WEATHER

Top News


ছেলের নায়িকাকে চুমু বাবার, রাতবিরেতে বেসামাল হিরোইন! খবর গোপন রাখতে যা করলেন পরিচালক…
ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক। উপরের এই ঘটনাটি বলিউডের এক নিষিদ্ধ গল্প। যা কিনা সামনে আসার আগেই গোপন করে দেওয়া হয়। তবুও পরিচালক ও নায়িকার ঘনিষ্ঠদের গসিপ আলোচনায় ফাঁস হয়ে প্রকাশ পায় ম্য়াগাজিনে। হইচই পড়ে গিয়েছিল বলিপাড়ায়। শোনা যায়, ম্যাগাজিনের সম্পাদককে নাকি ফোন করে খবরটা চেপে দিতে হুঁশিয়ারও করেছিলেন বলিউডের নামকরা পরিচালক। ভাবছেন কে সে?

ছেলের নায়িকাকে চুমু বাবার, রাতবিরেতে বেসামাল হিরোইন! খবর গোপন রাখতে যা করলেন পরিচালক...

নায়িকা তখন সবে ক্য়ামেরার সামনে দাঁড়াতে শিখেছেন। পরিচালকের মুখে অ্যাকশন শব্দ শুনলে, হাত-পা কেঁপে উঠত তাঁর। টেনশনকে ঠোঁটে চাপা দিয়ে বারং বার রিটেক নিয়ে অভিনয়। তার উপর পরিচালক মশাই বড্ড ছিলেন খুঁতখুঁতে। একে তো খোলামেলা দৃশ্য, খোলামেলা পোশাক। প্রায় প্রতি দৃশ্যেই যৌন সুড়সুড়ি। কিন্তু সিনেমাপাড়ায় নতুন হওয়ায় চুপচাপ করে যাচ্ছিলেন কাজ। তার উপর নায়িকার বিপরীতে, পরিচালকের ছেলেই নায়ক! ব্যস, একটু যে টালবাহানা করবেন, তার উপায় নেই। তবে ক্য়ামেরার সামনেই এমন এক কাণ্ড ঘটে গেল, যে নিজেকে আর সামলাতে পারলেন না নায়িকা। শুটিং ফ্লোর ছেড়ে দৌড়ে পালালেন! তারপর…


ব্য়াপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক। উপরের এই ঘটনাটি বলিউডের এক নিষিদ্ধ গল্প। যা কিনা সামনে আসার আগেই গোপন করে দেওয়া হয়। তবুও পরিচালক ও নায়িকার ঘনিষ্ঠদের গসিপ আলোচনায় ফাঁস হয়ে প্রকাশ পায় ম্য়াগাজিনে। হইচই পড়ে গিয়েছিল বলিপাড়ায়। শোনা যায়, ম্যাগাজিনের সম্পাদককে নাকি ফোন করে খবরটা চেপে দিতে হুঁশিয়ারও করেছিলেন বলিউডের নামকরা পরিচালক। ভাবছেন কে সে?


 ঘরবাড়ি বানানোর মতোই গুরুত্বপূর্ণ দেশ গঠন- তাই, ভোট দানের আহ্বান সিদ্ধা গ্রুপের!
সময়টা নয়ের দশক। রাজ কাপুর তাঁর ছেলে রাজীব কাপুরকে নায়ক বানিয়ে তৈরি করছিলেন ‘রাম তেরি গঙ্গা ময়েলি’। নায়িকা হিসেবে ছিলেন মন্দাকিনী। এই ছবি মুক্তি পাওয়ার পর, খোলামেলা দৃশ্যের জন্য বিতর্ক ছড়িয়ে ছিল মারাত্মক। কিন্তু সেই শুটিং ফ্লোরেই এমন এক কাণ্ড ঘটেছিল, যা কিনা সেই সময় আগুন জ্বেলে দিয়েছিল।


গসিপ ম্যাগাজিন থেকে জানা যায়, আর কে স্টুডিয়োতে একটা প্রেমের দৃশ্য শুটিংয়ের সময় একটা কাণ্ড করে ফেলেন রাজ কাপুর। রাজীব, কীভাবে চুমু খাবে মন্দাকিনীকে, তা দেখাতে গিয়ে, মন্দাকিনীর ঠোঁটে টুক করে চুমু খেয়ে বসেন রাজ কাপুর। রাজ কাপুরের এমন কাণ্ড দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন মন্দাকিনী। কিছু বেসামাল হয়ে, কী ঘটল বুঝতে না পেরে শুটিং ফ্লোর ছেড়েছিলেন। শোনা যায়, এমন ঘটনার জন্য পরে অবশ্য ক্ষমাও চেয়েছিলেন রাজ। কিন্তু ততক্ষণে খবরটা ছড়াতে শুরু করে। রাজ কাপুর নাকি পুরো শুটিং টিমকে ডেকে অনুরোধ করেছিল, এ খবর যেন বাইরে না রটে। তবে সেই ইউনিট থেকে ফাঁস হয়ে যায় চুমুর খবর। যা কিনা ছাপাও হয়ে যায় ম্যাগাজিনে।

কিন্তু আমাদের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় দিক হলো, আমি রকুলের সঙ্গে যেকোনো বিষয়ে কথা বলতে পারি। আমাদের মধ্যে কোনো লুকোছাপা নেই।" তিনি আরও যোগ করেন, "অনেকে সিচুয়েশনশিপ চান কারণ তাঁরা কোনো বাধ্যবাধকতা বা বিধিনিষেধ চান না। আমাদের বিয়েটাও অনেকটা তেমনই— যেখানে স্বাধীনতার কোনো অভাব নেই।"


'বিয়ে করেছি ঠিকই, কিন্তু আমরা এখন সিচুয়েশনশিপে', স্পষ্ট বলে দিলেন নায়ক, নায়িকা চুপ, বলিউডে ফের ডিভোর্স?
কোন সেলিব্রিটিদের ঘর ভাঙছে?

আধুনিক সম্পর্কের সমীকরণে ‘সিচুয়েশনশিপ’ শব্দটি এখন বেশ জনপ্রিয়। সাধারণত দায়বদ্ধতাহীন বা অসংজ্ঞায়িত সম্পর্ক বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু বিয়ের পিঁড়িতে বসার পরও কেন নিজের সম্পর্ককে এই তকমা দিলেন জ্যাকি? সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই রহস্যের সমাধান করেছেন তিনি।


জ্যাকির মতে, বিয়ের পর অনেক দম্পতির মধ্যেই একে অপরের ওপর অধিকার খাটানো বা প্রত্যাশার চাপ তৈরি হয়। কিন্তু তিনি ও রকুল চান না তাঁদের সম্পর্ক কোনও ধরাবাঁধা নিয়মে আটকে থাকুক। জ্যাকি বলেন, “আমরা বিবাহিত এবং একে অপরের প্রতি সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ । কিন্তু আমাদের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় দিক হল, আমি রকুলের সঙ্গে যেকোনও বিষয়ে কথা বলতে পারি। আমাদের মধ্যে কোনও লুকোছাপা নেই।” তিনি আরও যোগ করেন, “অনেকে সিচুয়েশনশিপ চান কারণ তাঁরা কোনও বাধ্যবাধকতা বা বিধিনিষেধ চান না। আমাদের বিয়েটাও অনেকটা তেমনই— যেখানে স্বাধীনতার কোনও অভাব নেই।”



কমিশনের আশঙ্কাই সত্যি হল? বিকেল ৪টে বাজতেই তুমুল গুণ্ডামি, বীরভূমে হাতে থান ইট নিয়ে মার জওয়ানদের
দাম্পত্যে স্বচ্ছতার উদাহরণ দিতে গিয়ে জ্যাকি এক বিস্ফোরক তথ্য শেয়ার করেন। তিনি জানান, রকুলের সামনেই তিনি তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকার ফোন ধরেন এবং তাও আবার স্পিকার ফোনে! জ্যাকি বলেন, “রকুল আমার সম্পর্কে সবটা জানে। তাই আমার আলাদা করে কিছু লুকোনোর প্রয়োজন নেই। এতে সম্পর্কটা অনেক বেশি হালকা এবং দমবন্ধহীন মনে হয়।” রকুলও হেসেই সহমত পোষণ করে বলেন, “আসলে আমরা একে অপরের সবচেয়ে ভালো বন্ধু।”



রকুল প্রীত সিং মনে করেন, প্রথাগত বিয়ের ধারণায় মহিলারা সব সময় নিজেদের গুছিয়ে নেন স্বামীর রুটিন অনুযায়ী। কিন্তু তাঁদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। রকুল বলেন, “আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে একে অপরের সমান। আমাদের মধ্যে কোনও একতরফা আত্মত্যাগ নেই। আমি চাইলে একা একা ছুটিতে ঘুরে আসতে পারি, এতে জ্যাকি অখুশি হয় না। আমরা একে অপরের জীবনে কোনও শূন্যস্থান পূরণ করতে আসিনি, বরং দুজনে একসঙ্গে অনেক বেশি সুখী।”

জ্যাকি ভাগনানির মতে, ‘বিপরীত মেরুর মানুষ একে অপরকে আকর্ষণ করে’— এই ফিল্মি ধারণা বাস্তব জীবনে দীর্ঘস্থায়ী হয় না। চিন্তাধারা, মূল্যবোধ এবং পছন্দ-অপছন্দ না মিললে সম্পর্কের ফাটল ধরা অনিবার্য। জ্যাকি ও রকুল দুজনেই মনে করেন, তাঁদের মানসিক মিলই তাঁদের এই ‘মডার্ন ম্যারেজ’ বা আধুনিক দাম্পত্যের মূল চাবিকাঠি। লকডাউনের সময় প্রতিবেশী হিসেবে শুরু হওয়া এই বন্ধুত্ব আজ এক পরিণত সম্পর্কে রূপ নিয়েছে, যেখানে প্রেম আছে, কিন্তু নেই কোনও অদৃশ্য শিকল।

আর সেই সাফল্যের নেপথ্যে অন্যতম কারিগর হলেন ‘কমেডি কিং’ ডেভিড ধাওয়ান। সলমনের কেরিয়ারের অন্যতম সেরা ছবিগুলো এসেছে তাঁরই হাত ধরে। তবে ডেভিডের মতে, তাঁদের এই সম্পর্কের রসায়ন কেবল শুটিং সেটেই সীমাবদ্ধ নয়, তা ছড়িয়ে রয়েছে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনেও।

‘সলমন তো আসলে...’, ভাইজানের কোন স্বভাব ফাঁস করলেন ডেভিড ধাওয়ান?


নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে বর্তমান সময় সলমন খান মানেই বক্স অফিসে ঝোড়ো হাওয়া। আর সেই সাফল্যের নেপথ্যে অন্যতম কারিগর হলেন ‘কমেডি কিং’ ডেভিড ধাওয়ান। সলমনের কেরিয়ারের অন্যতম সেরা ছবিগুলো এসেছে তাঁরই হাত ধরে। তবে ডেভিডের মতে, তাঁদের এই সম্পর্কের রসায়ন কেবল শুটিং সেটেই সীমাবদ্ধ নয়, তা ছড়িয়ে রয়েছে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনেও।


সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডেভিড ধাওয়ান বলেন, “আমাদের সফরটা অনেক দিনের। আমরা একসঙ্গে আট-ন’টি সিনেমা করেছি। সলমন এমন একজন মানুষ, যে যেকোনও প্রয়োজনে পাশে এসে দাঁড়ায়। শুধু আমার জন্য নয়, আমাদের গোটা পরিবারের কাছে ও আশীর্বাদের মতো। আমরা শুটিংয়ের খাতিরে বিশ্বের আনাচে-কানাচে ঘুরেছি, দিনের পর দিন একসঙ্গে সময় কাটিয়েছি। সেই থেকেই আমাদের মধ্যে এই অদ্ভুত সুন্দর সম্পর্কটা গড়ে উঠেছে।”




সলমনকে নিয়ে বলতে গিয়ে ডেভিড জানান, পর্দার ‘দাবাং’ ইমেজের আড়ালে লুকিয়ে আছে অত্যন্ত নরম মনের এক মানুষ। তাঁর কথায়, “শুটিং শেষ হওয়ার পরও সলমন সেই একই রকম সহজ-সরল। ও যেমন চমৎকার একজন মানুষ, তেমনই ভীষণ আবেগপ্রবণ। বিপদে-আপদে ও যেভাবে সমর্থন জোগায়, তা ভাবা যায় না। আমাদের মধ্যে এমন এক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে যা সত্যিই বিরল।”


‘জুড়ুয়া’, ‘বিবি নম্বর ১’ থেকে শুরু করে ‘পার্টনার’— সলমন ও ডেভিড ধাওয়ান জুটি বারবার প্রমাণ করেছে যে তাঁরা দর্শকদের নাড়ি বোঝেন। ডেভিড জানান, তাঁদের মধ্যে এতটাই বোঝাপড়া যে শুটিংয়ের সময় খুব একটা কথা বলার প্রয়োজন পড়ে না। দুজনের এই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাই তাঁদের জুটিকে বলিউডের অন্যতম আইকনিক জুটিতে পরিণত করেছে।

ভাইজানের এই ‘মানবিক’ দিকটি সামনে আসতেই নতুন করে চর্চায় তাঁর ব্যক্তিত্ব। সলমন শুধু বক্স অফিসের রাজা নন, অনেকের কাছেই তিনি এক নির্ভরযোগ্য অভিভাবক এবং প্রকৃত বন্ধু— ডেভিড ধাওয়ানের কথায় যেন সেটাই আরও একবার স্পষ্ট হল।


ছবিতে সাফল্য এলেও শুরুটা সহজ ছিল না। সাদা চামড়া আর বিদেশি লুকের জন্য চরম ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। কল্কি জানান, ‘দেব ডি’-র পর যখন ‘সাংহাই’ মুক্তি পায়, মানুষ তাঁর চেহারার ওপর আক্রমণ করেছিল। তাঁকে ‘রাশিয়ান মডেল’ বলে দেগে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তাঁর দাঁত নিয়ে মজা করে বলা হত ‘বিগ টিথ’ বা ‘বাগস বানি টিথ’। কল্কির সাফ কথা, "ট্রোলিং তখন যেমন লাগত, এখনও তেমনই লাগে। তবে এখন বাউন্ডারি সেট করতে শিখে গিয়েছি।"


প্রাক্তন স্বামী অনুরাগের ছবি করে কেরিয়ার নষ্ট কল্কির! কোন ঘটনা সামনে আনলেন?


২০০৯ সাল। প্রাক্তন স্বামী অনুরাগ কাশ্যপের হাত ধরে বলিউডে পা রেখেছিলেন এক ছিপছিপে ফরাসি বংশোদ্ভূত তরুণী। তথাকথিত সুন্দরী নায়িকার সংজ্ঞা ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিলেন তিনি। আজও বলিউডের অন্যতম ‘বোল্ড’ এবং ‘অফবিট’ ছবি বললেই সবার আগে মাথায় আসে ‘দেব ডি’-র নাম। আগামী ২৪ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে ফের মুক্তি পাচ্ছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাসের এই মডার্ন রিটেলিং। আর সেই আবহেই নিজের ডেবিউ ফিল্ম নিয়ে বিস্ফোরক সব তথ্য ফাঁস করলেন অভিনেত্রী কল্কি কোয়েচলিন।


শরৎচন্দ্রের চন্দ্রমুখী মানেই চোখের সামনে ভাসে এক ট্র্যাজিক হিরোইন। কিন্তু অনুরাগের ছবিতে ‘ছন্দা’ ছিল একেবারেই অন্যরকম। এমএমএস স্ক্যান্ডালের শিকার হওয়া এক স্কুলছাত্রী, যে পরিস্থিতির চাপে হাই-প্রোফাইল এসকর্ট হয়ে যায়। কল্কি এক সাক্ষাৎকারে জানান, সেই সময় বহু অভিনেত্রী এই চরিত্রটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তাদের চোখে এই স্ক্রিপ্ট ছিল ‘নোংরা এবং অশ্লীল’। বিশেষ করে ফোন সেক্সের একটি দৃশ্য নিয়ে চরম আপত্তি ছিল সবার।


২৯ তারিখ ভোটারদের স্পর্শ করলে বঙ্গোপসাগরে ফেলব', হুঙ্কার শাহের
কল্কির কথায়, “অডিশনের সময় অনুরাগ আমায় বলেছিলেন, ছন্দার কাছে এই যৌনতা বা এসকর্ট জীবনটা একটা সাধারণ দিনের মতো। আমি সোফায় বসে একটা বালিশ নিয়ে খেলতে খেলতে খুব ক্যাজুয়াল ভঙ্গিতে যৌন উদ্দীপক সংলাপগুলো বলেছিলাম। ওটাই ছিল মাস্টারস্ট্রোক। অনুরাগ বুঝেছিলেন, আমি চরিত্রটাকে অতি-নাটকীয় না করে খুব বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারব।”


ছবিতে সাফল্য এলেও শুরুটা সহজ ছিল না। সাদা চামড়া আর বিদেশি লুকের জন্য চরম ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। কল্কি জানান, ‘দেব ডি’-র পর যখন ‘সাংহাই’ মুক্তি পায়, মানুষ তাঁর চেহারার ওপর আক্রমণ করেছিল। তাঁকে ‘রাশিয়ান মডেল’ বলে দেগে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তাঁর দাঁত নিয়ে মজা করে বলা হত ‘বিগ টিথ’ বা ‘বাগস বানি টিথ’। কল্কির সাফ কথা, “ট্রোলিং তখন যেমন লাগত, এখনও তেমনই লাগে। তবে এখন বাউন্ডারি সেট করতে শিখে গিয়েছি।”

শুনলে অবাক হবেন, ‘দেব ডি’ হিট হওয়ার পরেও টানা দুই বছর কল্কির হাতে কোনও ছবির কাজ ছিল না। ইন্ডাস্ট্রি তাঁকে ঠিকঠাক গ্রহণ করতে সময় নিয়েছিল। সেই দুঃসময়ে থিয়েটারই ছিল তাঁর একমাত্র ভরসা। এরপর জোয়া আখতারের ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ ছবির মাধ্যমে ফের বড় পর্দায় কামব্যাক করেন তিনি। মজার বিষয় হল, প্রথম ছবি ও প্রত্যাবর্তনের ছবি- দুটিতেই তাঁর নায়ক ছিলেন অভয় দেওল। পুরানো দিনের স্মৃতি হাতড়ে কল্কি বলেন, “আমি তখন জোয়াকে চিনতামই না। অনুরাগের বন্ধু হিসেবে ওর বাড়িতে কুকুরছানার সঙ্গে খেলতে গিয়েছিলাম। পরে যখন জোয়ার ছবিতে কাজ করার সুযোগ এল, তখন তাঁর আগের কাজগুলো দেখে বুঝলাম যে আমি কত বড় মাপের পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে চলেছি!” রিলিজের ১৭ বছর পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছে ‘দেব ডি’। ছন্দা আর দেবের সেই নেশাতুর রসায়ন নতুন প্রজন্মের দর্শকদের মনে কতটা জায়গা করে নেয়, এখন সেটাই দেখার।

 সুপারস্টাররা, ভোট দিয়ে কী বার্তা দিলেন রজনী-কমলরা?


অভিনেত্রী ভারালক্ষ্মী সরোতকুমার নিজের ছবি পোস্ট করে সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন অনুরাগীদের দিকে—“আমরা ভোট দিয়েছি, আপনি দিয়েছেন তো?” পিছিয়ে ছিলেন না পরিচালক প্রভুদেবা এবং অভিনেতা ধনুশও। আলওয়ারপেটের স্কুলে ভোট দিয়ে ধনুশ বুঝিয়ে দিলেন নাগরিক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব। কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ভোট দেন জনপ্রিয় অভিনেতা অজিত কুমারও।
দক্ষিণের ভোটযুদ্ধে চাঁদের হাট: বুথে বুথে সুপারস্টাররা, ভোট দিয়ে কী বার্তা দিলেন রজনী-কমলরা?


গ্রীষ্মের প্রখর তাপ উপেক্ষা করেই তামিলনাড়ুর ভোটকেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন দক্ষিণী সিনেমার দাপুটে তারকারা। বুধবার সকাল থেকেই চেন্নাইয়ের বিভিন্ন বুথে দেখা গেল মেগাস্টারদের ভিড়। কেবল ভোট দেওয়াই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় কালির দাগ লাগানো আঙুলের ছবি পোস্ট করে সাধারণ নাগরিকদের বুথমুখী হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তাঁরা।


রাজনীতিবিদ ও অভিনেতা কমল হাসান এদিন মেয়ে শ্রুতি হাসানকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছন। ভোট দেওয়ার পর এক্স হ্যান্ডেলে তামিল আবেগকে উসকে দিয়ে তিনি লেখেন, “ভোটদান আমাদের কর্তব্য ও গর্বের বিষয়। ওঠো তামিল! জয়ী হও তামিল!” অন্যদিকে, মেগাস্টার রজনীকান্ত চেন্নাইয়ের স্টেলা মারিস স্কুলে ভোট দিয়ে হাসিমুখে ক্যামেরার সামনে পোজ দেন। তাঁর শান্ত মেজাজ আর কালি লাগানো আঙুল নিমিষেই ভাইরাল হয়ে যায় নেটপাড়ায়।





অভিনেত্রী ভারালক্ষ্মী সরোতকুমার নিজের ছবি পোস্ট করে সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন অনুরাগীদের দিকে—“আমরা ভোট দিয়েছি, আপনি দিয়েছেন তো?” পিছিয়ে ছিলেন না পরিচালক প্রভুদেবা এবং অভিনেতা ধনুশও। আলওয়ারপেটের স্কুলে ভোট দিয়ে ধনুশ বুঝিয়ে দিলেন নাগরিক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব। কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ভোট দেন জনপ্রিয় অভিনেতা অজিত কুমারও।

পরিচালক রাধাকৃষ্ণান প্রার্থীবান ভোট দিয়ে এক গভীর বার্তা শেয়ার করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই নির্বাচনে যেন শুধু প্রার্থীরা নন, সাধারণ মানুষ প্রকৃত অর্থেই জয়ী হয়। অন্যদিকে, পরিচালক কেন করুণা সপরিবারে ভোট দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সেই মুহূর্ত ভাগ করে নেন। তরুণ অভিনেতা-গায়ক ধ্রুব বিক্রমকেও দেখা গেল নাগরিক দায়িত্ব পালন করতে।

সকাল থেকেই দক্ষিণের প্রতিটি তারকার সমাজমাধ্যম হ্যান্ডেল যেন একেকটি সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপনে পরিণত হয়েছে। তাঁদের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিতভাবেই সাধারণ ভোটারদের উৎসাহ বাড়াবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।



 সোজা কথায় ভোটের আগেও করেছিলেন, প্রথম দফার ভোটের পরেও করলেন একই দাবি। ২৪০ ছুঁইছুঁই হবে তৃৃণমূলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা। ফের একবার সুর চড়ালেন এসআইআর নিয়ে। বললেন, “অন্যায়ভাবে বয়স্ক মানুষদের এসআইআরের লাইনে দাঁড় করিয়েছিল।

 ‘দেখুন ২৪০ না হয়ে যায়...’, পোল দেখে বড় কথা কেষ্টর
কী বলছেন অনুব্রত?




বীরভূম: বাংলার ভোটে সর্বকালীন রেকর্ড। ২০১১ সালের রেকর্ডও ভেঙে দিল ২০২৬। শেষ পাওয়া আপডেটে জানা যাচ্ছে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯১ শতাংশেরও বেশি। সেখানে ২০১১ সালে অঙ্কটা ছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ। যা স্বাধীনতার পর থেকে রাজ্যে ছিল সর্বোচ্চ ভোট। এবার যেন সব হিসাব ওলট-পালট হয়ে গেল। আর তাতেই যেন আত্মবিশ্বাসটা আরও বেড়ে গেল অনুব্রত মণ্ডলের। সাফ বললেন, এই ধরনের পোল আমি জীবনে দেখিনি। 



ভোটের আগে রাত ২টোয় বৈঠক কমিশনে, কী নির্দেশ এল?
সোজা কথায় ভোটের আগেও করেছিলেন, প্রথম দফার ভোটের পরেও করলেন একই দাবি। ২৪০ ছুঁইছুঁই হবে তৃৃণমূলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা। ফের একবার সুর চড়ালেন এসআইআর নিয়ে। বললেন, “অন্যায়ভাবে বয়স্ক মানুষদের এসআইআরের লাইনে দাঁড় করিয়েছিল। এসআইআরে মানুষকে যা বেগ দিয়েছে তা এবারের ভোটে আল্লাহ-ঈশ্বর বিচার করে দেবে।” 


এদিকে প্রথম দফার ভোটের মাঝেই বাংলায় এসে ফের একবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সাফ বলছেন, “এটাই প্রথম এমন নির্বাচন যা গত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে।” অনুব্রত মণ্ডল যদিও বলছেন, “এবারে ভোটের ফলে তৃণমূলের জন্য কোনও চাপ হবে না। এই ধরনের পোল আমি জীবনে দেখিনি। আগে বলেছিলাম ২৩০ থেকে ২৩৫। কিন্তু এই পোল হবে আশা করিনি। তা দেখেই মনে হচ্ছে ২৪০ না হয়ে যায়। যে জায়গাগুলিতে ৭০ শতাংশের বেশি পোল হতো না সেখানে ৮৭ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ পোল হয়েছে। এটা কী ভাবা যায়!”  

 অন্যদিকে বীরভূমে কোন কোন আসনে তৃণমূল সবথেকে বেশি আসন পাবে তাও বলে দিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর সাফ কথা, বীরভূমের ১১টার আসনের মধ্যে নলহাটি আর মুরারইতে তৃণমূল সবথেকে বেশি ভোট পাবে। এই দুই আসনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৯১.৯১ শতাংশ ও ৯১.৬৬ শতাংশ। 
.

 অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে ফের সরব হলেন শাহ। বলেন, "আমরা ঠিক করেছি আপনারা বিজেপি সরকার আনুন, বাংলা থেকে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে বাংলা থেকে তাড়াব। পুরশুড়া-আরামবাগবাসী বলুন, অনুপ্রবেশকারীদের এখানে রাখা উচিত নাকি তাড়ানো দরকার? এই অনুপ্রবেশকারীরাই আমাদের যুব সমাজের চাকরিগুলোকে খেয়ে নিয়েছে। গরিবের চাল খেয়ে নিয়েছে।"

হুগলিতে আলু নিয়ে বড় আশ্বাস শাহর, কী বললেন?
পুরশুড়ার মায়াপুরে নির্বাচনী প্রচারে অমিত শাহ

বাংলায় প্রথম দফার ভোটের দিন হুগলির পুরশুড়া থেকে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বললেন, “বাংলার কিছু মানুষ আমাকে বলেছেন, আমরা তো ভোট দিতে চাই। কিন্তু আমরা গুন্ডাদের ভয় পাই। আরামবাগবাসী কি গুন্ডাদের ভয় পায়? ভয় পাবেন না। আমি দিদির গুন্ডাদের বলে দিতে চাই, ২৯ তারিখে ঘরের বাইরে বের হবেন না। ২৯ তারিখে যদি কোনও গুন্ডামি চলে, তাহলে পাঁচ তারিখের পর উল্টো দিকে ঝুলিয়ে সোজা করে দেব।” শুধু তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেওয়া নয়, আলু চাষিদেরও আশ্বাস দিলেন শাহ। 


এদিন পুরশুড়া বিধানসভার মায়াপুরে জনসভা করেন শাহ। আরামবাগ ও পুরশুড়া বিধানসভার দুই প্রার্থী বিমান ঘোষ ও হেমন্ত বাগের সমর্থনে এসে আলু চাষিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের আলুর রাজধানী হল পুরশুড়া। ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশায় বন্ধ করে দিয়েছে আলু পাঠানো। তাই আলুর দাম পড়ে গিয়েছে। তাই ২০ টাকার আলু ২ টাকা হয়ে গিয়েছে। আমি আজ বলে যাচ্ছি, পাঁচ তারিখে বিজেপি সরকার গড়ে দিন, আমি আলু বাইরে পাঠাব।”


কমিশনের আশঙ্কাই সত্যি হল? বিকেল ৪টে বাজতেই তুমুল গুণ্ডামি, বীরভূমে হাতে থান ইট নিয়ে মার জওয়ানদের
বাথরুমে বসে ফোন ঘাটেন! জানেন শরীরে কী কী ঘটে?
আলু চাষ নিয়ে কী বললেন শাহ?


এ বছর আলু চাষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চাষিরা। এই নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে অমিত শাহ বলেন, “বিজেপি সরকার হলে আলু বাইরে যাবে। দাম পাবেন। এখানে এত পরিমাণে আলুর জমি থাকা সত্ত্বেও বীজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। পঞ্জাব থেকে আসে। নরেন্দ্র মোদী এখানে বীজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবেন। বীজের দাম অর্ধেক দাম হয়ে যাবে। আলুর দাম দশ গুণ বেশি পাবেন। আলু চাষিদের এর থেকে বড় পাওনা আর কী হতে পারে। আমাদের ইস্তাহারে ঠিক করেছি এই জেলা থেকে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত আলুর চিপস কারখানা হবে।”

অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে ফের সরব শাহ

অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে ফের সরব হলেন শাহ। বলেন, “আমরা ঠিক করেছি আপনারা বিজেপি সরকার আনুন, বাংলা থেকে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে বাংলা থেকে তাড়াব। পুরশুড়া-আরামবাগবাসী বলুন, অনুপ্রবেশকারীদের এখানে রাখা উচিত নাকি তাড়ানো দরকার? এই অনুপ্রবেশকারীরাই আমাদের যুব সমাজের চাকরিগুলোকে খেয়ে নিয়েছে। গরিবের চাল খেয়ে নিয়েছে। সেইগুলোই ভোট দেয় দিদিকে। তাদের নাম এসআইআর-এ বাদ যাওয়ায় দিদি হাঁউহাঁউ করছেন। দিদি শুনুন, পাঁচ তারিখের পর আপনার আর ভাইপোর সময় শেষ। আর এখানে বিজেপি সরকার হবে। তার পর প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে বের করে বাংলাদেশে পাঠাব।”

পশ্চিম পাঁশকুড়া বিধানসভা বিজেপি প্রার্থী সিন্টু সেনাপতি। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর বিধানসভার ইভিএম পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে। সিল করা ইভিএম মেশিন সহ ভোট কর্মীদের হরিনারায়নচক স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, সেখানে না গিয়ে অন্যত্র যাওয়ার অভিযোগ।

 ইভিএম পরিবর্তনের 'চেষ্টা'! খবর পেয়েই ছুটলেন বিজেপি প্রার্থী, তারপর...
পশ্চিম পাঁশকুড়ায় ইভিএম পরিবর্তনের চেষ্টা

 প্রথম দফার নির্বাচন শেষ। রেকর্ড হারে ভোটদান হয়েছে বঙ্গে। ২০১১ কেও ছাপিয়ে গিয়েছে ২০২৬। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে প্রথম দফার নির্বাচনে। দিনভর কয়েকটি বিক্ষিপ্ত অশান্তি ছাড়া, মোটের উপর ভোট শান্তিপূর্ণ, এমনই দাবি করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে, ভোট শেষের পর ইভিএম পরিবর্তনের অভিযোগ উঠল পশ্চিম পাঁশকুড়া বিধানসভায়।


পশ্চিম পাঁশকুড়া বিধানসভা বিজেপি প্রার্থী সিন্টু সেনাপতি। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর বিধানসভার ইভিএম পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে। সিল করা ইভিএম মেশিন সহ ভোট কর্মীদের হরিনারায়নচক স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, সেখানে না গিয়ে অন্যত্র যাওয়ার অভিযোগ। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী। প্রিসাইডিং অফিসার সহ ভোট কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। কেন স্কুলে না গিয়ে অন্যত্র নিয়ে আসা হয় ইভিএম, সেই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এরপরই দুই তরফে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। বচসায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা।


ছাপ্পা নাকি অন্য় কিছু? ভোট দিতে গিয়ে ধানিরাম জানলেন এ বছরের মতো আর নয়
হুগলিতে আলু নিয়ে বড় আশ্বাস শাহর, কী বললেন?
ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও ঘটনাস্থলে ছিলেন। তাঁদের কাছে অভিযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী। কীভাবে ইভিএম নির্দিষ্ট জায়গায় না পৌঁছে, অন্য জায়গায় এল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


এদিকে, শালতোড়াতে ইভিএম বোঝাই গাড়িকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ হয়। তিলুড়ির কাছে একটি বোলেরো গাড়িতে বেশ কিছু ইভিএম দেখতে পেয়ে গাড়িকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউরি। নিজের সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে গোটা ঘটনার লাইভ করেন তিনি। গাড়িতে ইভিএম ছাড়াও তৃণমূলের বেশ কিছু পতাকা ছিল বলে দাবি তাঁর। তৃণমূলকে সুবিধা পাইয়ে দিতে বুথে ভোট হওয়া ইভিএম বদল করে রিসিভিং সেন্টারে জমা করার উদ্দেশেই ওই গাড়িতে করে ইভিএম নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ তুলেছেন।


SIR নিয়ে কমিশন ও বিজেপিকে নিশানা করে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, "৯০ লক্ষ লোকের নাম কেটেছ। তা সত্ত্বেও যাঁরা ভোট দিতেন না, তাঁরাও আজ রাস্তায় নেমেছে। আর ওই ভোটে আমরাই জিতব। অন্য কেউ নয়। আমি বলি, ৪ তারিখে রেজাল্ট বেরলো বুঝবে। দেখবে, জ্বলবে আর লুচির মতো ফুলবে।"


হারতে পারে না তৃণমূল, আজকেই আমরা জিতে বসে রয়েছি: মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


প্রথম দফায় রেকর্ড ভোটদান। এই ভোট কাদের পক্ষে যাবে, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণের পর মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে দিলেন, “আজকেই আমরা জিতে বসে রয়েছি।” বিজেপির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চালানোর অভিযোগ করে কমিশনকেও আক্রমণ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।


কী বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো?



এদিন প্রথম দফায় রাজ্যের ১৬টি জেলায় ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। ভোট পড়েছে ৯০ শতাংশের বেশি। প্রথম দফায় ভোটগ্রহণের পর এদিন সন্ধেয় যাদবপুরের যুব সংঘ ময়দানে জনসভা থেকে বিধানসভার ফল নিয়ে মমতা বলেন, “হারতে পারে না তৃণমূল। আজকেই আমরা জিতে বসে রয়েছি। এরপর দুরমুশ করব যাতে বাংলাকে অসম্মান না করতে পারে।”


SIR নিয়ে কমিশন ও বিজেপিকে নিশানা করে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “৯০ লক্ষ লোকের নাম কেটেছ। তা সত্ত্বেও যাঁরা ভোট দিতেন না, তাঁরাও আজ রাস্তায় নেমেছে। আর ওই ভোটে আমরাই জিতব। অন্য কেউ নয়। আমি বলি, ৪ তারিখে রেজাল্ট বেরলো বুঝবে। দেখবে, জ্বলবে আর লুচির মতো ফুলবে।”

‘এখন আমার লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে’

এদিন যাদবপুরের সভা থেকে মমতা বলেন, “যখন বিরোধী দলে ছিলাম, তখন লড়াইটা ছিল সিপিএমের বিরুদ্ধে। এখন আমার লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে। একটাও টাকা দেয় না। জিএসটি-র নামে যা ইচ্ছে তাই করছে।”

মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “কী মা-বোনেরা, আপনারা রাস্তায় বেরতে পারেন না? উত্তর প্রদেশে হলে পারতেন? বিহারে হলে পারতেন?” ভোটের ফলাফল ঘোষণার সকালে বিজেপি জিতছে বলে মিথ্যা প্রচার করা হতে পারে বলে তৃণমূল কর্মীদের সতর্ক করলেন মমতা।

বিজেপির অভিযোগ, মহম্মদপুরে বুথ এজেন্টদের আনতে গিয়েছিলেন তাঁদের কর্মীরা। সেখানে তাদের মারধর করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, তাঁদের কর্মী ও এজেন্টদের আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ওই বিজেপি কর্মীদের উদ্ধার করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ায়। কর্মীদের মারধরের অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূল কী বলছে ?

 ভোটের পরই উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম, কর্মীদের আটকে রাখার অভিযোগ, আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির
নন্দীগ্রামে বিক্ষোভ

প্রথম দফার নির্বাচনে হটস্পট ছিল নন্দীগ্রাম। এদিন, বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া নন্দীগ্রামে সেভাবে অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি। তবে, ভোট মিটতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল নন্দীগ্রামের রতনপুর। ইভিএম ভর্তি বাস আটকে রেখে আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।


ঠিক কী ঘটেছে?



 প্রথম দফায় বিজেপি কটা আসন পাবে? বলে দিলেন শিশির অধিকারী
ভোটের বাজারে বড় ঘোষণা, আলাদা দুটো নয়, এবার একসঙ্গেই দেখতে পাবেন গোটা 'ধুরন্ধর'!
বিজেপির অভিযোগ, মহম্মদপুরে বুথ এজেন্টদের আনতে গিয়েছিলেন তাঁদের কর্মীরা। সেখানে তাদের মারধর করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, তাঁদের কর্মী ও এজেন্টদের আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ওই বিজেপি কর্মীদের উদ্ধার করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ায়। কর্মীদের মারধরের অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। নন্দীগ্রামে চন্ডিপুর রাজ্য সড়কে রতনপুর স্ট্যান্ডের কাছে আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেছেন তাঁরা। প্রায় বেশ কিছুক্ষণ এই অবরোধের ফলে আটকে পড়ে একাধিক DCRC হলদিয়া মুখী গাড়ি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী বা পুলিশ।


তৃণমূল কী বলছে?

এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপির লোকেরা ইভিএম মেশিন নেওয়ার জন্য ঢুকেছিল। কমিশনের লোক সেজে বুথে ঢুকেছিল। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

প্রসঙ্গত, চলতি বছর রেকর্ড ভোট পড়েছে প্রথম দফার নির্বাচনে। ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার মনোজ আগারওয়াল। এদিকে, প্রথম দফার ভোটের শেষেই রাজনৈতিক দলের নেতা-মন্ত্রীরা ভবিষ্যদ্বাণী করতে শুরু করেছেন। এদিকে, ভোট দেওয়ার পর নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, নির্বাচনের প্রথম দফাতেই তিনি নাকি বদলা নিয়ে ফেলেছেন। শুভেন্দু বলেন, “আমি আজ বদলা নিয়ে নিয়েছি। আমাকে যা করেছিল একুশ সালের ভোটে, ১ এপ্রিল… তার বদলা সুদে-আসলে তুলে নিয়েছি।”

সকাল থেকে বুথ পরিদর্শনের সময় শুভেন্দু দাবি করেন, বেলা ১২টার মধ্যেই ৬০ শতাংশ ভোট পড়ে গিয়েছে, যা অভূতপূর্ব। তিনি বলেন, "হিন্দুরা এবং মহিলারা একজোট হয়ে ভোট দিচ্ছেন। আমি কখনও দেখিনি বেলা ১২টার মধ্যে ৬০ শতাংশ ভোট পড়ে যেতে। বেঙ্গালুরু, কর্নাটক থেকে মানুষ এসে ভোট দিচ্ছেন।"

'আমার বদলা নেওয়া হয়ে গিয়েছে', প্রথম দফার ভোটের মাঝেই বলে দিলেন শুভেন্দু
নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী

নির্বাচনের প্রথম দফাতেই ‘বদলা’ নিয়ে ফেলেছেন শুভেন্দু! সাংবাদিকদের সামনে তেমনটাই দাবি করলেন। বললেন, ‘আমি আজ বদলা নিয়ে নিয়েছি।’ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট চলাকালীন বুথ পরিদর্শনে বেরিয়ে একেবারে রণংদেহি মেজাজে নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বেলা গড়াতেই যেভাবে ভোট পড়েছে, তা দেখে তিনি একপ্রকার নিশ্চিত যে রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। শুধু তাই নয়, ২০২১ সালের ১ এপ্রিলের ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শুভেন্দু দাবি করেন, তিনি “সুদে-আসলে বদলা” তুলে নিয়েছেন।


এদিন সকাল থেকে বুথ পরিদর্শনের সময় শুভেন্দু দাবি করেন, বেলা ১২টার মধ্যেই ৬০ শতাংশ ভোট পড়ে গিয়েছে, যা অভূতপূর্ব। তিনি বলেন, “হিন্দুরা এবং মহিলারা একজোট হয়ে ভোট দিচ্ছেন। আমি কখনও দেখিনি বেলা ১২টার মধ্যে ৬০ শতাংশ ভোট পড়ে যেতে। বেঙ্গালুরু, কর্নাটক থেকে মানুষ এসে ভোট দিচ্ছেন।” শুভেন্দুর মতে, মহিলাদের কাছে সরকারি ভাতার থেকে সুরক্ষা অনেক বেশি জরুরি, আর সেই কারণেই তাঁরা পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিচ্ছেন।



তারপরই কথা প্রসঙ্গে শুভেন্দু ২০২১ সালের ১ এপ্রিলের কথা উল্লেখ করেন। শুভেন্দু বলেন, “আমাকে যা করেছিল একুশ সালের ভোটে, ১ এপ্রিল… তার বদলা সুদে-আসলে তুলে নিয়েছি।” উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামে একুশ সালে তাঁর প্রতিপক্ষ ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার পবিত্র কর। ভোটের বর্তমান পরিস্থিতির নিরিখে তাঁর দাবি, রাজ্যের ১৫২টি আসনের মধ্যে ১২৫টি আসনে বিজেপি জয়ী হবে। উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল— সব জায়গাতেই তৃণমূল ‘সাফ’ হয়ে যাবে বলে তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন।


নন্দীগ্রামের ভোট পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ এনে শুভেন্দু বলেন, “নন্দীগ্রামে ৫০টি বুথে তৃণমূলের কোনো এজেন্ট নেই।” তিনি দাবি করেন, একটি বুথে যাওয়ার পর ভোটাররাই তাঁকে বাড়ি ফিরে যেতে বলেছেন, কারণ ওই বুথ থেকে বিজেপি ২০০-র বেশি ভোটে এগিয়ে থাকবে, তেমনই দাবি করেছেন তিনি।


বিজেপি চন্দনা বাউরি বলেন, "আমি তো ময়দানে ছিলাম। বিভিন্ন বুথে বুথে যাচ্ছিলাম। কোথায় কী কী হচ্ছে তার সব কথা আমি জানাচ্ছিলাম অফিসারদের। আমাদের নির্বাচনী এজেন্ট একটি গাড়িকে আটকায়।"


শেষ বেলায় কিছু EVM তুলে সাঁইসাঁই করে ছুটল গাড়ি, হাতেনাতে ধরলেন বিজেপির চন্দনা
তপ্ত বাঁকুড়া


শালতোড়া (বাঁকুড়া): ভোটের শেষ বেলায় তপ্ত হতে পারে বাংলা। সেই আশঙ্কা আগেই করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই মতো বাহিনীকে সতর্ক করেছিল। কয়েকটি জেলার নামও উল্লেখ করেছিল। সেই আবহের মধ্যেই বাঁকুড়ায় তৈরি হল উত্তেজনা। সেখানে বেশ কয়েকটি ইভিএম বোঝাই গাড়ি আটকে প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন শালতোড়ার বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউরি।


বৃহস্পতিবার বিকালে আচমকাই শালতোড়ার তিলুড়ির কাছে একটি বোলেরো গাড়িতে বেশ কিছু ইভিএম দেখতে পেয়ে গাড়িকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন শালতোড়ার বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউরি। নিজের সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে গোটা ঘটনার লাইভ করেন চন্দনা বাউরি। গাড়িতে ইভিএম ছাড়াও তৃণমূলের বেশ কিছু পতাকা ছিল বলে দাবি বিজেপি প্রার্থীর। তাঁর দাবি তৃণমূলকে সুবিধা পাইয়ে দিতে বুথে ভোট হওয়া ইভিএম বদল করে রিসিভিং সেন্টারে জমা করার উদ্দেশেই ওই গাড়িতে করে ইভিএম নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।





অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে না পৌঁছলে ইভিএম বোঝাই ওই গাড়ি আগুনে পুড়িয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দেন বিজেপি প্রার্থী চন্দনা। ঘটনাকে ঘিরে একই অভিযোগে সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়েছেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। সৌমিত্র খাঁ এই ঘটনার সঙ্গে প্রশাসনিক আধিকারিকদের একাংশের যোগসাজসের অভিযোগ এনেছেন।


বিজেপি চন্দনা বাউরি বলেন, “আমি তো ময়দানে ছিলাম। বিভিন্ন বুথে বুথে যাচ্ছিলাম। কোথায় কী কী হচ্ছে তার সব কথা আমি জানাচ্ছিলাম অফিসারদের। আমাদের নির্বাচনী এজেন্ট একটি গাড়িকে আটকায়।”

ঘটনার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন অবজারভার সহ নির্বাচনী আধিকারিক ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ। অবজারভারের দাবি, ওই ইভিএমগুলিতে কোনও ভোট নেওয়া হয়নি। রিজার্ভে থাকা ইভিএম গুলিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তারপরেও গোটা ঘটনার তদন্ত করে পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট দেওয়ার আস্বাস দিয়েছেন অবজারভার।


উদয়নের প্রথমে অভিযোগ ছিল, "একজন দৃষ্টিহীন ব্যক্তি নিজের নাতিকে নিয়ে এসেছিলেন ভোট দিতে। সেই নাতিকে সরিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান নিজেই বোতাম টিপে দিয়েছেন।" একই সঙ্গে এও বলেন, "আমাদের কর্মীদের বিভিন্ন ভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে। বাহিনী পক্ষপাতিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।"


সরি...আমি যে খবর দিয়েছিলাম পুরোপুরি ঠিক নয়', উদয়ন হঠাৎ ক্ষমা চাইলেন কেন?'
উদয়ন গুহ, তৃণমূল প্রার্থী


ক্ষমা চাইলেন দিনহাটার তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। প্রথমে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, একজন দৃষ্টিহীনের ভোট দিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান। পরে যদিও ক্ষমা চেয়ে নেন তৃণমূল প্রার্থী। বললেন, “সরি।”


ক্ষমা চেয়ে কী বলেছেন উদয়ন?



BJP-র বুথ এজেন্টের জায়গায় সেজেগুজে বসে TMC কর্মী, ধরা পড়তেই যা বললেন চমকে যাবেন
দিনহাটার তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “১৬০ নম্বর বুথের ব্যাপারে যে খবরটা দিয়েছিলাম, সরি! ওটা পুরোপুরি ঠিক নয়। ওইখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এক ব্যক্তিকে নিয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন তখন সঙ্গে-সঙ্গে প্রিসাইডিং অফিসার বলে দেয় আপনি ভিতরে ঢুকবেন না। আমার কাছে প্রথমে যে খবরটা এসেছিল সেই খবরটাই বলেছি।”


এর আগে কী অভিযোগ ছিল উদয়নের?

উদয়নের প্রথমে অভিযোগ ছিল, “একজন দৃষ্টিহীন ব্যক্তি নিজের নাতিকে নিয়ে এসেছিলেন ভোট দিতে। সেই নাতিকে সরিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান নিজেই বোতাম টিপে দিয়েছেন।” একই সঙ্গে এও বলেন, “আমাদের কর্মীদের বিভিন্ন ভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে। বাহিনী পক্ষপাতিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।”

শুধু উদয়ন নয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোট লুটের অভিযোগ করেছেন অপর তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব। তিনি বলেন, “এই নির্বাচনে একদিকে যেমন বিজেপির বিরুদ্ধে, অন্য দিকে, ভয়ঙ্কর প্রতিহিংসাপরায়ণ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। যারা দিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে পরিচালনা করছেন ভোট। এটা শিলিগুড়ি বনাম শিলিগুড়ির বাইরে থেকে যারা এসে যারা শিলিগুড়িকে দখল করতে চাইছে, বাংলার সংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে চাইছে তাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই