WEATHER

Top News


 বুধবার মধ্যমগ্রামের রাস্তার উপর গাড়ি থামিয়ে গুলি করা হয় চন্দ্রনাথকে। গাড়ির কাচ ভেদ করে পরপর গুলি লাগে চন্দ্রনাথের শরীরে। বুকে তথা একেবারে হার্টে গুলি লাগায় তাঁকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। পুলিশ সূত্রে খবর, একটি গাড়িতে এসে চন্দ্রনাথের গাড়ি থামিয়ে গুলি চালানো হয়। তারপর বাইকে চেপে পালিয়ে যান দুষ্কৃতীরা। গাড়িটি পড়েছিল রাস্তার উপরেই।

চন্দ্রনাথ-খুনে গাড়ি রহস্য, OLX-এ বিক্রি করতে গিয়েই বিপদ! আততায়ীরা কোথা থেকে পেল এই নম্বর
ডানদিকে আসল গাড়িটির ছবি

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মৃত্যুর ঘটনায় উঠছে একাধিক প্রশ্ন। কারা খুনব করতে এল চন্দ্রনাথকে, কেনই বা খুন? খুনের ধরন দেখে অনেকেই বলছেন, দিনের পর দিন রেইকি করে খুন করা হয়েছে চন্দ্রনাথকে। তবে যে গাড়িতে চেপে এসে আততায়ীরা খুন করেন, তা চিহ্নিত করতে গিয়ে অবাক পুলিশ! বেরিয়ে আসে শিলিগুড়ি যোগ।


কী ঘটেছিল
বুধবার মধ্যমগ্রামের রাস্তার উপর গাড়ি থামিয়ে গুলি করা হয় চন্দ্রনাথকে। গাড়ির কাচ ভেদ করে পরপর গুলি লাগে চন্দ্রনাথের শরীরে। বুকে তথা একেবারে হার্টে গুলি লাগায় তাঁকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। পুলিশ সূত্রে খবর, একটি গাড়িতে এসে চন্দ্রনাথের গাড়ি থামিয়ে গুলি চালানো হয়। তারপর বাইকে চেপে পালিয়ে যান দুষ্কৃতীরা। গাড়িটি পড়েছিল রাস্তার উপরেই।


গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করে নম্বর প্লেট চেক করতেই বেরিয়ে আসে, গাড়িটির মালিকের নাম। আরটিও-তে ওই নম্বরের রেজিস্ট্রেশন রয়েছে জোসেফ ইউলিয়ামস নামে এক ব্যক্তির নামে। তিনি শিলিগুড়ির মাটিগাড়া থানা এলাকার বাসিন্দা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।  তরফ থেকেও যোগাযোগ করা হয়েছিল ওই ব্যক্তির সঙ্গে। তিনি স্পষ্ট উত্তর দেন, আমার গাড়ি তো আমার কাছেই আছে। নম্বর কে নিয়েছে জানা নেই।

এরপর মাটিগাড়া থানায় ডেকে পাঠানো হয় ওই ব্যক্তিকে। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। পরে পুলিশ ইঞ্জিনের নম্বর ও বেশ কিছু বিষয় মিলিয়ে বুঝতে পারেন, আসল নম্বরের গাড়িটি রয়েছে জোসেফের কাছেই। তিনি ওই গাড়িটি বিক্রি করার জন্য ওএলএক্সে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। সেখানে ছিল নম্বর প্লেটের ছবিও। সেখান থেকেই আততায়ীরা নকল নম্বর প্লেট বানিয়ে দিয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। দুটি গাড়ির রঙ মডেল সব একই।

চণ্ডীপুরের বাসিন্দা চন্দ্রনাথ, থাকতেন মধ্যমগ্রামে। শুভেন্দুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিল বলেই জানা যাচ্ছে। বুধবার রাতে কাজের সূত্রে বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন, সেই সময়ই এই ঘটনা ঘটে। এলাকায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

 শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মাথায় পরপর তিনটি গুলি, খুনের অভিযোগ
গুলিবিদ্ধ শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক

গুলিবিদ্ধ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvdenu Adhikari) আপ্তসহায়ক। চন্দ্রনাথ রথ নামে ওই ব্যক্তির মাথায় পরপর তিনটি গুলি করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যমগ্রামে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের জয়ী প্রার্থী শুভেন্দ অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন এই চন্দ্রনাথ। বিগত পাঁচ বছর ধরে তিনিই শুভেন্দুর সব কাজকর্মের দায়িত্বে ছিলেন। কার্যত ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি।


কী ঘটেছিল মধ্য়মগ্রামে
গাড়ির কাচ ভেদ করে পরপর তিনটি গুলি লাগে চন্দ্রনাথের শরীরে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, একটি বাইক থেকে গুলি করা হয়েছে। সেই গাড়ির ছবিও সামনে এসেছে, যার কাচে তিনটি বুলেটের চিহ্ন স্পষ্ট। আরও জানা যাচ্ছে যে বাইকের কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। বাইকে কারা ছিলেন? দুষ্কৃতীরা আসলে কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে। আততায়ীদের মাথায় হেলমেট ছিল।



মধ্য়মগ্রামের দোহাড়িয়ার কাছে গাড়িটিকে থামানো হয়। তারপর কাচ ভেদ করে গুলি করা হয় চন্দ্রনাথকে। জানা গিয়েছে চণ্ডীতলার বাসিন্দা চন্দ্রনাথ মধ্যমগ্রামে থাকতেন। এদিন কাজের সূত্রে মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন। তখনই কেউ বা কারা বাইকে এসে গাড়িটি থামিয়ে গুলি করা হয়। গুলি লাগে মাথায় ও পেটে। গাড়ির চালকও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এসএসকেএমে চিকিৎসা চলছে তাঁর।


এই গাড়িতে ছিলেন চন্দ্রনাথ

কে এই চন্দ্রনাথ
শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন চন্দ্রনাথ। শুভেন্দুর হয়ে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করাই হোক, বা সভামঞ্চের তদারকি করা, সবটাই সামলাতেন চন্দ্রনাথ। সদ্য নির্বাচন শেষ হয়েছে। পুরো নির্বাচনেও শুভেন্দুর ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সব কাজই সামলাতেন এই ব্যক্তি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে ভবানীপুরে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। জয়ে হয়েছেন নন্দীগ্রামেও। আগামী ৯ মে সরকার গঠন করবে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর নাম এখনও ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য নামের তালিকায় শুভেন্দুকেই সবার আগে রাখা হচ্ছে। আর সেই শুভেন্দুর আপ্তসহায়কের উপরই এই হামলা, বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন বিজেপির একাধিক নেতা। সদ্য নির্বাচিত প্রার্থীরাও উপস্থিত রয়েছেন। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীও ঘটনাস্থলে পৌঁছবেন বলে জানা যাচ্ছে।

পানিহাটির দু'নম্বর ওয়ার্ডের দত্ত রোডের ঘটনা। গতকাল রাতে উত্তেজনা ছড়ায় ওই এলাকায়। ঠিক কী হয়েছিল? জানা গিয়েছে, বিজেপি কর্মীরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছিলেন। ঠিক সেই সময় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী বাইকে করে ঘটনাস্থলে আসেন। বাইকে চারজন ছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। সেখানে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে বলে অভিযোগ।


পানিহাটিতে পরপর বোমা বিস্ফোরণ, আহত ৫ বিজেপি কর্মী
প্রতীকী ছবি

বুধবার রাজ্যজুড়ে দফায় দফায় উত্তেজনা। কোথাও চলল গুলি, কোথাও বোমাবাজি। একদিকে, মধ্যমগ্রামে শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ককে (Suvendu Adhikari P.A Death) গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, বসিরহাটে এক বিজেপি (BJP) কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এবার পানিহাটিতেও আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের লক্ষ্য করে বোমাবাজির (Panihati Bombing) অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী।

পানিহাটিতে ঠিক কী ঘটে?
পানিহাটির দু’নম্বর ওয়ার্ডের দত্ত রোডের ঘটনা। গতকাল রাতে উত্তেজনা ছড়ায় ওই এলাকায়। ঠিক কী হয়েছিল? জানা গিয়েছে, বিজেপি কর্মীরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছিলেন। ঠিক সেই সময় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী বাইকে করে ঘটনাস্থলে আসেন। বাইকে চারজন ছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। সেখানে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে বলে অভিযোগ। পরপর তিনটি বোমা ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার পরই সেখান থেকে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। তবে, বোমাবাজিতে প্রায় পাঁচ জন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে বলে খবর।



খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় খড়দহ থানার পুলিশ। সঙ্গে পৌঁছন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সেখানে পৌঁছে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। মধ্যগ্রামের ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সময় খড়দহে বোমাবাজি নিয়েও কথা বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, “১৫ বছর ধরে রাজ্যে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলেছে। ১৫ বছরের মহা জঙ্গলরাজের ফল এটা। বুধবারই খড়দহে বোমা,বসিরহাটের গুলিতে আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মীরা।”

পানিহাটিতে বোমাবাজির ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে বিজেপি। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই বোমাবাজির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

 গোটা ঘটনায় এখন পুলিশ তদন্ত করছে বলে সেভাবে এই বিষয়ে কিছু বলতে চাইছেন না রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। শুভেন্দু জানিয়েছেন, পুলিশের উপর আস্থা রয়েছে তাঁদের। দোষীরা দ্রুত ধরা পড়বে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে পুলিশের তরফে। তবে, শুভেন্দুর দাবি, "এটা ১৫ বছরের মহা-জঙ্গল রাজের ফল... বিজেপি এখানে গুন্ডাদের নির্মূল করার কাজ শুরু করবে..."।


পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন, CCTV দেখে পুলিশ ক্লু পেয়েছে...' পি.এ-র খুনের ঘটনায় মন্তব্য শুভেন্দুর
মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু

শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আপ্ত সহায়ককে খুনের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। গতকাল রাতে মধ্য়মগ্রামের দোহাড়িয়ার কাছে গাড়ি থামিয়ে চন্দ্রনাথ রথকে (Suvendu Adhikari’s PA Chandranath Rath) লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালানো হয়। তাঁর বুকে ও পেটে গুলি লাগে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। ঘটনার পরই হাসপাতালে পৌঁছন বঙ্গ বিজেপির নেতা-কর্মীরা। গোটা ঘটনায় তৃণমূলের দিকেই আঙুল তুলেছেন বিজেপির (BJP) অর্জুন সিং(Arjun Singh), শঙ্কুদেব পন্ডারা। এবার এই ঘটনায় মুখ খুললেন শুভেন্দু অধিকারী। ঘটনার পরই রাতে হাসপাতালে পৌঁছেছিলেন তিনি। সেখান থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দুর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে চন্দ্রনাথ রথকে।

শুভেন্দু-চন্দ্রনাথের ৮ বছরের সম্পর্ক
জানা গিয়েছে,শুভেন্দুর সঙ্গে চন্দ্রনাথের সম্পর্ক ৮ বছরের। তৃণমূলে থাকার সময় থেকেই ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল তাঁদের। পরে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত থেকে রাজনৈতিক সব কাজের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। শুভেন্দুকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন চন্দ্রনাথ। আপ্ত সহায়কের নির্মম পরিণতিতে মর্মাহত শুভেন্দু। গতকাল রাতেই মধ্যগ্রামের হাসপাতালে পৌঁছন। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে ছিলেন। তারপর হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।



ঘটনা প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন,”দুই তিনদিন ধরে রেইকি করে পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন ডিজিপি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মর্মন্তিক ঘটনা। আমরা ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা শোকাহত এবং এই ঘটনার নিন্দা জানানোর মতো ভাষা আমাদের নেই। দিল্লি থেকে আমাদের সমগ্র নেতৃত্ব এই বিষয়ে খবর পেয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার মৃতের পরিবার এবং পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিভিন্ন নেতা এবং নব-নির্বাচিত বিধায়করা এখানে এসেছেন। তাঁরাও পরিবারের পাশে রয়েছেন। পুলিশ কিছু প্রমাণ পেয়েছে এবং তাঁরা তদন্ত করবে।”

গোটা ঘটনায় এখন পুলিশ তদন্ত করছে বলে সেভাবে এই বিষয়ে কিছু বলতে চাইছেন না রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। শুভেন্দু জানিয়েছেন, পুলিশের উপর আস্থা রয়েছে তাঁদের। দোষীরা দ্রুত ধরা পড়বে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে পুলিশের তরফে। তবে, শুভেন্দুর দাবি, “এটা ১৫ বছরের মহা-জঙ্গল রাজের ফল… বিজেপি এখানে গুন্ডাদের নির্মূল করার কাজ শুরু করবে…”। একইসঙ্গে দলের নেতা-কর্মীদেরও বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আবেদন, কেউ যেন আইন হাতে তুলে না নেয় ও শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে।

মধ্যমগ্রামের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শুভেন্দু জানিয়েছেন, কোনও একটা ক্লু পেয়েছে পুলিশ। সেটা ধরেই তদন্ত করা হচ্ছে। আততায়ীর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।


খুনের প্যাটার্ন দেখে তদন্তকারীদের অনুমান, সুপারি কিলারদের দিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে চন্দ্রনাথকে। ইতিমধ্যেই ফরেনসিক দল নমুনা সংগ্রহ করেছে। তদন্তে সহযোগিতা করতে বৃহস্পতিবার সকালেই সিআইডির হোমিসাইড শাখা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আজ ময়নাতদন্ত চন্দ্রনাথের দেহের।

খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি আসলে কার? তদন্ত শুরু হতেই CID-এর হাতে উঠে এল ভয়ঙ্কর তথ্য
ডানদিকে আসল গাড়িটির ছবি

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনে তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রাথমিকভাবে তদন্তে জানা গিয়েছে, খুনে ব্যবহৃত চার চাকা গাড়িটি চুরির। ওই গাড়িটি করে প্রথমে চন্দ্রনাথের গাড়ি আটকানো হয়, তারপর পিছন থেকে বাইকে এসে দুষ্কৃতীরা পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে। কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা জানতে মৃতদেহের ক্ষতচিহ্ন থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে গাড়ি এবং ঘটনাস্থল থেকেও।


খুনের প্যাটার্ন দেখে তদন্তকারীদের অনুমান, সুপারি কিলারদের দিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে চন্দ্রনাথকে। ইতিমধ্যেই ফরেনসিক দল নমুনা সংগ্রহ করেছে। তদন্তে সহযোগিতা করতে বৃহস্পতিবার সকালেই সিআইডির হোমিসাইড শাখা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আজ ময়নাতদন্ত চন্দ্রনাথের দেহের। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট পাওয়ার পর FIR রুজু করা হবে। আপাতত সিআইডি আধিকারিকরাই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। তদন্তভার সিআইডি-র হাতে যেতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।



ঘটনা প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন,”দুই তিনদিন ধরে রেইকি করে পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে। পুলিশ কিছু প্রমাণ পেয়েছে এবং তাঁরা তদন্ত করবে।” মধ্যমগ্রামের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শুভেন্দু জানিয়েছেন, কোনও একটা ক্লু পেয়েছে পুলিশ। সেটা ধরেই তদন্ত করা হচ্ছে।

চন্দ্রনাথ সম্পর্কে শিবশঙ্করবাবু বলেন, "ক্লাস ফাইভ থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত একসঙ্গে পড়াশোনা করেছি। খুব ভালো ছেলে ছিল। ৬টা বিষয়ে লেটার পেয়েছিল। স্টার পেয়েছিল। কথাবার্তা, স্বভাবচরিত্র খুব ভালো। শুভাকাঙ্খী ছিল। সবকিছুতে সহযোগিতা করত। চাকরি পেয়ে চলে যাওয়ার পর আর দেখা হয়নি। পরে ফিরে আসার পর আমরা একসঙ্গে তৃণমূল করি। পরে ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেয়।"

কাউকে চড় পর্যন্ত মারেনি চন্দ্রনাথ', ভেঙে পড়েছেন ছোটবেলার বন্ধু, প্রতিবেশীদের চোখেও জল
চন্দ্রনাথের বন্ধু ও প্রতিবেশী

 শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আপ্ত সহায়কের খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। আজ তাঁর ময়নাতদন্ত হবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath Killed) মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে পড়েছে পরিবার। ছেলের খবর শোনার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মা। এদিকে, প্রিয় চন্দ্রনাথ নেই, মানতে পারছেন না পাড়া-প্রতিবেশীরা। পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের বাসিন্দা ছিলেন চন্দ্রনাথ। ঘটনার পর গতকাল রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড়। আজ সকালেও একই ছবি। কারও চোখে মুখে ক্ষোভের আগুন, কারও চোখের জল বাঁধ মানছে না। প্রত্যেকেই বলছেন, চন্দ্রনাথের মতো ভালো ছেলে আর নেই। অন্যদিকে, চন্দ্রনাথের ছোটবেলার বন্ধু বলছেন, কারও সঙ্গে কোনওদিন ঝামেলা হয়নি চন্দ্রনাথের। তাহলে কীভাবে তাঁকে কেউ খুন করতে পারে?

কেমন ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ?
চন্দ্রনাথ ছোট থেকেই মেধাবী ছাত্র ছিলেন। ২০০০ সালে মাধ্যমিক দিয়েছেন। দারুণ রেজাল্টও করেছিলেন বলে জানাচ্ছেন তাঁর ছোটবেলার বন্ধু শিবশঙ্কর দাস। বন্ধুবিয়োগে তিনি ভেঙে পড়েছেন। কথা বলতে গিয়ে বারবার গলা ধরে আসছিল তাঁর। চন্দ্রনাথ সম্পর্কে শিবশঙ্করবাবু বলেন, “ক্লাস ফাইভ থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত একসঙ্গে পড়াশোনা করেছি। খুব ভালো ছেলে ছিল। ৬টা বিষয়ে লেটার পেয়েছিল। স্টার পেয়েছিল। কথাবার্তা, স্বভাবচরিত্র খুব ভালো। শুভাকাঙ্খী ছিল। সবকিছুতে সহযোগিতা করত। চাকরি পেয়ে চলে যাওয়ার পর আর দেখা হয়নি। পরে ফিরে আসার পর আমরা একসঙ্গে তৃণমূল করি। পরে ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেয়।”


শিবশঙ্করবাবুর দাবি, কোনওদিন কোনও ঝামেলায় জড়ায়নি চন্দ্রনাথ। বিজেপিতে যোগ দেওয়াই হয়তো তাঁর জন্য় কাল হল। তৃণমূলের লোকরাই ওঁকে খুন করেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, “কাউকে আজ পর্যন্ত চড় মারেনি, ওই ধরনের ছেলেই ছিল না। কারও সঙ্গে কোনওদিন অশান্তি পর্যন্ত হয়নি। …এত সুন্দর ছেলেকে চক্রান্ত করে কে মারল। সরকারের কাছে দাবি রাখছি, খুনির যেন কঠোর থেকে কঠোরতর শাস্তি হয়। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি করার অপরাধে এই ঘটনা ঘটেছে।”

 ইংরেজবাজার পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের গাদুয়া মোড় এলাকার ঘটনা। মৃত বিজেপি সমর্থকের নাম কিষাণ হালদার(২৮)। পরিবারের অভিযোগ, গতকাল রাতে তাঁকে কয়েকজন ফোন করে ডাকে। তারপর আর ফেরেনি। বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে মহেশপুর বাগানপাড়া এলাকায় তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।

এবার ইংরেজবাজার, ফোন করে ডেকে নিয়ে বিজেপি সমর্থককে কুপিয়ে 'খুন'
মালদহে কুপিয়ে 'খুন'

 ভোট পরবর্তী হিংসার (Post Poll Violence) অভিযোগে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। বুধবার রাতে রাজ্যজুড়ে একাধিক ঘটনা ঘটেছে। কখনও বিজেপি (BJP) কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমাবাজি, কখনও বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা, আর সবথেকে বেশি চর্চা চলছে শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ককে খুনের ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে। এরই মধ্যে আরও এক বিজেপি (BJP Worker Murdered) সমর্থককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল ইংরেজবাজারে। পরিবারের অভিযোগ, বাড়ি থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে। যদিও খুনের পিছনে রাজনৈতিক যোগ নেই বলে দাবি করেছে বিজেপি।

ফোন করে ডেকে নিয়ে…কী ঘটেছিল?
ইংরেজবাজার পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের গাদুয়া মোড় এলাকার ঘটনা। মৃত বিজেপি সমর্থকের নাম কিষাণ হালদার(২৮)। পরিবারের অভিযোগ, গতকাল রাতে তাঁকে কয়েকজন ফোন করে ডাকে। তারপর আর ফেরেনি। বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে মহেশপুর বাগানপাড়া এলাকায় তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। দেহের পাশ থেকেই বড় আকারের একটি হাঁসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে কিষাণকে। এই ঘটনায় তাঁর আরও দুই বন্ধুও আহত হয়েছেন বলে খবর। গোটা ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী গোলাম হালদার ও তাঁর ছেলে সুমন হালদার সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।


বিজেপির দাবি, কোনও রাজনৈতিক খুন নয়। এলাকায় কোনও বিষয়কে কেন্দ্র করে কিছু যুবকের মধ্যে গোলমাল হয়। গোলাম হালদার ও সুমন হালদারের সঙ্গেই কিষাণের ঝামেলা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে। যারা অভিযুক্ত তাদেরও কোনও রাজনৈতিক পরিচিতি নেই বলেই দাবি করেছে বিজেপি।

ঘটনার পরই সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

 শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ঘনিষ্ঠদের মতে, সে সম্পর্ক ছিল প্রশ্নাতীত বিশ্বাসের। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী যখন বিজেপিতে যোগ দেন, চন্দ্রনাথ তাঁর প্রধান সহযোদ্ধা ছিলেন। ভবানীপুর উপনির্বাচন থেকে শুরু করে নন্দীগ্রামের ভোট— শুভেন্দুর দৈনন্দিন সূচি, মিটিং ও রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে তাঁর ভূমিকা ছিল পর্দার আড়ালে থাকা কারিগররের মতো।

মিশনের গণ্ডি পেরিয়ে সোজা বায়ুসেনা অফিসার! সেখান থেকে কীভাবে শুভেন্দুর PA? নেপথ্যে এক প্রশ্নাতীত ভালবাসার গল্প
কে এই চন্দ্রনাথ রথ?


রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের মেধাবী ছাত্র! উচ্চশিক্ষার পর বায়ুসেনায় যোগ। কিন্তু তারপর থেকে সেখানে কীভাবে তাঁর রাজনীতির আঙিনায় পা রাখা? এর নেপথ্যেও রয়েছে এক প্রচণ্ড আনুগত্য-প্রশ্নাতীত বিশ্বাসের সম্পর্ক! শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের শেকড় ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে। মেধাবী ছাত্র হিসাবে তাঁর পরিচিতি ছিল শৈশব থেকেই। তিনি ২০০০ সালে উত্তর ২৪ পরগনার বিখ্যাত রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন থেকে অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক পাশ করেন ।

উচ্চশিক্ষা শেষ করে তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় (Indian Air Force) যোগ দেন বায়ুসেনায় তিনি শর্ট সার্ভিস কমিশনে (Short Service Commission) অফিসার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। বেশ কয়েক বছর বায়ুসেনায় দায়িত্ব পালনের পর তিনি সেখান থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

এটিও পড়ুন
'টাকা পেয়েছি, তাই তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচার', সত্যিটা বলে দিলেন 'ভাইরাল' নন্দিনী
BJP Utpal Maharaj: কেউ বলছেন 'বাংলার যোগী'! কালিয়াগঞ্জের জয়ী প্রার্থীই বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? কে এই উৎপল মহারাজ
Helps you get answers, find inspiration, and be more productive
বায়ুসেনা থেকে ফিরে চন্দ্রনাথ রথ রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন। আগে থেকেই তাঁর পরিবারে রাজনীতির ছোঁয়া ছিল। মা অনেক কষ্ট করে, লড়াই করে বড় করেছিলেন তাঁকে। চন্দ্রনাথের মা চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন। আর তাঁর মধ্যে দিয়েই রাজনৈতিক সচেতক হয়ে উঠেছিলেন চন্দ্রনাথ।

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ঘনিষ্ঠদের মতে, সে সম্পর্ক ছিল প্রশ্নাতীত বিশ্বাসের। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী যখন বিজেপিতে যোগ দেন, চন্দ্রনাথ তাঁর প্রধান সহযোদ্ধা ছিলেন। ভবানীপুর উপনির্বাচন থেকে শুরু করে নন্দীগ্রামের ভোট— শুভেন্দুর দৈনন্দিন সূচি, মিটিং ও রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে তাঁর ভূমিকা ছিল পর্দার আড়ালে থাকা কারিগররের মতো। ছাব্বিশের নির্বাচনের সময়ে তিনি ছিলেন নন্দীগ্রামে। ভবানীপুরেও শুভেন্দুর নির্বাচনী প্রচারের স্ট্র্যাটেজি সামলেছিলেন।

বুধবার রাতে সেই চন্দ্রনাথই গুলিতে ঝাঁঝরা হয়েছেন। মধ্যমগ্রাম থেকে ফেরার সময়ে দুষ্কৃতীরা তাঁকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্তে সিআইডি। বৃহস্পতিবার সকালেই ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। জানা যাচ্ছে, যে গাড়িটি চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে রাস্তা আটকায়, সেটি আসলে চুরির। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি।
চন্দ্রনাথের মা হাসি রানী রথের অভিযোগ, সবটাই তৃণমূলের সাজানো গল্প। তিনি বলেন, "আজ আমরা ক্ষমতায় আসার পর, যখন আমাদের নেতা বলছেন সুশৃঙ্খলভাবে থাকতে, তখন শাসকদের যাঁরা গরম গরম বক্তৃতা দিয়েছিল যে চার তারিখের পর কোনও বাপ রক্ষা করতে পারবে না, সেটাই করে দেখাল।"


মমতাকে হারানোর প্রতিশোধ নিতে ছেলেকে খুন তৃণমূলের', কাঁদতে কাঁদতে বললেন চন্দ্রনাথের মা
চন্দ্রনাথের মা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হারের প্রতিশোধ নিতেই চন্দ্রনাথকে খুন,এমনই দাবি করলেন চন্দ্রনাথের (Chandranath Rath Murder) মা। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ককে খুনের ঘটনার ১০ ঘণ্টা পার হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত মূল দোষী অধরা। সকাল থেকেই বারবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন তদন্তকারীরা। সিআইডি টিমও (CID Team) ঘটনাস্থলে এসে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে। জানা গিয়েছে, তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ, সেটা খতিয়ে দেখেই দোষীদের কাছে পৌঁছতে চাইছেন বলে সূত্রের খবর। এদিকে, চন্দ্রনাথের পূর্ব মেদিনীপুরের বাড়িতে শোকের ছায়া। স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে পড়েছেন চন্দ্রনাথের মা। ছেলের মৃত্যুর পিছনে যারা রয়েছে, তাদের কঠোরতম শাস্তির দাবি করেছেন তিনি। একইসঙ্গে ছেলের মৃত্যু নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন।

বিস্ফোরক চন্দ্রনাথের মা
চন্দ্রনাথের মা হাসি রানী রথের অভিযোগ, সবটাই তৃণমূলের সাজানো গল্প। তিনি বলেন, “আজ আমরা ক্ষমতায় আসার পর, যখন আমাদের নেতা বলছেন সুশৃঙ্খলভাবে থাকতে, তখন শাসকদের যাঁরা গরম গরম বক্তৃতা দিয়েছিল যে চার তারিখের পর কোনও বাপ রক্ষা করতে পারবে না, সেটাই করে দেখাল। আমি নতুন সরকারের কাছে আবেদন করব আমার ছেলের মৃত্যুর পিছনে যারা রয়েছে, তাদের যেন শাস্তিটুকু হয়।”



মমতার হারের প্রতিশোধ নিতেই কি খুন?
মমতাকে হারানোর প্রতিশোধ নিতে তাঁর ছেলেকে খুন করা হয়েছে। এমনই দাবি করেছেন হাসি রানীদেবী। বলেন,”আমার মনে হয় এই ভোটের লড়াইয়ে ভবানীপুর, নন্দীগ্রাম, চন্ডীপুর বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্বে ছিল চন্দ্রনাথ, যার জন্য ও টার্গেট ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুরে শুভেন্দুবাবু হারাতেই প্রতিশোধ নেওয়া হল বলে আমার মনে হয়।”

উল্লেখ্য, এর আগে নির্বাচনের প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছিল ডিজে বাজানোর তত্ত্ব। তাঁকে একাধিকবার বলতে শোনা গিয়েছিল, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই উদার হোক, আমি নই। ডিজে তো বাজবেই, এমন জোরে বাজবে যে কান ঝালাপালা করে দেব”। চন্দ্রনাথের মা গরম গরম বক্তৃতা বলতে অভিষেকের কথাই বলেছেন? রাজনৈতিক মহলে এই নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মাঝবয়সী ওই প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, "আমি ১০-১০.২০র মধ্যে বাচ্চা কুকুরগুলোকে খেতে দিচ্ছিলাম। সে সময়ে একজন চিৎকার করতে করতে যাচ্ছিল, গুলি মেরে দিল... আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কাকে গুলি মেরে দিল! বলছে ওই দেখো গুলি মেরে দিল, গাড়ির মধ্যে পড়ে রয়েছে। দেখলাম গাড়ির মধ্যে মুখ গুঁজে পড়ে রয়েছে।"

'সিটে চাপ চাপ রক্ত, তখনও ধুক ধুক করছিলেন, কাছে যেতেই বললেন...', চন্দ্রনাথকে শেষ জীবিত অবস্থায় দেখেছিলেন... কী বলেছিলেন তিনি?
চন্দ্রনাথকে শেষ জীবিত দেখেছিলেন এই ব্যক্তি!

ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ১০.২০! তিনি রোজকার মতো কুকুরদের খাওয়াতে এসেছিলেন। তখন রাস্তা দিয়ে কয়েকজনকে দৌড়তে দেখেন। তাঁরা চিৎকার করতে থাকেন, ‘গুলি করে দিয়েছে…’ তখনও ঠাওর করতে পারেননি ঠিক কী হয়েছে! যতক্ষণে সেই অভিশপ্ত স্করপিওর কাছে যান, তখনও চন্দ্রনাথের শরীরে ধুক ধুক করছে প্রাণ! জীবিত অবস্থায় চন্দ্রনাথকে তিনিই শেষ দেখেছিলেন, কী বলেছিলেন চন্দ্রনাথ? এক্সক্লুসিভা সাক্ষাৎকারে জানালেন প্রত্যক্ষদর্শী।

সুশান্ত সরকার নামে মাঝবয়সী ওই প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, “আমি ১০-১০.২০র মধ্যে বাচ্চা কুকুরগুলোকে খেতে দিচ্ছিলাম। সে সময়ে একজন চিৎকার করতে করতে যাচ্ছিল, গুলি মেরে দিল… আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কাকে গুলি মেরে দিল? বলছে ওই দেখো গুলি মেরে দিল, গাড়ির মধ্যে পড়ে রয়েছে। দেখলাম গাড়ির মধ্যে মুখ গুঁজে পড়ে রয়েছে।”




তাঁর কথায়, স্করপিওর সামনে গার্ড করা ছিল আরেকটা ফোর হুইলার। তিনি বলেন, “স্করপিওতে কাচ তোলা, কিন্তু কাচগুলো গুলির দাগ, ভাঙা। দরজাটা একজন খুলে দিল। গাড়ি পুরো রক্তে ভাসছে। গাড়ির ভিতর থেকেই একজন বলল, স্যরকে গুলি মেরে দিয়েছে! তুললাম যখন, তখন দুজনেই জীবিত ছিলেন। কিছু বলার চেষ্টা করছিলেন। শ্বাস পড়ছিল। আমি তখন তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যেতে বললাম। আমি ফোন করলাম থানায়।”

তাঁর দাবি, “ওই গাড়ি নিয়েই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমার সামনে তিনটে খোল পড়েছিল গুলির। গাড়ির সামনে একটা অল্টো দাঁড়ানো ছিল। নম্বরবিহীন।” জানা যাচ্ছে, সরু গলির মধ্যে ওই গাড়ি এসেই চন্দ্রনাথের স্করপিও আটকায়। যাতে চালক গতি না বাড়াতে পারেন। তারপরই বাইকে এসে দুষ্কৃতীরা একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালায়। এলোপাথাড়ি গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যান চন্দ্রনাথ।

চন্দ্রনাথের খুন নিয়ে এখন বিস্তর ধোঁয়াশা। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালেও CID তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নমুনা সংগ্রহ করেছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। সে নম্বরবিহীন চার চাকা গাড়ির কথা প্রত্যক্ষদর্শী বলেছিলেন, সেটি যে আসলে চুরির গাড়ি, তা ইতিমধ্যেই তদন্তকারীদের কাছে স্পষ্ট।

নির্বাচন মিটলেও অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না— এই কড়া বার্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াল সুন্দরবন পুলিশ জেলা। 


বুধবার একটি বিশেষ সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার বিশ্ব চাঁদ ঠাকুর। ভোট পরবর্তী কোনো ধরণের হিংসাত্মক ঘটনা বা বিশৃঙ্খলা যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, তার জন্য সুন্দরবন জুড়ে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। পুলিশ সুপার স্পষ্ট জানান, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। এদিনের প্রেস কনফারেন্সে পুলিশ সুপারের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ডিস্ট্রিক্ট ফোর্স কো-অর্ডিনেটর কমান্ডার হরি সিং এবং প্রশাসনের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
পুলিশ ও সিআরপিএফ (CRPF) বাহিনী যৌথভাবে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিচ্ছে। কোনো প্ররোচনায় পা না দিতে এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নিতে সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে।
হিংসার খবর পাওয়া মাত্রই যাতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারে, তার জন্য বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। সুন্দরবন পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা সজাগ রয়েছে এবং যেকোনো অশান্তি সৃষ্টিকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ দিকে, আজ বেলেঘাটায় তৃণমূলকর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে খাস কলকাতায়। বেলেঘাটায় (Beleghata) বাড়ির বাইরে এক কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর। মৃত যুবকের নাম বিশ্বজিৎ পট্টানায়ক। তিনি তৃণমূলের বুথ এজেন্ট (TMC Agent) ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। মৃতের পরিবার জানিয়েছে, গণনার দিন সারাদিন বাড়িতেই ছিলেন ওই যুবক, এরপর সন্ধ্যায় তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।


 অসমে ১ আসনে জিতেছে তৃণমূল, সেখানেও অত্যাচারের অভিযোগ মমতার
কী বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়?



জায়গায়-জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ। ভোট পরবর্তী হিংসায় ইতিমধ্যেই খুনের অভিযোগ এক তৃণমূল কর্মীকে। জেলায়-জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে। প্রাক্তন শাসকদলের পার্টি অফিসে ঝুলছে তালা। বিভিন্ন জায়গায় লাগানো হয়েছে বিজেপির পতাকা। শুধু বাংলা নয়, হিংসার অভিযোগ উঠছে অসম থেকে।


গতকাল ফল প্রকাশ হয়েছে পাঁচ রাজ্যের। অসমেরও ফল প্রকাশ হয়েছে। জানা গিয়েছে, সুস্মিতা দেবের নেতৃত্বে তৃণমূল অসমের ২২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে একটি আসনে জয়ী হয়েছে ঘাসফুল শিবির। সেখানকার মান্দিয়া কেন্দ্রে জয়লাভ করেছে তৃণমূল। শেরমান আলি আহমেদের নেতৃত্বে এই জয়লাভ আনতে সক্ষম হয়েছে তারা। এর আগে শেরমান যোগ দিয়েছিলেন কংগ্রেসে। পরবর্তীতে দলবদল করে তিনি তৃণমূলে যোগদেন। ফলত, অসমে তৃণমূল খাতা খুললেও বাংলায় নিজেদের চেয়ার ধরে রাখতে পারেনি তারা।


আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, তিনি জানতে পেরেছেন অসমে অশান্তি শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “সুস্মিতা দেব আমায় জানিয়েছেন, আমরা অসমে একটি আসন জিতেছি। ওইখানেও অত্যাচার হয়েছে।”


এ দিকে, আজ বেলেঘাটায় তৃণমূলকর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে খাস কলকাতায়। বেলেঘাটায় (Beleghata) বাড়ির বাইরে এক কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর। মৃত যুবকের নাম বিশ্বজিৎ পট্টানায়ক। তিনি তৃণমূলের বুথ এজেন্ট (TMC Agent) ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। মৃতের পরিবার জানিয়েছে, গণনার দিন সারাদিন বাড়িতেই ছিলেন ওই যুবক, এরপর সন্ধ্যায় তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।

অমিত শাহের পাশাপাশি ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিকে কেন্দ্রীয় সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই দুই নেতাই মূলত পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি তদারকি করবেন বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে অসমের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে জেপি নাড্ডাকে।

বাংলায় জয় আসতেই বড় দায়িত্ব অমিত শাহের কাঁধে
অমিত শাহ

বাংলায় এসেছে বহু প্রতীক্ষিত জয়। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। চলছে সরকার গঠনের তোড়জোড়। এরইমধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় দলের পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে ফেলল। বড় দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের কাঁধে। তাঁকেই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দল। 


অন্যদিকে অমিত শাহের পাশাপাশি ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিকে কেন্দ্রীয় সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই দুই নেতাই মূলত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি তদারকি করবেন বলে জানা যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে জল্পনার মাঝেই এই পদক্ষেপ যে নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন দেখার পদ্ম শিবিরের উপরতলার নেতারা এ ক্ষেত্রে কোন নামে সিলমোহর দেন। 



অন্যদিকে অসমের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে জেপি নাড্ডাকে। সেখানে সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনিকে। ইতিমধ্যেই বিজেপির তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ কথা জানানো হয়েছে 


প্রসঙ্গত, বুথ ফেরত সমীক্ষাকে সত্যি করেই বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে পদ্ম শিবির। খাতায় এসেছে ২০০ বেশি আসন। অন্যদিকে সেঞ্চুরিও করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলা তো বটেই বাংলার ভোটের ফল নিয়ে চর্চা চলছে গোটা দেশজুড়েই। বিজেপির খাতায় এসেছে ২০৭ আসন, তৃণমূলের খাতায় এসেছে ৮০ আসন, কংগ্রেসের খাতায় এসেছে ২ আসন, হুমায়ুনের আম-জনতা উন্নয়ন পার্টির খাতায় এসেছে ২ আসন। পাশাপাশি সিপিএম ও আইএসএফের খাতায় এসেছে ১টি করে আসন। তৃণমূল যদিও শুরু থেকেই এসআইআর থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গোটা ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যদিও বাংলায় রেকর্ড ভোটদানের ছবি দেখেছে দেশ।