একসময় পাড়ার খুদেদের চাল সংগ্রহ করে শুরু হয়েছিল শ্যামাপুজো। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে চাল ভিক্ষা করে গামছার ছোট্ট মণ্ডপ তৈরি করে শুরু হয়েছিল দেবী আরাধনা। গ্রামের বটগাছের নীচে শুরু হওয়া সেই পুজো আজ ৩৪ বছরে পা দিয়েছে। সময়ের সঙ্গে বদলেছে পুজোর আয়োজন।
বর্তমানে থিমের অভিনব ভাবনায় নামখানার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে প্রোগ্রেসিভ ইউনাইটেড ক্লাবের শ্যামাপুজো। এবছর তাদের থিম ‘স্রষ্টার স্রষ্টা’।
পুজো কমিটির এবারের ভাবনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছেন মৃৎশিল্পীরা। যাঁদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় মাটির প্রতিমা প্রাণ পায়, সেই শিল্পীদের জীবনযাত্রা, পরিশ্রম ও সৃজনশীলতার কাহিনিই মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। কাপড়, কাদা ও থার্মোকল-সহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে সাজানো হয়েছে মণ্ডপ। প্রতিমা তৈরির বিভিন্ন পর্যায়ও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সেখানে।
পুজো কমিটির সদস্যা বিভা বেরা বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এই ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত। আমরা সবাই মিলে মায়ের পুজোর আয়োজন করি। এ বছরের ভাবনা ‘স্রষ্টার স্রষ্টা’। প্রতিমা শিল্পীদের জীবনযাত্রা এবং কীভাবে তাঁরা নিজেদের শিল্পকর্মের মাধ্যমে মায়ের রূপ তৈরি করেন, সেই বিষয়টিই মণ্ডপে তুলে ধরেছি।”
একসময় সামান্য চাল সংগ্রহ করে শুরু হওয়া পুজো আজ ৩৪ বছরের ঐতিহ্য। দেবীর আরাধনার পাশাপাশি এ বছর প্রতিমা নির্মাণের নেপথ্যে থাকা শিল্পীদের সম্মান জানানোই এই পুজোর বিশেষ আকর্ষণ।
