WEATHER

Top News


সূত্রের খবর, কোভিডকালে ১৭১ ট্রাক গম ধরা পড়েছিল তার রেশ ধরেই নতুন করে তদন্তে গতি এসেছে। অভিযোগ, পাচার করা হচ্ছিল ৫ হাজার টনের বেশি গম। সেই সময় শুল্ক দফতর প্রত্যেকটি ট্রাককে আটক করে। পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশের থেকে তদন্তভার নেয় ইডি। সূত্রের খবর, ওই সময় ধরা পড়ে প্রায় ১৬ কোটি টাকার গম।

ভোটের তিন দিন আগে ফের অ্যাকশন, রেশন দুর্নীতি মামলায় মোট ১৭ জায়গায় তল্লাশি ইডি-র
ফের ইডি হানা


সুজয় পাল ও দীপঙ্কর দাসের রিপোর্ট


হাবড়া: দ্বিতীয় দফার ভোটের তিন দিন আগে ফের অ্যাকশনে ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় ফের জোরদার তদন্ত। হাবড়ায় চার জায়গায় ইডির হানা। দক্ষিণ হাবড়ার সুভাষ রোডে চাল ব্যবসায়ী রাজীব সাহা ও পার্থ সাহার বাড়িতে হানা দেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। অন্যদিকে আরও দুই জায়গাতেও হানা দিয়েছে ইডি। জয়গাজির নেতাজি রোডে চাল ব্যবসায়ী সমীর চন্দ্রের বাড়িতেও হানা দেয় ইডি। পাশাপাশি হাবরার শ্রীনগরে আর এক চাল ব্যবসায়ীর সাগর সাহার বাড়িতেও হানা দেয় ইডি। হাবড়া-সহ মোট ৯ ব্যবসীয়র বাড়িতে চলছে তদন্ত। এছাড়াও একাধিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন অফিস, সংস্থা সহ মোট ১৭ জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। 

এটিও পড়ুন
'দেখে নেব, আমি হাইকোর্টের পিপি', IC-র সঙ্গে তুমুল বাকবিতণ্ডা তৃণমূল নেতার
Suvendu Adhikari on Nandigram: ‘আইন মেনেই ব্যবস্থা হবে’, ভোটের পরেই নন্দীগ্রামের মহম্মদপুরে উত্তেজনা নিয়ে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
ज़िंदगी में एक बार जरूर जाएं इन 20 जादुई जगहों पर – नंबर 5 सपना लगती है!
সূত্রের খবর, কোভিডকালে ১৭১ ট্রাক গম ধরা পড়েছিল তার রেশ ধরেই নতুন করে তদন্তে গতি এসেছে। অভিযোগ, পাচার করা হচ্ছিল ৫ হাজার টনের বেশি গম। সেই সময় শুল্ক দফতর প্রত্যেকটি ট্রাককে আটক করে। পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশের থেকে তদন্তভার নেয় ইডি। সূত্রের খবর, ওই সময় ধরা পড়ে প্রায় ১৬ কোটি টাকার গম। অভিযোগ এফসিআই থেকে যে গম পাঠানো হয় সেই গম হিসাবে কারচুপি করে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল বাংলাদেশে। ওই কেসে এক্সপোর্টার হিসাবে যাঁদের নাম উঠে এসেছিল তাতেই এই চার ব্যক্তির নাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। পুরো কাণ্ডে প্রত্যেকেই মোটা টাকা কামিয়েছে বলে অভিযোগ। সেই এক্সপোর্টারদের চিহ্নিত করেই তাঁদের বাড়ি অফিস, বিভিন্ন সংস্থায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।  


এদিন সকালে ইডির আধিকারিকদের সঙ্গেই ময়দানে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। তাঁরা গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বভাবতই এলাকায় চাপনউতোর তৈরি হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২৯ এপ্রিল ভোট রয়েছে হাবড়ায়। এবারও হাবড়ার প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। অতীতে রেশন দুর্নীতি মামলায় তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে বিস্তর চাপানউতোর হয়েছে রাজনৈতিক আঙিনায়। যদিও শেষ পর্যন্ত এবারও তাঁর উপরেই ভরসা রেখেছে দল। এদিকে তিনি মন্ত্রী থাকাকালীন সময়েই এই এই গম এক্সপোর্টের জল গড়িয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। ফলে ভোটের মুখে ফের এই কেসের তদন্ত যে বিশেষভাবে তাৎপর্যন্তপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সে কারণেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক আঙিনাতেও চাপানউতোর শুরু হয়েছে। 

২০২১ সালের ভোটে প্রথমবার জিতেছিলেন অশোক লাহিড়ি। একদা কেন্দ্রের অর্থনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও সামলেছেন। একইসঙ্গে ভারতের পঞ্চদশ অর্থ কমিশনেরও সদস্য হিসাবে কাজ করেছেন। ফলে তাঁর মতো হেভিওয়েট ভোটে টিকিট না পাওয়ায় স্বভাতই তা চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হচ্ছেন বালুরঘাটের বিদায়ী বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ি
নতুন দায়িত্বে অশোক লাহিড়ি



ভোটের প্রার্থী না হলেও বড় দায়িত্ব পেলেন অশোক লাহিড়ি। নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হচ্ছেন বালুরঘাটের বিদায়ী বিজেপি বিধায়ক। এদিকে এবারের ভোটে তাঁকে প্রার্থী না করা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে রীতিমতো চাপানউতোর চলছিল। কিন্তু তিনি যে শীঘ্রই বড় দায়িত্ব পেতে পারেন তা নিয়েও জল্পনা তীব্র হয়েছিল। অবশেষে তাঁকে নীতি আয়োগের উপাধক্ষের পদে বসানো হল। একইসঙ্গে এই বাংলারই আর এক ভূমিপুত্র গোবর্ধন দাসকেও নীতি আয়োগের সদস্য করা হয়েছে বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে। তা নিয়ে চর্চা চলছে তাঁর সতীর্থদের মধ্যে। চর্চা বালুরঘাটের রাজনৈতিক আঙিনাতেও। 


প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ভোটে প্রথমবার জিতেছিলেন অশোক লাহিড়ি। একদা কেন্দ্রের অর্থনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও সামলেছেন। একইসঙ্গে ভারতের পঞ্চদশ অর্থ কমিশনেরও সদস্য হিসাবে কাজ করেছেন। ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি ভারত সরকারের দ্বাদশ প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা (CEA) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে তাঁর মতো হেভিওয়েট ভোটে টিকিট না পাওয়ায় স্বভাতই তা চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিছুটা হলেও অস্বস্তি বেড়েছিল পদ্ম শিবিরের। তারপর থেকেই তাঁর সম্মানজনক পুর্নবাসন, সম্মানজনক পদে ফেরানো নিয়ে জল্পনা তীব্র হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনায় ইতি পড়ল। এখন দেখার নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর সেই কাজে কতটা ছাপ রাখেন অশোকবাবু। 




প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের ভোটের আগে বিজেপির ইস্তেহার তৈরির জন্য ১১ জনের কমিটি তৈরি করেছিল বিজেপি। কমিটির চেয়ারম্যান পদে বসানো হয়েছিল তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়া উত্তর কলকাতার বর্ষীয়ান নেতা তাপস রায়। কনভেনার করা হয়েছিল অশোক লাহিড়িকে। তখনও সেই সময় চর্চায় এসেছিলেন তিনি। 

শুক্রবার গভীর রাতে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রং রুমের ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে শনিবার ভোররাতে ছুটে যান সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। সিসিটিভি এবং বাইরের ক্যামেরা বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ তুলে, তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বায়রন।

প্রথম দফার ভোট শেষ। আর একটা দফা বাকি। রাজ্য় জুড়ে টানটান উত্তেজনা। বিজেপি ইতিমধ্যেই দাবি করেছে যে প্রথম দফার ১৫২ আসনের মধ্যে ১১০টি পাবে বিজেপি। এরই মধ্যে আচমকা নিজের আসন নিয়েই ভবিষ্যদ্বাণী করে বসলেন সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। বললেন, ‘সাগরদিঘিতে আমি হারছি।’


কী ভবিষ্যদ্বাণী করলেন বায়রন?
শুধু নিজের কথা নয়, বললেন আরও একাধিক তৃণমূল প্রার্থীর কথা। ক্যামেরার সামনে বায়রন বলেন, “আমি হারছি, জঙ্গিপুরে জাকির সাহেব হারছেন, সামশেরগঞ্জে নূর আলম হারছেন, ফরাক্কাও হারছে, রাজ্যের কথা বলতে পারব না।”


শুক্রবার গভীর রাতে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রং রুমের ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে শনিবার ভোররাতে ছুটে যান সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। সিসিটিভি এবং বাইরের ক্যামেরা বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ তুলে, তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বায়রন। তাঁর দাবি, গভীর রাতে দীর্ঘক্ষণ ধরে আলো বন্ধ ছিল।





টিভি নাইন বাংলার তরফ থেকে যোগাযোগ করা হয় 'হোক কলরব' ছবির পরিচালক তথা ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী। রাজ স্পষ্ট জানালেন, বাংলা নিয়ে কথা বলতে হলে, বাংলার আবেগ এবং বাংলা সম্পর্কে পড়াশুনো দরকার। নইলে বিপাকে পড়তে হয়!

যাদবপুরে দেশবিরোধী স্লোগান, মোদীর তোপের পাল্টা কী বললেন 'হোক কলরব' পরিচালক রাজ চক্রবর্তী?


যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের দেওয়ালে দেশবিরোধী স্লোগান। শুক্রবার বারুইপুরের জনসভার মঞ্চে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্যে উঠে এল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গও। যেখানে মোদী স্পষ্ট বললেন, “এক সময় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম গোটা দুনিয়ায় সম্মানের সঙ্গে নেওয়া হতো। এই ক্যাম্পাসের ভিত্তিই ছিল জাতীয়তাবাদের উপর। কিন্তু এখন ক্যাম্পাসের ভিতর হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশ বিরোধী কথা লেখা হচ্ছে। যে সরকার নিজের রাজ্যের সবথেকে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাঁচাতে পারে না ও বাংলার ভবিষ্যত কী বাঁচাবে!” তার এ কথা নিয়ে এখন তোলপাড় চলছে রাজনৈতিক আঙিনায়। মোদীর এমন বক্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে টিভি নাইন বাংলার তরফ থেকে যোগাযোগ করা হয় ‘হোক কলরব’ ছবির পরিচালক তথা ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী। রাজ স্পষ্ট জানালেন, বাংলা নিয়ে কথা বলতে হলে, বাংলার আবেগ এবং বাংলা সম্পর্কে পড়াশুনো দরকার। নইলে বিপাকে পড়তে হয়!


কী বললেন রাজ?
চলতি বছরেই মুক্তি পায় রাজ চক্রবর্তীর ছবি ‘হোক কলরব’। এই ছবির গল্প গড়ে উঠেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলে তৈরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঘটে যাওয়া এক র‍্যাগিংয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই। সেই ছবির প্রসঙ্গ তুলেই রাজ টিভি নাইন বাংলাকে জানান,”আমি যে ছবিটা বানিয়েছি, সেটা একেবারেই কাল্পনিক একটা র‍্যাগিংয়ের ঘটনাকে নিয়ে। তাই সেটার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের কোয়ালিটি অফ পড়াশুনোর যোগাযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোয়ালিটি অফ স্টুডেন্ট অনেক বেশি। যাঁরা কিন্তু যথেষ্ট ভালো ভালো জায়গায় স্থান পায়। আমার মনে হয়, দেশের যেকোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনও অংশে কম নয় তাঁরা। তা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হোক বা যাদবপুর কিংবা প্রেসিডেন্সি। যাদবপুর ও প্রেসিডেন্সির কথা বিশেষভাবে বলতে পারি, সেখানে যাঁরা পড়ে তাঁদের , তাঁদের মেধা, তাঁদের ব্যক্তিত্বকেও অন্য চোখে দেখা হয়।”



প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গে তুলে রাজ জানান, ”আমাদের বাংলার যে সংস্কৃতি, বাংলার যে ইমোশন। সেখানে আমরা পাড়ার রক থেকে আরম্ভ করে, চায়ের দোকানে, কলেজের কমোন রুমে, রাজনীতি থেকে খেলাধুলো সব নিয়েই চর্চা করে থাকি। কেউ রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও, তা নিয়ে আলোচনা করতে পারে। যাই করি না কেন, সেটা গঠনমূলক আলোচনা। সেখানে ঝগড়া হয়, বন্ধু-বান্ধবের মধ্যে ঝামেলাও হয়ে যায়। এটা বাংলার কালচার। এর মধ্যে দিয়ে আমরা অনেক কিছু শিখিও। আমাদের এখানে বেশিরভাগ ছেলেমেয়েরাই রাজনীতিতে উঠে আসে কলেজ থেকে, ছাত্রজীবন থেকে। তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী, যাদবপুরে নিয়ে যদি কিছু বলে থাকে, তাহলে তিনি না জেনে বলেছেন। হয়তো তাঁর জানা নেই। বাংলা দখল করব বলেই হবে না, বাংলাকে জানতে হবে।”


কী লিখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সোশাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় লিখেছেন, ‘ব্যথিত হৃদয়ে জানতে চাইছি আপনি কি এভাবেই শ্রদ্ধেয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বর্ণনা করেন? এটাই কি আপনার সৌজন্যবোধ ও শিষ্টাচার? আপনার সরকারের নিজস্ব ‘এনআইআরএফ’ (NIRF) র‍্যাঙ্কিং-এ বছরের পর বছর শীর্ষস্থান দখল করে আসছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। আর আপনি সেই উৎকর্ষ কেন্দ্রকে এভাবে অপমান করলেন? আপনি এত নিচে নামতে পারলেন? যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা মেধার জোরে নিজেদের স্থান অর্জন করে। তারা যখন ডিগ্রি নিয়ে বের হয়, তখন তাদের সঙ্গে থাকে প্রশ্ন করার ক্ষমতা। এটাকে নৈরাজ্য বলে না। এটাই প্রকৃত শিক্ষা এবং এটাই উৎকর্ষ।’

কমিশনের পূর্ব ঘোষিত নিয়মে ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকেই ব্যক্তিগত বাইক ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল, যা সাধারণ মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশে এই বিধিনিষেধ অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে।

ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে ব্যক্তিগত বাইক ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। ভোটের আগের দিন সন্ধ্যা ছটা থেকে অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা আগে থেকে এই বিধি কার্যকর হবে। তবে ভোটের দিন সকাল থেকে পারিবারিক কাজে বা কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার জন্য ব্যক্তিগত বাইক ব্যবহার করা যাবে।


 কমিশনের পূর্ব ঘোষিত নিয়মে ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকেই ব্যক্তিগত বাইক ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল, যা সাধারণ মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশে এই বিধিনিষেধ অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে।



হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, এখন থেকে আর ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। পরিবর্তে, ভোটগ্রহণের আগের দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে অর্থাৎ ভোটের মাত্র ১২ ঘণ্টা আগে থেকেই এই বিধি কার্যকর থাকবে। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোটের আগের দু-তিন দিন সাধারণ মানুষের যাতায়াতের পথ মসৃণ হয়।


শুধু তাই নয়, ভোটের দিন ব্যক্তিগত বাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও আদালত ছাড় দিয়েছে। এদিন সকাল থেকে পারিবারিক প্রয়োজনে কিংবা জরুরি কোনো কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের জন্য ব্যক্তিগত বাইক ব্যবহার করা যাবে। তবে বাইক চালকদের নিজ নিজ পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। আদালতের এই রায়ে নির্বাচনী আমেজে থাকা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যন্ত্রণার কিছুটা সুরাহা হল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।


লোটাস ডেভেলপার্সের অধীনে থাকা ট্রিক্সা রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে এই ফ্ল্যাটগুলি কেনা হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল এই লেনদেনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যার জন্য ২.১৬ কোটি টাকা স্ট্যাম্প ডিউটি এবং ৯০ হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তির সঙ্গে ছয়টি পার্কিং স্পটও পেয়েছেন তাঁরা।

শাহরুখ থাকছেন ভাড়া বাড়িতে, ম্যানেজার পূজা কিনলেন বিলাসবহুল ফ্ল্যাট! জানেন দাম কত?


মুম্বইয়ের অভিজাত এলাকা বান্দ্রায় নতুন ঠিকানা গড়লেন শাহরুখ খানের ব্র্যান্ড ম্যানেজার পূজা দাদলানি। সরকারি রেজিস্ট্রেশন নথি (CRE Matrix) অনুযায়ী, পূজা তাঁর স্বামী হিতেশ প্রকাশ এবং বাবা মোহন শিউরাম দাদলানির সঙ্গে মিলে কার্টার রোডে তিনটি প্রিমিয়াম অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন। এই মেগা ডিলের মোট অর্থমূল্য প্রায় ৩৮.২১ কোটি টাকা।


কার্টার রোডের ‘বরুণ’ নামক একটি পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের উঁচু তলায় এই তিনটি ফ্ল্যাট কিনেছেন তাঁরা। প্রতিটি ফ্ল্যাটের কার্পেট এরিয়া ১,৫১১.১৫ বর্গফুট এবং সঙ্গে রয়েছে ৮১.১৬ বর্গফুটের বিশাল ব্যালকনি। সব মিলিয়ে প্রায় ৪,৭৭৬ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তাঁদের এই নতুন রাজপ্রাসাদ। লোটাস ডেভেলপার্সের অধীনে থাকা ট্রিক্সা রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে এই ফ্ল্যাটগুলি কেনা হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল এই লেনদেনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যার জন্য ২.১৬ কোটি টাকা স্ট্যাম্প ডিউটি এবং ৯০ হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তির সঙ্গে ছয়টি পার্কিং স্পটও পেয়েছেন তাঁরা।



পাবলিক প্রোফাইল খুব একটা সামনে না আনলেও, পূজা বিনোদন জগতের অন্যতম প্রভাবশালী নাম। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি শাহরুখ খানের ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট এবং পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্স সামলাচ্ছেন। ২০২৩ সালে তাঁর আগের বাড়ির অন্দরসজ্জা যখন বদলে গিয়েছিল, তখন খোদ শাহরুখ খান সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, পূজার সেই বাড়ির ভোল বদলে দিয়েছিলেন গৌরী খান স্বয়ং।


পূজা যখন ৩৮ কোটির বাড়ি কিনছেন, তখন শাহরুখ খান নিজে কিন্তু আপাতত ভাড়াবাড়িতে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁর আইকনিক বাংলো ‘মন্নত’-এ মেরামতির কাজ চলায় গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি খারে দুটি লাক্সারি ডুপ্লেক্স অ্যাপার্টমেন্ট লিজ নিয়েছেন। তিন বছরের জন্য সেই লিজে শাহরুখ খরচ করেছেন প্রায় ৮.৬৭ কোটি টাকা।


নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে অন্নু কাপুর জানান, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “আসলে সমস্যাটা ভাষার। এই একই কথা যদি আমি ইংরেজিতে বলতাম, তবে হয়তো এতটা খারাপ লাগত না। মাতৃভাষায় বলেছি বলেই বিষয়টাকে অন্য নজরে দেখা হচ্ছে।


তামান্নার পা ধরে ক্ষমা চাইবেন অন্নু কাপুর! হঠাৎ কী ঘটল?
তামান্নার পা ধরে ক্ষমা চাইবেন অন্নু কাপুর!
আকাশ মিশ্র


অভিনয়ের পাশাপাশি ঠোঁটকাটা স্বভাবের জন্য মাঝেমধ্যেই শিরোনামে আসেন অন্নু কাপুর। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তমন্না ভাটিয়ার সৌন্দর্য বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি ‘দুধের মতো শরীর’ শব্দবন্ধটি ব্যবহার করেন। দক্ষিণ ভারতে তামান্নাকে ‘মিল্কি বিউটি’ বলা হলেও, অভিনেত্রী নিজে এই তকমাটি একেবারেই পছন্দ করেন না। স্বাভাবিকভাবেই অন্নুর এই মন্তব্যকে ‘যৌনগন্ধী’ হিসেবে দাগিয়ে দিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় নেটপাড়ায়।


নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে অন্নু কাপুর জানান, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “আসলে সমস্যাটা ভাষার। এই একই কথা যদি আমি ইংরেজিতে বলতাম, তবে হয়তো এতটা খারাপ লাগত না। মাতৃভাষায় বলেছি বলেই বিষয়টাকে অন্য নজরে দেখা হচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, তিনি অত্যন্ত শুদ্ধ মনেই তামান্নার নাচের এবং তাঁর রূপের প্রশংসা করেছিলেন।



বিতর্কের সূত্রপাত কেবল রূপ নিয়ে নয়, তামান্নার একটি পুরনো মন্তব্যকেও বিঁধেছিলেন অন্নু। তামান্না জানিয়েছিলেন, তাঁর জনপ্রিয় গানগুলো শুনলে নাকি বাচ্চারাও শান্ত হয়ে খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। অন্নু সেই সময় কটাক্ষ করে বলেছিলেন, “৭০ বছরের বাচ্চারাও তো এমন গান শুনে ঘুমোতে যেতে পারে!” এই বিদ্রূপ ভালো মনে নেননি অভিনেত্রী। তবে এবার সুর নরম করে অন্নু বলেন, “আমার কথায় যদি তামান্না মনক্ষুণ্ণ হয়ে থাকেন, তবে আমি ওঁর পা ধরে ক্ষমা চাইতেও কুণ্ঠিত নই। আমি দেখতে চাই, ৭১ বছরের একজন বৃদ্ধ ক্ষমা চাইলে তিনি মাফ করেন কিনা!”


বর্তমানে তমন্না মানেই আইটেম ড্যান্সের সুপারহিট গ্যারান্টি। ‘স্ত্রী ২’-এর ‘আজ কি রাত’ হোক কিংবা ওয়েব সিরিজ়ে ‘গফুর’— তাঁর নাচের ছন্দে কুপোকাত আট থেকে আশি। তাঁর এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার কথা স্বীকার করেও অন্নু কাপুর যে ‘ক্ষমা’ চাওয়ার কার্ড খেললেন, তাতে দুই তারকার সম্পর্কের বরফ গলে কি না, সেটাই এখন দেখার।

রাঘব চাড্ডা রসিকতা করে বলেন, প্রথম ডেট শেষ হতে না হতেই পরিণীতি ইন্টারনেটে তাঁকে নিয়ে রীতিমতো ‘তদন্ত’ শুরু করে দিয়েছিলেন। পরিণীতি স্বীকার করেন, তিনি গুগলে গিয়ে রাঘবের বয়স এবং তিনি বিবাহিত কি না, তা খুঁটিয়ে দেখেছিলেন। এমনকি একজন সংসদ সদস্যের ঠিক কী কী দায়িত্ব থাকে, সেটাও ছিল তাঁর সার্চ লিস্টে। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে ছিল রাঘবের উচ্চতা। পরিণীতির কথায়, "আমি সবসময় লম্বা পুরুষ পছন্দ করি। রাঘব আমার চেয়ে লম্বা ছিল, তাই আমার মনে হয়েছিল ও একদম পারফেক্ট।"



প্রথম ডেটেই গুগল সার্চ! রাঘবের কী দেখে পছন্দ হয়েছিল পরিণীতির?


রাজনীতি আর বিনোদন যখন এক সুতোয় বাঁধা পড়ে, তখন সেখানে কৌতূহলের শেষ থাকে না। রাঘব চাড্ডা ও পরিণীতি চোপড়ার প্রেমকাহিনিও ঠিক তেমন। বর্তমানে রাঘব চাড্ডার দলবদল নিয়ে যখন রাজনৈতিক মহলে তুমুল শোরগোল, ঠিক তখনই এই তারকা দম্পতির সম্পর্কের একটি পুরনো কিন্তু মজাদার অধ্যায় সমাজমাধ্যমে ফের ভাইরাল হয়েছে। প্রথম সাক্ষাতের পরই হবু স্বামী সম্পর্কে ইন্টারনেটে কী কী খুঁজেছিলেন অভিনেত্রী? নিজেই সেই গোপন তথ্য ফাঁস করেছিলেন।


পরিণীতি একটি জনপ্রিয় শোতে আসে জানান, তাঁদের প্রথম দেখা হয়েছিল লন্ডনে, ব্রিটিশ কাউন্সিলের একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে। রাজনীতিতে বিশেষ অবদানের জন্য রাঘব এবং বিনোদন জগতে সাফল্যের জন্য পরিণীতি সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন। মজার বিষয় হল, পরিণীতির দুই ছোট ভাই রাঘবের ভীষণ ভক্ত। তাঁরাই দিদিকে বলেছিলেন রাঘবের সঙ্গে আলাপ করতে। কাকতালীয়ভাবে রাঘব সেদিন পরিণীতির ঠিক পিছনের সারিতেই বসেছিলেন। পরিণীতি যখন সৌজন্য বিনিময়ের জন্য এগিয়ে যান, তখন সৌজন্যবশত দিল্লিতে একবার দেখা করার কথা বলেন। আর সুযোগ পেতেই সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছিলেন রাঘব। পরের দিনই পরিণীতিকে প্রাতঃরাশের আমন্ত্রণ জানান তিনি।



রাঘব চাড্ডা রসিকতা করে বলেন, প্রথম ডেট শেষ হতে না হতেই পরিণীতি ইন্টারনেটে তাঁকে নিয়ে রীতিমতো ‘তদন্ত’ শুরু করে দিয়েছিলেন। পরিণীতি স্বীকার করেন, তিনি গুগলে গিয়ে রাঘবের বয়স এবং তিনি বিবাহিত কি না, তা খুঁটিয়ে দেখেছিলেন। এমনকি একজন সংসদ সদস্যের ঠিক কী কী দায়িত্ব থাকে, সেটাও ছিল তাঁর সার্চ লিস্টে। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে ছিল রাঘবের উচ্চতা। পরিণীতির কথায়, “আমি সবসময় লম্বা পুরুষ পছন্দ করি। রাঘব আমার চেয়ে লম্বা ছিল, তাই আমার মনে হয়েছিল ও একদম পারফেক্ট।”


পরিণীতি জানান, লন্ডনের সেই প্রাতঃরাশের আসরেই তিনি মনে মনে বুঝে গিয়েছিলেন যে এই মানুষটিকেই তিনি বিয়ে করতে চলেছেন। যদিও সেই সময় তাঁরা একে অপরকে ভালো করে চিনতেনও না। এরপর কয়েক মাস কথা বলার পর মাত্র ৩-৪ মাসের মাথায় তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে রাজকীয় আয়োজনে সাতপাকে বাঁধা পড়েন এই জুটি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবরে তাঁদের কোল আলো করে এসেছে পুত্রসন্তান ‘নীর’। বর্তমানে রাঘবের বিজেপিতে যোগদানের খবরের মাঝেই এই মিষ্টি প্রেমকাহিনি ফের নেটিজেনদের চর্চায় উঠে এসেছে।

২৫/২৩৮ বুথে এক ভোটার সকাল সকালই পৌঁছে গিয়েছিলেন। নিজের ভোটদানের পরও অপেক্ষা করছিলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে। কেউ কোনও প্রশ্ন করলে উত্তর দিচ্ছিলেন না। চুপচাপ অপেক্ষা করছিলেন। কার অপেক্ষা? স্ত্রীয়ের।

তক্কে তক্কে বসে ছিলেন, ২ বছর আগে পালিয়ে যাওয়া বউ ভোট দিতে আসতেই খপাৎ করে ধরলেন! তারপর যা হল...আধিকারিকরাও 


রেকর্ড ভোট বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) প্রথম দফায়। ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে এত হারে ভোট পড়ল। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া সেভাবে অশান্তির খবরও মেলেনি। কোথাও তৃণমূল বা বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হলেও, প্রাণহানি হয়নি। তবে এই ভোটবঙ্গেই এমন এক ঘটনা ঘটল, যা নজর কেড়েছে সকলের। স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া পৌঁছল বুথ পর্যন্ত। ২০ মিনিট ভোটও বন্ধ রাখতে হল।


ঘটনাটি ঘটেছে মাটিগাড়া-নক্সালবাড়ি বিধানসভার অধীনে ফাঁসিদেওয়ার তারাবাড়িতে। ২৫/২৩৮ বুথের ভোটাররা চরম নাটকীয়তার সাক্ষী থাকলেন। এমনকী কিউআরটি-ও পৌঁছে গিয়েছিল। সিআরপিএফ ছুটে এসে পরিস্থিতির সামাল দেয়। ঠিক কী ঘটেছিল?


২৫/২৩৮ বুথে এক ভোটার সকাল সকালই পৌঁছে গিয়েছিলেন। নিজের ভোটদানের পরও অপেক্ষা করছিলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে। কেউ কোনও প্রশ্ন করলে উত্তর দিচ্ছিলেন না। চুপচাপ অপেক্ষা করছিলেন। কার অপেক্ষা? স্ত্রীয়ের। স্ত্রী দুই বছর আগে অন্য একজনের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল তাঁকে ছেড়ে। ওই ব্যক্তি অনেক খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু স্ত্রীর পাত্তা পাননি।

বিপ্লব দাশগুপ্তের মেধা ও মননের পরিচয় পাওয়া যায় তাঁর শিক্ষাজীবনেই। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি শিক্ষকতা দিয়ে পেশাদার জীবন শুরু করেন। তবে শিল্পের টান উপেক্ষা করতে পারেননি। কণ্ঠের জাদুতে তিনি দীর্ঘদিন দাপিয়ে বেড়িয়েছেন বিজ্ঞাপন এবং ভয়েস-ওভারের দুনিয়ায়।


টলিউডে ফের শোকের খবর, প্রয়াত অভিনেতা ও বাচিকশিল্পী বিপ্লব দাশগুপ্ত


চলে গেলেন প্রথিতযশা অভিনেতা ও বাচিকশিল্পী বিপ্লব দাশগুপ্ত। জানা গিয়েছে, গত দেড় বছর ধরে তিনি দুরারোগ্য ‘অটোইমিউন’ ব্যাধিতে ভুগছিলেন। গত শুক্রবার দুপুরে নিজের বাসভবনেই ৭৫ বছর বয়সে এই গুণী শিল্পী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁর স্ত্রী রুমা দাশগুপ্ত।


দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রুপালি পর্দার সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। বিপ্লব দাশগুপ্তের মেধা ও মননের পরিচয় পাওয়া যায় তাঁর শিক্ষাজীবনেই। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি শিক্ষকতা দিয়ে পেশাদার জীবন শুরু করেন। তবে শিল্পের টান উপেক্ষা করতে পারেননি। কণ্ঠের জাদুতে তিনি দীর্ঘদিন দাপিয়ে বেড়িয়েছেন বিজ্ঞাপন এবং ভয়েস-ওভারের দুনিয়ায়। পরবর্তী সময়ে অভিনয়কেই জীবনের ধ্রুবতারা হিসেবে বেছে নেন তিনি।




২০০৪ সালে ‘শ্যাডোজ অব টাইম’ ছবির হাত ধরে বড় পর্দায় তাঁর অভিষেক ঘটে। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে, বাইশে শ্রাবণ (২০১১), ফেলুদা (২০১৭), গুমনামি (২০১৯)। তাঁর সিনে কেরিয়ারের মাইলফলক ২০১৯ সালের ছবি ‘দেবতার গ্রাস’, যেখানে তিনি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং নাসিরুদ্দিন শাহের মতো বিশ্ববিশ্রুত অভিনেতাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে শুধু সিনেমা নয়, ধারাবাহিকেও নজর কেড়েছিলেন তিনি। জন্মভূমি ধারাবাহিকে বাঙালির ড্রয়িংরুমের প্রিয় পাত্র হয়ে উঠেছিলেন বিপ্লব। কেবল একজন অভিনেতা হিসেবে নয়, আবৃত্তি ও সাহিত্যের প্রতি তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য তাঁকে শিল্প মহলে এক আলাদা উচ্চতায় বসিয়েছিল। তাঁর প্রয়াণে টলিউড এক স্নিগ্ধ ও মেধাবী অভিভাবককে হারালো।

শুক্রবার সোশাল মিডিয়ায় আফরিন একটি ছবি শেয়ার করেছেন। যেখানে দেখা গিয়েছে, প্রসেনজিতের পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি। ক্যাপশনে আরফিন লিখলেন, বিশিষ্ট অভিনেতা শ্রী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি আমার বালিগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত। আজ ওনার ওয়ার্ডে প্রচারের সময় দেখা করে এলাম। ওনার আশীর্বাদ আমাদের এই লড়াইয়ের পথ আরও সুদৃঢ় করবে।


প্রচারের মাঝে প্রসেনজিতের বাড়িতে বালিগঞ্জের বামপ্রার্থী আফরিন শিল্পী


প্রথম দফা বিধানসভা নির্বাচনের পর এবার দ্বিতীয় দফার তৈয়ারি শুরু। রাজপথে ইতিমধ্য়েই শেষমুহূর্তেই প্রচারে নেমে পড়েছে বিভিন্ন দলের প্রার্থী। আর এরই মাঝে টলিউডের সুপারস্টারের সঙ্গে সাক্ষাৎ! হ্য়াঁ, এমনটাই ঘটল বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রর সিপিআইএম প্রার্থী আরফিন শিল্পীর সঙ্গে।


ব্যাপারটা একটু বিশদে বলা যাক। শুক্রবার সোশাল মিডিয়ায় আফরিন একটি ছবি শেয়ার করেছেন। যেখানে দেখা গিয়েছে, প্রসেনজিতের পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি। ক্যাপশনে আরফিন লিখলেন, ”বিশিষ্ট অভিনেতা শ্রী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি আমার বালিগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত। আজ ওনার ওয়ার্ডে প্রচারের সময় দেখা করে এলাম। ওনার আশীর্বাদ আমাদের এই লড়াইয়ের পথ আরও সুদৃঢ় করবে।”



আফরিন শিল্পী বাম ছাত্র রাজনীতি (SFI) থেকে উঠে আসা এক লড়াকু মুখ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী এই তরুণী অত্যন্ত অল্প বয়সেই দলের বড় দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন। তিনি বর্তমানে বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই(এম) প্রার্থী।



বালিগঞ্জের মতো হাই-প্রোফাইল আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯ বছর বয়সী আফরিন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের বিপরীতে তাঁর এই লড়াই রাজনৈতিক মহলে বেশ চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আফরিন তাঁর সাবলীল বক্তব্য এবং জনসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের নজর কাড়ছেন। সম্প্রতি তিনি বালিগঞ্জ এলাকারই বাসিন্দা ও টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন এবং আশীর্বাদ নেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর প্রচারের ধরন এবং ‘লাল ঝান্ডা’র প্রতি নিষ্ঠা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

 বাইকে বিধিনিষেধ নিয়ে কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, "এই বিধিনিষেধ নতুন কিছু নয়। প্রতিবার ২৪ ঘণ্টা আগে থেকে করা হয়, এবার আরও আগে থেকে করা হচ্ছে।" তখন বিচারপতি প্রশ্ন করেন, "যান নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধু বাইককেই কেন বাছলেন?" আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, "কমিশন নিজের অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান থেকে এই কাজ করেছে। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য আমরা এই পদক্ষেপ করেছি।"

বাইকে করে পালিয়ে যাওয়া সহজ', হাইকোর্টে সওয়াল কমিশনের
কলকাতা হাইকোর্ট

ভোটদানের ৩ দিন আগে রাস্তায় বাইক চলাচলে বিধিনিষেধ নিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক যুক্তি দিল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার মামলার শুনানিতে কমিশনের আইনজীবী জিষ্ণু চৌধুরী বলেন, “আমাদের কাছে অনবরত অভিযোগ আসছে যে বাইক চড়ে এসে হুমকি দিয়ে গিয়েছে।” একইসঙ্গে তিনি সওয়াল করেন, “বাইকে করে পালিয়ে যাওয়া সহজ।” অন্যদিকে, রাজ্যের তরফে এদিন আদালতে বলা হয়, “আইনের কোন ধারায় বাইক নিষিদ্ধ করা হল, জানাতে পারেনি কমিশন।”


বাইক চলাচলে বিধিনিষেধ জারির কারণ নিয়ে এদিন হাইকোর্টে কমিশনের আইনজীবী জিষ্ণু চৌধুরী বলেন, “বাইকে করে নাকা তল্লাশির এলাকা এড়িয়ে যাওয়া সহজ।” একইসঙ্গে তাঁর যুক্তি, “যে ব্যক্তি বাইকের পিছনে বসে থাকে, সেই অপরাধ বেশি করে থাকে।” তাঁর সওয়াল, “পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী একযোগে আইন রক্ষায় কাজ করছেন।”



কমিশনের আইনজীবীর সওয়াল শুনে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, “আইনের কোন ধারায় আপনারা এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন?” তারপর বলেন, “বাইক মিছিলের ক্ষেত্রে আপনারা ১১০ ভাগ সঠিক।”


বাইকে বিধিনিষেধে কাদের ছাড়?

এদিন কমিশনের আইনজীবী জিষ্ণু চৌধুরী জানান, বাইকে বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে কাদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “যাঁরা কাজে যাচ্ছেন, অফিসে যাচ্ছেন, তাঁদের ছাড় দেওয়া হয়েছে।” তখন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও মন্তব্য করেন, “যাঁরা মজদুর, যাঁরা কোচিং সেন্টার চালান, যাঁরা সাধারণ শ্রমিক, তাঁরা ID কার্ড কোথায় পাবেন ? ID কার্ড না দেখালে তো আপনারা ছাড় দেবেন না।”

একইসঙ্গে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “নির্বাচনের দিন এই বিধিনিষেধ আরোপ করলে বোঝা যায়। কিন্তু, এত তাড়াতাড়ি কেন ? আপনার কাছে রাজ্য পুলিশ আছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে। আপনারা তাদের ব্যবহার করুন। কেউ যেন বাইক নিয়ে বুথের কাছে যেতে না পারেন, সেটা দেখুন।” কমিশনের আর এক আইনজীবী ডিএস নাইডু তখন বলেন, “এই রাজ্যে ভোটে হিংসার ইতিহাস আছে। আমরা সব তথ্য খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” একইসঙ্গে নিজের সওয়ালে তিনি বলেন, “অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে অস্বাভাবিক কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।” কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু আরও বলেন, “রাজ্য সহযোগিতা না করলে আমরা নিয়ম লাগু করতে পারব না। আর এখানে রাজ্য বলছে যে আমরা বেআইনি কাজ করছি !”

বাইকে বিধিনিষেধ নিয়ে আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, “এই বিধিনিষেধ নতুন কিছু নয়। প্রতিবার ২৪ ঘণ্টা আগে থেকে করা হয়, এবার আরও আগে থেকে করা হচ্ছে।” তখন বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “যান নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধু বাইককেই কেন বাছলেন?” আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, “কমিশন নিজের অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান থেকে এই কাজ করেছে। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য আমরা এই পদক্ষেপ করেছি।”

কমিশনের পদক্ষেপের বিরোধিতা করে রাজ্যের তরফে বলা হয়, “এই নির্দেশিকা জারি করার ক্ষমতার উৎস কোথায়, সেটা কমিশন জানাতে পারেনি। আইন তৈরির ক্ষমতা কমিশনের নেই। আইনের কোন ধারায় বাইক নিষিদ্ধ করা হল, জানাতে পারেনি কমিশন।” মামলাকারীর আইনজীবী শামীম আহমেদ নিজের সওয়ালে বলেন, “কমিশনের একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি মাদ্রাজ ও গুজরাট হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছিল।” মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। বিচারপতি এখনও কোনও রায় দেননি।


বিএলও-র গাফিলতিতেই তিনি ভোট দিতে পারলেন না বলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন হুশনারা। এদিন তিনি বলেন, "আমার নাম বিবেচনাধীনে ছিল। আমি ২-৩ বার বিএলও-র কাছে গিয়েছি। আমার মা-ও গিয়েছে। আমার মা বিএলও-কে বলেছিল, আমার মেয়ের ভোটার স্লিপ দাও। তখন বিএলও বলেন, নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আমি গিয়ে বললাম, অনলাইনে দেখেছি, আমার নাম রয়েছে। তখনও বিএলও বলেন, নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আর আজকে সকালে বাবাকে স্লিপ দিচ্ছে।"


ভোটগ্রহণের পরদিন ভোটার স্লিপ পেলেন যুবতী, কী হচ্ছে মালদহে?
BLO আক্তার হোসেন (বাঁদিকে), হুশারা বেগম (ডানদিকে)

 এসআইআর ঘিরে চাপানউতোর। তারপর ভোটের জন্য বুথে বুথে লম্বা লাইন। প্রথম দফায় রাজ্যে ভোট পড়েছে ৯০ শতাংশের বেশি। সেখানে শুধু ভোটার স্লিপ না পেয়ে ভোট দিতে পারলেন না এক যুবতী। ভোটের পরদিন পেলেন ভোটার স্লিপ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল মালদহের চাঁচলে। বিএলও-কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভের মুখে নিজের ভুলের কথা স্বীকার করলেন বিএলও। 


গতকাল ভোটার স্লিপ না পাওয়ায় ভোট দিতে পারেননি চাঁচল থানার সিহিপুর গ্রামের হুশনারা বেগম। প্রথমবার ভোট দিতেন। এদিন সিহিপুর গ্রামের ২২৩ নম্বর বুথের বিএলও আক্তার হোসেন হুশনারার বাবাকে ভোটার স্লিপ দেন। তারপরই বিএলও-কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিএলও-কে ধাক্কা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।






বিএলও-র গাফিলতিতেই তিনি ভোট দিতে পারলেন না বলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন হুশনারা। এদিন তিনি বলেন, “আমার নাম বিবেচনাধীনে ছিল। আমি ২-৩ বার বিএলও-র কাছে গিয়েছি। আমার মা-ও গিয়েছে। আমার মা বিএলও-কে বলেছিল, আমার মেয়ের ভোটার স্লিপ দাও। তখন বিএলও বলেন, নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আমি গিয়ে বললাম, অনলাইনে দেখেছি, আমার নাম রয়েছে। তখনও বিএলও বলেন, নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আর আজকে সকালে বাবাকে স্লিপ দিচ্ছে। আমি ভোট দিতে পারিনি। স্লিপ দিলে আমি ভোট দিতে পারতাম। এবার আমি প্রথমবার ভোট দিতাম। আমি এখন ভোট দিতে চাইছি। আমি চাই, বিএলও-র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

ক্ষোভের মুখে বিএলও যুক্তি দেন, দুই ব্যক্তিকে একই ভেবে এই ভুল হয়েছে। বিএলও আক্তার হোসেন বলেন, “হাসেন আলি নামে একজন আমায় ফোন করে জানান, তিনি অসুস্থ। কলকাতায় রয়েছেন। ভোট দিতে পারবেন না। সেই হাসেন আলির মেয়ে হুশনারা ভেবেছিলাম।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার বাড়িতে কেউ আসেননি। আমি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়েছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত স্লিপটি আমার বাড়িতে ছিল। আমি চিনতে পারলে অবশ্যই স্লিপটা দিতাম। স্লিপটা দিলে উনি ভোটটা দিতে পারতেন। এর জন্য আমি দুঃখিত।”