WEATHER

Top News



বাংলায় ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাব পড়তে চলেছে। অর্থাৎ ঘূর্ণিঝড়ের সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়বে না। ঘূর্ণিঝড়ের মূল প্রভাব পড়বে অন্ধ্রপ্রদেশ ও অন্ধ্র লাগোয়া দক্ষিণ ওড়িশায়। বাংলায় ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাব পড়বে, উপকূল থেকে উত্তরবঙ্গে।


ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ (cyclone Arnab)। এখনও তৈরি না হলেও বুধবার দুপুরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় অন্তত তেমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। অন্ধ্রর বিশাখাপত্তনম ও বাপতলার মধ্যে ‘অর্ণব’-এর ল্যান্ডফল হবে।


হাওয়া অফিস বলছে, অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় হিসেবে স্থলভাগে ঢুকবে ‘অর্ণব’। অন্ধ্রে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝড়। পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হবে গভীর নিম্নচাপ। সোমবার ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির পূর্বাভাস দিচ্ছে হাওয়া অফিস। পূর্ব উপকূলে এগোনোর পথেই শক্তি বাড়বে ঘূর্ণিঝড়ের। ফলত, এর জেরে প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কা অন্ধ্র-দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে।


বাংলায় কী হবে?


বাংলায় ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাব পড়তে চলেছে। অর্থাৎ
ঘূর্ণিঝড়ের সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়বে না। ঘূর্ণিঝড়ের মূল প্রভাব পড়বে অন্ধ্রপ্রদেশ ও অন্ধ্র লাগোয়া দক্ষিণ ওড়িশায়। বাংলায় ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাব পড়বে, উপকূল থেকে উত্তরবঙ্গে।

সোমবার পর্যন্ত রাজ্য শুকনো আবহাওয়া। এরপর থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাবে।

মঙ্গলবার: কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে হালকা-মাঝারি বৃষ্টি। উত্তরবঙ্গে শুকনো আবহাওয়া।

বুধবার: দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টি। উত্তরবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি।

বৃহস্পতিবার: দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, সিকিমে ভারী বৃষ্টি।

শুক্রবার: দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, সিকিমে ভারী বৃষ্টি।

বুধবার থেকে শুক্রবার: কলকাতা-সহ বাকি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি

দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস: উপকূলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৫ কিমি বেগে দমকা বাতাস। বাকি জেলায় ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা বাতাস।

যারা ঘুরতে যাচ্ছেন-

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার উত্তরবঙ্গ, সিকিমে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিমে ধস নামতে পারে। সিকিমের উঁচু তুষারপাতেরও পূর্বাভাস।

মঙ্গলবার থেকে বাংলার সমুদ্রতটে নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ মৌসম ভবনের।

অন্ধ্র-ওড়িশা উপকূলে দুর্যোগের আশঙ্কা।

মঙ্গলবার-বুধবার পুরীতে কমলা সতর্কতা। মঙ্গলবার-বুধবার বিশাখাপত্তনমে লাল সতর্কতা। গোপালপুর যে জেলায়, সেই গঞ্জামে মঙ্গলবার কমলা সতর্কতা, বুধবার লাল সতর্কতা। ২৭ ও ২৮ অক্টোবর উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে, ২৮ অক্টোবর দক্ষিণ ওড়িশায় চরম ভারী বর্ষণের সতর্কতা। চরম ভারী বর্ষণ অর্থাত্‍ ২৪ ঘণ্টায় ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি। ঘূর্ণিঝড়ের জন্য নিয়ন্ত্রিত হতে পারে দক্ষিণ ভারতের ট্রেন।

ভারী বৃষ্টি হতে পারে বিহার, ঝাড়খণ্ড, পূর্ব উত্তরপ্রদেশেও। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা তেলঙ্গানা, ছত্তীসগঢ়, বিদর্ভে।


এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন নির্বাচন কমিশন বহু বৈধ নাগরিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে ডিলিট করে দিয়েছে বলেই অভিযোগ বিরোধী দলগুলির। বদল করা হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম। তার উপরে কমিশনের অন্দরেই দ্বন্দ্ব নিয়ে খবর প্রকাশ হতেই আরও তেড়েফুঁড়ে ময়দানে নামে ইন্ডিয়া জোট।


জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে মোক্ষম চাল বিরোধীদের। নজিরবিহীন রাজনৈতিক পদক্ষেপ ইন্ডিয়া জোটের। আগামী ৩০ অক্টোবর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতীকী ‘জনতার ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া’ আয়োজনের ঘোষণা করেছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া (INDIA)। ভোটার তালিকায় কারচুপি এবং নির্বাচনী তালিকার নিয়মে পরিবর্তনের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আন্দোলন আরও তীব্র হচ্ছে।


কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল জানিয়েছেন, বিরোধী সাংসদরা এবং ইন্ডিয়া জোটের শরিকি নেতারা এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। নয়া দিল্লিতে একটি প্রতীকী সংসদ হবে। সেখান থেকেই জনগণের মতামত ঘোষণা করা হবে, জ্ঞানেশ কুমারকে যাতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, তার দাবি জানানো হবে।


এরপরে ১ নভেম্বরও কর্মসূচি রয়েছে কংগ্রেসের। তাতে কমপক্ষে ১০ লাখ মানুষ আসবেন বলেই দাবি করা হয়েছে কংগ্রেসের তরফে।


এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন নির্বাচন কমিশন বহু বৈধ নাগরিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে ডিলিট করে দিয়েছে বলেই অভিযোগ বিরোধী দলগুলির। বদল করা হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম। তার উপরে কমিশনের অন্দরেই দ্বন্দ্ব নিয়ে খবর প্রকাশ হতেই আরও তেড়েফুঁড়ে ময়দানে নামে ইন্ডিয়া জোট। রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে থেকে শুরু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব- সকলেই জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি করেছেন ভোট চুরির অভিযোগে।

এবার বিরোধীরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার আইন, ২০২৩-কে চ্যালেঞ্জ করতে প্রস্তুত। ওই আইনের ১৬ নম্বর বিধানে বলা হয়েছে যে পদে থাকাকালীন নেওয়া কোনও সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। এমনকী অবসরের পরও এই সুরক্ষাকবচ থাকবে। বিরোধীরা এই বিধানেরই পরিবর্তন চাইছে।

এদিকে, বিজেপি বিরোধী জোটের এই জনগণের বিচার প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছে। এই আন্দোলনকে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুর্বল করার চেষ্টা বলে অভিহিত করেছে তারা। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্রের অভিযোগ, নির্বাচনী বাস্তবতা মেনে নিতে না পেরে ইন্ডিয়া জোট এবং রাহুল গান্ধী বিভ্রান্তি, মিথ্যা ছড়াচ্ছেন।



গ্ৰুপের অন্য দল হিসেবে লাওস ও বাহরাইন ম্যাচ ড্র হয়েছে ১-১ ফলে। অন্যদিকে, সেনেগাল ৬-১ গোলে হারিয়েছে গ্রেনাডাকে। আজ বিকেলে ভারত মুখোমুখি হবে গ্রেনাডার। ভারতীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ নাগাদ শুরু হবে ম্যাচটি।


ফিফা অনুর্ধ্ব ১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এ দুরন্ত ছন্দে রয়েছে ভারত। রবিবার, ২৫ অক্টোবর গ্ৰুপ কে-র দ্বিতীয় ম্যাচে ক্যামেরুনকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল ভারতের ছোটরা। জয়ের নেপথ্যে আছেন ভারতের গোলকিপার জেনিত নিংথৌজাম। বেশকিছু দুরন্ত সেভ সহ পেনাল্টিও আটকান তিনি। উল্লেখ্য, এই প্রথম আয়োজিত হচ্ছে ফিফা অনুর্ধ্ব ১৫ বিশ্বকাপ। প্রতিযোগিতায় মোট ১৮৯টি দেশ অংশগ্রহণ করছে ও তাদের মোট ৩২টি গ্ৰুপে ভাগ করা হয়েছে। ম্যাচগুলি হচ্ছে ৮জনের দলীয় ফরম্যাটে। এখানেই সম্পূর্ণ ম্যাচ হবে ৪০ মিনিটে, যার মধ্যে ২০ মিনিট করে দুটি অর্ধ।


বৃষ্টিভেজা মাঠে শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করা শুরু করেন ভারতের ফুটবলাররা। প্রথম মিনিটে দীপক সিং আরামবামের কর্নার থেকে ভাসা বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে হেডে নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন ক্যামেরুনের ফারেইল এনগোবো। ফলে শুরুতেই ১-০ এগিয়ে যায় ভারত। এরপর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ক্যামেরুন। তবে ভারতের ডিফেন্সের প্রশংসা করতেই হয়। একের পর এক ওয়ান অন ওয়ান পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষকে আটকে নজর কাড়ে ভারতের ফুটবলাররা। একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করতে থাকেন জেনিতও। ১৬ মিনিটে ক্যামেরুনের ফ্রি-কিক থেকে ভাসা বল দুর্দান্ত ক্ষমতায় আটকে দেন তিনি। পরের মিনিটেই আবার একটি ভাল সেভ করেন জেনিত। তবে ২০ মিনিটে সমতা ফেরায় ক্যামেরুন। ডান দিক থেকে মোশতারের বাড়ানো বল ভারতের মহম্মদ সোহেল খানের গায়ে লেগে দিক বদলে গোলে ঢুকে যায়। ফলে ১-১ ব্যবধানে শেষ হয় প্রথমার্ধ।


বিরতির পর নয়া উদ্যমে মাঠে নাম ভারত। ২৭ মিনিটে রোনানদেবের বাড়ানো বল পান দীপক। তিনি বল দেন অধিনায়ক আর লালরেমরুয়াতফেলার কাছে। প্রথম টাচেই নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। ২-১ গোলে ফের এগিয়ে যায় ভারত। ম্যাচের ৩১ মিনিটে পেনাল্টি পায় ক্যামেরুন। কিন্তু হারুনা আব্দুলায়ের শট দুরন্ত দক্ষতায় বাঁচিয়ে দেন তিনি। শেষ অব্দি রক্ষণ সামলে রেখেই ২-১ গোলে জিতল ভারত। এই জয়ের ফলে গ্ৰুপ কে-তে ২ ম্যাচ খেলে ২ ম্যাচেই জিতেছে ভারত। গ্ৰুপের অন্য দল হিসেবে লাওস ও বাহরাইন ম্যাচ ড্র হয়েছে ১-১ ফলে। অন্যদিকে, সেনেগাল ৬-১ গোলে হারিয়েছে গ্রেনাডাকে। আজ বিকেলে ভারত মুখোমুখি হবে গ্রেনাডার। ভারতীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ নাগাদ শুরু হবে ম্যাচটি। এরপর ২৬ অক্টোবর বাহরাইন ও সেনেগালের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। প্রতিযোগিতার সব ম্যাচ বিনামূল্যে দেখা যাবে dazn.com এ।



পুলিশ লাইন থেকে নমো ঘাট পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে ভিড় জমান বহু মানুষ। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন জায়গায় জড়ো হন বিজেপি কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। রাস্তার বিভিন্ন নির্দিষ্ট জায়গায় গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে, ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হয়।


বারাণসীতে বায়ুসেনার চোখধাঁধানো এয়ার শো, যোগী-রাজনাথকে পাশে নিয়ে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

বাঁ পাশে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ডানদিকে উত্তর প্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁদের পাশে নিয়েই রবিবার বারাণসীর নমো ঘাটে ভারতীয় বায়ুসেনার চোখধাঁধানো এয়ার শো দেখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বায়ুসেনার ৯৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনের এই এয়ার শোয়ের শেষ দিনে এদিন উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, এই এয়ার শোয়ে অংশ নেয় সুখোই-৩০ এমকেআই, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস এবং এলসিএইচ প্রচণ্ডের মতো যুদ্ধবিমান। পাশাপাশি ছিল হেলিকপ্টারের নানা প্রদর্শনী।


‘উইংস ওভার গঙ্গেস’ এয়ার শোয়ে এদিন তিনটি কিরণ বিমান ‘ভি’ আকৃতিতে উড়ে জাতীয় পতাকার রঙে আকাশে মনোরম দৃশ্য তৈরি করে। অন্যদিকে, তেরঙ্গা নিয়ে এমআই-১৭ হেলিকপ্টারগুলি ‘ওমকার’ ফর্মেশনে অংশ নেয়। ‘সূর্যকিরণ’ অ্যারোবেটিক দল নিখুঁত উড়ান ও কসরত প্রদর্শন করে। অন্যদিকে, ‘সারং’ হেলিকপ্টার প্রদর্শনী দলের আকাশে নানা কৌশল মুগ্ধ করে দর্শকদের।


 রেস্তরাঁর ফ্রিজ খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ আধিকারিকদের, দেখুন কী কী পাওয়া গেল
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে বারাণসীর বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। পুলিশ লাইন থেকে নমো ঘাট পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে ভিড় জমান বহু মানুষ। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন জায়গায় জড়ো হন বিজেপি কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। রাস্তার বিভিন্ন নির্দিষ্ট জায়গায় গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে, ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হয়। পুলিশ লাইনের মূল ফটক, পুলিশ লাইন ক্রসিং, খাজুরি-মকবুল আলম রোডের ইয়েস ব্যাঙ্কের সামনে, হুকুলগঞ্জ তিরুমুহানি, চকাঘাট কাঠের বাজার, সিটি রেলওয়ে স্টেশন, গোলগাড্ডা ক্রসিং, রেলওয়ে আন্ডারপাস এবং নমো ঘাটের কাছে সিএনজি স্টেশন-সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে এই আয়োজন করা হয়েছিল।


গাড়ির ফুটবোর্ডে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী যখন জনতার অভিবাদন গ্রহণ করেন, তখন ‘হর হর মহাদেব’ এবং ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এয়ার শো দেখার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন দর্শকরা।

এ দিন পোশাক তৈরির কারখানার উদ্বোধনও করেন মোদী-

এয়ার শোয়ে যোগ দেওয়ার আগে রবিবার বারাণসীর মির্জামুরাদ এলাকায় অরবিন্দ লিমিটেডের একটি নতুন পোশাক তৈরির কারখানার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এই কারখানার লক্ষ্য হল সংশ্লিষ্ট এলাকায় শিল্পের বিকাশ ঘটানো এবং ভারতের বস্ত্র ও পোশাক উৎপাদন ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করা। প্রায় ৩০০ জন মহিলার সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

কর্তাদের দাবি, নতুন এই কারখানার ফলে বিশেষত মহিলাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও গতি পাবে। বারাণসীতে তৈরি পোশাক যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছতে পারে, সেই লক্ষ্যেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


 এসআরএফটিআই-এর ছাত্র আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে কড়া আক্রমণ নাসিরুদ্দিন শাহের। তাঁর এই মন্তব্যের পরই ছেড়ে কথা বলেননি রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। কী ঘটেছে? কী বলেছেন প্রবীণ অভিনেতা?



কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের (এসআরএফটিআই) আন্দোলনরত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন নাসিরুদ্দিন শাহ (Naseeruddin Shah)। আর তাঁর এই মন্তব্যের পরই ছেড়ে কথা বলেননি রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।


নাসিরুদ্দিন শাহের অভিযোগ


রেস্তরাঁর ফ্রিজ খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ আধিকারিকদের, দেখুন কী কী পাওয়া গেল
কত ভরি গহনা আছে অপরাজিতার জানেন?
একটি ভিডিয়ো বার্তায় প্রবীণ অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ বিজেপিকে কড়া আক্রমণ করে বলেন, “বিজেপি রক্তপিপাসু মিথ্যাবাদী দল। বিধানসভা নির্বাচনে দলটি হিংসা ছড়িয়েছে। ওদের নীতির সঙ্গে যারা একমত নয়, তাঁদের ওপরই প্রতিশোধ নেওয়া হচ্ছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের ভবিষ্যৎ এবং চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মগজ ধোলাই বা ভয় দেখানো হচ্ছে। তবে পড়ুয়াদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “কথা দিচ্ছি, এমনটা কখনওই হতে দেব না।”


দিলীপ ঘোষের পাল্টা জবাব

নাসিরুদ্দিনের এই মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি অতীতের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, “এতদিন মাফিয়ার হাতে ছিল চলচ্চিত্র জগৎ, তখন নাসিরুদ্দিন শাহর কোনও কষ্ট হয়নি।” তাঁর দাবি, আজ ভারতের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি মাফিয়ামুক্ত। এখন জাতীয়তাবাদী সিনেমা তৈরি হচ্ছে। মানুষ খুশি মনে তা দেখছেন। দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “কালো টাকা দিয়ে ফিল্ম করে গায়ের জোরে হিন্দুত্ব আর দেশকে অপমান করা হয়েছে। তখন চুপ ছিলেন। এখন চুপ থাকুন, দেখুন কী হচ্ছে।”

কেন উত্তাল এসআরএফটিআই?

গত ২৭ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বহিরাগতদের সঙ্গে পড়ুয়াদের সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকেই দোষীদের শাস্তির দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন ছাত্রছাত্রীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ পুজোর ছুটি বাড়িয়ে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত করে দেয় এবং হস্টেল ও মেস খালি করার নির্দেশ দেয়। পড়ুয়াদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসে জলের সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে হস্টেল ছাড়তে নারাজ ছাত্রছাত্রীরা আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে দেশ জুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন, আর ঠিক সেই সময়েই তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন নাসিরুদ্দিন শাহ।



 বুধবার দুপুরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়বে বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড়। বিশাখাপত্তনম ও বাপতলার মধ্যে 'অর্ণব'-এর ল্যান্ডফল হবে বলেই জানা গিয়েছে। অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় হিসাবেই স্থলভাগে ঢুকবে 'অর্ণব'। যখন স্থলভাগে প্রবেশ করবে ঘূর্ণিঝড়, তখন অন্ধ্র উপকূল ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝড়। 


অন্ধ্রে ল্যান্ডফল করেই ডানদিকে ঘুরে যাবে 'অর্ণব', বাংলাও কি তোলপাড় হবে শক্তিশালী সাইক্লোনে?
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের সম্ভাব্য গতিপথ।

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব (Cyclone Arnab)। আগামী বুধবার দুপুরে ল্যান্ডফল করবে এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। তোলপাড় হবে ওড়িশা-অন্ধ্র উপকূল। অন্ধ্র প্রদেশে ল্য়ান্ডফল করলেও, এরপরই বাঁক নেবে ঘূর্ণিঝড়। আর এই বাঁকেই বিপত্তি বাংলার।


বুধবার দুপুরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়বে বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড়। বিশাখাপত্তনম ও বাপতলার মধ্যে ‘অর্ণব’-এর ল্যান্ডফল হবে বলেই জানা গিয়েছে। অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় হিসাবেই স্থলভাগে ঢুকবে ‘অর্ণব’। যখন স্থলভাগে প্রবেশ করবে ঘূর্ণিঝড়, তখন অন্ধ্র উপকূল ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝড়।


কাটা মাছ জীবিত হতেই মিলেছিল অলৌকিক সংকেত! মা তারার আবির্ভাব তিথিতে জানুন তারাপীঠের অজানা ইতিহাস
আগামী কালই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। জানা গিয়েছে, পূর্ব উপকূলে এগোনোর পথে শক্তি বাড়বে ঘূর্ণিঝড়ের। এর জেরে প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কা অন্ধ্র-দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে।


মৌসম ভবন জানিয়েছে, অন্ধ্র উপকূলে ল্যান্ডফলের পর ডান হাতে বাঁক নেবে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে ভারী বৃষ্টি হবে বাংলাতেও। ঠিক যেমনটা সেপ্টেম্বর মাসে নিম্নচাপের জেরে হয়েছিল। তারই যেন পুনরাবৃত্তি হবে এই ঘূর্ণিঝড়ে!

এখনও অবধি যা আপডেট মিলেছে, তাতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় অন্ধ্র প্রদেশে আছড়ে পড়লে, বৃষ্টি হবে বাংলাতেও। মঙ্গলবার থেকেই বদলাবে আকাশ। ওইদিন থেকেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি শুরু হবে। বুধ-বৃহস্পতিবার উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হবে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার উত্তরবঙ্গ-সিকিমেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উপকূলে ঘণ্টায় ৫৫ কিমি বেগে দমকা বাতাস বইতে পারে। কলকাতা ও অন্যান্য জেলায় ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা বাতাস বইবে। মঙ্গলবার থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।




১৯৮৯ সাল থেকে অপরাজিতা আঢ্যর শ্বশুরবাড়িতে মহাসমারোহে পালিত হয় কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। লক্ষ্মীপুজোর চূড়ান্ত ব্যস্ততার মাঝেই টিভি৯ বাংলার মুখোমুখি অপরাজিতা আঢ্য। কেন এই পুজোয় কাউকে নিমন্ত্রণ করার প্রয়োজনই হয় না? মায়ের ভোগে এই বছর কী কী রয়েছে?



কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো মানেই বাঙালির ঘরে ঘরে উৎসবের আমেজ। আর টলিউড অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্যর বাড়ির পুজোর উন্মাদনা একেবারে অন্য পর্যায়ের। ১৯৮৯ সাল থেকে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে এই পুজো হয়। বিয়ের পর দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে এই আনন্দোৎসবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন তিনি। পুজোর কাজের ফাঁকেই টিভি৯ বাংলার মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিনেত্রী। ব্যস্ততার মাঝেই আড্ডার মেজাজে ভাগ করে নিলেন উৎসবের নানা অজানা কথা। এই বিশেষ দিনটিকে নিছকই আরাধনা নয়, বরং দেবীর জন্মদিন হিসেবেই পালন করা হয়। পাশাপাশি মহাসমারোহে এবং নিষ্ঠাভরে আয়োজন করা হয় সত্যনারায়ণ পুজোর। আশ্চর্যের বিষয় হল, এত বড় উৎসব হলেও আলাদা করে কাউকে নিমন্ত্রণ করার রীতি এই বাড়িতে নেই। মানুষের ঢল এমনিতেই নামে। অভিনেত্রীর কথায়, “লক্ষ্মীপুজোতে তেমন ভাবে কাউকে নিমন্ত্রণ করতে হয় না, মানুষ এমনিই আসে। মা লক্ষ্মী নিজেই নিজের পুজো এত বড় করে নিয়েছেন।”


প্রতি বছরই দেবীর সাজগোজে থাকে নতুনত্বের ছোঁয়া। থিম অনুযায়ী পাল্টে যায় মায়ের রূপ। তাই সব সময় যে চিরাচরিত সোনার গয়নাতেই দেবীকে সাজানো হবে, এমন কোনও ধরাবাঁধা নিয়ম নেই বলে জানান অভিনেত্রী। চলতি বছর যেমন পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অপূর্ব মিনা করা গয়নায় সেজে উঠেছেন দেবী। বাড়ির সর্বময় কর্ত্রী যেহেতু মা লক্ষ্মী স্বয়ং, তাই যে কোনও সিদ্ধান্তে সবার আগে তাঁরই অনুমতি নেন অভিনেত্রী।


কত ভরি গহনা আছে অপরাজিতার জানেন?
উৎসবের আনন্দের মাঝেই চারপাশের পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন অপরাজিতা। বিশেষ করে চোরবাগানের ঘটনা এবং সমাজের বর্তমান অস্থিরতা তাঁকে ভাবিয়ে তুলেছে। কোভিডের পর থেকে পৃথিবীর এই বদলে যাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “কোভিডের পর থেকেই পৃথিবীর ভয়ঙ্কর অবস্থা। মা ভীষণ অস্থির হয়ে আছেন, চাই সবার মধ্যে সহিষ্ণুতা আসুক।” লক্ষ্মীর কাছে সকলে সাধারণত ধনসম্পদ প্রার্থনা করলেও, সুস্থতা এবং সচেতনতাকেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সম্পদ বলে মনে করেন অভিনেত্রী।


মায়ের ভোগে কী কী রয়েছে?

পুজোর ভোগের আয়োজনেও এলাহি ব্যাপার। দিনভর দর্শনার্থীদের জন্য প্রসাদ হিসেবে খিচুড়ি, লাবড়া ও পায়েস আগে থেকেই প্রস্তুত। তবে দেবীর মূল নৈবেদ্য তৈরি হবে পুজোর ঠিক এক ঘণ্টা আগে। সেই বিশেষ ভোগে থাকবে লুচি এবং পাঁচ রকম ভাজা ও তরকারি। রাতে পরিবারের পুরোহিতমশাই নারায়ণ নিয়ে এসে এবং পুজো সম্পন্ন করবেন। ভালোবাসা ও আন্তরিকতার এক অপূর্ব মেলবন্ধনে প্রতি বছরের মত এই বছরও নজর কেড়েছে অপরাজিতার বাড়ির লক্ষ্মীপুজো।



 দীর্ঘ ১৪ মাস ধরে চলছিল ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে মরণপণ লড়াই। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে চিরতরে থেমে গেল জাদুকরী তুলির টান। ৮৭ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন বরেণ্য চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরী। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় শিল্পজগতে নেমে এল শোকের ছায়া, তৈরি হল এক গভীর শূন্যতা।



ক্যানভাসের গায়ে আর পড়বে না সেই চেনা তুলির টান। দীর্ঘ ১৪ মাস ধরে ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে কঠিন লড়াই করার পর চিরঘুমে পাড়ি দিলেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী তথা প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ যোগেন চৌধুরী। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। টানা ৯টি সাইকেলে কেমোথেরাপি দেওয়া হয় তাঁকে। বয়সের কারণে ক্যানসারের বিরুদ্ধে এই লড়াই বেশ কঠিন ছিল। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টায় রোগের আগ্রাসন কিছুটা আটকে রাখা গেলেও, মহাষষ্ঠীর দিন পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে ওঠে। মূত্রনালীর গুরুতর সংক্রমণ এবং সেপসিসের (রক্তে বিষক্রিয়া) উপসর্গ নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে রবিবার সকালে এল সেই গভীর মন খারাপের খবর। সকাল ১০টা বেজে ১৫ মিনিটে ক্যানসারের কাছে হার মেনে না-ফেরার দেশে চলে গেলেন সকলের প্রিয় শিল্পী।



 SRFTI-এ বেরল ১৮ পাতার তদন্ত কমিটির রিপোর্ট, কাঠগড়ায় পড়ুয়ারাই
তাঁর জীবনটা যেন ঠিক একটা উপন্যাসের মতো। ১৯৩৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুরের দাহারপাড়া গ্রামে এক জমিদার পরিবারে তাঁর জন্ম। বাবা প্রমথনাথ চৌধুরী ছিলেন জমিদার। তবে যোগেন চৌধুরীর মধ্যে শিল্পের বীজ বুনে দিয়েছিলেন তাঁর মা। মায়ের আঁকা অপূর্ব সব আলপনা দেখেই ছোটবেলায় ছবি আঁকার প্রতি গভীর আগ্রহ জন্মায় তাঁর। এরপর এল দেশভাগ। ভিটেমাটি ছেড়ে ১৯৪৮ সালে সপরিবার কলকাতায় চলে আসেন তাঁরা। ১৯৫১ সাল থেকে তাঁদের পাকাপাকি ঠিকানা হয় দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়া। ছিন্নমূল এক পরিবারের টিকে থাকার সেই লড়াই তাঁর মননে ও শিল্পে এক গভীর প্রভাব ফেলেছিল।


১৯৬০ সালে কলকাতা গভর্নমেন্ট আর্ট কলেজ থেকে পাশ করে হাওড়ার একটি স্কুলে শিল্পের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬২ সালে কলকাতার হ্যান্ডলুম বোর্ডে ডিজাইনার হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীকালে মাদ্রাজেও টেক্সটাইল ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৬৫ সালে ফরাসি সরকারের বৃত্তি নিয়ে শিল্পের পাঠ নিতে পাড়ি দেন স্বপ্নের শহর প্যারিসে। দেশে ফিরে তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনের আর্ট গ্যালারিতে কিউরেটরের দায়িত্ব পালন করেন অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে। শান্তিনিকেতনের কলাভবনেও তিনি দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছেন। শুধু শিল্প নয়, রাজনীতির জগতেও পা রেখেছিলেন তিনি। ২০১৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন যোগেন চৌধুরী।

সমাজ ও রাজনীতির নানা দিক নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক চিত্র এঁকে তিনি তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তাঁর নিজস্ব অঙ্কনশৈলী, বিশেষ করে কালি ও তুলির নিখুঁত ব্যবহার তাঁকে আধুনিক ভারতীয় চিত্রশিল্পীদের মধ্যে এক স্বতন্ত্র জায়গা করে দিয়েছিল। তাঁর আঁকায় সব সময় ভারতীয় এবং ইউরোপীয় শিল্প আন্দোলনের এক অপূর্ব মেলবন্ধন দেখা গিয়েছে। আজ সেই তুলি চিরতরে নীরব। আন্তর্জাতিক মঞ্চের এই জনপ্রিয় চিত্রশিল্পীর প্রয়াণে ভারতীয় শিল্প জগতে এক বিরাট যুগের অবসান ঘটল।



তাঁর ক্রিকেটজীবনের গল্পে তাঁর বাবা রাজেশ সুতারের ভূমিকা খুব বড়। নব্বইয়ের দশকে মুম্বই ক্রিকেটে ছক্কা মারার দক্ষতার জন্য পরিচিত ছিলেন তিনি। মুম্বইয়ের হয়ে ৭টি রঞ্জি ও ৩০টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ভারতীয় দলে খেলতে না পারলেও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর একটি ইনিংস ক্রিকেটমহলে বেশ পরিচিত ছিল


ওয়ার্নের বিরুদ্ধে খেলেছিলেন বাবা, রঞ্জিতে তাঁর ছেলের ব্যাট থেকেই এল ৪০০ রান
চিন্ময় সুতার

 ৯২ বছরের রঞ্জি ট্রফির ইতিহাসে মাত্র ২য় ব্যাটার হিসেবে ৪০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন চিন্ময় সুতার। মিজোরামের হয়ে অপরাজিত ৪০০ রান করে ক্রিকেটবিশ্বের নজর করেছেন ২৯ বছরের এই ব্যাটার। তাঁর আগে এই কীর্তি ছিল শুধু মহারাষ্ট্রের বিবি নিম্বলকরের। তবে চিন্ময় এই ঐতিহাসিক ইনিংসের পিছনে রয়েছে দীর্ঘ লড়াই ও ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক পারিবারিক ইতিহাস। মিজোরামের হয়ে ব্যাট করতে নেমে ৪০০ রানে অপরাজিত থাকেন চিন্ময়। ১৯৪৮-৪৯ সালে মহারাষ্ট্রের হয়ে কাঠিয়াওয়ারের বিরুদ্ধে ৪৪৩ রানে অপরাজিত ছিলেন বিবি। এত বছর পর দ্বিতীয়বার কোনও ব্যাটার ৪০০ রানের গন্ডি পেরোলেন। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটেও এই কীর্তি বিরল। ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্টে ব্রায়ান লারা ৪০০ রানে অপরাজিত থাকার পর থেকে আর কোনও ব্যাটার প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ৪০০ করেননি।


প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচে ৯৯ রানে আউট হয়েছিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শতরান করার পরেই তাঁর মনের উপর থেকে বড় চাপ নেমে যায়। এরপর আর ২০০ বা ৩০০ রানের কথা ভাবেননি তিনি। বরং দলের জন্য যত বেশি সম্ভব রান করাই ছিল তাঁর লক্ষ্য। ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নাম জেহু অ্যান্ডারসনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ১৬৮ রানের পার্টনারশিপ করেন তিনি। এরপরেই মিজোরামের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। যদিও শেষ উইকেটে চিন্ময়ের পাশে এসে দাঁড়ান লালরেমপুইয়া ছাকচুয়াক। তাঁদের এই লড়াই আরও মাহাত্ম্য পায় কারণ শেষ উইকেটে ১৮৯ রান তোলেন এই দুই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত চিন্ময় ৪০০ করতেই ইনিংস ডিক্লেয়ার করে মিজোরাম। দলের স্কোর তখন ৫৮১।

যদিও এখানে তাঁর বাবার কথা উল্লেখযোগ্য। তাঁর ক্রিকেটজীবনের গল্পে তাঁর বাবা রাজেশ সুতারের ভূমিকা খুব বড়। নব্বইয়ের দশকে মুম্বই ক্রিকেটে ছক্কা মারার দক্ষতার জন্য পরিচিত ছিলেন তিনি। মুম্বইয়ের হয়ে ৭টি রঞ্জি ও ৩০টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন তিনি।


ভারতীয় দলে খেলতে না পারলেও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর একটি ইনিংস ক্রিকেটমহলে বেশ পরিচিত ছিল। ১৯৯৮ সালে স্টিভ ওয়ার অস্ট্রেলিয়া ভারত সফরে এলে মুম্বইয়ের হয়ে একটি প্রস্তুতি ম্যাচে সচিনের সঙ্গে ব্যাট করেছিলেন রাজেশ। সামনে ছিলেন কিংবদন্তি স্পিনার শেন ওয়ার্ন। তাঁকে পিটিয়েই শেষ ১৫ ওভারে ৯৭ রান তোলেন রাজেশ ও সচিন। ৪৩ বলে ৪৫ রান করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সচিন অপরাজিত ছিলেন ২০৪ রানে। বাবা ক্রিকেটার থাকার ফলে ক্রিকেটের সঙ্গে ছোট থেকেই পরিচিত চিন্ময়। ক্রিকেটই যেন তাঁদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মিজোরামের হয়ে ৪০০ রান করে ইতিহাসের পাতায় নাম তুলে ফেলেছেন তিনি। কিন্তু এবার নিজেকে আরও বড় মঞ্চে প্রতিষ্ঠা করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।



 এ দিন 'মন কি বাতে' প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অঙ্গদানের আর্জি জানান। বলেন যে এই মহৎ কাজে যেমন প্রাণ বাঁচবে, তেমনই আধুনিক মেডিক্যাল রিসার্চেও সাহায্য করবে। আইআইটি মাদ্রাজের প্রংশসা করেন পরম শক্তি সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে ব্রেন ইমেজিং টেকনোলজি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার জন্য।


নয়া দিল্লি: ‘মন কি বাত’-কে তীর্থ বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ, রবিবার মন কি বাতের অনুষ্ঠানে ফের একবার ‘ভোকাল ফর লোকাল’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ার ডাক দিলেন তিনি।


আজ, মন কি বাতের ১৩৯ তম এপিসোড ছিল। প্রতি মাসের শেষ রবিবার দেশবাসীর উদ্দেশে মনের কথা ভাগ করে নেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন মন কি বাতের অনুষ্ঠান নিয়েই নিজের অনুভূতি ভাগ করে নেন তিনি। বলেন যে এই অনুষ্ঠান তাঁকে দেশের উন্নয়নের জন্য সাধারণ মানুষের কাজ বুঝতে এবং তা উদযাপন করতে সাহায্য করেছে। ১২ বছর আগে এমনই এক বিজয়া দশমীতে মন কি বাতের যাত্রা শুরুর কথাও স্মৃতিচারণ করেন তিনি।



এ দিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “‘মন কি বাত’-এর মাধ্যমে আমি দেশের মানুষের সম্মিলিত শক্তি-‘লোকশক্তি’র প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। এই অনুষ্ঠান আমাকে দেশের প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সুযোগ করে দেয়। অনেক শ্রোতা আমাকে জানিয়েছেন, তাঁদের মনে হয় যেন আমি তাঁদের মাঝেই রয়েছি, তাঁদের পরিবারেরই একজন সদস্যের মতো তাঁদের সঙ্গে কথা বলছি। আপনাদের সঙ্গে এই গভীর সংযোগ এবং আপনাদের ভালোবাসা আমার কাছে এক অমূল্য সম্পদ।”


তিনি আরও বলেন যে এই অনুষ্ঠান তাঁকে সুযোগ দিয়েছে সেই সকল মানুষদের স্বীকৃতি দেওয়ার, যারা সমাজের জন্য সেবা করছেন।

পঞ্জাবের ক্ষেতি বিরাসত মিশনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মোদী অর্গানিক ফার্মিং ও প্রচলিত কৃষিকাজের প্রশংসা করেন। পঞ্জাবের মালওয়া অঞ্চলে প্রাচীন তুলো চাষের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন। দেশবাসীর কাছে আর্জি জানান মিলেট-কে নিজেদের দৈনন্দিন খাদ্যাভাসের অংশ করে তুলতে।

অঙ্গদানের আর্জি-
এ দিন ‘মন কি বাতে’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অঙ্গদানের আর্জি জানান। বলেন যে এই মহৎ কাজে যেমন প্রাণ বাঁচবে, তেমনই আধুনিক মেডিক্যাল রিসার্চেও সাহায্য করবে। আইআইটি মাদ্রাজের প্রংশসা করেন পরম শক্তি সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে ব্রেন ইমেজিং টেকনোলজি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার জন্য। তিনি বলেন যে এই প্ল্যাটফর্ম হাই রেজিলিউশন ডিজিচাল ৩ডি ইমেজ তৈরি এবং ১০০ মানব মস্তিষ্ক-কে বিস্তারিতভাবে পড়তে পারে।

আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। জানান, এই আরোগ্য মন্দির কীভাবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলছে।

৩১ অক্টোবর সর্দার বল্লভভাই পটেলের জন্মবার্ষিকীতে ‘একতা দিবস’ উদযাপন করতে আহ্বান জানিয়েছেন। শেষে সকলকে আসন্ন দিপাবলীর শুভেচ্ছা জানান বলেন যে এই উৎসব যেন সকল পরিবারে আনন্দ, সুস্বাস্থ্য নিয়ে আসে।



মমতা তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, "এতদিন বিজেপি বলত স্বরূপ বিশ্বাস টাকা তুলেছে। মহিলাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। ৭২ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি হল স্বরূপের বাড়িতে। এরপর যদি তাঁকেই বিজেপি নেতা প্রণাম করে। এরা বিজেপির কাছে আত্মসমর্পণ করে দিয়েছে। এদের অবস্থা খুব করুণ হবে। এরা কতটা নিচে নামতে পারে মানুষ শুধু দেখুন।"


 পুরভোটের মুখে ‘মুখোমুখি’ তৃণমূল ও বিজেপি নেতা। নিউ আলিপুরের ক্যাফেতে একসঙ্গে দেখা গেল স্বরূপ বিশ্বাস ও বিজেপি নেতা সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। স্বরূপ সুমনের এই আড্ডা নিয়ে জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলের।





পাকিস্তান থেকে শুভেন্দু-যোগীকে খুনের হুমকি! বিজেপি নেত্রীর দাবিতে শোরগোল, কে এই নাজিয়া খান?
ক্যাফের একটি সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। সেই ফুটেজেই দেখা যাচ্ছে স্বরূপের পা ছুঁয়ে প্রণাম করতে যান সুমন। তারপরই বিজয়ার কোলাকুলি দুই প্রতিপক্ষ দলের দুই নেতার। দরজায় কড়া নাড়ছে পুরভোট। তার ঠিক আগে নিউ আলিপুরে স্বরূপ-সুমনের সাক্ষাতে নতুন সমীকরণ? উঠছে প্রশ্ন। তবে, সুমনের দাবি এটা পুরোটাই সৌজন্য সাক্ষাৎ। স্বরূপ বিশ্বাসই তাঁকে কফি খেতে ডেকেছিলেন। তাই তিনি গিয়েছিলেন। তবে স্বরূপের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।


এ প্রসঙ্গে বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। এটা তো ভারতীয় পরম্মরা। ব্যক্তি স্বাধীনতা কে কী করবে।” মমতা তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এতদিন বিজেপি বলত স্বরূপ বিশ্বাস টাকা তুলেছে। মহিলাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। ৭২ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি হল স্বরূপের বাড়িতে। এরপর যদি তাঁকেই বিজেপি নেতা প্রণাম করে। এরা বিজেপির কাছে আত্মসমর্পণ করে দিয়েছে। এদের অবস্থা খুব করুণ হবে। এরা কতটা নিচে নামতে পারে মানুষ শুধু দেখুন।”

 

 




 রবিবার নৈহাটির বড় মায়ের মন্দির ও বিসর্জনের ঘাট ঘুরে দেখেন অর্জুন সিং। এছাড়া বড় মায়ের খুঁটি পুজোয় উপস্থিত ছিলেন পরিবহণ মন্ত্রী। চোরবাগানের মতো ঘটনা যাতে আর না সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত। মন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, "চোরবাগানের ঘটনা আর হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।


নৈহাটির বড় মায়ের পুজো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সরকারের
বড় মায়ের পুজোয় থাকছে না ভিআইপি গেট

আর কয়েকটা দিন। তারপরই কালীপুজো (Kali Puja 2026)। এই পুজোতেই বেশ কিছু বড়-বড় জায়গায় কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় করেন। তেমনই একটি পুজো হল বড় মায়ের পুজো। নৈহাটিতে এই কালীকে পুজো দিতে এবং তাঁর দর্শনের জন্য অগণিত মানুষের জমায়েত হয়। এবার এই পুজো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। চোর বাগানের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক সরকার। এবার নৈহাটির বড় মায়ের পুজোয় থাকছে না কোনও VIP গেট।


রবিবার নৈহাটির বড় মায়ের মন্দির ও বিসর্জনের ঘাট ঘুরে দেখেন পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং। আজ বড় মায়ের খুঁটি পুজোয় উপস্থিত ছিলেন পরিবহণ মন্ত্রী। চোরবাগানের মতো ঘটনা যাতে আর না সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত। মন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, “চোরবাগানের ঘটনা আর হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। আমরা আগে থেকে ব্যারিকেড দিয়ে দেব। প্রতিমা কীভাবে বিসর্জন হবে সবটা দেখে নেব। এছাড়া পুলিশ, NGO আমাদের কার্যকর্তা সবই থাকবে।”




তবে, ঐতিহ্য ও আবেগ অটুট রেখেই এবার নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভক্তদের উন্মাদনা বজায় রেখে যাতে নির্বিঘ্নে দেখা যায় ছোট বামা মায়ের সেই বিখ্যাত নৃত্য, এখন সেদিকেই নজর উদ্যোক্তা ও প্রশাসনের। বামা কালী মাতার সভাপতি সুখেন্দু চৌধুরী বলেন, "এখন তো প্রচুর লোক আসছেন। তাই মানুষের ভিড় হচ্ছে। যেখানে নৃত্য প্রদর্শন করা হয় সেইখানে এত মানুষের ভিড় হয়। তাই প্রশাসনের সহযোগিতায় এবার খেলার মাঠে হবে।"


মায়ের নাচ দেখতে ভিড় করেন কাতারে-কাতারে মানুষ, এবার আর রাস্তায় নয়,বামা কালীর নাচ হবে এখানে...
বামা কালীর পুজো


শান্তিপুরের দুই বামা কালী—শুধু পুজো নয়, হাজার হাজার মানুষের আবেগ ও বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই দুই দেবীর ইতিহাস। প্রতি বছর পুজো ও বিসর্জনকে ঘিরে বাড়তে থাকে ভক্তদের ভিড়। আর ছোট বামা কালীর নিরঞ্জনের নৃত্য এখন শুধু শান্তিপুর নয়, দেশ-বিদেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়। মশালের মায়ের নাচ এক অদ্ভুত মায়াময় পরিবেশ তৈরি করেন। এবারও সেই ধর্মীয় আচার হবে। তবে পরিবর্তন করা হবে সেই স্থান।


দুই বামা মায়ের পুজো নিয়েই মানুষের আবেগ প্রবল। বিশেষ করে ছোট বামা কালীর বিসর্জনের সময় মানুষের কাঁধে প্রতিমা নিয়ে নাচ দেখতে ভিড় করেন অসংখ্য মানুষ। এই নৃত্য দেখতে প্রতিবছরই বাড়ছে দর্শনার্থীদের সমাগম। তবে বিপুল জনসমাগমের চাপে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছিল। এতদিন চার রাস্তার মোড়ে রাস্তায় এই নৃত্য পরিবেশিত হত। ফলে ভিড়ের মধ্যে পদপিষ্ট হওয়া বা অন্য কোনও দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছিল। তারপর দুর্গাপুজোয় চোরবাগানের মতো ঘটনা ঘটেছে। সেই সব বিষয় মাথায় রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শান্তিপুরের চর জাজিরার বামা কালীর নৃত্যের স্থান পরিবর্তন করে মন্দির সংলগ্ন একটি খেলার মাঠে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি থাকা তিনটি খেলার মাঠকে কাজে লাগিয়ে ভিড় সামলানো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বামা কালীর ইতিহাস


কথিত আছে, ১৯৪৬ সালে সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে কয়েকজন উৎসাহী যুবকের উদ্যোগে শান্তিপুরের কালী মুখার্জি মাঠে শুরু হয় বামা কালীপুজো। পরবর্তীকালে স্বপ্নাদেশ পেয়ে ১৯৬৯ সালে শান্তিপুরের চর জাজিরা এলাকায় শুরু হয় আর এক বামা মায়ের আরাধনা। প্রতিবছর নিরঞ্জনের সময় এই মায়ের নৃত্য প্রদর্শন দেখতে ভিড় করেন প্রচুর মানুষ।

তবে, ঐতিহ্য ও আবেগ অটুট রেখেই এবার নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভক্তদের উন্মাদনা বজায় রেখে যাতে নির্বিঘ্নে দেখা যায় ছোট বামা মায়ের সেই বিখ্যাত নৃত্য, এখন সেদিকেই নজর উদ্যোক্তা ও প্রশাসনের। বামা কালী মাতার সভাপতি সুখেন্দু চৌধুরী বলেন, “এখন তো প্রচুর লোক আসছেন। তাই মানুষের ভিড় হচ্ছে। যেখানে নৃত্য প্রদর্শন করা হয় সেইখানে এত মানুষের ভিড় হয়। তাই প্রশাসনের সহযোগিতায় এবার খেলার মাঠে হবে।”