ট্রাম্প কার্ডে’ বাংলাদেশ ভাতে মরলেও পাতে মরবে কি ভারত?
ক্রিমিনাল কেস করলেই ওরা সব বলে দেবে: জহর সরকার
ওয়াকফের আঁচ! পার্ক সার্কাসে পথে নামল হাজার-হাজার মুসলিম
কারও নাম ‘স্কোয়ারফুট’, কারও নাম ‘তোলা’! তৃণমূল আমলে নেতাদের রমরমা দেখে চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে জহর সরকারের
২৬ হাজার চাকরি বাতিল হওয়ার পরেরদিনই আচমকা বৈঠকে ৩ ‘হেভিওয়েট’
জম্মু কাশ্মীরে জঙ্গিদমন অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। সোমবার সকালে বারামুল্লা জেলার সোপোরে এক এনকাউন্টারে এক শীর্ষস্থানীয় লস্কর জঙ্গিকে খতম করেছে বাহিনী। মুদাসির পণ্ডিত নামে ওই জঙ্গি নেতার বিরুদ্ধে তিন পুলিশ কর্মী, ২ কাউন্সিলর ও ২ সাধারণ নাগরিককে খুনের অভিযোগ রয়েছে। কাশ্মীর পুলিশের আইজি বিজয় কুমার জানান, উত্তর কাশ্মীরে বারামুল্লা জেলার সোপোর শহরের গুন্দব্রাথ এলাকায় জঙ্গি ও বাহিনীর মধ্যে গুলি বিনিময় হয়।
তিনি বলেন, সোপোরে লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার মুদাসির পণ্ডিত-সহ বেশ কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে বলে রবিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পায় পুলিশ।
স ময় নষ্ট না করে দ্রুত সেখানে পৌঁছে যায় বাহিনী। রবিবার রাতেই এলাকায় চিরুনি-তল্লাশি শুরু হয়। বাহিনীর উপস্থিতি টের পেতেই গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। জবাব দেয় বাহিনী। রাতভর দুপক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। চারদিক ঘিরে ফেলেন জওয়ানরা। ভোরের দিকে, তিন নিহত হয় ৩ লস্কর জঙ্গি।
মুদাসির ছাড়া আরও ২ জঙ্গি এদিনের অভিযানে খতম হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন বিদেশি জঙ্গি। নাম আসরার ওরফে আবদুল্লা। ২০১৮ সাল থেকে সে সক্রিয় ছিল উপত্যকায়। তৃতীয়জনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। বিজয় কুমার বলেন, মুদাসির পণ্ডিতের মৃত্যুতে সোপোরবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন। কারণ, শুধু যে সেখানে নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালানোই নয়, স্থানীয় যুবকদের বিপথে চালিত করে জঙ্গি তৈরির করার নেটওয়ার্কের দায়িত্বে ছিল মুদাসির।
এখন মুদাসির খতম হওয়ায়, কাশ্মীরি যুবকরা সন্ত্রাসের পথে যাবে না বলেই মনে করছেন পুলিশ-কর্তা। চলতি বছর এখনও পর্যন্ত ৫৫ জন জঙ্গিকে খতম করেছে বাহিনী। সবচেয়ে বড় কথা, এদের মধ্য়ে অধিকাংশই স্থানীয় বাসিন্দা। গত বছর, ২০৩ জঙ্গিকে খতম করেছিল বাহিনী। তার মধ্যে ১৬৬ জন ছিল কাশ্মীরি। তার আগে, ২০১৯ ও ২০১৮ সালে যথাক্রমে ১৫৭ ও ২৫৭ জঙ্গি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে।
Post A Comment:
0 comments so far,add yours