WEATHER

Top News



নির্মলা সীতারমন আমাকে বলেছেন, চা বাগান আর বস্ত্র ব্যবসা নিয়ে উনি বিশেষ ভাবে ভাবছেন। বাংলার টেক্সটাইল নিয়ে নির্মলা সীতারমণ ভাবছেন। এটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ২৪ থেকে ২৮ অগস্ট নির্মলা সীতারমন আসছেন বাংলায়।"


প্রধানমন্ত্রী বাকি মন্ত্রীদের বলেছেন তাড়াতাড়ি বাংলায় যাও, উন্নয়ন করো: শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী


কলকাতার মিলন মেলা প্রাঙ্গনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বস্ত্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ও বস্ত্র শিল্প সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। ফিতে কেটে উদ্বোধন করেন শিল্প সম্মেলনের। সেখান থেকে শুভেন্দু অধিকারী যা যা বললেন এক নজরে।


এক নজরে সবটা (সর্বশেষ তথ্য উপরে)


Supreme Court: শিন্ডেকেই প্রতীক দেওয়া হয়েছিল, কমিশনের 'ভুল' ছিল, বলল সুপ্রিম কোর্ট
শুভেন্দু অধিকারী: আমি প্রতিদিন ভূমি পূজন করছি। লাক্স কোজি, এখানে আমূল এসেছে। মিষ্টি দই আর আইস ক্রিম করবে।
শুভেন্দু অধিকারী: নির্মলা সীতারমন আমাকে বলেছেন, চা বাগান আর বস্ত্র ব্যবসা নিয়ে উনি বিশেষ ভাবে ভাবছেন। বাংলার টেক্সটাইল নিয়ে নির্মলা সীতারমণ ভাবছেন। এটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ২৪ থেকে ২৮ অগস্ট নির্মলা সীতারমন আসছেন বাংলায়।

শুভেন্দু অধিকারী: টেক্সটাইল হাবের জন্য যদি আইন পরিবর্তন করতে হয় আমি করব। আপনাদের যা দরকার তাই করব।
শুভেন্দু অধিকারী: সব অপরাধ যেমন তোলাবাজি, কাটমানি, চাঁদাবাজি বন্ধ হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে আবহাওয়া বদল হচ্ছে আপনারা টের পাচ্ছেন। গুন্ডামি করতে দেব না। তোলা অসুলি হবে না। কয়েকজন ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম ট্রেড লাইসেন্স কীভাবে পাচ্ছেন? ওঁরা জানালেন অনলাইনে। এখন কোনও অসুবিধা হয় না। কেউ কেউ পার্কিং নিয়ে একটু অভিযোগ করেছে।
শুভেন্দু অধিকারী: প্রধানমন্ত্রী নরন্দ্র মোদী অনেক চেষ্টা করছে বাংলার হাল ফেরাতে। উনি যোগা ডে পালন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সব মন্ত্রীদের বলেছেন, তাড়াতাড়ি বাংলায় যাও। বাংলাকে উন্নত করো। সেই কাজ শুরু হয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারী: বাংলায় কর্মসংস্থানের অভাব আছে। কিন্তু এখানে মানুষ রয়েছেন। আমি বাংলার জন্য গর্বিত। এই শহরকে সিটি অব জয় বলে। এটা সংস্কৃতি কেন্দ্র।
শুভেন্দু অধিকারী: তিন মাসে বাংলার অবস্থা বদলেছে। ১০০০ কোটির টাকার মতো ব্যবসা হবে। আগের মুখ্যমন্ত্রী সুরাটের নাম শুনলেই বলত বহিরাগত। আরে দেশ তো। কলকাতার লাভ হবে, তেমন গুজরাটেরও। এই জন্যই তো শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় আমাদের বাঁচিয়েছে। নয়ত বাংলাদেশের মতো অবস্থা আমাদের হত।
শুভেন্দু অধিকারী: ৫০ বছর ধরে বাংলাকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীরা বাংলাকে যেভাবে এগোনোর চেষ্টা করছেন তার জন্য ধন্যবাদ।এই সব সফল ব্যবসায়ীরা প্রকৃত দেশপ্রেমিক, রাষ্ট্রবাদী।
শুভেন্দু অধিকারী: ডবল ইঞ্জিন সরকার কাজ শুরু করেছে। বাংলায় এখন ব্যবসা বান্ধব পরিস্থিতি হয়েছে।


স্পোর্টস কোটায় আরবিআইয়ে চাকরি পাওয়া ২৮ বছর বয়সী ঈশান আপাতত অফিসের দায়িত্ব পালন করছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে ঈশানকে অফিসের পরিচয়পত্র বা আইডি কার্ড পরে কাজ করতে দেখা গিয়েছে। ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া ভারতের বয়ে ৩টি ফরম্যাটেই খেলেছেন।


আরবিআই-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার ঈশান কিষান, জানেন কত বেতন পান ভারতীয় তারকা ব্যাটার?
ঈশান কিষাণ


বিস্ফোরক ব্যাটিং করার জন্য পরিচিত ঈশান কিষান। আইপিএল হোক বা দেশের জার্সি – দুই ভঙ্গিমাতেই সাবলীল ঈশান। এবার অন্য কারণে চর্চায় এসেছেন ঝাড়খন্ডের এই ব্যাটার। ক্রিকেট থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে তিনি পাটনায় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শাখায় সহকারী ম্যানেজার পদে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।


স্পোর্টস কোটায় আরবিআইয়ে চাকরি পাওয়া ২৮ বছর বয়সী ঈশান আপাতত অফিসের দায়িত্ব পালন করছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে ঈশানকে অফিসের পরিচয়পত্র বা আইডি কার্ড পরে কাজ করতে দেখা গিয়েছে। ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া ভারতের বয়ে ৩টি ফরম্যাটেই খেলেছেন। ২০২২ সালে বাংলাদেশে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচে ডবল সেঞ্চুরি করে তিনি ভারতের সবচেয়ে কম বয়সী ব্যাটার হিসেবে ২০০ বা তার অধিক রান করার নজির গড়েন। যদিও বর্তমানে তিনি প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট থেকে দূরে আছেন, তাই বহু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে তাঁর এই আরবিআই অফিসে কাজ করা সাময়িক। খুব শীঘ্রই তিনি আবার ক্রিকেটে ফিরবেন। যদিও ঈশানকে কাজ করতে দেখে উচ্ছ্বসিত নেটিজেনরা।



৩ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ, সলমন ও বোন আলভিরাকে তলব করল চণ্ডীগড় আদালত! কী করেছেন ভাইজান?
Salman Khan as Lord Rama: ‘রাম’ সলমন, ‘সীতা’ সোনালি বেন্দ্রে! শুটিং হয়েও কেন মুক্তি পেল না বলিউডের আরেক 'রামায়ণ'?


তবে ঈশানের পদে বেতন কত?

তাঁর পদটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদের। এই পদের বেতন খাতায়-কলমে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকার কাছাকাছি হলেও অন্যান্য সুবিধা মিলিয়ে সেই সংখ্যা হয় ৯০ হাজার থেকে প্রায় ১ লক্ষ ১৩ হাজার টাকার কাছাকাছি। সব কেটে মাসে প্রায় ৭০-৭৫ হাজার টাকা রান এই ব্যাটার। এর পাশাপাশি বেশ কিছু সুবিধা রান ঈশান। যেমন –

অফিসারকে বাড়িভাড়া নিতে হবে না। ব্যাঙ্ক নিজে থেকেই ফ্ল্যাট বা বাড়ির ব্যবস্থা করে দেয়। এর পাশাপাশি দেওয়া হয় পরিবহন ভাতা। নিজস্ব গাড়ি থাকলে বা যাতায়াতের খরচের জন্য (সাধারণত ৪৫-৫৫ লিটার) পেট্রোলের টাকা দেওয়া হয় কোম্পানির তরফ থেকে। অফিসারদের নিজের চিকিৎসার ১০০ শতাংশ ও পরিবারের নির্ভরযোগ্য সদস্যের খরচের ৭৫ শতাংশ ব্যাঙ্ক বহন করে। এর পাশাপাশি খবরের কাগজ, বিনোদনের জন্য মোবাইল বা ওয়াইফাই বিলও দেয় কোম্পানি।

২০১৭ সালে এই কাজ পেয়েছিলেন ঈশান। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৮। সেই সময় সহকারী ম্যানেজার পদে যোগ দেন তিনি। ব্যস্ত থাকার ফলে নিয়মিত অফিস না গেলেও সময় পেলেই অফিসে গিয়ে কাজ করেন ঈশান কিষান। সম্প্রতি তাঁকে অফিস যেতে দেখে অনেকেই অবাক হয়ে যান। তাঁরা রীতিমতো ঈশানের সঙ্গে ছবি তুলতে শুরু করেন যা ভাইরাল হয়ে যায়।

মমতার দাবি, রাজনীতির শিকার হয়ে দুটি নামজাদা প্রকাশনা সংস্থা নাকি তাঁর লেখা বইয়ের রয়্যালটির টাকা আটকে দিয়েছে! যেখানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বইয়ের রয়্যালটি ও আঁকা ছবির আয় থেকেই তাঁর সংসার চলত, সেখানে এই বকেয়া রয়্যালটি বিতর্ক ফের এক মৌলিক প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে সাধারণ পাঠক ও সাহিত্য সমাজকে— আদতে কী এই 'রয়্যালটি'? এটি কীভাবে কাজ করে এবং লেখক ও প্রকাশকের আইনি বা নৈতিক সম্পর্কটাই বা ঠিক কী?


রয়্যালটির টাকায় নাকি সংসার চলে মমতার! কী এই রয়্যালটি? কত টাকা পাওয়া যায়?
আকাশ মিশ্র



সম্প্রতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বিস্ফোরক অভিযোগে বইপাড়া থেকে রাজনৈতিক অলিন্দ— সর্বত্র নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে ‘বইয়ের রয়্যালটি’ (Book Royalty)। মমতার দাবি, রাজনীতির শিকার হয়ে দুটি নামজাদা প্রকাশনা সংস্থা নাকি তাঁর লেখা বইয়ের রয়্যালটির টাকা আটকে দিয়েছে! যেখানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বইয়ের রয়্যালটি ও আঁকা ছবির আয় থেকেই তাঁর সংসার চলত, সেখানে এই বকেয়া রয়্যালটি বিতর্ক ফের এক মৌলিক প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে সাধারণ পাঠক ও সাহিত্য সমাজকে— আদতে কী এই ‘রয়্যালটি’? এটি কীভাবে কাজ করে এবং লেখক ও প্রকাশকের আইনি বা নৈতিক সম্পর্কটাই বা ঠিক কীরকম?


সহজ কথায়, কোনও লেখকের সৃষ্ট মেধা স্বত্ব (Intellectual Property) যখন কোনও প্রকাশক বাণিজ্যিকভাবে ছেপে বিক্রি করেন, তখন প্রতি কপি বিক্রির বিপরীতে যে নির্দিষ্ট শতাংশ টাকা লেখক লাভ করেন, সেটাই রয়্যালটি। কিন্তু এই ব্যবস্থা একদিনে গড়ে ওঠেনি। অতীতে এই খাতাটি ছিল অত্যন্ত অসংগঠিত। জানা যায়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বই চরম জনপ্রিয় হওয়া সত্ত্বেও মৃত্যুর সময় চিকিৎসাসঙ্কট ও চরম আর্থিক অনটনে কেটেছে, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ভুগেছেন অর্থকষ্টে! সে যুগে অনেক সময় লেখকদের থেকে এককালীন (Lump sum) কিছু টাকায় পাণ্ডুলিপি কিনে নেওয়া হতো।



আরবিআই-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার ঈশান কিষান, জানেন কত বেতন পান ভারতীয় তারকা ব্যাটার?
ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ১৪৪০-এর দশকে জোহানেস গুটেনবার্গের ছাপাখানা উদ্ভাবনের আগে ও ঠিক পরে লেখকদের আয়ের কোনও সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা ছিল না। লেখকরা মূলত রাজা, জমিদারি কিংবা বিত্তশালীদের অনুদানের ওপর নির্ভর করতেন। ছাপাখানা আসার পর প্রকাশকরা লেখকদের কাছ থেকে খুব সামান্য মূল্যে পাণ্ডুলিপিটি চিরতরে কিনে নিতেন । বই ছাপিয়ে প্রকাশক প্রচুর লাভ করলেও লেখক আর এক পয়সাও পেতেন না। ১৭১০ সালে ব্রিটেনে ‘স্ট্যাটিউট অব অ্যান’ (Statute of Anne) পাস হয়, যা বিশ্বের প্রথম মেধা স্বত্ব বা কপিরাইট আইন হিসেবে পরিচিত। এই আইনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয় যে— একটি লেখার আসল স্বত্ব বা মালিকানা লেখকের, কোনও ছাপাখানা বা প্রকাশকের নয়। এই আইনটিই পরবর্তীতে রয়্যালটি ব্যবস্থার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে।

বাংলায় সরকার বদলের পরেই মহমেডান ক্লাব ম্যানেজমেন্টের পরিবর্তন হয়। তখনই ক্লাবের সভাপতি হন হুমায়ুন। এমনকি, ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী ক্লাব নিয়ে আগ্রহী হলেও হুমায়ূনের উপরেই আস্থা রেখেছিল ক্লাব। কিন্তু সেই আস্থার দাম দিতে না পারার ফলে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল হুমায়ুন।


কলকাতা: বিগত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত ছিল মহমেডান ক্লাবের পরিস্থিতি। দেড় কোটি টাকার চেক বাউন্স করার ফলে ক্লাবের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের রোষানলে পড়েছিলেন ক্লাব সভাপতি হুমায়ুন কবীর। দিন দুয়েক আগেই তাঁকে ক্লাবের পক্ষ থেকে ডেডলাইন দেওয়া হয়েছিল, যে তিনি যেন টাকার কিছু অংশ দিয়ে দেন। তবে এরপরই আজ, বৃহস্পতিবার বড় পদক্ষেপ নিল মহমেডান ক্লাব কর্তৃপক্ষ। আশঙ্কা ছিলই, এবার সেই খবরে শিলমোহরে পড়ল। হুমায়ুন কবীরকে সভাপতি পদ থেকে বরখাস্ত করল মহমেডান।

সভাপতি পদে বসার পর হুমায়ুন কবীর বলেছিলেন, ক্লাবের উন্নতি ও ট্রান্সফার ব্যান নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। তাই ক্লাবের জন্য অন্তত ২৫ কোটি টাকা দিতে রাজি হয়েছেন তিনি। কিন্তু কথাই সার। বহুদিন কেটে গেলেও কোনও টাকা দেননি হুমায়ুন। দিনকয়েক আগে ৫০ লক্ষ টাকার ৩টি চেক ক্লাবে পাঠান নওদাঁর বিধায়ক কিন্তু ৫০ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩টি চেক (মোট দেড় কোটি টাকা) বাউন্স করে। এরপরেই কড়া পদক্ষেপ নেয় ক্লাব। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম আক্রম টিভি৯ বাংলাকে জানিয়েছেন, “মিডিয়ার মাধ্যমে হুমায়ুন কবীর বলেন, আমাদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বার করে দেবেন।  বারবার এই ধরণের মন্তব্য করতে থাকেন। বাবর, বাবরি, হুমায়ুন এরা কেউ হরিদাস পাল নয়। বাবর, বাবরি মহমেডান ক্লাবের সঙ্গে ম্যাটার করে না। একটাই নাম ম্যাটার করে, মহম্মদ। আমরা মহমেডান লাভার্সরা এটা মেনে নিতে পারব না।”


বৃহস্পতিবার জরুরি বৈঠক করা হয় ও সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কার্যকরী কমিটি বৈঠক করে গজল জাফরকে নতুন প্রেডিডেন্ট হিসেবে নিযুক্ত করে। এরপরেই হুমায়ুন কবিরকে বরখাস্ত করা হয়। ৬ জুন মহমেডান স্পোর্টিংয়ের সভাপতি পদে দায়িত্ব নেন হুমায়ুন কবির। ২ মাসের মধ্যেই সভাপতি পদ থেকে বরখাস্ত হুমায়ুন। ওয়াসিম এও জানান, “আমাদের সঙ্গে হুমায়ুন কবীরের কোনও যোগাযোগ হচ্ছে না। আমাকে কোনও মেসেজ করেননি, ফোন করেননি। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলছেন কিন্তু আমাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই।”

বাংলায় সরকার বদলের পরেই মহমেডান ক্লাব ম্যানেজমেন্টের পরিবর্তন হয়। তখনই ক্লাবের সভাপতি হন হুমায়ুন। এমনকি, ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী ক্লাব নিয়ে আগ্রহী হলেও হুমায়ূনের উপরেই আস্থা রেখেছিল ক্লাব। কিন্তু সেই আস্থার দাম দিতে না পারার ফলে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল হুমায়ুনকে। এরপর ক্লাবের ভবিষ্যৎ কী হবে, ক্লাবের উন্নতিস্বার্থে কী কী পদক্ষেপ নেবেন ওয়াসিম আক্রমরা, সেই দিকেই নজর থাকবে বঙ্গ ক্রীড়ামহলের


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এনডিএ-র বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন এনসিপিআই-র তিন মুসলিম সাংসদ। তারা সাফ জানিয়েছিলেন, এনসিপিআই-তে থাকলেও, এনডিএ-র শরিক হবেন না। সেই আবহের মাঝেই আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ।


জল্পনার মাঝেই হঠাৎ শাহের দুয়ারে হাজির আবু তাহের-খলিলুর-ইউসুফ!
অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করছেন আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠান।

 তৃণমূল থেকে এনসিপিআই(NCPI)-তে যাওয়া তিন মুসলিম সাংসদকে নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। দিল্লিতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছিল, এনসিপিআই-তে থাকলেও, বিজেপি (BJP)-র সঙ্গে মিশে যাওয়া নিয়ে আপত্তি রয়েছে তাদের। কোন দলে থাকবেন তারা, এই জল্পনার মাঝেই বড় খবর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে দেখা করবেন এনসিপিআই-র তিন মুসলিম সাংসদ আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠান।


এনডিএ-র বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন এনসিপিআই-র তিন মুসলিম সাংসদ। তারা সাফ জানিয়েছিলেন, এনসিপিআই-তে থাকলেও, এনডিএ-র শরিক হবেন না। সেই আবহের মাঝেই আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ।


যদিও এনসিপিআই তিন সাংসদের দাবি, নিজেদের কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি-দাওয়া ও উন্নয়ন নিয়েই কথা বলবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে। নির্বাচিত সাংসদ হিসাবে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ অত্যন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।


তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ কারণ তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা এই তিন মুসলিম সাংসদ সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন যে এনসিপিআই-তে আছেন তারা, এনডিএ-তে নেই। বিজেপির পাশে বসা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারা। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বাংলার পর্যবেক্ষক তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব ও সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। এরপর সুদীপ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ও দাবি করেন যে ১৬ পাতার নথি জমা দিয়েছেন, যেখানে এনসিপিআই-র ২০ সাংসদের এলাকার দাবি-দাওয়ার উল্লেখ আছে।

আজকের বৈঠকে অমিত শাহ তাদের কোনও আশ্বাস দেন কি না, অথবা বিজেপির সঙ্গে কেন দূরত্ব রাখছেন, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কি না, তার দিকে নজর থাকবে। কারণ এই তিন সাংসদের মন্তব্য ও অবস্থান বিজেপিকে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলেছে।

সূত্রের খবর, গত ৪ মে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কোনও অভিযোগ উঠলে, রাজ্য বিজেপি নিয়মিত শোকজ করছে নেতাদের। কড়া পদক্ষেপ করছেন। তোলাবাজির অভিযোগে ২২ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে ২৫০ জনকে।

বিজেপিতে তোলাবাজির অভিযোগে সাসপেন্ড ২২ নেতা! শোকজ করা হল ২৫০ জনকে
ফাইল চিত্র।


তৃণমূলের রোগ ছড়িয়ে গিয়েছে বিজেপি(BJP)-তেও? তোলাবাজির অভিযোগ বিজেপির নেতাদের বিরুদ্ধেও। কিন্তু বিজেপি দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সেই নীতি অনুসরণ করেই এবার তোলাবাজির অভিযোগে বিজেপি থেকে সাসপেন্ড করা হল ২২ জন নেতাকে। অন্তত ২৫০ জনকে শোকজ করেছে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। 


কতজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বা শোকজ করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও সঠিক সংখ্যাটি এখনই প্রকাশ করা হবে না বলে জানিয়েছেন। তবে সূত্রের খবর, গত ৪ মে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কোনও অভিযোগ উঠলে, রাজ্য বিজেপি নিয়মিত শোকজ করছে নেতাদের। কড়া পদক্ষেপ করছেন। তোলাবাজির অভিযোগে ২২ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে ২৫০ জনকে।


 প্রতি মাসে কোন তারিখে অন্নপূর্ণার টাকা ঢুকবে, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
তোলাবাজির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে বিজেপি। তবে এখনও বেশ কিছু জায়গা থেকে তোলাবাজির অভিযোগ আসছে এবং তা রাজ্য নেতৃত্বের মাথাব্যথার কারণও হয়ে উঠছে। যদিও তাদের বক্তব্য, বিগত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস যে সংস্কৃতি তৈরি করেছে এই রাজ্যে, তারই বহমানতার শিকার এই রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের একাংশ। তবে বর্তমান রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই তোলাবাজি রুখতে অতি সতর্ক। বারংবার তারা নেতা-দলীয় কর্মীদের সতর্ক করছেন।


সূত্রের খবর, শুধু দলের নীচু স্তরের কর্মীদের মধ্যেই এই অবক্ষয় দেখা যাচ্ছে, তা নয়। বিধায়কদের নিয়েও মাথাব্যথা তৈরি হচ্ছে। এই নিয়ে দিলীপ ঘোষও বলেছেন যে আমাদের কিছু বিধায়ক ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন! আবার শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন যে তোলাবাজি বন্ধ করবেন। তিনি বলেছেন, “বিচ্যুতি আছে, তবে বিজেপির তৃণমূলীকরণ হতে দেবেন না।”

তবে এই সাসপেনশন বা শোকজ কতটা কার্যকরী হচ্ছে, তা বুঝতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।

আগাম জামিন চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন সুমিত রায়, কিন্তু সেই আর্জি খারিজ হয়ে যায়। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। তবে অন্য একটি মামলায় সুমিতকে আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।


সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি সুমিত রায়ের, উঠল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গ

 জমি কেলেঙ্কারির মামলায় নাম সামনে আসার পর থেকেই বেপাত্তা সুমিত রায়। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আপ্তসহায়ক সুমিতকে এবার স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট। যে সুমিতের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ, তাঁর গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ দিল শীর্ষ আদালত। শালবনীর জমি কেলেঙ্কারির মামলায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে।


জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দিতে হবে সুমিতকে
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দিতে হবে। তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। সঙ্গে একজন আইনজীবীকে নিয়ে যেতে পারবেন তিনি। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সুমিতকে তদন্তের জন্য ডাকা যাবে, তবে গ্রেফতার করা যাবে না।


 'ও না থাকলে গজনি হিট হতো না!' প্রদীপের বিদায়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য আমিরের, স্মৃতিতে ডুব দিলেন সলমন
সুমিত রায়ের পক্ষে আইনজীবী গোপাল শঙ্করানারায়নণ সওয়াল করেন, বাংলায় নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই সুমিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এই অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।


উঠল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গ
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি দাবি করেন, অনেক বছর আগে অভিযোগ উঠলেও রাজ্যের পূর্বতন সরকার সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। সুমিতের গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, “আমরা যখন গ্রেফতার করতে গিয়েছিলাম, তখন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করেন। যখনই কোনও তদন্তকারী সংস্থা যায়, তখনই উনি হস্তক্ষেপ করেন। আমি এটা রেকর্ড রাখতে চাই। রাজ্যের হোক বা কেন্দ্রের, যে কোন ল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির তদন্তে আগেও হস্তক্ষেপ করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। শীর্ষ আদালতের বিষয়টি দেখা প্রয়োজন।” আইনজীবী শঙ্করনারায়নণ এই বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক’ বলে দাবি করেন।

 প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে এনসিপিআই সাংসদরা যোগ দেবেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে বলেন, "অনেক সাংসদই ফিরে গিয়েছেন। আগামিকাল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক আছে আবু তাহের সহ কয়েকজনের। এত স্বল্প সময়ে সকলের আসা সম্ভব হবে না বলেই মনে হচ্ছে।"



নয়া দিল্লি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে সাক্ষাৎ -র পাঁচ সাংসদের। এবার প্রধানমন্ত্রীরও মুখোমুখি হবেন তারা। আগামীকাল, শুক্রবার এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)।

জানা গিয়েছে, মূলত শিবসেনা, এনসিপি-সহ নতুন যারা এনডিএ শরিক হয়েছেন, সেই সকল সাংসদদের বৈঠকে ডাকা হয়েছে। তবে আবু তাহের এবং খলিলুর রহমান বৈঠকে থাকবেন কিনা,  তা এখনও নিশ্চিত নয়। কারণ আগামীকাল কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে আবু তাহের এবং খলিলুর রহমানের। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ডাকা বৈঠকে যাবেন ইউসুফ পাঠান।


তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আজ বলেন, “আমরা এনসিপিআই-তে রয়েছি। এনসিপিআই-তে আমরা সবাই একজোট রয়েছি। দেশের স্বার্থে, দেশের জন্য যা ভালো হবে, আমরা তাই করব। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ এসেছে। ফোনও এসেছিল। অবশ্যই যাবো। দেশের প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ করলে অবশ্যই যাওয়া উচিত।”

অন্যদিকে, আজ অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এনসিপিআই-র তিন মুসলিম সাংসদ আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠান। তাদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আরেক সাংসদ শতাব্দী রায়ও। বৈঠকে কী কথা হল, সেই প্রসঙ্গে বীরভূমের সাংসদ বলেন, “ওঁরা (তিন সাংসদ) মূলত নিজেদের এলাকার সমস্য়া নিয়ে কথা বলেছেন। আমিও আমার এলাকা, পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক কিছু সমস্যা ও উন্নয়ন নিয়েই কথা বলেছি।”

প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে এনসিপিআই সাংসদরা যোগ দেবেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “অনেক সাংসদই ফিরে গিয়েছেন। আগামিকাল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক আছে আবু তাহের সহ কয়েকজনের। এত স্বল্প সময়ে সকলের আসা সম্ভব হবে না বলেই মনে হচ্ছে।”

প্রসঙ্গত, এনসিপিআই সাংসদদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জল্পনা শোনা যাচ্ছে, ২০ জন এনসিপিআই সাংসদকে বিজেপির অংশ করে নেওয়া হতে পারে। যদিও এই প্রস্তাবে বেঁকে বসেছেন তিন মুসলিম সাংসদ। শেষ পর্যন্ত তাদের কী হয়, তা-ই এখন দেখার।


এই মুহূর্তে আঞ্চলিক দলগুলোর হাতে যে সাংসদ সংখ্যা আছে, তা নেহাত কম নয়। অন্যদিকে, দীর্ঘ ১২ বছর ক্ষমতায় থাকার পর একটা প্রকিষ্ঠান-বিরোধিতা তৈরি হচ্ছে। এই আবহে কোনও শরিক বা সমর্থক দলের উপর ভরসা নয়, সরাসরি বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি করাই লক্ষ্য। জমি ধরে রাখতে তাই কোনও ছুঁতমার্গ রাখতে চায় না বিজেপি।


হাট করে খোলা হচ্ছে দরজা! 'বৃহত্তর স্বার্থে' এবার আরও বড় স্ট্র্যাটেজি বিজেপির
বিজেপির নয়া কৌশল


দরজা খোলা হয়েছে আগেই। দলের অন্দরে কর্মীদের বিক্ষোভের আঁচ দেখা দিলেও, তিন সাংসদকে দলে গ্রহণ করে বিজেপি (BJP)। একদিকে এনসিপিআই-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন জল্পনা তুঙ্গে, সংখ্যালঘু সাংসদরা বিজেপিতে যাবেন কীভাবে, তা নিয়ে যখন তুমুল আলোচনা চলছে, তখন সামনে আসছে বিজেপির আরও বড় কৌশল। আগামিদিনে দরজা হাট করে খোলা হবে? তৃণমূলকে (Trinamool Congress) দুর্বল করতে সব ছুঁতমার্গ ছুড়ে ফেলে দেবে গেরুয়া শিবির? এমন জল্পনাই তৈরি হয়েছে।


কী বিজেপির ‘প্ল্যান বি’?
সুস্মিতা দেব, সুখেন্দু শেখর, প্রকাশ চিক বরাইককে দলে নেওয়ার পর রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘এটা ব্যতিক্রমী ঘটনা। কোনও বিচ্যুতি নয়।’ দলে কাউকে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিজেপির নীতি যে আগের মতোই আছে, তা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। নির্বাচনের পর যে ‘ভাল তৃণমূলে’র তত্ত্ব তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, সেটাই মনে করিয়ে দিয়েছিলেন শমীক। তবে সূত্রের খবর, এবার তৃণমূলের সব স্তর থেকেই বিজেপিতে যোগদানের বহর বাড়বে। জানা যাচ্ছে, এটাই বিজেপির ‘প্ল্যান বি’।


‘রাম’ সলমন, ‘সীতা’ সোনালি বেন্দ্রে! শুটিং হয়েও কেন মুক্তি পেল না বলিউডের আরেক 'রামায়ণ'?
আরও জানা যাচ্ছে যে বিজেপির এই ‘অপারেশনে’ লঞ্চপ্যাড হতে চলেছে ঋতব্রত-তৃণমূল ও এনসিপিআই। সরাসরি বিজেপিতে নেওয়ার ক্ষেত্রে যে আপত্তি দলের অন্দরে তৈরি হয়েছিল, তা একরকম পাশ কাটিয়েই আঞ্চলিক দল তৃণমূলকে আরও দুর্বল করতে চায় বিজেপি।

L ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, 'গুন্ডা আইন' সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলাগুলি (PIL) আপাতত প্রত্যাহার করা হচ্ছে। কারণ মামলাগুলি সময়ের আগে দায়ের করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিলে এখনও রাষ্ট্রপতির সম্মতি মেলেনি।


রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নেই, তাই আগাম শুনানি সম্ভব নয়', গুণ্ডাদমন বিল নিয়ে মামলা আপাতত খারিজ হাইকোর্টে
কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী

গুণ্ডাদমন বিলকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়নি এই বিল। তাই এই নিরিখে মামলা খারিজ করে দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Sarathi Chatterjee) ডিভিশন বেঞ্চ। উল্লেখ্য, গুণ্ডাদমন বিলের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কালকাতা হাইকোর্ট। সেই মামলা আপাতত শুনল না কলকাতা হাইকোর্ট।


কী জানিয়েছে আদালত?
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ‘গুন্ডা আইন’ সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলাগুলি (PIL) আপাতত প্রত্যাহার করা হচ্ছে। কারণ মামলাগুলি সময়ের আগে দায়ের করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিলে এখনও রাষ্ট্রপতির সম্মতি মেলেনি। তবে বিলটি আইন হিসেবে কার্যকর হওয়ার পর নতুন করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে পারবেন আবেদনকারী। তাই আপাতত মামলা খারিজ করে দেওয়া হচ্ছে।



গুণ্ডাদমন বিল
সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয় এই গুণ্ডাদমন বিল। এই বিল অনুসারে, পুলিশ সুপার বা তাঁর ঊর্ধ্বতন কোনও পুলিশ আধিকারিকের রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার যদি মনে করে যে কোনও ‘গুন্ডা’-কে আটকের নির্দেশ দিতে পারবে। এক বছর পর্যন্ত এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিলে। আগেই এই বিল নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। আশঙ্কা ছিল, এই আইনের অপব্যবহার হতে পারে। প্রশ্ন ওঠে বিরোধীদের প্রতিবাদ রুখতেই কি এই আইন আনল সরকার? যদিও, রাজ্যের বিজেপি সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যকে গুন্ডামুক্ত করার লক্ষ্যেই এই আইন। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছিলেন, রাজ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য়ই এই আইন আনা হয়েছে।


সব জায়গায় ওয়ার্ড বাড়ছে না। চৌরঙ্গী, জোড়াসাঁকো এবং শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রে বর্তমানে ১১টি করে ওয়ার্ড থাকলেও, প্রাথমিক খসড়ায় তা কমিয়ে ৮টি করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কিন্তু ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস শেষ না করে পুরসভা নির্বাচনে কি যাবে প্রশাসন? এই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। যদিও রাজ্যের পুর মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন ভোট নির্দিষ্ট সময়েই হবে।


যাদবপুরে ১৫, মানিকতলায় ১১, কলকাতা ভেঙে ২০৯ ওয়ার্ড তৈরির প্রস্তাব, কোথায় কত বাড়ছে!


কলকাতা পুরনিগমের আসন পুনর্বিন্যাসের কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ডিসেম্বরে ভোটের আগেই সেই ডিলিমিটেশন হওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে সূত্রের খবর, কোনও তাড়াহুড়ো করে নয়, শহরকে ছোট ছোট ওয়ার্ডে ভাঙার কাজ সময় নিয়ে, নিয়ম মেনেই করা হবে।


জানা যাচ্ছে, কলকাতার ওয়ার্ড বিন্যাস নিয়ে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা পড়েছে। ১৪৪ থেকে ৬৫টি ওয়ার্ড বাড়িয়ে ২০৯ টি ওয়ার্ড তৈরি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য। খসড়া প্রকাশের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে, এখনই কোনও তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না রাজ্যের পৌর ও নগরোন্নয়ন দফতর। নির্দিষ্ট আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মেনেই এগোতে চাইছে কলকাতা পুরসভা। ইতিমধ্যেই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা পড়েছে রাজ্যের পৌর ও নগরোন্নয়ন দফতরে। যেখানে বলা হয়েছে কলকাতায় মোট ২০৯ টি ওয়ার্ড হতে চলেছে।

রয়্যালটির টাকায় নাকি সংসার চলে মমতার! কী এই রয়্যালটি? কত টাকা পাওয়া যায়?
কোথায় নতুন কত ওয়ার্ড তৈরির প্রস্তাব
কসবা বিধানসভা ৬টি ওয়ার্ড থেকে বেড়ে ১৭টি করার প্রস্তাব।


যাদবপুরে ১০ থেকে ওয়ার্ড বেড়ে ১৬টি করার প্রস্তাব।

টালিগঞ্জে ওয়ার্ড সংখ্যা ৯ থেকে বেড়ে ১৪টি করার প্রস্তাব।

বেহালা পূর্বে ১১ থেকে ১৬টি করার প্রস্তাব।

বেহালা পশ্চিমে ১০ থেকে ১৭টি ওয়ার্ড করার প্রস্তাব।

মেটিয়াবুরুজে ৬ থেকে ৮টি ওয়ার্ড করার প্রস্তাব।

কলকাতা পোর্টে ৬ থেকে ১১টি করার প্রস্তাব।

বালিগঞ্জে ৭ থেকে ১২টি ওয়ার্ড করার প্রস্তাব।

এন্টালিতে ৫ থেকে বাড়িয়ে ১১টি করার প্রস্তাব।

বেলেঘাটায় ৬ থেকে ১২টি করার প্রস্তাব।

মানিকতলায় ৬ থেকে ১১টি ওয়ার্ড করার প্রস্তাব।

কাশীপুর-বেলগাছিয়ায় ৬ থেকে ১১টি ওয়ার্ড করার প্রস্তাব।

তবে সব জায়গায় ওয়ার্ড বাড়ছে না। চৌরঙ্গী, জোড়াসাঁকো এবং শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রে বর্তমানে ১১টি করে ওয়ার্ড থাকলেও, প্রাথমিক খসড়ায় তা কমিয়ে ৮টি করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কিন্তু ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস শেষ না করে পুরসভা নির্বাচনে কি যাবে প্রশাসন? এই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। যদিও রাজ্যের পুর মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন ভোট নির্দিষ্ট সময়েই হবে।

প্রাথমিক রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি ওয়ার্ডে গড়ে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার ভোটার রাখার লক্ষ্যেই এই পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে, যাতে ভোটার সংখ্যার ভারসাম্য বজায় থাকে।

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, “কলকাতার কোনও ওয়ার্ডে ৮০ হাজার ভোট আছে, আবার কোনও ওয়ার্ডে ১১ হাজার ভোটার আছে। সমানভাবে ভাগ নেই। সরকার যদি এটা সঠিকভাবে করে তাহলে ভালো হয়।” অন্যদিকে, পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের ব্যাখ্যা, এমন এক একটা ওয়ার্ড আছে, যা আকারে অনেক বড়, কোনওটা খুব ছোট। অথচ কাউন্সিলর একই টাকা পায়। সে ক্ষেত্রে উন্নয়ন সঠিকভাবে হচ্ছে না বলে মনে করছেন তিনি।

 অন্নপূর্ণা যোজনায় কত আবেদন হয়েছে, কত ভেরিফিকেশন হয়েছে, সেই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "জুন মাস থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত অফলাইন, অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছে। অফলাইনে যাঁদের আবেদন নেওয়া হয়েছে, তাঁদের ফর্ম পোর্টালে আপলোড করার কাজ চলছে। ভেরিফিকেশন করা হয়েছে। নবান্ন থেকে ২৮ লক্ষ মানুষকে টাকা দিয়েছিলাম, নেতাজি ইন্ডোর থেকে ১ কোটি ১৯ লক্ষ মানুষকে দিয়েছিলাম।"


 প্রতি মাসে কোন তারিখে অন্নপূর্ণার টাকা ঢুকবে, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
শুভেন্দু অধিকারী


অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) অগস্টের কিস্তি এখনও অনেকের অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি। কবে ঢুকবে টাকা তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে। এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন দিনক্ষণ। প্রতি মাসে কোন তারিখে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা (Annapurna Yojana Payment) উপভোক্তাদের অ্যাকউন্টে ঢুকবে, ভেরিফিকেশনের স্ট্যাটাস কী, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিলেন শুভেন্দু (CM Suvendu Adhikari)।


লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বিস্তারিত তথ্য মুখ্যমন্ত্রীর
আজ নবান্ন থেকে হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচির সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, ৯ থেকে ১৭ অগস্ট এই কর্মসূচি পালন করা হবে। পরে ওই বৈঠকেই অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে পূর্বতন সরকার কী কী দুর্নীতি করেছিল, কবে কবে টাকা বন্ধ করে দিয়েছিল, সেই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তুলে ধরেন শুভেন্দু। বলেন, “২০২১ সালে সেপ্টেম্বর মাসে এক কোটি ৫২ লক্ষ ৫৮৮ জনকে ৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল। তারপর থেকে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। এপ্রিল ২০২২ সাল এপ্রিল মাস। ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাস মিলিয়ে ২১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩১ দেওয়া হয়। তারপর দুই মাস টাকা দেওয়া বন্ধ। ২০২২ সালে জুলাই মাসে দিল ৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ৮৮৩। সব হিসেব আছে। আমরা এসব কাজ করি না।”


রয়্যালটির টাকায় নাকি সংসার চলে মমতার! কী এই রয়্যালটি? কত টাকা পাওয়া যায়?
অন্নপূর্ণা যোজনার দিনক্ষণ নিয়ে কী জানালেন?
অন্নপূর্ণা যোজনায় কত আবেদন হয়েছে, কত ভেরিফিকেশন হয়েছে, সেই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জুন মাস থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত অফলাইন, অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছে। অফলাইনে যাঁদের আবেদন নেওয়া হয়েছে, তাঁদের ফর্ম পোর্টালে আপলোড করার কাজ চলছে। ভেরিফিকেশন করা হয়েছে। নবান্ন থেকে ২৮ লক্ষ মানুষকে টাকা দিয়েছিলাম, নেতাজি ইন্ডোর থেকে ১ কোটি ১৯ লক্ষ মানুষকে দিয়েছিলাম। তারপরও আমরা আবেদন নিয়েছি ৩১ জুলাই পর্যন্ত। মোট আবেদন করেছেন ২ কোটি ১৬ লক্ষ। এই আবেদনকারীদের ভেরিফিকেশনের কাজ চলছে। ভেরিফিকেশন প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসছে। ১০ অগস্ট সাংবাদিক বৈঠক করে জানাব।


কবে অগস্টের টাকা ঢুকবে, তাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন,”১৭ অগস্ট থেকে ৩ হাজার করে পাঠাব। কারা কারা বিবেচিত হবেন, বলে দেওয়া হবে। পরের মাস থেকে বিজেপি সরকার যতদিন থাকবে, প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে টাকা দেওয়া হবে। এটা নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নয়।” একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অন্নপূর্ণা নিয়ে ভুল তথ্য দিলেই কড়া পদক্ষেপ করা হবে। তাঁর হুঁশিয়ারি, ” সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁরা মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন, চিহ্নিত করে রাখছি, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


​রাজ্য সরকারের গ্রামীণ আবাসন প্রকল্প ‘বাংলার বাড়ি’-র নাম পরিবর্তন করে রাখা হলো ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’। সরকার পরিবর্তনের পর বৃহস্পতিবার থেকে এই নতুন নামেই দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।


মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নবান্ন থেকে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। ​এই প্রকল্পের অঙ্গ হিসেবে বৃহস্পতিবার সাগর ব্লকেও ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে ১০ জন উপভোক্তার হাতে দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার টাকার শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়।


 অনুষ্ঠানে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, এই টাকা যেন কোনোভাবেই আজেবাজে খাতে খরচ না করা হয়। ঘরের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য উপভোক্তাদের কড়া পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের কড়া নজরদারি রয়েছে যাতে প্রকল্পের প্রতিটি টাকা সদ্ব্যবহার করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাকা বাড়ি নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করা যায়।