WEATHER

Top News


বছরে তাহলে কত পরিমাণ বাল্য বিবাহ হয়। চমকে দেওয়া পরিসংখ্যান সামনে এসেছে শুধুমাত্র মালদা জেলাতেই। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সোমবার এই পরিসংখ্যান দিয়ে বলেছেন, বাল্য বিবাহের ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদের পরই মালদহের স্থান। আর সেক্ষেত্রে কোনও রিলিজিয়ন তিনি দেখছেন না বলেও জানিয়ে দেন। 


তালিকায় দ্বিতীয় মালদহ! কেন এত বাল্যবিবাহ সেখানে? কাদের হাত? এবার মুখ খুলছেন আধিকারিকরাই
মালদহে বাল্য বিবাহ

 কাজিরা নিয়মিতই নাবালিকাদের বিয়ে দিচ্ছে কোনওরকম সার্টিফিকেট বা কাগজ পত্র না দেখেই। এছাড়া ভুয়ো কাজি সেজেও পাচার চক্রের অনেকেই প্রতারণা করে চলেছে। বিয়ে দেখিয়ে পরে পাচার বা বিক্রি। এমনকি সরকার স্বীকৃত ম্যারেজ অফিসারদেরকেও ধোঁকা দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মালদহে ভয়ঙ্কর অভিযোগ। সম্প্রতি একটি পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। তার ভিত্তিতে সমাজকল্যাণ দফতরের শিশু ও নারী কল্যাণ সমিতির প্রাক্তন চেয়ারপার্সন চৈতালি সরকার বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, রোজ এক থেকে দুটি করে বাল্যবিবাহ হচ্ছে। মাসে ত্রিশ থেকে চল্লিশ জন। যাদের বেশিরভাগই বিয়ের নামে বিক্রি করা হচ্ছে বা পাচার করা হচ্ছে দেশে বা দেশের বাইরে।সক্রিয় আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্র। যে সংখ্যা আরও বারতে পারে। যার খোঁজ মেলে না। রিপোর্ট হয় না।


কিন্তু সার্টিফিকেট? মালদহের ইংরেজবাজারের ম্যারেজ অফিসার মনসুর আলির দাবি,
জাল সার্টিফিকেট বানিয়ে সেটাই জমা দেওয়া হচ্ছে। নাবালিকাদের আসল বয়স লুকিয়ে বেশি বয়স দেখিয়ে জাল সার্টিফিকেট বানানো হচ্ছে। পরে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি কার্যত নিজেই স্বীকার করে নিচ্ছেন এমন ভুল তাঁদের দিয়েও হয়ে যাচ্ছে। জাল ডকুমেন্টস সার্টিফিকেট পরীক্ষা করার উপায় তাঁদের কাছে নেই। কম্পিউটারে জাল সার্টিফিকেট প্রিন্ট করে আনা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা মূলত দেখি আধার কার্ড আপডেট রয়েছে কিনা, ভোটার কার্ড, বার্থ সার্টিফিকেট কিংবা মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট দেখি। কাজিরা তো একদিনেই বিয়ে। সেখানে পেপার দেখার ওদের প্রয়োজন পড়ে না। সরকারের রুলস রয়েছে ১৮-২১! এটা মানা হচ্ছে না।”


বছরে তাহলে কত পরিমাণ বাল্য বিবাহ হয়। চমকে দেওয়া পরিসংখ্যান সামনে এসেছে শুধুমাত্র মালদা জেলাতেই। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সোমবার এই পরিসংখ্যান দিয়ে বলেছেন, বাল্য বিবাহের ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদের পরই মালদহের স্থান। আর সেক্ষেত্রে কোনও রিলিজিয়ন তিনি দেখছেন না বলেও জানিয়ে দেন।


পূর্বতন সরকারের আমলে বাল্যবিবাহ নিয়ে বারবার রিপোর্ট করা হয়েছিল বলে জানান চৈতালি। কিন্তু অভিযোগ, প্রশাসনের তরফে তেমন হেলদোল সে সময়ে দেখা যায়নি। তাঁর অভিযোগ, বিগত সরকারের সময়, গত মে মাস পর্যন্ত গ্রামে গ্রামে এই নিয়ে কাজ করে যে রিপোর্ট সামনে এসেছে তা সাংঘাতিক। এই মালদা জেলাতেই মাসে ২০ থেকে ৩০ জন তো রিপোর্ট হয়ই। এছাড়াও আরও ১০ থেকে ২০ জন বাড়বেই। ফলে মাসে ত্রিশ চল্লিশ জন করে বাল্য বিবাহ হচ্ছে। আর এর সঙ্গে যুক্ত আছে আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্র। যারা নাবালিকা ও তাদের পরিবারকে প্রলোভন দেখায়। সমাজ মাধ্যমে বন্ধুত্ব, প্রেম। এরপরেই ট্র‍্যাপে ফেলে বিয়ে। তারপর পাচার বা বিক্রি। এছাড়া দরিদ্র পরিবারে মোটা টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ঘরের নাবালিকাকে বিয়ের নামে পাচার এমন ঘটনা আকছার হচ্ছে। চৈতালি বলেন, “কিছু ঘটনা আমাদের সামনে আসে, কিছু আসে না। যখন আসে আমরা সেটা নিয়ে কাজ করি। এগুলো আটকাতে আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে, আরও বেশি সচেতনতা বাড়াতে হবে।”

বাল্য বিবাহ রুখতে ইতিমধ্যেই কড়া পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। শুভেন্দু স্পষ্ট করে দেন, অপরিণত বয়সে স্ত্রী মা হলে সেই স্বামীর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে। তাঁর হুঁশিয়ারি, যাঁরা বিয়ে দেবেন, সেই পুরোহিত বা কাজিদেরও ছাড় দেওয়া হবে না। আইনের ধারা মেনে রেয়াত পাবেন না অভিভাবকেরাও। গত মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এই সংক্রান্ত ধারাও মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।



কেন্দ্রের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার আদালতকে আইনি বিষয়ে সাহায্য করবে। এই বিষয়ে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই যে জবাব জমা দিয়েছে, তার ভিত্তিতেই বক্তব্য রাখা হবে।


বিয়ে মানেই ব্যক্তিগত অধিকার শেষ হওয়া নয়, বৈবাহিক ধর্ষণ নিয়ে এবার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে
সুপ্রিম কোর্ট

বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে কি না, তা নিয়ে শুনানি শুরু করল সুপ্রিম কোর্ট। আজ, বুধবার শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, বৈবাহিক ধর্ষণ নিয়ে চলা একাধিক মামলার মধ্যে প্রথমে কর্নাটক হাইকোর্টের একটি রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি হবে। ওই মামলায় এক স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে কার্যত ‘যৌনদাসী’র মতো ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছিল।


সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলার শুনানি চলছে। এ দিন শীর্ষ আদালত বলে, ” বর্তমানে দেশে যে আইন রয়েছে, সেটিকে ব্যাখ্যা করে এই ধরনের ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা চালানো সম্ভব কি না, প্রথমে তা দেখা হবে। এরপর বৈবাহিক ধর্ষণের ক্ষেত্রে আইনে থাকা ব্যতিক্রমের সাংবিধানিক বৈধতার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।”


কী বলা হয়েছে কর্নাটক হাইকোর্টের রায়ে?
এই মামলায় কর্নাটক হাইকোর্টের রায়কে সমর্থন করছেন সিনিয়র আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, বিশেষ পরিস্থিতিতে বৈবাহিক ধর্ষণের ক্ষেত্রে আইনি ব্যতিক্রম থাকা সত্ত্বেও স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা চালানো যেতে পারে। আদালতে ইন্দিরা জয়সিং জানান, সংশ্লিষ্ট মামলায় স্ত্রীকে তাঁর স্বামী কার্যত ‘যৌনদাসী’র মতো ব্যবহার করেছিলেন। সেই কারণেই কর্নাটক হাইকোর্ট বর্তমান আইনকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করেছিল, যাতে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা চালানো যায়।


তবে আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং স্পষ্ট করে বলেন যে তিনি সরাসরি বৈবাহিক ধর্ষণের আইনি ব্যতিক্রম বাতিল করার দাবি করছেন না। তাঁর যুক্তি, বর্তমান আইনকেই যথেষ্ট বিস্তৃতভাবে ব্যাখ্যা করে, এই ধরনের ঘটনাকে ধর্ষণের অপরাধের আওতায় আনা সম্ভব।

মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “এই যুক্তির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন রয়েছে। কোনও আইনে যদি নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে, তা হলে সেই ব্যতিক্রমকে কী এমনভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব, যাতে নির্দিষ্ট ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা চালানো যাবে?”

সুপ্রিম কোর্টের সামনে দুটি বড় প্রশ্ন-
বৈবাহিক ধর্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সামনে যে দুটি প্রশ্ন রয়েছে, তা হল- প্রথমত, বৈবাহিক ধর্ষণের ক্ষেত্রে আইনে যে ব্যতিক্রম রয়েছে, সেটিকে কি সীমিতভাবে ব্যাখ্যা করা যায়? যাতে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করা সম্ভব হয়। দ্বিতীয়ত, বৈবাহিক ধর্ষণের এই ব্যতিক্রম আদৌ সংবিধানসম্মত কি না? যদি তা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী হয়, তা হলে সেটি বাতিল করা হবে কি না।

সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, দুটি বিষয়ই খতিয়ে দেখা হবে। তবে আগে কর্নাটক হাইকোর্টের মামলাটিকে সামনে রেখে বর্তমান আইনের ব্যাখ্যার বিষয়টি বিচার করা হবে।

‘বিয়ে হলেই ব্যক্তিগত অধিকার শেষ হয়ে যায় না’-
শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “বিবাহিত মহিলাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিয়ে হয়েছে বলে কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বা নিজের শরীরের উপর অধিকার শেষ হয়ে যেতে পারে না।”

তবে একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আদালত একটি ফৌজদারি আইন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। তাই প্রথমে দেখতে হবে, আইনে থাকা বৈবাহিক ধর্ষণের ব্যতিক্রমটি অযৌক্তিক বা সংবিধানবিরোধী কি না। তার পরেই নির্দিষ্টভাবে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করা সম্ভব।”

বিচারপতি বাগচী আরও জানান, বৈবাহিক ধর্ষণের আইনি ব্যতিক্রম থাকার অর্থ এই নয় যে যৌন হিংসার ঘটনায় স্বামী সব ধরনের ফৌজদারি দায় থেকে মুক্ত হবেন। যৌন হিংসার কারণে গুরুতর আঘাত বা মৃত্যু হলে অন্যান্য ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

নির্ভয়া-কাণ্ডের পর বদলেছে ধর্ষণ আইন-
শুনানিতে আইনজীবীরা ২০১২ সালের নির্ভয়া-কাণ্ডের পর ধর্ষণ সংক্রান্ত আইনে আনা পরিবর্তনের বিষয়টিও তুলে ধরেন। সেই সময় ধর্ষণের সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত করা হয়েছিল। শুধু পুরুষাঙ্গ দিয়ে যৌন সংসর্গ নয়, অন্য ধরনের যৌন নির্যাতনও, যেখানে পেনিট্রেশন বা যৌন সংসর্গ হয়েছে, তা ধর্ষণের আওতায় আনা হয়।

একইসঙ্গে বৈবাহিক ধর্ষণের ক্ষেত্রে আইনি ব্যতিক্রমের ভাষাতেও পরিবর্তন করা হয়। যৌন সম্পর্কের পাশাপাশি যৌন আচরণ-এর কথাও আইনে যুক্ত করা হয়।

সিনিয়র আইনজীবী করুণা নন্দী শীর্ষ আদালতে বলেন, বিবাহিত সম্পর্কের মধ্যে অন্যান্য ধরনের যৌন হিংসার ক্ষেত্রেও এই আইনি ব্যতিক্রমের প্রভাব রয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা বাদ যাওয়ার পর এই ধরনের ঘটনায় আইনি প্রতিকারের বিষয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

কেন্দ্রের বক্তব্যও শুনবে আদালত-
কেন্দ্রের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার আদালতকে আইনি বিষয়ে সাহায্য করবে। এই বিষয়ে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই যে জবাব জমা দিয়েছে, তার ভিত্তিতেই বক্তব্য রাখা হবে।

আদালত নির্দেশ দিয়েছে, কেন্দ্রের জমা দেওয়া জবাবের কপি দুই দিনের মধ্যে মামলার সঙ্গে যুক্ত সব আইনজীবীকে দিতে হবে। চূড়ান্ত শুনানির আগে সব পক্ষকে নিজেদের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত রাখতেও বলা হয়েছে।

দিল্লি হাইকোর্টের বিভক্ত রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টে মামলা-
বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধের আওতায় আনা হবে কি না, সেই বিতর্ক সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছয় মূলত দিল্লি হাইকোর্টের বিভক্ত রায়ের পর। ২০২২ সালের ১১ মে দিল্লি হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চে এই বিষয়ে মতপার্থক্য হয়। বিচারপতি রাজীব শকধর বৈবাহিক ধর্ষণের আইনি ব্যতিক্রম বাতিল করার পক্ষে মত দেন। অন্যদিকে বিচারপতি সি হরি শঙ্কর ওই ব্যতিক্রম বহাল রাখার পক্ষে রায় দেন।

এরপরই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে যায়। এবার শীর্ষ আদালত প্রথমে কর্নাটক হাইকোর্টের মামলায় বর্তমান আইনকে কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায়, তা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি বৈবাহিক ধর্ষণের আইনি ব্যতিক্রম সংবিধানসম্মত কি না, সেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নেরও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে এগোবে সুপ্রিম কোর্ট।



পথ চলতি দুই সারমেয় প্রজননরত অবস্থায় ছিল। সেই সময় তাহেরপুর মাছ বাজারের মাংস ব্যবসায়ী মানিক দাস নিজের মাংস কাটার ধারালো অস্ত্র দিয়ে একটি সারমেয়ের যৌনাঙ্গে আঘাত করেন বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় রক্তাক্ত সারমেয়টিকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে সেবা-শুশ্রূষা শুরু করেন।


সঙ্গমের সময়েই যৌনাঙ্গে ধারাল অস্ত্রের কোপ! ভরা বাজারে মাংস ব্যবসায়ীর নোংরা কীর্তি এল সামনে

সঙ্গমরত সারমেয়কে ধারাল অস্ত্রের কোপ। গ্রেফতার মাংস ব্যবসায়ী। সঙ্গমরত দুই সারমেয়ের মধ্যে একটি কুকুরের যৌনাঙ্গে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠল এক মাংস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ছটফট করতে থাকে সারমেয়টি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় তাহেরপুর মাছ বাজার এলাকায়।


পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পথ চলতি দুই সারমেয় প্রজননরত অবস্থায় ছিল। সেই সময় তাহেরপুর মাছ বাজারের মাংস ব্যবসায়ী মানিক দাস নিজের মাংস কাটার ধারালো অস্ত্র দিয়ে একটি সারমেয়ের যৌনাঙ্গে আঘাত করেন বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় রক্তাক্ত সারমেয়টিকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে সেবা-শুশ্রূষা শুরু করেন।


খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তাহেরপুর থানার পুলিশ। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত সারমেয়টিকে পশু হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। চিকিৎসকদের দাবি, চিকিৎসায় সামান্য দেরি হলে প্রাণসংশয় হতে পারত সারমেয়টির।


এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত মানিক দাস ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ। পরে গভীর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে তাহেরপুর থানার পুলিশ। তাঁর বাড়ি তাহেরপুর থানার বি-ব্লক এলাকায়।

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তাঁকে রানাঘাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আহত সারমেয়টির চিকিৎসা বর্তমানে তাহেরপুর থানার পুলিশের তত্ত্বাবধানে চলছে। পশুপ্রেমী রণপ্রসাদ ভট্টাচার্য বলেন, “অবলা জীবদের ওপর অত্যাচার হলে সংবিধানে নির্দিষ্ট ধারা রয়েছে। এই ব্যক্তির কঠোরতম শাস্তি চাই। প্রজননের সময়ে আঘাত করেছে। বাস্তুতন্ত্রের বিরোধী কার্যকলাপ।”



অভিযোগ, খবর দেওয়ার পরেও দীর্ঘক্ষণ বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে না আসায় পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। গ্রামবাসীদের একাংশ অজগরটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলেন। এরপর সাপটিকে দড়ি দিয়ে টানাহিঁচড়া করা হয় বলেও অভিযোগ। পরে বাঁশবাগানে নিয়ে গিয়ে একটি বাঁশগাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে অজগরটিকে বেঁধে রাখা হয়। সেই ছবি সামনে আসতেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।


গ্রামে ঢুকে পড়েছিল প্রায় ১৩ ফুট লম্বা বিশাল আকৃতির অজগর।বেরুবাক নদী সংলগ্ন এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে সাপটিকে দেখতে পান গ্রামবাসীরা। এরপর বনদফতরকে খবর দেওয়া হলেও অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ পরেও ঘটনাস্থলে পৌঁছননি বনকর্মীরা। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে গ্রামবাসীরাই অজগরটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, দড়ি দিয়ে সাপটিকে টানাহিঁচড়া করা এবং পরে বাঁশবাগানে বাঁশগাছের সঙ্গে বেঁধে রাখার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ও বিতর্ক ছড়িয়েছে বানারহাট ব্লকের দুরামাড়ি এলাকার ছানাটিপা গ্রামে।


স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেরুবাক নদী সংলগ্ন এলাকায় মাছ ধরার সময় একটি বিশাল আকৃতির অজগর দেখতে পান কয়েকজন গ্রামবাসী। প্রায় ১৩ ফুট লম্বা সাপটিকে দেখে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ভিড় জমে যায় ঘটনাস্থলে। এরপরই সাপটি উদ্ধারের জন্য বনদফতরের কর্মীদের খবর দেওয়া হয় বলে দাবি গ্রামবাসীদের।


অভিযোগ, খবর দেওয়ার পরেও দীর্ঘক্ষণ বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে না আসায় পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। গ্রামবাসীদের একাংশ অজগরটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলেন। এরপর সাপটিকে দড়ি দিয়ে টানাহিঁচড়া করা হয় বলেও অভিযোগ। পরে বাঁশবাগানে নিয়ে গিয়ে একটি বাঁশগাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে অজগরটিকে বেঁধে রাখা হয়। সেই ছবি সামনে আসতেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।


স্থানীয়দের দাবি, বনদফতর থেকে ছানাটিপা গ্রাম কার্যত ঢিল ছোড়া দূরত্বে। পাশেই রয়েছে খট্টিমারি জঙ্গল। সেই জঙ্গল থেকেই অজগরটি কোনওভাবে নদী সংলগ্ন এলাকায় চলে এসে থাকতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা। ফলে বনদফতরকে খবর দেওয়ার পরেও কেন দ্রুত কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলেন না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

উদ্ধার হওয়া অজগরটি ইন্ডিয়ান রক পাইথন প্রজাতির বলে জানা গিয়েছে। প্রায় ১৩ ফুট লম্বা এই অজগর বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষাপ্রাপ্ত বন্যপ্রাণী। ফলে তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা, টানাটানি করা কিংবা ছবি তোলার জন্য এভাবে আটকে রাখার ঘটনায় বন্যপ্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতার অভিযোগ উঠেছে।

তবে এই ঘটনার জন্য শুধুমাত্র গ্রামবাসীদের দায়ী করা যায় কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কারণ গ্রামবাসীদের দাবি, তাঁরা সময়মতো বনদফতরকে খবর দিয়েছিলেন। কিন্তু বনকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছলে অজগরটিকে এভাবে নির্যাতন করা যেত না।

 

 



প্রাণখোলা মেজাজ দিয়ে শুরুতেই লাইমলাইট কেড়ে নিয়েছেন গায়ক কাজী তৌকীর। তাঁর বলা “আমি রকস্টার”—এই কথাটি এখন নেটপাড়ায় ট্রোলের খোরাক হলেও, তাঁর এই উপস্থিতি নাকি অন্যরকম এক কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছে! কারণ, শুধু এই কাজীর খাতিরেই জীবনে প্রথমবার ‘বিগ বস্’-এর দর্শক হতে চলেছেন খোদ অরিজিৎ সিং!


প্রথমবার বিগ বস দেখবেন অরিজিৎ সিং! জানেন কেন?

‘বিগ বস্ ২০’-র পর্দা উঠতেই প্রতিযোগী তালিকা নিয়ে দর্শককূলে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে সেই ভিড়ের মাঝেও নিজের খামখেয়ালি রসিকতা আর প্রাণখোলা মেজাজ দিয়ে শুরুতেই লাইমলাইট কেড়ে নিয়েছেন গায়ক কাজী তৌকীর। তাঁর বলা “আমি রকস্টার”—এই কথাটি এখন নেটপাড়ায় ট্রোলের খোরাক হলেও, তাঁর এই উপস্থিতি নাকি অন্যরকম এক কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছে! কারণ, শুধু এই কাজীর খাতিরেই জীবনে প্রথমবার ‘বিগ বস্’-এর দর্শক হতে চলেছেন খোদ অরিজিৎ সিং!


কাজী ও অরিজিতের রসায়নটাও বেশ পুরোনো। ২০০৫ সালের জনপ্রিয় মিউজিক শো ‘ফেম গুরুকুল’-এর মঞ্চে প্রথম দেখা হয়েছিল অরিজিৎ আর কাজীর। সেই থেকেই দু’জনের সমীকরণ বেশ গাঢ়; এমনকী এই বছরেই মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে অরিজিতের ভিটেতেও ঘুরে এসেছেন কাজী। বন্ধুকে সমর্থন জানাতে ৯ সেপ্টেম্বর নিজের এক্স হ্যান্ডলে অরিজিৎ স্পষ্টই লেখেন, “জীবনে প্রথম বার হলেও আমাকে এখন ‘বিগ বস্’ দেখতেই হবে, কারণ আমাদের রকস্টার কাজী ওখানে লড়াই করছে!”


 যাদবপুরে আরও ২ বার আসব, একবার বেদপাঠ করতে, একবার হনুমান চল্লিশা পাঠ করতে: শুভেন্দু
এবারের মরসুমে কাজী ছাড়াও প্রতিযোগীর খাতায় নাম লিখিয়েছেন কনিকা মান্ন, আসিফ খান, মেরি কম, ঈশা রিখী, রীতি তিওয়ারী, আম্রপালী দুবে, লভ গিল, হর্ষ মাচারে, মাহী বীজ, তন্ময় সিংহ, অরিশফা খান, কুশল তনওয়ার, অমন গাঁধী এবং উদিতি সিংহ।


তবে বাড়ি কিংবা প্রতিযোগীদের চালচিত্র বদলালেও বরাবরের মতোই ‘বিগ বস্’-এর আসল আকর্ষণ কিন্তু সঞ্চালক সলমন খানই। ‘তথাস্তু’ থিম নিয়ে শুরু হওয়া এই মরসুমেও সল্লু মিঞার সেই চিরচেনা কড়া ধমক, রসবোধ আর সপ্তাহান্তের ‘উইকএন্ড কা বার’-এর জন্যই মুখিয়ে রয়েছেন দর্শকেরা। সলমনের এই বলিষ্ঠ উপস্থিতি ছাড়া বিগ বসের যে আর কোনও বিকল্প হয় না, তা একবাক্যে মানছেন সবাই।




এখন প্রশ্ন উঠছে, কালীঘাট শিবিরের প্রার্থীও জোড়াফুল চিহ্নে ভোটে লড়বেন, আবার ঋতব্রত-তৃণমূলও একই প্রতীকে প্রার্থী দেবে কীভাবে? কাকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মান্যতা দেওয়া হবে? এদিন সেই বিষয়টাও ব্যাখ্যা করেছেন আখরুজ্জামান।


তৃণমূল প্রতীকেই প্রার্থী দেবে ঋত-শিবির, সিম্বল না পেলে কী হবে?
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়

দুয়ারে হাজির উপ নির্বাচন। অথচ এখনও প্রতীকের মালিকানা বিচার করে উঠতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) শিবিরের তরফে আবেদন করা হয়েছে কমিশনে। ঋত-শিবির বারবার সময় চেয়েছে, যার বিরোধিতা করেছে কালীঘাট। তবে উপ নির্বাচনে যে প্রার্থী দিতে তারা প্রস্তুত, তা জানিয়ে দিলেন ঋত-শিবিরের বিধায়ক আখরুজ্জামান।


বুধবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে আখরুজ্জামান জানিয়েছেন, ঋত শিবিরের সিদ্ধান্ত, রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম দুই আসনেই প্রার্থী দেওয়া হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীকেই মনোনয়ন দেবেন তাঁরা। তাঁদের আর্জি, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন অর্থাৎ ১৬ সেপ্টেম্বরের আগে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবে কমিশন।



 বাংলাদেশের সামরিক ক্ষমতা এটা? ট্যাঙ্ক থেকে গোলা ছুড়তে গিয়ে বিস্ফোরণে উড়ে গেল জওয়ানরাই!
এখন প্রশ্ন উঠছে, কালীঘাট শিবিরের প্রার্থীও জোড়াফুল চিহ্নে ভোটে লড়বেন, আবার ঋতব্রত-তৃণমূলও একই প্রতীকে প্রার্থী দেবে কীভাবে? কাকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মান্যতা দেওয়া হবে? এদিন সেই বিষয়টাও ব্যাখ্যা করেছেন আখরুজ্জামান।


তিনি জানান, কমিশনকে চিঠি দিয়ে আর্জি জানানো হবে, যাতে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তারা সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁদের বিশ্বাস, প্রতীক ঋত-শিবিরেরই থাকবে। উপ নির্বাচন, পুরসভা ভোটে প্রতীক যাতে ব্যবহার করা যায়, সেই চেষ্টাই করছেন তাঁরা। এই বিষয়ে কথা বলতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে যাবে ঋত-শিবিরের ৬ জনের টিম। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক না পেলে কী হবে? আখরুজ্জামান বলেন, “আমরা প্রতীক না পেলে আপনা থেকেই প্রার্থীরা নির্দল হয়ে যাবে।” তবে কোনও জোটে নয়, একা লড়ার কথাই জানিয়েছেন আখরুজ্জামান।




অপরদিকে, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রার্থী হন বলেছেন তৃণমূল নেতা আবু তাহের। তাঁর দাবি, সুদিনে দল প্রার্থী করেনি দল তাই দুর্দিনেও কেন প্রার্থী হবেন? এখানে উল্লেখ্য, শুরুটা হয়েছিল নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলন থেকেই। সেই আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে প্রথম থেকেই ছিল অধিকারীরা। সঙ্গে অবশ্যই শেখ সুফিয়ান,আবু তাহের, স্বদেশ দাস একাধিক নেতৃতরা।


 মমতা নন্দীগ্রামে দাঁড়ালে আমরা প্রার্থী দেব না: মদন মিত্র
মদন মিত্র

উপ-নির্বাচন হবে নন্দীগ্রামে (Nandigram)। সেই নিয়ে ক্রমেই চড়ছে পারদ। এখন কথা, নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবে? ইতিমধ্যেই দুই শিবির বিভক্ত। এবার দুই তৃণমূলই বলছে নন্দীগ্রামে লড়াই করবে। তাই প্রতীক নিয়ে যে সময় দড়ি টানাটানি চলছে, সেই সময় ঋতপন্থী তৃণমূল নেতা মদন মিত্র (Madan Mitra) জানালেন, যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করেন তাহলে তারা প্রার্থী দেবেন না। অপরদিকে, নন্দীগ্রামের আর এক দাপুটে নেতা আবু-তাহেরও জানিয়েছেন, দলের সুদিনে যখন তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি দুর্দিনে প্রার্থী হবেন না।


মদন মিত্র বলেন, “নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিততে পারেননি। গণতন্ত্রে শাসকের বিরুদ্ধে বিরোধীরা যদি একজোট হয়ে লড়াই করেন তাহলে গণতন্ত্রে মানুষ ভবিষ্যতের সন্ধান পায়। ঐক্যবদ্ধ হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তা কতখানি আছে তাতে না গিয়ে উনি যদি নন্দীগ্রামে দাঁড়ান তাহলে আমরা প্রার্থী দেব না। এতে প্রমাণ হবে, বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও ভাগ করার সুযোগ আমরা তুলে দিইনি। মমতাকে ময়দান ছেড়ে দিয়েছি। আর একটা প্রমাণ হবে। বিজেপির বি টিম কারা? আমরা হলে দুয়ের জায়গায় তিন-চার করতে পারতাম।”


খাটের নীচে কী করছিলেন দুই নার্স? টেনে বার করলেন রোগীর পরিজনরা... নার্সিংহোমের অন্য ছবি এল সামনে
অপরদিকে, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রার্থী হন বলেছেন তৃণমূল নেতা আবু তাহের। তাঁর দাবি, সুদিনে দল প্রার্থী করেনি দল তাই দুর্দিনেও কেন প্রার্থী হবেন? এখানে উল্লেখ্য, শুরুটা হয়েছিল নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলন থেকেই। সেই আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে প্রথম থেকেই ছিল অধিকারীরা। সঙ্গে অবশ্যই শেখ সুফিয়ান,আবু তাহের, স্বদেশ দাস একাধিক নেতৃতরা। আন্দোলন সুফল পেয়েই সরকার ক্ষমতায় আসে ২০১১ সালে। ক্ষমতায় আসার পর সুফল পান সুফিয়ান। তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ সহ সভাধিপতি হন। ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদও।


সেই তুলনায় আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য মুখ হলেও বঞ্চিত আবু তাহের। তাঁর ভাগ্যে জুটেছে একাধিক মামলা। তার জেরে নন্দীগ্রাম ছেড়ে থাকতে হয়েছে বাইরেও। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে দিনের পর দিন লড়াই করলেও কোনও ভাবেই দল তার প্রতি সুবিচার করেনি বলেই আক্ষেপ প্রকাশ করলেন তিনি।




এ দিন, তৃণমূল সাংসদ বলেন, "স্বাস্থ্য দফতর থেকে শুধু নিরামিষের দোকান নয়। অনেক মিষ্টির দোকান বন্ধ করে দিয়েছে। বিরিয়ানির দোকান বন্ধ আছে। আসলে বাংলাকে নিরামিষাশী করতে চাইছে।" তিনি আরও বলেন, "বিভিন্ন দোকানে গিয়ে টাকা চাওয়া হচ্ছে। আর টাকা না দিলেই একটা অন্য অ্যালিবাই দিয়ে সাসপেন্ড করাচ্ছে।


বিভিন্ন দোকানে টাকা চাইছে, না দিলেই সাসপেন্ড', রেস্তোরাঁ বন্ধ নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ

আবার পনিরে পেঁচিয়ে থাকছে চুল। বিভিন্ন দোকানের লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাচ্ছে। ছোট-বড়-মাঝারি সব ধরনের দোকানের লাইসেন্স বাতিল হচ্ছে ক্রমাগত। এই আবহের মধ্যে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ তথা কালীঘাটপন্থী তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan banerjee)। তাঁর দাবি, তোলাবাজির টাকা না পেয়ে এই দোকানগুলি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।


এ দিন, তৃণমূল সাংসদ বলেন, “স্বাস্থ্য দফতর থেকে শুধু নিরামিষের দোকান নয়। অনেক মিষ্টির দোকান বন্ধ করে দিয়েছে। বিরিয়ানির দোকান বন্ধ আছে। আসলে বাংলাকে নিরামিষাশী করতে চাইছে।” তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন দোকানে গিয়ে টাকা চাওয়া হচ্ছে। আর টাকা না দিলেই একটা অন্য অ্যালিবাই দিয়ে সাসপেন্ড করাচ্ছে। সনাতনী বলতে উত্তরপ্রদেশের হিন্দুদের মতো বানাতে চাইছে। শাক্তরা কেউ সনাতনী নয়। শুধু বৈষ্ণবরা সনাতনী কারণ ওরা ভেজ নিরামিষ খায়।”


 বাংলাদেশের সামরিক ক্ষমতা এটা? ট্যাঙ্ক থেকে গোলা ছুড়তে গিয়ে বিস্ফোরণে উড়ে গেল জওয়ানরাই!
ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ, পৃথিবীর কী হবে?
পাল্টা মন্তব্য করেছেন রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী তাপস রায়ও। তিনি বলেন, “এই তোলাবাজির জন্ম কারা দিয়েছে? কাটমানি শব্দ বেরিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ থেকে। কল্যাণ পচা মাংস খাক। ও খুব বিরিয়ানি খেতে ভালবাসে।” এখানে উল্লেখ্য, আজ শুধু খাবারের দোকান নয়, একই সঙ্গে বড়বাজারে ওষুধের দোকানেও তল্লাশি চলানো হয়েছে।


বস্তুত, আর কয়েকদিন পরই শুরু হচ্ছে দুর্গাপুজো। তার আগে জায়গায়-জায়গায় চলছে তল্লাশি অভিযান। অপরিচ্ছন্নতা, খাবারে রাসায়নিক মেশানো, মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার পরিবেশন করার অভিযোগে কলকাতার ৪০ রেস্তোরাঁ ও দোকানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। একে একে ঝাঁপ বন্ধ করা হচ্ছে দোকানগুলির। তবে ওই সংশ্লিষ্ট দোকানগুলি নতুন করে ফুড লাইসেন্সের আবেদন করতে পারবেন বলে খবর।



নেশামুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানায় শুরু হল বিশেষ সচেতনতা অভিযান। বুধবার ফ্রেজারগঞ্জ কৃষ্ণপ্রসাদ হাইস্কুলের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে এই কর্মসূচির সূচনা করে সুন্দরবন পুলিশ জেলা ও ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানা।

কিশোর-কিশোরীদের নেশার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা এবং নেশা থেকে দূরে থাকার বার্তা দেওয়াই ছিল এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে পুলিশ আধিকারিকরা পড়ুয়াদের সামনে নেশার বিভিন্ন কুফল তুলে ধরেন। পাশাপাশি, নেশার বিরুদ্ধে পরিবার, স্কুল ও সমাজের সকলকে একসঙ্গে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

পুলিশের বক্তব্য, কিশোর-কিশোরীদের নেশার কবল থেকে দূরে রাখতে স্কুলস্তর থেকেই সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। সেই লক্ষ্যেই আগামী দিনেও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পড়ুয়াদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নেশামুক্ত সমাজ গড়ার বার্তাই এদিনের কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হয়ে ওঠে।




কাকদ্বীপে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ নিয়ে প্রেস মিট, উপস্থিত সুন্দরবন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা
সন্দীপ দাস, কাকদ্বীপ: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সেবা, নিষ্ঠা ও জনকল্যাণের আদর্শকে সামনে রেখে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে কাকদ্বীপে আয়োজিত হল এক বিশেষ প্রেস মিট।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাগরের বিধায়ক সুমন্ত মন্ডল ও সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা এবং মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি নবেন্দু সুন্দর নস্কর-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা। প্রেস মিটে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর বিভিন্ন কর্মসূচি ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়
নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানুষের কাছে পৌঁছে জনসেবামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার লক্ষ্যেই এই অভিযান। জনসেবার সংকল্পকে আরও সুদৃঢ় করে মানুষের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

সম্প্রতি তারাপীঠ ও এসপ্লানেডের দুটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর বন্ধ করে দেওয়া একাধিক গেস্ট হাউস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শহরের প্রায় ৯১৯ টি অতিথিশালা বা গেস্ট হাউস বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশিকা জারি হয়েছে কলকাতা পুরসভা এবং দমকলের তরফে।


কোনও কম্প্রোমাইজ নয়', সোজা সাউথ সিটি, ওয়েস্ট সাইডে পৌঁছে গেলেন আধিকারিকরা
সাউথ সিটি মলে আধিকারিকরা

রেস্তোরাঁ, মিষ্টির দোকান, হোটেল, গেস্ট হাউসের পর এবার নজরদারি শহরের একাধিক শপিং মলে। বুধবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার সাউথ সিটি মল ও ওয়েস্ট সাইড মলে হাজির হন দমকল আধিকারিকরা। পুরো মল খতিয়ে দেখেন তাঁরা। মূলত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়।


সম্প্রতি তারাপীঠ ও এসপ্লানেডের দুটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর বন্ধ করে দেওয়া একাধিক গেস্ট হাউস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শহরের প্রায় ৯১৯ টি অতিথিশালা বা গেস্ট হাউস বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশিকা জারি হয়েছে কলকাতা পুরসভা এবং দমকলের তরফে। পর্যাপ্ত অগ্নি সুরক্ষাবিধি না মানায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মির্জা গালিব স্ট্রিট, ধর্মতলা, জানবাজার সহ মধ্য কলকাতার একাধিক গেস্ট হাউসে এখনও অগ্নি সুরক্ষায় ত্রুটিপূর্ণ বলে নোটিস দেওয়া হয়েছে।

তালিকায় দ্বিতীয় মালদহ! কেন এত বাল্যবিবাহ সেখানে? কাদের হাত? এবার মুখ খুলছেন আধিকারিকরাই

দেখব কত সুন্দর লাগছে তোকে', ছাত্রীদের ফোনে ঢুকত মেসেজ, মডেল বানিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবও দিতেন হাওড়ার এই শিক্ষক?
এবার শপিং মলগুলিতে নজর দেওয়া হচ্ছে। মূলত ফুড কোর্ট ঘুরে দেখেন আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ঠিক আছে কি না, মেয়াদ উত্তীর্ণ কি না, পর্যাপ্ত কর্মী আছে কি না, সব খতিয়ে দেখা হয়। ফুড কোর্ট, পানশালার ভিতরে ঢুকে অডিট করেন আধিকারিকরা। নকশা বা প্ল্যান খতিয়ে দেখা হয়। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে কি না, সেটাও দেখছেন আধিকারিকরা।


এক আধিকারিকরা বলেন, “আনন্দ করতে এসে নিরানন্দের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেটা খতিয়ে দেখা হয়। প্রোটোকল মেনে ভিজিট করছি। কোনটা করতে হবে, কোনটা করা নেই, সেগুলো দেখা হচ্ছে।”



ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ অগাস্ট। হাওড়ার একটি ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে সহযোগীদের সঙ্গে নেপাল পাড়ি দিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। ২৫ তারিখ রাতেও স্বামীর সঙ্গে স্বাভাবিক কথাবার্তা হয় তাঁর। কিন্তু ২৬ অগাস্ট নেপালে হড়পা বান আসার পর থেকেই আচমকা বন্ধ হয়ে যায় শর্মিষ্ঠার মোবাইল, বিচ্ছিন্ন হয় সমস্ত যোগাযোগ।


স্ত্রীর খোঁজ মেলেনি এখনও, শুভ্রাংশুর প্রোফাইল পিকচার বদলাতেই জল্পনা শুরু শুভানুধ্যায়ীদের
শুভ্রাংশু রায়

নেপালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও হড়পা বানের প্রায় দুই সপ্তাহ অতিক্রান্ত, অথচ আজও নিখোঁজ বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়ের স্ত্রী শর্মিষ্ঠা রায়। রাজ্য প্রশাসন, দিল্লির বিদেশ মন্ত্রক কিংবা কাঠমান্ডুর ভারতীয় দূতাবাস—সর্বত্র দরবার করেও মেলেনি কোনো ইতিবাচক বার্তা। এই দমবন্ধ করা অনিশ্চয়তার মাঝেই শুভ্রাংশু রায় সামাজিক মাধ্যমে সস্ত্রীক একটি বিষণ্ণ ‘সাদা-কালো’ ছবি প্রোফাইল পিকচার অর্থাৎ ডিপি হিসাবে ব্যবহার করেছেন। আর তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।



শুধুই জল আর জল, আর 'স্থল' আছে ভুতনিতে?
ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ অগাস্ট। হাওড়ার একটি ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে সহযোগীদের সঙ্গে নেপাল পাড়ি দিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। ২৫ তারিখ রাতেও স্বামীর সঙ্গে স্বাভাবিক কথাবার্তা হয় তাঁর। কিন্তু ২৬ অগাস্ট নেপালে হড়পা বান আসার পর থেকেই আচমকা বন্ধ হয়ে যায় শর্মিষ্ঠার মোবাইল, বিচ্ছিন্ন হয় সমস্ত যোগাযোগ। টিভির পর্দায় সবসময় চোখ রাখতে থাকেন শুভ্রাংশু। নানাভাবে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টাও করেছিলেন।


 ভবানী ভবন থেকে শুরু করে স্থানীয় থানা ও বিদেশ মন্ত্রকের দুয়ারে দুয়ারে ঘোরেন শুভ্রাংশু ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। উদ্ধার হওয়া পরিচয়হীন মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে পরিবারের ডিএনএ (DNA) নমুনাও, যার চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও মেলেনি। রিপোর্টের জন্য উৎকণ্ঠার সঙ্গে অপেক্ষা করার মাঝেই ফেসবুকের ডিপি-তে ভেসে ওঠা শোকাবহ সাদা-কালো ছবি যেন চরম দুঃসংবাদেরই আভাস দিচ্ছে বলে মনে করছেন শুভানুধ্যায়ীরা।



আবার এই তালিকাতে নাম করে নিয়েছেন লিওনেল মেসি। ক্লাব ফুটবলে ১৮ গোলের পাশাপাশি আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে ৮ গোল করেছেন মেসি। এর পাশাপাশি চমক রয়েছে সেরা গোলকিপারের জন্য দেওয়া ইয়াসিন ট্রফিতেও। সংক্ষিপ্ত ১০ জনের তালিকাতে জায়গা পেয়েছে কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার জায়গা পাওয়া দল কেপ ভার্দে এবার বিশ্বকাপে সবথেকে চমক ঘটিয়েছে। মেসির আর্জেন্টিনার মতো দলকেও তারা ঘোল খাইয়ে দিয়েছিল।


আবার মনোনীত মেসি, নাম নেই সিআর সেভেনের, প্রকাশিত ব্যালন ডি অর তালিকা!
ব্যালন ডি অর ২০২৬

 গতকালই প্রকাশ হয়েছে ব্যালন ডি অর-এর তালিকা। এই তালিকাতে এবার জায়গা করে নিয়েছেন হ্যারি কেন, কিলিয়ান এমবাপে, আরলিং হাল্যান্ড ও ৮ বারের ব্যালন জয়ী লিওনেল মেসি। তালিকায় নাম নেই রোনাল্ডোর। রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপে এই মরশুমে ক্লাব পর্যায়ে কোনও ট্রফি না জিতলেও ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলেছেন। করেছেন ১০ গোল ও বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবথেকে বেশি গোল করার রেকর্ডও গড়ে ফেলেছেন তাই তাঁকে জায়গা দেওয়া হয়েছে ব্যালনের তালিকায়। আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে হবে এর অনুষ্ঠান।




রাজবীরকে ‘ছাগল’ বলে কটাক্ষ! টাস্কের মাঝেই মনামীর সঙ্গে তুমুল ঝামেলা
T Shirt T Meaning: টি শার্টের T এর অর্থ কি জানেন?


বায়ার্ন মিউনিখ ও ইংল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত মরশুম কেটেছে হ্যারি কেনের। ক্লাব ও দেশের হয়ে ৬৫ ম্যাচে ৭৩ গোল করেছেন তিনি। বায়ার্নকে বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ ও জার্মান সুপার কাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন কেন। এর পাশাপাশি ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও তুলেছেন এই তারকা ফুটবলার। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে চমক দেখিয়েছেন নরওয়ের তারকা ফুটবলার আর্লিং হাল্যান্ডও। তিনি ক্লাব ম্যান সিটির জার্সিতে ৬৪ ম্যাচে যেমন ৫৮ গোল করেছেন, তেমন বিশ্বকাপে করেছেন ৭ গোল। অন্যদিকে আবার এই তালিকাতে নাম করে নিয়েছেন লিওনেল মেসি। ক্লাব ফুটবলে ১৮ গোলের পাশাপাশি আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে ৮ গোল করেছেন মেসি। এছাড়াও তালিকায় রয়েছেন জ্যুড বেলিংহ্যাম, গতবারের চ্যাম্পিয়ন উসমান দেম্বেলে, লামিন ইয়ামালরা। তবে ৫ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো এবার তালিকায় জায়গা পাননি। তিনি কেরিয়ারে ১৮ বার মনোনীত হলেও ব্যালন জিতেছেন মাত্র ৫ বার। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মেসি এই ট্রফি পেয়েছেন ৮ বার।

এর পাশাপাশি চমক রয়েছে সেরা গোলকিপারের জন্য দেওয়া ইয়াসিন ট্রফিতেও। সংক্ষিপ্ত ১০ জনের তালিকাতে জায়গা পেয়েছে কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার জায়গা পাওয়া দল কেপ ভার্দে এবার বিশ্বকাপে সবথেকে চমক ঘটিয়েছে। মেসির আর্জেন্টিনার মতো দলকেও তারা ঘোল খাইয়ে দিয়েছিল। সেই দলের গোলকিপার ভোজিনহা এবার এই তালিকাতে নাম তুলেছেন। তাঁর পাশাপাশি রয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দলের গোলকিপার উনেই সিমন, আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, মরোক্কোর ইয়াসিন বোনো ও সেনেগালের এডুয়ার্ড মেন্ডি। এবার প্রথমবারের মতো লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে ব্যালন ডি অরের ৭০তম সংস্করণ। আগামী ২৬ অক্টোবর জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে চ্যাম্পিয়নদের পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রথম ব্যালন ডি অর জয়ী ফুটবলার স্ট্যানলি ম্যাথিউজের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এবার লন্ডনে আয়োজন করা হচ্ছে এই অনুষ্ঠানের।