WEATHER

Top News



গোটা করুণাময়ী যেন দুর্গের চেহারা নেয়। চারদিকে বিরাট পুলিশ বাহিনী। এসএলএসটি ফ্রেশার্সদের মিছিলই করতেই দেয়নি পুলিশ। খুঁজে খুঁজে ফ্রেশার্স চাকরিপ্রার্থীদের আটক করেছে বিধাননগর পুলিশ। রীতিমতো জোর করে তোলা হল প্রিজন ভ‍্যানে।

খুঁজে খুঁজে ফ্রেশার্সদেরই টার্গেট, চাকরিপ্রার্থীদের গাড়িতে তুলল পুলিশ
চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন



 বছরের শুরুতেই চাকরিপ্রার্থীদের বিকাশভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার। সোমবার বঞ্চিত ফ্রেশার্স চাকরিপ্রার্থীদের বিকাশ ভবন অভিযান ছিল। তাঁদের মূল দাবি, যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের দেওয়া অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ১০ নম্বর বাতিল করতে হবে। শূন্যপদ বাড়াতে হবে। কিন্তু সেখানে বাধা পুলিশের। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয় চাকরিপ্রার্থীদের। ২ জন চাকরিপ্রার্থীকে আটক করে পুলিশ। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। টেনে হিঁচড়ে চাকরিপ্রার্থীদের প্রিজন ভ্যানে তোলার চেষ্টা করে পুলিশ।

গোটা করুণাময়ী যেন দুর্গের চেহারা নেয়। চারদিকে বিরাট পুলিশ বাহিনী। এসএলএসটি ফ্রেশার্সদের মিছিলই করতেই দেয়নি পুলিশ। খুঁজে খুঁজে ফ্রেশার্স চাকরিপ্রার্থীদের আটক করেছে বিধাননগর পুলিশ। রীতিমতো জোর করে তোলা হল প্রিজন ভ‍্যানে।




দশ বছর পর হয় এসএলএসটি পরীক্ষা। কিন্তু নবাগতদের অভিযোগ, সেখানেও তাঁদের সুযোগ হয়নি। কারণ সেই পরীক্ষাতেই বসেছিলেন ২০১৬ সালের প্যানেলের যোগ্য চাকরিহারারাও। যাঁদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ১০ নম্বর দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, সে কারণে পূর্ণ নম্বর পেয়েও সুযোগ পাচ্ছেন না নবাগতরা। আন্দোলনকারী এক চাকরিপ্রার্থীর বক্তব্য, “১০ নম্বর বাতিল করতে হবে, ১ লক্ষ আসন বাড়াতে হবে!” পাশাপাশি স্বচ্ছতার সঙ্গে ওএমআর শিট প্রকাশেরও দাবি জানান তাঁরা। সোমবার দুপুরে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী করুণাময়ী থেকে বিকাশ ভবন পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেন চাকরিপ্রার্থীরা। কিন্তু শুরুতেই পুলিশি বাধায় উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।


আজ ব্রিগেডে মাঠ পরিদর্শনের সময় সাংবাদিক বৈঠক করছিলেন হুমায়ুন। সেই সময় মাঠে কয়েকজন খেলা করছিলেন। হুমায়ুনকে দেখেই তাঁরা এগিয়ে আসেন। সঙ্গে-সঙ্গে চিৎকার করতে শুরু করেন। তাঁরা বলতে থাকেন হুমায়ুন বিজেপির দালাল।


 'আপনি বিজেপি-র দালাল', ব্রিগেডে আসতেই হুমায়ুনকে দেখে চিৎকার করলেন TMC কর্মীরা
হুমায়ুন কবীর


দলের সঙ্গে একের পর এক ইস্যুতে বিভিন্ন দূরত্ব। আর তারপরই তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে যান ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এরপর মুর্শিদাবাদের বুকে সভা করে নতুন করে নিজের দল গঠন করেন। নাম দেন ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’। সেই দিনই হুমায়ুন কবীর জানিয়েছিলেন, তিনি জানুয়ারি মাসে ব্রিগেডে সভা করবেন। সেই মতো সোমবার ব্রিগেডে মাঠ পরিদর্শনে আসেন। আর সেখান থেকেই বিক্ষোভের মুখে পড়লেন হুমায়ুন।

আজ ব্রিগেডে মাঠ পরিদর্শনের সময় সাংবাদিক বৈঠক করছিলেন হুমায়ুন। সেই সময় মাঠে কয়েকজন খেলা করছিলেন। হুমায়ুনকে দেখেই তাঁরা এগিয়ে আসেন। সঙ্গে-সঙ্গে চিৎকার করতে শুরু করেন। তাঁরা বলতে থাকেন হুমায়ুন বিজেপির দালাল। সকলেই নিজেকে তৃণমূল বলে দাবি করেন। যদিও হুমায়ুন কোনও কিছুই পাত্তা দেননি। পরে সব দেখা বলে মন্তব্য করেন তিনি।



যাঁরা হুমায়ুনকে ঘিরে এ দিন বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন চিৎকার করে বলতে থাকেন সংবাদ মাধ্যমের সামনে, “হুমায়ুন কবীর বিজেপি কর্মী। তিনি বিজেপির দালাল।” এরপর সাংবাদিকরা ওই বিক্ষোভকারীকে প্রশ্ন করেন, আপনারা কি কোনও রাজনৈতিক কর্মী? তখন তিনি উত্তর দেন, “আমরা কলকাতা পোর্ট এলাকা থেকে এসেছিলাম। এখানে ক্রিকেট খেলতে এসেছিলাম। আমরা তৃণমূল করি।”

গোটা বিষয়টি নজরে রাখেন হুমায়ুন। তিনি পরে বলেন, “ওরা পারলে সভা ভেস্তে দেখাক। কে কার দালাল পরে দেখব। ওঁদের কথার কোনও জবাব দেব না।”



সোমবার ১৮.৪ ডিগ্রিতেই থমকাল কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। আলিপুরের হিসেবে এই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৭ ডিগ্রি কম। এদিন দিল্লির সফদরজংয়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ দিল্লি আর কলকাতার আবহাওয়ায় কার্যত কোনও তফাৎ রইল না।


বাংলার এই ৮ জেলায় 'কোল্ড ডে'-র অ্যালার্ট জারি, কী পরিস্থিতি হতে চলেছে আগামী ৩-৪ দিনে


মাঝে তাপমাত্রা বাড়লেও রবিবার থেকে ফের হাড়কাঁপানো শীতের দাপট শুরু হয়েছে রাজ্যে। হু হু করে স্বাভাবিকের নীচে নামছে তাপমাত্রা। আজ, সোমবার দুপুরের ঠান্ডায় দিল্লির সঙ্গে রীতিমতো জোর টক্কর দিল কলকাতা। ১৮.৪ ডিগ্রিতেই থমকাল কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। আলিপুরের হিসেবে এই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৭ ডিগ্রি কম। এদিন দিল্লির সফদরজংয়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ দিল্লি আর কলকাতার আবহাওয়ায় কার্যত কোনও তফাৎ রইল না।


সোমবার দমদমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছয় ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কুয়াশার জেরে রোদ না ওঠায় দিনভর কাঁপুনি চলেছে বাংলা জুড়ে। সোমবারের পর মঙ্গলবারও রাজ্যের ৮ জেলায় শীতল দিনের সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।


বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, দক্ষিণ ও উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায় শীতল দিনের অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ওই জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৫-৬ ডিগ্রি নীচে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। জোরদার হচ্ছে উত্তরে হাওয়া, রাতে আরও কাঁপুনি ধরাবে শীত।

দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে কতটা ঠান্ডা পড়বে?

উত্তরবঙ্গে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে থাকবে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সোমবার থেকেই বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ি জেলায়। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য উঁচু এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সন্দাকফু, ঘুম, ধোত্রে, চটকপুরের মতো উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা।

এছাড়া উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে কোথাও কোথাও। দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় আজ সোমবারও ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

 ইতিমধ্যেই 'জনতা উন্নয়ন পার্টি' নামে নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। সেই দলে সভা করবেন বলে সোমবার ব্রিগেড গ্রাউন্ড পরিদর্শন করতে কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। সেখানে বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয় তাঁকে। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবীর জানান, এদিনই মসজিদ নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।

বাবরি মসজিদ গড়তে বাংলায় আসছে বেঙ্গালুরুর সংস্থা, লক্ষ কন্ঠে কোরানপাঠের ঘোষণা হুমায়ুনের
ফাইল ছবি

 গত বছরের ডিসেম্বরে বাবরি মসজিদ গড়ার ঘোষণা করেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। কোরানপাঠ করে শিলান্যাসও করেন তিনি। ইতিমধ্যেই বাবরি মসজিদের জন্য অনুদান আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। কারা ওই মসজিদ তৈরি করবেন, কতটা জমির উপর কাজ শুরু হবে, এবার সবটা জানিয়ে দিলেন হুমায়ুন।

ইতিমধ্যেই ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ নামে নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। সেই দলে সভা করবেন বলে সোমবার ব্রিগেড গ্রাউন্ড পরিদর্শন করতে কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। সেখানে বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয় তাঁকে। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবীর জানান, এদিনই মসজিদ নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।


 আজ, সোমবার সেই সংস্থার কর্তারা কলকাতায় আসছেন, হুমায়ুনের সঙ্গে দেখা করবেন তাঁরা। মঙ্গলবার তাঁরা নির্মাণস্থলে যাবেন। তিনি আরও জানান, বেলডাঙায় ৩০ বিঘা জায়গা জমি প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানেই হবে মসজিদ। ন্যাশনাল হাইওয়ে থেকে ৮০ ফুট ছেড়ে মূল নির্মাণ তৈরি হবে। সয়েল টেস্ট করার পরই শুরু হবে কাজ। তার আগে এক লক্ষ কন্ঠে কোরানপাঠ করা হবে বলেও জানিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

একইসঙ্গে হুমায়ুন আরও জানিয়েছেন, তিনি যে ১৩৫টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা বলেছিলেন, সেটা বাড়িয়ে ১৮২ আসনে প্রার্থী দেওয়া হবে। ১০ লক্ষ লোকের উপস্থিতিতে ব্রিগেড সমাবেশের আয়োজন করতে চলেছেন হুমায়ুন। জানুয়ারির শেষে বা ফেব্রুয়ারিতে ব্রিগেড সমাবেশ হবে বলে তিনি দাবি করেছেন।


এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সঠিক দিশা দেখাতে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দফতরের তরফে কলকাতার সমস্ত কাউন্সিলরের কাছে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকাও পাঠানো হয়। কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৮০টি করে নিবাসী শংসাপত্র পেতে আবেদন জমা পড়ছিল।


আইনের বই পড়া উচিত', কেন ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রাহ্য হচ্ছে না, ব্যাখ্যা শুভেন্দুর
ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে ইতিমধ্যেই CEC জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের দ্বারা ইস্যু করা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ না করার নির্দেশ অনানুষ্ঠানিকভাবে সমস্ত জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। তার পাল্টা চিঠি দিয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এবার এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ইস্যুতেই সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু।

শুভেন্দুর বক্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রীর আইনের বই পড়া উচিত। ১০ বছর না হলে সেই সার্টিফিকেট গ্রাহ্য নয়।” তাঁর পাল্টা অভিযোগ, “আইপ্যাকের তৈরি করা ফর্মুলাতে অবৈধ ভোটার, মৃত ভোটার বাংলাদেশের অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের তালিকায় রাখার চেষ্টা চলছে।” তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, “দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুর্নীতিগ্রস্ত জেলাশাসক সুমিত গুপ্তকে কলকাতা পৌরসভার কমিশনার বানিয়ে বরো ভিত্তিক বার্থ সার্টিফিকেট দিতে চান, তাহলে তো অবৈধ হবেই। নির্বাচন কমিশনের সফটওয়্যার অত্যন্ত আপডেটেড।”



এটি এমন একটি প্রমাণপত্র, যা নিশ্চিত করে যে একজন একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে (রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং সেই অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্য।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ডোমিসাইল বা নিবাসী শংসাপত্র গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তার জেরে কলকাতা পুরসভায় আবেদনকারীর সংখ্যাও বাড়ে হু হু করে। পুরসভার সদর দফতরের পাশাপাশি বিভিন্ন বরো অফিসেও এই শংসাপত্রের জন্য নাগরিকদের ভিড় হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সঠিক দিশা দেখাতে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দফতরের তরফে কলকাতার সমস্ত কাউন্সিলরের কাছে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকাও পাঠানো হয়। কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৮০টি করে নিবাসী শংসাপত্র পেতে আবেদন জমা পড়ছিল।

কিন্তু এখন সেই সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এই মর্মে ফের CEC জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের বিরুদ্ধে অপরিকল্পিত, ত্রুটিপূর্ণ এসআইআর করার অভিযোগ। রাজ্যের দাবি না মানলে এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

  তিনি বলেন, "আমরা মুখে বলি না কাজে করি। ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা খরচ করে রাজ্য সরকার আপনাদের এটা আপনাদের উপহার দিল। মুড়িগঙ্গা নদীর উপর এই সেতু হল। কাকদ্বীপের লর্ট ৮ ও কচুবেড়িয়ার মধ্যে সেতু। ৫ কিমি লম্বা ও ৪ লেনের এই সেতুর খরচ হবে ৪০০ কোটি। এখন মানুষ বলেন গঙ্গাসাগর বারবার।"

এই ক'দিন আগে এসেছিলেন, মিথ্যা কথা বলে গেলেন, আমি ক্ষমা করে দিলাম: মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


জন্মদিনের দিন গঙ্গাসাগরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি পরিদর্শনে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।মুড়িগঙ্গা নদীর উপর তৈরি হতে চলেছে বহু চর্চিত গঙ্গাসাগর সেতু। তার শিলান্যাস করেন তিনি। আজ মমতা কী কী বলেন সবটা এক নজরে…

সর্বশেষ তথ্য উপরে



ভোটের আগে মেদিনীপুরে বিজেপির আইটি সেলে ভাঙন?
বিষ খাওয়াতে চেয়েছিলেন মা! দেবলীনার কোন ভয়ঙ্কর সত্য সামনে এল?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: মিস্টার ভ্যানিশ কুমার, বাংলায় নো ডিটেনশন সেন্টার স্যার। অপেক্ষা করুন বিচারের জন্য, বিচার তো মানুষ‌ই দেবে। আর বাংলার দুর্যোধন দুংশাসনরা খেয়াল রাখবেন
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: আমরা আইনের সাহায্য নিচ্ছি। আগামিকাল কোর্ট খুলবে। আমরাও আইনে যাব। এত মানুষের মৃত্য, এত মানুষকে যেভাবে হ্যারাস করেছে… প্রয়োজন পড়লে আমি নিজেও পারমিশন চাইব। দরকার হলে সুপ্রিম কোর্টে মানুষের হয়ে প্লিড করব। আমি মানুষের হয়ে কথা বলব। লইয়ার আছি। তবে আমি not as লইয়ার যাব। আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে আমার কথা বলতে পারি। কথা বলার অনুমতি নেব আর চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করব তৃণমূলস্তরে কী চলছে। যতই চেষ্টা করো বিজেপি, মিলবে না কো জিলিপি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: দিল্লির কোনও এক নেতাদের নেতা বলেছেন, লক্ষ্মীদের বাড়ি থেকে বেরতে দেবেন না ভোটের দিন। আমি বলি লক্ষ্মীদের চেনো না। এরা পাঁচালি পড়ে, এরা সৃষ্টিও করে। আজ শাসানি দিচ্ছে। এটা ক্রিমিনাল অফেন্স। AI বেরিয়েছে। এআই দিয়ে কাটিয়ে দিয়েছে। এআই ঠিক করছে সব। ৫৪ লক্ষ নাম বাদ দিয়েছে। ওরা করতে পারেন না এমন কিছু নেই। মানুষের নাম ভ্যানিশ করে দিচ্ছে। যে ৫৪ লক্ষের নাম বাদ দিয়েছে তাদের অধিকার ছিল ৭ নম্বর বা ৮ নম্বর ফর্ম ফিলাপ করার।‌ হোয়াটসঅ্যাপ এ চলছে ইলেকশন কমিশন। মানুষের অধিকার ভ্যানিশ করলে আপনারাও ভ্যানিশ হয়ে যাবেন। নিজের নাম তুলবেন সকলে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: এখানকার বনবিবি উৎসব কী করে? এখানে রয়াল বেঙ্গল টাইগার আছে। এখানে কামড়াতে এলে উল্টে কামড় খাবে। নখ-কান মাথা সাইজ করে দেবে। আসো একবার কুমির-বাঘের সঙ্গে লড়াই করো। এখান মানুষ লড়াই করে বেঁচে থাকে। লড়াই মানুষের জীবন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: যে অন্যায় ভোটার লিস্টে নাম তোলা নিয়ে হচ্ছে। মেয়ে বিয়ের পর পদবী চেঞ্জ করছে, টাইটেল চেঞ্জ করছে, বলছে নাম বাদ। ধরুন আমার নাম মমতা। আমি তো নামের ভিন্ন বানান লিখতে পারি। গর্ধবগুলো বোঝেই না। বাংলায় আর ইংরেজি বানান আলাদা। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, দিল্লিতে বাংলা বলা যাবে না। বাংলা বললেই খুন করে দিতে হবে। আমি বলি সাহস থাকলে আমায় খুন কর। আমি বাংলা হাজারবার বলব। ইংরেজি মিডিয়ামে পড়ে তাঁরা ইংরেজিতে বলবে। বাংলা মিডিয়ামে পড়লে বাংলা বলবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: দেশটাকে ধ্বংস করতে ওরা এসেছে। বাংলা মাথা নত করেননি, কবে না।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: যারা বড়-বড় কথা বলে তাঁদের নাম কাটছেন, তাঁদের মা-বাবার সার্টিফিকেট আছে? আমি আমার মা-বাবার জন্মের সার্টিফিকেট জানি না। কারণ, বাড়িতে সব হোমডেলিভারি। আমিও গ্রামে জন্ম নিয়েছি। বাংলা ছিল আছে থাকবে। বাংলাকে বিনাশের ক্ষমতা নেই। একদিকে মা দুর্গা, অন্যদিকে দক্ষিণা কালী, মা তারা, রক্ষাকালী, ছিন্নমস্তা দাঁড়িয়ে আছে। আগে বারো, তৈরি হও। ছেলেমেয়েরা এগিয়ে এসো। নতুন প্রজন্ম তৈরি হও।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: পারমানবিক বোমা ভারত তৈরি করেন। সাথী কে ছিল জানেন? একজন বঙ্গ সন্তান ছিল। নাসা থেকে ভাষা একটাই আশা। ভবিষ্যত বাংলা-বাংলা আর বাংলা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: ওরা গান্ধীজীকে বর্জন করেছে, আমরা অর্জন করেছি। কর্মশ্রীর নাম গান্ধীজী হয়েছে। ওরা বাঙালি অস্মিতাকে অসম্মান করেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: ওরা নাকি ধর্ম মানে। সেই ধর্মের না আছে ধ আর না আছে র্ম। শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন, ধর্ম মানে ধারণ। আর যাঁরা উন্নয়নের পাঁচালীকে নিয়ে চাঁচালি করছেন, কোনও যায় আসেন না। কোনও দিন পাঁচালী ?জয়-জয় দেবী। বেদ-বেদান্ত পড়েছে?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: এটা হল উন্নয়নের পাঁচালী। কেউ কেউ নকল করে আমাদের ব‍্যাঙ্গ করে ব্যাঙ্গমার গল্প বলছেন। আমরা বলি বিজেপির ব্যাঙ্গমার গল্প বলুন। আপনারা কী করেছেন ? ঘেচু , লবডঙ্কা, আপনারা বাংলার জন্য ঘেচু করেছেন। খালি ঘ‍্যাচাং ফু করছেন। ক্ষমতা থাকলে এর ইংরেজি বের করুন। এগুলো বাংলা কথা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: গত বছর ঝড়ে-জলে বিপ্ন্ন হয়েছিল কপিলমুনির আশ্রম। কুপিলমুনি অর্ধেক জলে ডুবে গিয়েছিল। আজ মাত্র ২ লাখ ২৬ হাজার মানুষ পরিষেবা পেলেন। ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ -৭০/৮০ শতাংশ কাজ হয়ে গেছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: এখানে আরও ২০টি টুরিজম কটেজ তৈরি হল। নাম দিলাম গঙ্গান্ন। কেমন নাম? নবান্ন, সৌজন্য, সম্পন্ন, শুভন্ন্য, ঐকন্য, সুরান্ন, আপন্য, অরণ্য, গঙ্গান্ন সব মিলিয়ে দেওয়া। নবান্নর একটা গঙ্গান্ন থাকবে না?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: এই ক’দিন আগে এসেছিলেন। মিথ্যা কথা বলে গেলেন। আমি ক্ষমা করে দিলাম। স্বৈরাচারী, মিথ্যাচার করা ওদের কাজ। মিথ্যাবাদী লগ্নে জন্মগ্রহণ করেন তাঁদের সত্যবাদী বলা যায় না। আমরা কারও খারাপ চাই না। আগে বলতাম লোডসেডিংয়ের সরকার আর নেই দরকার। এখন বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে সাগরদ্বীপের মতো জায়গায়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: আগে গঙ্গাসাগরের পরিকাঠামো ছিল খুব খারাপ। কিন্তু ২০১১ সালের পর থেকে এই গঙ্গাসাগরের জন্য প্রচুর উন্নয়ন করা হয়েছে । প্রতি বছর মন্ত্রীরা এই মেলার সময় দেখভাল করেন। 
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: সুন্দরবন বিপজ্জনক অঞ্চল। নবকুমার পথ হারান এখানে। এই সেতুর ফলে এখানকার স্থানীয় মানুষের, পর্যটকদের এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যেতে সুবিধা হবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: আমরা মুখে বলি না কাজে করি। ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা খরচ করে রাজ্য সরকার আপনাদের এটা আপনাদের উপহার দিল। মুড়িগঙ্গা নদীর উপর এই সেতু হল। কাকদ্বীপের লর্ট ৮ ও কচুবেড়িয়ার মধ্যে সেতু। ৫ কিমি লম্বা ও ৪ লেনের এই সেতুর খরচ হবে ৪০০ কোটি। এখন মানুষ বলেন গঙ্গাসাগর বারবার।
আজ গঙ্গাসাগরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। সেই সময়ই এসআইআর নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, "আমরা আইনের সাহায্য নিচ্ছি। আগামিকাল কোর্ট খুলবে। আমরাও আইনে যাব। এত মানুষের মৃত্য, এত মানুষকে যেভাবে হ্যারাস করেছে... প্রয়োজন পড়লে আমি নিজেও অনুমতি চাইব।"


SIR ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে নিজেই সওয়াল করবেন 'আইনজীবী' মমতা? কী বললেন?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রী

SIR ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে যাবে তৃণমূল। এই ঘোষণা আগেই করেছিলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Abhishek Banerjee)। আজ অর্থাৎ সোমবার একই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানালেন, এসআইআর ইস্যুতে যেভাবে বাংলায় মৃত্যু হচ্ছে, সাধারণ মানুষের হেনস্থা হচ্ছে তারই প্রতিবাদে সুপ্রিম দুয়ারে যাচ্ছেন তৃণমূল। শুধু তাই নয়, দরকারে মুখ্যমন্ত্রী দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন সে কথাও বলেছেন।


আজ গঙ্গাসাগরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। সেই সময়ই এসআইআর নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “আমরা আইনের সাহায্য নিচ্ছি। আগামিকাল কোর্ট খুলবে। আমরাও আইনে যাব। এত মানুষের মৃত্য, এত মানুষকে যেভাবে হ্যারাস করেছে… প্রয়োজন পড়লে আমি নিজেও অনুমতি চাইব।” তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে তিনি নিজে সুপ্রিম দুয়ারে যাবেন। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী আজ স্মরণ করিয়ে দেন তিনি নিজে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বলেন, “দরকার হলে সুপ্রিম কোর্টে মানুষের হয়ে প্লিড করব। আমি মানুষের হয়ে কথা বলব। লইয়ার আছি। তবে আমি not as লইয়ার যাব। আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে আমার কথা বলতে পারি। কথা বলার অনুমতি নেব আর চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করব তৃণমূলস্তরে কী চলছে। যতই চেষ্টা করো বিজেপি, মিলবে না কো জিলিপি।”




উল্লেখ্য, এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের অফিসে। সেখানে গিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে একপ্রস্ত বৈঠক করেছেন। তবে রাজ্যে দেখা যাচ্ছে, খসড়া তালিকায় নাম না ওঠায় একের পর এক মৃত্যু ঘটছে। সব ক্ষেত্রেই মৃতের পরিবার এসআইআরকেই দায়ী করছে। এমতাবস্তায় মমতার এই সিদ্ধান্ত নিতান্তই তাৎপর্যপূর্ণ।
বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা নিয়ে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা কত থাকবে, তা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে। তবে আমাদের দাবি, যেন পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় ভোটের সময় মোতায়েন করা হয়।" 

অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্য সহসভাপতি জয়প্রকাশ 
মজুমদারের বক্তব্য, "যতই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হোক, বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন।"

ছাব্বিশের ভোটে আরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী? কমিশনকে কী বললেন CEO?
কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে কী আবেদন জানালেন সিইও মনোজ আগরওয়াল?



আর মাস চারেকের মধ্যে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। নির্ঘণ্ট ঘোষণা না করলেও বিধানসভা ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তৎপর হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার নয়াদিল্লিতে সেই নিরাপত্তা নিয়ে কমিশনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে গত বিধানসভা ভোটের তুলনায় আসন্ন নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানোর আবেদন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। পশ্চিমবঙ্গের ভোটে দফা হ্রাস করা হবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত বাহিনী প্রয়োজন বলে মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা আসন সংখ্যা ২৯৪টি। একুশের নির্বাচনে আট দফায় ভোট হয়েছিল। প্রত্যেক দফায় আলাদা আলাদা সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, ছাব্বিশের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানোর জন্য এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে আবেদন করেন মনোজ আগরওয়াল। এদিন বাংলার পাশাপাশি ভোটমুখী তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরীর নির্বাচনী আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। সেখানেই বাংলায় ভোটের দফা কমানো নিয়েও আলোচনা হয়। জানা গিয়েছে, মোট সংবেদনশীল বুথের সংখ্যা কত হবে, তার নিরিখেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা চূড়ান্ত করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা নিয়ে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা কত থাকবে, তা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে। তবে আমাদের দাবি, যেন পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় ভোটের সময় মোতায়েন করা হয়।” এর আগে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বাইরে রাখলে হবে না। বুথের ভিতর মোতায়েন করতে হবে। কারণ, সেখানেই ভোট লুঠ হয়।

এদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ানোর আবেদন নিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সহসভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “একুশেও তো কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছিল। যত খুশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করুক। বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন।”

অভিষেক র‌্যাম্পে হাঁটিয়েছিলেন ৩ ‘মৃত’ ভোটারকে, সেই নিয়েই জবাব দিল কমিশন

কমিশন সূত্রে খবর, মণিরুল মোল্লা এবং হরেকৃষ্ণ গিরির ক্ষেত্রে বুথে তৈরি বাদের তালিকা নাম ছিল না। পরে ওয়েবসাইটে তাঁর নাম দেখা যায়। ওই ঘটনাটি নজরে আসার পরেই মণিরুল এবং হরেকৃষ্ণের বাড়িতে যান বিএলও। ফর্ম-৬ পূরণ করে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করা হয়েছে।

অভিষেক র‌্যাম্পে হাঁটিয়েছিলেন ৩ 'মৃত' ভোটারকে, সেই নিয়েই জবাব দিল কমিশন
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়


তিন ‘মৃত’ ভোটারকে মঞ্চে তুলেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই ঘটনায় রিপোর্ট চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। রবিবার সেই রিপোর্ট এসেছে। কমিশন সূত্রে খবর, ওই তিন জনের মধ্যে দু’জনের অনিচ্ছাকৃত ভাবে ভুল হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএলও। রিপোর্ট দিয়ে জানিয়েছেন ইআরও। আর একজনের ক্ষেত্রে বিষয়টিকে ভুল হিসাবেই ধরা হয়েছে।

কমিশন সূত্রে খবর, মণিরুল মোল্লা এবং হরেকৃষ্ণ গিরির ক্ষেত্রে বুথে তৈরি বাদের তালিকা নাম ছিল না। পরে ওয়েবসাইটে তাঁর নাম দেখা যায়। ওই ঘটনাটি নজরে আসার পরেই মণিরুল এবং হরেকৃষ্ণের বাড়িতে যান বিএলও। ফর্ম-৬ পূরণ করে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করা হয়েছে। কমিশনের এক আধিকারিকের বক্তব্য, অভিষেকের সভার অনেক আগেই ওই দুই ভোটারের ফর্ম-৬ করা হয়েছে। বস্তুত তিন ভোটার মণিরুল মোল্লা, হরেকৃষ্ণ গিরি এবং মায়া দাস। তাঁদের মধ্যে দু’জনের বাড়ি মেটিয়াবুরুজ এবং এক জনের বাড়ি কাকদ্বীপে।


'প্রধানমন্ত্রী মোদী জানত আমি খুশি নই', ভারতের সঙ্গে আরও খারাপ কিছু করবেন ট্রাম্প?
গত ২ জানুয়ারি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের সভা থেকে ‘মৃত’ ভোটারদের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন অভিষেক। তখনই এমন তিন জনকে মঞ্চে তোলা হয়, যাঁদের খসড়া তালিকায় মৃত বলে দেখানো হয়েছে। সেই তিনজনই হলেন মণিরুল মোল্লা, হরেকৃষ্ণ গিরি এবং মায়া দাস। এরপর সেই বিষয়ে রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় কমিশন। রবিবার এসেছে তারই রিপোর্ট।

মহারাজদের নাম কাটায় রণংদেহী মমতা: 'বিজেপির ইশারায় কাজ হলে বরদাস্ত নয়'

সাগর মেলা শুরুর মুখেই ভোটার তালিকা থেকে সাধু-সন্ত ও ভারত সেবাশ্রম সংঘের মহারাজদের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় সরাসরি কেন্দ্রীয় সংস্থা এবং বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার গঙ্গাসাগর সফরে গিয়ে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কাজ করা হলে রাজ্য সরকার তা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
ভারত সেবাশ্রম সংঘের নিমাই মহারাজ অভিযোগ করেন, তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে মেলার কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁর পক্ষে ওড়িশার আদি বাড়িতে গিয়ে নথিপত্র আনা বা শুনানিতে হাজির হওয়া অসম্ভব। মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়েই ক্ষোভ উগরে দিয়ে ওই মহারাজ বলেন, "অন্যায়ভাবে নাম কাটা হলে আমি আদালতের দ্বারস্থ হব।"

মহারাজের অভিযোগ শোনার পরই মেলা প্রাঙ্গণ থেকে মেজাজ হারান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন:
"বিরাট অন্যায় হচ্ছে। বেছে বেছে সাধু-সন্ত ও মহারাজদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কেউ মাস্টারের কথা শুনছেন, কেউ প্রভুর নির্দেশ পালন করছেন। বিজেপির ইশারায় যদি কেউ কাজ করেন, তবে জেনে রাখুন মানুষের সাথে এই অন্যায় আমি বরদাস্ত করব না।" এদিন দুপুর দুটো নাগাদ হেলিকপ্টারে গঙ্গাসাগর পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী। হেলিপ্যাড মাঠের পাশের সভা মঞ্চ থেকে তিনি একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো মুড়িগঙ্গা নদীর উপর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সেতু। দৈর্ঘ্য: ৪.৭৫ কিলোমিটার (চার লেন)। ব্যয়: প্রায় ১৬৭০ কোটি টাকা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মুখ্যমন্ত্রী ভারত সেবাশ্রম সংঘে যান এবং সেখান থেকে কপিলমুনির আশ্রমে পুজো দেন। মেলা প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাতে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকও করেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, সাধু-সন্তদের অধিকার রক্ষায় সরব হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন একদিকে বিজেপির হিন্দুত্ববাদের তাসকে চ্যালেঞ্জ জানালেন, তেমনই উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে সাগরের মানুষের মন জয়ের চেষ্টাও করলেন।

গঙ্গাসাগর মেলার আগেই সমুদ্র সৈকতে গঙ্গা আরতির মহিমা, ভিড় জমালেন কয়েকশো পুণ্যার্থী

মকর সংক্রান্তির পুণ্যলগ্নে গঙ্গাসাগর মেলা শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলা শুরু হচ্ছে, কিন্তু তার আগেই ভক্তদের ঢল নামতে শুরু করেছে সাগরতটে। এই আবহে পুণ্যার্থীদের উৎসাহ আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল সমুদ্র সৈকতে আয়োজিত বর্ণাঢ্য 'গঙ্গা আরতি'। সোমবার সন্ধ্যায় সাগর দ্বীপের কপিলমুনির আশ্রম সংলগ্ন সমুদ্র সৈকতে ব্রাহ্মণ সমিতির পক্ষ

 থেকে এই বিশেষ গঙ্গা আরতির আয়োজন করা হয়। বারাণসীর কায়দায় প্রদীপ ও ধূপের আলোকসজ্জার মাধ্যমে যখন আরতি শুরু হয়, তখন এক স্বর্গীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয় সৈকত জুড়ে। গঙ্গার এই বিশেষ বন্দনা দেখতে কয়েকশো পুণ্যার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ভিড় জমিয়েছে l

মুড়িগঙ্গা নদীর উপর গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস ও একগুচ্ছ প্রকল্পের ডালি নিয়ে পৌঁছাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে সাগরদ্বীপবাসীর। ২০২৬-এর গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এবং সুন্দরবনবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে আগামীকাল, সোমবার দুপুরে হেলিকপ্টারে করে সরাসরি সাগরদ্বীপে পৌঁছাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের সফরের সবথেকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত হতে চলেছে মুড়িগঙ্গা নদীর ওপর বহুল প্রতীক্ষিত গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস। মুখ্যমন্ত্রীর এই হাই-প্রোফাইল সফরকে কেন্দ্র করে কার্যত নিরাপত্তার নিশ্ছিদ্র বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা গঙ্গাসাগর চত্বর। হেলিপ্যাড গ্রাউন্ড থেকে কপিল মুনির আশ্রম পর্যন্ত মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। ভিড় নিয়ন্ত্রণে লাগানো হয়েছে শক্তপোক্ত ব্যারিকেড। রাস্তার দু’ধারে এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে শোভা পাচ্ছে রাজ্য সরকারের একাধিক উন্নয়নমুখী প্রকল্পের সুদৃশ্য ব্যানার ও ফেস্টুন।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, আগামীকাল সাগরে পৌঁছেই মুখ্যমন্ত্রী সুন্দরবনের একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।
 তবে সবার নজর থাকবে মুড়িগঙ্গা সেতুর ওপর। প্রায় ১,৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে চলা এই সেতুটি তৈরি হলে ভেসেলের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার ভোগান্তি চিরতরে দূর হবে। এটি কেবল পর্যটন নয়, স্থানীয় অর্থনীতির ভোল বদলে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।২০২৬-এর মেলায় রেকর্ড ভিড়ের সম্ভাবনা মাথায় রেখে মুখ্যমন্ত্রী নিজে সমস্ত পরিকাঠামো—যেমন পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আলোকসজ্জা সরেজমিনে পরীক্ষা করবেন। কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি তিনি প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করবেন। এখন কেবল আকাশপথে মুখ্যমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে সুন্দরবন।

বামফ্রন্টের প্রাক্তন সুন্দরবন বিষয়ক উন্নয়ন মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুলীর খসড়া তালিকায় নাম নেই,২০০২ এর লিস্টের নাম থাকা সত্ত্বেও হ্যারিং এর জন্য বাড়িতে বি এল ও


দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার রায়দিঘি বিধানসভার কুমড়ো পাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটার বামফ্রন্টের প্রাক্তন সুন্দরবন বিষয়ে উন্নয়ন মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুলী। 
যিনি বামফ্রন্টের আমলে দু দুবার সুন্দরবন বিষয়ক উন্নয়ন মন্ত্রী। 2002 এর বেস্ট এ নাম জ্বলজ্বল করছে অথচ ওই প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম তালিকায় না থাকায় উটছে অনেক প্রশ্ন। যদিও হেয়ারিংয়ের ডাক পেয়েছেন তিনি। বয়স ৮২ তবুও BLO বাড়িতে এলেন হিয়ারিং এর জন্য। যদিও নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন ৮৫ ঊর্ধ্ব যারা রয়েছেন তাদের বাড়িতে গিয়ে হ্যায়ারিং হবে। 
তাহলে কি প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী হয় তাকে এক্সট্রা ফেসিলিটি দেয়া হলো? প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন BLO।

তবে প্রাক্তন সুন্দরবন বিষয়ে উন্নয়ন মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুলী জানালেন তিনি কোন এক্সট্রা সুযোগ চাননি। হেয়ারিং এর জায়গায় যেতে চেয়েছিলেন। তবুও তার বাড়িতে এসে আজ কাগজপত্র নিয়ে গেলেন। 
এ বিষয়ে BLO কবিতা দাশগুপ্ত বলেন কান্তি বাবু সমস্ত কাগজপত্র দিয়েছিলেন কিন্তু কোন মতেই ফর্ম ডাউনলোড করা যাচ্ছিল না। বাধ্য হয়ে ওনাকে হিয়ারিং এর জন্য চিঠি করতে হয়। সেখানে এসে কান্তি বাবুর সঙ্গে একটি ছবি তুলে নিয়ে চলে গেলেন নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশ অনুযায়ী। তিনি আরো বলেন ২২১ নম্বর ১০৩ জন ভোটারকে ডাকা হয়েছে হ্যারিং এর জন্য।তার মধ্যেই রয়েছেন কান্তিবাবু।