WEATHER

Top News


গঙ্গাসাগর তথা সাগর ব্লকের রুদ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একগুচ্ছ জনহিতকর প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করলেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। এই দুই প্রকল্পের হাত ধরে এলাকায় নিকাশি ও যাতায়াতের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হতে চলেছে। রুদ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত স্বদেশ মন্ডলের বাড়ি থেকে জীবন দেবনাথের বাড়ি পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্স কালভার্ট ড্রেনের শুভ উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। 


নগর উন্নয়ন দপ্তরের অর্থায়নে এবং জি.বি.ডি.এর ব্যবস্থাপনায় এই ড্রেনটি নির্মিত হয়েছে। এর ফলে বর্ষার সময় জমা জল ও নিকাশি সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন এলাকার বাসিন্দারা।
এরপরই মন্ত্রী শ্রীনিবাস রঞ্জিতের বাড়ি থেকে অনুপ দাসের বাড়ি পর্যন্ত ৩৯০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি নতুন কংক্রিটের রাস্তার উদ্বোধন করেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় ও বিধায়ক তহবিলের অর্থানুকূল্যে এই রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘকাল ধরে এই পথটি ইটের ছিল, যা যাতায়াতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কষ্টদায়ক ছিল।


 এই নতুন পথের ফলে এলাকাবাসীর মুখে খুশির হাসি ফুটেছে। এদিন মন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি স্বপন কুমার প্রধান, জি বি ডি এর ভাইস চেয়ারম্যান সন্দীপ কুমার পাত্র, বনভূমি কর্মাধ্যক্ষ প্রদীপ বালেশ্বর, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ অমলেন্দু পাল এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। মন্ত্রী বলেন, "মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই প্রান্তিক মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে আমরা দায়বদ্ধ।"
 
মথুরাপুর: সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি থেকে রাজ্য বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’র সূচনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষার প্রতিমন্ত্রী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব সহ রাজ্যের বিভিন্ন সাংগঠনিক জেলার নেতারা ও বহু কর্মী-সমর্থক।


উদ্বোধনের আগে সমাজমাধ্যমে বাংলায় পোস্ট করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানান অমিত শাহ। তিনি লেখেন, তৃণমূলের কুশাসনে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছে। সেই জনমতকে শক্তিশালী করতেই বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’। এই যাত্রার মাধ্যমে রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে ‘অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা’র অঙ্গীকার পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সভামঞ্চ থেকে একের পর এক ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন শাহ। যুব সমাজের উদ্দেশে তিনি ঘোষণা করেন, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হলে চাকরির ক্ষেত্রে বয়সসীমায় পাঁচ বছরের ছাড় দেওয়া হবে। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বহু যোগ্য প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছেন। বিজেপি সরকার এলে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
এদিন পরিবারতন্ত্র ইস্যুতেও সরব হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, সারা দেশে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি চলছে এবং পশ্চিমবঙ্গেও সেই প্রবণতা স্পষ্ট। তিনি দাবি করেন, রাজ্যে শাসকদল ভবিষ্যতে নেতৃত্ব এক নির্দিষ্ট পরিবারের হাতেই তুলে দিতে চায়। “আপনারা কি ভাইপোর শাসন চান?”—সভামঞ্চ থেকে এমন প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যে দুর্নীতি বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন।
ধর্মীয় মেরুকরণ প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন অমিত শাহ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বাংলায় কি বাবরি মসজিদ হওয়া উচিত? তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত করা হচ্ছে এবং রাজ্য সরকার তা মদত দিচ্ছে। তবে এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
রাজ্যের উন্নয়ন নিয়েও তৃণমূল সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেন শাহ। তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেস ও সিপিএম আমলে উন্নয়ন হয়নি, আর তৃণমূল সরকার সেই পরিস্থিতিকে আরও তলানিতে নিয়ে গিয়েছে। একমাত্র বিজেপিই ‘সোনার বাংলা’ গড়তে সক্ষম বলে দাবি করেন তিনি।
অমিত শাহ বলেন, রাজ্যের ন’টি জায়গা থেকে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু হচ্ছে। তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে আরও একবার ধাক্কা দিতে হবে। যদিও তিনি স্পষ্ট করেন, “মুখ্যমন্ত্রী বদলাতে আমরা আসিনি, পরিবর্তন আনবে বাংলার মানুষই।” পাশাপাশি অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বিদায় করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
সব মিলিয়ে রায়দিঘির সভা থেকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে ২০২৬-এর নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করে তুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

প্রকাশ্যেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন সাগর পঞ্চায়েত সমিতির টানা আট বছরের কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল সামির শাহ। গত শনিবার প্রকাশিত নতুন ভোটার তালিকায় তাঁর নাম 'বিচারাধীন' হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলেছেন এই প্রবীণ তৃণমূল নেতা।

সাগরের মুড়িগঙ্গা-২ পঞ্চায়েত এলাকার ৩৪ নং মন্দিরতলা বুথের দীর্ঘদিনের ভোটার আব্দুল সামির শাহ। জানা গেছে, ভোটার তালিকায় তাঁর নামের বানান সংশোধন করার জন্য তাঁকে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী তিনি প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি জমা দিয়েছিলেন। তাঁর আশা ছিল, সংশোধিত তালিকায় তাঁর নাম সঠিকভাবে উঠে আসবে। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকার আগে তাঁর নাম 'বিচারাধীন' হিসেবে ঝুলে থাকায় তিনি স্তম্ভিত। 

এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের তোপ দেগেছেন আব্দুল সামির শাহ। সামির শাহের দাবি, বেছে বেছে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী এবং বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বা জটিলতায় ফেলার একটি চক্রান্ত চলছে। তিনি জানান, ২০০২ সাল থেকে তাঁর নাম ভোটার তালিকায় নিয়মিত ছিল। দীর্ঘ আট বছর তিনি কর্মাধ্যক্ষের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। এমন একজন ব্যক্তির নাম কেন হঠাৎ 'বিচারাধীন' হবে, তা নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ। বর্তমান নির্বাচন কমিশনারের অধীনে রাজ্যজুড়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে বলে তিনি সরাসরি তোপ দাগেন। "২০০২ সাল থেকে আমি ভোটার, সমস্ত নথি জমা দেওয়ার পরেও আমি বিচারাধীন। জানি না শেষ পর্যন্ত নাম থাকবে কি না। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তৃণমূল কর্মী আর মুসলিমদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।" বর্তমানে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তাঁর নাম আদৌ থাকবে কি না, তা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা ও দোলাচলের মধ্যে রয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। আপাতত চূড়ান্ত তালিকার অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। এই ঘটনা সাগরের রাজনৈতিক মহলে বেশ উত্তেজনা তৈরি করেছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগরের যমুনাখালীবাসীর দীর্ঘ ৩০ বছরের যন্ত্রণার অবসান হতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এবং সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে যমুনাখালীতে শুরু হলো নতুন একটি বিশাল কংক্রিট ব্রিজ তৈরির কাজ। 


প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পটি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। প্রায় ৫ কোটি টাকা খরচে সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তর থেকে তৈরি করা হচ্ছে। কাজ শেষ হতে সময় লাগবে প্রায় ৩ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে এই যমুনাখালীতে একটি ব্রিজ নির্মিত হয়েছিল। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে সেটি অত্যন্ত জীর্ণ ও বিপজ্জনক অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হতো। নতুন এই ব্রিজটি তৈরি হলে ধসপাড়া সুমতিনগর ১ এবং ধসপাড়া সমতিনগর ২ ও রামকরচর গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।

স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে।এলাকায় খুব সহজেই অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছাতে পারবে, যা জরুরি অবস্থায় রোগীদের প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য করবে। এলাকার কৃষিজ পণ্য ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবহন ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।
সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রীর তৎপরতায় এই ব্রিজের কাজ শুরু হওয়ায় খুশির হাওয়া এলাকায়। রবিবার সেই শুরু হওয়া কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ব্রিজটি কেবল কংক্রিটের কাঠামো নয়, বরং এলাকার উন্নয়নের জীবনরেখা হয়ে উঠবে।

খেলাধুলার মধ্য দিয়ে সংহতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দিতে সাগরদ্বীপে শুরু হলো এক মেগা ফুটবল টুর্নামেন্ট। রামকরচর আদিবাসী যুবক সংঘের পরিচালনায় এবং ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই 'টু-ডে আন্তঃ সাগর বিধানসভা নক-আউট সেভেন-এ-সাইড' ফুটবল প্রতিযোগিতার শুভ সূচনা হলো শনিবার। মোট ১৬টি দল এই ট্রফি জয়ের লড়াইয়ে অংশ নিয়েছে। 

এদিনের অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল প্রথাগত আদিবাসী নৃত্য ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। ঢোল ও মাদলের তালে আদিবাসী সংস্কৃতির এই প্রদর্শন দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। তিনি প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে এবং শান্তির প্রতীক হিসেবে সাদা পায়রা উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।খেলার মাঠে উৎসাহ দিতে মন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁদের মধ্যে অন্যতম: সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি স্বপন কুমার প্রধান। বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ প্রদীপ বালেশ্বর।

সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান এবং এলাকার অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই ফুটবল উৎসব চলবে আগামী বেশ কয়েক দিন ধরে। নক-আউট পদ্ধতিতে খেলা হওয়ায় প্রতিটি ম্যাচেই থাকছে টানটান উত্তেজনা। সাগর বিধানসভা এলাকার সেরা ১৬টি দল তাদের ফুটবল নৈপুণ্য প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছে এই মঞ্চে। মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা তাঁর বক্তব্যে বলেন, "গ্রামীণ বাংলার ফুটবল প্রতিভাকে তুলে ধরতে এবং যুব সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করতেই এই ধরনের আয়োজন প্রশংসনীয়।" আদিবাসী বীর সিধু ও কানুর স্মৃতিতে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে রামকরচর এলাকায় এখন উৎসবের মেজাজ।

সাগরে মৎস্যজীবীদের বিকল্প জীবিকার লক্ষ্যে সাইকেল ও হাঁড়ি বিতরণ


সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের আর্থিক অনটন দূর করতে ও আয়ের বিকল্প পথ প্রশস্ত করতে এক বিশেষ কর্মসূচি পালিত হলো সাগর বিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকায়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মৎস্য দপ্তরের (নোনাজল) উদ্যোগে এবং সাগর ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির ব্যবস্থাপনায় নোনাজলের মৎস্যবীজ সংগ্রহকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হলো বাই-সাইকেল ও হাঁড়ি। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা এবং সাগরের বিডিও কানাইয়া কুমার রায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন: সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি স্বপন কুমার প্রধান। মৎস্য ও প্রাণী দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল সামির শাহ। কর্মাধ্যক্ষ অমলেন্দু পাল ও বনভূমি কর্মাধ্যক্ষ প্রদীপ বালেশ্বর।

জেলা পরিষদ সদস্য অনিতা মাইতি ও প্রলয় কান্তি দাস সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।নোনাজল থেকে মৎস্যবীজ সংগ্রহ করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। মৎস্যজীবীদের সেই হাড়ভাঙা খাটুনি লাঘব করতে এবং সংগৃহীত মৎস্যবীজ দ্রুত ও সহজে বাজারে পৌঁছে দিয়ে আয় বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সরঞ্জাম প্রদান করা হয়। এদিন মোট ৩০ জন উপভোক্তার হাতে এই সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়াতেই এই উদ্যোগ। এর ফলে মৎস্যজীবীরা আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বনির্ভর হতে পারবেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৎস্য অধিকর্তার (নোনাজল) সহযোগিতায় এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

ধর্মের বেড়াজাল বড় না কি জন্মদাত্রী মায়ের স্নেহ? এই কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে যখন থমকে গিয়েছিল মানবিকতা, ঠিক তখনই দেবদূতের মতো এগিয়ে এল ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাব (হ্যাম রেডিও)। দীর্ঘ ২২ বছরের বিচ্ছেদ আর ধর্মীয় গোঁড়ামির বাধা পেরিয়ে অবশেষে ঝাড়খণ্ডের বাড়িতে ফিরলেন ৬২ বছর বয়সী সুশীলা মুর্মু। ঘটনার সূত্রপাত ২০০৪ সালে। ঝাড়খণ্ড থেকে 

নিখোঁজ হওয়া সুশীলা দেবী ভবঘুরে অবস্থায় কলকাতায় পৌঁছেছিলেন। উদ্ধার করে তাঁকে একটি হোমে রাখা হলেও দীর্ঘ সময় তাঁর পরিচয় অজানাই ছিল। অবশেষে হোম কর্তৃপক্ষের অনুরোধে তদন্তে নামে হ্যাম রেডিও। তাদের নিরলস প্রচেষ্টায় খোঁজ মেলে ঝাড়খণ্ডের গুড্ডা জেলার দাহুপদার মঙ্গুতল্লা গ্রামের এক পরিবারের। পরিচয় পাওয়ার পর হ্যাম রেডিও সদস্যরা যোগাযোগ করেন সুশীলা দেবীর ছেলে মদন বেসরার সঙ্গে। ভিডিও কলের মাধ্যমে মা-ছেলের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুখোমুখি হওয়া ঘটে। কিন্তু সেই আনন্দ মুহূর্তে বিষাদ হয়ে নামে এক অদ্ভুত শর্তে। মদন বাবু মাকে প্রশ্ন করেন, “তুমি কি এখনও খ্রিস্টান?” মা 'হ্যাঁ' বলতেই ছেলের উত্তর ছিল চরম— “তবে ওখানেই থেকো। আমরা হিন্দু, তোমাকে বাড়ি ফেরানো সম্ভব নয়।” স্বর্গীয় শিক্ষক জিতেন্দ্র বেসরার স্ত্রী সুশীলা দেবী বিয়ের আগে ধর্ম পরিবর্তন করেছিলেন। কিন্তু সেই পুরনো ইতিহাস বর্তমানের রক্ত সম্পর্কের সামনে দুর্ভেদ্য দেওয়াল হয়ে দাঁড়ায়। 


স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবে দাঁড়িয়ে এমন অভিজ্ঞতা হ্যাম রেডিওর সদস্যদের কাছে ছিল এক বড় ধাক্কা। তবে দমে যাননি হ্যাম রেডিওর সদস্যরা। তাঁরা ঝাড়খণ্ডের সমাজ কল্যাণ দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। সরকারি মধ্যস্থতা এবং হ্যাম রেডিওর কাউন্সেলিংয়ে অবশেষে মন গলে ছেলের। সব বাধা কাটিয়ে আজ সুশীলা দেবী তাঁর ছেলের সঙ্গে নিজের ভিটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। একটি দীর্ঘ বিচ্ছেদের বেদনাদায়ক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল এক মানবিক জয়ের মাধ্যমে। হ্যাম রেডিও আবারও প্রমাণ করল, প্রযুক্তি আর ইচ্ছাশক্তি এক হলে যেকোনো অসম্ভাবকে সম্ভব করা যায়। ভালো থাকুক মা ও ছেলে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত বকখালি। একসময় কলকাতা ও তার বাইরে বা দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহু এলাকা থেকে প্রতিবছর বহু পর্যটকের আনাগোনা ছিল এই সমুদ্র সৈকতে কিন্তু আজ সেই চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। আগে নামখানাতে ব্রিজ না থাকায় গাড়ি পারাপারে অসুবিধা হত, সেখানে নামখনায় ব্রিজ এবং ট্রেনের ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও পর্যটক কমছে বকখালীতে। 

কি কারণ রয়েছে এর পেছনে? কেনই বা দিঘা বা মন্দারমনির মত ভিড় নেই বকখালীতে ? জেনেনিন বিস্তারিত...

বকখালির প্রধান আকর্ষণ ছিল সমুদ্রের ঢেউ। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৈকতে বিশাল এলাকা জুড়ে চর জেগে ওঠায় সমুদ্রের ঢেউ আর আগের মতো উপকূলে আছড়ে পড়ে না । পর্যটকদের জল ছুঁতে প্রায় ১ কিমি পথ বালির ওপর দিয়ে হাঁটতে হয়, যা অনেক পর্যটককেই নিরুৎসাহিত করছে । আমফান ও ইয়াস-এর মতো ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সৈকতের ঝাউবন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা এখনও পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আমফান ও ইয়াসের মতো ঘূর্ণিঝড়ে সৈকতের ঝাউবন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝাউ গাছ কমে যাওয়ায় পিকনিক স্পটগুলো আগের মতো মনোরম নেই।

আধুনিক পর্যটন সুবিধার অভাব, দিঘা বা মন্দারমণির তুলনায় বকখালিতে আধুনিক বিনোদনের ব্যবস্থা সীমিত। এছাড়া অনেক সময় সৈকত এলাকায় আবর্জনার স্তূপ ও দুর্গন্ধ পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করছে । 

রক্ষণাবেক্ষণের অভাব পর্যটক কমার অন্যতম বড় কারণ। বকখালি সমুদ্র সৈকতে বানানো বসার চেয়ার গুলি আজ ভাঙ্গা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বকখালি সমুদ্র সৈকতে থাকা ওয়াচ টাওয়ার তারও বেহাল অবস্থা। বকখালীতে রাস্তার ধারে কিছু কিছু জায়গায় লাইট টাও এখনো ভেঙে রয়েছে। সমুদ্র সৈকতে নষ্ট হচ্ছে সরকারি সম্পত্তি শুধু মাত্র রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে। বিচের মধ্যেই কিছু জায়গায় পরে রয়েছে ময়লা বা আবর্জনা। এছাড়াও দুর্বল ইন্টারনেট সংযোগ, এটিএম পরিষেবার অভাব এবং কিছু ক্ষেত্রে নিম্নমানের হোটেল পরিষেবা পর্যটকদের অভিজ্ঞতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। 

শুধু বকখালি সমুদ্র সৈকতই নয় বকখালি খুব কাছেই রয়েছে হেনরি আইল্যান্ড সেখানেও খুবই বেহাল অবস্থা। সমুদ্র সৈকতেই ভেঙে পড়ে রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার, সমুদ্র সৈকতের পাশে থাকা বনের গাছের ডাল পালা ইত্যাদি। 
এছাড়াও বকখালি পর্যটন কেন্দ্রের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ বকখালি বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া ডিয়ার পার্ক বা হরিণ প্রকল্প দীর্ঘ সময় ধরেই দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রয়েছে। যেখানে পর্যটকদের জন্য হরিণ ও কুমির দর্শনের ব্যবস্থা। ঘূর্ণিঝড় আমফান  এবং ইয়াস -এর তান্ডবে পার্কটির পরিকাঠামো এবং হরিণদের থাকার জায়গা বা এনক্লোজারগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। জলোচ্ছ্বাসের নোনা জল ঢুকে যাওয়ায় এই পার্কের ঘাস ও গাছপালাও নষ্ট হয়ে যায়। পার্কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সেখানকার অধিকাংশ হরিণকে অন্যত্র, যেমন লথিয়ান আইল্যান্ড বা সজনেখালি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সেখানে কোনো হরিণ না থাকায় এটি পর্যটকদের জন্য কার্যত বন্ধ। 


এই সমস্ত বিভিন্ন কারণে কার্যত পর্যটক হারাচ্ছে বকখালি। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও পর্যটক দের জন্য মনোরম পরিবেশ আবারও বকখালীর পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।


ষ্টাফ রিপোর্টার মুন্না সর্দার


শাহরুখের লুক নিয়ে বরাবরই কাটাছেঁড়া হয়েছে। তিনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, তাঁর চেহারাটা সাধারণ ‘চকলেটি বয়’ বা‘অ্যাকশন হিরো’র মতো নয়। বরং একটা অদ্ভুত মিশ্রণ। আর এই চেহারার কারণেই তিনি ‘দিওয়ানা’-র মতো রোমান্টিক ছবি থেকে শুরু করে যেকোনও সাদামাটা চরিত্রে অনায়াসেই মানিয়ে যেতে পেরেছিলেন।
'

আমি কি কারও জায়গা কেড়েছি?' সলমন-আমিরকে নিয়ে বিস্ফোরক শাহরুখ


বলিউডের সিংহাসন কার? এই লড়াই নতুন নয়। নব্বইয়ের দশক থেকে আজ পর্যন্ত ‘তিন খান’-এর দাপট রমরমিয়ে চলছে বি-টাউনে। তবে জানেন কি, কেরিয়ারের শুরুর দিকেই সলমন খান এবং আমির খানকে নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন শাহরুখ খান? যখন বাকিরা একে অপরকে টেক্কা দিতে ব্যস্ত, তখন ‘বাদশা’ অকপটে স্বীকার করেছিলেন তাঁর সীমাবদ্ধতা আর অন্যদের শ্রেষ্ঠত্ব।

কার জায়গা কেড়েছেন শাহরুখ?



অনেকেই বলেন শাহরুখ নাকি অনেকের জায়গা দখল করে আজ এই জায়গায় পৌঁছেছেন। কিন্তু কিং খান নিজে কী ভাবেন? এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে শাহরুখ সাফ জানিয়েছিলেন, তিনি কারও জায়গা কেড়ে নেননি। তাঁর কথায়, “খুবই অভদ্রভাবে লোকে বলে যে আমি অমুক বা তমুককে সরিয়ে দিয়েছি। এটা একেবারেই ভুল। প্রত্যেকে নিজের স্টাইলে কাজ করে। অজয় দেবগণ বা সলমনকে কেউ পছন্দ করেন মানেই যে তাঁরা অন্য কারও চেয়ে খারাপ বা ভালো, বিষয়টা তেমন নয়।”


সলমন ও আমিরকে নিয়ে অকপটে শাহরুখ বলেন, সলমন খান এমন একজন তারকা যাঁর স্টারডম সময়ের হিসেবে অতুলনীয়। তিনি সলমনকে ‘বিগেস্ট স্টার’ হিসেবে মান্যতা দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, আমির খানের অভিনয়ের বেশ প্রশংসা করেন কিং খান। তিনি আমিরকে দেশের ‘সেরা অভিনেতা’ (Finest Actor) বলে অভিহিত করেন। তাহলে নিজের অবস্থান নিয়ে কী মনে করেন অভিনেতা? শাহরুখ মৃদু হেসে জানিয়েছিলেন, “আমি কেবল আমার নিজের একটা আলাদা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি।”

শাহরুখের লুক নিয়ে বরাবরই কাটাছেঁড়া হয়েছে। তিনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, তাঁর চেহারাটা সাধারণ ‘চকলেটি বয়’ বা‘অ্যাকশন হিরো’র মতো নয়। বরং একটা অদ্ভুত মিশ্রণ। আর এই চেহারার কারণেই তিনি ‘দিওয়ানা’-র মতো রোমান্টিক ছবি থেকে শুরু করে যেকোনও সাদামাটা চরিত্রে অনায়াসেই মানিয়ে যেতে পেরেছিলেন।

অনেকেই হয়তো ভুলে গিয়েছেন, শাহরুখের শুরুটা হয়েছিল ছোট পর্দা দিয়ে। ‘ফৌজি’র অভিমন্যু রাই কিংবা ‘সার্কাস’-এর সেই ছেলেটি আজ বিশ্বসেরা। হেমা মালিনী তাঁর প্রতিভা চিনতে পেরে ‘দিল আশনা হ্যায়’ ছবিতে সুযোগ দিয়েছিলেন, যদিও মুক্তি পেয়েছিল ‘দিওয়ানা’র আগে। তারপর বাজিগর, ডিডিএলজে থেকে আগামীর ‘কিং’ —বলিউডের রাজপুত্রের দৌড় আজও থামেনি।
পৌরনিগমের শাসকদলকে খোঁচা দিতে ছাড়ল না বিরোধীরা। ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, "স্থায়ী কর্মী ছাড়া পৌরনিগমে বাকি সব নিয়োগ রাজনৈতিকভাবে হয়। বায়োমেট্রিক দিলে আসা-যাওয়া ধরা পড়ছে। আগে এমনিতেই আসতেন না। ৩ দিন পর এসে সই করে মাইনে নিতেন।" আবার ৯২ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআই কাউন্সিলর মধুছন্দা দেব বলেন, "কোনও নিয়ম চালু করার আগে যাঁদের জন্য নিয়ম, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। তাঁদের আগে জানানো দরকার ছিল, কী কারণে বায়োমেট্রিক করা হচ্ছে। তাহলে সমস্যা হত না।"

 কলকাতার পরিচ্ছন্নতা তাঁদের হাতেই, বেতন 'আটকে' যাওয়ায় কাজে অনীহা, কী হবে এবার?
বায়োমেট্রিক সমস্যার জন্য বেতন পাননি অনেক সাফাইকর্মী

তিলোত্তমাকে পরিষ্কার তাঁরাই রাখেন। তবে সাফাইকর্মীদের জন্য বায়োমেট্রিক চালুর পর নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। যার জেরে অর্ধেকের বেশি সাফাইকর্মী পেলেন না বেতন। শহরজুড়ে সাফাইয়ের কাজে তার প্রভাব পড়েছে। কীভাবে বায়োমেট্রিক ইস্যুর সমাধান হবে, তা নিয়ে চিন্তায় কলকাতা পৌরনিগম। বিরোধীরা এই নিয়ে খোঁচা দিচ্ছে শাসকদলকে। 


নির্বাচন দোরগোড়ায়। তার আগে শহরজুড়ে সাফাইকর্মীদের নিয়ে চরম সমস্যায় কলকাতা পৌরনিগম। সাফাইকর্মীদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু হয়েছে। অথচ তাঁদের এই নয়া হাজিরার বিষয়ে তেমন কোনও পাঠও দেওয়া হয়নি পৌরনিগমের তরফে। যেকারণে সকালে কাজে যোগ দেওয়ার সময় একবারমাত্র বায়োমেট্রিকের ছাপ দিয়ে তাঁরা কাজ শুরু করছেন। কিন্তু যে নির্দিষ্ট সময় ধরা রয়েছে তাঁদের শিফট শেষের, তার আগেই তাঁরা চলে যাচ্ছেন।


গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবীতে সবচেয়ে তীব্রতর কম্পন কলকাতায়!
ফলে গত ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাসে বায়োমেট্রিক মেশিনে প্রত্যেকের সিঙ্গল পাঞ্চ বা উপস্থিত দেখিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ধরনের বিপত্তি হওয়ায় প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ সাফাইকর্মীর বেতন আটকে দেওয়া হয়েছে। শুধু এখানেই শেষ নয়, কলকাতা পৌরনিগম এলাকায় মোট দুই দফায় এই সাফাই করার কাজকর্ম হয়ে থাকে। সারাদিনে সাফাইকর্মীরা একবারই বায়োমেট্রিক মেশিনের ছাপ দিয়ে বের হতে অথবা ঢুকতে পারবেন। সেই কারণেই দুপুরে যে কাজ করছেন তাঁরা, এই সময় বায়োমেট্রিক ছাপ দিতে পারছেন না। ফলে তাঁদের হাজিরার বিষয়টি অস্বচ্ছ এবং অসম্পূর্ণ হিসাবেই থেকে যাচ্ছে।


সবমিলিয়ে শহরের বিভিন্ন অংশে সাফাইকর্মীরা কাজের ক্ষেত্রে অবহেলা দেখাতে শুরু করেছেন। হয় কাজ করছেন না, নয়তো প্রতিটি অলিগলিতে পৌঁছাচ্ছেন না। শহরের কোথাও কোথাও আবর্জনা দিনভর পড়ে থাকছে। কোথাও দু’দিন পর এসে সেই আবর্জনা সংগ্রহ করছেন সাফাইকর্মীরা। স্বাভাবিকভাবেই চরম সংকটের মধ্যে পড়েছে কলকাতা পৌরনিগমের কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

কলকাতা পৌরসভার কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ সূত্রে খবর, কলকাতার সবকটি ওয়ার্ড মিলিয়ে মত ১৭৫টি পুর অফিসে এই বায়োমেট্রিক মেশিন লাগানো রয়েছে। তবে কলকাতা পৌরনিগমের ১৫ নম্বর বরোতে জায়গার অভাবে চারটি ওয়ার্ডে এই বায়োমেট্রিক মেশিন বসানো যায়নি। বর্তমানে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে স্থায়ী সাফাইকর্মী রয়েছেন ৫ হাজার ৫৫০ জন। চুক্তিভিত্তিক কর্মী রয়েছেন ৭ হাজার ৯০ জন।

কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ সূত্রে খবর, এমনিতেই কর্মীর অভাবে শহরের সাফাই কাজকর্ম ব্যাহত হয়। প্রতিটি ওয়ার্ডে এক একটি ব্লকে যে পরিমাণ সুপারভাইজার থাকা প্রয়োজন, তা-ও নেই। তথ্য বলছে, প্রায় ৪০-৫৫ শতাংশ এই পদ খালি হয়ে গিয়েছে। যে কারণে কোথায় কাজ হচ্ছে, তা নজরদারি করা সম্ভব হচ্ছে না প্রশাসনের পক্ষে। একদিকে কর্মী সংকট, অন্যদিকে যাবতীয় সিদ্ধান্ত অপরিকল্পিতভাবে নেওয়া, স্বাভাবিক কারণেই চরম সংকটে দিন গুনছে কলকাতা পৌরনিগম কর্তৃপক্ষ।

এই নিয়ে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের মেয়র পারিষদ সদস্য দেবব্রত মজুমদার বলেন, “প্রথম দু-একদিন সমস্যা হয়েছিল। যেকোনও জিনিসই প্রথমে একটু সমস্যা হয়। আমরা সমস্তটাই দেখতে বলেছি। শ্রমিকদের কোনও সমস্যা হবে না। প্রযুক্তিগত ত্রুটি থাকলে আমাদের বিভাগকে দেখতে বলেছি। সময়মতো যাতে কাজ হয়, সেজন্য সমস্ত দফতরে বায়োমেট্রিক চালু হবে।”

পৌরনিগমের শাসকদলকে খোঁচা দিতে ছাড়ল না বিরোধীরা। ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, “স্থায়ী কর্মী ছাড়া পৌরনিগমে বাকি সব নিয়োগ রাজনৈতিকভাবে হয়। বায়োমেট্রিক দিলে আসা-যাওয়া ধরা পড়ছে। আগে এমনিতেই আসতেন না। ৩ দিন পর এসে সই করে মাইনে নিতেন।” আবার ৯২ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআই কাউন্সিলর মধুছন্দা দেব বলেন, “কোনও নিয়ম চালু করার আগে যাঁদের জন্য নিয়ম, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। তাঁদের আগে জানানো দরকার ছিল, কী কারণে বায়োমেট্রিক করা হচ্ছে। তাহলে সমস্যা হত না।”

দিন কয়েক আগে পাকিস্তানি হামলার জবাব দিতে বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানের তালিবান সরকার পাল্টা হামলার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতোই ডুরান্ড লাইন সহ আফগান-পাকিস্তানের একাধিক সীমান্তে সংঘর্ষ বাঁধে। শুক্রবার ভোরেও বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে কাবুলে।

 যুদ্ধের ঘোষণা করে দিল পাকিস্তান! রাতভর ডুরান্ড লাইনে ভয়ঙ্কর সংঘর্ষ, চলল মিসাইল-গোলাবর্ষণ, দখল পাক ঘাঁটি


কাবুল ও ইসলামাবাদ: সীমান্তে চলছে গুলি, রাতভর চলল গোলাবর্ষণ। তুমুল সংঘাত পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মধ্যে। আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসনের দাবি, সীমান্তে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে। এদিকে, আফগানিস্তানের হামলার পরই পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। রাতভর একাধিক আফগান শহরে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে বলেই খবর। খোলা যুদ্ধের ঘোষণা করে দিয়েছে পাকিস্তান। কাবুল, কান্দাহারে হামলা চালানো হচ্ছে বলেই খবর।


দিন কয়েক আগে পাকিস্তানি হামলার জবাব দিতে বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানের তালিবান সরকার পাল্টা হামলার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতোই ডুরান্ড লাইন সহ আফগান-পাকিস্তানের একাধিক সীমান্তে সংঘর্ষ বাঁধে। শুক্রবার ভোরেও বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে কাবুলে। তালিবান জানিয়েছে, ডুরান্ড লাইনের কাছে পোস্ট মিলিটারি ঘাঁটিগুলি দখল করে নিয়েছে তাদের সেনা। কমপক্ষে ৫৫ জন পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। যদিও পাকিস্তান এই দাবি মানতে নারাজ পাকিস্তান। তাদের দাবি, পাক সেনা নয়, অনেক আফগান সেনার মৃত্যু হয়েছে এই সংঘর্ষে।



তালিবানের মুখপাত্র জ়াবিহুল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, পাকিস্তান মূলত কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় হামলা চালাচ্ছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “কাপুরুষ পাকিস্তানি সেনা কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় বিভিন্ন জায়গায় এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে। তবে সৌভাগ্যক্রমে কোনও হতাহতের খবর নেই।”

আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা থেতে অপারেশন শুরু হয়েছে। সম্প্রতি আফগানিস্তানে যে হামলা করেছিল পাকিস্তান, শিশু ও মহিলাদের মৃত্যু হয়েছিল, তার জবাব দিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।

ডুরান্ড লাইনের কাছে পাকতিকা, খোস্ত, নানঘারহর, কুনার সহ একাধিক সেক্টরে পাল্টা হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানের সেনা। চার ঘণ্টার সংঘাতে দুটি পাকিস্তানি মিলিটারি বেস ও ১৯টি পোস্ট দখল করে নেওয়া হয়েছে। আরও চারটি পোস্ট ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে পাক সেনা। মোট ৫৫ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলেই দাবি তালিবান সরকারের। এছাড়া প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একটি পাকিস্তানি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষে তালিবানের আট যোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। ১১ জন আহত বলেই জানানো হয়েছে। নানঘরহরে পাকিস্তানের পাল্টা মিসাইল হামলায় ১৩ জন আফগান নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলকের রুমের দরজার ভেঙে ঢুকে পড়েন সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল কলেজের অন্য পড়ুয়ারা। তখনই তাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিছানায় পড়ে থাকা পুলকের নিথর দেহ। এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

আরজি করের মতো যেন চাপা না-পড়ে!', কল্যাণীর ডাক্তারি-পড়ুয়ার মৃত্যুতে খুনের তত্ত্ব
শুধুই রহস্য়

 যখন কলেজের অন্য পড়ুয়াদের কানে খবর গেল, ততক্ষণে মগরাহাটের পুলক হালদারের দেহতে পচন ধরেছে। তাঁর হস্টেল রুমের বাইরে থেকে পাওয়া যাচ্ছে দুর্গন্ধ। বন্ধ কাঠের দরজার পিছনে যে তাঁর নিথর দেহ পড়ে থাকবে, তা আশা করতে পারেনি কেউই। কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র, পুলকের মৃত্য়ু ঘিরেই শুধুই ধোঁয়াশা।


শুক্রবার অর্থাৎ আজ পুলকের দেহ ময়নাতদন্ত করার কথা রয়েছে। ইতিমধ্য়েই আত্মীয়দের সঙ্গে কল্যাণীতে পৌঁছে গিয়েছেন বাবা সুধাংশু হালদার। তারপরেই বড় অভিযোগ তুলে দিল পরিবার-পরিজনরা। পুলকের শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, বরং নেপথ্যে খুনের চক্রান্ত থাকতে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা।



এদিন মৃতের আত্মীয় উত্তম মন্ডল বলেন, “ও খুব ভালো ছেলে। আমাদের প্রত্যেকের ওকে নিয়ে খুব আশা ছিল। কিন্তু মনে হয় ওকে খুন করা হয়েছে।” একই দাবি প্রতিবেশীরও। তাঁরা বলেন, “ছেলেটার মুখে দাগ, পিঠে দাগ। অবশ্যই ওকে খুন করা হয়েছে। আরজি করের মতো এই ঘটনাটা যেন চাপা না-পড়ে যায়। সবটাই চক্রান্ত।”


উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলকের রুমের দরজার ভেঙে ঢুকে পড়েন সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল কলেজের অন্য পড়ুয়ারা। তখনই তাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিছানায় পড়ে থাকা পুলকের নিথর দেহ। এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার করা হয় ফাইনাল ইয়ারের মেডিক্য়াল ছাত্রের পচা-গলা দেহ। কলেজের অন্য পড়ুয়াদের থেকে জানা যায়, গত ২০ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার হস্টেলের ক্যান্টিনে শেষবার খেতে দেখা গিয়েছিল পুলককে। তারপর থেকেই ঘর-বন্দি ছিল সে।

পরিবারের তরফেও একই কথা জানানো হয়েছে। ২০ ফেব্রুয়ারি মায়ের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা বলেছিলেন পুলক। তারপর কী এমন হল? আচমকাই নিজেকে কেন ঘরবন্দি করে নিলেন তিনি? নাকি ২০ তারিখে কিছু একটা ঘটেছিল, যার ফলাফল বৃহস্পতিবার দেখেছে গোটা কলেজ! একটা রহস্যমৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। হস্টেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। প্রতিবেশীদের দাবি, “একটা ছেলে পাঁচদিন ধরে খেতে আসছে না, হস্টেল কর্তৃপক্ষ কী করছিল? একবার দেখতে যেতে পারল না।”

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের বরুণহাট রামেশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যায়, ভূমিকম্পের জেরে গ্রাম পঞ্চায়েত ছেড়ে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন কর্মচারীরা। ভূমিকম্পের জেরে হিঙ্গলগঞ্জেরই বাঁকড়া ডোবর প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়াদের মধ্যে হুলস্থূল পড়ে যায়। আতঙ্কে স্কুলের বাইরে বেরিয়ে আসে পড়ুয়ারা।

কোথাও বাড়িতে ফাটল, কোথাও স্কুলে হুলস্থূল, ভূমিকম্পে ছড়াল আতঙ্ক
ভূমিকম্পের জেরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আতঙ্ক ছড়াল

জোরাল ভূমিকম্প কলকাতায়। কম্পন অনুভূত হল রাজ্যের একাধিক জেলায়ও। কোথাও বাড়িতে ফাটল ধরল। রাস্তায় বেরিয়ে এলেন সাধারণ মানুষ। আতঙ্কে স্কুলের পড়ুয়াদের মধ্যে হুলস্থূল পড়ে গেল। শুক্রবার দুপুরে আতঙ্কের ছবি ধরা পড়ল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। দেখা যাক, কোথায় কী হল।

এদিন দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। প্রায় ৪৫ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী ছিল কম্পন। যদিও এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা। তবে কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। আতঙ্কে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসেন বহু মানুষ।


এসআইআর-এ 'মৃত'দের পরিবারপিছু হোমগার্ডের চাকরি দেবে নবান্ন! শুভেন্দু বললেন, 'হাফ দাড়ি কাটার সমান'
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের বরুণহাট রামেশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যায়, ভূমিকম্পের জেরে গ্রাম পঞ্চায়েত ছেড়ে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন কর্মচারীরা। ভূমিকম্পের জেরে হিঙ্গলগঞ্জেরই বাঁকড়া ডোবর প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়াদের মধ্যে হুলস্থূল পড়ে যায়। আতঙ্কে স্কুলের বাইরে বেরিয়ে আসে পড়ুয়ারা। আবার একটি বাড়িতে ফাটল ধরে যায়। বাঁকড়া ডোবর প্রাথমিকের স্কুলের এক পড়ুয়া বলেন, “ভূমিকম্প হতে স্কুল কেঁপে ওঠে। আমরা ভয় পাই। তখন আমাদের বাইরে আনা হয়।”


ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায়। আতঙ্কে ক্যানিং মহকুমাশাসকের দফতরের কর্মীরা বাইরে বেরিয়ে আসেন। এক কর্মী বলেন, “আমার মাথা ঘুরছিল। আমি ভাবলাম শরীর খারাপ। তারপরই দেখি, সবাই হুড়োহুড়ি করছে। তারপর তাড়াতাড়ি বাইরে বেরিয়ে আসি।” আবার সুন্দরবন এলাকার বিভিন্ন স্কুল থেকে মাঠে বেরিয়ে আসে পড়ুয়ারা। পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলিতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ডানকুনি পৌরসভার কর্মচারীরা ভয়ে অফিসের বাইরে বেরিয়ে আসেন।