WEATHER

Top News



গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার পথেই দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন এক মৎস্যজীবী। ঘটনাটি ঘটে রবিবার সকালে নামখানার হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীতে। ট্রলারের কাছিতে পা জড়িয়ে উত্তাল নদীতে পড়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত স্থানীয় খেয়া নৌকার কর্মীদের তৎপরতায় উদ্ধার হল শেখ আসাউদ্দিন নামের এক মৎস্যজীবী।


স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার সকালে 'এফবি তারা মা' নামের একটি ট্রলারে চড়ে ১৪ জন মৎস্যজীবীর একটি দল নামখানা ঘাট থেকে গভীর সমুদ্রের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। ট্রলারটি যখন হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীর মাঝপথে, তখন অসাবধানতাবশত ট্রলারের মোটা কাছি দড়ি জড়িয়ে যায় শেখ আসাউদ্দিনের পায়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই কাছির টানে তিনি ট্রলার থেকে ছিটকে পড়েন মাঝনদীতে। 
সেই সময় নদীতে ছিল জোয়ারের প্রবল স্রোত। মুহূর্তের মধ্যে স্রোতের টানে ভাসতে থাকেন ওই মৎস্যজীবী। সহকর্মীরা চিৎকার শুরু করলে ঘটনাস্থলের কাছে থাকা কয়েকটি যাত্রীবাহী খেয়া নৌকার কর্মীরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় জলমগ্ন আসাউদ্দিনকে নদী থেকে টেনে তোলেন তাঁরা। 
উদ্ধারের সময় আসাউদ্দিন যথেষ্ট অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার


মেঘ কেটে রোদ উঠতেই রবিবার ভোলবদল বকখালির! শনিবারের সেই রক্তচক্ষু দেখানো সমুদ্র রবিবার শান্ত হতেই পর্যটকদের ঢল নামল দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই অন্যতম সেরা পর্যটন কেন্দ্রে। একদিকে ঈদের উৎসব আর অন্যদিকে শনি-রবির ছুটি,সব মিলিয়ে রবিবার বকখালি সৈকতে তিল ধারণের জায়গা নেই।


শনিবার ঘূর্ণাবর্ত আর ভরা কটালের জেরে উত্তাল সমুদ্রের কারণে স্নান করায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল প্রশাসন। তবে রবিবার সকালে আবহাওয়ার উন্নতি হতেই সেই বিধি-নিষেধ তুলে নেওয়া হয়। আর নিষেধাজ্ঞা উঠতেই খুশিতে আত্মহারা পর্যটকরা। সকাল থেকেই নারী-পুরুষ নির্বিশেষে কয়েক হাজার পর্যটক মেতে উঠেছেন সমুদ্র স্নানে। রঙ-বেরঙের পোশাকে সেজে ওঠে বকখালি সৈকত।

ভিড় বাড়লেও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা অনবরত বাঁশি বাজিয়ে পর্যটকদের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে থাকার নির্দেশ দেন। ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ কর্মীরাও টহলদারি চালান সৈকতে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে লাগাতার নজরদারি চালানো হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
গতকালের ঝোড়ো হাওয়ায় ব্যবসায় মন্দার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল বকখালির হোটেল ও দোকানদারদের মনে। কিন্তু রবিবারের উপচে পড়া ভিড় দেখে খুশি ব্যবসায়ীরা।

স্টাফ রিপোর্টার মুন্না সরদার

 সম্মুখ সমরে সায়ন্তিকা-সজল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তুমুল উত্তেজনা ছড়াল বরানগরে। তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে রীতিমতো সংঘর্ষের ছবি সামনে এসেছে। হোর্ডিং খোলাকে কেন্দ্র করে বচসার সূত্রপাত। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হল কেন্দ্রীয় বাহিনী।

বরানগরের টবিন রোডের কাছে মল্লিক কলোনিতে বিজেপির পার্টি অফিস ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। উত্তেজনা ঠেকাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছেছে ঘটনাস্থলে। পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনাস্থলে রয়েছেন বিজেপির প্রার্থী সজল ঘোষ। বিজেপির ১০ জন আহত হয়েছেন। উত্তেজনা ছড়ালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন দুই দলেরই প্রার্থী।


একদিকে, তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, অপরদিকে চোর চোর স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বরানগর। অভিযোগ, বিজেপির হোর্ডিং খুলে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ তুলতেই তৃণমূলকর্মীরা আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন বিজেপি কর্মী। সজল ঘোষের দলীয় কার্যালয়েও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

দু’পক্ষেরই দাবি, বহিরাগত লোক এনে অশান্তি তৈরি করা হয়েছে। সজলের দাবি, তৃণমূলের কর্মীর সংখ্যা কম, বাইরে থেকে লোক আনতে হয়েছে। তিনি বলেন, “আগের বিজেপি আর নেই। এখন চোখ দেখালে চোখে আঙুল ঢোকানো হবে। বরানগর পাল্টে গিয়েছে।” অন্যদিকে, সায়ন্তিকা বলেন, বিজেপি অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে। মানুষ দেখছে বিজেপি কী করছে।

বিজেপির দাবি, পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিল এদিন, কোনও কাজই করেনি। পুলিশ নিরপেক্ষ থাকলে এই পরিস্থিতি তৈরি হত না বলে মন্তব্য করেছেন সজল ঘোষ।


ঘটনাটি ঘটেছে বরাহনগর আলমবাজারের। সেখানেই প্রকাশ্যে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। জানা যাচ্ছে, বরাহনগর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত আলমবাজার বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ছোট্টু মোহলি নামে এক তৃণমূল নেতা কর্মীদের নিয়ে প্রার্থীর পতাকা লাগানোর কাজ করছিলেন।

বাড়িতে থেকে তুলে নিয়ে ক্লাবে ঢুকিয়ে মার, আলমবাজারে তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধেই
বরাহনগরে বিরাট গণ্ডগোল



ভোটের আগে ব্যাপক গোষ্ঠী-কোন্দল বরাহনগরে। দলের কর্মীকেই বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ক্লাবের ভিতরে ঢুকিয়ে মার। ভোটের আগে প্রার্থী সায়ন্তিকার কেন্দ্রে তুমুল অশান্তি। দলের অন্দরের এই ঘটনা পরবর্তীতে নির্বাচনের রেজাল্টের উপর পড়বে না তো? উঠছে প্রশ্ন।


ঘটনাটি ঘটেছে বরাহনগর আলমবাজারের। সেখানেই প্রকাশ্যে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। জানা যাচ্ছে, বরাহনগর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত আলমবাজার বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ছোট্টু মোহলি নামে এক তৃণমূল নেতা কর্মীদের নিয়ে প্রার্থীর পতাকা লাগানোর কাজ করছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল নেতা পুলক ঘোষের অনুগামীরা তাঁকে এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যান। পরবর্তীতে আলমবাজার নবজ্যোতি ক্লাবের মধ্যে ঢুকিয়ে বাঁশ, রড ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে মারধর করে বলে অভিযোগ।



স্ত্রীর হাতের রেখায় লুকানো স্বামীর সাফল্যের চাবিকাঠি! জেনে নিন কোন চিহ্নগুলি আনে রাজযোগ
কাদের পাশে রাজবংশীরা? উত্তরে মমতার ভোটের প্রচার শুরুর আগে বাড়ছে তরজা
স্থানীয় সূত্রে খবর, ছোট্টু মোহলি কুমোর পাড়া লাইন এলাকায় ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ব্যবসা করেন। সেই ব্যবসার টাকার ভাগ দিতে হবে তৃণমূল নেতা পুলক ঘোষকে বলে দাবি আক্রান্তের। এখানেই শেষ নয়, পুলক চাইতেন যাতে মোহলি তাঁর অনুগামী হয়ে কাজ করেন। কিন্তু সেটায় রাজি ছিলেন না তিনি। আক্রান্ত তৃণমূল নেতা স্থানীয় কাউন্সিলর এর অনুগামী বলে পরিচিত। আর সেই ক্ষোভের থেকেই তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এসে ক্লাবের মধ্যে মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও, গোটা ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এলাকায়। তবে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুলক।


ছোট্টু মোহলির অনুগামী রবি মোহলি বলেন, “তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে বাড়ি চলে গেলাম। আমাদের সেক্রেটারি ছোট মৌলি বলেছিলেন বাড়ি চলে যেতে। এরপর রাত সাড়ে এগারোটার সময় ফোন আসে তোদের সেক্রেটারিকে ক্লাবে ঢুকিয়ে পুলক মারছে। মিটার ঘর নিয়ে ঝামেলা অনেক বছর ধরে। আমরা তৃণমূল করি তারপরও তৃণমূলের হাতে মার খাচ্ছি।” অভিযুক্ত পুলক বলেন, “ধুর এমন তো কিছু হয়নি। ছোট্টু মোহলির নামে অভিযোগ পেলাম ওই কাউকে মেরেছে। আসলে ঈদ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। যদিও ওকে তৃণমূল করতে দেখিনি। কোথায় মদ খেয়ে মারপিট করেছে। আমি আর কী বলব।”

পুজো শেষে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় জোরদার জনসংযোগও সারতে দেখা যায় তাঁকে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের অভাব-অভিযোগের কথাও শোনেন। এরইমাঝে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান প্রচারের অভিজ্ঞতার কথাও। ঋতুপর্ণা বলছেন, মাঠে নামতেই সাধারণ মানুষের থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন।


বনগাঁ: রাজনীতির সঙ্গে পরিবারের যোগ দীর্ঘদিনের। এবার তাঁর উপর ভরসা করছ দল। প্রার্থী করে দিয়েছে বনগাঁ দক্ষিণের মতো বহুল চর্চিত কেন্দ্রে। নির্বাচনী লড়াইয়ের ময়দানে নামার আগে এবার সোজা বনগাঁ সাত ভাই কালিতলার মন্দিরে চলে গেলেন ঋতুপর্ণা আঢ্য। চাইলেন রাজনৈতিক শুভকামনা। বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় কর্মীদের উপস্থিতিতে ভক্তিভরে পুজো দিতে দেখা যায় ঋতুপর্ণাকে। নিজের জয়ের চাওয়ার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও মন্দিরে বিশেষ পুজো দেন তিনি। নিজেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সে কথা বলেন। দল যাতে গোটা রাজ্যেই ভাল ফল করতে পারে তাও চান মায়ের কাছে। বলেন, “মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে আমি যেন বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে উন্নয়নের কাজ করার সুযোগ পাই, এটাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।” 



 এদিকে এবার আবার মতুয়াগড়ে পুরনো মুখেই ভরসা রেখেছে বিজেপি। বদল হয়নি প্রার্থী। বনগাঁ দক্ষিণে বিদায়ী বিধায়ক স্বপন মজুমদারকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। নাম ঘোষণার পরেই গোপালনগরের পল্লা বাজার ও চাঁদপাড়ায় মিছিল করেন স্বপন। অন্যদিকে তৃণমূল ঋতুপর্ণাকে টিকিট দিতেই স্বপনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তিনিও। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খানিক সুর চড়িয়েই বলেন, দীর্ঘদিন থাকার পরেও এখানকার বিজেপি বিধায়ক কোনও কাজই করেননি। এরপরেই তাঁর সংযোজন, “ভগবানের কৃপায় আমি এখন এমন একটা দলে সুযোগ পেয়েছি যেখানে কাজ করার অনেক জায়গা রয়েছে। আমি কাজ করতে চাই। নবীন-প্রবীণ দুই শিবিরকেই একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।” 



চারবারের তৃণমূল বিধায়কের এহেন বিতর্কিত মন্তব্য মুহূর্তে ভাইরাল হয়। পরে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ফোন করলে সমস্যা মিটে যায় বলে পরের দিন সাংবাদিকদের ডেকে জানান বিদায়ী বিধায়ক। এরপর ওইদিন জেলা সভাপতি মহুয়া গোপের উপস্থিতিতে অনুগামীদের নিয়ে এলাকায় মিছিলও করেন খগেশ্বর।


প্রার্থীর কর্মিসভাতে ‘অ্যাবসেন্ট’ বিদায়ী বিধায়ক? লাভের অঙ্ক কষতে শুরু করে দিল বিজেপি
রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে

ভোটের মুখে অস্বস্তি বেড়েই চলছে শাসকদলের। প্রার্থী ঘোষণা হয়ে গেলেও রাজগঞ্জ বিধানসভায় ফের প্রকাশ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। যদিও এই ইস্যুতে স্পিকটি নট খগেশ্বর শিবির। তবে এবার বিতর্ক ধামা চাপা দিতে সাফাই দিলেন খোদ কৃষ্ণ দাস। 

তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস এবং বিধায়ক খগেশ্বর রায় এর মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক যে একেবারে আদায় কাঁচকলায় তা নিয়ে চর্চা দীর্ঘদিনের। রাজগঞ্জ বিধানসভা আসনে এবার আর টিকিট পাননি চারবারের বিধায়ক খগেশ্বর রায়। টিকিট না পাওয়া নিয়ে কৃষ্ণ দাসের হাত রয়েছে, নাম না করে এমনই ইঙ্গিত দিয়ে জেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে থেকে পদত্যাগ করেছিলেন খগেশ্বর। তার অনুগামীরাও বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। এমনকি সেদিন ক্ষুব্ধ খগেশ্বরকে বলতে শোনা গিয়েছিল, তিনি টাকার কাছে হেরে গেলেন। তা নিয়ে রাডনৈতিক মহলে চর্চা কম হয়নি। 



কামদুনির টুম্পা কয়াল কি এবার বিজেপির প্রার্থী? শমীকের সঙ্গে সাক্ষাতে বাড়ছে জল্পনা
চারবারের তৃণমূল বিধায়কের এহেন বিতর্কিত মন্তব্য মুহূর্তে ভাইরাল হয়। পরে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ফোন করলে সমস্যা মিটে যায় বলে পরের দিন সাংবাদিকদের ডেকে জানান বিদায়ী বিধায়ক। এরপর ওইদিন জেলা সভাপতি মহুয়া গোপের উপস্থিতিতে অনুগামীদের নিয়ে এলাকায় মিছিলও করেন খগেশ্বর। এরইমধ্যে শনিবার বিকেলে দলের অবজারভার কৃষ্ণ দাসের তরফে রাজগঞ্জ বিধানসভার শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিমন্দির ভবনে কর্মী সভা ডাকা হয়। কিন্তু সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন না খগেশ্বর রায় সহ তাঁর কোনও অনুগামীরাই। আর এতেই নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে রাজগঞ্জ বিধানসভাতে।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার অবজারভার তথা জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী কৃষ্ণ দাস। কিন্তু বিদায়ী বিধায়কের এই অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির তরফে বিষয়টিকে নিয়ে কটাক্ষ করলেও তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস তাতে গুরুত্ব দিতে নারাজ।

কৃষ্ণ দাস যদিও বলছেন, রাজগঞ্জের প্রার্থী স্বপ্না বর্মনের সমর্থনে এই কর্মিসভা। প্রচুর কর্মী এসেছেন। খগেশ্বর রায় প্রসঙ্গে উঠতেই বলেন, নির্বাচনী প্রচারে জেলায় আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই হয়তো খগেশ্বরবাবু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। পাশাপাশি খগেশ্বর অনুগামী ব্লক সভাপতি অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিত থাকা নিয়ে বলেন, “নিশ্চয়ই কিছু কাজ থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি।”

তবে এই ইস্যুতে তৃণমূল কে খোঁচা দিতে ছাড়েননি বিজেপির রাজগঞ্জ বিধানসভার কনভেনার তপন রায়। উল্টে লাভের অঙ্ক কষে বলছেন, “খগেশ্বর ও কৃষ্ণর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ। ওই বিবাদ কোনওদিন মিটবেও না। কৃষ্ণ খগেশ্বরের নাম কেটে দিয়েছে। তাই এবার খগেশ্বর শিবির ভোটে নামবে না। এতে বিজেপির খুবই সুবিধা হবে।” 

 ফলে, তাঁকে পরাজিত করতে পারে এমন একটি হেভিওয়েট মুখ প্রয়োজন বিজেপির। সেক্ষেত্র শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম নাম বঙ্গ বিজেপির। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী নিজে শুভেন্দুর গড় নন্দীগ্রামে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে। তবে পরাজিত হয়েছেন।

শুভেন্দুকে মমতার বিরুদ্ধে দাঁড় করানোটা 'মাস্টারস্ট্রোক', আসল স্ট্র্যাটেজি এবার বলে দিলেন সুকান্ত
সুকান্ত মজুমদার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়


 সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মুখ। তিনি নিজে একসময় বলেছিলেন, ‘২৯৪ আসনে আমিই প্রার্থী’। অর্থাৎ, তাঁকে দেখেই মানুষ ভোট দেন। সেই মমতাকেই নিজের কেন্দ্রে আটকে রাখতেই কি নন্দীগ্রাম সহ ভবানীপুরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দাঁড় করিয়েছে বিজেপি? এক প্রকার এই জল্পনাতেই সিলমোহর দিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। কোন স্ট্রাটেজির জন্য ভবানীপুরে শুভেন্দু লড়ছেন? টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বললেন তিনি।


মমতার বিরুদ্ধে শুভেন্দু এটা মাস্টারস্ট্রোক নাকি ডিফেন্সসিভ স্ট্রোক? সুকান্ত স্পষ্ট বলেন, “এটা মাস্টার স্ট্রোক। কারণ, এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে দশবার ভাবতে হবে নিজের এলাকা ছাড়ার জন্য। ভাবনীপুর ছাড়ার অগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়াকে ভাবতে হবে তিনি ছাড়বেন কি ছাড়বে না।” মমতা ব্যানার্জী পোড় খাওয়া বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।তিনি অভিজ্ঞ। রাজনীতির অঙ্কের হিসাব সব তাঁর গুলে খাওয়া। ফলে, তাঁকে পরাজিত করতে পারে এমন একটি হেভিওয়েট মুখ প্রয়োজন বিজেপির। সেক্ষেত্র শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম নাম বঙ্গ বিজেপির। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী নিজে শুভেন্দুর গড় নন্দীগ্রামে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে। তবে পরাজিত হয়েছেন। এবার শুভেন্দু লড়াই করছেন ভবানীপুরে। ফলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে জনসংযোগে তুলনামূলক আরও বেশি জোর দিতে হবে বলার অপেক্ষা রাখে না।


‘এক বস্ত্রেই মসজিদ-মন্দিরে এলাম’, মতুয়াগড়ে প্রার্থী হয়েই বিজেপিকে আক্রমণ ঋতুপর্ণার
বিজেপিও কার্যত সেই চালটিই দিয়েছে, অন্তত তেমনটাই স্বীকার করলেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “মমতা ছাড়া ওই দলে আর কোনও নেতৃত্ব নেই। মমতাই পোস্ট বাকি সব ল্যাম্পপোস্ট। অভিষেক রয়েছেন, কিন্তু তাঁর টা আইপ্যাক দ্বারা তৈরি করা ফিগার। একটা আলপিন ঢুকলে পুরোটা।” অর্থাৎ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি বাকি প্রার্থীদের হয়ে জনসংযোগ না করেন তাহলে তাঁদের জেতার আশা যে কম সে কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বিজেপির।


কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আরও দাবি করে বলেছেন, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী পরাজিত হবেন। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারবেনই। যেখানে নন্দীগ্রামে মুসলমান ছিলেন সেখানেই হেরেছেন। আমরা ভেবেছিলাম নন্দীগ্রামে অভিষেক দাঁড়াবেন। উনি সাহস পেলেন না।” বস্তুত, এই ভবানীপুরে প্রায় ৪৮ হাজারের নাম বাদ গিয়েছে। বিবেচনাধীন অনেকে। এই নিয়ে বারেবারে সরব হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তবে এও বলেছেন, এই ভবানীপুরে একটি ভোটে হলেও তিনি জিতবেন। এখন দেখার কালীঘাটের গঙ্গার জল ঠিক কোন দিকে গড়ায়।


নন্দীগ্রাম থেকেই এই জেলায় প্রচার শুরু করতে যাচ্ছেন তৃণমূলের নম্বর টু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, নির্বাচনী আবহে দলীয় সংগঠনকে আরও মজবুত করতে চলতি মাসেই পূর্ব মেদিনীপুরে তিনটি প্রচার কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

 নন্দীগ্রামে জিততে মরিয়া তৃণমূল, একটি বা দু'টি নয় ৩টি জনসভা অভিষেকের

রাজ্যের অন্যতম হটস্পট কেন্দ্র হল নন্দীগ্রাম। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) গড়ে তাঁরই ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে প্রার্থী করে চমকে দিয়েছিল তৃণমূল। এবার সেই নন্দীগ্রাম আসন দখল করতে মরিয়া রাজ্যের শাসকদল। তিন-তিনটি সভা করতে চলেছেন তিনি।


নন্দীগ্রাম থেকেই এই জেলায় প্রচার শুরু করতে যাচ্ছেন তৃণমূলের নম্বর টু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, নির্বাচনী আবহে দলীয় সংগঠনকে আরও মজবুত করতে চলতি মাসেই পূর্ব মেদিনীপুরে তিনটি প্রচার কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। জানা যাচ্ছে, ২৫ মার্চ নন্দীগ্রামে একটি কর্মীসভার মাধ্যমে প্রচার শুরু করবেন তিনি। সেখানকার দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিশা দেবেন অভিষেক। এরপর ২৭ মার্চ পাঁশকুড়া পূর্ব কেন্দ্রে তাঁর একটি জনসভা করার কথা রয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে দলের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই এই সভার মূল উদ্দেশ্য। আর ৩০ মার্চ কাঁথি সাংগঠনিক জেলায় একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করবেন তিনি। নির্বাচনী রণকৌশল নির্ধারণে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অভিষেকের এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।


গতবার অর্থাৎ ২০২১ সালে এই নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন খোদ সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও, সেখান থেকে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। এবার আবার মমতাকে হারাতে ভবানীপুর থেকে লড়বেন শুভেন্দু। পাশাপাশি নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রামেও লড়াই করবেন তিনি। মমতা ব্যানার্জী পোড় খাওয়া বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।তিনি অভিজ্ঞ। রাজনীতির অঙ্কের হিসাব সব তাঁর গুলে খাওয়া। ফলে, তাঁকে পরাজিত করতে পারে এমন একটি হেভিওয়েট মুখ প্রয়োজন বিজেপির। সেক্ষেত্র শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম নাম বঙ্গ বিজেপির। কিন্তু নন্দীগ্রামে এমন একজনকে প্রয়োজন যিনি সেখানকার অলিগলির হিসাব বোঝেন। সেক্ষেত্রে ভূমি পুত্র পবিত্র করকে তৃণমূল প্রার্থী করে কৌশলী চাল দিয়েছে বলছেন রাজনীতিবিদদের একাংশ। এক সময় শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন পবিত্র। ছিলেন একসময়কার প্রধান। ফলে জল কোনদিকে গড়াতে পারে পবিত্রও জানেন ভাল করে। এখন সেই প্রার্থীকেই জেতাতে ময়দানে খোদ অভিষেক।

সাগরে ‘সুমন্ত মন্ডল’ বনাম ‘বর্তমান সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী’: কপিলমুনির আশীর্বাদ নিয়ে বঙ্কিমকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন সুমন্ত!


১৩২ সাগর বিধানসভা কেন্দ্রে এবার লড়াই সেয়ানে সেয়ানে। বিজেপির দ্বিতীয় দফার তালিকায় নামখানার ভূমিপুত্র সুমন্ত মন্ডলের নাম ঘোষণা হতেই মেজাজে গেরুয়া শিবির। শুক্রবার বিকেলে কচুবেড়িয়া ভেসেল ঘাটে পা রাখতেই সুমন্তবাবুকে ঘিরে বিজেপি কর্মীদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। ফুলের মালায় ঢেকে ফেলা হয় প্রার্থীকে।

প্রচারের প্রথম দিন ভেসেল থেকে নামার পর থেকেই শুরু হয় হাইভোল্টেজ জনসংযোগ। একের পর এক মোড়ে দাঁড়িয়ে আমজনতার সঙ্গে হাত মেলান সুমন্ত মন্ডল। মাইক হাতে নিয়ে সরাসরি আক্রমণ শানান শাসকদলের বিরুদ্ধে। তৃণমূল সরকারের কাজ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি দাবি করেন, সাগরের মানুষ এবার প্রকৃত উন্নয়ন চায়। এরপর তিনি সোজা পৌঁছে যান গঙ্গাসাগরের পবিত্র কপিলমুনির আশ্রমে। সেখানে জয়ের আশীর্বাদ চেয়ে পুজো দেন তিনি। তবে সাগরের গড় রক্ষা করা সুমন্তর কাছে মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ উল্টোদিকে রয়েছেন তৃণমূলের দীর্ঘদিনের বিধায়ক তথা হেভিওয়েট সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। টানা চারবার জেতা বঙ্কিমবাবুকে পঞ্চমবারের জন্য প্রার্থী করেছে ঘাসফুল শিবির।নামখানার ঘরের ছেলেকে প্রার্থী করে বিজেপি স্থানীয় আবেগকে উস্কে দিতে চাইছে। মন্ত্রীর অভিজ্ঞতার পাহাড় নাকি সুমন্ত মন্ডলের তারুণ্য ও পরিবর্তনের ডাক— শেষ পর্যন্ত কার মাথায় উঠবে সাগরের মুকুট, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

উন্নয়নের জোয়ারে আস্থা: সাগরদ্বীপে ফের বঙ্কিমচন্দ্র হাজরাকেই চাইছে বাসিন্দারা


আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরদ্বীপ। তবে এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সুর অত্যন্ত স্পষ্ট। সাগরের সাধারণ মানুষের মতে, গত কয়েক বছরে দ্বীপের ভোল বদলে দিয়েছে বর্তমান সরকার।
এলাকার বাসিন্দারা জানান, উন্নত রাস্তাঘাট, ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো এখন হাতের মুঠোয়। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে তাঁরা আবারও তৃণমূল কংগ্রেসকেই ক্ষমতায় দেখতে আগ্রহী। বিশেষ করে ভূমিপুত্র তথা বর্তমান বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা তাঁদের মুগ্ধ করেছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, "সাগরের উন্নয়ন মানেই বঙ্কিম বাবু। আমরা তাঁকেই ফের বিধায়ক হিসেবে দেখতে চাই।" সব মিলিয়ে, ভোটের আগে উন্নয়নের তাসেই ফের বাজিমাত করতে মরিয়া ঘাসফুল শিবির।

 মৌসম ভবনে পূর্বাভাস অনুযায়ী, সক্রিয় পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর পাকিস্তানের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে যা ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি এবং বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করছে ভারতের উপরে। পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমে এর প্রভাবে ইতিমধ্যেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে।


এখন তো ট্রেলার! দমকা বাতাস বইতে শুরু করল কলকাতায়, আগামী ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেই 'খেল'
কলকাতা-সহ শহরতলিতে ঝড়

দুপুরের পর থেকেই কালো করে এসেছিল আকাশ। মুহূর্তে বদলে যেতে থাকে হাওয়া। সকাল থেকে মেঘলা ছিল আকাশ। দুপুরের পর থেকে হঠাৎ করে ফুরফুরে হাওয়া বইতে শুরু করে। সেই হাওয়া আরামপ্রদ। কলকাতা-সহ শহরতলি, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় দমকা হাওয়া বইতে শুরু করে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস আগেই ছিল। সেটাই সত্যি হল। আবহাওয়া দফতরের শেষ বুলেটিন অনুযায়ী, এই মুহূর্তে বৃষ্টি নেমে গিয়েছে পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, বাঁকুড়ায়। আগামী ১-২ ঘণ্টার মধ্যে বৃষ্টি হবে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমানে। এই সমস্ত জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

সন্ধ্যার পর থেকে কলকাতা-সহ শহরতলির একাধিক জায়গায় দমকা বাতাস বইতে শুরু করে। প্রায় ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো বাতাস বইছে। দমকা বাতাস বইতে শুরু করে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।



 'আমার পক্ষে সম্ভব নয়', মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রধান বিচারপতি
মৌসম ভবনে পূর্বাভাস অনুযায়ী, সক্রিয় পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর পাকিস্তানের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে যা ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি এবং বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করছে ভারতের উপরে। পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমে এর প্রভাবে ইতিমধ্যেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী ২২ মার্চ আরও একটি নতুন পশ্চিমি ঝঞ্ঝা আসতে চলেছে। সাধারণত এই সময়ে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা বা ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয় না। ভারতে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতি মাসে চার থেকে ছয়টি পশ্চিমি ঝঞ্ঝা তৈরি হয়।


কতদিন অন্তর রক্ষণাবেক্ষণ করা হত, এই ধরনের একাধিক বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে স্বাস্থ্য ভবন। আগামী সোমবার সকালের মধ্যেই এই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।পাশাপাশি, অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গতিবিধি এবং লিফটের ভিতর সিসিটিভির যে ছবি বন্দি হয়েছে, তাও রিপোর্ট সহকারে জমা দিতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে।

কেন লিফটে কোনও কর্মী ছিলেন না, কেন বাকিরা বেরোতে পারলেও আটকে গেলেন অরূপ? এবার রিপোর্ট তলব স্বাস্থ্য ভবনের
ট্রমা কেয়ারের লিফটে মৃত্যু


এবার আর জি করের ঘটনায় স্বাস্থ্য ভবন রিপোর্ট তলব করল। কী ঘটেছিল, কেন লিফটের ভিতর কোন কর্মী ছিল না, ওই ব্যক্তি কোথায় গিয়েছিলেন কার সঙ্গে ছিলেন, লিফটের রক্ষণাবেক্ষণ কী অবস্থায় ছিল, কতদিন অন্তর রক্ষণাবেক্ষণ করা হত, এই ধরনের একাধিক বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে স্বাস্থ্য ভবন। আগামী সোমবার সকালের মধ্যেই এই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।পাশাপাশি, অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গতিবিধি এবং লিফটের ভিতর সিসিটিভির যে ছবি বন্দি হয়েছে, তাও রিপোর্ট সহকারে জমা দিতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে।

শিশু এবং মহিলা বের হতে পারলেও কেন ওই ব্যক্তি আটকে পড়লেন, কেন তিনি বের হতে পারলেন না, সে ব্যাপারেও যাবতীয় তথ্যাদি অনুসন্ধান করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে। শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য ভবনের তরফে হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ কাছে, এ ব্যাপারে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।


 প্রার্থীকেই মারতে উদ্যত! বিজেপির 'গোষ্ঠীকোন্দলে' আশঙ্কাজনক ২, তপ্ত খড়দহ
'তিন দিনের যোগী...', দেবাংশুর হয়ে দেওয়াল লিখলেও রচনায় গোঁসা অসিতের
গাফিলতি কোন পর্যায় ছিল এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে যে সংস্থাগুলি রয়েছে, সেগুলি কতটা দায়িত্বসম্পূর্ণ, সেগুলো রিপোর্টে উল্লেখ রাখতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে নাগাদ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যায় আরজি কর হাসপাতালে। ট্রমা কেয়ার সেন্টারের লিফটে দীর্ঘক্ষণ আটকে মৃত্যু হয় ওই এক ব্যক্তির। অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে বছর চল্লিশের ওই ব্যক্তি নাগেরবাজারের বাসিন্দা। তাঁর ছেলের হাত ভেঙে গিয়েছিল। ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। সঙ্গে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন। লিফটে নীচে নামছিলেন তিনি। লিফটে তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকজন পরিবারের সদস্য ছিলেন বলে সূত্রের খবর। কিন্তু তাঁরা বেরোতে পারলেও অরূপ পারেননি। দীর্ঘক্ষণ পর তাঁকে যখন উদ্ধার করা হয়, তাঁর মৃত্যু হয়েছে।


দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বামেদের। প্রথম দফায় ১৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। পরে ১০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল CPIML লিবারেশন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী ঘোষণা করল বামেরা। দ্বিতীয় দফায় ৩২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। নন্দীগ্রামে প্রার্থী করা হয়েছে শান্তি গিরিকে। টালিগঞ্জে লড়বেন পার্থপ্রতিম বিশ্বাস। রানিনগরে সিপিএম প্রার্থী জামাল হোসেন।


নাম নেই সেলিম, শতরূপের, বামেদের দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকায় জায়গা পেলেন কারা?
বামেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ


দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বামেদের। প্রথম দফায় ১৯২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। পরে আরও ১০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে CPIML লিবারেশন। সেক্ষেত্রে মোট ২০২ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বামেরা। এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। দ্বিতীয় দফায় ৩২ আসনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত ২৯৪ আসনের মধ্যে ২৩৪টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

নন্দীগ্রামে প্রার্থী করা হয়েছে শান্তি গিরিকে। টালিগঞ্জে লড়বেন পার্থপ্রতিম বিশ্বাস। রানিনগরে সিপিএম প্রার্থী জামাল হোসেন। ভবানীপুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী করা হয়েছে আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাসকে। এর আগেও একাধিকবার নির্বাচনে প্রার্থী করা হয়েছিল। তবে জয় পাননি। বালিগঞ্জে রয়েছে চমক। প্রার্থী করা হয়েছে আফরিন বেগমকে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রের মৃত্য়ুতে বিক্ষোভে পথে নেমেছিলেন আফরিন। একাধিক বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে সিপিএমের প্রতিনিধি দলেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এবার সেই আরফিনকে বালিগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করছেন হেভিওয়েট প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।


প্রথমবার টিকিট পেয়েই প্রচার নয়, সরকারি দফতরে ফোন করে আধিকারিক-কর্মীদের ধমক তৃণমূলের প্রার্থীর! আশার আলো দেখছেন বাসিন্দারা
বামেদের দ্বিতীয় তালিকায় আর কাদের নাম রয়েছে, কোন আসন থেকে কারা লড়বেন, দেখে নিন তালিকা

SL No. Constituency (বিধানসভা কেন্দ্র) Party (দল) Candidate Name (প্রার্থীর নাম) Gender (লিঙ্গ)
1 ১১- কালচিনি (ST) RSP পাসাং শেরপা M
2 ৩২- করণদিঘি CPI(M) মোঃ সাহাবুদ্দিন M
3 ৪৩- হাবিবপুর CPI(M) বাসুদেব বর্মন M
4 ৪৫- চাঁচল CPI(M) আনোয়ারুল হক M
5 ৬২- ভগবানগোলা CPI(M) মাহমুদুল হাসান M
6 ৬৩- রানীনগর CPI(M) জামাল হোসেন M
7 ৬৫- নবগ্রাম (SC) CPI(M) পূর্ণিমা দাস F
8 ৭৬- জলঙ্গি CPI(M) ইউনুস আলী সরকার M
9 ৮৩- কৃষ্ণনগর উত্তর CPI(M) অদ্বৈত বিশ্বাস M
10 ৮৮- কৃষ্ণগঞ্জ (SC) CPI(M) অর্চনা বিশ্বাস F
11 ৯২- কল্যাণী (SC) CPI(M) সবুজ দাস M
12 ১২৪- বসিরহাট দক্ষিণ CPI(M) আইনুল আরেফিন (রাজু আহমেদ) M
13 ১২৯- কুলতলি (SC) CPI(M) রামশঙ্কর হালদার M
14 ১৩৬- জয়নগর (SC) CPI(M) অপূর্ব প্রামাণিক M
15 ১৪০- বারুইপুর পশ্চিম CPI(M) লাহেক আলী M
16 ১৪৩- ডায়মন্ড হারবার CPI(M) সমরেন্দ্রনাথ নাইয়া M
17 ১৫২- টালিগঞ্জ CPI(M) প্রফেসর পার্থ প্রতিম বিশ্বাস M
18 ১৫৭- মেটিয়াবুরুজ CPI(M) অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম M
19 ১৫৯- ভবানীপুর CPI(M) অ্যাডভোকেট শ্রীজীব বিশ্বাস M
20 ১৬১- বালিগঞ্জ CPI(M) আফরিন বেগম (শিল্পী) F
21 ১৮৭- চাঁপদানি CPI(M) অ্যাডভোকেট চন্দ্রনাথ ব্যানার্জি M
22 ১৯৫- জাঙ্গিপাড়া CPI(M) সুদীপ্ত সরকার M
23 ১৯৯- পুরশুড়া CPI(M) সন্দীপ কুমার সামন্ত M
24 ২০৪- পাঁশকুড়া পূর্ব CPI(M) ইব্রাহিম আলী M
25 ২০৫- পাঁশকুড়া পশ্চিম CPI(M) নিরঞ্জন সিহি M
26 ২১০- নন্দীগ্রাম CPI শান্তি গিরি M
27 ২১৫- খেজুরি (SC) CPI(M) হিমাংশু দাস M
28 ২২০- নয়াগ্রাম (ST) CPI(M) ডাঃ পুলিন বিহারী বাসকে M
29 ২২১- গোপীবল্লভপুর CPI বিকাশ ষড়ঙ্গী M
30 ২৬৩- মন্তেশ্বর CPI(M) অনুপম ঘোষ M
31 ২৮১- আসানসোল উত্তর CPI অখিলেশ কুমার সিং M
32 ২৯৪- মুরারই CPI(M) মোঃ আলী রেজা মন্ডল M