WEATHER

Top News



যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ, কেন ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পেরনোর পর বারুইপুর গেলেন, সেই প্রশ্ন ওঠে এদিন। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষ। এমনকী নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেও বাধার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। বেরিয়ে শুনতে হয় 'গদ্দার' স্লোগান। তবে, সায়নী চান, এই ঘটনায় অভিযুক্তদের যাতে সমূলে উৎপাটন করা হয়।


তৃণমূল সরকারের আমলে কী করত পুলিশ, বলে দিলেন সায়নী
সায়নী ঘোষ


পুরনো সাজে, নতুন ভূমিকায় দেখা গেল সায়নী ঘোষকে। তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হওয়া সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh) এখন শাসক জোট এনডিএ-র সমর্থক। বিরোধী তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করে এনসিপিআই-এর সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। মঙ্গলবার বারুইপুরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন তিনি। আগের মতোই সাদা-নীল পাড় শাড়ি, টিপ পরে দেখা গেল সায়নীকে। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই পূর্বতন সরকারের আমলের পুলিশস সম্পর্কে মন্তব্য করলেন সায়নী।


যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ, কেন ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পেরনোর পর বারুইপুর গেলেন, সেই প্রশ্ন ওঠে এদিন। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষ। এমনকী নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেও বাধার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। বেরিয়ে শুনতে হয় ‘গদ্দার’ স্লোগান। তবে, সায়নী চান, এই ঘটনায় অভিযুক্তদের যাতে সমূলে উৎপাটন করা হয়।


ক্যান্সারে মৃত্যু স্বামীর, শ্রাদ্ধের কাজ শেষ হতে না হতেই... ভয়ঙ্কর অভিযোগ স্ত্রীর!
সায়নী বলেন, “দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। শুধুমাত্র এই একটা ঘটনা নয়, যদি এর পিছনে কোনও বৃহত্তর নেক্সাস থাকে, তাহলে তা নিয়েও ব্যবস্থা নিতে হবে।” সাংসদের দাবি, পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁর মনে হয়েছে, এর পিছনে কোনও বড় চক্র আছে।


এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে বলে উল্লেখ করে সায়নী ঘোষ বলেন, “এমন অনেক সময় হয়েছে যে পুকুরে হার-চুড়ি পাওয়া যাচ্ছে, কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু আগের সরকারের আমলে পুলিশের মধ্যে একটা অনীহ ছিল।” সায়নীর দাবি, এবার আর কোনও অনীহা না দেখিয়ে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সাংসদ হিসেবে চিঠি দেবেন বলে জানিয়েছেন সায়নী। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয়ে কথাও বলবেন। মুখ্যমন্ত্রীকে ‘সেন্সিবল’ বলে প্রশংসা করেন সায়নী। তিনি আরও বলেন, “আমরা এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন কোনও কথা শুনিনি, যাতে সন্দেহ হয়।” পুলিশ ও প্রশাসন যথেষ্ট তৎপর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
 
তৃণমূলের পক্ষে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই রুটটিকে সমর্থন করেন। তাঁর বক্তব্য বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে ল্যান্সডাউন পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট রাস্তার মধ্যে কোনও হাসপাতাল নেই। ফলে কোনও জরুরি পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা নেই এবং জনসাধারণের চলাচলেও তেমন কোনও বড় সমস্যা তৈরি হবে না।


বুধবারই হবে, অনুমতি দিয়েও মমতাকে বেশ কয়েকটি শর্ত দিল আদালত
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


৮ জুলাই কলকাতায় কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের একটি মিছিলের শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এড়াতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বেশ কিছু কঠোর নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, মিছিলটি বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে শুরু হয়ে হাজরা মোড়ে গিয়ে শেষ করতে হবে। দুপুর আড়াইটে থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত, অর্থাৎ দুই ঘণ্টার মধ্যে এই কর্মসূচি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মিছিলে হাজার জনের বেশি অংশগ্রহণকারী থাকতে পারবেন না এবং রাস্তার একটি লেন বা ফ্ল্যাঙ্ক অবশ্যই যান চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ খোলা রাখতে হবে।


 তৃণমূলের পক্ষে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই রুটটিকে সমর্থন করেন। তাঁর বক্তব্য বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে ল্যান্সডাউন পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট রাস্তার মধ্যে কোনও হাসপাতাল নেই। ফলে কোনও জরুরি পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা নেই এবং জনসাধারণের চলাচলেও তেমন কোনও বড় সমস্যা তৈরি হবে না।

সরাসরি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৫০ শতাংশ, পেনশনভোগীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত
'শাস্তির অভাবই তাদের...', বারুইপুর কাণ্ডে ক্ষোভ উগরে দিলেন শুভশ্রী
 অন্যদিকে, রাজ্যের এএজি রাজদীপ মজুমদার কলকাতা পুলিশের নতুন নিয়মের কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি সওয়াল করেন, এই ধরনের মিছিলের জন্য অন্তত ১৫ দিন আগে আবেদন করার নিয়ম রয়েছে। তাঁর মতে, শুধু রাজনৈতিক এজেন্ডা পূরণ নয়, জনসাধারণের সুবিধার বিষয়টিকেই প্রশাসনের সবচেয়ে আগে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। যে রুটটি বেছে নেওয়া হয়েছে, সেটি অত্যন্ত সরু এবং যানজটপ্রবণ। তাছাড়া ওই এলাকায় হাসপাতাল ও কলেজ থাকার কারণে মিছিলের ফলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হবে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে।


বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার রাস্তায় নেমেছিলেন মমতা। কালীঘাটে নিজের বাসভবনের সামনে মোমবাতি নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল শুরু করেন ‌প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বাড়ি থেকে বেরোতেই গলির মুখে তৃণমূলনেত্রীর মিছিল আটকে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুধবার কলকাতায় মিছিল করতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতেই পুলিশের বিরুদ্ধে অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট তৃণমূল।

শুভেন্দু এ দিন এও বলেছেন, "গণপিটুনিতে একটি নিরীহ ছেলেকে মেরে ফেলেছে। অবিবাহিত ইয়াং বয়, সেখানে যাঁরা হত্যাকারী তাঁদের খুনের কেসে যুক্ত করা হবে। পুলিশকে নির্দেশ আছে যাঁরা যাঁরা গুন্ডামি করেছে পুরো দিন ধরে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হবে।"


গণপিটুনিতে যাঁর মৃত্যু হয়েছে উনি ইনোসেন্ট, পুলিশ বলেছে আমার কথা নয়: শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্য়মন্ত্রী


বারুইপুরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপর এসপি অফিসে যান তিনি। সেখান থেকে মুখ্য়মন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী আরও একবার জানালেন কাউকে রেয়াত করা হবে না। শুধু তাই নয়, তিনি এও জানালেন গণপিটুনিতে যে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, তাতেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বস্তুত, যে দিন নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছিল, সে দিন এই ব্যক্তিকে অভিযুক্ত সন্দেহ করে গণপিটুনিতে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে ক্ষিপ্ত জনতার বিরুদ্ধে।


কী কী বলেছেন শুভেন্দু?


 মাথার সামনে গজাবে গুচ্ছ গুচ্ছ নতুন চুল! মাত্র ২ সপ্তাহেই ম্যাজিক দেখাবে এই জল, মাসে মাখুন ৫ বার


এতদিন ভুল বুঝে আসছিলাম...', অন্নপূর্ণার বিষয় উঠতেই যা বললেন আলেকা বেগম, রেনু খাতুনরা
মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন। একই সঙ্গে দেখা করেছেন গণপিটুনির ঘটনায় মৃতের পরিবারের সঙ্গেও। তখনই তিনি বলেন, “পুলিশ আমায় যা বলেছে…আই অ্যম নট ইনভেস্টিগেটিং অথারিটি। গণপিটুনিতে যাঁর মৃত্যু হয়েছে উনি ইনোসেন্ট। পুলিশ আমায় যা বলেছে, এটা আমার কথা নয়। তার পরিবারের সঙ্গে আমি দেখা করেছি। উনি জাস্টিস পাবেন।” এরপর তাঁর কড়া হুঁশিয়ারি, যে বা যাঁরা এই ঘটনার পর সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করেছে তাঁদেরও ছেড়ে কথা বলা হবে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যত গাড়ি ভেঙেছে, রেল লাইন ভেঙেছে তাঁদের গ্রেফতার করা হবে।”


শুভেন্দু এ দিন এও বলেছেন, “গণপিটুনিতে একটি নিরীহ ছেলেকে মেরে ফেলেছে। অবিবাহিত ইয়াং বয়, সেখানে যাঁরা হত্যাকারী তাঁদের খুনের কেসে যুক্ত করা হবে। পুলিশকে নির্দেশ আছে যাঁরা যাঁরা গুন্ডামি করেছে পুরো দিন ধরে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হবে।”

এখানে উল্লেখ্য, গতকালই শুভেন্দু আশ্বাস দিয়েছিলেন এই ঘটনায় ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট দেওয়া হবে। তিনি বলেছিলেন, “জঘন্যতম ঘটনা। আইজি-র নেতৃত্বে এসটিএফ কাজ করছে। পরিবার যা চেয়েছে, তা করার ব্যবস্থা করছে সরকার। ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট দেওয়া হবে।”

এ দিন, শুভেন্দু অধিকারী গণপিটুনির ঘটনায় মৃত ব্যক্তিকে ইনোসেন্ট বলেছেন। তিনি বলেন, "পুলিশ আমায় যা বলেছে…আই অ্যম নট ইনভেস্টিগেটিং অথারিটি। গণপিটুনিতে যাঁর মৃত্যু হয়েছে উনি ইনোসেন্ট। পুলিশ আমায় যা বলেছে, এটা আমার কথা নয়। তাঁর পরিবারের সঙ্গে আমি দেখা করেছি। উনি জাস্টিস পাবেন।" অর্থাৎ তাঁর কথা অনুযায়ী 'নিরীহ' ব্যক্তিকে যে বা যারা মারধর করে প্রাণ কেড়েছে তাদেরও ছেড়ে কথা বলা হবে না।


সোশ্যাল মিডিয়ায় চিপ ভিউয়ার্স বাড়ানোর জন্য উস্কানি দিয়েছেন', বারুইপুর-কাণ্ডে শুভেন্দু বলেই দিলেন 'ভুগতে হবে'
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী


বারুইপুরে গণধর্ষণের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের তো রেয়াত করা হবেই না, পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি যারা নষ্ট করেছেন, এমনকী যারা এই ঘটনা নিয়ে মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছেন তাদেরও ছেড়ে কথা বলা হবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে তিনি একযোগে নাম না করে তৃণমূল ও সিপিএম-কেও আক্রমণ শানিয়েছেন। এমনকী, পুলিশের হাতে কল-রেকর্ড এসেছে বলেও মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু।


আজ পুলিশমন্ত্রী পুলিশকে বার্তা দিয়েছেন, এই ঘটনার জন্য যে বা যাঁরা দায়ি তাঁদের ছেড়ে কথা বলা হবে না। তারপরই শুভেন্দু বলেন, “যত গাড়ি ভেঙেছে, রেল লাইন উপড়েছেন। প্রায় ২০০ জনকে চিহ্নিত করা গেছে। তাদের গ্রেফতার করা হবে।” এরপর নাম না করে সিপিএম ও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “পিছন থেকে যে সকল রাজনৈতিক ব্যক্তি উস্কেছেন তাঁদেরও ছেড়ে কথা বলা হবে না। যাঁরা ভোটে রিজেক্ট হয়েছেন, কেউ ক্ষমতা থেকে গেছেন, কেউ শূন্য থেকে ১ হয়েছেন। এছাড়া মৌলবাদী ও দেশ বিরোধী শক্তি পিছন থেকে উস্কেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব কল-রেকর্ডিং ইত্যাদি DGP-র নেতৃত্বে এসটিএফ সংগ্রহ করেছে। তাঁদেরও শিক্ষা দেওয়া হবে।” সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর নিয়ে শুভেন্দু এই প্রথম কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন না, তিনি ক্ষমতায় না থাকার আগেও বারবার এই ধরনের ঘটনার নিন্দা করেছেন। এর আগে সিএএ আন্দোলনের সময় উত্তপ্ত হয়েছিল বাংলা। রক্ত ঝরেছিল পুলিশের। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল থানা। স্টেশনে আগুন লাগানো থেকে, রেললাইন ভাঙুচুর কী কী না হয়নি। তখনও তৎকালীন সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে সরব হয়েছিলেন আজকের মুখ্যমন্ত্রী তথা আগের বিরোধী দলনেতা। এখন তাঁর সরকার ক্ষমতায়। আর তিনি বারেবারে বলেছেন, পুলিশের গায়ে কেউ হাত দিলে পুলিশ মন্ত্রী হিসাবে তিনি মোটেই বরদাস্ত করবেন না।


এতদিন ভুল বুঝে আসছিলাম...', অন্নপূর্ণার বিষয় উঠতেই যা বললেন আলেকা বেগম, রেনু খাতুনরা
এ দিন, শুভেন্দু অধিকারী গণপিটুনির ঘটনায় মৃত ব্যক্তিকে ইনোসেন্ট বলেছেন। তিনি বলেন, “পুলিশ আমায় যা বলেছে…আই অ্যম নট ইনভেস্টিগেটিং অথারিটি। গণপিটুনিতে যাঁর মৃত্যু হয়েছে উনি ইনোসেন্ট। পুলিশ আমায় যা বলেছে, এটা আমার কথা নয়। তাঁর পরিবারের সঙ্গে আমি দেখা করেছি। উনি জাস্টিস পাবেন।” অর্থাৎ তাঁর কথা অনুযায়ী ‘নিরীহ’ ব্যক্তিকে যে বা যারা মারধর করে প্রাণ কেড়েছে তাদেরও ছেড়ে কথা বলা হবে না।


এখানেই শেষ নয়, আরও বলেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “ইতিমধ্যে ২০০-র বেশি লোককে চিহ্নিত করা গেছে। তাঁদের পরিষ্কার বলে গেলাম, কারও ইন্ধনে রাজনৈতিক বায়াসনেন্স নিয়ে, মিডিয়াতে পাবলিসিটির লোভে, সোশ্যাল মিডিয়ায় চিপ ভিউয়ার্স বাড়ানোর জন্য উস্কানি দিয়েছেন তাঁদেরও ছাড়া হবে না ভুগবে। এইটুকু বলে দিলাম।”

 এদিন এসপি অফিসে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। পরিকাঠামোর কোথায় অভাব? কেন নজরদারি নেই? কেন অভিযোগ করলে পুলিশ সঠিক সময় ব্যবস্থা নিচ্ছে না? এই ধরনের একাধিক প্রশ্নবাণ পুলিশকর্তাদের উদ্দেশে ছুড়ে দেন।


পুলিশের ১ শতাংশ গাফিলতি থাকলে কী হবে? বলে দিলেন শুভেন্দু
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী


 কাউকে রেয়াত করা হবে না। বারুইপুরকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আবার বারুইপুরকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। মঙ্গলবার পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বারুইপুরে পুলিশ সুপারের অফিসে বৈঠকের পর জানিয়ে দিলেন, ডিজিপির কাছ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট চেয়েছেন। পুলিশের ভূমিকায় ১ শতাংশ গাফিলতি থাকলেও রেয়াত করা হবে না।


বারুইপুরে নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে এদিন দেখা করতে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের অফিসে এদিন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এসপি অফিসে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকাঠামোর কোথায় অভাব? কেন নজরদারি নেই? কেন অভিযোগ করলে পুলিশ সঠিক সময় ব্যবস্থা নিচ্ছে না? এই ধরনের একাধিক প্রশ্নবাণ পুলিশকর্তাদের উদ্দেশে ছুড়ে দেন।


পেশায় অভিনেতা, ১০ বছরের বৈবাহিক জীবন! আমিরের স্ত্রী গৌরীর প্রাক্তন স্বামীকে চেনেন?
এছাড়াও সূত্রের খবর, ফাঁড়ির ওসি, বারুইপুর থানার ওসি এবং অতিরিক্ত এসপি, এই তিন আধিকারিককে সাসপেন্ড করতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। হস্তক্ষেপ করেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তিনদিন সময় চান মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে। এই তিনদিনের মধ্যে খোদ ডিজিপি খতিয়ে দেখবেন, মিসিং ডায়েরি থেকে পুরো ঘটনা পর্যন্ত কোথায় কোথায় গাফিলতি ছিল। কার কার গাফিলতির কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটল। আদৌ কারও গাফিলতিতে ঘটনা ঘটেছে কি না, এই ধরনের একাধিক বিষয় রিপোর্ট সহকারে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ডিজিপি তিনদিনের মধ্যে যাবতীয় তথ্য জমা দেবেন।


সূর্যপুর এলাকায় পুলিশের আউটপোস্টের দাবি জানিয়েছেন নির্যাতিতার পরিবার। যত দ্রুত সম্ভব সূর্যপুর এলাকায় আউটপোস্ট তৈরি করতে নির্দেশে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই ধরনের ঘটনা আগামী দিন যাতে না ঘটে, তার জন্য এদিনের বৈঠক থেকেই রাজ্যের অন্য থানাগুলোকে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, ক্ষোভের সঙ্গে তিনি জানান, অতীতে যা হয়েছে, তা কিন্তু এই আমলে হবে না। এই রাজ্যের কোনও মানুষ বিপদে থাকলে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেনে নেবেন না। পুলিশের উপরে কোনও অত্যাচার কিংবা হামলা যেমন তিনি মেনে নেবেন না, তেমনি পুলিশের কারণে সাধারণ মানুষ বিপদে পড়বে কিংবা বারুইপুরের মতো ঘটনা ঘটবে, সেটাও কিন্তু তিনি মেনে নেবেন না।

পুলিশের ভূমিকা যে আতসকাচের তলায় রয়েছে, সেটাও এই দিনের বৈঠক থেকে মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। মিসিং ডায়েরি হওয়ার পর গাড়ি না থাকায় খোঁজ করতে যেতে পারেননি ফাঁড়ির পুলিশকর্মীরা। এই যুক্তি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দিতেই রীতিমতো ধমক খান পুলিশ আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী সোজাসাপ্টা বলে দেন, “এই ধরনের অজুহাত আমার কাছে দাঁড় করাবেন না। আমি নতুন প্রশাসনিক কাজ সামলাচ্ছি না। এইসব অজুহাত দিয়ে নিজেদের ভুল ঢাকতে যাবেন না।”

নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে এলাকা উত্তপ্ত হওয়ার পর গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়েও এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, “গণপিটুনিতে যারা অভিযুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। কারা কারা এর পেছনে উস্কানি দিয়েছে, কার নির্দেশে এত লোক জড়ো হয়ে গেল, রেললাইনের মতো সরকারি সম্পত্তি কার উস্কানিতে উপড়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল, তার বিস্তারিত এবং নিখুঁত তথ্য আমার চাই।”

বৈঠকের পর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

এদিন পুলিশের সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি ডিজিপি-কে ৭২ ঘণ্টা সময় দিয়েছি। উনি একটা রিপোর্ট দেবেন। রিপোর্ট দেওয়ার পর আমাদের প্রশাসনের তরফে অ্যাকশন নেওয়া হবে। আমাদের কোনও লোকের যদি ১ শতাংশও শিথিলতা থাকে, সেক্ষেত্রেও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।”

বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক খুন। তাদের দাবি, বিশ্বজিৎকে অন্যত্র খুন করে পরে ঘটনাস্থলে এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পা বাঁধা, আম গাছে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগ
BJP কর্মী বিশ্বজিৎ শিকদারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

পাশে রাখা সাইকেল, জুতো। আর পা বাঁধা অবস্থায় আম গাছে ঝুলছেন বিজেপি কর্মী। সোমবার সকালে বিজেপি ওই কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ল নদিয়ার কল্যাণীতে। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম বিশ্বজিৎ শিকদার। বিজেপি ওই কর্মীকে খুন করা হয়েছে বলে পরিবারের দাবি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

মৃত বিজেপি কর্মীর বাবা বিজেপির বুথ সভাপতি। আর বিশ্বজিৎ এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবেই পরিচিত। তাঁর একটি সাইকেলের দোকান রয়েছে। এদিন সকালে বাড়ি থেকে তিন কিলোমিটার দূরে কল্যাণী থানার ডেঙুরপাড়া এলাকায় আম গাছে বিশ্বজিৎকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে আসে কল্যাণী থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।


অন্নপূর্ণা যোজনায় কাদের নাম বাদ যাবে না? জানিয়ে দিল সরকার
বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক খুন। তাদের দাবি, বিশ্বজিৎকে অন্যত্র খুন করে পরে ঘটনাস্থলে এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে ঘটনাটিকে অন্য খাতে প্রবাহিত করা যায়। একজন পা বাঁধা অবস্থায় এভাবে গলায় দড়ি দিতে পারেন না বলে বিজেপির বক্তব্য। আত্মহত্যা করলে কেন বাড়ি থেকে ৩ কিমি দূরে আসবেন, সেই প্রশ্নও তুলছে গেরুয়া শিবির।

বিজেপির আরও দাবি, বিশ্বজিতের বাবা কল্যাণীর ১২৭ নম্বর বুথের বুথ সভাপতি। দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক কারণে তাঁদের পরিবারকে চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। বিশ্বজিৎকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য একাধিকবার চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। এমনকি এর আগেও তাঁকে মারধর করা এবং তাঁর দোকানে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগও তুলেছে বিজেপি।

বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি বিজেপির। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি মৃতদেহের ময়নাতদন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন কোনও হাসপাতালে করার দাবিও জানিয়েছে তারা। অন্যদিকে, ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কল্যাণী থানার পুলিশ। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।


বারুইপুরের (Baruipur Case) ঘটনায়, প্রাথমিক যে রিপোর্ট সামনে এসেছে, তাতে উল্লেখ রয়েছে, নাবালিকার মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল, মাথায় রয়েছে গভীর ক্ষত। গলায় ও ঘাড়েও রয়েছে একাধিক ক্ষত। শরীরের বিভিন্ন অংশে মিলেছে আঘাতের চিহ্ন। যৌনাঙ্গে একাধিক ক্ষত মিলেছে বলেও সূত্রের খবর। এছাড়া রিপোর্ট বলছে, নাবালিকার ফুসফুসে ঢুকেছিল জল।

আমার বাচ্চার যেমন কষ্ট পেয়ে পেয়ে মৃত্যু হয়েছে, শয়তানগুলোর যেন এরকমই...', বারুইপুরে নির্যাতিতা নাবালিকার

গত শনিবার থেকে মেয়ের কোনও খোঁজ ছিল না। চেনা-পরিচিত লোকজনের বাড়িতে চলছিল খোঁজ। কিন্তু মেয়েকে যখন পাওয়া যাবে, তখন যে তার শরীরে প্রাণ থাকবে না, সেটা বোধহয় দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি নাবালিকার মা। রবিবার দুপুরে পুকুর থেকে উঠল নাবালিকার নিথর দেহ। ময়নাতদন্তে মিলল যৌনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন। গোটা শরীর জুড়ে অত্যাচার আর আঘাতের ক্ষত। মেয়েকে যেভবে অত্যাচার করা হয়েছে, ঠিক সেভাবেই যেন অভিযুক্তদের শাস্তি হয়, এটাই দাবি করছেন নির্যাতিতার মা।

নির্যাতিতার মা বলেন, “আমরা চাইছি, আমাদের বাচ্চা যেভাবে কষ্ট পেয়ে পেয়ে মরেছে। শয়তানগুলোও যেন সেরকমই কষ্ট পায়। আর খুব তাড়াতাড়ি যেন শাস্তি পায়।” তিনি আরও বলেন, “এর আগেও অনেক ঘটনা ঘটেছে। দেখিনি তো কোনওদিন বিচার পেতে। তখন পুরনো সরকার ছিল। এবার নতুন সরকার এসেছে। বিচারটা যেন পাই।”



পুকুরে জাল ফেলতেই মাছের বদলে যা পাওয়া গেল, শিউরে উঠেন সবাই

যৌনাঙ্গে একাধিক ক্ষত-ধর্ষণের ইঙ্গিত, জীবিত অবস্থায় জলে ডোবানো: বারুইপুর-কাণ্ডে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টের সূত্র
সিসিটিভি ফুটেজে কী দেখা গিয়েছে, সেই বর্ণনাও দিয়েছেন তিনি। নির্যাতিতার মা বলেন, “দেখেছি, মেয়েকে ওরা হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছিল। বাচ্চার হাতে খাবার ছিল। প্লাস্টিকে কী ছিল, বুঝতে পারিনি। ওরাই কিনে দিয়েছিল। হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছিল, এটুকুই দেখা গিয়েছে।”

বারুইপুরের (Baruipur Case) ঘটনায়, প্রাথমিক যে রিপোর্ট সামনে এসেছে, তাতে উল্লেখ রয়েছে, নাবালিকার মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল, মাথায় রয়েছে গভীর ক্ষত। গলায় ও ঘাড়েও রয়েছে একাধিক ক্ষত। শরীরের বিভিন্ন অংশে মিলেছে আঘাতের চিহ্ন। যৌনাঙ্গে একাধিক ক্ষত মিলেছে বলেও সূত্রের খবর। এছাড়া রিপোর্ট বলছে, নাবালিকার ফুসফুসে ঢুকেছিল জল

১৫ বছরে তৃণমূল জমানায় মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগকে ফের তুলে এনেছেন অগ্নিমিত্রা। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, "গত ১৫ বছরে প্রতিদিন প্রতি মিনিটে যখন মহিলাদের উপর অত্যাচার হয়েছিল, তখন উনি উন্নাওতে ওঁর টিম পাঠিয়েছিলেন। উনি মণিপুরে পাঠিয়েছিলেন।"

কেন মমতাকে হাউস অ্যারেস্ট করা হবে না? রাজনীতি করতে বারুইপুরে যেতে চাইছেন', বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা
অগ্নিমিত্রা-মমতা

 রাজ্যে সুপার এমারজেন্সি চলছে। মমতাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। এমনই সব অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে মমতা-পন্থী তৃণমূল (Mamata Banerjee)। এবার এই ঘটনায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। প্রশ্ন তুললেন, মমতাকে কেন হাউস অ্যারেস্ট করা হবে না? একইসঙ্গে তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

মমতাকে কড়া আক্রমণ অগ্নিমিত্রার
১৫ বছরে তৃণমূল জমানায় মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগকে ফের তুলে এনেছেন অগ্নিমিত্রা। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, “গত ১৫ বছরে প্রতিদিন প্রতি মিনিটে যখন মহিলাদের উপর অত্যাচার হয়েছিল, তখন উনি উন্নাওতে ওঁর টিম পাঠিয়েছিলেন। উনি মণিপুরে পাঠিয়েছিলেন। আমাদের বাংলার গ্রামে গ্রামে লোক পাঠাননি। লোক পাঠানো তো দূরের কথা, ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।”



পুকুরে জাল ফেলতেই মাছের বদলে যা পাওয়া গেল, শিউরে উঠেন সবাই

 হাউস অ্যারেস্টের অভিযোগ মমতার, মধ্যরাতেই বাড়ির সামনে থেকে সরল পুলিশ
রাজনীতি করার চেষ্ট করছেন মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনীতি করতে বারুইপুরে যেতে চাইছেন। এমনই অভিযোগ তুলেছেন অগ্নিমিত্রা। কড়া ভাষায় বলেন,”আজ আপনি যাবেন ওখানে রাজনীতি করতে? আর আমরা সেটার অনুমতি দেব? আপনি সেখানে গিয়ে উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করবেন? যেমন গত ১৫ বছর করেছেন? বিভাজনের রাজনীতি করেছেন। সেদিনও আপনি যাননি, আজও আপনি যাবেন না। সেদিনও আমরা গিয়েছিলাম, আজও আমরা যাব।”

বারুইপুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি জানান, মৃত নাবালিকার পরিবারকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ডেকেছেন। তিনি বলেন, ” আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এটাই, যে কোনও মহিলার উপর যদি আক্রমণ হয়, অত্যাচার হয় এইভাবে নৃশংসভাবে অত্যাচার করা হয়, তাকে ছাড়া হবে না।”

উল্লেখ্য, বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও রকম উত্তেজনা বা বেআইনি জমায়েত না হয়, সেই লক্ষ্যে প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ করেছে। মোট তিনটি থানা এলাকায় এই ধারা জারি করা হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বারুইপুর, নরেন্দ্রপুর এবং সোনারপুর থানা এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। ১৬৩ ধারা অনুযায়ী, তিন থানা এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি জমায়েত করা যাবে না।

এক নাবালিকাকে খুনের অভিযোগে রবিবার উত্তপ্ত হয়েও ওঠে বারুইপুর। দেহ আটকে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। পরপর পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুরও চালানো হয়। পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ফোন যাওয়ার পর বিক্ষোভ উঠে যায়। রাতেই হয় ময়নাতদন্ত।

বাইরুপুরের ঘটনায় ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট দেওয়ার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর, মব লিঞ্চিং-এ কোনও ছাড় নয়, কড়া হুঁশিয়ারি
শুভেন্দু অধিকারী

বারুইপুরে নাবালিকা মৃত্যুর ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ সরকারের। পুকুর থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার হওয়ার পর রবিবারই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মৃতার পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার ওই ঘটনায় কড়া বার্তা দিলেন তিনি। ‘ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট’ দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। একইসঙ্গে রবিবার ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যেভাবে বিক্ষোভ চলেছে, যেভাবে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, তা নিয়েও সরকার কড়া ব্যবস্থা নেবে বলে উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু।

এক নাবালিকাকে খুনের অভিযোগে রবিবার উত্তপ্ত হয়েও ওঠে বারুইপুর। দেহ আটকে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। পরপর পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুরও চালানো হয়। পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ফোন যাওয়ার পর বিক্ষোভ উঠে যায়। রাতেই হয় ময়নাতদন্ত।



সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, “জঘন্যতম ঘটনা। ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আইজি-র নেতৃত্বে এসটিএফ কাজ করছে। পরিবার যা চেয়েছে, তা করার ব্যবস্থা করছে সরকার। ‘ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট’ দেওয়া হবে।”

তবে যেভাবে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে, রেল লাইন উপড়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ, তা নিয়েও কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। কাউকে রেয়াত করা হবে না বলে বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সম্ভবত, মব লিঞ্চিং-এর পিছনে একটা কমিউনাল অ্যাঙ্গেল আছে। রেললাইন যেভাবে উপড়ে দেওয়া হয়েছে, তাতে ইতিহাস মনে পড়ে যাচ্ছে। সিএএ বা ওয়াকফ বিরোধী আন্দোলনের সময় এমনটা হয়েছিল। সিআরপিএফ জওয়ান আহত হয়েছে।”

বারুইপুরের ঘটনায় কড়া বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাকি তিনটে বিষয়ে যারা যুক্ত, যারা ভোটে হেরে ঘরে ঢুকে গিয়েছিল। তাদেরকেও ভুগতে হবে। এমন ভোগাব বুঝতে পারবে।”

পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও ওই ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, “ঘটনাটি জঘন্যতম।” জাত-ধর্ম না দেখেই শাস্তি দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, “কাউকে ছাড়া হবে না। এটা আগের সরকার নয়। আমরা একইভাবে মহিলাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।” কবে বারুইপুরে যাবেন, সে ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


 আগামী ২৫ জুলাই থেকে শুরু ডুরান্ড কাপ। সেদিনই মুখোমুখি হবে কলকাতার দুই প্রধান। এই বার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল-হলুদ। উল্টোদিকে, আইএফএ শিল্ড ছাড়া গত সিজনে আর কোনও ট্রফি আসেনি বাগানে। ডার্বিতেও আসেনি জয়। তবে এবারই আসল পরীক্ষা কারণ দুই দলের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়নি।

বাগানে শেষ লোবেরা যুগ, এবার সবুজ-মেরুনের হেডস্যর গ্রিক কোচ!
প্যানোস ও লোবেরা

মোহনবাগানে (Mohunbagan Supergiant) শেষ হয়েছে সার্জিও লোবেরা (Sergio Lobera) যুগ। ক্রমাগত ব্যর্থতার পর তাঁকে সরিয়ে দিয়েছে বাগান ম্যানেজমেন্ট। এবার হেড কোচের হটসিটে গ্রীক কোচ পানাগিওটিস দিলমপেরিস (Panagiotis Dilamperis)। পঞ্জাব এফসির কোচের পদ ছেড়ে এবার মোহনবাগানে এলেন প্যানোস। গত সিজনে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL 2026) বিদেশি ও যুব ফুটবলার নিয়ে কম ক্ষমতাসম্পন্ন দল গড়েও তাঁর স্ট্র্যাটেজি প্রশংসিত হয়েছিল। মূলত আক্রমনাত্মক অথচ ব্যালান্স ফুটবলের দর্শনে বিশ্বাসী পানোস। একান্ন বছর বয়সী এই কোচের হাতে নতুন মরসুমে দল পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট ম্যানেজমেন্ট।

কোচ হওয়ার পরেই এমবিএসজি মিডিয়ার কাছে তিনি মুখ খুললেন। মোহনবাগানকে কেন কোচিং করানোর সিদ্ধান্ত নিলেন প্যানোস? তাঁর কথায়,“মোহনবাগান কেবল একটি ফুটবল ক্লাব নয়— এটি একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান, যার রয়েছে গৌরবময় ইতিহাস, এশিয়ার অন্যতম সেরা অনুরাগী ও সদস্য-সমর্থক। যা ভারতের আর কোনও ক্লাবের নেই।”


যৌনাঙ্গে একাধিক ক্ষত-ধর্ষণের ইঙ্গিত, জীবিত অবস্থায় জলে ডোবানো: বারুইপুর-কাণ্ডে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টের সূত্র
আমিরের তৃতীয় বিয়েতে উপস্থিত তাঁর প্রাক্তন দুই স্ত্রী? সত্যি সামনে এল
মোহনবাগানের মতো দলের কোচের তরফ থেকে প্রত্যাশার চাপ নিয়ে কোচের মত,“বিশ্বের সব বড় ক্লাবগুলোতেই প্রত্যাশা সবসময়ই আকাশচুম্বী থাকে এবং সেটাই স্বাভাবিক। মোহনবাগান সমর্থকদের এই আবেগই ক্লাবের অন্যতম প্রধান শক্তি। আমরা এমন একটি দল হয়ে উঠতে চাইব যারা প্রতিটি ম্যাচ জেতার তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মাঠে নামবে, লড়াই করবে।” দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই ডুরান্ড কাপের ডার্বিতে নামছে সবুজ-মেরুন। এই বিষয়ে কোচকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “ভারতে আসার পরই জেনে গিয়েছি কলকাতা ডার্বি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ঐতিহাসিক ম্যাচগুলোর একটি। সমর্থক, খেলোয়াড় এবং ক্লাবের সাথে যুক্ত প্রত্যেকের কাছে এর গুরুত্ব কতটা, তা আমি জানি। আমরা প্রতিপক্ষকে সম্মান করব, তবে একই সঙ্গে এই ডার্বি জিততেও চাই।”

আগামী ২৫ জুলাই থেকে শুরু ডুরান্ড কাপ। সেদিনই মুখোমুখি হবে কলকাতার দুই প্রধান। এই বার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল-হলুদ। উল্টোদিকে, আইএফএ শিল্ড ছাড়া গত সিজনে আর কোনও ট্রফি আসেনি বাগানে। ডার্বিতেও আসেনি জয়। তবে এবারই আসল পরীক্ষা কারণ দুই দলের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়নি। শোনা গিয়েছে, ইস্টবেঙ্গলেরও কোচের নাম বদল হচ্ছে। অস্কার ও লোবেরা জমানার বদলের পর আদৌ লাল-হলুদ ও সবুজ-মেরুন তাঁবুতে ট্রফি আসে কি না, সেই বিষয়েই প্রশ্ন রইল এবার।
চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রসেনজিতের বালিগঞ্জের বাড়িতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। প্রসেনজিৎ পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার পর রুদ্রনীল ঘোষকে নিয়ে প্রসেনজিতের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন সুকান্ত। প্রসেনজিতের হাতে একটি রামলালার মূতি তুলে দিয়েছিলেন। জানা গিয়েছিল, সিনেমা জগত, অভিনয় নিয়ে মূলত তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছিল। উঠে এসেছিল রাজ্য ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কথাও।

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হঠাৎ অমিত শাহ, জোর জল্পনা
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে অমিত শাহ




শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তীতে একাধিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সোমবার কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর তারই ফাঁকে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বালিগঞ্জের বাড়িতে গেলেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়, নিশীথ প্রামাণিকরা। প্রসেনজিতের বাড়িতে শুধুমাত্র ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ করতেই শাহ গেলেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।



অন্নপূর্ণা যোজনায় কাদের নাম বাদ যাবে না? জানিয়ে দিল সরকার
এদিন কলকাতায় শাহর যে সব কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল, সেখানে প্রসেনজিতের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি উল্লেখ ছিল না। কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর শাহ ইকো পার্কে যান। সেখানে শ্যামাপ্রসাদের ১২৫ ফুট মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যান ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদের পৈতৃক বাড়িতে। সেখানে কিছুক্ষণ ছিলেন তিনি। শ্যামাপ্রসাদের পৈতৃক বাড়ি থেকে মিলন মেলায় শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা ছিল শাহর। তবে ভবানীপুর থেকে বেরিয়ে প্রসেনজিতের বালিগঞ্জের বাড়িতে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মিনিট পনেরো ছিলেন অভিনেতার বাড়িতে। সেখানে শুধু চা পান করেন বলে জানা গিয়েছে। বাংলা সিনেমা জগতের প্রথিতযশা অভিনেতার সঙ্গে শাহর সাক্ষাৎ নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।

চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রসেনজিতের বালিগঞ্জের বাড়িতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। প্রসেনজিৎ পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার পর রুদ্রনীল ঘোষকে নিয়ে প্রসেনজিতের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন সুকান্ত। প্রসেনজিতের হাতে একটি রামলালার মূতি তুলে দিয়েছিলেন। জানা গিয়েছিল, সিনেমা জগত, অভিনয় নিয়ে মূলত তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছিল। উঠে এসেছিল রাজ্য ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কথাও।

প্রসেনজিতের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সুকান্ত জানিয়েছিলেন, অভিনেতার সঙ্গে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ায় প্রসেনজিৎকে শুভেচ্ছা জানাতেই তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। সুকান্ত বলেছিলেন, “এই সাক্ষাৎ একেবারেই রাজনৈতিক নয়। সব কিছুর পিছনে রাজনীতি না খোঁজাই ভালো। শিক্ষা, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে নিয়ে রাজনীতি না করাই ভালো। রাজনৈতিক আগ্রাসন থেকে দূরে থাক সিনেমা।”

সেইসময় ওই সাক্ষাৎ ঘিরে আলোচনা বেশিদূর গড়ায়নি। তবে কিছুদিন আগে তাঁর নিজের ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পৌঁছে গেলেন অভিনেতার বাড়িতে। তাঁদের এই সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।


সোমবার আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, যেহেতু এই মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, সেই কারণে তদন্তের স্বার্থে এখনও গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করা বাকি। এছাড়াও বাকি রয়েছে অন্যান্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাও। এমনকী, তথ্য-প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

মাথায় টুপি, লাল জামা, অভিযুক্তের সঙ্গে হেঁটে যাচ্ছে বারুইপুরের ওই নাবালিকা, এরপর কী হল ভিডিয়োয় দেখুন
বারুইপুরের সিসিটিভি ফুটেজ

 তিলোত্তমার ঘটনা। তারপর ফের একবার উত্তাল বাংলার রাজ্য-রাজনীতি। বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে তিনজন। আগেই গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে এক অভিযুক্তের। এই আবহের মধ্যেই প্রকাশ্যে এল একটি সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ।

সংশ্লিষ্ট CCTV ফুটেজে কী দেখা যাচ্ছে?


যৌনাঙ্গে একাধিক ক্ষত-ধর্ষণের ইঙ্গিত, জীবিত অবস্থায় জলে ডোবানো: বারুইপুর-কাণ্ডে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টের সূত্র

আমার বাচ্চার যেমন কষ্ট পেয়ে পেয়ে মৃত্যু হয়েছে, শয়তানগুলোর যেন এরকমই...', বারুইপুরে নির্যাতিতা নাবালিকার
নাবালিকার পরনে রয়েছে নীল রঙের সালোয়ার-কামিজ। তাঁকে দেখা যাচ্ছে নীল রঙের টুপি, লাল রঙের টি-শার্ট পরিহিত এক যুবকের সঙ্গে হেঁটে-হেঁটে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান ওই ব্যক্তি হলেন এই ঘটনায় যুক্ত অপর অভিযুক্ত। তবে তাঁরা কোথায় যাচ্ছে তা জানা যায়নি। শুধু ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, অভিযুক্তের সঙ্গে হেঁটে যাচ্ছে সে।



এ দিকে, নাবালিকার মা বলেন, “আমরা চাইছি আমার বাচ্চা যে কষ্ট পেয়ে-পেয়ে মরেছে। একই কষ্ট যেন এই শয়তানগুলো সকলে পায়। আরও অনেক এমন ঘটনা শুনেছি। কাউকে তো শুনিনি বিচার পেতে। এখন তো নতুন সরকার, আমরা যেন সঠিক বিচার পাই।” অন্য দিকে, ভিডিয়ো নিয়ে মৃত নাবালিকার প্রতিবেশী বলেন, “মাথায় টুপি পরা রয়েছে। হাতে খাবার ছিল। আর যেহেতু টুপি পরা তাই মুখ দেখা যাচ্ছে না ঠিক মতো।”

এ দিকে, এই ঘটনায় ধৃত তিনজনকে তোলা হয়েছে আদালতে। তাদের বিরুদ্ধে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। আগেই ধর্ষণের ইঙ্গিত ছিল। এবার এই ঘটনায় ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ধারা জোড়া হয়েছে।

সোমবার আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, যেহেতু এই মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, সেই কারণে তদন্তের স্বার্থে এখনও গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করা বাকি। এছাড়াও বাকি রয়েছে অন্যান্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাও। এমনকী, তথ্য-প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তাই দুই অভিযুক্তকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

 

শুভেন্দু বলেন, "আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পশ্চিমবাংলার পাঠ্যপুস্তকে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টি, রাষ্ট্রপ্রেম, অখণ্ড ভারতের ভাবনা, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ভূমিকে ভারত মাতার চরণে আশ্রয় নেওয়ার যে সুযোগ করে দিয়েছিলেন, সেই ভারত কেশরীর ভূমিকা সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মকে জানাতে হবে।"

 স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলার সিলেবাসে জুড়ছে শ্যামাপ্রসাদ, ঘোষণা শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারী

বাংলার পাঠ্যবইয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ইতিহাস, শ্যামাপ্রসাদের ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত করা হোক। বারবার দাবি তুলেছেন শুভেন্দু-সরকারের নেতা-মন্ত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রীকে আর্জি জানিয়েছিলেন, আগামী প্রজন্মের জন্য শ্যামাপ্রসাদকে পাঠ্যপুস্তকে রাখা প্রয়োজন। এবার শ্যামাপ্রসাদের জন্মজয়ন্তীতে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করে দিলেন, বাংলার সিলেবাসে যুক্ত হবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্তর পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ে থাকবেন শ্যামাপ্রসাদ।

কী ঘোষণা শুভেন্দুর? 
আজ শ্যামাপ্রসাদের জন্ম-জয়ন্তী উপলক্ষ্যে মিত্র ইনস্টিটিউশনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই তিনি ঘোষণা করেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে শ্যামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। শুভেন্দু বলেন, “আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পশ্চিমবাংলার পাঠ্যপুস্তকে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টি, রাষ্ট্রপ্রেম, অখণ্ড ভারতের ভাবনা, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ভূমিকে ভারত মাতার চরণে আশ্রয় নেওয়ার যে সুযোগ করে দিয়েছিলেন, সেই ভারত কেশরীর ভূমিকা সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মকে জানাতে হবে।”


 আচমকা কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনে বাড়ানো হল পুলিশকর্মীর সংখ্যা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বললেন...
পাঠ্যপুস্তকে শ্যামাপ্রসাদ
কোন কোন বিষয়কে পাঠ্য়পুস্তকে রাখা হবে? শুভেন্দু অধিকারী জানান,শ্যামাপ্রসাদের কর্মজীবন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাপ্রসারে তাঁর যে যোগদান, অবদান, তা সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর মতে, শ্যামাপ্রসাদের অবদান বিদ্যালয়ের সিলেবাস ব্যবস্থা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত মুদ্রিত, পঠিত ও চর্চিত হওয়া উচিৎ।

মিত্র ইনস্টিটিউশনের জন্য অনুদান
একইসঙ্গে শ্যামাপ্রসাদের স্কুল মিত্র ইনস্টিটিউশনের সংস্করণে অনুদানেরও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী জানান, স্কুলটার অবস্থা ভাল নয়। এর আগে কেউ নজর দেয়নি। এলাকার বিধায়ক হিসেবে তাঁকেই ভাবতে হবে। স্কুলের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি জিরাটে শ্যামাপ্রসাদের লাইব্রেরি তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।