আদালত বলেছে, SIR-এর মতো জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা বা সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা যাবে। কিন্তু সেই সমালোচনার নামে ব্যক্তিগত ভাবে কাউকে মানহানিকর অভিযোগের নিশানা করা যাবে না। আগামী ৫ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।
জারি হল নিষেধাজ্ঞা। মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) কড়া নির্দেশ দিল আলিপুর আদালত। মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল মানহানির নোটিস পাঠিয়েছিলেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার বড় নির্দেশ দিল আদালত।
এসআইআর ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মন্তব্য করেছিলেন মহুয়া। সেখানে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল ও সুব্রত গুপ্তের নাম ও ছবি দেওয়া হয়েছিল। সেই এক্স পোস্ট নিয়েই বিতর্ক। সেখানে মহুয়া লিখেছিলেন, “এরাই বাংলার এসআইআরের (SIR) সবথেকে বড় কারিগর। সব ধরনের অবৈধ কাজ করেছেন এঁরা। কেউ বাঁচতে পারবে না এদের।” ওই পোস্ট দেখেই মনোজ আগারওয়াল বলেছিলেন, মহুয়ার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হবে।
আমিও সন্তান চাই!' ৬১ বছর বয়সে এসে বাবা হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ সলমনের, কী বললেন ভাইজান?
আজ, বৃহস্পতিবার সেই মামলায় মহুয়ার মন্তব্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আলিপুর আদালত।
আলিপুর আদালত জানিয়েছে, মুখ্যসচিব সম্পর্কে কোনও মানহানিকর মন্তব্য করা যাবে না। ভোট চুরির মতো কোনও অভিযোগ তুলে মহুয়া নতুন করে কোনও পোস্ট, শেয়ার বা পুনরায় প্রকাশ করতে পারবেন না। অন্য কোনও মাধ্যমে এই বিষয়টি প্রচারও করতে পারবেন না।
গত ৩ অক্টোবর এবং ৬ অক্টোবর মহুয়া যে পোস্ট করেছিলেন, আদালতের অর্ডার পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, তা মুছে ফেলতে হবে। মহুয়া মৈত্রকে নোটিস দিয়ে জানাতে হবে, কেন তাঁর মন্তব্যের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আদালত বহাল রাখবে না।
আদালতের পর্যবেক্ষণ:
মহুয়ার পোস্টগুলিতে শুধু SIR-এর সমালোচনা করা হয়নি, বরং মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ করার অভিযোগ তোলা হয়েছে।
অভিযোগগুলির সমর্থনে মহুয়া কোনও প্রমাণ পেশ করেননি। ফলে প্রাথমিকভাবে অভিযোগগুলির ভিত্তি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।
SIR-এর মতো জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা বা সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা যাবে। কিন্তু সেই সমালোচনার নামে ব্যক্তিগত ভাবে কাউকে মানহানিকর অভিযোগের নিশানা করা যাবে না। আগামী ৫ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।
