WEATHER

Top News


সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের কাছে ৩০ হাজার ৪৭০ ভোটে পরাজিত হন খোকন দাস। এরপরই উইকিপিডিয়ার ইংরেজি সংস্করণে তাঁকে ‘Indian gangster’ এবং পেশার জায়গায় ‘Politician, Gangster’ বলে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও দাঙ্গা ছড়ানোর মতো একাধিক অপরাধমূলক মামলার ধারারও উল্লেখ করা হয়েছে পাতটিতে।

 উইকিপিডিয়ায় X MLA-এর নামের পাশে লেখা 'গ্যাংস্টার', খোকন দাসকে ঘিরে নতুন বিতর্ক
খোকন দাস, প্রাক্তন বিধায়ক

বিতর্কের কেন্দ্রে এবার বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস। উইকিপিডিয়ায় তাঁর নামের পাশে পেশা হিসাবে ‘গ্যাংস্টার’ এবং ‘গুন্ডা’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার স্ক্রিনশট সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের কাছে ৩০ হাজার ৪৭০ ভোটে পরাজিত হন খোকন দাস। এরপরই উইকিপিডিয়ার ইংরেজি সংস্করণে তাঁকে ‘Indian gangster’ এবং পেশার জায়গায় ‘Politician, Gangster’ বলে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও দাঙ্গা ছড়ানোর মতো একাধিক অপরাধমূলক মামলার ধারারও উল্লেখ করা হয়েছে পাতটিতে।



এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্রের দাবি, “উইকিপিডিয়া যা দিয়েছে তা সত্য। তাঁর উত্থানের নেপথ্যের সত্যিটাই এখানে প্রকাশ পেয়েছে।” অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পালটা দাবি, উইকিপিডিয়া একটি ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় যে কেউ তথ্য পরিবর্তন করতে পারে। নির্বাচনে পরাজয়ের সুযোগ নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই বিকৃতি করা হয়েছে। তবে এই পুরো বিতর্ক নিয়ে খোকন দাসের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।


 কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, ট্রেনের সংখ্যা কমছে কেবল ওপরের তিনটি লাইনেই। উৎসবের দিনে পার্পল লাইন (জোঁকা - মাঝেরহাট) এবং অরেঞ্জ লাইনে (কবি সুভাষ - হেমন্ত মুখোপাধ্যায়) মেট্রো পরিষেবায় কোনও হেরফের হচ্ছে না। এই দুই রুটে অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক নিয়মে ট্রেন চলাচল করবে।


বৃহস্পতিবার কম চলবে মেট্রো, কোন রুটে কত ট্রেন চলবে জানুন বিস্তারিত
কলকাতা মেট্রো

আগামী বৃহস্পতিবার ইদ। সেই দিন রয়েছে সরকারি ছুটি (Goverment Holiday)। সেই কারণে ওইদিন কমছে মেট্রোর (Metro) সংখ্যা। তবে অপরিবর্তিত থাকছে প্রথম ও শেষ ট্রেনের সময়। মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ওই দিন ব্লু লাইন (Blue Line), গ্রিন লাইন (Green Line) এবং ইয়েলো লাইনে (Yellow মেট্রোর সংখ্যা খানিক কমানো হয়েছে।


ছুটির দিনে কোন লাইনে কতগুলি মেট্রো চলবে, দেখে নিন এক নজরে:



ব্লু লাইন (দক্ষিণেশ্বর – কবি সুভাষ): সাধারণত এই লাইনে ২৬০টি ট্রেন চলে। তবে, বৃহস্পতিবার চলবে ২৪৬টি মেট্রো।

গ্রিন লাইন (সল্টলেক সেক্টর ফাইভ – শিয়ালদহ / হাওড়া ময়দান – এসপ্ল্যানেড): এই লাইনে ট্রেনের সংখ্যা প্রতিদিন ২২৮ থাকে। সেটা কমিয়ে ২০৪টি করা হচ্ছে।

ইয়েলো লাইন (নোয়াপাড়া – বারাসাত বারাসাত ভায়া বিমানবন্দর রুট): এই শাখায় ১২০টি মেট্রো চলে। পরিবর্তে ওই দিন মাত্র ৯২টি মেট্রো চলবে।

যাত্রীদের জন্য স্বস্তি

তবে, মেট্রোর সংখ্যা কমলেও নিত্যযাত্রীদের জন্য স্বস্তির খবর, তিন লাইনেই প্রথম এবং শেষ ট্রেনের সময়সূচীতে কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না। অর্থাৎ, অন্যান্য দিনের মতোই সকালের প্রথম গাড়ি এবং রাতের শেষ গাড়ি নির্দিষ্ট সময়েই স্টেশন ছাড়বে।

অপরিবর্তিত থাকছে বাকি দুই রুট

কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, ট্রেনের সংখ্যা কমছে কেবল ওপরের তিনটি লাইনেই। উৎসবের দিনে পার্পল লাইন (জোঁকা – মাঝেরহাট) এবং অরেঞ্জ লাইনে (কবি সুভাষ – হেমন্ত মুখোপাধ্যায়) মেট্রো পরিষেবায় কোনও হেরফের হচ্ছে না। এই দুই রুটে অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক নিয়মে ট্রেন চলাচল করবে।

আজ, মঙ্গলবার পর্যন্ত মেয়াদ ছিল জাহাঙ্গিরের রক্ষাকবচের। সেই মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি জানানো হয়েছিল আদালতে। কিন্তু প্রার্থী হিসেবে যে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল, সেটা কেন এখনও থাকবে, প্রশ্ন ওঠে হাইকোর্টে।


পুষ্পা'র সব খেলা শেষ! 'আত্মসমর্পণ করুন', সাফ নির্দেশ হাইকোর্টের
জাহাঙ্গির খানের মামলা

ফলতায় পরাজয়ের পর এবার চরম অস্বস্তিতে ফলতার ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গির খান (Jahangir Khan)। আগের দেওয়া রক্ষাকবচের মেয়াদ আর বাড়াতে চাইল না আদালত। এই মুহূর্তে অন্তর্বতী রক্ষাকবচ নয়। সাফ জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল আগেই। এবার বিচারপতি পার্থসারথী সেনের অবকাশকালীন বেঞ্চের নির্দেশে নতুন করে আর কোনও রক্ষাকবচ দেওয়া হল না।

গত রবিবার ফলতা কেন্দ্রের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়েছে। আজ, মঙ্গলবার পর্যন্ত মেয়াদ ছিল জাহাঙ্গিরের রক্ষাকবচের। সেই মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি জানানো হয়েছিল আদালতে। কিন্তু প্রার্থী হিসেবে যে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল, সেটা কেন এখনও থাকবে, প্রশ্ন ওঠে হাইকোর্টে। ভোটের আগেই যিনি নিজেকে ‘পুষ্পা’ বলে পরিচয় দিয়েছিলেন, পুনর্নির্বাচনের আগে সেই জাহাঙ্গিরই প্রার্থী হিসেবে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছিলেন।

মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিকর পোস্ট, মাশুল দিতে হল রাজেশকে
উল্লেখ্য, ফলতা থানায় জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে দুটি এফআইআর দায়ের হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই এই রক্ষাকবচ চাওয়া হয়েছিল। পুনর্নির্বানের আগে সেই রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল।

বিচারপতি পার্থসারথী সেন বলেন, “ঠিক হোক বা ভুল, পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তার মানে আপনাকে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। আপনি আত্মসমর্পণ করুন। তদন্তে সহযোগিতা করুন।” বিচারপতির পরামর্শ, পুলিশ রিপোর্ট জমা দেওয়ার আগে চাইলে মামলা তুলে নিতে পারেন জাহাঙ্গির। তবে মামলা তুলে নিতে রাজি হননি জাহাঙ্গিরের আইনজীবী।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য সাথীকে আয়ুষ্মান ভারতে ও লক্ষ্মীর ভান্ডারকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারে কনভার্ট করার কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার বিকালে নবান্ন থেকে তিনি ও সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল একটি ফর্ম পাবলিশ করবেন। যে ফর্ম অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেতে পূরণ করতে হবে।

এই প্রথম জানা গেল অন্নপূর্ণার টাকা পেতে গেলে কী করতে হবে? স্পষ্ট করে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী
অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে বড় ঘোষণা

অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে একটি বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবারই নবান্ন থেকে প্রকাশিত হচ্ছে একটি ফর্ম। অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা পেতে হলে , সেই ফর্ম ফিল আপ করতে হবে সকলকে। মঙ্গলবার কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠকের পর ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

বুধবার প্রশাসনিক বৈঠকের পর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ? 



মৌখালীর নদীর চর জুড়ে শওকতের ছেলের বিরাট ক্যাফে, দেখে নিন
মুখ্যমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য সাথীকে আয়ুষ্মান ভারতে ও লক্ষ্মীর ভান্ডারকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারে কনভার্ট করার কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার বিকালে নবান্ন থেকে তিনি ও সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল একটি ফর্ম পাবলিশ করবেন। যে ফর্ম অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেতে পূরণ করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই বিষয়ে কালকেই বিস্তারিত বলা হবে। এনরোলমেন্ট যত তাড়াতাড়ি করবেন, তত দ্রুত বেনিফিট আমরা দিতে পারব। অন্নপূর্ণা যোজনার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে কাল থেকে। যেমন যেমন ফর্ম ফিলাপ হবে, তেমন তেমন ৩ হাজার টাকা ট্রান্সফারও শুরু হয়ে যাবে। ৩ হাজার টাকা না ট্রান্সফার হওয়া পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকতে থাকবে।”

পয়লা জুন থেকে মিলবে এই প্রকল্পের টাকা। যাঁরা যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছিলেন তাঁরা প্রত্যেকেই অন্নপূর্ণার ভান্ডার পাবেন। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, ভোটার লিস্ট থেকে তাঁদের ব্যাপারে যাচাই হবে। তবে যাঁরা ট্রাইবুনালে রয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই আপাতত টাকা পাবেন।

ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ব্যাঙ্কে DBT অর্থাৎ ‘ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার’ অপশন লিঙ্ক করানোর জন্য মহিলারা ভিড় জমাচ্ছেন। তারমধ্যে বুধবার প্রকাশিত হচ্ছে আরও একটি নতুন ফর্ম। সেই ফর্মও পূরণ করতে হবে উপভোক্তাদের। জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

 সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তাঁর জবাব ছিল, 'প্রশাসনিক সভায় যে কেউ আসতে পারেন।' এবার তা নিয়ে মুখ খুললেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক সভা শেষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, 'বারাসতের সাংসদদে বিশেষ বিশেষ ভাবে ডেকেছিলাম, উনি এসেছেন।' রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুখ্য়মন্ত্রীর এই বক্তব্য যথেষ্টই ইঙ্গিতবাহী। 

বারাসতের সাংসদদে বিশেষ বিশেষ ভাবে ডেকেছিলাম...', কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?
কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখন চর্চা তুঙ্গে। সেই চর্চা শুরু হয় জেলা সভাপতির পদ থেকে তাঁর ইস্তফা দেওয়ার পরই। দলের কৌশলগত অবস্থান ও ভোটকুশলী সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে পান কেন্দ্রের Y ক্যাটাগরির নিরাপত্তা। সেই তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জল্পনা উস্কে এদিন যোগ দেন কল্যাণীতে মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক সভায়। তাতে আরও জল্পনা বাড়ে।


সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তাঁর জবাব ছিল, ‘প্রশাসনিক সভায় যে কেউ আসতে পারেন।’ এবার তা নিয়ে মুখ খুললেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক সভা শেষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, ‘বারাসতের সাংসদদে বিশেষ বিশেষ ভাবে ডেকেছিলাম, উনি এসেছেন।’ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুখ্য়মন্ত্রীর এই বক্তব্য যথেষ্টই ইঙ্গিতবাহী।


সংসারে এল করণ-অর্জুন, যমজ সন্তানের মা হলেনদিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠী
প্রশাসনিক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সৌজন্যের বার্তা দিয়েেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আমরা তো গত পাঁচ বছর কোনও প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকই পাইনি। তবে আমি প্রথম দিন থেকেই বলেছিলাম, আমাদের বৈঠকে বিরোধীদের সকলকেই আমন্ত্রণ জানানো হবে।”

এদিন বৈঠকে বারাসতের বিরোধী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার- সহ বসিরহাটের বিধায়কদের উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করে তিনি। এদিনের বৈঠকে দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান বিদেশ, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন, স্বরূপনগরের বিধায়ক বীনা মণ্ডল। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সম্মান দেওয়ার বিষয়টি রাজ্য ও জাতীয় স্তরের ক্যাডার বিধিতে স্পষ্ট বলা রয়েছে। এমনকি বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের বৈঠকে বক্তব্য রাখার সুযোগও দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা চাই মানুষ ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের আসল সুফল পান। ভোটের সময়ে রাজনৈতিক কচকচানি চলতেই পারে, কিন্তু বছরের বাকি সময়টা আমরা ইতিবাচক ও গঠনমূলক ভাবনা নিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করব।”

 কয়েকদিন ধরেই রীতিমতো ডামাডোল চলছে কলকাতা পুরসভার অন্দরে। রাজ্যে পালবদলের পর পুরসভার প্রথম মাসিক অধিবেশন বাতিল হয়ে যায়। বিজ্ঞপ্তি জারি করে অধিবেশন বাতিলের কথা জানিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পান্ডে।

কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদদের আচমকাই ডেকে পাঠালেন মমতা, কেন?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদদের আচমকাই ডাক তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই কলকাতার মেয়র-সহ প্রত্যেক মেয়র পারিষদ সদস্য পৌঁছেছেন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে। তবে কি কারণে এই তলব তা নিয়ে সন্দিহান মেয়র পারিষদরা। ইতিমধ্যেই কলকাতা পৌরসভার মেয়র পরিষদ বৈঠক বাতিল হয়েছে। অধিবেশন ঘিরে হয়েছে বিস্তর বিতর্ক। এমনকি অধিবেশন বিতর্ক গড়িয়েছে থানা পর্যন্ত। কলকাতা পৌরসভার একজন মেয়র পারিষদ সদস্যকে তলবও করা হয়েছে। এই অবস্থায় কি কারণে ঢেকে পাঠালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তা নিয়ে ঘুরছে প্রশ্ন। 

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন মমতা। তা নিয়েও বিস্তর চর্চা হয়েছিল। এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবৈধ বাড়ি ভাঙার নোটিস নিয়েও হিন্দোল কম হয়নি। কেন কলকাতা পুরসভায় থেকেও খোদ মেয়র এ খবর পাননি তা নিয়ে আবার আগে কালীঘাটের বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মমতা। খবর ছিল এমনটাই।  


কয়েকদিন ধরেই রীতিমতো ডামাডোল চলছে কলকাতা পুরসভার অন্দরে। রাজ্যে পালবদলের পর পুরসভার প্রথম মাসিক অধিবেশন বাতিল হয়ে যায়। বিজ্ঞপ্তি জারি করে অধিবেশন বাতিলের কথা জানিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পান্ডে। বদলি হয়ে গিয়েছে পৌরসভার সচিব স্বপন কুন্ডুকেও। আচমকা অধিবেশন বাতিল নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছিল কলকাতার মেয়র থেকে শুরু করে অন্য়ান্য তৃণমূল কাউন্সিলরদের। এমতাবস্থায় এখন মেয়র পারিষদদের ডেকে মমতা কী বার্তা দেন সেদিকে নজর রাজনৈতিক মহলের।
যে দোষ করেছে তাঁকে শাস্তি দিন…’, ‘বুলডোজারের’ আতঙ্কে বেলেঘাটার বাসিন্দারা

যে দোষ করেছে তাঁকে শাস্তি দিন...', 'বুলডোজারের' আতঙ্কে বেলেঘাটার বাসিন্দারা
বিল্ডিং বিভাগে বাড়ছে লাইন

একের পর এক বেআইনি নির্মাণে নোটিস। আশ্রয় হারানোর ভয় কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের হিয়ারিং সেকশনে ভিড় সেই সব নির্মাণের বাসিন্দাদের। সম্প্রতি, রবিবার বেলেঘাটা সহ প্রায় ছয় জায়গায় বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এদিকে, একের পর এক বেআইনি নির্মাণ তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতী তথা প্রোমোটার রাজু নস্করের বিরুদ্ধে। সেই নির্মাণ গুলিতে কেউ চার বছর কেউ আবার পাঁচ বছর কেউ আবার এক বছর থাকতে শুরু করেছেন ফ্ল্যাট কিনে। এখন সেইগুলিতেই নোটিস পড়ার আতঙ্কে ঘুম উড়েছে বাসিন্দাদের।

ইতিমধ্যেই হিয়ারিং সেকশনে এসে পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিকদের কাছে আবেদন পড়েছে, ‘যে দোষ করেছে তাঁকে শাস্তি দিন। জরিমানা ব্যবস্থাও করুন। কিন্তু আশ্রয় ভেঙে দেবেন না। আমরা তাহলে থাকবো কোথায়।’ যদিও পৌরসভা সূত্রে খবর, মোট ১২টি নোটিস প্রাপ্ত আবাসনের বাসিন্দারা হিয়ারিং সেকশনে এদিন এসেছেন



শাওনা ঘোষ বলেন, “বাড়িতে নোটিস পড়েছে। আমার বাড়িতে মা থাকেন। এটা তো ভয়ের ব্যাপার। পুরসভার সঙ্গে কনট্যাক্ট করার পরই পরপর নোটিস আছে। আমরা তো জমি দিয়েছি। প্রোমোটার ছিল রাজু নস্কর।” সুব্রত বিশ্বাস বলেন, “এখন তো আমরা বিপদে পড়ে গিয়েছি। জমির মালিক আমরাই। এবার কিছু যে সমস্যা আছে সেটা তো বুঝতে পারিনি।”

বস্তুত, শহর ও শহরতলির বুকে গজিয়ে ওঠা একের পর এক বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে বিজেপি প্রশাসন। বারবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও কাজ বন্ধ না করায়, বিশাল পুলিশ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বেআইনি বহুতল ও অবৈধ দখলদারি ভাঙার কাজ শুরু করে পুরসভা। আর এই অভিযানে উচ্ছেদ ও ভাঙার মূল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় ভারী ‘বুলডোজার’। মূলত,প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে জলাশয় ভরাট করে এবং পুরসভার উপযুক্ত অনুমতি ছাড়াই বেশ কিছু বহুতল ও বাণিজ্যিক কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছিল। তারপরই এই পদক্ষেপ করে প্রশাসন।

এ দিকে, পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে ব্যহত হতে শুরু করেছে পুর পরিষেবা। সাফাই থেকে শুরু করে অন্যান্য পরিষেবার কাজ ঢিমেতালে চলছে বলে এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনও পদক্ষেপ না করায় ডায়মন্ড-হারবার পুরসভার চেয়ারম্যান প্রণব দাস কাজকর্ম দেখভাল করছেন। কোথাও কোনও পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান।

 এবার অভিষেকের ডায়মন্ড-হারবারে ঘুরে গেল 'খেলা'
মমতা ও অভিষেক


 তৃণমূল রাজ্য থেকে সরে যেতেই জায়গায়-জায়গায় বোর্ড ভেঙে পড়ছে। সম্প্রতি টালমাটাল অবস্থা যাচ্ছিল কলকাতা পৌরনিগমেরও। শুধু তাই নয়, বহু জায়গা থেকে তোলাবাজি সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার হচ্ছেন কাউন্সিলররা। আর এবার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড-হারবারে বড় ভাঙন। ১৬ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ১০ জন পদত্যাগ করায় ভেঙে গেল পুরবোর্ড। সম্প্রতি, ডায়মন্ড-হারবার লোকসভা কেন্দ্রের ফলতা বিধানসভায় লক্ষাধিক ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি। এক সময় এই ডায়মন্ড-হারবারে বিরোধীরা দাগ কাটতে পারত না। এখন সেখানেই ফুটেছে পদ্ম, ভেঙে যাচ্ছে বোর্ড। ফলত, আসন্ন পুরভোটের ক্ষেত্রে তা যে রাজনীতিতে দাগ কাটতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।


গতকাল আট জন কাউন্সিলর সশরীরে ডায়মন্ড হারবার পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছিলেন। এছাড়াও বাকি দুই মহিলা কাউন্সিলর তাঁদের পদত্যাগ পত্র অনলাইনে পুরসভাতে পাঠিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ১৬ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ১০ জন কাউন্সিলর পদত্যাগ করায় ভেঙে গিয়েছে ডায়মন্ড হারবার পুর বোর্ড।



স্কুলের সিঁড়ি দিয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে গেল...', ১২ দিন কোমায় থাকার পর মৃত্যু আয়ুষের, শহরের স্কুলের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ
Shanu Baksi land Scam: 'ও নিজেও...', টালির এক চালা বাড়িতে বসে BDO শানু বক্সীর মা মেয়ের সম্পর্কে বলতে গিয়ে কেঁদেই ফেললেন...
এ দিকে, পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে ব্যহত হতে শুরু করেছে পুর পরিষেবা। সাফাই থেকে শুরু করে অন্যান্য পরিষেবার কাজ ঢিমেতালে চলছে বলে এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনও পদক্ষেপ না করায় ডায়মন্ড-হারবার পুরসভার চেয়ারম্যান প্রণব দাস কাজকর্ম দেখভাল করছেন। কোথাও কোনও পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রণব দাস।


প্রণববাবু বলেন, “পুরসভাতে প্রশাসক বসানো হলেও আশা করি মানুষের পরিষেবার কাজ ব্যাহত হবে না।” বিষয়টি প্রশাসন এবং সরকারের নজরে রয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতা দীপক হালদার।

তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরদ্বীপ। তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় ভূগর্ভস্থ জলের স্তর নেমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে পানীয় জলের অপচয় রুখতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে সাগর ব্লক প্রশাসন। 

মঙ্গলবার দ্বীপের বিভিন্ন প্রান্তে মাইকিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বর্তমানে পানীয় জলের প্রতিটি ফোঁটা অত্যন্ত মূল্যবান। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, গৃহস্থালির টেপ কল খোলা থাকার কারণে প্রচুর জল নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া চাষাবাদের কাজে ভূগর্ভস্থ জল তোলায় যে সাবমার্সিবল পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে, তার যথেচ্ছ ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। জল অপচয় বন্ধ করতে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।


 সাগর ব্লক প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশ অমান্য করলে বা জল অপচয়ের ঘটনা অব্যাহত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামীর সংকট মোকাবিলা করতে এবং জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের এই বার্তা যে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার, ব্লক প্রশাসনের এই সচেতনতা প্রচার কতটা প্রভাব ফেলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাসে।
  স্বাস্থ্য নিয়ে একাধিক বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের চারটি জেলায় মেডিক্যাল কলেজ নেই। চার জেলার জন্য প্রস্তাবিত জমি ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হবে। অর্থাৎ সব জেলায় মেডিক্যাল কলেজ তৈরি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।


জুলাই থেকে মিলবে আয়ুষ্মান কার্ড, যাঁদের 'স্বাস্থ্য সাথী' আছে, তাঁদের কী হবে


রাজ্যে পালাবদলের পর আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) স্কিম চালু হওয়া সময়ের অপেক্ষা। স্কিম যে দ্রুত চালু হবে, তা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে। শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাস থেকেই আয়ুষ্মান কার্ড দেওয়া হবে বাংলায়।

আয়ুষ্মান কার্ডের সুবিধা কারা পাবেন?
৬ কোটির বেশি মানুষ, যাঁরা স্বাস্থ্যসাথীতে যুক্ত আছেন, তাঁদের সবাইকেই আয়ুষ্মান ভারতে যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।


শূন্য পেয়েও কীভাবে প্রথম প্রশান্ত বর্মণ? শিউরে ওঠার মতো 'দুর্নীতি'-র কাহিনি শোনালেন পার্থসারথি সেনগুপ্ত 
স্বাস্থ্যসাথীতে যুক্ত হননি, এমন কেউ যদি আয়ুষ্মান ভারত স্কিমে যুক্ত হতে চান, তাঁদের জন্যও সুযোগ থাকছে বলে জানান শুভেন্দু।

পশ্চিমবঙ্গের যে সব বাসিন্দা কর্মসূত্রে অন্য রাজ্যে আছেন, তেমন এক কোটি মানুষও এই স্কিমের সুবিধা পাবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে বাংলার জন্য ৯৭৬ কোটি টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে।

আর কী কী ঘোষণা করা হল স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে
শুভেন্দু জানান, ২১০৩ কোটি টাকা ‘ভারত সরকার ন্যাশনাল হেলথ মিশন’-এ এই অর্থবর্ষ অনুমোদন মিলেছে। তার মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা আজই মিলেছে।

পশ্চিমবঙ্গের চারটি জেলায় মেডিক্যাল কলেজ নেই। চার জেলার জন্য প্রস্তাবিত জমি ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।

সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের প্রতিষেধক ৭ লক্ষের বেশি দেওয়া হবে পশ্চিমবঙ্গে। ১৪-১৫ বছরের কিশোরীদের দেওয়া হবে। আগামী ৩০ মে রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হবে।

কলকাতায় টিবি মুক্ত ভারতের ওয়ার্কশপ হবে।

৪৬৯টি প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি যোজনার সেন্টার তৈরি করা হবে। সেই সঙ্গে অমৃত প্রকল্পে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ ছাড়ে দুরারোগ্য ব্যধির ওষুধ বিতরণ করা হবে।

নিরাপত্তা শুধু মানব নির্ভর হবে না। নতুন ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক সেন্সর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করা হবে। স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পে রিয়েল-টাইম ডেটা অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমেও ২৪ ঘণ্টার স্বয়ংক্রিয় নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এছাড়াও থাকবে হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং অন্যান্য মনিটরিং ডিভাইস।


সীমান্তে দুর্ভেদ্য প্রাচীর, পাহারায় AI, কেন্দ্রের নয়া প্রকল্প স্মার্ট বর্ডার কী, জেনে নিন
প্রতীকী ছবি

স্মার্ট কার্ড, স্মার্ট সিটির নাম তো শুনেছেন। কিন্তু, এবার স্মার্ট শব্দটা জুড়ে যাচ্ছে সীমান্তের সঙ্গেও। ঠিক কীরকম? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) সম্প্রতি একটি প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। যার নাম দেওয়া হয়েছে স্মার্ট বর্ডার (Smart Border)। সীমান্ত সুরক্ষায় উদ্যোগ ও অনুপ্রবেশে জ়িরো টলারেন্স (Zero Tollarence) নীতি নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বাংলার সভা থেকেই অমিত শাহকে বলতে শোনা গিয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে বের করা হবে। এবার সীমান্ত সুরক্ষায় আরও বড় সিদ্ধান্ত নিল মোদী সরকার। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে,’স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প চালু করে সীমান্তের প্রায় কয়েক হাজার কিলোমিটার এলাকা সুরক্ষিত করা হবে। তবে, কী এই স্মার্ট বর্ডার, এই বিশেষ প্রকল্পে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, জেনে নেওয়া যাক

স্মার্ট বর্ডার কী?
স্মার্ট বর্ডার একটি প্রকল্প। এই প্রকল্প চালুর উদ্দেশ্য হল সীমান্তে দুর্ভেদ্য প্রাচীর গড়ে তোলা। একইসঙ্গে অঞ্চলের জনবিন্যাস পরিবর্তনের চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেওয়া। সেক্ষেত্রে, এই প্রকল্প চালু হলে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট হবে। ঠিক কীভাবে? জানা গিয়েছে, স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তজুড়ে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার এলাকা সুরক্ষিত করা হবে। তবে, নিরাপত্তাকে আরও স্মার্ট করে তোলা হবে। অর্থাৎ নিরাপত্তায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবস্থা থাকবে।



'দ্য অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস'-এর নিষিদ্ধ দৃশ্যগুলো এবার হাতের মুঠোয়!
স্মার্ট বর্ডারে কী কী থাকবে?
পাকিস্তান ও বাংলাদেশ জুড়ে দীর্ঘ এলাকার নজরদারি করবে উন্নত প্রযুক্তি। অর্থাৎ বিএসএফ জওয়ান ছাড়াও সেখানে থাকবে উন্নত মানের ড্রোন। স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পটি বর্তমানে কমপ্রিহেনসিভ ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CIBMS)-এর উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে। এই সিআইবিএমএস আসলে অত্যাধুনিক স্মার্ট ফেন্সিং প্রকল্প। ভারত-পাকিস্তান এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দুর্গম ও নজরদারির পক্ষে সমস্যাবহুল এলাকাগুলিকে সুরক্ষিত করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এই বিশেষ প্রযুক্তিতেই স্মার্ট বর্ডার তৈরি করা হচ্ছে।

অর্থাৎ নিরাপত্তা শুধু মানব নির্ভর হবে না। নতুন ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক সেন্সর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করা হবে। স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পে রিয়েল-টাইম ডেটা অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমেও ২৪ ঘণ্টার স্বয়ংক্রিয় নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এছাড়াও থাকবে হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং অন্যান্য মনিটরিং ডিভাইস।

স্মার্ট বর্ডারের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হল উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন স্মার্ট ক্যামেরা এবং ইলেক্ট্রো-অপটিক সিস্টেমের বিশাল নেটওয়ার্ক। এর মধ্যে রয়েছে দিন-রাত নজরদারির উপযোগী সিসিটিভি, থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা—যা সম্পূর্ণ অন্ধকার, কুয়াশা বা ঘন জঙ্গলের মধ্যেও মানুষের শরীরের তাপমাত্রা মাপতে পারবে। এই ক্যামেরাগুলির অনেকগুলিতেই AI প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। যা মানুষ, পশু, যানবাহন এবং ড্রোনের মধ্যে পার্থক্য বুঝে সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত করলেই সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা পাঠাতে পারে।

এই ক্যামেরাগুলির সঙ্গে থাকবে অত্যাধুনিক গ্রাউন্ড সার্ভেল্যান্স রাডার এবং ব্যাটলফিল্ড রাডার, যা কয়েক কিলোমিটার দূর থেকেও কারও নড়াচড়া বুঝতে পারবে। এমনকী, চোরাচালান বা নজরদারির কাজে ব্যবহৃত নিচু দিয়ে ওড়া ড্রোনও ধরা পড়বে এই রাডারে।

কী বলছেন অমিত শাহ?
শুক্রবার বিএসএফের বার্ষিক রুস্তমজি মেমোরিয়াল অনুষ্ঠানে স্মার্ট বর্ডার প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন,”আগামী এক বছরের মধ্যে স্মার্ট বর্ডারের কাজ শুরু হবে। এবার সীমান্তগুলিকে দুর্ভেদ্য করে তোলা সম্ভব হবে। জনবিন্যাস পরিবর্তনের যে ব্যর্থ চেষ্টা চলছে, তাতেও লাগাম টানা যাবে।” তিনি আরও জানিয়েছেন, অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে অসম, ত্রিপুরা পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রের নীতির সঙ্গে একমত। স্মার্ট বর্ডার চালু হলে বাংলাও উপকৃত হবে বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ রোখা যাবে।

করণ জোহরের মতে, সেই অন্ধ অনুকরণের দিন এখন অতীত। বর্তমান সময়ের দর্শকেরা পর্দায় তারকাদের দেখছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের মতো করে সাজগোজ করার বা তাঁদের অন্ধভাবে অনুকরণ করার তাগিদ এখন আর কারও মধ্যে নেই। ফ্যাশনের চাবিকাঠি এখন আর শুধু তারকাদের হাতে আটকে নেই।


আলিয়া-করিনাকে টেনে বলিউড নিয়ে বিস্ফোরক করণ, হঠাৎ পরিচালকের কী হল?
আকাশ মিশ্র


আলিয়া ভাট কিংবা করিনা কাপুর খান— দুজনেই পরিচালক-প্রযোজক করণ জোহরের কতটা কাছের, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষ করে আলিয়ার প্রতি তাঁর অন্ধ স্নেহ নিয়ে বলিপাড়ায় প্রায়শই চর্চা চলে। স্বজনপোষণ থেকে শুরু করে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ বরাবরই উঠেছে করণের বিরুদ্ধে। কিন্তু এবার সেই প্রিয় পাত্রীদের নিয়েই সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সুর শোনা গেল করণের গলায়। অকপটে তিনি স্বীকার করে নিলেন, “এখনকার দিনে আর কেউ আলিয়া কিংবা করিনাদের মতো হতে চান না।”

একটা সময় ছিল যখন রুপোলি পর্দার তারকাদের ফ্যাশন আমজনতার জীবনযাত্রাকে আক্ষরিক অর্থেই নিয়ন্ত্রণ করত। মাধুরী দীক্ষিতের পরা চুড়িদার থেকে শুরু করে ‘তেরে নাম’ ছবিতে সলমন খানের সেই বিখ্যাত চুলের ছাঁট— পর্দায় যা-ই আসত, অনুরাগীরা হুবহু তা নকল করতেন। তারকাদের লিপস্টিকের শেড কিংবা পোশাকের ধরন দেখেই চলত দেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি।


সিভিক ভলান্টিয়ার থেকে কাউন্সিলর, এবার পুলিশের জালে দেবরাজের 'ডান হাত' সম্রাট
তবে করণ জোহরের মতে, সেই অন্ধ অনুকরণের দিন এখন অতীত। বর্তমান সময়ের দর্শকেরা পর্দায় তারকাদের দেখছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের মতো করে সাজগোজ করার বা তাঁদের অন্ধভাবে অনুকরণ করার তাগিদ এখন আর কারও মধ্যে নেই। ফ্যাশনের চাবিকাঠি এখন আর শুধু তারকাদের হাতে আটকে নেই।

এর পেছনের আসল কারণ হিসেবে করণ মানুষের মানসিকতার পরিবর্তনকেই তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, আজকের প্রজন্ম সেলিব্রিটিদের ছাঁচে নিজেদের না ঢেলে বরং নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে বেশি পছন্দ করেন।

করণের ভাষায়, “দর্শক তারকাদের অন্ধভাবে নকল করবেন, সেই যুগটা এখন পুরোপুরি চলে গিয়েছে। বর্তমান সময়ের মূল মন্ত্রই হলো নিজস্বতা। এখন কেউ আর করিনা, দীপিকা বা আলিয়া হতে চান না; বরং প্রত্যেকে নিজের মতো করে স্টাইল করতে চান। মানুষ এখন নিজস্বতা বা স্বকীয়তার জন্যই খরচ করতে রাজি।”

বলিউডের এই নামী পরিচালক আসলে মেনে নিয়েছেন যে, আজকের দিনে নায়ক-নায়িকাদের মতো হুবহু দেখতে হওয়াটা আর কোনো কৃতিত্বের বিষয় নয়। বরং সাধারণ মানুষ এখন নিজেদের চেনা গণ্ডির মধ্যেই নিজস্ব একটি ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তৈরি করতে ভালোবাসেন এবং নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখাকেই বেশি গুরুত্ব দেন।

রুবিও-র সঙ্গে বৈঠকের পর মোদী জানিয়েছেন, বিশ্বের উন্নতির জন্য ভারত ও আমেরিকা একসঙ্গে কাজ করবে। বৈঠক নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন মোদী। লেখেন,"মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও-র সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা ভারত-আমেরিকার বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি।"


হোয়াইট হাউজ়ে মোদীকে আমন্ত্রণ রুবিও-র, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কি আলোচনা হল?
রুবিও ও নরেন্দ্র মোদী


 ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (PM Narendra Modi) হোয়াইট হাউজ়ে আমন্ত্রণ জানালেন মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও (Marco Rubio)। ভারতে চারদিনের সফরে এসেছেন তিনি। আজ সকালে প্রথমে স্ত্রীকে নিয়ে কলকাতায় পৌঁছন। তারপর দুপুরে দিল্লিতে নামেন। রাজধানীতে পৌঁছনোর পরই সেবাতীর্থে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন রুবিও। বৈঠকে মূলত বাণিজ্য়, প্রতিরক্ষা, শক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ওই বৈঠকেই ট্রাম্পের তরফে আমেরিকা সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে বৈঠকে কি ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কী কোনও আলোচনা হল? আর কী কী কথা হয়েছে দুই দেশের নেতার মধ্যে?

মোদী-রুবিও বৈঠক
রুবিও-র সঙ্গে বৈঠকের পর মোদী জানিয়েছেন, বিশ্বের উন্নতির জন্য ভারত ও আমেরিকা একসঙ্গে কাজ করবে। বৈঠক নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন মোদী। লেখেন,”মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও-র সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা ভারত-আমেরিকার বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি। একইসঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে ধারাবাহিক অগ্রগতি এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়।” প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিশ্বের মঙ্গলের জন্য নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন একসঙ্গে কাজ করে যাবে। আলোচনা ও কূটনীতির ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। বিদেশমন্ত্রকের এক বিবৃতি অনুযায়ী, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী আলোচনা ও কূটনীতির ওপর জোর দিয়েছেন ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।



মোদী-রুবিওর বৈঠক নিয়ে ভারতে মার্কিন অ্যাম্বাসডর সার্গিও গোর জানিয়েছেন, ভালো আলোচনা হয়েছে। নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং অত্যাবশ্যকীয় প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকের পর একটা ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তিনি। এছাড়া, মোদীরও প্রশংসা করেন।

উল্লেখ্য, আজ ভারত সফরে এসে প্রথমে কলকাতায় পা দেন মার্কো রুবিও। শহরে পা দিয়েই স্ত্রীকে নিয়ে সোজা পৌঁছে যান মাদার হাউসে। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় কাটান। নির্মলা শিশুভবনেও যান সস্ত্রীক রুবিও। ১৪ বছরে এই প্রথম কোনও মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি কলকাতা সফরে এলেন। এর আগে ২০১২ সালে কলকাতায় এসেছিলেন তৎকালীন মার্কিন স্টেট সচিব হিলারি ক্লিনটন।