WEATHER

Top News



মলের জমির মালিকের অভিযোগ, শপিং মলের সামনেই থাকা একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ ঘটে। তার জেরেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানান, কী কারণে আগুন লেগেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।s

গলগল করে বেরচ্ছে ধোঁয়া, পুজোর আগে আগুন লেগে গেল নামী শপিং মলে
ইসলামপুরে আগুন


আর কয়েকদিন, তারপরই দুর্গাপুজো। আর পুজোর আগে নামী শপিং মলে আগুন। কালো ধোঁয়া বেরতে শুরু করে মলের জানালা থেকে। চাঞ্চল্য তৈরি হয় গোটা এলাকায়। জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের ওই নামী শপিং মলের দোতলায় আগুন ধরে যায়। তারপরই মঙ্গলবার সকালে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আহত হন একাধিক দমকলকর্মী। অগ্নিকাণ্ডে মলে থাকা প্রচুর জামাকাপড় পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও উল্লেখযোগ্য বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান।


স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ করেই মলের দ্বিতল থেকে ধোঁয়া ও আগুন বের হতে দেখা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে দমকলকর্মীদের বাইরে থেকে কাচ ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করতে হয়। সেই সময় কাচের আঘাতে একাধিক দমকলকর্মী আহত হন বলে জানা গিয়েছেন।

 উপনির্বাচনের আগে বাবরি মসজিদ নিয়ে 'অশান্তির ষড়যন্ত্র', কী বললেন হুমায়ুন কবীর?
মলের জমির মালিকের অভিযোগ, শপিং মলের সামনেই থাকা একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ ঘটে। তার জেরেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানান, কী কারণে আগুন লেগেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


মলের জমির মালিক শুভাশিস সাহা বলেন, “আমি তো বিল্ডিংয়ের উপরেই ছিলাম। দেখলাম ট্রান্সফরমার ব্লাস্ট করেছেন। সেটা ব্লাস্টের পর আওয়াজ পাই। এরপর মনে হয় শর্ট সার্কিট থেকেই মনে হয় আগুন লেগে গেছে।” দমকল আধিকারিক শম্ভুনাথ গোপ বলেন, “উপরে ধোঁয়া ছিল। সেই ধোঁয়া বের করার জন্য কাচ ভাঙতে গিয়েছিলাম তখনই আঘাত লেগেছে।”



 এক বিক্ষোভকারী বলেন, "উনি বিজেপিতে আসতে চান ভালো কথা। কিন্তু সিতাইয়ের মানুষের কাছে যে পাপ করেছেন, সেই পাপ কীভাবে ধোবেন? ওই পাপ ধুয়ে আসুন। সাধারণ মানুষের উপর যে অত্যাচার করেছেন, তার ক্ষমা চাইতে হবে।"

জগদীশের চামড়া, তুলে দেব আমরা…’ সিতাইয়ের সাংসদ জগদীশ বসুনিয়ার বাড়ির সামনে এই স্লোগান তুলে ফের প্রবল বিক্ষোভ। তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই (NCPI) শিবিরে যাওয়ার পরই একাধিকবার সাংসদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ চলেছে। এমনকী, এলাকায় ঢুকেও মধ্যরাতে সস্ত্রীক ফিরতে হয় তাঁকে। এই আবহের মধ্যে ফের একবার বিক্ষোভের মুখে তিনি। বিক্ষোভকারীদের দাবি, “পাপ ধুয়ে বিজেপিতে আসতে হবে।”


প্রায় চার মাস পর রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ পুলিশি নিরাপত্তায় বাড়ি ফিরেছিলেন বসুনিয়া। তাঁর বাড়ি ফেরার পর থেকেই সিতাইয়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ হয়। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সিতাই পার্টি অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।সাংসদদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন একাংশ। পরে সোমবারও সিতাইয়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাংসদের বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি মোতায়েন ছিল সিতাই থানার পুলিশ।

উপনির্বাচনের আগে বাবরি মসজিদ নিয়ে 'অশান্তির ষড়যন্ত্র', কী বললেন হুমায়ুন কবীর?
এরপর সোমবার সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ ফের সাংসদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিস্থিতি যাতে কোনওভাবেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেজন্য আগে থেকেই বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। জগদীশ বসুনিয়া বাড়ি ফেরার পর পরপর দু’দিন বিক্ষোভের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সিতাইয়ে। কেন বারবার সাংসদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ হচ্ছে এবং এর নেপথ্যে কোনও রাজনৈতিক কারণ রয়েছে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “উনি বিজেপিতে আসতে চান ভালো কথা। কিন্তু সিতাইয়ের মানুষের কাছে যে পাপ করেছেন, সেই পাপ কীভাবে ধোবেন? ওই পাপ ধুয়ে আসুন। সাধারণ মানুষের উপর যে অত্যাচার করেছেন, তার ক্ষমা চাইতে হবে।”


মূলত, জগদীশ বসুনিয়া দাবি করেছেন, তিনি সহ ১৭ জন এনসিপিআই সাংসদ বিজেপি-তে যোগ দেবেন পুজোর পর। যদিও বাকিরা এখনও সেই বিষয়ে মুখ খোলেননি।


 সম্প্রতি সংসদে ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০০৭’-এর সংশোধনী বিল পাশ হওয়ার পর থেকেই ইউপিআই লেনদেনে অতিরিক্ত চার্জ বসানো নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এবার স্থির করা হল যে ঠিক কত টাকা লাগবে।

আর ফ্রি থাকছে না ইউপিআই (UPI) ট্রানজাকশন। গত কয়েক বছরে দেশ জুড়ে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে প্রবল জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইউপিআই। ছোট থেকে বড় সব লেনদেনের ক্ষেত্রেই এই মাধ্যম ব্যবহার করে থাকেন ক্রেতা বা ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এবার আর বিনামূল্যে কোনও লেনদেন হবে না। ইউপিআই ট্রানজাকশনের ক্ষেত্রে কত টাকা চার্জ লাগবে, সেটা ঘোষণা করে দিল ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (NCPI)।


সম্প্রতি সংসদে ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০০৭’-এর সংশোধনী বিল পাশ হওয়ার পর থেকেই ইউপিআই লেনদেনে অতিরিক্ত চার্জ বসানো নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এবার স্থির করা হল যে ঠিক কত টাকা লাগবে।


'আমাদের কলেজে OYO রুম আছে', বিস্ফোরক সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের ছাত্রী
আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে চালু হবে নতুন নিয়ম। মঙ্গলবার ঘোষণা করা হল, ২০০০ টাকার বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে ০.০৪ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেটে চার্জ দিতে হবে। তবে ক্রেতারা বিনামূল্যেই ইউপিআই-এর মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন, ফি দিতে হবে ব্যবসায়ীদের।


ধার্য করা রেট অনুযায়ী, ৩০০০ টাকার বেশি লেনদেনে ১২ টাকা দিতে হবে চার্জ। ৭৫ হাজার টাকার উপরে লেনদেনে দিতে হবে ৩০০ টাকা। সর্বাধিক ৩০০ টাকা পর্যন্ত চার্জ দিতে হবে। ব্যবসায়ীরা লেনদেনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ককে ওই চার্জ দেবেন, এর জন্য ক্রেতাদের কাছ থেকে কিছু নেবেন না।

আরও জানানো হয়েছে যে, কোনও ইউপিআই অ্য়াপ প্রোভাইডারও কোনও প্লাটফর্ম ফি বা অন্য কোনও চার্জ নিতে পারবে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ০.৪ শতাংশ হারের হিসেব হবে না। রেলওয়ে, টেলিকম, বিমা, জ্বালানির মতো ক্ষেত্রগুলিতে ২০০০ টাকার উপরে লেনদেন করতে গেলে ৫ টাকা করে চার্জ দিতে হবে।



এরপরই এক ব্যক্তিকে ডেকে তিনি বলেন, "আপনার মাথায় কোনও আক্কেল নেই?" তখন ওই ব্যক্তি বলেন, "সরিয়ে দেব...সরিয়ে দেব।" পাল্টা মন্ত্রী বলেন, "কখন সরাবেন? আজ আমি এসেছি বলে সরাবেন? মাথায় আক্কেল নেই? এটা ফুটপাথ, জিনিসপত্র রেখে কাজ করা উচিত নয়। জানেন না?" এরপর তাঁর নির্দেশ, আজ রাতের মধ্যে যেন এটা পরিষ্কার হয়।"

আপনার মাথায় আক্কেল নেই?', এবার সল্টলেকে এসে ধমক দিলেন অগ্নিমিত্রা
অগ্নিমিত্রা পাল, মন্ত্রী

রাস্তার উপর কোনও জঞ্জাল পড়ে থাকবে না। কোনও ভাবে রাস্তা নোংরা করা হলে ফাইন দিতে হবে। কিংবা বেআইনি পার্কিং করা যাবে না। পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকের কানেই ঢোকে না সেই কথা। আর এবার সল্টলেকের ফুটপাথে নোংরা পড়ে থাকতে দেখে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী। দিলেন কড়া ধমক।


প্রতিদিন সকালে রাজ্যের পুরমন্ত্রী শহর পরিদর্শনে বের হন। এক-একদিন এক-একজায়গা ঘুরে দেখেন তিনি। কখনও বাজারে ঘোরেন, কখনও ফুটপাথ পরিদর্শন করেন। যেখানেই বেআইনি পার্কিং দেখেন কিংবা নোংরা আবর্জনা তাঁর চোখে পড়ে তিনি সেখানে পৌঁছন। সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।

ওইখানকার লোকরাই বলছে, প্রেসিডেন্সি থেকে এমন জিনিস বেরল ভাবতেই পারছি না', নাম না করে ঋতব্রতকে বেনজির কটাক্ষ কল্যাণের
'আমাদের কলেজে OYO রুম আছে', বিস্ফোরক সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের ছাত্রী
মঙ্গলবার তেমনই সল্টলেক (Salt lake) পরিদর্শনে যান তিনি। ফুটপাথের উপর ব্যক্তিগত গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ক্ষুব্ধ হন রাজ্যের মন্ত্রী। এরপর খানিক এগোতেই তিনি দেখেন একটি বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। পুরো ফুটপাথে ইট-সুরকি-চুন-বালি সব রাখা রয়েছে।


এরপরই এক ব্যক্তিকে ডেকে তিনি বলেন, “আপনার মাথায় কোনও আক্কেল নেই?” তখন ওই ব্যক্তি বলেন, “সরিয়ে দেব…সরিয়ে দেব।” পাল্টা মন্ত্রী বলেন, “কখন সরাবেন? আজ আমি এসেছি বলে সরাবেন? মাথায় আক্কেল নেই? এটা ফুটপাথ, জিনিসপত্র রেখে কাজ করা উচিত নয়। জানেন না?” এরপর তাঁর নির্দেশ, আজ রাতের মধ্যে যেন এটা পরিষ্কার হয়।” ফের ধমক দিয়ে বলেন, “মাথায় ঢুকল তো? আজ রাতের মধ্যেই খালি চাই। রিপোর্ট দেখব আমি।”



আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "এটাই রাজ্য সরকারের দ্বিচারিতা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একদিকে বলেছেন যাতে বামেরা নবান্নে গিয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেয়। অন্যদিকে, হলদিয়াতে শুভেন্দুবাবুর পুলিশ অনুমতি দিচ্ছে না কারণে এই পুজোয় CITU যুক্ত বলে। এটা তো দ্বিচারিতা। ধর্ম পালন সাংবিধানিক অধিকার। আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হই।"

কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বিশ্বকর্মা পুজো করছে বামেরা। CITU-কে হলদিয়া রিফাইনারিতে বিশ্বকর্মা পুজো করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। রাজ্য পুলিশ প্রথমে এই পুজোর অনুমতি দেয়নি। তারপরই মামলা হয় আদলতে।


আগামী শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজো। সেই কারণে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার IOC গেটে সামনে বিশ্বকর্মা পুজোর অনুমতি চেয়েছিল CITU। বামেদের দাবি হলদিয়া বন্দর কর্তৃপক্ষ বামেদের অনুমতি দিলেও রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি। সেই কারণে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চে মামলা হয়। সেখানে তিনি বামেদের বিশ্বকর্মা পুজো করার অনুমতি দিয়েছেন।



 হৃত্বিকের সঙ্গে প্রেম করছেন শ্বেতা বচ্চন! স্বামী নিখিলের সঙ্গে রয়েছেন সেপারেশনে?
আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এটাই রাজ্য সরকারের দ্বিচারিতা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একদিকে বলেছেন যাতে বামেরা নবান্নে গিয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেয়। অন্যদিকে, হলদিয়াতে শুভেন্দুবাবুর পুলিশ অনুমতি দিচ্ছে না কারণে এই পুজোয় CITU যুক্ত বলে। এটা তো দ্বিচারিতা। ধর্ম পালন সাংবিধানিক অধিকার। আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হই। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মামলা শুনে IC-কে নির্দেশ দেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুজো অনুমতি দিতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, একদিকে রাজ্যের প্রশাসন পুজো করার জন্য এত কিছু বলছে, অন্যদিকে সেই পুজো করার জন্যই অনুমতি নিতে হচ্ছে।”



মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমি সকলের কাছে আবেদন করব, আপনারা যে বিপুল জয় এনে দিয়েছেন সরকার তৈরি হয়েছে, সরকার কাজ শুরু করেছে এবং মাত্র চার মাস অতিবাহিত হয়েছে। সঙ্কল্পপত্র প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাব। নন্দীগ্রামের বিপুল জনতার কাছে একটাঅ প্রতিশ্রুতি নিশ্চিন্তে থাকবেন, যেদিন আমি তমলুকের সাংসদ থেকে সরে গিয়েছিলাম, সেদিন অনেকেই সাংসদের পরিষেবা ইত্যাদি নিয়ে তাঁরা আশঙ্কার প্রকাশ করেছিলেন।"

চন্দ্রর সবথেকে বড় অপরাধ বিরোধী দলনেতাকে সাহায্য করতেন', বললেন শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী

নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর পিএ প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথকে। মঙ্গলবার প্রায় ২০ হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে মনোনয়ন পেশ করলেন তিনি। মনোনয়নে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই প্রত্যয়ী বার্তা দিলেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, ‘নন্দীগ্রামে কল্পনাতীত রেকর্ড মার্জিনে জিতবে বিজেপি।’ মনোনয়নের মঞ্চ বক্তৃতা দিতে গিয়ে চন্দ্রনাথকেও মনে করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, চন্দ্রনাথের অপরাধ ছিল যে তিনি একজন বিরোধী দলনেতাকে সাহায্য করতেন।


কী বললেন শুভেন্দু?
মঙ্গলবার হাসিরানি রথের মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে নন্দীগ্রামের উদ্দেশে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বক্তৃতার শুরুতেই চন্দ্রনাথকে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমাকে প্রভূত সাহায্য করেছে একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মী প্রয়াত ভাতৃপ্রতীম চন্দ্রর মাতৃদেবীও বটে। চন্দ্রকে যেভাবে নৃশংসভাবে খুন হয়েছে, আমি মনে করি চন্দ্রর সবথেকে বড় অপরাধ ছিল একজন বিরোধী দলনেতাকে সহযোগিতা করতেন।

 উপনির্বাচনের আগে বাবরি মসজিদ নিয়ে 'অশান্তির ষড়যন্ত্র', কী বললেন হুমায়ুন কবীর?
এরপরই নন্দীগ্রামের জনতার উদ্দেশে বার্তা দেন, সঙ্গে প্রতিশ্রুতিও দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ” আমি সকলের কাছে আবেদন করব, আপনারা যে বিপুল জয় এনে দিয়েছেন সরকার তৈরি হয়েছে, সরকার কাজ শুরু করেছে এবং মাত্র চার মাস অতিবাহিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের বিপুল জনতার কাছে একটা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। নিশ্চিন্তে থাকবেন, যেদিন আমি তমলুকের সাংসদ থেকে সরে গিয়েছিলাম, সেদিন অনেকেই সাংসদের পরিষেবা ইত্যাদি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু আপনাদের প্রয়োজনে, আপনাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আমি প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে অভাব বুঝতে দিইনি।”


বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী হিসেবে যে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছি। আমি নন্দীগ্রামের জেল খাটা, কেস খাওয়া প্রত্যেক নেতাকে এই প্রতিশ্রুতি দিতে চাই আপনাদের সসম্মানে দলগত মর্যাদা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করার কাজ আমার। মিথ্যে মামলা প্রত্যাহার করার দায়িত্ব আমার। সেই দায়িত্ব পালন করব। নন্দীগ্রামের অবহেলিত, অত্যাচারিত প্রত্যেকটি পরিবারের পেটে ভাত, মাথায় ছাদ…এ আমার অঙ্গীকার। এটা পূরণ করব।”

নন্দীগ্রামে বিপুল ভোটে জেতার অঙ্গীকার করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ভোট আমি করতে জানি। আমি বলে দিলাম। এমন মার্জিনে নন্দীগ্রামে বিজেপি জিতবে যেটা কখনও কল্পনা করতে পারেননি। বাকিটা সময় কথা বলবে।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, “হারাতে এসেছিল নন্দীগ্রামে একুশে। হারিয়ে বাড়ি পাঠিয়েছিলাম। এবার গঙ্গা পেরিয়ে ওর পাড়াতে গিয়ে ওকে হারিয়ে দিয়ে এসেছি।”

সংখ্যালঘুদেরও বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। বলেন, “আমি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সংখ্যালঘুদের আবেদন করছি। একটা সুযোগ এসেছে আপনাদের কাছে। আপনারা সরকারের সঙ্গে থাকবেন কি থাকবেন না। সরকারের সঙ্গে যদি থাকতে চান, হাতে হাত মিলিয়ে যদি কাজ করতে চান, কাজ নিতে চান ৬ অক্টোবর রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে আপনাদের পরীক্ষা। আপনি পরীক্ষায় পাশ করবেন নাকি ফেল করবেন, ওটা আপনাদের উপর ছেড়ে দিয়ে গিলাম। বাকি আমরা জিতছি, জিতব।”



 নন্দীগ্রাম থেকে বাদ পড়া ২,৮২৬ জন ভোটারের মধ্যে ৯৫.৫% (প্রায় ২,৭০০ জন) মুসলিম সম্প্রদায়ের ছিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নন্দীগ্রামে ৭৫ শতাংশ হিন্দু ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকেই থাকবে। তবে মার্জিনের পুরো চাবিকাঠি নির্ভর করে এই ২৫ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটের ওপরেই।

 উপনির্বাচনের আগে সংখ্য়ালঘুদের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, সরকারের সঙ্গে থাকার পরীক্ষা ৬ অক্টোবর। তিনি বললেন, “নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সংখ্যালঘুদের জন্য বললাম, এটাই আপনাদের একটা সুযোগ। সরকার-মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যদি থাকতে চান, হাতে হাত মিলিয়ে যদি কাজ করতে চান, কাজ নিতে চান, আপনাদের পরীক্ষা ৬ অক্টোবর। আপনি পরীক্ষায় পাশ করবেন না ফেল করবেন, সেটা আপনাদের ওপর ছেড়ে দিলাম। বাকি আমরা তো জিতছি, জিতব।” নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে চ্যালেঞ্জ করলেন, ‘নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপি কল্পনাতীত মার্জিনে জিতবে।’


প্রসঙ্গত, বরাবরই নন্দীগ্রাম ১ সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। রেজিনগর তো বটেই। ২০২৬ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনীর সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় দেখা যায়, নন্দীগ্রাম থেকে বাদ পড়া ২,৮২৬ জন ভোটারের মধ্যে ৯৫.৫% (প্রায় ২,৭০০ জন) মুসলিম সম্প্রদায়ের ছিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নন্দীগ্রামে ৭৫ শতাংশ হিন্দু ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকেই থাকবে। তবে মার্জিনের পুরো চাবিকাঠি নির্ভর করে এই ২৫ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটের ওপরেই।


রেজিনগরের ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুই ফ্যাক্টর। কারণ রেজিনগরে ভোটারদের ৭০ শতাংশই সংখ্যালঘু। ২৬-এর নির্বাচনে রেজিনগর আসনে নিকটবর্তী বিজেপি প্রার্থীকে ৫৮,৮৭৬ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। নন্দীগ্রামের মটিতে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু টানলেন রেজিনগরের প্রসঙ্গও। তিনি বললেন, “ভোট করতে আমরা জানি, ভোট করাতেও আমরা জানি। বিজেপি এমন মার্জিনে জিতবে, যা কেউ কল্পনা করতে পারবে না। সংখ্যালঘুরা ঠিক করুন কার সঙ্গে থাকবেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকার জন্য এটা আপনাদের কাছে একটা সুযোগ।”



মামলাটি দায়ের করেছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বনমালীপুর সন্তোষ ভট্টাচার্য মেমোরিয়াল হাইস্কুলের ইংরেজির শিক্ষিকা সোমা সরদার। ২০১৩ সাল থেকে ওই স্কুলে কর্মরত সোমাকে ‘উদ্বৃত্ত’ দেখিয়ে অন্য স্কুল বেছে নেওয়ার নির্দেশ দেয় শিক্ষা দফতর।

কলকাতা হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশে রাজ্য সরকারের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চপ্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষক বদলির নতুন নির্দেশিকা আপাতত থমকে গেল। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ‘উদ্বৃত্ত’ হিসাবে চিহ্নিত করে বদলি করার জন্য গত ২৪ জুলাই শিক্ষা দফতর যে সংশোধিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) জারি করেছিল, তার কার্যকারিতার ওপর ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা।


মামলাটি দায়ের করেছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বনমালীপুর সন্তোষ ভট্টাচার্য মেমোরিয়াল হাইস্কুলের ইংরেজির শিক্ষিকা সোমা সরদার। ২০১৩ সাল থেকে ওই স্কুলে কর্মরত সোমাকে ‘উদ্বৃত্ত’ দেখিয়ে অন্য স্কুল বেছে নেওয়ার নির্দেশ দেয় শিক্ষা দফতর। সোমার পক্ষে তাঁর আইনজীবী উজ্জ্বল রায় আদালতে জানান, ইংরেজি সব শিক্ষার্থীদের জন্যই একটি আবশ্যিক বিষয় এবং ওই স্কুলে তিনি একমাত্র পাস গ্রাজুয়েট ইংরেজি শিক্ষক। অথচ স্কুলের প্রকৃত শিক্ষক-চাহিদা, ছাত্রসংখ্যা ও বিষয়ভিত্তিক কাজের চাপ বিবেচনা না করেই তাঁকে উদ্বৃত্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

ওইখানকার লোকরাই বলছে, প্রেসিডেন্সি থেকে এমন জিনিস বেরল ভাবতেই পারছি না', নাম না করে ঋতব্রতকে বেনজির কটাক্ষ কল্যাণের
সোমার আইনজীবী উজ্জ্বল রায় জানান, হাইকোর্টের স্থগিতাদেশে জুলাইয়ের এসওপি-র ভিত্তিতে স্কুল বাছাই, বদলি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক পদক্ষেপ আপাতত থমকে গেল। একই এসওপি অনুসারে উদ্বৃত্ত ঘোষিত ও বদলির মুখে পড়া রাজ্যের বহু শিক্ষক-শিক্ষিকাও এই নির্দেশের সুফল পেতে পারেন।





নিম্ন আদালত নির্দেশ দেয় যে কাস্টিং ভোটের মাধ্যমে এই কমিটি গঠন করতে হবে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। নিম্ন আদালতে সেই রায়কেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানান ক্লাবের অন্যতম সদস্য রবিশঙ্কর সেনগুপ্ত। কিন্তু হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়নি।

শহরের পুরনো পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম বাগবাজারের পুজো। উত্তর কলকাতার এই পুজোর প্রতিমা না দেখলে ঠাকুরদেখাই অসম্পূর্ণ রয়ে যায় শহরবাসীর। এবার আইনি জটের মুখে পড়েছিল সেই বাগবাজারের পুজো। অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মিলল স্বস্তি। বাগবাজারের পুজো নিয়ে নিম্ন আদালতের নির্দেশই বহাল রাখল হাইকোর্ট।বিচারপতি হীরন্ময় ভট্টাচার্যের নির্দেশ, যে পদ্ধতিতে কমিটি গঠন করা হয়েছে তা সঠিক।


কী সেই জট?
বাগবাজারের পুজো কমিটির গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বাগবাজার পুজো কমিটি এবং ক্লাব পরিচালনার কমিটির জন্য ১৪ সদস্যের ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়। ভোটাভুটির পর দেখা যায়, ১২ জন ম্যানেজিং কমিটির সদস্যের মধ্যে চারজনের ক্ষেত্রে টাই হয়েছে। পাশাপাশি সম্পাদক দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোট সংখ্যা অনুসারে টাই হয়। তালিকায় মোট ৭৭ জন ভোটার থাকলেও, নির্বাচনে ৬৬ জন সদস্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তারপরই তৈরি হয় জটিলতা। এরপর নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হয় এক পক্ষ।

জল খাবেন না, বিষম খেলে এটা করুন... ঝটপট পাবেন আরাম
নিম্ন আদালত নির্দেশ দেয় যে কাস্টিং ভোটের মাধ্যমে এই কমিটি গঠন করতে হবে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। নিম্ন আদালতে সেই রায়কেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানান ক্লাবের অন্যতম সদস্য রবিশঙ্কর সেনগুপ্ত। কিন্তু হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে সেই কাস্টিং ভোট হয়। কিন্তু আবেদনকারী দাবি করেন, নিম্ন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী যেভাবে কাস্টিং ভোট করা হয়েছে, সেই প্রক্রিয়া সঠিক নয়, সেই প্রক্রিয়াকে খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্ট।


হাইকোর্টের নির্দেশ
কলকাতা হাইকোর্ট মঙ্গলবার জানিয়েছে, পুজো ও পুজোকে কেন্দ্র করে হওয়া মেলা কোনওভাবেই বন্ধ করা যাবে না। নিম্ন আদালতের নির্দেশে যে কাস্টিং ভোট হয়েছিল, তা সঠিক। সেই পদ্ধতিকেই মান্যতা দিয়েছে আদালত। ফলে, যে কমিটি গঠন হয়েছে, সেটাই সঠিক। তাই বাগবাজারের পুজো নিয়ে আর কোনও জট রইল না।




 গুরুদায়িত্ব পেয়ে হাসিরানি রথ বলেন, "দল আমাকে প্রার্থী করেছেন। কিন্তু এখানের সংগঠন আমার সঙ্গে আছেন। আমি আশা করব, আমি সহযোগিতা চাইব সকলের। নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে থেকে নন্দীগ্রামকে নিয়ে আমি যেন এগোতে পারি। ...নন্দীগ্রামের কোনও কাজই বাকি থাকবে না। আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চেষ্টা করব যে নন্দীগ্রামকে কীভাবে খুশি করা যায়।"

 তৃণমূল আমলে পঞ্চায়েত সদস্যা থেকে শুভেন্দুর উত্তোরণের সহযোদ্ধা, চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথের অতীত জানেন?
হাসিরানি রথ
 
মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রাম (Nandigram) তাঁর গড়। পরপর দুইবার বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিপুত্রকেই জিতিয়েছেন নন্দীগ্রামবাসী। সেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে (Nandigram By-Poll) কাকে প্রার্থী করা হবে, নন্দীগ্রামবাসীর জন্য কার ওপর শেষপর্যন্ত ভরসা রাখে বিজেপি, সেদিকেই নজর ছিল সব পক্ষের। সব জল্পনা, আলোচনার অবসান ঘটিয়ে নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর পিএ প্রয়াত চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। আজ মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মেগা ব়্যালি করে মনোনয়ন পেশ করেন তিনি। তবে, হাসিরানি রথ (Hasi Rani Rath) শুধুমাত্র চন্দ্রনাথের মা বা একজন গৃহবধূ নন। একটা সময় প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন তিনি। সামলেছেন গুরুত্বপূর্ণ পদও।


রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগ 
শুভেন্দু অধিকারী যখন তৃণমূলে ছিলেন, তখন থেকেই তাঁর সঙ্গে যুক্ত রথ পরিবার। জানা গিয়েছে, ১৯৯৮ সাল থেকে রাজনীতি করছেন চণ্ডীপুর এলাকার কুলুপ গ্রামের বাসিন্দা হাসিরানি রথ। তৃণমূল আমলে পঞ্চায়েত সদস্যা ছিলেন। ঈশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা ছিলেন। পরে ২০০৮-২০১৩ সাল পর্যন্ত চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত সমিতির নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। পরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হন। চণ্ডীপুর এলাকায় পঞ্চায়েত স্তরে রীতিমতো দাপটের সঙ্গে কাজও করেছেন তিনি।

  'চন্দ্রর সবথেকে বড় অপরাধ বিরোধী দলনেতাকে সাহায্য করতেন', বললেন শুভেন্দু
'আমাদের কলেজে OYO রুম আছে', বিস্ফোরক সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের ছাত্রী
কী বলেছিলেন হাসিরানি?
এর আগে হাসিরানি রথ টিভি৯ বাংলাকে বলেছিলেন, “মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমাদের পরিবারের অভিভাবক । উনি যদি আমাকে কোনও গুরুদায়িত্ব দেন, তাহলে আমি মাথা পেতে নেব। আমি ১৯৯৮ সাল থেকেই রাজনীতি করি। দুইবার পঞায়েতের সদস্য। তিনবার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। এবারে যদি আমাকে গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়, যথাসাধ্য চেষ্টা করব দায়িত্ব পালন করার।” অবশেষে তাঁর উপরই নন্দীগ্রামের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হল।


দায়িত্ব পাওয়ার পর কী বললেন?
গুরুদায়িত্ব পেয়ে হাসিরানি রথ বলেন, “দল আমাকে প্রার্থী করেছেন। কিন্তু এখানের সংগঠন আমার সঙ্গে আছেন। আমি আশা করব, আমি সহযোগিতা চাইব সকলের। নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে থেকে নন্দীগ্রামকে নিয়ে আমি যেন এগোতে পারি। …নন্দীগ্রামের কোনও কাজই বাকি থাকবে না। আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চেষ্টা করব যে নন্দীগ্রামকে কীভাবে খুশি করা যায়।”

 

 গুরুদায়িত্ব পেয়ে হাসিরানি রথ বলেন, "দল আমাকে প্রার্থী করেছেন। কিন্তু এখানের সংগঠন আমার সঙ্গে আছেন। আমি আশা করব, আমি সহযোগিতা চাইব সকলের। নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে থেকে নন্দীগ্রামকে নিয়ে আমি যেন এগোতে পারি। ...নন্দীগ্রামের কোনও কাজই বাকি থাকবে না। আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চেষ্টা করব যে নন্দীগ্রামকে কীভাবে খুশি করা যায়।"

 তৃণমূল আমলে পঞ্চায়েত সদস্যা থেকে শুভেন্দুর উত্তোরণের সহযোদ্ধা, চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথের অতীত জানেন?
হাসিরানি রথ
 
মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রাম (Nandigram) তাঁর গড়। পরপর দুইবার বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিপুত্রকেই জিতিয়েছেন নন্দীগ্রামবাসী। সেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে (Nandigram By-Poll) কাকে প্রার্থী করা হবে, নন্দীগ্রামবাসীর জন্য কার ওপর শেষপর্যন্ত ভরসা রাখে বিজেপি, সেদিকেই নজর ছিল সব পক্ষের। সব জল্পনা, আলোচনার অবসান ঘটিয়ে নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর পিএ প্রয়াত চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। আজ মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মেগা ব়্যালি করে মনোনয়ন পেশ করেন তিনি। তবে, হাসিরানি রথ (Hasi Rani Rath) শুধুমাত্র চন্দ্রনাথের মা বা একজন গৃহবধূ নন। একটা সময় প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন তিনি। সামলেছেন গুরুত্বপূর্ণ পদও।


রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগ 
শুভেন্দু অধিকারী যখন তৃণমূলে ছিলেন, তখন থেকেই তাঁর সঙ্গে যুক্ত রথ পরিবার। জানা গিয়েছে, ১৯৯৮ সাল থেকে রাজনীতি করছেন চণ্ডীপুর এলাকার কুলুপ গ্রামের বাসিন্দা হাসিরানি রথ। তৃণমূল আমলে পঞ্চায়েত সদস্যা ছিলেন। ঈশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা ছিলেন। পরে ২০০৮-২০১৩ সাল পর্যন্ত চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত সমিতির নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। পরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হন। চণ্ডীপুর এলাকায় পঞ্চায়েত স্তরে রীতিমতো দাপটের সঙ্গে কাজও করেছেন তিনি।

  'চন্দ্রর সবথেকে বড় অপরাধ বিরোধী দলনেতাকে সাহায্য করতেন', বললেন শুভেন্দু
'আমাদের কলেজে OYO রুম আছে', বিস্ফোরক সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের ছাত্রী
কী বলেছিলেন হাসিরানি?
এর আগে হাসিরানি রথ টিভি৯ বাংলাকে বলেছিলেন, “মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমাদের পরিবারের অভিভাবক । উনি যদি আমাকে কোনও গুরুদায়িত্ব দেন, তাহলে আমি মাথা পেতে নেব। আমি ১৯৯৮ সাল থেকেই রাজনীতি করি। দুইবার পঞায়েতের সদস্য। তিনবার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। এবারে যদি আমাকে গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়, যথাসাধ্য চেষ্টা করব দায়িত্ব পালন করার।” অবশেষে তাঁর উপরই নন্দীগ্রামের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হল।


দায়িত্ব পাওয়ার পর কী বললেন?
গুরুদায়িত্ব পেয়ে হাসিরানি রথ বলেন, “দল আমাকে প্রার্থী করেছেন। কিন্তু এখানের সংগঠন আমার সঙ্গে আছেন। আমি আশা করব, আমি সহযোগিতা চাইব সকলের। নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে থেকে নন্দীগ্রামকে নিয়ে আমি যেন এগোতে পারি। …নন্দীগ্রামের কোনও কাজই বাকি থাকবে না। আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চেষ্টা করব যে নন্দীগ্রামকে কীভাবে খুশি করা যায়।”

 

 মনোনয়ন জমা দিয়ে বেরিয়ে আসার সময়ই সাংবাদিকদের সামনে চন্দ্রনাথ রথের খুন নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "শুটার আর সুপারি যারা দিয়েছে, ৭ জন গ্রেফতার করা হয়েছে। আমার যতটুকু জানা আছে, ২ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে এই কাজ করার জন্য। আর টাকা সরবরাহের কাজ ভাইপো গ্যাং করেছে।"

 '২ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছিল', চন্দ্রনাথ খুনে ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে আনলেন শুভেন্দু
চন্দ্রনাথ রথের মৃত্যু নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী


উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে বিজেপি প্রার্থী করেছে চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথকে। মঙ্গলবারই তিনি হলদিয়া মহকুমাশাসকের দফতরে মনোনয়ন জমা দেন। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মনোনয়ন জমা দিয়ে বেরিয়ে আসার সময়ই সাংবাদিকদের সামনে চন্দ্রনাথ রথের খুন নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “শুটার আর সুপারি যারা দিয়েছে, ৭ জন গ্রেফতার করা হয়েছে। আমার যতটুকু জানা আছে, ২ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে এই কাজ করার জন্য। আর টাকা সরবরাহের কাজ ভাইপো গ্যাং করেছে।”


চন্দ্রনাথ রথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক। ছাব্বিশের নির্বাচনী প্রস্তুতির তাঁর সবচেয়ে বড় সঙ্গী। নিজের প্রাক্তন আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনে ‘ষড়যন্ত্রে’র কথা আগেও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার আরও এক ধাপ এগিয়ে তিনি দাবি করেন, চন্দ্রনাথকে খুন করতে দু’কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে।


 'চন্দ্রর সবথেকে বড় অপরাধ বিরোধী দলনেতাকে সাহায্য করতেন', বললেন শুভেন্দু
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই মামলার তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। সাত সদস্যের SIT গঠন করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। DIG পদ মর্যাদার অফিসারের নেতৃত্বে SIT গঠন CBI-এর। গত ৬ মে, বিধানসভা নির্বাচনের ফলঘোষণার দু’দিনের মাথায় মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন করা হয় চন্দ্রনাথকে। প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্মীকে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় গুলিতে।



রাজ্য জানায়, তারা সব কিছু আগেই সংরক্ষণ করেছে। ৩ সপ্তাহ পর ফের মামলার শুনানি। গত জুলাইয়ে বারুইপুরের সূর্যপূর এলাকায় এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে তার দেহ উদ্ধার হয় এলাকারই একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায়। তার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বারুইপুর।

 ঠিক কী ঘটেছিল? বারুইপুর এনকাউন্টারকাণ্ডে এবার বড় নির্দেশ হাইকোর্টের
বারুইপুর এনকাউন্টার (ফাইল ছবি)

বারুইপুর এনকাউন্টার কাণ্ডে সব নথি, তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ঘটনায় বারুইপুর পুলিশ সুপারের রিপোর্ট মামলাকারীদের দেওয়ায় আপত্তি রাজ্যের। এনকাউন্টার কাণ্ডে রিপোর্ট তাই হলফনামা আকারে দিতে নির্দেশ রাজ্যকে। ১০ দিনের মধ্যে হলফনামা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অরিজিৎ বন্দোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চের। রাজ্যের হলফনামা পেলে মামলাকারীদের তার জবাব থাকলে দিতে নির্দেশ ডিভিশন বেঞ্চ।


রাজ্য জানায়, তারা সব কিছু আগেই সংরক্ষণ করেছে। ৩ সপ্তাহ পর ফের মামলার শুনানি। গত জুলাইয়ে বারুইপুরের সূর্যপূর এলাকায় এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে তার দেহ উদ্ধার হয় এলাকারই একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায়। তার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বারুইপুর।


তৃণমূল আমলে পঞ্চায়েত সদস্যা থেকে শুভেন্দুর উত্তোরণের সহযোদ্ধা, চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথের অতীত জানেন?

ককটেল-এ অভিনয় করাটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল', কেন বললেন সইফ?
নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর সর্দার, আনন্দ সর্দার এবং কবীর মোল্লাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। প্রথমে প্রভাসকে গ্রেফতার করা হয়। প্রভাসই দেখিয়ে দেন, নাবালিকার দেহ কোথায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। প্রভাস, আনন্দ এবং দিবাকরকে প্রথমে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কবীর। গত ৭ জুলাই রাতে প্রভাসকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণে বেরিয়েছিল পুলিশ। দাবি, সেই সময় পুলিশের অস্ত্র ছিনতাই করে পালানোর চেষ্টা করেন প্রভাস। গুলিও চালান বলে দাবি পুলিশের। আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও।


পুলিশ জানায়, নিজেকে এবং সহকর্মীদের বাঁচাতে সার্ভিস রিভলভার দিয়ে প্রভাসকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বারুইপুর থানার পিসি ইনচার্জ অর্ঘ্য মণ্ডল। যদিও এই এনকাউন্টার নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠার পর রাজ্য পুলিশের সিআইডি-কে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।