WEATHER

Top News


রবিবার সকালে ঠাকুরনগরে প্রচারে যান মোদী। মঞ্চে তাঁর এক পাশে শান্তনু ঠাকুর ও সুব্রত ঠাকুর। এসআইআর-এ মতুয়াদের অনেকের নাম বাদ গিয়েছে, ঠিক এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচারে নেমেছে তৃণমূল। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি, তাঁদের নাগরিকত্বের গ্যারান্টি দেওয়া, মতুয়াদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সকালে মতুয়াগড়ে, সন্ধ্যায় পুজো দিলেন ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে! শেষবেলায় বাঙালি আবেগে শান মোদীর
বাঁদিকে ঠাকুরবাড়িতে মোদী (২০১৯ সালের পুরনো ছবি, মোদী পোস্ট করেছেন), ডান দিকে ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে মোদী

 ভোটবঙ্গে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শেষ বেলায় কার্পেট বম্বিংয়ে মতুয়াদের গড়ে মোদী। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মতুয়াদের ‘বড় মা’ বীনাপাণি দেবীর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন তিনি। পুজো দেন ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতেও তারপর করেন রোড শো। এসআইআর নিয়ে যখন বিজেপির বিরুদ্ধে ঘুঁটি সাজিয়েছে তৃণমূল, সেই আবহে দাঁড়িয়ে মোদীর সেখানে যাওয়া ও মতুয়াদের নাগরিকত্বের আশ্বাস দেওয়া রাজনৈতিক দিক থেকেই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।


আজ, মতুয়া ঠাকুর মন্দিরে থাকার সময়, এই মন্দিরে আমার কয়েক বছর আগের সফরের কথা মনে পড়ল, যখন আমি বড়মা বীণাপাণি ঠাকুরের আশীর্বাদ পেয়েছিলাম। সেই সফরের একটি ছবিও এখানে রইল… 





রবিবার সকালে ঠাকুরনগরে প্রচারে যান মোদী। মঞ্চে তাঁর এক পাশে শান্তনু ঠাকুর ও সুব্রত ঠাকুর। এসআইআর-এ মতুয়াদের অনেকের নাম বাদ গিয়েছে, ঠিক এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচারে নেমেছে তৃণমূল। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি, তাঁদের নাগরিকত্বের গ্যারান্টি দেওয়া, মতুয়াদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আজ মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে প্রার্থনা করলাম। শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর জি এবং শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর জি-র আদর্শ আমাদের সমাজকে ক্রমাগত আলোকিত করে চলেছে। 

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ‘মতুয়া ভোট’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্ণায়ক শক্তি। মতুয়া রাজনীতির বর্তমান কেন্দ্রবিন্দু হলো নাগরিকত্ব। মতুয়া সম্প্রদায়ের বড় অংশের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়া। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, এবং সীমান্ত লাগোয়া জেলাগুলোতে মতুয়াদের প্রভাব বিরাট। মোদীর এই সংযোগ একদিকে যেমন মতুয়াদের সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, অন্যদিকে এটা তৃণমূলকেও চ্যালেঞ্জ।

‘আমিষ’ মন্দিরে মোদীর পুজো

এদিকে এদিন বিকালেই আবার কলকাতার বুকে ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে পুজো দেন মোদী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা অনেকটাই তাৎপর্যপূর্ণ। কলকাতার অত্যন্ত প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে মোদীর পরিদর্শন রাজ্যের শাসকদলকে এই বার্তা দিচ্ছে, কীভাবে বাংলার সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং আবেগ সম্পর্কে সচেতন দেশের প্রধানমন্ত্রী। এই মন্দিরের ভৌগোলিক অবস্থান দেখলে বোঝা যায়, কেবল সেখানে বাঙালিরাই হয়, হিন্দিভাষীদেরও বাস। ফলে তাঁদের কাছে এই একটা বড় বার্তা।

পাশাপাশি ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে পুজোর দেওয়ার নেপথ্যে একটা বড় বার্তাও দিলেন মোদী। ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে সাধারণত আমিষ প্রসাদ দেওয়া হয়। সেখানে পুজো দেওয়াও ‘মাছে-ভাতে’ বাঙালির উদ্দেশে বড় বার্তা। প্যারা মিষ্টি দিয়ে মন্দিরে পুজো দেন মোদী।
সালমোনেল্লা বা ই-কোলাইয়ের মত ব্যাকটেরিয়ার দাপটে টাটকা খাবারও কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। জানেন বাড়ির খাবার কখন বিপজ্জনক হতে পারে? অনেকেই মনে করেন ফ্রিজে খাবার রাখলেই তা দীর্ঘদিন ভালো থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই অভ্যাসই সবচেয়ে বড় ভুল।


গরমে ঘরে বানানো এই খাবারও হতে পারে বিষ! 'স্টমাক ফ্লু'-র শিকার হচ্ছেন না তো?
কেন এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে?


বাইরে তাপমাত্রা চরচর করে বাড়ছে। আর এই গরমে বেশিরভাগ মানুষের মুখেই একটাই কথা, ‘পেটটা ঠিক নেই’! কেউ বলছেন গ্যাস, আবার কেউ বলছেন বদহজম। কিন্তু জানেন কি চিকিৎসকরা বলছেন একেবারে অন্য কথা। গরমের এই পেটের সমস্যার জন্য দায়ী কি শুধু বাইরের খাবার? একদমই তা নয়, আপনার অতি পছন্দের বাড়ির খাবার থেকেই হতে পারে বিষক্রিয়া। বাসি খাবার, ফ্রিজে রাখা খাবার ভয়ঙ্কর ক্ষতি করছে পেটের। আর একেই ডাক্তারি পরিভাষায় বলা হচ্ছে ‘স্টমাক ফ্লু’।


কেন এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে?



গরম বাড়লে মানুষের কষ্ট হলেও ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়াদের জন্য এটা আরামদায়ক সময়। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ভ্যাপসা গরমে জীবানুরা মাত্র ২০ মিনিটে সংখ্যায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। বৈজ্ঞানিক ভাষায় একে বলা হয় ‘বাইনারি ফিশন’। ভাবুন তো একবার যে খাবারটা সকালেই বানিয়ে ফ্রিজে রাখলেন, তার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কয়েক হাজার হাজার জীবাণু বংশবৃদ্ধি করে ফেলেছে!


সালমোনেল্লা বা ই-কোলাইয়ের মত ব্যাকটেরিয়ার দাপটে টাটকা খাবারও কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। জানেন বাড়ির খাবার কখন বিপজ্জনক হতে পারে? অনেকেই মনে করেন ফ্রিজে খাবার রাখলেই তা দীর্ঘদিন ভালো থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই অভ্যাসই সবচেয়ে বড় ভুল।

কী কী করবেন না?

দু-তিন দিনের বাসি খাবার গরম করে খেলে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে সবচেয়ে বেশি।

ফল কেটে অনেকক্ষণ রেখে দিলে তাতে দ্রুত সংক্রমণ ছড়ায়। এমনকী কাঁচা সবজি বা শাকপাতাতেও জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে।

অনেকেই ফুটন্ত খাবার সরাসরি ফ্রিজে রেখে দেন। এতে ফ্রিজের ভিতরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, যা ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে।

পেটের এই সমস্যাকে জয় করে সুস্থ থাকতে কী কী করবেন?

১. রান্না করা খাবার দু’ঘন্টার বেশি ফ্রিজের বাইরে রাখবেন না। খাবার ঢাকা দিয়ে তবে ফ্রিজে ঢোকান।

২. খাবার বারবার গরম করলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি টক্সিন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৩.সপ্তাহে অন্তত একদিন ভিনিগার জল দিয়ে ফ্রিজ পরিষ্কার করুন। বিশেষত যে জায়গায় কাঁচা মাছ, মাংস রাখছেন সেই জায়গা বিশেষভাবে পরিষ্কার রাখা জরুরি।

৪.বাজার থেকে আনা সবজি, মাংস নুন গরম জলে ধুয়ে নিন। মনে রাখবেন তাপে জীবাণু মরার সম্ভাবনা প্রবল।

৫. স্টিল এবং প্লাস্টিকের পাত্রের পরিবর্তে কাচ, সেরামিকের পাত্রে খাবার ঢেকে রাখার চেষ্টা করুন।

অন্নপূর্ণা ভান্ডারে মহিলাদের মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি। তা নিয়ে কটাক্ষ করে কেজরীবাল বলেন, "গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে নির্বাচনের সময় বলেছিল, ৮ মার্চ থেকে প্রত্যেক মহিলার অ্যাকাউন্টে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। আরও একটা মার্চ চলে গেল। এক বছর পেরিয়ে গেলেও মহিলাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি। আর মোদীজি এখানে এসে বলছেন, মহিলাদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা দেবেন। উনি দেবেন না। বরং নিয়ে নেবেন। তাই বিজেপিকে ভুল করেও ভোট দেবেন না।"

বাম, কংগ্রেসকে ভোট দেবেন না', বাংলায় এসে আবেদন কেজরীর, কারণও জানালেন
তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষের সমর্থনে বেলেঘাটায় প্রচারে অরবিন্দ কেজরীবাল


 তৃণমূলের হয়ে প্রচারে বাংলায় এসেছেন তিনি। রবিবার বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষের সমর্থনে প্রচার করতে গিয়ে বাম ও কংগ্রেসকে নিশানা করলেন আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরীবাল। বাম ও কংগ্রেসকে ভোট না দেওয়ার আবেদন জানালেন তিনি। এর কারণও ব্যাখ্যা করলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করলেন কেজরীবাল।


কী বললেন কেজরীবাল?



এদিন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষকে পাশে নিয়ে বাম ও কংগ্রেসকে নিশানা করে কেজরীবাল বলেন, “ভোট ভাগ হতে দেবেন না। কংগ্রেসকে ভোট দেবেন না। বামেদের ভোট দেবেন না। ভোট নষ্ট হবে। ওরা জিততে চায় না। ওরা ভোট কাটতে চায়। তাই, তৃণমূল প্রার্থীকেই ভোট দিয়ে জেতান।” একসময় ইন্ডি জোটে বাম, কংগ্রেস, তৃণমূলের সঙ্গে ছিল আপ। তবে এখন কেজরীর দল ইন্ডি জোটের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছে। এই অবস্থায় এদিন তৃণমূলের হয়ে ভোট প্রচারে এসে বাম ও কংগ্রেসকে এক হাত নেন আপ সুপ্রিমো।

দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে পোলিং পার্সোনালের ঘাটতি দেখা দেওয়াতেই কমিশন এই বিকল্প ব্যবস্থার পথে হেঁটেছে বলে খবর। এই ঘাটতি পূরণ করতে যেসব জেলায় ইতিমধ্যেই ভোট পর্ব মিটে গিয়েছে, সেখান থেকেই মূলত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন বুথে নিয়ে আসা হচ্ছে।

ভোট করাতে ময়দানে এবার ১৬ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী, শুরু চাপানউতোর
চলছে চর্চা


পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন ফের এরবার আরও এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভোটকর্মী সঙ্কটের মোকাবিলা করতে নির্বাচন কমিশন প্রায় ১৬,০০০ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীকে প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করছে। বাংলার নির্বাচনী ইতিহাসে এর আগে বুথ পরিচালনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্তরের এত বিপুল সংখ্যক কর্মীর সরাসরি অংশগ্রহণ শেষ কবে দেখা গিয়েছিল তা কেউই মনে করতে পারছেন না। ফলে গোটা ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক মহলেও বিস্তর চর্চা শুরু হয়েছে। 


দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে পোলিং পার্সোনালের ঘাটতি দেখা দেওয়াতেই কমিশন এই বিকল্প ব্যবস্থার পথে হেঁটেছে বলে খবর। এই ঘাটতি পূরণ করতে যেসব জেলায় ইতিমধ্যেই ভোট পর্ব মিটে গিয়েছে, সেখান থেকেই মূলত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন বুথে নিয়ে আসা হচ্ছে। অন্য জেলা থেকে কয়েক হাজার কর্মীকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে ভোট করানোর এই কৌশল প্রশাসনিকভাবেও যে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।



সূত্রের খবর, ১৬ হাজার ভোটকর্মীর প্রত্যেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরের স্থায়ী কর্মচারী। নির্বাচন কমিশন সাধারণত রাজ্য সরকারি কর্মীদের দিয়েই ভোট পরিচালনা করলেও, এবার প্রিসাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে প্রতিটি পোলিং অফিসারের মতো জায়গায় কেন্দ্রীয় কর্মীদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। যা কার্যত নজিরবিহীন বলেই মত রাজনীতির কারবারিদেরও। 


তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জোর বিতর্কও শুরু হয়েছে। ‘ভোটকর্মী ঐক্যমঞ্চ’-এর দাবি, রাজ্যে এখনও এমন বহু সরকারি কর্মচারী রয়েছেন যাদের কোনও নির্বাচনী দায়িত্বই দেওয়া হয়নি। যোগ্য রাজ্য সরকারি কর্মীদের বসিয়ে রেখে অন্য জেলা থেকে কেন্দ্রীয় কর্মীদের উড়িয়ে আনার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। যা নিয়েও চাপানউতোর চলছে পুরোদমে। 

 সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে নিতিন রাই জানিয়েছেন, দুই বছর আগে বাবার প্রোস্টেট ক্যানসার ধরা পড়েছিল। পরে তিনি সুস্থও হয়ে যান। কিন্তু, সেই ক্যানসার পরে পেটে ছড়িয়ে পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটাও সেরে যায়। সম্প্রতি তা আবার মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়ে। এর সঙ্গে বয়সজনিত সমস্যাও ছিল। অর্থাৎ ক্যানসার বারবার শরীরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন বেশ কয়েকদিন। বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ক্যামেরার লেন্সে তুলে ধরেছিলেন দেশের 'আত্মা', প্রয়াত কিংবদন্তি চিত্র সাংবাদিক রঘু রাই
রঘু রাই প্রয়াত


প্রখ্যাত চিত্র সাংবাদিক রঘু রাই প্রয়াত। ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। বেশ কয়েকদিন ধরে একটি বেসরকারি হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন। আজ ভোরে তাঁর মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত করেছেন তাঁর পরিবার। রবিবার বিকেল ৪টে নাগাদ নয়াদিল্লির লোধি শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে জানিয়েছেন চিত্র সাংবাদিকের পরিবার। ছবির দুনিয়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক প্রায় ৫০ বছরের বেশি। স্বাভাবিকভাবেই রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ শিল্পমহল ও সংবাদজগত।


ক্যানসারে ভুগছিলেন রঘু রাই



সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে নিতিন রাই জানিয়েছেন, দুই বছর আগে বাবার প্রোস্টেট ক্যানসার ধরা পড়েছিল। পরে তিনি সুস্থও হয়ে যান। কিন্তু, সেই ক্যানসার পরে পেটে ছড়িয়ে পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটাও সেরে যায়। সম্প্রতি তা আবার মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়ে। এর সঙ্গে বয়সজনিত সমস্যাও ছিল। অর্থাৎ ক্যানসার বারবার শরীরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন বেশ কয়েকদিন। বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।


রঘুর লেন্সে ভারতের ছবি

রঘু রাই একজন প্রখ্যাত চিত্রসাংবাদিক। ভারতের বহুবিধ রূপ ধরা পড়েছে তাঁর ক্যামেরায়। অনেকে বলেন, তাঁর ছবিতে একটা প্রাণ আছে। তাঁর প্রত্যেকটা ছবি যেন কথা বলে। তাঁর ক্যামেরায় বন্দী হয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, দলাই লামা থেকে মাদার টেরেসা-সহ আরও অনেকে। তাঁর তোলা ১৯৮৪ সালে ভোপাল গ্যাস বিপর্যয়ের ছবিও সমাদৃত। শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশকেও লেন্সবন্দী করেছেন রঘু রাই।

১৯৬৫ সাল থেকে তিনি ছবির জগতের সঙ্গে যুক্ত। রঘু রাইয়ের বয়স তখন ২৩ বছর। ছবি তোলা শুরু সেই থেকেই। এক বছর পর অর্থাৎ ১৯৬৬ সালে ‘স্টেটসম্যান’ পত্রিকায় প্রধান চিত্রসাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন। প্রায় এক দশক ধরে সেই প্রকাশনা সংস্থার সঙ্গে কাজ করেন। এরপর তিনি কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক নিউজ ম্যাগাজিনে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে কিংবদন্তি চিত্রগ্রাহক অঁরি কার্তিয়ে ব্রেসোঁর নজরে আসে তাঁর কাজ। বিশেষভাবে সমাদৃত হয় তাঁর কাজ। পেশাগত জীবনে একাধিক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭২ সালে তাঁকে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পদ্মশ্রীও দেওয়া হয়।

 বিশ্বের উষ্ণতম শহরের তালিকায় ভারতের একচেটিয়া আধিপত্য। সোজা কথায় বর্তমান বিশ্বের আবহাওয়ার পরিসংখ্যানে চরম অস্বস্তিকর ছবি ভারতের। বিশ্বের ২০টি উষ্ণতম শহরের তালিকার মধ্যে ১৯টিই ভারতের। কেন এই অবস্থা?

আসানসোল পুড়ছে, ব্রিটিশ পিরিয়ডের রেকর্ড ভেঙে বাংলায় আগুনের ঝড় তুলবে 'সুপার এল নিনো'
কী বলছে হাওয়া অফিস?

প্রকৃতি কি তবে চরম প্রতিশোধের পথে? ইউরোপের আবহাওয়া দফতর (ECMWF) থেকে শুরু করে আমেরিকার হাওয়া অফিস NOAA, বার রিপোর্টেই এক ভয়াবহ অশনি সংকেত। ১৮৭৭ সালের পর অর্থাৎ দীর্ঘ ১৪০ বছর পর পৃথিবীতে আসতে চলেছে সবথেকে শক্তিশালী ‘এল নিনো’। যাকে আবহাওয়াবিদদের একাংশ ‘মেগা এল নিনো’ বা ‘সুপার এল নিনো’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন। এরই সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতে? বর্তমান গ্রীষ্মের দাবদাহ বিগত সব রেকর্ড ভাঙার উপক্রম করতেই সেই ইঙ্গিতই যেন ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে। 


বিশ্বের উষ্ণতম শহরের তালিকায় ভারতের একচেটিয়া আধিপত্য। সোজা কথায় বর্তমান বিশ্বের আবহাওয়ার পরিসংখ্যানে চরম অস্বস্তিকর ছবি ভারতের। বিশ্বের ২০টি উষ্ণতম শহরের তালিকার মধ্যে ১৯টিই ভারতের। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) জানিয়েছে, বিহারের ভাগলপুর, ওড়িশার তালচের এবং পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল বর্তমানে বিশ্বের উষ্ণতম স্থানের তালিকায় শীর্ষে। এই প্রতিটি শহরেই তাপমাত্রাই ছুঁয়ে ফেলেছে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি। দিল্লির পরিস্থিতিও ভয়াবহ। সেখানে পারদ রোজই ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাচ্ছে। উত্তরপ্রদেশে ৪২ ডিগ্রিে, নাগপুরেও তাই। অন্যদিকে ভোপাল ও ভুবনেশ্বরে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে। পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতেও এখন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির নিচে নামছে না।


কী এই ‘মেগা এল নিনো’, কেন এটি বিপজ্জনক?
প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশের ঠান্ডা জলরাশি যখন অস্বাভাবিকভাবে উষ্ণ হয়ে ওঠে, তখনই সৃষ্টি হয় ‘এল নিনো’। ট্রিলিয়ন লিটার জল আচমকা গরম হয়ে যাওয়ার ফলে বায়ুমণ্ডলের উপর তার বিরূপ প্রভাব পড়ে, গোটা বিশ্বের আবহাওয়া বদলে যায়। সাধারণত এটি ৬ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এবারের আশঙ্কা আরও বেশি কারণ প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমেরিকার NOAA-র রিপোর্ট অনুযায়ী, মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে এই এল নিনো সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৬১ শতাংশ।

বিজেপি সাংসদ রাহুল সিনহা বলেন, "এটা তো একটা। এর আগে কয়েকশো ঘটনা ঘটত। এখন কমেছে। তারপরও বেশ কিছু মস্তান এই সব করেছে। যেহেতু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এটা সাম্রাজ্য, এখানে অনেক মানুষ ভোটই দিতে পারেন না। তবে এবার অনেকে ভোট দেবেন।"

প্রায় চার-পাঁচটা বাইক… প্রতিটি বাইকে বসে রয়েছে হয় তিনজন নয়ত দুজন। কারও মাথায় নেই হেলমেট। পাড়ার গলি দিয়ে যাচ্ছে। তারপর চিৎকার করে বলছে ‘ভয়ঙ্কর খেলা হবে চার তারিখ মনে থাকে যেন’ আর সেই ভিডিয়োই এখন হাতে এসেছে নির্বাচন কমিশনের। অভিযোগ, ঠিক এই ভাবেই বাইক বাহিনী সাধারণ ভোটারদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। ভয় দেখাচ্ছে। আর তারপরই নড়েচড়ে বসল কমিশন। নিল বড় পদক্ষেপ।


ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে। সেখানকারই একটি ভিডিয়ো হাতে এসেছে কমিশনে। দেখা যাচ্ছে, পাড়ার মধ্যে ঢুকে কার্যত দাপিয়ে বেরাচ্ছে বাইত বাহিনী। চিৎকার করে করে বলছে, ‘ভয়ঙ্কর খেলা হবে…জয় বাংলা..জয় বাংলা স্লোগান দিতে থাকে।’ আগামী ২৯ তারিখ দ্বিতীয় দফার ভোট। নির্বাচন রয়েছে ডায়মন্ড-হারবারেও। সেই ভোটের আগে পাড়ায় ঢুকে এভাবে বাইক বাহিনীর দাপট, মোটেই ভাল চোখে নেয়নি কমিশন।



এরপরই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ। পুলিশ সহ দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নির্দেশ, রবিবারের মধ্যেই বন্ধ করতে হবে এই তাণ্ডব। কমিশন জানায়, তারাও এই বিষয়টি লক্ষ্য করেছে,ভোটারদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। তারপরই নির্দেশ।


বিজেপি সাংসদ রাহুল সিনহা বলেন, “এটা তো একটা। এর আগে কয়েকশো ঘটনা ঘটত। এখন কমেছে। তারপরও বেশ কিছু মস্তান এই সব করেছে। যেহেতু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এটা সাম্রাজ্য, এখানে অনেক মানুষ ভোটই দিতে পারেন না। তবে এবার অনেকে ভোট দেবেন।” তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “এতদিন সমস্ত মানুষকে হুমকি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন আর বিজেপি। কখনও নাম কেটে দেব। কখনও তাড়িয়ে দেব। এই সব বলেছে। হুমকি কে দেয়? সাধারণ মানুষকে হুমকি দিলে ভোটের উৎসাহ কোথায় পাবে।”

শনিবার রাতের এই ভয়াবহ ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিশ্বজুড়ে। গুলিবিদ্ধ এক মার্কিন আধিকারিক। হামলাকারী যুবকের বয়স ৩১ বছরের কাছাকাছি বলে জানা যাচ্ছে। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা। তাঁকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ওয়াশিংটনে বন্দুকবাজের হানা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন সস্ত্রীক ট্রাম্প, ফিরল ৪ দশক আগের আতঙ্কের স্মৃতি


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজে বন্দুকবাজেক হামলা। ওয়াশিংটন হিলটনে হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজে যোগদান করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তখন পুরোদমে চলছিল ‘হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনার’। ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও। ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও। হঠাৎ গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ট্রাম্পের সামনেই ৪ থেকে ৫ রাউন্ড গুলি চলে বলে খবর। দ্রুত সস্ত্রীক ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে ওই এলাকা থেকে নিরাপদে নিয়ে চলে যান সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা। 


শনিবার রাতের এই ভয়াবহ ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিশ্বজুড়ে। গুলিবিদ্ধ এক মার্কিন আধিকারিক। হামলাকারী যুবকের বয়স ৩১ বছরের কাছাকাছি বলে জানা যাচ্ছে। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা। তাঁকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ওই ব্যক্তি নিরাপত্তার ঘেরাটোপ ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। তবে এই হামলার মূল লক্ষ্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই ছিলেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। হামলাকারীর উদ্দেশ্য এবং নেপথ্যে কোনও বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এফবিআই এবং সিক্রেট সার্ভিস যৌথভাবে জেরা শুরু করেছে।



ঘটনার কিছুক্ষণ পর ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ আউট’-এ একটি পোস্ট করে জানান যে তিনি সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রয়েছেন। সিক্রেট সার্ভিসের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি জানান, হামলাকারীকে পাকড়াও করা হয়েছে।



প্রসঙ্গত, এই হিলটন হোটেলেই প্রায় ৪০ বছর আগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগানের উপর প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই একই জায়গায় আবারও এধরণের হামলা নজিরবিহীন নিরাপত্তার গাফিলতির দিকেই আঙুল তুলছে। কড়া নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কীভাবে বন্দুকবাজ ভিতরে ঢুকল, তা নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। 

এরপরই তিনি বলেন, "এই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে পাড়ায় মানুষ ঐক্যবদ্ধ হোন।" বাড়িতে বল্লম রাখার নিদান দেন অধীর। বলেন, "ঘরে ঘরে লাঠি-বল্লম রাখুন। দুষ্কৃতীরা এলে পাল্টা আক্রমণে নামুন। নয়ত বাঁচার কোনও রাস্তা নেই। এখানে প্রশাসন বলে কিছু নেই।" ঘটনায় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন অভিযোগ দায়ের করা হয়। বহরমপুর শহর যুব তৃণমূল সভাপতি পাপাই ঘোষের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায়।


শুধু মাত্র ফ্যানটুকু চালিয়ে দিয়েছিল বলে..',সাধারণ মানুষকে মার, পাল্টা বাড়িতে 'লাঠি' মজুত করার নিদান অধীরের
অধীর চৌধুরী, কংগ্রেস নেতা

প্রথম দফার ভোট মিটতেই জায়গায়-জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে ভোট পরবর্তী হিংসার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। আসানসোলে এক কংগ্রেস কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠে এসেছে। অপরদিকে, মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে কংগ্রেস সমর্থকের বাড়িতে হামলার অভিযোগ। এই অবস্থায় বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর নিদান, “বাড়িতে অস্ত্র রাখুন, প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।” যদিও, অধীরের দাবি আহত ব্যক্তি এবং তার পরিবার আদৌ কংগ্রেস সমর্থক কি না তিনি জানেন না।


শনিবার মধ্যরাতে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানেই কৃষ্ণ ঘোষ নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা হয়েছে। ঘটনায় আহত কৃষ্ণবাবু সহ একই পরিবারের তিনজন। তাঁদের বেধড়ক মারধর ও বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। ওই বাড়ির এক মহিলা সদস্য দিয়া ঘোষ বলেন, “শনিবার রাত দশটা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলাম। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের দেখে কুমন্তব্য করেন এবং গায়ে হাত দেয়। এরপর বাড়ি ফিরে আসার কিছু ক্ষণ পর বাড়িতে এসে ভাঙচুর চালায়,মারধর করে। এই ঘটনায় তিন জন জখম হয়েছেন। তাঁদের উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।”



ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে অধীর বলেন, “ভোটগ্রহণের দিন আমার সঙ্গে শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় করেছিল। এই এলাকার বুথে ধীরে ধীরে ভোট হচ্ছিল। আমি কমিশনকে জানাই। সঙ্গে-সঙ্গে তারা ব্যবস্থা নেয়। যেহেতু অত্যধিক গরম ছিল সেই কারণে আমি একটি মন্দিরে বসেছিলাম। ওরা সেই সময় আমায় জল মিষ্টির কথা বলেন। আমি বারণ করি। তারপর ফ্যান চালিয়ে দেন। এইটুকুই। তাই তাদের উপর আক্রমণ হয়েছে। ওঁরা আমার দলের সমর্থক সেটা আমি বলব না। আমি জানিও না কোন দলের সমর্থক। এরা তো সাধারণ মানুষ।”


এরপরই তিনি বলেন, “এই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে পাড়ায় মানুষ ঐক্যবদ্ধ হোন।” বাড়িতে বল্লম রাখার নিদান দেন অধীর। বলেন, “ঘরে ঘরে লাঠি-বল্লম রাখুন। দুষ্কৃতীরা এলে পাল্টা আক্রমণে নামুন। নয়ত বাঁচার কোনও রাস্তা নেই। এখানে প্রশাসন বলে কিছু নেই।” ঘটনায় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন অভিযোগ দায়ের করা হয়। বহরমপুর শহর যুব তৃণমূল সভাপতি পাপাই ঘোষের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায়।


পাল্টা বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ বলেন, "আরে ভোটের পর নির্বাচন কমিশনটাই বদলে যাবে। একটি ট্যাঙ্ক আর রাফালটাও তো ঘুরিয়ে দিতে পারে। সব শুদ্ধু বান্ডিল করে হারাব। ডেলি প্যাসেনঞ্জারি তো? ৪ তারিখ রিটার্ন টিকিট কাটব।"


ভবানীপুরে প্রচারের সময় বেজে উঠল 'যতই করো হামলা আবার জিতবে বাংলা', পুলিশকে ধমকে শুভেন্দু বললেন, 'এখনও মমতার কথা শুনছেন?'
শুভেন্দু অধিকারী

 দিনটা ছিল শনিবার বিকেল। ভাবানীপুরে প্রচারে গিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হেঁটে হেঁটে জনসংযোগ সারছিলেন। তার মধ্যেই বিপত্তি। মাইকে বাজতে শুরু করল তৃণমূলের নির্বাচনী গান, ‘যতই করো হামলা আবার জিতবে বাংলা…’ অনুমতি নেওয়া কর্মসূচি জুড়ে কেন বাজবে তৃণমূলের গান?কালীঘাট ও ভবানীপুর থানায় পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ শুভেন্দুর।


নন্দীগ্রামের ভোট হয়ে গিয়েছে। বাকি ভবানীপুর। এবার সেখানে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। জোর কদমে চলছিল শেষ দফার প্রচার। বিজেপি প্রার্থী হাত নাড়তে নাড়তে জনসংযোগ করছিলেন। পদযাত্রা ছিল তাঁর। সেই সময় মাইকে বেজে উঠল তৃণমূলের নির্বাচনী গান।



এরপরই কালীঘাট ও ভবানীপুর থানায় পুলিশের উপর ক্ষোভ উগরে দেন। পুলিশের উদ্দেশে ক্ষুব্ধ শুভেন্দু বলেন, “এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে কথা বলছেন? প্রচারে আপনারা মমতার বাড়ির দিকে যেতে দেননি। আপনি যেমন যেমন বলেছেন আমি মেনে চলেছি। কিন্তু মাইকটা বাজছে কেন? আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করব।” পরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি প্রার্থী বলেন, “মমতার বাড়ির দিকে প্রচারে যেতে দেয়নি। আমি মেনে নিয়েছি। কিন্তু আমি ছাড়ব না। কিন্তু গোটা রাস্তায় মাইক। তৃণমূল একটা ইতর..নর্দমার জল। পুলিশ কিছু করেনি। মমতাকে এই ভাবে জেতানো যাবে না। হারাব..হারাব…হারাব…।”


বস্তুত, কমিশন ইতিমধ্যেই কালীঘাট ও আলিপুর থানার ওসি বদলে দিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, বিজেপির কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি। বদলে দেওয়া হয়েছে ওসি। তিনি বলেন, “আমি দেখছি তৃণমূল ভবানীপুরে হেরে গেছে তা বোঝা যাচ্ছে। আমাদের ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে একটি জনসংযোগ কর্মসূচি ছিল।ভবানীপুর থানার অংশে অনুমতি দিয়েছে, কালীঘাটের অংশে অনুমতি দেয়নি। তারপরই কালীঘাটের ওসিকে কমিশন হটিয়ে দিয়েছে। মাইকে গান বাজিয়েছিল..যতই করো হামলা, জিতবে বাংলার। এরা কে হরিদাস পাল?”

পাল্টা বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ বলেন, “আরে ভোটের পর নির্বাচন কমিশনটাই বদলে যাবে। একটি ট্যাঙ্ক আর রাফালটাও তো ঘুরিয়ে দিতে পারে। সব শুদ্ধু বান্ডিল করে হারাব। ডেলি প্যাসেনঞ্জারি তো? ৪ তারিখ রিটার্ন টিকিট কাটব।“

 শনিবার রাতে ঝিকুরখালি এলাকায় একটি পুজো অনুষ্ঠান চলছিল। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি কর্মী কুণাল বলিদা-সহ দলের অন্যান্য সদস্যরা। অভিযোগ, অনুষ্ঠান চলাকালীনই আচমকা প্রায় ৩০-৪০ জনের একদল তৃণমূল কর্মী লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর চড়াও হয়।

ভোটের পরেও অব্যাহত হিংসার ছবি, হলদিয়ায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ
আক্রান্ত

ভোট পরবর্তী হিংসায় এখনও তপ্ত হলদিয়া। ভোটের দিন বিকাল থেকেই হলদিয়ার একাধিক জায়গায় হামলার অভিযোগ ওঠে। শনিবার রাতেও হলদিয়া পুরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডে ঝিকুরখালী এলাকাতে বিজেপি কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও বা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। এই ঘটনায় আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতায় পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।


স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাতে ঝিকুরখালি এলাকায় একটি পুজো অনুষ্ঠান চলছিল। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি কর্মী কুণাল বলিদা-সহ দলের অন্যান্য সদস্যরা। অভিযোগ, অনুষ্ঠান চলাকালীনই আচমকা প্রায় ৩০-৪০ জনের একদল তৃণমূল কর্মী লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর চড়াও হয়। কুণাল বলিদা-সহ ৩-৪ জনকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি আহতদের উদ্ধার করে হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান।



রাতেই হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান হলদিয়া বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী প্রদীপ বিজলী। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, “ভোটের ফলাফল এখনও প্রকাশিত হয়নি, তার আগেই বিজেপি কর্মীদের ওপর এই ধরনের বর্বরোচিত আক্রমণ চালানো হচ্ছে। এটি বিরোধীদের ভয় দেখানোর একটা পরিকল্পিত চেষ্টা।” তিনি জানান, এই ঘটনার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হবে।


অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। দলের দাবি, এই হামলার ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই। ভোটের পরবর্তী সময়ে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর জন্য বিজেপিই তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। তবে পরপর হিংসার ঘটনায় হলদিয়ার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

 ভোটের দিন নিরাপত্তার কোনো ফাঁক রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের দিন কোথায়, কীভাবে এবং কত পুলিশ মোতায়েন থাকবে, তা নিয়ে এই বৈঠকে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া কুইক রেসপন্স টিম (ORT), এইচআরএফএস (HRFS) এবং কন্ট্রোল রুমের ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।


আগামী দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে তৎপর প্রশাসন। এই লক্ষ্যেই কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) অজয় নন্দা। বৈঠকে কলকাতার দুই জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (DEO) এবং দুই ২৪ পরগনার ডিইও-রা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সিভিল ও পুলিশ সেক্টর অফিসার এবং জেনারেল ও স্পেশ্যাল পর্যবেক্ষকরাও এই বৈঠকে অংশ নেন।


নিরাপত্তায় বিশেষ জোর



 ভোটের দিন নিরাপত্তার কোনো ফাঁক রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের দিন কোথায়, কীভাবে এবং কত পুলিশ মোতায়েন থাকবে, তা নিয়ে এই বৈঠকে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া কুইক রেসপন্স টিম (ORT), এইচআরএফএস (HRFS) এবং কন্ট্রোল রুমের ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।


সিপি-র নির্দেশ ও পরিকল্পনা

পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনীর (CRPF) ভূমিকা কী হবে এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার মোকাবিলা কীভাবে করা হবে, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ও নির্দেশনা সম্বলিত একটি ‘পুলিশ অ্যারেঞ্জমেন্ট বুকলেট’ বা নির্দেশিকা প্রত্যেক পুলিশ কর্মী ও অফিসারকে প্রদান করা হয়েছে, যাতে ভোটের দিন কাজের ক্ষেত্রে কোনো বিভ্রান্তি না থাকে।

বাইক মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা

 নির্বাচন কমিশনের বাইক মিছিল সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে সিপি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দিষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। উল্লেখ্য ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে বাইক ব্যানের নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

দ্বিতীয় দফায় শান্তি বজায় রাখাই এখন প্রশাসনের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ। কমিশনের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক থেকে স্পষ্ট যে, ভোটের দিন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না।

 কমিশনের এই নতুন কৌশলের মূল লক্ষ্য হল, পুলিশ ও প্রশাসনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ রাখা এবং দুষ্কৃতীদের ভোটদান প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা। কমিশনের বক্তব্য, কোনও পুলিশ আধিকারিক যদি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেন বা কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের সুবিধা করে দেন, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে শুধু সাসপেনশন নয়, নেওয়া হবে কঠোর বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।



নজর ডায়মন্ড হারবারে। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রাক্কালে ডায়মন্ড হারবারকে কেন্দ্র করে নতুন রণকৌশল নিল নির্বাচন কমিশন। অতীতে একাধিক অভিযোগ ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির সাক্ষী থাকা এই কেন্দ্রটিকে এখন ‘মডেল’ হিসাবে ব্যবহার করে গোটা রাজ্যের অশান্ত এলাকাগুলোতে বার্তা দিতে চাইছে কমিশন। এই নতুন কৌশলের নামই দেওয়া হয়েছে ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’।

কমিশনের এই নতুন কৌশলের মূল লক্ষ্য হল, পুলিশ ও প্রশাসনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ রাখা এবং দুষ্কৃতীদের ভোটদান প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা। কমিশনের বক্তব্য, কোনও পুলিশ আধিকারিক যদি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেন বা কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের সুবিধা করে দেন, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে শুধু সাসপেনশন নয়, নেওয়া হবে কঠোর বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা (Disciplinary Proceedings)। এই হুঁশিয়ারি বার্তা রাজ্যের অন্যান্য জেলার পুলিশ আধিকারিকদের জন্যও বড় ‘টনিক’ হিসাবে কাজ করবে।

সম্প্রতি ডায়মন্ড হারবারের পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ৫ জন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিককে (যাদের মধ্যে অতিরিক্ত সুপার ও এসডিপিও-র মতো পদস্থ কর্মকর্তারা রয়েছেন) সাসপেন্ড করে কমিশন ইতিমধ্যেই সেই কড়া অবস্থানের নিদর্শন দিয়েছে। অভিযোগ ছিল, তারা পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছিলেন এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের নজরদারির ভিডিও তৈরি করছিলেন।

দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভেদ

 শুধু পুলিশ নয়, কমিশনের পাখির চোখ এখন এলাকার ‘দাবাং’ বা প্রভাবশালীদের ওপর। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের জন্য কমিশন রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রায় ১০০০ জন দুষ্কৃতীর তালিকা প্রস্তুত করেছে। অভিযোগ, এই ব্যক্তিরা ভোটের দিন সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখিয়ে বাড়ি থেকে বেরোতে বাধা দেয়। কমিশন জানিয়েছে, এবার এই তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের ভোটের দিন ত্রিসীমানায় দেখা যাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমিশনের এই অভূতপূর্ব পদক্ষেপে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়েছে। ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে কমিশনের এই ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।