WEATHER

Top News


ইমার্জেন্সির ৫০ বছর পূর্তিতে ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং বা এনসিইআরটি (NCERT) প্রথমবার পড়ুয়াদের পাঠক্রমে ইমার্জেন্সির এই অধ্যায় যুক্ত করা হল। বইতে জয় প্রকাশ নারায়ণের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

NCERT-র বড় সিদ্ধান্ত, দেশের 'অন্ধকারতম অধ্যায়' যুক্ত হল পাঠ্যবইয়ে, কী পড়বে ছাত্র-ছাত্রীরা?
প্রতীকী চিত্র।


 ৫০ বছর আগে দেশে জারি হয়েছিল ইমার্জেন্সি। 
১৯৭৫ সালের ২৫শে জুন মধ্যরাতে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী (Indira Gandhi)-র নির্দেশে, রাষ্ট্রপতি ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ ভারতীয় সংবিধানের ৩৫২ নম্বর ধারা অনুযায়ী জরুরি অবস্থা (Emergency) জারি করেন। ১৯৭৭ সালের ২১শে মার্চ পর্যন্ত ইমার্জেন্সি জারি ছিল ভারতে। এটিকে দেশের অন্ধকারতম এক অধ্যায় বলা হয়। ইমার্জেন্সির ৫০ বছর পূর্তিতে ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং বা এনসিইআরটি (NCERT) প্রথমবার পড়ুয়াদের পাঠক্রমে ইমার্জেন্সির এই অধ্যায় যুক্ত করা হল।


এনসিইআরটি নবম শ্রেণির বিজ্ঞানের বইতে ইমার্জেন্সি বা জরুরি অবস্থার অধ্যায় যোগ করা হয়েছে। নতুন বইতে এই অধ্যায়ের নাম দেওয়া হয়েছে, “আন্ডারস্ট্যান্ডিং সোস্যাইটি: ইন্ডিয়া অ্যান্ড বিয়ন্ড”। এই অধ্যায়ে ইমার্জেন্সি-কে ভারতীয় গণতন্ত্রের অন্যতম বড় প্রতিবন্ধকতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারে এর কী প্রভাব পড়েছিল, তাও লেখা হয়েছে। এই প্রথম ইমার্জেন্সি-কে কোনও পাঠ্যবইতে যোগ করা হল।


লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আর অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের 'ফিলোজফি' আলাদা, তফাৎটা বুঝিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী
'দিদি নম্বর ওয়ান' থেকে বাদ পড়লেন রচনা! শোয়ের রেটিং কত জানেন?
বইতে লেখা আছে, “ভারতের গণতন্ত্রের অন্য়তম চ্যালেঞ্জ ছিল ইমার্জেন্সি, যা ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত জারি ছিল। ১৯৭০ সালের গোড়ার দিকে ইন্দিরা গান্ধীর সরকারের উপরে জনগণের অসন্তোষ বাড়ছিল, দেশের বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি ও অপশাসনের অভিযোগ বাড়ছিল, যার জেরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। ১৯৭৫ সালে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার দেশে ইমার্জেন্সি জারি করা হয়েছিল। এই সময়ে অধিকাংশ মৌলিক অধিকার কেড়ে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সংবাদ মাধ্যমের অধিকার খর্ব করা হয়েছিল। অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা ও সমাজকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির উপরে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল, নাগরিকদের অধিকারও খর্ব করা হয়েছিল।” News


বইতে জয় প্রকাশ নারায়ণের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে বিহার ও গুজরাটে তার নেতৃত্বে কীভাবে ছাত্র-যুবরা আন্দোলনে পথে নেমেছিল, তা লেখা হয়েছে।

মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় প্রথম যে ভূমিকম্পটি হয়, রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৭.২। এর ৩৯ সেকেন্ড বাদেই ফের আরও জোরাল ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৭.৫। ভেনেজুয়েলার পাশাপাশি ত্রিনিদাদ, টোবাগো, পর্তু রিকোর মতো ক্যারিবিয়ান দ্বীপেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। 

 ৩৯ সেকেন্ডে জোড়া ভূমিকম্পে তছনছ ভেনেজুয়েলা! কী এই বিরল 'ডাবলেট ভূমিকম্প', কেন এত ভয়ঙ্কর?
কী এই ডাবলেট ভূমিকম্প?

ভূমিকম্প মানেই ভয়াবহতা। তবে ভেনেজুয়েলার বিপর্যয় যেন ভয়ঙ্করের থেকেও বেশি কিছু। বুধবার ভেনেজুয়েলার উপকূলে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প (Earthquake) হয়। দেশের বাসিন্দারা যখন ওই ভূমিকম্পের ধাক্কা বুঝতে শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়েই আবার একটা ধাক্কা। এবার ভূমিকম্পের মাত্রা আরও বেশি। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৫। পরপর এই দুটি ভূমিকম্পে ক্যারিবিয়ান সাগরের বিভিন্ন অংশে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) জারি করা হয়েছে ইমার্জেন্সি।


ডাবলেট ভূমিকম্প-
সিসমোলজিস্টরা এই জোড়া ভূমিকম্পকে ডাবলেট ভূমিকম্প (Doublet Earthquake) বলে উল্লেখ করেছেন। এই ডাবলেট ভূমিকম্প কী? যখন পরপর দুটি বড় ভূমিকম্প হয়, সাধারণত একই মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প একই অঞ্চলে, খুব কম সময়ের মধ্যে যখন হয়, তখন তাকে ডাবলেট ভূমিকম্প বলে।  


বিধানসভায় 'এপাং ওপাং ঝপাং' বলে কী বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন রুদ্রনীল?
মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় প্রথম যে ভূমিকম্পটি হয়, রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৭.২। এর ৩৯ সেকেন্ড বাদেই ফের আরও জোরাল ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৭.৫। ভেনেজুয়েলার পাশাপাশি ত্রিনিদাদ, টোবাগো, পর্তু রিকোর মতো ক্যারিবিয়ান দ্বীপেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।


বিগত প্রায় এক দশকে এই প্রথম এত জোরাল ভূমিকম্প হল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, জোড়া ভূমিকম্পে বিল্ডিংগুলি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, রাস্তাঘাটও ভেঙে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে সরকারি সূত্রে। আহত ৭০০-রও বেশি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই ভেনেজুয়েলা প্রশাসন ইমার্জেন্সি জারি করেছে। সংবাদপত্রডিজিটাল সংস্করণ

কখন ডাবলেট ভূমিকম্প হয়?
ডাবলেট ভূমিকম্প কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। যখন দুটি বড় ভূমিকম্প, যার মাত্রা বা ম্যাগনিটিউড তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি হয়, তা একই সময়ে, একই জায়গায় হয়, তখন ডাবলেট ভূমিকম্প হয়। সাধারণ ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে বড়সড় ভূমিকম্পের পর ছোট ছোট আফটারশক হয়। সেখানেই ডাবলেট ভূমিকম্পে দুটি ভূমিকম্পই একই মাত্রার হয়, যার ফলে দ্বিগুণ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

সাধারণত ডাবলেট ভূমিকম্প সেই সময় হয়, যখন প্রথম ভূমিকম্পে স্ট্রেস বা চাপ রিলিজের পর, তা পাশের ফল্ট সেগমেন্টে ট্রান্সফার হয়ে যায়। এর ফলে আবার ভাঙন বা কম্পন ধরে মাটির নীচে থাকা প্লেটে। এই ঘটনাটি বিরল, কারণ অধিকাংশ ভূমিকম্পে সঞ্চিত টেকটনিক প্লেটের চাপের বেশিরভাগই মুক্ত হয়ে যায়, ফলে তার পরপরই একই মাত্রার আরেকটি বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই কেন দ্বিতীয় ভূমিকম্প হল? 
এর মূল কারণ হল চাপ বা স্ট্রেস ট্রান্সফার। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS)-র মতে, বড় ধরনের ভূমিকম্প আশপাশের ফল্ট লাইনে চাপের ভারসাম্য বদলে দিতে পারে, যার ফলে কখনও কখনও আরেকটি ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই ধরনের প্রভাবের ফলে ছোট ছোট আফটারশক দেখা যায়, তবে বিরল কিছু ক্ষেত্রে স্থানান্তরিত চাপ এতটাই বেশি হতে পারে যে তা অন্য একটি বড় ফল্ট অংশকে সক্রিয় করে তুলতে পারে।

একটি বড় ভূমিকম্প কাছাকাছি থাকা ফল্ট লাইনে নতুন ভূমিকম্প ঘটাতে পারে। এমনকী, কখনও কখনও অনেক দূরে অবস্থিত ফল্ট লাইনগুলিকেও প্রভাবিত করতে সক্ষম।

ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রথম ভূমিকম্পের ফলে ফল্ট সিস্টেমের সংলগ্ন একটি অংশে চাপের পরিবর্তন ঘটে, যার জেরেই মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দ্বিতীয় বড় ধরনের ভূমিকম্পটি ঘটেছে।

পাশাপাশি, এই ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূল জমানায় সরকারের দুর্নীতি কীভাবে জড়িত, তারও তথ্য প্রমাণ পেশ করেন। তিনি দেখান, কীভাবে তৃণমূল জমানায় ফিরহাদ হাকিম কলকাতা পৌরনিগমের মেয়র থাকাকালীন ক্রটিপূর্ণ থাকাকালীন অনুমোদিত হয়ে গিয়েছিল। 


এই দেখুন...' ভরা বিধানসভায় কাগজটা বার করে দেখিয়ে ফিরহাদের পর্দাফাঁস করলেন মুখ্য়মন্ত্রী
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও ফিরহাদ হাকিম


তারাতলার বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯। এখনও পর্যন্ত এসএসকেএম-এ ভর্তি রয়েছেন ২০ জন। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা স্থিতিশীল, এক জন আশঙ্কাজনক। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ ও আহতদের ১ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। বিধানসভায় এদিন মুখ্যমন্ত্রী তারাতলা বিপর্যয় নিয়ে শোকপ্রকাশ করেন। কিন্তু পাশাপাশি, এই ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূল জমানায় সরকারের দুর্নীতি কীভাবে জড়িত, তারও তথ্য প্রমাণ পেশ করেন। তিনি দেখান, কীভাবে তৃণমূল জমানায় ফিরহাদ হাকিম কলকাতা পৌরনিগমের মেয়র থাকাকালীন ক্রটিপূর্ণ থাকাকালীন অনুমোদিত হয়ে গিয়েছিল।


এদিন বিধানসভায় ভরা অধিবেশনে একটি নথি দেখান। সেটি ওই গোডাউনের বিল্ডিংয়ের প্ল্যান। শুভেন্দু বলেন, “দেখুন এতে সই রয়েছে প্রাক্তন মেয়রের।” মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, “প্রাক্তন মেয়র জড়িত। দেখুন মাননীয় ফিরহাদ হাকিমের সই। দেখুন কীভাবে স্ট্রাকচারে ডিফেক্ট থাকা অবস্থাতেও প্ল্যান অ্যাপ্রুভ করেছেন।” মুখ্য়মন্ত্রী এও জানান, ওই প্ল্যানেই সই রয়েছে, আর্কিটেক্ট, EAC, GTE, জমির ওনার, আবেদনকারীর। কীভাবে ডিজাইনে ভুল থাকা সত্ত্বেও প্ল্যান অনুমোদিত হয়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।





'রেলিং-এর একটাও খুঁটি থাকবে না', হেলমেট ছাড়াই আরাবুলের সঙ্গে রাস্তায় নেমে পড়লেন সমর্থকরা
কলকাতা পৌরসভার ৮০ নম্বর ওয়ার্ডের এলাকাতেই তৈরি হচ্ছিল অভিশপ্ত গোডাউন। ওই এলাকার কাউন্সিলর আনোয়ার খান। তিনি আবার ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বুধবারই ওই কাউন্সিলর ঘটনাস্থলে গেলে ঘাড়ধাক্কা খান। নাম জড়ায় ফিরহাদেরও। এদিন বিধানসভায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আপনার KMC তে কী হয়েছে, জানি না! আপনার কালীকে তুললেই সব হয়ে যাবে। KMC তে কালী না বললে কোনও প্ল্যান হয় না। আর কালী ক্যামাক স্ট্রিটের দ্বারা নিযুক্ত। এই কালী বাইপাসের পাশে ২০০ কোটি টাকা দিয়ে তৃণমূল ভবন বানাচ্ছে। আমরা সব বার করেছি।”

 বিধাননগর আদালতের নির্দেশ ছিল, ৩০ জুন বিধাননগর আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের উপস্থিতিতে অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। সিআইডি সেই সংক্রান্ত নোটিস দিতে বুধবার রাতে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিল।

আমি তো অস্বীকার করিনি...', নোটিস জারি হতেই শেষমেশ বিচারপতির কাছে স্বীকারই করে ফেললেন অভিষেক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

 কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “ওই কণ্ঠস্বর আমার। আমি তো অস্বীকার করিনি যে আমার কণ্ঠস্বর নয়। তার পরেও কেন কণ্ঠস্বর নমুনার প্রয়োজন রয়েছে?” মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানান, আগামী সোমবার ওই মামলার শুনানি হবে।


ডিজে মামলায় এ বার সিআইডি-র সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মামলার তদন্তে অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে সিআইডি।


প্রাক্তন মেয়রের দায় থাকলে গ্রেফতার করা হোক', শুভেন্দুর কাছে দাবি কুণাল ঘোষের
বিধাননগর আদালতের নির্দেশ ছিল, ৩০ জুন বিধাননগর আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের উপস্থিতিতে অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। সিআইডি সেই সংক্রান্ত নোটিস দিতে বুধবার রাতে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিল।


প্রসঙ্গত, নির্বাচনের প্রচারপর্বে কার্যত হুঁশিয়ারির সুরেই অভিষেক বলেছিলেন ৪ তারিখ ডিজে বাজবে। তাঁর সেই বক্তব্যকে হাতিয়ার করেই বিধাননগরের সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল অভিষেকের বিরুদ্ধে। এই সংক্রান্ত বিষয়ে যে সমস্ত ফেসবুক লিঙ্ক, ভিডিয়ো লিঙ্ক সবই সংগ্রহ করা হচ্ছে। কেস ডায়েরিও হস্তান্তর হয়ে গিয়েছে।  

অন্যদিকে সই জালিয়াতি কাণ্ডে জল গড়িয়েছিল আদালতে। কিন্তু হাজিরা দিতেই হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে যেতে হবে ভাবনীভবনে সিআইডি-র দফতরে। 

ফোর্ট উইলিয়াম সূত্রে খবর, বড়সড় বিপর্যয়ে যখন সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন ভারতীয় সেনা এই ধরনের মেশিন ব্যবহার করে থাকে। তারাতলা বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে উদ্ধার কার্য নানান সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। মূলত ভিতরে যে অন্ধকার অবস্থা, সেই কারণে এই ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।


তারাতলার বিপর্যয়ে সেনা নামাল রেসকিউ র‌্যাডার, কীভাবে প্রাণের খোঁজ দিচ্ছে এই যন্ত্র?
উদ্ধারকাজে সেনার হাতে রেসকিউ র‌্যাডার

বুধবার থেকে চলেছে উদ্ধারকাজ। সেনা-এনডিআরএফ-দমকল-পুলিশ মিলে সকলে একযোগে চালিয়ে যাচ্ছে তারাতলায় উদ্ধার কাজ। এখনও (বৃহস্পতিবার সকাল ১০.৩০) পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ২৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। বুধবারের পর থেকে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে সেনা। আর এবার ভারতীয় সেনার তরফে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে উদ্ধারকার্যে। নামানো হলো বিশেষ প্রযুক্তি সম্পন্ন স্ক্যানার মেশিন। এই মেশিনের নাম ‘রেসকিউ র‌্যাডার।’


কীভাবে কাজ করে এই র


বিধানসভায় 'এপাং ওপাং ঝপাং' বলে কী বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন রুদ্রনীল?
ধ্বংসস্তূপের উপরে এই মেশিন বসিয়ে ভিতরের যাবতীয় ছবি নিজেদের ডিসপ্লে বোর্ডে তুলে আনছেন সেনারা। যেখানে-যেখানে শ্রমিকদের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে এই মেশিন বসানো হচ্ছে। তারপর ডিস-প্লে বোর্ডের ভিতরের সম্পূর্ণ ছবি ওই অত্যাধুনিক মেশিনের মাধ্যমে ফুটে উঠছে। এরপর ছবি হাতে পাওয়া মাত্রই শাবল এবং হাতুড়ি নিয়ে সেই ঢালাই ব্রিজের ভাঙার কাজ শুরু করেছে সেনারা।


ফোর্ট উইলিয়াম সূত্রে খবর, বড়সড় বিপর্যয়ে যখন সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন ভারতীয় সেনা এই ধরনের মেশিন ব্যবহার করে থাকে। তারাতলা বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে উদ্ধার কার্য নানান সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। মূলত ভিতরে যে অন্ধকার অবস্থা, সেই কারণে এই ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারতীয় সেনার সূত্রে খবর, উত্তর কাশীতে যখন বিপর্যয় হয়েছিল তখন এই রেসকিউ র‌্যাডার ব্যবহার করে শ্রমিকদের উদ্ধার করা হয়েছিল। সংবাদপত্রডিজিটাল সংস্করণ

এখানে উল্লেখ্য, তারাতলায় নির্মীয়মান গোডাউনের ছাদ ভেঙে বুধবার বিপর্যয় ঘটে। এই ঘটনার রিপোর্ট জমা পড়েছে পৌরনিগমের কাছে। কলকাতা পৌরনিগমের কাছে যে রিপোর্ট জমা পড়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই ৫৪ কাঠা জমির উপরে নির্মাণ নকশা অনুমোদন হয়। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গুদামে তিনতলা কাঠামো তৈরি হয়ে গিয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, একতলা থেকে ঢালাই দিতে হয়। কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিনতলা থেকে ঢালাই দেওয়ার কাজ শুরু হয়। সেই ভার রাখতে পারেনি নির্মাণ কাঠামো। তারপরই এমন বিপর্যয়।

 জমি দুর্নীতির মামলায় আগেই মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই সুজয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেই সুমিতের নাম উঠে আসে বলে খবর। সুজয়ের সঙ্গে মিলেই জমি দুর্নীতির টাকা নিতেন বলে অভিযোগ সুমিতের বিরুদ্ধে।


একটা ঘটনা নয়, ৩০০টা প্লট', হাইকোর্টে কোনও স্বস্তি পেলেন না অভিষেকের পিএ
হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন না সুমিত

যে সুমিত রায়কে খুঁজতে কাকভোরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়িতে হাজির হয়েছিল পুলিশ, সেই সুমিতকে কোনও স্বস্তি দিল না কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে পুলিশ দাবি করেছিল, ওই বাড়িতেই অভিষেকের আপ্তসহায়কের শেষ টাওয়ার লোকেশন মিলেছিল। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি সুমিতকে। তাঁর আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল আদালত।


সুমিতের আগাম জামিনের আর্জি আগেই জানানো হয়েছিল হাইকোর্টে। বৃহস্পতিবার ছিল সেই মামলার শুনানি। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ, আগামী সোমবার হলফনামা আকারে যাবতীয় তথ্য জমা দিতে হবে আদালতে।


আমি তো অস্বীকার করিনি...', নোটিস জারি হতেই শেষমেশ বিচারপতির কাছে স্বীকারই করে ফেললেন অভিষেক
এক ব্যক্তি জমি দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শালবনী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতেই সুমিতের খোঁজ চলছে। অভিযোগ, জমি দেওয়ার কথা বলে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন সুমিত রায়। তারপর আর কোনও জমি দেননি। এভাবে জাল দলিল বা ডিড বানিয়ে অনেকের কাছ থেকেই টাকা নেওয়া হত বলে অভিযোগ।


বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের পর্যবেক্ষণ, “এটা মাত্র একটা ঘটনা নয়। ৩০০টা প্লট। একাধিক ব্যক্তি জড়িয়ে আছে। একজনের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে।”

মামলাকারীর আইনজীবী দাবি করেন, তৃণমূলের পার্টি অফিস, জেনারেল সেক্রেটারির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে সুমিতকে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। টাকা নিয়ে থাকলে সুমিতের যাবতীয় ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট দেখা হোক বলে দাবি করেছেন আইনজীবী। অন্যদিকে, সরকারি আইনজীবী কল্লোল মণ্ডল জানিয়েছেন, ড্রাইভার জানিয়েছে মূল অভিযুক্তের কাছে টাকা যেত। অভিযুক্তের বাড়ি থেকে জাল ডিড পাওয়া গিয়েছে।

জমি দুর্নীতির মামলায় আগেই মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই সুজয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেই সুমিতের নাম উঠে আসে বলে খবর। সুজয়ের সঙ্গে মিলেই জমি দুর্নীতির টাকা নিতেন বলে অভিযোগ সুমিতের বিরুদ্ধে।

পুর গড়াতেই ব্যাপক বৃষ্টি কলকাতার একাংশ। তারপর পরপর বাজ পড়তে শুরু করে। বৃষ্টি পড়া বন্ধ হয়ে গেলেও, বাজ পড়া থামেনি। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে একাধিক জেলায় মুহুর্মুহু বাজ পড়া শুরু হয়।


 একদিনে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা, হড়পা বানের বড় আশঙ্কা, পরপর বজ্রপাতে অস্থির কলকাতা
কলকাতায় জমে গেল জল


সকাল থেকে ছিল ঝলমলে রোদ, পরিষ্কার আকাশ। কিন্তু দুপুরের মধ্যেই এক লহমায় বদলে গেল গোটা শহরের ছবিটা। অন্ধকারে ঢেকে যায় কলকাতা, হাওড়া, হুগলি। শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। তবে শুধু বৃষ্টিই নয়, মুহুর্মুহু বজ্রপাতে রীতিমতো আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয় শহরে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জল জমে গিয়েছে শহরের একাধিক জায়গায়। থমকে যান চলাচল।


আবহাওয়াবিদদের অনুমান, একদিনে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ বৃষ্টি শুরু হয়। বাঁকুড়া, নদিয়া মেদিনীপুর সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া। রীতিমতো দুর্যোগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

একনাগাড়ে বৃষ্টি হওয়ায় সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, স্ট্র্যান্ড রোড, ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি চত্বর, সল্টলেক, সেক্টর ৫ সহ একাধিক জায়গায় জল জমে গিয়েছে ইতিমধ্যেই।


এদিকে, উত্তরবঙ্গে নতুন করে বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরের পাঁচ জেলায় এবার লাল সতর্কতা জারি করা হল আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়িতে চরম ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারেও চরম ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। একদিনে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বেশি বৃষ্টির আশঙ্কা আগামী রবিবার, সোমবার ও মঙ্গলবার। সিকিম, বাংলার পাহাড়ে আরও ধস নামতে পারে। পাহাড়ি নদীতে হড়পা বানের সতর্কবার্তা। সিকিম, ভুটানের জলে জলস্ফীতির আশঙ্কা ডুয়ার্সে। জুনের শেষে দক্ষিণের সব জেলায় বৃষ্টি বাড়তে পারে

রেল সূত্রে খবর, শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিট থেকে রবিবার ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত পাওয়ার ব্লক থাকবে। সেইকারণে সপ্তাহান্তে শিয়ালদহ শাখায় অন্তত ১৫টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের যাতে কোনওরকম অসুবিধা না হয়, সেই কারণে সপ্তাহান্তে পাওয়ার ব্লকের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সপ্তাহান্তে ভোগান্তি, শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় একগুচ্ছ লোকাল ট্রেন বাতিল
প্রতীকী ছবি

ফের ট্রাফিক ব্লক। ফের বাতিল একগুচ্ছ লোকাল ট্রেন। পরিকাঠামো উন্নয়ন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য সপ্তাহান্তে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় ট্রাফিক ব্লক থাকবে। শিয়ালদহ ডিভিশনের বালিগঞ্জ স্টেশন এলাকায় ডাউন প্যাসেঞ্জার লাইনে মোট ৬ ঘণ্টা ৩০ মিনিট (৩৯০ মিনিট) ট্রাফিক ব্লক থাকবে। ব্লকের জেরে আগামী ২৭ জুন ও ২৮ জুন আপ ও ডাউন মিলিয়ে একগুচ্ছ ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কিছু ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। GeographicReference


রেল সূত্রে খবর, শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিট থেকে রবিবার ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত পাওয়ার ব্লক থাকবে। সেইকারণে সপ্তাহান্তে শিয়ালদহ শাখায় অন্তত ১৫টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের যাতে কোনওরকম অসুবিধা না হয়, সেই কারণে সপ্তাহান্তে পাওয়ার ব্লকের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রবিবার ছুটি থাকায় নিত্যযাত্রী ও অফিসযাত্রীদের উপর প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম পড়বে।


সিনেমায় কথায় কথায় কেন জামা খুলে দেন সলমন? কারণটা জানলে অবাক হয়ে যাবেন
কবে, কোন কোন ট্রেন বাতিল থাকছে, কোন ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে, একনজরে দেখে নিন তালিকা


শনিবার (২৭ জুন) বাতিল ট্রেনগুলি হল
শিয়ালদহ – লক্ষ্মীকান্তপুর শাখা

৩৪৭৫২ ডাউন ৩৪৭৫৪ ডাউন ৩৪৭৫৫ আপ ৩৪৭৫৭ আপ

শিয়ালদহ – ক্যানিং শাখা

৩৪৫৫৪ ডাউন ৩৪৫৫৫ আপ

শিয়ালদহ – ডায়মন্ডহারবার শাখা

৩৪৮৫৮ ডাউন ৩৪৮৬০ ডাউন ৩৪৮৫৭ আপ ৩৪৮৫৯ আপ

শিয়ালদহ – বজবজ শাখা

৩৪১৬২ ডাউন ৩৪১৬১ আপ

শিয়ালদহ – সোনারপুর শাখা

৩৪৪৩৬ ডাউন

রবিবার (২৮ জুন) বাতিল ট্রেনগুলি হল
শিয়ালদহ – সোনারপুর শাখা

৩৪৪১২ ডাউন ৩৪৪১১ আপ

আংশিকভাবে যে ট্রেনগুলি চলবে, সেগুলি হল
শনিবার

৩৪৭৫৩ আপ (লক্ষ্মীকান্তপুর-শিয়ালদহ) সোনারপুর পর্যন্ত চলবে। ৩৪৫৫৩ আপ (ক্যানিং-শিয়ালদহ) সোনারপুর পর্যন্ত চলবে। ৩৪৫৫০ ডাউন (শিয়ালদহ-ক্যানিং) সোনারপুর থেকে ছাড়বে। ৩৪৫৫৭ আপ (ক্যানিং-শিয়ালদহ) সোনারপুর পর্যন্ত চলবে ও ৩৪৫৫২ ডাউন ট্রেন (শিয়ালদহ-ক্যানিং) সোনারপুর থেকে ছাড়বে। ৩৪৮৫৫ আপ (ডায়মন্ড হারবার-শিয়ালদহ) ট্রেন সোনারপুর পর্যন্ত চলবে। ৩৪৮৫৬ ডাউন (শিয়ালদহ-ডায়মন্ড হারবার) ট্রেন সোনারপুর থেকে ছাড়বে। বজবজ শাখার ৩৪১৫৯ আপ ও ৩৪১৬৩ আপ ট্রেন নিউ আলিপুর পর্যন্ত চলবে। বজবজ শাখার ৩৪১৬৪ ডাউন ট্রেন নিউ আলিপুর থেকে ছাড়বে।

রবিবার

৩৪৭১১ আপ লক্ষ্মীকান্তপুর শাখার ট্রেন সোনারপুর পর্যন্ত চলবে। ৩৪৭১২ ডাউন লক্ষ্মীকান্তপুর শাখার ট্রেন সোনারপুর থেকে ছাড়বে। ৩৪৮১১ আপ ডায়মন্ড হারবার শাখার ট্রেন সোনারপুর পর্যন্ত চলবে। ও ৩৪৮১২ ডাউন ডায়মন্ড হারবার শাখার ট্রেন সোনারপুর থেকে ছাড়ূবে। ৩৪১১২ ডাউন ও ৩৪১১৪ ডাউন বজবজ শাখার ট্রেন নিউ আলিপুর পর্যন্ত চলবে। ৩৪১১১ আপ বজবজ শাখার ট্রেন নিউ আলিপুর থেকে ছাড়বে।

রেল জানিয়েছে, ব্লক শুরু হওয়ার আগে শেষ ট্রেন হিসেবে চলবে ৩৪৭৫০ ডাউন ও ৩৪৫৫৩ আপ। ব্লক শেষ হওয়ার পর প্রথম ট্রেন হিসেবে চলবে ৩৪৫১১ আপ ও ৩৪৮১৪ ডাউন।

 বৃষ্টির দুপুরে জোর আলোচনা বিধানসভায়, শুভেন্দুর সঙ্গে এত কী কথা কুণালের! সকালের ঘটনাটাও কারও নজর এড়ায়নি
কুণালের সঙ্গে কথা শুভেন্দুর


এমনিতেই বিধানসভায় (WB Assembly) অভূতপূর্ব পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিরোধীরাই একে অপরের বিরোধী। শাসক দল এক বিরোধীকে আক্রমণ করলে খুশি হচ্ছে অপরপক্ষ। বক্তৃতা দিতে উঠে শাসক ভুলে দ্বিতীয়পক্ষের বিরোধীদের দুষতেই ব্যস্ত থাকছেন বিরোধী বিধায়করা। এহেন বাজেট অধিবেশনের মাঝেই বৃষ্টির দুপুরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে বিধানসভায়। কয়েক মিনিটের সাক্ষাৎ নিয়েই যারপরনাই কৌতূহল বিধায়কদের।


সকালে বিধানসভায় গিয়ে তারাতলার ঘটনা নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। অধিবেশনে বক্তব্য রেখে কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। পা বাড়িয়েছেন নিজের ঘরের দিকে। হঠাৎই দেখা গেল কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে এলেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বিরোধী বিধায়ককে দেখে দাঁড়িয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। বেশ কিছুক্ষণ কুণাল ঘোষের সঙ্গে কথা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। আর তারপরই গোটা বিধানসভা জুড়ে একটাই আলোচনা শুরু হয়ে যায়।


আমি তো অস্বীকার করিনি...', নোটিস জারি হতেই শেষমেশ বিচারপতির কাছে স্বীকারই করে ফেললেন অভিষেক

বেআইনি নির্মাণ ভাঙছিলাম বলে কত লোক হা হা করে তেড়ে এসেছিল, এখন দেখতে পাচ্ছেন?'
কী কথা হল কুণালের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর? কী এমন কথা! যার জন্য ঝাড়া কয়েক মিনিট বিধানসভার অলিন্দে বেলেঘাটার বিধায়ককে সময় দিলেন শুভেন্দু অধিকারী? চর্চা জোরদার হয়েছে। তবে এর পিছনে রয়েছে আরও একটা কারণ।


বৃহস্পতিবার বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে একটি দৃশ্য কারও নজর এড়ায়নি। মুখ্যমন্ত্রী এদিন সকালে যখন অধিবেশন কক্ষে ভাষণ রাখছিলেন, তখন তারাতলা-কাণ্ড নিয়ে বলার সময় মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি আক্রমণ করেন প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে। ফিরহাদের স্বাক্ষর করা বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদনের কাগজ দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যখন বলেন, ‘একজনকেও ছাড়ব না। উপযুক্ত ব্যবস্থা হবে।’ সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর সমর্থনে টেবিল চাপড়াতে থাকেন কুণাল। এই দৃশ্য এদিন সবার নজর কেড়েছে।

উল্লেখ্য, ঋতব্রত শিবিরে নাম লিখিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। সম্প্রতি অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে কুণাল ঘোষ বলেন, “তৃণমূলে যারা এখন বাঁচার চেষ্টা করছে, ওদের ছাড়বেন না স্যার।” তারপরই ফিরহাদের বিরুদ্ধে আক্রমণে কুণালের এই সমর্থন। আর তারপরই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত আলোচনা। এই ইস্যুতেই বিধানসভা সরগরম।

বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, "সিবিআই এই মামলায় গা-ছাড়া মনোভাব দেখাচ্ছে। চার্জশিট দাখিলের পর ১ বছর ৭ মাস কেটে গিয়েছে। তদন্ত কবে শেষ হবে ? তাহলে এই মামলা আমরা সিবিআইয়ের হাত থেকে নিয়ে নিচ্ছি। আর নির্দেশে এটাও লিখব যে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা হাইকোর্টের ঊর্ধ্বে।"


তদন্তে গা-ছাড়া মনোভাব দেখাচ্ছে CBI', ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট, আরজি কর মামলা CID-কে দেওয়া হোক, সওয়াল তিলোত্তমার পরিবারের
কলকাতা হাইকোর্ট


আরজি কর মামলায় (RG Kar Case) সিবিআই তদন্ত (CBI Investigation) নিয়ে ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। চার্জশিট দাখিলের প্রায় দেড় বছর পরেও কেন তদন্ত শেষ হয়নি? সিবিআই তদন্তে গা ছাড়া মনোভাব দেখাচ্ছে। আজ আরজি কর মামলার শুনানিতে এমনই মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে আরজি কর মামলার রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। গত ২১ মে সিবিআইকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই মতো এদিন রিপোর্ট জমা দিয়ে আদালতে সিবিআই জানিয়েছে, নির্দেশ অনুযায়ী তিন সদস্যের সিট গঠন করা হয়েছে। কিন্তু, বিচারপতি শম্পা সরকারের মন্তব্য, আদালতের নির্দেশই বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে সিবিআই।


কলকাতা হাইকোর্টে আরজি কর মামলা


একটা চক্র কাজ করছে', বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তদন্ত চাইলেন কুণাল ঘোষ
আজ আরজি কর মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে মামলার শুনানি চলছে। এদিন, সিবিআই তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুই বিচারপতি। আজ সিবিআই রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর বিচারপতি শম্পা সরকার প্রশ্ন তোলেন, “সিবিআই তদন্তে হস্তান্তরে দেরি, তথ্য প্রমাণ বিনষ্ট করার জন্য কারা দায়ী ? কারণ এটাও তো একটা অপরাধ।” একইসঙ্গে তাঁর মন্তব্য,”পরিবারের কী অভিযোগ রয়েছে? কেউ অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে সেটাও তো সিবিআইকে খুঁজে বের করতে হবে।”


বিচারপতির মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিবিআই জানিয়েছে, তাঁরা একাধিকবার সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখেছেন, পরিবারের সব বক্তব্য শুনে উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু, মায়ের বক্তব্য কোথায়, প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি শম্পা সরকার। সিবিআই জানিয়েছে, তাঁরা বক্তব্য লিখে রেখেছেন। এরপরই তদন্তে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।

বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ : সিবিআই এই মামলায় গা-ছাড়া মনোভাব দেখাচ্ছে। চার্জশিট দাখিলের পর ১ বছর ৭ মাস কেটে গিয়েছে। তদন্ত কবে শেষ হবে ? তাহলে এই মামলা আমরা সিবিআইয়ের হাত থেকে নিয়ে নিচ্ছি। আর নির্দেশে এটাও লিখব যে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা হাইকোর্টের ঊর্ধ্বে, তারা আদালতের নির্দেশ বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে, তারা উপযুক্ত তদন্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

বিচারপতি শম্পা সরকার : আমাদের নির্দেশের মানেই ছিল যে আগের তদন্তকারী অফিসারদের মামলা থেকে সরিয়ে নতুন গঠিত সিটকে দেওয়া। সেটাই আপনারা বুঝতে পারছেন না? আপনারা আপনাদের সহকর্মীদের প্রতি এত সহানুভূতিশীল?

এরপরই তদন্ত সিআইডির হাতে দেওয়ার বিষয়ে সওয়াল করেন তিলোত্তমার পরিবার। আদালতে তাঁদের দাবি,”সিবিআই না পারলে মামলা সিআইডিকে দিয়ে দেওয়া হোক। তবে, বিচারপতি শম্পা সরকার সিবিআই আধিকারিকদের তদন্তে আস্থা রেখেছেন। আদালতে বিচারপতি জানিয়েছেন, তাঁরা সিবিআইয়ের আধিকারিকদের প্রতি আস্থা রাখছেন। আশা করছেন যে তাঁরা সঠিক তদন্ত করবে। তবে, একইসঙ্গে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পুরানো কোনও তদন্তকারী আধিকারিক নবগঠিত সিটে থাকবেন না। মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে ৬ অগস্ট।

তারাতলার ওই নির্মাণের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, "কালীকে তুললেই সব বেরিয়ে যাবে। কালী না বললে কোনও প্ল্য়ানে অনুমোদন হয় না। এই কালী ক্যামাক স্ট্রিটের অ্যাপয়েন্ট করা। বাইপাসের ধারে ২০০ কোটি টাকায় তৃণমূলর ভবন বানাচ্ছে এই কালী। এখান থেকে টাকা তুলে পাঠায়।"

কালীকে তুললেই সব বেরিয়ে আসবে...', কে এই কালী? কী এমন ক্ষমতা তাঁর?
কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়


তারাতলার ঘটনায় শিউরে উঠেছে শহর কলকাতা। মৃতদের পরিবারে হাহাকার। কার গাফিলতিতে এতগুলো মানুষ প্রাণ হারাল, চলছে কাটাছেঁড়া। বেআইনি প্ল্যানিং-এর অভিযোগ আগেই সামনে এনেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর মুখে উঠে এলে ‘কালী’র নাম। ‘কালীকে তুললেই সব বেরিয়ে যাবে’, বিধানসভায় বিবৃতি দিতে গিয়ে এ কথা বলেছেন তিনি।


কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?
তারাতলার ওই নির্মাণের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “কালীকে তুললেই সব বেরিয়ে যাবে। কালী না বললে কোনও প্ল্য়ানে অনুমোদন হয় না। এই কালী ক্যামাক স্ট্রিটের অ্যাপয়েন্ট করা। বাইপাসের ধারে ২০০ কোটি টাকায় তৃণমূলর ভবন বানাচ্ছে এই কালী। এখান থেকে টাকা তুলে পাঠায়।”



৩৯ সেকেন্ডে জোড়া ভূমিকম্পে তছনছ ভেনেজুয়েলা! কী এই বিরল 'ডাবলেট ভূমিকম্প', কেন এত ভয়ঙ্কর?
কে এই কালী?
কালী আসলে কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরনিগমের চিফ ম্যানেজার। ফিরহাদ হাকিম মেয়র থাকাকালীন তাঁর ওএসডি ছিলেন কালীচরণ। মেয়রের পাশেই বসে থাকতে দেখা যেত তাঁকে। ফিরহাদ ইস্তফা দেওয়ার পর সাংসদ তহবিল সংক্রান্ত বিভাগে দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। বর্তমানে সেখানেই কর্মরত।


কালীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন নয়
ফিরহাদের পাশে পাশেই থাকতেন কালীচরণ। পুরসভার অন্দরে আলোচনা হত, কালীর চোখ দিয়েই নাকি কলকাতা দেখতেন মেয়র। পুরনিগমের অফিসারদেরও অনেক অসন্তোষ রয়েছে ছিল এই কালীকে ঘিরে। সবথেকে বড় কথা, সেক্সপীয়র সরণি থানায় এই কালীচরণের বিরুদ্ধে ভাতা সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ দায়ের করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর আইনজীবী সঞ্জয় বসু। আর এবার সেই কালীচরণের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন শুভেন্দুর মুখে কালীর কথা শুনে ফিরহাদ হাকিম বলেন, “এটা কেন বলল আমি জানি না। ক্যামাক স্ট্রিট তো কালীর বিরুদ্ধেই।” এই বিষয়ে কথা বলতে কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কথা বলতে চাননি।

রাজ্যের বিজেপি সরকারের বিরাট পদক্ষেপ। আনা হচ্ছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিল। আগামী সোমবার বিশেষ অধিবেশন রাখা হয়েছে। ওই দিনই পেশ করা হবে এই বিল। এমনটাই সূত্রের খবর। কী কী থাকবে এই বিলে?

 রাজ্যেও চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি? সোমবার আসছে বিল
রাজ্যেও চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি?

পশ্চিমবঙ্গেও চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code)? রাজ্যের বিজেপি (BJP) সরকারের বিরাট পদক্ষেপ। আনা হচ্ছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিল (Uniform Civil Code)। আগামী সোমবার বিশেষ অধিবেশন রাখা হয়েছে। ওই দিনই পেশ করা হবে এই বিল। এমনটাই সূত্রের খবর। উত্তরাখণ্ড, গুজরাটে ইতিমধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হয়েছে। অসমে গত মে মাসেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পাশ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ কি চতুর্থ রাজ্য হতে চলেছে, যেখানে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবে? কী কী নিয়মবিধি থাকবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে?


দেশজুড়েই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। ‘এক দেশ, এক আইন’ চালু করার লক্ষ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পরিকল্পনা, যেখানে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম বা সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা আইন থাকবে না। সকলের জন্য একই নিয়ম হবে।


লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আর অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের 'ফিলোজফি' আলাদা, তফাৎটা বুঝিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী
ইতিমধ্যেই দেশের কয়েকটি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে। দেশের মধ্যে উত্তরাখণ্ড প্রথম রাজ্য, যেখানে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি এই বিধি চালু হয়। উত্তরাখণ্ডে ইউসিসি-তে বহুগামিতা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, লিভ ইন সম্পর্কের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সম্পত্তিতে সন্তানদের সমান অধিকার, লিভ ইন সম্পর্কে জন্মানো সন্তানকেও আইনি স্বীকৃতির মতো বিধান চালু করা হয়েছে।


একই পথে হেঁটে গুজরাটেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে। অসমে ইতিমধ্যেই বিধানসভায় বিল পাশ হয়ে গিয়েছে। কী কী আইনি বিধান থাকবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে বিল আনা হচ্ছে।

ভোটের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন যে ক্ষমতায় আসলেই রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে।

আগামী সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। তবে বিলে কী কী বিধান থাকবে, তা এখনও জানা যায়নি। এই অধিবেশনে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল যেমন পেশ করা হবে, তেমনই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিয়ে কঠোর বিল আনা হবে। এ কথা জানিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই বিলে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি দুর্নীতিগ্রস্থ প্রমাণিত হলে, শুধু আইনি শাস্তিই নয়, তার সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করতে পারবে সরকার। এবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে কী কী বিধান থাকে, তাই-ই দেখার।

 বেআইনি আয়ের উৎস থেকে সম্পত্তি দখল রুখে 'গুণ্ডাদমনে' আরও কড়া আইন আনছে রাজ্য সরকার। গুন্ডামি, ঘুষ নিয়ে বেআইনি সম্পত্তিকে আইনি বানানোর মতো অপরাধকে সামনে রেখে এই বিল তৈরি হয়েছে। তাতে ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনের সমস্ত ধারা প্রয়োগ করা যাবে।


থাকছে 'গুণ্ডা' শব্দটিও, সোমবার কড়া বিল আনছে শুভেন্দু-সরকার

 ক্ষমতায় আসায় দেড় মাসের মধ্যেই পরপর নতুন বিল আনছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। আগামী সোমবার একদিনের জন্য বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে রাজ্য বিধানসভায়। সেখানেই আনা হচ্ছে নয়া বিল। দুর্নীতি দমনে কড়া বিল আনা হবে বলে আগেই বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর সোমবার আসছে সেই দুর্নীতি-বিরোধী বিল।


মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “কোনও চোরকে ছাড়া হবে না। আমরা শপথ নিয়েছি, কোনও চোর জেলের বাইরে থাকবে না। অনেকে ভাবছেন জেলে গিয়ে, ২ মাস জামিনে বেরিয়ে এলাম। তা হবে না। বিল আনছি। সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করব। সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে অকশন করব।”


বৃষ্টির দুপুরে জোর আলোচনা বিধানসভায়, শুভেন্দুর সঙ্গে এত কী কথা কুণালের! সকালের ঘটনাটাও কারও নজর এড়ায়নি
কী থাকছে এই বিলে?
বেআইনি আয়ের উৎস থেকে সম্পত্তি দখল রুখে ‘গুণ্ডাদমনে’ আরও কড়া আইন আনছে রাজ্য সরকার। গুন্ডামি, ঘুষ নিয়ে বেআইনি সম্পত্তিকে আইনি বানানোর মতো অপরাধকে সামনে রেখে এই বিল তৈরি হয়েছে। তাতে ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনের সমস্ত ধারা প্রয়োগ করা যাবে।


গুন্ডামি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করতে ‘গুণ্ডা’ শব্দকে বিলের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। শাস্তি হিসেবে ৭ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হচ্ছে। ন্যায় সংহিতাতেও এই নিয়ে কড়া শাস্তির বিধান রয়েছে।

দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে কেউ বাধা দিলে তাকে রুখতে সবরকমের আইনি পথে যেতেও যাতে প্রশাসন পিছপা না হয় তার জন্য ‘গুণ্ডা’ শব্দটিকে বিলে রেখে তাকে আইনে পরিণত করতে চাইছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। চলতি অধিবেশনেই সেই বিল আসার কথা।

সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত সংক্রান্ত ইস্যু বা শাস্তিও থাকবে ওই বিলে। রাজ্য সরকারি, কেন্দ্র সরকারি, বেসরকারি সবরকম সম্পত্তির ক্ষেত্রেও একই ধারা, একই শাস্তি বহাল হবে।

বেআইনিভাবে দখলদারি, ভাঙচুর রুখে পাল্টা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য আইনি বিধান থাকছে।

আনলফুল জমায়েত দাঙ্গা, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ দমন করবে সরকার। ভাঙচুরের ৩ মাসের মধ্যে সম্পত্তি দখলের দাবি জানানো যাবে।