WEATHER

Top News


ওয়াংচুক বলেন, "যদি কোনও চুক্তিই করতে হত, তাহলে কি তার জন্য ২৬ দিন অনশন করতে হত? আরামে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসেই তো আলোচনা করা যেত। দিল্লির রাস্তায় এতদিন না খেয়ে থাকার কোনও প্রয়োজন ছিল না।"


 'এখনও আমাকে সততা প্রমাণ করতে হবে?', ক্ষোভ-অপমানে ফেটে পড়লেন সোনম
হাসপাতাল থেকে ভিডিয়ো বার্তা সোনম ওয়াংচুক।


একটানা ২৬ দিন অনশন। শরীর ভেঙেছে, অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তবুও এক কণা খাবার মুখে তোলেননি সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। অনশন ভাঙতেই তাঁকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হল! জানতে চাওয়া হল, সরকারের সঙ্গে কী ‘ডিল’ (Deal) হয়েছে? এই অপমান সইতে না পেরে গর্জে উঠলেন সোনম ওয়াংচুক। সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন লাদাখের সমাজকর্মী। ইনস্টাগ্রামে ভিডিয়ো বার্তায় বললেন, “২৬ দিন না খেয়ে থাকার পরও কি আমাকে সততা প্রমাণ করতে হবে?”


ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র আন্দোলনের সমর্থনে জুন মাসের শেষ ভাগ থেকে একটানা অনশনে ছিলেন ওয়াংচুক। অনশনের ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। হাসপাতালের বেড থেকেই রেকর্ড করা ২২ মিনিটের একটি ভিডিয়োতে তিনি নিজের শারীরিক অবস্থা এবং অনশন ভাঙা নিয়ে ওঠা বিতর্কের জবাব দিলেন।



অগাস্টে কারা পাবেন না অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা? আর কতদিন আবেদন করতে পারবেন, জেনে নিন
ওয়াংচুক জানান, দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর শরীরে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। তিনি বলেন, “আমার শরীরের পেশি প্রায় শেষ হয়ে গেছে। অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও মস্তিষ্কে স্থায়ী ক্ষতি হয়েছে। শেষ শয্যার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। আমার ১১ কেজি ওজন কমেছে।”



গত বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের উপস্থিতিতে তিনি অনশন ভাঙেন। প্রথমবার তরল খাবার গ্রহণ করেন। এরপরই সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন উঠতে থাকে, কেন তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের হাত থেকেই অনশন ভাঙলেন? সরকারের সঙ্গে কোনও সমঝোতা হয়েছে কি না!

এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ওয়াংচুক বলেন, “যদি কোনও চুক্তিই করতে হত, তাহলে কি তার জন্য ২৬ দিন অনশন করতে হত? আরামে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসেই তো আলোচনা করা যেত। দিল্লির রাস্তায় এতদিন না খেয়ে থাকার কোনও প্রয়োজন ছিল না।”

তিনি আরও বলেন, “আমার অনশন কতটা পবিত্র ছিল, তা নিয়ে কি এখন চরিত্রের শংসাপত্রও দিতে হবে?”

একইসঙ্গে, আন্দোলনে তাঁর পাশে থাকা হাজার হাজার সমর্থককে ধন্যবাদ জানান সোনম।

অন্যদিকে, সোনম ওয়াংচুক অনশন শেষ করলেও, যন্তর মন্তরে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। দলের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি থেকে তাঁরা সরছেন না।

সোনম ওয়াংচুকের অনশন ভাঙার প্রসঙ্গে রাঙ্কা বলেন, “গত চার-পাঁচ দিন ধরে ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছিল। তাই আমাদের তরফেও বারবার তাঁকে অনশন শেষ করার অনুরোধ করা হচ্ছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনার একটি পর্যায়ে পৌঁছনোর পর তিনি অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেন”। তবে আন্দোলন এখনও চলবে বলে স্পষ্ট করেন তিনি।

প্রশ্নফাঁস রুখতে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই আইনি সংস্কার এবং দ্রুত বিচার আদালত (ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট) গঠনের মতো একাধিক পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে।

রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে ইস্তফা জমা দেন কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু। সংবিধানের ৭৫ ধারা অনুযায়ী ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সেই ইস্তফা গ্রহণও করেন। 

বড় খবর! জল্পনার মাঝেই ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপদ ছাড়লেন রভনীত সিং বিট্টু।


 নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস (NEET Paper Leak) ইস্যুতে উত্তাল দিল্লি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)-র ইস্তফার দাবিতে পথে আন্দোলনে নেমেছে যুব সমাজ। সেই সময়ই হঠাৎ এল ইস্তফার খবর। শিক্ষামন্ত্রী নন, ইস্তফা দিলেন রেল প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু (Ravneet Singh Bittu)। শুক্রবার তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীপদ থেকে ইস্তফা দেন।


রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে ইস্তফা জমা দেন কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু। সংবিধানের ৭৫ ধারা অনুযায়ী ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সেই ইস্তফা গ্রহণও করেন।


ম্যাডাম যেভাবে দৌড়াচ্ছেন, তাতে উনি সফল হবেন', কাকে বললেন ফিরহাদ?
কেন হঠাৎ ইস্তফা?
গত ২১ জুন রাজ্যসভায় রভনীতের সাংসদ পদের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। কংগ্রেস নেতা কেসি বেণুগোপাল সাংসদ পদ ছাড়ার পর ২০২৪ সালের অগস্ট মাসে রাজস্থান থেকে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ হন বিট্টু। সেই থেকেই তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।


সূত্রের খবর, বিট্টুর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পদ ছাড়ার নেপথ্যে রয়েছে আসন্ন পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচন। আগামী বছর, ২০২৭ সালে পঞ্জাবে নির্বাচন। সেখানেই নজর দিতে চান বিট্টু। সেই কারণে ইস্তফা। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করার সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

বিজেপির পরিকল্পনা-  
এবারের পঞ্জাব নির্বাচনে শিরোমণি আকালি দলের সঙ্গে জোট বাঁধবে না বিজেপি। তারা একাই লড়বে বলে জানিয়েছে। ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ১১৭টি আসনের মধ্যে মাত্র দুটি আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। আম আদমি পার্টি ৯২টি আসন জিতে সরকার গড়ে।

উল্লেখ্য, রভনীত সিং বিট্টু পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা বিয়ন্ত সিংয়ের নাতি। কংগ্রেসের তিনবারের সাংসদ ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন। লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হলেও, কংগ্রেসের অমরিন্দর সিং রাজার কাছে হেরে যান।


প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিয়োও ব্যাপক সাড়া পেয়েছে সোশ্যাল মি়ডিয়ায়। পোস্ট করার মাত্র আট মিনিটের মধ্যেই আড়াই মিলিয়ন অর্থাৎ ২৫ লক্ষ ভিউ পায়। ইন্সটাগ্রামে মাত্র ২০ মিনিটেই ১ মিলিয়ন লাইক পড়ে। মান প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জ়ি যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়াতেই বেশি সক্রিয়, তাই প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদেরও ইন্সটাগ্রামে সক্রিয় হতে নির্দেশ দিয়েছেন।


 মাঝরাতে আবার ভিডিয়ো বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, Gen-Z দের কী বললেন?
প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভিডিয়ো বার্তা।

মধ্যরাতে আবার ভিডিয়ো পোস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi)। বৃহস্পতিবার মাঝরাতে রিল (Reel) পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী, দেশের যুবসমাজকে বিশেষ বার্তা দেন। সেই ভিডিয়োয় ব্যাপক সাড়া মেলে। এবার ফের ভিডিয়ো পোস্ট করেই যুবসমাজকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর চেনা সম্ভাষণ ‘মিত্রো’। যে কোনও বক্তব্য শুরুর আগেই তিনি এই কথা বলেন। তবে এখন সেই ভাষা বদলে, নতুন প্রজন্মের ভাষাতেই কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী। গতকালের ভিডিয়োতেও জেন-জ়ি দের ফ্রেন্ডস বলে উল্লেখ করেন তিনি। ধন্যবাদ জানান যুবসমাজের পরামর্শের জন্য।



বিধানসভায় অন্য ছবি, বিধায়কের 'অভিমান' ভাঙিয়ে মন্ত্রীর পাশে বসালেন পরিষদীয় মন্ত্রী
বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫২ মিনিটে ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার তার কিছুক্ষণ আগে, রাত ১১টা নাগাদ ভিডিয়ো পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ওই ভিডিয়োয় তিনি বলেন, “থ্যাঙ্ক ইউ ফ্রেন্ডস। গতকাল রাতে আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। আমার পোস্ট করা ভিডিয়োয় যেভাবে প্রতিক্রিয়া পেয়েছি এবং ইতিবাচক পরামর্শ মিলেছে, তার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। আপনাদের ভালোবাসা জারি থাকবে এবং আমাদের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। থ্যাঙ্ক ইউ, থ্যাঙ্ক ইউ ফ্রেন্ডস।”




প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিয়োও ব্যাপক সাড়া পেয়েছে সোশ্যাল মি়ডিয়ায়। পোস্ট করার মাত্র আট মিনিটের মধ্যেই আড়াই মিলিয়ন অর্থাৎ ২৫ লক্ষ ভিউ পায়। ইন্সটাগ্রামে মাত্র ২০ মিনিটেই ১ মিলিয়ন লাইক পড়ে।

প্রসঙ্গত, বর্তমান প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জ়ি যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়াতেই বেশি সক্রিয়, তাই প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদেরও ইন্সটাগ্রামে সক্রিয় হতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং এই প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে যুব সমাজের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছেন। গতকালের ক্যাবিনেট মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী বাকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের জিজ্ঞাসা করেন যে কতজন ইন্সটাগ্রামের মতো সোশ্যাল হ্যান্ডেল সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করছেন? মন্ত্রীদেরও রিলস বানানোর পরামর্শ দেন যুবসমাজের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে, তাদের বার্তা দিতে।

ধৃত বীরেন্দ্র গুপ্তার অপরাধের দীর্ঘ ইতিহাস আছে। এর আগে দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বীরেন্দ্র। গত জুন মাসে ২৮ তারিখ মহারাষ্ট্রে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ছিল। ঠিক তার আগেই জানা যায় যে টেটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছে।  


নিট আন্দোলনের মাঝেই বড় ব্রেক-থ্রু, গ্রেফতার TET-র প্রশ্নফাঁসের মূল মাথা!
ধৃত বীরেন্দ্র গুপ্তা।

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে যখন গোটা দেশ উত্তাল, সেই সময় মহারাষ্ট্রে টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট বা টেট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মূল চক্রীকে ধরল পুলিশ। ধৃত ব্যক্তির নাম বীরেন্দ্র গুপ্তা। বিগত এক মাস ধরে পলাতক ছিল ওই ব্যক্তি। শুক্রবার মহারাষ্ট্র পুলিশ বীরেন্দ্রকে বিহার থেকে গ্রেফতার করে।


জানা গিয়েছে, ধৃত বীরেন্দ্র গুপ্তার অপরাধের দীর্ঘ ইতিহাস আছে। এর আগে দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বীরেন্দ্র। গত জুন মাসে ২৮ তারিখ মহারাষ্ট্রে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ছিল। ঠিক তার আগেই জানা যায় যে টেটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছে।



'এখনও আমাকে সততা প্রমাণ করতে হবে?', ক্ষোভ-অপমানে ফেটে পড়লেন সোনম


ইতিমধ্যেই এই মামলায় পুলিশ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। বীরেন্দ্রর স্ত্রী সুমন গুপ্তাকেও গ্রেফতার করে তদন্তকারীরা। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই পলাতক ছিলেন বীরেন্দ্র। পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর ছিল যে বীরেন্দ্র বিহারে লুকিয়ে আছেন। এরপর একাধিকবার তল্লাশি চালানো হয়। অবশেষে গতকাল তাঁকে গ্রেফতার করে মহারাষ্ট্র পুলিশ। তাঁর সঙ্গে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পরই প্রথমবার বীরেন্দ্রর নাম সামনে আসে। ইন্ডিয়া টুডে-র করা স্টিং অপারেশনে বীরেন্দ্র বলেছিলেন যে কীভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সিন্ডিকেট চলে, কীভাবে প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করা হয়।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরই শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই সংশোধনী বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়। সোমবার সংসদে এই সংশোধনী বিল পেশ করা হবে। নতুন বিল অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে তদন্ত।

কলকাতাও পেল বিশেষ গুরুত্ব, নিট নিয়ে ছাত্রদের আন্দোলনের পরই কেন্দ্রের বড় সিদ্ধান্ত
কলকাতা হাইকোর্ট


ছাত্র-আন্দোলনকারীদের কথা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই কথা মতোই রাতারাতি ফাস্ট ট্রাক কোর্ট গঠন করা হচ্ছে। কোনও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আরও কড়া আইন আনছে কেন্দ্রীয় সরকার। এবার প্রশ্ন ফাঁস করলেই ১০ বছরের জেল হবে। সঙ্গে ১০ কোটি টাকা জরিমানাও।


কী থাকছে দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট ২০২৪-র এর সংশোধনী বিলে?
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরই শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই সংশোধনী বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়। সোমবার সংসদে এই সংশোধনী বিল পেশ করা হবে। নতুন বিল অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে তদন্ত। পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে কেসের ট্রায়াল। পাঁচ মাস সুনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করতে হবে প্রক্রিয়া।


মুম্বইয়ের রাস্তায় পুলিশের গাড়ি আটকে শিরোনামে রিয়া আহির, জানেন কে এই তরুণী?
নতুন সংশোধনী বিলে বলা হয়েছে যে প্রশ্নপত্র ফাঁসে অভিযুক্তদের ১০ বছরের জেল হবে। পাশাপাশি ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। তবে এই জেলের মেয়াদ এবং জরিমানা একক ব্যক্তি এবং সঙ্ঘবদ্ধ অন্যায়ের ক্ষেত্রে আলাদা রকম হবে কি না, সে বিষয়ে প্রস্তাবিত বিলে কোনও উল্লেখ নেই।


২০২৪ সালে পাস হওয়া বিলের ১০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসে অভিযুক্ত একক ব্যক্তির ক্ষেত্রে তিন থেকে পাঁচ বছরের জেল এবং ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার সংস্থান আছে।

বিলের ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসে সঙ্ঘবদ্ধ চক্রান্তের প্রমাণ মিললে পাঁচ থেকে দশ বছরের জেল এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার সংস্থান আছে।

জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরই মুম্বই, কলকাতা, দিল্লি এবং মধ্য প্রদেশ হাইকোর্টে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলার শুনানির জন্য ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট (Fast Track Court) গঠন করা হচ্ছে।


র্মতলার ঘটনায় একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তার মধ্যে রয়েছে বেআইনি জমায়েত, বেআইনি জমায়েত থেকে অপরাধ সংগঠিত করা, সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া এবং সঙ্গে মারধর করা, রাস্তা অবরোধ করা, শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে উস্কানি ও বিদ্বেষ ছড়ানো, সরকারি আদেশ অমান্য করা, একই উদ্দেশ্য নিয়ে একাধিক ব্যক্তি অপরাধ সংগঠিত করা।

ধর্মতলায় ছাত্র আন্দোলনের নামে 'তাণ্ডব'! রুজু ৬টি মামলা
ধর্মতলায় বিশৃঙ্খলা

 ধর্মতলায় ছাত্র আন্দোলনের চরম বিশৃঙ্খলা। পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগ। এবার এই ঘটনায় ৬টি অভিযোগ দায়ের হল থানায়। হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু হয়েছে। এছাড়া, সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনায় ৫টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গতকালই ধর্মতলার ঘটনার কড়া নিন্দা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এদিকে, ঘটনার পরই তৎপর পুলিশ। ইতিমধ্যেই বেশকিছু ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়েছে। একাধিক ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। বেশ কিছু অপরাধীদের চিহ্নিতও করা হয়েছে বলে খবর। এরই মধ্যে একাধিক ধারায় পুলিশে মামলা রুজু করা হয়েছে।


ধর্মতলায় ধুন্ধুমার
শুক্রবার নিটের প্রশ্ন ফাঁস ইস্যুতে বাম ছাত্র সংগঠনের প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র চেহারা নেয় ধর্মতলা। অভিযোগ, মিছিলের মাঝেই হঠাৎ উড়ে আসে এলোপাথাড়ি ইট-বোতল-লাঠি,জুতো। আক্রান্ত হন পুলিশ কর্মী। গুরুতর জখম হন বহু সাংবাদিক। খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত টিভি-৯ বাংলাও। গুরুতরভাবে জখম চিত্র সাংবাদিক দীপঙ্কর দাশগুপ্ত ও মাখন পাত্র। আক্রান্ত হয়েছেন সাংবাদিক সুমন মহাপাত্রও। আহতদের এসএসকেএমে দেখতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ খবর নেন। একইসঙ্গে কড়া পদক্ষেপের আশ্বাসও দেন তিনি।


ইনস্টাগ্রামে মোদী ঝড়, মাত্র ১২ ঘণ্টায় বাড়ল ১১ লাখের বেশি ফলোয়ার
কোন কোন ধারায় মামলা?
ধর্মতলার ঘটনায় একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তার মধ্যে রয়েছে বেআইনি জমায়েত, বেআইনি জমায়েত থেকে অপরাধ সংগঠিত করা, সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া এবং সঙ্গে মারধর করা, রাস্তা অবরোধ করা, শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে উস্কানি ও বিদ্বেষ ছড়ানো, সরকারি আদেশ অমান্য করা, একই উদ্দেশ্য নিয়ে একাধিক ব্যক্তি অপরাধ সংগঠিত করা।


লালবাজার সূত্রে খবর, যাঁরা এই ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন, ভিডিয়ো ফুটেজ খতিয়ে দেখে তাঁদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। শুক্রবার ধর্মতলায় সাংবাদিকদের নিগ্রহের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লেখেন, “সাংবাদিকদের ওপর এই ঘৃণ্য হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। প্রতিবাদের নামে গুণ্ডারাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।”

এদিকে, সাংবাদিক হেনস্থার প্রতিবাদে মিছিল করবেন বিজেপি বিধায়করা। দুপুর ১টার সময় কালো ব্যাচ পরে বিধানসভা থেকে প্রেস ক্লাব পর্যন্ত মিছিল করবেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, আন্দোলন যাদেরই হোক, সাংবাদিকদের গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। আসল দোষীদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেবে রাজ্য সরকার।
 অভিষেককে 'চিটিংবাজ' বলে কটাক্ষ করেন। বেশ কিছু ছবি দেখান বিধানসভায়। সেবাশ্রয়ের জন্য যাঁদের পা খোয়াতে হয়েছে, হাত খোয়ানোর অভিযোগ উঠেছে, সেই ছবিগুলি বিধানসভায় দেখান তিনি। বলেন, "এক্সরে, ইউএসজি মেশিন বাইরে নিয়ে গিয়েছে। মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তারদের বাইরে নিয়ে গিয়েছে। এত খুনের মামলা, একবার ঢুকলে বেরোবে না।"

সেবাশ্রয় 'দুর্নীতি' নিয়ে বিধানসভায় বিবৃতি শুভেন্দুর, 'চিটিংবাজ ভাইপোকে কেউ বাঁচাতে পারবে না', হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
শুভেন্দু অধিকারী


নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) ‘চিটিংবাজ’ বলে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, কেউ বাঁচাতে পারবে না অভিষেককে। যথাসময়ে সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেবাশ্রয় দুর্নীতির (Sebashray Scam) অভিযোগ নিয়ে বিধানসভায় বিবৃতি দিতে গিয়ে এভাবেই অভিষেককে একহাত নিলেন শুভেন্দু। সেবাশ্রয় নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই একাধিক এফআইআর করা হয়েছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, সেবাশ্রয়ে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন, তাঁদের কাউকে ছাড়া হবে না।


‘কেউ বাঁচাতে পারবে না’
সেবাশ্রয় নিয়ে কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার, সেই বিষয়ে এদিন বিধানসভায় বিবৃতি দেন শুভেন্দু অধিকারী। তার আগে সেবাশ্রয় নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলি একের পর এক তুলে ধরেন বিধানসভায়। বলেন, “ভাইপোর সেবাশ্রয় ক্যাম্পের স্ক্যাম। বিষ্ণুপুরে একাধিক অভিযোগ হয়েছে।” এরপরই অভিষেককে নাম না করে ‘চিটিংবাজ’ বলে কটাক্ষ করেন। বেশ কিছু ছবি দেখান বিধানসভায়। সেবাশ্রয়ের জন্য যাঁদের পা খোয়াতে হয়েছে, হাত খোয়ানোর অভিযোগ উঠেছে, সেই ছবিগুলি বিধানসভায় দেখান তিনি। বলেন, “এক্সরে, ইউএসজি মেশিন বাইরে নিয়ে গিয়েছে। মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তারদের বাইরে নিয়ে গিয়েছে। এত খুনের মামলা, একবার ঢুকলে বেরোবে না। কেউ বাঁচাতে পারবে না। আগে তো সবাইকে তুলব। সব মেশিন বাজেয়াপ্ত হয়েছে।”


 ডার্বির আগে আত্মবিশ্বাসী দুই কোচ, ভারতীয় ফুটবলারদের নিয়েই জয়ের স্বপ্ন দেখছে দুই প্রধান!
শুভেন্দু আরও বলেন, “দিলীপ মণ্ডলের গোডাউন থেকে ২০২৫ সালের ওষুধ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ২০২১ সালের এক্সপায়ারি ডেটের ওষুধ পাওয়া গিয়েছে।” এরপরই একটি চিঠির উল্লেখ করেন শুভেন্দু। ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকের চিঠি। নাম রাজীব বিশ্বাস। সেবাশ্রয় নিয়ে অভিযোগ তুলে শুভেন্দুকে চিঠি লেখেন তিনি। সেই চিঠি বিধানসভায় পড়ে শোনান শুভেন্দু অধিকারী।


সেবাশ্রয় নিয়ে কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার?
এরপরই সেবাশ্রয় নিয়ে কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার, সেই তথ্য তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, “আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। কেন্দ্রীয় সরকারের অ্যাটমিক এনার্জি বিভাগ, স্বাস্থ্য দফতরকে চিঠি দিয়েছি। আমরা এক্স রে মেশিন সিজ করেছি, ইউএসজি মেশিন সিজ করেছি। এক্সপায়ারি ওষুধ সিজ করেছি। এই খাবে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক ডায়মন্ড হারবার ও নন্দীগ্রামে সেবাশ্রয় প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি যে অর্থ ব্যয় হয়েছে, সরকারি যে ডাক্তারদের ডিউটি দেওয়া হয়েছিল , সেগুলি আমরা করেছি। সিআইডি, এসটিএফ, জেলা পুলিশদের নিয়ে ব্যাপক তদন্ত হচ্ছে। সেবাশ্রয় ক্যাম্পে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁদের প্রত্যেকটি অভিযোগকে এফ আই আর হিসাবে নেওয়া হয়েছে। নিশ্চিন্ত থাকুন, যারা এত বড় অপরাধ করেছে, তাঁদের ছাড়া হবে না। সময় কথা বলবে। সব প্রমাণ নেওয়া হচ্ছে। যথাসময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 ধর্মতলায় ছাত্র আন্দোলনে সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনার কড়া নিন্দা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে, ঘটনা নিয়ে বিধানসভায় বিবৃতি প্রকাশ করলেন তিনি। কলকাতা পুলিশকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে সেবাশ্রয় নিয়েও বিবৃতি দিলেন তিনি। 


ধর্মতলার ঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে গুন্ডাদমন আইনে মামলা, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
শুভেন্দু অধিকারী


ধর্মতলায় ছাত্র আন্দোলনে সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনার কড়া নিন্দা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে, ঘটনা নিয়ে বিধানসভায় বিবৃতিও প্রকাশ করলেন তিনি। একইসঙ্গে সেবাশ্রয় নিয়েও বিবৃতি দিলেন তিনি।


বিধানসভায় দাঁড়িয়ে শনিবার শুভেন্দু বলেন, “আমি আক্রান্ত ও আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করেছি। …আমাদের পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া ছিল যে এটা গণতান্ত্রিক দেশ। যে কেউ গণতান্ত্রিক মত প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। কোনওরকম আইনশৃঙ্খলার অবনতি যেন না হয়। সরকারের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, কোনওরকম বলপ্রয়োগ করা যাবে না বা পুলিশের দিক থেকে কিছু করা যাবে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায়।
মিছিলের ব্যাখা দিয়ে বলেন, “এই মিছিল শান্তিপূর্ণভাবেই এগোচ্ছিল। পুলিশের হিসেবে ভিড় ছিল ৯ হাজার। তার মধ্যে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে ভোটে পরাজিতরা খিদিরপুর, মেটিয়াবুরুজ, রাজারহাট নিউটাউন, বেলগাছিয়া, বাগুইআটি থেকে লোক সাপ্লাই করেছে। পরবর্তীকালে যখন ডোরিনা ক্রসিংয়ে আসে, প্রথমে জুতো, বোতল ছোড়া হয়। টার্গেট করে সাংবাদিকদের। ওরা চেয়েছিল পুলিশ লাঠি মারুক সেল ফাটাক যাতে নাটক জমে। কিন্তু পুলিশ সেই ফাঁদে পা দেননি। কলকাতা পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই।”
শুভেন্দু বলেন, “ইতিমধ্যেই সাংবাদিকদের তরফে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মোট ৭টি মামলা রুজু করা হয়েছে। এই মামলাগুলিতে গুন্ডাদমন আইন যুক্ত করা হয়েছে। প্রায় ৭০জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যাঁরা একজনও ছাত্র নয়। ককরোচ পার্টির সদস্য নয়। যাঁরা একজনও নিট সংক্রান্ত আন্দোলনকারীদের অংশ নয়।”
বেশ কয়েকজন অভিযুক্তের নামও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “চারজন কুখ্যাত লোকের নাম বলছি আমি। যাদের আমরা ছাড়ব না। আরও বাকি নাম বলে এখানে সময় নষ্ট করব না। রাজাবাগানের আফরোজ, খিদিরপুরের নাহিদ, একবালপুরের তানভীর, ওয়াটগঞ্জের রাহুল জামাল। এই পাঁচটা গুণ্ডার নাম এখানে ঘোষণা করলাম। গুণ্ডাদমন আইনে এমন ব্যবস্থা নেব যাতে তিন পুরুষ মনে রাখে। এই জন্যই গুণ্ডাদমন আইন আনা হয়েছে। সমগ্র বিধানসভার তরফে সাংবাদিকদের উপরে শারীরিক নিগ্রহের নিন্দা করছি। বিজেপির বিধায়করা বি আর আদেম্বকর মূর্তির নিচে কর্মসূচি নিয়েছেন। সেখানেই কালো ব্যাজ পরে তাঁরা সাংবাদিকদের পাশে থাকবেন।”

সেবাশ্রয় দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও বিবৃতি দেন শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, “ভাইপোর সেবাশ্রয় ক্যাম্পের স্ক্যাম। বিষ্ণুপুরে একাধিক অভিযোগ করেছেন।” অভিষেককে ‘চিটিংবাজ’ বলে কটাক্ষ। বেশ কিছু ছবি দেখান বিধানসভায়। যাঁদের পা খোয়াতে হয়েছে, হাত খোয়াতে হয়েছে, সেই ছবিগুলি দেখান বিধানসভায়। বলেন, “এক্সরে, ইউএসজি মেশিন বাইরে নিয়ে গেছে। মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তারদের বাইরে নিয়ে গিয়েছে। এত খুনের মামলা, একবার ঢুকলে বেরোবে না। কেউ বাঁচাতে পারবে না। আগে তো সবকে তুলব। সব মেশিন সিজ় হয়েছে।”
মুখ্যমন্ত্রী জানান, দিলীপ মণ্ডলের গোডাউন থেকে ২০২৫ সালের ওষুধ সিজ় করা হয়েছে। ২০২১ সালের এক্সপায়ারি ডেটের ওষুধ পাওয়া গিয়েছে।
বিবৃতি দিতে গিয়ে একটি চিঠির উল্লেখ করেন শুভেন্দু। ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকের চিঠি। নাম রাজীব বিশ্বাস। সেবাশ্রয় নিয়ে অভিযোগ তুলে শুভেন্দুকে চিঠি লেখেন তিনি। সেই চিঠি বিধানসভায় পড়ে শোনান শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। কেন্দ্রীয় সরকারের অ্যাটমিক এনার্জি বিভাগ, স্বাস্থ্য দফতরকে চিঠি দিয়েছি। আমরা এক্স রে মেশিন সিজ করেছি, ইউএসজি মেশিন সিজ করেছি। এক্সপায়ারি ওষুধ সিজ করেছি। এই খাবে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক ডায়মন্ড হারবার ও নন্দীগ্রামে সেবাশ্রয় প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি যে অর্থ ব্যয় হয়েছে, সরকারি যে ডাক্তারদের ডিউটি দেওয়া হয়েছিল , সেগুলি আমরা করেছি। সিআইডি, এসটিএফ, জেলা পুলিশদের নিয়ে ব্যাপক তদন্ত হচ্ছে। সেবাশ্রয় ক্যাম্পে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁদের প্রত্যেকটি অভিযোগকে এফ আই আর হিসাবে নেওয়া হয়েছে। নিশ্চিন্ত থাকুন, যারা এত বড় অপরাধ করেছে, তাঁদের ছাড়া হবে না। সময় কথা বলবে। সব প্রমাণ নেওয়া হচ্ছে। যথাসময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সময় বলবে, ‘বৃক্ষ তুমি কে, ফলেন পরিচয়।”

দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা বিধানসভার দক্ষিণ কাশিনগর থেকে রায়দিঘি পর্যন্ত সরাসরি টোটো ও অটো চলাচলের নতুন রুট চালু হওয়ায় বোলেরবাজার এলাকার অটোচালকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকা বোলেরবাজার অটোস্ট্যান্ড কার্যত গুরুত্ব হারিয়েছে বলে অভিযোগ।


এর জেরে গত প্রায় দুই বছর ধরে যাত্রী সংখ্যা কমে যাওয়ায় বহু চালকের রুজি-রোজগার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় অটোচালকদের দাবি, আগে বোলেরবাজার স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন প্রায় ৬০টি অটো যাত্রী পরিবহন করত। ব্রিজ নির্মাণের পরও কিছুদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও পরে দক্ষিণ কাশিনগর থেকে সরাসরি রায়দিঘি পর্যন্ত অটো ও টোটো চলাচল শুরু হওয়ায় মাঝপথের স্ট্যান্ডগুলিতে যাত্রী ওঠানামা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অনেক চালক বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় চলে গিয়েছেন। বর্তমানে সারাদিন স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েও তেলের খরচ তোলার মতো ভাড়া মিলছে না বলে অভিযোগ।
চালকদের প্রস্তাব, দক্ষিণ কাশিনগর থেকে যাত্রীরা বোলেরবাজার পর্যন্ত এসে সেখান থেকে স্থানীয় অটোতে রায়দিঘি যাবেন এবং ফেরার ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা চালু করা হোক। তাঁদের অভিযোগ, এই দাবির বিষয়টি প্রশাসন ও স্থানীয় নেতৃত্বের কাছে জানানো হলেও তা গুরুত্ব পায়নি।

সম্প্রতি এই ইস্যুতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে চালকদের মতামত উপেক্ষা করে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ালে রায়দিঘি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। চালকদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন। এখন প্রশাসন এই সংকটের সমাধানে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার অটোচালক ও সাধারণ মানুষ।
শতবর্ষে পদার্পণ করল বামনখালির ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা। শুক্রবার বিকেলে সাড়ম্বরে ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হল উল্টোরথ উৎসব।


​এদিন সোজা রথে বইচবাড়ি থেকে বামনখালিতে মাসির বাড়িতে নিয়ে আসা রথ পুনরায় শুক্রবার বিকেলে মাসির বাড়ি থেকে মূল মন্দিরের উদ্দেশ্যে ফিরিয়ে আনা হয়। এই উল্টোরথ যাত্রাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। 


​মাসির বাড়ি থেকে রথ টানার এই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে দুপুর থেকেই রাস্তায় নামে মানুষের ঢল। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে উৎসবটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

NTA Overhaul After NEET-UG Paper Leak: নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হতে থাকে। ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতৃত্বে দিল্লিতে শুরু হওয়া আন্দোলনে বহু ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দল সমর্থন জানিয়েছে। এই আবহে কেন্দ্র পরীক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় সংস্কারের পথে হাঁটছে।

নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস বিতর্ক এবং দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের জেরে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-কে আমূল বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী এক মাসের মধ্যে সংস্থাটির প্রশাসনিক কাঠামো, পরীক্ষা পরিচালনার পদ্ধতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একাধিক বড় পরিবর্তন আনা হবে বলে কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর। লক্ষ্য, ভবিষ্যতে কোনওভাবেই যাতে প্রশ্নফাঁস কিংবা পরীক্ষায় অনিয়মের সুযোগ না থাকে, সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এদিকে, সংবাদ সংস্থা ANI সূত্র উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, NTA-র ৪৭ জন আধিকারিককে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আইনি ও ফৌজদারি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। প্রশ্নফাঁস বিতর্কে জড়িয়ে পড়া এনটিএ-কে আমূল ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।


পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থার এই সংস্কারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল এনটিএ-র আউটসোর্সিং ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা। প্রশ্নপত্র তৈরি, মুদ্রণ, সংরক্ষণ, পরিবহণ এবং পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি সংস্থাগুলির ভূমিকা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে বর্তমান ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।


এবার থেকে প্রত্যেকটি বাড়িতে থাকতেই হবে এই ব্যবস্থাপনা! বাধ্যতামূলক করল রাজ্য সরকার
২০১৭ সালে কেন্দ্রীয় সরকার ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি গঠন করে। দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য জাতীয় স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব রয়েছে এই সংস্থার উপর। বর্তমানে জেইই (JEE), নিট (NEET), সিইউইটি (CUET)-সহ অন্তত ২০টি জাতীয় স্তরের পরীক্ষা পরিচালনা করে এনটিএ।


সূত্রের খবর, সংস্থাটিকে আরও দক্ষ, আধুনিক করে তুলতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি প্রশাসনিক, প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক সংস্কারের সুপারিশ করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এনটিএ-র নতুন কাঠামো তৈরি করা হবে।

নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হতে থাকে। ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতৃত্বে দিল্লিতে শুরু হওয়া আন্দোলনে বহু ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দল সমর্থন জানিয়েছে। এই আবহে কেন্দ্র পরীক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় সংস্কারের পথে হাঁটছে।

এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা Public Examinations (Prevention of Unfair Means) Act, 2024-এ সংশোধনের খসড়া অনুমোদন করেছে। প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, সংগঠিতভাবে প্রশ্নফাঁস কিংবা পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হচ্ছে। বর্তমানে এই অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

নতুন সংশোধনীতে শুধু প্রশ্নফাঁস নয়, অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষায় অনিয়মে সহায়তাকারী সংঘবদ্ধ চক্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংগঠনের বিরুদ্ধেও কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নির্দোষ পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনওভাবেই আইনের অপব্যবহারের শিকার না হন, সেই বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের তরফে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানানো হয়েছে। তাছাড়া নিট প্রশ্নফাঁসের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং নিট প্রশ্নফাঁসের পর আত্মহত্যা করা পরীক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণের দাবিও জানানো হয়েছে।

আজ পবিত্র উল্টো রথ। এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই গঙ্গাসাগরে নেমেছে সাধারণ মানুষের বিশাল ঢল। সাগরের ছয়ের ঘেরি থেকে ইসকনের এই রথটি মাসির বাড়ি থেকে মূল মন্দিরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সবেমাত্র রথ টানা শুরু হয়েছে। 


রথযাত্রার দিন গঙ্গাসাগরের রুদ্রনগর থেকে ছয়ের ঘেরি পর্যন্ত রথ টানা হয়েছিল এবং সেখানেই ছিল মাসির বাড়ি। শুক্রবার উল্টো রথে সেই মাসির বাড়ি থেকে জগন্নাথদেবকে পুনরায় গঙ্গাসাগরের ইসকন মন্দিরে ফিরিয়ে আনার পালা। আর এই রথযাত্রার শুরুতেই ঢাক, ঢোল, করতাল ও বিভিন্ন নিত্যর মধ্য দিয়ে এবং জয় জগন্নাথ' ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা। হাজার হাজার ভক্ত ভিড় জমিয়েছেন রথের দড়িতে টান দেওয়ার জন্য।



 এদিকে, এই বিশাল জনসমাগমকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য শুরু থেকেই তৎপর রয়েছে প্রশাসন। গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানা ও সাগর থানার একাধিক পুলিশ কর্মী এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী গোটা রথের রুট জুড়ে কড়া নিরাপত্তাবলয় গড়ে তুলেছে। ভক্তদের উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বর্তমানে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই এগিয়ে চলেছে উল্টো রথযাত্রার এই পবিত্র পর্ব।

পাথরপ্রতিমা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা:
পাথরপ্রতিমা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মনশ্রী মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বিগত দিনের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি বক্তব্যে "এই টাকা কি ওর বাপের টাকা?"—এই মন্তব্য করেন সভাপতি মনশ্রী মণ্ডল। সেই মন্তব্য সামনে আসার পর থেকেই এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাথরপ্রতিমা এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিরোধীরা এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বলে জানা গেছে। যদিও এই বিষয়ে সভাপতি মনশ্রী মণ্ডলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বর্তমানে ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও জোর আলোচনা চলছে। পরিস্থিতির ওপর প্রশাসনের নজর রয়েছে।