WEATHER

Top News


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান যে মোদী সরকার দেশের যুব-ছাত্রদের ভাবাবেগকে সম্মান করে এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে প্রয়োজনীয় যাবতীয় পদক্ষেপ করতে দৃঢ়প্রতীজ্ঞ। প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত অপরাধীদের কড়া শাস্তি দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। 

যে কোনও পদের থেকে পড়ুয়ারা বেশি গুরুত্বপূর্ণ: অমিত শাহ

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan)। তাঁর ইস্তফার পর প্রথম প্রতিক্রিয়া দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বললেন, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ভারতীয় জনতা পার্টির আদর্শেই। বিজেপিও মনে করে যে দেশ, দেশের পড়ুয়া ও যুবকদের স্বার্থ কোনও রাজনৈতিক চেয়ারের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।


নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আন্দোলন হচ্ছিল। ছাত্র আন্দোলনাকারীদের অন্যতম দাবিই ছিল শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। শিক্ষামন্ত্রীও ইস্তফা দেন সেই দাবি মতো। তিনি জানান, দেশের ছাত্রদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে এবং দেশবিরোধী কোনও শক্তি যাতে এই আন্দোলনকে বিপথে চালিত করতে না পারে, তার জন্যই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


আপনারা কি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন?', SIR সংক্রান্ত মামলায় কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের
এক্স হ্যান্ডেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “বিজেপি কর্মীদের জন্য আমাদের দেশ, পড়ুয়ারা কোনও পদের থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাও সেই নীতিকেই প্রতিফলন করছে।”


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান যে মোদী সরকার দেশের যুব-ছাত্রদের ভাবাবেগকে সম্মান করে এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে প্রয়োজনীয় যাবতীয় পদক্ষেপ করতে দৃঢ়প্রতীজ্ঞ। প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত অপরাধীদের কড়া শাস্তি দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

তিনি জানান যে সরকারের এই প্রস্তাবিত পরিবর্তন পড়ুয়াদের জন্য ন্যায়-বিচার নিশ্চিত করবে, যারা নিট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়।

ধর্মেন্দ্র প্রধানও গতকাল ইস্তফা দিয়ে জানিয়েছিলেন যে ব্যক্তিগত সম্মানের বিষয় নয় এটা। পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সবসময় প্রাধান্য পায়। তিনি এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে, নিজের পদ থেকে সরে দাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সান্তিনি জানান, তিনি ২০১৯-২০২২ পর্যন্ত এই গবেষণা করেন। ইতালিতে ককিয়েত্তিনি পদবির কোনও নথি খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর বিভিন্ন সরকারি নথি ও মেসির মায়ের আত্মীয়দের সাহায্যে তিনি এই ইতিহাস খুঁজে পান।


লিওনেল মেসি কি ব্রাজিলিয়ান? গবেষণায় প্রকাশিত হল চাঞ্চল্যকর তথ্য!
লিওনেল মেসি
লিওনেল মেসিকে আজীবন আর্জেন্টিনার জার্সিতে খেলতে দেখছেন ক্রীড়া সর্মথকরা। তবে আগামীতে যদি মেসিকে ভিনিসিয়াসদের সঙ্গে একই দেশের অর্থাৎ ব্রাজিলের জার্সিতে খেলতে দেখা যায়, তাহলে কেমন হয়? মানে, মেসি নাকি আর্জেন্টিনার নন। এমনি একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। একটি গবেষণার গবেষক এমন দাবি করেছেন।


ব্রাজিলীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতালীয় গবেষক ফিওরেঞ্জো সান্তিনি দীর্ঘদিনের গবেষণার পর জানিয়েছেন, লিওনেল মেসির একজনের জন্ম হয়েছিল ব্রাজিলের সাও পাওলোতে। পরে তাঁর পরিবার সেখান থেকে আর্জেন্টিনাতে চলে যায়। গবেষণায় জানানো হয়েছে, এই অভিবাসনের সময় মেসির পরিবারের পদবিতেও পরিবর্তন আসে। অর্থাৎ, ব্রাজিল থেকে আর্জেন্টিনায় বসতি স্থাপনের পথে তাঁদের পারিবারিক পরিচয় গুরুত্বপূর্ণ বদল ঘটেছিল।


৩৯ মাস ধরে বিধবা ভাতা পাচ্ছেন জাহাঙ্গির আলম, অপেক্ষায় রোহেনা বিবি
সান্তিনি জানিয়েছেন, তিনি মেসির ‘মেসি’ পদবীর উৎস নিয়ে আগ্রহী হয়ে উঠে গবেষণা শুরু করেন। সেখানেই জানা গিয়েছে, ১৮৯৩ সালে মেসির বাবার প্রপিতামহ অ্যাঞ্জেলো মেসি ইতালির রেকানাতি শহর ছেড়ে স্ত্রীকে নিয়ে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে চলে আসেন। অন্যদিকে, মেসির মায়ের দিকের প্রপিতামহ রানীকেই ককিয়েত্তিনি-র গল্প আরও আলাদা। তাঁর জন্ম ইতালির সান সেভেরিনো মার্কে অঞ্চলে। পরে স্ত্রী রোজা রিচেচাকে নিয়ে ‘ওয়াশিংটন’ নামের একটি জাহাজে চড়ে তিনি ব্রাজিলে পাড়ি দেন। ১৮৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁদের জাহাজ সান্তোস বন্দরে এসে পৌঁছায়।


ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী, ব্রাজিলে আসার পরে তাঁদের পরিবারের নামের বানানে পরিবর্তন আসে। সেই সময় অধিবাসীদের মধ্যে এমন পরিবর্তন খুব সাধারণ ছিল। রানিয়েরি ককিয়েত্তিনির নাম বদলে হয়ে যায় রামিয়েরো কনকিয়েত্তিনি। সেই পরিবারে দুই সন্তান জন্মানোর পরে পরিবারটি আবার আর্জেন্টিনায় চলে যায় ব্রাজিল থেকে। এই পরিবারেই জন্মান আন্তোনিও কনকিয়েত্তিনি, যিনি সম্পর্কে মেসির দাদু। তাঁরই কন্যা সেলিয়া মারিয়া ককিয়েত্তিনি-র গর্ভে ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন জন্ম নেন লিও মেসি।

সান্তিনি জানান, তিনি ২০১৯-২০২২ পর্যন্ত এই গবেষণা করেন। ইতালিতে ককিয়েত্তিনি পদবির কোনও নথি খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর বিভিন্ন সরকারি নথি ও মেসির মায়ের আত্মীয়দের সাহায্যে তিনি এই ইতিহাস খুঁজে পান। সান্তিনির দাবি, তাঁর এই গবেষণার ফলে ২০২২ সালে ইতালির সান সেভেরিনো মার্কে শহর মেসিকে তাঁর পারিবারিক স্বীকৃতি হিসেবে সাম্মানিক নাগরিকত্ব দিয়েছে। গবেষণায় আরও জানা গিয়েছে, ১৯০৫ সালে মেসির পরিবার ব্রাজিল ছাড়ার পরে মেসির কোনও আত্মীয় ব্রাজিলের রিবেরিও প্রেত শহরে থেকে গিয়েছিলেন, এমন কোনও প্রমাণ নেই।

নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে যন্তর মন্তরে আন্দোলনকে সমর্থন করে একুশে জুলাইয়ে মঞ্চ থেকে মমতা জানিয়েছিলেন, যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনে তিনি যোগ দেবেন। পরে জানা যায়, তিনি সোমবার যন্তর মন্তরে ধরনায় সামিল হবেন। শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর মমতার দিল্লি যাত্রা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়।


মমতাকে ফোন অভিজিৎ দিপকের, সোমবার যন্তর মন্তরে যাওয়া নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিলেন তৃণমূল নেত্রী?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (বাঁদিকে), অভিজিৎ দিপকে (ডানদিকে) 

সোমবার যন্তর মন্তরে যাবেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) আন্দোলন প্রত্যাহার করার পর কালীঘাট তৃণমূলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী করবেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। এরই মধ্যে শনিবার সন্ধেয় মমতাকে ফোন করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। যন্তর মন্তরের আন্দোলনকে সমর্থন জানানোয় তৃণমূল নেত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন। CJP আন্দোলন প্রত্যাহার করায় মমতা আর সোমবার দিল্লি যাচ্ছেন না।


যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে শনিবার সকালে ইস্তফা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের সব দাবি মেনে নিয়েছে কেন্দ্র। আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। কালীঘাট তৃণমূলের নেতা কুণাল ঘোষের বক্তব্য, “যেহেতু দাবি ছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। ইতিমধ্যেই ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন। যাঁরা ওখানে আন্দোলন করছিলেন, দিদির সেই আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থন রয়েছে ও যোগাযোগ রয়েছে। মন্ত্রী ইস্তফা দিয়ে দেওয়ায় আপাতত দিদি দিল্লি যাত্রা স্থগিত করেছেন। কিন্তু সবার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে।”

কাকপক্ষীতেও টের পায়নি দ্বিতীয় সন্তান আসার কথা! রহস্য ভাঙলেন কাঞ্চন পত্নী শ্রীময়ী, কীভাবে পাশে ছিলেন ঋতুপর্ণা?
নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে যন্তর মন্তরে আন্দোলনকে সমর্থন করে একুশে জুলাইয়ে মঞ্চ থেকে মমতা জানিয়েছিলেন, যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনে তিনি যোগ দেবেন। পরে জানা যায়, তিনি সোমবার যন্তর মন্তরে ধরনায় সামিল হবেন। শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর মমতার দিল্লি যাত্রা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেছিলেন, “এখনও জানি না। ওঁর সোমবার দিল্লি আসার কথা ছিল। কথা হয়নি পুরো বিষয়টি নিয়ে।”


গতকাল বিকেল পর্যন্ত মমতাও তাঁর দিল্লি যাত্রা নিয়ে কিছু বলেননি। পদ্মপুকুরে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের অবস্থানে হাজির হয়ে তিনি বলেছিলেন, “আমি এই দেশের ভাই-বোনদের সম্মান করি। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীদেরও তো পরিবারে সন্তান রয়েছে, তাঁদেরও অনেকে এই আন্দোলনকে সমর্থন করছে।” এমনকি, স্কুটির পিছনে চেপে পদ্মপুকুর থেকে কালীঘাটের বাড়ি যাওয়ার পথে ‘স্টুডেন্টস ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানেও গলা মেলাতে দেখা যায় তাঁকে। অবশেষে সন্ধেয় CJP প্রধান অভিজিৎ দিপকে ফোন করে ধন্যবাদ জানান মমতাকে। তারপরই জানা যায়, আপাতত দিল্লি যাত্রা স্থগিত রাখছেন কালীঘাট তৃণমূলের নেত্রী।

 বর্তমানে ব্লু লাইনে দুই প্রান্তিক স্টেশন থেকে শেষ মেট্রো ছাড়ার সময় রাত ৯টা ৪৪ মিনিট। তা বাড়িয়ে করা হচ্ছে রাত সাড়ে ১০টা। সকালে ওই দুই স্টেশন থেকে প্রথম মেট্রো ছাড়ে সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে। সেটা বদলে করা হচ্ছে ৬টা।

রাত ১০টা ৪৩-এ লাস্ট মেট্রো, সোমবার থেকে বদলে যাচ্ছে সময়, দক্ষিণেশ্বর-দমদম থেকে কখন ছাড়বে প্রথম মেট্রো
ফাইল ছবি


 সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলাচ্ছে কর্মক্ষেত্রের সময়, রাতে ফেরার যাত্রী বাড়ছে ক্রমশ। রাতের শেষ ট্রেনের ভিড়ই বলে দেয়, নিত্যযাত্রীদের কাজের সময় কীভাবে বাড়ছে। সেই সব যাত্রীদের কথা মাথায় রেখেই সময় বদলানোর কথা ঘোষণা করেছে কলকাতা মেট্রো। সোমবার থেকেই বদলে যাচ্ছে সেই সূচি। শুধু শেষ মেট্রো নয়, বদলাচ্ছে সকালের প্রথম মেট্রোর সময়ও। ব্লু ও গ্রিন দুই লাইনের জন্যই এই ঘোষণা করা হয়েছে।


বর্তমানে ব্লু লাইনে দুই প্রান্তিক স্টেশন থেকে শেষ মেট্রো ছাড়ার সময় রাত ৯টা ৪৪ মিনিট। তা বাড়িয়ে করা হচ্ছে রাত সাড়ে ১০টা। সকালে ওই দুই স্টেশন থেকে প্রথম মেট্রো ছাড়ে সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে। সেটা বদলে করা হচ্ছে ৬টা।

রিয়ালে অনিশ্চিত ভিনি, নতুন মরশুমে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে নিতে মরিয়া প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব!
গৌরীদেবী চাননি উত্তমের মরদেহ স্পর্শ করুন সুপ্রিয়া? মহানায়কের মৃত্যুর ৪৬ বছর পর সত্য়িটা বলেই ফেললেন কন্যা সোমা
সোমবার থেকে কোন লাইনে কখন চলবে মেট্রো
ব্লু লাইন (প্রথম মেট্রো)


দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম- সকাল ৬টা

শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বর- সকাল ৬টা

মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে দক্ষিণেশ্বর- সকাল ৬টা ১৫ মিনিট

মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে দমদম- সকাল ৬টা ১৫ মিনিট

দমদম থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার- সকাল ৬টা ১৫ মিনিট

দমদম থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম- সকাল ৬টা ১৫ মিনিট

ব্লু লাইন (শেষ মেট্রো)

দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম- রাত ১০টা ৩মিনিট

দক্ষিণেশ্বর থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার- রাত ১০টা ১৮ মিনিট

দমদম থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম- রাত ১০টা ১৫ মিনিট

দমদম থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার- রাত ১০টা ৩০ মিনিট

শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বর- রাত ১০টা ১৫ মিনিট

শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দমদম- রাত ১০টা ৩০ মিনিট

দক্ষিণেশ্বর থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার- রাত ১০টা ২৮ মিনিট

মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে দমদম- রাত ১০টা ৪৩ মিনিট

গ্রিন লাইন (প্রথম মেট্রো)

হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ৫- সকাল ৬টা

সল্টলেক সেক্টর ৫ থেকে হাওড়া ময়দান- সকাল ৬টা ৯ মিনিট

সিটি সেন্টার থেকে হাওড়া ময়দান- সকাল ৬টা ১৫ মিনিট

গ্রিন লাইন (শেষ মেট্রো)

হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ৫- রাত ১০টা ৩০ মিনিট

সল্টলেক সেক্টর ৫ থেকে হাওড়া ময়দান- রাত ১০টা ৩০ মিনিট

সিটি সেন্টার থেকে হাওড়া ময়দান- রাত ১০টা ৩৬ মিনিট

রবিবারের সময় (প্রথম মেট্রো)

দক্ষিণেশ্বর-শহীদ ক্ষুদিরাম- সকাল ৯টা

মহানায়ক উত্তম কুমার-দক্ষিণেশ্বর- সকাল ৯টা

শহিদ ক্ষুদিরাম-দক্ষিণেশ্বর- সকাল ৯টা

দমদম-শহিদ ক্ষুদিরাম- সকাল ৯টা ৫ মিনিট

শেষ পরিষেবা

দক্ষিণেশ্বর-শহিদ ক্ষুদিরাম- রাত ১০টা ৩ মিনিট

দক্ষিণেশ্বর-মহানায়ক উত্তম কুমার- রাত ১০টা ১৮মিনিট

শহিদ ক্ষুদিরাম-দক্ষিণেশ্বর- রাত ১০টা ১৫ মিনিট

শহিদ ক্ষুদিরাম-দমদম- রাত ১০টা ৩০ মিনিট

এরপর আজ সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন অভিজিত। লেখেন, "এরপর কী করব বা সন্ধ্যা পর্যন্ত কী ঘটবে, তা নিয়ে চিন্তা না করেই আমি ঘুমোলাম।" অর্থাৎ এত দিন আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে চিন্তা করতে হত। তবে, এবার কয়েকদিন অন্তত তার থেকে মুক্তি। খুব শান্ত গলায় তাঁকে বলতে শোনা যায়, "এখন কয়েকদিন কোনও আতঙ্ক নেই।"

এটা সবে শুরু...',সকাল হতেই ফের ভিডিয়ো বার্তা ককরোচ অভিজিতের, এবার কীসের ইঙ্গিত?
অভিজিৎ দীপকের ভিডিয়ো বার্তা

 একটানা ৩৭ দিন। লাগাতার আন্দোলন, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, মিছিল, র‌্যালি কী কী না হয়নি। প্রতিদিন মাটি কামড়ে পড়ে থাকতে হয়েছে রাস্তায়। তবে সরে আসেনি CJP। কিন্তু রবিবার সকালটা আলাদা। অবশেষ স্বস্তির ঘুম ঘুমোলেন CJP-র প্রধান অভিজিৎ দীপকে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই কথাই জানালেন তিনি। সঙ্গে উস্কে দিলেন পরবর্তী পদক্ষেপের কথা।


নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ। আন্দোলনে পথে নামে পড়ুয়ারা। তাদের নেতৃত্ব দেয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ দিল্লি থেকে চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ- সব জায়গায় বিক্ষোভ চলছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে। কলকাতাও বাদ যায়নি। অভিজিৎ দীপকে ও তাঁর সহযোগীদের নেতৃত্বে দিল্লিতে আন্দোলন তীব্রতর হয়ে ওঠে। এরপর শনিবার ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। পরে কেন্দ্র ছাত্রদের সব দাবি মেনে নেয়। যুক্তি দেওয়া হয়, ‘দেশ সবার আগে।’ স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী বান্দি সঞ্জয় কুমার লেখেন, ” প্রথমে দেশ, তারপর দল, শেষে নিজে। পদের চেয়ে দায়িত্ব এবং নিজের চেয়ে দেশকে বড় মনে করার যে সংস্কৃতি দল শেখে, প্রধানের ইস্তফা তারই প্রমাণ।” পরে সকল দাবি পূরণের পর গোটা অবস্থান উঠিয়ে নেয় সিজেপি (CJP)।



'যুবসমাজের কাছে দেশই সবার আগে', বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
এরপর আজ সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন অভিজিত। লেখেন, “এরপর কী করব বা সন্ধ্যা পর্যন্ত কী ঘটবে, তা নিয়ে চিন্তা না করেই আমি ঘুমোলাম।” অর্থাৎ এত দিন আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে চিন্তা করতে হত। তবে, এবার কয়েকদিন অন্তত তার থেকে মুক্তি। খুব শান্ত গলায় তাঁকে বলতে শোনা যায়, “এখন কয়েকদিন কোনও আতঙ্ক নেই।” কিন্তু ভিডিয়োর শেষে বাড়ল জল্পনা।অভিজিৎ বললেন, “এটা সবে শুরু… ককরোচ জনতা পার্টিকে আরও দীর্ঘ পথ যেতে হবে।” অভিজিৎ-এর এই মন্তব্যের পরই জল্পনা বেড়েছে। তবে ফের একবার তারা নতুন কোনও ইস্যুতে আন্দোলন করবেন? উঠল সেই প্রশ্ন।


 বিজেপির হাতিয়ার ইউপিএ জমানা এবং কংগ্রেস-সহ বিরোধী শাসিত রাজ্যে প্রশ্নফাঁস এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার পাল্টা খতিয়ান। প্রশ্নফাঁস রুখতে আনা সংশোধনী বিলের আলোচনার পরিসরকে কাজে লাগিয়ে এই ইস্যুই তুলতে চলেছে বিজেপি।


সং ছাত্র আন্দোলনকারীদের দাবি পূরণ। শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan Resignation)। আন্দোলনকারীদের তিন দাবি পূরণের পরই আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party)। তবে ককরোচ আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও, প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে সংসদে সরকারের উপর চাপ বজায় রাখতে মরিয়া কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা।

ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন থেকে সরে গেলেও, বিরোধীরা শুধু ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে সন্তুষ্ট নয়। দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে। এই দাবি তাদের। ২০ জুলাই সংসদ অভিযানে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশি অত্যাচারের দায় নিতে হবে অমিত শাহকে। এটাও দাবি।


সোমবার সরকারের প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত বিল পেশ করা হবে, যাতে কড়া শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে। এই বিল পেশের সময় থেকেই দাবিগুলি নিয়ে সরব হবে বিরোধীরা।

এই বিষয়ে ফ্লোর কো-অর্ডিনেশন ঠিক করতে সোমবার সকাল ১০টায় সংসদে বৈঠকে বসছে ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতারা।

অন্যদিকে, বিজেপির হাতিয়ার ইউপিএ জমানা এবং কংগ্রেস-সহ বিরোধী শাসিত রাজ্যে প্রশ্নফাঁস এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার পাল্টা খতিয়ান। প্রশ্নফাঁস রুখতে আনা সংশোধনী বিলের আলোচনার পরিসরকে কাজে লাগিয়ে এই ইস্যুই তুলতে চলেছে বিজেপি।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর এবার রাম মন্দিরের চুরির ইস্যুকে পার্লামেন্টে মুখ্য হাতিয়ার করতে চাইছে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। এই বিষয়ে আলোচনার জন্য সংসদে দুই কক্ষে মুলতবি প্রস্তাব জমা দিতে চলেছে একাধিক বিরোধী সাংসদ। পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে আলোচনা হবে আগামিকাল।


কলেজ জীবন থেকেই সাংবাদিকতার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় সৌরভের। একজন সক্রিয় আরটিআই কর্মী হিসেবেও পরিচিত সৌরভ। ক্লাইমেট অ্যাকশন ফ্রন্ট নামক একটি পরিবেশ রক্ষা সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ। ২০১৭ সালে, মাত্র ১৮ বছর বয়সেই সৌরভ তথ্যের অধিকার আইনে একাধিক বিষয়ে মামলা করতে থাকেন।

মাত্র ১৮ বছর বয়স থেকে RTI-র মাধ্যমে সত্যসন্ধান, 'ককরোচ'দের মুখ কীভাবে হয়ে উঠলেন সৌরভ দাস?
সিজেপি-র অন্যতম মুখ। কে এই সৌরভ দাস?


 এই দলের অস্তিত্বই ছিল না কয়েক মাস আগেও। এখন ঘরে ঘরে পরিচিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে দিল্লিতে যে বিশাল ছাত্র যুব আন্দোলন হল, তার প্রধান চালিকাশক্তিও এই ককরোচ জনতা পার্টিই (Cockr। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এখন সকলের পরিচিত। তবে তাঁর পাশেই নজর কেড়েছেন আরও একজন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে নিজেদের দাবি নিয়ে সাক্ষাৎ থেকে শুরু করে বিক্ষোভ-আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া- সবেতেই ছিলেন সৌরভ দাস। কে এই সৌরভ জানেন?


সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দেশের যুবদের ‘আরশোলা’র সঙ্গে তুলনা করার পরই তৈরি হয় ককরোচ জনতা পার্টি। এরপরই সৌরভ দাস সিজেপিতে যোগ দেন এবং দলের মুখপাত্র হয়ে ওঠেন। দিল্লির বাসিন্দা সৌরভ।


স্পিড ব্রেকারের ওপর দিয়ে উড়ে এল গাড়ি, হাওয়ায় উড়লেন বাইক আরোহী! হাড়হিম ভিডিয়ো বিচলিত করবে আপনাকেও, দেখুন...
সিজেপির সকল সদস্যরাই অল্প বয়সী। অনেকেই এখনও পড়াশোনা করছেন। যেমন দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে পাবলিক রিলেশনে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করেছেন। একইভাবে সৌরভ দাসও সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। জার্নালিজম ও মাস কমিউনিকেশনে স্নাতক তিনি।


কলেজ জীবন থেকেই সাংবাদিকতার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় সৌরভের। একজন সক্রিয় আরটিআই কর্মী হিসেবেও পরিচিত সৌরভ। ক্লাইমেট অ্যাকশন ফ্রন্ট নামক একটি পরিবেশ রক্ষা সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ। ২০১৭ সালে, মাত্র ১৮ বছর বয়সেই সৌরভ তথ্যের অধিকার আইনে একাধিক বিষয়ে মামলা করতে থাকেন এবং সেই মামলা থেকে সত্য তুলে এনে প্রতিবেদন লেখেন।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় তিনি মহামারী সম্পর্কিত বিচারাধীন আরটিআই মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সৌরভ। এর পরে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনকে (সিআইসি) অনেক বিচারাধীন মামলায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হয়েছিল তাঁর চাপেই। আরটিআই-এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে আরোগ্য সেতু অ্যাপ, সোশ্যাল মিডিয়ার উপর সরকারি পদক্ষেপ, জেএনইউ হিংসা মামলা এবং আরও অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। টেলিভিশন সংবাদমাধ্যমে যেমন তাঁর আরটিআই মামলা জায়গা পায়, তেমনই সৌরভ নিজেও ক্যারাভান ম্যাগাজিন, আর্টিকেল ১৪, আল জাজিরা, দ্য ওয়ার, দ্য হিন্দু ও নিউ লাইনস ম্যাগাজিনে লিখেছেন।

সৌরভ স্বাধীন অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসাবে কাজ করেন। বর্তমানে কমপ্লিসিট সাইলেন্স: দ্য কোর্টস রোল ইন ইন্ডিয়াস কোয়াইট সাফারিং (Complicit Silence: The Court’s Role in India’s Quiet Suffering) নামে একটি বই লিখছেন, যা দেশের বিচারব্যবস্থার মামলাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তিনি ‘দ্য জাস্টিস ব্রিফ উইথ সৌরভ দাস’ নামে একটি শো-ও সঞ্চালনা করেছেন।

তিহাড় জেলে বন্দী কিছু অভিযুক্তের সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার পরও সৌরভ দাসের নাম আলোচনায় আসে। এদের মধ্যে ছিলেন দিল্লি দাঙ্গা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত উমর খালিদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর রাজনৈতিক পছন্দ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও সৌরভ দাস একাধিকবার স্পষ্ট করেছেন যে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি নিজেকে একজন স্বাধীন সাংবাদিক ও সমাজকর্মী হিসেবে বিবেচনা করেন।

কাকদ্বীপে **রয়্যাল মুভস চেস ক্লাব**-এর উদ্যোগে রবিবার অর্থাৎ ২৬ জুলাই সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়ের **সি-২ হল**-এ অনুষ্ঠিত হলো এক দাবা প্রতিযোগিতা। 

সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বয়সের দাবা খেলোয়াড়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জমে ওঠে প্রতিযোগিতার আসর। 



প্রতিযোগিতাটি দুটি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। **গ্রুপ 'A'**-তে অংশ নেয় ১৬ বছর বয়সের নিচের প্রতিযোগীরা এবং **গ্রুপ 'B'**-তে অংশ নেন ১৭ বছর বা তার বেশি বয়সী দাবাড়ুরা।


আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিটি বিভাগের **প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের পুরস্কৃত করা হয়**। প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য ছিল কাকদ্বীপ ও আশপাশের এলাকার দাবা খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্রীড়া-চেতনা, কৌশলগত চিন্তাভাবনা এবং দাবা খেলার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলা।



দিনভর প্রতিযোগিতাকে ঘিরে ছিল উৎসবের আবহ। খুদে প্রতিযোগী থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ দাবাড়ুরা নিজেদের সেরাটা তুলে ধরতে একের পর এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে অংশ নেন। আয়োজকদের আশা, ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাকদ্বীপে দাবা চর্চার প্রসার আরও বাড়বে।


কাকদ্বীপ থেকে সৌম্য সুন্দর দাসের রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম।

 অবসরপ্রাপ্ত এনএসজি কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তীও সমর্থন করছেন রাজনাথ সিংকে। বলছেন, “প্রতিরক্ষা মন্ত্রী একদমই ঠিক কথা বলেছেন। পাকিস্তান ক্রমাগত অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে ছায়া যুদ্ধ করবে আর আমরা চুপ করে বসে থাকবো সেটা তো হবে না।”
 

 কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, কার্গিল দিবসে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা রাজনাথ সিংয়ের
আর কী বললেন রাজনাথ?
   কার্গিল দিবসে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের। পাকিস্তানের সঙ্গে এবার শুধু কথা হবে POK নিয়ে। কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পাকিস্তান অবৈধভাবে কাশ্মীরের একাংশ দখল করে রেখেছে। পাকিস্তানের সরকারি নীতির অংশ হয়ে গিয়েছে জঙ্গিরা। সাফ কথা রাজনাথের।


প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরের সময় পাক সেনার কোমর একেবারে ভেঙে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। পাক সেনার অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল যদি না ভারত থামতো। ভারতীয় সেনার ক্ষমতা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছিল গোটা বিশ্ব। যদিও বর্তমানে ফের পুরনো রোগ চেপে ধরেছে পাকিস্তানকে। প্রায়শই দেখা যাচ্ছে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। জঙ্গি ঢুকিয়ে ভারতীয় সেনা থেকে সাধারণ বাসিন্দাদের উপর আক্রমণ করার চেষ্টা হচ্ছে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে রাজনাথ সিংয়ের কড়া হুঁশিয়ারি যে রীতিমতো তাৎপর্যপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাঁর সাফ কথা, অনুপ্রবেশ কোনওমতেই বরদাস্ত করা হবে না। ভারতীয় সেনা সদা সতর্ক রয়েছে। একইসঙ্গে তাঁর সাফ কথা, অনুপ্রবেশের চেষ্টা হলে কাউকে রেহাত করা হবে না।


কাকপক্ষীতেও টের পায়নি দ্বিতীয় সন্তান আসার কথা! রহস্য ভাঙলেন কাঞ্চন পত্নী শ্রীময়ী, কীভাবে পাশে ছিলেন ঋতুপর্ণা?

পেটের ভেতর ছ’মাসের শিশুর আকারের টিউমার! জন্মদিনের আগেই চরম বিপদে অভিনেত্রী তন্বী, কেমন আছেন তিনি?
অবসরপ্রাপ্ত এনএসজি কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তীও সমর্থন করছেন রাজনাথ সিংকে। বলছেন, “প্রতিরক্ষা মন্ত্রী একদমই ঠিক কথা বলেছেন। পাকিস্তান ক্রমাগত অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে ছায়া যুদ্ধ করবে আর আমরা চুপ করে বসে থাকবো সেটা তো হবে না। পাকিস্তান যেমন ব্যবহার করবে তার যথাযোগ্য জবাব পাবে। পাকিস্তান আমাদের ভারতের একটা বড় ভূখণ্ড অধিকৃত করে রেখে দিয়েছে। এটা আমরা মেনে নেব না। আজ হোক বা কাল, পাক অধিকৃত কাশ্মীর আমাদেরই হবে। আমরা এতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।”  

অর্থ দফতরের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই আধুনিক ব্যবস্থাকে যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর করতে হবে। এর জন্য বিভিন্ন দফতরের নিজস্ব সফটওয়্যার সলিউশনগুলি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

ঘোষণা হওয়ার ১ মাসের মধ্যেই বদলে গেল নিয়ম! ছুটির সকালে সরকারি কর্মীদের জন্য নবান্ন থেকে এল বড় নির্দেশ
নবান্ন

সরকারি কর্মচারীদের হাজিরা দেওয়ার পদ্ধতিতে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। এবার থেকে দফতরে আলাদা করে কোনও বায়োমেট্রিক হার্ডওয়্যার মেশিন বসানোর প্রয়োজন নেই। নতুন নিয়মে কর্মীরা সরাসরি অফিস চত্বরের মধ্যেই নিজেদের মোবাইল ফোনের সাহায্যে হাজিরা (অ্যাটেনডেন্স) দিতে পারবেন। এর ফলে সরকারের বিপুল খরচ যেমন বাঁচবে, তেমনই হাজিরা প্রক্রিয়া হবে আরও সহজ ও ঝঞ্ঝাটহীন।


অর্থ দফতরের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই আধুনিক ব্যবস্থাকে যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর করতে হবে। এর জন্য বিভিন্ন দফতরের নিজস্ব সফটওয়্যার সলিউশনগুলি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

রিয়ালে অনিশ্চিত ভিনি, নতুন মরশুমে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে নিতে মরিয়া প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব!
সূত্রের খবর, গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন দফতরে বায়োমেট্রিক মেশিন বসানোর কাজ শুরু হলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা রক্ষণাবেক্ষণের অভাব বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঠিকমতো কাজ করত না। তাছাড়া নতুন এই মোবাইল-ভিত্তিক জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি চালু হলে দফতরের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে থেকেই কর্মীরা অ্যাপের মাধ্যমে হাজিরা নথিভুক্ত করতে পারবেন। এর ফলে অফিসে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ থাকবে বলে মনে করছে অর্থ দফতর। দ্রুত এই নির্দেশিকা সমস্ত দফতরে পাঠানোর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।


উল্লেখ্য, এর আগেই সরকারি কর্মীদের হাজিরা নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ করেছিল নবান্ন। ১৫ জুন থেকে নবান্নে বাধ্যতামূলক ‘ফেস রিকগনিশন’ বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতরে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে দেওয়া হয়েছে সাফ নির্দেশ দেওয়া হয়। দফতর প্রধানদের বাদ দিয়ে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিকে প্রবেশ ও প্রস্থানের সময়, মুখ সনাক্ত যন্ত্রে উপস্থিতি নথিভুক্ত করতে হবে। তবে তাতে কিছুটা বদল। সকাল ১০ টা বেজে ১৫ থেকে ১১টার মধ্যে উপস্থিত হলে ‘লেট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। সকাল ১১টার পর অফিসে পৌঁছলে ‘অনুপস্থিত’ হিসেবে গণ্য করা হবে। বিকেল ৫টা বেজে ১৫ মিনিটের আগে অফিস ত্যাগ করলে ‘আর্লি ডিপার্চার’ ধরা হবে।

তিনি আরও বলেন, "ভারত তেরি টুকরে হোঙ্গে, কাশ্মীর মাঙ্গে আজ়াদি, এই কথা বলে কেউ যেন বাড়ি ফিরে যেতে না পারে। তাঁদের যেন সরকারি হাসপাতাল থেকে ঘুরে যেতে হয়। ওপিডি ঘুরে যেতে হয়।"

.কাশ্মীর মাঙ্গে আজ়াদি...এই কথা বলে যেন কেউ বাড়ি ফিরে যেতে না পারে', হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন শমীক
শমীক ভট্টাচার্য, বিজেপি রাজ্যসভাপতি

কার্গিল দিবসের দিন কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Sigh)। আর ঠিক সেই সময়ই কলকাতায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এবার থেকে কলকাতায় দাঁড়িয়ে ‘আজ়াদি’ স্লোগান বা ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজ়াদি’ স্লোগান দিলে ছেড়ে কথা বলা হবে না বলে মন্তব্য শমীকের।


এ দিন শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “দেশ বিরোধী শক্তি নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে। আর এখানকার কমিউনিস্টরা দেশটাকে টুকরো করেছিল। ২৮টা টুকরোতে ভাঙতে চেয়েছিল। ওরাই পিছনের দরজা দিয়ে ঢুকেছিল। আমরা পুলিশকে বলছি আইন আইনের পথে চলবে।” তিনি আরও বলেন, “ভারত তেরি টুকরে হোঙ্গে, কাশ্মীর মাঙ্গে আজ়াদি, এই কথা বলে কেউ যেন বাড়ি ফিরে যেতে না পারে। তাঁদের যেন সরকারি হাসপাতাল থেকে ঘুরে যেতে হয়। ওপিডি ঘুরে যেতে হয়।”



মমতাকে ফোন অভিজিৎ দিপকের, সোমবার যন্তর মন্তরে যাওয়া নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিলেন তৃণমূল নেত্রী?
এখানে উল্লেখ্য, আজ়াদি স্লোগান নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছিল। এর আগে শুভেন্দু অধিকারীও এই নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেন, “নিজেদের কথা বলুন। আজকে উল্টোরথ, কালকেও এই মিছিল করতে পারত৷ কিন্তু ইচ্ছা করে আজই করেছে। আমি পুলিশকে বলেছি,যা বলছে বলতে দিন। দেশবিরোধী স্লোগান হলে মার্ক করে অ্যাকশন নেব। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা পেয়েছে দেশ, তার পর ‘আজাদি’ ‘আজাদি’ করলে অ্যাকশন নেব।”

যে কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে তাতে দিল্লি এবং মুম্বই সম্পর্কিত কিছু তথ্য রয়েছে। যা দেখেই অনুমান করা হচ্ছে, স্বাধীনতা দিবসের আগে বড়সড় নাশকতার ছক ছিল জঙ্গিদের। একটি বক্সের ভিতরে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক রাখা ছিল।

মিলল কিছু সাংকেতিক শব্দ, ধাতব বাক্সতেই কি না এইসব...বর্ডারে ভয়ঙ্কর ঘটনা
উদ্ধার হওয়া এই বাক্সেই ছিল বিস্ফোরক।

অমৃতসর: স্বাধীনতা দিবসের মুখে ভারতের বুকে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা? লক্ষ্য দিল্লি বা মুম্বই? পঞ্জাবের জলন্ধর থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণে আরডিএক্স (RDX)। বোমা তৈরির সামগ্রীও মিলল এর সঙ্গে।


মুম্বই এবং দিল্লির বুকে বড়সড় নাশকতা রুখল জলন্ধর পুলিশ এবং কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স। জানা গিয়েছে, ভারত-পাক সীমান্ত থেকে প্রায় দেড় ঘন্টা দূরত্বে অবস্থিত জলন্ধরের একটি এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১ কেজি ৩০০ গ্রাম আরডিএক্স।


কাহানি' তে ট্যুইস্ট! বিদ্যাকে সরিয়ে সুজয়ের নতুন 'কাহানি'র মুখ কে?

 রিয়ালে অনিশ্চিত ভিনি, নতুন মরশুমে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে নিতে মরিয়া প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব!
একটি বক্সের ভিতরে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক রাখা ছিল। একইসঙ্গে সেখানে রাখা ছিল টাইম মেশিন, বেশ কিছু লোহার বিয়ারিং এবং বোমা তৈরি করার সামগ্রী। এছাড়াও বেশ কিছু কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে। যেখানে সাংকেতিক শব্দ রয়েছে বলে জলন্ধর পুলিশের গোয়েন্দা সূত্রে খবর।


যে কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে তাতে দিল্লি এবং মুম্বই সম্পর্কিত কিছু তথ্য রয়েছে। যা দেখেই অনুমান করা হচ্ছে, স্বাধীনতা দিবসের আগে বড়সড় নাশকতার ছক ছিল জঙ্গিদের।

সীমান্ত দিয়ে স্লিপার সেলের মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক নিজেদের নেটওয়ার্কের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্ল্যান ছিল। সেই উদ্দেশ্যেই জলন্ধরের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে রাখা হয়েছিল বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক।

স্থানীয় বাসিন্দারা সন্দেহজনকভাবে সেই বাক্সটি পড়ে থাকতে দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন। ইতিমধ্যেই জলন্ধর গ্রামীণ পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছেন। সাংকেতিক শব্দগুলিতে মূলত কী বলা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আসা হয়েছে।

বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের কথায়, যে বিশাল পরিমাণ বিস্ফোরণ উদ্ধার হয়েছে, তাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত। বিশেষ করে দিল্লি, মুম্বইয়ের মতো জনবহুল এলাকায় বড়সড় ক্ষতি হতে পারত।

স্বাধীনতা দিবসের আগে জঙ্গিরা দেশের রাজধানী এবং অর্থনৈতিক রাজধানীতে নাশকতার পরিকল্পনা করেছে বলেই অনুমান করছেন গোয়েন্দারা। যে কারণে পঞ্জাবের পাক সীমান্ত অথবা নেপাল সীমান্তকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে আশঙ্কা গোয়েন্দারা।

সব স্কুলে যথাসময়ে নিয়োগ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। রাজ্যের ১০০০ স্কুলে অত্যাধুনিক ল্যাব তৈরি হবে। এর জন্য স্কুল পিছু ২০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করা হচ্ছে। প্রাথমিক স্কুলগুলিতে নূন্যতম ৩ জন শিক্ষক রাখা হবে, একইসঙ্গে আপার প্রাইমারি স্কুলগুলিকে হাইস্কুলের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে সরকার।


কোনও ছাড় নয়! পড়ুয়াদের জন্য বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স চালু হচ্ছে রাজ্যে
ফাইল ছবি

রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে একাধিক অভিযোগ ছিল পূর্বতন সরকারের আমলে। কোনও স্কুলে পড়ুয়া নেই, কোথাও আবার পড়ুয়া আছে তো পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা নেই। সরকারি স্কুলে বেহাল অবস্থা বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় উঠে এসেছে। এবার সেই স্কুলশিক্ষার (School Education) আমুল পরিবর্তন করার পরিকল্পনা শুরু সরকারের। স্কুলের পড়ুয়াদের (School Students) উপস্থিতি বাড়াতে নয়া সিদ্ধান্তের কথা জানালেন স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ।


রবিবার ‘অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘে’র ১১ তম জেলা সম্মেলন উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। সেখানে গিয়েই তিনি জানিয়েছেন, স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য এবার বায়োমেট্রিক হাজিরার ব্যবস্থা করা হবে। এর ফলে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাপ কমবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, “এর ফলে শিক্ষকদের উপর চাপ কমবে। প্রথম থেকে বলে দেওয়া হবে কম উপস্থিতি হলে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।”


আপনারা কি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন?', SIR সংক্রান্ত মামলায় কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের
গৌরীদেবী চাননি উত্তমের মরদেহ স্পর্শ করুন সুপ্রিয়া? মহানায়কের মৃত্যুর ৪৬ বছর পর সত্য়িটা বলেই ফেললেন কন্যা সোমা
এছাড়া সব স্কুলে যথাসময়ে নিয়োগ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। রাজ্যের ১০০০ স্কুলে অত্যাধুনিক ল্যাব তৈরি হবে। এর জন্য স্কুল পিছু ২০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করা হচ্ছে। প্রাথমিক স্কুলগুলিতে নূন্যতম ৩ জন শিক্ষক রাখা হবে, একইসঙ্গে আপার প্রাইমারি স্কুলগুলিকে হাইস্কুলের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে সরকার।


স্কুলে পঠন পাঠন বজায় রাখার পাশাপাশি জনগণনার কাজ কীভাবে চলবে, সে কথাও এদিন উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই দুই প্রক্রিয়াকে একইসঙ্গে চালিয়ে নিতে প্রয়োজনে বিদ্যালয়গুলিতে সকালে ক্লাস নেওয়ার ব্যাবস্থা করা হতে পারে।”