WEATHER

Top News


সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, আপাতত পাইলট প্রকল্প হিসাবে ভারতে প্লাস্টিকের নোট চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই আরবিআই তার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে। শীঘ্রই প্লাস্টিকের নোট তৈরির কাজও শুরু হবে।   

২০২৭ সালেই RBI আনছে পলিমার নোট, প্রথম কত টাকার নোট চালু করা হবে?
প্রতীকী চিত্র।

 আর কাগজের নোট নয়, এবার হাতে আসবে প্লাস্টিকের নোট (Plastic Notes)। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (Reserve Bank of India) আনতে চলেছে পলিমার (Polymer Note) বা প্লাস্টিকের নোট। আগামী বছর, ২০২৭ সাল থেকেই ভারতে প্লাস্টিকের নোট চালু হবে। কীভাবে দেশ জুড়ে চালু হবে এই প্লাস্টিকের নোট, তা নিয়েও পরিকল্পনা এল সামনে।


সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, আপাতত পাইলট প্রকল্প হিসাবে ভারতে প্লাস্টিকের নোট চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই আরবিআই তার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে। শীঘ্রই প্লাস্টিকের নোট তৈরির কাজও শুরু হবে।


অভিষেকের পার্টি অফিস ভাঙতেই উদ্ধার ট্রাঙ্ক, ভিতরে কী আছে জানেন?
'সপ্তপদী'র ওথেলোর দৃশ্যে সুচিত্রার জন্য কণ্ঠ দিয়েছিলেন কে জানেন? তাঁর সঙ্গে রয়েছে কাপুর বংশের যোগ
পাইলট প্রকল্প-
সূত্রের খবর, প্রাথমিক স্তরে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ছোট নোট অর্থাৎ ১০ টাকা, ২০ টাকার প্লাস্টিকের নোট চালু করার পরিকল্পনা করছে। এই দুটি নোট-ই প্লাস্টিকের তৈরি করে বাজারে আনা হবে, কারণ ছোট নোটের চাহিদা বেশি। এর আগে ১০ টাকা, ২০ টাকার কয়েন আনা হলেও, তাতে জনগণের বিশেষ সাড়া মেলেনি।


এই নোট কতটা টেকসই হচ্ছে এবং জনগণ তা কতটা গ্রহণ করছে, তার প্রতিক্রিয়ার উপরে নির্ভর করেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। যদি পরীক্ষামূলক নোটে ভালো সাড়া মেলে, তাহলে ২০২৭ সাল থেকেই বাকি সমস্ত নোট-ও পরিবর্তন করে বাজারে আনা হবে।

কেন প্লাস্টিকের নোট আনা হবে?
অনেকেরই প্রশ্ন, কেন কাগজের নোটের বদলে প্লাস্টিকের নোট আনা হবে? এর প্রধান কারণ হল, টেকসই। কাগজের নোট ভিজে গেলে ছিঁড়ে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেখানেই প্লাস্টিকের নোট ভিজলেও নষ্ট হয় না, আবার ভাঁজ করলেও কোনও ক্ষতি হয় না। এর আয়ু কাগজের নোটের তুলনায় অনেক বেশি হয়। এছাড়া কাগজের নোট তৈরির তুলনায় প্লাস্টিকের নোট তৈরির খরচও অনেকটা কম। বারবার নোট ছাপানোর ঝামেলাও থাকে না।

১৯৮৮ সালে অস্ট্রেলিয়া প্রথম পলিমার ব্যাঙ্ক নোট নিয়ে আসে। বর্তমানে ৫০টিরও বেশি দেশে প্লাস্টিক বা পলিমার নোট ব্যবহার করা হয়।

কমিশন সূত্রে খবর পশ্চিমবঙ্গই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল জ্ঞানেশ কুমারের কাছে। প্রথম দফা নির্বাচন উতরে গেলেও ২৯ এপ্রিলের নির্বাচন নিয়ে তাঁর টেনশন কিছু কম ছিল না। একটাও হিংসার ঘটনা না ঘটিয়ে কি নির্বাচন সম্ভব? বারবার ভেবেছেন সে কথা।


 সেদিন জ্ঞানেশ কুমারের চোখে জল এসে গিয়েছিল, বাংলার ভোটের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল
জ্ঞানেশ কুমার

সম্প্রতি একসঙ্গে পাঁচ রাজ্যের ভোট হলেও, গোটা দেশের নজর ছিল পশ্চিমবঙ্গের দিকে। বিশেষত, বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্যের পূর্বতন সরকারের যে সংঘাত তৈরি হয়েছিল, তা নজিরবিহীন। একের পর এক সভা থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ভোট শেষ হয়েছে, রাজ্যে নতুন সরকার গঠন হয়েছে। তবে বাংলার ভোট নিয়ে মুখ খোলেননি জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)।


রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে যাঁকে সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পালাবদলের পর বাংলার জন্য একটাও শব্দ খরচ করেননি সেই জ্ঞানেশ কুমার। মুখে শব্দ খরচ না করলেও কেমন অভিজ্ঞতা ছিল জ্ঞানেশ কুমারের?


কমিশন সূত্রে খবর পশ্চিমবঙ্গই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল জ্ঞানেশ কুমারের কাছে। প্রথম দফা নির্বাচন উতরে গেলেও ২৯ এপ্রিলের নির্বাচন নিয়ে তাঁর টেনশন কিছু কম ছিল না। একটাও হিংসার ঘটনা না ঘটিয়ে কি নির্বাচন সম্ভব? বারবার ভেবেছেন সে কথা।


সম্প্রতি দিল্লিতে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে কিছু না বললেও, জ্ঞানেশ কুমার ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যের পর রক্তপাত শূন্য নির্বাচন আর ৯৩ শতাংশের বেশি ভোটের খবরে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল কমিশিন।

সংবাদমাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ভোটের সেই ছবি দেখে সেদিন তাঁর চোখে জল এসে গিয়েছিল। জ্ঞানেশ কুমারের কথায় যাবতীয় সমালোচনা তখন ‘ভ্যানিশ’। মনে মনে ভেবেছিলেন, শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর বার্তাই সমালোচকদের জন্য সবচেয়ে বড় উত্তর। বাকি কথার উত্তর ভোটাররাই দেবেন বলে বিশ্বাস ছিল তাঁর।

উল্লেখ্য, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেসে কে আসল, কে নকল, সেই উত্তরের জন্য জ্ঞানেশ কুমারের দিকেই তাকিয়ে আছে রাজনৈতিক মহল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়- দুই শিবিরই নিজেদর যুক্তি জমা দিয়েছে।

 স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এই অফিসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন প্রবেশ করতেন, তার অন্তত আধ ঘণ্টা আগে থেকে সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হত। ছাড় পেতেন না প্রসূতিরাও। কেউ প্রতিবাদ করলে এনডিপিএস আইনে গারদের পিছনে তাঁর স্থান হত। অত্যাচার চরম মাত্রায় ওঠায় মানুষের অভিযোগ ছিল এই অফিস এবং তার ভিতরে চলা যাবতীয় কার্যকলাপ নিয়ে। 

আমতলায় কীভাবে পাউরুটি কারখানায় আগুন লাগিয়ে তৈরি হয়েছিল অভিষেকের কার্যালয়? সামনে আসছে হাড়হিম করা কাহিনি
আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয় ভাঙা শুরু হয়েছে

 পাঁচতলা ঝাঁ চকচকে পার্টি অফিস। বড় করে লেখা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলার এই পার্টি অফিসেই শনিবার বুলডোজার নিয়ে পৌঁছে যান প্রশাসনের আধিকারিকরা। অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে অভিষেকের আমতলার কার্যালয় ভাঙা শুরু হয়। প্রশাসন এই কার্যালয় ভাঙা শুরু করতেই সামনে আসে একের পর এক অভিযোগ। কীভাবে একটি পাউরুটির কারখানাকে সরিয়ে এই কার্যালয় তৈরি হয়েছে, সেই কাহিনি শোনালেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


ওই কার্যালয় তৈরির পিছনে হাড়হিম কাহিনি-


'মমতাদিকে জানিয়ে দিয়েছি...', হঠাৎ কল্যাণ আবার কী বললেন?
২০১৪ সালে প্রথমবার ডায়মন্ড হারবার লোকসভা থেকে নির্বাচিত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই এলাকায় তাঁর ‘রাজত্ব’ কায়েম হতে শুরু করে। বিষ্ণুপুরের আমতলা এলাকাকে নিজের সংসদীয় এলাকার কেন্দ্রীয় এলাকা হিসেবে বেছে নেন অভিষেক।আমতলা মোড় থেকে ২০০ মিটার দূরে একটি বেকারির উপরে নজর পড়ে এলাকার তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীদের। প্রায় ৫ কাঠা ৬ ছটাক জমিতে এই পাউরুটির কারখানা চলত। প্রায় ৪০ জন কর্মী সেখানে কাজ করতেন। বেকারির মালিক ছিলেন মতিউর রহমান মল্লিক নামে এক ব্যক্তি।


অভিযোগ, ওই বেকারিকে সরাতে শুরু হয় ষড়যন্ত্র। আচমকাই ২০১৪ সালের শেষের দিকে সেই বেকারিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সম্পূর্ণ ছাই হয়ে যায় বেকারি। সেই সময় অভিযোগ ওঠে, বেকারিতে আগুন লাগিয়ে জমি দখল করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এরপর শুরু হয় অত্যাচার। মতিউর রহমান মল্লিককে ভয় দেখানোর পালা শুরু হয়। ওই জমি ছেড়ে দিতে হবে। কারণ সাংসদের অফিস তৈরি হবে। প্রায় ২.৩০ কোটি টাকার জমি সামান্য কয়েক লক্ষ টাকার বিনিময় এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব জোর করে কিনে নেয়।মতিউর রহমান মল্লিককে পুলিশ এবং স্থানীয় সমাজবিরোধীদের দ্বারা ভয় দেখিয়ে ওই জমি ছাড়তে বাধ্য করা হয়।

ক্যামাক স্ট্রিটের আগে এই অফিস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্য চালানোর অফিস হিসেবে বিবেচিত হত বলে অভিযোগ। বেকারির জমিতে কোনওরকম নির্মাণ নকশা অনুমোদন ছাড়াই প্রথম দু’বছরে দুই তলা, তারপর পর পর আরও তিনতলা তৈরি হয়ে যায়। জমি দখল থেকে বাড়ি দখল বা একাধিক অপরাধমূলক কার্যকলাপের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয় এই সুবিশাল কার্যালয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এই অফিসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন প্রবেশ করতেন, তার অন্তত আধ ঘণ্টা আগে থেকে সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হত। ছাড় পেতেন না প্রসূতিরাও। কেউ প্রতিবাদ করলে এনডিপিএস আইনে গারদের পিছনে তাঁর স্থান হত। অত্যাচার চরম মাত্রায় ওঠায় মানুষের অভিযোগ ছিল এই অফিস এবং তার ভিতরে চলা যাবতীয় কার্যকলাপ নিয়ে।

রাজ্যে পালাবদলের আগেই সুশান্ত মণ্ডল নামে জনৈক এক ব্যক্তি নির্মাণ নকশা ছাড়া এই পাঁচতলা ভবন তৈরি করা হয়েছে বলে জেলা পরিষদে অভিযোগ করেন। আদালতের দ্বারস্থ হন। যার কারণে তাঁকেও নানা অত্যাচারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল বলে এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন। সেই সময় যাবতীয় অভিযোগের বিষয়টি প্রভাব খাটিয়ে ধামাচাপা দিয়ে দেওয়া হয়।

পালাবদলের পর জেলা পরিষদে ফের সুশান্ত মণ্ডলের অভিযোগ খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয় এবং নোটিস পাঠানো শুরু করেন জেলা পরিষদের কর্তারা। গত ৩০ জুন দক্ষিণ ২৪ পরগনা প্রশাসনের তরফে নোটিস পাঠানো হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের ডিরেক্টর হিসাবে অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয়। কারণ, এই সম্পত্তিও লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে। একইসঙ্গে জেলা পরিষদের তরফে নোটিস পাঠানো হয় সুশান্ত মণ্ডল এবং মতিউর রহমান মল্লিককে।

১৫ জুলাই দুপুর ২টোর সময় হাজির হতে বলা হয়েছিল অভিযোগকারী এবং অভিযুক্ত সব পক্ষকেই। নোটিসে জানানো হয়েছিল, সুশান্তের অভিযোগের ভিত্তিতে সকলকে তলব করা হচ্ছে। সব পক্ষকে নিজেদের দাবি কিংবা অভিযোগের সপক্ষে প্রয়োজনীয় নথি-প্রমাণ নিয়ে যেতেও বলা হয়েছিল। কিন্তু নোটিস পেয়েও নির্দিষ্ট দিনে, অর্থাৎ গত বুধবার কার্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে হাজিরা দেননি অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরপরই ফের জেলা পরিষদের তরফে অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস দিয়ে জানানো হয়, আমতলার এই সুবিশাল কার্যালয় ভেঙে ফেলা হবে। সেই মতো শনিবার সকাল থেকে সম্পূর্ণ অ্যাকশনে নামে জেলা পরিষদ এবং জেলা ভূমি রাজস্ব দফতর। এদিন কার্যালয়টি ভাঙা শুরু হতেই জড়ো হতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা একের পর এক অভিযোগ তুলে সরব হন।

আমতলার অভিষেকের কার্যালয় ভাঙা নিয়ে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আগে শাসকের আইন চলত। রাজ্যকে নিজেদের জমিদারির অংশ ভাবতেন। সেজন্য অবৈধ নির্মাণ হয়েছে। এখনের আইনের শাসন চলছে। সেজন্য অবৈধ নির্মাণ ভাঙা হচ্ছে।” যদিও তাঁর কার্যালয় ভাঙা নিয়ে অভিষেক বর্তমান শাসকদলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় এসব করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন।


India's First Private Orbital Rocket Vikram-1: বিক্রম-১ হল স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের তৈরি ভারতের প্রথম বেসরকারি অরবিটাল রকেট। এটি লো আর্থ অরবিটে (LEO) ৩৫০ কেজি পর্যন্ত পেলোড বহন করতে সক্ষম। রকেটটি সম্পূর্ণ কার্বন কম্পোজিট কাঠামো দিয়ে তৈরি। এতে রয়েছে শক্তিশালী সলিড-ফুয়েল বুস্টার এবং অত্যাধুনিক ৩ডি-প্রিন্টেড লিকুইড ইঞ্জিন।


Vikram-1 Launch: ৩...২...১... ঐতিহাসিক মুহূর্ত! মহাকাশে পাড়ি দিল ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট বিক্রম-১, বিশেষত্ব কী কী?
বিক্রম ১

 মহাকাশে পাড়ি দিল ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট। ভারতের মহাকাশ গবেষণায় গত কয়েক বছরে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক নীতিগত সংস্কারের কারণে ছবিটা বদলাতে শুরু করেছে। মহাকাশ শিল্পের ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার জন্য দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে দেশে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী একটি ‘স্পেস স্টার্টআপ’ ইকোসিস্টেম। এই পরিবর্তনের অন্যতম বড় উদাহরণ স্কাইরুট অ্যারোস্পেস (Skyroot Aerospace)-এর তৈরি বিক্রম-১ (Vikram-1)। এটি ভারতের প্রথম বেসরকারিভাবে তৈরি অরবিটাল রকেট। যা ‘মিশন আগমন’-এর অধীনে আজ বেলা ১২টা নাগাদ শ্রীহরিকোটার উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে মহাকাশে পাড়ি দেয়। আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষ্মী থাকে গোটা দেশ। সরকারের দাবি, এটি শুধু রকেট উৎক্ষেপণ নয়, বরং ভারতের মহাকাশ শিল্পে সংস্কারের বাস্তব সাফল্যের প্রতিফলন।


দ্রুত বাড়ছে ভারতের মহাকাশ অর্থনীতি
২০২৩ সালের ইন্ডিয়ান স্পেস পলিসি কার্যকর হওয়ার পর মহাকাশ শিল্পে সম্পূর্ণ ভ্যালু চেইন বেসরকারি সংস্থার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ফলে উপগ্রহ নির্মাণ, উৎক্ষেপণ পরিষেবা, মহাকাশভিত্তিক প্রযুক্তি, তথ্য বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাণিজ্যিক পরিষেবায় দেশীয় সংস্থাগুলির অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।


একুশে জুলাইয়ের আগে সন্দেহ! কী বলছে শহিদের পরিবার?
এই পরিবর্তনের প্রভাব সংখ্যাতেও স্পষ্ট। ২০১৪ সালে যেখানে ভারতে মাত্র একটি স্পেস স্টার্টআপ ছিল, ২০২৬ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে ৪০০-রও বেশি হয়েছে। বর্তমানে ভারতের মহাকাশ অর্থনীতি প্রায় ৮.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সরকারের লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৪০-৪৫ বিলিয়ন ডলারে এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে দেওয়া।


কী বিশেষত্ব বিক্রম-১ রকেটের?
বিক্রম-১ হল স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের তৈরি ভারতের প্রথম বেসরকারি অরবিটাল রকেট। এটি লো আর্থ অরবিটে (LEO) ৩৫০ কেজি পর্যন্ত পেলোড বহন করতে সক্ষম। রকেটটি সম্পূর্ণ কার্বন কম্পোজিট কাঠামো দিয়ে তৈরি। এতে রয়েছে শক্তিশালী সলিড-ফুয়েল বুস্টার এবং অত্যাধুনিক ৩ডি-প্রিন্টেড লিকুইড ইঞ্জিন।

এই মিশনে স্কাইরুটের নিজস্ব স্কোপ উপগ্রহ ছাড়াও জার্মানির DCUBED, ভারতের গ্রহ স্পেশ-এর SOLARAS S3 এবং কস্মোসার্ভ-এর এমব্রেস নামের একটি রোবোটিক আর্ম মহাকাশে পাঠানো হবে। এছাড়া প্রতীকী হিসেবে থাকবে কসমিক ব্লুম নামে একটি শিল্পকর্ম এবং ১৮ ক্যারেট সোনার তৈরি একটি ক্ষুদ্র রকেট, যাতে সি. ভি. রমন, বিক্রম সারাভাই এবং এ পি জে আব্দুল কালামের ক্ষুদ্র ভাস্কর্য খোদাই করা থাকবে।

কী কী বড় সংস্কার করেছে কেন্দ্র?
ইন্ডিয়ান স্পেস পলিসি ২০২৩

এই নীতির মাধ্যমে বেসরকারি সংস্থাগুলিকে মহাকাশ শিল্পের সব ক্ষেত্রে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ইন-স্পেসের ভূমিকা

ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল স্পেস প্রোমোশন অ্যান্ড অথরাইজেশন সেন্টার (IN-SPACe) এখন মহাকাশ শিল্পে বেসরকারি সংস্থার জন্য একক নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাজ করছে। সংস্থাটি অনুমোদন প্রদান, ISRO-র প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং শিল্পের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছে।

জুন ২০২৬ পর্যন্ত ইন-স্পেসের কাছে ৪,৫০০-রও বেশি সংস্থা নথিভুক্ত হয়েছে। ১৩৩টি অনুমোদন এবং ১০৬টি মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া ২০২৫ সালে ভারতীয় স্পেস স্টার্টআপগুলিতে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে সহায়তা করেছে সংস্থাটি।

স্টার্টআপের জন্য বিশেষ তহবিল

মহাকাশ প্রযুক্তি উন্নয়নে স্টার্টআপ ও MSME-দের সহায়তা দিতে চালু হয়েছে ইন-স্পেশ সিড ফান্ড স্কিম। এই প্রকল্পে যোগ্য সংস্থাগুলিকে সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হয়। এছাড়া গঠন করা হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড, যা আগামী পাঁচ বছরে মহাকাশ প্রযুক্তি-ভিত্তিক স্টার্টআপে বিনিয়োগ করবে। প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহার বাড়াতে চালু হয়েছে ৫০০ কোটি টাকার টেকনোলজি অ্যাডপশন ফান্ড (TAF)।

FDI নীতিতেও বড় পরিবর্তন

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে মহাকাশ শিল্পে FDI নীতি শিথিল করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী

স্যাটেলাইট উৎপাদন ও পরিচালনায় ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত অটোমেটিক FDI, স্পেসপোর্টে ৪৯ শতাংশ পর্যন্ত অটোমেটিক FDI, স্যাটেলাইটের যন্ত্রাংশ ও সাব-সিস্টেম তৈরিতে ১০০ শতাংশ অটোমেটিক FDI অনুমোদন করা হয়েছে।

ভবিষ্যতের লক্ষ্য

সরকারের মতে, মহাকাশ খাতে ধারাবাহিক নীতিগত সহায়তা, বেসরকারি বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ভারত আগামী দিনে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ মহাকাশ শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। সেই যাত্রায় বিক্রম-১ কেবল একটি রকেট নয়, বরং ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞানে নতুন যুগের সূচনা করবে।

অভিষেকের পার্টি অফিসের সামনে দেখা যায় বিডিও, বিএলএলআরও-কে। গোটা এলাকাই গার্ড রেল দিয়ে ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। আমতলা-বারুইপুর যে রাস্তা রয়েছে সেখানে আমতলা মোড়ের কাছে রয়েছে এই পার্টি অফিস। সেখানেই বর্তমানে গার্ড রেল দিয়ে অর্ধেক রাস্তাই ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে পুলিশের সংখ্যা।

 এল তিন তিনটে বুলডোজ়ার! অভিষেকের পার্টি অফিস ঘিরে ফেলল পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনী

অভিষেকের পার্টি অফিস বুলডোজ়ার। আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি ঘিরে ফেলেছে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী। পৌঁছে গিয়েছে দমকলও। রয়েছে গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ। অভিযোগ, প্ল্যান সংক্রান্ত কোনও অনুমতি না নিয়েই বেআইনিভাবে এই অফিস তৈরি করা হয়েছিল। অভিযোগ জমা পড়েছিল জেলা প্রশাসনের কাছে। ১৫ জুলাই জোড়া শুনানির নোটিস পাঠায় জেলা প্রশাসন। তা নিয়ে প্রশাসনিক মহলে বিস্তর চাপানউতোরও হয়। এরইমধ্যে পুলিশি তৎপরতা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।  


অভিষেকের পার্টি অফিসের সামনে দেখা যায় বিডিও, বিএলএলআরও-কে। গোটা এলাকাই গার্ড রেল দিয়ে ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। আমতলা-বারুইপুর যে রাস্তা রয়েছে সেখানে আমতলা মোড়ের কাছে রয়েছে এই পার্টি অফিস। সেখানেই বর্তমানে গার্ড রেল দিয়ে অর্ধেক রাস্তাই ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। দুটো আলাদা আলাদা লেন দিয়ে চলছে যাতায়াত। সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে পুলিশের সংখ্যা। কিছু সময়ের মধ্যে এসে যায় তিন তিনটে বুলডোজ়ার।



হুগলি থেকে সোজা দিঘা! ভিড়ের মাঝে এই চার মহিলার কাণ্ড দেখে হতবাক পুলিশ
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কোনও সভা করলে মূলত এখান থেকেই পুরোটা দেখভাল করা হতো তৃণমূলের তরফে। অভিষেকও কর্মীদের সঙ্গে মিটিং করতেন এই অফিস থেকেই। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কোনও সভা করলে মূলত এখান থেকেই পুরোটা দেখভাল করা হতো তৃণমূলের তরফে। অভিষেকও কর্মীদের সঙ্গে মিটিং করতেন এই অফিস থেকেই। এলাকার বিধায়ক যদিও স্পষ্টতই বলছেন, এই বিল্ডিংটা পুরোটাই অবৈধ জায়গায় হয়েছে। প্রশাসন এবার ব্যবস্থা নিচ্ছে। আগেই নোটিস দিয়েছিল। এখানে লাগানোও রয়েছে। জেলা শাসক, এসডিও, বিডিওও সকলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই বিল্ডিং আর রাখার দরকার নেই। সেই অনুযায়ী কাজ হচ্ছে।


এই অঞ্চলটি আদি গঙ্গার তীরবর্তীতে অবস্থিত। যা কলকাতা বন্দরের জমি হিসেবে পরিচিত। সেখান থেকে কীভাবে চলত এই তোলাবাজি? এলাকাবাসীর তরফে স্থানীয় বিধায়ক তথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কার্যালয়ে অভিযোগ জানানো হয়। পরে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এই বস্তি পরিদর্শন করে।


মমতাদির ভাই ষষ্ঠী বন্দ্যোপাধ্যায় দিতাম...', কালীঘাটের বস্তি থেকে উঠল বিস্ফোরক অভিযোগ
কালীঘাটের বস্তি থেকে অভিযোগ

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংলগ্ন কালীঘাট মিলন সংঘ ক্লাব। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই এখানে প্রায় বাস ১০০-র বেশি পরিবারের।তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এখানে বসবাসকারী সকল পরিবারকে দিতে হত ভাড়া। আর সেই ভাড়ার টাকা তোলার অভিযোগ উঠল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ক্লাবের প্যাডে কীভাবে তোলা হত ভাড়া? বাড়ি ভাড়ার টাকা নিত ক্লাব? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির এত পাশে এমন ঘটনা, তিনি কিছুই জানতেন না? উঠছে প্রশ্ন।


প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংলগ্ন ‘কালীঘাট মিলন সংঘ’। এই ক্লাবের পাশেই রয়েছে একটি বস্তি। যেখানে প্রায় ৮০ থেকে ১০০টি পরিবার বসবাস করেন। সেখানকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বস্তিবাসীদের থেকে নিয়মিত ভাড়ার নামে তোলা আদায় করা হত। কারো কাছে ৩০০ তো কারও কাছে ৫০০ টাকা। এমনকী, আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত কোনও কোনও পরিবারের কাছ থেকে তোলা আদায় করা হতো বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁদের কাছ থেকে টাকার নেওয়ার বিনিময়ে হাতে দেওয়া হত ‘কালীঘাট মিলন সংঘের স্লিপ’।


'মমতাদিকে জানিয়ে দিয়েছি...', হঠাৎ কল্যাণ আবার কী বললেন?
এই অঞ্চলটি আদি গঙ্গার তীরবর্তীতে অবস্থিত। যা কলকাতা বন্দরের জমি হিসেবে পরিচিত। সেখান থেকে কীভাবে চলত এই তোলাবাজি? এলাকাবাসীর তরফে স্থানীয় বিধায়ক তথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কার্যালয়ে অভিযোগ জানানো হয়। পরে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এই বস্তি পরিদর্শন করে। তাদের তরফে এলাকাবাসীর কাছ থেকে একটি স্মারকলিপি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা দেয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।


এ প্রসঙ্গে এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “শুনেছি এটা নাকি একটা ক্লাবের আন্ডারে। অথচ আমরা কোনও পরিষেবা পাই না। আমরা এই ভাড়া মমতাদির ভাই ষষ্ঠী বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে দিতাম। ক্লাবের প্যাডে ভাড়া নিয়ে যেত। কখনও উনি নিজে আসতেন কখনও লোক পাঠাতেন।” আরও এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা এখানে বহু বছর আছি। তৃণমূল আমলে পুরো বস্তিকে টাকা দিতে হয়। আমরা টাকাও দিতাম কিন্তু কোনও পরিষেবা পাইনি।”

 শুধু মৌখিক আক্রমণ নয়, নির্বাচনের আবহে জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে একাধিক চিঠিও পাঠিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি নিজে কমিশনে গিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে। বেরিয়ে বলেছিলেন, "এরকম মিথ্যাবাদী কমিশন আমি কখনও দেখিনি।"

ভাইকে যা বলার বলেছেন...', মমতার কথা শুনেই মুচকি হেসে জ্ঞানেশ কুমার বললেন

 ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগেই পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া ঘোষণা হয়। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সঙ্গে রাজ্যে সেই সময় ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল সরকারের সংঘাতের সেই শুরু। বারবার কমিশনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Mamata Banerjee)। যত দিন এগিয়েছে, প্রচারে হোক বা জনসভায় কমিশনের বিরুদ্ধে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করতে দেখা যায় মমতাকে। তবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে দেখা যায়নি নির্বাচন কমিশন তথা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। এবার মিটেছে ভোট। বদলেছে সরকার। কী বলছেন জ্ঞানেশ কুমার?


সূত্রের খবর, সম্প্রতি এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ঘনিষ্ঠ মহলে জ্ঞানেশ কুমার বলেছেন, “ভেবেছিলাম উত্তর দেব। কিন্তু বাংলার জনগণই উত্তর দিয়ে দিয়েছে।” সম্প্রতি দিল্লিতে সাংবাদিকদের নিয়ে জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও উঠে আসে। জ্ঞানেশ কুমার হেসে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো দিদি, ভাই কে যা বলার বলেছেন। আমি কী উত্তর দেব, বাংলার মানুষই সেই জবাব দিয়ে দিয়েছে।” এ কথা বলে মুচকি হাসেন জ্ঞানেশ কুমার।


 'মমতাদির ভাই ষষ্ঠী বন্দ্যোপাধ্যায় দিতাম...', কালীঘাটের বস্তি থেকে উঠল বিস্ফোরক অভিযোগ

'তৃণমূলের উঁচুতলার নেতাদের নেওয়া যেতে পারে...', বড় বার্তা সুকান্তর
শুধু মৌখিক আক্রমণ নয়, নির্বাচনের আবহে জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে একাধিক চিঠিও পাঠিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি নিজে কমিশনে গিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে। বেরিয়ে বলেছিলেন, “এরকম মিথ্যাবাদী কমিশন আমি কখনও দেখিনি। বহুদিন রাজনীতি করেছি, এরকম ঔদ্ধত্য আগে দেখিনি আমি।” কমিশনকে অহঙ্কারী বলেও কটাক্ষ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।



দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটল ধবলাট গ্রাম পঞ্চায়েতে। এলাকার প্রাক্তন প্রধান তথা বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্য রবিন জানার বিরুদ্ধে কাঠমানি ও তোলাবাজির অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল এলাকা। 


অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে পদে থাকাকালীন সাধারণ মানুষের ওপর অকথ্য অত্যাচার ও ভয় দেখানো হতো। রবিন জানা এলাকায় বেরোলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ঘিরে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। উত্তেজিত গ্রামবাসী কাঠমানি ফেরত এবং অত্যাচারের জবাবদিহিতার দাবিতে সরব হন। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে এবং জনরোষের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত প্রকাশ্যে কান ধরে উঠবস করে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন রবিন জানা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ভুল স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের হুঁশিয়ারি, ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তারা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে।

ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছিল ৪ মে। ক্ষমতা হরায় তৃণমূল। এরপরই সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়তে শুরু করেন চুনোপুটি থেকে তাবড় নেতারা। কাকলী ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো কুড়ি জন সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকের পর যোগ দেন NCPI-তে। অন্যদিকে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা আবার এক ধাপ এগিয়ে নিজেদের 'আসল' তৃণমূল বলে দাবি করেন।

আমি ইস্তফা দিয়ে দিচ্ছি...', বিদ্রোহী তৃণমূলীদের বড় চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুঁশিয়ারি বিদ্রোহীদের

তিনিই যদি কারণ হয়ে থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল দলের থেকে দূরত্ব তৈরি করে ঋতব্রত শিবির বা NCPI-তে সামিল হওয়ার, তাহলে তিনি পদত্যাগ করতে প্রস্তুত। কালীঘাট ছেড়ে চলে যাওয়া কোনও নেতা যদি ফিরে আসেন তাহলে এক ঘণ্টার মধ্যে তিনি পদত্যাগ করে দেবেন। ঠিক এই ভাষাতেই শনিবার কুণাল ঘোষেকে পাশে নিয়ে বিদ্রোহী তৃণমূলীদের সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।


ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছিল ৪ মে। ক্ষমতা হরায় তৃণমূল। এরপরই সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়তে শুরু করেন নানা স্তরের জনপ্রতিনিধি ও একদা মমতার বলয়ে থাকা তাবড় নেতারা। কাকলী ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো কুড়ি জন সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকের পর যোগ দেন NCPI-তে। অন্যদিকে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা আবার এক ধাপ এগিয়ে নিজেদের ‘আসল’ তৃণমূল বলে দাবি করেন। তৈরি করেন ‘নব তৃণমূল ব্লক’। পরে যত সময় এগোয় দেখা যায় এক সময়ের মমতার ভরসার প্রায় সব পাত্র-পাত্রীরা দলে দলে গিয়ে ভেড়েন সেই ঋত-তৃণমূলে। কিন্তু এদের সকলের মধ্যেই একটি জিনিসই খুব ‘কমন’ ছিল। প্রত্যেকেই মমতার সঙ্গ ছাড়ার আগে বিস্তর ক্ষোভ উগরেছেন অভিষেকের বিরুদ্ধে। কেউ বলেছেন, অভিষেক দলকে হারিয়েছেন। আবার কেউ বলছেন, অভিষেক ও আইপ্যাকের জন্য দল শেষ হয়েছে। কারও আবার মত, এই অভিষেকের বিরাট ঔদ্ধ্ত্য। তাঁরা সুপ্রিমো মমতার সঙ্গে দেখা করতে পারতেন না ইত্যাদি ইত্যাদি। এক কথায় সব বিদ্রোহীদের ‘কমন টার্গেট’ ছিলেন অভিষেক।


মমতাদির ভাই ষষ্ঠী বন্দ্যোপাধ্যায় দিতাম...', কালীঘাটের বস্তি থেকে উঠল বিস্ফোরক অভিযোগ
এতদিন পর সেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবার বিদ্রোহীদের দিলেন বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলে বসলেন, “আপনাদের মধ্যে কেউ একজন ফিরে আসুন। আমি ১ ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দিয়ে দেব।” তাঁর সংযোজন, “যাঁদের সমস্যা রয়েছে তাঁদের বলছি, ওঁরা বলছে হারের দায় আমার। তাহলে যখন দল জিতেছিল তার দায়ও আমারই হয়েছিল। আমায় নিয়ে যাঁদের সমস্যা তাঁদের বলছি। মানুষ বোকা নয়। আজ ১৮ তারিখ, আপনি ১৯ তারিখ, ২০ তারিখ যেদিন আসার আসুন। আজ চলে আসুন। আপনারা ফিরুন আমি ১ ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দেব।”


এরপরই অভিষেক আরও যোগ করেন, “আসলে এরা কেউ ফিরবে না। ডিল হচ্ছে, ওদিকে যাও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালাগালি দাও। তোমায় বাঁচিয়ে রাখব। ইডি-সিবিআই কেউ ধরবে না। এরা হয় পুলিশের কাছে ধৃত, না হয় ঋতব্রত।”

উল্লেখ্য, ছাব্বিশে তৃণমূলের বিধানসভা নির্বাচনে চরম পরাজয়ের পর দলের একটা বিরাট অংশ অভিষককে নিয়ে অভিযোগ-আপত্তি জানালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাইপো তথা দলের সাধারণ সম্পাদকের পাশে থাকারই বার্তা দিয়ে গিয়েছেন। আর সেই জন্য মমতাকেও নিশানা করতে দেখা গিয়েছে ঋত শিবির বা NCPI-তে সামিল হওয়া বিধায়ক-সাংসদ-নেতা-নেত্রীদের। এই পরিস্থিতিতে এতদিন একপাক্ষিকভাবে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, শনিবার বিকেলে নিজের পদত্যাগের শর্তে এবার পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন অভিষেক স্বয়ং। এখন দেখার একুশে জুলাইয়ের প্রাক্কালে অভিষেকের এহেন চ্যালেঞ্জে তৃণমূল রাজনীতির সমীকরণ বা শিবির বদলাবদলি নতুন কোনও মাত্রা পায় কি না।


বরাবরের মতোই এবারও জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে বলিউড ও আঞ্চলিক সিনেমাগুলির মধ্যে এক সুন্দর ভারসাম্য লক্ষ্য করা গিয়েছে। জুরি বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বছরের মনোনয়নগুলিতে গল্প বলার অভিনবত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সূক্ষ্ম নির্মাণশৈলীকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।


 জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত কার্তিক, ইয়ামি, মাম্মুঠি, সেরা ছবি কোনটি?
আকাশ মিশ্র


ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সম্মান ‘৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ (72nd National Film Awards)-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হল। প্রতি বছরের মতো এবারও দেশের সেরা সিনেমা, অভিনয়শিল্পী এবং নেপথ্য কলাকুশলীদের এই সর্বোচ্চ সম্মাননায় ভূষিত করেছে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক।


এবারের পুরস্কারের মঞ্চে বড় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে রাজনৈতিক থ্রিলারধর্মী ছবি ‘আর্টিকেল ৩৭০’ (Article 370)। পাশাপাশি মূল ধারার বাণিজ্যিক সিনেমা থেকে শুরু করে দক্ষিণ ভারতের মননশীল চলচ্চিত্রের জয়জয়কার দেখা গিয়েছে এবারের তালিকায়। জুরি বোর্ডের চুলচেরা বিশ্লেষণের পর সেরা অভিনেতা ও অভিনেত্রীর ক্যাটাগরিতেও মিলেছে বড় চমক।


'সপ্তপদী'র ওথেলোর দৃশ্যে সুচিত্রার জন্য কণ্ঠ দিয়েছিলেন কে জানেন? তাঁর সঙ্গে রয়েছে কাপুর বংশের যোগ
প্লাস্টিকের নোট আসছে, পুরনো নোট বদলাতে আবার ব্যাঙ্কে লাইন দিতে হবে?
কারা কারা পেলেন এবারের ৭২তম জাতীয় পুরস্কার, দেখে নিন তালিকা–


সেরা বাংলা ছবি: চালচিত্র এখন (Chalchithra Ekhon)

সেরা হিন্দি ছবি: শ্রীকান্ত (Srikanth)

সেরা তামিল ছবি: রায়ান (Raayan)

সেরা তেলুগু ছবি: কমিটি কুরোল্লু (Committee Kurrollu)

সেরা মালয়ালম ছবি: ফেমিনিচি ফাতিমা (Feminichi Fathima)

সেরা কন্নড় ছবি: মিথ্যা (Mithya)

সেরা মারাঠি ছবি: মুক্কাম পোস্ট বোম্বিলওয়াড়ি (Mukkham Post Bombilwadi)

সেরা ওড়িয়া ছবি: লহরী (Lahari)

সেরা অসমীয়া ছবি: জুইফুল (Juiphool)

সেরা গুজরাটি ছবি: মারণ (Maaran)

সেরা মণিপুরী ছবি: সুনিতা (Sunita)

সেরা তুলু ছবি: ইম্বু (IMBU)

সেরা গাড়োয়ালী ছবি: ঢোলি (Dholi)

সেরা কোঙ্কনি ছবি: মোগ আসুম (Mog Asum)

মূল বিভাগসমূহ (Major Categories)
সেরা চলচ্চিত্র (Best Film): আর্টিকেল ৩৭০ (Article 370)

সেরা পরিচালক (Best Direction): রাজকুমার পেরিয়াসামি (চলচ্চিত্র: অমরন / Amaran)

সেরা অভিনেতা (প্রধান চরিত্র): কার্তিক আরিয়ান (চন্দু চ্যাম্পিয়ন) এবং মামুট্টি (ভ্রমযুগম / Bramayugam)

সেরা অভিনেত্রী (প্রধান চরিত্র): ইয়ামি গৌতম (আর্টিকেল ৩৭০)

সেরা জনপ্রিয় চলচ্চিত্র: কল্কি ২৮৯৮ এডি (Kalki 2898 AD)

সেরা নবাগত পরিচালকের ছবি (Best Debut Film): স্বাতন্ত্র্য বীর সাভারকর (Swatantrya Veer Savarkar)

জাতীয়, সামাজিক ও পরিবেশগত মূল্যবোধ প্রচারকারী সেরা চলচ্চিত্র: ক্যাপ্টেন মিলার (Captain Miller)

সেরা শিশু চলচ্চিত্র: ৩৫ – চিন্না কথা কাডু (35 – Chinna Katha Kaadu)

পার্শ্ব চরিত্র ও শিশু শিল্পী (Supporting Roles & Child Artists)
সেরা সহ-অভিনেতা/অভিনেত্রী (Best Actor in Supporting Role): রূপশ্রী বারকাদি (মিথ্যা), সচনা নামিদাস (মহারাজা) এবং সঞ্জয় মিশ্র (ভক্ষক / Bhakshak)

সেরা শিশু শিল্পী (Best Child Artist): ঋদ্ধিমান ব্যানার্জী, তপময় দেব ও গীতশ্রী চক্রবর্তী (চলচ্চিত্র: অঙ্ক কি কঠিন), অরুণদেব পোথুলা (৩৫ – চিন্না কথা কাডু) এবং অতীশ এস শেট্টি (মিথ্যা)

বিশেষ উল্লেখ (Special Mentions): সুরেন জি (আই মেইয়াঝাগান / II Meiyazhagan) এবং ধনুশ (ক্যাপ্টেন মিলার)

সঙ্গীত ও নেপথ্য কণ্ঠ (Music & Playback)
সেরা সঙ্গীত পরিচালনা (Best Music Direction): জি ভি প্রকাশ কুমার (অমরন) এবং শাশ্বত সচদেব (আর্টিকেল ৩৭০)

সেরা গায়ক/গায়িকা (Best Playback Singer): বৈকম বিজয়লক্ষ্মী (চলচ্চিত্র: এআরএম – গান: ‘আঙ্গু ভানা কোনিলু’) এবং অভয় যোধপুরকর (চলচ্চিত্র: ঘরাঁত গণপতি – গান: ‘নভসাছি গৌরী মাঝি’)

সেরা গীতিকার (Best Lyrics): মনোজ মুন্তাশির (গান: ‘জানে দো’ – চলচ্চিত্র: ময়দান)

কারিগরি ও অন্যান্য বিভাগ (Technical Categories)
সেরা চিত্রনাট্য (Best Screenplay): যোগেশ দেশপাণ্ডে (স্বর্গন্ধর্ব সুধীর ফাড়কে) এবং বন্দিরেড্ডি সুকুমার (পুষ্পা ২)

সেরা সংলাপ (Best Dialogues): ভেঙ্কি আতলুরি (লাকি ভাস্কর / Lucky Baskhar)

সেরা সিনেমাটোগ্রাফি (Best Cinematography): শেহনাদ জালাল (ভ্রমযুগম)

সেরা অ্যাকশন পরিচালনা (Best Action Direction): অনি আরাসু (মহারাজা)

সেরা কোরিওগ্রাফি (Best Choreography): বিজয় গাঙ্গুলী (স্ত্রী ২ / Stree 2)

সেরা প্রোডাকশন ডিজাইন (Best Production Design): নিতিন জিহান চৌধুরী (কল্কি ২৮৯৮ এডি)

সেরা কস্টিউম ডিজাইন (Best Costume Design): দিপালী নূর এবং শীতল শর্মা (পুষ্পা ২)

সেরা মেকআপ (Best Makeup): পি রবি কুমার (কমিটি কুরোল্লু)

সেরা এডিটিং (Best Editing): আর কালাইভানন (অমরন)

সেরা সাউন্ড ডিজাইন (Best Sound Design): মানস চৌধুরী (ভুল ভুলাইয়া ৩)

এবারের জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে অন্যতম বড় চমক বলিউড তারকা কার্তিক আরিয়ান এবং ইয়ামি গৌতমের জয়। স্পোর্টস-ড্রামা ‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’ ছবিতে এক লড়াকু সৈনিক ও প্যারা-অ্যাথলেটের চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার শিরোপা জিতে নিয়েছেন কার্তিক। যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছেন মালয়ালম সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা মামুট্টি, ‘কাথাল – দ্য কোর’ ছবিতে তাঁর সংবেদনশীল অভিনয়ের জন্য।


অন্যদিকে, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘আর্টিকেল ৩৭০’ ছবিতে এনআইএ (NIA) অফিসারের চরিত্রে শক্তিশালী অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ইয়ামি গৌতম। শুধু অভিনয়ই নয়, সেরা ছবি এবং সেরা পরিচালকের জুতোও গলিয়েছে এই দুর্ধর্ষ পলিটিক্যাল থ্রিলারটি।

বরাবরের মতোই এবারও জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে বলিউড ও আঞ্চলিক সিনেমাগুলির মধ্যে এক সুন্দর ভারসাম্য লক্ষ্য করা গিয়েছে। জুরি বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বছরের মনোনয়নগুলিতে গল্প বলার অভিনবত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সূক্ষ্ম নির্মাণশৈলীকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

‘ তিনি আরও বলেন, "যিনি আমার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে হারেন তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে পার্টি অফিস যখন ভাঙা হচ্ছে। বিজেপির গুণ্ডারা মুখ ঢেকে সব ভেঙে দিচ্ছে। আমরা আগামী দিন এই মামলা নিয়ে কোর্টে যাব।" 


'যদি বেঁচে থাকি সুদে-আসলে ২০৩১-এ ফেরত দেব', আবার হুমকি দিচ্ছেন অভিষেক?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ

আমতলায় দলের ‘বেআইনি’ কার্যালয় ভাঙতেই অগ্নিশর্মা ডায়মন্ড-হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। অভিযোগ, বেআইনি ভাবে দখল করে এই তৃণমূলের পার্টি অফিসটি গড়ে উঠেছিল। সংশ্লিষ্ট পার্টি অফিসটির বিষয়ে অভিযোগ জমা পড়তেই জেলা প্রশাসনের তরফে পাঠানো হয় নোটিস। সেই নোটিস অনুযায়ী হাজির না হওয়ায় শনিবার তিনটি বুলডুজার ভেঙে দেয় সেই কার্যালয়। এরপরই এ বিষয়ে বিকেলে মুখ খুললেন এলাকার তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বললেন, “প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।”


পালা বদলের পর একটা নয় অভিষেকের ঘাড়ে ঝুলছে একাধিক মামলা। জেলা-কলকাতা সব জায়গায় বিভিন্ন অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে FIR হয়েছে। এর মধ্যে তাঁর ‘ডিজে বাজানো’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় বেশ জর্জরিত অভিষেক। এমতাবস্থায় এদিন আমতলার তৃণমূল পার্টি অফিস ভাঙার প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া চাওয়া হলে সংবাদ মাধ্যমের সামনে দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ অভিষেক জানিয়ে দেন, ২০৩১-এ তাঁরা ক্ষমতায় ফিরলে ঠিক একই ভাবে মামলা-মোকদ্দমা ও আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে বিজেপি নেতারা যেন ভুলে না যান।”


 'তৃণমূলের উঁচুতলার নেতাদের নেওয়া যেতে পারে...', বড় বার্তা সুকান্তর
আমতলার এই পার্টি অফিসটির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অভিষেক বলেন, “যদি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দয়ায় বেঁচে থাকি, যে আইনের যে ধারায় আপনারা এই অত্যাচারগুলো করেছেন, একই আইনের একই ধারায় ৩১ ফিরিয়ে দেব সুদ সমেত। কথা দিয়ে গেলাম।” তৃণমূল সাংসদের অভিযোগ সুরে বলেন, ” এর পিছনে বিজেপি নেতারই রয়েছেন। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদত রয়েছে। তাঁদের প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখন যদি ভিতরে কিছু প্লান্ট করে দেওয়া হয় তার দায় কার?”


তিনি আরও বলেন, “যিনি আমার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে হারেন তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে পার্টি অফিস যখন ভাঙা হচ্ছে। বিজেপির গুণ্ডারা মুখ ঢেকে সব ভেঙে দিচ্ছে। আমরা আগামী দিন এই মামলা নিয়ে কোর্টে যাব।”

প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় থাকাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আচরণ, চলন-বলন, কথার ধরন খুব ঔদ্ধত্যপূর্ণ সে নিয়ে আগেই অভিযোগ করেছিলেন বিরোধীদের একাংশ। শুধু বিরোধী বলা ভুল, এই একই অভিযোগে পালা-বদলের পর তাঁরই দলের বিক্ষুব্ধরা দল ছেড়েছেন। তৃণমূল ক্ষমতাচ্যূত হওয়া পরও তাঁর যে স্বভাব এখনও বদলায়নি তেমনই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

সম্প্রতি কাকদ্বীপ বাস স্ট্যান্ড চত্বরে এক হৃদয়বিদারক ও অনভিপ্রেত ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এক বিহারী ডাল-বড়া বিক্রেতা প্রতিদিনের মতো নিজের রুটি-রুজির টানে দোকান পেতে বসেছিলেন। কিন্তু আচমকাই কিছু স্থানীয় বাঙালি ফল ব্যবসায়ী তাঁর ওপর চড়াও হন।


অভিযোগ, ওই ডাল-বড়া বিক্রেতাকে সেখানে ব্যবসা করতে বাধা দেওয়া হয়। বচসা বাড়লে পরিস্থিতি চরমে পৌঁছায় এবং ফল ব্যবসায়ীরা তাঁকে রীতিমতো ঘাড় ধাক্কা দিয়ে, অপমান করে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেন। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়—"এখানে কোনো ব্যবসা করা যাবে না।"
হঠাৎ ঘটে যাওয়া এই হেনস্থায় ও একমাত্র উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম অসহায়তায় ভেঙে পড়েন ওই ডাল-বড়া বিক্রেতা। প্রকাশ্য রাস্তায় দাঁড়িয়েই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। পেটের দায়ে ভিনরাজ্য থেকে আসা একজন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের এই চোখের জল সেখানে উপস্থিত অনেক সাধারণ পথচারীকে ব্যথিত করলেও, প্রতিবাদের হাত বাড়িয়ে দিতে দেখা যায়নি কাউকে।

পেটের খিদে এবং বেঁচে থাকার লড়াই কোনো জাত, ধর্ম বা ভাষার সীমানা মানে না। একজন ক্ষুদ্র বিক্রেতাকে এভাবে উচ

কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি অবিনাশ ভট্টাচার্য আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সাগর ব্লক ও গঙ্গাসাগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা পরিদর্শন করেন। মন্ত্রকের বিভিন্ন গ্রামীণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন খতিয়ে দেখাই ছিল এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।


সকালে কলকাতা থেকে রওনা হয়ে তিনি সরাসরি সাগর ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় ভিবুগ্রাম-জি (VBGRAM-G) প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন। তিনি মাঠপর্যায়ে কর্মী, আধিকারিক এবং এনআরএলএম (NRLM) দলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে প্রকল্পের কাজ সম্পর্কে সরাসরি মতামত সংগ্রহ করেন। এরপর তিনি ব্লক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে

 পিএমএওয়াই-জি (PMAY-G) এবং অন্যান্য গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতির বিশদ পর্যালোচনা করেন।
পরিদর্শন শেষে কাজের গুণমান ও গতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন আন্ডার সেক্রেটারি। তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করে বলেন, গ্রামীণ জনজীবনের উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি প্রকল্পগুলো যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ও কার্যকরীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকে আরও নজর দিতে হবে। এদিন বিকেলেই তিনি কলকাতায় ফিরে যান। রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক অনিত নন্দী তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।