WEATHER

Top News

জলপাইগুড়ি জেলায় প্রায় কম-বেশি প্রতিটি বিধানসভাতেই এমন বহু ভোটার ছিলেন, যাদের নাম অ্যাডজুডিকেশনে ছিল। তারা অনেকেই ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছিলেন। ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কোন কেন্দ্রে কত জনের নাম উঠল? 


 জলপাইগুড়িতে এবার কতজনের ভোট দেওয়া হল না?
ভোট দেওয়ার লাইন বুথে বুথে।


আজ প্রথম দফার ভোট গ্রহণ (West Bengal Assembly Election 2026)। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভোট। ইতিমধ্যেই ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে গিয়েছে। সকাল থেকেই বুথে লম্বা লাইন। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআরের (SIR) পর যেহেতু প্রথম নির্বাচন, তাই সকলেই আগ্রহী নিজেদের মতদান করতে। তবে এদের মধ্যে কিছু ভোটারের ভাগ্য নির্ধারণ হল না। প্রমাণ হল না তারা বৈধ ভোটার কি না, ফলে ভোটাধিকারও মিলল না।


জলপাইগুড়ি জেলায় প্রায় কম-বেশি প্রতিটি বিধানসভাতেই এমন বহু ভোটার ছিলেন, যাদের নাম অ্যাডজুডিকেশনে ছিল। তারা অনেকেই ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছিলেন। ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কোন কেন্দ্রে কত জনের নাম উঠল?


 'এতখানি কড়াকড়ি দেখিনি', মুখ খুললেন এক ভোট কর্মী
ধুপগুড়ি-
মোট অ্য়াডজুডিকেশনের অধীনে ছিলেন ১৭ হাজার ৪৭৯ জন।
এদের মধ্য়ে নাম সংযোজন হয়েছে ১৫ হাজার ৪২৯ জনের।
নাম বাদ পড়েছে ১৯০০ জনের।
তবে ভাগ্য ঝুলে থাকল ১৫০ জনের।
ময়নাগুড়ি-
ময়নাগুড়িতে অ্যাডজুডিকেশনে নাম ছিল ১০ হাজার ৪৭৩ জনের।
এর মধ্যে ভোটাধিকার পেয়েছেন ২ হাজার ২৯৬ জন।
নাম বাদ পড়েছে ৬ হাজার ১৭৩ জনের।
মোট নিষ্পত্তি হয়েছে ৮ হাজার ৪৬৯ জনের।
তবে এখনও ট্রাইব্যুনালে ভাগ্য ঝুলে থাকল ২ হাজার ৪ জনের।
জলপাইগুড়ি-
জলপাইগুড়িতে অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় নাম ছিল ১০ হাজার ৯৩৫ জনের।
এর মধ্যে নাম সংযোজন হয়েছে ৮ হাজার ৩৮৩ জনের।
নাম বাদ পড়েছে ১ হাজার ৮১৩ জনের।
মোট নিষ্পত্তি হয়েছে ১০ হাজার ১৯৬ জনের।
ভাগ্য ঝুলে রইল ৭৩৯ জনের।
রায়গঞ্জ-
রায়গঞ্জে অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় নাম ছিল ২০ হাজার ১৯২ জনের।
এর মধ্যে নাম সংযোজন হয়েছে ১০ হাজার ১১৩ জনের।
নাম বাদ পড়েছে ৫ হাজার ৩৬০ জনের।
মোট ১৫ হাজার ৪৭৩ জনের নিষ্পত্তি হয়েছে।
এখনও ভাগ্য নির্ধারণ হয়নি ৪ হাজার ৭১৯ জনের।
ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি-
এখানে অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় নাম ছিল ১৫ হাজার ৯০৫ জনের।
নাম সংযোজন হয়েছে ৮ হাজার ৯৩৪ জনের।
নাম বাদ গিয়েছে ৬ হাজার ৯৩৩ জনের।
এখনও নাম নিষ্পত্তি হয়নি ৩৮ জনের।
মাল-
এই কেন্দ্রে মোট ২০ হাজার ৯৯৯ জনের নাম অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় ছিল।
ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তে নাম সংযোজন হয়েছে ৫ হাজার ৫৭৫ জনের।
নাম বাদ পড়েছে ৩ হাজার ৬৩১ জনের।
মোট ৯ হাজার ২০৬ জনের নাম নিষ্পত্তি হয়েছে।
এখনও ১১ হাজার ৭৯৩ জনের ভাগ্য নির্ধারণ হয়নি।
নাগরাকাটা-
এখানে মোট ১২ হাজার ২০৯ জনের নাম অ্যাডজুডিকেশনে ছিল।
নাম সংযোজন হয়েছে ৮ হাজার ৪৪ জনের।
নাম বাদ পড়েছে ২০৭১ জনের।
মোট নিষ্পত্তি হয়েছে ১০ হাজার ১১৫ জনের।
এখনও ২ হাজার ৯৪ জনের নাম নিষ্পত্তি হয়নি।
জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রে মোট ১ লক্ষ ৮ হাজার ১৯২ জনের নাম অ্যাডজুডিকেশনে ছিল। ৫৮ হাজার ৭৭৪ জনের নাম যোগ হয়েছে, নাম বাদ পড়েছে ২৭ হাজার ৮৮১ জনের। তবে নাম নিষ্পত্তি না হওয়ায় ভোট দিতে পারছেন না ২১ হাজার ৫৩৭ জন।




রাতের অন্ধকারে এলাকার মানুষকে আতঙ্কিত করার জন্য বোমবাজি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল সাংসদ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে নওদা থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছে তীব্র প্রতিবাদ করেছেন তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খান। ঘটনার কিছুটা দূরেই ছিলেন নওদা বিধানসভা তৃণমূলের প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খান।


হুমায়ুনের দলের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে কী ঘটল, রিপোর্ট চাইল কমিশন
উত্তপ্ত নওদা

ভোটের ঠিক আগের রাতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের নওদা। এই কেন্দ্র থেকেই এবার নিজের দলের টিকিটে লড়ছেন হুমায়ুন কবীর। সেখানেই রাতের অন্ধকারে উঠল বোমাবাজির অভিযোগ। নওদা বিধানসভার শিবনগর এলাকায় রাস্তার উপর বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, আমজনতা উন্নয়ন পার্টিই জড়িত। ইতিমধ্যেই নওদার ঘটনায় ‘অ্যাকশন টেকেন’ চেয়েছে কমিশন।


হুমায়ুন কবীরের দলের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খান। বোমাবাজির ঘটনায় এক মহিলা আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থল থেকে ৫০ মিটারের মধ্যেই শিবনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে। সেই ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীও রয়েছে।

রাতের অন্ধকারে এলাকার মানুষকে আতঙ্কিত করার জন্য বোমবাজি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল সাংসদ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে নওদা থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছে তীব্র প্রতিবাদ করেছেন তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খান। ঘটনার কিছুটা দূরেই ছিলেন নওদা বিধানসভা তৃণমূলের প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খান।


রাতে ওই শিবনগর এলাকায় হুমায়ুন কবীরের লোকজন দুজন তৃণমূল কর্মীকে ব্যাপক মারধর করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই এলাকাতেই এবার বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে।

রাতে আসানসোলে লোডশেডিং হয়েছিল। এরপর সকালে অগ্নিমিত্রা অভিযোগ করেন, ভোট চলাকালীন লোডশেডিং হয়ে ওয়েবকাস্টিং বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। তৃণমূল এই কারসাজি করতে পারে বলে তাঁর অভিযোগ।


 'প্লাগে কাগজ গুঁজছে', এখনই লোডশেডিং! ভয়ঙ্কর অভিযোগ অগ্নিমিত্রার
ভোট দিতে গেলেন অগ্নিমিত্রা

২০২১-এ ভোট গণনার দিন লোডশেডিং করানোর অভিযোগ উঠেছিল নন্দীগ্রামে। আর এবার সকাল থেকেই সেই লোডশেডিং-এর অভিযোগ তুললেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল। তাঁর আশঙ্কা, লোডশেডিং হয়ে ওয়েবকাস্টিং বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর দাবি, পুরনো পদ্ধতিতে রিগিং করার চেষ্টা করতে পারে তৃণমূল।


বৃহস্পতিবার সকালেই ভোট দিতে যান আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল। আসানসোল উত্তর বিধানসভার এলআইসি অফিসের ২৪৩ নম্বর বুথে ভোট দেন তিনি। সকাল ৮টা নাগাদ তিনি ভোট দেন তিনি।


তৃণমূলের ৮০০ নেতা-কর্মীর লিস্টে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের, তবে...
রাতে আসানসোলে লোডশেডিং হয়েছিল। এরপর সকালে অগ্নিমিত্রা অভিযোগ করেন, ভোট চলাকালীন লোডশেডিং হয়ে ওয়েবকাস্টিং বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। তৃণমূল এই কারসাজি করতে পারে বলে তাঁর অভিযোগ।


অগ্নিমিত্রা বলেন, “আমার কাছে খবর আসছে। লোডশেডিং করানো হবে। প্লাগ পয়েন্টে কাগজ ঢুকিয়ে দিয়েছে। কিছুক্ষণ পর লোডশেডিং হয়ে যাবে, ক্যামেরা অফ হয়ে যাবে। পরে আবার ক্যামেরা আনার আগে ৩০-৪০ মিনিটে কেটে যাবে। এগুলো পুরনো স্ট্র্যাটেজি।” তাঁর আরও দাবি, বাইরে থেকে প্রচুর লোক এসেছে। নাদিম বলে একজন দুষ্কৃতী ঢুকেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বিজেপি প্রার্থী এদিন খালি পায়েই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। দৃশ্যত যেন মন্দিরে পুজো দিতে এসেছেন! সকালের দিকে বুথে গিয়ে ভোট দেওয়ার এই ছবি স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, ভোটপর্বকে কেন্দ্র করে এদিন সকাল থেকেই বুথ এলাকায় সাধারণ ভোটারদের ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে।

হঠাৎ খালি পায়ে হাঁটছেন কেন বিজেপি প্রার্থী?
বিজেপি প্রার্থী তাপস চন্দ্র রায়

বৃহস্পতিবার সকাল সকাল নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করলেন কুশমণ্ডি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তাপস চন্দ্র রায়। কুশমণ্ডি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯১ নম্বর বুথে ভোট দেন তিনি। পরনে সাদা পাঞ্জাবি, গেরুয়া উত্তরীয়। কপালে লাল তিলক।


প্রার্থীর বুথে পৌঁছানোর দৃশ্যটি ছিল বেশ নজরকাড়া। বিজেপি প্রার্থী এদিন খালি পায়েই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। দৃশ্যত যেন মন্দিরে পুজো দিতে এসেছেন! সকালের দিকে বুথে গিয়ে ভোট দেওয়ার এই ছবি স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, ভোটপর্বকে কেন্দ্র করে এদিন সকাল থেকেই বুথ এলাকায় সাধারণ ভোটারদের ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। প্রার্থী নিজেই ভোট দিয়ে নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি।



এতখানি কড়াকড়ি দেখিনি', মুখ খুললেন এক ভোট কর্মী
তাপস বলেন, “এখনও পর্যন্ত সব ঠিকই রয়েছে। তবে ভোট না শেষ হওয়া পর্যন্ত তো কিছু বলা যায় না। সক্কলকে অনুরোধ করব, আগে ভোটটা দিয়ে দেবেন, তারপর জলপানি! আমাদের কর্মীরা প্রচুর পরিশ্রম করেছেন। এখন ফল পাওয়ার আশা। “

 দক্ষিণরামপুর নিউ প্রাইমারি স্কুলে তৃণমুল প্রার্থী রাজীব তীর্কি প্রথম ভোটার হিসাবে ভোট দিতে পৌঁছন বুথে। ভিতরে পৌঁছে প্রথম ধাপে আঙুলে কালি লাগিয়েও দেওয়া হয়। তারপর ইভিএম (EVM)-এর কাছে গিয়ে পৌঁছে ভোট দিতে গিয়ে দেখলেন ভোট হচ্ছে না। 

আঙুলে কালি, EVM-র সামনে গিয়ে থমকে গেলেন তৃণমূল প্রার্থী
কেন ভোট দিতে পারলেন না তৃণমূল প্রার্থী?

মক পোলিং চলছিল, সেই সময়ই পৌঁছে গিয়েছিলেন বুথে। সবার প্রথম ভোট দিতেন। আঙুলে কালিও লাগানো হয়ে গিয়েছে, তারপরও ভোট দিতে পারছেন না তৃণমূল (TMC) প্রার্থী রাজীব তীর্কি। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) প্রথম দফাতেই কেন এমনটা হল?


আলিপুরদুয়ার জেলার কুমার গ্রাম বিধানসভার ১০/১০১ নম্বর বুথ। দক্ষিণরামপুর নিউ প্রাইমারি স্কুলে তৃণমুল প্রার্থী রাজীব তীর্কি প্রথম ভোটার হিসাবে ভোট দিতে পৌঁছন বুথে। ভিতরে পৌঁছে প্রথম ধাপে আঙুলে কালি লাগিয়েও দেওয়া হয়। তারপর ইভিএম (EVM)-এর কাছে গিয়ে পৌঁছে ভোট দিতে গিয়ে দেখলেন ভোট হচ্ছে না।



যান্ত্রিক সমস্যার কারণে ভোট দিতে পারেননি রাজীব তীর্কি। ভোট দেওয়া হয়নি, তাই আঙুলে কালি লাগিয়ে বুথের মধ্যেই ঘোরাঘুরি করলেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “আমার বুথে আমিই প্রথম ভোটার ছিলাম। মক পোলও হয়ে গিয়েছিল। সময় পার হয়ে গিয়েছে, এখনও ভোট শুরু হয়নি। ব্যালট বক্স ইনভ্যালিড দেখাচ্ছে। আমি আলিপুরদুয়ার এআরও-কে জানিয়েছি। ভোর ৫টা থেকে লোকজন দাঁড়িয়ে আছেন, ভোট দিতে পারছেন না। খুবই অসুবিধা।”

 এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বুথের সামনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ ভোটাররা বুথের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ভোটারদের দাবি, মেশিনে বড় ধরনের কারিগরি ত্রুটি বা কারচুপির কারণেই এই বিপত্তি ঘটছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। এলাকা ঘিরে ফেলা হয় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।


 তৃণমূলকে ভোট দিতে গিয়ে পড়ছে বিজেপিতে ভোট! কীভাবে সম্ভব?
বুথে উত্তেজনা

বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রের ১৮৬ নম্বর বুথে ভোটগ্রহণ ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বড়ঞা ব্লকের গোদাপাড়া এলাকার এই বুথ থেকে স্থানীয় ভোটারদের একাংশ গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন যে, ইভিএমে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে বোতাম টিপলেও ভোটটি বিজেপির পক্ষে পড়ছে।


এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বুথের সামনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ ভোটাররা বুথের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ভোটারদের দাবি, মেশিনে বড় ধরনের কারিগরি ত্রুটি বা কারচুপির কারণেই এই বিপত্তি ঘটছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। এলাকা ঘিরে ফেলা হয় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।


 ছাপ্পা শুরু? বুথে গিয়ে অধ্যাপিকা জানতে পারলেন ভোট আগেই পড়ে গেছে
পেটের সমস্যা কমাতে বানান এই পাস্তা
ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার খবর পৌঁছাতেই এলাকায় উত্তেজনা চরমে ওঠে। যদিও নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের তরফে এই বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে গোটা ঘটনায় ওই বুথে ভোট প্রক্রিয়া সাময়িক ব্যাহত হয়।



নন্দীগ্রাম বিধানসভার ব্রজমোহন তিওয়ারি হাই স্কুলে যান শুভেন্দু অধিকারী। বেরিয়ে এসে বিএলও-র ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। শুভেন্দু দাবি করেন, ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে। বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, "আমার পরিচিত উনি। ভোটারদের প্রভাবিত করছেন।

ভোট দিয়ে বেরিয়েই কার উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী?
বুথের বাইরে শুভেন্দু


সকাল থেকেই ময়দানে শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটে অন্যতম হেভিওয়েট প্রার্থী শুভেন্দু। বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজের ভোটটা দিয়েই ময়দানে নেমে পড়েন তিনি। বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।


নন্দীগ্রাম বিধানসভার ব্রজমোহন তিওয়ারি হাই স্কুলে যান শুভেন্দু অধিকারী। বেরিয়ে এসে বিএলও-র ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। শুভেন্দু দাবি করেন, ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে। বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, “আমার পরিচিত উনি। ভোটারদের প্রভাবিত করছেন। ভদ্রভাবে বলে এলাম, অভিযোগ যেন না করতে হয়।” পরে হিন্দু ভোটারদের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।



তৃণমূলের ৮০০ নেতা-কর্মীর লিস্টে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের, তবে...
নন্দীগ্রামের বাড়নাকচিরা বুথে গিয়ে তিনি জানান, ১৭৫ জন হিন্দু ভোটারকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল আগেরবার।


শুভেন্দু অধিকারী আরও বড় অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, হিন্দু ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে শুভেন্দু প্রশ্ন করেন, খুনে অভিযুক্তরা কীভাবে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন? এনআইএ তদন্তে অভিযুক্ত সাহাবুদ্দিন কীভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, এই সাহাবুদ্দিন হিন্দু ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে দিচ্ছেন না।
ছাতনা বিধানসভার শুশুনিয়া উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেখানে ভোট কেন্দ্রের বাইরেই বিলি করা হচ্ছিল কুপন। কীসের কুপন? জানা গিয়েছে,পার্কিং-এর কুপনের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে খাবারের কুপন। জিজ্ঞাসা করাতে বলা হয়, মুড়ি-ছোলা খাবারের কুপন এটা।


ভোট দিতে এলেই কুপন পাচ্ছেন সবাই! TV9-কে দেখতেই দে ছুট...
ক্যামেরা দেখে কেন দৌড় লাগালেন?




বাঁকুড়া: ভোট কেন্দ্রের বাইরে এ কী দৃশ্য! আজ বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) প্রথম দফার ভোট গ্রহণ। দেখা গেল, সেখানেই ভোট কেন্দ্রের বাইরে কুপন দেওয়া হচ্ছে। টিভি৯ বাংলার ক্যামেরা দেখতেই দে ছুট! কেন? কী হচ্ছিল ওই কেন্দ্রে?



ছাতনা বিধানসভার শুশুনিয়া উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেখানে ভোট কেন্দ্রের বাইরেই বিলি করা হচ্ছিল কুপন। কীসের কুপন? জানা গিয়েছে,পার্কিং-এর কুপনের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে খাবারের কুপন। জিজ্ঞাসা করাতে বলা হয়, মুড়ি-ছোলা খাবারের কুপন এটা। কিন্তু কোন পার্টির থেকে দেওয়া হচ্ছে, সে কথা বলতেই টিভি৯ বাংলার ক্যামেরা দেখেই দৌড়ে পালালেন এক ব্যক্তি।


এটা শুধু এক বুথের ছবি নয়। ছাতনা বিধানসভার বিভিন্ন বুথেই নাকি দেওয়া হচ্ছে কুপন! কেউ দিচ্ছে বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে, কেউ দিচ্ছেন একটু দূরে। খোঁজ করতে গিয়ে পাওয়া গেল, বিভিন্ন বুথে বিভিন্ন টাকার কুপন দেওয়া হচ্ছে। ভিন্ন রঙের সেই কুপন। কোথাও ১৫ টাকা, কোথাও আবার ২০ টাকার। কুপন নিয়ে নির্দিষ্ট দোকানে গেলে ওই টাকার মধ্যে যা খুশি নিতে পারবেন ভোটাররা।

ভোট চলাকালীন এইভাবে কুপন দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে নাকি ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘী বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। বুধবার ভগবানপুর বাজারে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি বড় নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। শংকরপুর ও আবাদ ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা-নেত্রী।

সভামঞ্চ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রতিকউর রহমান বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, বাংলার মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকেই চায়। এটা আমাদের টিকে থাকার লড়াই নয়, বরং বিজেপির অস্তিত্বের সংকট তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকে কেন্দ্র করে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন, বিজেপি ভোটে জিততে না পেরে এখন নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে, যেন ছোট বাচ্চারা মার খেয়ে বাবাকে ডাকে,বিজেপির বাবা এখন নির্বাচন কমিশন।

জয়ের বিষয়ে তৃণমূলের আত্মবিশ্বাস প্রসঙ্গে প্রতিকউর জানান, দলের কর্মীদের মধ্যে কোনও রকম চাপ বা দুশ্চিন্তা নেই। তাঁর কথায়, তৃণমূল কর্মীদের চোখে মুখে আত্মবিশ্বাস স্পষ্ট। তারা জানে, জয় নিশ্চিত। ঠিক যেমন বাঘ শিকার ধরার আগে দু’পা পিছিয়ে আসে, তেমনভাবেই তৃণমূলের কর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিজেপিই আসলে আশঙ্কায় ভুগছে এবং ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছে।

এদিন রায়দিঘী বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী পলাশ রানাকে নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। নামের সঙ্গে শব্দ খেলা করে বলেন, পলাশ তো এখন আর ফোটে না, পলাশ ঝরে গিয়েছে। রায়দিঘীতে সেই পলাশ আর ফুটবে না।

এই সভায় উপস্থিত ছিলেন মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার, রায়দিঘী বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তাপস মণ্ডল, ব্লক সভাপতি মানবীন্দ্র হালদার, শিক্ষার কর্মাধ্যক্ষ সাহানা খাতুন, যুব সভাপতি রাজু পুরকাইত, আবাদ ভগবানপুরের প্রধান জিয়াদ আলী পুরকাইত সহ একাধিক নেতা-নেত্রী।

সভায় প্রচুর সংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, এই ভিড়ই প্রমাণ করছে যে আসন্ন নির্বাচনে রায়দিঘীতে তৃণমূল কংগ্রেসের জয় নিশ্চিত।

 নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, সাগর বিধানসভার গ্রামগুলোতে রাজনৈতিক পারদ ততই চড়ছে। মঙ্গলবার সকালে নামখানার ফ্রেজারগঞ্জের ২৮২ নম্বর বুথ এলাকায় বিজেপির নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো উত্তেজনা।বাড়ি বাড়ি ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ফর্ম বিলি ও স্বাক্ষর সংগ্রহকে ঘিরে বচসা এবং ঠেলাঠেলিতে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা।


স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকালে বিজেপি কর্মীরা প্রার্থী সুমন্ত মণ্ডলের সমর্থনে বাড়ি বাড়ি লিফলেট বিলি করছিলেন। অভিযোগ, সেই লিফলেটে বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের জন্য ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র সুযোগ-সুবিধার কথা উল্লেখ করে সাধারণ মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হচ্ছিল। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। তাঁদের দাবি, নির্বাচনের ঠিক আগে এভাবে সরকারি প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করা বেআইনি এবং এটি ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা। বিজেপি কর্মী অনিন্দ্য রায় বলেন, "আমরা প্রার্থীর সমর্থনে লিফলেট বিলি করছিলাম। বিজেপি ক্ষমতায় এলে কী কী কাজ করবে তা মানুষের কাছে তুলে ধরছিলাম। কিন্তু তৃণমূলের কর্মীরা অতর্কিতভাবে আমাদের ওপর চড়াও হয় এবং প্রচারে বাধা দেয়। ফ্রেজারগঞ্জ অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি প্রসেনজিৎ জানা পাল্টা অভিযোগ তুলে বলেন, "বিজেপি রাতের অন্ধকারে এবং সকালে লুকিয়ে মহিলাদের ভুল বুঝিয়ে ফর্ম সই করাচ্ছিল। মিথ্যে প্রতিশ্রুতির জাল বুনে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আমরা প্রতিবাদ করায় ওরাই আমাদের সাথে ঠেলাঠেলি শুরু করে।"

পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় খবর দেওয়া হয় ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুই পক্ষের কর্মীরাই এলাকা ছাড়েন। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো দলের পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে এলাকায় চাপা উত্তেজনা থাকায় পুলিশি টহলদারি বাড়ানো হয়েছে।



এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আইনজীবী ঝুমা সেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ব্যাপক হারে নাম বাতিলের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তালিকায় স্থান না পাওয়া বাকি আবেদনকারীদের ভাগ্য কী হবে? বিষয়টি শোনার পর আজ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

 মাত্র ১৩৬ জনের নাম! বাকিদের ভবিষ্যৎ কী? ভোটের প্রাক-লগ্নে ফের হাইকোর্টে মামলা
কলকাতা হাইকোর্ট ও নির্বাচন কমিশন



কলকাতা: মধ্যরাতে প্রকাশিত ট্রাইবুনালের সাপ্লিমেন্টারি তালিকাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাপক হারে আবেদনকারীদের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে মাত্র ১৩৬ জনের নাম তালিকায় স্থান পাওয়ায় বাকি আবেদনকারীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।



এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আইনজীবী ঝুমা সেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ব্যাপক হারে নাম বাতিলের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তালিকায় স্থান না পাওয়া বাকি আবেদনকারীদের ভাগ্য কী হবে? বিষয়টি শোনার পর আজ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।


এদিকে, গতকালই আরও একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। প্রথম মামলাটি করেছিলেন শেখ আনোয়ার আলি। তাঁর বক্তব্য, বিশেষ প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা সংশোধন করতে গিয়ে প্রায় ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

১৯টি ‘অ্যাপেলেট ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করা হলেও এগুলির কার্যপদ্ধতি অত্যন্ত অস্পষ্ট এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও মামলাকারী প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভোটাররা জানেন না ঠিক কীভাবে আবেদন করতে হবে। শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ কীভাবে জানানো হবে, বা এই ট্রাইব্যুনালে আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করা যাবে কি না—সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই। মঙ্গলবার প্রথমে এই মামলাটি শোনার পর আইনজীবী ঝুমা সেনের মামলাটি শুনবেন প্রধান বিচারপতি।

কোনও কারণে প্রিসাইডিং অফিসার যদি নির্দিষ্ট সময়ে দুই ঘণ্টার আপডেট দিতে ভুলে যান, তবে অ্যাপটিতে তৎক্ষণাৎ অ্যালার্ম বাজবে। একই সঙ্গে, ভোটকেন্দ্রে থাকা এআই ক্যামেরাও সেই তথ্য নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে পাঠিয়ে দেবে।


নির্বাচনের প্রতিটি মুহূর্তের নিখুঁত তথ্য! এবার নতুন অ্যাপ আনল কমিশন
নির্বাচন কমিশন


নিজস্ব প্রতিবেদন: এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও গতি আনতে নির্বাচন কমিশন অভিনব পদক্ষেপ করেছে। চলতি বছর থেকে চালু করা হয়েছে ‘ইসিআই নেট’ (ECI NET), একটি বিশেষ অ্যাপ। নির্বাচনের প্রতিটি মুহূর্তের নিখুঁত তথ্যের জন্যই এই নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার।



ভবানীপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর
তথ্য আপডেট: ভোটের দিন প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর কত শতাংশ ভোট পড়ল, সেই সংক্রান্ত সমস্ত আপডেট সরাসরি এই অ্যাপের মাধ্যমেই নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে।


এসএমএস-এর বিলুপ্তি: আগে ভোটের আপডেট পাঠানোর জন্য যে এসএমএস ব্যবস্থা ছিল, তা এবার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে শুধুমাত্র এই অ্যাপের মাধ্যমেই সমস্ত তথ্য দেওয়া হবে।

সম্পূর্ণ নজরদারি: মক পোলিং থেকে শুরু করে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত—প্রতিটি মুহূর্তের আপডেট এই অ্যাপের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে।

নিরাপত্তা ও সতর্কতা: কোনও কারণে প্রিসাইডিং অফিসার যদি নির্দিষ্ট সময়ে দুই ঘণ্টার আপডেট দিতে ভুলে যান, তবে অ্যাপটিতে তৎক্ষণাৎ অ্যালার্ম বাজবে। একই সঙ্গে, ভোটকেন্দ্রে থাকা এআই ক্যামেরাও সেই তথ্য নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে পাঠিয়ে দেবে।

এবারের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে করতে কমিশনের তরফ থেকে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। যা গত নির্বাচনে হয়নি। তার মধ্যে যেমন ভোটের দিনগুলোর মধ্যে বাইক ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা। যদিও সেই বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয়েছে হাইকোর্টে। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি রয়েছে।


উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, সকাল ১১টা থেকে অনলাইনে নিজের রেজাল্ট জানতে পারবেন পরীক্ষার্থী। তবে কোন কোন সাইটে ফল দেখা যাবে, তা এখনও জানায়নি সংসদ। প্রতি বছর টিভি৯ ডিজিটালে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল জানতে পারেন পরীক্ষার্থীরা। এবারও পরীক্ষার্থীরা তাঁদের ফল টিভি৯ বাংলা ডিজিটালে দেখতে পাবেন।


 উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ কবে? দিন জানিয়ে দিল সংসদ
ফাইল ফোটো

বাংলায় ভোটের আবহ। আর সেই আবহেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন জানাল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। বুধবার সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১৪ মে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় সাংবাদিক বৈঠক করে ফল প্রকাশ করা হবে। সকাল ১১টা থেকে অনলাইনে নিজেদের রেজাল্ট জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।


এদিন একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ জানিয়েছে, ১৪ মে সল্টলেকের বিদ্যাসাগর ভবনে সকাল সাড়ে দশটায় সাংবাদিক বৈঠক করে ফল প্রকাশ করা হবে। আধ ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল ১১টা থেকে অনলাইনে ফল জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। কোন কোন ওয়েবসাইটে ফল জানা যাবে, তা নিয়ে শিক্ষা সংসদের তরফে বিজ্ঞপ্তিতে কিছু জানানো হয়নি। বলা হয়েছে, সংসদের ওয়েবসাইটে এই নিয়ে পরে জানানো হবে। প্রসঙ্গত, প্রতি বছর উচ্চ মাধ্যমিকের ফল টিভি৯ বাংলা ডিজিটালে দেখতে পারেন পরীক্ষার্থী। এবছরও পরীক্ষার্থীরা তাঁদের রেজাল্ট টিভি৯ বাংলা ডিজিটালে দেখতে পারবেন।



এতখানি কড়াকড়ি দেখিনি', মুখ খুললেন এক ভোট কর্মী
এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ১২ ফেব্রুয়ারি। এই প্রথম সেমেস্টার পদ্ধতিতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছে। চতুর্থ সেমেস্টারের পাশাপাশি তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষাও নেওয়া হয়। আবার পুরনো বার্ষিক পদ্ধতিতেও এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। সবমিলিয়ে এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয় ৭ লক্ষ ১০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী।


এবছর মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হবে ৮ মে। অর্থাৎ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের ৬ দিন পর উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হবে। আবার বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হবে আগামী ৪ মে। সবমিলিয়ে বাংলায় ভোটের ফল প্রকাশের পরই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হচ্ছে।