WEATHER

Top News



স্বাধীনতা দিবসের রঙে রাঙল গঙ্গাসাগর বিডিও অফিস চত্বর

​​আসন্ন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। আর এই বিশেষ দিনটির ঠিক আগে দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির গড়ল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সাগর ব্লক প্রশাসন। জাতীয় পতাকার তিন রঙে— গেরুয়া, সাদা এবং সবুজে সেজে উঠল গঙ্গাসাগর বিডিও অফিস চত্বর।

​তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশপ্রেমের জোয়ার জাগাতে এবং স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। আলোকসজ্জা এবং নানা রঙের পতাকায় সুসজ্জিত এই ভবনটি এখন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। বিডিও অফিসের এই রূপ দেখতে এবং ছবি তুলতে ভিড় জমাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসনের এমন মনোগ্রাহী উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত গোটা এলাকার মানুষ।
মঙ্গলবার রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অসুস্থ ছাত্রীদের দেখতে আসেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। অসুস্থ ছাত্রীদের দেখে বেরিয়ে তিনি জানান, মোট ৩৩ জন ভর্তি হয়েছিল। মঙ্গলবার নতুন করে বেশ কয়েকজন ভর্তি হয়েছে। যাদের মধ্যে ১৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

রক্তে ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ! দেশবন্ধু পার্কের স্কুলে একসঙ্গে এত ছাত্রীর অসুস্থ হওয়ার নেপথ্যে কী?
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়

পার্ক ইনস্টিটিউশন ফর গার্লস’ স্কুলের হস্টেলের অসুস্থ ছাত্রীদের অবস্থা স্থিতিশীল। ১৬ জন ছাত্রীকে ইতিমধ্যেই আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকা বাকি ১৭ জনের শারীরিক পরিস্থিতিও স্থিতিশীল। তবে ভর্তি থাকা ছাত্রীদের মধ্যে ৬ জনের রক্তের নমুনায় ইনফ্লুয়েঞ্জার অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। অন্য ১১ জন সুস্থ রয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।


মঙ্গলবার রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অসুস্থ ছাত্রীদের দেখতে আসেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। অসুস্থ ছাত্রীদের দেখে বেরিয়ে তিনি জানান, মোট ৩৩ জন ভর্তি হয়েছিল। মঙ্গলবার নতুন করে বেশ কয়েকজন ভর্তি হয়েছে। যাদের মধ্যে ১৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ১৭ জন এই মুহূর্তে ভর্তি রয়েছে। তার মধ্যে ৬ জনের ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, বাকিদেরও রক্তপরীক্ষার রিপোর্ট আসলে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রমাণ পাওয়া যাবে। যারা ভর্তি রয়েছে, তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তাদের মাঝেমধ্যে জ্বর আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের আগে থেকে জ্বর আসছিল। যদিও ইনফ্লুয়েঞ্জা,সংক্রমণ রোগ। কিন্তু করোনার মতো ঘাতক নয়।


মনে করা হচ্ছে, হস্টেলে কেউ ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমিত হয়েছিল। সেখান থেকেই বাকিরা সংক্রমিত হয়েছে। পার্ক ইনস্টিটিউশন ফর গার্লসের হস্টেলে আচমকাই ছাত্রীরা অসুস্থ হতে শুরু করে। অভিভাবকেরা অভিযোগ তোলেন আবাসিকে খাবারের গুণমান, জলের শুদ্ধতা নিয়ে। যদিও প্রধান শিক্ষিকা অলকানন্দা মজুমদার জানিয়েছেন, বছরে নিয়মিত দু’বার করে জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার হয়। ইতিমধ্যে এক বার পরিষ্কার করা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তারপরও এই ধরনের ঘটনায় প্রশ্ন উঠছেই।
বুধবার সকাল থেকে আকাশ কালো করে বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা ও সন্নিহিত এলাকাগুলিতে। আজ উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। বুধবার ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা কলকাতা-হাওড়ায়। বৃষ্টির মধ্যে ঘনঘন বজ্রপাতের আশঙ্কা। 


 আবারও নিম্নচাপ! আজ থেকে ভাসবে এই এই এলাকা...
প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস

আবারও নিম্নচাপের ভ্রুকুটি । আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে নিম্নচাপের জন্ম হয়েছে। আরও শক্তি বাড়িয়ে রাজ্যের কাছে আসবে নিম্নচাপ। নিম্নচাপের প্রভাবে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। এ ক’দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পাশ্ববর্তী এলাকা ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।

হাওয়া অফিস বলছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন এলাকায় ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

অভিজিৎ রায় করে দেওয়া হবে', বাংলাদেশি নম্বর থেকে হুমকি পাচ্ছেন ঋতব্রত, ছুটলেন লালবাজার
Sunny deol: কীভাবে তৈরি হল সানির 'ঢাই কিলো কা হাত'? ফিটনেস রহস্যটা বলেই ফেললেন নায়ক
বুধবার সকাল থেকে আকাশ কালো করে বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা ও সন্নিহিত এলাকাগুলিতে। আজ উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। বুধবার ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা কলকাতা-হাওড়ায়। বৃষ্টির মধ্যে ঘনঘন বজ্রপাতের আশঙ্কা।

গত কয়েকদিনে ঝড়বৃষ্টির মাঝে প্রবল বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সেক্ষেত্রে ঝড়বৃষ্টির সময়ে মেঘ ডাকলে কংক্রিটের নীচে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।
আইনজীবী রাজা চৌধুরীর অভিযোগ, ১৫ মে-র পর থেকে আদালতের কার্যবিবরণীর বিভিন্ন অংশ কেটে জোড়া দিয়ে তৈরি করা ভিডিয়ো ক্লিপের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আদালতের শুনানির সময় বিচারপতিদের দেওয়া মৌখিক পর্যবেক্ষণকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে তা মিমে পরিণত করা হচ্ছে। এরপর সেই সমস্ত ভিডিয়ো ও মিম সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়ে বাণিজ্যিক লাভের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


'প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে', এবার 'ককরোচ' বিতর্কে কেন্দ্র ও সিবিআইয়ের কাছে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত

ককরোচ’। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এই মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক বেধেছিল। তার জেরে ককরোচ জনতা পার্টি হয়। নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনে নামে জেন-Z। প্রধান বিচারপতি সেই মন্তব্যের পর কেটে গিয়েছে তিন মাস। এবার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র ও সিবিআই-এর কাছে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট। অভিযোগ, ভার্চুয়াল আদালতের কার্যবিবরণীর কিছু অংশ বেছে নিয়ে কৌশলে এডিট করে ওই মন্তব্যকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি প্রধান বিচারপতি যে অর্থে মন্তব্যটি করেছিলেন, তার সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থও তুলে ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। এই জনস্বার্থ মামলাতেই এবার কেন্দ্র ও সিবিআইয়ের কাছে জবাব চাইল শীর্ষ আদালত।


সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হয়। প্রায় আধ ঘণ্টার শুনানিতে আবেদনকারী তথা আইনজীবী রাজা চৌধুরী দাবি করেন, ১৫ মে-র শুনানিতে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতির মুখ থেকে ‘ককরোচ’ শব্দটি বেরিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই মন্তব্যের একটি অংশ বেছে নিয়ে এডিট করা হয় এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়। তাঁর দাবি, এর ফলে বিচারব্যবস্থার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাতেও আঘাত লেগেছে।


ফুটবল খেলে বাড়ি ফিরে স্নান করেছিল কিশোর, তারপরই কান ফাটানো আর্তনাদ, কিছু বোঝার আগে সব শেষ
আবেদনকারীর তরফে শীর্ষ আদালতের কাছে দাবি জানানো হয়েছে, বিচারপতিদের মৌখিক পর্যবেক্ষণ বা রূপক মন্তব্যের বাণিজ্যিক ব্যবহার, ট্রেডমার্কের অপব্যবহার, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে প্রচার কিংবা অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিক ব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একইসঙ্গে আবেদনকারী স্পষ্ট করেছেন, সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে ন্যায্য সমালোচনা, গণতান্ত্রিক ভিন্নমত, ব্যঙ্গ এবং বাকস্বাধীনতার অধিকার অবশ্যই বজায় রাখতে হবে।


কোন প্রসঙ্গে ‘ককরোচ’ মন্তব্য করেছিলেন প্রধান বিচারপতি?

‘সঞ্জয় দুবে বনাম দিল্লি হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল’ মামলার ১৫ মে-র শুনানির প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাজা চৌধুরী বলেন, ভুয়ো আইনজীবীদের প্রসঙ্গেই ‘ককরোচ’ মন্তব্য করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার, পেশাগত মানের অবনতি এবং এর ফলে বিচারব্যবস্থার উপর কী প্রভাব পড়ছে—এই বিষয়গুলি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার সময়ই ওই মন্তব্য করা হয়েছিল বলে দাবি আবেদনকারীর।

রাজা চৌধুরীর অভিযোগ, ১৫ মে-র পর থেকে আদালতের কার্যবিবরণীর বিভিন্ন অংশ কেটে জোড়া দিয়ে তৈরি করা ভিডিয়ো ক্লিপের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আদালতের শুনানির সময় বিচারপতিদের দেওয়া মৌখিক পর্যবেক্ষণকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে তা মিমে পরিণত করা হচ্ছে। এরপর সেই সমস্ত ভিডিয়ো ও মিম সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়ে বাণিজ্যিক লাভের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আবেদনকারীর আরও দাবি, আদালতের বক্তব্যের বিকৃত উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থা ও বিচারপতিদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির প্রতি আস্থা নষ্ট করার একটি পরিকল্পিত চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বেশ কয়েক মাস ধরেই নানা সমস্যায় জর্জরিত ফেডারেশন। ২০২৬ এশিয়ান গেমসের জাতীয় দল নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন টেবিল টেনিস তারকা মণিকা বাত্রা। বর্তমানে টিটিএফআই-এর সভাপতি মেঘনা অহলাওয়াত। তিনি ফেডারেশনের প্রথম মহিলা সভাপতি। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে তিনি এই দায়িত্ব নেন। তিনি হরিয়ানার বিধায়ক দুস্মন্ত চৌটালার স্ত্রী।

সময়ের মধ্যে নির্বাচন না করার অভিযোগ, টেবল টেনিস ফেডারেশনকে ব্যান করল কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক!
ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন

দেশের টেবল টেনিস প্রশাসনে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক। টেবিল টেনিস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া-কে ব্যান করল কেন্দ্র। একই সঙ্গে, ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থাকে অ্যাড-হক কমিটি তৈরি করে টেবিল টেনিস পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়া মন্ত্রকের অভিযোগ, ফেডারেশন সময়মতো নির্বাচন করতে পারেনি। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে চলতি বছরেই টিটিএফআইকে শো-কজ নোটিশ পাঠিয়েছিল মন্ত্রক। সেই নোটিশের জবাবও সন্তোষজনক মনে হয়নি।


জানানো হয়েছে, আইওএ এবার টিটিএফআই-এর সঙ্গে আলোচনা করে একটি নতুন অ্যাড-হক কমিটি গঠন করবে। নতুন করে নিয়ম মেনে ফেডরেশনের নির্বাচিত প্রশাসন তৈরি না হওয়া অবধি এই কমিটিই টেবিল টেনিসের যাবতীয় কাজ দেখবে। অ্যাথলিটদের সুরক্ষা ও স্বচ্ছ সিলেকশন প্রক্রিয়া করতে বদ্ধপরিকর ফেডারেশন। তাই এই পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে তারা। বর্তমানে টিটিএফআই-এর সভাপতি মেঘনা অহলাওয়াত। তিনি ফেডারেশনের প্রথম মহিলা সভাপতি। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে তিনি এই দায়িত্ব নেন। তিনি হরিয়ানার বিধায়ক দুস্মন্ত চৌটালার স্ত্রী।


এমনিতেও, বেশ কয়েক মাস ধরেই নানা সমস্যায় জর্জরিত ফেডারেশন। ২০২৬ এশিয়ান গেমসের জাতীয় দল নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন টেবিল টেনিস তারকা মণিকা বাত্রা। এরপরেই অনেক জটিল হয় পরিস্থিতি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ফেডারেশনের মহাসচিব ও প্রাক্তন খেলোয়াড় কমলেশ মেহতাকে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সাসপেন্ড করে ফেডারেশন। তবে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেন মেহতা। পরে আদালতের রায়ে তাঁর সাসপেনশন বাতিল হয়। এরপরেই সময়মতো নির্বাচন না করার কারণে টিটিএফআইকে ব্যান করল কেন্দ্র। ফলে এরপর অ্যাড-হক কমিটির হাতেই যেতে চলেছে দেশের টেবিল টেনিস প্রশাসনের দায়িত্ব।

 প্যানেল টাকা উদ্ধারের পর যে তদন্ত হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, "তথ্য প্রমাণ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। আইন অনুযায়ী গুদাম ঘর সিল করা ও তদন্তের আগে প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছিল। নোট কীভাবে উধাও যাওয়ারও কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।"

 কোটি কোটি টাকার উৎস কী, নেই কোনও ব্যাখ্যা! সংসদীয় কমিটিও দোষী সাব্যস্ত করল প্রাক্তন বিচারপতি ভর্মাকে
ফাইল চিত্র।

দোষী সাব্যস্ত হলেন দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি যশবন্ত ভর্মা। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল বিপুল পরিমাণ টাকা। সেই টাকা কোথা থেকে এসেছিল, তা ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হলেন তিনি। এরপরই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার নেতৃত্বে গঠিত প্যানেলের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে দোষী সাব্যস্ত করা হল।


আজ, বুধবার কমিটির রিপোর্ট পেশ করা হয় সংসদে। রিপোর্টে দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতিকে টাকা উদ্ধারের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়।



পাকিস্তানের ফয়জলাবাদ টু তপসিয়া! বাংলা থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার আরও এক
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১৪ মার্চের রাতে দিল্লি হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি যশবন্ত ভর্মার বাসভবনে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের সময় বাড়িতে ছিলেন না বিচারপতি ও তাঁর পরিবার। দমকল আগুন নেভাতে গেলে, একটি গুদাম ঘর থেকে বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার হয়, যার অধিকাংশই আগুনে পুড়ে গিয়েছিল।


বিচারপতি ওই টাকার উৎস জানাতে পারেননি। এরপরই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আজ কমিটির রিপোর্টে বলা হয়, “৩০, তুঘলক ক্রেসেন্ট নয়া দিল্লির বাসভবনের স্টোররুমে বিপুল পরিমাণ ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার হয়েছিল। বিচারপতি এই টাকার উৎস ও মালিকানার যথাযথ ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।”

প্যানেল টাকা উদ্ধারের পর যে তদন্ত হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, “তথ্য প্রমাণ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। আইন অনুযায়ী গুদাম ঘর সিল করা ও তদন্তের আগে প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছিল। নোট কীভাবে উধাও যাওয়ারও কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।”

তবে কমিটির রিপোর্টে এও উল্লেখ করা হয়েছে বিচারপতি নিজেই ওই টাকা সরিয়েছিলেন, এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বাড়িতে এই বিপুল পরিমাণ টাকা কোথা থেকে এল, তার যে ব্যাখ্যা প্রাক্তন বিচারপতি ভর্মা দিয়েছিলেন, তা সন্তোষজনক নয় বলেই জানিয়েছে প্যানেল। তাঁর বয়ানে স্বচ্ছতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতা ছিল না।

এর আগে আদালতের তরফে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নেতৃত্বে ইন-হাউস কমিটি তদন্ত করেছিল, সেই কমিটিও বলেছিল, “যে নির্দিষ্ট স্টোররুমে নগদ টাকা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, সেটির উপর বিচারপতি ভর্মার সক্রিয় বা নীরব নিয়ন্ত্রণ ছিল।”

টাকা উদ্ধারের পর দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং তিনি এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি হন। সংসদের তরফে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এরপরে বিচারপতি ভর্মা নিজেই ইস্তফা দেন।

নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া যুবকদের উপর হামলার অভিযোগ, রাম মন্দিরে দানের টাকা চুরির অভিযোগ সহ একাধিক ইস্যুতে বিবৃতি চেয়ে বারবার সরব হয়েছেন বিরোধীরা। উত্তপ্ত হয়েছে সংসদ। এই প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, "বিরোধীরা আলোচনার দাবি জানিয়ে একটা চিঠি জমা দিক, তারপরই সরকার বিষয়টা বিবেচনা করবে।"

২৪ ঘণ্টা ধরে সংসদে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি', বিরোধীদের বললেন শাহ
অমিত শাহ

বিরোধীদের সব প্রশ্নের উত্তর দিতে তৈরি, বুধবার জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দীর্ঘদিন ধরে অমিত শাহের বিবৃতির দাবি জানাচ্ছেন বিরোধীরা। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু জানান, অমিত শাহ বিবৃতি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। আর বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই জানান, ২৪ ঘণ্টা আলোচনার জন্য সময় দিতে চান তিনি।

বুধবার দুপুর ৩টে থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টে পর্যন্ত আলোচনার জন্য সময় দিত চেয়েছেন তিনি। তবে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী, শাহের বক্তব্য শুনতে নারাজ।



নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া যুবকদের উপর হামলার অভিযোগ, রাম মন্দিরে দানের টাকা চুরির অভিযোগ সহ একাধিক ইস্যুতে বিবৃতি চেয়ে বারবার সরব হয়েছেন বিরোধীরা। উত্তপ্ত হয়েছে সংসদ। এই প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, “বিরোধীরা আলোচনার দাবি জানিয়ে একটা চিঠি জমা দিক, তারপরই সরকার বিষয়টা বিবেচনা করবে।”

বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অমিত শাহ বলেন, “একটা চিঠি লিখে জমা দিন। আমরা আজ দুপুর ৩টে থেকে আলোচনা করতে প্রস্তুত। আগামিকাল দুপুর ৩টে পর্যন্ত আলোচনা করতে চাই।” আলোচনায় যোগ দিতে চান কি না, সেই সিদ্ধান্ত বিরোধীদের উপরেই ছেড়ে দিতে চান তিনি।

তিনি যে কোথাও পালিয়ে যাননি, বিরোধীদের জবাব দিয়েই সে কথাও বলেছেন অমিত শাহ। তিনি জানান, বাদল অধিবেশনে নিয়মিত সংসদে যাচ্ছেন তিনি। বলেন, “আমি সংসদে আসছি। নিজের চেম্বারেও বসছি। কিন্তু বিরোধীরা সংসদে কাজ হতে দিচ্ছে না। ওরা কোনও আলোচনাও করতে দিচ্ছে না।”

শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সরকারের লুকনোর কিছু নেই। সব প্রশ্নের উত্তর দিতে তাঁরা তৈরি। তবে শাহের এই বক্তব্যের পরই কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী বলেন, “আমরা কোনও লেকচার শুনতে রাজি নই। ২০ দিন ধরে সংসদে আসছেন না অমিত শাহ। সংসদে আসার সাহস পাচ্ছেন না। অমিত শাহের পদত্যাগ করা উচিত।”
পুলিশ সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তরফেও স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে সুকদেব রায়কে ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়ের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করা হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি।

কথা দিচ্ছি উত্তরবঙ্গ ফের বাঙালি মুক্ত করব, খুঁজে খুঁজে বের করব', 'বাঙালি খেদাও' মন্তব্য তৃণমূল নেতার
শুকদেব রায়

বাংলার মাটি থেকে বাঙালিকে তাড়ানোর চেষ্টা? অন্তত তেমনই মন্তব্য করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ১৫ অগস্টের মধ্যে বাঙালিদের উত্তরবঙ্গ ছাড়ার হুমকি দিয়ে কার্যত জঙ্গি সুলভ আচরণ তৃণমূল নেতার। এখানেই শেষ নয়, ২০০২ সালে সিপিএম পার্টি অফিসে KLO যে ঘটনা ঘটেছিলো তার পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিত পূর্ণ হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।


অভিযুক্তের নাম শুকদেব রায়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধূপগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন একদল যুবক। পুলিশ সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তরফেও স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে সুকদেব রায়কে ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়ের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করা হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, “কথা দিচ্ছি উত্তরবঙ্গ থেকে বাঙালি মুক্ত করব। বাংলাদেশ ও দক্ষিণবঙ্গ থেকে মার খেয়ে এসেছেন না? খুঁজে খুঁজে বের করব।”

CPIM-এর ধূপগুড়ি এরিয়া কমিটির সম্পাদক জয়ন্ত মজুমদারের অভিযোগ, এই ধরনের বক্তব্য শুধু রাজনৈতিক উস্কানি নয়, এর মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার পাশাপাশি বাংলাকে বিভক্ত করার পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলাকে ভাগ করার কোনও চক্রান্ত হলে কিংবা বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি ফের মাথাচাড়া দিলে, তার বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।


অন্যদিকে, বিজেপিও তৃণমূল নেতার মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে। বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক মাধবচন্দ্র রায় বলেন, “শুকদেব রায় এর আগেও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন বলে তাঁদের অভিযোগ। এবার যে মন্তব্য সামনে এসেছে, তা বাংলার সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট এবং বিভাজনের রাজনীতিকে উস্কে দিচ্ছে।”

ইতিমধ্যেই কলকাতার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রতি ঘণ্টায় ২০ থেকে ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। ২৪ ঘণ্টায় ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতায় রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হয়ে চলতে পারে সকাল পর্যন্ত। শুক্রবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা উপকূল ও পশ্চিমের জেলাতেও।

বাংলাদেশ থেকে ধেয়ে আসছে..., আজ সন্ধে থেকে কতটা তাণ্ডব কলকাতায়?
কলকাতার আবহাওয়া

সোমবার রাতে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভেসেছিল বাংলা। চরম ভারী বৃষ্টিতে কার্যত নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল কলকাতা ও হাওড়ায়। আবহাওয়ার লেটেস্ট আপডেট (বিকেল ৪) অনুযায়ী, মৌসম ভবন জানাচ্ছে, অতি ভারী বৃষ্টিতে ভাসতে পারে কলকাতা। কারণ স্থলভাগের দিকে ধীরে-ধীরে এগোচ্ছে সেটি।

মৌসম ভবন দক্ষিণবঙ্গে বেশ কয়েকটি জেলাতে লাল সতর্কতা জারি করেছে। পাশাপাশি কলকাতা সহ শহরতলিগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। আবহবিদরা বলছেন, একটি গভীর নিম্নচাপ ঘনীভূত হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে। সেই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। তারপর আগামী ২৪ ঘণ্টায় সেটি দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করবে। সেই কারণে জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে। কোথাও-কোথাও চরম ভারী বৃষ্টিরও পূর্বাভাস থাকছে।


রক্তে ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ! দেশবন্ধু পার্কের স্কুলে একসঙ্গে এত ছাত্রীর অসুস্থ হওয়ার নেপথ্যে কী?
এর আগের বর্ষাতেও নিম্নচাপ, অতি গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল। তবে বাংলায় না প্রবেশ করে ওড়িশায় দিকে চলে যায়। সেই কারণে ওড়িশায় বৃষ্টির পরিমাণ কার্যত বেড়ে যায়। তবে এই নিম্নচাপটি বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, হুগলি-সহ জেলা হয়ে ধীরে ধীরে এগোবে পশ্চিম দিকে।

ইতিমধ্যেই কলকাতার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রতি ঘণ্টায় ২০ থেকে ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। ২৪ ঘণ্টায় ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতায় রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হয়ে চলতে পারে সকাল পর্যন্ত। শুক্রবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা উপকূল ও পশ্চিমের জেলাতেও। শনি ও রবিবার ঝড়-বৃষ্টির দাপট কমবে। বৃষ্টি হলেও তা বিক্ষিপ্ত ভাবে চলবে। 
দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে ২০ জন এনসিপিআই সাংসদের জন্য পৃথক ২০টি চিঠি দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। জুুন মাসেই দেওয়া হয়েছিল ওই চিঠি। তারপর জুলাই মাসে ফের স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক। এবার সুপ্রিম কোর্টের হস্পক্ষেপের কথা বলছেন তিনি।

 '২ মাস হয়ে গেল...', দুটি প্রশ্ন নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করলেন অভিষেক
সংসদে অভিষেক

বাংলায় সরকার বদলের পরই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যে চাপান-উতোর শুরু হয়েছে, তা এখনও অব্যাহত। ঋত-শিবিরের সঙ্গে প্রতীকের লড়াই তো আছেই, জট কাটছে না দিল্লিতেও। সেই আবহেই লোকসভার স্পিকার (Speaker) ওম বিড়লার সঙ্গে ফের দেখা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। স্পিকারকে ২০টি চিঠি দেওয়ার পরও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হল না, জানতে চাইলেন অভিষেক।


কী কী প্রশ্ন অভিষেকের
দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে ২০ জন এনসিপিআই সাংসদের জন্য পৃথক ২০টি চিঠি দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। জুুন মাসেই দেওয়া হয়েছিল ওই চিঠি। তারপর জুলাই মাসে ফের স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক। তারপরও তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হল না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন অভিষেক। দ্বিতীয় প্রশ্ন হল, আবেদন না করা সত্ত্বেও কেন তৃণমূল সাংসদদের আসন পরিবর্তন করা হল? অভিষেককে প্রথম রো থেকে সরিয়ে দ্বিতীয় রো-তে আসন দেওয়া হয়েছে।


ভদ্র রাজনীতিবিদ' বলেছিলেন শুভেন্দু, 'চোর' স্লোগান শুনতে হল রতুয়ার বিধায়ক সমরকে
কী উত্তর দিলেন স্পিকার?
অভিষেক জানান, স্পিকার তাঁকে আশ্বাস দিয়েছেন, পরবর্তী অধিবেশন অর্থাৎ শীতকালীন অধিবেশনের আগে বিষয়গুলি নিয়ে জানিয়ে দেবেন তিনি। অভিষেকের বক্তব্য, হয় এনসিপিআই-কে মান্যতা দিয়ে দিক, নাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ২ মাস পরও কেন কোনও সদুত্তর মিলল না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।


অভিষেক বলেন, “৩ মাসের মধ্য়ে বিবেচনা করতে হবে বলে অর্ডার দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। স্পিকার বিবেচনা না করলে, সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করব।”

কী বক্তব্য কাকলিদের?
এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া সত্ত্বেও কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের নামের পাশে এখনও লেখা থাকছে তৃণমূলের নাম। কাকলি বলেন, “এটা স্পিকারের বিষয়। ২০ জন সাংসদ একটা দল পরিত্যাগ করে চলে এসেছেন। স্পিকার মান্যতা দেবেন। কোনও নথি সংক্রান্ত সমস্যার জন্য হয়ত সময় লাগছে।” তৃণমূলকে কটাক্ষ করে কাকলির বক্তব্য, “ওদের কতজন আছে, বাকিরা কোথায় গেল, সেটা আগে দেখুক।” বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যও বিষয়টি স্পিকারের সিদ্ধান্তের উপর ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন।

এ দিন, সাংবাদিকদের সামনে অ্যাকাডেমির পুরনো ছবি তুলে ধরেন রুদ্রনীল সেনগুপ্ত। তারপর বলেন, "কী রং ছিল? অ্যাকাডেমির টিকিট কাউন্টার গেরুয়া ছিল। মিথ্য়াচার করে করে এরা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি থেকে কোণঠাসা হয়ে গেছে। এরা সনাতন ধর্মের বিরোধিতা করে দিকভ্রান্ত হয়ে গেছে। যাঁরা ট্রাস্টি বোর্ডের লোকজনও বিরক্ত। বিকাশবাবুদের বলছি..আপনি নাট্যকর্মী সেজেছিলেন।


রাজনীতিকরণ চাই না..চাই না...চাই না...', সাদা থেকে আবার গেরুয়া রং হল ফাইন আর্টস
অ্যাকাডেমিতে রং বদল

 একমাসে তিনবার। ফের রং বদল। আর রং বদল করা হল ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে’। দিন বদলে যেতেই ফের সাদা হয়ে গেল গেরুয়া। গত ১২ জুলাই এই ভবনের রং গেরুয়া করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এর প্রতিবাদে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে চিঠি দিয়েছিলেন একাধিক নাট্য ব্যক্তিত্বরা। শমীক এই দখলের রাজনীতির তীব্র নিন্দা করে মন্তব্যও করেছিলেন। এরপর মঙ্গলবার নাট্য ব্যক্তিত্বরা সাদা রং করে পুরনো চেহারা ফেরান। বুধবার বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষরা অ্যাকাডেমি পৌঁছন। ফের সেই সাদা রং মুছে গেরুয়া করে দেওয়া হয়।


এ দিন, সাংবাদিকদের সামনে অ্যাকাডেমির পুরনো ছবি তুলে ধরেন রুদ্রনীল সেনগুপ্ত। তারপর বলেন, “কী রং ছিল? অ্যাকাডেমির টিকিট কাউন্টার গেরুয়া ছিল। মিথ্য়াচার করে করে এরা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি থেকে কোণঠাসা হয়ে গেছে। এরা সনাতন ধর্মের বিরোধিতা করে দিকভ্রান্ত হয়ে গেছে। যাঁরা ট্রাস্টি বোর্ডের লোকজনও বিরক্ত। বিকাশবাবুদের বলছি..আপনি নাট্যকর্মী সেজেছিলেন। আর যাঁরা এই রং করেছিলেন তাঁরা সিপিএম-এর হয়ে প্রচার করেন। এই ধরনের ধৃষ্টতা আসে কী করে?

এটিও পড়ুন

 স্বামী নতুন গাড়ি কিনেছেন, চালানো শিখছিলেন স্ত্রী, মুহূর্তে সব শেষ
রুদ্র আরও বলেন, “এটা বিচ্ছিন্ন মানসিকতা। বিজেপির রাজ্য সভাপতির কাছে এরা ইতিহাস লুকিয়েছে। বিভিন্ন বার্তা পাঠিয়েছে। যখন দেখেছে কৃতকার্য হয়নি, তখন এই করেছে। আমরা অ্যাকাডেমির মধ্যে কোনও রাজনীতিকরণ চাই না…চাই না…চাই না..।”


বিজেপির আদর্শে যাঁরা বিশ্বাসী তাঁদের মধ্যে ভদ্রতা, সভ্যতা, সাংস্কৃতিক বোধ নেই। ওটা অ্যাকাডেমির ঐতিহ্য অনুযায়ী ছিল। ওরা গুণ্ডামি করে গেরুয়া করে দিয়েছেন। গতকাল নাট্যকর্মীরা ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন। এখন যদি বিজেপি মনে করে ওরা ক্ষমতায় আসে বলে গুণ্ডামি করবেন তাহলে ফল ভুগতে হবে। মমতার থেকেও খারাপ পরিণতি হবে। নূন্যতম সাংস্কৃতিক বোধ থাকলে এটা করতেন না।

গত ১১ মে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। পুরসভায় অযোগ্য প্রার্থীদের টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। তাতেই নাম জড়ায় সুজিতের। এর আগে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়ন শীল গ্রেফতার হয়েছিলেন।


সুজিতকে জেলে রাখলে কী বেরিয়ে আসবে? উত্তরে বিস্ফোরক তথ্য দিল ইডি
সুজিত বসুর জামিন মামলা


রাজ্যে সরকার বদলের কয়েকদিনের মধ্য়েই গ্রেফতার করা হয় বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজিত বসুকে (Sujit Bose)। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিতের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছিল আগেই। পরে গ্রেফতার হন প্রাক্তন মন্ত্রী। এবার তাঁর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে বিস্ফোরক তথ্য় দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জামিনের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুজিত বসু।


বুধবার ওই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ প্রশ্ন করেন, সুজিত বসুকে ইডি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা কোথায়?

'কথা দিচ্ছি উত্তরবঙ্গ ফের বাঙালি মুক্ত করব, খুঁজে খুঁজে বের করব', 'বাঙালি খেদাও' মন্তব্য তৃণমূল নেতার
Bali: সাতসকালে 'কাকিমা' ডাক শুনেই রাস্তায় পিছন ঘোরেন.... সর্বনাশ হয়ে গেল এই বৃদ্ধার
সুজিতকে জেলে রেখে তদন্তে আর কী বেরিয়ে আসবে? ইডি-র উদ্দেশে এই প্রশ্ন করেন তিনি।


এএসজি এস ভি রাজু বলেন, সুজিত বসু কোনও সাধারণ অভিযুক্ত নন। সাধারণ ধারায় মামলা নয়। PMLA আইনে অভিযুক্ত সুজিত বসু। এরপরই দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরা হয় ইডি-র তরফে।

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, পুরনিয়োগে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থীর চাকরি হয়েছে। চাকরি পিছু ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। সুজিত বসুর অ্যাকাউন্টে ৮.৮ কোটি টাকা মিলেছে বলেও দাবি ইডি-র। সুজিতের পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও মিলেছে কোটি কোটি টাকা। শেয়ার বাজারে বড় বিনিয়োগের কথাও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।

ইডি আরও জানিয়েছে যে অয়ন শীলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে যে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময় নিয়ে ১৫২ জনের চাকরির সুপারিশ করেছিলেন সুজিত বসু। ওএমআর (OMR) কারচুপি করে চাকরির অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ, প্রকৃত মেধাবী প্রার্থীরা সঠিক উত্তর দিলেও তাঁদের বঞ্চনা করা হয়েছে OMR কারচুপির মাধ্যমে।

ইডি-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হেল্পার, মজদুর নানা পুরনিয়োগে নাম জড়িয়েছে ফিরহাদ হাকিম, পাঁচু রায়ের। নিতাই দত্তের বয়ানে উঠে এসেছে অযোগ্যদের চাকরির কথা। চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যান-ইন-কাউন্সিল পিছু চাকরির কোটা থাকত বলেও অভিযোগ উঠেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে কেন ৬৬টি সম্প্রদায়কে ওবিসি-তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওবিসি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বদল আনে। এ, বি নয়, শুধুমাত্র একটি ওবিসি শ্রেণি রাখার কথা ঘোষণা করা হয়।

মমতার আমলের সব OBC সার্টিফিকেট বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে যত ওবিসি সার্টিফিকেট (OBC Certificate) দেওয়া হয়েছে, সব বাতিল করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। রাজ্যের সব ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি সার্টিফিকেট বাতিল করা হল বুধবার। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ জানিয়েছে, এখন আর ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি বলে কিছু নেই। ফলে ওই ধরনের জারি করা সমস্ত সার্টিফিকেট বাতিল করা হল।


বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি ক্যাটাগরি তুলে দিয়েছে। তারা ওবিসি-তে একটিই ক্যাটাগরি রেখেছে। এমতাবস্থায় মমতা সরকারের আমলে তৈরি হওয়া নিয়মে জারি হওয়া ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট।


 ফুটবল খেলে বাড়ি ফিরে স্নান করেছিল কিশোর, তারপরই কান ফাটানো আর্তনাদ, কিছু বোঝার আগে সব শেষ
২০১০ সালে রাজ্যের ওবিসি সম্প্রদায়কে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। ও বিসি-এ এবং ওবিসি-বি। তৃণমূল আমলে নতুন ৬৬টি সম্প্রদায়কে ওবিসি-র অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০২৪ সালে কলকাতা হাইকোর্ট নতুন ৬৬টি সম্প্রদায়ের ওবিসি অন্তর্ভুক্তি বাতিল করে দেয়। এরপরে তৎকালীন তৃণমূল সরকার শ্রেণিবিন্যাস ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি তালিকার বদল করে। সুপ্রিম কোর্ট তার উপরে স্থগিতাদেশ দেয়নি।


সেই মোতাবেক ওবিসি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি ক্যাটাগরি তুলে দেয়। তারা ওবিসি-তে একটিই ক্যাটাগরি রাখে। অন্য দিকে, সুপ্রিম কোর্ট থেকেও মামলা তুলে নেয় রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল আমলে ইস্যু হওয়া সব সার্টিফিকেট বাতিল করল হাইকোর্ট। ২০১০-এর আগে ইস্যু হওয়া সব সার্টিফিকেট বৈধ বলে গণ্য করা হচ্ছে।

তৃণমূল আমলে ওবিসি সংরক্ষণ ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৭ শতাংশ করা হয়েছিল। তা নিয়ে মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। নতুন সরকার ওবিসি তালিকা ফের ৭ শতাংশে ফিরিয়ে এনেছে। ৭৪টি সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে নতুন ওবিসি তালিকা প্রকাশ করেছে। আপাতত ৬৬টি জনজাতি এই সংরক্ষণের আওতায় রয়েছে।