাগবতজী যে কথা বলেছেন, সঠিক কথা বলেছেন। এটা মানুষের ভুল। আর সেই মানুষটা কোন জ্যাকেট পরেছিল, কোন জামা পরেছিল, কী লোগোতে ছিল, সেটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম দেখবে।” তাঁর সংযোজন, “সেই মানুষটা দর্শনার্থী কিনা, চক্রান্তকারী কিনা, টেম্পোরারি হোম গার্ড কিনা, ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবক কিনা, বা অন্য কেউ, সেটা দেখা হবে। মাইকে তো বলার দরকার ছিল না, প্যান্ডেল ভেঙে পড়বে। আমি তো মাঝ রাতে ২টোর সময়ে গিয়ে দেখেছি, তখন তো প্যান্ডেল ভেঙে পড়েনি। আমি তো নিজেই গোটা প্যান্ডেল ঘুরে দেখেছি। এটা দরকার ছিল না। যাঁরা দড়িটা ধরে দাঁড়িয়েছিল, তাঁদের দড়িটা ছেড়ে যাওয়ার দরকার ছিল না।”


কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করলেন যে ভারতকে মাদক-মুক্ত করা হবে। এর জন্য ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর লক্ষ্য স্থির করেছেন। গতকাল, ২১ অক্টোবর দিল্লিতে ন্যাশনাল পুলিশ মেমোরিয়ালে পুলিশ স্মরণ দিবসে অংশ নিয়েই এই কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


ডেডলাইন ২০২৯! নকশাল-মুক্ত ভারতের পর নতুন লক্ষ্য টার্গেট নিলেন অমিত শাহ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে নকশাল মুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্য স্থির করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেই লক্ষ্য পূরণও করেছেন তিনি। নকশাল মুক্ত ভারত ঘোষণার পর এবার আরেকটি লক্ষ্য স্থির করলেন অমিত শাহ। কী এই লক্ষ্য?


কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করলেন যে ভারতকে মাদক-মুক্ত করা হবে। এর জন্য ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর লক্ষ্য স্থির করেছেন। গতকাল, ২১ অক্টোবর দিল্লিতে ন্যাশনাল পুলিশ মেমোরিয়ালে পুলিশ স্মরণ দিবসে অংশ নিয়েই এই কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন যে এটি তাঁর কাছে আরেকটি জাতীয় মিশন। দেশের মানুষের স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক সুরক্ষা ও যুব প্রজন্মের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই এই লক্ষ্য স্থির করেছেন।


লাখ লাখ টাকার বই বিক্রির হিসেব দিল দল বামেরা
অমিত শাহ বলেন, “আমরা মাদকের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়ব এবং ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এর থেকে দেশকে মুক্ত করব”। ‘নেশা মুক্ত ভারত’ গড়ার জন্য তিনি পুলিশ বাহিনীর সাহায্যও চান। বলেন যে মাদক সমস্যা এমন একটি বিপদ যা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দুর্বল করে দিচ্ছে। অর্থনীতির উপরে চাপ তৈরি করছে। দেশ বিরোধী কার্যকলাপেও মদত দেওয়া হতে পারে।


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো ইতিমধ্যেই ২০২৬ থেকে ২০২৯ সালের জন্য স্ট্রাটেজি তৈরি করেছে। এর মূল চারটি স্তম্ভ হল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আইন প্রয়োগ, মাদক তৈরির কাজে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ ও কৃত্রিম মাদকের উপর নিয়ন্ত্রণ, মাদকের চাহিদা হ্রাস ও আসক্তদের রিহ্যাবিলেশন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা। ১০০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ও আন্তঃরাজ্য ড্রাগ নেটওয়ার্ককে ধ্বংস করা, মাদক সংক্রান্ত অপরাধে পলাতক ১০০-রও বেশি অপরাধীদের দেশে ফেরানো এবং ড্রাগ ল্যাবরেটরি ধ্বংসের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অগস্ট মাসে ভারতকো নকশাল-মুক্ত করার কথা বলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ ডেডলাইন স্থির করা হয়েছিল। এপ্রিল মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসের মধ্যে ৭০৬ জন মাওবাদীকে নিকেশ করা হয়েছে। ২২১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৪৮৩৯ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। নকশাল প্রভাবিত রাজ্যের সংখ্যা ২০১৪ সালে ৩৫ ছিল। তা বর্তমানে শূন্য হয়ে গিয়েছে।




 যাদবপুরে বুক স্টল বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। কিন্তু তারপরও সিপিএমের বুক স্টল থেকে ঠিক টাকার বই বিক্রি হল জানেন? সিপিএমের দাবি, বুলডোজার ঠেকিয়ে বই বিক্রি বেড়েছে দ্বিগুণ। ১-২ দিনের মধ্যেই বই বিক্রির সংখ্যাটা স্পষ্ট হবে। তবে যাঁরা স্টল ভাঙতে এসেছিলেন, এই সংখ্যা তাঁদের গালে থাপ্পড় বলেই দাবি বাম নেতৃত্বের। 


একধাক্কায় রেকর্ড ছুঁল সিপিএম! যাদবপুর থেকে শিলিগুড়ি, লাখ লাখ টাকার বই বিক্রির হিসেব দিল দল
সিপিএমের বুক স্টল 'ভাঙচুর' (ফাইল ছবি)


কৌশিক ঘোষ, মহাদেব কুণ্ডু, প্রসেনজিৎ চৌধুরী, বিশ্বরূপ: পুজো শুরু ক’দিন আগে থেকে শুরু করে পুজোর দিনগুলোতেও, এমনকী সপ্তমীর রাতে যখন চোরবাগানে বিপর্যয় ঘটে গিয়েছে, তখনও একাধিক জায়গায় সিপিএমের বুকস্টল ভাঙার অভিযোগ ওঠে। যাদবপুরে বুক স্টল বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু তারপরও সিপিএমের বুক স্টল থেকে ঠিক কত টাকার বই বিক্রি হল জানেন? সিপিএমের দাবি, বুলডোজার ঠেকিয়ে এবার বই বিক্রি বেড়েছে দ্বিগুণ। ১-২ দিনের মধ্যেই বই বিক্রির সংখ্যাটা স্পষ্ট হবে। তবে যাঁরা স্টল ভাঙতে এসেছিলেন, এই সংখ্যা তাঁদের ‘গালে থাপ্পড়’ বলেই দাবি বাম নেতৃত্বের।


হাওড়ার এক সিপিএম নেতা দাবি করেছে, পুজোয় হাওড়া জেলায় বামেদের বুক স্টল থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার বেশি বই বিক্রি হয়েছে।



বিগ বসের ঘরে সৌরভ, যাওয়ার আগে স্বামীকে কী কড়া নির্দেশ দেন দর্শনা?

পুজোয় বাগবাজারে দিয়েছিলেন খাবারের দোকান, রাতে দোকানদারকে কড়াইয়ের গরম তেল ছুড়ল অভিযুক্তরা
মুর্শিদাবাদ জেলায় ১৯ টি বইয়ের স্টল হয়েছিল। ৪,৭৪,৬৪১ টাকার বই বিক্রি হয়েছে। যা গতবারের চাইতে প্রায় ১ লক্ষ টাকা বেশি, দাবি স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্বের।


শান্তিপুরের ফুলিয়ায় সিপিএম স্টল ভাঙার পর এ বছরে বই বিক্রি হয়েছে ১৮ হাজার ৯৭২ টাকার। গত বছর বই বিক্রি হয়েছিল ৯ হাজার ৪৪৭ টাকার।

যাদবপুরে রেকর্ড টাকার বই বিক্রি হয়েছে বলে দাবি বামেদের।

পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও একই ছবি। উত্তর দিনাজপুরের ৭ স্টলে ৭৭ হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছে বলে দাবি বামেদের।

বামেদের দাবি, শিলিগুড়িতে রেকর্ড বই বিক্রি হয়েছে। গতবার ১৫ হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। এবার তা বেড়ে ৬৮ হাজার। মূল স্টলে ৬৮ হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছে। এছারা মহকুমা জুড়ে থাকা বাকি ১৯টি বুক স্টলেও বিক্রি বেড়েছে বলে দাবি সিপিএম নেতৃত্বের। তবে এখানে এখনও সম্পূর্ণ হিসাব মেলেনি।

সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, “যে সংখ্যাটা আসবে, সেটা যারা স্টল ভাঙতে এসেছিল, তাদের গালে থাপ্পড়। আরও ২ দিন লাগবে হিসাব করতে। কিন্তু এটা শুধু টাকার অঙ্কের ব্যাপার না। কারা বই বিক্রি করছেন বনাম কারা আদর্শ বিক্রি করছেন, তার লড়াই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে।”

তবে কলতানের এটাও সংযোজন, “এই বিষয়টা টাকার অঙ্ক দিয়ে বিচার্য হবে না। এবছর বহু মানুষ আমাদের বুক স্টলের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে। যেখানে হামলা হয়েছে, তার উল্টোদিকের বাড়ির লোক বলেছেন, আমার একতলার ঘর ফাঁকা রয়েছে, এখানে বুক স্টল করুন। এই নতুন বন্ধু জুড়তে পেরেছি, এটাই আমাদের প্রাপ্তি।”

বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী অবশ্য বলেন, “বুলডোজার কিংবা বইয়ের ওপর আঘাত, কোনওভাবেই কাম্য নয়। কিন্তু ওদেরও এটা বুঝতে হবে, দেশবিরোধী স্লোগান, হিন্দুধর্মবিরোধী কথাবার্তা কোথাও মানুষকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। কিন্তু এটাও বারবার বলছি বইয়ের ওপর আক্রমণ মেনে নেওয়া যায়নি।”

বইয়ের ওপর যে আঘাত মেনে নেওয়া যায় না, সেকথা আগেই বলেছিলেন স্বপন দাশগুপ্ত। তাঁর মতে, বামেদের বই স্টলগুলোতে যে হামলা হচ্ছে, তা অন্যায়। তিনি বলেছিলেন, “কে অথরিটি দিয়েছে? বামেদের সঙ্গে আমার একটা নৈতিক বিবাদ রয়েছে। তার জন্য বই বিক্রিতে বাধা, বই ডিসপ্লে করতে দেব না! এটা হতে পারে না। কারা করছে জানি না। তারা কারা? আমি কোনও বিতর্কের মধ্যে যাচ্ছি না। আমি বললাম, এটা নিন্দনীয়, এটা যেন আর কোনওদিন না হয়।”

RSS নেতা জিষ্ণু বসু বলেন, “যাঁরা ক্ষমতায় দম্ভে বুক স্টল করতে দিচ্ছেন না, তাঁরা ভারতবর্ষকেও বোঝেননি, তাঁরা হিন্দু নাম নেওয়ারও যোগ্য নন। এটা হিন্দু ভাবনার বিরুদ্ধে। বিরোধী মতকে প্রকাশ না করতে দেওয়া, এটা অন্যায়।”

পুজোয় বুক স্টল বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য বলেছিলেন, “বইয়ের সঙ্গে সিপিএমের রাজনীতি গোলানো হচ্ছে, আমরা বইপ্রেমী। বইবিরোধী নই। পুষ্পাঞ্জলি, দেবেন না, অষ্টমীর অঞ্জলি দেবেন না, সিঁদুর খেলবেন না… আপনার সনাতনী হিন্দুত্বের বিরোধিতা করবেন, তারপর দুর্গাপুজোর সামনে গিয়ে স্টল দেবেন! কর্পোরেশন বা সরকার যা করেছে, হাইকোর্টের নির্দেশ করেছে। আমি বলব কাউকে আইন হাতে তুলে নেওয়ার দরকার নেই।”



 বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষা হলে ২৭৫ ভোট পাবে বিজেপি। বিরোধী শিবিরের ৬৪ জন বিধায়কও বিজেপির পক্ষেই হাত তুলবেন। এমনটাই দাবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এদিকে, তাঁর এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক চাপান-উতর শুরু হয়েছে। পাল্টা আক্রমণ করেছে মমতা তৃণমূল ও সিপিআইএম। 


 মুখ্যমন্ত্রীর বড় চ্যালেঞ্জ। বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষা হলে ২৭৫ ভোট পাবে বিজেপি। বিরোধী শিবিরের ৬৪ জন বিধায়কও বিজেপির পক্ষেই হাত তুলবেন। এমনটাই দাবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এদিকে, তাঁর এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক চাপান-উতর শুরু হয়েছে। পাল্টা আক্রমণ করেছে মমতা তৃণমূল ও সিপিআইএম।


কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?
গতকাল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন যে বিজেপি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভর করে জেতেনি। সনাতনীদের সরকার গঠন হয়েছে। ৪৯ বছরের আবর্জনা তো ৬ মাসে পরিষ্কার করা যাবে না। তিনি বলেন, “সজল ঘোষ জিতেছে কি সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে? বিজেপি তো ২০৯ হয়ে গিয়েছে। কাল যদি ফ্লোর টেস্ট করান, তাহলে আমি ২৭৫টা ভোট পাবো। ওদের মধ্যে ৬৪ জনও তো আমার পক্ষে হাত তোলার জন্য বসে আছে। ন্যারেটিভ সোশ্যাল মিডিয়ার উপরে নয়, আমাদের সনাতনীদের সরকার গঠন হয়েছে। আমরা যা করার করব। ৪৯ বছরের আবর্জনা আপনি তো ৬ মাসে পরিষ্কার করতে পারবেন না। মানুষ ভরসা করেছে, পরিবর্তন হবে।”


লাখ লাখ টাকার বই বিক্রির হিসেব দিল দল বামেরা
বিরোধীরা কী বলছে?
মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই মমতা-তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “আমরা যা যা বলেছি, উনি তা প্রমাণ করে দিলেন। কিছু বিধায়ককে রেখেছেন, আমরা বলছি, এরা বিজেপির বি টিম। আমরা বলছি বিধানসভার বিরোধী দল বিজেপির দালাল। মুখ্যমন্ত্রী নিজের কথাতেই তা প্রমাণ করে দিলেন।”


এদিকে, ঋতব্রত-পন্থী তৃণমূল বিধায়ক আখরুজ্জামান এর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমাদের যদি উনি ধরে থাকেন, আমরা বিজেপিকে কোনওদিন সমর্থন করব না। আমাদের আইডেন্টিটি, লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে। সেহেতু বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থনের কোনও প্রশ্নই ওঠে না।”

অন্যদিকে, সিপিআইএমের নেতা শতরূপ ঘোষ বলেন, “আদালত বলে দিয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রোবেশনারি বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যকে আমরা আদালতের নোটিসে আনব। শুভেন্দু অধিকারীর এই বক্তব্যকে প্রমাণ হিসাবে ধরে যেন বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি সরে যায় এবং শাসক বিধায়ক হিসাবে ধরা হয়। সত্যিকারের বিরোধী বিধায়কদের মধ্যে থেকে যেন বিরোধী দলনেতা বেছে নেওয়া হয়। এই দাবি নিয়ে আমরা আদালতে যাব। শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যকে রেকর্ড হিসাবে পেশ করব।”

কংগ্রেস নেতা আশুতোষ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিরোধীকে একেবারে শূন্য করে দেওয়ার যে রাজনীতি, সেটা করছে। তৃণমূল বিরোধী শূন্য করত, এরা একেবারেই শূন্য করে দেওয়ার রাজনীতি করছে। এই রাজনীতিটা গণতন্ত্রের জন্য খুব একটা সুখকর নয়।”

২৭৫ সমর্থনের দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির ২০৯ বিধায়ক। বিরোধী ঋতব্রত শিবিরের ৬৪ জন বিধায়ক থাকলেও, দুইজনের সমর্থন কম হচ্ছে। তাহলে এই দুইজন বিধায়ক কে, যারা বিজেপিকে সমর্থন করবে? এই নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক শুভময় মৈত্র বলেন, “রাজ্যে নির্বাচন হয়, তারপর কেউ ক্ষমতায় আসে, ২০৯টি আসন তারা পেয়েছেন। দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বলে একে। তারপর এই নিয়ে আলোচনা হবে কেন? এই যে অঙ্ক এবং সেই অঙ্কের নিরিখে আদালতের কাছে ব্যবস্থা নেওয়া-এই বিষয়গুলি একদম মিলছে। একটা মানুষ সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত মাজে, খাবার খায়, পড়াশোনা করে, অফিস যায়। সেখানে কেউ একজন যদি ঘুম থেকে উঠে বলে আমি ডিগবাজি খাব। তাহলে সমাজ যেদিকে যায়, এই তৃণমূল-বিজেপি সেটাই করছে।”




কংগ্রেসের একটি বৈঠকের পোস্ট দেখিয়ে বিজেপি ওই সংগঠনগুলির যুক্ত থাকার দাবি তুলেছেন। সেখানে কী আলোচনা হয়েছিল, তা নিয়ে কংগ্রেসের জবাব চেয়েছে বিজেপি শিবির। প্রশ্ন উঠেছে, কংগ্রেসের সঙ্গে ওই সংগঠনের কি কোনও চুক্তি হয়েছিল? শুধু তাই নয়, শিব সেনা (UBI) নেতা সঞ্জয় রাউত আলবানিয়ার প্রতিবাদের ছবি কেন পোস্ট করেছিলেন, সেই প্রশ্নও উঠেছে।


ফ্রান্সের সংগঠনের সঙ্গে রাহুল গান্ধীর যোগ! বড় অভিযোগ তুলল বিজেপি
রাহুল গান্ধী সম্পর্কে প্রশ্ন বিজেপি

বিদেশি সংগঠনের সঙ্গে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) যোগ নিয়ে এবার প্রশ্ন তুললেন বিজেপির মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া। প্রোগ্রেসিভ ইন্টারন্যাশনাল, ইন্ডিয়ান অ্যালায়েন্স প্যারিসের মতো সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার কথা বলেছেন তিনি। ভারতে অস্থিরতা তৈরি করে ও আন্দোলনে উস্কানি দিতে এই সংগঠনগুলির ভূমিকা আছে বলে দাবি করেছে বিজেপি।


বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধীকে বারবার ‘রাহুল গদ্দার’ বলে দাবি করেছেন গৌরব ভাটিয়া। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস নেতৃত্ব যেভাবে ওই সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠক করছেন, তাতে ওই সংগঠনগুলির কার্যকলাপ, টাকার জোগান ও ভারতের আন্দোলনের সঙ্গে যোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।


অজমের–শিয়ালদহ এক্সপ্রেসে চুরি যাওয়া ৪৩.২০ লক্ষ টাকার রুবি উদ্ধার
ফক্স নিউজ ডিজিটাল সম্প্রতি একটি রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে ১০১টি সংগঠনকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা ৯টি দেশে বিভিন্ন কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। বিজেপির মুখপাত্র সেই রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগ তোলেন।


ইন্ডিয়া অ্যালায়েন্স প্যারিস নামে একটি সংগঠনের কথা উল্লেখ করে গৌরব ভাটিয়া বলেন, ফ্রান্সের এই সংগঠনই প্রথম রাহুল গান্ধীর আটক হওয়ার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে করে। ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে ওই সংগঠনের কী ভূমিকা, সেই প্রশ্ন তুলেছেন গৌরব ভাটিয়া। প্রোগ্রেসিভ ইন্টারন্যাশনাল নামে অপর একটি সংগঠনের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। কংগ্রেসের সঙ্গে এদের কী যোগ, তার ব্যাখ্যা চেয়েছেন তিনি।

কংগ্রেসের একটি বৈঠকের পোস্ট দেখিয়ে বিজেপি ওই সংগঠনগুলির যুক্ত থাকার দাবি তুলেছেন। সেখানে কী আলোচনা হয়েছিল, তা নিয়ে কংগ্রেসের জবাব চেয়েছে বিজেপি শিবির। প্রশ্ন উঠেছে, কংগ্রেসের সঙ্গে ওই সংগঠনের কি কোনও চুক্তি হয়েছিল? শুধু তাই নয়, শিব সেনা (UBI) নেতা সঞ্জয় রাউত আলবানিয়ার প্রতিবাদের ছবি কেন পোস্ট করেছিলেন, সেই প্রশ্নও উঠেছে।





কংগ্রেসের একটি বৈঠকের পোস্ট দেখিয়ে বিজেপি ওই সংগঠনগুলির যুক্ত থাকার দাবি তুলেছেন। সেখানে কী আলোচনা হয়েছিল, তা নিয়ে কংগ্রেসের জবাব চেয়েছে বিজেপি শিবির। প্রশ্ন উঠেছে, কংগ্রেসের সঙ্গে ওই সংগঠনের কি কোনও চুক্তি হয়েছিল? শুধু তাই নয়, শিব সেনা (UBI) নেতা সঞ্জয় রাউত আলবানিয়ার প্রতিবাদের ছবি কেন পোস্ট করেছিলেন, সেই প্রশ্নও উঠেছে।


ফ্রান্সের সংগঠনের সঙ্গে রাহুল গান্ধীর যোগ! বড় অভিযোগ তুলল বিজেপি
রাহুল গান্ধী সম্পর্কে প্রশ্ন বিজেপি

বিদেশি সংগঠনের সঙ্গে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) যোগ নিয়ে এবার প্রশ্ন তুললেন বিজেপির মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া। প্রোগ্রেসিভ ইন্টারন্যাশনাল, ইন্ডিয়ান অ্যালায়েন্স প্যারিসের মতো সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার কথা বলেছেন তিনি। ভারতে অস্থিরতা তৈরি করে ও আন্দোলনে উস্কানি দিতে এই সংগঠনগুলির ভূমিকা আছে বলে দাবি করেছে বিজেপি।


বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধীকে বারবার ‘রাহুল গদ্দার’ বলে দাবি করেছেন গৌরব ভাটিয়া। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস নেতৃত্ব যেভাবে ওই সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠক করছেন, তাতে ওই সংগঠনগুলির কার্যকলাপ, টাকার জোগান ও ভারতের আন্দোলনের সঙ্গে যোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।


অজমের–শিয়ালদহ এক্সপ্রেসে চুরি যাওয়া ৪৩.২০ লক্ষ টাকার রুবি উদ্ধার
ফক্স নিউজ ডিজিটাল সম্প্রতি একটি রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে ১০১টি সংগঠনকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা ৯টি দেশে বিভিন্ন কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। বিজেপির মুখপাত্র সেই রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগ তোলেন।


ইন্ডিয়া অ্যালায়েন্স প্যারিস নামে একটি সংগঠনের কথা উল্লেখ করে গৌরব ভাটিয়া বলেন, ফ্রান্সের এই সংগঠনই প্রথম রাহুল গান্ধীর আটক হওয়ার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে করে। ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে ওই সংগঠনের কী ভূমিকা, সেই প্রশ্ন তুলেছেন গৌরব ভাটিয়া। প্রোগ্রেসিভ ইন্টারন্যাশনাল নামে অপর একটি সংগঠনের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। কংগ্রেসের সঙ্গে এদের কী যোগ, তার ব্যাখ্যা চেয়েছেন তিনি।

কংগ্রেসের একটি বৈঠকের পোস্ট দেখিয়ে বিজেপি ওই সংগঠনগুলির যুক্ত থাকার দাবি তুলেছেন। সেখানে কী আলোচনা হয়েছিল, তা নিয়ে কংগ্রেসের জবাব চেয়েছে বিজেপি শিবির। প্রশ্ন উঠেছে, কংগ্রেসের সঙ্গে ওই সংগঠনের কি কোনও চুক্তি হয়েছিল? শুধু তাই নয়, শিব সেনা (UBI) নেতা সঞ্জয় রাউত আলবানিয়ার প্রতিবাদের ছবি কেন পোস্ট করেছিলেন, সেই প্রশ্নও উঠেছে।




 ৫ অগস্ট ক্যাবিনেট সচিব চিঠির মাধ্যমে উভয় নির্বাচন কমিশনারকে লিখিত উত্তর পাঠান। এই সম্পূর্ণ চিঠির কপি পাঠানো হয় পার্সোনেল অ্য়ান্ড ট্রেনিং বিভাগে। এই পুরো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নথি এবং ফাইল মিলিয়ে মোট ১৪ পাতার একটি রিপোর্ট তৈরি করা হয়।


 নির্বাচন কমিশনে (Election Commission) মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দুই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশীর মতপার্থক্য নিয়ে যখন জল্পনা তুঙ্গে, তখন আরটিআই তথা তথ্যের অধিকার আইনের মাধ্যমে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। আরটিআই-তে জানা গেল, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে এড়িয়েই দুই নির্বাচন কমিশনার চিঠি পাঠিয়েছিলেন ক্যাবিনেট সচিবকে। ‘ইন্ডিয়া টুডে’ আরটিআই করে এই তথ্য সামনে এনেছে।


জানা গিয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী গত ২৯ জুলাই ক্যাবিনেট সচিবকে একটি চিঠি দেন। আরটিআই-তে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কী ছিল সেই চিঠিতে। কিন্তু উত্তরে সেই চিঠি বিষয়বস্তু সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। তবে ওই চিঠির কী হল, কোথায় পাঠানো হল, সেই উত্তর মিলেছে আরটিআই-তে।

আরটিআই-তে জানা গিয়েছে, দুই কমিশনারের চিঠি প্রধানমন্ত্রীর দফতরে ক্যাবিনেট সচিবালয়ে জমা পড়েছিল। ক্যাবিনেট সচিবালয়ের রেকর্ড অনুযায়ী, ৩০ জুলাই এই চিঠিগুলির এন্ট্রি করা হয়। সুখবীর সিং সান্ধুর চিঠির ডায়েরি নম্বর ছিল CS/300/2026 এবং বিবেক জোশীর চিঠির ডায়েরি নম্বর ছিল CS/7289/2026।


চিঠি জমা পড়ার পর মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে তার জবাব দেওয়া হয়েছিল। ৫ অগস্ট ক্যাবিনেট সচিব চিঠির মাধ্যমে উভয় নির্বাচন কমিশনারকে লিখিত উত্তর পাঠান। এই সম্পূর্ণ চিঠির কপি পাঠানো হয় পার্সোনেল অ্য়ান্ড ট্রেনিং বিভাগে। এই পুরো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নথি এবং ফাইল মিলিয়ে মোট ১৪ পাতার একটি রিপোর্ট তৈরি করা হয়।

জানা গিয়েছে, কাজের বণ্টন নিয়ে উভয় নির্বাচন কমিশনার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে এই চিঠি পাঠিয়েছিলেন। বিষয়টি জানা না গেলেও RTI-এর মাধ্যমে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, এই ধরনের চিঠিপত্রের আদান-প্রদান সত্যিই হয়েছিল এবং তার জবাবও দেওয়া হয়েছিল।




এসআইআর পর্বে গ্রাম থেকে শহর, বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছন কমিশনের বুথ স্তরের আধিকারিক অর্থাৎ BLO-রা। কমিশন BLO অ্যাপে একটা নতুন অপশন দেয়। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া বা আপিল সংক্রান্ত বিষয়ে ভোটারদের জমা দেওয়া আপিলের সমর্থনে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র বা নথি অনলাইনে আপলোড করার জন্য অ্যাপে যুক্ত করা হয় '

SIR বিতর্কের মাঝেই আবারও নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের
ফাইল ফোটো


 SIR বিতর্কের মাঝেই কি নতুন সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। BLO অ্যাপে নতুন অপশন যোগ কমিশনের। আবেদনকারীদের তথ্য BLO অ্যাপে আপলোড করা যাবে কি, তা নিয়ে অবশ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে এখনও কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই।


বিভিন্ন চাপে পড়ে কমিশনের পক্ষ থেকে আগেই স্পষ্ট করা হয়েছিল, ডিলেটেড ভোটার অর্থাৎ বিবেচনাধীন যাঁরা নন, তারা ফর্ম ৬ পূরণের আবেদন করতে পারবেন। BLO অ্যাপে নতুন অপশন দেওয়া হয়েছে। ডিলেটেড ভোটার যাঁরা আবেদন করবেন, তাঁদের নথি BLO-রা আপলোড করতে পারবেন। SIR এর শুরুর পর্যায়ে আপলোডের কাজ BLO-রা করতেন। কিন্তু পরবর্তীকালে বিভিন্ন বিতর্কের পরে সেই আপলোড দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। এবার আবার BLO রা আপলোড করতে পারবেন। তবে ট্রাইব্যুনাল এর সঙ্গে যুক্ত নয়।




জঙ্গলে পথ হারিয়ে কাঁদছিলেন এক মহিলা, রাতে তিনিই ধরেন 'অন্য রূপ'! একদিনের দুর্গাপুজো হয় এখানে...
এসআইআর পর্বে গ্রাম থেকে শহর, বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছন কমিশনের বুথ স্তরের আধিকারিক অর্থাৎ BLO-রা। কমিশন BLO অ্যাপে একটা নতুন অপশন দেয়। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া বা আপিল সংক্রান্ত বিষয়ে ভোটারদের জমা দেওয়া আপিলের সমর্থনে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র বা নথি অনলাইনে আপলোড করার জন্য অ্যাপে যুক্ত করা হয় ‘Documents Upload Against The Appeal’ অপশন।


SIR প্রক্রিয়ার শুনানিতে যখন সমস্ত নথি জমা পড়ছিল, তখন থেকেই বেশ কিছু সমস্যার বিষয় উঠে আসছিল। ট্রাইব্যুনাল বিচারকদের একাংশ ভারতের নির্বাচন কমিশনকে জানান যে, পোর্টালটির আইটি পরিকাঠামোয় বেশ কিছু গুরুতর সমস্যা রয়েছে। অ্যাপিল পোর্টালে অতিরিক্ত নথিপত্র আপলোড করার বা ভার্চুয়াল হিয়ারিং করার মতো পর্যাপ্ত ডিজিটাল সুবিধা না থাকার কারণে বিচার প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালগুলি ভোটারদের আবেদনের সত্যতা যাচাইয়ের পর নতুন কোনও নথি গ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু পোর্টালের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সরাসরি অনলাইন আপলোডের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখাটাই কঠিন হচ্ছিল। নির্বাচন কমিশন প্রক্রিয়ার সরলীকরণের জন্য অনলাইন সিস্টেমে বেশ কিছু বদল আনে কমিশন।







স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "ছবি ও ভিডিয়ো দেখে আমি নিজেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। অধ্যক্ষ, MSVP ছিলেন না। ছজন নন মেডিক্যাল সুপারিটেনডেন্ট আছেন। তাঁদের উপর পরিচ্ছন্নতার দায়ভার থাকে। কেউ ডিউটিতে ছিলেন। আর এই ছুটি স্বাস্থ্যভবন থেকে মঞ্জুর করেননি। শোকজ করা হয়েছে। দ্রুত পরিষ্কার করে ছবি পাঠাতে হবে স্বাস্থ্য ভবনকে। সব পরিকাঠামো থাকার পরও আমাদের মাথা হেঁট হতে হল।"


সরকারি হাসপাতালে নোংরা, ড্রেনের জল, দেখেই সটান স্বাস্থ্য়মন্ত্রীকে ফোন জ্যোতির্ময়ের
স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ফোন জ্যোতির্ময়ের

বিজয়া দশমীর দিন হাসপাতালে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। রাতে এক পরিচিত ব্যক্তির বাবার মৃত্যুর ঘটনায় তিনি পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজের শহর ক্যাম্পাসে যান। সেখানেই হাসপাতালের দশা দেখে ক্ষুব্ধ হন তিনি। নোংরা দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।


যত্রতত্র নোংরা অপরিষ্কার দেখে তিনি হাসপাতালের সুপারকে ডেকে পাঠান। জানতে চান কেন এই অব্যবস্থা হাসপাতালের। এরপর সটান ফোন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। গোটা বিষয়টি স্বাস্থ্য়মন্ত্রীকে ফোনে জানান সাংসদ। বলেন, “এটা কী অবস্থা দেখেই কষ্ট হচ্ছে। আমি ছবি পাঠাচ্ছি আপনাকে।” ঘটনার পর পুরুলিয়া মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ও সুপারকে শোকজ করা হয়েছে।


জ্যোতির্ময়ের অভিযোগ, কয়েকজন সরকারি কর্মী ইচ্ছাকৃতভাবে সরকারের বদনাম করার জন্য এই কাজ করছে। দরকারে তিনি নিজে হাসপাতাল পরিষ্কার করবেন বলেও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “অত্যন্ত অপরিষ্কার জায়গা। আসলে ইচ্ছাকৃতভাবে এইসব করছে। স্ট্রেচার পড়ে আসে ড্রেনে। যেদিকে দেখছি নোংরা জল। আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখলাম সরকার পয়সা দিচ্ছে, সব ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। সাধারণ জনগণের চোখে যাতে ছোট করা যায় সেই কারণেই কিছু অসাধু ব্যক্তিরা এই সব করছে।” অন্যদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ছবি ও ভিডিয়ো দেখে আমি নিজেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। অধ্যক্ষ, MSVP ছিলেন না। ছজন নন মেডিক্যাল সুপারিটেনডেন্ট আছেন। তাঁদের উপর পরিচ্ছন্নতার দায়ভার থাকে। কেউ ডিউটিতে ছিলেন। আর এই ছুটি স্বাস্থ্যভবন থেকে মঞ্জুর করেননি। শোকজ করা হয়েছে। দ্রুত পরিষ্কার করে ছবি পাঠাতে হবে স্বাস্থ্য ভবনকে। সব পরিকাঠামো থাকার পরও আমাদের মাথা হেঁট হতে হল।”



মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী যখন প্রথমবার কলকাতা পুরনিগমে যান, তখন তাঁর সভায় দেখা গিয়েছিল বেশ কয়েকজন তৃণমূল কাউন্সিলরকে। ছিলেন জুঁই বিশ্বাস, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবাশিস কুমার, কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো তৃণমূল কাউন্সিলররা। তাঁদের মধ্যে কারও কারও নাম বিজেপির প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।


বাংলায় আবার ভোটের দামামা বাজতে শুরু করেছে। সব ঠিক থাকলে নভেম্বর মাসের শেষ লগ্নে কলকাতা ও হাওড়ায় পুরভোট হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। অক্টোবর প্রায় শেষ হওয়ার পথে। তাই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার ক্ষেত্রে আর বেশি সময় নেই রাজনৈতিক দলগুলির হাতে। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রথমবার এই পুরভোট ঘিরে জল্পনা চড়ছে। বিজেপির প্রার্থীতালিকায় (BJP Candidate List) কি থাকবে তৃণমূল কাউন্সিলরদের নাম?


মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী যখন প্রথমবার কলকাতা পুরনিগমে যান, তখন তাঁর সভায় দেখা গিয়েছিল বেশ কয়েকজন তৃণমূল কাউন্সিলরকে। ছিলেন জুঁই বিশ্বাস, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবাশিস কুমার, কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো তৃণমূল কাউন্সিলররা। তাঁদের মধ্যে কারও কারও নাম বিজেপির প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।


বিগ বস'-এর ঘরে ধুন্ধুমার! মাইক খুললেন রাজবীর, কড়া শাস্তি পেলেন দুর্নিবার
সূত্রের খবর, প্রার্থী তালিকা ঠিক করতে শুক্রবারই সুনীল বনশলের নেতৃত্বে বৈঠকে বসছে বিজেপি। সেখানে পুরভোটের দলের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে পুরভোটের জন্য প্রথম প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করতে পারে বিজেপি।


সূত্রের খবর, তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরদের মধ্য়ে অনেকেই আগ্রহ দেখাচ্ছেন প্রার্থী হতে চেয়ে। শোনা যাচ্ছে, পুর প্রশাসনিক কাজকর্মের অভিজ্ঞতার জন্য ওই সব কাউন্সিলদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে বিজেপি। এই বিষয়টি কার্যত মেনে নিচ্ছেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষও।

তিনি বলেন, “কয়েকজন চেষ্টা করছে। এটা বিজেপিকে বুঝতে হবে। এতদিন যে পুরপিতাদের বিরুদ্ধে তারা নানা ধরনের কথা বলেছেন, যাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন, তাঁরাই বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন। একটাও প্রাক্তন তৃণমূল নিতে হলে ধরা পড়ে যাবে যে, ওদের হাতে প্রার্থী নেই।”

তবে এই জল্পনা সরাসরি খারিজ করে দিচ্ছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছে। মানুষ জামা পরিবর্তনের জন্য ভোট দেয়নি। ভিতরের মানুষটা পরিবর্তনের জন্য ভোট দেওয়া হয়েছে।” তবে আদতে প্রার্থীতালিকায় কারা থাকবেন, তা জানতে খুব বেশিদিন দেরি করতে হবে না।




সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে উত্তাল হয় দিল্লি। পথে নেমে আন্দোলনে অংশ নেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। পরপর আন্দোলন কর্মসূচির পর চারদিনের ভিয়েতনাম সফরে গিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এরই মধ্যে রাহুলকে কটাক্ষ করে বার্তা দিলেন শাহ।


জানি আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন না...', ভিয়েতনাম সফরে থাকা রাহুলকে বড় বার্তা শাহের

আন্দোলনের মাঝেই দেশ ছেড়েছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। কংগ্রেস সাংসদ যখন চারদিনের ভিয়েতনাম সফরে ব্যস্ত, তখন তাঁকে বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। আগামী ৩০ বছরে কেন্দ্রে কংগ্রেসের ক্ষমতায় আসার কোনও সম্ভাবনা নেই, এমনই বার্তা দিলেন তিনি। বিদেশ সফর নিয়ে কটাক্ষ করে শাহ বলেন, “আমি এই দেশেই জন্মেছি, এই দেশেই আমার মৃত্যু হবে।”


সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে উত্তাল হয় দিল্লি। পথে নেমে আন্দোলনে অংশ নেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। পরপর আন্দোলন কর্মসূচির পর চারদিনের ভিয়েতনাম সফরে গিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এরই মধ্যে রাহুলকে কটাক্ষ করে বার্তা দিলেন শাহ।


'বিগ বস'-এর ঘরে ধুন্ধুমার! মাইক খুললেন রাজবীর, কড়া শাস্তি পেলেন দুর্নিবার
বৃহস্পতিবার যমুনায় ৮ হাজার কোটির একটি প্রকল্পের উদ্বোধনে গিয়ে রাহুলের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, “আমি জানি আপনি আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন না। আপনি বিদেশে কোথাও বসে আছেন। কেন গিয়েছেন সেটাও বলেননি। সেটা অবশ্য আপনার ব্যক্তিগত জীবন। তবে দিল্লিতে ফিরেই আমার কথা শুনে নেবেন, আগামী ৩০ বছরে আপনারা ক্ষমতায় আসবেন না।”


কংগ্রেস যে একাধিক রাজ্যে দীর্ঘদিন ক্ষমতা পায়নি, সে কথাও এদিন মনে করিয়ে দেন শাহ। তিনি বলেন, “আপনারা বাংলায় ৫৪ বছর কোনও ভোটে জেতেননি। অরুণাচল প্রদেশে ১২ বছর ক্ষমতায় নেই।” বিরোধীদের ভোট চুরির অভিযোগ নিয়েও এদিন মুখ খোলেন তিনি। বলেন, “আমি যখন বলি যে বিজেপি ৩০ বছর ক্ষমতায় থাকবে, ওরা (বিরোধীরা) মানুষকে বোঝায় যে ভোট চুরি হচ্ছে,নাহলে অমিত শাহ জানলেন কীভাবে?” বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে কটাক্ষ করে শাহ বলেন, “আমাকে প্রত্যেক ৬ মাস অন্তর বিদেশ যেতে হয় না। আমি এখানেই জন্মেছি, এখানেই আছি, এখানেই আমার মৃত্যু হবে।”



সম্প্রতি মুড়িগঙ্গা নদীতে একটি ভেসেল বিকল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানার আগেই যাত্রীদের জেটিতে নামিয়ে দেওয়া হয়। যাত্রীদের আবার ওপরে তুলে নিয়ে আসা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কঠিন হওয়ায় তাঁদের জেটিতেই অপেক্ষা করতে বলা হয়।


ঠিক সেই মুহূর্তে সাগরের বিডিও অনন্ত কুমার গোস্বামী স্যার একটি পূর্বনির্ধারিত জরুরি প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে সেখানে পৌঁছান।বৈঠকে যোগ দেওয়ার জরুরি তাগিদ থাকায় তাঁর পক্ষে সেখানে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব ছিল না। তবে তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে যাননি—তিনি লঞ্চে উঠেই ভেসেল কর্তৃপক্ষের সাথে ফোনে কথা বলেন এবং পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অন্য ভেসেলটিকে দ্রুত এনে যাত্রীদের পরিষেবা দেওয়ার নির্দেশ দেন। 

ফলে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি, পাশের ভেসেলটি এসে দ্রুত তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। এমনকি যাত্রীদের সুরক্ষার স্বার্থে বিডিও স্যারের নির্দেশে ঘাটে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদেরও মোতায়েন রাখা হয়েছিল, যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।অথচ প্রকৃত সত্য না জেনে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্লগার "বিডিও দেখেও চলে গেছেন, বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত"—এমন মনগড়া ও ভিত্তিহীন খবর ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। প্রশাসন সর্বদা জনগণের সুরক্ষায় প্রস্তুত ও দায়িত্বশীল। কোনো চটকদার অপপ্রচারে কান দেবেন না, সত্যের পাশে থাকুন।

বিজয়া দশমীর শুভক্ষণে বিষাদের সুর ছাপিয়ে উৎসবের আমেজে মেতে উঠলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরের মহিলারা। শ্রীধাম গঙ্গাসাগর সার্বজনীন দুর্গা উৎসব পুজো কমিটির প্রথাগত নিয়ম ও রীতিনীতি মেনে আজ মা দুর্গাকে বিদায় জানানোর পালা। 


দেবীকে বরণের পর শুরু হয় সিঁদুর খেলা। একে অপরের গালে সিঁদুর মাখিয়ে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন এলাকার নারীরা।সিঁদুর খেলার পাশাপাশি ঢাকের তালে ধুনুচি নাচেও অংশ নেন তাঁরা। মা দুর্গাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে গিয়ে আবেগতাড়ত হয়ে পড়েন মহিলারা।

 সব মিলিয়ে এক আনন্দঘন ও ভক্তিমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে গঙ্গাসাগরে চলছে দেবী প্রতিমা বরণের পর্ব।