WEATHER

Top News


আদালত বলেছে, SIR-এর মতো জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা বা সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা যাবে। কিন্তু সেই সমালোচনার নামে ব্যক্তিগত ভাবে কাউকে মানহানিকর অভিযোগের নিশানা করা যাবে না। আগামী ৫ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।


জারি হল নিষেধাজ্ঞা। মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) কড়া নির্দেশ দিল আলিপুর আদালত। মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল মানহানির নোটিস পাঠিয়েছিলেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার বড় নির্দেশ দিল আদালত।


এসআইআর ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মন্তব্য করেছিলেন মহুয়া। সেখানে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল ও সুব্রত গুপ্তের নাম ও ছবি দেওয়া হয়েছিল। সেই এক্স পোস্ট নিয়েই বিতর্ক। সেখানে মহুয়া লিখেছিলেন, “এরাই বাংলার এসআইআরের (SIR) সবথেকে বড় কারিগর। সব ধরনের অবৈধ কাজ করেছেন এঁরা। কেউ বাঁচতে পারবে না এদের।” ওই পোস্ট দেখেই মনোজ আগারওয়াল বলেছিলেন, মহুয়ার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হবে।


আমিও সন্তান চাই!' ৬১ বছর বয়সে এসে বাবা হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ সলমনের, কী বললেন ভাইজান?
আজ, বৃহস্পতিবার সেই মামলায় মহুয়ার মন্তব্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আলিপুর আদালত।


আলিপুর আদালত জানিয়েছে, মুখ্যসচিব সম্পর্কে কোনও মানহানিকর মন্তব্য করা যাবে না। ভোট চুরির মতো কোনও অভিযোগ তুলে মহুয়া নতুন করে কোনও পোস্ট, শেয়ার বা পুনরায় প্রকাশ করতে পারবেন না। অন্য কোনও মাধ্যমে এই বিষয়টি প্রচারও করতে পারবেন না।

গত ৩ অক্টোবর এবং ৬ অক্টোবর মহুয়া যে পোস্ট করেছিলেন, আদালতের অর্ডার পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, তা মুছে ফেলতে হবে। মহুয়া মৈত্রকে নোটিস দিয়ে জানাতে হবে, কেন তাঁর মন্তব্যের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আদালত বহাল রাখবে না।

আদালতের পর্যবেক্ষণ:

মহুয়ার পোস্টগুলিতে শুধু SIR-এর সমালোচনা করা হয়নি, বরং মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ করার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

অভিযোগগুলির সমর্থনে মহুয়া কোনও প্রমাণ পেশ করেননি। ফলে প্রাথমিকভাবে অভিযোগগুলির ভিত্তি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।

SIR-এর মতো জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা বা সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা যাবে। কিন্তু সেই সমালোচনার নামে ব্যক্তিগত ভাবে কাউকে মানহানিকর অভিযোগের নিশানা করা যাবে না। আগামী ৫ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।




বিরোধী নেতাদের আবেদন ছিল, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করবেন। নির্বাচন কমিশন তথা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং এসআইআর সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু বিষয়টি আগেই শীর্ষ কোর্টে বিচারাধীন থাকায় সাক্ষাৎ করতে চাননি প্রধান বিচারপতি।


 প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত সাক্ষাতের আবেদনে সাড়া না দেওয়ায়, একটি পিটিশন দাখিল করেন রাহুল গান্ধীরা (Rahul Gandhi)। আবেদন জমা দেওয়ার দিনই মিছিল করে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দিকেও যান ইন্ডি জোটের নেতারা। রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে হওয়া সেই মিছিলে ছিল নেহা বোরার মতো প্রতিবাদী মুখ। সেই প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে এবার প্রধান বিচারপতির ভর্ৎসনার মুখে পড়লেন বিরোধী দলের নেতারা।


রাহুল গান্ধী, মহুয়া মৈত্রদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অবমাননার মামলা
বিরোধী নেতাদের আবেদন ছিল, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করবেন। নির্বাচন কমিশন তথা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং এসআইআর সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু বিষয়টি আগেই শীর্ষ কোর্টে বিচারাধীন থাকায় সাক্ষাৎ করতে চাননি প্রধান বিচারপতি। এরপরই ১২ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট অভিযান করেন বিরোধীরা।


'আমিও সন্তান চাই!' ৬১ বছর বয়সে এসে বাবা হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ সলমনের, কী বললেন ভাইজান?
ওই মিছিলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। ফৌজদারি অবমাননার মামলা হয়েছে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব ও তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে।


কেউ আমাদের ধমক দিতে পারে না: প্রধান বিচারপতি
মিছিলের বিরুদ্ধে হওয়া আবেদনের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “কেউ আমাদের ধমকাতে পারে না।” এই মামলায় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ নোটিস ইস্যু করেছে। একইসঙ্গে শীর্ষ কোর্টের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজও চাওয়া হয়েছে।

এই শুনানিতে আইনজীবী গৌরব ভাটিয়া বলেন, এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে সুপ্রিম কোর্টকে একটি রাজনৈতিক দলের মিছিল নিয়ে মামলা শুনতে হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টে যা হয়েছে, তা হওয়া উচিৎ ছিল না। এই ধরনের মিছিল যে আদতে সুপ্রিম কোর্টকেই ‘ধমকানি’, এ কথা বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে ২০০ জন আইনজীবী একটি মেমোরান্ডামে সই করেছেন বলেও জানান গৌরব ভাটিয়া। প্রধান বিচারপতি বলেন, “কেউ আমাদের ধমকাতে পারে না।”।

আমরা কেউ গজদন্ত মিনারে বসে নেই: সুপ্রিম কোর্ট
আদালতের বাইরে সেদিন কী হয়েছে, তা সম্পর্কে শীর্ষ আদালত যে ওয়াকিবহাল, সে কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। সিজেআই সূর্য কান্ত বলেন, “আমরা কেউ গজদন্ত মিনারে বসে নেই। আমরা জানি আদালতের বাইরে ওঁরা কী বলেছেন আর আদালতে কী বলছেন। আমরা সব জানি।”

পুলিশকে সিসিটিভি ফুটেজ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। উল্লেখ্য, আইনজীবী দিগন্ত মিশ্র এই আবেদন করেছিলেন। হাইকোর্ট ও সুপ্রিন কোর্টের আশপাশে মিছিল করার গাইডলাইন চেয়ে এই আবেদন করেন তিনি।

সবিস্তারে আসছে…



এ দিন বিজেপি সরাসরি রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ শানিয়ে বলে যে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন তাঁর লড়াই আরএসএস বা বিজেপির বিরুদ্ধে নয়, তাঁর লড়াই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। এর অর্থ সংবিধানের বিরুদ্ধে লড়ছেন রাহুল গান্ধী ও তাঁর অনুচররা। 

 বাংলাদেশের ধাঁচেই ভারতে সরকার বদলানোর ছক কষছে রাহুল-নেহারা? বিরাট অভিযোগ বিজেপির
ফাইল চিত্র।

বাংলাদেশের ধাঁচে ভারতেও শাসন ক্ষমতা বদলের ছক রাহুল গান্ধী-নেহা বোরাদের? আইসা-র সভাপতি নেহা বোরার ভিডিয়োকে হাতিয়ার করে এবার আক্রমণ বিজেপির। কেন্দ্রের শাসক দলের অভিযোগ, রাহুল গান্ধী দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছেন। এই সব না করে যদি দেশের কাজ করতেন, তাহলে হয়তো কংগ্রেসের ভোট বাড়ত।


এ দিন বিজেপি সরাসরি রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ শানিয়ে বলে যে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন তাঁর লড়াই আরএসএস বা বিজেপির বিরুদ্ধে নয়, তাঁর লড়াই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। এর অর্থ সংবিধানের বিরুদ্ধে লড়ছেন রাহুল গান্ধী ও তাঁর অনুচররা।


'উনি আইনের উর্ধ্বে নাকি!', বিকাশ রঞ্জন 'বাঘ না সিংহ?', প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর
নেহা বোরার বক্তব্য তুলে ধরে বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি বলেন, “শব্দ নেহার হলেও, বিচারবুদ্ধি রাহুল গান্ধীর। এরা ভারতে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। আর এই বাহানায় নিজের পরিবারকে ক্ষমতায় আনার চেষ্টা করছে। আমি রাহুল গান্ধীকে বলতে চাই, যতটা পরিশ্রম আপনি অরাজকতা ছড়ানোর জন্য করছেন, সেই পরিশ্রম-ক্ষমতা যদি আপনারা জনগণের সেবা করার জন্য় করতেন, তাহলে কী জানি, তিন-চার জায়গায় কংগ্রেসের ভোট হয়তো বেড়ে যেত।”


নেহা বোরার বক্তব্যকে সমর্থন না করলে, এক ঘণ্টার মধ্যে নোহা বোরার বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়ে দেখান, এই চ্যালেঞ্জ করেছে বিজেপি।

প্রসঙ্গত, নেহা বোরা একটি ভিডিয়ো বার্তায় বলেছেন, “জেন-জ়ি আন্দোলন প্রথম বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল। তোমাদের অভিনন্দন আমাদের রাস্তা দেখানোর জন্য, আমাদের আন্দোলনে সমর্থন জানানোর জন্য, দেশের যুব প্রজন্মের পাশে থাকার জন্য। বাংলাদেশে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা গণতান্ত্রিক ও ভোটার অধিকারের জন্য। বাংলাদেশে যেমন বিশ্ববিদ্যালয়গুলি হুমকির মুখে ছিল, একই অবস্থা আমাদের।”


ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বড় খবর, কী আপডেট দিলেন পীযূষ গয়াল?
ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বড় খবর, কী আপডেট দিলেন পীযূষ গয়াল?
জামাই উধাও! পঞ্চমীর দুপুরে উদ্ধার সানন্দার রক্তাক্ত দেহ
জামাই উধাও! পঞ্চমীর দুপুরে উদ্ধার সানন্দার রক্তাক্ত দেহ
পুজোর ভিড়ে প্রিয়জন হারিয়ে গেলে কী করবেন? জানাল কলকাতা পুলিশ
পুজোর ভিড়ে প্রিয়জন হারিয়ে গেলে কী করবেন? জানাল কলকাতা পুলিশ
ভিডিয়ো


মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে বেসরকারি বাসের চালকের। সরকারি বাসের চালক বিপদ বুঝে লাফ দেন গাড়ি থেকে। এমনটাই জানা গিয়েছে। বেসরকারি বাসটি ধাক্কা মেরে রাস্তার পাশে নয়নজুলিতে নেমে যায়। এই ঘটনায় অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন বলে খবর।


পঞ্চমীর দুপুরে দিঘার পথে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা! মুখোমুখি সংঘর্ষ ২ বাসের, রক্তে ভাসল রাস্তা...
মুখোমুখি সংঘর্ষ দুই বাসের।

 পঞ্চমীর দুপুরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। দিঘা যাওয়ার পথে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। দিঘা-কাঁথি জাতীয় সড়কে মুখোমুখি সংঘর্ষ হল দুটি বাসের। মৃত্যু হয়েছে বেসরকারি বাস চালকের। আহত কমপক্ষে ২৩ জন।


জানা গিয়েছে, এ দিন দুপুর ১টা নাগাদ ১১৬বি জাতীয় সড়ক কাঁথি শহরের অদূরে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা-কলকাতা বেসরকারি বাসটি দিঘা থেকে কলকাতা যাচ্ছিল। অপরদিকে একটি সরকারি বাস কলকাতা থেকে দিঘা যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় ওভারটেক করতে গিয়ে সরকারি বাস গিয়ে ধাক্কা মারে উল্টোদিক থেকে আসা বেসরকারি বাসে।


'আমিও সন্তান চাই!' ৬১ বছর বয়সে এসে বাবা হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ সলমনের, কী বললেন ভাইজান?
মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে বেসরকারি বাসের চালকের। সরকারি বাসের চালক বিপদ বুঝে লাফ দেন গাড়ি থেকে। এমনটাই জানা গিয়েছে। বেসরকারি বাসটি ধাক্কা মেরে রাস্তার পাশে নয়নজুলিতে নেমে যায়। এই ঘটনায় অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন বলে খবর। গুরুতর আহত একজন। সরকারি বাসের চালককে রেফার করা হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে।


দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ছুটে আসে কাঁথি থানার পুলিশ। বেশ কিছুক্ষণ এই দুর্ঘটনার জেরে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে পাঠানো হয় কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে। সরকারি বাসের চালককে রেফার করা হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। বাকি ১৩ জনকে চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।




হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে বুকস্টল হল কি না, তা নিয়ে পুলিশ সুপারকে রিপোর্ট দিতে হবে আদালতে। বুকস্টল চালাতে আইনশৃংঙ্খলাজনিত কোনও সমস্যার মুখে যাতে পড়তে না হয়, তার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২৩ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

 'তাহলে জেসিবি চালিয়ে দিতে বলছি...' কড়া মন্তব্য হাইকোর্টের, পুজোর আগে অনুমতি পেল সিপিএম
সিপিএমের বুক স্টলে মিলল অনুমতি

অবশেষে কাটল আইনি জট। পঞ্চমীর দিন বুকস্টল বসানোর অনুমতি পেল সিপিএম। বনগাঁয় সিপিএমের বুকস্টলের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। যে জায়গায় বুকস্টল করা নিয়ে আপত্তি ছিল, সেই জায়গায় বইয়ের স্টল করলে কী সমস্যা, রাজ্য়ের কাছে জানতে চান বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। পুজো মণ্ডপের ১০০ মিটারের মধ্যে বুকস্টল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বৃহস্পতিবার।


হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে বুকস্টল হল কি না, তা নিয়ে পুলিশ সুপারকে রিপোর্ট দিতে হবে আদালতে। বুকস্টল চালাতে আইনশৃংঙ্খলাজনিত কোনও সমস্যার মুখে যাতে পড়তে না হয়, তার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২৩ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। তবে এই নির্দেশকে চ্য়ালেঞ্জ করে বৃহস্পতিবারই ডিভিশন বেঞ্চে যেতে পারে রাজ্য।


সম্প্রতি বনগাঁ এবং নৈহাটিতে দুর্গাপুজোয় ২টি বুকস্টল করতে চেয়ে আবেদন জানায় বামেরা। কিন্তু অভিযোগ, তাতে পুলিশ অনুমতি দেয়নি। যা ঘিরে শুরু হয় আইনি সংঘাত। এদিন বনগাঁ পুলিশ সুপার ও থানার আইস- কে অনুমতি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।


এদিন বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘সেখানে কি কোনও বড় পুজো আছে? তাহলে কী সমস্যা। ওখানে আর কেউ স্টল দিয়েছে?’

এজি বলেন, ‘আমি যদি আজ এসে বলি, ওঁদের বিল্ডিংএর ওপর নিজের নির্মাণ তৈরি করব, পুলিশি সুরক্ষা চাই। তখন কী পদক্ষেপ করা হবে? ওঁরা জানে অনুমোদন প্রয়োজনীয়।’

বিচারপতি বলেন, ‘তাহলে বুলডোজার বা জেসিবি চালিয়ে দিতে বলছি। ওখানে কিছু থাকবে না। আপনি কি নিশ্চিত করতে পারবেন ওখানে আর কোনও অস্থায়ী নির্মাণ থাকবে না বা নেই? ওখানে সব ডেমোলিশ করুন। স্টেট্ কে ইউনিফর্ম স্ট্যান্ড নিতে হবে।’

এজি বলেন, ‘আমি ওই জায়গায় কোনও অস্থায়ী নির্মাণেরও অনুমোদন দিতে পারিনা।’




যে রাজ্য়গুলিতে এসআইআর প্রক্রিয়া সদ্য শেষ হয়েছে বা চলছে, যেমন অন্ধ্র প্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ,চণ্ডগঢ়, দাদরা-নগর হাভেলি, দমন ও দিউ, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, দিল্লি, ওড়িশা, সিকিম, ত্রিপুরা ও তেলঙ্গানায় এসএসআর প্রক্রিয়া নিয়ে পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে। 

স্পেশাল সামারি রিভিশন, SIR-এ বাদ পড়া ভোটারদের জন্য পঞ্চমীতে বড় ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের
এসএসআরের ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন।

এসআইআর বিতর্কের আবহে বড় ঘোষণা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India)। আজ, বৃহস্পতিবার ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য স্পেশাল সামারি রিভিশন (Special Summery Revision) বা এসএসআর (SSR)-র নির্দেশ দেওয়া হল। নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি ও এসআইআরে যারা বাদ পড়েছেন, তাদের নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য এই পদক্ষেপ।


এসএসআর ঘোষণা-
জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর প্রদেশ, পঞ্জাব, বিহার ও তামিলনাড়ুতে স্পেশাল সামারি রিভিশন করা হবে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে এই অন্তর্ভুক্তির কাজ শেষ করতে হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশ পাবে ১২ নভেম্বর। এরপরে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে ২০২৭ সালের ৪ জানুয়ারি। এই তালিকা প্রকাশ পাওয়ার পরই ফেব্রুয়ারি মাসে উত্তর প্রদেশ ও পঞ্জাবে বিধানসভা নির্বাচন হবে।


 ইরফানের কবরে কোন বিশেষ জিনিস রাখতে চেয়েছিলেন নানা?
জানা গিয়েছে, কোনও ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটারের দুই শতাংশ বা তার বেশি নাম বাদ দেওয়ার প্রস্তাব এলে, সিইও দফতর থেকে তা খতিয়ে দেখা হবে। নির্বাচনী আধিকারিককে নিজে যাচাই করবেন।


আজ, ১৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকায় গত ২৯ সেপ্টেম্বরের ইস্যু করার নির্দেশের উল্লেখ করা হয়েছে। সমস্ত রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকদের দেওয়া ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, এসআইআরে বাদ পড়া এবং প্রথমবারের ভোটারদের নাম অন্তর্ভূক্তির জন্য বিশেষ নথিভুক্তিকরণ কর্মসূচির ব্যবস্থা করা হবে। সেই নির্দেশিকায় পশ্চিমবঙ্গ, অসম, বিহার, ছত্তীসগঢ়, গোয়া, গুজরাট, কেরল, লাক্ষাদ্বীপ, মধ্য প্রদেশ, মণিপুর, পুদুচেরী, পঞ্জাব, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ও আন্দামান নিকোবরের নাম ছিল।

যে রাজ্য়গুলিতে এসআইআর প্রক্রিয়া সদ্য শেষ হয়েছে বা চলছে, যেমন অন্ধ্র প্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ,চণ্ডগঢ়, দাদরা-নগর হাভেলি, দমন ও দিউ, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, দিল্লি, ওড়িশা, সিকিম, ত্রিপুরা ও তেলঙ্গানায় এসএসআর প্রক্রিয়া নিয়ে পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে।

হিমাচল প্রদেশ, জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ- যে তিনটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এখনও এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়নি, সেখানে আবহাওয়া পরিস্থিতির উপরে ভিত্তি করে এসএসআর ঘোষণা করা হবে।

কীভাবে হবে?
যারা ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছেন, তাদের ফর্ম ৬-এ আবেদন করতে হবে। আগের এসআইআরে যে অতিরিক্ত ডিক্লেরেশন দিতে হয়েছিল, সেই বিষয়ে কোনও উল্লেখ করা হয়নি।



বিএসএফ সূত্রে খবর, এদিনের বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে মালদহ ও মুর্শিদাবাদের সীমান্ত পরিস্থিতি। এই দুই জেলার যে সমস্ত সীমান্তবর্তী এলাকায় এখনও কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেখানে নজরদারি কতটা জোরদার করা হয়েছে, তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। ওই এলাকাগুলিতে বিএসএফের অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কেও তাঁকে বিস্তারিত তথ্য দেন ডিজি।


সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ কতদূর? বিশেষ নজর মালদহ-মুর্শিদাবাদের সীমান্তে! নবান্নে BSF-এর ডিজির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর
শুভেন্দু অধিকারী-বিএসএফ ডিজি

সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে তৎপর রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্নে বিএসএফের (BSF) ডিজি প্রবীণ কুমারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৈঠকে রাজ্যের আন্তর্জাতিক সীমান্তের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি, কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজের অগ্রগতি এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নজরদারি আরও জোরদার করার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে খবর। বিশেষ করে মালদহ ও মুর্শিদাবাদের কাঁটাতারবিহীন সীমান্ত নিয়ে বিএসএফের ডিজির কাছ থেকে খোঁজখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী।


কী কী বিষয়ে আলোচনা বৈঠকে?
সূত্রের খবর, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই যে জমি দেওয়া হয়েছে, সেখানে কাজ কতটা এগিয়েছে, তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। কোথায় কাঁটাতার দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে, কোথায় এখনও কাজ বাকি রয়েছে, কোনও জায়গায় জমি সংক্রান্ত বা অন্য কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, সেই সমস্ত বিষয়ে বিএসএফের ডিজির সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।


স্পেশাল সামারি রিভিশন, SIR-এ বাদ পড়া ভোটারদের জন্য পঞ্চমীতে বড় ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের
বৈঠকে সীমান্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য জমি দেওয়ায় রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান বিএসএফের ডিজি প্রবীণ কুমার। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যের এই সহযোগিতার ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, যেখানে সম্ভব কাঁটাতারের বেড়ার ফাঁকফোকর বন্ধ করার কাজও সহজ হবে।


মালদহ-মুর্শিদাবাদ নিয়ে বিশেষ আলোচনা
বিএসএফ সূত্রে খবর, এদিনের বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে মালদহ ও মুর্শিদাবাদের সীমান্ত পরিস্থিতি। এই দুই জেলার যে সমস্ত সীমান্তবর্তী এলাকায় এখনও কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেখানে নজরদারি কতটা জোরদার করা হয়েছে, তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। ওই এলাকাগুলিতে বিএসএফের অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কেও তাঁকে বিস্তারিত তথ্য দেন ডিজি। শুধু মালদহ বা মুর্শিদাবাদ নয়, উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একটি বিশেষ রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাজ্য পুলিশ। সেই রিপোর্টে সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামে উস্কানিমূলক কার্যকলাপ বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দফতরের রিপোর্টেও সীমান্তের ওপার থেকে পরিস্থিতি অশান্ত করার জন্য উস্কানি দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। এই বিষয়টি নিয়েও এদিন বিএসএফের ডিজির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রে খবর।



দুর্গাপুজোকে ঘিরে উৎসবের আমেজ কাকদ্বীপের মাইতির চকে। মাইতির চক ইয়ংফাইট ক্লাবের দুর্গাপুজো এ বছর পা দিল পঞ্চম বর্ষে। আর এই বিশেষ বছরে দর্শনার্থীদের জন্য ক্লাবের পক্ষ থেকে থাকছে বিশেষ আকর্ষণ—৫১ ফুটের মা দুর্গার প্রতিমা এবং নজরকাড়া লেজার শো।

প্রতিমার বিশালতা এবং আলোর বিশেষ উপস্থাপনাকে কেন্দ্র করে এবারের পুজো ঘিরে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ। পুজো উপলক্ষে মণ্ডপে উপস্থিত হন কাকদ্বীপের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী দীপঙ্কর জানা। তাঁর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় পুজোমণ্ডপের।
পুজোর আয়োজন, এবারের বিশেষ আকর্ষণ এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী দীপঙ্কর জানা? পাশাপাশি, পঞ্চম বর্ষে পা রেখে এই পুজোকে ঘিরে ক্লাব কর্তৃপক্ষের ভাবনাই বা কী?

৫১ ফুটের মা দুর্গা এবং লেজার শো নিয়ে মন্ত্রী ও ক্লাব কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে উঠে এল পুজোর নানা দিক। তাঁদের মুখ থেকেই শুনুন এই বিশেষ আয়োজনের কথা।

কাকদ্বীপের মাইতির চক ইয়ংফাইট ক্লাবের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন এবং পুজো ঘিরে মন্ত্রী ও ক্লাব কর্তৃপক্ষ কী জানালেন, দেখুন এই প্রতিবেদনে।

 দুর্গাপুজো মানেই নতুন ভাবনা, শিল্পের নান্দনিকতা আর উৎসবের রঙে মেতে ওঠা। সেই ধারাকে বজায় রেখে এবছর কাকদ্বীপ যুবশক্তি ক্লাবের দুর্গাপুজোর থিম ‘কল্প উদ্যান’। ২৮ বছরে পদার্পণ করে এবছর অভিনব ভাবনায় মায়ের আরাধনায় ব্রতী হয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা।

ক্লাবের এবছরের ভাবনায় উঠে এসেছে কল্পনার এক বিশেষ জগৎ, যেখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ, হিংসা ও বিদ্বেষ ভুলে সম্প্রীতি এবং সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কল্পনার জগতে উদ্ভাসিত হয়ে মায়ের আরাধনার মধ্য দিয়ে সমাজে শান্তি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাইছে কাকদ্বীপ যুবশক্তি ক্লাব।

পুজোমণ্ডপ সাজানোর ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে পরিবেশবান্ধব উপকরণকে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বার্তা তুলে ধরে বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব সামগ্রী দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে মণ্ডপ। থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিল্পীর পরিকল্পনা ও সৃজনশীলতার ছোঁয়ায় মণ্ডপটি দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে আশা উদ্যোক্তাদের।
ইতিমধ্যেই মণ্ডপ তৈরির কাজ চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ে। পুজো কমিটির দাবি, আগামীকাল উদ্বোধনের আগেই মণ্ডপ তৈরির বাকি কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত শিল্পী ও পুজো কমিটির সদস্যরা।

এবছরের থিমের ভাবনা, মণ্ডপ নির্মাণের পরিকল্পনা এবং পুজোকে ঘিরে তাঁদের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন শিল্পী ও পুজো কমিটির সদস্যরা।

সব মিলিয়ে, ২৮তম বর্ষে ‘কল্প উদ্যান’-এর মাধ্যমে কেবল মণ্ডপসজ্জা নয়, বরং সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং পরিবেশ সচেতনতার বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাইছে কাকদ্বীপ যুবশক্তি ক্লাব। এখন দর্শনার্থীদের অপেক্ষা, কল্পনার সেই উদ্যান বাস্তবে কতটা মন কাড়ে।

নদীবাঁধ বাঁচুক, বেঁচে থাকুক ঘরবাড়ি—এই প্রার্থনাতেই চতুর্থ বর্ষে সল্টঘেরীর দুর্গাপুজো

নিজস্ব সংবাদদাতা, মৌসুনি: উৎসবের আলো আর ঢাকের বাদ্যের মাঝেও বুকের ভিতর নদীভাঙনের আতঙ্ক। কখন নদী গিলে খাবে বসতভিটে, কখন ভেঙে পড়বে নদীবাঁধ, সেই দুশ্চিন্তাই তাড়া করে বেড়ায় মৌসুনি দ্বীপের সল্টঘেরীর বাসিন্দাদের। আর এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই দেবী দুর্গার কাছে ঘরবাড়ি ও ভিটেমাটি রক্ষার প্রার্থনা নিয়ে চতুর্থ বর্ষে পা দিল এলাকার মহিলাদের উদ্যোগে আয়োজিত দুর্গাপুজো।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলবর্তী এই দ্বীপে নদী যেমন জীবন-জীবিকার উৎস, তেমনই কখনও আতঙ্কের কারণ। বিশেষ করে সল্টঘেরী এলাকায় নদীবাঁধের বেহাল অবস্থা ও ভাঙনের আশঙ্কায় উদ্বেগে দিন কাটে বাসিন্দাদের। জোয়ারের জল বাড়লেই বাড়ে দুশ্চিন্তা। নিজেদের সাজানো সংসার হারানোর ভয় তাঁদের নিত্যসঙ্গী।
এই পরিস্থিতিতেই চার বছর আগে এলাকার প্রায় ২০ জন মহিলা নিজেদের উদ্যোগে দুর্গাপুজো শুরু করেন। নিজেদের মধ্যে চাঁদা তুলে শুরু হওয়া এই পুজো এখন তাঁদের ঐক্য ও বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক।

পুজো কমিটির সভাপতি অপর্ণা সেন ও সদস্য মঞ্জু পয়া জানান, গত বছর এবং এ বছর কিছু সরকারি সাহায্য মিললেও পুজোর মূল ভরসা মহিলাদের সম্মিলিত উদ্যোগ। তাঁদের কথায়, উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি ঘরবাড়ি রক্ষার প্রার্থনাই সবচেয়ে বড়।

তবে শুধু প্রার্থনা নয়, নদীভাঙন রুখতে স্থায়ী পদক্ষেপের দাবিও জানিয়েছেন বাসিন্দারা। তাঁদের একটাই আকুতি, মায়ের আশীর্বাদে অটুট থাকুক নদীবাঁধ, নদীর গ্রাস থেকে রক্ষা পাক তাঁদের শেষ সম্বল ভিটেমাটি।

‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে হামলার প্রসঙ্গে বলেন, "আমি কালীঘাট কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলাম যখন এই ঘটনাটি ঘটে, আমি যতটুকু শুনেছি বা সংবাদমাধ্যমে দেখেছি, যেভাবে ছুরি নিয়ে এগিয়ে আসা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী কথায় কথায় বলেন যে উনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে জেড প্লাস নিরাপত্তা দেন।"


অভিযোগ করলেই তো হল না...', এবার হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি অভিষেকের
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে পুলিশি জেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)-কে। তৃণমূল সাংসদকে প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয়। শেক্সপিয়ার সরণী থানা থেকে বেরিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অবৈধ নির্মাণ নিয়ে কমপ্লেন করলে হবে না”। একই ঘটনায় এর আগে ৫ ঘণ্টা জেরা করা হয় অভিষেককে।


গত ২৭ অগস্ট অভিষেকের অফিসের বিলবোর্ড সরানো নিয়ে অশান্তির শুরু। পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি, বচসা হয়। পুর কর্মীদের মারধোরের অভিযোগ ওঠে। পুর কর্মীদের সরকারি জিনিসপত্রও চুরির অভিযোগে মামলা হয়।

'নায়ক', 'চিড়িয়াখানা'র পর সত্যজিতের আর কোনও ছবিতে কেন কাজ পাননি উত্তম?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে হামলার ঘটনার প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, “অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে নয়, উনি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলে নয়, উনি একজন মহিলা। যেভাবে কাল ঘটনাটি ঘটেছে। আমি কালীঘাট কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলাম যখন এই ঘটনাটি ঘটে, আমি যতটুকু শুনেছি বা সংবাদমাধ্যমে দেখেছি, যেভাবে ছুরি নিয়ে এগিয়ে আসা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী কথায় কথায় বলেন যে উনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে জেড প্লাস নিরাপত্তা দেন। এই যদি জেড প্লাস নিরাপত্তার নিদর্শন হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ বা নারীদের নিরাপত্তা কোথায়, তা আপনারাই বুঝে নিন।”


পুরসভার কাজে বাধা দেওয়া প্রসঙ্গে বলেন, “পুরো ঘটনাটি ফেসবুক লাইভে হয়েছে। অভিযোগ করলেই তো হল না। আমি একটা অভিযোগ করব, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত হবে। তদন্ত হয়েছে, পুলিশ আমায় ডেকেছে, যা যা প্রশ্ন করেছে, আমি উত্তর দিয়েছি। বাকি আইনি লড়াই লড়া হবে। এই সব নিয়ে আমি হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টে যাব।”





রিক্ত ভিড় সামাল দিতে এবং যাতায়াতের সুবিধার জন্য হাওড়া ডিভিশনে ১২টি অতিরিক্ত ইএমইউ (EMU) স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। সপ্তমীর রাত অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর, অষ্টমী (১৮–১৯ অক্টোবর), নবমী (১৯–২০ অক্টোবর) এবং দশমী (২০–২১ অক্টোবর) রাতে এই বিশেষ ট্রেনগুলি চলবে। প্রতিটি ট্রেনের পথে সমস্ত স্টেশনে স্টপেজ থাকবে।


 কোন রুটে চলবে বিশেষ ট্রেন?
1.হাওড়া–বর্ধমান (ব্যান্ডেল হয়ে): হাওড়া থেকে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে বর্ধমান পৌঁছবে ভোর ৩টে ১০ মিনিটে। বর্ধমান থেকে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে হাওড়া পৌঁছবে রাত ১২টা ৫ মিনিটে।


এটিও পড়ুন
'উনি আইনের উর্ধ্বে নাকি!', বিকাশ রঞ্জন 'বাঘ না সিংহ?', প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর
Supreme Court: 'আমরা গজদন্ত মিনারে বসে নেই... সব জানি', রাহুল-মহুয়াদের বললেন প্রধান বিচারপতি
এক ককরোচে রক্ষে নেই, সুপ্রিম কোর্ট 'মাছি মারা'র কথা বলতেই আবার জন্মাল নতুন 'পার্টি'!
2. হাওড়া–বর্ধমান (ডানকুনি হয়ে): হাওড়া থেকে রাত ১টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে বর্ধমান পৌঁছবে ভোর ৩টে ২০ মিনিটে। বর্ধমান থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে হাওড়া পৌঁছবে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে।


3. হাওড়া–ব্যান্ডেল: হাওড়া থেকে রাত ১টায় ছেড়ে ব্যান্ডেল পৌঁছবে রাত ২টো ৫ মিনিটে। ব্যান্ডেল থেকে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে হাওড়া পৌঁছবে রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে।

4.শেওড়াফুলি–তারকেশ্বর: শেওড়াফুলি থেকে রাত ১২টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে তারকেশ্বর পৌঁছবে রাত ১টা ২০ মিনিটে। তারকেশ্বর থেকে রাত ১১টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে শেওড়াফুলি পৌঁছবে রাত ১২টা ৫ মিনিটে।

5. ব্যান্ডেল–নৈহাটি: ব্যান্ডেল থেকে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে নৈহাটি পৌঁছবে রাত ১টা ৮ মিনিটে। নৈহাটি থেকে রাত ১টা ২০ মিনিটে ছেড়ে ব্যান্ডেল পৌঁছবে রাত ১টা ৪৫ মিনিটে।

6. হাওড়া–চণ্ডনপুর (ডানকুনি হয়ে): হাওড়া থেকে রাত ১২টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে চণ্ডনপুর পৌঁছবে রাত ১টা ১৫ মিনিটে। চণ্ডনপুর থেকে রাত ১টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে হাওড়া পৌঁছবে রাত ২টো ৩০ মিনিটে।

 নিয়মিত লোকাল ট্রেনেও পরিবর্তন
১৭ থেকে ২১ অক্টোবর: ৬৩৫০১ হাওড়া–বর্ধমান এমইএমইউ (MEMU) লোকাল রাত ১টা ৩০ মিনিটে হাওড়া থেকে ছাড়বে। হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল পর্যন্ত সমস্ত স্টেশনের পাশাপাশি মগরা, পান্ডুয়া, বয়নচি ও মেমারিতেও থামবে।

১৭ থেকে ২১ অক্টোবর: ৩৭৭৩১ ব্যান্ডেল–মেমারি ইএমইউ (EMU) লোকালকে বর্ধমান পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হবে। ট্রেনটি রাত ১০টা ২৫ মিনিটে বর্ধমান পৌঁছবে।

একই সময়ে ৩৭৭৩২ মেমারি–হাওড়া ইএমইউ (EMU) লোকাল মেমারির পরিবর্তে বর্ধমান থেকে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে ছাড়বে এবং রাত ১২টা ১০ মিনিটে ব্যান্ডেল পৌঁছবে।

পুজো ও অন্যান্য উৎসবে লোকাল ট্রেনের সময়সূচি-
১৮, ১৯, ২০ ও ২১ অক্টোবর: দুর্গাপুজো উপলক্ষে লোকাল ট্রেনগুলি দুপুর ৩টে পর্যন্ত রবিবারের সময়সূচি অনুযায়ী চলবে। এরপর কর্মদিবসের স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসরণ করবে।

২৫ অক্টোবর: লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষে একই নিয়ম কার্যকর থাকবে।

৮ নভেম্বর: কালীপুজো উপলক্ষেও দুপুর ৩টে পর্যন্ত রবিবারের সময়সূচি মেনে ট্রেন চলবে। এরপর স্বাভাবিক কর্মদিবসের পরিষেবা চালু হবে।

ব্যতিক্রম: ৩৭২২০ ব্যান্ডেল–হাওড়া EMU লোকাল, যা ব্যান্ডেল থেকে ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ছাড়ে, উল্লিখিত উৎসবের দিনগুলিতে নিজস্ব নির্ধারিত রুট ও সময় মেনেই চলবে।




কমিশনের অ্যাপ ECINET এবং ERONET এর ত্রুটি তুলে ধরা হয়েছে। প্রযুক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কারণে কোনও নোটিস না দিয়েই লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। যথাযোগ্য শুনানির সুযোগ তারা পাননি। এমনকী, পুনর্বার নাম তোলার মেকানিজম এই ওয়েবসাইটে নেই। এসআইআর প্রক্রিয়ায় যাদের নাম বাদ গিয়েছে তাদের বয়স-পরিচয়, নাম বাদের কারণ-সহ বুধভিত্তিক তালিকা প্রকাশের জন্য কমিশনকে নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট।


 SIR সংক্রান্ত রাহুল গান্ধী-সহ ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের দায়ের করা মামলা আজ শুনবে SC

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ ইন্ডিয়া জোটের একাধিক নেতা। পিটিশন ফাইল করা হয়েছে। সেই দায়ের করা মামলার শুনানি বৃহস্পতিবার হবে সুপ্রিম কোর্টে। শুনানি করবে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।


অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির তত্ত্বাবধানে তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদন জানিয়েছে বিরোধীরা। এই কমিটিতে টেকনিক্যাল এক্সপার্ট এবং দেশের স্বনামধন্য ব্যক্তিদের রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। সুনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সমগ্র এসআইআর প্রক্রিয়ার অডিট করার আবেদন জানানো হয়েছে।


স্মার্ট মিটার বসানোর পরেও বেশি বিল? কোন পদ্ধতিতে অভিযোগ জানাবেন, দেখুন
যেসব রাজ্যে এসআইআর চলছে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিয়ে তা আপাতত স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছে বিরোধী নেতৃত্ব। বাকি দুই কমিশনারকে উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জ্ঞানেশ কুমার একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে পিটিশনে অভিযোগ করা হয়েছে।


SIR বাস্তবায়নের গৃহীত সিদ্ধান্তের কোনও লিখিত রেকর্ড নেই বলেও অভিযোগ।পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে, রুল সংশোধনী ছাড়াই ফর্ম 6 পরিবর্তন করা হয়েছে। যা সংবিধান বিরোধী। কমিশনের অ্যাপ ECINET এবং ERONET এর ত্রুটি তুলে ধরা হয়েছে। প্রযুক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কারণে কোনও নোটিস না দিয়েই লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। যথাযোগ্য শুনানির সুযোগ তারা পাননি। এমনকী, পুনর্বার নাম তোলার মেকানিজম এই ওয়েবসাইটে নেই। এসআইআর প্রক্রিয়ায় যাদের নাম বাদ গিয়েছে তাদের বয়স-পরিচয়, নাম বাদের কারণ-সহ বুধভিত্তিক তালিকা প্রকাশের জন্য কমিশনকে নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট।