WEATHER

Top News



শেখ শাহজাহান-কাণ্ডের পর সন্দেশখালিতে যে আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল, সেখান থেকেই উঠে আসেন রেখা পাত্র। লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। আর এবার বিধানসভাত ভোটে লড়ছেন। বুলডোজার মন্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও রেখা পাত্র নিজের বক্তব্যে অনড় থাকলেন।

রেখা পাত্রের মুখে 'বুলডোজার', দ্বিতীয় দফার আগেই বিতর্ক
রেখা পাত্র

বুলডোজার চালিয়ে রক্তাক্ত করার হুঁশিয়ারি শোনা গেল বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের মুখে। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। টিকিট পাওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় ভোটের প্রচার করছেন তিনি। সেই প্রচার করতে গিয়েই রেখার মুখে শোনা গেল ‘বুলডোজার’।

কী বলেছেন রেখা পাত্র?
হিঙ্গলগঞ্জের যোগেশগঞ্জ এলাকায় ভোটের প্রচারে গিয়ে জনসভায় রেখা বলেন, “আমরা বুলডোজার চালিয়ে রক্তাক্ত করব। কিন্তু সেই রক্ত বাইরে বেরবে না। আমরা এই তৃণমূল সরকারকে বুঝিয়ে দেব যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুলে খুলে বিক্রি করে দেওয়ার সাজা কী হয়।”


শেখ শাহজাহান-কাণ্ডের পর সন্দেশখালিতে যে আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল, সেখান থেকেই উঠে আসেন রেখা পাত্র। লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। আর এবার বিধানসভাত ভোটে লড়ছেন। বুলডোজার মন্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও রেখা পাত্র নিজের বক্তব্যে অনড় থাকলেন, সুর আরও চড়িয়ে রেখা পাত্র বলেন, “যেভাবে অত্যাচার করছে, তাতে বুলডোজার চালাবে নারীবাহিনী। আর এই বুলডোজার মানে ঝাঁটা লাঠি নিয়ে বুলডোজার চালানো। সন্দেশখালিতে দেখেছেন? তেমনই বুলডোজার চলবে।”

সমালোচনা তৃণমূলের
এই মন্তব্য নিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূল। তৃণমূলের বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক বুলবুল রহমান বলেন, “একজন বিধানসভার প্রার্থী এমন ধরনের কথা কীভাবে বলেন? আমরা অবাক হয়ে যাচ্ছি। মহিলাদের আমরা মায়ের মতো দেখি। তাদের মধ্যে কত নমনীয়তা থাকে। কিন্তু এখানে তার উল্টো দেখতে পাচ্ছি। একজন মহিলা জনপ্রতিনিধি হতে যাচ্ছে, তার মুখের ভাষা এরকম! শান্ত এলাকাকে কি তিনি অশান্ত করতে চাইছেন?”

সোমবার সকালে হাসপাতালের সামনে ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। অসুস্থ হয়ে পড়েন সাংসদ। কোনও ক্রমে সরিয়ে নিয়ে তাঁকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাংসদ বলেন, বড় বড় পাথর দিয়ে হামলা করা হয়েছে।


কোনওরকমে আমার প্রাণটা বেঁচেছে', হাউহাউ করে কাঁদছেন মিতালি বাগ, ভর্তি করা হল হাসপাতালে
মিতালি বাগের উপর হামলা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার ঠিক আগেই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ। উত্তপ্ত আরামবাগ। আজ সোমবার সকাল থেকে চলছে শেষবেলার প্রচার। সেই প্রচার চলাকালীনই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। সাংসদ মিতালি বাগের গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ। তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হল সাংসদকে।

আরামবাগে ঠিক কী হল
সোমবার সকাল থেকে চলছে শেষবেলার প্রচার। এদিনই শেষ হয়ে যাচ্ছে দ্বিতীয় দফার প্রচার। আরামবাগে এদিন সভা করার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই সভার আগেই সাংসদের উপর হামলার ঘটনা ঘটল এদিন।




ক্যামেরার সামনে হাউহাউ করে কেঁদে ফেলেন মিতালি। বলেন, “আমার গাড়ির অবস্থা দেখুন। ওরা বড়বড় পাথর ছুড়েছে। আমি কোনও রকমে প্রাণে বেঁচেছি।”

কী বলছে বিজেপি?
বিজেপি বলছে পুরোটাই নাটক। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “পরাজয় নিশ্চিত জেনে এই ধরনের সিনেমা মঞ্চস্থ করা চেষ্টা চলছে। চিত্রনাট্য খুবই দুর্বল। মানুষ এগুলো মানবে না।”

গোঘাটে আক্রান্ত বিজেপিও
এদিকে আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। গোঘাটে বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগারের গাড়িতে হামলা করে কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা বিজেপিও প্রতিবাদ শুরু করে। দু পক্ষের হাতেই লাঠি, বাঁশ, কাচ দেখা যায়। পরিস্থিতি সামলাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামানো হয়।

প্রথম দফার ভোটের ঠিক দু'দিন আগে বাইক নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা দেওয়া হয় কমিশনের তরফে। এর আগে কখনও নির্বাচনে এভাবে বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি। নির্দেশিকায় বলা হয়, ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও বাইক র‌্যালি করা যাবে না। সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে রাস্তায় বেরনো যাবে না।

কতক্ষণ বাইক চালাতে পারবেন না, দ্বিতীয় দফার আগে ফের নতুন নির্দেশ হাইকোর্টের
বাইক চলাচল নিয়ে নির্দেশ

বাইকের বিধিনিষেধ নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে সামান্য পরিবর্তন করল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আজ, সোমবার থেকেই বাইক মিছিল ও একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। আগামী বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে। তার আগেই বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ নয়া নির্দেশ দিল।

কী ছিল কমিশনের নির্দেশ?
প্রথম দফার ভোটের ঠিক দু’দিন আগে বাইক নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা দেওয়া হয় কমিশনের তরফে। এর আগে কখনও নির্বাচনে এভাবে বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি। নির্দেশিকায় বলা হয়, ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও বাইক র‌্যালি করা যাবে না। সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে রাস্তায় বেরনো যাবে না। শুধুমাত্র হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন, সন্তানকে স্কুল থেকে আনার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়। প্রয়োজন ছাড়া বাইকের পিছনের আসনেও কাউকে বসানো যাবে না বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করে কমিশন।



নির্দেশ খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট
কমিশনের নির্দেশে ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও হাইকোর্টে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের সিঙ্গল বেঞ্চ সেই নির্দেশ খারিজ করে ১২ ঘণ্টা ধার্য করে দেয়। অর্থাৎ নির্দেশ ছিল, ভোটের ১২ ঘণ্টা আগে থেকে মোটরবাইকে পিছনে যাত্রী বলা নিষিদ্ধ করা যাবে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কমিশন ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়।

ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ
বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজত কুমার গুপ্ত ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে বিচারপতি বলেছেন, ‘কেউ যদি বাইক নিয়ে হাওয়া খেতে বেরোতে চান, সে ক্ষেত্রে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।’

 গত ২১ এপ্রিল ও ২৪ এপ্রিল ভোট ছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। আজ, সোমবার সেই ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। আগামী বুধবার বিধানসভা ভোটের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে। যাদবপুর কেন্দ্রেও ভোট আছে ওই দিন। তার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ফলাফল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।


ভোটের মুখে যাদবপুরে বড় জয় বামেদের, সব বিভাগেই জয়জয়কার
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (ফাইল ছবি)


বিধানসভা ভোটের দ্বিতীয় দফার আগেই সামনে এল যাদবপুর বিশ্ববিদ‍্যালয়ের ছাত্র নির্বাচনের ফলাফল। বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থীদেরই জয়জয়কার। কলা বিভাগ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, সর্বত্রই বামেদের জয়। বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি কোথাও জায়গা করতে পারেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিসি-তে ছাত্র প্রতিনিধি পাঠানোর জন্যই এই নির্বাচন হয়েছিল।

গত ২১ এপ্রিল ও ২৪ এপ্রিল ভোট ছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। আজ, সোমবার সেই ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। আগামী বুধবার বিধানসভা ভোটের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে। যাদবপুর কেন্দ্রেও ভোট আছে ওই দিন। তার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ফলাফল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।



প্রায় ১৩০০ ভোটে ইঞ্জিনিয়ারিং স্নাতক বিভাগে জয়ী হয়েছে ডেমোক্রেটিক স্টুডেন্ট ফেডারেশন। ১০০ ভোটে ইঞ্জিনিয়ারিং স্নাতকোত্তর বিভাগও নিজেদের দখলে রেখেছে ডিএসএফ। ইঞ্জিনিয়ারিং-এর দুটি ক্ষেত্রেই দ্বিতীয় হয়েছে এসএফআই। অন‍্যদিকে আর্টস বা কলা বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর দুটোই নিজেদের হাতে রাখল এসএফআই। তাৎপর্যপূর্ণভাবে কলা বিভাগের স্নাতকোত্তরে দ্বিতীয় স্থানে এই প্রথমবার তৃণমূল। অন‍্যদিকে বিজ্ঞান বিভাগ হাতে রাখল উই দ‍্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।



অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলকর্মীরা বিজেপির ৬টি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। ইটবৃষ্টি করা হয়। তারপরই পাল্টা আক্রমণ করে বিজেপি। গোঘাটে মিতালি বাগের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। যাঁকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়, তিনি নিজেকে তৃণমূলকর্মী বলে পরিচয় দিয়েছেন।

মিতালির উপর হামলা 'সাজানো ঘটনা'! পুলিশ রিপোর্টে বিস্ফোরক দাবি
মিতালির উপর আক্রমণের ঘটনায় তদন্ত রিপোর্ট

মিতালি বাগের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রচারের শেষ দিনে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আরামবাগ। গাড়ির সামনের সিটে বসে রীতিমতো কান্নাকাটি করতে দেখা যায় তৃণমূল সাংসদকে। তাঁর গাড়ির কাচ কীভাবে ভেঙেচুরে দেওয়া হয়েছে, সেই ছবিও সামনে এসেছে। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে মিতালি বাগকে। এই পরিস্থিতির পর পুলিশ যে রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে দিয়েছে, তা বলছে অন্য কথা। গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলেরই এক কর্মীকে।

কমিশনের তরফে জানতে চাওয়া হয়, এদিন ঠিক কী হয়েছিল মিতালির সঙ্গে। পুলিশ সুপার প্রাথমিক রিপোর্টে জানান, এটা গোষ্ঠীকোন্দলের ঘটনা। আসলে তৃণমূলেরই লোক এই কাজ করেছে। এসপি রিপোর্টে ওই ঘটনাকে ‘সাজানো ঘটনা’ বলে উল্লেখ করা হয়। মিতালির উপর হামলার জন্য কোনও পরিকল্পনা করা হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে পুলিশ রিপোর্টে। আগেই এই বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।



জানা গিয়েছে, সোমবার শেষদিনের প্রচারে কাঁটালি থেকে কামারপুকুরের দিকে যাচ্ছিলেন বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগার। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলকর্মীরা বিজেপির ৬টি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। ইটবৃষ্টি করা হয়। তারপরই পাল্টা আক্রমণ করে বিজেপি। গোঘাটে মিতালি বাগের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। যাঁকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়, তিনি নিজেকে তৃণমূলকর্মী বলে পরিচয় দিয়েছেন।

​ভোটের নির্ঘণ্ট যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। এরই মাঝে আজ সকালে গঙ্গাসাগরে এসে কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামী ২৯ তারিখ রাজ্যের শেষ দফার নির্বাচন, আর তার ঠিক আগেই শাহের এই গঙ্গাসাগর সফর রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। 


আজ সকাল ঠিক ন’টা নাগাদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হেলিকপ্টার গঙ্গাসাগরের হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে অবতরণ করে। সেখান থেকে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে তিনি সোজা চলে যান গঙ্গাসাগরের সমুদ্র সৈকতে। সেখানে পবিত্র সাগরে স্নান সেরে তিনি সোজা চলে যান ঐতিহাসিক কপিল মুনির আশ্রমে। তিনি সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান এবং পুজো দেন।​ অমিত শাহের আগমনকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই দ্বীপ অঞ্চলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। হেলিপ্যাড গ্রাউন্ড থেকে শুরু করে কপিল মুনির আশ্রম চত্বর—সমগ্র এলাকা গেরুয়া পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল।


 তাঁকে একনজর দেখার জন্য রাস্তার দু’পাশে কয়েক হাজার মানুষের ভিড় জমে যায়। ভিড় সামলাতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়।২৯ তারিখের অন্তিম দফার ভোটের আগে অমিত শাহের এই সফর কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার একটি বড় কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি এই সফরের মাধ্যমে তিনি একটি সুনির্দিষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছেন। আশ্রম থেকে বেরিয়ে তিনি উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন, যা আসন্ন নির্বাচনের আগে শেষ মুহূর্তের জনসংযোগের একটি বড় অংশ।
​পুজো শেষে তিনি আবারও হেলিকপ্টারে করে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন, যেখানে তাঁর পরবর্তী নির্বাচনী কর্মসূচি রয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের শেষ লগ্নে এসে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার লক্ষ্মীপুর এলাকা। সোমবার প্রচারের শেষ দিনে বাড়ি বাড়ি লিফলেট বিলি করাকে কেন্দ্র করে বচসায় জড়িয়ে পড়ল তৃণমূল ও বিজেপি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রুট মার্চ করে এলাকা ফাঁকা করতে হয়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর গ্রামে বিজেপি কর্মীরা দলীয় ইস্তাহার ও লিফলেট বিলি করছিলেন। তৃণমূলের অভিযোগ, সাধারণ লিফলেটের আড়ালে বিজেপি কর্মীরা ‘যুবশক্তি ভরসা কার্ড’ নামক একটি বিশেষ কার্ড বিলি করছিলেন, যেখানে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বেকার যুবকদের মাসে ৩০০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।


 স্থানীয় তৃণমূল নেতা শ্রীদাম মণ্ডল ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, "কেউ প্রচার করতেই পারে, কিন্তু লিফলেটে টাকার অঙ্ক লিখে কার্ড বিলি করে ভোটারদের সরাসরি প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। এটা নির্বাচনী বিধিভঙ্গ। আমরা খবর পেয়ে প্রতিবাদ করেছি।"সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে স্থানীয় বিজেপি নেতা বিশ্বেশ্বর প্রামাণিক বলেন, "আমরা শুধুমাত্র আমাদের নির্বাচনী ইস্তাহার নিয়ে প্রচার করছিলাম। তৃণমূল পরাজয় নিশ্চিত জেনে আমাদের প্রচারে বাধা দিতে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ওরা আমাদের আটকে রেখেছিল।"ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় পৌঁছায় ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ। দুই পক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন আধিকারিকরা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই এলাকায় পৌঁছায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর একটি টহলদারি টিম। জওয়ানরা এলাকায় রুট মার্চ শুরু করতেই কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ভিড় সরে যায়।



রবিবার সকালে ঠাকুরনগরে প্রচারে যান মোদী। মঞ্চে তাঁর এক পাশে শান্তনু ঠাকুর ও সুব্রত ঠাকুর। এসআইআর-এ মতুয়াদের অনেকের নাম বাদ গিয়েছে, ঠিক এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচারে নেমেছে তৃণমূল। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি, তাঁদের নাগরিকত্বের গ্যারান্টি দেওয়া, মতুয়াদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সকালে মতুয়াগড়ে, সন্ধ্যায় পুজো দিলেন ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে! শেষবেলায় বাঙালি আবেগে শান মোদীর
বাঁদিকে ঠাকুরবাড়িতে মোদী (২০১৯ সালের পুরনো ছবি, মোদী পোস্ট করেছেন), ডান দিকে ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে মোদী

 ভোটবঙ্গে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শেষ বেলায় কার্পেট বম্বিংয়ে মতুয়াদের গড়ে মোদী। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মতুয়াদের ‘বড় মা’ বীনাপাণি দেবীর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন তিনি। পুজো দেন ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতেও তারপর করেন রোড শো। এসআইআর নিয়ে যখন বিজেপির বিরুদ্ধে ঘুঁটি সাজিয়েছে তৃণমূল, সেই আবহে দাঁড়িয়ে মোদীর সেখানে যাওয়া ও মতুয়াদের নাগরিকত্বের আশ্বাস দেওয়া রাজনৈতিক দিক থেকেই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।


আজ, মতুয়া ঠাকুর মন্দিরে থাকার সময়, এই মন্দিরে আমার কয়েক বছর আগের সফরের কথা মনে পড়ল, যখন আমি বড়মা বীণাপাণি ঠাকুরের আশীর্বাদ পেয়েছিলাম। সেই সফরের একটি ছবিও এখানে রইল… 





রবিবার সকালে ঠাকুরনগরে প্রচারে যান মোদী। মঞ্চে তাঁর এক পাশে শান্তনু ঠাকুর ও সুব্রত ঠাকুর। এসআইআর-এ মতুয়াদের অনেকের নাম বাদ গিয়েছে, ঠিক এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচারে নেমেছে তৃণমূল। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি, তাঁদের নাগরিকত্বের গ্যারান্টি দেওয়া, মতুয়াদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আজ মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে প্রার্থনা করলাম। শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর জি এবং শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর জি-র আদর্শ আমাদের সমাজকে ক্রমাগত আলোকিত করে চলেছে। 

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ‘মতুয়া ভোট’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্ণায়ক শক্তি। মতুয়া রাজনীতির বর্তমান কেন্দ্রবিন্দু হলো নাগরিকত্ব। মতুয়া সম্প্রদায়ের বড় অংশের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়া। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, এবং সীমান্ত লাগোয়া জেলাগুলোতে মতুয়াদের প্রভাব বিরাট। মোদীর এই সংযোগ একদিকে যেমন মতুয়াদের সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, অন্যদিকে এটা তৃণমূলকেও চ্যালেঞ্জ।

‘আমিষ’ মন্দিরে মোদীর পুজো

এদিকে এদিন বিকালেই আবার কলকাতার বুকে ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে পুজো দেন মোদী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা অনেকটাই তাৎপর্যপূর্ণ। কলকাতার অত্যন্ত প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে মোদীর পরিদর্শন রাজ্যের শাসকদলকে এই বার্তা দিচ্ছে, কীভাবে বাংলার সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং আবেগ সম্পর্কে সচেতন দেশের প্রধানমন্ত্রী। এই মন্দিরের ভৌগোলিক অবস্থান দেখলে বোঝা যায়, কেবল সেখানে বাঙালিরাই হয়, হিন্দিভাষীদেরও বাস। ফলে তাঁদের কাছে এই একটা বড় বার্তা।

পাশাপাশি ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে পুজোর দেওয়ার নেপথ্যে একটা বড় বার্তাও দিলেন মোদী। ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে সাধারণত আমিষ প্রসাদ দেওয়া হয়। সেখানে পুজো দেওয়াও ‘মাছে-ভাতে’ বাঙালির উদ্দেশে বড় বার্তা। প্যারা মিষ্টি দিয়ে মন্দিরে পুজো দেন মোদী।
সালমোনেল্লা বা ই-কোলাইয়ের মত ব্যাকটেরিয়ার দাপটে টাটকা খাবারও কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। জানেন বাড়ির খাবার কখন বিপজ্জনক হতে পারে? অনেকেই মনে করেন ফ্রিজে খাবার রাখলেই তা দীর্ঘদিন ভালো থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই অভ্যাসই সবচেয়ে বড় ভুল।


গরমে ঘরে বানানো এই খাবারও হতে পারে বিষ! 'স্টমাক ফ্লু'-র শিকার হচ্ছেন না তো?
কেন এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে?


বাইরে তাপমাত্রা চরচর করে বাড়ছে। আর এই গরমে বেশিরভাগ মানুষের মুখেই একটাই কথা, ‘পেটটা ঠিক নেই’! কেউ বলছেন গ্যাস, আবার কেউ বলছেন বদহজম। কিন্তু জানেন কি চিকিৎসকরা বলছেন একেবারে অন্য কথা। গরমের এই পেটের সমস্যার জন্য দায়ী কি শুধু বাইরের খাবার? একদমই তা নয়, আপনার অতি পছন্দের বাড়ির খাবার থেকেই হতে পারে বিষক্রিয়া। বাসি খাবার, ফ্রিজে রাখা খাবার ভয়ঙ্কর ক্ষতি করছে পেটের। আর একেই ডাক্তারি পরিভাষায় বলা হচ্ছে ‘স্টমাক ফ্লু’।


কেন এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে?



গরম বাড়লে মানুষের কষ্ট হলেও ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়াদের জন্য এটা আরামদায়ক সময়। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ভ্যাপসা গরমে জীবানুরা মাত্র ২০ মিনিটে সংখ্যায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। বৈজ্ঞানিক ভাষায় একে বলা হয় ‘বাইনারি ফিশন’। ভাবুন তো একবার যে খাবারটা সকালেই বানিয়ে ফ্রিজে রাখলেন, তার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কয়েক হাজার হাজার জীবাণু বংশবৃদ্ধি করে ফেলেছে!


সালমোনেল্লা বা ই-কোলাইয়ের মত ব্যাকটেরিয়ার দাপটে টাটকা খাবারও কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। জানেন বাড়ির খাবার কখন বিপজ্জনক হতে পারে? অনেকেই মনে করেন ফ্রিজে খাবার রাখলেই তা দীর্ঘদিন ভালো থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই অভ্যাসই সবচেয়ে বড় ভুল।

কী কী করবেন না?

দু-তিন দিনের বাসি খাবার গরম করে খেলে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে সবচেয়ে বেশি।

ফল কেটে অনেকক্ষণ রেখে দিলে তাতে দ্রুত সংক্রমণ ছড়ায়। এমনকী কাঁচা সবজি বা শাকপাতাতেও জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে।

অনেকেই ফুটন্ত খাবার সরাসরি ফ্রিজে রেখে দেন। এতে ফ্রিজের ভিতরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, যা ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে।

পেটের এই সমস্যাকে জয় করে সুস্থ থাকতে কী কী করবেন?

১. রান্না করা খাবার দু’ঘন্টার বেশি ফ্রিজের বাইরে রাখবেন না। খাবার ঢাকা দিয়ে তবে ফ্রিজে ঢোকান।

২. খাবার বারবার গরম করলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি টক্সিন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৩.সপ্তাহে অন্তত একদিন ভিনিগার জল দিয়ে ফ্রিজ পরিষ্কার করুন। বিশেষত যে জায়গায় কাঁচা মাছ, মাংস রাখছেন সেই জায়গা বিশেষভাবে পরিষ্কার রাখা জরুরি।

৪.বাজার থেকে আনা সবজি, মাংস নুন গরম জলে ধুয়ে নিন। মনে রাখবেন তাপে জীবাণু মরার সম্ভাবনা প্রবল।

৫. স্টিল এবং প্লাস্টিকের পাত্রের পরিবর্তে কাচ, সেরামিকের পাত্রে খাবার ঢেকে রাখার চেষ্টা করুন।

অন্নপূর্ণা ভান্ডারে মহিলাদের মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি। তা নিয়ে কটাক্ষ করে কেজরীবাল বলেন, "গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে নির্বাচনের সময় বলেছিল, ৮ মার্চ থেকে প্রত্যেক মহিলার অ্যাকাউন্টে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। আরও একটা মার্চ চলে গেল। এক বছর পেরিয়ে গেলেও মহিলাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি। আর মোদীজি এখানে এসে বলছেন, মহিলাদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা দেবেন। উনি দেবেন না। বরং নিয়ে নেবেন। তাই বিজেপিকে ভুল করেও ভোট দেবেন না।"

বাম, কংগ্রেসকে ভোট দেবেন না', বাংলায় এসে আবেদন কেজরীর, কারণও জানালেন
তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষের সমর্থনে বেলেঘাটায় প্রচারে অরবিন্দ কেজরীবাল


 তৃণমূলের হয়ে প্রচারে বাংলায় এসেছেন তিনি। রবিবার বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষের সমর্থনে প্রচার করতে গিয়ে বাম ও কংগ্রেসকে নিশানা করলেন আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরীবাল। বাম ও কংগ্রেসকে ভোট না দেওয়ার আবেদন জানালেন তিনি। এর কারণও ব্যাখ্যা করলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করলেন কেজরীবাল।


কী বললেন কেজরীবাল?



এদিন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষকে পাশে নিয়ে বাম ও কংগ্রেসকে নিশানা করে কেজরীবাল বলেন, “ভোট ভাগ হতে দেবেন না। কংগ্রেসকে ভোট দেবেন না। বামেদের ভোট দেবেন না। ভোট নষ্ট হবে। ওরা জিততে চায় না। ওরা ভোট কাটতে চায়। তাই, তৃণমূল প্রার্থীকেই ভোট দিয়ে জেতান।” একসময় ইন্ডি জোটে বাম, কংগ্রেস, তৃণমূলের সঙ্গে ছিল আপ। তবে এখন কেজরীর দল ইন্ডি জোটের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছে। এই অবস্থায় এদিন তৃণমূলের হয়ে ভোট প্রচারে এসে বাম ও কংগ্রেসকে এক হাত নেন আপ সুপ্রিমো।

দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে পোলিং পার্সোনালের ঘাটতি দেখা দেওয়াতেই কমিশন এই বিকল্প ব্যবস্থার পথে হেঁটেছে বলে খবর। এই ঘাটতি পূরণ করতে যেসব জেলায় ইতিমধ্যেই ভোট পর্ব মিটে গিয়েছে, সেখান থেকেই মূলত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন বুথে নিয়ে আসা হচ্ছে।

ভোট করাতে ময়দানে এবার ১৬ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী, শুরু চাপানউতোর
চলছে চর্চা


পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন ফের এরবার আরও এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভোটকর্মী সঙ্কটের মোকাবিলা করতে নির্বাচন কমিশন প্রায় ১৬,০০০ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীকে প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করছে। বাংলার নির্বাচনী ইতিহাসে এর আগে বুথ পরিচালনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্তরের এত বিপুল সংখ্যক কর্মীর সরাসরি অংশগ্রহণ শেষ কবে দেখা গিয়েছিল তা কেউই মনে করতে পারছেন না। ফলে গোটা ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক মহলেও বিস্তর চর্চা শুরু হয়েছে। 


দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে পোলিং পার্সোনালের ঘাটতি দেখা দেওয়াতেই কমিশন এই বিকল্প ব্যবস্থার পথে হেঁটেছে বলে খবর। এই ঘাটতি পূরণ করতে যেসব জেলায় ইতিমধ্যেই ভোট পর্ব মিটে গিয়েছে, সেখান থেকেই মূলত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন বুথে নিয়ে আসা হচ্ছে। অন্য জেলা থেকে কয়েক হাজার কর্মীকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে ভোট করানোর এই কৌশল প্রশাসনিকভাবেও যে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।



সূত্রের খবর, ১৬ হাজার ভোটকর্মীর প্রত্যেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরের স্থায়ী কর্মচারী। নির্বাচন কমিশন সাধারণত রাজ্য সরকারি কর্মীদের দিয়েই ভোট পরিচালনা করলেও, এবার প্রিসাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে প্রতিটি পোলিং অফিসারের মতো জায়গায় কেন্দ্রীয় কর্মীদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। যা কার্যত নজিরবিহীন বলেই মত রাজনীতির কারবারিদেরও। 


তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জোর বিতর্কও শুরু হয়েছে। ‘ভোটকর্মী ঐক্যমঞ্চ’-এর দাবি, রাজ্যে এখনও এমন বহু সরকারি কর্মচারী রয়েছেন যাদের কোনও নির্বাচনী দায়িত্বই দেওয়া হয়নি। যোগ্য রাজ্য সরকারি কর্মীদের বসিয়ে রেখে অন্য জেলা থেকে কেন্দ্রীয় কর্মীদের উড়িয়ে আনার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। যা নিয়েও চাপানউতোর চলছে পুরোদমে। 

 সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে নিতিন রাই জানিয়েছেন, দুই বছর আগে বাবার প্রোস্টেট ক্যানসার ধরা পড়েছিল। পরে তিনি সুস্থও হয়ে যান। কিন্তু, সেই ক্যানসার পরে পেটে ছড়িয়ে পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটাও সেরে যায়। সম্প্রতি তা আবার মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়ে। এর সঙ্গে বয়সজনিত সমস্যাও ছিল। অর্থাৎ ক্যানসার বারবার শরীরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন বেশ কয়েকদিন। বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ক্যামেরার লেন্সে তুলে ধরেছিলেন দেশের 'আত্মা', প্রয়াত কিংবদন্তি চিত্র সাংবাদিক রঘু রাই
রঘু রাই প্রয়াত


প্রখ্যাত চিত্র সাংবাদিক রঘু রাই প্রয়াত। ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। বেশ কয়েকদিন ধরে একটি বেসরকারি হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন। আজ ভোরে তাঁর মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত করেছেন তাঁর পরিবার। রবিবার বিকেল ৪টে নাগাদ নয়াদিল্লির লোধি শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে জানিয়েছেন চিত্র সাংবাদিকের পরিবার। ছবির দুনিয়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক প্রায় ৫০ বছরের বেশি। স্বাভাবিকভাবেই রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ শিল্পমহল ও সংবাদজগত।


ক্যানসারে ভুগছিলেন রঘু রাই



সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে নিতিন রাই জানিয়েছেন, দুই বছর আগে বাবার প্রোস্টেট ক্যানসার ধরা পড়েছিল। পরে তিনি সুস্থও হয়ে যান। কিন্তু, সেই ক্যানসার পরে পেটে ছড়িয়ে পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটাও সেরে যায়। সম্প্রতি তা আবার মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়ে। এর সঙ্গে বয়সজনিত সমস্যাও ছিল। অর্থাৎ ক্যানসার বারবার শরীরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন বেশ কয়েকদিন। বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।


রঘুর লেন্সে ভারতের ছবি

রঘু রাই একজন প্রখ্যাত চিত্রসাংবাদিক। ভারতের বহুবিধ রূপ ধরা পড়েছে তাঁর ক্যামেরায়। অনেকে বলেন, তাঁর ছবিতে একটা প্রাণ আছে। তাঁর প্রত্যেকটা ছবি যেন কথা বলে। তাঁর ক্যামেরায় বন্দী হয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, দলাই লামা থেকে মাদার টেরেসা-সহ আরও অনেকে। তাঁর তোলা ১৯৮৪ সালে ভোপাল গ্যাস বিপর্যয়ের ছবিও সমাদৃত। শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশকেও লেন্সবন্দী করেছেন রঘু রাই।

১৯৬৫ সাল থেকে তিনি ছবির জগতের সঙ্গে যুক্ত। রঘু রাইয়ের বয়স তখন ২৩ বছর। ছবি তোলা শুরু সেই থেকেই। এক বছর পর অর্থাৎ ১৯৬৬ সালে ‘স্টেটসম্যান’ পত্রিকায় প্রধান চিত্রসাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন। প্রায় এক দশক ধরে সেই প্রকাশনা সংস্থার সঙ্গে কাজ করেন। এরপর তিনি কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক নিউজ ম্যাগাজিনে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে কিংবদন্তি চিত্রগ্রাহক অঁরি কার্তিয়ে ব্রেসোঁর নজরে আসে তাঁর কাজ। বিশেষভাবে সমাদৃত হয় তাঁর কাজ। পেশাগত জীবনে একাধিক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭২ সালে তাঁকে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পদ্মশ্রীও দেওয়া হয়।

 বিশ্বের উষ্ণতম শহরের তালিকায় ভারতের একচেটিয়া আধিপত্য। সোজা কথায় বর্তমান বিশ্বের আবহাওয়ার পরিসংখ্যানে চরম অস্বস্তিকর ছবি ভারতের। বিশ্বের ২০টি উষ্ণতম শহরের তালিকার মধ্যে ১৯টিই ভারতের। কেন এই অবস্থা?

আসানসোল পুড়ছে, ব্রিটিশ পিরিয়ডের রেকর্ড ভেঙে বাংলায় আগুনের ঝড় তুলবে 'সুপার এল নিনো'
কী বলছে হাওয়া অফিস?

প্রকৃতি কি তবে চরম প্রতিশোধের পথে? ইউরোপের আবহাওয়া দফতর (ECMWF) থেকে শুরু করে আমেরিকার হাওয়া অফিস NOAA, বার রিপোর্টেই এক ভয়াবহ অশনি সংকেত। ১৮৭৭ সালের পর অর্থাৎ দীর্ঘ ১৪০ বছর পর পৃথিবীতে আসতে চলেছে সবথেকে শক্তিশালী ‘এল নিনো’। যাকে আবহাওয়াবিদদের একাংশ ‘মেগা এল নিনো’ বা ‘সুপার এল নিনো’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন। এরই সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতে? বর্তমান গ্রীষ্মের দাবদাহ বিগত সব রেকর্ড ভাঙার উপক্রম করতেই সেই ইঙ্গিতই যেন ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে। 


বিশ্বের উষ্ণতম শহরের তালিকায় ভারতের একচেটিয়া আধিপত্য। সোজা কথায় বর্তমান বিশ্বের আবহাওয়ার পরিসংখ্যানে চরম অস্বস্তিকর ছবি ভারতের। বিশ্বের ২০টি উষ্ণতম শহরের তালিকার মধ্যে ১৯টিই ভারতের। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) জানিয়েছে, বিহারের ভাগলপুর, ওড়িশার তালচের এবং পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল বর্তমানে বিশ্বের উষ্ণতম স্থানের তালিকায় শীর্ষে। এই প্রতিটি শহরেই তাপমাত্রাই ছুঁয়ে ফেলেছে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি। দিল্লির পরিস্থিতিও ভয়াবহ। সেখানে পারদ রোজই ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাচ্ছে। উত্তরপ্রদেশে ৪২ ডিগ্রিে, নাগপুরেও তাই। অন্যদিকে ভোপাল ও ভুবনেশ্বরে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে। পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতেও এখন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির নিচে নামছে না।


কী এই ‘মেগা এল নিনো’, কেন এটি বিপজ্জনক?
প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশের ঠান্ডা জলরাশি যখন অস্বাভাবিকভাবে উষ্ণ হয়ে ওঠে, তখনই সৃষ্টি হয় ‘এল নিনো’। ট্রিলিয়ন লিটার জল আচমকা গরম হয়ে যাওয়ার ফলে বায়ুমণ্ডলের উপর তার বিরূপ প্রভাব পড়ে, গোটা বিশ্বের আবহাওয়া বদলে যায়। সাধারণত এটি ৬ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এবারের আশঙ্কা আরও বেশি কারণ প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমেরিকার NOAA-র রিপোর্ট অনুযায়ী, মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে এই এল নিনো সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৬১ শতাংশ।