WEATHER

Top News


ফ্রেজারগঞ্জে ‘জনজোয়ার’; বকখালি বাসস্ট্যান্ডে বঙ্কিম হাজরার মিছিলে নারীশক্তির জয়জয়কার! ২০২৬-এর লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘাসফুল শিবির

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রহর গুনছে সুন্দরবন। শুক্রবার বিকেলে সাগরের তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রবীণ নেতা বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার সমর্থনে ফ্রেজারগঞ্জ এলাকায় আছড়ে পড়ল মানুষের ঢল। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা আর উৎসবের মেজাজে এদিন কার্যত ‘পাওয়ার শো’ করল তৃণমূল কংগ্রেস।
এদিনের মিছিলের সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল মহিলাদের উপস্থিতি। ফ্রেজারগঞ্জের ক্লাব ঘর বাসস্ট্যান্ড থেকে যখন পদযাত্রা শুরু হয়, তখন দেখা যায় হাজার হাজার মহিলা তৃণমূলের পতাকা হাতে প্রার্থীর সমর্থনে স্লোগান দেন। বঙ্কিমবাবু নিজে হাসিমুখে সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মেলান এবং তাঁদের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন।
প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা গিয়ে পৌঁছায় পর্যটন কেন্দ্র বকখালি বাসস্ট্যান্ডে। সেখানে এক কর্মী সভায় বক্তব্য রাখেন বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। স্থানীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে তিনি এলাকার উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেন এবং কেন তৃণমূলকে পুনরায় জেতানো দরকার, সেই ব্যাখ্যা দেন। বকখালির পর্যটন শিল্প এবং মৎস্যজীবীদের সমস্যা নিয়ে আগামী দিনে তাঁর পরিকল্পনার কথা এদিন উঠে আসে তাঁর বক্তৃতায়। 

সাগর বিধানসভায় এবার তৃণমূলের বঙ্কিম হাজরার সঙ্গে টক্কর দিচ্ছেন বিজেপির সুমন্ত মণ্ডল। দুই শিবিরের প্রচারে এখন তুঙ্গে সাগর। আজকের এই বিশাল জমায়েত বঙ্কিমবাবুর প্রচারে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার


পথশ্রী প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ: ঢালাইয়ে ফাটল দেখে কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা


কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল গঙ্গাসাগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ‘পথশ্রী-৪’ প্রকল্পের অধীনে হওয়া রাস্তার কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিষ্ণুপুরের বাসিন্দারা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, গ্রামবাসীরা জোটবদ্ধ হয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।গঙ্গাসাগর গ্রাম পঞ্চায়েতের নিরঞ্জন পল্লী উন্নয়ন সংস্থা ক্লাব থেকে রাজু শাহুর বাড়ি পর্যন্ত ২,২৯০ মিটার ঢালাই রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। যার জন্য সরকারি বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ কোটি ৩৪ লক্ষ ৩৮৯৯ টাকা। কিন্তু কাজ চলাকালীন এলাকার সাধারণ মানুষ লক্ষ্য করেন, ঢালাই করার মাত্র ৫ থেকে ৭ ঘণ্টার মধ্যেই রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় ফাটল দেখা দিচ্ছে। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, কাজের গুণমান নিয়ে শুরু থেকেই নয়ছয় করা হচ্ছে। সিডিউল অনুযায়ী যেখানে রাস্তার বেধ বা পুরুত্ব ৬ ইঞ্চি হওয়ার কথা, সেখানে ঠিকাদার সংস্থা মাত্র ৪ ইঞ্চি ঢালাই দিচ্ছে। অভিযোগ উঠছে:অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে।

পর্যাপ্ত পরিমাণে সিমেন্ট না দিয়ে বালি ও খোয়ার আধিক্য রাখা হয়েছে। বেধ কমিয়ে দিয়ে সরকারি অর্থের তছরুপ করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন প্রতীক্ষিত এই রাস্তার এমন বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুটছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের সাফ কথা, সরকারি টাকার অপচয় করে এই ধরণের নিম্নমানের কাজ তাঁরা মেনে নেবেন না। কাজের মান সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তারা কাজ এগোতে দেবেন না বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ। গ্রামবাসীদের দাবি, যথাযথ সরকারি নজরদারিতে সিডিউল মেনে গুণমান বজায় রেখেই যেন নতুন করে রাস্তাটি করা হয়।

রোহিঙ্গা প্রমাণ করুন', ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া নিয়ে বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ বঙ্কিম হাজরার


আসন্ন নির্বাচনের মুখে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং পরিচয়পত্র সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সরগরম সুন্দরবনের রাজনীতি। বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার মুড়িগঙ্গা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কোম্পানী ছাড় নতুন বাজার এলাকায় এক বিশাল জনসংযোগ মিছিল ও সভা করেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী তথা সাগর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। সেখান থেকেই বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান তিনি।
সম্প্রতি ভোটার তালিকা বা এসআইআর তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেই প্রসঙ্গে বঙ্কিম হাজরা বলেন: যাদের নাম নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, তারা যদি সত্যিই রোহিঙ্গা হয়ে থাকে, তবে বিরোধীদের তা প্রমাণ করতে হবে। বিনা প্রমাণে কাউকে বিদেশি বা অনুপ্রবেশকারী তকমা দেওয়া যাবে না।ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার এই প্রচেষ্টাকে তিনি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবেই দেখছেন।

এদিন নতুন বাজারে দলীয় কর্মীদের নিয়ে পদযাত্রা করার পর এক জনসভায় বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, বিরোধীরা পরাজয় নিশ্চিত জেনে এখন সাধারণ মানুষের নাগরিকত্ব নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তৃণমূল প্রার্থী স্পষ্ট জানান, এলাকার শান্তি নষ্ট করার কোনো প্রচেষ্টা সফল হবে না এবং মানুষ ব্যালট বক্সেই এর যোগ্য জবাব দেবেন। নির্বাচনের আগে সাগর উপকূলবর্তী এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন ও বাদ যাওয়া নিয়ে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে সরগরম স্থানীয় রাজনীতি। বঙ্কিম হাজরার এই মন্তব্য সেই বিতর্ককে আরও উসকে দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 


দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কাকদ্বীপ ব্লকের বিজেপির মনোনীত প্রার্থী দীপঙ্কর জানা কাকদ্বীপ এডসিও অফিসে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন। কাকদ্বীপ চৌরাস্তার মোড় থেকে বাইক রেলির মধ্য দিয়ে এসডিও অফিসে মনোনয়নপত্র জমা দিতে এলেন সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী সুমন্ত মন্ডল এবং কাকদ্বীপ বিধানসভার বিজেপির প্রার্থী দীপঙ্কর জানা। 



এই মনোনয়নপত্র জমা কে কেন্দ্র করে যাতে কোনরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য কাকদ্বীপ এসডিও অফিসের আগে ন্যাশনাল হাইওয়ের ওপরে স্কুল মোড়ে মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী থেকে শুরু করে একাধিক পুলিশ কর্মীরা।



কাকদ্বীপ ব্লকের বিজেপির মনোনীত প্রার্থী দীপঙ্কর জানা এবং সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির মনোনীত প্রার্থী সুমন্ত মন্ডলের মনোনয়ন পত্র দেওয়ার কর্মসূচিতে যোগদান করেছেন বহু বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা, তারা হাতে বিজেপির পতাকা নিয়ে এগিয়ে চলেছে কাকদ্বীপ এডসিও অফিসের উদ্দেশ্যে। 

 


কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের দপ্তরে মনোনয়ন জমা দিলেন ১৩২ সাগর বিধানসভার তৃণমূল মনোনীত প্রার্থী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা।



মনোনয়ন জমা করার পর সাগরের তৃণমূল প্রার্থী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা বলেন চতুর্থ বারের জন্য ফের বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি নিজের বিধানসভা কেন্দ্রেও বিপুল ভোটে তৃণমূলের জয় হবে বলে জানান বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। 



আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সাগর বিধানসভার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মৌশুনিতে জোরকদমে প্রচার সারলেন বিজেপি প্রার্থী সুমন্ত মণ্ডল। সোমবার কয়েকশ দলীয় কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে দ্বীপজুড়ে এক বিশাল বাইক র‍্যালির আয়োজন করেন তিনি। র‍্যালির পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন প্রার্থী।



মৌশুনির মতো প্রত্যন্ত এলাকার প্রধান সমস্যাগুলোকেই এবারের নির্বাচনে হাতিয়ার করেছে বিজেপি। প্রচারে বেরিয়ে সুমন্ত মণ্ডল নদী ও সমুদ্র বাঁধের ভাঙন রোধ, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া এলাকার ভগ্নপ্রায় স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন ও রাজ্যের বিভিন্ন দুর্নীতির ইস্যু তুলে ধরে এলাকায় পরিবর্তনের ডাক দেন তিনি।



এদিন প্রচারের ফাঁকে দ্বীপের একাধিক মন্দিরে পুজো দেন বিজেপি প্রার্থী। দলীয় কর্মীদের উচ্ছ্বাস ও সাধারণ মানুষের ইতিবাচক সাড়ায় অভিভূত সুমন্ত মন্ডল। প্রচারে বেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী সুমন্ত মন্ডল বলেন এলাকার মানুষ এবার উন্নয়নের পক্ষে রায় দেবেন। নিজের জয়ের বিষয়ে তিনি ১০০ শতাংশ আশাবাদী বলে দাবি করেছেন। সব মিলিয়ে, বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপে প্রচারের মাধ্যমে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিলেন সাগর বিধানসভার এই পদ্মপ্রার্থী।

 


২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বাজতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর বিধানসভায় বড়সড় ধাক্কা খেল বিজেপি ও কংগ্রেস শিবির। মঙ্গলবার নামখানার সাতমাইল বাজারে তৃণমূলের এক বিশাল কর্মীসভা থেকে কয়েকশ বিজেপি ও কংগ্রেস কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন।

 


মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদারের হাত থেকে তাঁরা দলীয় পতাকা তুলে নেন নিজেদের হাতে। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের মুখে এই মাপের নেতাদের দলত্যাগ বিজেপির বুথ স্তরের সংগঠনে বড় ফাটল ধরাবে।



বিজেপির পাশাপাশি সিপিআইএম এবং কংগ্রেস থেকেও বেশ কিছু কর্মী এদিন জোড়াফুলের পতাকা ধরেন।

 


কেরালা উপকূলে এক রোমহর্ষক উদ্ধারকাজ চালাল ভারতীয় কোস্ট গার্ড । গত ৩০শে মার্চ মাঝ সমুদ্রে ট্রলার থেকে নিখোঁজ হওয়া এক মৎস্যজীবীকে টানা ৩৬ ঘণ্টা পর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ৩০শে মার্চ রাতে তামিলনাড়ু-নিবন্ধিত মৎস্যজীবী জাহাজ 'জিয়ন' কেরালা উপকূল থেকে মাছ ধরে ফিরছিল। সেই সময় ট্রলারের এক কর্মী ৪০ বছর বয়সী রঞ্জুমনি সোনোয়াল হঠাৎই অসাবধানতাবশত গভীর সমুদ্রে পড়ে যান। অন্ধকারের মধ্যে ট্রলারের বাকিরা কিছুই টের পাননি। অনেক পরে বিষয়টি জানাজানি হলে উপকূল রক্ষীবাহিনীকে খবর দেওয়া হয়।

Video Link : https://www.facebook.com/share/v/1DodNsozRQ/


খবর পেয়েই কোস্ট গার্ডের মুম্বাই ও কোচি সেন্টার থেকে তল্লাশি শুরু হয়। সমুদ্রে পাঠানো হয় টহলদারি জাহাজ আর্নভেসকে। একই সঙ্গে আকাশপথে নজরদারি চালাতে কোস্ট গার্ডের বিমান  নামানো হয়। ৩৬ ঘণ্টা ধরে কোনো খাবার বা জল ছাড়াই উত্তাল সমুদ্রে ভাসতে থাকেন রঞ্জুমনি।
গতকাল অর্থাৎ ১লা এপ্রিলকোচি উপকূল থেকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার দূরে মাঝ সমুদ্রে রঞ্জুনিকে ভাসতে দেখেন উদ্ধারকারীরা। দ্রুত তাঁকে জাহাজ 'আর্নভেশ'-এ তুলে আনা হয়।


দীর্ঘক্ষণ জলে থাকায় তিনি পানিশূন্যতা এবং হাইপোথার্মিয়ায় ভুগছিলেন। জাহাজে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে কোচিন বন্দরে আনা হয় এবং বর্তমানে তিনি একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। প্রশাসন সূত্রে খবর বর্তমানে এই মৎস্যজীবীর শারীরিক পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে।


 



 ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাজুড়ে ততই জোরদার করা হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আগামী ২৯ এপ্রিল এই জেলায় ভোটগ্রহণ। সেই লক্ষ্যে সুন্দরবন উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে মরিয়া পুলিশ ও প্রশাসন।

শুক্রবার রাতভর নামখানা থানা এলাকায় ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর চলল ব্যপক নাকা তল্লাশি। রাতে নামখানা বিডিও অফিসের সামনে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা যৌথভাবে এই অভিযান চালায়। মূলত বকখালি ও কলকাতাগামী প্রতিটি যানবাহনকে থামিয়ে

তল্লাশি চালানো হয়। যাত্রীদের পরিচয়পত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি গাড়ির ডিকি ও সন্দেহভাজন ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্রশস্ত্রের কারবার রুখতে এবং কালো টাকার লেনদেনে রাশ টানতেই এই বিশেষ তৎপরতা। 


 এদিনের তল্লাশি অভিযানে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন সাগরের এসডিপিও (SDPO) সুমন কান্তি ঘোষ। তল্লাশির পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে নির্বাচন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ সম্পর্কেও সচেতন করা হয়।
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এই নাকা চেকিং আগামী দিনগুলিতেও অব্যাহত থাকবে। ভোটের দিন যত কাছে আসবে, সুন্দরবনের প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে নজরদারি আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।


 কাজ শেষ করার জন্য, মেট্রোর তরফে টাকা দিয়ে সার্ভিস রোড তৈরি করে দেওয়া হলেও জট কাটেনি। কলকাতা পুলিশের তরফে কাজের অনুমতি মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও।

'আমরা এই প্রথমবার দেখছি...', রাজ্যকে কড়া ভর্ৎসনা প্রধান বিচারপতির, ধমক খেয়ে ফিরতে হল সুপ্রিম কোর্ট থেকে
সুপ্রিম কোর্ট

রাজ্যের যুক্তি ধোপে টিকল না। ধমক খেয়ে ফিরতে হল সুপ্রিম কোর্ট থেকে। চিংড়িঘাটা মেট্রো লাইন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা চলছে। মাত্র ৩৬৬ মিটার লাইনের কাজ বাকি থাকায় সম্পূর্ণ হচ্ছে না কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন। রাজ্য়ের সঙ্গে মেট্রো কর্তৃপক্ষের বারবার সংঘাত তৈরি হয়েছে এই নিয়ে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বৈঠকে বসেও কোনও লাভ হয়নি। আর এবার সেই ইস্যুতেই রাজ্যকে কার্যত ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট।

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি মেট্রো। পুলিশের বিরুদ্ধে কাজ করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কাজ করার ক্ষেত্রে বারবার বিভিন্ন যুক্তি দেখিয়েছে রাজ্য। হাইকোর্টের নির্দেশ মানার বদলে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছে রাজ্য সরকার। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও এই ইস্যুতে মুখ খুলেছিলেন। আজ, সোমবার হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, হাইকোর্ট যে সময়সীমা বেঁধে দেবে, তার মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে রাজ্যকে।


মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে সংসদে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী, হরমুজ দিয়ে তেল আনতে কী করছে ভারত?
গড়িয়া-সল্টলেক মেট্রোর কমলা লাইন সম্প্রসারণে চিংড়িঘাটার ওই অংশের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী মে মাস পর্যন্ত সময় দেওয়ার আবেদন করেছিল রাজ্য সরকার। এদিন তা খারিজ করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ।


এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলে, “আমরা প্রথমবার দেখছি, কোনও রাজ‍্য উন্নয়নের বিরোধিতা করছে। এই মামলা এত দূর গড়িয়েছে যে, এখন নির্বাচন বিধির আওতায় পড়ে গিয়েছে। আপনাদের কাছে উৎসব আগে না যোগাযোগ ব‍্যবস্থার উন্নতি করা আগে? আপনারা ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রথমে বৈঠক করে, তারপর এসে হাইকোর্টকে বলেছেন যে উৎসবের প্রস্তুতিতে ব‍্যস্ত, তাই মেট্রো সম্প্রসারণের কাজটা করতে পারবেন না?” অবিলম্বে রাজ্যকে নিজেদের আবেদন প্রত‍্যাহার করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

গত ৬ জানুয়ারির মধ‍্যে একটি তারিখ ঠিক করে চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই মর্মে কলকাতা পুলিশ এবং রাজ‍্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো কাজ না করে, রাজ‍্যের তরফে হাইকোর্টের রায়ের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণের পর তৃণমূল মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “মানুষের সুবিধা-অসুবিধা দেখাটা রাজ্যের কর্তব্য। সবদিক দেখে তবেই ঠিক করতে হবে।”


আজ সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "যুদ্ধ যখন থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকে ভারতীয়দের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছে নয়া দিল্লি। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। তার মধ্যেও অনেকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন। তাঁদের পরিবারকে সাহায্য করা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসায় সাহায্য করা হচ্ছে। প্রভাবিত দেশগুলিকে ভারতীয়দের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম ও নম্বর চালু করা হয়েছে। সংকট পরিস্থিতি ভারতীয়দের সুরক্ষাই অগ্রাধিকার।"

 হরমুজ় থেকে কীভাবে তেল আমদানি করছে ভারত, সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
নরেন্দ্র মোদী

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতে সংসদে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানান, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি যথেষ্ঠ উদ্বেগের। আর তা ভারতের আর্থিক, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে। অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে ভারতের জন্য। তবে, তিনি জানিয়েছেন সব পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রয়েছে ভারতের। আতঙ্কের কোনও কারণ এই মুহূর্তে নেই। হরমুজ় দিয়েও তেল আমদানিতে সচেষ্ট রয়েছে ভারত। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, ভারত শান্তিরই পক্ষে। আলোচনা, কূটনীতিক মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করতে হবে

আর কী বললেন প্রধানমন্ত্রী ?


 অনলাইনে পেমেন্ট হবে না, জানুন RBI-র নতুন নিয়ম
১ এপ্রিল থেকে বদলে যাচ্ছে ATM থেকে টাকা তোলার নিয়ম, সর্বাধিক কত টাকা তুলতে পারবেন?
আজ সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যুদ্ধ যখন থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকে ভারতীয়দের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছে নয়া দিল্লি। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। কিন্তু এটাই দুর্ভাগ্যজনক যে তার মধ্যেও বহু ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অনেকে। তাঁদের পরিবারকে সাহায্য করা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসায় সাহায্য করা হচ্ছে। প্রভাবিত দেশগুলিকে ভারতীয়দের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম ও নম্বর চালু করা হয়েছে। সংকট পরিস্থিতি ভারতীয়দের সুরক্ষাই অগ্রাধিকার।”
পশ্চিম এশিয়া থেকে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ভারতীয় ফিরেছেন। ইরান থেকে প্রায় এক হাজার ভারতীয় ফিরেছেন। তাঁদের মধ্যে ৭০০-র বেশি মেডিক্যাল ছাত্র রয়েছেন।
ভারতে বড় মাত্রায় তেল, গ্যাস, সার-সহ প্রয়োজনীয় জিনিস হরমুজ দিয়ে সরবরাহ করা হয়। সেখানে হরমুজ় দিয়ে জাহাজ যাতায়াতে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে ভারতের জন্য। পেট্রল-ডিজ়েল সরবরাহে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, তার জন্য যথাযথ চেষ্টা করেছে ভারত। ৬০ শতাংশ এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। গত ১১ বছরে ভারত ৪১ দেশের থেকে গ্যাস, তেল আমদানি করেছে।
ভারতের কাছে ৫৩ লাখ মেট্রিক টন পেট্রোলিয়াম মজুত রয়েছে। ৬৫ লাখের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে কাজ করা হচ্ছে।
কৃষি ব্যবস্থাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। কৃষকদের আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।
দেশে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রয়েছে।
তড়িৎবাবু জানান, "পুজো হলে আমি তো যাই। এমনিতে তো জানাজানি আছে। আমি ওকে আশীর্বাদ করলাম ভাল কাজ করুক। তবে ওর জয় কামনা করতে পারব না। আমার তো প্রার্থী আছে এখানে নাকি। আদর্শ গত ভাবে আমরা ভীষণভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে। ও বাড়ির ছেলে বটেই। তবে মতাদর্শের পক্ষে নই। বলেছি যাতে ওকালতিতে বড় হয়।" 

আমার তো প্রার্থী আছে নাকি...', কৌস্তুভকে আশীর্বাদ করেও জয় চাইলেন না সিপিএম-এর তড়িৎবরণ
তড়িতের বাড়িতে কৌস্তভ

এক সময় কংগ্রেসে ছিলেন। এখন যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। কথা হচ্ছে বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচিকে নিয়ে। প্রাক্তন প্রবীণ সিপিএম (CPIM) সাংসদ তড়িৎ বরণ তোপদারের বাড়িতে হাজির বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী।

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র হল ব্যারাকপুর। এখান থেকেই তৃণমূলের হয়ে লড়াই করছেন তৃণমূলের রাজ চক্রবর্তী। এবার সেখানে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির কৌস্তভ বাগচী। এই ব্যারাকপুরে CPIM-এর একসময় পাঁচবারের সাংসদ ছিলেন তড়িৎ বরণ তোপদার। ১৯৮৯ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ ছিলেন তিনি। বর্ষীয়ান সেই সিপিএম নেতার বাড়িতে হাজির হলেন কৌস্তভ। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ চাইলেন তিনি।

প্রচারের মধ্যেই ভোট চাইতে প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলের বাড়িতে অগ্নিমিত্রা, নিজেও ভাবতে পারেননি এমনটাও ঘটতে পারে!
কৌস্তভ বাগচি বলেন, “নির্দিষ্ট কোনও উদ্দেশ্যে আসা নয়। আমার বাবা ওঁকে দীর্ঘদিন ধরে চিনতেন। প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করতেন। যখন সাংসদ ছিলেন তখনও সম্পর্ক। আমি আমার দল আমার মতাদর্শের কথা বলব। ওঁর মতাদর্শের বিরুদ্ধে কথা বলব। তবে পারিবারিক সম্পর্ক আছে। জেঠুর কাছে ভাইপো আশীর্বাদ চাইতে এসেছে। জেঠু পরামর্শ দিয়েছেন ভাল করে কাজ করতে আরও যাতে উচ্চতা বাড়ে। রাজনৈতিক ভাবে উনি তো আমার দলের সদস্য নয়। উনি তো বিরোধিতা করবেন।”

তড়িৎবাবু জানান, “পুজো হলে আমি তো যাই। এমনিতে তো জানাজানি আছে। আমি ওকে আশীর্বাদ করলাম ভাল কাজ করুক। তবে ওর জয় কামনা করতে পারব না। আমার তো প্রার্থী আছে এখানে নাকি। আদর্শ গত ভাবে আমরা ভীষণভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে। ও বাড়ির ছেলে বটেই। তবে মতাদর্শের পক্ষে নই। বলেছি যাতে ওকালতিতে বড় হয়।”

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, ৭০০-র বেশি জুডিশিয়াল অফিসার ওই নামগুলি খতিয়ে দেখছেন। সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, এদিন রাত ৯টায় প্রকাশ হবে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট।


প্রসেসিং চলছে, রাতেই বেরচ্ছে লিস্ট, তালিকায় নামের সংখ্যা জানালেন মনোজ আগরওয়াল

অবশেষে প্রকাশ হচ্ছে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট। ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হয়েছে ঠিকই, তবে এখনও ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে বিচারাধীন তালিকায়। কত নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আর এবার প্রকাশ হতে চলেছে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, ৭০০-র বেশি জুডিশিয়াল অফিসার ওই নামগুলি খতিয়ে দেখছেন। সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, এদিন রাত ৯টায় প্রকাশ হবে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট।


২০২৩ সাল থেকে ওই ভারতের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে কাজ, কে জানতো সেই সুমিত কুমারই আসলে পাক গুপ্তচর!

 'আমার তো প্রার্থী আছে নাকি...', কৌস্তুভকে আশীর্বাদ করেও জয় চাইলেন না সিপিএম-এর তড়িৎবরণ
মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, যে ড্যাশবোর্ড তাঁদের কাছে আছে, সেখানে তিনি দেখতে পাচ্ছেন, ২৯ লক্ষ নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত বিচারকদের ই-সাইন হয়ে কত নাম আসবে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারেননি তিনি। কত নাম বাদ যাবে, সে ব্যাপারে কিছু বলেননি সিইও। তবে, সূত্রের খবর, ১০ লক্ষ নাম বাদ পড়তে পারে। সোমবার রাতে শুধুমাত্র অনলাইনে দেখা যাবে তালিকা, প্রিন্ট হবে পরে। মঙ্গলবার প্রিন্ট করা তালিকা দেখা যাবে।

কমিশনের তরফে ভোট প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, বুথের দায়িত্ব থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর। এখানে পুলিশের কোনও ভূমিকা নেই। ওয়েব ক্যামেরা কাজ না করলে রিপোল হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। নাম বাদ গেলে, হাইকোর্টের তৈরি করা ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে পারবেন ভোটাররা।