WEATHER

Top News


গত বৃহস্পতিবার বিধানসভা থেকে বামেদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এবার থেকে পুজোয় স্টল দিতে চাইলে শারদোৎসব না লিখে দুর্গা পূজা লিখতে হবে কমিউনিস্টদের। পাশাপাশি বামপন্থী অধ্যাপকদের 'দুর্বল' বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলির কথাও বলেছিলেন তিনি।


হাজার চেষ্টা করলেও গীতা-হনুমান চল্লিশা পাবেন না...শুধু মার্কস-লেনিনের বই', শুভেন্দুর মুখে '৩৪ বছরে'র কথা

গণেশ পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে ফের বামেদের নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvenu Adhikari)। এবার সনাতনী সংস্কৃতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় বামেরা। ৩৪ বছরের বাম শাসনে রাজ্যে কী অবস্থা ছিল, সে কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আরতি, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ সব ভুলিয়ে দিয়েছিল ৩৪ বছরের লাল রাজত্ব।”


গত বৃহস্পতিবার বিধানসভা থেকে বামেদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এবার থেকে পুজোয় স্টল দিতে চাইলে শারদোৎসব না লিখে দুর্গা পূজা লিখতে হবে কমিউনিস্টদের। পাশাপাশি বামপন্থী অধ্যাপকদের ‘দুর্বল’ বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলির কথাও বলেছিলেন তিনি। আর এবার শুভেন্দু অধিকারী বললেন, সনাতনী সংস্কৃতি কীভাবে চাপা পড়েছিল বাম আমলে।


'হ্যাঁ, আমি অন্তঃসত্ত্বা!' এবার ঝেড়ে কাশলেন নীনা গুপ্তা
শনিবার কেষ্টপুরে একটি গণেশ পুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ওরা দুর্গা পূজা লিখবে না। মহালয়া শুনবে না। মণ্ডপে প্রবেশ করে আরতি করবে না। হাতে ফুল নিয়ে বাসন্তী রাপচরিতে সর্বশত্রু বিনাশিনী বলবে না।”


মুখ্যমন্ত্রী বামেদের সম্পর্কে আরও বলেন, “প্যান্ডেল থেকে দূরে লাল শালু লাগিয়ে বসত। সেখানে যে বইগুলো থাকত, তার মধ্যে একটাও স্বামী বিবেকানন্দের লেখা পাবেন না। উদ্বোধন প্রকাশনী (বেলুড় মঠ), প্রণব প্রকাশনী (ভারত সেবাশ্রম) পাবেন না। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবেন না। ভারত ভাগ সম্পর্কে কোনও বই পাবেন না। কার্ল মার্ক্স লেনিনের বই পাবেন। হাজার চেষ্টা করলেও গীতা, হনুমান চল্লিশা পাবেন না।” এই প্রসঙ্গে তৃণমূলকেও নিশানা করেন তিনি। বলেন, “৩৪ বছরের পর ১৫ বছর ধরে বাংলাকে জামাতিকরণ করার সম্পূর্ণ চেষ্টা হয়েছে। বিসর্জনের দিনও বদলে দেওয়া হয়েছিল।”



অস্কার আগেই কোনও এক 'মাস্টার'-এর নাম উল্লেখ করেছিলেন, সেই মাস্টার নাকি ক্লাবের কাজে হস্তক্ষেপ করতেন। মাস্টারই বলেছিলেন, শেষ ম্যাচে রেফারি ম্যানেজ করা আছে। এই নিয়ে বহু জলঘোলা হচ্ছে বিগত ২-৩ দিন ধরে।


এ কী শুরু হয়েছে কলকাতা ফুটবল মহলে? যেদিন থেকে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তাদের প্রাক্তন কোচ অস্কার ব্রুজো, সেদিন থেকেই লাল-হলুদ সমর্থকদের চক্ষুশূল হয়ে গিয়েছেন তিনি। একের পর এক পোস্টে তাঁর বিরুদ্ধে নানা কথা বলা হয়েছে। গতকালই কোনও এক ‘মাস্টার’-কে উদ্দেশ্য করে কথা বলেছিলেন অস্কার। কিন্তু এবার যা হল, এ তো ভয়ঙ্কর! অস্কার ও তাঁর পরিবারকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে সমাজ মাধ্যমে।


এক্স হ্যান্ডলে একটি ৪টি স্ক্রিনশট পোস্ট করে অস্কার জানিয়েছেন, “আমার স্টাফ, আমার পরিবার ও আমি নিজে – আমরা দফায় দফায় হুমকিমূলক বার্তা পাচ্ছি। আমাদের সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি এখন আর মতবিরোধ বা কোনও সমালোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি এখন হেনস্থার পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া আমি এই কাণ্ডে জড়িত কারও নাম প্রকাশ্যে বলব না। সব প্রমাণ নিয়েই উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে সব জানানো হবে। ফুটবলে কখনওই এসব হুমকির স্থান থাকতে পারে না।”


'বিগত ১০টা দিন আমার ও আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত কঠিন কেটেছে', কী হয়েছে ঋতব্রতর?


তবে কী রয়েছে সেই স্ক্রিনশটগুলিতে? ইনস্টাগ্রামে বেশ কিছু অ্যাকাউন্ট থেকে অস্কারকে মেসেজ করা হয়েছে। প্রায় সবগুলিই গালিগালাজে ভর্তি। এমনকি একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অস্কারকে পরিবারসহ খুনের হুমকি অবধি দেওয়া হয়েছে। এরপরেই কলকাতা পুলিশ ও ভারতের স্পেনের এমব্যাসিকে ট্যাগ করেছেন প্রাক্তন লাল-হলুদ কোচ। এমনকি, অস্কার যেন আর কোনওদিন ভারতে না আসেন, এমন হুমকিও দেওয়া হয়েছে মেসেজ করে।

লাল-হলুদকে ২২ বছর পর জাতীয় পর্যায়ে কোনও টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন অস্কার। অস্কার আগেই কোনও এক ‘মাস্টার’-এর নাম উল্লেখ করেছিলেন, সেই মাস্টার নাকি ক্লাবের কাজে হস্তক্ষেপ করতেন। মাস্টারই বলেছিলেন, শেষ ম্যাচে রেফারি ম্যানেজ করা আছে। এই নিয়ে বহু জলঘোলা হচ্ছে বিগত ২-৩ দিন ধরে। এমনকি লাল-হলুদের শীর্ষকর্তা নিতুদা অর্থাৎ দেবব্রত সরকারও নাকি এসবে জড়িত আছেন। কিন্তু, অস্কার এই মুহূর্তে যে জিনিসগুলি শেয়ার করছেন ও তাঁকে যেভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, তাতে বিতর্ক বাড়ছে বই কমছে না।




২০১২ সালে ভারতের বিরুদ্ধে নাগপুরে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল রুটের। সেই ম্যাচেই ৭৩ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন রুট। লাল-বলের ক্রিকেটে ইতিমধ্যেই ৪১টি সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই আজকে আরও একটি রেকর্ড ভেঙে ফেলেছেন রুট। চতুর্থ ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করার ফলে তিনি টপকে গিয়েছেন সচিনকে।


যে মাইলফলক ছুঁতে পারেননি ব্র্যাডম্যান-ভিভ-সচিনরা, তাই করে দেখালেন জো রুট!
জো রুট

 সদ্যই শেষ হয়েছে ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তানের টেস্ট ম্যাচ। ইতিমধ্যেই ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে গিয়েছে ইংল্যান্ড। এর ফলে পাকিস্তানকে ৩-০ হোয়াইট ওয়াশ করে বাড়ি পাঠালেন ডাকেট-আর্চাররা। তবে উজ্জ্বল ইনিংস খেললেন জো রুট। ৬২ রানে অপরাজিত রইলেন তিনি। এর পাশাপাশি জোড়া রেকর্ড গড়লেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।


কী রেকর্ড?




বাবা উইল না করে গেলে, ছেলে-মেয়ের কি সম্পত্তিতে অধিকার থাকে? কী বলে আইন
প্রথম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে ২০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন জো রুট। এই রেকর্ড নেই ব্র্যাডম্যানেরও। এমনকি সচিন তেন্ডুলকর, ভিভ রিচার্ডস, ব্রায়ান লারারাও এই রেকর্ডের অধিকারী নয়। টেস্টে ইতিমধ্যেই ১৪,২৫০ রানের বেশি করে ফেলেছেন রুট। ১৬৯ টেস্ট খেলে ৩০৯ ইনিংস খেলেছেন তিনি। তবে এই রেকর্ড এমন একটি অভাবনীয় রেকর্ড, যা আর কারও নেই টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে। এর ফলেই রুটের রেকর্ড আরও চমকপ্রদ।

জো রুট (ইংল্যান্ড) – ২০০০* (গড় ৪৪.০০)

সচিন তেন্ডুলকর (ভারত) – ১৬২৫ (গড় ৩৭.০০)

স্যার অ্যালিস্টার কুক (ইংল্যান্ড) – ১৬১১ (গ়ড় ৩৬.০০)

গ্রেম স্মিথ (দক্ষিণ আফ্রিকা) – ১৬১১ (গড় ৫২.০০)

শিবনারায়ণ চন্দ্রপল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) – ১৫৮০ (গড় ৪১.৫০)

Cricket

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে করেছেন ৬৬ রান। দ্বিতীয় টেস্টে করেছেন ৪ ও ২৪ রান। পাশাপাশি তৃতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৮ রান। ইতিমধ্যেই আজকে আরও একটি রেকর্ড ভেঙে ফেলেছেন রুট। চতুর্থ ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করার ফলে তিনি টপকে গিয়েছেন সচিনকে। টেস্টে ৬৮টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন সচিন। আজকে হাফ সেঞ্চুরির ফলে টেস্টে রুটের হাফ সেঞ্চুরি সংখ্যা হয়ে গেল ৬৯।



২০১২ সালে ভারতের বিরুদ্ধে নাগপুরে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল রুটের। সেই ম্যাচেই ৭৩ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন রুট। লাল-বলের ক্রিকেটে ইতিমধ্যেই ৪১টি সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন তিনি। টেস্টের ইতিহাসে সবথেকে বেশি রান করেছেন সচিন তেন্ডুলকর (১৫,৯২১)। তবে যে হারে দৌড়োচ্ছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক, তবে যদি ফিটনেস ও ফর্ম ধরে রাখতে পারেন, তাহলে বিশেষজ্ঞদের মতে, সচিনকে টপকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে রুটের।



 শনিবার ঋতব্রতদের তরফে কমিশনের শুনানিতে ছিলেন ঋতব্রত, আখরুজ্জামান, অরূপ ও চন্দ্রিমা এবং সঙ্গে তাঁদের আইনজীবী। ঋতব্রত জানিয়েছেন, কমিশনকে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কমিশনের তরফে আরও কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। আজই সব নথি জমা দেওয়া হবে। এদিন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেছেন ঋতব্রত।


তৃণমূল কারও বাবার সম্পত্তি নয়', ১ ঘণ্টা ২০ মিনিটে কমিশনকে কী বলে এলেন ঋতব্রতরা?
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়


তৃণমূল কারও বাবার সম্পত্তি নয়। কারও মর্জির উপর গণতন্ত্র চলতে পারে না।’ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপনির্বাচনে কোন শিবিরের হাতে দলের নাম ও প্রতীক থাকবে, তা ঠিক করতেই শনিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে হাজির হয় কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। প্রথমে ঋতব্রতদের সঙ্গে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বৈঠকের পরই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের বক্তব্য নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন। তাঁরা আশাবাদী, কমিশন তাঁদের কথা শুনবে। তবে, প্রতীক নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি বলেই জানিয়েছেন ঋতব্রত (Ritabrata Banerjee)।


‘তৃণমূল কংগ্রেস পরিবারভিত্তিক পার্টি নয়’
শনিবার ঋতব্রতদের তরফে কমিশনের শুনানিতে ছিলেন ঋতব্রত, আখরুজ্জামান, অরূপ ও চন্দ্রিমা এবং সঙ্গে তাঁদের আইনজীবী। ঋতব্রত জানিয়েছেন, কমিশনকে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কমিশনের তরফে আরও কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। আজই সব নথি জমা দেওয়া হবে। এদিন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেছেন ঋতব্রত। তিনি বলেন, “না খাতা, না বহি, যো ড. মমতা ব্যানার্জী কহে ওহি সহি, এটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় চলতে পারে না। তৃণমূল কংগ্রেস পরিবারভিত্তিক পার্টি নয়। কারও বাবার সম্পত্তি নয়। ব্যক্তিগত মালিকানা নেই। এটা তৃণমূল স্তরের কর্মীদের পার্টি। আমরা আমাদের পয়েন্ট তথ্যের ভিত্তিতে জানিয়েছি। ইচ্ছার উপর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চলতে পারে না।”


ঋতব্রত আরও জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁরা আশাবাদী। বলেন, “ড. মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয় যে বলে দেব কী হবে। নির্বাচন কমিশনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আরও বেশ কিছু ডকুমেন্ট চাওয়া হয়েছে, তা আমি এক্ষুনি দিয়ে দেব। কী নির্বাচন কমিশন করবেন, কী করবেন, তা কমিশনের এক্তিয়ার। তাই এটা নিয়ে কথা বলার কিছু নেই।” তবে প্রতীক নিয়ে কোনও কথা হয়নি বলে জানিয়েছেন ঋতব্রত। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের বক্তব্য নির্বাচন কমিশনকে বলেছি। ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট কথা হয়েছে। আমরা সন্তুষ্ট। ১৬ তারিখের মধ্যে সিদ্ধান্তের অনুরোধ করেছি। বিকল্প প্রতীক নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।”


এদিন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেছেন ঋতব্রত। তিনি বলেন, “আইনজীবী ব্যানার্জি ২০১১ থেকে ২০২৬ পরিবার থেকে কত আইনজীবী হিসেবে মামলা করেছেন রোজগার করেছেন তা আমরা জানতে চাইব।” এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।



শনিবার কালীঘাটে অখিল গিরিকে ডেকে পাঠিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এই বিষয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর। প্রার্থী নিয়ে তাঁর পরামর্শ চাওয়া হয়। অখিল গিরি বলেন, "তিনদিন আগে ফোনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে।"


নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী অখিল গিরি? জল্পনার মধ্যেই প্রাক্তন মন্ত্রীকে ডেকে পাঠালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
অখিল গিরি

রাজ্যে উপনির্বাচনের অন্যতম হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম (Nandigram By-Election)। নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকে এই কেন্দ্রের প্রার্থী নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর (CM Suvendu Adhikari) ছেড়ে যাওয়া আসনে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম উঠে আসছে। কিন্তু, তৃণমূলের দুই শিবিরই কি প্রার্থী দেবে? প্রশ্ন উঠছে আদৌ কি প্রার্থী দিতে পারবে? কোন শিবিরের হাতে দলের নাম ও প্রতীক থাকবে, তা নিয়ে আজ দুই তৃণমূলের সঙ্গেই আলোচনা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সেক্ষেত্রে কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেবে, সেদিকেই তাকিয়ে সব মহল। তবে, এর মধ্যেও নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী (Nandigram TMC Candidate) নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। এদিকে, ঋতব্রতরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লড়াই করলে তাঁরা প্রার্থী দেবেন না। এই চর্চা-জল্পনা-আলোচনার আবহে প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রীকে অখিল গিরিকে কালীঘাটে ডেকে পাঠালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাহলে কি নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে পুরনো সৈনিকেই আস্থা রাখছেন মমতা?


কী বললেন অখিল গিরি?
শনিবার কালীঘাটে অখিল গিরিকে ডেকে পাঠিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এই বিষয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর। প্রার্থী নিয়ে তাঁর পরামর্শ চাওয়া হয়। অখিল গিরি বলেন, “তিনদিন আগে ফোনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। উনি আমার পরামর্শ চেয়েছিলেন। জেলা থেকে আমরা সাজেশন দিয়ে দিয়েছি ইতিমধ্যেই। হোয়াটসঅ্যাপে সাজেশন দিয়েছি। গতকাল একটা টেলিফোন এল যে আমাকে আজ তাঁর বাড়িতে ডেকেছে। জানি না তিনি কী আলোচনা করবেন।”


নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী অখিল?
তাহলে কি অখিল গিরিকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের প্রার্থী করবে তৃণমূল? এই বিষয়ে প্রাক্তন বিধায়ক বলেন, “দল যদি আমাকে নির্দেশ দেয় আমি দলের অনুগত সৈনিক। আমি দলের নির্দেশ মানতে বাধ্য। আমরা চাই স্থানীয় প্রার্থী বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজের পছন্দ মতো লোককে বেছে নিয়ে প্রার্থী করুক। তবে স্থানীয় প্রার্থীর উপর জোর দিয়েছি। তবে, দল দায়িত্ব দিলে সেই নির্দেশ মানতে আমি বাধ্য।” হটস্পট নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে কি কালীঘাট তৃণমূলের বাজি হতে চলেছেন অখিল গিরি? আর কিছুদিনের মধ্যে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।



 সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবিতে দেখা গেল, হাতে হাত ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও শি জিনপিং। পাশাপাশি ছবিতে দেখা গিয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোকেও। ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, "দিল্লিতে শুরু হল ব্রিকস সম্মেলন ২০২৬।"

একফ্রেমে পুতিন-মোদী-জিনপিং, ব্রিকস সম্মেলনের মাঝে হাতে হাত তিন রাষ্ট্রনেতার
একফ্রেমে পুতিন-মোদী-জিনপিং

একদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, আরেক দিকে চিনের প্রেসিডেন্ট শিং জিনপিং। মধ্যমণি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। ব্রিকস সম্মেলনের মাঝে ধরা পড়ল এমনই ছবি। উল্লেখ্য, দিল্লিতে শুরু হয়েছে ব্রিকস সম্মেলন (BRICS Summit)। শুক্রবারই ভারতে পৌঁছন পুতিন (Vladimir Putin)। শনিবার সকালে দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতে পা রাখেন জিনপিং। এরপর ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনের মাঝেই একফ্রেমে দেখা গেল তিন রাষ্ট্রনেতাকে। তিন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই ছবি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।


ছবি শেয়ার করে কী লিখলেন মোদী?
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবিতে দেখা গেল, হাতে হাত ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও শি জিনপিং। পাশাপাশি ছবিতে দেখা গিয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোকেও। ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “দিল্লিতে শুরু হল ব্রিকস সম্মেলন ২০২৬।”

ভারত মণ্ডপমে রাষ্ট্রপ্রধানদের স্বাগত মোদীর, ব্যাকড্রপে তামিলনাডুর বিখ্যাত রামনাথস্বামী মন্দিরের ছবি

 ব্রিকস-এ কূটনৈতিক সাফল্য ভারতের, দিল্লি ঘোষণাপত্রে পহেলগাঁও হামলার তীব্র নিন্দা, চাপ বাড়ল পাকিস্তানের
ব্রিকস সম্মেলনে বার্তা মোদীর
শনিবার দুপুরে শুরু হয় ব্রিকস সম্মেলন। সম্মেলনের শুরুতেই গ্লোবাল সাউথের দেশগুলিকে বিশ্বব্যাপী সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক স্তরের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ার জন্য গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির নীতি নির্ধারকদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ দিতে প্রস্তুত ভারত।


ব্রিকসের (BRICS Summit) মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারের দাবি তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কার আর পিছিয়ে দেওয়া উচিত না।” তাঁর মতে, নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে সেই আলোচনার স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট ফলাফলও নিশ্চিত করতে হবে।

মোদীর বক্তব্য, বিশ্ব ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য ব্রিকসের সদস্য দেশগুলিকে সম্মিলিতভাবে প্রস্তাব তৈরি করতে হবে। একইসঙ্গে আগামী ২০ বছরের কথা মাথায় রেখে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।



হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে পরীক্ষায় বসার আগে পরীক্ষার্থীদের শরীর তল্লাশি নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে। মহিলাদের জন্য মহিলা কর্মী এবং পুরুষদের জন্য পুরুষরা আলাদা জায়গায় চেকিং এর কাজ করছেন। কোনও অনিয়ম হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


প্রাইভেট পার্টে হাত দিচ্ছে', হাওড়ায় D.EL.ED পরীক্ষা দিতে আসা মহিলা শিক্ষকদের অন্তর্বাস খুলে চেকিং
হাওড়ায় বড় অভিযোগ

 প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা পরীক্ষায় বসার আগে তাঁদের শরীর তল্লাশি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ। এক মহিলা শিক্ষিকা এই নিয়ে অভিযোগ দায়ের করলেন হাওড়ার সাঁকরাইল থানায়। পুলিশের পক্ষ থেকেও গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সাঁকরাইল গার্লস স্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্রে।


কী ঘটেছে?



হ্যাঁ, আমি অন্তঃসত্ত্বা!' এবার ঝেড়ে কাশলেন নীনা গুপ্তা
গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ‘সাঁকরাইল গার্লস স্কুলে’ প্রাথমিক স্কুলের কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকারা ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এডুকেশন (D.EL.ED) পরীক্ষায় বসছেন। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে পুরুষ এবং মহিলাদের আলাদা করে শরীরে তল্লাশি চালানো হয়। এই ব্যাপারে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রাইমারি এডুকেশন কাউন্সিলের’ পক্ষ থেকে একটি এজেন্সিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আজ ছিল পরীক্ষার শেষ দিন।


শিক্ষিকাদের একাংশের অভিযোগ, শরীর তল্লাশির সময় তাঁদের শরীরের ‘প্রাইভেট পার্টে’ হাত দিয়ে চেকিং করা হয়েছে। এমনকী, তাদের অন্তর্বাস পর্যন্ত খোলানো হয়েছে। চেকিংয়ের সময় ভিডিয়োগ্রাফি করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তারা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। এক শিক্ষিকা এই ব্যাপারে সাঁকরাইল থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে।

হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে পরীক্ষায় বসার আগে পরীক্ষার্থীদের শরীর তল্লাশি নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে। মহিলাদের জন্য মহিলা কর্মী এবং পুরুষদের জন্য পুরুষরা আলাদা জায়গায় চেকিং এর কাজ করছেন। কোনও অনিয়ম হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পরীক্ষার্থী কোয়েল দত্ত দে বলেন, “আমাদের পুরো অন্তর্বাস খুলে চেক করছে। প্রাইভেট পার্টে হাত দিচ্ছে। সকলেই এক কথা বলছে। সকলের একই কথা বলছেন।” হাওড়া জেলা ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিলীপ কুমার সাহা ফোনে বলেন, “এখনো পর্যন্ত আমি কোনও লিখিত অভিযোগ পাননি। যদি কোনও অভিযোগ পাই তবে তিনি নিজে তদন্ত করে দেখব।” স্কুল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটেছে।



 এ দিন নয়া দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অফিস থেকে বৈঠক সেরে বেরিয়েই তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, "দুই ঘণ্টা আমরা আমাদের বক্তব্য রেখেছি। নির্বাচন কমিশন এরপরে সিদ্ধান্ত নেবে। কী কী বলা হয়েছে, তা বলছি না, তবে একটা কথা বলছি যে নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।"


 'হ্যাঁ, আমি টাকা নিয়েছি', বুক ফুলিয়ে কেন বললেন কল্যাণ?
বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নিয়ে ফয়সালা করতে নির্বাচন কমিশনের মুখোমুখি দুই শিবির। একদিকে যেমন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর শিবিরের বক্তব্য শুনেছে কমিশন, তেমনই মমতা-পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসেরও কথা শোনা হয়েছে। নাম ও প্রতীক যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কে জয়ী হয় নাকি তৃণমূলের ঘাসফুল প্রতীকটাই ফ্রিজ হয়ে যায়, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। তবে আজ জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ঋতব্রত শিবিরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মমতা-পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়।


এ দিন নয়া দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অফিস থেকে বৈঠক সেরে বেরিয়েই তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Kalyan Banerjee) বলেন, “দুই ঘণ্টা আমরা আমাদের বক্তব্য রেখেছি। নির্বাচন কমিশন এরপরে সিদ্ধান্ত নেবে। কী কী বলা হয়েছে, তা বলছি না, তবে একটা কথা বলছি যে নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।”


ব্রিকসে পুতিন-জিনপিংয়ের পাতে পড়বে বাংলার ঘরে ঘরে পরিচিত এই মুখরোচক পদ! কী জানেন?
কী কী নথি চাইল কমিশন, এই প্রশ্নের জবাবে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, “আমরা একটা ডকুমেন্ট জমা দিয়েছি। বাকি কোনও নতুন তথ্য জানতে চায়নি। আমরা একথাও বলেছি যে ঋতব্রতদের পক্ষ থেকে আর কোনও নতুন তথ্য পাইনি। নির্বাচন কমিশনকে অন্য কোনও তথ্য দিয়ে থাকলেও, তা আমরা জানি না। এই অন্তর্বর্তী নির্দেশের বিরুদ্ধে আমাদের বিগিনিং অ্যাপ্লিকেশন ফাইল করা রয়েছে।”


অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ নিয়ে কল্যাণ বলেন, “কলকাতা হাইকোর্ট তো ইতিমধ্য়েই অর্ডার ইস্যু করেছে। সিভিল কোর্টের রায় তো ওভার-রাইট করা যাবে না। হাইকোর্ট তো বলেছে জাস্টিস সুব্রত পালকে অ্যাপয়েন্ট করেছে। যেখানে টাকা লাগবে, দেবে ওই ফান্ড থেকে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে কিছু করতে পারবে না। ওদের ফাংশনিং নিয়ে আমি ডিস্টার্ব করতে পারব না। এই প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে?”

মামলা লড়ার ফি নিয়ে কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায় ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে চিঠি লেখার কথাও বলেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এর জবাবে শ্রীরামপুরের সাংসদ বলেন, “লিখুন না। আমার পরিবার, আমায় নিয়ে যা ইচ্ছে লিখুক। আমি যা টাকা পেয়েছি, সেটা পরিশ্রম করে পেয়েছি। আমি তো বিনা পরিশ্রমে টাকা পাইনি। আমার যা আছে, সব অন রেকর্ড। আমি মামলা লড়েছি, এটা তো অস্বীকার করতে পারবে না। ফিজ তো নেবই। যেখানে যেখানে ফিজ নেওয়ার, নেবই। সরকার থেকে দিয়েছে, সেটা জমাও পড়েছে। তার ট্যাক্সও দিয়েছি। এটা তো অন্যায় নয়। সরকারের স্বার্থে করেছি, স্কুল সার্ভিস কমিশনের স্বার্থে করেছি। আমার ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়। আমি তো কেন্দ্রীয় সরকারের হয়েও আগে লড়েছি। সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট কি আমায় টাকা দেয়নি? প্রফেশন তো প্রফেশনই। সেটা তো আর কলঙ্কিত করা যায় না।”

এরপরই ঋতব্রতকে আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “আমার পিছনে লেগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় তোমার কোনও লাভ হবে না। বাংলার পাবলিক যা মারবে না পরে, বুঝতে পারবে”। দলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওঠা প্রশ্নেও ঋতব্রতকে পাল্টা জবাব দিয়ে কল্যাণ বলেন, “২০২৬ সালের নির্বাচনে দাঁড়ালে কেন? সিপিএম পার্টি থেকে এসে তো তৃণমূলকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না বা মানুষকে কন্ট্রোল করা যায় না। আমার কথা হল, নির্বাচনে দাঁড়ালে কেন?মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়ারপার্সন না থাকলে, তিনি তো ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে নেই। তাহলে তাঁর দেওয়া সিম্বল নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়ালে কেন? ঋতব্রত তৃণমূলটাকে নিজের সম্পত্তি বলে মনে করে, সেটাকে বেঁচে দিয়েছে। ওটা তো একটা দালাল। ওর থেকে বড় দালাল আর কেউ আছে? পশ্চিমবঙ্গ সবথেকে লজ্জাকর একটা মানুষের জন্ম দিয়েছে, সেটা হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।”



শনিবার বামেদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওরা দুর্গা পূজা লিখবে না। মহালয়া শুনবে না। মণ্ডপে প্রবেশ করে আরতি করবে না। হাতে ফুল নিয়ে বাসন্তী রাপচরিতে সর্বশত্রু বিনাশিনী বলবে না।”

আমারও যন্ত্রণার অনুভূতি আছে', নিজের মায়ের অভিজ্ঞতার কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী
শুভেন্দু অধিকারী

 গণেশ পূজায় সনাতনী সংস্কৃতির কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দেশভাগের কথা মনে করিয়ে দেন শনিবার। কেষ্টপুরে একটি গণেশ পুজোর উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানে বাম ও তৃণমূল জমানাকে নিশানা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাম ও তৃণমূল আমলে ধর্মীয় সংস্কৃতিকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হয়নি। দেশভাগ ও পশ্চিমবঙ্গের ভারতভুক্তির কথা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।


দেশভাগ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিভীষিকাময় দেশভাগ আমাদের অনেক ক্ষতি করেছে। ওপার বাংলা চিন্ময় প্রভুর চোখের জল, গোটা পৃথিবীর সনাতনীদের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে। আমি সেটা দেখতে দেখতে ভেবেছি, আমাদের যদি শ্যামাপ্রসাদের লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতভুক্তি না হত, তাহলে আমাদের অবস্থায় চিন্ময় প্রভুর মতোই হত।”


বিগত ১০টা দিন আমার ও আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত কঠিন কেটেছে', কী হয়েছে ঋতব্রতর?
এরপরই নিজের মায়ের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, “আমার নিজের জীবনে যন্ত্রণার অনুভূতি আছে। কেবলমাত্র হিন্দু পরিচয়ে আমার মাতৃদেবীকেও ওপার বাংলার বরিশাল থেকে বাবার হাত ধরে এক কাপড়ে পালিয়ে আসতে হয়েছে। আর আমাদেরকে ৩৪ বছরে পঞ্জিকা, শাস্ত্র, আরতি ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।”


এদিন বামেদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওরা দুর্গা পূজা লিখবে না। মহালয়া শুনবে না। মণ্ডপে প্রবেশ করে আরতি করবে না। হাতে ফুল নিয়ে বাসন্তী রাপচরিতে সর্বশত্রু বিনাশিনী বলবে না।”




তিনি বলেছেন, "আরতি, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ সব ভুলিয়ে দিয়েছিল ৩৪ বছরের লাল রাজত্ব।" সেই সময়ই এ কথা ও কথায় বলতে গিয়ে তিনি বলেন, "প্যান্ডেল থেকে দূরে লাল শালু লাগিয়ে বসত। সেখানে যে বইগুলো থাকত, তার মধ্যে একটাও স্বামী বিবেকানন্দের লেখা পাবেন না। উদ্বোধন প্রকাশনী (বেলুড় মঠ), প্রণব প্রকাশনী (ভারত সেবাশ্রম) পাবেন না। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবেন না। ভারত ভাগ সম্পর্কে কোনও বই পাবেন না। কার্ল মার্ক্স লেনিনের বই পাবেন। হাজার চেষ্টা করলেও গীতা, হনুমান চল্লিশা পাবেন না।"

 স্বামীজীর ভাই ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত বাঙালিকে প্রথম মার্ক্স, লেনিনের বই পড়তে শিখিয়েছিলেন: শতরূপ
শতরূপ ঘোষ ও শুভেন্দু অধিকারী

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিশানায় বামেরা। দুর্গাপুজো নিয়ে লাগাতার তোপ দাগছেন তিনি। সিপিএম-এর স্টল নিয়ে আক্রমণের পর এবার তাঁর অভিযোগ, লাল পার্টির দেওয়া পুজো স্টলে থাকে না হিন্দুদের ধর্মীয় কোনও বই। এমনকী, বিবেকান্দের বইও থাকে না বলে দাবি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই বক্তব্যের এবার মন্তব্য করলেন সিপিএম (CPM) নেতা শতরূপ ঘোষ (Satarup ghosh)।


এ দিন, শতরূপ বলেন, “একটু আগে দেখলাম শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, সিপিএমের বইয়ের স্টলে মার্ক্স, লেনিনের বই পাওয়া যায়। বিবেকানন্দর বই পাওয়া যায় না। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে দু’টি তথ্য দিতে চাই।” তিনি আরও বলেন, “এক, সিপিএর স্টলে বিবেকানন্দর লেখা এবং বিবেকানন্দকে নিয়ে লেখা, এই দুই ধরনেরই একাধিক বই পাওয়া যায়। দুই, আজ থেকে প্রায় ১২০ বছর আগে বাঙালিকে প্রথম মার্ক্স, লেনিনের বই পড়তে শিখিয়েছিলেন যিনি, তিনি হলেন স্বামী বিবেকানন্দের নিজের ভাই, বিপ্লবী ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত।”


সম্প্রতি বিধানসভা থেকে বামেদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এবার থেকে পুজোয় স্টল দিতে চাইলে শারদোৎসব না লিখে দুর্গা পূজা লিখতে হবে কমিউনিস্টদের।এরপর আজ ফের গণেশ পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে তাঁর নিশানায় বামেরা। আজ প্রথমে তিনি বলেছেন, “আরতি, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ সব ভুলিয়ে দিয়েছিল ৩৪ বছরের লাল রাজত্ব।” সেই সময়ই এ কথা ও কথায় বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “প্যান্ডেল থেকে দূরে লাল শালু লাগিয়ে বসত। সেখানে যে বইগুলো থাকত, তার মধ্যে একটাও স্বামী বিবেকানন্দের লেখা পাবেন না। উদ্বোধন প্রকাশনী (বেলুড় মঠ), প্রণব প্রকাশনী (ভারত সেবাশ্রম) পাবেন না। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবেন না। ভারত ভাগ সম্পর্কে কোনও বই পাবেন না। কার্ল মার্ক্স লেনিনের বই পাবেন। হাজার চেষ্টা করলেও গীতা, হনুমান চল্লিশা পাবেন না।”


গীতা-হনুমান চল্লিশা নিয়ে মন্তব্য নিয়েও বক্তব্য রেখেছেন সৃজন ভট্টাচার্য। বলেন, “মার্কসবাদীদের স্টলে মার্কস-এঙ্গেলেসের বই থাকাই তো স্বাভাবিক। গীতা প্রেসে মার্কস-এঙ্গেলেসের বই থাকে? গীতা প্রেসে চন্দ্রশেখর আজাদ, গীতা প্রেসে বিসমিল্লাহের বই থাকে? গীতা প্রেসে ভগৎ সিংয়ের বই থাকে? কেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা গীতা প্রেসে তোলা হয় না। পরিষ্কার করে শুভেন্দুবাবু জানান।”



নয়া দিল্লির ভারত মণ্ডপম থেকে শুরু হল সম্মেলন। শুরুতেই সব রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকেই মোদী বলেন, 'ভারত মানবতার পক্ষে। সবাইকে একসঙ্গে চলার পক্ষে ভারত।" একইসঙ্গে সম্মেলন থেকে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারের সওয়াল তুললেন তিনি। ব্রিকস সম্মেলন থেকে ১০টি প্রস্তাবও দিলেন তিনি।

'রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কার করতে হবে', ব্রিকস সম্মেলন থেকে দাবি প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী


ব্রিকসের (BRICS Summit) মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারের দাবি তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্য, বিশ্ব ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য ব্রিকসের সদস্য দেশগুলিকে সম্মিলিতভাবে প্রস্তাব তৈরি করতে হবে। একইসঙ্গে আগামী ২০ বছরের কথা মাথায় রেখে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)।


আজ থেকে শুরু হল ব্রিকস সামিট। নয়া দিল্লির ভারত মণ্ডপমে সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন-সহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। এদিন সম্মেলনের শুরুতেই রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী। এরপর ব্রিকসের মঞ্চ থেকে বন্ধুত্বের বার্তা দেন তিনি। মোদী বলেন, ‘ভারত মানবতার পক্ষে। সবাইকে একসঙ্গে চলার পক্ষে ভারত।”

 'প্রাইভেট পার্টে হাত দিচ্ছে', হাওড়ায় D.EL.ED পরীক্ষা দিতে আসা মহিলা শিক্ষকদের অন্তর্বাস খুলে চেকিং
'হ্যাঁ, আমি টাকা নিয়েছি', বুক ফুলিয়ে কেন বললেন কল্যাণ?
বিশ্ব ব্যবস্থার সংস্কারে মোদীর ১০ প্রস্তাব
বিশ্বের বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোয় সংস্কার আনার লক্ষ্যে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির সামনে প্রস্তাব রেখেছেন মোদী। তিনি বলেন, “আমার প্রস্তাব, বিশ্ব প্রশাসনের সংস্কারের জন্য আমরা একসঙ্গে ১০টি প্রস্তাব তৈরি করি। যাতে আগামী ব্রিকস সম্মেলনের মধ্যে সেগুলিকে ব্রিকস রিফর্ম রোডম্যাপ-এর রূপ দেওয়া যেতে পারে।”


প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, আগামী ২০ বছরের কথা মাথায় রেখে নতুন ও আরও বড় লক্ষ্য নিয়ে একটি অ্যাজেন্ডা তৈরির প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, নিজেদের অভ্যন্তরীণ কাজের পদ্ধতি থেকেই এই প্রক্রিয়ার শুরু করতে হবে। আর তার জন্য একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ তৈরি করা প্রয়োজন।আর এই রোডম্যাপ তৈরির সময় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তিনটি বিষয় হল প্রতিনিধিত্ব, জবাবদিহি এবং নিয়ম প্রণয়ন।

মোদীর বক্তব্য, প্রতি বছর ব্রিকসের সভাপতিত্ব বদলালেও তার প্রভাব যেন সংগঠনের প্রাতিষ্ঠানিক কাজের গতির উপর না পড়ে। এই লক্ষ্যেই ব্রিকসের জন্য ‘কন্টিনিউটি অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন মেকানিজম’ বা ধারাবাহিকতা ও বাস্তবায়ন ব্যবস্থা তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন মোদী। তাঁর মতে, এর ফলে ব্রিকসের বিভিন্ন উদ্যোগ ও সিদ্ধান্তের পরবর্তী পদক্ষেপের উপর ধারাবাহিক নজর রাখা সম্ভব হবে।

ব্রিকসের মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারের দাবি তুলেছেন মোদী। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কার আর পিছিয়ে দেওয়া উচিত না।” তাঁর মতে, নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে সেই আলোচনার স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট ফলাফলও নিশ্চিত করতে হবে।

আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও বদলের সওয়াল
শুধু রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ নয়, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির কাঠামোতেও পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভোটদানের ক্ষমতা, নেতৃত্বের ভূমিকা এবং নীতি নির্ধারণের অগ্রাধিকার বর্তমান বিশ্বের অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন।

মোদী বলেন, “যে দেশগুলি বিশ্বের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থার নীতি ও কাঠামো নির্ধারণের ক্ষেত্রেও সেই দেশগুলিকে যথাযথ ভূমিকা দিতে হবে।”





সেখানে প্রার্থী হচ্ছেন সিপিএম-এর আইনজীবী সৈয়দ আসাদ আলি। অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন CPI-এর শান্তিগোপাল গিরি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে লড়বে। তবে দেখা গেল, ছাব্বিশের ভোটের মতো এবার বামেরা একাই লড়ছেন।


আগামী ৬ অক্টোবর উপ-নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনে এবার প্রার্থী ঘোষণা করল বামেরা। মুর্শিদাবাদে রেজিনগর কেন্দ্রে ভোট হচ্ছে। সেখানে প্রার্থী হচ্ছেন সিপিএম-এর আইনজীবী সৈয়দ আসাদ আলি। অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন CPI-এর শান্তিগোপাল গিরি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে লড়বে। তবে দেখা গেল, ছাব্বিশের ভোটের মতো উপনির্বাচনেও বাম-কংগ্রেস একাই লড়ছে।






কাকদ্বীপ: সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যামন্দিরে অনুষ্ঠিত হল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ক্যারাটে সিলেকশন ট্রায়াল ২০২৬। এই সিলেকশন ট্রায়াল ছিল শুধুমাত্র অনূর্ধ্ব-১৭ বিভাগের কন্যা প্রতিযোগীদের জন্য। জেলার বিভিন্ন সাবডিভিশন থেকে প্রায় ১০০ জন কন্যা প্রতিযোগী এতে অংশগ্রহণ করে।

সকাল থেকেই বিভিন্ন ওজন বিভাগে চলে প্রতিযোগিতা। জেলা দলে জায়গা করে নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে রাজ্যস্তরে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার লক্ষ্যেই লড়াই করে খুদে ক্যারাটে প্রতিভারা। কাকদ্বীপ সাবডিভিশনের দায়িত্বে ছিলেন সিঞ্চন ভট্টাচার্য। জেলা ও রাজ্যস্তরের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানেই সম্পূর্ণ সিলেকশন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়।


সিলেকশন প্রসঙ্গে প্রকাশ থাপা, জেনারেল সেক্রেটারি, সাউথ ওয়েস্ট ক্যারাটে-ডো অ্যাসোসিয়েশন এবং কো-অর্ডিনেটর, ক্যারাটে-ডো অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল বলেন, এই দায়িত্ব দেওয়ার জন্য তিনি সিঞ্চন ভট্টাচার্য এবং ডিস্ট্রিক্ট অ্যাসোসিয়েশনের বিপ্লব স্যারকে ধন্যবাদ জানান। তাঁর কথায়, এবারের ট্রায়ালে বহু প্রতিভাবান কন্যা প্রতিযোগী উঠে এসেছে। তাঁদের মধ্যে নির্বাচিতরা রাজ্যস্তরে গিয়েও ভালো পারফর্ম করবে বলে তাঁরা আশাবাদী।


আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে সল্টলেক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী পর্যায়ের খেলা। জেলার নাম উজ্জ্বল করার লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচিত কন্যা প্রতিযোগীরা।

কাকদ্বীপ থেকে সৌম্য সুন্দর দাসের রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম