WEATHER

Top News


উত্তরবঙ্গের আদিবাসী মুখ মালতী রাভা রায়। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের আলিপুরদুয়ার কলেজ থেকে আর্টসে গ্রাজুয়েশন করেছেন তিনি। ৯০-র দশক থেকে বিজেপিতে রয়েছেন মালতী। তাঁর স্বামী ইন্দ্র মোহন রাভা বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন।


সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ উত্তরবঙ্গের দাপুটে নেত্রীর হাতেই রাজ্যের নারী সুরক্ষার ভার, কে এই মালতী রাভা রায় চেনেন?
কে এই মালতী রাভা রায়?

মাটি কামড়ে পড়েছিলেন, লড়েছিলেন দাঁতে দাঁত চেপে। তার পুরস্কারও পেলেন। রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকারের (BJP Govt) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব পেলেন উত্তরবঙ্গের নেত্রী তথা তুফানগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক মালতী রাভা রায় (Malati Rava Roy)। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তিনি। আজ মন্ত্রিত্ব বন্টনে তাঁকে নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দায়িত্বও সামলাবেন তিনি।


উত্তরবঙ্গের আদিবাসী মুখ মালতী রাভা রায়। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের আলিপুরদুয়ার কলেজ থেকে আর্টসে গ্রাজুয়েশন করেছেন তিনি। ৯০-র দশক থেকে বিজেপিতে রয়েছেন মালতী। তাঁর স্বামী ইন্দ্র মোহন রাভা বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন। মালতী নিজেও জেলা সভাপতি ছিলেন। ২০২১ সালে প্রথমবার বিজেপির টিকিটেই তুফানগঞ্জ থেকে নির্বাচনে লড়েন এবং বিধায়ক হন। এবার ফের নির্বাচনে লড়লেন তুফানগঞ্জ থেকে এবং তৃণমূলের প্রার্থী প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্করকে ৩১ হাজার ভোটে হারিয়ে জয়ী হলেন।



 অভিষেক সরিয়েছিলেন চেয়ারম্যানের পদ থেকে, তৃণমূলের ভরাডুবি হতেই পৌরসভায় রবীন্দ্রনাথ, বড় কোনও ইঙ্গিত? 
সংঘ ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত মালতী। উত্তরবঙ্গে বিজেপির লড়াইয়ে অন্যতম মুখ ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে কোচবিহারে বিজেপির রথযাত্রা করার কথা ছিল। সেই রথযাত্রা আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন মালতী। যদিও পরে হাইকোর্টের অনুমতি না মেলায়, সেই রথযাত্রা হয়নি। সেই সময়ও শিরোনামে উঠে এসেছিল মালতীর নাম।

পরবর্তীতে সাংবাদিকতার পেশা ছেড়ে রাজনীতির এবড়োখেবড়ো ময়দানে পা। প্রথম লড়াইয়ে হারের মুখ দেখতে হলেও, হার মানেননি জগন্নাথ। ফল মিলেছে এবারের ভোটে। শুধু বিধায়ক নয়, হলেন রাজ্যের মন্ত্রীর। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরের গুরু দায়িত্ব এবার তাঁর কাঁধে।



 ছোট থেকেই RSS-এর ঘরের ছেলে, সাংবাদিকতার সরণী বেয়ে উচ্চশিক্ষার উচ্চাসনে! কে এই জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?
কবে থেকে রাজনীতিতে যোগ?

স্বাধীনতার পর এই প্রথম! সিউড়ির মুকুটে জুড়ল পূর্ণমন্ত্রীর পালক। নতুন ইতিহাস লিখে ফেললেন সিউড়িরই ভূমিপুত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। একসময়ে ছিলেন সাংবাদিক। ঝড় তুলতেন কলমের খোঁচায়। প্রশাসনিক রিপোর্টিংয়ের ক্ষেত্রে কর্মজীবনে বিশেষ সুনাম অর্জন করেছিলেন। যে সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা, সেই সময় নবান্ন তথা রাজ্য প্রশাসনের খবর করতেন তিনি। শোনা যায়, দক্ষ সাংবাদিক হওয়ায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পছন্দের সাংবাদিকও ছিলেন। 


পরবর্তীতে সাংবাদিকতা ছেড়ে রাজনীতির এবড়োখেবড়ো ময়দানে পা। প্রথম লড়াইয়ে হারের মুখ দেখতে হলেও, হার মানেননি জগন্নাথ। ফল মিলেছে এবারের ভোটে। শুধু বিধায়ক নয়, হলেন রাজ্যের মন্ত্রীর। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরের গুরু দায়িত্ব এবার তাঁর কাঁধে। 


ফাইলের পর ফাইল নথি ছাই, 'কোলাপস' করে যেতে পারে গোটা সরকারি সিস্টেম! সরকারের প্রধান অফিসেই ভয়ঙ্কর ঘটনা
ছোট থেকেই তাঁর আরএসএস ঘনিষ্ঠতা বরাবরই চর্চায় থেকেছে। ছাত্রাবস্থাতেও করেছেন আরএসএসের ছাত্র সংগঠনই। পরবর্তীতে বিজেপিতে যোগ। বিগত কয়েক বছর ধরেই দলের হয়ে টানা কাজ করে গিয়েছেন। তৃণমূলের বেলাগাম দুর্নীতি নিয়ে বিজেপির হয়ে বারবার মুখ খুলেছেন টিভির পর্দায়। তাঁর ক্ষরধার শব্দের প্রয়োগে বারবার কাত হয়েছে শাসক শিবির। পড়ে থেকেছেন মাঠে ময়দানে, বারবার বিজেপির নানা আন্দোলনে তাঁকে একেবারে প্রথমসারিতে দেখা গিয়েছে। দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে প্রথমে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে রাজ্য সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার একেবারে মন্ত্রিত্বে।


২০২১ সালের নির্বাচনে জয় অধরা থাকলেও, জনপ্রতিনিধি না হলেও জনসেবার পথে তা বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। দলের সর্বভারতীয় স্তরের যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে সিউড়ির উন্নয়নের স্বার্থে বারবার কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রকের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। তার এই নিরলস চেষ্টাতেই দীর্ঘদিনের আটকে থাকা হাটজনবাজার রেল ওভারব্রিজের কাজ গতি পেয়েছে। এছাড়া সিউড়ি-শিয়ালদহ যাতায়াত সুগম করতে মেমু এক্সপ্রেস চালু, সিউড়ি স্টেশনের আধুনিকীকরণ, সিউড়ি-প্রান্তিক রেল প্রকল্পের থমকে থাকা কাজ পুনরায় শুরু করার ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সচেষ্ট হয়েছিলেন জগন্নাথ। 

 ছাত্রাবস্থায় কংগ্রেস করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজীব গান্ধীর স্নেহভাজন ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে মন্ত্রীও ছিলেন। পরে কংগ্রেসের সঙ্গে বিরোধ বাধে। তৈরি হয় দূরত্ব। শেষে ১৯৯৮ সালে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। তৈরি করেন তৃণমূল কংগ্রেস।

কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে গেলে মমতার কী লাভ?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


বঙ্গের রাজনীতিতে টানটান উত্তেজনা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC) যে ভাঙন ধরেছে, তাতে শুধু রাজ্যের নয়, দেশের রাজনীতিও তোলপাড় হচ্ছে। এর মধ্যেই বড় চমক। এক হয়ে যেতে পারে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস? তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-কে কংগ্রেসে (Congress) যোগদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, এমনটাই সূত্রের খবর। মমতাকে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন সনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) বলে কংগ্রেস সূত্রে খবর। তবে প্রশ্ন উঠছে কেন এই পথে হাঁটতে হচ্ছে মমতাকে? 

ছাত্রাবস্থায় কংগ্রেস করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজীব গান্ধীর স্নেহভাজন ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে মন্ত্রীও ছিলেন। পরে কংগ্রেসের সঙ্গে বিরোধ বাধে। তৈরি হয় দূরত্ব। শেষে ১৯৯৮ সালে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। তৈরি করেন তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কংগ্রেসেই আবার ২৮ বছর পর ফেরার জল্পনা শোনা যাচ্ছে। তবে এর পিছনে রয়েছে রাজনীতির জটিল অঙ্ক।


মাইকি'কে রড দিয়ে পিটিয়ে খুন, 'জানে তু ইয়া...' খ্যাত অভিনেত্রীর কান্না দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না ভূমি


অনাথ নাবালিকাকে 'আশ্রয়' দিয়েছিলেন জেঠু, সেখানেই এমন 'ফাঁদ' পাতা হয়েছিল...
ঋত-ব্লক:
বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে খণ্ড খণ্ড হয়েছে। প্রথম ভাঙন ধরান ঋতব্রত। বিধানসভায় ঋতব্রতের হাত ধরে ৬৪ জন বিধায়ক আলাদা তৃণমূল গড়ার চেষ্টা করছে। তারা নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করতে পারে। আদালতে যদি এরা যদি নিজেদের আসল তৃণমূল দাবি করে, তবে দলের প্রতীকও পেয়ে যেতে পারে। দলের টাকা থেকে শুরু করে যাবতীয় অধিকার তাদের হাতে চলে যাবে। দলত্যাগ বিরোধী আইনও প্রয়োগ করা যাবে না যেহেতু তাদের হাতেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ঠিক যেমনটা মহারাষ্ট্রে হয়েছিল।



এদিকে, লোকসভা-রাজ্যসভাতেও ভাঙন ধরছে। লোকসভায় তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদ আছে। রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদের সংখ্যা ১৩। লোকসভায় তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ২০ জন সাংসদ আলাদা ব্লক তৈরি করতে চাইছেন। তারা সমর্থন জানাবে এনডিএ-কে। রাজ্যসভার সাংসদদের একাংশও দল ছাড়ছে, পদ ছাড়ছে। ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন সুখেন্দু শেখর রায়, সুস্মিতা দেব। সদ্য রাজ্যসভার সাংসদ হওয়া কোয়েল মল্লিকের ইস্তফাও এখন সময়ের অপেক্ষা।

দলত্যাগ বিরোধী আইন কী?
দল যাতে হাতছাড়া না হয় এবং এনডিএ-র হাত শক্তিশালী না হয়, তার জন্যই কি তৃণমূলের এই স্ট্র্যাটেজি? এর জন্য বুঝতে হবে দলত্যাগ বিরোধী আইন। কী এই আইন? কোনও সাংসদ বা বিধায়ক যদি এক দলের টিকিটে জেতার পর অন্য দলে যোগ দেন, তবে তাঁর সেই পদ খারিজ করার যে আইনি ব্যবস্থা রয়েছে, তাকেই দলত্যাগ বিরোধী আইন বলা হয়। ভারতীয় রাজনীতিতে দুর্নীতি কমানো এবং সরকারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য এই আইনটি আনা হয়েছিল।

কোনও সদস্য দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় পড়ছেন কি না, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট কক্ষের প্রিসাইডিং অফিসার অর্থাৎ লোকসভা বা বিধানসভার ক্ষেত্রে স্পিকার এবং রাজ্যসভার ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান। তবে স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে পরবর্তীতে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যেতে পারে।



এই আইনটিতে বিশেষ ছাড়ও রয়েছে, যা দল ভাঙার ক্ষেত্রে সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। সেটি হল দুই-তৃতীয়াংশের নিয়ম। যদি কোনও রাজনৈতিক দলের মোট নির্বাচিত সদস্যের অর্থাৎ সাংসদ বা বিধায়ক অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ অংশ দল ছেড়ে অন্য কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত হতে চান বা একীভূত (Merger) হতে চান, তবে তাঁদের পদ খারিজ হয় না।

মমতার মাস্টারস্ট্রোক?
এখন তৃণমূলের যা অবস্থা, তাতে ঋতব্রত শিবির বা কাকলির শিবির- কাউকেই দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ফেলতে পারবে না মমতার তৃণমূল কংগ্রেস। তবে সেখানেই যদি মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় কংগ্রেসের সঙ্গে এক হয়ে যান, তাহলে সাংসদ সংখ্যা কমবে না, উল্টে বাড়বে। তখন কাকলি সহ ২০ সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্য়াগ বিরোধী আইনে অভিযোগ করা যাবে এবং তাদের সাংসদ পদও খারিজ হতে পারে। তবে রাজ্য বিধানসভার ক্ষেত্রে তা হবে না, কারণ তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কের সংখ্যা বেশি। কংগ্রেসে যোগ দিলেও দুই তৃতীয়াংশের সংখ্যায় পৌঁছতে পারবে না। আপাতত লোকসভা ও রাজ্যসভায় ঘর বাঁচাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২৮ বছর পর কংগ্রেসে ফিরতে পারেন।

আজ কুণাল বলেন, "এই বিষয়ে কোনও কথা বলার এক্তিয়ার নেই। কারণ, আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী দিল্লিতে রয়েছে। ওইখানে কংগ্রেসের নেতা-নেত্রীরা রয়েছেন। এটাও ঘটনা, তৃণমূলের জন্ম হয়েছিল সিপিএম-এর অপশাসনকে মুক্ত করার জন্য। 

কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৃণমূলের জন্ম হয়েছিল। আগে রাজীব গান্ধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্নেহ করতেন।"


মমতা কংগ্রেসে গেলে কুণাল কী করবেন? প্রশ্ন শুনেই বললেন..
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কুণাল


পালা বদলের একমাসের মধ্যেই ভগ্নদশা তৃণমূলের। চুনোপুঁটি থেকে রাঘব বোয়াল কেউ দল ছাড়ছেন, কেউ আবার পদ ছাড়ছেন। এই আবহের মধ্যেই দিল্লিতে চড়চড় করে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। প্রশ্ন উঠছে তবে কি তৃণমূল দলটাই উঠে যাবে? কারণ, সূত্রের খবর, তৃণমূলকে কংগ্রেসে মিশিয়ে ২৮ বছর পর আবার হাত শিবিরে ফিরতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banrjee)। আর সুপ্রিমো যদি কংগ্রেসে যান, তাহলে কুণাল ঘোষ কী করবেন? তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানই বা কী হবে? টিভি ৯ বাংলাকে এক্সক্লুসিভ বললেন সে কথা।


আজ কুণাল বলেন, “এই বিষয়ে কোনও কথা বলার এক্তিয়ার নেই। কারণ, আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী দিল্লিতে রয়েছে। ওইখানে কংগ্রেসের নেতা-নেত্রীরা রয়েছেন। এটাও ঘটনা, তৃণমূলের জন্ম হয়েছিল সিপিএম-এর অপশাসনকে মুক্ত করার জন্য। কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৃণমূলের জন্ম হয়েছিল। আগে রাজীব গান্ধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্নেহ করতেন। আর এখন সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে তাঁর ভালো সম্পর্কে রয়েছেন। তাই এখানে যা যা আলোচনাই হোক সেটা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। আমি মন্তব্য করব না।”


মাইকি'কে রড দিয়ে পিটিয়ে খুন, 'জানে তু ইয়া...' খ্যাত অভিনেত্রীর কান্না দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না ভূমি
কংগ্রেসে মমতা গেলে কুণালের রাজনৈতিক অবস্থান কী?


বেলেঘাটার তৃণমূলে বিধায়ক বলেন, “সূত্রের উপর দাঁড়িয়ে আমি মন্তব্য করব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতীক নিয়ে আমি বিধায়ক হয়েছি,এখানে টাটকা কৃতজ্ঞতা কাজ করেন। একমাস হয়েছে ভোট, আমি তো এত কিছুর পরও নির্দল হইনি। তাই উনি যে রাজনীতি করবেন আমি ওঁর সঙ্গেই সেই রাজনীতি করার চেষ্টা করব। কিন্তু ভবিষ্যত কখন কী হবে তা বলা মুশকিল।”

২৮ বছর পর ঘরে ফিরবেন মমতা? সত্যি উঠে যাবে মমতার হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস? সূত্রের খবর, সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতের পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।


তৃণমূলকে কংগ্রেসে মিশিয়ে ২৮ বছর পর আবার হাত শিবিরে ফিরছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?
মমতা যোগ দেবেন কংগ্রেসে?


কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) গড়েছিলেন। আবার কংগ্রেসেই ফিরতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)? তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙনের পর জল্পনা আবার কংগ্রেসে ফিরতে পারেন মমতা। সূত্রের খবর, কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) এই প্রস্তাব দিয়েছেন। এই প্রস্তাব গ্রহণ করবেন কি না, তার জন্য কিছুটা সময় চেয়েছেন মমতা, এমনটাই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।


২৮ বছর পর ঘরে ফিরবেন মমতা? সত্যি উঠে যাবে মমতার হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস? সূত্রের খবর, গতকাল সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতের পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যও। অভিষেককে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পদের প্রস্তাব দিয়েছেন রাহুল গান্ধী বলে সূত্রের খবর।



মমতা কংগ্রেসে গেলে কুণাল কী করবেন? প্রশ্ন শুনেই বললেন..
কংগ্রেস কর্মীরা এখন শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে। তবে চুরি বা দুর্নীতির অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে, তাদের দলে নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসে যারা রয়েছেন, তারাও আপত্তি তুলতে শুরু করেছেন। এর মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, আগামিকাল, বৃহস্পতিবার দিল্লিতে প্রদেশ কংগ্রেসের প্রেসিডেন্টরা বৈঠকে বসতে চলেছেন। সেখানে রাজ্য থেকে শুভঙ্কর সরকারও যাচ্ছেন। শোনা যাচ্ছে, মমতা বিরোধী যারা কংগ্রেস নেতৃত্ব রয়েছেন, তারা কংগ্রেসের বিভিন্ন আসনে বসতে পারেন।


এই বিষয়ে শুভঙ্কর সরকার বলেন, “আমি রাজনীতি করি মাটির উপরে দাঁড়িয়ে। আমি মনে করি, রাজনীতি সম্ভাবনাময় শিল্প। সেই সম্ভাবনাময় শিল্প কখন কোন দিকে গতি নেবে, তা আগামিদিনে বা আগামী কিছু সময়ের পর দেখতে পাবেন। অগ্রিম কোনও বিষয়ের উপরে রাজ্য কংগ্রেস প্রতিক্রিয়া দেবে না। শুধু এইটুকু বলতে পারি, বিজেপির অত্যাচারের বিরুদ্ধে, আরএসএসের বিচারধারার বিরুদ্ধে যিনি লাগাতার লড়াই করছেন, ভারতের সংবিধানকে বাঁচানোর লড়াই লড়ছেন, তিনি রাহুল গান্ধী। যদি কেউ রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব মেনে কেউ যদি আসেন, কারোর যদি ধক থাকে, ভয় পাবেন না, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়বেন, তাঁকে আমরা স্বাগত জানাব। দুর্নীতিগ্রস্থ যারা, তারা কংগ্রেসে আসবেন না। তাদের জন্য আলাদা ওয়াশিং মেশিন দরকার।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসে ফেরানোর প্রস্তাব প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ভিতরে কী হয়েছে, কেউ জানে না। এই বিষয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়। তবু বলব যেহেতু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুরু কংগ্রেস থেকে হয়েছিল, তিনি যদি আবার কংগ্রেসে ফিরে যান, তবে সেই কথাটাই সত্য হবে যে পুনঃ মুষিক ভব।”

তবে কংগ্রেস নেতারা কি মেনে নেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কামব্যাক? সুকান্ত বলেন, “বর্তমানে যে পরিস্থিতি কংগ্রেসের, নেতা নেই, কর্মী নেই। তাতে তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেবেন কি না, তাদের বিষয়। এটাও ঠিক যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যা বয়স, তাতে কংগ্রেস বা অন্য কোনও দলকে দেওয়ার মতো কিছু অবশিষ্ট আছে।”

 আজ, বুধবার ১০ জনপথ রোডে সনিয়া গান্ধীর বাসভবনে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ডেরেক ও'ব্রায়েন-ও। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের পরও আলাদাভাবে রাহুলের সঙ্গে অভিষেকের এই বৈঠক নিয়ে যথেষ্ট জল্পনা তৈরি হয়েছে।


দুর্দিনে ভরসা কংগ্রেসই! খড়কুটোর মতো আঁকড়াতে কেন চাইছেন মমতা-অভিষেক?
কী কথা হল রাহুল-অভিষেকের মধ্যে?


ভেঙে চুরমার তৃণমূল কংগ্রেস। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে হারের পরই তৃণমূলে ভাঙন ধরেছে। সেই রক্তক্ষরণ চেয়েও আটকাতে পারছেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এর মাঝেই এবার কি কংগ্রেসের সঙ্গে বন্ধুত্ব মজবুত করতে চাইছেন অভিষেক?


আজ, বুধবার ১০ জনপথ রোডে সনিয়া গান্ধীর বাসভবনে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সঙ্গে দেখা করে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন-ও। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের পরও আলাদাভাবে রাহুলের সঙ্গে অভিষেকের এই বৈঠক নিয়ে যথেষ্ট জল্পনা তৈরি হয়েছে।



 তৃণমূলকে কংগ্রেসে মিশিয়ে ২৮ বছর পর আবার হাত শিবিরে ফিরছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?
যেখানে ক্রমাগত ভাঙছে তৃণমূল, আজই ইস্তফা দিয়েছেন সুস্মিতা দেব, সেখানেই অভিষেকের এই বৈঠক কি দলকে বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা? এই প্রশ্নই জাগছে অনেকের মনে। তবে সূত্রের খবর, মূলত ইন্ডিয়া জোটের সংগঠন এবং আগামিদিনের পরিকল্পনা ও রণকৌশল নিয়েই আলোচনা হচ্ছে দুই নেতার মধ্যে।


অপর একটি সূত্রে খবর, তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙন রুখতেই কংগ্রেসের হাত ধরতে চাইছেন অভিষেক। গতকাল কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য তৃণমূলের ভাঙন রোখাই।

ভোটের আগে যেখানে ইন্ডিয়া জোটকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। নিজের হাতেই ইন্ডিয়া জোটের স্টিয়ারিং রাখতে চেয়েছিলেন মমতা। সেখানেই ভোটে হারের পর ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে হাজির হয়েছিলেন মমতা ও অভিষেক-দুজনেই। সেই বৈঠকে অভিষেকের উপরে আক্রমণ থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত চুপই ছিলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে। ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে। এই জেলাগুলির কিছু অংশে কালবৈশাখীর সর্তকতাও থাকছে।


বাংলায় ঢুকেই চালিয়ে খেলছে বর্ষা, ভারী বৃষ্টিতে তোলপাড় হবে এই সব জেলা
আবহাওয়ার খবর

বাংলায় বর্ষা প্রবেশ করেছে। উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারের মতো উত্তরের জেলাগুলিতে ঢুকেছে পড়েছে বর্ষা। হাওয়া অফিস বলছে, এই মূহুর্তে উত্তরবঙ্গ নয়, দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টি হবে।


আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কলকাতা,হাওড়া,উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে, হুগলি, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের জারি হয়েছে লাল সতর্কতা।





এ দিকে, আজ উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। দার্জিলিং কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে, ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। শুক্রবার এবং শনিবারে জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি আশঙ্কা থাকছে। রবিবার থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। তবে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়-বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গে।

এ দিকে, আজ কলকাতায় সকাল থেকে গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। দুপুরের পর থেকে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝড়ো বাতাস বইতে পারে। আজ এবং কাল ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে। ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে। এই জেলাগুলির কিছু অংশে কালবৈশাখীর সর্তকতাও থাকছে।

 একসময় অধীরের তৃণমূলের বিরোধিতা কপালে চিন্তার ভাঁজ চওড়া করেছিল দিল্লির কংগ্রেসে নেতাদেরও। নরমে-গরমে লেখা হচ্ছিল কতরকম সমীকরণ। মমতা বিরোধী মুখ হিসাবে রাজ্যে একেবারে শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছিলেন বহরমপুরের ৬ বারের সাংসদ।


আমার পার্টিকে খতম করতে চেয়েছিল’, মমতার কংগ্রেসে আসার জল্পনা শুনে অধীর এ কী বলে ফেললেন?
কী বলছেন অধীর?


ভেঙে ছত্রখান হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। পরিষদীয় দলের পর সংসদীয় দলেও ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। ঝাঁকে ঝাঁকে ব্রিদোহ বিধায়ক থেকে সাংসদদের। এরইমধ্যে এবার খোদ মমতার কংগ্রেসের হাত ধরা নিয়ে জল্পনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সনিয়া গান্ধীর তরফে। অন্যদিকে অভিষেককে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের পদের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, রাত পোহালেই আগামীকালই কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল সমস্ত প্রদেশ সভাপতির নিয়ে একটি বৈঠক ডেকেছেন। কিন্তু গোটা বিষয়টি কীভাবে দেখছে প্রদেশ কংগ্রেস? কীভাবে দেখছেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী? 


কী বলছেন অধীর? 
একসময় অধীরের তৃণমূলের বিরোধিতা কপালে চিন্তার ভাঁজ চওড়া করেছিল দিল্লির কংগ্রেসে নেতাদেরও। নরমে-গরমে লেখা হচ্ছিল কতরকম সমীকরণ। মমতা বিরোধী মুখ হিসাবে রাজ্যে একেবারে শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছিলেন বহরমপুরের ৬ বারের সাংসদ। যদিও পরবর্তীতে অধীরের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির জায়গায় চলে আসেন শুভঙ্কর সরকার। সেই অধীর এখন বলছেন, “আমার সঙ্গে তৃণমূলের তো কোনও ব্যক্তিগত বিরোধিতা নেই। আমার সঙ্গে তৃণমূল নেতা, নেত্রী, তৃণমূল পার্টির কোনও ব্যক্তিগত বিরোধিতা কোনওদিন ছিল না। তৃণমূল আমার পার্টিকে খতম করতে চেয়েছে, আমি আমার পার্টিকে রক্ষা করতে চেয়েছি। মোকাবিলা করার চেষ্টা করেছি। এটা আমার রাজনৈতিক ধর্ম বলে মনে করেছি।” এরপরই মমতাকে খানিক খোঁচা দিয়েই তাঁর আরও সংযোজন, “এখন কে কার কাছে আসছে যাচ্ছে সেটা তাঁরা জানে। তবে এটা তো সত্যি যে মমতা ভোটে হেরেছে বলেই আসছে। আগে তো কোনওদিন আসেনি। বাকি কোথায় মার্জার হচ্ছে, ডিমার্জার হচ্ছে আমি জানি না। আমার পার্টি যদি কোনও সিদ্ধান্ত নেয় সেটা সকলকে জানাবে।”



কী বলছেন প্রদেশ সভাপতি? 
যদিও বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার খানিক ইঙ্গিতপূর্ণভাবেই বলছেন, “রাজনীতি একটা সম্ভাবনাময় শিল্প। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব মেনে আমাদের দলে কেউ যদি আসেন যাঁর ধক থাকবে, দম থাকবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ার জন্য। নিশ্চিতভাবে তাঁকে আমরা স্বাগত জানাব।” 


তবে মমতাকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি প্রবীন কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান। তাঁর সাফ কথা, “মমতার কোও কার্যকলাপের উপর কেউই বিশ্বাস করতে পারেন না। তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা ভারতের রাজনীতিতে তলানিতে ঠেকেছে। সবাই জানে, সনিয়া গান্ধীও জানে। তিনি এও বলেছিলেন মমতার থেকে বেশি ভরসা করা যায় বামেদের উপর।”    

নিজস্ব সংবাদদাতা: দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে। 


এর জেরে হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ বিভিন্ন এলাকায় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার পাশাপাশি দমকা হাওয়া ও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থানীয়ভাবে তৈরি হওয়া বজ্রগর্ভ মেঘের প্রভাবেই এই আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। কোথাও কোথাও ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতও হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

প্রতিকূল আবহাওয়ায় কি কি বিষয় মাথায় রাখা উচিত?
প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়া এবং খোলা জায়গায় অবস্থান না করা। 

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিচ্ছিন্নভাবে ঝড়-বৃষ্টি দেখা গিয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের জেরে আগামী সময়েও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।



বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন হাই স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে কড়া বার্তা দিলেন বিডিও কানাইয়া কুমার রাও। 



স্কুলের কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা জানানোর পাশাপাশি তিনি জাতিগত শংসাপত্র বা ‘কাস্ট সার্টিফিকেট’ যাচাইকরণের গুরুত্ব নিয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা দেন।
অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে বিডিও কানাইয়া কুমার রাও সরাসরি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, “কাস্ট সার্টিফিকেট ভেরিফিকেশন না করলে ভবিষ্যতে বড়সড় সমস্যায় পড়তে হবে। কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা বা শিক্ষাগত প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে এই যাচাইকরণ এখন বাধ্যতামূলক। বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ার কোনো অবকাশ নেই।”

তিনি আরও জানান, পড়ুয়ারা যাতে সময় থাকতেই সমস্ত সরকারি নথি সঠিক উপায়ে যাচাই করিয়ে নেয়, সে ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। নথিপত্রে কোনো ভুল বা অসঙ্গতি থাকলে শেষ মুহূর্তে উচ্চশিক্ষা বা সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বড় বিপত্তির মুখে পড়তে হতে পারে।
স্কুলের এই জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কৃতী পড়ুয়াদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বিডিওর এই স্পষ্ট ও সময়োপযোগী বার্তা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

 বারুইপুর পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে হনুমান মন্দিরের উল্টোদিকে একটি ফ্ল্যাটের নিচে থাকা গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ ত্রাণের ত্রিপল উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

গোডাউনের মালিক দেবব্রত রায়ের অভিযোগ, তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমর্থক হওয়ায় জোরপূর্বক তাঁর গোডাউন দখল করে সেখানে ত্রাণের সামগ্রী মজুত রাখা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগের তির জেলা পরিষদের মৎস্য ও পানি সম্পদ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ জয়ন্ত ভদ্রের দিকে।
দেবব্রত রায় বিষয়টি বিজেপির প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি দীপাবল চট্টোপাধ্যায়কে জানালে তিনি অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। অভিযোগ, সেখানে বিপুল পরিমাণ ত্রাণের ত্রিপল দেখতে পাওয়া যায়। পরে বিজেপি কর্মীরা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনেন।

খবর পেয়ে বারুইপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় 
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে বলে সূত্রের খবর।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের যুবক সৌমেন মণ্ডল আবারও এক অসাধারণ ও দুঃসাহসিক অভিযানে নেমেছেন। বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি ও মানবতার বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি স্কেটিং করেই অমরনাথ যাত্রা শুরু করেছেন। বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই দীর্ঘ সফরে তিনি কোনও যানবাহনের সাহায্য নিচ্ছেন না; সম্পূর্ণ পথই স্কেটিং করে অতিক্রম করার লক্ষ্য নিয়েছেন।


কাকদ্বীপ থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের অমরনাথ গুহা পর্যন্ত সড়কপথে মোট দূরত্ব প্রায় ২,৩০০ থেকে ২,৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ এলাকা অতিক্রম করতে হবে।
এই অভিযানের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শুধু দূরত্ব নয়, বরং পথের বৈচিত্র্য। কাকদ্বীপ ও দক্ষিণবঙ্গের আর্দ্র ও গরম আবহাওয়া থেকে শুরু করে উত্তর ভারতের তীব্র গরম, ধুলোঝড়, বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চল এবং শেষপর্যন্ত হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলের ঠান্ডা আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হবে তাঁকে। এক যাত্রাতেই কয়েকটি ভিন্ন জলবায়ুর অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন সৌমেন।
পথের অবস্থাও সর্বত্র একরকম নয়। কোথাও জাতীয় সড়কের মসৃণ রাস্তা, কোথাও যানজটপূর্ণ শহুরে এলাকা, আবার কোথাও পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ ও খাড়া উতরাই-চড়াই। বিশেষ করে জম্মু থেকে শ্রীনগর এবং সেখান থেকে পাহেলগাম বা বালতাল পর্যন্ত অংশে পাহাড়ি রাস্তা, আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তন এবং উচ্চতা বৃদ্ধি তাঁর যাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলবে।
অমরনাথ গুহা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩,৮৮০ মিটার (১২,৭০০ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত। ফলে শেষ পর্যায়ে অক্সিজেনের ঘাটতি, নিম্ন তাপমাত্রা এবং দুর্গম পার্বত্য পথের মতো চ্যালেঞ্জও অপেক্ষা করছে তাঁর জন্য। যদিও স্কেটিং করে যতদূর সম্ভব এগিয়ে যাওয়া যাবে, তবুও অমরনাথ যাত্রার শেষ অংশে পাহাড়ি ট্রেকিং পথ অতিক্রম করতেই হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালেও বিশ্বশান্তির বার্তা নিয়ে স্কেটিং করে কেদারনাথ যাত্রা করেছিলেন সৌমেন মণ্ডল। সেই অভিযানের পর এবার আরও বড় লক্ষ্য নিয়ে অমরনাথের পথে পা বাড়িয়েছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ কেবল ক্রীড়া দক্ষতার পরিচয় নয়, বরং সমাজের প্রতি একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
সৌমেনের এই ব্যতিক্রমী অভিযানে ইতিমধ্যেই কাকদ্বীপবাসীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও গর্বের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশ্বশান্তির বার্তা নিয়ে তাঁর এই দীর্ঘ যাত্রা সফল হোক, এমনটাই কামনা সকলের।




নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ‘দিল্লি স্পেশাল পুলিশ এস্টাবলিশমেন্ট অ্যাক্ট, ১৯৪৬’ অনুযায়ী সিবিআই (DSPE) পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তদন্ত করার সাধারণ অনুমতি (General Consent) ফিরে পেল। এখন থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী, কেন্দ্রীয় সংস্থা বা যেকোনো সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সিবিআই সরাসরি তদন্ত করতে পারবে।


CBI এর পায়ের বেড়ি খুলে দিল শুভেন্দু-সরকার
সিবিআই (প্রতীকী ছবি)


দীর্ঘ আট বছর পর রাজ্যে স্বাধীনভাবে তদন্ত করার ক্ষমতা ফিরে পেল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ২০১৮ সালে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রাজ্যে সিবিআই-এর অবাধ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছিল তৎকালীন সরকার। ফলে যে কোনও তদন্তের জন্য রাজ্যের আগাম অনুমতির প্রয়োজন হত। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছিল, প্রভাবশালীদের বাঁচাতেই কি ওই পদক্ষেপ করা হয়েছিল? অবশেষে বর্তমান সরকার পূর্ববর্তী সেই বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে নিল।


নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ‘দিল্লি স্পেশাল পুলিশ এস্টাবলিশমেন্ট অ্যাক্ট, ১৯৪৬’ অনুযায়ী সিবিআই (DSPE) পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তদন্ত করার সাধারণ অনুমতি (General Consent) ফিরে পেল। এখন থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী, কেন্দ্রীয় সংস্থা বা যেকোনো সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সিবিআই সরাসরি তদন্ত করতে পারবে।


‘বুক আর কোমরের আলাদা শট নিতে বারণ করেছিলাম!’ কী ঘটে জাহ্নবীর সঙ্গে?
তবে এই নতুন বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিশেষ শর্ত বা ‘রক্ষাকবচ’ রাখা হয়েছে। রাজ্য সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীন কোনও সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে সিবিআই-কে এখনও রাজ্য সরকারের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে।

প্রশাসনের এই দ্বিমুখী সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন রাজ্যে সিবিআই তদন্তের গতি বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে, তেমনই রাজ্য সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে শর্ত বজায় রাখায় নতুন করে আইনি ও রাজনৈতিক কাটাছেঁড়াও শুরু হয়েছে।