WEATHER

Top News

 খুব শীঘ্রই রাজ্যে চালু হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা (Chief Minister Health Insurance Scheme)। আয়ুষ্মানের মতো এই প্রকল্পেও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেশ চিকিৎসার (Cashless Medical Benefit) সুবিধা মিলবে। সেক্ষেত্রে মূলত কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, কীভাবে আবেদন করতে হবে, জেনে নিন সব খুঁটিনাটি।

কারা পাবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা? কীভাবে আবেদন করবেন, জেনে নিন বিশদে
শুভেন্দু অধিকারী

শুভেন্দু-সরকার (CM Suvendu Adhikari) আসার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে (Ayushman Bharat Scheme) আবেদন শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে আবেদন করা শুরু করেছেন রাজ্যবাসীর একাংশ। কারণ সকলে এই স্বাস্থ্য প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। কারণ আয়ুষ্মান ভারতে আবেদনের জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। সেই শর্ত থেকে বাদ যাচ্ছেন বহু মানুষ। সেক্ষেত্রে তাঁদের কথা ভেবে ইতিমধ্যেই বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। খুব শীঘ্রই রাজ্যে চালু হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা (Chief Minister Health Insurance Scheme)। আয়ুষ্মানের মতো এই প্রকল্পেও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেশ চিকিৎসার (Cashless Medical Benefit) সুবিধা মিলবে। সেক্ষেত্রে মূলত কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, কীভাবে আবেদন করতে হবে, জেনে নিন সব খুঁটিনাটি।


কারা পাবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা?
যাঁরা ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর সুবিধা পাবেন না, তাঁরা প্রত্যেকেই মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে জেনে নেওয়া যাক, কারা আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা পাচ্ছেন না।


এটিও পড়ুন
ইমপা থেকে অবশেষে পদত্যাগ করলেন পিয়া সেনগুপ্ত ?
১৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও থামছে না শুটিং! টলিপাড়ায় কোন জটিলতা...
ধনে পাতা তো খান, ডাটা ফেলে দিয়ে বড় ভুল করে ফেলছেন না তো?
আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা কারা পাবেন না?
এসইসিসি-র ভিত্তিতে চিহ্নিত বঞ্চিতদের তালিকায় যাঁরা পড়ে না, তাঁরা আয়ুষ্মান ভারত-এর সুবিধা পাবেন না
যাঁদের পাকা বাড়ি রয়েছে, তাঁরা পাবেন না।
এছাড়া, সাফাইকর্মী, গৃহপরিচারক, হকার, রিকশাচালক, রাজমিস্ত্রি, নির্মাণ শ্রমিক, কলের মিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান, নিরাপত্তা কর্মীর মতো ১১টি পেশার সঙ্গে যদি যুক্ত না থাকেন, তাহলে আয়ুষ্মান ভারত পাবেন না।
কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমাতে আবেদন করবেন?
মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে বা এই প্রকল্পে আবেদনের জন্য এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি হয়নি। এক সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বিগত সরকারের আমলে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার জন্য স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেওয়া হয়েছিল। সেক্ষেত্রে, যাঁদের স্বাস্থ্যসাথীতে নাম ছিল, তাঁদের নাম সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমাতে ট্রান্সফার করা যায় কি না কিংবা নতুন করে আবেদন করতে হবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কিছুই হয়নি। সবটাই আলোচনার স্তরে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সরকারের তরফে এই বিষয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হবে।

মমতা জমানার শেষের দিকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার ছিলেন সুপ্রতিম সরকার। পরে রাজ্যে নির্বাচনী বিধি কার্যকর হওয়ার পর কমিশনের নির্দেশে তাঁকে ওই পদ থেকে সরে যেতে হয়। ভিনরাজ্যে অবজারভার হিসেবেও পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

পদ থেকে সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে, রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল
সুপ্রতিম সরকার


রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল। ফের পদ থেকে সরানো হল কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে (Supratim Sarkar)। এডিজি সিআইডি পদ থেকে সরানো হল তাঁকে। একইসঙ্গে একাধিক আইপিএস ও ডব্লুবিপিএস পদে রদবদল হয়েছে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বারুইপুর-কাণ্ডে দুই এএসপি-কেও সরানো হয়েছে।


কাকে কোথায় বদল করা হল
এডিজি সিআইডি পদ থেকে সরানো হয়েছে আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে। এডিজি সিআইডি পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এডিজি টেলিকম পদ। এটি অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদ। ডিজি সিআইডি পদে আনা হল নটরাজন রমেশবাবুকে।


তারকেশ্বর নিয়ে প্রাক্তন সরকার একচোখ বন্ধ করে রাখত: শুভেন্দু
তৃণমূল আমলের আর্থিক দুর্নীতি খোঁজার দায়িত্বে ডিরেক্টর অব ইকোনমিক অফেন্স পদে নিয়ে আসা হল সৎ অফিসার হিসেবে পরিচিত কে জয়রামনকে।


বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরানো হল ত্রিপুরারি অথর্ভকে। বিধাননগরের নতুন সিপি হলেন অমিত রাথোড়।

বারুইপুরের দুজন অ্যাডিশনাল এসপি-কেও সরানো হয়েছে। পিনাকি দত্তকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল অতীশ বিশ্বাসকে। সূর্যপুরের ঘটনা মুখ্যমন্ত্রী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কেন অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি করে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তারপরই এই পদক্ষেপ।

ভোট ঘোষণার পরই সরানো হয়েছিল সুপ্রতিম সরকারকে
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরই আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এডিজি সিআইডি করা হয়েছিল তাঁকে। পরে ভিনরাজ্যে পুলিশ অবজারভারের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল এই আধিকারিককে। তামিলনাড়ুর পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্ব পালনের জন্য পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

এডিজি টেলিকম পদ কী?
রাজ্য় পুলিশ যে টেলিকম ব্যবস্থা ব্যবহার করে। সেই ওয়্যারলেস টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম চালানোর দায়িত্ব থাকে এডিজি টেলিকমের হাতে। তবে পুলিশ মহলে এই পদের তেমন গুরুত্ব নেই।

  মৌলবাদীদের চাপে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। পরে ২০০৪ সালে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন কলকাতায়। বাংলা ভাষার শহর কলকাতাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন। সাহিত্যিক মহলে বেড়ে ওঠে পরিচিতি। বাম নেতাদের সঙ্গেও তৈরি হয় সুসম্পর্ক। তারপর কী এমন ঘটল!

নির্বাসনের পর নির্বাসন জুটেছে তসলিমার (Taslima Nasreen)। বাংলাদেশ, কলকাতা, ভারত ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। ‘লজ্জা’র লেখিকাকে নিয়ে যেমন বিতর্কের শেষ নেই, তেমনই বাম সরকারকে কম প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি। যারা নিজেদের উদারপন্থী বলে থাকে, সেই বামেদের আমলে কেন তসলিমাকে কলকাতা ছাড়তে হল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারবার। প্রশ্ন তুলেছেন বিদ্বজনেরা। তসলিমা নাসরিন নিজে বারবার বাম সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একাধিক পোস্টে নিজেকে ‘বামপন্থী’ বলে দাবি করেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, কেন বাম সরকার তাকে বের করে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল?

মৌলবাদীদের চাপে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। পরে ২০০৪ সালে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন কলকাতায়। বাংলা ভাষার শহর কলকাতাকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন। সাহিত্যিক মহলে বেড়ে ওঠে পরিচিতি। বাম নেতাদের সঙ্গেও তৈরি হয় সুসম্পর্ক।


পরে কলকাতায় বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করে। শুরু হয় অশান্তি। তাঁর শিরচ্ছেদের নিদান দিতে শুরু করে কোনও কোনও সংগঠন। কেউ বলে ক্ষমা চাইতে হবে। ২০০৭ সালে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের বিধায়করা তসলিমা নাসরিনের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন।

 তৃণমূল সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। এমন অভিযোগ আকছাড় উঠত। সরকারি বাস রাস্তায় প্রায় চলেই না। আর এতে সব থেকে বেশি অসুবিধায় পড়তেন নিত্যযাত্রীরা। তবে, এবার পালা বদল হয়েছে। আর তারপরই সরকারি বাস চালানোর আশ্বাস দিয়েছে সরকার। 

'সোনার বাস চালাব', আশ্বাস অর্জুনের, কী এই সোনার বাস জানেন?
অর্জুন সিং, পরিবহন মন্ত্রী

মন্ত্রিত্ব পেয়েই একের পর এক জনমূখী উদ্যোগ নিয়েছেন পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। রাজ্যে চালু হয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। উদাহরণ দিতে গিয়ে বলতেই হয় তারকেশ্বরের কথা। সোমবার তারকেশ্বর থেকে পাঁচটি সরকারি বাস চালু হয়েছে। আর এবার রাজ্যে সোনার বাস চলবে বলে আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী অর্জুন সিং। সত্যিই কি সোনার বাস চলবে? এই সোনার বাসই বা কী, সবই ব্যাখ্যা দিলেন অর্জুন।


সোনার বাস কী?


রোজ ওটস খাচ্ছেন! ওটস খেলে শরীরে কী কী ঘটে জানেন তো?
প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়কে চিঠি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর, কী আছে চিঠিতে?
তৃণমূল সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে একের পর এক সরকারি বাস। এমন অভিযোগ আকছাড় উঠত। সরকারি বাস রাস্তায় প্রায় চলেই না। আর এতে সব থেকে বেশি অসুবিধায় পড়তেন নিত্যযাত্রীরা। তবে, এবার পালা বদল হয়েছে। আর তারপরই সরকারি বাস চালানোর আশ্বাস দিয়েছে সরকার।


অর্জুন সিং জানিয়েছেন, একটা সময় ছিল ব্যারাকপুর সুভাষ চন্দ্র বাস টার্মিনাল থেকে অনেক বাস যেত। ধীরে ধীরে এই এলাকা থেকে অনেক বাস বন্ধ হয়েছে। পরিবহন ব্য়বস্থা তলানিতে গিয়েছে। বিজেপি সরকার চেষ্টা করছে যেখানে পরিবহন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে, সেখান থেকে সরকারি বাস চালানোর। তিনি বলেন, “প্রায় ৫০ টা নতুন বাস চালাব। পুজোর আগে আরও ৪৮৭টা বাস আনার চেষ্টা করছি। এর পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থাতে অনেক লিকেজ থাকে। সেই লিকেজ বন্ধ হলে আমরা সোনার বাস চালাতে পারব।”

পরে সোনার বাসের আসল অর্থ বোঝান রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী। তাঁর কথায়, যদি তৃণমূল আমলের মতো টায়ার চুরি, পার্টস চুরি করা হত। এইসব যদি বন্ধ করা যায়, তাহলে সোনার বাস চালানো যেতে পারে। অর্থাৎ পরিবহন দফতরকে দুর্নীতি মুক্ত করতে পারলে আগামিদিনে রাজ্যে সোনার সরকারি বাস চলানো যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অর্জুন।

ইতিমধ্যেই এই এনকাউন্টারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে পুলিশকে এনকাইন্টার করতে হয়েছিল, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, পুলিশের পকেট থেকে রিভলবার বার করে এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল সেই অভিযুক্ত।


এবার আর রাতে নয়, সাতসকালেই অভিযুক্তদের নিয়ে বারুইপুরের ঘটনার পুনর্নির্মাণ
ঘটনার পুনর্নির্মাণ

 বারুইপুরের গণধর্ষণ-খুনের ঘটনা তদন্ত, ঘটনার পুনর্নির্মাণে গিয়ে এনকাউন্টার, এক সপ্তাহের মধ্যে সূর্যপুরের তদন্তকারী আধিকারিকদের মধ্যে রদবদল। তার মধ্যেই ফের বারুইপুরকাণ্ডে ৩ অভিযুক্তকে নিয়ে মঙ্গলবার সকালে পুনর্নির্মাণে গেলেন তদন্তকারীরা। যাকে এনকাউন্টার করা হয়েছিল, সেই অভিযুক্তকে পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রাত ২.২০ মিনিট নাগাদ। সূর্যপুর স্টেশনের অদূরে যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি জলাজঙ্গলে ভর্তি ছিল। সেখানেই এদিন নিয়ে যাওয়া হয় বাকি অভিযুক্তদের।


ইতিমধ্যেই এই এনকাউন্টারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে পুলিশকে এনকাইন্টার করতে হয়েছিল, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, পুলিশের পকেট থেকে রিভলবার বার করে এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল সেই অভিযুক্ত। আত্মরক্ষার্থেই পাল্টা গুলি চালানো হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেহ নিতে অস্বীকার করে পরিবারও।



 'শাহরুখ আমার পা চাটছে', আমিরের মন্তব্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন শাহরুখ ভক্তরা!
অসুস্থ! হাসপাতালে অভিনেতা সুমন্ত মুখোপাধ্যায়, এখন কেমন আছেন?
আগেই এই ঘটনায় ২ জন মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ, যাদের বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় মাদকের কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলেও অভিযোগ। এনকাউন্টারের দিন সকালে গ্রেফতার করা হয় আরেক অভিযুক্তকে। এই ৩ অভিযুক্তকে নিয়েই চলে এদিনের পুনর্নির্মাণ। সকাল সাড়ে এগারোটার আশেপাশে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। ঘটনাস্থলে থাকে সিআইডি-র আধিকারিক ও ফরেনসিক আধিকারিকরা। ছিলেন সিআইডি আধিকারিকরাও।
মামলার মূল অভিযোগকারী বোলপুরের ত্রিসুলাপট্টির বাসিন্দা শুভেন্দু মণ্ডল। পেশায় ব্যবসায়ী শুভেন্দু দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে ওই এলাকায় ইটের ব্যবসা চালাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ফের তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পরপরই তাঁর ওপর তীব্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়।


গ্রেফতারির ভয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ সদ্য 'ভাল তৃণমূলী' অনুব্রত
হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত মণ্ডল

 দিন দুয়েক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রত-শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, কেষ্ট ‘ভাল তৃণমূলে’ যোগ দিতেই ফিরে পেয়েছেন সংগঠনের দায়িত্ব। বীরভূম জেলা তৃণমূলের পদ ফিরে পেয়েছেন তিনি। দায়িত্ব পেতেই নেমে পড়েছেন ময়দানে। তবে তার আগে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ। মূলত বীরভূমের ইটভাটা লুঠ মামলায় গ্রেফতারির ভয় পাচ্ছেন তিনি। তাই আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলা করেছেন। এর আগে তিনি এই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে সিউড়ি জেলা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে তাঁকে খালি হাতে ফিরতে হয়।


মামলার প্রেক্ষাপট


চায়ে চুমুক দেওয়াই যদি হয় আপনার পেশা! ৬০ ঘণ্টার বিশেষ কোর্সের সুযোগ আনল রাজ্য, কোথায় আবেদন করবেন
মামলার মূল অভিযোগকারী বোলপুরের ত্রিসুলাপট্টির বাসিন্দা শুভেন্দু মণ্ডল। পেশায় ব্যবসায়ী শুভেন্দু দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে ওই এলাকায় ইটের ব্যবসা চালাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ফের তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পরপরই তাঁর ওপর তীব্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়। অভিযোগের তির সরাসরি বীরভূমের তৎকালীন দাপুটে তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের দিকে।


ব্যবসায়ীর দাবি, খোদ অনুব্রত মণ্ডলের সবুজ সঙ্কেত পেয়েই কঙ্কালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখের নেতৃত্বে প্রায় ২০০ জন সশস্ত্র দুষ্কৃতী তাঁর ইটভাটায় চড়াও হয়েছিল। সেখানে দিনদুপুরে ব্যাপক তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালানো হয়। বাধা দিতে গেলে কর্মরত কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর করে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ইট লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, ব্যবসায়ী ও তাঁর কর্মীদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।

মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, তিনি সক্রিয় বিজেপি সমর্থক হওয়াতেই তৎকালীন শাসকদলের রোষানলে পড়েছিলেন। সেই সময় অনুব্রত ও তৃণমূলের চরম দাপটের কারণে পুলিশ-প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও সুরাহা বা ন্যায়বিচার পাননি তিনি। অবশেষে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই ব্যবসায়ী, যার জেরে আইনি ফাঁসে জড়িয়েছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা।

 গত ৩ জুলাই শক্তিপুর থানায় হাজিরা এড়ান নওদার বিধায়ক। তবে ৪ জুলাই রেজিনগর থানায় হাজিরা দেন। ওইদিন হুমায়ুনকে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে রেজিনগর থানার পুলিশ। সেই জিজ্ঞাসাবাদের পরই ১৪ জুলাই ফেরে হাজিরা দেওয়ার জন্য হুমায়ুনকে নোটিস ধরায় রেজিনগর থানা।

রেজিনগর থানায় পৌঁছলেন হুমায়ুন, শক্তিপুর থানার পুলিশ পৌঁছল তাঁর বাড়িতে, ব্যাপারটা কী?
থানায় হুমায়ুন কবীর (বাঁদিকে), তাঁর বাড়িতে পুলিশ (ডানদিকে)

 একটা থানায় হাজিরার সময় আগে থেকেই ঠিক ছিল। সেই মতো সকাল সাড়ে এগারোটায় কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে থানায় পৌঁছে গেলেন তিনি। আর নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যখন রেজিনগর থানায় পৌঁছলেন, তখন তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গেলেন শক্তিপুর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার শক্তিপুর থানার পুলিশ হুমায়ুনের বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দিয়ে এল। রেজিনগর থানায় হাজিরার পর আগামী ১৯ জুলাই শক্তিপুর থানায় হুমায়ুনকে হাজিরা দিতে হবে।


হুমায়ুনকে ২ থানায় হাজিরার জন্য কেন ডাকা হল?

 'শাহরুখ আমার পা চাটছে', আমিরের মন্তব্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন শাহরুখ ভক্তরা!
হুমায়ুনের দুটি মন্তব্য নিয়ে দুটি থানায় মামলা হয়েছে। গত ২৬ জুন রেজিনগরের কাশীপুর হাটতলার এক জনসভায় বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন বলেছিলেন, “আমি যেদিন ময়দানে মুসলমানদের নিয়ে নেমে যাব না, সেদিন এমন স্যাঁটা ভাঙা মার শুরু করব যে আপনাদের পতাকা ধরার লোক থাকবে না।” অন্যদিকে, শক্তিপুর থানায় যে এফআইআর দায়ের হয়, সেখানে অভিযোগ করা হয় যে শক্তিপুর থানার গড়দুয়ার ঘাট সংলগ্ন এলাকায় একটি বিজয় সমাবেশ থেকে প্রশাসনকে উদ্দেশ্য কের মানহানিকর ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন হুমায়ুন।


রেজিনগরে হুমায়ুনের এই হুঁশিয়ারি নিয়ে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় হুমায়ুনের মন্তব্য তুলে ধরে সংযত হওয়ার বার্তা দেন। দুটি থানার পুলিশও কড়া পদক্ষেপ করে হুমায়ুনকে হাজিরা হওয়ার জন্য নোটিস পাঠায়। গত ৩ জুলাই শক্তিপুর থানায় হাজিরা এড়ান নওদার বিধায়ক। তবে ৪ জুলাই রেজিনগর থানায় হাজিরা দেন। ওইদিন হুমায়ুনকে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে রেজিনগর থানার পুলিশ। সেই জিজ্ঞাসাবাদের পরই ১৪ জুলাই ফেরে হাজিরা দেওয়ার জন্য হুমায়ুনকে নোটিস ধরায় রেজিনগর থানা।

সেইমতো এদিন রেজিনগরে দলীয় কার্যালয় থেকে কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে থানায় পৌঁছে যান হুমায়ুন। থানায় হাজিরা দিতে যাওয়ার আগে পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। আর তিনি যখন রেজিনগর থানায় পৌঁছে যান, তখন শক্তিপুর থানার পুলিশ তাঁর মানিক্যহারের বাড়িতে পৌঁছে যায়। ৩ জুলাই হাজিরার নির্দেশ থাকলে ওইদিন শক্তিপুর থানায় যাননি হুমায়ুন। সেজন্য দ্বিতীয় ১৯ জুলাই হাজিরা দেওয়ার জন্য এদিন হুমায়ুনের বাড়িতে নোটিস দিতে আসেন শক্তিপুর থানার পুলিশ। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর হুমায়ুনের বাড়ির লোকজন নোটিসটি গ্রহণ করেন।

অভিজিতের দাবি, শওকত মোল্লা যে হলফনামা জমা করেছিলেন তা একেবারেই মিথ্যা। উচ্চ মাধ্যমিক এবং গ্রাজুয়েশন যে বোর্ড থেকে পাস করেছে সেই বোর্ডটিও ভুয়ো। এই ভুয়ো বোর্ড তৈরির পিছনে হাত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পিএ সুমিত রায়,আয়ন ঘোষ দস্তিদার, খোকন বেরা, স্বপন সরদার জীবনতলা থানায়ও লিখিত অভিযোগ দায়ের দায়ের করেছেন।


রাজস্থান থেকে গ্রাজুয়েট, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে করেছেন MA! শওকতের ডিগ্রি নিয়ে এবার থানায় ছুটল BJP, দাবি CBI তদন্তেরও
শওকত মোল্লা, তৃণমূল নেতা

 ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla) আপাতত জেলে। তোলাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় থেকে আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। তবে, শওকত যে নির্বাচনী হলফনামা জমা দিয়েছিলেন, সেখানে দেখা গিয়েছিল তিনি লিখেছেন,পলিটিক্যাল সায়েন্সে (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এম.এ (MA) পাস করেছেন। এবার সেই শওকতেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস শওকতের শিক্ষাগত যোগ্যতা পুরোটাই ভুয়ো বলে বারুইপুর এস পি অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।


অভিজিতের দাবি, শওকত মোল্লা যে হলফনামা জমা করেছিলেন তা একেবারেই মিথ্যা। উচ্চ মাধ্যমিক এবং গ্রাজুয়েশন যে বোর্ড থেকে পাস করেছে সেই বোর্ডটিও ভুয়ো। এই ভুয়ো বোর্ড তৈরির পিছনে হাত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পিএ সুমিত রায়,আয়ন ঘোষ দস্তিদার, খোকন বেরা, স্বপন সরদার জীবনতলা থানায়ও লিখিত অভিযোগ দায়ের দায়ের করেছেন।



 বিশ্বকাপের রেফারিকে নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন অমিতাভ বচ্চন
বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস বলেন, “উনি পঞ্চম-ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়া একজন ক্রিমিন্যাল। যাঁকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন তুই বোম বাঁধিস। সেই লোকটি দেখাচ্ছে তিনি উচ্চ শিক্ষিত। ও ২০১৬ সালে নির্বাচনে দাঁড়ানোর সময় যে হলফনামা জমা করেছিল সেখানে লিখেছিল ২০১৪ সালে উচ্চ-মাধ্যমিক পাশ করেছে বোর্ড অফ ইউথ এডুকেশন ইন্ডিয়া থেকে। এই বোর্ডটাও ভুয়ো। এরপর গ্রাজুয়েশন পাশ করেছে রাজস্থান থেকে। এবার আবার দেখিয়েছে ও নাকি মাস্টার ডিগ্রি করেছে পলিটিক্যাল সায়েন্সে। ও আসলে জালি সার্টিফিকেট চক্রের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে এটার তদন্ত হবে। দরকারে সিবিআই তদন্ত হতে পারে।”



ওই নাবালিকা উত্তর ২৪ এলাকার বাসিন্দা। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছিল সে। ট্রেন ধরে শিয়ালদহে পৌঁছে যায়। সেই চত্বরেই কাজ করে অভিযুক্ত। পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, নাবালিকাকে রাস্তায় ইতঃস্তত ঘোরাফেরা করতে দেখেছিল অভিযুক্ত। সে তার কাছে গিয়ে খাবারের লোভ দেখায়। ট্রেনে বারুইপুর নিয়ে আসে ওই নাবালিকাকে। 

ফের বারুইপুর, নাবালিকাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ
বারুইপুর থানা

ফের বারুইপুর। গণধর্ষণ, খুন, এনকাউন্টার-বিতর্ক কাটার আগেই ফের বারুইপুরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল। খাবারের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্তকে হাতনাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন এলাকাবাসীরা।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা উত্তর ২৪ এলাকার বাসিন্দা। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছিল সে। ট্রেন ধরে শিয়ালদহে পৌঁছে যায়। সেই চত্বরেই কাজ করে অভিযুক্ত। পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, নাবালিকাকে রাস্তায় ইতঃস্তত ঘোরাফেরা করতে দেখেছিল অভিযুক্ত। সে তার কাছে গিয়ে খাবারের লোভ দেখায়। ট্রেনে বারুইপুর নিয়ে আসে ওই নাবালিকাকে।


 বিশ্বকাপের রেফারিকে নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন অমিতাভ বচ্চন
এদিকে অভিযুক্তও বারুইপুর এলাকার বাসিন্দা নয়। ওই জেলারই অন্য এলাকার বাসিন্দা। বারুইপুরের একটা বাড়িতে ঘর ভাড়া নিয়ে ওই নাবালিকাকে নিয়ে ঢোকে সে। তখন এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। অভিযোগ, ধর্ষণের চেষ্টা করছিল অভিযুক্ত। তখনই তাকে হাতেনাতে ধরা হয়। পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ওই নাবালিকাকে আপাতত হোমে পাঠানো হয়েছে।


বারুইপুরের ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা বাড়াতে গত শনিবারই সূর্যপুরে ফাঁড়ির উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এলাকার প্রত্যেকটা গলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বারুইপুরের ঘটনার থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্য জুড়ে চলছে মাদক বিরোধী অভিযানও। তার মধ্যেই এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে


দুর্নীতির অভিযোগে ২০২১ সালের পর থেকে স্তব্ধ ছিল গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম লাইফলাইন ১০০ দিনের কাজ। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানায় সম্পূর্ণ নতুন রূপে এবং নতুন নিয়মে শুরু হলো গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প। তবে এবার আর ১০০ দিন নয়, সম্পূর্ণ নতুন 'ভিবি জি রাম জি' প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার প্রান্তিক মানুষজন কাজ পাবেন পুরো ১২৫ দিন। 


সোমবার নামখানা ব্লকের দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা গিয়েছে।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার নামখানার নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশাপাশি ফ্রেজারগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। 
ফ্রেজারগঞ্জে এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নামখানার জয়েন্ট সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ফ্রেজারগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাশীনাথ জানা-সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়াররা।পুরোনো সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ সরিয়ে রেখে, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে এবং কড়া নজরদারির মাধ্যমে এই বর্ধিত কর্মদিবসের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। স্বচ্ছতা আনতে তিন টাইম অ্যাটেনডেন্স করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ফলে কাজ না করে আগের মত বাড়িতে বসে নাম নথিভুক্ত করার মতো দুর্নীতি থাকছে না।

দীর্ঘদিন পর নিজের এলাকায় কাজ পেয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত প্রান্তিক মানুষজন। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রথম দিনের কাজেই মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কোদাল-ঝুড়ি হাতে অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে প্রথম দিনের কাজ শুরু করেছেন শ্রমিকরা। প্রশাসনের এই উদ্যোগে নামখানার গ্রামীণ অর্থনীতি ফের চাঙ্গা হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।


বকখালি থেকে মুন্না সরদারে রিপোর্ট কাকদ্বীপ ডট কম

গত বছরের জুনে কামারহাটিতে তৃণমূলের এক কর্মিসভায় মদন বলেছিলেন, "আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, এখানে যাঁরা আছেন, তাঁরা অন্তত ৪০ শতাংশ তৃণমূলের দেওয়া চাকরি পেয়েছেন।" ওই কর্মিসভায় উপস্থিত তৃণমূল কর্মীদের দিকে আঙুল দেখিয়ে একথা বলেন মদন। জোর গলায় বলেন, "আমি মদন মিত্র একথা বলছি।"
Madan Mitra: পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার আতসকাচের তলায় মদনের পরিবার, বড় পদক্ষেপ ইডির
মদন মিত্র (ফাইল ফোটো)
Image Credit: TV9 Bangla
সুজয় পাল
সুজয় পাল | Edited By: Sanjoy Paikar | Updated on: Jul 14, 2026 | 4:43 PM
Google News Badge
Share
কলকাতা: এর আগে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এবার পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির নজরে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের পরিবার। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার তলব করা হল মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে। আগামী ২২ ও ২৩ জুলাই সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে তাঁদের।


এর আগে কামারহাটি পৌরসভায় অবৈধ নিয়োগ মামলায় নাম জড়ায় মদনের। জুন মাসেই তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ভবানীপুরের বাড়ি ছাড়াও দক্ষিণেশ্বর-সহ একাধিক বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রের খবর, পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে বেশ কিছু রহস্যময় আর্থিক লেনদেনে কামারহাটির বিধায়কের স্ত্রী ও দুই পুত্রের নাম সামনে এসেছে। সেজন্যই মদনের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে জিজ্ঞসাবাদ করতে চাইছে ইডি। মদন মিত্রের পুত্রবধূদের অবশ্য ইডি তলব করেনি। প্রসঙ্গত, কামারহাটি পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হলেন মদনের কনিষ্ঠ পুত্রবধূ মেঘনা মিত্র।


 বিশ্বকাপের রেফারিকে নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন অমিতাভ বচ্চন
পুরনিয়োগ মামলায় এর আগে গত বছরের অক্টোবরে সিবিআই-ও মদনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল। নারদ মামলাতেও অভিযুক্ত মদন। কিন্তু, এবার তাঁর পরিবারকে ইডি তলব করায়, মদনের উপর চাপ বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। মদনের স্ত্রী ও ২ পুত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি কোন তথ্য পায়, সেটাই এখন দেখার।


তৃণমূলের কর্মিসভায় চাকরি দেওয়ার কথা বলেছিলেন মদন-

২০১১ সালে প্রথমবার কামারহাটি থেকে জেতেন মদন। ২০১৬ সালে অবশ্য হেরে যান। আবার ২০২১ এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হন তিনি। ফলে কামারহাটির সঙ্গে মদনের সম্পর্ক অনেক পুরনো। সেই কামারহাটিতে তৃণমূল কর্মীদের চাকরি দেওয়ার কথা বলেছিলেন মদন। গত বছরের জুনে কামারহাটিতে তৃণমূলের এক কর্মিসভায় মদন বলেছিলেন, “আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, এখানে যাঁরা আছেন, তাঁরা অন্তত ৪০ শতাংশ তৃণমূলের দেওয়া চাকরি পেয়েছেন।” ওই কর্মিসভায় উপস্থিত তৃণমূল কর্মীদের দিকে আঙুল দেখিয়ে একথা বলেন মদন। জোর গলায় বলেন, “আমি মদন মিত্র একথা বলছি।” এরপরই তিনি বলেন, “এবার যাঁরা চাকরি পাননি, তাঁদের মুখটার দিকে একবার চেয়ে দেখুন তো, তাঁরা কী ভাবছেন।”


২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর তসলিমার বিরুদ্ধে মৌলবাদী আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল কলকাতা। সেই সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেই সময় সেনা নামাতে হয়েছিল। তারপর আর কলকাতায় ফেরেননি তসলিমা।


১৮ বছর পর কলকাতায় তসলিমা, রবীন্দ্র সদনের মঞ্চে কবিতাপাঠ, থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুও
তসলিমা নাসরিন ফিরছেন কলকাতায়

বিক্ষোভের জেরে কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল তসলিমা নাসরিনকে (Taslima Nasreen)। তারপর থেকে বারবার অভিমান প্রকাশ পেয়েছে তাঁর কথায়। বারবার ফিরতেও চেয়েছেন তিনি। পালাবদলে পরই তসলিমাকে ফেরাতে সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এবার তিনি সত্যিই ফিরতে চলেছেন। তসলিমার নিজের ফেসবুক পোস্টেই বিষয়টি সামনে আসে।


২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর তসলিমার বিরুদ্ধে মৌলবাদী আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল কলকাতা। সেই সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেই সময় সেনা নামাতে হয়েছিল। তারপর আর কলকাতায় ফেরেননি তসলিমা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তসলিমা ইচ্ছা প্রকাশ করলেও তাঁকে ফেরানো সম্ভব হয়নি। অবশেষে ফিরতে চলেছেন তিনি।


নিজেকে 'বামপন্থী' বলে দাবি করেন! বুদ্ধবাবুর আমলে কেন কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে?
অসুস্থ! হাসপাতালে অভিনেতা সুমন্ত মুখোপাধ্যায়, এখন কেমন আছেন?
রবীন্দ্র সদনে যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, তার উদ্যোক্তা হল ‘সেক্যুলার মিশন’ ও ‘পশ্চিমবঙ্গের জন্য’। অনুষ্ঠানের উদ্য়োক্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “তসলিমা আসছেন। ১৮ বছর পর তিনি কলকাতায় আসবেন। রবীন্দ্র সদনের মঞ্চে তিনি কবিতাপাঠ করবেন। গানও গাইবেন। তিনি তাঁর মত প্রকাশ করবেন। মুখ্যমন্ত্রী কথা দিয়েছেন, তিনি ওইদিন আসবেন।”


আগামী ১ অগস্ট ওই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর বলেন, “লেখিকাকে স্বাগত জানাচ্ছি। তবে তাঁকে নিয়ে একাংশের মানুষের আপত্তি ছিল। আমি ওঁর লেখা খুব পছন্দ করি। উনি আসছেন বলে খুশি হয়েছি। শুধু এটুকুই বলতে চাই, আলাদা করে যাতে কোনও বিতর্কিত কথা না বলেন।” বাম আমলে তসলিমা কলকাতা ছাড়ার সময় এ রাজ্যের পুলিশ আধিকারিক ছিলেন হুমায়ুন কবীর।

  তবে যেভাবে বাংলার নতুন সরকার এগিয়ে চলেছে, যেভাবে মানুষের জন্য কাজ করে চলেছে তাতে উচ্ছ্বসিত কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। শুরুতেই তিনি ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রীকে। সাফ বলেন, “আগের সরকারের আমলে কাজ হয়নি। তারা কোনও সহযোগিতা করেনি।”


আবাস যোজনায় বাংলায় ১ লক্ষ বাড়ির টাকা দিল কেন্দ্র’, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

নবান্নে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গে বড় বৈঠক করে ফেললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আবাস যোজনা থেকে গ্রাম সড়ক যোজনা, ১২৫ দিনের কাজ, নানাবিধ বিষয় নিয়েই হল কথা। শেষে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রীকে নিয়েই সাংবাদিক বৈঠকও করলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি স্পষ্ট জানালেন, প্রাণী সম্পদ বিকাশ থেকে শুরু করে ৮০ লক্ষ মহিলাদের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলাদা করে কৃষি সংক্রান্ত বিষয়ে দার্জিলিং, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম নিয়ে আলাদা করে আলোচনাও হয়। 


সাংবাদিক সম্মেলন থেকে শুভেন্দু বলেন, “আবাস যোজনায় বাংলায় ১ লক্ষ বাড়ির টাকা দিল কেন্দ্র। গ্রাম সড়ক যোজনায় দেওয়া হয়েছে ১ হাজার কোটি। ২৪০০ কিলোমিটার রাস্তা জন্য এসেছে টাকা। উদ্যান পালনের ক্ষেত্রে ফুল ও পান সহ নানা ক্ষেত্রে চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রান্তিক মানুষদের আয় সুনিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। বাংলায় ১২৫ দিনের কাজে চিহ্নিত ২ কোটি ৫৬ লক্ষ।”





অযধ্যার পর এবার পুণে, ২৫.৭ একর জমি কিনলেন রণবীর কাপুর! কত টাকা খরচা হল জানেন?
তবে যেভাবে বাংলার নতুন সরকার এগিয়ে চলেছে, যেভাবে মানুষের জন্য কাজ করে চলেছে তাতে উচ্ছ্বসিত কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। শুরুতেই তিনি ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রীকে। সাফ বলেন, “আগের সরকারের আমলে কাজ হয়নি। তারা কোনও সহযোগিতা করেনি। এবার পশ্চিমবঙ্গের মানুষের খুব দ্রুত বিকাশ হবে। মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির পাশেও দাঁড়াবে সরকার। আবাস পেতে যাতে দেরি না হয় তার জন্য প্রথমে ১ লাখ ঘর দেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে ভারত সরকার সবরকম সাহায্য করবে।”