WEATHER

Top News


 পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান সুজিত কুমার দাসের অভিযোগ, "বিগত কয়েক বছর ধরে পঞ্চায়েতটা হয়ে গিয়েছিল স্বামী স্ত্রীর পঞ্চায়েত। শুধুমাত্র পঞ্চায়েত প্রধানের এলাকাতেই উন্নয়ন হয়েছে। আর কোথাও হয়নি।দুর্নীতি হয়েছে। পঞ্চায়েতের সম্পদ যেগুলো ছিল, সেগুলোকে নষ্ট করা হয়েছে।"


স্বামী-স্ত্রীর পঞ্চায়েত', তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ঘাসফুল সদস্যদেরই
এদিন পঞ্চায়েত অফিসে আসেননি প্রধান


তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত। খাতায় কলমে পঞ্চায়েত প্রধান তৃণমূলেরই মহিলা সদস্য। অভিযোগ, বকলমে পঞ্চায়েত চালান তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। এতদিন এই নিয়ে সদস্যরা সরব হলেও কর্ণপাত করা হয়নি বলে অভিযোগ। রাজ্যে পালাবদলের পর এবার ওই পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন তৃণমূলেরই সদস্যরা। অনাস্থাকে সমর্থন করলেন বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যরা। ঘটনাটি হুগলির মগরার। তৃণমূল উপপ্রধানের দাবি, ‘স্বামী-স্ত্রী’ পঞ্চায়েত থেকে মুক্তি চান তাঁরা।


হুগলির মগরা দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৯ জন সদস্য ছিলেন। একজন তৃণমূল সদস্য পদত্যাগ করেছেন আগেই। ছয়জন বিজেপির সদস্য রয়েছেন। বাকিরা সব তৃণমূলের। অভিযোগ, পঞ্চায়েতে জয়শ্রী পাল নামেই প্রধান ছিলেন। পঞ্চায়েত চালাতেন প্রধানের স্বামী রাজা পাল।



 পিএফ ক্লেম করার ২০ দিন পরও পাওয়া যাচ্ছে না টাকা! কী সমস্যা?
পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান সুজিত কুমার দাসের অভিযোগ, “বিগত কয়েক বছর ধরে পঞ্চায়েতটা হয়ে গিয়েছিল স্বামী স্ত্রীর পঞ্চায়েত। শুধুমাত্র পঞ্চায়েত প্রধানের এলাকাতেই উন্নয়ন হয়েছে। আর কোথাও হয়নি।দুর্নীতি হয়েছে। পঞ্চায়েতের সম্পদ যেগুলো ছিল, সেগুলোকে নষ্ট করা হয়েছে। যে কারণে আমরা ১৫ জন সদস্য একযোগে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছি। চুঁচুড়া মগরা ব্লকের বিডিও রাজীব পোদ্দারের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।” এরপরই তিনি বলেন, “আগামীদিনে এই পঞ্চায়েত জনগণের পঞ্চায়েত হবে। আগে যেটা পারিবারিক ছিল। পঞ্চায়েত সদস্যদের কাজ ছিল শুধুমাত্র বৈঠকে এসে সই করা। আর কিছু কাজ ছিল না।” প্রধান কে হবেন, জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, “আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেব। এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।” এদিন পঞ্চায়েত প্রধান জয়শ্রী পাল অফিসে আসেননি। ফোনেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। 




কী বলছে বিজেপি?

পঞ্চায়েতে বিরোধী দলনেতা বিজেপির সদস্য প্রীতম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপি অনাস্থা আনেনি। অনাস্থা এনেছে তৃণমূল। দুর্নীতিবাজ প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থাকে আমরা শুধু সমর্থন জানিয়েছি। আগে দেখা যেত, যেকোনও কাজে একজন ঠিকাদারই বরাত পেতেন। আমরা স্বচ্ছ পঞ্চায়েত চাই। তাই অনাস্থায় সায় দিয়েছি।”

তাঁরা পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করবেন কি না, জানতে চাওয়ায় প্রীতম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূলের সঙ্গে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনে আমরা থাকব না। দায়িত্বশীল বিরোধীর ভূমিকা পালন করব। ২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে জনতা যে রায় দিয়েছে, সেই অনুযায়ী পঞ্চায়েত চলবে। আবার যদি পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপিকে মানুষ সমর্থন করে, তখন বিজেপি পঞ্চায়েত পরিচালনা করবে

কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে তিন দিন ধরে ভর্তি মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। জানা গিয়েছে, গত পরশু আচমকাই বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় অভিনেতাকে। তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কী হয়েছে অভিনেতার? এখন কেমন আছেন?


মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) হাসপাতালে ভর্তি! এই খবর সামনে আসতেই রীতিমতো চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন তাঁর অসংখ্য ভক্ত। কেমন আছেন সকলের প্রিয় ‘মহাগুরু’? ঠিক কী হয়েছে তাঁর? জানা গিয়েছে, গত পরশু আচমকাই বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এই বর্ষীয়ান অভিনেতা তথা বিজেপি নেতাকে। তাঁর ডান হাতে একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে। আর এই খবর পেয়েই তাঁকে দেখতে এদিন হাসপাতালে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


খবর পেয়েই মিঠুন চক্রবর্তীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। ঘড়িতে তখন ঠিক সকাল ১১টা বেজে ৪০ মিনিট। সোজা বাইপাসের ধারের ওই হাসপাতালে পৌঁছে যান তিনি। সেখানে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে অভিনেতার স্বাস্থ্যের সমস্ত আপডেট নেন।


বিবাদে ইতি! বিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করলেন বিজয় থলপতির স্ত্রী সঙ্গীতা
হাসপাতাল সূত্রে খবর, মিঠুন চক্রবর্তীর ডান হাতে একটি ছোট অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে ভক্তদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। বর্তমানে তাঁর অবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাঁকে কড়া পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামীকালই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

সুমিত রায় রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়ে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টে। কিন্তু, আর্জি গ্রহণ করলেন না বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। বিচারপতি জানিয়ে দেন, মামলাটির জরুরি ভিত্তিতে শুনানির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তাই পরে তালিকা অনুযায়ী শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি।

সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশেও মিলল না স্বস্তি, রক্ষাকবচ চেয়ে ফের হাইকোর্টে অভিষেকের পিএ সুমিত
সুমিত রায়

ফের কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় (Sumit Roy)। গতকালই জমি কেলেঙ্কারি মামলায় তাঁর গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু, তারপরেও ফের রক্ষাকবচের আবেদন করে কেন আদালতের দ্বারস্থ হলেন সুমিত? জানা গিয়েছে, দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন আদালতে। তবে, সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।


কেন হাইকোর্টের দ্বারস্থ সুমিত?
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিন পেয়েছেন সুমিত। তবে, শালবনি এলাকায় জমি সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে আগাম জামিন না দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। ওই মামলায় গতকালই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, যে সুমিতের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ, তাঁর গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ দেওয়া হচ্ছে। তবে, জানা গিয়েছে, জমি ও চাকরি দুর্নীতি ছাড়া সুমিতের বিরুদ্ধে আরও ৪টি এফআইআর রয়েছে। তাই, হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টে আগাম জামিন পেয়েও অস্বস্তিতে সুমিত রায়। গ্রেফতারির আশঙ্কা করছেন। তাই ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন সুমিত। রক্ষাকবচের আবেদন করেছেন।


বিদেশেই যাবেন, মামলা ফেরানোর পর আবারও সুপ্রিম কোর্টে গেলেন অভিষেক
দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টে। কিন্তু, আর্জি গ্রহণ করলেন না বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। বিচারপতি জানিয়ে দেন, মামলাটির জরুরি ভিত্তিতে শুনানির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তাই পরে তালিকা অনুযায়ী শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি।


সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ
শালবনি জমি কেলেঙ্কারি মামলায় সুপ্রিম কোর্ট সুমিতের গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ দিলেও, কিছু শর্ত বেঁধে দিয়েছেন। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দিতে হবে। তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। সঙ্গে একজন আইনজীবীকে নিয়ে যেতে পারবেন তিনি। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সুমিতকে তদন্তের জন্য ডাকা যাবে। তবে, তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না।

 কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী মূল রাস্তা ও সংযোগকারী রাস্তায় যান ঘুরিয়ে দেওয়া হতে পারে। ফলে ১০ অগস্ট ময়দান, রেড রোড এবং মধ্য কলকাতা সংলগ্ন এলাকায় যান চলাচলে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে। পার্কিং বন্ধ থাকবে কিংসওয়ে, অকল্যান্ড রোড, স্ট্র্যান্ড রোডের নির্দিষ্ট অংশ, আর আর অ্যাভিনিউ-সহ একাধিক রাস্তায়।


 সোমবার কলকাতার একাধিক রাস্তা থাকবে বন্ধ, কোন কোন রুটে চলবে না গাড়ি, জেনে নিন
কলকাতা ট্রাফিক

 হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচিতে প্রথমবার সামিল হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। বৃহস্পতিবারই সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ১০ অগস্ট তিরঙ্গা যাত্রা উপলক্ষে বড় মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। ধর্মতলার নেতাজি মূর্তির পাদদেশ থেকে মিছিল হবে। প্রায় ৫০ হাজার লোক নিয়ে মিছিল হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর ফলে ওইদিন একাধিক রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। রেড রোড, খিদিরপুর রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলি বন্ধ থাকবে। কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ১০ অগস্ট সোমবার অর্থাৎ সপ্তাহের শুরুতেই একাধিক রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ থাকলে সমস্যায় পড়বেন নিত্যযাত্রীরা। তাই ওইদিন রাস্তায় বেরনোর আগে জেনে নিন কোন কোন রাস্তা ১০ অগস্ট বন্ধ থাকতে পারে


যে রাস্তাগুলি বন্ধ থাকবে…
ময়দান যাওয়ার রাস্তা মূলত কিংসওয়ে, আর আর অ্যাভিনিউ, প্লাসি গেট রোড, মেয়ো রোড, জওহরলাল নেহেরু রোড, ক্যাথেড্রাল রোড, কুইন্সওয়ে, রেড রোড, খিদিরপুর রোড, লাভার্স লেন, ক্যাসুয়ারিনা অ্যাভিনিউ।


 বসে বসে গুনছিলেন কড়কড়ে টাকা, খপাৎ করে হাত ধরে গামলায় চোবাতেই সাদা জল হয়ে গেল বেগুনি! সরকারি ইঞ্জিনিয়ারের কীর্তি ফাঁস
যেসব রাস্তায় পার্কিং নিষিদ্ধ থাকবে
পার্কিং বন্ধ থাকবে কিংসওয়ে, অকল্যান্ড রোড, স্ট্র্যান্ড রোডের নির্দিষ্ট অংশ, আর আর অ্যাভিনিউ, প্লাসি গেট রোড, মেয়ো রোড, জওহরলাল নেহেরু রোড, ক্যাথেড্রাল রোড, কুইন্সওয়ে, ডাফরিন রোড, ক্যাসুয়ারিনা অ্যাভিনিউ


কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী মূল রাস্তা ও সংযোগকারী রাস্তায় যান ঘুরিয়ে দেওয়া হতে পারে। ফলে ১০ অগস্ট ময়দান, রেড রোড এবং মধ্য কলকাতা সংলগ্ন এলাকায় যান চলাচলে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে।

পণ্যবাহী যান চলাচল বন্ধ থাকবে
দ্বিতীয় হুগলি সেতু
এজেসি বোস রোড (লেনিন সরণি/মৌলালি মোড় থেকে হেস্টিংস পর্যন্ত)
সেন্ট জর্জেস গেট রোড
স্ট্র্যান্ড রোড (রাজা উডমন্ট স্ট্রিট পর্যন্ত)
সিআর অ্যাভিনিউ (জি.সি. অ্যাভিনিউ থেকে দক্ষিণমুখী)
জওহরলাল নেহরু রোড
এসপি মুখার্জি রোড (রাসবিহারী অ্যাভিনিউ থেকে এক্সাইড মোড় পর্যন্ত)
তবে LPG সিলিন্ডার, CNG, পেট্রোল, তেল, অক্সিজেন, সবজি, ওষুধ, ফল, মাছ ও দুধ বহনকারী যান এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে

 দুর্গাপুরের যে বেসরকারি স্কুলে নাবালক পড়ুয়াদের অর্থের বিনিময়ে রক্ত বিক্রির অভিযোগ সামনে এসেছে, দেবপ্রিয় চট্টোপাধ্যায় সেই স্কুলেরই প্রাক্তন ছাত্র। তাঁকে এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন তৃণমূল নেতা অমিত প্রসাদ ও হাবিবুল্লাহ। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক পাশ করার পর স্কুল ছাড়ে সে।
.
 স্কুল ছুটির পর প্রথমে আলাপ জমাত পড়ুয়াদের সঙ্গে, তারপরই...কীভাবে দুর্গাপুরে রক্তের কারবার চালাত ধৃত তৃণমূল নেতার 'এজেন্ট' দেবপ্রিয়?
দুর্গাপুরে রক্তে 'কালোবাজারি'

দুর্গাপুরে (Durgapur) টাকার প্রলোভন দেখিয়ে স্কুলপড়ুয়া নাবালকদের রক্ত সংগ্হের অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। ইতিমধ্যেই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতরা হলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা অমিত প্রসাদ, মহম্মদ হাবিবুল্লা ও স্কুলের প্রাক্তন পড়ুয়া দেবপ্রিয় চট্টোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, অর্থের বিনিময়ে নাবালক পড়ুয়াদের রক্তদানে (Blood Donation Scam) রাজি করাত এই দেবপ্রিয়। কীভাবে অপারেশন চালাত? তদন্তে উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য।


কীভাবে পড়ুয়াদের রাজি করাত দেবপ্রিয়? 
দুর্গাপুরের যে বেসরকারি স্কুলে নাবালক পড়ুয়াদের অর্থের বিনিময়ে রক্ত বিক্রির অভিযোগ সামনে এসেছে, দেবপ্রিয় চট্টোপাধ্যায় সেই স্কুলেরই প্রাক্তন ছাত্র। তাঁকে এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন তৃণমূল নেতা অমিত প্রসাদ ও হাবিবুল্লাহ। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক পাশ করার পর স্কুল ছাড়ে সে। তদন্ত আধিকারিক সূত্রে খবর, সম্প্রতি, হঠাৎ করেই স্কুলের বাইরের মাঠে তার আনাগোনা শুরু হয়। অভিযোগ, দেবপ্রিয় স্কুল ছুটির সময় স্কুলের মাঠে বসে থাকত। ছুটি হলেই স্কুলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণীর পড়ুয়াদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে আলাপ জমাত। অভিযোগ, তাঁর লক্ষ্য ছিল অপেক্ষাকৃত অর্থনৈতিকভাবে দূর্বল পড়ুয়ারা। প্রথমে পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপ জমাত। তারপর বিশ্বাস অর্জনের পর নিজের কাজ শুরু করত দেবপ্রিয়।

তোলা দিইনি বলে জানে মেরে ফেলছিল', মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা চান অ্য়াম্বুল্যান্স চালক
চন্দননগর যাওয়ার কথা ছিল, আপ লাইনে মিলল রেলকর্মীর দুই টুকরো দেহ!
‘ভুয়ো ভিডিয়ো দেখানো হত’


অভিযোগ,অসুস্থ শিশুর ভুয়ো ভিডিয়ো দেখিয়ে রক্ত দেওয়ার আবেদন জানাত। কেউ রাজি হলে কৌশলে তাঁর আধার নম্বর হাতিয়ে জন্মতারিখের জায়গা ট্যম্পার করে তৈরি করা হত ভুয়ো আধার কার্ড। এরপর বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্ত দেওয়ানোর ব্যবস্থা করত বলে অভিযোগ। বিনিময়ে দেওয়া হত টাকা। কোনও পড়ুয়াকে ২৫০ টাকা, কোনও পড়ুয়াকে ৩০০ টাকা আবার কাউকে ৫০০ টাকাও দেওয়া হত।

এক রক্তদাতা পড়ুয়া জানিয়েছেন, সাড়ে তিন মাস পরপর দুইবার করে রক্ত দিয়েছি। আমার সঙ্গে অনেককেই বলত, ছেলে জোগাড় করে দিলে ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা কমিশন দেবে। আরেক রক্তদাতা পড়ুয়া বলেন, “কারও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রক্ত নেওয়া হত। পরিবর্তে যে টাকা দেওয়া হত, সেই বিষয়ে জানানো হত যে অসুস্থ ব্যক্তির পরিবারের তরফে দেওয়া হয়েছে। পরে দেবপ্রিয় হঠাৎ জিজ্ঞাসা করে কোনও ফাঁকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তাঁর কাছে রয়েছে কি না। ওই অ্যাকউন্টটা যদি ওকে দিই, তাহলে ১০ হাজার টাকা দেবে। সেটা শুনে আমি ঘাবড়ে যাই। মনে হয় কোনও একটা বেআইনি কিছু হবে। তারপর সেদিনের পর থেকে দেবপ্রিয়র সঙ্গে আর কোনও কথা বলিনি।”

 এলাকার মানুষ বহুবার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তারপরও বিধায়ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে পুলিশ কোনওরকম ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ। সরকার পরিবর্তন হতেই পুলিশের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ করা হল। বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশের পক্ষ থেকে শুক্রবার তল্লাশি চালিয়ে ওই গেস্ট হাউস থেকে কয়েকজন মহিলা এবং নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়।

গেস্ট হাউসে দেহ ব্যবসা ও নাবালিকাদের অনৈতিক কাজ করানোর অভিযোগ, ধৃত সুজিত-ঘনিষ্ঠ
ধৃত সায়ন দে (বাঁদিকে), প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর সঙ্গে সায়ন দে (ডানদিকে, ফাইল ফোটো)

 রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত তিনি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সুজিতের পাশেই দেখা যেতে তাঁকে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত এখন জেলবন্দি। এবার গ্রেফতার করা হল তাঁর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সায়ন দে’কে। সল্টলেকের সুকান্তনগরে গেস্ট হাউসে দেহ ব্যবসা এবং নাবালিকাদের অনৈতিক কাজ করানোর অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে আরও একজনকে। যদিও ধৃত সায়ন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।


সল্টলেকের সুকান্তনগরে ওই গেস্ট হাউসে দীর্ঘদিন ধরেই মধুচক্র চলে বসে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। তৃণমূলের আমলে স্থানীয় বাসিন্দারা কোনও অভিযোগ জানালেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এলাকার মানুষ বহুবার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তারপরও বিধায়ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে পুলিশ কোনওরকম ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ। সরকার পরিবর্তন হতেই পুলিশের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ করা হল। বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশের পক্ষ থেকে শুক্রবার তল্লাশি চালিয়ে ওই গেস্ট হাউস থেকে কয়েকজন মহিলা এবং নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের বয়ান নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গেস্ট হাউসে অনৈতিক কাজের অভিযোগে সুজিত বসু ঘনিষ্ঠ সায়ন দে’কে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর সঙ্গে অনির্বাণ নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করে এদিন ২ জনকে আদালতে তোলা হয়।

সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়', FCRA বিল নিয়ে অন্যের নাক গলানো পছন্দ নয়, আমেরিকাকে বুঝিয়ে দিল দিল্লি
এই নিয়ে বিজেপির বিধাননগর মণ্ডল-২ সহসভাপতি শান্তনু সরকার বলেন, “নিচে খাওয়ার হোটেল ছিল। আর দোতলায় মধুচক্র চালাতেন সায়ন দে। সুজিত বসুর ডান হাত ছিলেন তিনি। আমাদের এখানকার প্রাক্তন কাউন্সিলরের খাস লোক ছিলেন। প্রোমোটারদের কাছ থেকে তোলাবাজি করতেন। জমি দখল, তোলাবাজি ছিল প্রধান কাজ। সুজিত বসুর হাত ওর মাথায় ছিল। বছর ছয়েক ধরে এখানে রয়েছে সায়ন। কিন্তু, বছর চারেক আগে থেকে এসব শুরু করে। আমি বছর দুয়েক আগে থানায় জানিয়েছিলাম। তখন পুলিশই আমাদের ধমক দিয়েছিল। তখন তৃণমূলের সরকার ছিল। এখন সরকার বদলানোর পর পুলিশ তৎপর হয়েছে। কিছু অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়।”


এনসিপিআই তো এনডিএ-কেই সমর্থন করছে! নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মুর্শিদাবাদের সাংসদ বলেন, "কে সমর্থন করছে, কে সমর্থন করছে না, আমরা বলতে পারব না। আমরা সমর্থন করছি না। আমরা এনসিপিআই-তে আছি, এনসিপিআই-তে থাকব। আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত নেব।"


তৃণমূল ভেঙে NCPI তৈরি হল! এবার কি ভাঙছে NCPI-ও?
এনসিপিআই-তেও এবার ভাঙন?


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi) প্রাতঃরাশ বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন এনসিপিআই(NCPI)-র তিন মুসলিম সাংসদ। তারপরও কি তাঁদের মন গলল না? এনসিপিআই-র তিন মুসলিম সাংসদকে নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠকে যোগ দিলেও, এনডিএ-র সঙ্গে নেই তারা, ফের একবার স্পষ্ট করে দিলেন এনসিপিআই সাংসদ আবু তাহের (Abu Taher)। এনসিপিআই-তে থাকলেও, ধর্মীয় স্বার্থে আঘাত লাগলে প্রতিবাদ হবে বলে জানান তিনি।


এদিন প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠক থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আবু তাহের বলেন, “এনডিএ যদি বিজেপিতে মিশে যায়, আমরা যেতে পারব না। আমরা বিজেপি করব না। যেহেতু এনসিপিআই আলাদাভাবে গঠন করা হয়েছে, আমরা এনসিপিআই-তে রয়েছি। যদি সেখানেও আমাদের ধর্মীয় কোনও বিষয় থাকে, যদি ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে কোনও সিদ্ধান্ত নেয় ভারত সরকার, তাহলে সেখানেও আমরা বিরোধিতা করব। কোনওমতেই সমর্থন করব না।”


সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়', FCRA বিল নিয়ে অন্যের নাক গলানো পছন্দ নয়, আমেরিকাকে বুঝিয়ে দিল দিল্লি
এনডিএ-তে নেই, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে কেন গিয়েছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে আবু তাহের বলেন, “আমরা এনসিপিআই। এনডিএ-র বিষয়ে তো নেই। এনসিপিআই সাংসদদের ডাকা হয়েছিল। এনসিপিআই-র হয়ে আমরা গিয়েছিলাম, এনসিপিআই-র হয়ে বক্তব্য রেখেছি। আমাদের অন্য বক্তব্য নেই।”


কিন্তু এনসিপিআই তো এনডিএ-কেই সমর্থন করছে! নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মুর্শিদাবাদের সাংসদ বলেন, “কে সমর্থন করছে, কে সমর্থন করছে না, আমরা বলতে পারব না। আমরা সমর্থন করছি না। আমরা এনসিপিআই-তে আছি, এনসিপিআই-তে থাকব। আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত নেব। মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে যদি একের পর এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং আমরা তাঁর প্রতিবাদ করব।”

এদিকে, এনসিপিআই-র আরেক সাংসদ তথা দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধের প্রসঙ্গ কার্যত এড়িয়েই বলেন, “এনডিএ তো পরিবারের মতো, যা আরও বড় হচ্ছে। এই শক্তির ভারটাকে ধরে রাখতে হবে। সেটা আগেও আমাকে বলেছিলেন, আজও বললেন। উনি (প্রধানমন্ত্রী মোদী) আজ বলেছেন যে আমি যে সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী রয়েছি, ততদিনে ব্রিটেনে আটবার প্রধানমন্ত্রী বদলে গিয়েছে। দেশের মানুষ স্থিতিশীলতা চায়।”

অন্যদিকে, এনসিপিআই-র এই বিরোধ থেকে দূরত্ব রাখছে বিজেপি। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এটা আমার সিলেবাসের বিষয় নয়। এনসিপিআই একটা দল। তৃণমূল নির্মূল হয়ে যাওয়ার পর ২০ জন সাংসদ মিলে এই দল তৈরি করেছেন। সেখানে কেউ বিরোধী হয়ে গেলে, তা দেখার বিষয় এনসিপিআই-র, বিজেপির নয়। আমি শুধু বলতে পারি যে দেশে তুঘলকের শাসন নেই। এটা বাবরের সরকার নয়, এটা শিবাজি মহারাজের সরকার। তাই এটা নিয়ে ভাবুন, বুঝুন আর এই চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে যা রাজনীতি করার করুন।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, এনসিপিআই-র এই তিন সাংসদ জল মাপছেন। তারা যে আসন থেকে সাংসদ, তা এখনও মুসলিম অধ্যুষিত। তাই বিজেপির প্রতি ছুৎমার্গ এখনও রয়ে গিয়েছে।

আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ বলেন, "হাজিরা দেওয়ার সময় এর আগে মহুয়া মৈত্রকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তাঁর উদ্দেশ্যে ডিমও ছোড়া হয়েছিল"। জেরার জন্য ভার্চুয়ালি হাজিরার অনুমতির আবেদন করেছিলেন মহুয়া।

স্বাধীনতা সংগ্রামীরা বুকে গুলি খেয়েছেন আর আপনি ডিমকে ভয় পাচ্ছেন?: মহুয়াকে সুপ্রিম কোর্ট
মহুয়াকে পাঠ পড়াল সুপ্রিম কোর্ট।

রাজনীতি করবেন আর ডিমকে ভয় পাবেন! স্বাধীনতা সংগ্রামীরা বুকে গুলি খেয়েছেন”। শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) বিচারপতির কটাক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)-কে। একইসঙ্গে খারিজ হল মহুয়া মৈত্রের মামলা।


একটি আপত্তিকর ফেসবুক পোস্ট নিয়ে পুলিশের তরফে তলব করা হয়েছিল কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। সেই মামলায় ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে মহুয়া মৈত্র। আজ বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়।


স্বামী-স্ত্রীর পঞ্চায়েত', তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ঘাসফুল সদস্যদেরই
তাঁর আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ বলেন, “হাজিরা দেওয়ার সময় এর আগে মহুয়া মৈত্রকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তাঁর উদ্দেশ্যে ডিমও ছোড়া হয়েছিল”। জেরার জন্য ভার্চুয়ালি হাজিরার অনুমতির আবেদন করেছিলেন মহুয়া। তার আইনজীবী সেই আর্জি জানাতেই বিচারপতি দত্ত বলেন, “শুধুমাত্র আপনি সাংসদ বলে?”


তখন ডিম ছোড়ার প্রসঙ্গ তোলেন আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ। এর জবাবেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেন যে সাংসদদের ডিমকে ভয় পাওয়া উচিত নয়। বিচারপতি বলেন, “রাজনীতিতে শপথ নিয়েছেন, ডিমকে ভয় পাচ্ছেন কেন? আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা বুকে গুলি খেয়েছেন।”

তবে মহুয়ার আবেদন খারিজ করে দিতে চান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চ। তার আগে নিজে থেকেই মামলা প্রত্যাহার করে নেন মহুয়ার আইনজীবী।

প্রসঙ্গত, এই মামলায় আগেই কলকাতা হাইকোর্টে রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানিয়েছিল হাইকোর্ট। তবে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আগামী ১৪ অগস্ট হাজিরার নির্দেশও দেওয়া হয়। এরপরই ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ।

 মামলার শুনানিতে এদিন কুণাল ঘোষের আইনজীবী বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য বলেন, "'জুডিশিয়াল রিভিউ' চাইছি। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক তাঁরা একদিকে থাকছেন। একটিও বিল নিয়ে কেউ প্রতিবাদ দেখাননি। চিপ হুইপ, যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতায় রয়েছেন, তিনি কুণাল ঘোষের নাম পাঠাননি। শুধু চাইছি নাম পাঠানো হোক। এর ফলে স্পিকার কিছু সময় বলতে দেবেন। প্রথমবার হয়ত এমন কোনও মামলা হয়েছে। তাই অন্তত এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিক আদালত।"


স্পিকারকে বলুন, আদালত কী করতে পারে?' কুণাল ঘোষের 'কণ্ঠরোধ' মামলা খারিজ করে জানাল কলকাতা হাইকোর্ট
কুণাল ঘোষ

 বেলাঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) ‘কণ্ঠরোধ’ মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কুণাল ঘোষকে বিধানসভায় অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, এই মামলায় আদালতের করণীয় কিছু নেই। চক্রান্ত মনে হলে বিধানসভার স্পিকারকে জানাতে হবে।


কুণাল ঘোষের অভিযোগ
বিধানসভায় তাঁকে বলতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনই অভিযোগ তুলে বারবার সরব হয়েছেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, অধিবেশনে বক্তার তালিকায় তাঁর নাম রাখা হচ্ছে না। বার বার তা বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। গোটা ঘটনায় ঋতব্রতের শিবিরের দিকে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। গত মাসেই এর বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিধানসভায় প্রতিবাদ করেছিলেন কুণাল ঘোষ। আখরুজ্জামানের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় বিধানসভায়। এরপরই তাঁকে টেনে হিঁচড়ে বিধানসভা থেকে বের করে দেওয়া হয়। ওইদিন বিধানসভা থেকে সাসপেন্ডও করে দেওয়া হয়। তারপরেও চক্রান্ত করে কণ্ঠরোধের অভিযোগ তুলে বারবার সরব হয়েছেন তিনি। পরে মামলাও করেন কলকাতা হাইকোর্টে।


কেমন পাত্র পেলে বিয়ে করবেন ৫১-র আমিশা?
হাইকোর্টে কুণালের মামলা
আজ সেই সংক্রান্ত মামলারই শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সাধারণভাবে বিধানসভার ক্ষেত্রে যদি কোনও মামলা হয়ে থাকে, প্রশ্ন এটাই থাকে, সেই বিষয়ে নিষ্পত্তি কি আদালত আদৌ করতে পারে? বিধায়কের কোনও অভিযোগ থাকলে তাঁরা স্পিকারকে জানাতে পারেন। এদিন এই প্রশ্নটাই ওঠে কলকাতা হাইকোর্টে।

জল নিকাশির স্থায়ী সমস্যা এবং বাজারের আবর্জনা ফেলার জেরে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়ে আজ দুপুরে গঙ্গাসাগরের বামনখালি বাজারে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর ফলে দীর্ঘক্ষণ ওই রুটে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাজারের বেশ কিছু দোকানদার নালার পেছনে ময়লা-আবর্জনা ফেলে প্রাকৃতিক নিকাশি পথটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এর জেরে সামান্য বৃষ্টিতেই জল জমে নদী ও খালের জল উপচে পড়ার উপক্রম হয়। বর্ষার মরশুমে এই জমা জলের কারণে চরম সমস্যার মুখে পড়েন বামনখালি গ্রামের সাধারণ মানুষ। বহুবার প্রশাসন ও দোকানদারদের জানিয়েও সুরাহা না মেলায় আজ বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। পথ অবরোধের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সাগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।

 পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যৌথ উদ্যোগে নালার আবর্জনা পরিষ্কার করার কাজ শুরু হয়। প্রশাসনের আশ্বাসের পর অবশেষে অবরোধ তুলে নেন স্থানীয়রা। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং যান চলাচল পুনরায় চালু হয়েছে।

পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিল সুন্দরবন পুলিশ জেলার কাকদ্বীপ ট্রাফিক গার্ড। এবার থেকে মাথায় হেলমেট না থাকলে এবং নম্বর প্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে আর পেট্রোল দেওয়া যাবে না— এই মর্মে কাকদ্বীপ এলাকার সমস্ত পেট্রোল পাম্পে সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে গিয়ে মালিক ও কর্মীদের হাতে সরকারি নির্দেশিকা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি পাম্প চত্বরে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে সচেতনতামূলক ফ্লেক্স ও নোটিশ। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, "No Helmet, No Fuel" এবং "No Number Plate, No Fuel" নীতি কঠোরভাবে কার্যকর করতে হবে।
ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। হেলমেট ব্যবহার না করলে কিংবা নম্বর প্লেট ছাড়া মোটরসাইকেলে পেট্রোল সরবরাহ করা যাবে না। এই নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট পেট্রোল পাম্পের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিন বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে গিয়ে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা মালিক, ম্যানেজার ও কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে বোঝান এবং সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বাইক চালকদেরও হেলমেট ব্যবহারের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

সুন্দরবন পুলিশ জেলার এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা বিধি কার্যকর করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপদ যান চলাচল সম্পর্কে সচেতনতা আরও বাড়বে বলেই প্রশাসনের আশা।


ককদ্বীপ থেকে মুন্না সর্দারের রিপোর্ট ককদ্বীপ ডট কম

রাজ্য জুড়েই সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে ‘পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ ২০২৬’। "আজ নিরাপদ, আগামী নিরাপদ, সর্বদা নিরাপদ"— এই বার্তাকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহন দপ্তর এবং পশ্চিমবঙ্গ ও কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নানান সচেতনতামূলক কর্মসূচি। 


তারই অঙ্গ হিসেবে নামখানা থানার পক্ষ থেকে শিবনগর আবাদ কাঁকড়া বুড়ি মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হলো এক বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির। এই শিবিরের মূল উদ্দেশ্য ছিল নামখানা থানা এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে গণপরিবহনের কাজে যুক্ত চালক ও পরিবহন কর্মীদের শারীরিক পরিস্থিতি যাচাই করা। কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক সুমন্ত মন্ডল এবং সাগর এসডিপিও সুমন কান্তি ঘোষ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিআই সুরজিৎ সাধুখাঁ, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সন্দীপ মল্লিক এবং নামখানা থানার ওসি প্রলয় ধর।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে চালকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ পথ নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতা মূলক বার্তা দেওয়া হয়। ওভারটেক না করা, ট্রাফিক সিগন্যাল ও আইন মেনে চলা, সীমাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি না চালানো, হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার এবং মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি না চালানোর বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়। পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় গাড়ি চালক ও সাধারণ মানুষ।


নির্মলা সীতারমন আমাকে বলেছেন, চা বাগান আর বস্ত্র ব্যবসা নিয়ে উনি বিশেষ ভাবে ভাবছেন। বাংলার টেক্সটাইল নিয়ে নির্মলা সীতারমণ ভাবছেন। এটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ২৪ থেকে ২৮ অগস্ট নির্মলা সীতারমন আসছেন বাংলায়।"


প্রধানমন্ত্রী বাকি মন্ত্রীদের বলেছেন তাড়াতাড়ি বাংলায় যাও, উন্নয়ন করো: শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী


কলকাতার মিলন মেলা প্রাঙ্গনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বস্ত্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ও বস্ত্র শিল্প সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। ফিতে কেটে উদ্বোধন করেন শিল্প সম্মেলনের। সেখান থেকে শুভেন্দু অধিকারী যা যা বললেন এক নজরে।


এক নজরে সবটা (সর্বশেষ তথ্য উপরে)


Supreme Court: শিন্ডেকেই প্রতীক দেওয়া হয়েছিল, কমিশনের 'ভুল' ছিল, বলল সুপ্রিম কোর্ট
শুভেন্দু অধিকারী: আমি প্রতিদিন ভূমি পূজন করছি। লাক্স কোজি, এখানে আমূল এসেছে। মিষ্টি দই আর আইস ক্রিম করবে।
শুভেন্দু অধিকারী: নির্মলা সীতারমন আমাকে বলেছেন, চা বাগান আর বস্ত্র ব্যবসা নিয়ে উনি বিশেষ ভাবে ভাবছেন। বাংলার টেক্সটাইল নিয়ে নির্মলা সীতারমণ ভাবছেন। এটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ২৪ থেকে ২৮ অগস্ট নির্মলা সীতারমন আসছেন বাংলায়।

শুভেন্দু অধিকারী: টেক্সটাইল হাবের জন্য যদি আইন পরিবর্তন করতে হয় আমি করব। আপনাদের যা দরকার তাই করব।
শুভেন্দু অধিকারী: সব অপরাধ যেমন তোলাবাজি, কাটমানি, চাঁদাবাজি বন্ধ হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে আবহাওয়া বদল হচ্ছে আপনারা টের পাচ্ছেন। গুন্ডামি করতে দেব না। তোলা অসুলি হবে না। কয়েকজন ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম ট্রেড লাইসেন্স কীভাবে পাচ্ছেন? ওঁরা জানালেন অনলাইনে। এখন কোনও অসুবিধা হয় না। কেউ কেউ পার্কিং নিয়ে একটু অভিযোগ করেছে।
শুভেন্দু অধিকারী: প্রধানমন্ত্রী নরন্দ্র মোদী অনেক চেষ্টা করছে বাংলার হাল ফেরাতে। উনি যোগা ডে পালন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সব মন্ত্রীদের বলেছেন, তাড়াতাড়ি বাংলায় যাও। বাংলাকে উন্নত করো। সেই কাজ শুরু হয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারী: বাংলায় কর্মসংস্থানের অভাব আছে। কিন্তু এখানে মানুষ রয়েছেন। আমি বাংলার জন্য গর্বিত। এই শহরকে সিটি অব জয় বলে। এটা সংস্কৃতি কেন্দ্র।
শুভেন্দু অধিকারী: তিন মাসে বাংলার অবস্থা বদলেছে। ১০০০ কোটির টাকার মতো ব্যবসা হবে। আগের মুখ্যমন্ত্রী সুরাটের নাম শুনলেই বলত বহিরাগত। আরে দেশ তো। কলকাতার লাভ হবে, তেমন গুজরাটেরও। এই জন্যই তো শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় আমাদের বাঁচিয়েছে। নয়ত বাংলাদেশের মতো অবস্থা আমাদের হত।
শুভেন্দু অধিকারী: ৫০ বছর ধরে বাংলাকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীরা বাংলাকে যেভাবে এগোনোর চেষ্টা করছেন তার জন্য ধন্যবাদ।এই সব সফল ব্যবসায়ীরা প্রকৃত দেশপ্রেমিক, রাষ্ট্রবাদী।
শুভেন্দু অধিকারী: ডবল ইঞ্জিন সরকার কাজ শুরু করেছে। বাংলায় এখন ব্যবসা বান্ধব পরিস্থিতি হয়েছে।