WEATHER

Top News


 কান চলচ্চিত্র উৎসবে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের লুক নিয়ে নেটমাধ্যমে ধেয়ে আসা কটাক্ষের কড়া জবাব দিলেন মাধুরী দীক্ষিত। সহ-অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে বডি-শেমিংয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তৃপ্তি দিমরি এবং কঙ্গনা রানাওয়াতও।


গত দু’দশক ধরে ঐশ্বর্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan) ছাড়া কান চলচ্চিত্র উৎসব ভাবতে পারেননা অনেকেই। অথচ, ২০২৬ সালের কান-এর রেড কার্পেটে হাঁটার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় তীব্র ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হয়েছে এই বিশ্বসুন্দরীকে। তাঁর পোশাক থেকে শুরু করে বয়স ও ওজন, কোনও কিছুই বাদ যায়নি নিন্দুকদের চর্চা থেকে। তবে এবার এই অহেতুক বডি-শেমিংয়ের বিরুদ্ধে সরব হলেন বলিউডের ‘ধক ধক গার্ল’ মাধুরী দীক্ষিত। ‘দেবদাস’-এর সহ-অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে সোশাল মিডিয়ার বিষাক্ত সংস্কৃতিকে রীতিমতো ধুয়ে দিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে গলা মেলালেন তৃপ্তি দিমরি এবং কঙ্গনা রানাওয়াতও।


সোশাল মিডিয়ায় বর্তমানে কাউকে বিচার করার প্রবণতা যে কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠেছে, একটি সাক্ষাৎকারে সেই প্রসঙ্গেই কথা বলেন মাধুরী। তিনি জানান, আগেও মানুষের এমন মানসিকতা ছিল, কিন্তু তখন মন্তব্য করার নির্দিষ্ট কোনও জায়গা ছিল না। এখন সোশাল মিডিয়ার দৌলতে যে কেউ যখন-তখন যা খুশি বলার প্ল্যাটফর্ম পেয়ে গিয়েছে। ঐশ্বর্যার হয়ে সওয়াল করে মাধুরী স্পষ্ট বলেন, “গত ২০ বছর ধরে কান-এর মঞ্চে সে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং গোটা দেশকে গর্বিত করেছে। তাকে কখনও শুধুমাত্র ওজনের কাঁটা, পোশাকের মাপ বা ক্যালেন্ডারের বয়সের সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যায় না।”



নিউ ইয়র্কের টাইমস স্ক্যোয়ারে বিলবোর্ডে 'মায়া সত্য ভ্রম', শমীক বললেন...
'এরপর মায়ের যদি কিছু হয়ে যায়...' নেটিজেনদের কাছে কাতর আর্জি সায়নীর দিদির
মাধুরীর মতে, ঐশ্বর্য শুধু বাইরে থেকে নয়, ভিতর থেকেও একজন অসম্ভব সুন্দর মানুষ। এই ধরনের কদর্য কটাক্ষ করে আজকের যুবসমাজের কাছে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, মানুষের যোগ্যতা তাঁর চেহারায় নয়, বরং তাঁর কৃতিত্বের ওপর নির্ভর করে।


এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন তৃপ্তি দিমরিও। ঘরে বসে সহজেই অন্যের দিকে আঙুল তোলার কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। তৃপ্তি বলেন, “বাড়িতে আরাম করে পাজামা পরে বসে অন্যের সমালোচনা করা খুব সহজ। কিন্তু যাঁরা নিজেদের জীবনে এতটা পরিশ্রম করে একটা জায়গায় পৌঁছেছেন, তাঁদের জায়গায় দাঁড়িয়ে পরিস্থিতিটা বোঝা উচিত।” তাঁর মতে, অনন্যা পাণ্ডে হোক বা ঐশ্বর্য, এঁরা প্রত্যেকেই কঠোর পরিশ্রমী, তাই তাঁদের সম্মান প্রাপ্য, কোনও কটাক্ষ নয়।

এর আগে কঙ্গনা রানাওয়াতও ঐশ্বর্যার সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন। তিনি সাফ জানিয়েছিলেন যে, ঐশ্বর্য কান-এর মঞ্চে কাউকে খুশি করতে যাননি। বয়স্ক মহিলারা রেড কার্পেট বা জনসমক্ষে দাপটের সঙ্গে রাজত্ব করছেন, এটা দেখে যদি কারও অস্বস্তি হয়, তবে সেই অস্বস্তিতেই তাঁদের অভ্যস্ত হয়ে ওঠা উচিত বলে মন্তব্য করেন কঙ্গনা।

বলিউডের অভিনেত্রীদের এমন একজোট হয়ে প্রতিবাদ করাটা ডিজিটাল দুনিয়ায় বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ট্রোলিংয়ের এই যুগে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর এই ছবি প্রমাণ করে দেয়, প্রতিভা ও বহু বছরের কঠিন পরিশ্রমের কাছে এই ধরনের সমালোচনা নিতান্তই অর্থহীন।

সবথেকে দুর্দান্ত অফার রয়েছে আইফোন ১৫-এর উপর। অ্যাপলের এই ফোনটি (১২৮জিবি) অনেক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া, আইফোন ১৬ এবং আইফোন ১৭ সিরিজ, ম্যাকবুক এবং আইপ্যাড মডেলের উপরেও অফার রয়েছে। কী কী অফার রয়েছে, কোথায়, কত দামে পাবেন, জেনে নিন


 দুর্দান্ত অফার, মাত্র ৩৬ হাজারেই পেয়ে যাবেন আইফোন ১৫!
প্রতীকী ছবি


আপনি কি আইফোন কেনার পরিকল্পনা করছেন? কিন্তু, অতিরিক্ত দামের জন্য কিনতে পারছেন না? তাহলে আপনাদের জন্য দারুণ খবর। এবার একধাক্কায় অনেকটা কম দামে আইফোন পেয়ে যাবেন আপনি। দারুণ অফার দিচ্ছে ক্রোমা (Croma)। ‘এভরিথিং অ্যাপল’ ক্যাম্পেইনের তৃতীয় পর্ব চলছে। এই পর্বেই অ্যাপল (Apple IPhone) প্রোডাক্টের উপর নতুন অফার ঘোষণা করেছে ক্রোমা। অফারে আইফোন (Iphone Offer), ম্যাকবুক, আইপ্যাড এবং এয়ারপডে উল্লেখযোগ্য ছাড় ছাড়া এক্সচেঞ্জ অফার রয়েছে। ২৯ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই এই অফার চালু থাকবে।


কী কী বিশেষ অফার রয়েছে?
সবথেকে দুর্দান্ত অফার রয়েছে আইফোন ১৫-এর উপর। অ্যাপলের এই ফোনটি (১২৮জিবি) অনেক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। মাত্র ৩৬ হাজার ৮৯১ টাকায় আপনি এই আইফোন ১৫ পেয়ে যেতে পারেন। এক্সচেঞ্জ অফার থাকবে, ডিসকাউন্ট কুপনের সুবিধা রয়েছে। ক্যাশব্যাকও পাওয়া যাবে। এমনিতে আইফোন ১৫-র দাম ৬০ হাজারের আশেপাশে। সেক্ষেত্রে সব মিলিয়ে ২৪ হাজার টাকা ছাড় পাবেন আপনি। এছাড়া আইফোন ১৫ কিনলে গ্রাহকরা ২ হাজার ১৯০ টাকার অরিজিনাল অ্যাডাপ্টার বিনামূল্যে পাবেন। ক্রোমা স্টোরগুলিতে এই বিশেষ অফারটি পাওয়া যাবে।



কানে ঐশ্বর্যর সাজ নিয়ে ট্রোল! মুখ খুললেন ড্রিম গার্ল
Mamata Banerjee: অভিষেককে কেন বাইপাসের হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নিয়ে গেলেন? কী বললেন মমতা?
আর কী কী অফার দিচ্ছে ক্রোমা?
ক্রোমা আইফোন ১৬ এবং আইফোন ১৭ সিরিজের উপরও অফার ঘোষণা করেছে। আইফোন ১৬ (১২৮জিবি) ৪০ হাজার টাকায় পেতে পারেন। আইফোন ১৭ (২৫৬জিবি) ৪৪ হাজার ৭৬৮ টাকায় কেনা যাবে। অফারে এক হাজার টাকা ক্যাশব্যাক, ১,৬৫৮ টাকার ডিসকাউন্ট কুপন, ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত এক্সচেঞ্জ বোনাস এবং ২৩,৫০০ টাকা পর্যন্ত এক্সচেঞ্জ ভ্যালু বেনিফিট দিচ্ছে। ম্যাকবুক এবং আইপ্যাড মডেলের উপরেও অফার রয়েছে।

ঘটনার পর দর্শকদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই টাকা ফেরতও দেওয়া হয়। শতদ্রু বলেন, "ঠিক তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম। আমার কাছে এমন কিছু ফোন, মেসেজ, ফেসবুকে মেসেজ আসত, যাঁরা টিকিটের দাম ফেরত চেয়ে আমাকে জানাতেন, তাঁদের নাম কিন্তু অনলাইন টিকিট ক্রেতাদের নামের তালিকায় ছিল না। 


আমার অনলাইন টিকিট বিক্রি হয়েছিল ৩৪ হাজারের কিছু বেশি।"


'তোকে দেব কেন? আমার...', মেসিকে কাছে পেতে সেদিন কী কী করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস? বিস্ফোরক তথ্য
মেসির সঙ্গে অরূপ বিশ্বাস (ফাইল ছবি)

 মেসি কাণ্ডে এবার প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে পাঁচ ধারায় এফআইআর রুজু করেছেন ইভেন্ট ম্যানেজার শতদ্রু দত্ত। সেদিন মাঠে ঠিক কী কী ঘটেছিল, কীভাবে গোটা বিপর্যয়ের কারণ হিসাবে তাঁকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিল, কীভাবে সেদিন মাঠে কেবল মন্ত্রী ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের প্রভাব খেটেছিল, কীভাবে মেসির কাছে গিয়েছিলেন সকলে, যাতে দর্শকরা বঞ্চিত হলেন, সবটা TV9 বাংলাকে বলতে গিয়ে বিস্ফোরক শতদ্রু। তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এই ইভেন্টের আগে থেকে গা-জোয়ারি করে টিকিট নিয়ে কালোবাজারি করেছেন বলে দাবি করেন শতদ্রু।


তিনি বলেন, “প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী আর পুলিশের গাফিলতির জন্য আমার ইভেন্টটা ন্যাচাকার হয়। এই ইভেন্টের অনেক আগে থেকে ক্রীড়া মন্ত্রী আমাকে থ্রেট দিতেন। উনি গা-জোয়ারি করে আমার থেকে ২২ হাজারের ওপর টিকিট নিয়েছিলেন। সেই টিকিট বিক্রি করেছেন, সেটা আমার কাছে ১০০ শতাংশ খবর রয়েছে।” নিজের দুই অপ্রাপ্তবয়স্ক ভাগ্নীর জন্য অরূপ বিশ্বাস প্রভাব খাটিয়ে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বানিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন শতদ্রু।




যুবভারতীর মেসি কাণ্ডের জল গড়িয়েছিল অনেক দূর। এই ঘটনার পর দর্শকদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই টাকা ফেরতও দেওয়া হয়। শতদ্রু বলেন, “ঠিক তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম। আমার কাছে এমন কিছু ফোন, মেসেজ, ফেসবুকে মেসেজ আসত, যাঁরা টিকিটের দাম ফেরত চেয়ে আমাকে জানাতেন, তাঁদের নাম কিন্তু অনলাইন টিকিট ক্রেতাদের নামের তালিকায় ছিল না। আমার অনলাইন টিকিট বিক্রি হয়েছিল ৩৪ হাজারের কিছু বেশি।”

BSNL জানিয়েছে, নতুন গ্রাহকরা কানেকশন নিলে বিনামূল্যে একটি সিম পাবেন। সেইসঙ্গে প্রতিদিন ২ জিবি ডেটা, আনলিমিটেড কল, প্রতিদিন ১০০ SMS-এর সুবিধা পাবেন। এই ৫১ টাকার প্ল্যানে ২৮ দিনের মেয়াদ থাকছে। তবে, এই অফার পেতে গেলে কী কী শর্ত মানতে হবে?


 রিচার্জ প্ল্যানের দাম ক্রমশ বাড়াচ্ছে জিও(Jio), এয়ারটেল (Airtel)। এই আবহে গ্রাহকদের জন্য দুর্দান্ত অফার দিচ্ছে বিএসএনএল। রিচার্জ প্ল্যানে আনলিমিটেড কল (Unlimited Call), ডেটা সব যদি একসঙ্গে পেতে চান, তাহলে অন্তত ২৫০-র বেশি খরচ করতে হয়। কোনও কোম্পানির রিচার্জের (Recharge Plan) দাম আবার ৪০০-৫০০-র বেশি। কিন্তু, এবার ৫১ টাকার রিচার্জেই সব পেয়ে যাবেন। দুর্দান্ত অফারের ঘোষণা করেছে বিএসএনএল (BSNL)। তবে, এই অফার বেশিদিনের জন্য থাকবে না।


বিএসএনএল স্পেশ্যাল রিচার্জ
বিএসএনএল যে রিচার্জ অফারটি দিয়েছে, তা নতুন গ্রাহকদের জন্য। পুরনো গ্রাহকরা কিন্তু বিশেষ সুবিধা পাবেন না। মূলত, গ্রাহকদের আকর্ষণ করার জন্যই ৫১টাকার বিশেষ রিচার্জ প্ল্যানের ঘোষণা করা হয়েছে। ৫১ টাকার অফারে কী কী থাকছে জেনে নিন


BSNL জানিয়েছে, নতুন গ্রাহকরা কানেকশন নিলে বিনামূল্যে একটি সিম পাবেন। সেইসঙ্গে প্রতিদিন ২ জিবি ডেটা, আনলিমিটেড কল, প্রতিদিন ১০০ SMS-এর সুবিধা পাবেন। এই ৫১ টাকার প্ল্যানে ২৮ দিনের মেয়াদ থাকছে।


অফার সীমিত
বিএসএনএল জানিয়েছে, ২২মে থেকে শুরু হয়েছে এই বিশেষ অফার। চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত। বিশেষ অফারটি পাওয়ার জন্য কাস্টমার সার্ভিস সেন্টারে যেতে পারেন কিংবা নিকটবর্তী রিটেল স্টোরে গেলেও অফারের সুবিধা পাবেন।

চেন্নাই মানেই চিপক, কেকেআর মানেই ইডেন এবং পাঞ্জাব মানেই মোহালি, কিন্তু স্রেফ 'ব্যবসা'র দোহাই দিয়ে প্রতি বছর যদি ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে একটি শহরেই বন্দি করে ফেলা হয়, তাহলে আইপিএল তার আঞ্চলিক বৈচিত্র হারিয়ে ফেলবে।


টাকার কাছে আবেগ মূল্যহীন? কেন বারবার আহমেদাবাদেই অনুষ্ঠিত হয় কোনও টুর্নামেন্টের ফাইনাল?

আইপিএল হোক বা বিশ্বকাপ, সব প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচের জন্যই বাক্স-প্যাঁটরা বেঁধে ছুটতে হয় একটাই স্টেডিয়াম – নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম আহমেদাবাদ। ২০২৬ সালের আইপিএল ফাইনালের ম্যাচ আহমেদাবাদে সরানোর পরেই ক্রিকেটপ্রেমীদের ক্ষোভ চরমে উঠে গিয়েছিল। এই এক মাঠেই কেন বারবার ফাইনাল ম্যাচ হচ্ছে, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ক্রিকেটমহলে।


কেন বেঙ্গালুরু থেকে সরল ফাইনাল?



 আজ আইপিএল ফাইনালে বৃষ্টি হলে কী হবে? রিজার্ভ ডে নিয়ে কী জানাল বোর্ড?
এবারের ফাইনাল ম্যাচটি বেঙ্গালুরু থেকে সরানোর পিছনে অবশ্য বিসিসিআইয়ের আঙুল সরাসরি কর্ণাটকের রাজনীতিবিদদের দিকে। বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছিলেন, কর্নাটকের রাজনৈতিক মহল থেকে এই হাই-প্রোফাইল ম্যাচের জন্য প্রায় ১৫ হাজার ফ্রি টিকিটের দাবি তুলেছিল। এই দাবি অস্বীকার করেছিল বিসিসিআই। যেখানে নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্য সংস্থাকে দেওয়া হয় ১৫% টিকিট, সেখানে সাধারণ মানুষের কাছে টিকিট পৌঁছানোর আগেই যদি প্রায় দশ হাজারের বেশি টিকিট উধাও হয়ে যায়, তবে বোর্ড এই ম্যাচ দেখাবে কেন? তাছাড়া ২০২৬ আইপিএল শুরুর আগেই চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আরসিবির ১১ জন সমর্থকের ঘটনায় সতর্ক ছিল বোর্ড।


কলকাতার ইডেনকে ‘অন্যায্য’ ভাবে বাদ দেওয়া :

২০২৪ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কেকেআর। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও বছর যে দল চ্যাম্পিয়ন হবে, পরের বছর সেই দলের ঘরের মাঠেই উদ্বোধনী ম্যাচ ও ফাইনাল হবে। কিন্তু সেই নিয়ম অনুযায়ী কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে হওয়া উচিত ছিল আইপিএল ২০২৫ ফাইনাল। স্রেফ বৃষ্টির দোহাই দিয়ে ম্যাচটি আহমেদাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ফাইনালের দিন কলকাতায় বৃষ্টি হতে পারে, এমন বলা হয়েছিল রিপোর্টে কিন্তু ভগবানের মার দেখুন, ৩ জুন ২০২৫ এ কলকাতায় একফোঁটাও বৃষ্টি হয়নি। উল্টোদিকে, ২০২৩ সালে আহমেদাবাদের ফাইনালে বৃষ্টির কারণে দর্শকদের ভোগান্তি ও দুই দিনে ম্যাচ শেষের কথা আজও মনে রেখেছে দেশবাসী।

বিসিসিআই-এর কাছে ‘পাবলিক ইমোশন’, ‘সেন্টিমেন্ট’ এর কোনও জায়গা নেই। সেই কারণে তাঁদের যুক্তি হল,”বিশ্বের বড় বড় ম্যাচে একটি নির্দিষ্ট স্টেডিয়ামকে ফাইনালের কেন্দ্র করার উদাহরণ নয়।” কিন্তু আসল কারণ আলাদা। এই মাঠে আসন সংখ্যা এক লক্ষেরও বেশি, যার কারণে স্পনসর, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও স্টেকহোল্ডারদের ফ্রি টিকিট দেওয়ার পরেও বেঁচে যায়, যার ফলে রেকর্ড পরিমাণ আয় হয় বোর্ডের।

ব্রডকাস্টারের কাছে আহমেদাবাদ এক দারুন আকর্ষণ। সব দিক থেকেই এই স্টেডিয়াম ঝলমলে, যা বিজ্ঞাপনের বাজার আরও উন্মুক্ত করে দেয় বোর্ডের কাছে। এর ফলে যা হারিয়ে যাচ্ছে, তা হল কোনও একটি শহরের আঞ্চলিক পরিচয়। চেন্নাই মানেই চিপক, কেকেআর মানেই ইডেন এবং পাঞ্জাব মানেই মোহালি, কিন্তু স্রেফ ‘ব্যবসা’র দোহাই দিয়ে প্রতি বছর যদি ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে একটি শহরেই বন্দি করে ফেলা হয়, তাহলে আইপিএল তার আঞ্চলিক বৈচিত্র হারিয়ে ফেলবে। ২০২১ সালে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম (পূর্ব নাম মোতেরা) হওয়ার পর থেকেই মোট ৪ বার (২০২২, ২০২৩, ২০২৫, ২০২৬) ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আহমেদাবাদে। এবং সোশ্যাল মিডিয়া ঘাঁটলেই দেখা যাবে, সাধারণ দর্শক বিসিসিআই-য়ের এই ‘গুজরাট মডেল’ নিয়ে যারপরনাই বিরক্ত।

রাতে হুগলির গ্রামীণ পুলিশের পান্ডুয়া থানার পুলিশের হাতে ধরা পড়েন জাহাঙ্গির। তবে এ জাহাঙ্গির ফলতার জাহাঙ্গির নয়। মহম্মদ জাহাঙ্গিরের বাড়ি পান্ডুয়ার পশ্চিম বালিহাট্টায়। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত্রে পান্ডুয়ার বোসো এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে বেশ কয়েকজন নিয়ালার বোসো এলাকায় ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল।

হুগলিতে গ্রেফতার জাহাঙ্গির, উদ্ধার দেশি বন্দুক ও কার্তুজ
আদালতে পেশা করা হচ্ছে জাহাঙ্গির খান

এবার হুগলিতে গ্রেফতার জাহাঙ্গির! তার কাছ থেকে উদ্ধার দেশি বন্দুক ও কার্তুজ। ছাব্বিশের নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছিল জাহাঙ্গির খানকে। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ছিল এলাকাবাসীদের। জাহাঙ্গির নিজেকে দক্ষিণী নায়ক অল্লু অর্জুনের চরিত্র ‘পুষ্পা’র সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এবং তাঁর মুখে গিয়েছিল পুষ্পা ছবির সংলাপ ‘ঝুকেগা নেহি।’ কিন্তু শেষমেশ পুনঃনির্বাচনের কয়েক ঘন্টা আগেই নিজেকে গুটিয়ে নেন পুষ্পা। ওই কেন্দ্রেই পুনঃনির্বাচনে আগেই প্রার্থী পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিল জাহাঙ্গির।


রাতে হুগলির গ্রামীণ পুলিশের পান্ডুয়া থানার পুলিশের হাতে ধরা পড়েন জাহাঙ্গির। তবে এ জাহাঙ্গির ফলতার জাহাঙ্গির নয়। মহম্মদ জাহাঙ্গিরের বাড়ি পান্ডুয়ার পশ্চিম বালিহাট্টায়। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত্রে পান্ডুয়ার বোসো এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে বেশ কয়েকজন নিয়ালার বোসো এলাকায় ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল।



'বন্ধু অনীকদাকে ব্লক করে দিয়েছিলেন', দাবি দেবলীনার, প্রাক্তন স্ত্রী কী বললেন
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, পান্ডুয়া থানার পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে মহম্মদ জাহাঙ্গির এবং তাঁর ছেলে মহম্মদ সেলিম তাঁকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়া শেখ ভোম্বল, শেখ রাজু এবং শেখ সাদ্দামকে গ্রেফতার করে। বাকিরা চম্পট দেয়। পুলিশি জেরায় ধৃতরা স্বীকার করে তাঁরা সেখানে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল।

X Category Security: ২০১৫ সালে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে সভা সময় এক ব্যক্তির হামলার পরই অভিষেকের নিরাপত্তা বাড়িয়ে জেড প্লাস ক্যাটেগরির করে দেওয়া হয়েছিল। পালাবদলের পর সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আপাতত এক্স ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পাবেন।


মাথায় ডিম পড়তেই বাড়ল অভিষেকের নিরাপত্তা! জানেন কী এই X- Y-Z সুরক্ষা?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে হামলা।

ভোটের ভরাডুবির পর রাস্তায় বের হতেই জনরোষের মুখে পড়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শনিবার সোনারপুরে এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে দেখা করতে যাওয়ার সময় আক্রান্ত হন অভিষেক। তাঁকে দেখে ক্ষিপ্ত জনতা চোর চোর স্লোগান দেয়। ছোড়া হয় ডিম, কাদা। এমনকী অভিষেকের জামাও ছিঁড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পরই বর্তমানের রাজ্যে বিজেপির সরকার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক্স ক্যাটেগরির (X Category Security) নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন কী ধরনের নিরাপত্তা পাবেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড, জানেন?

কেন্দ্র বা রাজ্যের তরফে গুরুত্বপূর্ণ বা বিশেষ কোনও ব্যক্তিকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়ে থাকে। মূলত ভিভিআইপি (VVIP), ভিআইপি (VIP), ক্রীড়াবিদ, সেলিব্রিটি বা যেকোনো হাই-প্রোফাইল ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এই নিরাপত্তার বিভিন্ন ভাগ থাকে। মূলত ৫ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে, এক্স, ওয়াই, জেড, জেড প্লাস।



৮০ লাখ মহিলার নাম বাদ পড়ল, মাসে মাসে ১৫০০ টাকা আর পাবেন না!
'এরপর মায়ের যদি কিছু হয়ে যায়...' নেটিজেনদের কাছে কাতর আর্জি সায়নীর দিদির
কোনও ব্যক্তি এক্স (X) থেকে শুরু করে জেড প্লাস (Z+) এবং এসপিজি (SPG) -কোন স্তরের নিরাপত্তা পাবেন, তা মূলত ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (IB), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Home Ministry) এবং রাজ্য সরকারগুলির ঝুঁকি পর্যালোচনার (Threat Assessment) ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।

২০১৫ সালে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে সভা সময় এক ব্যক্তির হামলার পরই অভিষেকের নিরাপত্তা বাড়িয়ে জেড প্লাস ক্যাটেগরির করে দেওয়া হয়েছিল। পালাবদলের পর সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আপাতত এক্স ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পাবেন। এক্স ক্যাটেগরিতে কী কী সুরক্ষা দেওয়া হয়?

১. এক্স ক্যাটাগরি নিরাপত্তা (X Category Security)-
এক্স ক্যাটাগরি হল ভারত সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া ব্যক্তিগত সুরক্ষার সবচেয়ে প্রাথমিক স্তর, যা সাধারণত কোনও ব্যক্তির ওপর কম কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য হুমকি বা হামলার আশঙ্কা থাকলে প্রদান করা হয়।

এই নিরাপত্তা ব্যবস্থায়:
কর্মী (Personnel): এই ক্যাটাগরিতে ৪ থেকে ৫ জন কর্মী থাকেন। এর অধীনে ২ জন সশস্ত্র পুলিশ অফিসার (পার্সোনাল সিকিউরিটি অফিসার বা পিএসও) থাকেন।
কম্যান্ডো (Commandos): এই স্তরের নিরাপত্তায় কোনও কম্যান্ডো মোতায়েন করা হয় না।
গাড়ি (Vehicles): সাধারণত কোনও এসকর্ট বা পাইলট গাড়ি দেওয়া হয় না।
২. ওয়াই ক্যাটাগরি (Y Category):
এটি সাধারণত কম পরিচিত বা মাঝারি প্রোফাইলের ব্যক্তিদের দেওয়া হয়।
এই ক্যাটাগরিতে মোট ১১ জন কর্মী থাকেন, যার মধ্যে ১ বা ২ জন কম্যান্ডো এবং বাকিরা পুলিশ কর্মী থাকেন।
৩. জেড ক্যাটাগরি (Z Category):
এটি তুলনামূলক কম হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের দেওয়া হয়।
এই ক্যাটেগরিতে ২২ জন কর্মী থাকেন, যার মধ্যে ৪ বা ৫ জন এনএসজি কম্যান্ডো এবং বাকিরা পুলিশ কর্মী থাকেন।
এই নিরাপত্তা বলয়ে দিল্লি পুলিশ অথবা আইটিবিপি (ITBP) বা সিআরপিএফ (CRPF) কর্মী এবং একটি এসকর্ট গাড়ির সমন্বয়ে গঠিত হয়।
৪. জেড প্লাস সিকিউরিটি ক্যাটাগরি (Z Plus Security):
জেড প্লাস নিরাপত্তা মূলত ভিভিআইপি এবং ভিআইপিদের (যেমন ভারতের রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী) প্রদান করা হয়।
জেড প্লাস ক্যাটাগরিতে মোট ৫৫ জন কর্মী থাকেন, যার মধ্যে ১০ বা তার বেশি কম্যান্ডো এবং পুলিশ কর্মী থাকেন।
এই স্তরের নিরাপত্তা মূলত এনএসজি (NSG – National Security Guard) কম্যান্ডোরা দিয়ে থাকেন।
এই কম্যান্ডোদের কাছে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ‘হেকলার অ্যান্ড কক এমপি৫’ (Heckler & Koch MP5) সাবমেশিন গান থাকে। পাশাপাশি তাঁরা খালি হাতে লড়াই (Unarmed Combat) এবং বিভিন্ন মার্শাল আর্টেও অত্যন্ত পারদর্শী হন। ২৪ ঘণ্টা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দেওয়া হয়।
৫. এসপিজি ক্যাটাগরি (Special Protection Group):
এটি ভারতের সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী।
এসপিজি-র নিজস্ব বাহিনীতে কম করে ৪,০০০ কর্মী রয়েছেন।
পদ ছাড়ার পর (প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের ক্ষেত্রে) সাধারণত এক বছরের বেশি এই নিরাপত্তা বাড়ানো যায় না, যদি আলাদাভাবে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো এর প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করে।
এই নিরাপত্তা বাহিনীর মোট সদস্য সংখ্যা বা শক্তি ‘গোপন’ (Classified) রাখা হয়।
এটি ভারতের সমস্ত নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সবচেয়ে ব্যয়বহুল।
বর্তমানে দেশের মাত্র ৬ জন ব্যক্তিকে এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।
এসপিজি (SPG) কী?
এটি হল ‘স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ’। ভারতের প্রধানমন্ত্রী, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষা (Proximate Security) দেওয়ার জন্য ১৯৮৮ সালে এটি গঠন করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকার এই বিশেষ সুরক্ষা গোষ্ঠীর তত্ত্বাবধান, নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।

এনএসজি (NSG) কী?
এনএসজি বা ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড’ হল ভারতের একটি বিশেষ কম্যান্ডো ইউনিট, যা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Ministry of Home Affairs) অধীনে কাজ করে। কালো পোশাক এবং পোশাকে থাকা কালো বিড়ালের প্রতীকের কারণে এই কম্যান্ডোদের সাধারণত ‘ব্ল্যাক ক্যাট কম্যান্ডো’ (Black Cat Commandos) বলা হয়।

এনএসজি এবং এসপিজি কেবল নির্দিষ্ট নেতাকেই নয়, তাঁর পরিবারকেও সুরক্ষা দেয়। তবে বর্তমান বা প্রাক্তন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের পরিবারের সদস্যরা চাইলে এই জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।

আইটিবিপি (ITBP)-
এটি হল ‘ইন্দো-তিব্বতিয়ান বর্ডার পুলিশ’ (Indo-Tibetan Border Police)। এটি ভারতের পাঁচটি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (CAPF) একটি, যা ১৯৬২ সালের ২৪ অক্টোবর সিআরপিএফ আইনের অধীনে গঠিত হয়। চিন সংলগ্ন ভারতীয় সীমান্তে মোতায়েনের জন্য মূলত এটি তৈরি করা হয়েছিল।

সিআরপিএফ (CRPF) –
এটি হল ‘সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স’ বা কেন্দ্রীয় সংরক্ষিত পুলিশ বাহিনী। এটি ভারতের বৃহত্তম কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে কাজ করে। এই বাহিনীর প্রাথমিক কাজ হল ভারতের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং উগ্রপন্থা দমন অভিযানে পুলিশি সহায়তা প্রদান করা।

নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত কে নেন?
কোনও ব্যক্তি নিরাপত্তা পাবেন কি না এবং পেলে তা কোন ক্যাটাগরির হবে, তা নির্ধারণের মূল দায়িত্ব থাকে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (IB), স্বরাষ্ট্র সচিব এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের সুপারিশের ভিত্তিতেও এই নিরাপত্তা প্রদান করা হয়ে থাকে।

আজ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোথাও যেতে হয়নি। নিজের এলাকায় নিগ্রহের শিকার তিনি। এটা দেখে প্রথমে সুকান্ত মজুমদার বলেন, "আমরা গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই বলেই মনে করি। এটা কাম্য নয়। তদন্ত করে দেখব।


কল্যাণের কাঁদো-কাঁদো মুখ, মনে করালেন সেই ডায়লগ, 'আয় সুকান্ত আয়...'
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুকান্ত মজুমদার

আয় শ্রীরামপুরে…তারপর তুই ঘরে ফিরিস কীভাবে দেখব…’ ঠিক এই ভাষাতেই খুব বেশি দিন নয়, গত বছরের অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) হুমকি দিয়েছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। নিজের সংসদীয় কেন্দ্র শ্রীরামপুরে সুকান্ত (Sukanta) এলে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন কল্যাণ। বছর ঘুরেছে, পালা বদলেছে। আজ নিজের এলাকাতেই মার খেলেন সেখানকারই সাংসদ কল্যাণ। তা শুনে সুকান্ত বললেন, “সুকান্ত তো বহাল তবিয়তে ঘুরছে, ওইখানকার জনতাই মনে হয় কল্যাণের কল্যাণ করে দেব।”

আজ কী ঘটেছে?




মার খেয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়লেন কাঁচুমাচু কল্যাণ, কেঁদে কেঁদে বললেন, 'BJP ডিউজ বল ছুড়েছে কি না জানি না'
তৃণমূল কর্মীদের উপর আক্রান্তের ঘটনায় হুগলির চণ্ডিতলা থানায় ডেপুটেশন জমা দিতে গিয়েছিল তৃণমূল। সেখানে পৌঁছন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তখনই তাঁকে দেখে ‘চোর-চোর’ স্লোগান ওঠে। কালো পতাকা দেখানো হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি এই ঘটনার পিছনে বিজেপি রয়েছে। তবে, অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। সাংসদ কল্যাণের অভিযোগ, তিনি হেঁটে আসছিলেন। সেই সময় জনা পাঁচ ছ’জন তাঁকে লক্ষ্য করে বল ছোড়ে। তিনি পড়ে যান। আহত সাংসদ কাঁদতে শুরু করেন।

একটা সময় ছিল যখন রাজ্যের ক্ষমতার বদল হয়নি, তৃণমূল ছিল ক্ষমতায়। সেই সময় সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপির সাংসদ তথা কেন্দ্রের মন্ত্রীকে হুমকি দিয়েছিলেন। যা নিয়ে কম শোরগোল পড়েনি। অশ্রাব্য ছিল তাঁর মুখের ভাষা। সামান্য সৌজন্য বোধটুকু নজরে আসেনি। তুই-তু কারি করে মন্তব্য করেছিলেন সুকান্তর উদ্দেশ্যে। সর্বশেষে বলেছিলেন, “বাংলার মানুষকে চিনিস না…ওই দু’চারটে সুকান্ত…হাওয়া দিয়ে উড়ে যাবে। আয় না একবার বক্তৃতা দিতে আমাদের এখানে। আয় তুই শ্রীরামপুরে। তারপর তুই ঘরে ফিরিস কীভাবে দেখব।”

আজ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোথাও যেতে হয়নি। নিজের এলাকায় নিগ্রহের শিকার তিনি। এটা দেখে প্রথমে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমরা গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই বলেই মনে করি। এটা কাম্য নয়। তদন্ত করে দেখব। কারণ অভিষেকের বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে তো দেখা গেল সবটাই তৃণমূলেরই গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব তাহলে কি কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়ের বেলায় কি অন্য কেউ। এক সময় উনি বলেছিলেন আয় সুকান্ত আয়…সুকান্ত তো বহাল তবিয়তে ঘুরছে আর জনতা কল্যাণের কল্যাণ করছে।”

 
বর্তমানে বাড়িতেই রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন দু'জন চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা হচ্ছে তৃণমূল সাংসদের। আপাতত, স‍্যালাইন চলছে তাঁর। সঙ্গে দেওয়া হয়েছে ব‍্যথার ওষুধ (Pain killer)। খাবার আগে গ্যাসের ওষুধ খেতে হয়েছে। আর রাতের খাবারের ব্যথার ওষুধ।

গা বমি-বমি ভাব ছিল রাতে, চলেছে অক্সিজেন, বাড়িতেই চিকিৎসা অভিষেকের
হাসপাতালে অভিষেক

প্রথমে বাইপাসের ধারের বেসরকারি হাসপাতাল, পরে আরও একটি বেসরকারি হাসপাতাল ভর্তি নেয়নি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। কিন্তু ২ ঘণ্টা ইনটেনশিভ থেরাপি ইউনিট (ITU)-এ রাখার পর সাধারণ কিছু ওষুধ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। যদিও, তৃণমূল সুপ্রিমোর দাবি, বিজেপির চাপেই কোনও হাসপাতাল অভিষেককে ভর্তি নেয়নি।


বর্তমানে বাড়িতেই রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন দু’জন চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা হচ্ছে তৃণমূল সাংসদের। আপাতত, স‍্যালাইন চলছে তাঁর। সঙ্গে দেওয়া হয়েছে ব‍্যথার ওষুধ (Pain killer)। খাবার আগে গ্যাসের ওষুধ খেতে হয়েছে। আর রাতের খাবারের ব্যথার ওষুধ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, রাতেও অভিষেকের গা বমি ভাব ছিল। বেশ কিছুক্ষণ ধরে অক্সিজেন চলেছে ডায়মন্ড-হারবারের অভিষেকের। জানা যাচ্ছে, গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি শুধু একা নন, রাত পর্যন্ত ছিলেন শোভন চট্টোপাধ‍্যায়ও।


কল্যাণের কাঁদো-কাঁদো মুখ, মনে করালেন সেই ডায়লগ, 'আয় সুকান্ত আয়...'
অভিষেকের ভর্তি নিয়ে কী অভিযোগ মমতার?


“আমি যখন ওই হাসপাতালের কর্তার সঙ্গে বসেছিলাম। তিনি আমাকে বলছিলেন, বিভিন্ন পুলিশের কাছ থেকে থ্রেট কল পাচ্ছেন। বিশেষ করে ডিসি সাউথ। সঙ্গে বিজেপি নেতারা। অভিষেককে ভর্তি না নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। চিকিৎসকরা দুঃখিত।” তারপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অভিষেককে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাড়ির মধ্যে হাসপাতালের মতো করা হচ্ছে। বাড়িই হাসপাতাল হবে।”

সোনারপুরে কী হয়েছে?

শনিবার সঞ্জু কর্মকার নামে মৃত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে দেখা করতে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পথেই কামালগাছি সিগন্যালে তাঁকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ডিম-কাদা ছোড়া হয় তাঁকে লক্ষ্য করে।

ইংরেজিতে প্রবাদ রয়েছে, "ওয়ান্স ইন অ্যা ব্লু মুন"। বিরল ঘটনাকে বোঝাতেই এই কথা বলা হয়। তাই বোঝাই যাচ্ছে এটা অতি সাধারণ কোনও ঘটনা নয়, বরং মহাজাগতিক বিরল ঘটনা। আজ, ৩১ মে আকাশে দেখতে পাবেন নীল চাঁদ বা ব্লু মুন (Blue Moon)।


বিরল রবিবার আজ, আকাশে দেখা দেবে 'Blue 

আজ বিরল রবিবার। আজ, ৩১ মে আকাশে দেখতে পাবেন নীল চাঁদ বা ব্লু মুন (Blue Moon)। শুধু ব্লু মুন বললেও ভুল হবে, আজ আকাশে দেখা দেবে মাইক্রোমুন (micromoon)-ও। নাসা জানিয়েছে কখন, কোথায় দেখা যাবে এই বিরল চাঁদ?


ইংরেজিতে প্রবাদ রয়েছে, “ওয়ান্স ইন অ্যা ব্লু মুন”। বিরল ঘটনাকে বোঝাতেই এই কথা বলা হয়। তাই বোঝাই যাচ্ছে এটা অতি সাধারণ কোনও ঘটনা নয়, বরং মহাজাগতিক বিরল ঘটনা। ব্লু মুনের সংজ্ঞা বলতে নাসা (NASA) বলে, যখন এক মাসে দুইবার পূর্ণ চাঁদ অর্থাৎ পূর্ণিমা হয়, তখন ব্লু মুন দেখা যায়। মুন সাইকেল সাধারণত ২৯.৫ দিন থাকে, অর্থাৎ চাঁদের পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে ২৯.৫ দিন সময় লাগে। যদি মাসের শুরুতেই পূর্ণিমা হয়, তাহলে মাসের শেষে, ৩০ বা ৩১ তারিখে আবার পূর্ণ চাঁদ দেখা দিতে পারে।



ব্লু মুন কিন্তু প্রতি মাসে দেখা যায় না। প্রতি দুই-তিন বছর অন্তর একবার দেখা যায় ব্লু মুন। বাতাসে ধুলো বা ধোঁয়ার জন্য অনেক সময় লাল আলোর ওয়েভলেন্থ তৈরি হয়, যার কারণে চাঁদ আরও বেশি নীলচে দেখায়। আজকের পর আগামী ২০২৮ সালে ব্লু মুন দেখা যাবে। নাসা জানিয়েছে, এরপরে ২০৫৩ সালে ব্লু মুন দেখা দেবে।

কোথায়, কখন দেখা যাবে ব্লু মুন?
আজ, ৩১ মে বিশ্বজুড়েই দেখা যাবে ব্লু মুুন। আমেরিকায় সূর্যোদয়ের ঠিক আগে অর্থাৎ সকাল ৪টে ৪৫ মিনিটে সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতায় পৌঁছবে চাঁদ। ভারতেও ব্লু মুন দেখা যাবে। গোটা এশিয়া মহাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে ব্লু মুন যাবে।

 শনিবার বিকাল থেকে এলাকায় পচা গন্ধ বেরোচ্ছিল। গন্ধের উৎস সন্ধানে এলাকাবাসীরা রবিবার সকালে খোঁজ শুরু করেন। তখন জানা যায়, ওই ফ্ল্যাটের ভিতর থেকেই গন্ধ আসছিল। থানায় খবর দেওয়া হলে, পুলিশ গিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে দুটি দেহ উদ্ধার করে। 

 গল্ফগ্রিনে লিভ ইন পার্টনারের পচাগলা দেহর সঙ্গে একঘরে নেশাগ্রস্ত দুই সঙ্গী
গল্ফ গ্রিনে ফ্ল্যাট থেকে যুগলের দেহ উদ্ধার


গল্ফ গ্রিনের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার যুগলের দেহ। পুলিশ সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে বছর ছাব্বিশের এম ডি দিলশাদ নামে এক যুবকের সঙ্গে একুশ বছরের এক যুবতী লিভ ইন করতেন। রবিবার দুপুরে গল্ফগ্রিনের অরবিন্দ নগরের ফ্ল্যাট থেকে দু’জনের দেহ উদ্ধার হয়। দেহতে পচন ধরেছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে প্রচুর পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকাল থেকে এলাকায় পচা গন্ধ বেরোচ্ছিল। গন্ধের উৎস সন্ধানে এলাকাবাসীরা রবিবার সকালে খোঁজ শুরু করেন। তখন জানা যায়, ওই ফ্ল্যাটের ভিতর থেকেই গন্ধ আসছিল। থানায় খবর দেওয়া হলে, পুলিশ গিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে দুটি দেহ উদ্ধার করে।


পেট্রোল-ডিজ়েলের রফতানি শুল্ক কমাল কেন্দ্র, আবারও কি দাম বাড়বে?
'বন্ধু অনীকদাকে ব্লক করে দিয়েছিলেন', দাবি দেবলীনার, প্রাক্তন স্ত্রী কী বললেন
জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ৪ এপ্রিল ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া এসেছিলেন দুুই যুবক-যুবতী। ছেলেটির বাড়ি তিলজলা ও মেয়ের বাড়ি রামগড়ে। ঘরের মধ্যে একাধিক মাদক জাতীয় জিনিস উদ্ধার হয়েছে। লিভ ইন করতেন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন। এই ঘটনায় ওই যুবক যুবতীর দুই বন্ধু ও এক বান্ধবীকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সব থেকে উল্লেখযোগ্য, ওই দুজনের পচাগলা দেহ সঙ্গে বাকি এই তিন জনও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘরের মধ্যে ছিল।


এলাকার প্রবীণ সদস্য বলেন, “এখানে যে দুটি ছেলেমেয়ে থাকত, শুনেছি ওরা লিভ ইন করত। ছেলেমেয়ে দু’জনই চরম নেশাগ্রস্ত থাকত। কাল রাতে সম্ভবত দুটি ছেলে, দুটি মেয়ে ছিল। একটি মেয়ের মায়ের সঙ্গেও কথা বলেছি, আরেকজন ছেলের বাবার সঙ্গেও কথা বলেছি। ওরা অর্ধউলঙ্গ ছিল। ছেলেটার মুখটা দেখার মতো ছিল না। পুরো কালো হয়ে গিয়েছিল। ওদের সঙ্গে বাকি দুজন ছিল, একটা ছেলে, একটি মেয়ে ছিল, তাদের পুলিশকে নিয়ে গিয়েছে।”

পুলিশ যে বাড়িতে হানা দিয়েছে, তার নাম উদয় ভিলা। ওই ভিলাটি মূলত, মহিলা কো-অপারেটিভ সোসাইটি ছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ ওই জায়গা। বেশ কয়েক বছর ওই ভিলাটি বন্ধ ছিল। পরে ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর ওই ভিলাটি মদন মিত্র বেআইনিভাবে দখল নেয় বলে অভিযোগ।


মদন মিত্রের বাড়িতে এবার পুলিশের হানা! চলত বেআইনি কাজকর্ম?
মদন মিত্র

বিধায়ক মদন মিত্রের (Madan Mitra) বাড়িতে পুলিশের হানা। রবিবার দুপুর নাগাদই তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যান ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের আধিকারিকরা। পুলিশি হানার বিষয়ে মদন মিত্র (Police Raid at Madan Mitra’s House) নিজেই জানিয়েছেন। তবে, কী কারণে বাড়িতে হানা দেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি। মদনের দাবি, পুলিশ তাঁকে এই বিষয়ে কিছু জানায়নি। তবে, পুলিশ সূত্রে খবর, মদনের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে বাড়ি তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, গতকালই অভিষেকের উপর হামলার প্রতিবাদে মিছিল করেছিলেন বিধায়ক মদন মিত্র। সেইসময়ই পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। তার মধ্যেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের হানা তাৎপর্যপূর্ণ।


বেআইনি ‘দখল’ মদনের
পুলিশ যে বাড়িতে হানা দিয়েছে, তার নাম উদয় ভিলা। ওই ভিলাতে মূলত, মহিলা কো-অপারেটিভ সোসাইটি ছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ ওই জায়গা। বেশ কয়েক বছর ওই ভিলাটি বন্ধ ছিল। বিজেপির অভিযোগ, ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর ওই ভিলাটি মদন মিত্র বেআইনিভাবে দখল নেয়। জানা গিয়েছে, ভিলাতে প্রায়ই যাতায়াত করতেন মদন। মাঝে মাঝে ওই ভিলাতে গিয়ে থাকতেনও। বিজেপির অভিযোগ, মদনের বেশ কয়েকজন অনুগামী ওই ভিলার মধ্যে বেআইনি কাজকর্ম চালাতেন।



শনিতে সঞ্জুকে 'সমাজসেবক' বলেছিলেন অভিষেক, রবিতে বেরল অন্য পরিচয়
বিজেপির অভিযোগ
গতকালই উদয় ভিলায় বেআইনি কাজকর্মের অভিযোগ তুলে বেলঘরিয়া থানায় দারস্থ হন বিজেপি কর্মীরা। তারপরই আজ ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি সাউথ দ্রুতিমান ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে বেলঘরিয়া ও কামারহাটি থানায় পুলিশ অভিযান চালায়। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে, ঘর তালাবন্ধ ছিল। তালাভেঙে ভিতর ঢোকে পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথিও উদ্ধার করা হয়।

 অভিষেকের উপর হামলার প্রতিবাদে মাঝ রাস্তায় অসিতের নেতৃত্বে বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। অসিত নিজেও রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সেইসময় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পুলিশকে ধাক্কাও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।


প্রথমে আটক, এবার গ্রেফতার অসিত মজুমদার, কী অভিযোগ প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে?
অসিত মজুমদার

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে অ্যাকশন শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। একের পর এক তৃণমূল নেতা, কাউন্সিলরকে (TMC Councillor) গ্রেফতার করা হচ্ছে। এবার প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদারকে (Asit Majumdar) গ্রেফতার করল পুলিশ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) উপর হামলার প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ তৃণমূল নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


অসিত মজুমদারের বিক্ষোভ
শনিবার চুঁচুড়ার পিপুল পাতিতে কর্মসূচি ছিল অসিত মজুমদারের। নিত্যনৈমিত্তিক জিনিসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে বিক্ষোভে বসেন বিধায়ক। তবে অভিষেকের উপর হামলা হতেই পরে বিক্ষোভের ইস্যু বদলে যায়। তারপরই অভিষেকের উপর হামলার প্রতিবাদে মাঝ রাস্তায় অসিতের নেতৃত্বে বসে পড়েন তৃণমূল কর্মীরা। অসিত নিজেও রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সেইসময় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পুলিশকে ধাক্কাও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।




পুলিশ সূত্রে খবর,এই ঘটনায় প্রথমে অসিত মজুমদারকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে গ্রেফতার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। এছাড়া গ্রেফতার করা হয়েছে চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ,ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা,কাউন্সিলর রঞ্জন রাহা,নির্মল চক্রবর্তী,সমীর সরকার সহ মোট দশজন তৃণমূল কর্মী। অসিত মজুমদারের দাবি, গতকাল প্রতিবাদ করার পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।