WEATHER

Top News



দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুজো মথুরাপুরের সদিয়াল গ্রামের সদিয়াল জনকল্যাণ সমিতি পরিচালিত কোজাগরী উৎসব ২০২৬-এর খুঁটি পুজো সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হলো বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই।

এবারের পুজোর মূল আকর্ষণ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দির-কে কেন্দ্র করে বিশেষ থিম। খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপী হালদার। তাঁর উপস্থিতিতেই প্রায় ৫০০ জন দুস্থ মানুষের হাতে ত্রিপল বিতরণ করা হয়, যা অনুষ্ঠানে সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।
উল্লেখ্য, প্রতিবছরের মতো এবারও ৮ দিনব্যাপী কোজাগরী উৎসব উপলক্ষে থাকছে একাধিক সমাজসেবামূলক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি। এর মধ্যে রয়েছে রক্তদান শিবির, বস্ত্র বিতরণ, পাশাপাশি প্রতিদিন সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এই ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুজো ও কোজাগরী উৎসবকে ঘিরে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগমের প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।

ব্যুরো রিপোর্ট | কাকদ্বীপ ডট কম

আর কয়েকদিন পরই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারদীয়া দুর্গাপুজো। সেই উৎসবকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পুজো কমিটি, ক্লাব ও সংগঠন জোরকদমে শুরু করে দিয়েছে প্রস্তুতি। 


তারই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই রথযাত্রার পুণ্য তিথিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের ঐতিহ্যবাহী অমৃতায়ন সংঘের শারদীয়া দুর্গোৎসব ২০২৬-এর শুভ খুঁটিপুজো অনুষ্ঠিত হয়।

এবার অমৃতায়ন সংঘের দুর্গাপুজো ৪০ বছরে পদার্পণ করল। এই বিশেষ বছরে কাকদ্বীপবাসী ও দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে নতুন থিমের বিশেষ আকর্ষণ। পুজো কমিটির সদস্যদের আশা, অন্যান্য বছরের মতো এবারও সৃজনশীল ভাবনা ও নান্দনিক মণ্ডপসজ্জায় অমৃতায়ন সংঘের পুজো সকলের নজর কাড়বে।
রথযাত্রার শুভক্ষণে খুঁটিপুজোর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো অমৃতায়ন সংঘের শারদীয়া দুর্গোৎসব ২০২৬-এর প্রস্তুতি।

প্রতিবেদন: কাকদ্বীপ ডট কম নিউজ টিম

ইসকনের রথযাত্রায় সংবাদ সংগ্রহের কাজে গিয়ে চরম হেনস্থার শিকার হলেন পেশাদার সাংবাদিকরা। ভিআইপি ও গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা বলয়ে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় ‘মিডিয়া কার্ড’ বিতরণে চরম স্বজনপোষণ ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে আয়োজক 



কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। মূল ধারার ও স্বীকৃত সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের বঞ্চিত করে এই কার্ড বিলি করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও ইউটিউব ব্লগারদের, যা নিয়ে সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


মাঠপর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের অভিযোগ, কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় বা দায়বদ্ধতা না থাকা সত্ত্বেও গলায় ‘মিডিয়া’ কার্ড ঝুলিয়ে শৌখিন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা মূল অনুষ্ঠান চত্বরে দাপাদাপি করেছেন।

 এর ফলে একদিকে যেমন প্রকৃত সংবাদের বিশ্বস্ততা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি পেশাদার সাংবাদিকতার মর্যাদাকে চরমভাবে লঘু করা হয়েছে।
বিক্ষুব্ধ সাংবাদিকদের মতে, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার বা ব্লগাররা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সংবাদ সংস্থার নৈতিকতা মেনে চলেন না। ফলে তাঁদের ও সাংবাদিকদের এক সারিতে বসানো যায় না। উৎসব প্রাঙ্গণে মিডিয়া কার্ড বিতরণের এই দায়সারা ও খামখেয়ালি ভূমিকা আসলে মাঠপর্যায়ে লড়াই করা সাংবাদিকদের অবমাননা এবং উৎসবের সামগ্রিক অব্যবস্থারই বহিঃপ্রকাশ। এই বিষয়ে আয়োজক কর্তৃপক্ষের কোনো সদুত্তর মেলেনি।

বর্ষার মরশুম শুরু হতেই ফের কপালে চিন্তার ভাঁজ গঙ্গাসাগর উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের। প্রতি বছরের মতো এবারও সাগরের বিভিন্ন জায়গায় নদী বাঁধের বেহাল দশা ও ভাঙন নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। নদী ভাঙন আর বাঁধ উপচে নোনা জল ঢোকার আশঙ্কায় কার্যত ত্রস্ত এলাকাবাসী। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, সাগরের একাধিক জায়গায় নদী বাঁধ অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে যেখানে বাঁধে ফাটল ধরেছে বা মাটি সরে গেছে, সেখানে সামান্য জোয়ারের জলেই বাঁধ ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়। বর্ষার ভরা কোটাল আর দুর্যোগের ভ্রুকুটি থাকলে এই আতঙ্ক বহুগুণ বেড়ে যায়। সাধারণ মানুষের কথায়, "নদীর পাড়ে বাস, তাই আমাদের চিন্তা বারো মাস। কিন্তু বর্ষার সময় এই চিন্তা আতঙ্কে রূপ নেয়।"

কৃষি জমি ও বসতভিটা হারিয়ে ফেলার ভয়ে থাকা গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, বারংবার স্থানীয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও স্থায়ী সমাধানের দেখা মেলেনি। বর্তমানে যে বেহাল দশা দেখা যাচ্ছে, তাতে জরুরি ভিত্তিতে মেরামত না হলে বড়সড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আবারো আর্জি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এখন দেখার, দুর্যোগ ঘটার আগেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন কি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, নাকি ফের ভাঙনের গ্রাসে পড়তে হয় সর্বস্বান্ত মানুষকে।
গঙ্গাসাগর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শতবর্ষের ঐতিহ্যকে সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের বামুনখালিতে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা। এ বছর এই প্রাচীন রথযাত্রা ১০৬ বছরে পদার্পণ করল, যা ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ।

বুধবার বিকেল থেকেই রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে বামুনখালি এলাকায় ভক্তদের ভিড় জমতে শুরু করে। শুভক্ষণে শত শত মানুষ একসঙ্গে ভক্তিভরে রথের রশিতে টান দেন। হরিনাম সংকীর্তন, শঙ্খধ্বনি এবং "জয় জগন্নাথ" ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। স্থানীয়দের সক্রিয় অংশগ্রহণে রথযাত্রা উৎসব পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।

স্থানীয়দের মতে, বামুনখালির এই রথযাত্রা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং কয়েক প্রজন্ম ধরে চলে আসা এলাকার গৌরব ও ঐতিহ্যের প্রতীক। প্রতিবছরের মতো এবারও দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ এই ঐতিহাসিক রথযাত্রার সাক্ষী হতে উপস্থিত হন।
রথযাত্রাকে ঘিরে এলাকায় নিরাপত্তার পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও ভক্তদের জন্য প্রয়োজনীয় পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ বছরের রথযাত্রা সম্পন্ন হওয়ায় খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। ১০৬ বছরের এই ঐতিহ্য আগামী দিনেও একইভাবে অটুট থাকবে বলেই আশাবাদী সকলেই।

গঙ্গাসাগর থেকে সৌরভ নস্করের রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম

দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান। রথযাত্রার পবিত্র তিথিতে ধুমধাম করে দুর্গাপূজার খুঁটিপুজো সম্পন্ন হলো সাগর ব্লকের কমলপুর গ্রামে। এই গ্রামে আগে কখনো দুর্গাপূজা হতো না, তাই এবারই প্রথম আয়োজিত হতে চলেছে নতুন এই দুর্গোৎসব। 


এদিন প্রথা মেনে নারকেল ফাটিয়ে খুঁটিপুজোর শুভ সূচনা করেন সাগর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক কানাইয়া কুমার রাও। এই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে হাজির ছিলেন স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি থেকে শুরু করে এলাকার সাধারণ মানুষ। কমলপুর সার্বজনীন দুর্গা উৎসব পুজো কমিটির এই প্রথম বর্ষের পদযাত্রায় উদ্যোক্তারা বিশেষ চমক রেখেছেন। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের পুজোর থিম— ‘চাষির ঘরে দুর্গা’। 


গ্রামবাংলার কৃষি সংস্কৃতি ও অন্নদাতাদের সম্মানেই এই বিশেষ থিম বেছে নেওয়া হয়েছে। নতুন এই পুজোকে কেন্দ্র করে কমলপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে চরম উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে চলায় খুশি পুজো কমিটির সদস্যরাও। এলাকার সাধারণ মানুষের আশা, প্রথম বর্ষের এই পুজো আগামী দিনে বড় আকার ধারণ করবে এবং সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেবে। খুঁটিপুজোর দিন থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবের প্রস্তুতি এখন থেকেই জোরকদমে শুরু হয়েছে।

সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এবং পরিবেশ রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে আজ ফুলবাড়ী শীতলা হাই স্কুল (উচ্চমাধ্যমিক)-এ মহাসমারোহে পালিত হলো ‘অরণ্য সপ্তাহ’ কর্মসূচি। এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয় বৃক্ষরোপণ উৎসব এবং বর্ণাঢ্য সচেতনতা র‍্যালি।


এদিন সকাল থেকেই বিদ্যালয় চত্বরে ছিল সাজ সাজ রব। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী এবং ছাত্রছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কর্মসূচির সূচনা হয়। বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ রোপণ করেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। কেবল চারাগাছ লাগানোই নয়, বরং গাছগুলোর পরিচর্যার দায়িত্বও নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তারা। বৃক্ষরোপণের পর, বিদ্যালয় থেকে আশ্রম মোড় বাজার পর্যন্ত একটি সচেতনতা র‍্যালি বের করা হয়। ছাত্রছাত্রীদের হাতে ছিল পরিবেশ রক্ষার নানা প্ল্যাকার্ড ও পোস্টার। তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হতে থাকে ‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’ এবং ‘সবুজে বাঁচুক আগামী প্রজন্ম’-এর মতো পরিবেশবান্ধব স্লোগান। র‍্যালিটি এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, "পরিবেশ রক্ষা কেবল এক দিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নতুন প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশের প্রতি মমত্ববোধ তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।" সবুজ পৃথিবী গড়ার এই শপথ আজ ফুলবাড়ীর ছাত্রছাত্রীদের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার করেছে। গাছ বাঁচানোর এই বার্তায় যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক নিরাপদ ও সুন্দর পৃথিবী গড়ার পথ প্রশস্ত হলো।

ডায়মন্ড হারবার:ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রকে ঘিরে ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ নিয়ে ফের বিতর্ক দানা বাঁধছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়নের দাবি করলেও, ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর ব্লকের সরিষা আশ্রম মোড় থেকে কাঁটাপুকুরিয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় এক হাঁটু পর্যন্ত জল জমে যায়। কোথাও কোথাও রাস্তা ও পুকুরের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায় ১০ থেকে ১৫টি গ্রামের কয়েক লক্ষ মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করেন। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, রোগী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ নিত্যযাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। স্থানীয়দের দাবি, গত প্রায় ১৫ বছর ধরে একই সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধান হয়নি।

স্থানীয় চিকিৎসক ডা. অনুপম প্রামাণিক বলেন, নিকাশি নালা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির জল বের হওয়ার পথ না থাকায় দীর্ঘদিন জল জমে থাকে। বহু বছর ধরে খাল সংস্কারও হয়নি। ফলে ছোট ছোট পড়ুয়াদের কোলে করে রাস্তা পার করাতে হয় এবং রোগীদেরও চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছাতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাঁর অভিযোগ, মাঝে মাঝে কিছু ইট ফেলে সংস্কারের নামে দায়িত্ব পালন করা হলেও স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর বিজেপি মণ্ডলের উদ্যোগে নিকাশি নালা পরিষ্কার ও সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। মণ্ডল সভাপতি উত্তম বাগের দাবি, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এলাকায় স্থায়ী উন্নয়নের পরিবর্তে শুধু প্রতিশ্রুতি ও প্রকল্পের ফলক বসানো হয়েছে। মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবেই প্রশাসনের সহযোগিতায় নিকাশি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা কনকান্তি মণ্ডল ও অভিজিৎ পুরকাইতও দাবি করেন, প্রতিবছর বর্ষায় একই সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। জল জমে থাকার কারণে বহু পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়ে। তাঁরা দ্রুত রাস্তা ও নিকাশি ব্যবস্থার স্থায়ী সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

বঙ্গোপসাগরের রুদ্রমূর্তির কাছে ফের হার মানল আরও একটি ট্রলার! 'জয় মা কালী' ট্রলারের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বকখালি থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে ডুবে গেল 'এফ বি সিদ্ধিবিনায়ক' নামের একটি মৎস্যজীবী ট্রলার। তবে কাছাকাছি থাকা অন্য ট্রলারগুলির তৎপরতায় রক্ষা পেয়েছেন ট্রলারে থাকা ১৩ জন মৎস্যজীবীই।

মৎস্যজীবী সংগঠন ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই নামখানা ঘাট থেকে 'এফ বি সিদ্ধিবিনায়ক' ট্রলারটি নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে রওনা দিয়েছিলেন ১৩ জন মৎস্যজীবী।
সোমবার রাতে মাছ ধরার সময় বকখালি উপকূল থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে উত্তাল সমুদ্রের প্রবল ঢেউ আছড়ে পড়ে ট্রলারটির ওপর। 

জলের প্রচণ্ড তোড়ে ট্রলারের তলায় বড়সড় ফাটল ধরে যায় এবং হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করে। বিপদ বুঝে মৎস্যজীবীরা চিৎকার শুরু করলে,কাছাকাছি থাকা অন্যান্য মৎস্যজীবী ট্রলারগুলি দ্রুত সেখানে ছুটে আসে। 


ট্রলারের মৎস্যজীবীরা ডুবন্ত 'সিদ্ধিবিনায়ক' থেকে ১৩ জন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করেন।এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনাগ্রস্ত ওই ট্রলারটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
 খুব শীঘ্রই রাজ্যে চালু হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা (Chief Minister Health Insurance Scheme)। আয়ুষ্মানের মতো এই প্রকল্পেও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেশ চিকিৎসার (Cashless Medical Benefit) সুবিধা মিলবে। সেক্ষেত্রে মূলত কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, কীভাবে আবেদন করতে হবে, জেনে নিন সব খুঁটিনাটি।

কারা পাবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা? কীভাবে আবেদন করবেন, জেনে নিন বিশদে
শুভেন্দু অধিকারী

শুভেন্দু-সরকার (CM Suvendu Adhikari) আসার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে (Ayushman Bharat Scheme) আবেদন শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে আবেদন করা শুরু করেছেন রাজ্যবাসীর একাংশ। কারণ সকলে এই স্বাস্থ্য প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। কারণ আয়ুষ্মান ভারতে আবেদনের জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। সেই শর্ত থেকে বাদ যাচ্ছেন বহু মানুষ। সেক্ষেত্রে তাঁদের কথা ভেবে ইতিমধ্যেই বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। খুব শীঘ্রই রাজ্যে চালু হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা (Chief Minister Health Insurance Scheme)। আয়ুষ্মানের মতো এই প্রকল্পেও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেশ চিকিৎসার (Cashless Medical Benefit) সুবিধা মিলবে। সেক্ষেত্রে মূলত কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, কীভাবে আবেদন করতে হবে, জেনে নিন সব খুঁটিনাটি।


কারা পাবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা?
যাঁরা ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর সুবিধা পাবেন না, তাঁরা প্রত্যেকেই মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে জেনে নেওয়া যাক, কারা আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা পাচ্ছেন না।


এটিও পড়ুন
ইমপা থেকে অবশেষে পদত্যাগ করলেন পিয়া সেনগুপ্ত ?
১৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও থামছে না শুটিং! টলিপাড়ায় কোন জটিলতা...
ধনে পাতা তো খান, ডাটা ফেলে দিয়ে বড় ভুল করে ফেলছেন না তো?
আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা কারা পাবেন না?
এসইসিসি-র ভিত্তিতে চিহ্নিত বঞ্চিতদের তালিকায় যাঁরা পড়ে না, তাঁরা আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা পাবেন না
যাঁদের পাকা বাড়ি রয়েছে, তাঁরা পাবেন না।
এছাড়া, সাফাইকর্মী, গৃহপরিচারক, হকার, রিকশাচালক, রাজমিস্ত্রি, নির্মাণ শ্রমিক, কলের মিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান, নিরাপত্তা কর্মীর মতো ১১টি পেশার সঙ্গে যদি যুক্ত না থাকেন, তাহলে আয়ুষ্মান ভারত পাবেন না।
কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমাতে আবেদন করবেন?
মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে বা এই প্রকল্পে আবেদনের জন্য এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি হয়নি। এক সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বিগত সরকারের আমলে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার জন্য স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেওয়া হয়েছিল। সেক্ষেত্রে, যাঁদের স্বাস্থ্যসাথীতে নাম ছিল, তাঁদের নাম সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমাতে ট্রান্সফার করা যায় কি না কিংবা নতুন করে আবেদন করতে হবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কিছুই হয়নি। সবটাই আলোচনার স্তরে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সরকারের তরফে এই বিষয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হবে।

মমতা জমানার শেষের দিকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার ছিলেন সুপ্রতিম সরকার। পরে রাজ্যে নির্বাচনী বিধি কার্যকর হওয়ার পর কমিশনের নির্দেশে তাঁকে ওই পদ থেকে সরে যেতে হয়। ভিনরাজ্যে অবজারভার হিসেবেও পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

পদ থেকে সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে, রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল
সুপ্রতিম সরকার


রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল। ফের পদ থেকে সরানো হল কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে (Supratim Sarkar)। এডিজি সিআইডি পদ থেকে সরানো হল তাঁকে। একইসঙ্গে একাধিক আইপিএস ও ডব্লুবিপিএস পদে রদবদল হয়েছে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বারুইপুর-কাণ্ডে দুই এএসপি-কেও সরানো হয়েছে।


কাকে কোথায় বদল করা হল
এডিজি সিআইডি পদ থেকে সরানো হয়েছে আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে। এডিজি সিআইডি পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এডিজি টেলিকম পদ। এটি অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদ। ডিজি সিআইডি পদে আনা হল নটরাজন রমেশবাবুকে।


তারকেশ্বর নিয়ে প্রাক্তন সরকার একচোখ বন্ধ করে রাখত: শুভেন্দু
তৃণমূল আমলের আর্থিক দুর্নীতি খোঁজার দায়িত্বে ডিরেক্টর অব ইকোনমিক অফেন্স পদে নিয়ে আসা হল সৎ অফিসার হিসেবে পরিচিত কে জয়রামনকে।


বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরানো হল ত্রিপুরারি অথর্ভকে। বিধাননগরের নতুন সিপি হলেন অমিত রাথোড়।

বারুইপুরের দুজন অ্যাডিশনাল এসপি-কেও সরানো হয়েছে। পিনাকি দত্তকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল অতীশ বিশ্বাসকে। সূর্যপুরের ঘটনা মুখ্যমন্ত্রী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কেন অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি করে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তারপরই এই পদক্ষেপ।

ভোট ঘোষণার পরই সরানো হয়েছিল সুপ্রতিম সরকারকে
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরই আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এডিজি সিআইডি করা হয়েছিল তাঁকে। পরে ভিনরাজ্যে পুলিশ অবজারভারের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল এই আধিকারিককে। তামিলনাড়ুর পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্ব পালনের জন্য পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

এডিজি টেলিকম পদ কী?
রাজ্য় পুলিশ যে টেলিকম ব্যবস্থা ব্যবহার করে। সেই ওয়্যারলেস টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম চালানোর দায়িত্ব থাকে এডিজি টেলিকমের হাতে। তবে পুলিশ মহলে এই পদের তেমন গুরুত্ব নেই।

  মৌলবাদীদের চাপে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। পরে ২০০৪ সালে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন কলকাতায়। বাংলা ভাষার শহর কলকাতাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন। সাহিত্যিক মহলে বেড়ে ওঠে পরিচিতি। বাম নেতাদের সঙ্গেও তৈরি হয় সুসম্পর্ক। তারপর কী এমন ঘটল!

নির্বাসনের পর নির্বাসন জুটেছে তসলিমার (Taslima Nasreen)। বাংলাদেশ, কলকাতা, ভারত ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। ‘লজ্জা’র লেখিকাকে নিয়ে যেমন বিতর্কের শেষ নেই, তেমনই বাম সরকারকে কম প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি। যারা নিজেদের উদারপন্থী বলে থাকে, সেই বামেদের আমলে কেন তসলিমাকে কলকাতা ছাড়তে হল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারবার। প্রশ্ন তুলেছেন বিদ্বজনেরা। তসলিমা নাসরিন নিজে বারবার বাম সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একাধিক পোস্টে নিজেকে ‘বামপন্থী’ বলে দাবি করেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, কেন বাম সরকার তাকে বের করে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল?

মৌলবাদীদের চাপে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। পরে ২০০৪ সালে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন কলকাতায়। বাংলা ভাষার শহর কলকাতাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন। সাহিত্যিক মহলে বেড়ে ওঠে পরিচিতি। বাম নেতাদের সঙ্গেও তৈরি হয় সুসম্পর্ক।


পরে কলকাতায় বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করে। শুরু হয় অশান্তি। তাঁর শিরচ্ছেদের নিদান দিতে শুরু করে কোনও কোনও সংগঠন। কেউ বলে ক্ষমা চাইতে হবে। ২০০৭ সালে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের বিধায়করা তসলিমা নাসরিনের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন।

 তৃণমূল সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। এমন অভিযোগ আকছাড় উঠত। সরকারি বাস রাস্তায় প্রায় চলেই না। আর এতে সব থেকে বেশি অসুবিধায় পড়তেন নিত্যযাত্রীরা। তবে, এবার পালা বদল হয়েছে। আর তারপরই সরকারি বাস চালানোর আশ্বাস দিয়েছে সরকার। 

'সোনার বাস চালাব', আশ্বাস অর্জুনের, কী এই সোনার বাস জানেন?
অর্জুন সিং, পরিবহন মন্ত্রী

মন্ত্রিত্ব পেয়েই একের পর এক জনমূখী উদ্যোগ নিয়েছেন পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। রাজ্যে চালু হয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। উদাহরণ দিতে গিয়ে বলতেই হয় তারকেশ্বরের কথা। সোমবার তারকেশ্বর থেকে পাঁচটি সরকারি বাস চালু হয়েছে। আর এবার রাজ্যে সোনার বাস চলবে বলে আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী অর্জুন সিং। সত্যিই কি সোনার বাস চলবে? এই সোনার বাসই বা কী, সবই ব্যাখ্যা দিলেন অর্জুন।


সোনার বাস কী?


রোজ ওটস খাচ্ছেন! ওটস খেলে শরীরে কী কী ঘটে জানেন তো?
প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়কে চিঠি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর, কী আছে চিঠিতে?
তৃণমূল সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। এমন অভিযোগ আকছাড় উঠত। সরকারি বাস রাস্তায় প্রায় চলেই না। আর এতে সব থেকে বেশি অসুবিধায় পড়তেন নিত্যযাত্রীরা। তবে, এবার পালা বদল হয়েছে। আর তারপরই সরকারি বাস চালানোর আশ্বাস দিয়েছে সরকার।


অর্জুন সিং জানিয়েছেন, একটা সময় ছিল ব্যারাকপুর সুভাষ চন্দ্র বাস টার্মিনাল থেকে অনেক বাস যেত। ধীরে ধীরে এই এলাকা থেকে অনেক বাস বন্ধ হয়েছে। পরিবহন ব্য়বস্থা তলানিতে গিয়েছে। বিজেপি সরকার চেষ্টা করছে যেখানে পরিবহন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে, সেখান থেকে সরকারি বাস চালানোর। তিনি বলেন, “প্রায় ৫০ টা নতুন বাস চালাব। পুজোর আগে আরও ৪৮৭টা বাস আনার চেষ্টা করছি। এর পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থাতে অনেক লিকেজ থাকে। সেই লিকেজ বন্ধ হলে আমরা সোনার বাস চালাতে পারব।”

পরে সোনার বাসের আসল অর্থ বোঝান রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী। তাঁর কথায়, যদি তৃণমূল আমলের মতো টায়ার চুরি, পার্টস চুরি করা হত। এইসব যদি বন্ধ করা যায়, তাহলে সোনার বাস চালানো যেতে পারে। অর্থাৎ পরিবহন দফতরকে দুর্নীতি মুক্ত করতে পারলে আগামিদিনে রাজ্যে সোনার সরকারি বাস চলানো যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অর্জুন।