WEATHER

Top News


মূলত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণায় 'স্বনির্ভর বাংলা' ক্যাম্প নিয়ে মুখ‍্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর সঙ্গে জেলাশাসকদের বৈঠক করেছেন। 'যুব সাথী', ভূমিহীন ক্ষেত মজদুর, অন্যান্য কৃষক ও লক্ষী ভাণ্ডার প্রকল্পের উপভোক্তাদের জন্য এই ক্যাম্প।

 লক্ষ্মীর ভান্ডার-যুবসাথীর মতো একাধিক প্রকল্পের ক্যাম্প বসছে রবিবার, কতদিন চলবে? কী কী নথি আনতে হবে? জানুন সব
নন্দিনী চক্রবর্তী, মুখ্যসচিব


 ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে ক্যাম্প। তার আগে জরুরি বৈঠকে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। ছুটির দিনে সব ডিএমদের নিয়ে বৈঠক করেছেন নন্দিনী। ১ এপ্রিল থেকে চালু হবে ‘যুবসাথী’। তারই বাস্তবায়ণ নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠকে আলোচনা রয়েছে। মূলত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণায় ‘স্বনির্ভর বাংলা’ ক্যাম্প নিয়ে মুখ‍্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর সঙ্গে জেলাশাসকদের বৈঠক করেছেন। ‘যুব সাথী’, ভূমিহীন ক্ষেত মজদুর, অন্যান্য কৃষক ও লক্ষী ভাণ্ডার প্রকল্পের উপভোক্তাদের জন্য এই ক্যাম্প।


ক্যাম্পের সময় সূচি তারিখ: ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থান: রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র সময়: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা ছুটির দিনে ক্যাম্প বন্ধ থাকবে


স্থা, মেয়েকে দেখে চমকে গেলেন মা-বাবা
বাংলার মানুষের 'বিবেকের' উপর ভরসা সুষমা-কন্যার, কী বললেন?
কোথায় কোথায় ক্যাম্প করা হবে? বিডিও অফিস, মিউনিসিপ্যালিটি অফিস ছাড়া যে সব জায়গায় ফুট ফল বেশি সেখানে এই ক্যাম্পগুলি করা হবে।

ক্যাম্পের ধরন কেমন হবে? ‘দুয়ারে সরকার’ আদলে ক্যাম্প আয়োজন করা হবে। প্রতিটি ক্যাম্পে ৪টি দফতরের আধিকারিক উপস্থিত থাকবেন।

সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি হল: যুব কল্যাণ দফতর কৃষি দফতর বিদ্যুৎ দফতর নারী ও শিশু কল্যাণ দফতর

কারা আবেদন করতে পারবেন? •যুব সাথী প্রকল্পের আবেদনকারী •লক্ষ্মীর ভান্ডারের উপভোক্তা •ভূমিহীন ক্ষেত মজদুর •কৃষকরা

প্রয়োজনীয় নথিপত্র

আবেদন করতে সঙ্গে আনতে হবে— •আধার কার্ড •জাতিগত শংসাপত্র • ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পাস বইয়ের প্রথম পাতার জেরক্স •মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডের জেরক্স •২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি

প্রশাসনিক নির্দেশ •আবেদনপত্র গ্রহণ করে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে তথ্য আপলোড করতে হবে। •নথিপত্র সঠিকভাবে যাচাই করার পরেই গ্রহণ করতে হবে। •সকল আধিকারিককে সকাল ১০টার আগেই উপস্থিত থাকতে হবে। •নিরাপত্তার প্রয়োজন হলে স্থানীয় থানার সাহায্য নিতে বলা হয়েছে।

অতিরিক্ত ঘোষণা ১ এপ্রিল থেকে যুব সাথী, ভূমিহীন ক্ষেত মজদুর ও কৃষকদের জন্য সেচের জলের নির্ধারিত জলকর সম্পূর্ণ মকুব করার ঘোষণা আগেই করা হয়েছে।



বিমানটি শহরের মাটি ছুঁতেই সেটিকে প্রোটোকল মেনে আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারপর নামিয়ে আনা হয় বিমানে থাকা যাত্রী, চালক-সহ অন্যান্য কর্মীদের। শুরু হয় তল্লাশি। আপাতত বিমানের মধ্যে কোনও সন্দেহজনক বস্তু রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন বিমানবন্দরে কর্তব্যরত সিআইএসএফ জওয়ানরা।


লিপস্টিক দিয়ে লেখা, 'বোমা রয়েছে', আতঙ্ক নিয়ে কলকাতার মাটি ছুঁলো ইন্ডিগো
প্রতীকী ছবি

 সকালে চিরকুট, সন্ধ্য়ায় লিপস্টিক। আবার নজরে সেই ইন্ডিগো। বোমাতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না সংশ্লিষ্ট সংস্থার বিমানকে। বিমানের শৌচালয়ের দেওয়ার স্পষ্ট হরফে লেখা ‘বোমা রয়েছে’। হামলা নাকি সাবধানবাণী? বার্তা ঘিরে পড়ে যায় হইচই। কলকাতা বিমানবন্দরে ইন্ডিগো বিমানটি নামতেই ছুটে যায় বম্ব স্কোয়াড।


বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা ৭টা ৩৭ মিনিটে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে ইন্ডিগোর ৬ই ৬৮৯৪ বিমান। অসমের ডিব্রুগড় থেকে কলকাতার দিকেই আসছিল এটি। তখনই বিমানের শৌচালয়ে দেখা মেলে ‘অশনি সংকেতের’। কলকাতা বিমানবন্দরের আকাশের কাছে থাকায় দ্রুততার সঙ্গে অবতরণ করানো হয় ইন্ডিগোর বিমানটিকে।


 তৃণমূলে যোগ দিয়েই বেঁঁফাস দলবদলু বিজেপি নেতা, সরব লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বকেয়া নিয়ে
বিমানটি শহরের মাটি ছুঁতেই সেটিকে প্রোটোকল মেনে আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারপর নামিয়ে আনা হয় বিমানে থাকা যাত্রী, চালক-সহ অন্যান্য কর্মীদের। শুরু হয় তল্লাশি। আপাতত বিমানের মধ্যে কোনও সন্দেহজনক বস্তু রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন বিমানবন্দরে কর্তব্যরত সিআইএসএফ জওয়ানরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিমানের এক যাত্রী শৌচালয়ে গিয়ে লিপস্টিকে লেখা সেই বার্তা প্রথম চিহ্নিত করেন। তারপরেই ক্রু সদস্যদের মাধ্য়মে চালকদের কাছে সেই খবর পৌঁছয়। ততক্ষণে কলকাতার আকাশে ঢুকে পড়েছে বিমানটি। চালকরা কলকাতা বিমানবন্দরের এটিসি-র সঙ্গে যোগাযোগ করে বিমানটিকে দ্রুত অবতরণের ব্যবস্থা করেন।

শনিবার সকালেও এই একই রকমের ঘটনা ঘটেছে কলকাতা বিমানবন্দরে। শিলংগামী ইন্ডিগো বিমানে ছড়ায় বোমাতঙ্ক। সেই সময়ও বিমানের ল্যাভরেটরি অর্থাৎ শৌচাগার থেকে উদ্ধার হয় একটি চিরকুট। বিমানের এক ক্রু ওই চিরকুটটি পান। খুলতেই দেখেন তাতে লেখা রয়েছে, বিমানে বোমা রাখা আছে। এরপরেই তুমুল আতঙ্ক। যাত্রীদের নামিয়ে শুরু হয় খানা তল্লাশি।

এই পথ এমনভাবেই তৈরি করা হয়েছে যে তা অসামরিক ও সামরিক- উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে। জরুরি সময়ে ডিব্রুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে। ৪০ টন পর্যন্ত যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন পর্যন্ত ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট বহন করতে সক্ষম।

ঐতিহাসিক! বিমানবন্দর বা এয়ারফিল্ডে নয়, জাতীয় সড়কের উপরে জরুরি অবতরণ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিমান। অসমের মোরানে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সি-১৩০জে বিমানের জরুরি অবতরণ পরিষেবা পরীক্ষা করা হয়।

ভোটমুখী অসমে একদিনের সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সেখানেই রাস্তায় অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিমান। চাবুয়া এয়ারফিল্ড থেকে প্রধানমন্ত্রীর বিমান ওড়ে। ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারিত পথে প্রধানমন্ত্রীর বিমান অবতরণ করে। বিমান থেকে নামার পর ৪০ মিনিটের এয়ার শো হয়। তেজস, সুখোই, রাফাল সহ অন্যান্য ফাইটার জেট নিজেদের ক্ষমতা দেখায়।


প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছিলেন যে ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটি জরুরি সময়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজের জন্য এই পরিষেবা বিশেষ সাহায্য করবে। ১০০ কোটির ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটি মোরান বাইপাসের উপরে ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ পথে তৈরি করা হয়েছে। এটি কৌশলগত দিক থেকে বিশেষ সাহায্য করবে। বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানের অবতরণ, বিমান পরিবহন, ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর ক্ষেত্রে এই ল্য়ান্ডিং ফেসিলিটি কাজ করবে।

এই পথ এমনভাবেই তৈরি করা হয়েছে যে তা অসামরিক ও সামরিক- উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে। জরুরি সময়ে ডিব্রুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে। ৪০ টন পর্যন্ত যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন পর্যন্ত ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট বহন করতে সক্ষম। এর আগে, ২০২১ সালে রাজস্থানের বারমেরে প্রথম ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটির উদ্বোধন করা হয়।



আজ প্রধানমন্ত্রী মোদী অসমে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। ব্রহ্মপুত্র নদীর উপরে তৈরি সেতুর উদ্বোধন করবেন তিনি। উত্তর গুয়াহাটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। এতে যানজট আরও কমবে, যাতায়াতের সময় কমবে। গুয়াহাটির ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্য়ানেজমেন্টের অস্থায়ী ক্যাম্পাসেরও উদ্বোধন করবেন তিনি।

এর পাশাপাশি তিনি গুয়াহাটিতে ১০০টি ইলেকট্রিক বাসেরও উদ্বোধন করবেন। এরপরে গুয়াহাটিতে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, "নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ অধিকার আছে সোজাসুজি সাসপেন্ড এফআইআর করা। তাঁরা খুব ভদ্র আচরণ করে এই সরকারকে বলেছিল করতে। কিন্তু কমিশন করেনি। নির্বাচন কমিশনের উচিত সোজাসুজি অ্যাকশন নেওয়ার। অনেক হয়েছে। তারা অ্যাকশন নিক।"

 'শুধু চাকরিই যাবে না, আপনাকে জেলেও থাকতে হবে', কাদের বললেন শুভেন্দু?
শুভেন্দু অধিকারী, বিরোধী দলনেতা

আর অ্যাডভাইজারি নয়, এবার অ্যাকশন চাই। নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে এ দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এ দিন, তিনি পরিষ্কার বলেছেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই তাঁর অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ইআরও (ERO) ও এইআর-দেরও (AERO) বার্তা শুভেন্দুর।


শুভেন্দু বলেন, “নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ অধিকার আছে সোজাসুজি সাসপেন্ড এফআইআর করা। তাঁরা খুব ভদ্র আচরণ করে এই সরকারকে বলেছিল করতে। কিন্তু কমিশন করেনি। নির্বাচন কমিশনের উচিত সোজাসুজি অ্যাকশন নেওয়ার। অনেক হয়েছে। তারা অ্যাকশন নিক।” এরপরই কমিশনের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা, “আর কোনও অ্যাডভাইজারির মধ্যে থাকবেন না, পূর্ণ অধিকার আছে, FIR সাসপেন্ড করার। অ্যাকশন শুরু করুন।” অপরদিকে, তৃণমূল নেতা তন্ময় দাস বলেন,”আইন অনুযায়ী যা যা করার রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মুখ্য সচিব নিশ্চিত ভাবে করবেন। কিন্তু এখানে রাজনীতির কোনও বিষয় নেই। দলের পক্ষ থেকে মন্তব্য করারও কোনও বিষয় নেই।”


 ফাঁসির করিকাঠে ঝুলছিল প্রাণ! তাঁরাই হচ্ছেন বাংলাদেশের সাংসদ...
১ মার্চ থেকে এভাবে আর ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন না, যাত্রীদের বড় আপডেট দিল রেল
এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দু ERO ও AERO-দের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে বলেন, “আপনারা এগুলো করবেন না। আপনি যদি বেআইনিভাবে অ্যাপ্রোচ করেন তাহলে তার দায়িত্ব আপনার। অরবিন্দ মিনা সহ যে ডিএম-রা আপনাদের পরামর্শ দিচ্ছেন, তাঁর অডিয়ো এখন পোর্টালে ঘুরছে। বিডিও-এসডিওদের কী বলছেন সব ঘুরছে। তাই ERO আর AERO-দের বলব ডিএমদের কোনও নির্দেশ ভার্চুয়ালি নেবেন না। লিখিত অর্ডার ছাড়া করবেন না। শুধু চাকরিই যাবে না, আপনাকে জেলেও থাকতে হবে।”

মহিলা ও পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন। সর্বাধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত মাসিক দেড় হাজার টাকা অর্থ সাহায্য করতে করা হবে। চাকরি পেলে ভাতা বন্ধ হবে। এই প্রকল্প শুরুর আগে আগামিকাল থেকে বাংলার ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ২৯৪টি ক্যাম্প শুরু হয়েছে। সেখানে আবেদন পত্র জমা দিলেই মিলবে টাকা।

 ১৫০০ টাকা করে পাবেন বেকাররা, রবিবার থেকে আবেদন শুরু, কোথায় যাবেন? কী কী ডকুমেন্টস জমা দেবেন?
রবিবার থেকে ক্যাম্প


১ এপ্রিল থেকে চালু হচ্ছে রাজ্যের অন্তবর্তী বাজেটে ঘোষিত যুবসাথী প্রকল্প। এই প্রকল্প অনুযায়ী, ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীরা এই ভাতা পাবেন। মহিলা ও পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন। সর্বাধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত মাসিক দেড় হাজার টাকা অর্থ সাহায্য করতে করা হবে। চাকরি পেলে ভাতা বন্ধ হবে। এই প্রকল্প শুরুর আগে আগামিকাল থেকে বাংলার ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ২৯৪টি ক্যাম্প শুরু হয়েছে। সেখানে আবেদন পত্র জমা দিলেই মিলবে টাকা।


রবিবারের ক্যাম্পে কোন-কোন ডকুমেন্ট নিয়ে যেতে হবে?

প্লেনের ভিতরেই পাশে বসা যুবতীর শরীরের বিভিন্ন জায়গা 'স্পর্শ', দেখতে পেয়েই বিমান সেবিকারা যা করলেন..., মাঝ আকাশেই ভয়ঙ্কর ঘটনা
বাংলার মানুষের 'বিবেকের' উপর ভরসা সুষমা-কন্যার, কী বললেন?
১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না কেউ, বাংলাদেশে গণভোটে 'হ্যাঁ' জেতায় আর কী কী পরিবর্তন হবে?
নিজের মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
লাগবে আধার কার্ড
মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড
শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র
লাগবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেলস
পাসপোর্ট সাইজ সাম্প্রতিক ছবি
ক্যাম্প কতদিন চলবে?

১৫ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যর সব বিধানসভা এলাকায় ক্যাম্প চলবে

আবেদন গ্রহণের জন্য শিবিরের আয়োজন হয়েছে



এই প্রকল্পের সুবিধা কারা পাবেন না?

যে সকল ব্যক্তি বা মহিলা সরকারি কিংবা বেসরকারি জায়গায় কর্মরত তাঁরা আওতাভুক্ত নন।

এছাড়া যাঁরা রাজ্য সরকারের অন্য কোনও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের উপভোক্তা তাঁরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।

অর্থাৎ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষক ভাতা, যাঁরা পান,তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।

সূত্রের খবর, ৮৫০৫ জনের তালিকা থাকলেও ৬ হাজার জনেরই বিস্তারিত তথ্য পাঠিয়েছে রাজ্য, তার মধ্যে রয়েছে আবার গ্রুপ বি আর গ্রুপ সি। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে কোর্টের অর্ডার অনুযায়ী এরা ইআরও (ERO)-কে সাহায্য করবে। ডিএম দের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে কে কোথায় রিপোর্ট করেছেন।

 শুনানি শেষ হয়ে গেল, তবু বিতর্ক মিটল না। রাজ্যের পাঠানো অফিসারদের তালিকা নিয়ে ফের চিঠি নির্বাচন কমিশনের। গ্রুপ বি মাইক্রোঅবজার্ভারদের তালিকা নিয়ে এবার রাজ্যের কাছে তথ্য চাইল সিইও দফতর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তড়িঘড়ি ৮৫০৫ জনের তালিকা পাঠানো হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফে। কিন্তু সেই সব কর্মীর বিষয়ে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি বলে দাবি কমিশনের। সুপ্রিম কোর্ট ফের একবার নির্দেশ দেয় রাজ্যকে। তারপরও রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে কমিশনের।


অভিযোগ উঠেছে, রাজ্যের পাঠানো তালিকায় থাকা ৩০ শতাংশ গ্রুপ সি কর্মীর বর্ধিত মাইনের নিরিখে গ্রুপ বি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্ধিত বেতনের নিরিখে কি এভাবে র‍্যাঙ্ক পরিবর্তন করা যায়? প্রশ্ন কমিশনের।


প্লেনের ভিতরেই পাশে বসা যুবতীর শরীরের বিভিন্ন জায়গা 'স্পর্শ', দেখতে পেয়েই বিমান সেবিকারা যা করলেন..., মাঝ আকাশেই ভয়ঙ্কর ঘটনা
 মায়ের চক্ষুদান করে জেলে যেতে সমাজকর্মী, বিতর্কের মধ্যেই কৃষ্ণনগরের এসপি বদল
আরও জানা গিয়েছে যে রাজ্যের পাঠানো তালিকায় ৪৪০ জন ইতিমধ্যেই এইআরও হিসেবে কাজ করছে। যিনি এইআরও, তাঁকে কীভাবে মাইক্রো অবজারভার করা হবে! এটা কী করে সম্ভব! তারও ব্যাখ্যা রাজ্যের কাছে চাইল সিইও দফতর।

সূত্রের খবর, ৮৫০৫ জনের তালিকা থাকলেও ৬ হাজার জনেরই বিস্তারিত তথ্য পাঠিয়েছে রাজ্য, তার মধ্যে রয়েছে আবার গ্রুপ বি আর গ্রুপ সি। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে কোর্টের অর্ডার অনুযায়ী এরা ইআরও (ERO)-কে সাহায্য করবে। ডিএম দের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে কে কোথায় রিপোর্ট করেছেন। আদতে জয়েন করলেই আদৌ কাজ শুরু করতে দেওয়া হবে কি না সেই বিষয় স্পষ্ট কিছু জানায়নি কমিশন।




 ‘এদিন সাংবাদিকরা তাঁর কাছে জানতে চান, "বিদেশনীতি এবং বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে আপনার কী ভাবনা?" এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তারেক বলেন, "বিদেশনীতি নিয়ে আমাদের ভাবনা স্পষ্ট। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশিদের স্বার্থই সবার আগে, এটাই আমাদের বিদেশনীতি।" ভারত, পাকিস্তান এবং চিনের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্ক বজায় রাখবেন? এই প্রশ্নে বিএনপি নেতৃত্বের স্পষ্ট বক্তব্য, "আমাদের কাছে প্রত্যেক দেশের জন্য বিদেশনীতি এক।"

'হিংসা বরদাস্ত নয়', বিএনপি-র জয়ের পর কড়া বার্তা তারেকের
কী বললেন বিএনপি-র চেয়ারম্যান তারেক রহমান?


বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে তাঁর দল। তার পরও বিএনপি নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাসে ভেসে যেতে দেখা যায়নি। আর সরকার গঠনের আগে তার কারণ জানালেন বিএনপি-র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, কোনওরকম হিংসা, বেআইনি কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করবে না নতুন সরকার। একইসঙ্গে বিদেশনীতি নিয়ে নতুন সরকারের অবস্থান কী হবে, এদিন স্পষ্ট করে দিলেন তারেক রহমান।


নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পর এদিন ঢাকার একটি হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলন করেন তারেক। সেখানে দেশ-বিদেশের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। আর সেই সাংবাদিক বৈঠকেই নতুন সরকারের লক্ষ্য খোলসা করে দিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এদিন তিনি বলেন, “প্রিয় দেশবাসী, এই বিজয় বাংলাদেশের। এই বিজয় গণতন্ত্রের। এই বিজয় গণতন্ত্রকামী জনগণের। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন। সকল প্রতিবন্ধকতার মোকাবিলা করে আমরা দেশের গণতন্ত্রের পথ সুগম করেছি। ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর করে দেওয়া সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করতে চলেছি।”


১৫০০ টাকা করে পাবেন বেকাররা, রবিবার থেকে আবেদন শুরু, কোথায় যাবেন? কী কী ডকুমেন্টস জমা দেবেন?
ইউনূস পারেননি, তারেক কি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরাবেন? হবু প্রধানমন্ত্রী বললেন...
এরপরই তিনি বলেন, “আর কোনও অপশক্তি যাতে দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রপতি পরিণত করতে না পারে, তার জন্য আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকব। থাকতে হবে। ৫১টি রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। সবাইকে অভিনন্দন জানাই। সরকার ও বিরোধী পক্ষ, যে যার ভূমিকা পালন করলে দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আমাদের পথ ও মত ভিন্ন থাকতে পারে, কিন্তু, দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক। জাতির ঐক্য আমাদের শক্তি।”

ভোটপ্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ হওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক বলেন, “শান্তিপূর্ণ ভোটপ্রক্রিয়ার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। ভোট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত ছিলেন, তাঁদেরও ধন্যবাদ জানাই। যাঁরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাই। বেগম খালেদা জিয়া ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। আজ তাঁর অনুপস্থিতিতে সবাই ভারাক্রান্ত।”

সরকার গড়ার পর বিএনপি-র লক্ষ্য নিয়ে তারেক বলেন, “জনগণ বিএনপি-র প্রতি যে বিশ্বাস ও ভালবাসা দেখিয়েছেন, তার জন্য এবার বিএনপি-কে কাজ করে যেতে হবে। বিএনপি-র নেতারা এতদিন যে লড়াই করেছেন, তাঁর জন্য ধন্যবাদ। এবার দেশ গড়ার পালা। দেশ পুনর্গঠনে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আমরা গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই বিজয়কে শান্তভাবে, দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে উদযাপন করেছি। নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশে যাতে কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, এই জন্য শত উস্কানির মুখেও আমি বাংলাদেশের সমস্ত বিএনপি নেতাদের শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। কোনও অপশক্তি যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর সুযোগ না পায়, এই জন্য নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পরও আমি সারা দেশে বিএনপির নেতাদের বিজয় মিছিল বের করতে নিষেধ করেছিলাম।”

নতুন সরকার বাংলাদেশে যে কোনওরকম হিংসা বরদাস্ত করবে না, সেই বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “আমার বক্তব্য স্পষ্ট, যেকোনও মূল্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনওরকম অন্যায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ড আমরা বরদাস্ত করব না। দলমত, ধর্ম নির্বিশেষে কোনও অজুহাতেই দুর্বলের উপর সবলের আক্রমণ আমরা মেনে নেব না। ন্যায়পরায়ণতা হবে আদর্শ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে আমাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য আইন সমান।”

জানা গিয়েছে, দিন তিনেকের মধ্যে নতুন সরকার শপথ নেবে। প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন তারেক। এদিন সাংবাদিকরা তাঁর কাছে জানতে চান, “বিদেশনীতি এবং বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে আপনার কী ভাবনা?” এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তারেক বলেন, “বিদেশনীতি নিয়ে আমাদের ভাবনা স্পষ্ট। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশিদের স্বার্থই সবার আগে, এটাই আমাদের বিদেশনীতি।” ভারত, পাকিস্তান এবং চিনের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্ক বজায় রাখবেন? এই প্রশ্নে বিএনপি নেতৃত্বের স্পষ্ট বক্তব্য, “আমাদের কাছে প্রত্যেক দেশের জন্য বিদেশনীতি এক।”

গত দেড় বছরে বারবার উত্তপ্ত হয়েছে বাংলাদেশ। সাংবাদিকরা বিএনপি চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চান, “কী কী চ্যালেঞ্জ আপনার কাছে?” যার জবাবে বাংলাদেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের অর্থনীতি অন্যতম চ্যালেঞ্জ। আইনশৃঙ্খলাও চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশবাসীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।” শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রশ্নে এদিন কোনও মন্তব্য করেননি বিএনপি চেয়ারম্যান। তবে নাম না করে হাসিনা সরকারকে ফ্যাসিবাদ বলেছেন একাধিকবার।
 রথযাত্রা মিটলেই কলকাতার ব্রিগেড প্য়ারেড গ্রাউন্ডে হবে জনসভা। যদিও পরীক্ষার মরসুম শেষ হলেও জনসভায় জোর দেবে বলে জানিয়ে দিয়েছে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকেই বিএসএফ-এর একটি কর্মসূচির জন্য বাংলায় আসছেন অমিত শাহ। সেই সময়েই এই নিয়ে হতে পারে সাংগঠনিক বৈঠক।

আডবাণীর পথেই শমীকরা, ভোট-ভাবনায় রথযাত্রা থেকে ব্রিগেডের সভা

১৯৯০ সাল। গোটা দেশের নজর কেড়েছিলেন লালকৃষ্ণ আডবাণী। অযোধ্য়ায় বাবরি মসজিদের স্থানে রামমন্দির নির্মাণের দাবিতে এক মাস থেকে ‘রাম রথযাত্রা’ করেছিলেন তিনি। বলা হয়, বাবরি আক্রমণের বীজটা সেই দিনই পুঁতে দিয়েছিলেন আডবাণী। সেই সময় কেটে গিয়েছে। রামমন্দিরও তৈরি হয়ে গিয়েছে। দশক পুরনো অভিসন্ধির বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছে বিজেপি। যুগ বদলেছে, সময় বদলেছে, নেতৃত্ব বদলেছে। বদলায়নি গেরুয়া শিবিরের কৌশল ও অভিসন্ধি। বদলায়নি রথযাত্রা।


নির্বাচনকে মাথায় রেখে মার্চ মাসেই দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে রথযাত্রা করার চিন্তা করছে বাংলার গেরুয়া শিবির। শনিবার দলের কৌশল, নির্বাচনী ভাবনা নিয়ে সল্টলেকের কার্যালয়ে বসেছিল কোর কমিটির বৈঠক। তাতেই সিলমোহর পড়েছে রথযাত্রার ভাবনায়। সূত্রের খবর, ২০১৯, ২০২১ এবং ২০২৪ সালে বাংলার যে সকল কেন্দ্রে ভালো ফল হয়েছিল বিজেপির। সেই সকল এলাকা হয়েই হতে পারে রথযাত্রা। সেক্ষেত্রে মোট ১৫০টি বিধানসভা কেন্দ্র নজরে রয়েছে গেরুয়া শিবিরের।


১৫০০ টাকা করে পাবেন বেকাররা, রবিবার থেকে আবেদন শুরু, কোথায় যাবেন? কী কী ডকুমেন্টস জমা দেবেন?
জোড়া আসনে ভোটে জিতলেন, তবুও প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিতে পারছেন না তারেক! কেন?
রথযাত্রা মিটলেই কলকাতার ব্রিগেড প্য়ারেড গ্রাউন্ডে হবে জনসভা। যদিও পরীক্ষার মরসুম শেষ হলেও জনসভায় জোর দেবে বলে জানিয়ে দিয়েছে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকেই বিএসএফ-এর একটি কর্মসূচির জন্য বাংলায় আসছেন অমিত শাহ। সেই সময়েই এই নিয়ে হতে পারে সাংগঠনিক বৈঠক।

সূত্রের খবর, ব্রিগেডের মাঠে বিজেপির জনসভার ভাবনা সফল হলে, তাতে প্রধান বক্তা হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে গেরুয়া শিবির। কিন্তু এই জনসভা যে আদৌ কবে হবে, তা এখনও চূড়ান্ত করে উঠতে পারেনি নেতৃত্ব। অবশ্য় শুধু কলকাতা নয়, শহরে ভাবনার বাস্তবায়ন ঘটলেও উত্তরবঙ্গেও ব্রিগেডের মতোই জনসভা করতে পারে বিজেপি।

বাংলার নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায়। মার্চ মাসের প্রথমেই নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে। সুতরাং, প্রার্থী বাছাইয়ের কাজও এবার দ্রুত সেরে ফেলতে হবে। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, চলতি মাসের মধ্যে বিধানসভাভিত্তিক প্রার্থী তালিকা জেলাগুলি থেকে নিয়ে দিল্লির কাছে পাঠাতে চায় রাজ্য বিজেপি। প্রতিটি আসনের জন্য তিনটি বিকল্প প্রার্থীকে বাছাই করবে বঙ্গের শীর্ষ নেতৃত্ব। তারপর তা যাবে হাইকমান্ডের কাছে। সেখান থেকেই বাছাই হয়ে আসবে চূড়ান্ত তালিকা। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্য়ে সেই তালিকা কয়েক দফায় প্রকাশ করাও শুরু করে দিতে পারে বিজেপি

 রেশন-কাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় কারাবাস হলেও সাংগঠনিক কাজে কোনও খামতি রাখেননি তিনি। বালুর অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব সামলেছেন অন্য নেতারা। তিনি জামিন পেতেই জেলাজুড়ে ঘুরে বেরিয়েছেন দলের প্রচারে। তাই সেই বারাসতে নির্বাচনী কোর কমিটি তৈরি হতেই দায়িত্ববৃদ্ধি হয়েছে জ্যোতিপ্রিয়র।

 চওড়া হল বালুর কাঁধ, হুমায়ুনের 'কাঁটা' তুলতে বীরভূম-মডেলে আস্থা তৃণমূলের
প্রতীকী ছবি

দায়িত্ববৃদ্ধি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। পুরনো আস্থার নজির তৈরি করলেন ‘বালু’। রেশন-কাণ্ডে নাম জড়িয়ে, কারাগারে বন্দি থেকে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। পেয়েছেন জামিন। আর বাংলার নির্বাচন যখন দোরগোড়ায়, সেই সময় তৃণমূল সুপ্রিমোর হাত হয়ে পেয়েছেন বাড়তি দায়িত্ব।


ছাব্বিশের ভোটপ্রস্তুতিকে মাথায় রেখে শনিবার রাজ্যের তিন সাংগঠনিক জেলা — জঙ্গিপুর, বহরমপুর এবং বারাসতের জন্য নির্বাচনী কোর কমিটির ঘোষণা করল তৃণমূল। যার মধ্য়ে বারাসতের কোর কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন হাবড়ার বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বলে রাখা প্রয়োজন, বারাসতের নির্বাচনী প্রস্তুতির দায়িত্বে থাকা এই কোর কমিটিতে মোট ১৬ জন সদস্য রয়েছেন। আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন রথীন ঘোষ। যুগ্ম আহ্বায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সদস্য হিসাবে নাম রয়েছে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুজিত বসুদেরও।


প্লেনের ভিতরেই পাশে বসা যুবতীর শরীরের বিভিন্ন জায়গা 'স্পর্শ', দেখতে পেয়েই বিমান সেবিকারা যা করলেন..., মাঝ আকাশেই ভয়ঙ্কর ঘটনা


রেশন-কাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় কারাবাস হলেও সাংগঠনিক কাজে কোনও খামতি রাখেননি তিনি। বালুর অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব সামলেছেন অন্য নেতারা। তিনি জামিন পেতেই জেলাজুড়ে ঘুরে বেরিয়েছেন দলের প্রচারে। তাই সেই বারাসতে নির্বাচনী কোর কমিটি তৈরি হতেই দায়িত্ববৃদ্ধি হয়েছে জ্যোতিপ্রিয়র। অবশ্য একা বালু নন, রেশন দুর্নীতি নাম জড়ানো আনিসুর রহমানও রয়েছে বারাসতের এই কোর কমিটিতে।



শুধু বারাসত নয়, জঙ্গিপুর ও বহরমপুরেও তৈরি হয়েছে কোর কমিটি। মুর্শিদাবাদ ও সেই সংলগ্ন মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় তৃণমূলের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হুমায়ুন কবীর। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেই চ্যালেঞ্জকে মাথায় রেখেই এই দুই সাংগঠনিক জেলায় নির্বাচনী কোর কমিটি তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় শীর্ষ নেতৃত্ব।

জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলায় ১০ সদস্যের কোর কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোর কমিটির তালিকায় রয়েছেন ফরাক্কার বিধায়ক আমিরুল ইসলাম, জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন এবং সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ মুখ। অন্যদিকে বহরমপুর সাংগঠনিক জেলায় গঠিত কোর কমিটিতে মোট সদস্য ১৬ জন। সেখানেও রয়েছেন আবু তাহের খান, রবিউল আলম চৌধুরী, গোলাম মুর্শেদের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্য়ক্তিত্ব।

ভারতে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় যে সংখ্যক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, তার মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই সময়মতো চিকিৎসা প্রদান করা হলে প্রাণ বাঁচানো যেত। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রথম এক ঘণ্টা হল গোল্ডেন আওয়ার। এই সময়ের মধ্যে যদি আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা যায়, তাহলে প্রায় ৫০ শতাংশ মৃত্যু এড়ানো সম্ভব।

রাস্তায় অ্যাক্সিডেন্ট হলে পাবেন দেড় লাখ টাকার ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা, এই সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে জানুন বিস্তারিত
প্রতীকী চিত্র

বিপদ কখন আসে, তা কেউ বলতে পারে না। পরিসংখ্যান বলছে, ভারতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার যথেষ্ট উদ্বেগজনক। যে কোনও পথ দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে সময়। যদি সঠিক সময়ে আহত ব্যক্তিকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছনো যায়, তাহলে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়। কয়েক মিনিটের ফারাকেই অনেক কিছু হয়ে যেতে পারে। যাতে পথ দুর্ঘটনায় আর প্রাণ না খোয়াতে হয়, তার জন্য় কেন্দ্রের বড় উদ্যোগ। চালু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী রাহাত প্রকল্প (PM Rahat Scheme)। এই প্রকল্পের অধীনে পথ দুর্ঘটনায় আহতদের হাসপাতালে ভর্তি ও ক্যাশলেস চিকিৎসার (Cashless Treatment) ব্যবস্থা করা হবে।


কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় যে সংখ্যক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, তার মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই সময়মতো চিকিৎসা প্রদান করা হলে প্রাণ বাঁচানো যেত। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রথম এক ঘণ্টা হল গোল্ডেন আওয়ার। এই সময়ের মধ্যে যদি আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা যায়, তাহলে প্রায় ৫০ শতাংশ মৃত্যু এড়ানো সম্ভব।




বিএনপি জমানায় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কেমন হবে? স্পষ্ট করে দিলেন তারেক
সেবা তীর্থে স্থানান্তরের পর প্রধানমন্ত্রী রাহাত প্রকল্পের অনুমোদনই ছিল প্রথম সিদ্ধান্ত। এই রাহাত প্রকল্প ইমার্জেন্সি রেসপন্স সাপোর্ট সিস্টেম ১১২ হেল্পলাইনের সঙ্গে যুক্ত। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বা পথচলতি যে কেউ ১১২ নম্বরে ডায়াল করলঅ তা নিকটবর্তী হাসপাতাল ও অ্যাম্বুল্যান্সে খবর দেওয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ওই মুহূর্তেই দেবে। এতে পুলিশ, ইমার্জেন্সি সার্ভিস ও হাসপাতালের মধ্যে সমন্বয় করতে আরও সুবিধা হবে।

কীভাবে সুবিধা পাবেন?
প্রধানমন্ত্রী রাহাত প্রকল্পের অধীনে ক্যাশলেস চিকিৎসারও সুবিধা পাওয়া যাবে। দুর্ঘটনার দিন থেকে সাতদিন পর্যন্ত ব্যক্তি পিছু দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুযোগ পাওয়া যাবে।
গুরুতর নয়, এমন চোট বা আঘাতের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টা এবং গুরুতর আঘাতের ক্ষেত্রে ৪৮ ঘণ্টা চিকিৎসা প্রদান করা হবে।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে এই ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে। গোটা বিষয়টি ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
হাসপাতালের খরচ-
চিকিৎসায় হাসপাতালের যে খরচ হবে, মোটর ভেহিকেল অ্যাক্সিডেন্ট ফান্ড থেকে সেই খরচ রিইমবার্সড করে দেওয়া হবে। যে গাড়ি ধাক্কা মেরেছে, সেই গাড়ি যদি ইন্সুরেন্স করা থাকে, তাহলে জেনারেল ইন্সুরেন্স কোম্পানি থেকে টাকা দেওয়া হবে। যদি ইন্সুরেন্স না থাকে বা হিট অ্যান্ড রান কেস হয়, তাহলে সরকার নিজের বাজেট বরাদ্দ থেকে এই টাকা দেবে। অ্যাপ্রুভ করা ক্লেম ১০ দিনের মধ্যে সেটেল করতে হবে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরকে।

কাটোয়া স্টেশনের দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে গতকাল রাতে এসে দাঁড়ায় কাটোয়া-আদিমগঞ্জ ট্রেনটি। আজ সকাল ছয়টা পাঁচ মিনিটে ট্রেন ছাড়ার কথা ছিল। আজ ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ স্টেশনের যাত্রীরা দেখেন, ট্রেনে আগুন জ্বলছে।

কাটোয়া থেকে ভোর ৬টা ৫-এ ট্রেন, যাত্রীরা দেখলেন দাউদাউ করে জ্বলছে ট্রেন!
দাউদাউ করে জ্বলছে ট্রেন।


সাতসকালে ভয়ঙ্কর কাণ্ড। স্টেশনে দাঁড়িয়ে ট্রেনে আগুন, চোখের সামনে দাউদাউ করে জ্বলে গেল আস্ত কামরা। বর্ধমানের কাটোয়া স্টেশনে এই ঘটনা ঘটেছে। দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল কাটোয়া-আজিমগঞ্জ ট্রেন। আচমকাই তাতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। দ্রুত দমকল এসে আগুন নেভায়।


জানা গিয়েছে, কাটোয়া স্টেশনের দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে গতকাল রাতে এসে দাঁড়ায় কাটোয়া-আদিমগঞ্জ ট্রেনটি। আজ সকাল ছয়টা পাঁচ মিনিটে ট্রেন ছাড়ার কথা ছিল। আজ ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ স্টেশনের যাত্রীরা দেখেন, ট্রেনে আগুন জ্বলছে। মাঝের একটি কামরা দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। স্টেশনে হুড়োহুড়ি শুরু হয়।


 উসমান কাঁটা উপড়ে পাক বধের ছক সাজাচ্ছে সূর্যের ভারত!
প্রাথমিক সূত্রে খবর, সম্ভবত শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনও খবর নেই। আগুনের খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে ওই বগিটিকে আলাদা করা হয় এবং আগুন নেভানো হয়। আরপিএফ, জিআরপি খতিয়ে দেখছে। রেলের আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।

কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আচমকা এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে ট্রেন পরিষেবা কিছুটা ব্যাহত হয়। কিছু ট্রেন দেরিতে চলছিল। তবে এখন ট্রেন পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে বলেই খবর।


আগামী মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ তারেক রহমানের। ওই দিনই শপথ নেবে নতুন মন্ত্রিসভা। ইতিমধ্যেই আমন্ত্রণ পাঠানোও শুরু হয়েছে। তারেক রহমানের শপথ গ্রহণে আমন্ত্রণ এল ভারতের কাছেও। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসই এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। 

 তারেকের শপথ গ্রহণে আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রী মোদীকে, আর কে কে ডাক পেলেন?
তারেক রহমানের শপথ গ্রহণে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?

ধানের শীষ চালাবে দেশ। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় বিএনপি। আগামী মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ তারেক রহমানের। ওই দিনই শপথ নেবে নতুন মন্ত্রিসভা। ইতিমধ্যেই আমন্ত্রণ পাঠানোও শুরু হয়েছে। তারেক রহমানের শপথ গ্রহণে আমন্ত্রণ এল ভারতের কাছেও। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসই এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।


জানা গিয়েছে, ভারতের পাশাপাশি বাকি দুই প্রতিবেশী চিন ও পাকিস্তানকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মহম্মদ ইউনূস। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনে জয়ের পর বিএনপির নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেন ইউনূস। তারপরই ১৩ দেশের প্রধানকে তারেকের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


 উসমান কাঁটা উপড়ে পাক বধের ছক সাজাচ্ছে সূর্যের ভারত!

প্লেনের ভিতরেই পাশে বসা যুবতীর শরীরের বিভিন্ন জায়গা 'স্পর্শ', দেখতে পেয়েই বিমান সেবিকারা যা করলেন..., মাঝ আকাশেই ভয়ঙ্কর ঘটনা
কারা কারা আমন্ত্রিত?
কূটনৈতিক সূত্রে খবর, এখন পর্যন্ত আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে ভারত, চিন, সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।

আগামী মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। তাঁদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী কি যাবেন?
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এখনও এই বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর, তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতও উপস্থিত থাকতে পারে। আগেই শোনা গিয়েছিল যে দেশের প্রতিনিধি হিসাবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশে যেতে পারেন। এর আগে বিএনপি প্রধান তথা বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রয়াণের পরও তাঁর শেষকৃত্যে গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

গঙ্গাসাগরে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত টোটো চালক, কাঠগড়ায় বিজেপি নেতা


ফের পথ দুর্ঘটনার রক্তারক্তি কাণ্ড দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরে। কচুবেড়িয়া থেকে সাগর যাওয়ার পথে একটি দ্রুতগামী প্রাইভেট গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হলেন এক টোটো চালক। শনিবার রাতে সাগরের বইচ বাড়ি এলাকায় ঘটে এই দুর্ঘটনা।


স্থানীয় সূত্রে খবর, কচুবেড়িয়া থেকে আসা একটি চারচাকা গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি টোটো ভ্যানকে সজোরে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের তীব্রতায় টোটোটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি রক্তাক্ত টোটো চালককে উদ্ধার করে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতা পিনাকী মণ্ডলের দিকে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনার সময় চার নম্বর মণ্ডল সভাপতি পিনাকী মণ্ডল মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। যদিও এই অভিযোগ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সাগর থানার পুলিশ। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি দুটিকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত নেতা কি সত্যিই মদ্যপ ছিলেন, নাকি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই বিপত্তি— তা জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।